× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
3 new branches of SIBL
hear-news
player
google_news print-icon

এসআইবিএলের ৩টি নতুন উপশাখা

এসআইবিএলের-৩টি-নতুন-উপশাখা
এ নিয়ে ব্যাংকটির মোট উপশাখার সংখ্যা হলো ১০৭টি।

সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক লিমিটেডের (এসআইবিএল) নতুন তিনটি উপশাখা খোলা হয়েছে।

সোমবার রাজধানীর মতিঝিলে প্রধান কার্যালয় থেকে ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী জাফর আলম ভার্চুয়াল প্ল্যাটফর্মে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে উপশাখা তিনটি উদ্বোধন করেন বলে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

উপশাখা তিনটি হচ্ছে- ঢাকার নাখালপাড়ায়, চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়ার রাজারহাটে এবং পাবনার ঈশ্বরদীর আওতাপাড়ায়। এ নিয়ে ব্যাংকটির মোট উপশাখার সংখ্যা হলো ১০৭টি।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন ব্যাংকের অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবু রেজা মো. ইয়াহিয়া।

অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ব্যাংকের অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক তাজুল ইসলাম এবং উপব্যবস্থাপনা পরিচালক আবু নাসের চৌধুরী, সিরাজুল হক ও সামছুল হক, মানবসম্পদ বিভাগের প্রধান কাজী ওবায়দুল আল-ফারুক, মার্কেটিং অ্যান্ড ব্র্যান্ড কমিউনিকেশন বিভাগের প্রধান মো. মনিরুজ্জামান এবং ব্রাঞ্চেস কন্ট্রোল অ্যান্ড জেনারেল ব্যাংকিং বিভাগের প্রধান সাইফ আল-আমীন।

আরও পড়ুন:
এসআইবিএলের নতুন ১০টি এজেন্ট ব্যাংকিং আউটলেট
এসআইবিএলের ব্যবসায়িক সম্মেলন
সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংকের আরও ৪ উপশাখা
আবু রেজা ইয়াহিয়া এসআইবিএলের নতুন এএমডি
নোয়াখালীর সুবর্ণচরে সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Two thirds of the money in Dhaka itself

ঢাকাতেই তিন ভাগের দুই ভাগ টাকা

ঢাকাতেই তিন ভাগের দুই ভাগ টাকা
জুন শেষে ঢাকা বিভাগেই রয়েছে প্রায় ৯ লাখ ৫৫ হাজার কোটি টাকার বেশি আমানত। যা দেশের মোট আমানতের প্রায় ৬৫ শতাংশ।

‘ঢাকায় টাকা ওড়ে, ধরতে জানতে হয়’ লোকমুখে প্রচলিত কথাটি আসলেই সত্যি। কারণ, সারা দেশে যত টাকা তার তিন ভাগের দুই ভাগ টাকা রয়েছে ঢাকাতেই।

বাংলাদেশ ব্যাংকের হিসাব বলছে, ক্ষুদ্র সঞ্চয় এবং মেয়াদি আমানত মিলিয়ে সারা দেশের মধ্যে ঢাকার ধারে কাছেও নেই দেশের কোনো অংশ।

জুন শেষে ঢাকা বিভাগেই রয়েছে প্রায় ৯ লাখ ৫৫ হাজার কোটি টাকার বেশি আমানত। যা দেশের মোট আমানতের প্রায় ৬৫ শতাংশ।

আর এর মধ্যে শুধু ঢাকা জেলায় আমানতের পরিমাণ ৮ লাখ ৯ হাজার কোটি টাকা।

এ ছাড়া নারায়ণগঞ্জে ৩১ হাজার ৯৪৫ কোটি টাকা এবং গাজীপুরে ২৯ হাজার ৯১৮ কোটি টাকার আমানত রয়েছে।

এর পরে রয়েছে চট্টগ্রাম বিভাগ। সেখানে আমানতের পরিমাণ ৩ লাখ ৩৫ হাজার কোটি টাকা। এ টাকার মধ্যে চট্টগ্রাম জেলায় ২ লাখ ১২ হাজার কোটি টাকার আমানত।

এরপরে নোয়াখালীতে ১৭ হাজার ৫৫৩ কোটি টাকা, ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ১৫ হাজার ৭২০ কোটি টাকা, ফেনীতে ১৪ হাজার ৫১১ কোটি টাকা ও চাঁদপুরে ১৩ হাজার ৩৭৩ কোটি টাকার আমানত রয়েছে।

আমানতের দিক দিয়ে এর পরের অবস্থানে খুলনা। ওই বিভাগে আমানতের পরিমাণ ৬৮ হাজার ৫৭০ কোটি টাকা।

এ ছাড়া রাজশাহীতে ৬৫ হাজার কোটি টাকা, সিলেটে ৬১ হাজার কোটি টাকা, রংপুরে ৩১ হাজার ৫০৭ কোটি টাকা ও ময়মনসিংহে ২৪ হাজার ৯৫০ কোটি টাকার আমানত রয়েছে।

সঞ্চয় ও ঋণ বিতরণে পিছিয়ে বরিশাল

অর্থ সঞ্চয় এবং ঋণ বিতরণ- দুই ক্ষেত্রেই পুরো দেশের মধ্যে পিছিয়ে দক্ষিণের জেলা বরিশাল। বিভাগটিতে বিনিয়োগ আমানতের অর্ধেকেরও কম। তবে, আমানত এবং ঋণে সবচেয়ে এগিয়ে আছে ঢাকা।

গেল জুন শেষে ব্যাংক খাতে আমানতের পরিমাণ ১৫ লাখ ৭৩ হাজার ৮২৩ কোটি টাকা। এর মধ্যে বরিশাল বিভাগে সঞ্চয়ের পরিমাণ ৩১ হাজার ১৪৯ কোটি টাকা। আর ব্যাংক খাতে ঋণের পরিমাণ ১২ লাখ ৯৮ হাজার ৬৫৯ কোটি টাকা। এ ক্ষেত্রে বরিশাল বিভাগে বিতরণ হয়েছে ১৫ হাজার ২০৭ কোটি টাকার ঋণ।

সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা এ বি মির্জ্জা মো. আজিজুল ইসলাম বলেন, ‘ব্যবসায়ীরা বিভিন্ন জেলায় কলকারখানা ও ব্যবসা করলেও ঋণ নিচ্ছেন রাজধানীর ব্যাংকের শাখাগুলো থেকেই। ফলে আঞ্চলিক বৈষম্য প্রকট থেকে আরও প্রকটতর হচ্ছে। কারণ, ঢাকায় সহজে ঋণ পাওয়া যায় এবং সমস্যা হলে সমাধানও সহজে হয়’।

বরিশালে কোন জেলায় কত ঋণ ও আমানত

বরিশাল, পটুয়াখালী, ভোলা, পিরোজপুর, বরগুনা ও ঝালকাঠি জেলা নিয়ে বরিশাল বিভাগ। ১৯৯৩ সালে দেশের দক্ষিণাঞ্চলের এ ছয়টি জেলা নিয়ে বিভাগের যাত্রা শুরু হয়। এখানকার আয়তন ১৩ হাজার ২২৫ বর্গকিলোমিটার। লোকসংখ্যা এক কোটির নিচে।

জুন শেষে বরিশাল বিভাগের সঞ্চয়ের পরিমাণ ৩১ হাজার ১৪৯ কোটি টাকা।

এর মধ্যে বরিশাল জেলায় সঞ্চয় ১৩ হাজার ৭৯ কোটি টাকা। এরপরে ভোলায় ৪ হাজার ৫১৩ কোটি, পটুয়াখালীতে ৪ হাজার ৩১০ কোটি, পিরোজপুরে ৪ হাজার ২৩৯ কোটি, ঝালকাঠি ৩ হাজার ১৬ কোটি ও বরগুনায় ১ হাজার ৯৮৯ কোটি টাকা আমানত রয়েছে।

বরিশাল বিভাগে বিতরণ হয়েছে ১৫ হাজার ২০৭ কোটি টাকার ঋণ।

এর মধ্যে বরিশাল জেলায় ঋণ ৫ হাজার ৫৯৯ কোটি টাকা। এরপরে পটুয়াখালীতে ২ হাজার ৭২৩ কোটি, ভোলায় ২ হাজার ৬০৪ কোটি, পিরোজপুরে ১ হাজার ৭২৫ কোটি, বরগুনায় ১ হাজার ৪৯৯ কোটি ও ঝালকাঠিতে ১ হাজার ৫৪ কোটি টাকার ঋণ দেয়া হয়েছে।

ঋণেও এগিয়ে ঢাকা

ঋণ বিতরণের দিক দিয়েও ঢাকা স্বাভাবিকভাবেই এগিয়ে। এই বিভাগে দেশের ব্যাংক-ব্যবস্থার মোট ঋণের প্রায় অর্ধেক ঋণ বিতরণ হয়েছে। পরিমাণের দিক থেকে তা ৮ লাখ ৮৫ হাজার কোটি টাকা।

ঢাকা বিভাগের ঢাকা জেলাতেই ৮ লাখ ২২ হাজার কোটি টাকার ঋণ। এরপরে নারায়ণগঞ্জে ১৭ হাজার ৯৯৮ কোটি, গাজীপুরে ১২ হাজার ২০৯ কোটি, নরসিংদীতে ৬ হাজার ৮৮১ কোটি ও টাঙ্গাইলে ৫ হাজার ৬৫২ কোটি টাকার ঋণ দেয়া হয়েছে।

চট্টগ্রাম বিভাগে বড় বড় ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান থাকলেও ঋণ সেভাবে বাড়েনি। চট্টগ্রামে ঋণের পরিমাণ ২ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা। এর মধ্যে চট্টগ্রাম জেলাতেই দেয়া হয়েছে ১ লাখ ৯৫ হাজার কোটি টাকার ঋণ।

ঋণ বিতরণে এর পরে রয়েছে খুলনা বিভাগ, যার পরিমাণ প্রায় ৫১ হাজার ৩৬৭ কোটি টাকা। এ ছাড়া রাজশাহীতে প্রায় ৫০ হাজার ১০৪ কোটি, রংপুরে ৩২ হাজার ৬২৫ কোটি, ময়মনসিংহে ১৭ হাজার ৮৫০ কোটি, সিলেটে ১৫ হাজার ৮৭৮ কোটি টাকার ঋণ বিতরণ করা হয়েছে।

মির্জ্জা আজিজুল ইসলাম বলেন, ‘সঞ্চয়, আয় বৈষম্য, দারিদ্র্য সীমার নিচের জনগোষ্ঠী– সব কিছুতে উত্তরাঞ্চল ও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের লোক অনেক বঞ্চিত। বেশির ভাগ চাকরিজীবী ঢাকায় অবস্থান করায় আমানতও এখানেই বেশি জমা পড়ছে। আর এলাকার চেয়ে ঢাকায় যে কোনো বিষয়ে মিলছে অতিরিক্ত সুযোগ-সুবিধা।’

আরও পড়ুন:
খোলাবাজারে ডলারের ফের চোখ রাঙানি
আর্থিক প্রতিষ্ঠানকেও টাকা সাদা করার সুযোগ প্রচারের নির্দেশ
প্রবাসী গ্রাহকের ১৮ লাখ টাকা ব্যাংক থেকে ‘উধাও’
ডলারের সুদিন শেষ, মজুতকারীদের মাথায় হাত
ঊর্ধ্বশ্বাসে ছোটা ডলার হারাচ্ছে দম

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Inflation 91 percent in August to 95 in September

মূল্যস্ফীতি: আগস্টে ৯.৫, সেপ্টেম্বরে ৯.১ শতাংশ

মূল্যস্ফীতি: আগস্টে ৯.৫, সেপ্টেম্বরে ৯.১ শতাংশ
পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী শামসুল আলম নিউজবাংলাকে বলেন, ‘দেশে জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধির কারণে আগস্ট মাসে মূল্যস্ফীতি আড়াই শতাংশ পয়েন্টের মতো বেড়ে ৯ দশমিক ৫ শতাংশে উঠেছিল। সেপ্টেম্বরে তা কমে ৯ দশমিক ১ শতাংশে নেমে এসেছে।’

মূল্যস্ফীতির হালনাগাদ তথ্য পাওয়া গেছে। গত আগস্ট মাসে পয়েন্ট টু পয়েন্ট ভিত্তিতে (মাসওয়ারি বা মাসভিত্তিক) দেশে সার্বিক মূল্যস্ফীতির পারদ ৯ দশমিক ৫ শতাংশে উঠেছিল; সেপ্টেম্বরে তা কমে ৯ দশমিক ১ শতাংশে নেমে এসেছে।

কমার পরও অর্থনীতির গুরুত্বপূর্ণ ও স্পর্শকাতর এই সূচক ১২ বছর বা এক যুগের মধ্যে সর্বোচ্চ। ২০১০-১১ অর্থবছরে দেশের গড় মূল্যস্ফীতির হার ছিল ১০ দশমিক ৯২ শতাংশ। এর পর আর এই সূচক ৯ শতাংশের ওপরে উঠেনি।

পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী শামসুল আলম মঙ্গলবার রাতে নিউজবাংলাকে বলেন, ‘দেশে জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধির কারণে আগস্ট মাসে মূল্যস্ফীতি আড়াই শতাংশ পয়েন্টের মতো বেড়ে ৯ দশমিক ৫ শতাংশে উঠেছিল। সেপ্টেম্বরে তা কমে ৯ দশমিক ১ শতাংশে নেমে এসেছে।’

আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলসহ সব ধরনের খাদ্যপণ্যের দাম বেড়ে যাওয়ায বিশ্বের গত কয়েক মাস ধরেই দেশে মূল্যস্ফীতি বৃদ্ধির প্রবণতা ছিল। ঠিক এ রকম এক সময়ে, গত ৫ আগস্ট সরকার জ্বালানি তেলের দাম ৪২ থেকে ৫১ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি করে। ডিজেলের দাম লিটারে ৩৪ টাকা, অকটেনের দাম লিটারে ৪৬ টাকা ও পেট্রলের দাম লিটারে ৪৪ টাকা বাড়ানো হয়। এর আগে বাংলাদেশের ইতিহাসে এক লাফে জ্বালানি তেলের দাম এত বাড়ানো হয়নি।

এর পরপরই সব ধরনের পরিবহন ভাড়া বাড়ানো হয়। এই দুইয়ের প্রভাবে বেড়ে যায় প্রায় সব পণ্যের দাম। এরপর গত ২৯ আগস্ট খানিকটা মুখ রক্ষা করতে জ্বালানি তেলের দাম ৫ টাকা কমায় সরকার। তবে তাতে বাজারে খুব একটা প্রভাব দেখা যায়নি; বরং এর সামগ্রিক প্রভাবে খাদ্যপণ্য ছাড়াও যাতায়াত, পোশাক-আশাক, শিক্ষাসামগ্রীসহ খাদ্যবহির্ভূত পণ্যের দামও বেশ বেড়ে যায়। তখন থেকেই আগস্ট মাসে মূল্যস্ফীতি আরও বৃদ্ধির শঙ্কা করা হচ্ছিল। একাধিক অর্থনীতিবিদের প্রাক্কলন ছিল মূল্যস্ফীতি ১০ শতাংশ ছাড়িয়ে যেতে পারে।

মূল্যস্ফীতি: আগস্টে ৯.৫, সেপ্টেম্বরে ৯.১ শতাংশ

কিন্তু সরকারি সংস্থা বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) সেপ্টেম্বর মাস চলে গেলেও আগস্ট মাসের মূল্যস্ফীতির তথ্য প্রকাশ করেনি। সাধারণত প্রথম সপ্তাহেই আগের মাসের মূল্যস্ফীতির তথ্য তৈরি করে পরিসংখ্যান ব্যুরো। সেই ধারাবাহিকতায় সেপ্টেম্বর মাসের প্রথম সপ্তাহে মূল্যস্ফীতির তথ্য তৈরি করে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়ে দেয় বিবিএস। কিন্তু সরকারের উচ্চপর্যায়ের ‘সবুজ সংকেত’ পাওয়া যায়নি। ফলে মূল্যস্ফীতির আগস্ট মাসের তথ্য প্রকাশ করেনি পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় বা পরিসংখ্যান ব্যুরো। এরই মধ্যে সেপ্টেম্বর মাসও শেষ হয়ে গেছে। কিন্তু কোনো মাসের তথ্যই প্রকাশ করা হচ্ছিল না।

এ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল। ‘মূল্যস্ফীতি অনেক বেড়েছে বলেই বিবিএস সেই তথ্য প্রকাশ করছে না’ শিরোনামে গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হচ্ছিল। অর্থনীতিবিদরাও একই কথা বলছিলেন।

এ বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী শামসুল আলম বলেন, ‘জ্বালানি তেলের দাম একসঙ্গে বেশ খানিকটা বাড়ানোর ফলে সব কিছুর ওপর এর প্রভাব পড়েছিল। সে কারণে আগস্টে মূল্যস্ফীতি অনেকটা বেড়ে গিয়েছিল। তবে সরকারের নেয়া নানা পদক্ষেপের কারণে সেপ্টেম্বরে তা নিম্মমূখী হয়েছে।’

‘এরই মধ্যে বিশ্ববাজারে খাদ্যপণ্যসহ সব পণ্যের দাম কমতে শুরু করেছে। স্বল্প আয়ের মানুষকে কম দামে খাদ্য দিচ্ছি আমরা। এছাড়া বাজার সহনীয় রাখতে তদারকি ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। আশা করছি, এখন মূল্যস্ফীতি নিম্মমূখী থাকবে।’

পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রীর দেয়া তথ্য অনুযায়ী, দেশে দেশে মূল্যস্ফীতির হার এখন ৯ দশমিক ১ শতাংশ। এর অর্থ হলো গত বছরের সেপ্টেম্বর মাসে দেশের মানুষ যে পণ্য বা সেবা ১০০ টাকায় পেয়েছিলেন, এ বছর সেপ্টেম্বর মাসে তা কিনতে ১০৯ টাকা ১০ পয়সা খরচ করতে হয়েছে। আগস্টে একই পরিমাণ পণ্য কিনতে তাদের লেগেছিল ১০৯ টাকা ৫০ পয়সা।

শুধু বাংলাদেশ নয়, পৃথিবীর সব দেশের অর্থনীতির উদ্বেগজনক ও স্পর্শকাতর সূচক এখন মূল্যস্ফীতি। বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিধর অর্থনীতির দেশ যুক্তরাষ্ট্রের মূল্যস্ফীতি ৪০ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ উচ্চতায় উঠে ৯ শতাংশে পৌঁছেছে।

গত জুলাইয়ে দেশে সার্বিক মূল্যস্ফীতির হার ছিল ৭ দশমিক ৪৮ শতাংশ। এক মাসের ব্যবধানে সেটা আড়াই শতাংশ পয়েন্টের মতো বেড়ে আগস্টে ৯ দশমিক ৫০ শতাংশে উঠেছিল। সেপ্টেম্বরে তা কমে ৯ দশমিক ১ শতাংশে নেমে এসেছে।

বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (বিআইডিএস) এক অনুষ্ঠানে সোমবার পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান বলেছিলেন, ‘দ্রব্যমূল্যের পাগলা ঘোড়া বা মূল্যস্ফীতি বাগে এসেছে। চলতি বছরের আগস্টে মূল্যস্ফীতি অনেক বাড়লেও সেপ্টেম্বরে তা কমে এসেছে। দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি নিয়ন্ত্রণে এসেছে।’

তবে কোনো মাসে কতো মূল্যস্ফীতি হয়েছে, সে তথ্য তিনি ওই অনুষ্ঠানে প্রকাশ করেননি।

মূল্যস্ফীতি কমার কারণ ব্যাখ্যা করে মন্ত্রী বলেন, ‘কেন কমেছে? কারণ আমাদের সরকারের কৌশলগত ব্যবস্থা। তেলের দাম বেড়েছিল, কিন্তু এখন কমেছে। কারণ এক কোটি কার্ড বিতরণ করা হয়েছে। সেখানে কম দামে বিক্রি হচ্ছে চাল, তেল। ফলে আমরা দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির ক্ষেত্রে সরাসরি আঘাত করতে পেরেছি। এতে দাম কমে এসেছে। শুধু কমেনি; ভালো কমেছে। বিশ্ববাজারেও কমেছে। কয়েক দিনের মধ্যে আপনারা মূল্যস্ফীতির পুরোটা তথ্য পেয়ে যাবেন।’

রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের ধাক্কায় বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলসহ সব ধরনের পণ্যের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধির কারণে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মতো সাম্প্রতিক মাসগুলোতে বড় ধরনের মূল্যস্ফীতি হয়েছে বাংলাদেশে। চলতি বছরের মে মাসে পয়েন্ট টু পয়েন্ট ভিত্তিতে মূল্যস্ফীতি বেড়ে হয় ৭ দশমিক ৪২ শতাংশ। জুনে তা আরও ৭ দশমিক ৫৬ শতাংশ ওঠে; যা ছিল ৯ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ।

পরের মাস জুলাইয়ে সেটি সামান্য কমে হয় ৭ দশমিক ৪৮ শতাংশ।

আগস্ট মাসের মূল্যস্ফীতির তথ্য নিয়ে নীতিনির্ধারক, অর্থনীতিবিদ, গবেষকসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের মধ্যে বেশ আগ্রহ ছিল। কারণ, জ্বালানি তেলের দাম বাড়লে মূল্যস্ফীতি বেড়ে যায়। অর্থনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব পড়ে।

বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউটের (পিআরআই) নির্বাহী পরিচালক আহসান এইচ মনসুর এ নিয়ে নিউজবাংলাকে বলেন, ‘যখন মূল্যস্ফীতির তথ্য প্রকাশে দেরি হয়, তখন সরকারের তথ্য-উপাত্ত নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। সাধারণত প্রথম সপ্তাহেই মূল্যস্ফীতির তথ্য তৈরি হয়ে যায়। তাহলে দুই মাস পার হয়ে গেলেও দেশবাসী মূল্যস্ফীতির কোনো তথ্য পাবে না কেন?’

তিনি বলেন, ‘তথ্য-উপাত্ত নিয়ে রাজনৈতিকীকরণ বন্ধ হওয়া উচিত। কারণ, তথ্য-উপাত্ত দিয়ে নীতি ঠিক করা হয়। দুঃখজনক হলেও সত্য, দেশে তথ্য-উপাত্ত নিয়ে কারসাজি করা হচ্ছে, তথ্য ঢেকে রাখা হচ্ছে। ৯-১০ শতাংশ মূল্যস্ফীতি যা-ই হোক না কেন, যথাসময়ে সেটা প্রকাশ করা উচিত।’

গত কয়েক মাসের মূল্যস্ফীতির তথ্য প্রকাশের সময়কাল বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, কোনো মাসের মূল্যস্ফীতি কমলে পরের মাসের প্রথম সপ্তাহেই তা প্রকাশ করা হয়। আবার বাড়লে মূল্যস্ফীতির তথ্য প্রকাশে পরের মাসের তৃতীয় বা চতুর্থ সপ্তাহ পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হয়।

মূল্যস্ফীতি: আগস্টে ৯.৫, সেপ্টেম্বরে ৯.১ শতাংশ

যেমন গত মে ও জুন মাসে মূল্যস্ফীতির হার ৭ শতাংশের বেশি ছিল। মে মাসে ছিল ৭ দশমিক ৪২ শতাংশ এবং জুন মাসে ৭ দশমিক ৫৬ শতাংশ। ওই দুই মাসের তথ্য আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হয় পরের মাসের ১৯ তারিখে। আবার গত জুলাই মাসে মূল্যস্ফীতি কিছুটা কমে ৭ দশমিক ৪৮ শতাংশ হয়। আর জুলাই মাসের মূল্যস্ফীতির সেই তথ্য প্রকাশ করা হয় দ্রুতগতিতে, আগস্ট মাসের ৩ তারিখে।

দেশের প্রায় সব ধরনের তথ্য-উপাত্ত প্রকাশ করার একমাত্র সংস্থা বিবিএস। আট-দশ বছর আগে বিবিএস আনুষ্ঠানিকভাবে সংবাদ সম্মেলন করে মূল্যস্ফীতির তথ্য প্রকাশ করত। বিবিএসের পরিবর্তে এখন পরিকল্পনামন্ত্রী নিজে মূল্যস্ফীতির তথ্য সাংবাদিকদের জানান। মূলত বর্তমান অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামালই পরিকল্পনামন্ত্রীর দায়িত্ব পালনকালে নিজেই মূল্যস্ফীতির তথ্য সাংবাদিকদের আনুষ্ঠানিকভাবে জানাতে শুরু করেছিলেন।

আবার ২০১৭ সালে মূল্যস্ফীতি টানা বাড়তে থাকলে আ হ ম মুস্তফা কামাল প্রতি মাসের পরিবর্তে তিন মাস পরপর মূল্যস্ফীতির তথ্য প্রকাশের উদ্যোগ নিয়েছিলেন। পরে মূল্যস্ফীতি কমতে শুরু করলে আবারও মাসিক ভিত্তিতে মূল্যস্ফীতির তথ্য প্রকাশ শুরু হয়েছিল।

মূল্যস্ফীতি এখন সারা বিশ্বেরই সবচেয়ে বড় সমস্যা। বিশ্বব্যাপী সব ধরনের অর্থনৈতিক নীতি নেয়া হচ্ছে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণকে কেন্দ্র করে। যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় ব্যাংক ফেডারেল রিজার্ভ বা ফেড মূল্যস্ফীতি কমাতে আগ্রাসীভাবে নীতি সুদের হার বাড়াচ্ছে। মূল্যস্ফীতি কমাতে মন্দাকে পর্যন্ত ডেকে আনা হচ্ছে।

এ নিয়ে এখন বিশ্বব্যাপী চলছে প্রবল বিতর্ক। বিশ্বব্যাংক সতর্ক করে দিয়ে বলেছে, সবাই যদি সমন্বিতভাবে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণের কাজটি না করে, তাহলে মন্দার চেয়েও খারাপ অবস্থা হতে পারে। দেখা দিতে পারে স্ট্যাগফ্লেশন বা বদ্ধস্ফীতি। অর্থাৎ মূল্যস্ফীতি আদৌ কমল না, অথচ প্রবৃদ্ধি কমে গেল ভয়াবহভাবে।

‘এ পরিস্থিতিতে মূল্যস্ফীতির সঠিক তথ্য প্রকাশ করা উচিত’ মন্তব্য করে অর্থনীতিবিদ আহসান মনসুর বলেন, ‘মূল্যস্ফীতির তথ্য দিয়ে নীতি ঠিক করা দরকার। মূল্যস্ফীতির তথ্য না থাকলে এর বিরুদ্ধে যুদ্ধ করব কীভাবে। আমানত ও ঋণের সুদের হার মূল্যস্ফীতি দিয়ে ঠিক করা উচিত। মুদ্রাবাজারে স্থিতিশীলতা আনতেও মূল্যস্ফীতির সঠিক তথ্য দরকার।’

আরও পড়ুন:
মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে তিন উপায় দেখছেন অর্থনীতিবিদরা
মূল্যস্ফীতি প্রশমনের কৌশল খুঁজুন: প্রধানমন্ত্রী
জ্বালানির দাম বাড়ায় মূল্যস্ফীতি আরও বাড়বে: অর্থমন্ত্রী
চার সূচকের পর স্বস্তি এবার মূল্যস্ফীতির হিসাবে
দু-এক মাসের মধ্যে নিয়ন্ত্রণে মূল্যস্ফীতি: অর্থমন্ত্রী

মন্তব্য

বাংলাদেশ
34 percent of e TIN holders are not traced

৩৪ শতাংশ ই-টিআইএনধারীর খোঁজ নেই

৩৪ শতাংশ ই-টিআইএনধারীর খোঁজ নেই প্রতীকী ছবি
বাড়ি, গাড়ি, অ্যাপার্টমেন্ট কেনা, ব্যাংক হিসাব খোলাসহ নানা কাজে দরকার হয় করদাতা শনাক্তকরণ নম্বর বা ই-টিআইএন। প্রয়োজনে ই-টিআইএন নেয়া অনেকেই আয়কর রিটার্ন জমা দেন না। ই-টিআইএনধারী অনেকেই মারা গেছেন, কেউ কেউ বিদেশ চলে গেছেন, আবার ঠিকানা খুঁজে পাওয়া যায়নি অনেকেরই।

একটি বেসরকারি ব্যাংকে চাকরি করতেন আসলাম সিকদার। আয়কর রিটার্ন জমা দিতেন নিয়মিত।

দুই বছর আগে মৃত্যু হয় আসলামের, কিন্তু বাতিল করা হয়নি তার আয়কর ফাইল।

কুয়েতপ্রবাসী বাচ্চু মিয়া বিদেশ যাওয়ার আগে জমি কিনতে ই-টিআইএন নেন, কিন্তু রিটার্ন দেননি।

আসলাম, বাচ্চুর মতো লাখ লাখ ব্যক্তি প্রয়োজনে ই-টিআইএন নিলেও তাদের খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না। ওই সব টিআইএন নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়েছে। এসব করদাতা বোঝা হয়ে দাঁড়িয়েছে কর অঞ্চলগুলোর জন্য।

বাড়ি, গাড়ি, অ্যাপার্টমেন্ট কেনা, ব্যাংক হিসাব খোলাসহ নানা কাজে দরকার হয় করদাতা শনাক্তকরণ নম্বর বা ই-টিআইএন। প্রয়োজনে ই-টিআইএন নেয়া অনেকেই আয়কর রিটার্ন জমা দেন না।

ই-টিআইএনধারী অনেকেই মারা গেছেন, কেউ কেউ বিদেশ চলে গেছেন, আবার ঠিকানা খুঁজে পাওয়া যায়নি অনেকেরই।

তাদের অনেকের নামে থাকা আয়কর ফাইলও বাতিল করা হয়নি। ফলে লাখ লাখ ই-টিআইএন নিষ্ক্রিয় অবস্থায় রয়েছে।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সাম্প্রতিক পরিসংখ্যানে দেখা যায়, নিবন্ধন নেয়ার পর খুঁজে পাওয়া যায়নি এমন টি-আইএনধারীর সংখ্যা প্রায় ৩৪ শতাংশ।

বর্তমানে ই-টিআইএনের সংখ্যা প্রায় ৮০ লাখ। এর মধ্যে নিষ্ক্রিয় করদাতার সংখ্যা ২৭ লাখ, যা শতকরা হারে ৩৩ দশমিক ৭৫ শতাংশ বা প্রায় ৩৪ শতাংশ।

এই ২৭ লাখ বাদ দিলে নিট টিআইএনধারীর সংখ্যা কমে দাঁড়াবে ৫৩ লাখে।

আইন অনুযায়ী, টিআইএনধারী প্রত্যেকের বার্ষিক রিটার্ন জমার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। তার পরও রিটার্ন জমার সংখ্যা বাড়ছে না প্রত্যাশা অনুযায়ী।

রাজস্ব বোর্ডের সর্বশেষ হিসাব অনুযায়ী, বছরে আয়কর রিটার্ন জমার সংখ্যা ২৫ লাখ।

আয়কর রিটার্নের সংখ্যা বাড়াতে এ বছরের বাজেটে বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে এনবিআর।

রিটার্নের সঙ্গে অ্যাকনলেজমেন্ট বা প্রাপ্তি স্বীকার রসিদ দেখানো বাধ্যতামূলক করা হয় ৩৪টি সেবা খাতে। এই উদ্যোগের ফলে এনবিআর আশা করছে, আগামী করবর্ষে আয়কর রিটার্ন বর্তমানের চেয়ে দ্বিগুণ বাড়বে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক আয়কর বিভাগের জ্যেষ্ঠ এক কর্মকর্তা নিউজবাংলাকে বলেন, ‘অনেকেই জমি ক্রয়, গাড়ি কেনা, ব্যাংক হিসাব খোলাসহ বিভিন্ন সেবা নিতে ই-টিআইএন নিবন্ধন নিয়েছেন, কিন্তু বছরের পর বছর রিটার্ন জমা দেননি। আবার অনেকেই মারা গেছেন, কেউ আবার বিদেশ চলে গেছেন।

‘ওই সব টিআইএন সিস্টেম থেকে বাতিল না করায় নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়েছে। এ কারণে নিষ্ক্রিয় নম্বরগুলো কর বিভাগের জন্য বোঝা হয়ে দাঁড়িয়েছে।’

নিষ্ক্রিয় ই-টিআইএন বাতিল করতে সম্প্রতি কর অঞ্চল থেকে এনবিআরে চিঠি দেয়া হয়েছে। এতে বলা হয়, ই-টিআইএনের সঙ্গে রিটার্ন জমার পার্থক্য নিয়ে বিভিন্ন মহল প্রশ্ন তোলে। ফলে নিষ্ক্রিয় টিআইএন বাতিল করা হলে রিটার্ন জমার হার বেড়ে যাবে।

এনবিআর বলছে, ই-টিআইএন সার্ভারে এটি বাতিলের অপশন বা সুযোগ রাখা হয়নি।

এনবিআর সূত্রে জানা যায়, আগে ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে নিবন্ধন বইয়ে করদাতার নাম ও তথ্য নিবন্ধন করা হতো। এতে যে নম্বর পড়ত, সেটাই হতো করদাতার নম্বর। একে বলা হতো জেনারেল ইনডেক্স রেজিস্ট্রেশন নম্বর।

কোনো কারণে করদাতা নিষ্ক্রিয় হয়ে গেলে যাচাই করে সেই নম্বর বন্ধ করে দেয়া হতো।

১৯৯৩ সালে ট্যাক্সপেয়ার আইডেন্টিফিকেশন নম্বর চালু করা হয়। এরপর ২০১৩ সালের জুলাই থেকে টিআইএন পদ্ধতি স্বয়ংক্রিয় করা হয়।

১২ ডিজিটের এ নম্বরকে বলা হয় ইলেকট্রনিক ট্যাক্সপেয়ার’স আইডেন্টিফিকেশন নম্বর বা ই-টিআইএন। স্বয়ংক্রিয় এ পদ্ধতিতে টিআইএন নিষ্ক্রিয় করার ব্যবস্থা রাখা হয়নি।

এনবিআরের হিসাব অনুযায়ী, ২০১৩ সালের জুলাই থেকে চলতি বছরের আগস্ট নাগাদ নিবন্ধিত ই-টিআইএনের সংখ্যা ৭৯ লাখ ৮৮ হাজার ৮২৫। গত বছরের আগস্ট পর্যন্ত এ সংখ্যা ছিল ৬৫ লাখ ৫০ হাজার ৮৬৪।

সে হিসাবে এক বছরে করদাতা বেড়েছে ১৪ লাখ ৩৭ হাজার ৯৬১ বা ১৮ শতাংশ।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
How long will the tide of foreign investment?

বিদেশি বিনিয়োগের জোয়ার থাকবে কতদিন?

বিদেশি বিনিয়োগের জোয়ার থাকবে কতদিন?
দুই বছরের বেশি সময়ের করোনা মহামারির ধাক্কা কাটতে না কাটতেই রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে ওলটপালট হয়ে যাওয়া অর্থনীতি নিয়ে নানান হতাশা ও আতঙ্ক দেখা দিয়েছে। তবে এখনও স্বস্তির ইঙ্গিত দিচ্ছে বিদেশি বিনিয়োগ। এ অবস্থা কতদিন থাকবে তা নিয়ে শঙ্কায় অর্থনীতিবিদ ও ব্যবসায়ী নেতারা।

রপ্তানি আয়, রেমিট্যান্স, রিজার্ভসহ অর্থনীতির প্রধান সূচকগুলো হোঁচট খেলেও বিদেশি বিনিয়োগ বাড়ছে। তবে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের ধাক্কায় তছনছ হয়ে যাওয়া বিশ্ব অর্থনীতির প্রেক্ষাপটে এটিও কতদিন বজায় থাকবে তা নিয়ে শঙ্কায় অর্থনীতিবিদ ও ব্যবসায়ী নেতারা।

বাংলাদেশ ব্যাংক সোমবার বিদেশি বিনিয়োগের (এফডিআই) হালনাগাদ যে তথ্য প্রকাশ করেছে, তাতে দেখা যায় চলতি ২০২২-২৩ অর্থবছরের প্রথম দুই মাসে (জুলাই-আগস্ট) ৭৮ কোটি ৫০ লাখ ডলারের সরাসরি বিনিয়োগ এসেছে দেশে। এই অঙ্ক গত বছরের একই সময়ের চেয়ে ৩০ শতাংশ বেশি। ২০২১-২২ অর্থবছরের এই দুই মাসে ৬০ কোটি ৪০ লাখ ডলারের এফডিআই পেয়েছিল বাংলাদেশ।

জুলাই-আগস্ট সময়ে নিট এফডিআই বেড়েছে আরও বেশি, ৪৫ দশমিক ২০ শতাংশ। এই দুই মাসে ৩৬ কোটি ৩০ লাখ ডলারের নিট এফডিআই এসেছে দেশে। গত বছরের এই সময়ে এসেছিল ২৫ কোটি ডলার।

গত ২০২১-২২ অর্থবছরে সব মিলিয়ে ৪৭০ কোটি ৮০ লাখ (৪.৭১ বিলিয়ন) ডলারের এফডিআই এসেছিল দেশে, যা ছিল আগের বছরের (২০২০-২১) চেয়ে ৩৯ শতাংশ বেশি। নিট এফডিআই বেড়েছিল আরও বেশি, ৬১ শতাংশ। গত অর্থবছরে নিট এফডিআইর পরিমাণ ছিল ২ দশমিক ১৮ বিলিয়ন ডলার।

তার আগে ২০২০-২১ অর্থবছরে ৩৩৮ কোটি ৭০ লাখ ডলারের এফডিআই পেয়েছিল বাংলাদেশ। নিট এফডিআই এসেছিল ১ দশমিক ৩৫ বিলিয়ন ডলার।

দুই বছরের বেশি সময়ের করোনা মহামারির ধাক্কা কাটতে না কাটতেই রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে ওলটপালট হয়ে যাওয়া অর্থনীতি নিয়ে যখন নানান হতাশা ও আতঙ্ক দেখা দিয়েছিল, তখন স্বস্তির ইঙ্গিত দিচ্ছিল বিদেশি বিনিয়োগ।

পদ্মা সেতু, মেট্রোরেল, বঙ্গবন্ধু কর্ণফুলী টানেলসহ কয়েকটি বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলকে ঘিরে আগামী দিনগুলোতে দেশে বিদেশি বিনিয়োগ আরও বাড়বে বলে আশার কথা শুনিয়েছিলেন অর্থনীতিবিদ ও ব্যবসায়ী নেতারা।

‘তবে এই গতি ভালো থাকার কোনো কারণ নেই’ ব্যাখ্যা করে অর্থনীতির গবেষক পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউটের (পিআরআই) নির্বাহী পরিচালক আহসান এইচ মনসুর নিউজবাংলাকে বলেন, ‘একটি দেশে বিদেশি বিনিয়োগ অনেক কিছুর ওপর নির্ভর করে। দেশে বিনিয়োগ না বাড়লে বিদেশি বিনিয়োগ আসে না। সন্তোষজনক রিজার্ভ থাকতে হয়। বিনিয়োগ সহায়ক পরিবেশ ও সরকারের নীতি-সহায়তা প্রয়োজন হয়।’

তিনি বলেন, ‘বেশ কিছু দিন ধরে দেশে বিনিয়োগ একই জায়গায় আটকে আছে; জিডিপির ৩১ থেকে ৩২ শতাংশের মধ্যে। ডলারের বাজারে অস্থিরতা চলছেই। এ কথা ঠিক যে, পদ্মা সেতুসহ কয়েকটি বড় প্রকল্প ঘিরে দেশে বিনিয়োগের একটি আবহ তৈরি হয়েছিল। কিন্তু যুদ্ধের ধাক্কায় সব ওলোটপালট হয়ে গেছে।

‘এতদিন রপ্তানি আয়ে ভালো গতি থাকলেও হঠাৎ করে সেটা কমতে শুরু করেছে। রেমিট্যান্স কমছে। রিজার্ভও বেশ কমে এসেছে। বাংলাদেশ ব্যাংক ৩৬ বিলিয়ন ডলারের হিসাব দিলেও ইডিএফের ৭ বিলিয়নসহ অন্য আরও দুটি প্রকল্পে ১ বিলিয়ন ডলার মিলে ৮ বিলিয়ন ডলার বাদ দিলে তাৎক্ষণিক খরচ করার মতো রিজার্ভ কিন্তু ২৮ বিলিয়ন ডলার।’

এ অবস্থায় দেশে বিদেশি বিনিয়োগ বাড়বে- এমন আশা সমীচীন নয় বলে মন্তব্য করেন ব্র্যাক ব্যাংকের চেয়ারম্যান ও দীর্ঘদিন আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলে (আইএমএফ) গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করা আহসান মনসুর।

২০১৯-২০ অর্থবছরে ৩২৩ কোটি ৩০ লাখ (৩.২৩ বিলিয়ন) ডলারের বিদেশি বিনিয়োগ পেয়েছিল বাংলাদেশ। নিট বিনিয়োগের অঙ্ক ছিল ১২৭ কোটি ১০ লাখ ডলার। ২০১৮-১৯ অর্থবছরে প্রায় ৫ বিলিয়ন (৫০০ কোটি) ডলার বিদেশি বিনিয়োগ এসেছিল দেশে।

এর মধ্যে নিট এফডিআইয়ের পরিমাণ ছিল ২৬৩ কোটি ডলার। বাংলাদেশের ইতিহাসে এক অর্থবছরে সবচেয়ে বেশি বিদেশি বিনিয়োগ আসে ওই বছর। এর মধ্যে বড় অঙ্কের বিনিয়োগ করে জাপানের কোম্পানি জাপান টোব্যাকো। আকিজ গ্রুপের তামাক ব্যবসা কেনা বাবদ প্রায় ১৫০ কোটি (১.৫ বিলিয়ন) ডলার বিনিয়োগ করেছিল তারা।

বিভিন্ন খাতে মোট যে সরাসরি বিদেশি বিনিয়োগ আসে, তা থেকে বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠান মুনাফার অর্থ দেশে নিয়ে যাওয়ার পর অবশিষ্ট অঙ্ককে নিট এফডিআই বলা হয়।

করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার পর থেকেই দেশে বিনিয়োগের আবহ তৈরি হয়। ২৫ জুন বহুল প্রতীক্ষিত পদ্মা সেতু চালু হয়েছে। এই সেতুকে ঘিরে কয়েক মাস ধরে দেশে বিভিন্ন খাতে নতুন বিনিয়োগ হচ্ছিল। সে কারণেই শিল্প স্থাপনের জন্য প্রয়োজনীয় মূলধনি যন্ত্রপাতি বা ক্যাপিটাল মেশিনারি, পরিবহন খাতের বাস-ট্রাক তৈরির যন্ত্রপাতিসহ অন্যান্য খাতের সব ধরনের যন্ত্রপাতি-সরঞ্জামের আমদানি বেড়েছে। সব মিলিয়ে দেশে বিনিয়োগের পরিমাণ অনেক বেড়ে গেছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্যে দেখা যায়, দেশের বিনিয়োগ বৃদ্ধির অন্যতম প্রধান নিয়ামক বেসরকারি খাতের ঋণপ্রবাহের প্রবৃদ্ধি বেড়ে ১৪ দশমিক শূন্য সাত শতাংশে উঠেছে, যা গত চার বছরের মধ্যে সবচেয়ে বেশি।

টানা আট মাস ধরে বাড়তে বাড়তে ২০২২ সালের প্রথম মাস জানুয়ারিতে অর্থনীতির গুরুত্বপূর্ণ এই সূচকটি ১১ শতাংশ ছাড়িয়ে ১১ দশমিক শূন্য ৭ শতাংশে উঠেছিল। তবে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের ধাক্কায় ফেব্রুয়ারিতে এই প্রবৃদ্ধি কমে ১০ দশমিক ৭২ শতাংশে নেমে আসে। মার্চে তা দশমিক ৫৭ শতাংশ বেড়ে ১১ দশমিক ২৯ শতাংশে ওঠে। সর্বশেষ জুন মাসে তা আরও বেড়ে ১৩ শতাংশ ছাড়িয়ে ১৩ দশমিক ৬৬ শতাংশে উঠেছে।

অন্যদিকে গত ২০২১-২২ অর্থবছরের ৮ হাজার ২৪৯ কোটি ৫০ লাখ (৮২.৪৯ বিলিয়ন) ডলারের বিভিন্ন ধরনের পণ্য আমদানি করেছে বাংলাদেশ। এই অঙ্ক আগের বছরের চেয়ে ৩৬ শতাংশ বেশি। তবে আমদানির লাগাম টেনে ধরতে সরকার ও বাংলাদেশ ব্যাংক নানা পদক্ষেপ নেয়ায় আমদানি খরচ কমতে শুরু করেছে। চলতি ২০২২-২৩ অর্থবছরের প্রথম দুই মাসে (জুলাই-আগস্ট) সেই প্রবৃদ্ধি ১৬ দশমিক ৩২ শতাংশে নেমে এসেছে।

১৩ মাস পর সেপ্টেম্বরে রপ্তানি আয়ে নেতিবাচক প্রবৃদ্ধি হয়েছে। গত বছরের সেপ্টেম্বরের চেয়ে এই সেপ্টেম্বরে রপ্তানি আয় কমেছে ৬ দশমিক ২৫ শতাংশ। অন্যদিকে সাত মাসের মধ্যে সবচেয়ে কম রেমিট্যান্স এসেছে এই সেপ্টেম্বর মাসে; ১৫৪ কোটি ডলার। যা গত বছরের সেপ্টেম্বরের চেয়ে ১১ শতাংশ কম।

রপ্তানি আয় ও রেমিট্যান্স কমায় রিজার্ভ নেমে এসেছে ৩৬ বিলিয়ন ডলারে। গতকাল মঙ্গলবার রিজার্ভের পরিমাণ ছিল ৩৬ দশমিক ৩০ বিলিয়ন ডলার।

বাংলাদেশে আমেরিকান বিনিয়োগকারীদের চেম্বার অ্যামচেমের সভাপতি সৈয়দ এরশাদ আহমেদ নিউজবাংলাকে বলেন, ‘করোনার ধাক্কা সামলে বাংলাদেশের অর্থনীতি বেশ ভালোভাবেই ঘুরে দাঁড়িয়েছে। কিন্তু রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মতো বাংলাদেশের অর্থনীতিও বেশ ধাক্কা খেয়েছে। এ অবস্থায় দেশে বেশি বিদেশি বিনিয়োগ আসবে- এমনটা প্রত্যাশা করা উচিত হবে না।’

তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশে এফডিআইয়ের প্রধান সমস্যা হচ্ছে ব্র্যান্ডিং। বিদেশি বিনিয়োগকারীদের সামনে আমরা এখনও আমাদের ব্র্যান্ডিং যথাযথভাবে তুলে ধরতে পারিনি। এ ছাড়া আমাদের বন্দরের সমস্যা আছে। এত দিনেও আমরা আমাদের বন্দরের অটোমেশন করতে পারিনি।

‘এগুলো ঠিক হলে বাংলাদেশে আরও বেশি বিনিয়োগ আসবে। বিদেশি বিনিয়োগকারীরা একা বিনিয়োগ করে খুবই কম। দেশি বিনিয়োগকারীদের হাত ধরে বিদেশি বিনিয়োগ আসে। সে কারণে বিদেশি বিনিয়োগ বাড়াতে হলে দেশি বিনিয়োগও বাড়াতে হবে।

এরশাদ আহমেদ বলেন, ‘নিজস্ব অর্থে পদ্মা সেতু নির্মাণ বিশ্ব অঙ্গনে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করেছে। এই সেতু ঘিরে দেশে বিনিয়োগ বাড়বে। তার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে অবশ্যই বিদেশি বিনিয়োগও আসবে। তবে, সেটার জন্য অপেক্ষা করতে হবে।

‘বিশ্ব একটি কঠিন সময় পার করছে। এই সংকট কেটে গেলে, বাংলাদেশে এফডিআই বাড়বে। এই সময়ের মধ্যে আমাদের বিদেশি বিনিয়োগের ক্ষেত্রে যেসব প্রতিবন্ধকতা আছে, সেগুলো দূর করতে হবে।’

বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা) সূত্রে জানা যায়, আগের বছরগুলোর ধারাবাহিকতায় চলতি অর্থবছরে তৈরি পোশাক খাতে কোরিয়া, চীন ও হংকং থেকে উল্লেখযোগ্য বিদেশি বিনিয়োগ এসেছে। এ ছাড়া বিদ্যুৎ, ব্যাংক, টেলিকমিউনিকেশন খাতেও কিছু বিনিয়োগ এসেছে।

আন্তর্জাতিক রীতি অনুযায়ী, বিদেশি কোম্পানিগুলো তিনভাবে বাংলাদেশে বিনিয়োগ করতে পারে। মূলধন হিসাবে নগদ বা শিল্পের যন্ত্রপাতি হিসাবে, বাংলাদেশে ব্যবসা করে অর্জিত মুনাফা বিদেশে না নিয়ে পুনর্বিনিয়োগ করে এবং এক কোম্পানি অন্য কোম্পানি থেকে ঋণ নিয়ে বিনিয়োগ করতে পারে। এই তিন পদ্ধতির যেকোনোভাবে দেশে বিনিয়োগ এলে তা এফডিআই হিসেবে গণ্য করা হয়।

গত অর্থবছরে বাংলাদেশে বিদেশি বিনিয়োগকারীদের মধ্যে শীর্ষে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। তারা মোট বিনিয়োগের প্রায় ১৭ শতাংশ বিনিয়োগ করেছে। দ্বিতীয় অবস্থানে সিঙ্গাপুর। তারা মোট বিনিয়োগের ১৬ শতাংশের মতো বিনিয়োগ করেছে। তৃতীয় অবস্থানে নেদারল্যান্ডসের বিনিয়োগ ৮ শতাংশ।

এ ছাড়া সংযুক্ত আরব আমিরাত, মালয়েশিয়া, চীন, মিশর, যুক্তরাজ্য, হংকং এবং অন্যান্য দেশের বিনিয়োগকারীদের বাংলাদেশে বিনিয়োগ রয়েছে।

২০১৫-১৬ থেকে ২০২১-২২ এই পাঁচ অর্থবছরে দেশে মোট ২৫ দশমিক ১০ বিলিয়ন ডলার এফডিআই এসেছে। এর মধ্যে নিট এফডিআইয়ের পরিমাণ ১৭ দশমিক ৬৮ বিলিয়ন ডলার।

আরও পড়ুন:
দেশে বিনিয়োগে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যবসায়ীদের প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান
বাংলাদেশি কোম্পানিতে বিদেশি বিনিয়োগ
বড় প্রকল্পে হংকংয়ের বিনিয়োগ চায় সরকার
বিদেশি বিনিয়োগের পালেও জোর হাওয়া

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Five day furniture fair from Thursday

পাঁচ দিনের ফার্নিচার মেলা বৃহস্পতিবার থেকে

পাঁচ দিনের ফার্নিচার মেলা বৃহস্পতিবার থেকে
মেলায় হাতিল, আখতার, নাভানা, পারটেক্স, রিগ্যাল, নাদিয়া, ব্রাদার্সের মতো ফার্নিচার প্রতিষ্ঠানগুলোর পাশাপাশি ৩৪টি প্রতিষ্ঠানের মোট ১৮২টি স্টল অংশ নেবে।

দুই বছর পর আবারও শুরু হচ্ছে দেশীয় ফার্নিচার শিল্পের সবচেয়ে বড় আয়োজন ১৭তম জাতীয় ফার্নিচার মেলা। বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় রাজধানীর বসুন্ধরার ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটিতে ৫ দিনব্যাপী মেলার উদ্বোধন করবেন শিল্পমন্ত্রী নুরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন।

বাংলাদেশ ফার্নিচার শিল্প মালিক সমিতি এই মেলার আয়োজন করছে। চলবে ১০ অক্টোবর পর্যন্ত।

বুধবার সমিতির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, দীর্ঘ দুই বছর বিরতির পর আবারও শুরু হচ্ছে ফার্নিচার মেলা। দেশীয় ফার্নিচার শিল্পের সর্ববৃহৎ এই আয়োজনে ৩৪টি প্রতিষ্ঠানের মোট ১৮২টি স্টল থাকবে। ডিজাইন অ্যান্ড টেকনোলজি সেন্টারের (ডিটিসি) ব্যবস্থাপনায় বাংলাদেশ ফার্নিচার শিল্প মালিক সমিতি এ মেলার আয়োজনে করছে।

মেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি থাকবেন শিল্পমন্ত্রী নুরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করবেন সমিতির চেয়ারম্যান সেলিম এইচ রহমান। ৬ অক্টোবর সকাল সাড়ে ১০টায় বসুন্ধরার ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটির গুলনকশা হলে মেলার উদ্বোধন ঘোষণা করা হবে।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি থাকবেন বাংলাদেশ ফার্নিচার এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ও এফবিসিসিআইয়ের পরিচালক কে এম আকতারুজ্জামান এবং এফবিসিসিআইয়ের সভাপতি জসিম উদ্দিন।

পাঁচ দিনের ফার্নিচার মেলা বৃহস্পতিবার থেকে

উদ্বোধনী দিনে অনুষ্ঠিত হবে শিশুদের চিত্রাঙ্কন প্রতযোগিতা। প্রতিযোগিতায় সেরা ছবি আঁকার জন্য প্রথম ১০ জনকে দেওয়া হবে আকর্ষণীয় পুরস্কার এবং প্রত্যেক অংশগ্রহণকারী পাবে সার্টিফিকেট ও স্কেচ বুক। প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করতে হলে অবশ্যই প্রতিযোগীর জন্ম নিবন্ধন সনদসহ দুপুর দুইটার মধ্যে ভেন্যুতে উপস্থিত হয়ে রেজিস্ট্রশন সম্পন্ন করতে হবে। ৬ থেকে ১২ বছর বয়সী শিশুরা এতে অংশগ্রহণ করতে পারবে।

চিত্রাঙ্কনের সরঞ্জাম (বোর্ড, তুলি ও প্যাস্টেল কালার) প্রত্যেক অংশগ্রহণকারীকেই আনতে হবে। আয়োজক প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে ড্রয়িং পেপার সরবরাহ করা হবে। চিত্রাঙ্কনের বিষয় ‘ছবির মতো ঘর’

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ১৬ বছর ধরে এই মেলা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এবার মেলার ১৭তম আয়োজন। এই মেলার উদ্দেশ্য হলো দেশীয় ফার্নিচার শিল্পের বিকাশ ঘটানোর পাশাপাশি দেশের বাইরেও রপ্তানি বাড়ানো। এরই মধ্যে বিদেশে ফার্নিচার রপ্তানি উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পেয়েছে।

মেলায় হাতিল, আখতার, নাভানা, পারটেক্স, রিগ্যাল, নাদিয়া, ব্রাদার্সের মতো ফার্নিচার প্রতিষ্ঠানগুলোর পাশাপাশি ৩৪টি প্রতিষ্ঠানের মোট ১৮২টি স্টল অংশ নেবে।

রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) তথ্য ঘেঁটে দেখা যায়, গত ২০২১-২০২২ অর্থবছরে ১৯ কোটি ৩ লাখ ৬০ হাজার ডলারের ফার্নিচার রপ্তানি হয়েছে। এই অঙ্ক আগের বছরের (২০২০-২১) চেয়ে ৩৮ দশমিক ৮৭ শতাংশ বেশি।

বিশ্বের বিভিন্ন দেশ যেমন- ভারত, নেপাল, যুক্তরাষ্ট্র, সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশগুলোতে ফার্নিচার রপ্তানি হচ্ছে।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Islami Bank on the bank of Askar Dighi in Chittagong

চট্টগ্রামের আসকার দীঘির পাড়ে ইসলামী ব্যাংক

চট্টগ্রামের আসকার দীঘির পাড়ে ইসলামী ব্যাংক
ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও মুহাম্মদ মুনিরুল মওলার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক মুহাম্মদ শাব্বির, সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট মাকসুদুর রহমান ও মিফতাহ উদ্দিন।

চট্টগ্রামের আসকার দীঘির পাড়ে ইসলামী ব্যাংকের শাখা খোলা হয়েছে। এটি ব্যাংকটির ৩৮৮তম শাখা।

মঙ্গলবার ব্যাংকের রিস্ক ম্যানেজমেন্ট কমিটির চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) ইঞ্জিনিয়ার আবদুল মতিন শাখাটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন বলে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও মুহাম্মদ মুনিরুল মওলার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক মুহাম্মদ শাব্বির, সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট মাকসুদুর রহমান ও মিফতাহ উদ্দিন।

স্বাগত বক্তব্য দেন চট্টগ্রাম সাউথ জোন প্রধান মিয়া মোহা. বরকত উল্লাহ। ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন আসকার দীঘির পাড় শাখাপ্রধান কাজী মো. আলমগীর।

গ্রাহক ও শুভানুধ্যায়ীদের পক্ষ থেকে বক্তব্য দেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের প্যানেল মেয়র মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন, কাউন্সিলর শৈবাল দাস সুমন ও আনজুমান আরা, চট্টগ্রাম কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ সুচারু বিকাশ বড়ুয়া, প্রিন্সিপাল আ.ন.ম দেলোয়ার হোসাইন আল-কাদরী ও ব্যবসায়ী ইফতেখারুল আলম।

এ সময় ব্যাংকের সিনিয়র অ্যাসিস্ট্যান্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট এ এম শহীদুল এমরানসহ নির্বাহী-কর্মকর্তা, গ্রাহক, শুভানুধ্যায়ী এবং বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন:
ইসলামী ব্যাংকের নতুন পাঁচ সেবা চালু
৭% মুনাফায় সিএমএসএমই ঋণ দেবে গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক
৭% মুনাফায় সিএমএসএমই ঋণ দেবে ইসলামী ব্যাংক
 ‘টপ পারফর্মিং’ পুরস্কার পেল ইসলামী ব্যাংক
গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংকের নতুন ৪ উপশাখা

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Director of Bangaj caught buying shares without declaring

ঘোষণা না দিয়ে শেয়ার কিনে ধরা বঙ্গজের পরিচালক

ঘোষণা না দিয়ে শেয়ার কিনে ধরা বঙ্গজের পরিচালক
তালিকাভুক্ত কোনো কোম্পানির মালিক বা উদ্যোক্তা বা পরিচালক নিজের কোম্পানির শেয়ার কিনতে বা বিক্রি করতে চাইলে আগে সেটা স্টক এক্সচেঞ্জ ও বিএসইসিকে জানাতে হবে। বঙ্গজের পরিচালক রবিউল ঘোষণা ছাড়া শেয়ার কিনে ধরা পড়ে বলেছেন, এই বিধান জানতেন না।

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত খাদ্য খাতের কোম্পানি বঙ্গজের এক উদ্যোক্তা ঘোষণা না নিয়ে কোম্পানির শেয়ার কিনে ধরা পড়েছেন।

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ বা ডিএসই কর্তৃপক্ষ এই চেষ্টা ধরে ফেলার পর তিনি ক্ষমাও চান। কিন্তু তাতে রক্ষা হচ্ছে না। তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে প্রমাণসহ তদন্ত প্রতিবেদনের কপি নিয়ন্ত্রণ সংস্থার বিএসইসির কাছে পাঠিয়েছে ডিএসই। তবে বিএসইসি এখনও কোনো সিদ্ধান্ত জানায়নি।

জানতে চাইলে বিএসইসির মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক রেজাউল করিম নিউজবাংলাকে বলেন, ‘বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) এর লিস্টিং রেগুলেশনের ৩৪ ধারা অনুযায়ী, তালিকাভুক্ত কোনো কোম্পানির মালিক বা উদ্যোক্তা বা পরিচালক নিজের কোম্পানির শেয়ার কিনতে বা বিক্রি করতে চাইলে আগে সেটা স্টক এক্সচেঞ্জ ও বিএসইসিকে জানাতে হবে। এরপর স্টক এক্সচেঞ্জ সেটি ঘোষণা করে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের জানাবে। এরপর একটি নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে তারা শেয়ার লেনদেন করবেন।

তবে বঙ্গজের উদ্যোক্তা রবিউল হক গত ২৩ জুন আগাম ঘোষণা ছাড়াই নিজ কোম্পানির ২ হাজার শেয়ার ১৩৮ টাকা ৫০ পয়সায় ক্রয়াদেশ দেন হাউস রাজ্জাক সিকিউরিটিজের মাধ্যমে।

শেয়ার কেনা হয়ে গেলে সেই খবর চলে যায় ডিএসইর কাছে। শুরু হয় তদন্ত।

ডিএসইর তদন্তে রবিউল ও রাজ্জাক সিকিউরিটিজের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণও হয়।

তদন্ত চলাকালে রবিউল দাবি করেন, তিনি আইনটি জানতেন না বলে লিখিত বক্তব্যে জানান। এবার ছাড় দেয়ার অনুরোধ করে বলেন, ভবিষ্যতে আর এমন করবেন না।

রবিউল তালিকাভুক্ত আরেক কোম্পানি মিথুন নিটিংয়েরও পরিচালক। চট্টগ্রাম ইপিজেডে থাকা এই কোম্পানিটি নিলামে বিক্রি হয়ে গেলেও পরিচালনা পর্ষদ কিছু জানে না।

ডিএসই তদন্ত দল অভিযোগ এনেছে রাজ্জাক সিকিউরিটিজের বিরুদ্ধেও। এখানে রবিউল বিও হিসাব খোলেন ২০০৪ সালে। কিন্তু তার দুটি কোম্পানির পরিচালকের তথ্য তাতে উল্লেখ করা হয়নি। এতে হাউসটি সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ রুলস, ২০২০ এর ৫ এর ২ এর ই ধারা ভেঙেছে বলেও মনে করে ডিএসইর তদন্ত দল।

এই আইনে বলা আছে, কোনো বিও হিসাবধারী যদি কোনো কোম্পানির উদ্যোক্তা বা পরিচালক হন তাহলে বিও একাউন্ট করার সময় সেই তথ্য রাখতে হবে যেটা করতে ব্যর্থ হয়েছে রাজ্জাক সিকিউরিটিজ।

ব্রোকাজের হাউসটির পক্ষ থেকে লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, ‘রবিউল গত ২০০১ সালে জানুয়ারি মাসে আমাদের হাউসে একাউন্ট খোলেন। তখন ফরমে তাদের দেয়া তথ্য আমাদের বিও ওপেনিং ফরমে ছিল না। পত্রপাওয়া মাত্র আমরা হালনাগাদ করব।’

রাজ্জাক সিকিউরিটিজ এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক এ কে এম আব্দুর রহিম নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আমাদের কাছে জানতে চাওয়া হয়েছিল আমরা জবাব দিয়েছি। রবিউল হক আইনটি জানতেন না। তিনি ক্ষমা চেয়েছেন।’

গত মাসে ডিএসই তাদের তদন্ত প্রতিবেদন বিএসইসিতে পাঠায়। তবে এখন পর্যন্ত সংস্থাটির পক্ষ থেকে কোনো ব্যবস্থা নেয়া হয়নি।

১৯৮০ সালে উৎপাদনে আসা বঙ্গজ তাদের গ্র্যান্ড চয়েজ বিস্কুট দিয়ে বাজারে সাড়া ফেলে দিয়েছিল। চার বছর পর তারা পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয়। তবে এখন তাদের ব্যবসা ভালো যাচ্ছে না।

স্বল্প মূলধনি কোম্পানিটি ২০২০ সালে কর পরবর্তী প্রায় ৪৬ লাখ টাকা এবং পরের বছর সাড়ে ১৭ লাখ টাকা মুনাফা করে কোম্পানিটি। গত জুনে সমাপ্ত অর্থবছরের হিসাব এখনও প্রকাশ হয়নি। মার্চ পর্যন্ত তৃতীয় প্রান্তিক পর্যন্ত আয় হয়েছে প্রায় সাড়ে ১১ লাখ টাকা।

শেয়ার প্রতি আয় ২০২০ সালে ছিল ৬০ পয়সা, পরের বছর ২৩ পয়সা এবং গত মার্চে সমাপ্ত তৃতীয় প্রান্তিক শেষে ১৫ পয়সা।

২০২০ ও ২০২১ সালে যথাক্রমে শেয়ার প্রতি ৫০ পয়সা ও ৪০ পয়সা লভ্যাংশ দেয়া বঙ্গজের বর্তমান শেয়ারদর ১২৭ টাকা ৭০ পয়সা।

বঙ্গজের পরিশোধিত মূলধন ৭ কোটি ৬৩ লাখ টাকা; রিজার্ভের পরিমাণ ৮ কোটি ৪০ লাখ টাকা। বর্তমান বাজার মূলধন ৯৭ কোটি ৩৬ লাখ টাকা।

কোম্পানিটির ৭৬ লাখ ২৪ হাজার ৬৪৩টি শেয়ারের মধ্যে ৩০ দশমিক ৯৯ শতাংশ আছে উদ্যোক্তা পরিচালকদের হাতে, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের হাতে আছে ৫ দশমিক ৭১ শতাংশ আর শেয়ার সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে রয়েছে ৬৩ দশমিক ৩ শতাংশ শেয়ার।

আরও পড়ুন:
সঞ্চয়পত্র নয়, পুঁজিবাজারে আসুন: গভর্নর
ওরিয়ন-বেক্সিমকোর আবেদন হারানোর প্রভাব সূচক-লেনদেনে
পুঁজিবাজার স্থিতিশীলতা তহবিল নিরীক্ষায় বিএসইসির কমিটি
১০ কোম্পানির দখলে ৪০ শতাংশ, ২০০টিতে ৩.৬
‘পদোন্নতির খেলায়’ ডিএসইতে অসন্তোষ

মন্তব্য

p
উপরে