× হোম রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া সিটিজেন জার্নালিজম বিচিত্র ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য আফগানিস্তান ১৫ আগস্ট কী-কেন স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও যৌনতা-প্রজনন ইউরোপ অন্যান্য উদ্ভাবন প্রবাসী আফ্রিকা ক্রিকেট শারীরিক স্বাস্থ্য আমেরিকা দক্ষিণ এশিয়া সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ মানসিক স্বাস্থ্য ব্লকচেইন অন্যান্য ভাষান্তর ফুটবল অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
ACC lawyers sarcasm about Prothom Alo Dailystars journalism
google_news print-icon

প্রথম আলো, ডেইলি স্টার নিয়ে দুদক আইনজীবীর কটাক্ষ

প্রথম-আলো-ডেইলি-স্টার-নিয়ে-দুদক-আইনজীবীর-কটাক্ষ
দুর্নীতি দমন কমিশনের আইনজীবী খুরশীদ আলম খান। ছবি: সংগৃহীত
‘তারা কীভাবে টুইস্টিং জার্নালিজম করে? সচিব যেখানে বলে দিল হাইকোর্ট ব্যাংক একাউন্ট জব্দ অবৈধ ঘোষণা করেছে, ডেইলি স্টার পরের দিন সব কথা লিখেছে, অথচ এই অংশটুকু তারা বাদ দিয়ে দিল। এটা কি অনুন্ধানী সাংবাদিকতা? অপসারণকৃত, দুর্নীতিবাজ, আদালতের আদেশ ভঙ্গকারী শরীফের বক্তব্য ছেপেছেন পাঁচ মিনিট, অথচ দুদকের সচিবের বক্তব্য ছেপেছেন ৪০ থেকে ৫০ সেকেন্ড। এ ধরনের সাংবাদিকতায় অনুৎসাহ দেয়া উচিত।’

দৈনিক প্রথম আলো ও একই গ্রুপের ইংরেজি দৈনিক দ্য ডেইলি স্টারের সাংবাদিকতার মান নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন দুর্নীতি দমন কমিশনের আইনজীবী খুরশীদ আলম খান। তিনি বলেন, ‘এই পত্রিকা দুটি ম্যাজিশিয়ান (যাদুকর) ইয়েলো জার্নালিজম (সাংবাদিকতা) করে।’

সদ্য অপসারিত দুদক কর্মকর্তা শরীফ উদ্দিনকে নিয়ে লেখার কারণে সোমবার বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি মো. মুস্তাফিজুর রহমানের হাইকোর্ট বেঞ্চে শুনানিতে তিনি এই মন্তব্য করেন।

শুনানি শেষে আদালত দুই রিটকারি আইনজীবী এবং দুদক আইনজীবীকে লিখিত বক্তব্য দাখিলের জন্য আগামী ৮ মার্চ দিন ঠিক করে দেয়।

দুদক কর্মকর্তা শরীফ উদ্দিনের অপসারণ এবং তার বিষয়ে তদন্ত চেয়ে করা রিটের শুনানিকালে দুদক আইনজীবী খুরশীদ বলেন, ‘প্রথম আলো বাংলাদেশে ম্যাজিশিয়ান জার্নালিজম করে, ডেইলি স্টারও তার কাছাকাছি করে।

“দেখেন পত্রিকার রিপোর্ট কী বলছে, ‘ভুমি অধিগ্রহণে দুর্নীতির তদন্তে নেমে বিপদে তিনি’। ওনি কে? ওনি সেই শরীফ উদ্দিন। গত ১৬ ফেব্রুয়ারি শরীফ উদ্দিনকে দুদক থেকে অপসারণ করা হয়, ১৭ ফেব্রুয়ারি তার পক্ষে মানববন্ধন করে, আর ১৮ ফেব্রুয়ারি প্রথম আলোতে হট কেক। শিরোনাম, ‘ভুমি অধিগ্রহণে দুর্নীতির তদন্তে নেমে বিপদে তিনি।’

“এই তিনি হচ্ছেন দুদকের তদন্ত কর্মকর্তা (অপসারণকৃত) শরীফ উদ্দিন। প্রথম আলোতে রিপোর্ট, এরপর তৃতীয়পক্ষকে দিয়ে রিট করা। এর ফলে কী হলো, তার সমস্ত অপরাধগুলো ঢাকা পড়ে গেল।”

দুদক আইনজীবী বলেন, ‘প্রথম আলো এই রিপোর্টের ডেটা কোথায় পেল, কার থেকে পেল, কীভাবে পেল? একইসঙ্গে রিট পিটিশনে যে সব ডকুমেন্টস তারা দিয়েছেন, তারা এসব কোথায় পেলেন। এগুলো তো অফিসিয়াল ডকুমেন্টস।’

তিনি বলেন, ‘এ ঘটনা নিয়ে প্রথম আলো, ডেইলি স্টার অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা করতেই পারে। কিন্তু এটাকে যাচাই করতে হবে। আন্তর্জাতিক কোনো মিডিয়া যখন এসব বিষয়ে নিউজ করে তখন তারা চারটা ফোকাল পয়েন্ট থেকে যাচাই করে। প্রথম আলোর এই রিপোর্টে সেই অ্যানালাইসেস নাই।’

শরীফের অপসারণ নিয়ে রিটকারীদের রিট করার এখতিয়ার নিয়েও প্রশ্ন তুলেন দুদক আইনজীবী।

তিনি বলেন, ‘দুদক তার ইমেজ রক্ষা করতে এই কর্মকর্তা (শরীফ উদ্দিন)কে অপসারণ করে দিয়েছেন। এটা আইন অনুযায়ী করা হয়েছে।’

পাল্টা জবাবে রিটকারীদের আইনজীবী শিশির মনির আদালতে বলেন, ‘আইনের ব্যত্যয় ঘটিয়ে দুদক তার কর্মকর্তা শরীফ উদ্দিনকে অপসারণ করেছে। এ কারণেই আমরা রিট করেছি। রিটের পক্ষে কম করে হলেও ১০০ রায় নজির হিসেবে দেখানো যাবে।’

তিনি বলেন, ‘দুদক যে রুলস ফলো করে তাকে (শরীফ) অপসারণ করেছে, এই রুলসের সংজ্ঞায়ও তা পড়ে না। চারিত্রিক স্খলন, ঘুষ গ্রহণ, সামাজিক অবজ্ঞা, অসামাজিক কার্যকলাপসহ কোনো অভিযোগই তো তার বিরুদ্ধে নেই। তবে কেন তাকে অপসারণ করা হবে?’

এ সময় আদালত বলেন, ‘এই কর্মকর্তা ক্ষমতার অপব্যবহার করেছেন এমন অভিযোগ করছেন দুদক আইনজীবী।’

জবাবে শিশির মনির বলেন, ‘ক্ষমতার অপব্যবহারের কথা বলা হয়েছে। এর মাধ্যমে তিনি কিছু অর্জন করেছেন, বা অর্থ গ্রহণ করেছেন এমন তো কোনো রেকর্ড আমরা পাচ্ছি না।’

প্রথম আলো ও ডেইলি স্টারের খবর নিয়ে দুদক আইনজীবীর জবাবে রিটকারী এ আইনজীবী বলেন, ‘পত্রিকার এই রিপোর্ট নিয়ে যদি কেউ প্রশ্ন তুলতে চান, তাহলে বলতে হয় আগে জানতে হবে অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা স্বাধীন গণমাধ্যমের একটি অংশ। যদি তিনি স্বাধীন গণমাধ্যমের মতকে উপেক্ষা করেন তাহলে আমার কিছু বলার নাই। সাংবিধানিক অধিকার তিনি যদি কেড়ে নিতে চান, তাহলে আমার স্যরি বলা ছাড়া আর কিছু বলার নাই।’

শিশির মনির বলেন, ‘আমাদের দাবি হচ্ছে অপসারণকৃত দুদক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অভিযোগ এবং পাল্টা অভিযোগের তদন্ত চেয়েছি। আমরা তো শুধুমাত্র শরীফ সাহেবের জন্য রিট করি নাই। কোনো ব্যক্তি বিশেষের পক্ষে বা বিপক্ষে আমরা নই। আমাদের ব্যক্তিগত কোনো অসৎউদ্দেশ্যও নাই।

‘আমাদের কথা হচ্ছে একটি স্বাধীন প্রতিষ্ঠানের একজন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অভিযোগ পাল্টা অভিযোগ উঠেছে সেটি পরিষ্কার হোক। সেজন্য আইনে যতটুকু সুযোগ দেওয়া আছে আমরা তার ব্যবহার চাচ্ছি।’

রিটকারী আইনজীবীর পাল্টা জবাবে দুদক আইনজীবী বলেন, ‘অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা কতটুকু যেতে পারবে। অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা মানে এটা না যে একতরফা যাবে। শরীফকে নিয়ে প্রথম আলোর প্রত্যেকটা রিপোর্টে একতরফা হয়েছে।

‘দুদক সচিব সেই তার দপ্তরে একটা সংবাদ সম্মেলনে করে এ বিষয়ে বিস্তারিত বলেছেন। সেখানে তিনি এটাও বলেছেন, শরীফ যে ৩৩টা ব্যাংক একাউন্ট জব্দ করেছেন, তার মধ্যে ২৫টি লিখিত আর ৮টা অলিখিত।

‘পরের দিন ডেইলি স্টারে তার এই বক্তব্য এসেছে, পাশাপাশি শরীফের বক্তব্য। এটা তারা করেছে খুবই কৌশলী হয়ে। ম্যাজিশিয়ান জার্নালিজমের আকারে। এ বিষয়ে কোর্টের যে আদেশ আছে তা স্পর্শও করেনি তারা। অথচ সচিব মহোদয় এ বিষয়ে পুরোপুরি ব্যাখ্যা দিয়েছেন।

‘এটা কি অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা? আমাদের মতো সাধারণ মানুষ এটাকে বলে ম্যাজিশিয়ান ইয়ালো জার্নালিজম।’

এই সাংবাদিকতার বিষয়ে প্রথম আলো ও ডেইলি স্টারের উদ্দেশ্য কী, সে প্রশ্নও রাখেন দুদক সচিব। পরে নিজেই জবাব দিয়ে বলেন, ‘এটা দিয়ে তারা বুঝাতে চাচ্ছে, প্রধানমন্ত্রী যখন দুর্নীতির বিষয়ে জিরো টলারেন্স, অথচ তার সরকারের সময় দুর্নীতি দমন কমিশন কী করছে? ভালো তদন্ত কর্মকর্তাকে অপসারণ করে দিচ্ছে। এটাই ডেইলি স্টার, প্রথমআলো ও টিআইবির উদ্দেশ্য।

‘এটা খুবই ভয়ঙ্কর বিষয়। এটা গুরুত্বের সঙ্গে দেখা দরকার। না হলে তারা কীভাবে টুইস্টিং জার্নালিজম করে? সচিব যেখানে বলে দিলেন হাইকোর্ট ব্যাংক একাউন্ট জব্দ অবৈধ ঘোষণা করেছে, ডেইলি স্টার পরের দিন সব কথা লিখেছে, অথচ এই অংশটুকু তারা বাদ দিয়ে দিল। এটা কি অনুন্ধানী সাংবাদিকতা?

‘অপসারণকৃত, দুর্নীতিবাজ, আদালতের আদেশ ভঙ্গকারী শরীফের বক্তব্য ছেপেছেন পাঁচ মিনিট, অথচ দুদকের সচিবের বক্তব্য ছেপেছেন ৪০ থেকে ৫০ সেকেন্ড। এ ধরনের সাংবাদিকতায় অনুৎসাহ দেয়া উচিত।’

পরে আদালত দুই পক্ষকে তাদের আরও বক্তব্য বা তথ্য দেয়ার থাকলে তা লিখিত আকারে দেয়ার নির্দেশ দিয়ে ৮ মার্চ পরবর্তী তারিখ ঘোষণা করে।

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) উপসহকারী পরিচালক পদ থেকে শরীফ উদ্দিন চৌধুরীকে অপসারণের পক্ষে-বিপক্ষে আসা অভিযোগের তদন্ত চেয়ে ১০ আইনজীবী হাইকোর্টে রিট করেন। ওই রিটের আজকে শুনানি হয়।

রিটকারী ১০ আইনজীবী হলেন শিশির মনির, রেজওয়ানা ফেরদৌস, জামিলুর রহমান খান, উত্তম কুমার বণিক, মুস্তাফিজুর রহমান, মো. তারেকুল ইসলাম, আহমেদ আব্দুল্লাহ খান, সৈয়দ মোহাম্মদ রায়হান, সাইফুল ইসলাম ও মোহাম্মদ নওয়াব আলী।

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Mobile library program is being conducted at 3 200 spots Minister of Culture

‘৩,২০০ স্পটে পরিচালিত হচ্ছে ভ্রাম্যমাণ লাইব্রেরি কার্যক্রম’: সংস্কৃতিমন্ত্রী

‘৩,২০০ স্পটে পরিচালিত হচ্ছে ভ্রাম্যমাণ লাইব্রেরি কার্যক্রম’: সংস্কৃতিমন্ত্রী

সংস্কৃতিবিষয়কমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী জানিয়েছেন, দেশের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর কাছে বই পড়ার সুযোগ পৌঁছে দিতে বর্তমানে ৭৬টি ভ্রাম্যমাণ লাইব্রেরি গাড়ির মাধ্যমে ৬৪ জেলার ৩৬৮টি উপজেলা ও থানার তিন হাজার ২০০টি স্পটে কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে কুড়িগ্রাম-১ আসনের বিরোধীদলীয় (জামায়াতে ইসলামী) সংসদ সদস্য মো. আনোয়ারুল ইসলামের টেবিল উত্থাপিত এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান।

সংস্কৃতিমন্ত্রী বলেন, ‘ভ্রাম্যমাণ লাইব্রেরি কার্যক্রমের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের জন্য, বিশেষ করে নারী ও শিশু-কিশোরদের কাছে বই পড়ার বিকল্প উৎস তৈরি করা হচ্ছে। পাশাপাশি পাঠাভ্যাস গড়ে তোলা, জ্ঞানচর্চা বৃদ্ধি এবং কিশোর-কিশোরীদের সামাজিক ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।’

নিতাই রায় চৌধুরী আরও জানান, জনগণের মধ্যে বই পড়ার অভ্যাস বৃদ্ধি, জ্ঞানের আলো ছড়িয়ে দেওয়া, তরুণ প্রজন্মকে অপসংস্কৃতি ও মাদকের প্রভাব থেকে দূরে রাখা এবং সুস্থ সাংস্কৃতিক পরিবেশ গড়ে তোলার লক্ষ্যে সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীন বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি ‘উপজেলা পর্যায়ে সাংস্কৃতিক কেন্দ্র নির্মাণ’ শীর্ষক একটি প্রকল্প প্রস্তাব প্রক্রিয়াধীন রেখেছে।

তিনি বলেন, ‘প্রস্তাবিত প্রকল্পে প্রতিটি সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের একটি ফ্লোর পাবলিক লাইব্রেরি হিসেবে বরাদ্দ রাখার পরিকল্পনা রয়েছে।’

প্রথম পর্যায়ে ২৬টি উপজেলা সাংস্কৃতিক কমপ্লেক্স নির্মাণের জন্য সমীক্ষা কার্যক্রম সম্পন্ন করে উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব (ডিপিপি) প্রণয়ন করা হয়েছে।

মন্ত্রী আরও জানান, প্রকল্পটি অনুমোদিত হলে পর্যায়ক্রমে কুড়িগ্রাম-১ আসনের ভুরুঙ্গামারী ও নাগেশ্বরী উপজেলাসহ দেশের সব উপজেলায় সাংস্কৃতিক কমপ্লেক্স ও আধুনিক লাইব্রেরি নির্মাণ করা হবে।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
ACC summoned Mahbub Morshed former MD of Bus

বাসসের সাবেক এমডি মাহবুব মোর্শেদকে তলব করল দুদক

বাসসের সাবেক এমডি মাহবুব মোর্শেদকে তলব করল দুদক

বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থার সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান সম্পাদক মাহবুব মোর্শেদকে তলব করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। ‘অনিয়ম ও দুর্নীতির’ অভিযোগ অনুসন্ধানের অংশ হিসেবে তার বক্তব্য শুনতে তাকে ডাকা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার দুদকের উপপরিচালক ও অনুসন্ধানকারী কর্মকর্তা এ কে এম মাহবুবুর রহমানের সই করা এক নোটিশ পাঠানো হয়। তাতে মাহবুব মোর্শেদকে আগামী সোমবার দুপুর ৩টায় সেগুনবাগিচায় কমিশনের প্রধান কার্যালয়ে হাজির হতে বলা হয়েছে।

নোটিশে আরও বলা হয়, মাহবুব মোর্শেদ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থার (বাসস) বিরুদ্ধে নানাবিধ অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে। সুষ্ঠু অনুসন্ধানের স্বার্থে আপনার বক্তব্য শ্রবণ ও গ্রহণ করা একান্ত প্রয়োজন।

নোটিশে তাকে জাতীয় পরিচয়পত্র ও পাসপোর্টের কপিসহ হাজির হতে বলা হয়েছে।

রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা বাসসের এমডি ও প্রধান সম্পাদকের দায়িত্বে থাকার সময় নিজের একটি গাড়ি আরেকটি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে রাষ্ট্রায়ত্ত এ সংবাদমাধ্যমেই ভাড়া দেওয়ার অভিযোগ উঠেছিল মাহবুব মোর্শেদের বিরুদ্ধে।

২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ওই বছরের ১৮ আগস্ট সাংবাদিক মাহবুব মোর্শেদকে দুই বছর মেয়াদে বাসসের এমডি ও প্রধান সম্পাদকের দায়িত্ব দেয় অন্তর্বর্তী সরকার।

গত ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জিতে বিএনপি সরকার গঠনের পরদিন ১৮ ফেব্রুয়ারি বাসসে গিয়ে কর্মীদের ‘বিক্ষোভের’ মুখে পড়েন মাহবুব মোর্শেদ। সেদিন অফিস থেকে বের হয়ে যাওয়ার পর আর সেখানে ফেরেননি তিনি। পরে ফেসবুকে নিজের আইডিতে এক পোস্টে তিনি অভিযোগ করে লেখেন, ‘মব তৈরি করে’ তাকে ‘অপসারণের’ জন্য চাপ তৈরি করা হয়েছে।

এর পরদিন তার বিরুদ্ধে ওঠা ‘দুর্নীতির’ অভিযোগ তদন্তে চার সদস্যের কমিটি গঠন করে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়। কমিটির কাছে তার বিরুদ্ধে আরও কিছু অনিয়মের অভিযোগ জমা পড়ার কথা বলেন বাসসের কর্মীদের কয়েকজন।

সবশেষ গত ১ এপ্রিল এক প্রজ্ঞাপনে মাহবুব মোর্শেদের চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ বাতিল করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The High Court directed to conduct the written examination for the post of EC data entry operator within 60 days

ইসির ডাটা এন্ট্রি অপারেটর পদের লিখিত পরীক্ষা ৬০ দিনের মধ্যে নেওয়ার নির্দেশ হাইকোর্টের

ইসির ডাটা এন্ট্রি অপারেটর পদের লিখিত পরীক্ষা ৬০ দিনের মধ্যে নেওয়ার নির্দেশ হাইকোর্টের

নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের অধীন ডাটা এন্ট্রি অপারেটর পদে প্রিলিমিনারী পরীক্ষায় উত্তীর্ণদের লিখিত পরীক্ষা ৬০ দিনের মধ্যে নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। এ সংক্রান্ত রিট মামলা নিষ্পত্তি করে বৃহস্পতিবার বিচারপতি ফাহমিদা কাদের ও বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্ত্তীর সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় দেন।

পরে রায়ের বিষয়টি সাংবাদিকদের জানান অ্যাডভোকেট নুরুল ইসলাম মুকুল। তিনি বলেন, ‘রায়ের অনুলিপি পাওয়ার ৬০ দিনের মধ্যে লিখিত পরীক্ষা গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।’

এর আগে ২০১৯ সালের ২০ মে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন সচিবালয় এক বিজ্ঞপ্তি জারি করে। সেখানে ডাটা এন্ট্রি অপারেটর (গ্রেড-১৬) পদে ৪৬৮ জনকে নিয়োগের কথা উল্লেখ করা হয়। ওই বিজ্ঞপ্তির ভিত্তিতে ২০২৪ সালের ২৮ মার্চ অনুষ্ঠিত প্রিলিমিনারী পরীক্ষায় ১৯ হাজার ৫৬২ জন উত্তীর্ণ হন। কিন্তু গত দুই বছরেও এই পরীক্ষা গ্রহণ করেনি নির্বাচন কমিশন সচিবালয়।

পরে প্রিলিমিনারী পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শহীদুল ইসলামসহ ৬৬ জন হাইকোর্টে রিট করেন। ওই রিটের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে গত বছরের ১০ নভেম্বর হাইকোর্ট ৬০ দিনের মধ্যে পরীক্ষা গ্রহণ করতে সংশ্লিষ্ট সচিবালয়কে নির্দেশ দেন। এরপরেও পরীক্ষা অনুষ্ঠানে কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।

শুনানিকালে নির্বাচন কমিশনের পক্ষের আইনজীবী আদালতকে জানান, আগামী ১০ জুলাই লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

জবাবে রিটকারী পক্ষের কৌঁসুলি নুরুল ইসলাম মুকুল বলেন, ‘ইতোপূর্বে চারবার দিন ধার্য করলেও পরীক্ষা গ্রহণ করেনি কর্তৃপক্ষ। ফলে এই ধার্যকৃত দিনেও যে পরীক্ষা গ্রহণ করা হবে তা নিশ্চয়তা কোথায়।’

শুনানি শেষে হাইকোর্ট জারিকৃত রুল নিষ্পত্তি করে ৬০ দিনের মধ্যে পরীক্ষা গ্রহণের জন্য নির্বাচন কমিশন সচিবালয়কে নির্দেশ দেন।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
172 Bangladeshis returned home from Libya

লিবিয়া থেকে দেশে ফিরলেন ১৭২ বাংলাদেশি

লিবিয়া থেকে দেশে ফিরলেন ১৭২ বাংলাদেশি

লিবিয়া থেকে ফিরেছেন ১৭২ জন বাংলাদেশি। তারা দেশেটির বেনগাজীর গানফুদা ডিটেনশন সেন্টারে আটক ছিলেন। বৃহস্পতিবার বুরাক এয়ারের বিশেষ ফ্লাইটে তাদের দেশে ফিরিয়ে আনা হয়।

লিবিয়া সরকার ও আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার সহযোগিতায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, লিবিয়ায় অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে তারা দেশে ফিরেছেন। এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার কর্মকর্তারা বিমানবন্দরে তাদের অভ্যর্থনা জানান উল্লেখ করে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ওই বাংলাদেশিদের অধিকাংশই সমুদ্রপথে অবৈধভাবে ইউরোপ যাওয়ার উদ্দেশ্যে মানবপাচারকারীদের প্ররোচনায় ও সহযোগিতায় লিবিয়ায় অনুপ্রবেশ করেন বলে জানা গেছে। তাদের অনেকে লিবিয়াতে বিভিন্ন সময়ে অপহরণ ও নির্যাতনের শিকার হয়েছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে তাদের অভিজ্ঞতা সবার সঙ্গে বিনিময় করতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে অনুরোধ জানানো হয়েছে। আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার পক্ষ থেকে তাদের প্রত্যেককে পথখরচা, কিছু খাদ্যসামগ্রী, প্রাথমিক চিকিৎসা এবং প্রয়োজনে অস্থায়ী বাসস্থানের ব্যবস্থা করা হয়েছে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
12 thousand 633 crores of bribe transactions in one year during Yunus period
টিআইবির খানা জরিপ

ইউনূস আমলে এক বছরে ঘুষ লেনদেন ১২ হাজার ৬৩৩ কোটি টাকা

ইউনূস আমলে এক বছরে ঘুষ লেনদেন ১২ হাজার ৬৩৩ কোটি টাকা ছবি: সংগৃহীত

মুহম্মদ ইউনূস নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের (২০২৪ সালের নভেম্বর থেকে ২০২৫ সালের অক্টোবর পর্যন্ত) এক বছরে বিভিন্ন সেবা খাতে মোট ১২ হাজার ৬৩৩ কোটি ২০ লাখ টাকা ঘুষ লেনদেন হয়েছে বলে জানিয়েছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)।

টিআইবি বলছে, জরিপটি অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ের দুর্নীতির চিত্রের বিশ্লেষণ।

বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) সকালে রাজধানীর ধানমন্ডিতে টিআইবি কার্যালয়ে ‘সেবা খাতে দুর্নীতি: জাতীয় খানা জরিপ ২০২৫’ শীর্ষক এক জরিপের ফলাফলে এ তথ্য তুলে ধরা হয়েছে।

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) নমুনাকাঠামো ব্যবহার করে দেশের আটটি বিভাগের গ্রাম ও শহরাঞ্চল থেকে দুই ধাপে দৈবচয়ন পদ্ধতিতে ১ হাজার ১৪৯টি এলাকা নির্বাচন করে এই জরিপ করেছে টিআইবি। জরিপে সুনির্দিষ্ট ১৮টি সেবা খাতের চিত্র উঠে এসেছে। এর আগে ২০২৩ সালে এই জরিপ করেছিল টিআইবি।

বর্তমান জরিপের ফলাফল বলছে, ২০২৩ সালের মতো ২০২৫ সালেও পাসপোর্ট (৭৬.৬ শতাংশ) ও বিআরটিএ (৬৩.৫) থেকে সেবা নিতে গিয়ে সবচেয়ে বেশি মানুষ ঘুষ ও দুর্নীতির শিকার হয়েছেন। এরপর রয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থা, কৃষি, ভূমি ও বিচারসংশ্লিষ্ট সেবা। এসব খাতে পরিবারপ্রতি গড় ঘুষের পরিমাণও সবচেয়ে বেশি।

তবে সার্বিকভাবে পরিবারপ্রতি গড় ঘুষের পরিমাণ ২০২৩ সালের তুলনায় প্রায় ১০ শতাংশ কমেছে। গত বছরে খানাপ্রতি গড় ঘুষের পরিমাণ ৫ হাজার ১২৪ টাকা।

জরিপে অংশ নেওয়া ৮১ দশমিক ৫ শতাংশ পরিবার মনে করে, ঘুষ ছাড়া সেবা পাওয়া কঠিন। বিশেষ করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থা ও বিচারিক সেবায় ঘুষ ও দুর্নীতির উচ্চহার মানুষের ন্যায়বিচার পাওয়ার পথে বাধা হয়ে আছে। পাশাপাশি কৃষি, স্থানীয় সরকার, ভূমি, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, পাসপোর্ট ও বিআরটিএ খাতেও দুর্নীতির প্রবণতা বেড়েছে বা আগের মতোই রয়ে গেছে।

দুর্নীতির শিকার হলেও ৬১ দশমিক ৩ শতাংশ পরিবার কোনো অভিযোগ করেনি। তাদের মতে, পুরো ব্যবস্থাই দুর্নীতিগ্রস্ত। আবার প্রায় অর্ধেক পরিবারেরই দুর্নীতির অভিযোগ কোথায় ও কীভাবে করতে হয়, সে বিষয়ে কোনো ধারণা নেই।

দুদক সম্পর্কে ২৯ দশমিক ৫ শতাংশ এবং সরকারি অভিযোগ প্রতিকার ব্যবস্থা (জিআরএস) সম্পর্কে মাত্র ১ দশমিক ৪ শতাংশ পরিবার জানলেও অভিযোগ করার হার খুবই কম। অভিযোগ করা হলেও অনেক ক্ষেত্রে তা গ্রহণ করা হয়নি বা কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।

জরিপে অংশগ্রহণকারীরা মনে করেন, দুর্নীতির পেছনে সবচেয়ে বড় কারণ বিচারহীনতা, সচেতনতার অভাব এবং দুর্নীতিতে জড়িত ব্যক্তিদের শাস্তির বদলে সুবিধা পাওয়া।

জরিপে আরও দেখা গেছে, গ্রামাঞ্চলের পরিবারগুলো শহরের তুলনায় বেশি ঘুষের শিকার হয় (৬৬ শতাংশ বনাম ৫৮ দশমিক ৫ শতাংশ)। তবে ঘুষের পরিমাণের দিক থেকে শহরের পরিবারগুলোকে বেশি টাকা দিতে হয়েছে। নিম্ন আয়ের পরিবারগুলো তাদের আয়ের তুলনায় বেশি ঘুষ দিতে বাধ্য হয়।

টিআইবির প্রতিবেদনে আরও জানানো হয়েছে, ‘নারী, আদিবাসী ও প্রতিবন্ধী’ ব্যক্তিদের জন্য এ পরিস্থিতি আরও কঠিন হয়ে উঠছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, বিভিন্ন খাতে ডিজিটাল সেবা চালু হলেও তা দুর্নীতি কমাতে পুরোপুরি কার্যকর হয়নি। অনেক ক্ষেত্রে সেবাগ্রহীতাদের এখনো দালাল বা মধ্যস্বত্বভোগীদের ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে, ফলে ঘুষ ও দুর্নীতির সুযোগ থেকেই যাচ্ছে।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
India launched tourist visa for Bangladeshis

বাংলাদেশিদের জন্য পর্যটন ভিসা চালু করল ভারত

বাংলাদেশিদের জন্য পর্যটন ভিসা চালু করল ভারত ছবি: সংগৃহীত

দীর্ঘ প্রায় দুই বছরের প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য পর্যটন বা ট্যুরিস্ট ভিসা পুনরায় চালু করার আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিয়েছে ভারত। আগামী ২৮ জুন থেকে এই ক্যাটাগরির ভিসার জন্য আবেদন করা যাবে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত নবনিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার দিনেশ ত্রিবেদী। বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) বিকেলে রাজধানীর যমুনা ফিউচার পার্কে অবস্থিত ভারতীয় ভিসা আবেদন কেন্দ্র (আইভ্যাক) পরিদর্শন শেষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এই গুরুত্বপূর্ণ তথ্য জানান।

ভারতীয় হাইকমিশনার জানান, প্রাথমিকভাবে ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেট, রাজশাহী ও খুলনা—এই পাঁচটি প্রধান শহরের ভিসা কেন্দ্রগুলো থেকে পর্যটন ভিসার আবেদন গ্রহণ করা শুরু হবে। তবে পর্যায়ক্রমে অন্যান্য শহরের ভিসা সেন্টারগুলোতেও এই কার্যক্রম সম্প্রসারিত করা হবে। উল্লেখ্য যে, বাংলাদেশে রাজনৈতিক পটপরিবর্তন ও নিরাপত্তা পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে গত প্রায় দুই বছর ধরে সাধারণ ভ্রমণ বা ট্যুরিস্ট ভিসা প্রদান স্থগিত রেখেছিল ভারত। হাইকমিশনার হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রথম গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে এই ঘোষণা দিতে পেরে তিনি বিশেষ সন্তোষ প্রকাশ করেন।

মেডিকেল ভিসা প্রসঙ্গে দিনেশ ত্রিবেদী উল্লেখ করেন যে, এই ক্যাটাগরির ভিসা প্রদান প্রক্রিয়া আগে থেকেই চালু রয়েছে এবং এর পরিধি আরও বৃদ্ধি করা হবে। বিশেষ করে মানবিক বিবেচনায় জরুরি চিকিৎসার প্রয়োজনে আসা আবেদনকারীদের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হবে বলে তিনি নিশ্চিত করেন। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, দীর্ঘ বিরতির পর সাধারণ ভিসা চালু হওয়ার ফলে দুই দেশের জনগণের মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক ও যোগাযোগ আরও সুদৃঢ় হবে।

এর আগে আজ বৃহস্পতিবার সকালে বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের কাছে পরিচয়পত্র পেশ করার মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে ঢাকা মিশনের দায়িত্বভার গ্রহণ করেন দিনেশ ত্রিবেদী। দায়িত্ব শুরুর প্রথম দিনেই ভিসা আবেদন কেন্দ্র পরিদর্শনে এসে তিনি সাধারণ মানুষের সুবিধা-অসুবিধার খোঁজখবর নেন। তিনি জানান, ভবিষ্যতে নিয়মিতভাবে ভিসা সেন্টার পরিদর্শন করে সাধারণ আবেদনকারীদের কথা শুনবেন এবং সেবার মান উন্নয়নে গণমাধ্যমকর্মীদের সুচিন্তিত পরামর্শ গ্রহণ করবেন। ভারতের এই সিদ্ধান্তের ফলে সাধারণ পর্যটক, শিক্ষার্থী এবং ব্যবসায়ীদের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Presenting identity card of Indian High Commissioner Dinesh Trivedi to the President

রাষ্ট্রপতির কাছে ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদীর পরিচয়পত্র পেশ

রাষ্ট্রপতির কাছে ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদীর পরিচয়পত্র পেশ ছবি: সংগৃহীত

ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের নবনিযুক্ত হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী আজ বৃহস্পতিবার সকালে বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিনের কাছে তাঁর আনুষ্ঠানিক পরিচয়পত্র পেশ করেছেন। সাবেক এই রেলমন্ত্রীকে গত এপ্রিলে বাংলাদেশের জন্য ভারতের ১৬তম হাইকমিশনার হিসেবে নিয়োগ দেয় নয়াদিল্লি। গত ১২ জুন তিনি পশ্চিমবঙ্গ থেকে স্থলসীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে এসে পৌঁছান এবং দায়িত্বভার গ্রহণ করেন।

এদিকে, দায়িত্ব গ্রহণের পরপরই দীনেশ ত্রিবেদীকে একটি বিশেষ রাষ্ট্রীয় সম্মাননায় ভূষিত করেছে ভারত সরকার। গত ২৪ জুন জারি করা এক সরকারি পরিপত্রের মাধ্যমে জানানো হয়েছে যে, বাংলাদেশে দায়িত্বরত থাকাকালীন তাঁকে ভারতের কেন্দ্রীয় ক্যাবিনেট মন্ত্রীর সমমর্যাদা দেওয়া হয়েছে। মূলত আনুষ্ঠানিক প্রটোকলের ক্ষেত্রে এবং রাষ্ট্রীয় অগ্রাধিকার তালিকায় (টেবিল অব প্রিসিডেন্স) তিনি এই উচ্চমর্যাদা ভোগ করবেন।

তবে স্মারকে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে, এই মর্যাদা শুধুমাত্র রাষ্ট্রীয় ও আনুষ্ঠানিক অনুষ্ঠানের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে। এটি দীনেশ ত্রিবেদীর ব্যক্তিগত সম্মাননা হিসেবে গণ্য হবে এবং এর ফলে ভারতের স্থায়ী প্রটোকল তালিকায় বা ‘টেবিল অব প্রিসিডেন্স’-এর মৌলিক কাঠামোতে কোনো স্থায়ী পরিবর্তন আনা হচ্ছে না। কূটনৈতিক মহলে দীনেশ ত্রিবেদীর এই বর্ধিত মর্যাদা দুই দেশের মধ্যকার নিবিড় সম্পর্কের প্রতিফলন হিসেবে দেখা হচ্ছে।

মন্তব্য

p
উপরে