× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
BICM Research Seminar 10 held
hear-news
player
print-icon

বিআইসিএমের রিসার্চ সেমিনার-১০ অনুষ্ঠিত

বিআইসিএমের-রিসার্চ-সেমিনার-১০-অনুষ্ঠিত
সেমিনারে মোহাম্মদ সালাহউদ্দিন চৌধুরী বলেন, ‘পরিচালনার ক্ষমতা প্রতিযোগিতামূলক সুবিধা হিসেবেই বিবেচিত এবং তা স্টেকহোল্ডারদের স্বার্থ রক্ষার্থে অপরিহার্য।’

বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অফ ক্যাপিটাল মার্কেটের (বিআইসিএম) মাল্টিপারপাস হলে সম্প্রতি ‘বিআইসিএম রিসার্চ সেমিনার-১০’ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রোববার সকালে এ সেমিনার অনুষ্ঠিত হয় বলে ইনস্টিটিউটের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

সেমিনারে ‘আয়ের ব্যবস্থাপনাগত ক্ষমতা এবং মূল্য প্রাসঙ্গিকতা’ শীর্ষক মূল প্রবন্ধ উপস্থাপনা করেন লং আইল্যান্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. ইব্রাহিম সিরাজ।

বিআইসিএমের নির্বাহী প্রেসিডেন্ট অধ্যাপক মাহমুদা আক্তারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সেমিনারে আলোচক ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালযয়ের ফিন্যান্স বিভাগের অধ্যাপক মোহাম্মদ সালাহউদ্দিন চৌধুরী ও কুইন্সল্যান্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রভাষক দেওয়ান রহমান।

ইনস্টিটিউটের রিসার্চ পরামর্শক সুবর্ণ বড়ুয়া সেমিনারটি সঞ্চালনা করেন।

সেমিনারে উপস্থাপিত গবেষণায় আর্নিংস টু ভ্যালু ইক্যুইটির ওপর পুঁজিবাজার কতটা নির্ভরশীল ও সেটা কতটা ব্যবস্থাপনার মান দ্বারা প্রভাবিত হয় তা তুলে ধরা হয়। গবেষণায় প্রাপ্ত তথ্য থেকে দেখা যায়, ব্যবস্থাপনাগত ক্ষমতা এবং মান উপার্জনের প্রাসঙ্গিকতার মধ্যে একটি শক্তিশালী ইতিবাচক সম্পর্ক রয়েছে; যেটি উপার্জনের প্রাসঙ্গিকতাকেই নির্দেশ করে। এ ছাড়া দুর্বল করপোরেট গভর্ন্যান্স এবং পণ্য বাজার শক্তি আয়ের মান প্রাসঙ্গিকতাকে ইতিবাচকভাবে প্রভাবিত করে। সর্বোপরি কোনো কোম্পানির উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা ভালো হলে তারা কোম্পানির হিসাবসংক্রান্ত তথ্যকে কোম্পানির বাজার মূল্যায়নের ক্ষেত্রে আরও বেশি গুরুত্বপূর্ণ করে তুলতে পারেন।

মোহাম্মদ সালাহউদ্দিন চৌধুরী বলেন, ‘এই সময়ে পরিচালনার ক্ষমতা প্রতিযোগিতামূলক সুবিধা হিসেবেই বিবেচিত এবং তা স্টেকহোল্ডারদের স্বার্থ রক্ষার্থে অপরিহার্য।’

দেওয়ান রহমান পরিচালনার ক্ষমতা নির্ণয়ের জন্য প্রবর্তিত সূচকের প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরে বলেন, ‘এটি হবে বর্তমান গবেষণায় মূল্য সংযোজন।’

সেমিনার শেষে প্রশ্নোত্তর পর্ব অনুষ্ঠিত হয়। এতে বিআইসিএমের অনুষদ সদস্য, কর্মকর্তা এবং আমন্ত্রিত অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন:
ছোটদের ঋণ সহজ ও দ্রুত করবে ফিনটেক

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
50 paisa increase the price of four taka increase the logic?

‘৫০ পয়সা খরচ বাড়ায় দাম চার টাকা বাড়ার লজিক আছে?’

‘৫০ পয়সা খরচ বাড়ায় দাম চার টাকা বাড়ার লজিক আছে?’ সচিবালয়ে বুধবার এক কোটি পরিবারের মধ্যে টিসিবির ভর্তুকি মূল্যে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য বিক্রি কার্যক্রম নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি। ছবি: নিউজবাংলা
ধরেন তেলের দাম বাড়ায় পরিবহন খরচের জন্য প্রতি কেজিতে ৫০ পয়সা করে বাড়তে পারে, সেখানে ব্যবসায়ীরা ৪ টাকা পর্যন্ত বাড়িয়েছে। এখানে কোনো লজিক আছে? নাই: বাণিজ্য মন্ত্রী

জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর কারণে চালের পরিবহন ব্যয় কেজিপ্রতি ৫০ পয়সা বাড়তে পারে বলে মনে করেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি। আর এর সুযোগ নিয়ে ব্যবসায়ীরা দাম চার টাকা পর্যন্ত বাড়িয়ে দিয়েছেন জানিয়ে উষ্মা প্রকাশ করেছেন তিনি। বলেছেন, এটা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।

মন্ত্রী বলেন, ‘এভাবে দাম বাড়ানোর কোনো যৌক্তিকতা নেই। সুযোগ পেয়ে লাফিয়ে পড়েছে ব্যবসায়ীরা।’

সচিবালয়ে বুধবার এক কোটি পরিবারের মধ্যে টিসিবির ভর্তুকি মূল্যে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য বিক্রি কার্যক্রম নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান।

গত ৫ আগস্ট থেকে ডিজেলের দাম লিটারে ৩৪ টাকা বাড়ানোর পর পণ্যমূল্য আরেক দফা লাফ দেয়ায় জনসাধারণের জীবন হয়েছে আরও কঠিন। তবে পণ্যমূল্য যে হারে বেড়েছে, তা পরিবহন খরচ বৃদ্ধির তুলনায় অনেক বেশি বলে মনে করে সরকার।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সম্প্রতি বলেছেন, পণ্যমূল্য এতটা বাড়ার কোনো কারণ নেই।

মাত্রাতিরিক্ত মুনাফার প্রবণতা তুলে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ‘ব্যবসায়ীরা সুযোগ যখন নেয়, সবাই একবারে লাফ দিয়ে নেয়।…ধরেন তেলের দাম বাড়ায় পরিবহন খরচের জন্য প্রতি কেজিতে ৫০ পয়সা করে বাড়তে পারে, সেখানে ব্যবসায়ীরা ৪ টাকা পর্যন্ত বাড়িয়েছে। এখানে কোনো লজিক আছে? নাই৷’

এই অতিমুনাফার প্রবণতা সহজে থামানো যাবে না বলেও মনে করেন টিপু মুনশি। বলেন, ‘আমরা তো এসব একবারে শেষ করতে পারব না। তাদের সঙ্গে বসে সেটেল (নিষ্পত্তি) করতে হবে। আমাদের একটু সময় দেন। আমরা সবাই মিলে চেষ্টা করছি।

‘আমাদের একটু সময় দেন। আমরা সবাই মিলে চেষ্টা করছি। আমরা কষ্টে আছি, স্বীকার করছি।’

মন্ত্রী আরও বলেন, ‘আমরা এ বিষয়গুলো দেখছি। তবে সবকিছু বাণিজ্য মন্ত্রণালয় নিয়ন্ত্রণ করে না। আর সব ব্যাপারে আমি আপনাদের বোঝাতে পারব, তা কিন্তু নয়। আমার যেটা কথা…হঠাৎ করে সুযোগ কেউ কেউ নিয়েছে। যে পরিমাণ বাড়ার কথা, তার থেকে অনেক বেশি সুযোগ নিয়েছে, এটা সত্যি কথা। আমরা চেষ্টা করছি।’

ডলারে ক্রমবর্ধমান দরও দুশ্চিন্তায় ফেলেছে মন্ত্রীকে। তিনি বলেন, ‘ডলারের দাম হঠাৎ করে এত বেশি। খুব চেষ্টা করা হচ্ছে কীভাবে কী করা যায়। আমাদের কাছে হিসাব আছে।’

কবে নাগাদ বাজার পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে জানতে চাইলে মন্ত্রী বলেন, ‘সেটা বলা যাবে না, তবে আমরা খুব আশাবাদী অক্টোবরের মধ্যে কিছুটা কমে আসবে। কতগুলো ফ্যাক্টর কাজ করে। আমি জানি না, পুতিন সাহেব কবে যুদ্ধ বন্ধ করবেন। সেটা তো আমার হিসাবের মধ্যে নেই।’

আরও পড়ুন:
দাম নিয়ন্ত্রণে ডিম আমদানির চিন্তা
রাশিয়ার তেল কেনার কী উপায়, বাধা কোথায়?
রুশ তেল আমদানি ইস্যুতে বিশেষজ্ঞ দল আসছে
রাশিয়া থেকে জ্বালানি তেল আনতে চান প্রধানমন্ত্রী
বিশ্ববাজারে অশোধিত তেলের ব্যারেল ৯০ ডলারের নিচে

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Little by little more life is returning to the capital market

পুঁজিবাজারে একটু একটু করে ফিরল আরও প্রাণ

পুঁজিবাজারে একটু একটু করে ফিরল আরও প্রাণ
আগের সপ্তাহের চার কর্মদিবসে ১৬৩ পয়েন্ট সূচক পতনের পাশাপাশি লেনদেনও নেমে আসে অর্ধেকে। তার আগের সপ্তাহে বিএসইসির দেয়া ফ্লোর প্রাইস ও পুঁজিবাজারে ব্যাংকের বিনিয়োগসীমা বা এক্সপোজার লিমিট ক্রয়মূল্যে গণনার বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের সার্কুলার আসার পরও এই পতনে বিস্ময়ের পাশাপাশি ছড়ায় হতাশা। তবে নতুন সপ্তাহে সূচকের পাশাপাশি লেনদেনের গতি বাড়ায় এটা স্পষ্ট হয় যে, নিষ্ক্রিয় বিনিয়োগকারীরা সক্রিয় হচ্ছেন। আর তারা শেয়ার কেনা শুরু করায় দরও ধীরে ধীরে বাড়ছে।

মুল্য সূচক ও লেনদেনে টানা এক সপ্তাহ পতনের পর চলতি সপ্তাহের তিন কর্মদিবসে একেবারে বিপরীত চিত্র দেখা গেল পুঁজিবাজারে। প্রতিদিনই বেড়েছে সূচক, সেই সঙ্গে বেড়েছে লেনদেন।

পুঁজিবাজার নিয়ে দুই নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ ব্যাংক ও বিএসইসির মধ্যে অতীতের দূরত্ব ঘুঁচেছে, সেই সঙ্গে ডলারের বাড়তি দামও কিছুটা কমে আসছে, এর পাশাপাশি নানা গুজব গুঞ্জনের মধ্যে বিএসইসি ঘোষণা দিয়েছে ফ্লোর প্রাইস উঠবে না- এই তিন মিলে বিনিয়োগকারীদের চিড় ধরা আস্থায় প্রলেপ লাগছে অনেকটাই।

চলতি সপ্তাদের প্রথম কর্মদিবস রোববার ২৬ পয়েন্টর পর জাতীয় শোক দিবসের ছূটি কাটিয়ে দ্বিতীয় কর্মদিবস মঙ্গলবার সূচক বাড়ে আরও ৫০ পয়েন্ট। শেষ কর্মদিবস বুধবারও এই উত্থানের ধারাবাহিকতা বজায় থাকে। এদিন সূচক বাড়ে ২৪ পয়েন্ট।

আগের সপ্তাহের চার কর্মদিবসে ১৬৩ পয়েন্ট সূচক পতনের পাশাপাশি লেনদেনও নেমে আসে অর্ধেকে। তার আগের সপ্তাহে বিএসইসির দেয়া ফ্লোর প্রাইস ও পুঁজিবাজারে ব্যাংকের বিনিয়োগসীমা বা এক্সপোজার লিমিট ক্রয়মূল্যে গণনার বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের সার্কুলার আসার পরও এই পতনে বিস্ময়ের পাশাপাশি ছড়ায় হতাশা।

তবে নতুন সপ্তাহে সূচকের পাশাপাশি লেনদেনের গতি বাড়ায় এটা স্পষ্ট হয় যে, নিষ্ক্রিয় বিনিয়োগকারীরা সক্রিয় হচ্ছেন। আর তারা শেয়ার কেনা শুরু করায় দরও ধীরে ধীরে বাড়ছে।

চলতি সপ্তাহের প্রথম দিন হাতবদল হয়েছিল ৬৪৪ কোটি ৪৫ লাখ ৩১ হাজার টাকার শেয়ার। দ্বিতীয় কর্মদিবসে তা বেড়ে হয় ১ হাজার ৩৪ কোটি ৬৫ লাখ ৮ হাজার টাকা। বুধবার তা আরও বেড়ে হয় ১ হাজার ১৫৯ কোটি ৬০ লাখ ৪৫ হাজার টাকা।

বেড়েছে ১৫৬টি কোম্পানির শেয়ারদর, কমেছে ১৩২টির আর আগের দিনের দরে লেনদেন হয়েছে ৯২টি শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ড। এর সিংহভাগই লেনদেন হচ্ছে সর্বনিম্ন দর বা ফ্লোর প্রাইসে।

পুঁজিবাজারে একটু একটু করে ফিরল আরও প্রাণ
বুধবার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে লেনদেনের চিত্র

এদিন সূচক বাড়াতে সহায়তা করেছে লাফার্জ হোলসিম সিমেন্ট, ওয়ালটন, বেক্সিমকো লিমিটেড, ইউনাইটেড পাওয়ারের মতো বড় কোম্পানির দর বৃদ্ধি। বিপরীতে যেসব কোম্পানির দর কমেছে, সেগুলোর মধ্যে সূচকে প্রভাব ফেলার মতো কোম্পানি ছিল কমই।

গত এক মাস ধরে আগ্রহের শীর্ষে থাকা বস্ত্র খাত আবার ছিল লেনদেনের শীর্ষে, যদিও আগের দিনের বিপরীত অবস্থানে গিয়ে এই খাতের বেশিরভাগ কোম্পানি দর হারিয়েছে।

খাত হিসেবে সবচেয়ে ভালো দিন গেছে সাধারণ বিমায়। এই খাতে একটি কোম্পানির দর কমার বিপরীতে বেড়েছে ৩৬টির দর আর অপরিবর্তিত ছিল বাকি চারটির দর।

বিবিধ খাতে দুটির দরপতনের বিপরীতে বেড়েছে ৯টির দর আর আগের দিনের দরে লেনদেন হয়েছে তিনটি কোম্পানি।

বাকি সব খাতেই বেশিরভাগ কোম্পানি দর হারিয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি কমেছে বস্ত্রে। ৩৪টি কোম্পানি দর হারিয়েছে, বেড়েছে ১১টির দর আর আগের দিনের দরে লেনদেন হয়েছে ১৩টি কোম্পানি।

দর হারালেও এই খাতটিতে সবচেয়ে বেশি ২০৫ কোটি ৭৯ লাখ টাকার শেয়ার হাতবদল হয়েছে।

বিবিধ খাতে ১৩৯ কোটি ১০ লাখ টাকা এবং প্রকৌশল খাতে ১০৭ কোটি ৫ লাখ টাকার শেয়ার হাতবদল হয়েছে। অন্য কোনো খাতে লেনদেন শত কোটি টাকা ছাড়াতে পারেনি।

একটি মাত্র কোম্পানি দর বৃদ্ধির সর্বোচ্চ সীমা ছুয়ে লেনদেন হয়েছে। সেটি হলো আনলিমা ইয়ার্ন, যেটি চলতি বছরের প্রথম তিন প্রান্তিকে লোকসান দিয়েছে। আগের দিন দর ছিল ৩৭ টাকা ৭০ পয়সা। বাড়ার সুযোগ ছিল ৩ টাকা ৭০ পয়সা। এই পরিমাণই বেড়ে লেনদেন হয়েছে ৪১ টাকা ৪০ পয়সায়।

দর বৃদ্ধির শীর্ষে দশে এদিন একক কোনো খাতের প্রধান্য দেখা যায়নি। এতে ছিল জীবন বিমা খাতের সানলাইফ ইন্স্যুরেন্স, বস্ত্র খাতের দেশ গার্মেন্টস, প্রকৌশল খাতের কেডিএস অ্যাকসেসোরিস ও সুহৃদ ইন্ডাস্ট্রিজ, সেবা ও আবাসক খাতের শমরিতা হাসপাতাল, সাধারণ বিমা খাতের এশিয়া প্যাসিফিক ও সোনারবাংলা ইন্স্যুরেন্স এবং সিমেন্ট খাতের লাফার্জ হোলসিম ও হেইডেলবার্গ।

দরপতনের শীর্ষ তালিকাতেও দেখা গেছে সাধারণ বিমা খাতের প্রাধান্য, যদিও এদিন এই খাতটিই সার্বিকভাবে সবচেয়ে বেশি ভালো করেছে। এই তালিকার শীর্ষে ছিল অবশ্য বস্ত্র খাতের তমিজউদ্দিন টেক্সটাইল, যেটি দর হারিয়েছে ৪ দশমিক ৫২ শতাংশ।

অন্য ৯ কোম্পানি হলো প্রিমিয়ার সিমেন্ট, ইউনিয়ন ইন্স্যুরেন্স, এশিয়া ইন্স্যুরেন্স, ইসলামি ইন্স্যুরেন্স, ফেডারেল ইন্স্যুরেন্স, গ্লোবাল ইন্স্যুরেন্স, সানলাইফ ইন্স্যুরেন্স, বাংলাদেশ ন্যাশনাল ইন্স্যুরেন্স ও পদ্মা লাইফ ইন্স্যুরেন্স।

আরও পড়ুন:
সপ্তাহজুড়ে পতনে ফ্লোরে ফিরছে শেয়ারদর
৯ টাকার মিউচ্যুয়াল ফান্ডে দেড় টাকা লভ্যাংশ
এবার আইসিবি ক্যাপিটালের প্যানেল ব্রোকার হলো সিটি ব্রোকারেজ
এক যুগের দাবি পূরণের পরও পুঁজিবাজারের উল্টো দৌড়
ঋণ কেলেঙ্কারিতে ডোবা কোম্পানির শেয়ারে এত আগ্রহ!

মন্তব্য

বাংলাদেশ
TCB is buying 1 lakh 25 thousand tons of soybean oil

১ লাখ ২৫ হাজার টন সয়াবিন তেল কিনছে টিসিবি

১ লাখ ২৫ হাজার টন সয়াবিন তেল কিনছে টিসিবি টিসিবির ট্রাক থেকে সয়াবিন তেল নিতে ভোক্তাদের ভিড়। ফাইল ছবি
সয়াবিন তেল কিনতে টিসিবির খরচ হবে সোয়া দুই কোটি টাকা। বাকি ৫৫ কোটি ৫০ লাখ টাকা ব্যয় হবে মসুরের ডাল ক্রয়ে।

সাশ্রয়ী মূল্যে ভোক্তাদের হাতে সয়াবিন তেল ও মসুরের ডাল তুলে দিতে চায় রাষ্ট্রীয় বিপণন সংস্থা ট্রেডিং করপোরেশন অফ বাংলাদেশ (টিসিবি)। এর অংশ হিসেবে ১ লাখ ২৫ হাজার টন তেল ও ৫ হাজার টন মসুর ডাল কিনবে সংস্থাটি।

এই ক্রয়ে ব্যয় হবে ২৭০ কোটি ৬৩ লাখ টাকা। এর মধ্যে সয়াবিন তেল আনতে খরচ হবে সোয়া দুই কোটি টাকা। বাকি ৫৫ কোটি ৫০ লাখ টাকা ব্যয় হবে মসুরের ডাল ক্রয়ে।

অর্থনৈতিকবিষয়ক ও ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বুধবারের বৈঠকে এ-সংক্রান্ত দরপ্রস্তাবের অনুমোদন দেয়া হয়।

বৈঠক শেষে ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা জানান মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব আব্দুল বারেক।

সয়াবিন তেল কিনতে চারটি সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানকে অনুমোদন দেয়া হয়। এর মধ্যে সুপার অয়েল লিমিটেডকে ৪০ লাখ টন তেল কেনার অনুমোদন দেয়া হয়। এতে খরচ হবে ৬৯ কোটি ৭৮ লাখ টাকা।

বাকি ৮৫ লাখ টন তেল কিনবে তিনটি প্রতিষ্ঠান। এর মধ্যে সানসিল ২০ লাখ টন, বসুন্ধরা ২৫ লাখ টন ও সিনহা এডিবল অয়েল লিমিটেড ৪৫ লাখ টন তেল কিনবে। এই পরিমাণ তেল কেনায় ব্যয় হবে ১৪৫ কোটি ৩৫ লাখ টাকা।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব বলেন, ‘সরাসরি পদ্ধতিতে স্থানীয়ভাবে তেল কেনা হবে।’

সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘জরুরি প্রয়োজনে যাতে দ্রুততম সময় তেল সরবরাহ করা যায়, সে জন্য সরাসরি পদ্ধতিতে ক্রয়ের সিদ্ধান্ত হয়।’

বৈঠকে ৫ হাজার টন মসুর ডালের দরপ্রস্তাবের অনুমোদন দেয়া হয়। প্রতি কেজি ডালের দাম পড়বে ১১১ টাকা। এতে মোট খরচ হবে ৫৫ কোটি ৫০ লাখ টাকা।

‘নাভানা ফুড’ নামের স্থানীয় একটি প্রতিষ্ঠান এই ডাল সরবরাহ করবে।

আরও পড়ুন:
মহাসড়কে সয়াবিন তেলের হরিলুট
বাড়ছে সয়াবিন তেলের সরবরাহ
সয়াবিন তেলের মূল্যবৃদ্ধি: রান্নাঘর থেকেই আন্দোলন শুরুর আহ্বান
মজুত করা ৪২০ লিটার তেল বিক্রির নির্দেশ
আবার অস্থির তেলের বাজার

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The thought of importing eggs to control prices

দাম নিয়ন্ত্রণে ডিম আমদানির চিন্তা

দাম নিয়ন্ত্রণে ডিম আমদানির চিন্তা এক মাসে ডিমের দাম এক-তৃতীয়াংশ বেড়ে গেছে। ফাইল ছবি
ডিম আমদানি করতে তো একটু সময় লাগবে। আমরা দেখি, যদি এমনটাই হয় যে সত্যি ডিম আমদানি করলে এটা কমবে, তাহলে আমরা ডিম আমদানির প্রক্রিয়ায় যাব: বাণিজ্যমন্ত্রী

প্রায় প্রতিদিনই বেড়ে যাওয়া দাম নিয়ন্ত্রণে এবার ডিম আমদানির চিন্তা-ভাবনা করছে সরকার। পাশাপাশি দেশে কেন এভাবে হুট করে পণ্যটির দাম অস্বাভাবিক হারে বেড়ে গেছে, সেটিও মূল্যায়ন করা হবে।

এক মাস ধরে ডিমের দাম এক-তৃতীয়াংশ বেড়ে যাওয়ার পর তীব্র জন-অসন্তোষ ও অস্বস্তির মধ্যে বুধবার সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান। এক কোটি পরিবারের মধ্যে ভর্তুকি মূল্যে নিত্যপণ্য বিক্রির কার্যক্রম নিয়ে জানাতে তিনি আসেন গণমাধ্যমের সামনে।

ডিম নিয়ে এক প্রশ্নে মন্ত্রী মনে করেন, সুযোগ বুঝে ব্যবসায়ীরা বেশি মুনাফা করছে। তিনি বলেন, ‘সুযোগ যখন নেয় সবাই একবারে লাভ দিয়ে করে নেয়।’

রাতারাতি পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসা সম্ভব নয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আমরা কৃষি, মৎস্যসহ কয়েকটি মন্ত্রণালয় মিলে ডিমের ব্যাপারটি নিয়ে আলোচনা করব দাম কীভাবে কমানো যায়।’

আমদানির বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘ডিম আমদানি করতে তো একটু সময় লাগবে। আমরা দেখি, যদি এমনটাই হয় যে সত্যি ডিম আমদানি করলে এটা কমবে, তাহলে আমরা ডিম আমদানির প্রক্রিয়ায় যাব।’

সরকারি সংস্থা টিসিবির হিসাবে ফার্মের মুরগির ডিমের হালি এখন ৫০ থেকে ৫৫ টাকা। এক সপ্তাহ আগেও যা ছিল ৪৩ থেকে ৪৭ টাকা। এক মাস আগে ছিল ৩৮ থেকে ৪০ টাকা হালি। আর এক বছর আগে ছিল ৩৩ থেকে ৩৫ টাকা।

অর্থাৎ এক সপ্তাহের ব্যবধানে দাম বেড়েছে ২০ শতাংশের মতো, এক মাসে বেড়েছে প্রায় এক-তৃতীয়াংশ আর এক বছরে বেড়েছে ৫৪ শতাংশের বেশি।

ডিমের এই দাম বৃদ্ধির বিষয়টি খতিয়ে দেখতে আজই বৈঠকে বসার কথাও জানান টিপু মুনশি। বলেন, ‘সেখানে আলোচনা হবে কেন ডিমের দাম এমন হলো। তৃণমূলে কোনো সমস্যা হচ্ছে কি না, আমরা সেগুলো দেখছি। বিভিন্ন সময় এমন অসুবিধা হয়েছে, সেগুলো আমরা অ্যাড্রেস করেছি। দু-চার বা পাঁচ দিন সময় অবশ্য লেগেছে।’

ভোজ্যতেলের দাম বাড়বে কি?

বিশ্ববাজারে দাম কমলেও ডলারের বিপরীতে টাকার অবমূল্যায়নের কারণে ব্যবসায়ীরা ভোজ্যতেলের দাম বাড়ানোর যে প্রস্তাব দিয়েছেন, সেটি নিয়েও বাণিজ্যমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেন সাংবাদিকরা। তিনি বলেন, ‘আমাদের সেই সিদ্ধান্ত হয়নি এখনও। আলোচনা চলছে। বিশ্ববাজারে ভোজ্যতেলের দাম কমেছে, আবার ডলারের দাম বেড়েছে। এ দুটিকে বিবেচনায় নিয়ে একটি দাম নির্ধারণ করতে হবে।

‘আমরা সেই চেষ্টাই করছি। খুব শিগগিরই তেলের দাম পুনর্নির্ধারণ করা হবে। আমরা বসে আছি যদি ডলারের দামটা একটু কমে। আমাদেরও ওদের সঙ্গে নেগোশিয়েট করার একটু সুযোগ হবে।’

ভর্তুকি মূল্যের পণ্য বিতরণে অনিয়ম প্রসঙ্গ

ভর্তুকি মূল্যে পণ্য বিতরণে এক কোটি মানুষ বাছাইয়ে অনিয়ম হয়েছে কি না- এমন প্রশ্নে মন্ত্রী বলেন, ‘শহরগুলো থেকে ৭০ লাখ লোক ঠিক করা হয়েছে। রমজানের মাসে ঈদকে সামনে রেখে সময় কম থাকায় তখন একটু তাড়াহুড়া ছিল। স্থানীয় কমিটি এ তালিকা করেছে, বাণিজ্য মন্ত্রণালয় করেনি।

‘টিআইবি যে রিপোর্ট করে, সেটা প্রথম দিককার রিপোর্ট, মার্চ ও এপ্রিলের দিকে তারা চেক করেছে। তারা এক কোটি কার্ডধারীর মধ্যে এক হাজার ৪৭ জনকে নিয়েছেন। যেটার পার্সেন্টেজ পয়েন্ট দশমিক ০০০১৪ শতাংশ। এর মধ্যে বাদ দেয়া সাড়ে ৮ লাখ মানুষও তো আছে।’

তিনি বলেন, ‘আমরা অ্যাপ্রিসিয়েট করি, যেকোনো রিপোর্ট যেকোনো তদন্ত- সেটা আমাদের চোখ-কান খুলে দেয়। কিন্তু সেটি যদি যৌক্তিক হয় বা সেটা যথার্থ হয়, তাহলে আমাদের পক্ষে কাজ করতে সুবিধা হয়। তা না হলে মানুষের মধ্যে কনফিউশন সৃষ্টি করে। তারপরও আমরা কাউকে আন্ডারমাইন্ড করতে চাই না। আমাদের দায়িত্ব যে, সত্যিটা কী, কী ঘটনা ঘটেছে।’

মন্ত্রী বলেন, ‘বলা হয়েছে নাম ঢোকার ক্ষেত্রে অনিয়ম হয়েছে। আমি একেবারে অস্বীকার করতে চাই না যে হয়নি। কিন্তু রিয়েলিটিটা কী, আমাদের দেশটা কোথায়? পশ্চিমা বিশ্বের মতো না যে, একটা চাপ দিয়ে বিস্তারিত পাওয়া যাবে। আমাদের নির্ভর করতে হয়েছে কমিটির ওপর। হতে পারে ৫ শতাংশ মানুষ নজর ফাঁকি দিয়ে ঢুকে গেছে। কিন্তু আমরা ৯৫ শতাংশ মানুষের কাছে তো পৌঁছে গেলাম। আমরা পর্যায়ক্রমে কিন্তু সেগুলোও দেখছি।

‘আমরা আমাদের কর্মসূচি অব্যাহত রাখতে চাই। এ চলার পথে যদি কোথাও কোনো কারেকশন দরকার হয়, কোথাও কোনো অনিয়ম থাকে, সেটাও আমরা অ্যাড্রেস করব।

‘এক কোটি কার্ডের মধ্যে ৮০ শতাংশ কার্ড করা হয়েছে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, ঢাকা শহরে এখনও কার্ড দেয়া হয়নি। আশা করি এক মাসের মধ্যে শতভাগ হয়ে যাবে।’

আরও পড়ুন:
বাজারে কম ডিমের দাম, হোটেলে বেশি
জনগণকে গাছের পাতা খাওয়ার পরামর্শ মিসরের প্রেসিডেন্টের
ডিমের বাজারও চড়া
ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিডসমৃদ্ধ মুরগির মাংস-ডিমে ‘সাফল্য’
বিশ্বজুড়ে ডিমের দাম বাড়ল কেন

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The Commerce Minister hopes that the price of goods will decrease in October

অক্টোবরে জিনিসপত্রের দাম কমবে, আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর

অক্টোবরে জিনিসপত্রের দাম কমবে, আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম অক্টোবরে কমার আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন বাণিজ্যমন্ত্রী। ফাইল ছবি
কবে নাগাদ বাজার পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে জানতে চাইলে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ‘সেটা বলা যাবে না, তবে আমরা খুব আশাবাদী অক্টোবরের মধ্যে কিছুটা কমে আসবে। কতগুলো ফ্যাক্টর কাজ করে। আমি জানি না, পুতিন সাহেব কবে যুদ্ধ বন্ধ করবেন। সেটা তো আমার হিসাবের মধ্যে নেই।’

নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের ঊর্ধ্বগতি নিয়ন্ত্রণে অক্টোবর পর্যন্ত সময় লাগবে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি।

সচিবালয়ে বুধবার এক কোটি পরিবারের মধ্যে টিসিবির ভর্তুকি মূল্যে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য বিক্রি কার্যক্রম নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান।

কবে নাগাদ বাজার পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে জানতে চাইলে মন্ত্রী বলেন, ‘সেটা বলা যাবে না, তবে আমরা খুব আশাবাদী অক্টোবরের মধ্যে কিছুটা কমে আসবে। কতগুলো ফ্যাক্টর কাজ করে। আমি জানি না, পুতিন সাহেব কবে যুদ্ধ বন্ধ করবেন। সেটা তো আমার হিসাবের মধ্যে নেই।’

জ্বালানি তেলের দাম বাড়ার কারণে ব্যবসায়ীরা সুযোগ নিচ্ছে অভিযোগ করে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ‘ব্যবসায়ীরা সুযোগ যখন নেয়, সবাই একবারে লাফ দিয়ে নেয়, কিন্তু আমরা তো এসব একবারে শেষ করতে পারব না। তাদের সঙ্গে বসে সেটেল (নিষ্পত্তি) করতে হবে। আমাদের একটু সময় দেন। আমরা সবাই মিলে চেষ্টা করছি।

‘আমরা এ বিষয়গুলো দেখছি, তবে সবকিছু বাণিজ্য মন্ত্রণালয় নিয়ন্ত্রণ করে না। আর সব ব্যাপারে আমি আপনাদের বোঝাতে পারব, তা কিন্তু নয়। আমার যেটা কথা…হঠাৎ করে সুযোগ কেউ কেউ নিয়েছে। যে পরিমাণ বাড়ার কথা, তার থেকে অনেক বেশি সুযোগ নিয়েছে, এটা সত্যি কথা। আমরা চেষ্টা করছি।’

তিনি বলেন, ‘আমি সচিবকে বলেছি, যে যে মন্ত্রণালয় আছে, সবাইকে চেষ্টা করতে হবে। ডলারের দাম হঠাৎ করে কত বেশি। খুব চেষ্টা করা হচ্ছে কীভাবে কী করা যায়। আমাদের কাছে হিসাব আছে। ধরেন তেলের দাম বাড়ায় পরিবহন খরচের জন্য প্রতি কেজিতে ৫০ পয়সা করে বাড়তে পারে, সেখানে ব্যবসায়ীরা ৪ টাকা পর্যন্ত বাড়িয়েছে। এখানে কোনো লজিক আছে? নাই৷ তখন, মানে সুযোগটা নিয়ে নিয়েছে। আমাদের একটু সময় দেন। আমরা সবাই মিলে চেষ্টা করছি। আমরা কষ্টে আছি, স্বীকার করছি।’

মন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের যেটা দেখা দরকার, কষ্টটা লাঘব করার জন্য আমাদের প্রধানমন্ত্রী কী চেষ্টা করছেন।’

অসাধু ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে কী ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘সেটা আমরা ব্যবস্থা নেব…সেটা আমরা দেখব। তেলের দাম বাড়ার কারণে সুযোগটা নিচ্ছে।

‘সুযোগ যখন নেয়, সবাই একবারে লাফ দিয়ে নেয়। কিন্তু আমরা তো এসব একবারে শেষ করতে পারব না। তাদের সঙ্গে বসে সেটেল করতে হবে।’

আরও পড়ুন:
বাংলাদেশে বিনিয়োগের সময় এখনই: বাণিজ্যমন্ত্রী
দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধিতে সাধারণ মানুষের নাভিশ্বাস: রাঙ্গা
ভারত থেকে গম আমদানিতে বাধা নেই: মন্ত্রী
সুষ্ঠু প্রতিযোগিতা হলে মূল্য স্বাভাবিক থাকবে
দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি: বৈশ্বিক পরিস্থিতির দায় দেখছেন মন্ত্রী

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Where is the way to buy Russian oil?

রাশিয়ার তেল কেনার কী উপায়, বাধা কোথায়?

রাশিয়ার তেল কেনার কী উপায়, বাধা কোথায়? প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। ফাইল ছবি
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, রাশিয়া থেকে তেল আমদানির বিল পরিশোধ করা কোনো সমস্যা নয়, সমস্যা হচ্ছে আমরা রাশিয়া থেকে তেল আমদানি করব কি না? এটা একটা রাজনৈতিক সিদ্ধান্তের বিষয়। রাশিয়া থেকে তেল কিনলে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন যদি বিরাগভাজন হয়, তাহলে এই পথে যাওয়া ঠিক হবে না।

রাশিয়া থেকে জ্বালানি তেল কেনার ‍উপায় খুঁজে বের করার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় মঙ্গলবার তিনি এ নির্দেশ দেন।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ভারতসহ অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশও রাশিয়া থেকে সস্তায় জ্বালানি তেল কিনতে পারে। অনেক পথও আছে, তবে সমস্যা হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। সবচেয়ে বড় অর্থনীতির এই দেশটিকে ‘না চটিয়ে’ রাশিয়া থেকে তেল কেনার পরামর্শ দিচ্ছেন তারা।

বিশেষজ্ঞদের শঙ্কা, যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন অখুশি হলে এই দুই বড় বাজারে বাংলাদেশের ৩৫ বিলিয়ন ডলারের রপ্তানি হুমকিতে পড়তে পারে। বিশেষ করে তারা বাংলাদেশ থেকে পোশাক রপ্তানি না করলে বা কমিয়ে দিলে দেশ বড় ধরনের সংকটের মুখে পড়বে।

বেশ কিছুদিন ধরেই রাশিয়া থেকে জ্বালানি তেল আমদানি নিয়ে আলোচনা হচ্ছে। গত মে মাসে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদও এমন ইঙ্গিত দেন। তবে কীভাবে আমদানি হবে, দাম কীভাবে পরিশোধ করা হবে, সে বিষয়ে কোনো উপায় নির্ধারণ হয়নি।

একনেক সভা শেষে মঙ্গলবার পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান সাংবাদিকদের বলেন, ‘বৈঠকে দেশের সামগ্রিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনার একপর্যায়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘‘ভারত যদি রাশিয়া থেকে তেল আমদানি করতে পারে, তাহলে আমরা কেন পারব না?”'

রাশিয়ার কাছ থেকে তেল আমদানি করা গেলে বিনিময় মুদ্রা কী হবে, সে বিষয়েও একটি সমাধান খুঁজে বের করতে প্রধানমন্ত্রী সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দিয়েছেন বলে জানান মান্নান।

যুক্তরাষ্ট্র ও সৌদি আরবের পরে বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম তেল উৎপাদনকারী দেশ রাশিয়া আগে প্রতিদিন প্রায় ৫ মিলিয়ন ব্যারেল অপরিশোধিত তেল রপ্তানি করত, যার অর্ধেকের বেশি যেত ইউরোপে। ।

গত ফেব্রুয়ারিতে রুশ বাহিনী ইউক্রেনে অভিযান শুরু করলে যুক্তরাষ্ট্র এবং তাদের ইউরোপীয় মিত্ররা একের পর এক মস্কোর ওপর অবরোধ আরোপ শুরু করে।

একপর্যায়ে যুক্তরাষ্ট্র রাশিয়ার তেলের ওপরও নিষেধাজ্ঞা দেয়। ইউরোপীয় ইউনিয়নও জ্বালানির জন্য রাশিয়ার ওপর নির্ভরশীলতা কমিয়ে আনার ঘোষণা দেয়।

রাশিয়ার তেল কেনার কী উপায়, বাধা কোথায়?

নিষেধাজ্ঞার মুখে অন্য ক্রেতারা রুশ তেল কেনা থেকে পিছু হটলেও বিশ্বের তৃতীয় সর্বোচ্চ তেল আমদানিকারক ও ভোক্তা দেশ ভারত সেই সুযোগ কাজে লাগিয়ে ব্যাপক মূল্য ছাড়ে তাৎক্ষণিক টেন্ডারের মাধ্যমে রাশিয়া থেকে বাড়তি তেল কেনা শুরু করে। চীনও রাশিয়া থেকে তেল কেনা বাড়িয়েছে বলে খবর এসেছে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে।

ইউক্রেন যুদ্ধ নিয়ে কূটনৈতিক টানাপোড়েনের মধ্যে রাশিয়া থেকে ভারতের অতিরিক্ত তেল কেনার বিষয়টি ভালোভাবে না নেয়ার বিষয়টি এরই মধ্যে স্পষ্ট করেছে ওয়াশিংটন।

রাশিয়ার পণ্য কেনার ক্ষেত্রে দাম পরিশোধ নিয়েও জটিলতা রয়েছে। সুইফটে নিষেধাজ্ঞার কারণে ব্যাংকিং চ্যানেলে ডলারে দাম পরিশোধ সম্ভব নয়। আর রাশিয়াও অনেক দেশের ক্ষেত্রে রুবলে দাম পরিশোধের শর্ত দিচ্ছে।

যুদ্ধ শুরুর পরপর বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দাম ব্যারেলে ১৩০ ডলার ছাড়িয়ে গেলেও এখন তা অনেকটা কমে এসেছে। কিন্তু তেল আমদানির খরচ বেড়ে যাওয়ায় ভর্তুকি কমাতে আর ডলার বাঁচাতে সরকার আগস্টের শুরুতে জ্বালানি তেলের দাম ৫০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়িয়েছে, যার প্রভাবে জীবনযাত্রার ব্যয় বেড়ে গেছে অনেকটা।

তেল বাঁচাতে সরকার বিদ্যুৎ উৎপাদনও কমিয়ে দিয়েছে, পরিস্থিতি সামাল দিতে রুটিন করে সব এলাকায় লোডশেডিং করতে হচ্ছে।

এ অবস্থায় রাশিয়া থেকে তেল কেনা হলে অনেক কম দামে পাওয়া যাবে বলে বাংলাদেশ সরকার আশা করছে। মধ্যপ্রাচ্য থেকে যে দামে তেল কেনে ভারত, তার তুলনায় ব্যারেলপ্রতি প্রায় ২০ ডলার বা তারও বেশি ছাড় দিচ্ছে রাশিয়া৷ তাই ভারত এখন যেসব দেশ থেকে তেল কেনে, সেই তালিকায় দুই নম্বরে উঠে গেছে রাশিয়া৷ আগে সৌদি আরব ছিল দুই নম্বরে৷ এখন তারা তিন নম্বরে আছে৷ এক নম্বরে আগের মতোই ইরাক আছে৷

বাংলাদেশ রাশিয়া থেকে তেল কিনলে মূল্য পরিশোধ করা যাবে কীভাবে- এ প্রশ্নের উত্তরে অর্থনীতির গবেষক বেসরকারি গবেষণা সংস্থা পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউটের (পিআরআই) নির্বাহী পরিচালক আহসান এইচ মনসুর নিউজবাংলাকে বলেন, ‘তিনভাবে দাম পরিশোধ করা যেতে পারে। প্রথমত, আমরা এখন রাশিয়ায় প্রায় ১ বিলিয়ন ডলারের মতো পণ্য রপ্তানি করে থাকি। আমরা যে তেল কিনব সেই দাম রপ্তানি থেকে যে আয় হবে তা দিয়ে একটা সমন্বয় করা যেতে পারে।

’দ্বিতীয়ত, আমাদের রূপপুর পারমণবিক বিদুৎ কেন্দ্রের জন্য বড় ধরনের কেনাকাটা করতে হচ্ছে, সেই কেনাকাটার বিলের সঙ্গে তেল আমদানির বিল সমন্বয় করা যেতে পারে। আর শেষেরটি হচ্ছে, যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়া সম্মতি দিলে ডলারেও পেমেন্ট করা যেতে পারে।’

তিনি বলেন, ‘রাশিয়া থেকে তেল আমদানির বিল পরিশোধ করা কোনো সমস্যা নয়, সমস্যা হচ্ছে আমরা রাশিয়া থেকে তেল আমদানি করব কি না? এটা একটা রাজনৈতিক সিদ্ধান্তের বিষয়। রাশিয়া থেকে তেল কিনলে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন যদি বিরাগভাজন হয়, তাহলে এই পথে যাওয়া ঠিক হবে না।

’কেননা, এই দুই বড় বাজারে বাংলাদেশের ৩৫ বিলিয়ন ডলারের রপ্তানি। রাশিয়া থেকে তেল কেনা শুরু করলে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের দেশগুলো যদি নাখোশ হয়, তারা বাংলাদেশ থেকে পোশাক রপ্তানি না করে বা কমিয়ে দেয় তাহলে বাংলাদেশ বড় ধরনের সংকটের মুখে পড়বে।’

এক হিসাব দিয়ে আহসান মনসুর বলেন, ‘রাশিয়া থেকে কম দামে তেল কিনলে হয়তো আমাদের ৩০-৪০ কোটি ডলারের মতো সাশ্রয় হবে। কিন্তু রাশিয়া-ইউরোপ অখুশি হলে ৩৫-৪০ বিলিয়ন ডলারের রপ্তানি ঝুঁকির মধ্যে পড়বে।

‘তাই আমি মনে করি, সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে তাড়াহুড়া না করে ভেবেচিন্তে ঠান্ডা মাথায় সিদ্ধান্ত নিতে হবে। সব দিক বিবেচনায় রাখতে হবে। আমাদের মনে রাখতে হবে, আমরা কিন্তু ভারতের মতো বড় দেশ নই। যুক্তরাষ্ট্র অনেক কিছুতে ভারতের ওপর নির্ভরশীল। ভারতের অনেক বড় বড় বহুজাতিক কোম্পানি আছে। যাদের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের ব্যবসা-বাণিজ্য ও বিনিয়োগ নির্ভর করে।

‘কিন্তু আমাদের কিন্তু সে রকম অবস্থা নেই। আমরা ছোট দেশ, ছোট অর্থনীতি। যে অর্থনীতির অনেক কিছুই যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের দেশগুলোর ওপর নির্ভরশীল। তাই এই দুই দেশ নাখোশ হয়, এমন সিদ্ধান্ত নেয়া ঠিক হবে না।

‘যুক্তরাষ্ট্র যদি নীরব থাকে আমরা ভারতের মতো রাশিয়া থেকে তেল কিনতে পারি, কিন্তু তারা চটে গেলে দুদেশের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্ক ঝুঁকির মধ্যে পড়বে। সেই ঝুঁকি আমরা নেব কি না-সেটাই এখন বড় বিষয়। মনে রাখতে হবে, যুক্তরাষ্ট্র চটলে, ইইউও চটবে।’

পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী শামসুল আলম বলেন, ‘দ্বিপক্ষীয় মুদ্রা বিনিময় (কারেন্সি সোয়াপ) নিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক কাজ করছে। রাশিয়া, চীন ও ভারত—এই তিন দেশের সঙ্গে এমন হতে পারে। আমরা এসব দেশ থেকে আমদানি বেশি করি। তাহলে তারা আমাদের টাকা কী করবে? এ নিয়ে কী করা যায়, তা নিয়ে আলোচনা চলছে।’

নাম প্রকাশ না করার শর্তে বাংলাদেশ ব্যাংকের এক কর্মকর্তা নিউজবাংলাকে বলেন, ‘রাশিয়ার আর্থিক লেনদেনের ওপর চলমান নিষেধাজ্ঞার কারণে সুইফট সিস্টেমের বাইরে গিয়ে চীনের মুদ্রা বা টাকা এবং রুবলে লেনদেনের বিষয়টি নিয়ে ঢাকা ও মস্কো ভাবছে। এটা সম্ভব। রাশিয়ায় আমাদের যে ১ বিলিয়ন ডলারের মতো রপ্তানি হয়, সেই রপ্তানি বিল রাশিয়ার মুদ্রা রুবলে নিলে, সেই রুবল দিয়ে আমরা তেলের দাম শোধ করতে পারি। আবার ডলার বা টাকা দিয়ে চীনের মুদ্রা ইউয়ান কিনে সেই ইউয়ান দিয়েও তেলের দাম পরিশোধ করা যেতে পারে।’

দেশের আরেক গবেষণা সংস্থা সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) সম্মানীয় ফেলো মোস্তাফিজুর রহমান নিউজবাংলাকে বলেন, ‘ভারত রাশিয়া থেকে রুবলে তেল আমদানির উদ্যোগ নিয়েছে। সেটা সম্ভব হলে বাংলাদেশ ও রাশিয়ার মধ্যে বাণিজ্যও রুবল-টাকায় হওয়া সম্ভব।

‘তবে একটা বিষয় মনে রাখতে হবে, সরকার টু সরকার বাণিজ্য হলে সেটা রুবল-টাকাতে হওয়ায় খুব একটা সমস্যা নেই। কিন্তু বেসরকারি পর্যায়ে বাণিজ্যের ক্ষেত্রে সমস্যা হবে। কেননা, বেসরকারি উদ্যোক্তারা টাকা দিয়ে যেমন সহজেই ডলার কিনতে পারেন; রুবল তো সেভাবে পাবেন না।’

ভারতের রাষ্ট্রীয় তেল পরিশোধনকারী সংস্থা হিন্দুস্তান পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (এইচপিসিএল) সূত্রে জানা যায়, ২০২১ সালের এপ্রিল-মে মাসে রাশিয়া থেকে মাত্র ৪৪ কোটি ১০ লাখ ডলারের তেল কিনেছিল ভারত৷ আর চলতি ২০২২ সালের শুধু মে মাসেই ১৯০ কোটি ডলারের তেল কিনেছে ভারত৷

আগে বছরে চাহিদার মোট ২ শতাংশ রাশিয়া থেকে আমদানি করত ভারত। এবার এপ্রিল-মে মাসে চাহিদার ১০ শতাংশ তেল রাশিয়া থেকে আমদানি করেছে। যত সময় গড়াচ্ছে, ততই রাশিয়া থেকে তেল আনার পরিমাণও বাড়ছে৷ কারণ রাশিয়া সস্তায় তেল দিচ্ছে ভারতকে।

কিছুদিন আগে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন ভারত সফরে গিয়ে বাংলাদেশও যাতে ভারতের মতো সস্তায় রাশিয়া থেকে তেল কিনতে পারে, সেই রাস্তা বাতলে দিতে দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্করকে অনুরোধ করেছিলেন।

দীর্ঘদিন আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলে (আইএমএফ) গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করা আহসান মনসুর বলেন, ‘ইউরোপ-আমেরিকার চোখ রাঙানিকে ভারত ভয় না পেয়ে রাশিয়ার কাছ থেকে তেল কেনা বাড়িয়ে দিচ্ছে। তার কারণ হলো- আয়তনে ও প্রভাবে ভারত অনেকটাই বড়৷ ভারতের বিশাল বাজার ধরতে সব দেশের কোম্পানি উদগ্রীব৷ ভারতের বাজার হারালে অনেক বহুজাতিক কোম্পানি রীতিমতো বিপাকে পড়বে৷’

‘অস্ত্র থেকে শুরু করে ভোগ্যপণ্য- সবকিছুর ক্ষেত্রেই ভারতের বাজার তাদের কাছে খুবই লোভনীয়৷ সে জন্য ভারত এই চাপকে উপেক্ষা করতে পারে।’

‘কিন্তু বাংলাদেশ পারে না, এটাই বাস্তব সত্য,’ বলেন আহসান মনসুর।

আরও পড়ুন:
‘পারমাণবিক বিপর্যয়ে দায়ী থাকবে ইউক্রেনের পশ্চিমা মিত্ররা’
মুসলিম লীগের মতো হাওয়ায় মিলিয়ে যাবে বিএনপি: তথ্যমন্ত্রী
পরিত্যক্ত ঘরে মিলল ৩ হাজার লিটার ডিজেল
কাঁচাবাজার নিয়ন্ত্রণহীন
আমদানি কমছে, বাড়ছে রেমিট্যান্স, ফিরছে স্বস্তি

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Bidens signature on the bill of 74 billion dollars

৭৪ হাজার কোটি ডলারের বিলে সই বাইডেনের

৭৪ হাজার কোটি ডলারের বিলে সই বাইডেনের হোয়াইট হাউসে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। ছবি: এএফপি
হোয়াইট হাউসের অনুষ্ঠানে বাইডেন বলেন, ‘আমেরিকার জনগণ জিতেছে এবং বিশেষ স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠী হেরেছে। এ বিল জলবায়ু ইস্যুতে সব সময়ের জন্য এগিয়ে যাওয়ার বৃহত্তম পদক্ষেপ।’

জলবায়ু পরিবর্তন, স্বাস্থ্যসেবা ও করসংক্রান্ত ৭৪ হাজার কোটি ডলারের বিলটি সই করে আইনে পরিণত করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন।

এর মধ্য দিয়ে চলতি বছরের নভেম্বরে অনুষ্ঠেয় মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে কৌশলগত বড় জয় হলো ডেমোক্রেটিক পার্টির।

আল জাজিরার প্রতিবেদনে জানানো হয়, স্থানীয় সময় মঙ্গলবার হোয়াইট হাউসে এক অনুষ্ঠানে বিলটিতে সেই করেন বাইডেন। সে সময় তিনি বলেন, ‘ইনফ্লেশন রিডাকশন অ্যাক্ট’ (মূল্যস্ফীতি হ্রাস আইন) নামের আইনটি কার্বন নিঃসরণ কমাতে বড় ভূমিকা রাখবে।

আইনটিতে জীবাশ্ম জ্বালানির বিকল্প উৎসগুলোতে ৩৭ হাজার কোটি ডলার বরাদ্দ রাখা হয়েছে।

হোয়াইট হাউসের অনুষ্ঠানে বাইডেন বলেন, ‘আমেরিকার জনগণ জিতেছে এবং বিশেষ স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠী হেরেছে।

‘এ বিল জলবায়ু ইস্যুতে সব সময়ের জন্য এগিয়ে যাওয়ার বৃহত্তম পদক্ষেপ।’

আইনে ৭৪ হাজার কোটি ডলারের প্যাকেজের মধ্যে ৪৪ হাজার কোটি ডলার নতুন করে ব্যয় করা হবে। ৩০ হাজার কোটি ডলার ব্যয় হবে ঘাটতি কমাতে।

বিলটি পাস হওয়াকে কংগ্রেসে এখন পর্যন্ত বাইডেনের সবচেয়ে বড় জয় হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকরা। তার দল ডেমোক্রেটিক পার্টির আশা, বিলটিকে আইনে পরিণত করার মধ্য দিয়ে মৌলিক প্রতিশ্রুতি পূরণে দলটি যে সক্ষম, সে বার্তা জনগণের মধ্যে পৌঁছে দেওয়া যাবে।

আরও পড়ুন:
জাপা চেয়ারম্যানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাস প্রতিনিধিদলের সাক্ষাৎ
চীনের নতুন সামরিক মহড়া ঘোষণা
যুক্তরাষ্ট্রে পরিবেশ বাঁচাতে রেকর্ড বিনিয়োগের বিল পাস
ভারি বৃষ্টিতে যুক্তরাষ্ট্রে বাতিল ৯১২ ফ্লাইট
নিউ মেক্সিকোতে ৪ মুসলিম হত্যায় সন্দেহের কেন্দ্রে রুপালি ভক্সওয়াগন

মন্তব্য

p
উপরে