× হোম রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া সিটিজেন জার্নালিজম বিচিত্র ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য আফগানিস্তান ১৫ আগস্ট কী-কেন স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও যৌনতা-প্রজনন ইউরোপ অন্যান্য উদ্ভাবন প্রবাসী আফ্রিকা ক্রিকেট শারীরিক স্বাস্থ্য আমেরিকা দক্ষিণ এশিয়া সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ মানসিক স্বাস্থ্য ব্লকচেইন অন্যান্য ভাষান্তর ফুটবল অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
Bangladesh ranks 10th in the world in immunization
google_news print-icon

টিকাদানে বিশ্বে বাংলাদেশ দশম

টিকাদানে-বিশ্বে-বাংলাদেশ-দশম
স্বাস্থ্যবিধি মেনে ১২ থেকে ১৭ বছর বয়সী শিক্ষার্থীদের কোভিড টিকা কার্যক্রম এখনও চলমান রয়েছে। ফাইল ছবি
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘পরিস্থিতি এখন অনেকটা স্বস্তিদায়ক অবস্থায় এসেছে। গতকাল শনাক্তের হার ৭ শতাংশে ছিল, যা জানুয়ারি মাসে ৩৩ দশমিক ৩৭ শনাক্তে ছিল। গতকাল করোনা আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ৯ জন, কিছুদিন আগেও দৈনিক ৪০ জনের ওপরে মারা গেছেন, শনাক্তও তখন ১৬ হাজারের ওপরে।’

দেশে করোনাভাইরাস থেকে সুরক্ষা নিশ্চিতে ১০ কোটি ৩৩ লাখ মানুষকে প্রথম ডোজের টিকা দেয়া সম্ভব হয়েছে, যা টার্গেট জনসংখ্যার ৮৬ শতাংশ। প্রথম ডোজ দেয়া হয়েছে ৬১ শতাংশ এবং দ্বিতীয় ডোজ দেয়া হয়েছে ৪৬ শতাংশ মানুষকে। টিকাদান কর্মসূচি বাস্তবায়নের দিক থেকে বিশ্বের মধ্যে এখন বাংলাদেশের অবস্থান ১০তম।

রাজধানীর মহাখালী বাংলাদেশ কলেজ অফ ফিজিশিয়ানস অ্যান্ড সার্জনস (বিসিপিএস) প্রাঙ্গণে ২৬ ফেব্রুয়ারি দেশব্যাপী অনুষ্ঠেয় এক দিনে এক কোটি কোভিড-১৯ টিকাদান কর্মসূচিবিষয়ক এক সংবাদ সম্মেলন এ তথ্য জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘পরিস্থিতি এখন অনেকটা স্বস্তিদায়ক অবস্থায় এসেছে। গতকাল শনাক্তের হার ৭ শতাংশে ছিল, যা জানুয়ারি মাসে ৩৩ দশমিক ৩৭ শনাক্তে ছিল। গতকাল করোনা আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ৯ জন, কিছুদিন আগেও দৈনিক ৪০ জনের ওপরে মারা গেছেন, শনাক্তও তখন ১৬ হাজারের ওপরে।

টিকাদানে বিশ্বে বাংলাদেশ দশম
সংবাদমাধ্যম ব্লুমবার্গের হিসেবে বিশ্বে টিকাদানে শীর্ষ দেশগুলো। ছবি: ব্লুমবার্গ

তিনি বলেন, ‘বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন দেশের টিকাদান কর্মসূচির নিয়মিত যে হালনাগাদ তথ্য, তার ওপরে ভিত্তি করে যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাবশালী গণমাধ্যম ব্লুমবার্গ বলছে, ৬৫টি দেশের মধ্যে টিকাদান কর্মসূচি বাস্তবায়নে বাংলাদেশ ১০ নম্বরে রয়েছে। এ অবস্থায় এটা ভালো খবর। তাই আপনাদের বলব, আপনারা টিকা নিন, সুস্থ থাকুন।’

টিকা নেয়ার আহ্বান জানিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেন, ‘আমার দেখেছি করোনা আক্রান্ত হয়ে যারা হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছে, তাদের ৮৫ শতাংশই টিকা নেয়নি। কাজেই টিকা নেয়া অনেক জরুরি।’

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
The Minister of State ordered to speed up the work to prevent the erosion of the Karatoya river

করতোয়া নদীভাঙন রোধে কাজ দ্রুত এগিয়ে নেওয়ার নির্দেশ প্রতিমন্ত্রীর

করতোয়া নদীভাঙন রোধে কাজ দ্রুত এগিয়ে নেওয়ার নির্দেশ প্রতিমন্ত্রীর ছবি: সংগৃহীত

পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জ উপজেলার করতোয়া নদীর ভাঙনকবলিত বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করেছেন পঞ্চগড়-২ আসনের সংসদ সদস্য ও পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ। এ সময় তিনি ভাঙন প্রতিরোধে দ্রুত কাজ শুরু করার নির্দেশ দেন।

গত শুক্রবার (২৬ জুন) বিকেল ৪টার দিকে তিনি উপজেলার সুন্দরদিঘী ইউনিয়নের লক্ষ্মীনারায়ণী এলাকা এবং দেবীডুবা ইউনিয়নের দাড়ারহাট তেলীপাড়া এলএলপি, দাড়ারহাট ডাক্তারপাড়া ও সোনাপোতা ঢাকাইয়াপাড়া এলাকায় নদীভাঙন পরিস্থিতি সরেজমিনে পরিদর্শন করেন।

পরিদর্শনকালে প্রতিমন্ত্রী বলেন, করতোয়া নদীর ভাঙন রোধে প্রায় ১০ কোটি টাকার উন্নয়ন প্রকল্পের (ডিপিপি) টেন্ডার সম্পন্ন হয়েছে। দাড়ারহাট ও তেলীপাড়া এলাকার প্রতিরক্ষা কাজ খুব শিগগিরই শুরু হবে।

তিনি স্থানীয়দের উদ্দেশে বলেন, ‘এ কাজ জনগণের টাকায় বাস্তবায়িত হবে। তাই কাজের মান সঠিকভাবে বুঝে নেবেন এবং তদারকি করবেন। কোথাও যেন প্রকল্প এলাকার আশপাশ থেকে বালু উত্তোলন করে কাজ না করা হয়, সেদিকে সবাইকে নজর রাখতে হবে।’

এ সময় তিনি করতোয়া নদীতে ড্রেজার মেশিন ব্যবহার করে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন বন্ধে স্থানীয় প্রশাসনকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন।

পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন ঠাকুরগাঁও অঞ্চলের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী কৃষ্ণ কমল সরকার, পঞ্চগড় পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী আশুতোষ বর্মন এবং দেবীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইন্দ্রজিৎ সাহাসহ পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তা, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও এলাকাবাসী।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Son arrested for brutal attack on old mother for greed of property

সম্পত্তির লোভে বৃদ্ধ মায়ের ওপর নৃশংস হামলা, ছেলে গ্রেপ্তার

সম্পত্তির লোভে বৃদ্ধ মায়ের ওপর নৃশংস হামলা, ছেলে গ্রেপ্তার ছবি: সংগৃহীত

নওগাঁর ধামইরহাটে মায়ের সম্পত্তি নিজের নামে লিখে নেওয়ার উদ্দেশে বৃদ্ধ মায়ের ওপর নৃশংস হামলার অভিযোগে এক ছেলেকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। অভিযুক্ত ছেলে প্রথমে ইট দিয়ে মায়ের মাথায় আঘাত করে এবং পরে ধারালো অস্ত্র দিয়ে তার মায়ের পায়ের রগ কেটে দেয় বলে অভিযোগ উঠেছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ধামইরহাট উপজেলার আলমপুর ইউনিয়নের বস্তাবর গ্রামের বাসিন্দা ৬৭টি বছর বয়সি আনজুমান আরার নামে কিছু জমিজমা রয়েছে। ওই সম্পত্তি জোরপূর্বক নিজের নামে লিখে নেওয়ার জন্য তার ছেলে আসাদুজ্জামান শামীম (৩৭) দীর্ঘদিন ধরে চাপ সৃষ্টি করে আসছিল বলে অভিযোগ রয়েছে।

অভিযোগ অনুযায়ী, গত ৭ জুন শামীম হত্যার উদ্দেশে ইট দিয়ে মায়ের মাথায় আঘাত করে। গুরুতর আহত অবস্থায় আনজুমান আরা চিকিৎসা গ্রহণ করেন। পরে তিনি বাড়িতে ফিরে গেলে গত ১৪ জুন পুনরায় তার ওপর হামলা চালানো হয়। এ সময় শামীম ধারালো চাকু দিয়ে তার ডান পায়ের রগ কেটে দেয় বলে গত ২৪জুন করা মামলায় উল্লেখ করা হয়।

ঘটনাটি নওগাঁর পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম এর নজরে আনা হলে তার নির্দেশনায় ধামইরহাট থানা পুলিশ বিশেষ অভিযান শুরু করে। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কয়েকদিনের ধারাবাহিক অভিযানের পর বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) রাত ৯টার দিকে আলমপুর ইউনিয়নের বস্তাবর গ্রাম থেকে মামলার এজাহারভুক্ত আসামি আসাদুজ্জামান শামীমকে গ্রেপ্তার করা হয়।

নওগাঁর পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম বলেন, পিতামাতার প্রতি সহিংসতা ও নির্যাতনের মতো ঘৃণ্য অপরাধের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে জেলা পুলিশ আইন অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। কোনো অপরাধীকে ছাড় দেওয়া হবে না।

গ্রেপ্তারকৃত আসামিকে আদালতে সোপর্দের প্রস্তুতি চলছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
A day long discussion meeting was held in Khulna on the occasion of Holy Ashura

পবিত্র আশুরা উপলক্ষে খুলনায় দিনব্যাপী আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

পবিত্র আশুরা উপলক্ষে খুলনায় দিনব্যাপী আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত ছবি: সংগৃহীত

পবিত্র মহররম উপলক্ষে আঞ্জুমান-এ-পাঞ্জাতানী ট্রাস্টের উদ্যোগে ১০ দিনব্যাপী শোক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রায় চৌদ্দশত বছর আগের এই দিনে ইরাকের কারবালা প্রান্তরে বিশ্বনবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর প্রাণপ্রিয় দৌহিত্র ইমাম হুসাইন (আ.) ও তার ৭২ জন সঙ্গী-সাথী সত্য ও ন্যায় প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে নিজেদের জীবন উৎসর্গ করেছিলেন।

১লা হতে ১০ মহররম পর্যন্ত এই আলোচনা সভায় মূল বক্তা হিসেবে আলোচনা করেন ইসলামী শিক্ষা কেন্দ্রের অধ্যক্ষ হুজ্জাতুল ইসলাম সৈয়দ ইব্রাহীম খলিল রাজাভী। সমাপনী দিনে হযরত ইমাম হোসাইন (আ.)-এর পবিত্র শাহাদত স্মরণে নগরীর আলতাপোল লেনস্থ কাসরে হোসাইনী ইমামবাড়ি হতে এক শোক মিছিল বের করা হয়।

শোক মিছিলপূর্ব আলোচনা সভায় প্রধান বক্তা হুজ্জাতুল ইসলাম সৈয়দ ইব্রাহীম খলিল রাজাভী বলেন: ‘কারবালার হৃদয়বিদারক ঘটনায় মুসলমানদের জন্য এক গভীর শিক্ষা রয়েছে। কারবালার আদর্শ মুসলমানদের অন্যায় ও মিথ্যার সাথে আপোস না করা এবং সত্যের পতাকাকে সমুন্নত রাখার চেতনা জাগ্রত করে। ইমাম হুসাইন (আ.)-এর এই আত্মত্যাগ কেবল কোনো ক্ষমতার লড়াই ছিল না, এটি ছিল জালিমের বিরুদ্ধে মজলুমের এবং অসত্যের বিরুদ্ধে সত্যের চিরন্তন সংগ্রাম। তিনি আমাদের শিখিয়েছেন, জীবন দিয়ে হলেও কীভাবে অন্যায়ের প্রতিবাদ করতে হয়। আজ বিশ্বজুড়ে যেখানেই নিপীড়ন, সেখানেই কারবালার চেতনা আমাদের প্রেরণা জোগায়।’

তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, কারবালার মর্মান্তিক ঘটনা এবং ইমাম হুসাইন (আ.) ও তার বিশ্বস্ত সঙ্গীদের শাহাদাতের পর শতাব্দী পেরিয়ে গেলেও এর গুরুত্ব ও মর্যাদা এতটুকুও কমেনি; বরং সময়ের সাথে সাথে আশুরার চেতনা বিশ্বব্যাপী আরও বিস্তৃত হচ্ছে।

মিছিলে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খুলনা মহানর বিএনপির সভাপতি ও কেডিএ’র চেয়ারম্যান এ্যাড. শফিকুল আলম মনা। আলোচনা সভা শেষে একটি বিশাল শোক মিছিল নগরীর প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় ইমামবাড়িতে এসে শেষ হয়। এই শোক মিছিলে বিপুল সংখ্যক শিয়া মুসলিম নারী ও পুরুষ অংশ নেন।

সমগ্র মিছিল পরিচালনা করেন আঞ্জুমান-এ-টাঞ্জাতানী ট্রাস্ট এর সভাপতি মোহাম্মদ ইকবাল ও সাধারণ সম্পাদক মো. নাসিরুল হাসান।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Request for help for the treatment of two brothers suffering from Wilsons disease in Mathbaria

মঠবাড়িয়ায় ‘উইলসন ডিজিজে’ আক্রান্ত দুই সহোদর, চিকিৎসার জন্য সাহায্যের আবেদন

মঠবাড়িয়ায় ‘উইলসন ডিজিজে’ আক্রান্ত দুই সহোদর, চিকিৎসার জন্য সাহায্যের আবেদন ছবি: সংগৃহীত

পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় বিরল জেনেটিক রোগ 'উইলসন ডিজিজ'-এ আক্রান্ত হয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন দুই সহোদর শুভ ওঝা (২২) ও চয়ন ওঝা (১৫)। দীর্ঘদিন ধরে এই মরণব্যাধির সাথে লড়াই করতে গিয়ে অর্থাভাবে তাদের চিকিৎসা এখন বন্ধের পথে। উপজেলার ঘটিচোরা (সবুজনগর) গ্রামের এই অসহায় পরিবারটি এখন সরকার ও সমাজের বিত্তবান মানুষের সহযোগিতা কামনা করছে।

​পরিবার সূত্রে জানা যায়, প্রায় ৯ বছর আগে বড় ভাই শুভ ওঝার শরীরে এবং ৩ বছর আগে ছোট ভাই চয়ন ওঝার শরীরে এই বিরল রোগটি শনাক্ত হয়। উন্নত চিকিৎসার আশায় ধারদেনা করে বড় ছেলেকে ভারতের ভেলোরে নেওয়া হয়েছিল। সেখানে কিছুদিন চিকিৎসা চললেও করোনা মহামারি ও চরম আর্থিক সংকটের কারণে তা আর চালিয়ে যাওয়া সম্ভব হয়নি। পরবর্তীতে ছোট ভাই চয়নও একই রোগে আক্রান্ত হলে পরিবারটি দিশেহারা হয়ে পড়ে।

​দিনমজুর বাবা সংকর ওঝা অশ্রুসিক্ত কণ্ঠে বলেন, “দুই ছেলের চিকিৎসায় আমরা সর্বস্ব হারিয়েছি। বড় ছেলে বিছানালগ্ন। এখন অভাবের সংসারে প্রতিদিনের ওষুধ কেনাই দায় হয়ে পড়েছে। মানুষের মানবিক সহায়তা ছাড়া তাদের বাঁচিয়ে রাখা আমার পক্ষে অসম্ভব।"

ওই পরিবারের সাথে যোগাযোগ ও সহায়তার জন্য ফোন করতে পারেন ০১৭২৮১৯৭৪৫২ এই নাম্বারে। আর সহয়তা পাঠাতে ব্যবহার করতে পারেন বিকাশ ০১৭২৮১৯৭৪৫২ নাম্বারটি।

​পরিবারের দাবি, সময়মতো উন্নত চিকিৎসা নিশ্চিত করা গেলে দুই ভাইয়ের শারীরিক অবস্থার আরও অবনতি রোধ করা সম্ভব। এই দুই ভাইয়ের প্রাণ বাঁচাতে বিত্তবান ও মানবিক সংগঠনগুলোর এগিয়ে আসা জরুরি।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
If there are more than 100 guests in a wedding the MP demands a tax of Tk 1000 per person

বিয়েতে ১০০ জন অতিথির বেশি হলে জনপ্রতি ১০০০ টাকা ট্যাক্স বসানোর দাবি এমপির

বিয়েতে ১০০ জন অতিথির বেশি হলে জনপ্রতি ১০০০ টাকা ট্যাক্স বসানোর দাবি এমপির লক্ষ্মীপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য মো. শাহাদাত হোসেন সেলিম। ছবি: সংগৃহীত

বিয়েতে ‘আনন্দ-ফুর্তির’ নামে অতিরিক্ত অর্থ অপচয় ও বিত্ত-বৈভবের প্রদর্শনী বন্ধ করতে অতিথি সংখ্যা ১০০ জনের বেশি হলে প্রতি অতিরিক্ত অতিথির জন্য ১০০০ টাকা করে বিশেষ ট্যাক্স বা কর নির্ধারণের প্রস্তাব দিয়েছেন লক্ষ্মীপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য মো. শাহাদাত হোসেন সেলিম।

এই সংসদ সদস্যের এমন দাবি সংবলিত একটি বক্তব্যের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপকভাবে ভাইরাল হয়েছে, যা দেশজুড়ে নতুন করে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, গত শুক্রবার (২৬ জুন) রাজধানীতে আয়োজিত একটি সামাজিক আলোচনা সভায় অংশ নিয়ে তিনি এই সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব উত্থাপন করেন। ভিডিওতে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে তাঁকে বলতে শোনা যায়, দেশের বিভিন্ন সামাজিক অনুষ্ঠানে, বিশেষ করে বিয়েশাদিতে বর্তমানে যে পরিমাণ অর্থের অপচয় করা হচ্ছে, তা সাধারণ মানুষের কল্পনারও বাইরে।

আলোচনা সভায় সংসদ সদস্য শাহাদাত হোসেন সেলিম বিয়ের নানাবিধ অনুষ্ঠানকে ‘অশ্লীল প্রদর্শনী’ হিসেবে অভিহিত করে বলেন, আজকাল বিয়ে ও গায়েহলুদের অনুষ্ঠানে নাচের মহড়ার জন্য পেশাদার কোরিওগ্রাফার এনে এক মাস পর্যন্ত ট্রেনিং বা প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। এসব জাঁকজমকপূর্ণ আয়োজনে লাখ লাখ টাকা অপব্যয় করা হচ্ছে এবং নাচ-গানের অনুষ্ঠানগুলোতে হাজার হাজার মানুষ এসে অংশগ্রহণ করছে।

তিনি দুঃখ প্রকাশ করে বলেন, আমন্ত্রিত অতিথিরা এসব অনুষ্ঠানে যে পরিমাণ খাবার খান, তার অর্ধেকেরও বেশি অপচয় হয়ে ডাস্টবিনে চলে যায়, যা দেশের অর্থনীতির জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর এবং এই অনাকাঙ্ক্ষিত অপচয়কে যেকোনো মূল্যে বন্ধ করতে হবে।

এই সংকট নিরসনে অতীত আইনি কাঠামোর কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে তিনি জানান, বিগত সময়ে দেশে একটি কার্যকর ‘অতিথি নিয়ন্ত্রণ আইন’ ছিল, যেখানে নির্দিষ্ট সীমার বেশি অতিথি আপ্যায়ন করলেই সেখানে কঠোর ট্যাক্স বা জরিমানা আদায়ের নিয়ম রাখা হয়েছিল। সেই আইনের আদলে নতুন প্রস্তাব পেশ করে এই সংসদ সদস্য বলেন, বর্তমান প্রেক্ষাপটে সরকারের উচিত বিয়ের অনুষ্ঠানে ১০০ জন অতিথির বাইরে প্রতিজন অতিরিক্ত অতিথির জন্য বাধ্যতামূলকভাবে ১০০০ টাকা করে রাষ্ট্রীয় ট্যাক্স নির্ধারণ করা।

তিনি পূর্বের অর্থনৈতিক অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করে দাবি করেন, যদি সামাজিক ক্ষেত্রে এই বিশাল অপচয়টা আইন করে পুরোপুরি বন্ধ করা সম্ভব হয়, তবে দেশের বাজারে কৃত্রিম চাপ কমবে এবং একদিনের ব্যবধানেই সাধারণ মানুষের নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যসামগ্রীর দাম অন্তত ১০ শতাংশ কমে আসবে।

উল্লেখ্য, এর আগে গত ২২ জুন জাতীয় সংসদের বাজেট অধিবেশনে অংশ নিয়েও সংসদ সদস্য শাহাদাত হোসেন সেলিম বিয়ে ও গায়েহলুদের অতিরিক্ত খরচ বন্ধে অতীতের সেই অতিথি নিয়ন্ত্রণ আইনটি অবিলম্বে কার্যকর করার জন্য সরকারের প্রতি জোরালো আহ্বান জানিয়েছিলেন।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
PMs Malaysia China visit marks new milestone in Bangladesh diplomacy Local Government Minister

প্রধানমন্ত্রীর মালয়েশিয়া-চীন সফর বাংলাদেশের কূটনীতিতে নতুন মাইলফলক: স্থানীয় সরকার মন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রীর মালয়েশিয়া-চীন সফর বাংলাদেশের কূটনীতিতে নতুন মাইলফলক: স্থানীয় সরকার মন্ত্রী স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ছবি: সংগৃহীত

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সাম্প্রতিক মালয়েশিয়া ও চীন সফরকে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি ও কূটনৈতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে উল্লেখ করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, এই সফরের ফলে দুই বন্ধুপ্রতিম দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক আরও শক্তিশালী হয়েছে এবং পারস্পরিক স্বার্থ ও সম্মানের ভিত্তিতে সহযোগিতার নতুন ক্ষেত্র তৈরি হয়েছে।

শনিবার (২৭ জুন) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রীর বিদেশ সফর উপলক্ষে স্থানীয় সরকার মন্ত্রী ধন্যবাদ প্রস্তাব উত্থাপন করেন এবং বক্তব্য রাখতে গিয়ে এসব কথা বলেন। পরে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রমের সভাপতিত্বে প্রস্তাবটি কণ্ঠভোটে সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হয়।

স্থানীয় সরকার মন্ত্রী বলেন, গণতান্ত্রিক ধারাবাহিকতা পুনঃপ্রতিষ্ঠার পর নতুন সরকারের প্রধান হিসেবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের এই সফর আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের অবস্থানকে আরও সুসংহত করেছে। একই সঙ্গে মালয়েশিয়া ও চীনের সঙ্গে বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় উন্নীত করেছে।

তিনি জানান, সফরকালে বিশেষ করে চীনের সঙ্গে ১৭টি গুরুত্বপূর্ণ সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষর হয়েছে, যা ভবিষ্যতে দুই দেশের অর্থনৈতিক ও উন্নয়ন সহযোগিতা আরও সম্প্রসারণে কার্যকর ভূমিকা রাখবে। পাশাপাশি বিনিয়োগ বৃদ্ধি, বাণিজ্য সম্প্রসারণ, অবকাঠামো উন্নয়ন এবং দীর্ঘদিনের রোহিঙ্গা সংকটের টেকসই সমাধানে দুই দেশের মধ্যে ইতিবাচক আলোচনা হয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

মন্ত্রী বলেন, দীর্ঘদিনের রোহিঙ্গা সংকটের টেকসই সমাধানে মালয়েশিয়া ও চীন বাংলাদেশকে সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছে, যা এ ইস্যুতে সরকারের কূটনৈতিক প্রচেষ্টাকে আরও শক্তিশালী করবে।

স্থানীয় সরকার মন্ত্রী আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী বিদেশ সফরের আগে বা পরে জনসমাগমনির্ভর সংবর্ধনার প্রচলিত সংস্কৃতি পরিহার করে রাষ্ট্র পরিচালনায় সংযম, দায়িত্বশীলতা ও জনবান্ধব রাজনৈতিক চর্চার একটি নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। তাঁর এই উদ্যোগ দেশের রাজনৈতিক সংস্কৃতিকে আরও ইতিবাচক ও আধুনিক ধারায় এগিয়ে নিতে সহায়ক হবে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

মন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন, প্রধানমন্ত্রীর এই সফরের মাধ্যমে অর্জিত সমঝোতা ও সিদ্ধান্তগুলো বাস্তবায়িত হলে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতি, বৈদেশিক বিনিয়োগ, আঞ্চলিক সহযোগিতা এবং আন্তর্জাতিক সম্পর্ক আরও শক্তিশালী হবে।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Ashtagrams traditional cheese industry in crisis despite GI recognition

জিআই স্বীকৃতি পাওয়ার পরেও সংকটে অষ্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী পনির শিল্প

* শিল্পটিকে বাঁচাতে হিমাগার স্থাপনের দাবি এলাকাবাসীর * শত বছরের ঐতিহ্য ধরে রাখতে লড়ছে পনির কারিগররা * বর্ষাকালে দুধের সংকটে বেড়ে যায় উৎপাদন ব্যয়
জিআই স্বীকৃতি পাওয়ার পরেও সংকটে অষ্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী পনির শিল্প ছবি: সংগৃহীত

নদীর জল, দিগন্ত বিস্তৃত সবুজ আর রূপালি ঢেউয়ের মায়াজালে ঘেরা এক জনপদ কিশোরগঞ্জের অষ্টগ্রাম। তবে কেবল প্রাকৃতিক সৌন্দর্যই নয়, ঐতিহ্যবাহী পনিরের সাথে এই হাওর উপজেলার আরেকটি বড় পরিচয় জড়িয়ে আছে এক অনন্য স্বাদ ও সুবাসে। শত বছরের প্রাচীন এই 'হোয়াইট গোল্ড' বা সাদা সোনা আজ দেশজুড়ে প্রশংসিত।

গত বছর এই পনির পেয়েছে ভৌগোলিক নির্দেশক (জিআই) পণ্যের অমূল্য স্বীকৃতি, যা এই শিল্পকে নিয়ে গেছে এক আন্তর্জাতিক উচ্চতায়। কিন্তু এই জৌলুসের আড়ালে অষ্টগ্রামের পনির কারিগর ও ব্যবসায়ীদের দিন কাটছে চরম সংকট আর অস্তিত্বের লড়াইয়ে। বাইরে থেকে যা উৎসবমুখর মনে হয়, ভেতরের বাস্তব চিত্রটা আসলে নানাবিধ সমস্যায় জর্জরিত।

অষ্টগ্রামের পনিরের মূল প্রাণ হলো খাঁটি দুধ। সাধারণ মানুষের মধ্যে একটি প্রচলিত ধারণা রয়েছে যে এই পনির বুঝি কেবল মহিষের দুধ দিয়ে তৈরি। ঐতিহাসিকভাবে মহিষের দুধের পনিরের সুখ্যাতি থাকলেও, বর্তমানে চারণভূমি হ্রাসের কারণে হাওরে মহিষের সংখ্যা বেশ কম। ফলে এখন অষ্টগ্রামের পনিরের সিংহভাগই উৎপাদিত হয় গরুর খাঁটি দুধ থেকে। এই পনিরের উৎপাদন ও গবাদিপশু পালনের সাথে জড়িয়ে আছে হাওরের এক অদ্ভুত ঋতুচক্র।

শুকনো মৌসুমে যখন মাইলের পর মাইল চোখ জুড়ানো সবুজ মাঠ জেগে ওঠে, তখন পশুখাদ্য বা চারণভূমির কোনো অভাব থাকে না। চারদিকে তখন দুধের প্রাচুর্য দেখা যায়। কিন্তু বিপত্তি বাঁধে বর্ষাকালে। বর্ষার উত্তাল জলরাশি যখন পুরো হাওরকে গ্রাস করে, তখন চারণভূমির তীব্র সংকট দেখা দেয়। চারিদিকে শুধু পানি থাকায় গবাদিপশু নিয়ে কৃষকদের চরম বিপাকে পড়তে হয়, যার সরাসরি প্রভাব গিয়ে পড়ে পনিরের বাজারে।

বর্ষার এই সংকটের কারণে বছরের একটি দীর্ঘ সময়জুড়ে এখানে তীব্র কাঁচা দুধের সংকট দেখা দেয়। ফলে দুধের দাম বেড়ে যাওয়ায় পনির উৎপাদনের খরচও হয়ে যায় আকাশচুম্বী। এই প্রাকৃতিক সংকটের সাথে যোগ হয়েছে কারিগর ও ব্যবসায়ীদের আর্থিক অসচ্ছলতা। বংশানুক্রমিকভাবে এই পেশা ধরে রাখলেও অর্থনৈতিকভাবে তারা অত্যন্ত প্রান্তিক। পুঁজির অভাব এবং সহজ শর্তে ব্যাংক ঋণ বা সরকারি আর্থিক প্রণোদনা না থাকায় অনেকেই এই ঐতিহ্যবাহী পেশা ধরে রাখতে হিমশিম খাচ্ছেন; কেউ কেউ বাধ্য হচ্ছেন পেশা পরিবর্তন করতে।

অর্থনৈতিক সংকটের পাশাপাশি বাজারজাতকরণ ও আধুনিকায়নের সমস্যাও এই শিল্পকে দারুণভাবে পিছিয়ে রেখেছে। সরাসরি ভোক্তাদের কাছে পৌঁছানোর মতো আধুনিক সাপ্লাই চেইন বা ই-কমার্স নেটওয়ার্ক এখনো এখানে গড়ে ওঠেনি। ফলে মধ্যস্বত্বভোগী বা ফড়িয়াদের হাতে পড়ে প্রকৃত কারিগররা প্রায়শই ন্যায্য মূল্য থেকে বঞ্চিত হন।

এর চেয়েও বড় জটিলতা দেখা দেয় পনির সংরক্ষণের ক্ষেত্রে। কাঁচা দুধে তৈরি এই পনির অত্যন্ত পচনশীল ও সংবেদনশীল। এটি নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় বৈজ্ঞানিক উপায়ে সংরক্ষণ করতে হয়। অথচ দুর্গম এই হাওর অঞ্চলে পনির সংরক্ষণে সরকারি বা বেসরকারি উদ্যোগে এখনও পর্যন্ত কোনো হিমাগার গড়ে ওঠেনি। ফলে যোগাযোগ বিচ্ছিন্নতা বা প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময়ে পনির নষ্ট হয়ে ব্যবসায়ীদের কোটি টাকার লোকসান গুনতে হয়।

দীর্ঘ পঞ্চাশ বছর পনির ব্যবসার সাথে জড়িত অষ্টগ্রামের তোরাব আলী এই প্রতিনিধিকে ক্ষোভ ও আক্ষেপের সুরে জানান, ”পনিরের জিআই স্বীকৃতি পাওয়ার পর আমাদের আনন্দ হয়েছিল ঠিকই, কিন্তু এই স্বীকৃতি কেবল কাগজে-কলমেই রয়ে গেছে। এই স্বীকৃতির পর বাস্তবে এ পর্যন্ত আমরা তেমন কোনো সুযোগ-সুবিধা বা সরকারি সাহায্য পাইনি। চারণভূমি আর হিমাগারের অভাবে দিন দিন পঙ্গু হয়ে যাচ্ছি।" ঐতিহ্যবাহী এই পেশাকে টিকিয়ে রাখতে দ্রুত সরকারের কার্যকর ও সরাসরি হস্তক্ষেপ কামনা করেন তিনি।

অষ্টগ্রাম উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সিলভিয়া স্নিগ্ধা বলেন, "আমরা পনিরের এই প্রাচীন ঐতিহ্য সম্পর্কে সম্পূর্ণ সচেতন। ইতিমধ্যেই পনির ব্যবসায়ীদের সাথে সরাসরি কথা বলে তাদের বিদ্যমান সমস্যা এবং বিভিন্ন চাহিদার কথা বিস্তারিত লিখিতভাবে আমরা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি। আশা করছি, এই ঐতিহ্যবাহী শিল্পকে বাঁচাতে দ্রুতই কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।"

জিআই স্বীকৃতি পাওয়ার পর অষ্টগ্রামের পনির এখন শুধু কিশোরগঞ্জের নয়, পুরো বাংলাদেশের এক অনন্য গৌরব। তবে এই আন্তর্জাতিক সিলমোহর তখনই সার্থক হবে, যখন এই শিল্পের পেছনের মানুষগুলোর মুখে হাসি ফুটবে। এই ঐতিহ্যকে টিকিয়ে রাখতে হলে বর্ষাকালের জন্য বিকল্প পশুখাদ্যের (যেমন সাইলেজ বা উন্নত খড়) ব্যবস্থা, সরকারি উদ্যোগে আধুনিক হিমাগার স্থাপন, কারিগরদের জন্য জামানতবিহীন স্বল্প সুদে ঋণের ব্যবস্থা এবং সরাসরি বাজারজাতকরণের সুযোগ তৈরি করা অত্যন্ত জরুরি। সরকারি সুদূরপ্রসারী পৃষ্ঠপোষকতা আর আধুনিক উদ্যোগই পারে শত বছরের এই ঐতিহ্যবাহী শিল্পকে বাঁচিয়ে রেখে বিশ্বমঞ্চে নতুন করে এগিয়ে নিয়ে যেতে।

মন্তব্য

p
উপরে