× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
There is no transparency in the budget Data is not credible CPD
google_news print-icon

বাজেটে স্বচ্ছতা নেই, তথ্য-উপাত্ত বিশ্বাসযোগ্য নয়: সিপিডি

বাজেটে-স্বচ্ছতা-নেই-তথ্য-উপাত্ত-বিশ্বাসযোগ্য-নয়-সিপিডি
সরকারি তথ্য উপাত্ত ও বাজেটের হিসাবের স্বচ্ছতায় ঘাটতি আছে বলে মনে করে সিপিডি।
‘সরকারের আর্থিক খাতের তথ্য-উপাত্ত সরবরাহে বড় ধরনের ঘাটতি রয়েছে। যথাসময়ে কোনো তথ্য পাত্তা পাওয়া যায় না। প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জন্য বাজেটে কত টাকা বরাদ্দ দেয়া হয় তা জানা যায় না। এতে বলা হয়, রাজস্ব আয়ের পরিসংখ্যান নিয়ে অর্থ বিভাগ ও এনবিআরের মধ্যে গরমিল রয়েছে। ব্যাংকঋণের তথ্য নিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক ও অর্থ মন্ত্রণালয়ের মধ্যে সমন্বয়ের ঘাটতি আছে।’

সরকারি তথ্য-উপাত্ত ও বাজেটের হিসাবের স্বচ্ছতায় ঘাটতি আছে বলে মনে করে গবেষণা সংস্থা সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ-সিপিডি। স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে তথ্য-উপাত্ত বা ডেটা উন্মুক্ত করার সুপারিশ করেছে সংগঠনটি।

বৃহস্পতিবার রাজধানীর এক হোটেলে ‘ফিসক্যাল ডাটা ফর পলিসি মেইকিং ইন বাংলাদেশ’ বিষয়ে সেমিনারে এ কথা বলা হয়।
বিভিন্ন সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি, সদস্য, অর্থনীতিবিদ, সাবেক আমলাসহ বিশিষ্টজনরা আলোচনায় অংশ নেন। এতে বক্তব্য রাখেন সিপিডির ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক রেহমান সোবহানও।

সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সিপিডির সিনিয়র রিসার্চ ফেলো তৌফিকুল ইসলাম খা। সঞ্চালনা করেন সিপিডির সম্মানিত ফেলো দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য।

মূল প্রবন্ধে বলা হয়, সরকারের আর্থিক খাতের তথ্য-উপাত্ত সরবরাহে বড় ধরনের ঘাটতি রয়েছে। যথাসময়ে কোনো তথ্য-উপাত্ত পাওয়া যায় না। প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জন্য বাজেটে কত টাকা বরাদ্দ দেয়া হয় তা জানা যায় না।

এতে বলা হয়, রাজস্ব আয়ের পরিসংখ্যান নিয়ে অর্থ বিভাগ ও এনবিআরের মধ্যে গরমিল রয়েছে। ব্যাংকঋণের তথ্য নিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক ও অর্থ মন্ত্রণালয়ের মধ্যে সমন্বয়ের ঘাটতি আছে।

বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি বাস্তবায়নের বিষয়ে আইএমইডির দেয়া তথ্যের সঙ্গে অর্থ বিভাগের তথ্যে মিলে নেই বলেও উল্লেখ করেন তৌফিকুল। অডিট রিপোর্ট ঠিকমতো প্রকাশ হয় না। বাজেটে বরাদ্দ দেয়া হয় তার তথ্য জানা গেলেও প্রকৃত খরচ জানা যায় না।
তথ্য-উপাত্তের ঘাটতি হলে সরকারের নীতি গ্রহণে অসুবিধা হয় বলে মনে করেন জনপ্রতিনিধিরা। জনগণের সেবা নিশ্চিত করতে সরকারি মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানগুলোর তথ্য সরবরাহ নিশ্চিত করার ওপরও গুরুত্ব দেন তারা।

আলোচনায় অংশ নিয়ে সরকারি হিসাবসংক্রান্ত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য আব্দুস শহীদ বলেন, ‘তথ্য-উপাত্ত একটি বড় ইস্যু এবং চ্যালেঞ্জও বটে। পর্যাপ্ত ডেটা না থাকলে কোনো কর্মকাণ্ড এগিয়ে নেয়া সম্ভব না। এর অভাবে বাজেট প্রণয়ন ব্যাহত হবে।’

পরিবেশ, বন ও জলবায়ুবিষয়ক সংসদের স্থায়ী কমিটির সভাপতি সাবের হোসেন চৌধুরী বলেন, ‘বাজেটকে আরও স্বচ্ছ হতে হবে এবং বাজেট প্রণয়নে জনপ্রতিনিধিদের সম্পৃক্ততা বাড়াতে হবে।’

তিনি বলেন, ‘শুধু বাজেট প্রণয়ন করলেই হবে না, এমপিদের দায়িত্ব হচ্ছে বাস্তবায়ন কতটুকু হয়েছে তা পর্যবেক্ষণ করা।’

আর্থিক খাতে প্রয়োজনীয় তথ্য-উপাত্তের ঘাটতির কথা স্বীকার করে তিনি বলেন, ‘তথ্য-উপাত্ত হালনাগাদ না হলে এবং সহজভাবে সরবরাহ না করা গেলে সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে নীতিনির্ধারকদের সমস্যা হবে। এ জন্য তথ্য-উপাত্ত কীভাবে সহজভাবে সরবরাহ করা যায় তা নিয়ে আমাদের কাজ করতে হবে।’

আইন ও বিচারসংক্রান্ত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য শামীম হায়দার পাটোয়ারী বলেন, ‘সরকারি আয়-ব্যয়ের ডেটা উন্মুক্ত না। এখানে যথেষ্ট অস্বচ্ছতার ঘাটতি আছে। ...সরকারি পরিসংখ্যান অনুযায়ী, আমার নির্বাচনি এলাকায় যত গরিব লোক আছে, বাস্তবে তার চেয়ে বেশি।

‘গত সাড়ে তিন বছরে কেউ আমাকে বলেনি আপনার এলাকায় বাজেট কত, কত খরচ হলো।’

জাতীয় পার্টির নেতা বলেন, ‘বাজেট প্রণয়নের ক্ষেত্রে ৩০০ এমপির তেমন কোনো ভূমিকা থাকে না। আমাদের মানসিকতা পরিবর্তন করতে হবে। বাজেট তৈরিতে কাঠামোগত পরিবর্তন জরুরি।’

তিনি বলেন, ‘সংবিধানে বলা আছে, জনপ্রতিনিধিদের সম্মতি ছাড়া কোনো করারোপ করা যায় না। অথচ এটা নিয়ে সংসদে কোনো আলোচনা হয় না।

পররাষ্ট্রবিষয়ক সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য কাজী নাবিল আহমেদ বলেন, ‘উন্নয়ন বেশি করতে চাইলে তথ্য-উপাত্ত সরবরাহ সহজ করতে হবে।’

সাবেক অতিরিক্ত সচিব রণজিৎ কুমার চক্রবর্তী বলেন, ‘আর্থিক খাতের প্রায় সর্বক্ষেত্রেই অটোমেশন হচ্ছে। এর ফলে আশা করা যাচ্ছে তথ্য সরবরাহ আরও সহজলভ্য হবে।’

তিনি বলেন, ‘ইতিবাচক দিক হচ্ছে বাজেট সিস্টেমে পরিবর্তন আনা হচ্ছে। এতে করে বাজেট আরও স্বচ্ছ হবে।’

বিশ্বব্যাংক ঢাকা অফিসের সাবেক মুখ্য অর্থনীতিবিদ জাহিদ হোসেন বলেন, ‘সরকারি মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানগুলোর ডেটা পাওয়া যায় না। এতে জনগণ সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।’

জিডিপির প্রবৃদ্ধির অর্ধবার্ষিক হিসাব প্রকাশের পরামর্শ দেন দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য। বলেন, ‘এটা করা হলে আর্থিক খাতে স্বচ্ছতা নিশ্চিত হবে এবং জিডিপির হিসাব নিয়ে যে বিতর্ক দেখা দেয় তার অবসান ঘটবে।’

আরও পড়ুন:
এলএনজি নির্ভরতা কমাতে হবে: সিপিডি
পোশাক খাত সবুজায়নে নীতি-বিনিয়োগের অভাব: সিপিডি
ব্যবসায়ীদের প্রধান অন্তরায় তিনটি: সিপিডি
‘নারায়ণগঞ্জ নির্বাচন নিয়ে গবেষণা হওয়া উচিত’
৬ মাসে ৮২ কারখানায় আগুনে ১২৮ মৃত্যু

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Young visitors busy taking selfies with books are buying less

বই নিয়ে সেলফি তুলতে ব্যস্ত তরুণ দর্শনার্থীরা, কিনছেন কম

বই নিয়ে সেলফি তুলতে ব্যস্ত তরুণ দর্শনার্থীরা, কিনছেন কম বই নিয়ে ছবি তুলতে ব্যস্ত অনেকে, তবে সেই অর্থে বিক্রি কম। ছবি: নিউজবাংলা
প্রকাশক ও বিক্রেতাদের মতে, কিছু কিছু তরুণ মেলায় আসে বই কিনতে নয় বরং ফেসবুক, ইউটিউব সেলিব্রিটিদের সঙ্গে সেলফি তুলতে। যারা কোনো নিয়মিত লেখকও না।

লেখক-পাঠকদের মিলনমেলা অমর একুশে গ্রন্থমেলা। মাতৃভাষা বাংলার ইতিহাস-ঐতিহ্যের স্মরণে প্রতিবছর ফেব্রুয়ারি মাসে হরেক রকমের নতুন বই প্রকাশের মধ্য দিয়ে চলে সবার প্রিয় এই মেলা। ঐতিহ্যসমৃদ্ধ এই মেলায় নিজেদের পছন্দের বই ও প্রিয় লেখকের বই সংগ্রহ করতে বিভিন্ন বয়সের পাঠকরা আসেন।

তবে মেলায় আসা অধিকাংশ পাঠক-দর্শনার্থী তরুণ বয়সের। এদের মধ্যে মেলায় অনেকে শুধু ঘুরতে আসেন, অনেকে আসেন নিজেদের ছবি ও সেলফি তুলতে, অনেকে আবার প্রিয় লেখকদের সঙ্গে সেলফি কিংবা ছবি নিতেও মেলায় আসেন। বইমেলায় বই কেনার চেয়ে তরুণ প্রজন্মের দর্শনার্থীদের ছবি সেলফি তোলার হিড়িক বেশি লক্ষ্য করা যাচ্ছে এবার।

সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, দর্শনার্থীদের আকর্ষণ বাড়াতেই বইয়ের স্টল ও প্যাভিলিয়নগুলো বাহারি সাজে সাজানো হয়েছে। এ ছাড়াও স্টলগুলোতে থরে থরে সাজানো রয়েছে বিভিন্ন ধর্মী হাজারো বই। এমন পরিবেশে স্মৃতি ধরে রাখতে যেন সবারই ছবি তোলার ইচ্ছে জাগে। পাশাপাশি বই বিক্রি ও প্রচারে প্রকাশনীগুলোতে প্রায় প্রতিদিন থাকছেন লেখকরা। সেখানে বই কেনার পাশাপাশি তাদের সাথে সেলফি ছবি আড্ডায় মেতে ওঠেন বইপ্রেমীরা। তবে এই ছবি বা সেলফি তোলাকে নিজেদের ব্র‍্যান্ডিং ও মার্কেটিং মনে করছেন অনেক লেখক।

প্রকাশক ও বিক্রেতাদের মতে, কিছু কিছু তরুণ মেলায় আসে বই কিনতে নয় বরং ফেসবুক, ইউটিউব সেলিব্রিটিদের সঙ্গে সেলফি তুলতে। যারা কোনো নিয়মিত লেখকও না। তবে তরুণ লেখকদের গতানুগতিক থ্রিলার, উপন্যাস, গল্প-কবিতার বই মূলধারার সাহিত্যকে তেমন একটা প্রভাবিত করতে পারেনি। মূলধারার সাহিত্য ঠিকই মধ্যবয়সী ও বিশ্ববিদ্যালয় কলেজে পড়ুয়া শিক্ষার্থীদের মধ্যে আদান-প্রদান চলছে। তবে নির্দিষ্ট একটা তরুণ সমাজ নিম্নমানের সাহিত্যকর্মের দিকে ঝুঁকি যাচ্ছে, এটা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য হুমকিস্বরূপ।

প্রকাশকরা বলছেন, বইমেলায় দর্শনার্থীদের দেখে মনে হচ্ছে, এদের বেশির ভাগই এসেছেন মেলায় একটা ‘কোয়ালিটি টাইম’ কাটাতে এবং তা কেবলমাত্র বইকেন্দ্রিক নয়। বইয়ের তুলনায় সেখানে হাত বেশি খোঁজে মোবাইল ফোন। আর সুযোগ পেলেই উঠে যায় ক্লিক ক্লিক ছবি। সেটা আয়োজকেরাও কিছুটা বুঝেছেন। সেটা অনুভব করা যায় স্টলের সামনে মানুষের শুধু ছবি তোলার ভিড় দেখেই।

লেখকরা বলছেন, মোবাইল ফোন বা তাতে থাকা ক্যামেরা এখন বইমেলার অন্যতম অনুষঙ্গ। এতে বিপণন থেকে প্রচার সবই যুক্ত। বইয়ের মেলায় মোবাইল ফোনের ক্যামেরা এখন গুরুত্বের শীর্ষেই আছে। মেলায় আসছেন আর ছবি তুলছেন না এমন মানুষ হাতে গোনা কয়েকজন।

বিভিন্ন প্রকাশনীর স্টলে থাকা কয়েকজন বিক্রেতা জানান, বইয়ের পাতা উল্টিয়ে ভেতরের লেখা পড়ে খুব কম মানুষ। আর দাম তো জিজ্ঞেসও করে না। বই হাতে ছবি তুলাই মূল উদ্দ্যেশ্য মনে হয়। সবার হাতে এখন স্মার্টফোন। স্টলের সামনে দাঁড়িয়ে বই হাতে সেলফি তোলা আর ফেসবুকে দেয়াই তো কাজ। সেলফি তুলতে বই লাগে, কেনা বা পড়া লাগে না। সেলফি তুলতে তুলতে বই ছিঁড়ে ফেলার মতো ঘটনাও দেখছি।

মেলা প্রাঙ্গণ ঘুরে দেখা যায়, কোথাও বাবা তার মেয়ের ছবি তুলে দিচ্ছেন, আবার কোথাও বন্ধু তার বন্ধুর ছবি তুলতে ব্যস্ত, কোথাও কোথাও প্রেমিক তার প্রেমিকার ছবি তুলে দিচ্ছেন। আবার কেউ প্রিয় লেখকের বই হাতেও ছবি তুলছেন। কেউ কেউ সদ্য তোলা ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক-ইন্সট্রাগ্রামে পোস্ট করছেন। বন্ধুদের জানান দিচ্ছেন বাইমেলায় উপস্থিতির কথা।

মেলার নির্মল পরিবেশে বইমেলায় আগত দর্শনার্থীদের যেন ছবি তোলার উৎসব চলছে। এ অবস্থায় বই কেনার চেয়ে ছবি তোলাই যেন মুখ্য। আবার কেউ বা করছেন ব্লগ। আর কেউ ঘুরছেন কন্টেন্টের নামে গেমস আর ধাঁধার খেলায়। তবে স্টল ঘুরে ঘুরে বইও কিনছেন অনেকে।

শনিবার বিকেল থেকেই অমর একুশে বইমেলায় দর্শনার্থীদের ঢল দেখা গিয়েছে। মানুষ সিরিয়াল দিয়ে ঢুকছেন মেলা প্রাঙ্গণে। মেলায় আসা স্মৃতি ধরে রাখতে নিচ্ছেন সেলফি, তুলছেন ছবি। বই দেখছেন অনেকেই, কিন্তু ক্রেতার সংখ্যা খুবই কম।

বিকেল তিনটা থেকে দেখা যায়, মেলা প্রাঙ্গণে ভিড় বাড়তে থাকলেও বই ক্রেতা খুবই কম। অনেকেই এসেছেন দলবেঁধে, কেউ কেউ বন্ধুদের নিয়ে, কেউ আবার পরিবার-পরিজন কিংবা প্রিয় মানুষকে সাথে নিয়ে। ছোট বাচ্চাদের অংশগ্রহণ ছিল চোখে পড়ার মতো।

রাজধানীর মিরপুর থেকে আসা দুই বন্ধু রাজিব মাহমুদ ও শহিদুল আলম জানান, বইমেলার মনোরম পরিবেশ আর কোথাও পাওয়া যায় না। চারপাশে হাজারো বই। তবে মেলায় বই কেনার পাশাপাশি স্মৃতি হিসেবে ছবি তুলে রেখেছেন।

বই কেনার পর লেখকের সঙ্গে ছবি তুলছিলেন জাহিদ হাসান। তিনি জানান, মেলায় বইয়ের স্টল ও প্যাভিলিয়নগুলো এমন করে সাজানো যে, পাশে দাঁড়িয়ে ছবি তুলতে সবারই সাধ জাগে। যেহেতু বইমেলা, এখানে এখানে বই কেনাটাও মুখ্য।

বইমেলায় ঘুরতে আসা নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থী রওশন জাহান বলেন, বই মেলায় আসছি আর ফেসবুকে একটা স্টোরি দেব না তা কি আর হয়! অনেকগুলো ছবি তুলেছি বাসায় যেয়ে কিছু স্টোরিতে দেবো আর কিছু ছবি আপলোড দেব।

শেখ শাহরিয়ার নামের এক দর্শনার্থী বলেন, তার দুই অনেক দিন থেকেই সখ করেছে বই মেলায় আসার। শুক্রবারের ভিড় এড়াতে শনিবার তাদের নিয়ে মেলায় এসেছি। বইমেলার স্মৃতি রাখতে মেয়েকে ছবি তুলে দিয়েছি।

প্রথমা প্রকাশনীর বিক্রেতা মামুনুর রশিদ, এবার প্রথম দিকের চেয়ে শেষের দিকে শেষের দিকে ভিড় বেড়েছে। তবে গতবছরের তুলনায় এ বছর প্রথম দিকেও ভিড় ছিল। আমাদের স্টলে সবাই বই কিনতেই আসে। অটোগ্রাফ সহ লেখকের সঙ্গে ছবিও তুলছেন অনেকে।

বই কম বিক্রি প্রসঙ্গে অন্যপ্রকাশের বিক্রয়কর্মী আলিয়া জাহান বলেন, দর্শনার্থীরা দশজন বই দেখলে কিনছেন একজন। তিনি আশা প্রকাশ করে বলেন, মেলার শেষের দিকে বই বিক্রি বাড়বে।

পাঠক সমাবেশের একজন বিক্রেতা জানান, বইমেলায় দেখা যায় কিছু কিছু ব্যক্তি আসেন বই কেনেন না তবে সেলিব্রিটিদের সঙ্গে সেলফি তোলেন। আবার অনেকে বই কেনেন তাদের সঙ্গে সেলফি তুলে নিজেকে ধন্য মনে করতে। কিন্তু নিম্নমানের এই লেখকদের সাহিত্য রবীন্দ্রনাথ-নজরুলের মতো সাহিত্যকর্মকে তেমন প্রভাবিত করতে পারেনি। নির্দিষ্টসংখ্যক সচেতন পাঠকরা ঠিকই পুরনো সাহিত্য খুঁজে নেন।

আগামী প্রকাশনীর বিক্রেতা সোহাগ মাহমুদ বলেন, মেলায় পাঠকের চেয়ে দর্শনার্থী বেশি। তবে যারা কেনার জন্য আসে তারা কেনে। ছবি তুললে আসলে বিরক্তি প্রকাশ করা যায় না। আমাদের অনেক সমস্যা হয়। অনেকেই আসে বই দেখে ছবি তুলে চলে যায়। কিছুই বলা যায় না।

সেলফি আর ছবির প্রশ্নে বিরক্ত হয়ে জ্ঞানকোষ প্রকাশনীর বিক্রেতা সুমাইয়া জাহান বলেন, খুবই সমস্যা হয়। তবে সমস্যা হচ্ছে আমরা কিছুই বলতে পারি না। আর এবারের মেলায় প্রতিবারের মতো সাজের কিছুটা ভিন্নতা রয়েছে। এজন্য পাঠক দর্শনার্থীরা ছবি তুলতে ব্যস্ত বেশি। তবে ছবি তুলতে গিয়ে তারা অনেকে আবার বই কিনতে ভুলছেন না। এবারের বইমেলায় অন্যবারের চেয়ে পাঠকের ভিড়ের পাশাপাশি বিক্রিও বেশ ভালো।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন লেখিকা বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পরিচিত মুখ যারা বইমেলাকে কেন্দ্র করে কিছু লেখা লেখেন কিন্তু সারা বছর তাদের কোনো লেখা দেখা যায় না। তবে তাদেরকে ঠিকই ফেজবুক ইনস্টাগ্রাম ইত্যাদিতে নিম্নমানের ভিডিও কনটেন্ট তৈরি করতে দেখা যায়। দেখা যাচ্ছে তারা বইমেলায় এলে তাদেরকে ঘিরে তরুণ সমাজ সেলফি-ছবি তুলতে ব্যস্ত হয়ে যায়। এতে আমাদের মূলধারার সাহিত্যকর্মের ওপর খারাপ প্রভাব ফেলছে। তা ছাড়া তরুণ সমাজ যারা আমাদের ভবিষ্যৎ তাদেরকে নিম্নমানের এসব কর্মের প্রতি ঝুঁকে যাওয়া ঠিক নয়। তাদের উচিত উন্নততর চিন্তাভাবনা করা। আর সমাজকে ইতিবাচক উন্নতির দ্বার দেখানো।

অনুপম প্রকাশনীর প্রকাশক মিলন কান্তি নাথ বলেন, পাঠক ক্রেতারা মেলার প্রথম সপ্তাহে দেখে, দ্বিতীয় সপ্তাহে ঘুরে, তৃতীয় সপ্তাহে সিদ্ধান্ত আর শেষ সপ্তাহে কেনাকাটা করে। আর বইমেলার পুরো মাঠেই চলে সেলফি উৎসব। প্রকাশনীর সামনে তো কোনো কথাই নেই। তবে আমার কথা হচ্ছে বইটা আগে পাঠকের হোক পরে সেলফি।

তিনি আরও বলেন, তরুণ প্রজন্ম সঠিক পাঠক হোক, দায়িত্বশীল পাঠক হোক। সেলফি কিংবা ছবির তুলায় সময় নষ্ট না করে তাদের লেখার প্রতি আগ্রহ বাড়ানো উচিৎ। বর্তমানে ভালো লেখার সংকট রয়েছে। তরুণ প্রজন্মই পারবে এ সংকট কাটাতে।

তরুণ লেখকদের বই প্রকাশ করা শব্দশৈলী প্রকাশনীর প্রকাশক ইফতেখার আমীন বলেন, এ বছর প্রথম দিকে প্রচণ্ড ভিড় ছিল। তবে বিক্রি সেরকম হয়নি। এবার এখন পর্যন্ত ব্যাগভর্তি বই কাউকে কিনতে দেখিনি। তবে ফোন ভর্তি ছবি আর সেলফি তুলতে দেখেছি। মেলায় লোক সমাগম হচ্ছে, আড্ডা সেলফি হচ্ছে, চার-পাঁচ জনের গ্রুপ বই নিয়ে ছবি তুলছে। কিন্তু গত বছরের তুলনায় বই বিক্রি কম।

তিনি আরও বলেন, বর্তমানে কন্টেন্ট ক্রিয়েটরের নামে যে হচ্ছে তা আসলে ঠিক নয়। মেলা হওয়া উচিৎ পাঠকদের। সেখানে বই আর বউয়ের পার্থক্য নিয়ে ধাঁধা কিংবা গেম খেলার জন্য নয়। বই মেলার সাথে বাণিজ্য মেলার তুলনা করলে চলবে না। আমরা লেখক নয় লেখা ছাপি। আর এখন পাঠক হওয়ার চেয়ে ভাইরাল হওয়ার চিন্তা বেশি। তরুণ প্রজন্মের ভাইরাল হওয়ার মনমানসিকতা থেকে বেরিয়ে বই পড়ায় আগ্রহ বাড়াতে হবে।

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. ফারহানা জামান এবারের গ্রন্থমেলায় ‘স্মার্টফোন আসক্তি: প্রযুক্তি ও জীবনের ভারসাম্যহীনতা’ বইটি প্রকাশ করেছেন। বর্তমান প্রজন্মকে স্মার্টফোন আসক্তি থেকে সচেতন করে তুলতে বইটিতে বেশ গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দিয়েছেন ড. ফারহানা।

তিনি বলেন, স্মার্টফোন শিক্ষার্থীদের জীবনে এনে দেয় গতি, উন্মোচন করে নতুন দিগন্ত। কিন্তু নতুন এই দিগন্তে বিচরণ করতে গিয়ে অনেক শিক্ষার্থী হয়ে পড়েন স্মার্টফোনে আসক্ত। পড়ালেখায় গতি এনে দিলেও স্মার্টফোনের প্রতি আসক্তি অনেক শিক্ষার্থীকে ঠেলে দিয়েছে অন্ধকারের অতল গহ্বরে।

এবারের বইমেলায় ৬৩৫টি প্রতিষ্ঠানকে মোট ৯৩৭টি স্টল বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। বাংলা একাডেমির মাঠে ১২০টি প্রতিষ্ঠানকে ১৭৩টি এবং সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ৫১৫টি প্রতিষ্ঠানকে ৭৬৪টি স্টল বরাদ্দ দিয়েছে কর্তৃপক্ষ। এ বছর মোট ৩৭টি প্যাভিলিয়ন বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। গত বছর ৬০১টি প্রতিষ্ঠানের পক্ষে মোট ৯০১টি স্টল বরাদ্দ দেয়া হয়েছিল।

যেমন ছিল শনিবারের বইমেলা

অমর একুশে বইমেলার ২৪তম দিন শনিবার মেলা শুরু হয় সকাল ১১টায় এবং চলে রাত ৯টা পর্যন্ত। সকাল ১১টা থেকে বেলা ১টা পর্যন্ত ছিল শিশুপ্রহর।

এদিন নতুন বই এসেছে ১৩৮টি। বিকেল ৪টায় বইমেলার মূলমঞ্চে অনুষ্ঠিত হয় স্মরণ: মোহাম্মদ রফিক এবং স্মরণ : খালেক বিন জয়েনউদদীন শীর্ষক আলোচনা অনুষ্ঠান। প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন যথাক্রমে আলতাফ শাহনেওয়াজ এবং সুজন বড়ুয়া। আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন শামীম রেজা, শোয়াইব জিবরান এবং আসলাম সানী। সভাপতিত্ব করেন আবুল মোমেন।

‘লেখক বলছি’ অনুষ্ঠানে নিজেদের নতুন বই নিয়ে আলোচনা করেন কবি ও গবেষক শাহনাজ পারভীন, কবি ও অনুবাদক সাইফুল ভূঁইয়া, কথাসাহিত্যিক শাহনাজ পারভীন স্মৃতি এবং গবেষক মনিরুজ্জামান শাহীন। এই মঞ্চে এদিন বিকেলে বাংলা একাডেমি প্রকাশিত, মুহম্মদ মোজাম্মেল হক রচিত মুক্তিযুদ্ধ ও আলোকচিত্র বই বিষয়ে লেখকের সঙ্গে আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।

রোববারের বইমেলা

অমর একুশে বইমেলার ২৫তম দিন রোববার মেলা শুরু হবে বিকেল তিনটায় এবং চলবে রাত নয়টা পর্যন্ত। বিকেল ৪টায় বইমেলার মূলমঞ্চে অনুষ্ঠিত হবে স্মরণ: স্থপতি মোবাশ্বের হোসেন শীর্ষক আলোচনা অনুষ্ঠান।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Waltons Gold Trophy win at Dhaka International Trade Fair

ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলায় ওয়ালটনের গোল্ড ট্রফি জয়

ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলায় ওয়ালটনের গোল্ড ট্রফি জয় বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী আহসানুল ইসলাম টিটুর কাছ থেকে গোল্ড ট্রফি ও সনদ গ্রহণ করছেন ওয়ালটন হাই-টেকের পরিচালক নিশাত তাসনিম শুচি। ছবি: ওয়ালটন

শেষ হয়েছে মাসব্যাপী ২৮তম ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা (ডিআইটিএফ)-২০২৪। এবারের মেলাতেও ইলেকট্রনিক্স পণ্য ক্যাটাগরিতে সেরা হয়েছে দেশের ইলেকট্রনিক জায়ান্ট ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসি। পেয়েছে প্রথম পুরস্কারের গোল্ড ট্রফি।

মেলায় সুদৃশ্য স্টল নির্মাণ, উদ্ভাবনী ও গুণগতমানের পণ্য প্রদর্শন ইত্যাদি বিবেচনায় ওয়ালটনকে এই পুরস্কার দেয় মেলার আয়োজক প্রতিষ্ঠান রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়।

মঙ্গলবার বিকেলে রাজধানীর পূর্বাচলে বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশ-চায়না ফ্রেন্ডশিপ এক্সিবিশন সেন্টারের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত ডিআইটিএফ-২০২৪-এর সমাপনী অনুষ্ঠানে ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজকে গোল্ড ট্রফি প্রদান করা হয়।

অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী আহসানুল ইসলাম (টিটু) এর কাছ থেকে গোল্ড ট্রফি ও সনদ গ্রহণ করেন ওয়ালটন হাই-টেকের পরিচালক এবং ওয়ালটন মাইক্রো-টেক কর্পোরেশনের চিফ এক্সিকিউটিভ অফিসার (সিইও) নিশাত তাসনিম শুচি।

এ সময় বিশেষ অতিথি হিসেবে এফবিসিসিআই সভাপতি মাহবুবুল আলমসহ বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের জেষ্ঠ্য সচিব তপন কান্তি ঘোষ এবং ইপিবির ভাইস-চেয়ারম্যান এএইচএম আহসান উপস্থিত ছিলেন।

ওয়ালটনের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন অ্যাডিশনাল ম্যানেজিং ডিরেক্টর মেজর জেনারেল (অব.) ইবনে ফজল শায়েখুজ্জামান এবং চিফ মার্কেটিং অফিসার দিদারুল আলম খান।

২৮তম ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলায় বঙ্গবন্ধু টানেলের আদলে দৃষ্টিনন্দন মেগা স্টল স্থাপন করেছিল ওয়ালটন, যেখানে এক ছাদের নিচে বিশ্বের সর্বাধুনিক প্রযুক্তি ও ফিচারসমৃদ্ধ স্মার্ট ফ্রিজ, এসি, টিভি, লিফট, ওয়াশিং মেশিন, ল্যাপটপ, কম্পিউটার, ইলেকট্রিক বাইক, হোম ও কিচেন অ্যাপ্লায়েন্সেসসহ অসংখ্য ধরণের ইলেকট্রনিক্স ও ইলেকট্রিক্যাল পণ্যসামগ্রী প্রদশর্ন করা হয়েছে। মেলায় আগত ক্রেতা-দর্শনার্থীদের কাছে ব্যাপক সমাদৃত হয়েছে ওয়ালটনের স্মার্ট প্রযুক্তিপণ্য।

উল্লেখ্য, মেলার উদ্বোধনী দিনে ওয়ালটনের সুদৃশ্য মেগা স্টল পরিদর্শন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সে সময় প্রধানমন্ত্রী ‘মেড ইন বাংলাদেশ’ খ্যাত ওয়ালটনের পণ্য সামগ্রী ও দেশীয় প্রযুক্তি শিল্পের বিকাশে ওয়ালটনের অগ্রগতি দেখে অভিভূত হন। বিশেষ করে ওয়ালটন ব্র্যান্ডের ল্যাপটপ, স্মার্ট ফ্রিজ, এয়ারকন্ডিশনার, টেলিভিশন, লিফট ও এনার্জি সেভিং হোম এ্যাপ্লায়েন্সেস দেখে তিনি সন্তোষ প্রকাশ করেন। এসব পণ্য উৎপাদনে বাংলাদেশের অগ্রগতির ভূয়সী প্রশংসা করেন তিনি।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Team Pharmaceuticals Annual Sales and Marketing Conference 2024 held

টিম ফার্মাসিউটিক্যালসের বার্ষিক বিক্রয় ও বিপণন সম্মেলন-২০২৪ অনুষ্ঠিত

টিম ফার্মাসিউটিক্যালসের বার্ষিক বিক্রয় ও বিপণন সম্মেলন-২০২৪ অনুষ্ঠিত

দেশের সম্ভাবনাময় ওষুধ প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান টিম ফার্মাসিউটিক্যালসের বার্ষিক বিক্রয় ও বিপণন সম্মেলন-২০২৪ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার কক্সবাজারের হোটেল সি প্যালেসে তাদের বার্ষিক বিক্রয় ও বিপণন সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন টিম ফার্মাসিউটিক্যালসের মাদার কনসার্ন দেশের অন্যতম বড় শিল্প গ্রুপ টিম গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আব্দুল্লাহ হিল রাকিব।

এ সময় তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন গ্রুপের ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর আব্দুল্লাহ হিল নকীব, টিম ফার্মাসিউটিক্যালসের ডিরেক্টর ও সিওও এম এ মনসুর, সেলস এন্ড ডিস্ট্রিবিউশনের ডিরেক্টর মো. আব্দুল ওয়াহাব, মার্কেটিং বিভাগের নির্বাহী পরিচালক দীপক কুমার সাহাসহ অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ।

এ ছাড়া সারা দেশ থেকে টিম ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেডের সকল আঞ্চলিক প্রতিনিধিরা তাদের স্থানীয় কর্মকর্তাদের নিয়ে এই সম্মেলনে অংশগ্রহণ করেন।

আবদুল্লাহ হিল রাকিব বিগত বছরগুলোতে টিম ফার্মার বিভিন্ন সাফল্য ও চ্যালেঞ্জের কথা স্মরণ করে প্রতিষ্ঠানকে আরও এগিয়ে নিতে নিজের পরিকল্পনার কথা আলোকপাত করেন এবং স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ব্যবসায়িক সাফল্য ও গুণগত মান ধরে রেখে অংশগ্রহণকারীদের বাজার দখল করার বিষয়ে উৎসাহিত করেন।

পাশাপাশি বিগত ২০২৩ সালের বিক্রয় লক্ষ্যমাত্রা পূরণের জন্য তিনি সকল কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সাধুবাদ জানান।

এরপর প্রতিষ্ঠানের উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক ২০২৪ সালের জন্য বিক্রয় লক্ষ্যমাত্রা পূরণের সুযোগ এবং চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় করনীয় পরিকল্পনা সম্পর্কে জোর দিয়ে তার বক্তব্য উপস্থাপন করেন।

এ ছাড়াও টিম ফার্মাসিউটিক্যালসের সিওও এম. এ. মনসুর ২০২৪ সালের জন্য প্রতিষ্ঠানের নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করার জন্য দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা সকল প্রতিনিধিদের উদ্দেশ্যে তার পরামর্শমুলক বক্তব্য প্রদান করেন।

অন্যদিকে, বিক্রয় ও বিপনন বিভাগের প্রধান মো. আব্দুল ওয়াহাব তার বক্তব্যে গেলো বছরের চ্যালেঞ্জ এবং আগামী বছরের বিক্রয় পরিকল্পনা আলোচনা করেন।

তাদের এই পরিকল্পনায় সহায়ক হিসেবে কাজ করার জন্য প্রতিষ্ঠানের মার্কেটিং বিভাগের নির্বাহী পরিচালক দীপক কুমার সাহা ২০২৪ সালে বিপনন বিভাগের কৌশলগুলো সম্পর্কে বিশ্লেষণ করেন।

এছাড়া টিম ফার্মাসিউটিক্যালসের মানব সম্পদ ব্যবস্থাপনা বিভাগের মহাব্যবস্থাপক এম মাসউদ হাসান সামনের বছরে লক্ষ্যমাত্রা পূরণে মানবসম্পদ বিভাগের কার্যক্রমের রোডম্যাপ বাস্তবায়নের পরিকল্পনা উপস্থাপন করেন।

অনুষ্ঠানের শেষপর্বে বিক্রয় ও বিপনন প্রতিনিধি হিসেবে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে ২০২৩ সালের সেরা পারফরমারদের পুরস্কৃত করা হয়।

সন্ধ্যায় মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে দেশের জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী ঐশীর সঙ্গীত পরিবেশনার মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের পরিসমাপ্তি ঘটে।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Infinix laptops are different for those three reasons

যে তিন কারণে আলাদা ইনফিনিক্স ল্যাপটপ

যে তিন কারণে আলাদা ইনফিনিক্স ল্যাপটপ ইনফিনিক্স ল্যাপটপের সঙ্গে থাকছে ১০০ দিনের রিপ্লেসমেন্ট ওয়ারেন্টি। ছবি: সংগৃহীত
স্পেসিফিকেশনস এবং ওয়ারেন্টি সুবিধার পাশাপাশি ইনফিনিক্স ল্যাপটপের দাম বাজেট-বান্ধব। এক্স২ ডিভাইসটির দাম ৬১ হাজার ৯৯০ টাকা এবং ওয়াই২ প্লাস-এর দাম ৫৮ হাজার ৯৯০ টাকা। 

বর্তমান তরুণদের জীবন অনেকাংশেই যোগাযোগ নির্ভর এবং এর প্রযুক্তিও নিয়ত পরিবর্তনশীল। ফলে তাদের ডিভাইসগুলোকে হতে হয় আপ-টু-ডেট। এমন প্রেক্ষাপটে সম্প্রতি ইনবুক সিরিজের নতুন ল্যাপটপ নিয়ে এসেছে তরুণদের প্রিয় প্রযুক্তি ব্র্যান্ড ইনফিনিক্স।

তবে নানা ধরনের ও নানা ব্র্যান্ডের ল্যাপটপ এখন বাজারে আছে। তাই প্রশ্ন আসতেই পারে- এই ভিড়ে ইনফিনিক্স ল্যাপটপ কীভাবে আলাদা?

ইনবুক সিরিজের এক্স২ এবং ওয়াই২ প্লাস মডেল দুটি ইতোমধ্যেই বাজারে সাড়া ফেলেছে। মূলত তিনটি ব্যতিক্রমী বৈশিষ্ট্য এই সিরিজের ল্যাপটপগুলোকে অনন্য করে তুলেছে। এই বৈশিষ্ট্যগুলোর মধ্যে রয়েছে আধুনিক জীবনের প্রয়োজন মেটাতে পারে এমন সব স্পেসিফিকেশন, রিপ্লেসমেন্ট ওয়ারেন্টি এবং বাজারমূল্য।

প্রথমত, নজরকাড়া মেটালিক ফিনিশে তৈরি এক্স২ এবং ওয়াই২ প্লাস মডেল দুটিতে আছে ১১ প্রজন্মের ইন্টেল কোর আই৫ প্রসেসর। ফলে স্বচ্ছন্দেই করা যাবে মাল্টিটাস্কিং, রয়েছে প্রি-ইনস্টলড উইন্ডোজ ১১ হোম অপারেটিং সিস্টেম। কুলিং সিস্টেম হিসেবে ইনবুক সিরিজের ল্যাপটপে আছে আইস স্টর্ম ১.০। এই কুলিং সিস্টেমেরে বিশেষত্ব হচ্ছে, এটি ডিভাইসের প্রসেসরকে দ্রুত ঠান্ডা করতে পারে। তাই আর পোর্টেবল কুলিং ফ্যানের ঝামেলা পোহাতে হয় না।

এ ছাড়াও ইনফিনিক্স ল্যাপটপে আছে ৮ জিবি র‍্যাম এবং ৫১২ জিবি এনভিএমই এসএসডি। ফলে ব্যাটারি লাইফ উন্নত হওয়ার পাশাপাশি পারফর্ম্যান্স আরও ভালো পাওয়া যায়। এই সমন্বয়ের ফলে কোনো ঝামেলা ছাড়াই ব্যবহারকারীরা একইসঙ্গে বেশ কয়েকটি অ্যাপ্লিকেশন, ট্যাব ও প্রোগ্রাম ওপেন করে কাজ করতে পারবেন।

একটানা দীর্ঘসময় ধরে কাজ করার নিশ্চয়তা দিতে ল্যাপটপগুলোতে আছে ৫০ ওয়াট-আওয়ার ব্যাটারি এবং ৪৫ ওয়াট সি-টাইপ চার্জার। যার ফলে ডিভাইসগুলো সহজে ও নিশ্চিন্তে বহনযোগ্য।

ইনবুক সিরিজের দুটি ল্যাপটপেই আছে দারুণ, প্রাণবন্ত ও উজ্জ্বল ডিসপ্লে। ইনবুক এক্স২ মডেলটিতে আছে চিকন বেজেলের ১৪ ইঞ্চি ফুল এইচডি আইপিএস ডিসপ্লে। ঘরে ও বাইরে কাজ করতে হয় এমন চাকুরিজীবীদের জন্য ১ দশমিক ২৪ কেজি ওজনের এই হালকা ল্যাপটপটি মানানসই হবে।

আর ইনবুক ওয়াই২ প্লাস ল্যাপটপে আছে ১৫.৬ ইঞ্চির এফএইচডি প্লাস ডিসপ্লে। বড় স্ক্রিনের এই মডেলটি শিক্ষার্থী ও নতুন কর্পোরেট এক্সিকিউটিভদের প্রয়োজন মেটাতে সক্ষম হবে।

দ্বিতীয়ত, ইনফিনিক্স ল্যাপটপের সঙ্গে থাকছে ১০০ দিনের রিপ্লেসমেন্ট ওয়ারেন্টি এবং দুই বছরের প্রোডাক্ট ওয়ারেন্টি। ডিভাইস কেনার প্রথম ১০০ দিনের মধ্যে কোনো সমস্যা দেখা দিলে বাড়তি কোনো খরচ ছাড়াই ব্যবহারকারীরা সেই ডিভাইসটি পাল্টাতে পারবেন।

স্পেসিফিকেশনস এবং ওয়ারেন্টি সুবিধার পাশাপাশি ইনফিনিক্স ল্যাপটপের দাম বাজেট-বান্ধব। এক্স২ ডিভাইসটির দাম ৬১ হাজার ৯৯০ টাকা এবং ওয়াই২ প্লাস-এর দাম ৫৮ হাজার ৯৯০ টাকা।

রুপালি ও ধূসর রঙে এবং সম্পূর্ণ মেটাল বডি ডিজাইনে বাজারে পাওয়া যাচ্ছে এক্স২ এবং ওয়াই২ প্লাস ল্যাপটপ দুটি। এমন বাজেটে বর্তমান বাজারে এই দুটি ল্যাপটপই সবচেয়ে আকর্ষণীয়। ইনবুক এক্স২ এবং ইনবুক ওয়াই২ প্লাস ল্যাপটপ দুটি পাওয়া যাচ্ছে স্টারটেক ও রায়ানস-এর মতো ইনফিনিক্সের অনুমোদিত রিটেইলার এবং দেশের বৃহত্তম অনলাইন মার্কেটপ্লেস দারাজে।

আরও পড়ুন:
বাজারে এলো ইনফিনিক্সের গেমিং স্মার্টফোন হট ৪০ প্রো
ফ্ল্যাশ লাইট বনাম রিং লাইট: কোনটি বেশি উপযোগী
দেশের বাজারে ইনফিনিক্সের ইনবুক সিরিজের দুই ল্যাপটপ
সিইএস ২০২৪: স্মার্ট ডিভাইস চার্জ হবে ৮ ইঞ্চি দূর থেকেই
নতুন গেমিং ফোন নিয়ে এলো ইনফিনিক্স

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The government withdrew from the decision to increase the price of sugar

চিনির মূল্য বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত থেকে সরে এলো সরকার

চিনির মূল্য বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত থেকে সরে এলো সরকার প্রতি কেজি চিনির খুচরা মূল্য ১৪০ টাকা‍ই থাকছে। ফাইল ছবি
এর আগে সকালে বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প করপোরেশন (বিএসএফআইসি) চিনি উৎপাদনকারী রাষ্ট্রায়ত্ত মিলগুলোর কেজিতে ২০ টাকা বাড়িয়ে প্রতি কেজির সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য ১৬০ টাকা নির্ধারণ করে দেয়।

পবিত্র রমজানের আগমন ও মানুষের দুর্ভোগের কথা বিবেচনা করে চিনির দাম বাড়ানোর কয়েক ঘণ্টার মধ্যে সরকার তার সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসেছে।

শিল্প মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব জাকিয়া সুলতানা স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বৃহস্পতিবার রাতে এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়। খবর ইউএনবির

এতে বলা হয়, প্রতি কেজি চিনির খুচরা মূল্য ১৪০ টাকা আগের মূল্যের ভিত্তিতেই বিক্রি করা হবে।

এর আগে সকালে বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প করপোরেশন (বিএসএফআইসি) চিনি উৎপাদনকারী রাষ্ট্রায়ত্ত মিলগুলোর কেজিতে ২০ টাকা বাড়িয়ে প্রতি কেজির সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য ১৬০ টাকা নির্ধারণ করে দেয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বিএসএফআইসির উৎপাদিত চিনির আন্তর্জাতিক ও দেশীয় বাজারমূল্যের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বিক্রয়মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

আরও পড়ুন:
চিনির দাম কেজিতে ২০ টাকা বাড়ল
নেত্রকোণায় মজুত করা ৪৯৯ বস্তা ভারতীয় চিনি জব্দ
চোরাই পথে আসা ভারতীয় চিনি ঢুকছে সিলেটের বাজারে
চিনি ও সয়াবিন তেলের দাম কমল ৫ টাকা
চিনির দাম বাড়ানো অযৌক্তিক: ক্যাব

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Sugar price increased by Tk 20 per kg

চিনির দাম কেজিতে ২০ টাকা বাড়ল

চিনির দাম কেজিতে ২০ টাকা বাড়ল ফাইল ছবি
নতুন দর অনুযায়ী সরকারি মিলের চিনির সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য ১৬০ টাকা নির্ধারণ করেছে চিনি ও খাদ্য শিল্প করপোরেশন (বিএসএফআইসি)।

রমজান মাস সামনে রেখে এক লাফে কেজিতে ২০ টাকা বাড়ানো হলো চিনির দাম।

নতুন দর অনুযায়ী সরকারি মিলের চিনির সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য ১৬০ টাকা নির্ধারণ করেছে চিনি ও খাদ্য শিল্প করপোরেশন (বিএসএফআইসি)।

বৃহস্পতিবার বিএসএফআইসির বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আন্তর্জাতিক ও দেশীয় চিনির বাজারমূল্যের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বিএসএফআইসি কর্তৃক উৎপাদিত চিনির বিক্রয়মূল্য পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে। বাজারে রোজা উপলক্ষে চিনির বাজার নিয়ন্ত্রণে সরকারের সহযোগিতা প্রয়োজন।

এখন থেকে করপোরেশনের ৫০ কেজি বস্তাজাত চিনির মিলগেট বিক্রয়মূল্য ১৫০ টাকা (এক কেজি) ও ডিলার পর্যায়ে বিক্রয়মূল্য ১৫৭ টাকা (এক কেজি) নির্ধারণ করা হয়েছে।

এ ছাড়া করপোরেশনের ১ কেজি প্যাকেটজাত চিনির মিলগেট বা করপোরেট সুপারশপ বিক্রয়মূল্য ১৫৫ টাকা ও বিভিন্ন সুপারশপ, চিনি শিল্প ভবনের বেজমেন্টে ও বাজারে সর্বোচ্চ খুচরা বিক্রয়মূল্য ১৬০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

এর আগে কেজিপ্রতি ১৪০ টাকা চিনির মূল্য নির্ধারণ করে সংস্থাটি। তবে বাজারে এর থেকে বেশি দামে চিনি বিক্রি হচ্ছিল।

আরও পড়ুন:
নেত্রকোণায় মজুত করা ৪৯৯ বস্তা ভারতীয় চিনি জব্দ
চোরাই পথে আসা ভারতীয় চিনি ঢুকছে সিলেটের বাজারে
চিনি ও সয়াবিন তেলের দাম কমল ৫ টাকা

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Islami Bank Tribute to Central Shaheed Minar

কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ইসলামী ব্যাংকের শ্রদ্ধা

কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ইসলামী ব্যাংকের শ্রদ্ধা শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে বুধবার ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসির পক্ষ থেকে শ্রদ্ধা জানানো হয়। ছবি: নিউজবাংলা
ব্যাংকের পক্ষে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন পরিচালক মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন, এফসিএমএ। ওই সময় অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক মুহাম্মদ কায়সার আলী, ক্যামেলকো তাহের আহমেদ চৌধুরী, সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট মো. মাকসুদুর রহমান ও আবু সাঈদ মো. ইদ্রিসসহ ব্যাংকের নির্বাহী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।

শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে বুধবার ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসির পক্ষ থেকে শ্রদ্ধা জানানো হয়েছে।

ব্যাংকের পক্ষে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন পরিচালক মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন, এফসিএমএ। ওই সময় অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক মুহাম্মদ কায়সার আলী, ক্যামেলকো তাহের আহমেদ চৌধুরী, সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট মো. মাকসুদুর রহমান ও আবু সাঈদ মো. ইদ্রিসসহ ব্যাংকের নির্বাহী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন:
বাণিজ্য মেলায় ইসলামী ব্যাংকের প্রিমিয়ার স্টল উদ্বোধন
ইসলামী ব্যাংকের বার্ষিক ব্যবসায় উন্নয়ন সম্মেলন শুরু
ইসলামী ব্যাংকের ১২ উপশাখার উদ্বোধন
পোলট্রি ও মৎস্য প্রকল্পে বিনিয়োগ করছে গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক পিএলসি
ইসলামী ব্যাংকের ইন্টার্নশিপ প্রোগ্রাম শুরু

মন্তব্য

p
উপরে