দুর্নীতিসহ ১৩ অভিযোগ এনে দুর্নীতি দমন কমিশনের চাকরিচ্যুত উপপরিচালক শরীফ উদ্দিন চৌধুরী তার সাবেক কর্মস্থল দুদকের জিজ্ঞাসাবাদে এসে তার বিরুদ্ধে আনা বেশ কিছু অভিযোগ নিয়ে কথা বলেছেন গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে।
মঙ্গলবার দুপুরে দুদকের প্রধান কার্যালয় থেকে বের হয়ে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, তিনি যদি অনেক বাড়ির মালিক হবেন, তাহলে সেগুলোর দখল যেন তাকে বুঝিয়ে দেয়া হয়। তিনি যদি প্রভাব খাটিয়ে শাশুড়িকে গ্যাসের সংযোগ দিয়ে দেন, তাহলে সেটি কেন কাটা হচ্ছে না।
চাকরিচ্যুত হলেও শরীফের বিরুদ্ধে দুদকের তিনটি বিভাগীয় মামলা চলছে। সেগুলো নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করতেই তাকে ডাকা হয় দুদকে।
দুদক থেকে বের হয়ে এসে গণমাধ্যমকর্মীদের নানা প্রশ্নের এক ফাঁকে আইনি লড়াই চালিয়ে যাওয়ার কথাও বলেন তিনি।
গত ১৬ ফেব্রুয়ারি শরীফকে চাকরি থেকে অপসারণ করে প্রজ্ঞাপন জারি হয়। এরপর দুদকের কর্মকর্তা থাকাকালে নানা আলোচিত দুর্নীতির চেষ্টার অভিযোগের বিষয়ে তার তদন্তের বিষয়টি সামনে আসে। তিনি প্রভাবশালীদের বিরুদ্ধে অবস্থান নেয়ায় চাকরিচ্যুতির শিকার হয়েছেন- এমন অভিযোগ জোরালো হয়ে ওঠে।
দুর্নীতি ও সুশাসন নিয়ে কাজ করা ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ- টিআইবি এক বিবৃতিতে শরীফকে অপসারণের পেছনে কারণ জানতে চায়। বিএনপি অভিযোগ করে, দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ায় তাকে চাকরি থেকে সরিয়ে দেয়া হয়েছে।
এর মধ্যে গত ১৭ ফেব্রুয়ারি দুদক সচিব গণমাধ্যমকর্মীদের কাছে এক প্রতিক্রিয়ায় বলেন, শরীফের বিরুদ্ধে অনেক অভিযোগ আছে। সেগুলো প্রকাশ্যে বলা হবে না। তবে এর তিন দিন পর দুদক সচিব পাঁচ পৃষ্ঠার একটি ব্যাখ্যা দিয়ে জানান, মোট ১৩টি অভিযোগে এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।
সেই ব্যাখ্যায় শরীফের বিরুদ্ধে অবৈধ অর্থ উপার্জনের অভিযোগও আনা হয়।
শরীফ বলেন, ‘বলা হচ্ছে খুলশীতে আমার ৩৭টি বাড়ি আছে। আমার কথা হলো- আমার যা যা আছে, তাহলে তো তা অপরের দখলে। তা আমাকে বুঝিয়ে দেয়া হোক।’
‘আমার শাশুড়ির গ্যাস লাইন কাটে না কেন?’
দুদক অভিযোগ এনেছে শরীফ প্রভাব খাটিয়ে তার শাশুড়ির নামে অবৈধভাবে গ্যাস সংযোগ নিয়েছেন।
এ বিষয়ে তিনি বলেন, ‘আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ, আমি প্রভাব খাটিয়ে আমার শাশুড়ির বাড়িতে অবৈধ গ্যাস লাইন দিয়েছি। কোনটা আমার শাশুড়ির বাড়ি? আমি যদি অবৈধ লাইন দিয়ে থাকি, তাহলে তা বিচ্ছিন্ন করে ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে না কেন?’
তিনি বলেন, ‘অবৈধ লাইন পাওয়ায় আমি সানোয়ারা গ্রুপের লাইন বিচ্ছিন্ন করেছিলাম। আরও অনেকের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করেছি। আমার শাশুড়ির এমন লাইন থাকলে তা বিচ্ছিন্ন করা হোক।’
‘আমার ভাইয়ের চাকরি করার অধিকার নেই?’
দুদক বলেছে, শরীফ উদ্দিন ২০১৭ সালে কর্ণফুলী গ্যাসের বিভিন্ন অভিযোগের তদন্তের দায়িত্ব পাওয়ার পর কেডিসিএল কর্তৃপক্ষকে তার আপন ছোট ভাই শিহাব উদ্দিন সবুজকে কোনো বিজ্ঞাপন ছাড়াই ২০১৮ সালের ১ আগস্ট ডাটা এন্ট্রি অপারেটর পদে চাকরি দেন। বর্তমানে আইটি ডিপার্টমেন্টে কর্মরত আছেন। এরপর ভাইয়ের চাকরি স্থায়ী বরতে সবাইকে চাপ দিচ্ছিলেন। তিনি সেখানে তার আত্মীয় মুহাম্মদ শাহাব উদ্দিনকে জাল সনদের মাধ্যমে ড্রাইভার পদে চাকরি দিয়েছেন। এ নিয়ে এখন তদন্ত চলছে।
এই অভিযোগ নিয়ে জানতে চাইলে সরাসরি জবাব মেলেনি। শরীফ বলেন, ‘আমার ভাই একটি বেসরকারি কোম্পানিতে চাকরি করে। আউটসোর্সিংয়ে, নো ওয়ার্ক, নো মানি। সেই কোম্পানি হয়তো কোথাও ঠিকাদারির কাজ করে। এটা তো আমার ভাইয়ের দোষ না। আমার ভাইয়ের কি চাকরি করার অধিকার নেই?’
‘যারা রিট করেছে তাদের সঙ্গে সম্পর্ক নেই’
শরীফ উদ্দিন চৌধুরীকে অপসারণের পক্ষে-বিপক্ষে আসা অভিযোগের তদন্ত চেয়ে ১০ আইনজীবীর রিট প্রসঙ্গেও কথা বলেন তিনি।
এ-সংক্রান্ত এক প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘আমার হয়ে যারা কোর্টে রিট করেছেন, তাদের সঙ্গে আমার কোনো সম্পর্ক নেই। তাদের নামও কোনো দিন শুনিনি। এরা কেন, কোন উদ্দেশ্যে আমাকে বিবাদী করে উচ্চ আদালতে রিট করেছেন, আমি জানি না।
নথি বুঝিয়ে দিতে দেরি কেন?
দুদক অভিযোগ করেছে, পটুয়াখালীতে বদলির পর শরীফ যথাসময়ে নথি জমা দেননি। সংস্থাটি বলে, ‘কর্মস্থল ত্যাগের সঙ্গে সঙ্গে সব রেকর্ডপত্রসহ নথি যথাযথভাবে বুঝিয়ে দেয়ার বিধান রয়েছে। তা সত্ত্বেও শরীফ উদ্দিন চট্টগ্রাম কার্যালয়ে তার দায়িত্বে থাকা অনুসন্ধান ও তদন্তের নথি হস্তান্তর করেননি। প্রায় তিন মাস পর তাকে পটুয়াখালী থেকে ডেকে নিয়ে আসা হলে গত ২৯ আগস্ট তিনি নথি হস্তান্তর করেন। এই তিন মাস নথিগুলোর অনুসন্ধান বা তদন্ত করা সম্ভব হয়নি।
এ প্রসঙ্গে শরীফ বলেন, ‘আমার কাছে ১৩০টি নথি ছিল। মামলার আলামত ছিল পাঁচ আলমারি ভরা। এগুলো নিজে বুঝে চালান করে আরেকজনকে বুঝিয়ে দেয়া অনেক সময়সাপেক্ষ। তারপর আমি সেটা করেছি, হয়তো সময় লেগেছে। এরপর করোনা পরিস্থিতি ছিল।
‘করোনায় আমি নিজেও হাসপাতালে ভর্তি ছিলাম। সে কারণে আমার যোগ দিতেও দেরি হয়েছে, মামলার নথি বোঝাতেও সময় লেগেছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘কেউ বদলি হলে ছুটি নিয়ে নথি বুঝে নেয়। আমার ক্ষেত্রে সেটা হয়নি। আমাকে ২০২১ সালের ২২ আগস্ট সরাসরি শোকজ করা হয়েছে। আমি কেন নথি হস্তাস্তর করিনি। অত্যস্ত দুঃখের বিষয়, আমাকে আসতেও দেয়া হয়নি, নথি হস্তান্তরের সুযোগও দেয়া হয়নি।’
‘প্রভাবিত হয়ে অবিচার করেছে কমিশন’
শরীফের অভিযোগ, তার ওপর অবিচার হয়েছে। তিনি বলেন, ‘আমি তো মনে করি কমিশন কারও দ্বারা প্রভাবিত হওয়ার পর আমার ওপর অবিচার করেছে।’
তিনি বলেন, ‘গত ১৬ ফেব্রুয়ারি আমাকে চাকরি থেকে অপসারণ করা হয়েছে। দুঃখজনকভাবে হলেও সত্যি, আমি অপসারিত হওয়ার পরও বিভাগয়ী মামলায় হাজিরা দিচ্ছি। এটা আইনের দৃষ্টিতে কতটুকু সাম্য, তা আমি বলতে পারব না। তবে এটা নিয়ে আমি খুব বিব্রত।
শরীফ জানান, তার বিরুদ্ধে তিনটি বিভাগীয় মামলা চলমান। প্রথমটি হলো নো ডেবিট (ব্যাংক হিসাব স্থগিতের আদেশ), নথি হস্তান্তর দেরি কেন, আর তৃতীয় নম্বর ডিপি হলো আমি দেরিতে কর্মস্থলে যোগ দেয়ার কারণে।
‘প্রধানমন্ত্রীর জিরো টলারেন্স বাস্তবায়ন করতে গিয়ে প্রভাবশালীর রোষানলে’
এমন মন্তব্য করে শরীফ বলেন, ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ন্যায়বিচারের প্র্রতীক। তার কাছে খবর পৌঁছানোর কারণে আমি এখনও গুম হইনি। আমি আশা করি, তিনি আমার প্রতি ন্যায়বিচার করবেন।’
তিনি বলেন, ‘আমি আমার সন্তানসহ পরিবার নিয়ে দুরবস্থায় আছি। আমার জীবনের কোনো নিরাপত্তা নেই, নিশ্চয়তা নেই। প্রধানমন্ত্রী ও কমিশনের কাছে আমি কাজ করার সুযোগ চাই। আমি জীবন দিয়ে হলেও সুনাম রক্ষা করব।’
ছবি: সংগৃহীত
মালয়েশিয়া ও চীনে ছয় দিনের ঐতিহাসিক রাষ্ট্রীয় সফর সফলভাবে সম্পন্ন করে দেশের উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। শুক্রবার (২৬ জুন) স্থানীয় সময় বিকেল ৫টা ১৫ মিনিটে তিনি বেইজিং ড্যাক্সিং আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ‘চায়না সাউদার্ন’-এর একটি বিশেষ ফ্লাইটে ঢাকার পথে যাত্রা শুরু করেন। প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
বিমানবন্দরে প্রধানমন্ত্রী এবং তাঁর সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমানকে উষ্ণ বিদায় জানান চীনের প্রেসিডেন্টের বিশেষ দূত ইউয়ে শিয়াওইয়ং। বাংলাদেশের সরকারপ্রধানকে বিদায় জানাতে বিমানবন্দরে লাল গালিচা সংবর্ধনা ও বিশেষ প্রটোকল প্রদান করা হয়। প্রধানমন্ত্রী অত্যন্ত আত্মবিশ্বাসের সাথে সফরসঙ্গীদের নিয়ে বিমানে আরোহণ করেন।
প্রধানমন্ত্রীর এই সফরের শুরু হয়েছিল গত ২১ জুন মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের আমন্ত্রণে কুয়ালালামপুর সফরের মধ্য দিয়ে। সেখানে দুই দিন অবস্থানের পর গত সোমবার তিনি চীনের দালিয়ানে পৌঁছান এবং বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের (WEF) উচ্চপর্যায়ের সম্মেলনে অংশগ্রহণ করেন। দালিয়ান থেকে গত বুধবার তিনি বুলেট ট্রেনে করে রাজধানী বেইজিংয়ে আসেন। বেইজিং সফরকালে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং ও প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াংয়ের সঙ্গে ফলপ্রসূ দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করেন। এছাড়াও তিনি ন্যাশনাল পিপলস কংগ্রেসের চেয়ারম্যান ঝাও লেজির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ এবং বেইজিংয়ে আয়োজিত ‘বাংলাদেশ ইনভেস্টমেন্ট ফোরাম’ শীর্ষক এক বিনিয়োগ সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে ভাষণ দেন।
সংশ্লিষ্টদের মতে, প্রধানমন্ত্রীর এই সফর দুই দেশের রাজনৈতিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে এক নতুন মাইলফলক সৃষ্টি করেছে। বেইজিংয়ে সই হওয়া ১৩টি সমঝোতা স্মারক বাংলাদেশের অর্থনীতিতে বড় ধরনের প্রভাব ফেলবে বলে আশা করা হচ্ছে। আজ রাতেই প্রধানমন্ত্রী ও তাঁর সফরসঙ্গীদের ঢাকায় অবতরণ করার কথা রয়েছে।
ছবি: সংগৃহীত
চীনের রাজধানী বেইজিংয়ের ঐতিহাসিক গ্রেট হল অব দ্য পিপলে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের মধ্যকার দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে বাংলাদেশ থেকে মিয়ানমার হয়ে চীন পর্যন্ত একটি বিশেষ অর্থনৈতিক করিডোর প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। শুক্রবার অনুষ্ঠিত এই উচ্চপর্যায়ের আলোচনা শেষে বেইজিংয়ের দিয়াওইউতাই হোটেলে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন। তিনি দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের এই নতুন দিগন্তকে বাংলাদেশের অর্থনীতির জন্য অত্যন্ত ইতিবাচক হিসেবে বর্ণনা করেন।
সংবাদ সম্মেলনে মাহদী আমিন আলোচনার প্রেক্ষাপট বর্ণনা করতে গিয়ে বলেন, ‘আজকে কানেক্টিভিটি নিয়ে প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বিস্তারিত কথা হয়েছে। বৈঠকে বাংলাদেশ থেকে মিয়ানমার হয়ে চীন পর্যন্ত একটি ইকোনোমিক করিডোর তৈরির প্রস্তাব এসেছে। এই ইকোনোমিক করিডোরের মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে বাংলাদেশের অর্থনীতির ব্যাপ্তি বাড়ানো, ট্রানজেকশন বাড়ানো এবং মাল্টিমোডাল ট্রান্সপোর্টেশনকে আরো এনহ্যান্স করা।’ করিডোর ছাড়াও বাংলাদেশের সমুদ্রবন্দরগুলোর সক্ষমতা বৃদ্ধিতে চীন বিশেষ বিনিয়োগের আগ্রহ প্রকাশ করেছে। বিশেষ করে চট্টগ্রাম বন্দরকে একটি শক্তিশালী রিজিওনাল হাব বা আঞ্চলিক কেন্দ্রে রূপান্তর করতে এবং মোংলা পোর্টকে আরও বেশি আধুনিক ও সেবাধর্মী করার লক্ষ্যে বেইজিং কারিগরি ও অবকাঠামোগত সহায়তা প্রদানের প্রস্তাব দিয়েছে।
বৈঠকে দুই দেশের জনগণের মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগ বা 'পিপল টু পিপল কানেক্ট' বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। শিক্ষা, সংস্কৃতি, গণমাধ্যম এবং প্রযুক্তির ক্ষেত্রে অভিজ্ঞতা বিনিময়ের মাধ্যমে কর্মসংস্থান সৃষ্টির বিষয়ে উভয় পক্ষ একমত হয়েছে। বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থায় ম্যান্ডারিন ভাষাকে তৃতীয় ভাষা হিসেবে অগ্রাধিকার দেওয়ার যে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, তাতে চীন শিক্ষক ও অবকাঠামো দিয়ে সহযোগিতা করবে। পাশাপাশি কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষার উন্নয়নেও চীন তাদের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা বাংলাদেশের সাথে শেয়ার করতে আগ্রহী বলে জানানো হয়েছে।
স্বাস্থ্য খাতের আধুনিকায়নে দুই দেশের মধ্যে নতুন সহযোগিতার ক্ষেত্র তৈরি হতে যাচ্ছে। বেইজিংয়ের পক্ষ থেকে বাংলাদেশে রোবোটিক সার্জারিসহ উন্নত চিকিৎসা ব্যবস্থা গড়ে তোলা এবং আধুনিক হাসপাতাল প্রতিষ্ঠায় সহযোগিতার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। এছাড়া বাংলাদেশিদের জন্য চিকিৎসার প্রয়োজনে চীন ভ্রমণের ভিসা প্রক্রিয়া সহজ করার বিষয়েও ইতিবাচক আলোচনা হয়েছে। রোহিঙ্গা সংকট নিরসনে চীনের ভূমিকা নিয়ে মাহদী আমিন জানান, বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদের নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করতে বেইজিং যেকোনো ধরনের সংলাপ ও সহযোগিতায় প্রস্তুত রয়েছে।
পররাষ্ট্র ও প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে দুই দেশের মধ্যে প্রথমবারের মতো একটি গুরুত্বপূর্ণ সমঝোতা বা আন্ডারস্ট্যান্ডিং তৈরি হয়েছে, যার ফলে আগামী দিনগুলোতে উভয় দেশের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধিদের মধ্যে নিয়মিত সংলাপের আয়োজন করা হবে। একই সাথে বৈশ্বিক জোট ব্রিকসে (BRICS) বাংলাদেশের অন্তর্ভুক্ত হওয়ার আকাঙ্ক্ষাকে চীন স্বাগত জানিয়েছে। প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বের ভূয়সী প্রশংসা করে দেশটির টেকসই উন্নয়নে দীর্ঘমেয়াদী সহযোগিতার দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। এই উচ্চপর্যায়ের সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির এবং অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
ছবি: সংগৃহীত
গুমের শিকার ব্যক্তিদের পরিবারের জন্য সরকারিভাবে বিশেষ ভাতা চালুর উদ্যোগ নেওয়া হবে এবং গুমের সঙ্গে জড়িত দায়ীদের বিচার নিশ্চিত করা হবে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
শুক্রবার (২৬ জুন) রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশ (কেআইবি) মিলনায়তনে ‘International Day in Support of Victims of Torture-2026’ উপলক্ষে ‘ক্ষতিপূরণ ও পুনর্বাসনের অধিকার’ বিষয়ক জাতীয় সংলাপে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, গুমের শিকার ব্যক্তিদের পরিবারের জন্য সরকারিভাবে বিশেষ ভাতা চালু করা হবে। বিষয়টি চলতি বাজেটেই অন্তর্ভুক্ত করার ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সরকারের কাছে প্রস্তাব দেওয়া হবে।
তিনি বলেন, গুমের শিকার ব্যক্তিদের ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়া চলমান থাকবে। সকল লড়াই-সংগ্রামে সরকার আপনাদের পাশে থাকবে।
সংলাপে বিগত শাসনামলে গুমের শিকার ব্যক্তিদের পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। স্বজন হারানোর বেদনাময় স্মৃতিচারণ ও আহাজারিতে মিলনায়তনের পরিবেশ আবেগঘন হয়ে ওঠে।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বলেন, এখন কান্নার সময় নয়, এখন সময় অধিকার আদায়ের, এখন সময় ন্যায়বিচার পাওয়ার। তিনি মানবাধিকার কমিশনকে আরও শক্তিশালী করার পাশাপাশি গুম-সংক্রান্ত একটি সংসদীয় কমিটি গঠনের আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
সংলাপে আরও উপস্থিত ছিলেন সংসদ সদস্য তাহসিনা রুশদীর লুনা, সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য সানজিদা ইসলাম তুলি, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের (আইসিটি) চিফ প্রসিকিউটর মোঃ আমিনুল ইসলামসহ বিভিন্ন পর্যায়ের অতিথিবৃন্দ।
এই আয়োজনে গুমের শিকার ব্যক্তিদের পরিবারের সদস্যরা ক্ষতিপূরণ, পুনর্বাসন এবং ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার বিষয়ে তাঁদের প্রত্যাশা ও অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরেন।
ছবি: সংগৃহীত
মালয়েশিয়া ও চীনে এক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং সফল রাষ্ট্রীয় সফর শেষে আজ শুক্রবার রাতে সরাসরি বেইজিং থেকে ঢাকা পৌঁছাবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। প্রধানমন্ত্রীর এই আগমনকে কেন্দ্র করে কোনো প্রকার শোডাউন, রাজনৈতিক মিছিল কিংবা গণজমায়েত না করার জন্য দলীয় নেতাকর্মীদের কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। বিমানবন্দরের স্বাভাবিক কার্যক্রম এবং সড়কপথে সাধারণ মানুষের চলাচল সুশৃঙ্খল রাখতে এই বিশেষ সতর্কবার্তা জারি করা হয়েছে।
বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান জানিয়েছেন যে, দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব ও প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভীর মাধ্যমে এই নির্দেশনার কথা সকল স্তরের নেতাকর্মীদের জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। শুক্রবার রাত ৮টার দিকে প্রধানমন্ত্রীকে বহনকারী বিশেষ ফ্লাইটটি হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করার কথা রয়েছে। প্রধানমন্ত্রীকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাগত জানাতে বিমানবন্দরে উপস্থিত থাকবেন বিএনপি মহাসচিব ও পল্লী উন্নয়ন মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ মন্ত্রিসভার সদস্যবৃন্দ এবং সরকারের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা।
প্রধানমন্ত্রীর এই দ্বিমুখী সফর বাংলাদেশের কূটনীতি ও অর্থনীতিতে বড় ধরনের সাফল্যের বার্তা নিয়ে এসেছে। বেইজিংয়ে চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াংয়ের সঙ্গে ফলপ্রসূ দ্বিপক্ষীয় বৈঠক শেষে দুই দেশের মধ্যে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ খাতে সহযোগিতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ১৩টি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) এবং দুটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। এর আগে তাঁর মালয়েশিয়া সফরেও দুই দেশের মধ্যে তিনটি চুক্তি ও একটি সমঝোতা স্মারক সই হয়েছিল। এই সফরগুলোর মাধ্যমে আঞ্চলিক দেশগুলোর সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্যিক ও রাজনৈতিক সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
ছবি: সংগৃহীত
দক্ষিণ আমেরিকার দেশ ভেনেজুয়েলায় আঘাত হানা শক্তিশালী জোড়া ভূমিকম্পে ব্যাপক প্রাণহানি ও ক্ষয়ক্ষতির ঘটনায় গভীর শোক ও সমবেদনা প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। শুক্রবার (২৬ জুন) এক শোকবার্তায় বাংলাদেশের সরকারপ্রধান এই মর্মন্তুদ ঘটনায় নিজের ব্যথার কথা জানান। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘ভেনেজুয়েলায় আঘাত হানা ভূমিকম্পে বহু মানুষের মর্মান্তিক প্রাণহানি এবং ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞে আমরা গভীরভাবে শোকাহত।’
শোকবার্তায় প্রধানমন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন, ‘যেসব পরিবার তাদের প্রিয়জনদের হারিয়েছেন, তাদের প্রতি বাংলাদেশের জনগণের পক্ষ থেকে আমি গভীর সমবেদনা জানাই। আহত প্রত্যেকের দ্রুত সুস্থতা কামনা এবং এই কঠিন সময়ে ভেনেজুয়েলার জনগণের প্রতি সংহতি প্রকাশ করছি।’ দুর্যোগের এই ক্রান্তিকালে বাংলাদেশ ক্ষতিগ্রস্ত সাধারণ মানুষের প্রতি পূর্ণ সমর্থন জানাচ্ছে উল্লেখ করে তিনি ভেনেজুয়েলা সরকারের দ্রুত ঘুরে দাঁড়ানোর সক্ষমতা ও সাফল্য কামনা করেন।
এদিকে ভেনেজুয়েলায় সংঘটিত এই প্রাকৃতিক বিপর্যয়ে নিহতের সংখ্যা ক্রমাগত বাড়ছে। বুধবার সন্ধ্যায় পর পর দুটি শক্তিশালী ভূমিকম্পে লণ্ডভণ্ড হয়ে গেছে রাজধানী কারাকাসসহ পার্শ্ববর্তী এলাকাগুলো। রিখটার স্কেলে কম্পন দুটির মাত্রা ছিল যথাক্রমে ৭ দশমিক ১ এবং সাড়ে ৭। সবশেষ তথ্য অনুযায়ী, এই ঘটনায় এখন পর্যন্ত ২৩৫ জনের প্রাণহানি নিশ্চিত হওয়া গেছে। ভেনেজুয়েলার স্বাস্থ্যমন্ত্রী কারলোস আলভ্যারাডো জানিয়েছেন যে, ধ্বংসস্তূপ থেকে উদ্ধার হওয়া অনেক মানুষকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি। রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ‘দুঃখজনকভাবে অন্তত ২৩৫ জনকে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে, যারা হয় আগেই মারা গিয়েছিলেন, নয়তো হাসপাতালে আনার পথেই প্রাণ হারিয়েছেন।’ ভয়াবহ এই দুর্যোগের পর কারাকাসের পরিস্থিতি বর্তমানে অত্যন্ত সংকটাপন্ন।
ছবি: সংগৃহীত
দক্ষিণ আমেরিকার দেশ ভেনেজুয়েলায় আঘাত হানা শক্তিশালী জোড়া ভূমিকম্পে ব্যাপক প্রাণহানি ও ক্ষয়ক্ষতির ঘটনায় গভীর শোক ও সমবেদনা প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। শুক্রবার (২৬ জুন) এক শোকবার্তায় বাংলাদেশের সরকারপ্রধান এই মর্মন্তুদ ঘটনায় নিজের ব্যথার কথা জানান। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘ভেনেজুয়েলায় আঘাত হানা ভূমিকম্পে বহু মানুষের মর্মান্তিক প্রাণহানি এবং ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞে আমরা গভীরভাবে শোকাহত।’
শোকবার্তায় প্রধানমন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন, ‘যেসব পরিবার তাদের প্রিয়জনদের হারিয়েছেন, তাদের প্রতি বাংলাদেশের জনগণের পক্ষ থেকে আমি গভীর সমবেদনা জানাই। আহত প্রত্যেকের দ্রুত সুস্থতা কামনা এবং এই কঠিন সময়ে ভেনেজুয়েলার জনগণের প্রতি সংহতি প্রকাশ করছি।’ দুর্যোগের এই ক্রান্তিকালে বাংলাদেশ ক্ষতিগ্রস্ত সাধারণ মানুষের প্রতি পূর্ণ সমর্থন জানাচ্ছে উল্লেখ করে তিনি ভেনেজুয়েলা সরকারের দ্রুত ঘুরে দাঁড়ানোর সক্ষমতা ও সাফল্য কামনা করেন।
এদিকে ভেনেজুয়েলায় সংঘটিত এই প্রাকৃতিক বিপর্যয়ে নিহতের সংখ্যা ক্রমাগত বাড়ছে। বুধবার সন্ধ্যায় পর পর দুটি শক্তিশালী ভূমিকম্পে লণ্ডভণ্ড হয়ে গেছে রাজধানী কারাকাসসহ পার্শ্ববর্তী এলাকাগুলো। রিখটার স্কেলে কম্পন দুটির মাত্রা ছিল যথাক্রমে ৭ দশমিক ১ এবং সাড়ে ৭। সবশেষ তথ্য অনুযায়ী, এই ঘটনায় এখন পর্যন্ত ২৩৫ জনের প্রাণহানি নিশ্চিত হওয়া গেছে। ভেনেজুয়েলার স্বাস্থ্যমন্ত্রী কারলোস আলভ্যারাডো জানিয়েছেন যে, ধ্বংসস্তূপ থেকে উদ্ধার হওয়া অনেক মানুষকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি। রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ‘দুঃখজনকভাবে অন্তত ২৩৫ জনকে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে, যারা হয় আগেই মারা গিয়েছিলেন, নয়তো হাসপাতালে আনার পথেই প্রাণ হারিয়েছেন।’ ভয়াবহ এই দুর্যোগের পর কারাকাসের পরিস্থিতি বর্তমানে অত্যন্ত সংকটাপন্ন।
ছবি: সংগৃহীত
দেশের মাদক পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করছে সরকার। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের আত্মরক্ষায় আধুনিক অস্ত্র প্রদানের পাশাপাশি তাদের ক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য আইন সংশোধনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। শুক্রবার (২৬ জুন) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে ‘মাদকদ্রব্যের অপব্যবহার ও অবৈধ পাচারবিরোধী আন্তর্জাতিক দিবস’ উদযাপন উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ এই গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা দেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, “মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের কর্মকর্তাদের আধুনিক অস্ত্র দেওয়া হচ্ছে। এজন্য আগামী দুই এক দিনের মধ্যে আইন সংশোধন হবে। আইন সংশোধন হলে তারা আধুনিক অস্ত্র হিসেবে নাইন এমএম অস্ত্র পাবেন।” শুধু অস্ত্র নয়, তাদের কাজের পরিধি ও দক্ষতা বাড়াতে হাজতখানা ও প্রশিক্ষিত কুকুরও সরবরাহ করা হবে। এছাড়া দেশের প্রতিটি জেলায় উন্নত মাদক পরীক্ষার ল্যাবরেটরি স্থাপন করা হচ্ছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সময়ে সিনথেটিক ও সেমি সিনথেটিক মাদকের ব্যাপক বিস্তারের ফলে বিপুল সংখ্যক মানুষ মাদকাসক্ত হয়ে পড়ছে। মাদক চক্রগুলো অত্যাধুনিক অস্ত্র ব্যবহার করলেও আমাদের কর্মকর্তাদের কাছে প্রয়োজনীয় অস্ত্র না থাকায় পরিস্থিতি মোকাবিলা করা কঠিন হয়ে পড়েছে। এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সরকার আইনের ভিত্তিগুলো আরও শক্তভাবে দাঁড় করাতে বদ্ধপরিকর। পুরনো আইন সংশোধন করে বর্তমান সময়ের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করা হচ্ছে এবং সাইবার আইনগুলোও আরও কঠোর করা হচ্ছে।
মাদক মামলার জট প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, “ঢাকায় মাদকের ৮০ হাজার মামলা হয়েছে। সেগুলো এখনো চলছে।” তিনি সমাজের বিভিন্ন স্তরে নারী, শিশু ও কিশোরসহ নানা শ্রেণি-পেশার মানুষের মাদকে আসক্ত হওয়ার বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। মাদক নির্মূলে প্রশাসনকে আরও কঠোর অবস্থানে থাকার আহ্বান জানানোর পাশাপাশি তরুণ সমাজকে মাদক থেকে দূরে থাকার জন্য বিশেষ বার্তা দেন তিনি।
মন্তব্য