× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
The tide of mobile banking in the epidemic
hear-news
player
google_news print-icon

মহামারিতে মোবাইল ব্যাংকিংয়ে জোয়ার

মহামারিতে-মোবাইল-ব্যাংকিংয়ে-জোয়ার
২০২১ সালে মোবাইল ব্যাংকিং সেবায় রেকর্ড পরিমাণ লেনদেন হয়েছে। প্রতীকী ছবি
বিকাশ, রকেট, এমক্যাশ, উপায়সহ দেশে বর্তমানে ১৩টি প্রতিষ্ঠান মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে আর্থিক সেবা (এমএফএস) দিচ্ছে। ডাক বিভাগের সেবা ‘নগদ’ও একই ধরনের সেবা দিচ্ছে। তবে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানটির এই সেবা উল্লিখিত হিসাবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি।

করোনা মহামারির বছর ২০২১ সালে মোবাইল ব্যাংকিং সেবায় রেকর্ড পরিমাণ লেনদেন হয়েছে।

লেনদেনের পরিমাণ সাত লাখ ৭০ হাজার কোটি টাকা। যা আগের বছর অর্থাৎ ২০২০ সালের চেয়ে ২ লাখ ৮ হাজার ৭৭০ কোটি টাকা বেশি।

শতকরা হিসেবে লেনদেন বেড়েছে ৩৭ শতাংশ। ২০২০ সাল শেষে লেনদেন হয়েছিল ৫ লাখ ৬১ হাজার ৩৯৬ কোটি টাকা।
মোবাইল ব্যাংকিং সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানগুলোর কর্মকর্তারা বলেছেন, এক বছরের ব্যবধানে এত বড় প্রবৃদ্ধি অন্য কোনো সেবা খাতে সচরাচর দেখা যায়নি।

এর মধ্যে একক মাস হিসেবে সবচেয়ে বেশি লেনদেন হয়েছে গত মে মাসে, ৭১ হাজার ২৪৭ কোটি টাকা। বছরের শেষ মাস ডিসেম্বরে লেনদেন হয় ৭১ হাজার ১৮২ কোটি টাকা।

বিকাশ, রকেট, এমক্যাশ, উপায়সহ দেশে বর্তমানে ১৩টি প্রতিষ্ঠান মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে আর্থিক সেবা (এমএফএস) দিচ্ছে। ডাক বিভাগের সেবা ‘নগদ’ও একই ধরনের সেবা দিচ্ছে। তবে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানটির এই সেবা উল্লিখিত হিসাবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি।

গ্রাহকসংখ্যা

তাৎক্ষণিকভাবে টাকা পাঠানোর সুবিধার কারণে দেশে মোবাইল ব্যাংকিং এখন সহজ ও জনপ্রিয় একটি সেবা। ফলে দেশে মোবাইল ব্যাংকিংয়ে প্রতিদিনই বাড়ছে গ্রাহকের সংখ্যা। সে সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে লেনদেনের পরিমাণও।

সম্প্রতি কেন্দ্রীয় ব্যাংক ১৩টি এমএফএস সেবার হালনাগাদ তথ্য নিয়ে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। এতে দেখা যায়, লেনদেনের পাশাপাশি মোবাইল ব্যাংকিং সেবায় বাড়ছে এজেন্ট ও গ্রাহকের সংখ্যাও।

২০২১ সালের ডিসেম্বর শেষে মোবাইল ব্যাংকিংয়ে নিবন্ধিত গ্রাহকসংখ্যা দাঁড়ায় ১১ কোটি ১৪ লাখ ৯৮ হাজার ৬৬৯। ২০২০ সালের ডিসেম্বরে এ সংখ্যা ছিল ৯ কোটি ৯৩ লাখ ৩৬ হাজার। ২০২১ সালে এমএফএস সেবায় ১ কোটি ২১ লাখ ৬২ হাজার গ্রাহক বেড়েছে।

গ্রাহকের মধ্যে গ্রামাঞ্চলে ৬ কোটি ২৩ লাখ এবং শহরের গ্রাহকসংখ্যা ৪ কোটি ৯২ লাখ।

নিবন্ধিতদের মধ্যে পুরুষ ৬ কোটি ৩০ লাখ এবং নারী গ্রাহক প্রায় ৫ কোটি।

এক বছরের ব্যবধানে মোবাইল ব্যাংকিং এজেন্টের সংখ্যা ৬৪ হাজার ৫৬১ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১১ লাখ ২৩ হাজার ৫৫৮ জনে।

মোবাইল ব্যাংকিংয়ে অন্যান্য সেবা

মোবাইল ব্যাংকিং সেবা এখন আর শুধু টাকা পাঠানোতেই সীমাবদ্ধ নেই। বরং এর মাধ্যমে দৈনন্দিন কেনাকাটা, গ্যাস-বিদ্যুৎ-পানিসহ বিভিন্ন বিল পরিশোধ এবং মোবাইলে রিচার্জসহ নানা ধরনের সেবা মিলছে।

রাজধানী ও জেলা শহরে গাড়িচালক ও গৃহপরিচারিকাদের বেতনও এখন দেয়া হচ্ছে বিকাশ, রকেট ও নগদের মতো সেবা মাধ্যম ব্যবহার করে। শ্রমজীবীরাও এখন এমএফএস সেবার মাধ্যমে গ্রামে টাকা পাঠাচ্ছেন।

ডিসেম্বর মাসে এমএফএস সেবায় ব্যক্তি হিসাব থেকে ব্যক্তি হিসাবে ২০ হাজার ১৮৪ কোটি টাকা লেনদেন হয়। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের বেতন-ভাতা বাবদ বিতরণ হয় ২ হাজার ৪৮৭ কোটি টাকা। বিভিন্ন পরিষেবার ১ হাজার ১৫৮ কোটি টাকার বিল পরিশোধ হয়। কেনাকাটার ৩ হাজার ৪৬৩ কোটি টাকার বিলও পরিশোধ হয় এ মাধ্যমে।

বাংলাদেশ ব্যাংক ২০১০ সালে মোবাইল ব্যাংকিং কার্যক্রম চালু করে। ২০১১ সালের ৩১ মার্চ বেসরকারি খাতের ডাচ্‌-বাংলা ব্যাংকের মোবাইল ব্যাংকিং সেবার মধ্য দিয়ে দেশে মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিসের যাত্রা শুরু হয়। এর পরপরই ব্র্যাক ব্যাংকের সহযোগী প্রতিষ্ঠান হিসেবে মোবাইল ব্যাংকিং সেবা চালু করে বিকাশ। বর্তমানে মোবাইল ব্যাংকিং বাজারের সিংহভাগই বিকাশের দখলে।

আরও পড়ুন:
মোবাইল আর্থিক সেবায় সুস্থ প্রতিযোগিতা আনার আহ্বান
‘একচেটিয়া আধিপত্যেই মোবাইল ব্যাংকিংয়ে খরচ বেশি’
নির্দেশনা মানেনি বিকাশ, টাকা পাঠাতে এখনও চার্জ
মোবাইল ব্যাংকিং: লকডাউনে বাড়ল সেন্ডমানির সীমা
মোবাইল ব্যাংকিং: টাকা পাঠানোর খরচে বিভ্রান্ত মানুষ

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Bangladesh Finance received the award for excellence in the financial services sector

আর্থিক সেবা খাতে শ্রেষ্ঠত্বের পুরস্কার পেল বাংলাদেশ ফাইন্যান্স

আর্থিক সেবা খাতে শ্রেষ্ঠত্বের পুরস্কার পেল বাংলাদেশ ফাইন্যান্স বাংলাদেশ ফাইন্যান্সকে পুরস্কৃত করেছে ইনস্টিটিউট অফ চার্টার্ড অ্যাকাউন্টেন্টস অব বাংলাদেশ (আইসিএবি)। ছবি: নিউজবাংলা
রাজধানীর একটি হোটেলে শনিবার সন্ধ্যায় ১৫টি ক্যাটাগরিতে মোট ৫১টি প্রতিষ্ঠান ও সংস্থাকে পুরস্কৃত করে আইসিএবি। তালিকায় আর্থিক সেবা খাতে আবারও সেরাদের কাতারে রয়েছে বাংলাদেশ ফাইন্যান্স লিমিটেড।

আবারও আর্থিক সেবা খাতে আবারও সেরাদের তালিকায় নাম লিখিয়েছে বাংলাদেশ ফাইন্যান্স লিমিটেড। ২০২১ সালে সেরা আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশের স্বীকৃতিস্বরূপ বাংলাদেশ ফাইন্যান্সকে পুরস্কৃত করেছে ইনস্টিটিউট অব চার্টার্ড অ্যাকাউন্টেন্টস অব বাংলাদেশ (আইসিএবি)। শনিবার সন্ধ্যায় রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত অনুষ্ঠানে ১৫টি ক্যাটাগরিতে মোট ৫১টি প্রতিষ্ঠান ও সংস্থাকে এ পুরস্কার দেওয়া হয়।

গতবারের মতো আর্থিক সেবা খাতে বাংলাদেশ ফাইন্যান্স দ্বিতীয় স্থান অর্জন করেছে। এ খাতে প্রথম হয়েছে আইডিএলসি ফাইন্যান্স লিমিটেড আর তৃতীয় হয়েছে আইপিডিসি।

বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশির হাত থেকে বাংলাদেশ ফাইন্যান্সের পক্ষে দ্বিতীয় সেরার পুরস্কার নেন প্রতিষ্ঠানটির অডিট কমিটির চেয়ারম্যান ও স্বতন্ত্র পরিচালক মো. রোকনুজ্জামান এফসিএ এবং ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. কায়সার হামিদ।

এ বিষয়ে কায়সার হামিদ বলেন, বাংলাদেশ ফাইন্যান্সের ধারাবাহিক উন্নতির বহিঃপ্রকাশ আবারও আইসিএবি অ্যাওয়ার্ড প্রাপ্তি। এটা অদূর ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মহা-হিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক মুসলিম চৌধুরী, বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের চেয়ারম্যান ড. শিবলী রুবাইয়াত-উল-ইসলাম, আইসিএবির সভাপতি মো. শাহাদাত হোসাইন এফসিএ প্রমুখ।

পুরস্কারপ্রাপ্তদের তালিকায় আরও রয়েছে সরকারি ব্যাংক খাতের জনতা ও সোনালী ব্যাংক। বেসরকারি ব্যাংক ক্যাটাগরিতে ব্যাংক এশিয়া-শাহজালাল ইসলামী ব্যাংক, ব্র্যাক ব্যাংক, ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক-মার্কেন্টাইল ব্যাংক পুরস্কৃত হয়েছে।

ম্যানুফ্যাকচারিং খাতে রয়েছে ব্রিটিশ-আমেরিকান টোব্যাকো, ওয়ালটন হাইটেক ইন্ডাস্ট্রিজ এবং রেকিট ব্যাংকিজিয়ার। ইনস্যুরেন্স খাতে পুরস্কৃত হয়েছে গ্রীণ ডেল্টা-রিল্যায়েন্স, রিলায়েন্স ইন্স্যুরেন্স এবং সিটি জেনারেল ইন্স্যুরেন্স।

ডাইভারসিফায়েড হোল্ডিংস খাতে এসিআই লিমিটেড, কমিউনিকেশন ও আইটি খাতে রবি ও গ্রামীণফোন পুরস্কার পেয়েছে।

পাবলিক সেক্টরে পুরস্কার পেয়েছে ইনফ্রাস্ট্রাকচার ডেভেলপমেন্ট কোম্পানি লিমিটেড, ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশন অফ বাংলাদেশ লিমিটেড, বাংলাদেশ ইনফ্রাস্ট্রাকচার ফাইন্যান্স ফান্ড লিমিটেড। এনজিওতে ব্র্যাক, কোডেক, সাজিদা ফাউন্ডেশন, সোসাইটি ফর সোস্যাল সার্ভিস এবং শক্তি ফাইন্ডেশন রয়েছে।

সার্ভিস সেক্টরে ইউনিক হোটেল অ্যান্ড রিসোর্ট , করপোরেট গভর্ন্যান্সে ব্যাংক এশিয়া, আইডিএলসি, শাহজালাল ইসলামী ব্যাংক লিমিটেড, লংকাবাংলা ফাইন্যান্স, ব্রিটিশ-আমেরিকান টোব্যাকো, মার্কেন্টাইল ব্যাংক পুরস্কৃত হয়েছে।

বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে সামিট পাওয়ার ও ইউনাইটেড পাওয়ার এবং অবকাঠামো ও নির্মাণ খাতে পুরস্কৃত হয়েছে ইস্টার্ন হাউজিং লিমিটেড।

আরও পড়ুন:
ইসলামী ব্যাংকে ‘ভয়ংকর নভেম্বর’: তদন্ত চেয়ে দুই সংস্থাকে চিঠি
অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগে সোনালী ব্যাংকের ৩ কর্মকর্তা বরখাস্ত
ইসলামী ব্যাংকের ‘অর্থ লোপাট’ নিয়ে রিটের পরামর্শ হাইকোর্টের
‘শক্তিশালী ব্যাংকের’ স্বীকৃতি পেল ইসলামী ব্যাংক
ইসলামী ব্যাংককে নিষেধাজ্ঞা ৮ প্রতিষ্ঠানের ঋণে

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Letter to make the paid up capital of Samrita Hospital Rs30 crores

শমরিতা হাসপাতালের পরিশোধিত মূলধন ৩০ কোটি টাকা করতে চিঠি 

শমরিতা হাসপাতালের পরিশোধিত মূলধন ৩০ কোটি টাকা করতে চিঠি  ডিএসই ও বিএসইসি ভবন। ছবি কোলাজ: নিউজবাংলা
শমরিতা হাসপাতালের কোম্পানি সচিব শরিফুল ইসলাম নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আমরা চিঠি পেয়েছি। জবাবও দিয়েছি। এই আইন আমাদের জন্য প্রযোজ্য নয়। লিস্টিং রেগুলেশনের যে রেফারেন্স দেয়া হয়েছে সেটা আমাদের জন্য না। সেটা আনলিস্টেড কোম্পানির জন্য। এটা আমরা বলেছি।’

বাংলাদেশের পুঁজিবাজারে সেবা খাতে তালিকাভুক্ত শমরিতা হাসপাতালকে পরিশোধিত মূলধন ১৮ কোটি ৮৮ লাখ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৩০ কোটি টাকা করার নির্দেশ দিয়েছে পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা।

গত মাসে এ বিষয়ে একটি নির্দেশনা জারি করে শমরিতা হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক বরাবর পাঠানো হয়। শমরিতা হাসপাতালের কোম্পানি সচিব শরিফুল ইসলাম চিঠি পাওয়ার বিষয়টি নিউজবাংলাকে নিশ্চিত করেছেন।

বাংলাদেশ সিকিউরিটি অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) চিঠিতে বলা হয়েছে, ১৯৯৭ সালে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) তালিকাভুক্ত হয় শমরিতা হাসপাতাল। বর্তমানে তাদের পরিশোধিত মূলধন ১৮ কোটি ৮৮ লাখ টাকা।

কিন্তু বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (পাবলিক ইস্যু) রুলস-২০১৫ অনুযায়ী মূল বোর্ডে থাকতে হলে পরিশোধিত মূলধন হতে হয় ন্যূনতম ৩০ কোটি টাকা।

নিয়ম অনুযায়ী শমরিতা হাসপাতালকে ৩০ কোটি টাকা পরিশোধিত মূলধন করার কথা বলা হয়েছে। এ জন্য ২০২৩ সালের ৩০ মে পর্যন্ত সময় বেঁধে দেয়া হয়েছে।

এছাড়া ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে কিভাবে এই মূলধন বাড়ানো হবে সেটার পরিকল্পনা চেয়েছে বিএসইসি।

চিঠিতে বলা হয়েছে, শমরিতা হাসপাতাল বেঁধে দেয়া সময়ের মধ্যে পরিশোধিত মূলধন বাড়াতে না পারলে তাদেরকে এসএমই মার্কেটে লেনদেনের জন্য পাঠিয়ে দেয়া হবে। মূল মার্কেট থেকে বাদ দিয়ে দেয়া হবে।

শমরিতা হাসপাতালের কোম্পানি সচিব শরিফুল ইসলাম নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আমরা চিঠি পেয়েছি। জবাবও দিয়েছি। এই আইন আমাদের জন্য প্রযোজ্য নয়। লিস্টিং রেগুলেশনের যে রেফারেন্স দেয়া হয়েছে সেটা আমাদের জন্য না। সেটা আনলিস্টেড কোম্পানির জন্য। এটা আমরা বলেছি।’

১৯৯৭ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত এ কোম্পানির শেয়ার বর্তমানে লেনদেন হচ্ছে ‘এ’ ক্যাটাগরিতে।

২০১৯ সালে শমরিতা হাসপাতাল ৩ কোটি ২২ লাখ টাকা মুনাফা করে; লভ্যাংশ দেয় শেয়ার প্রতি ১ টাকা আর বোনাস লভ্যাংশ দেয়া হয় ১০০টি শেয়ারে নতুন ৫টি শেয়ার। ২০১৯ অর্থবছরে মুনাফা হয় ৩২ লাখ টাকা। লভ্যাংশ দেয়া হয়নি।

২০২০ অর্থবছরে মুনাফা হয় ৪ কোটি ২১ লাখ টাকা। লভ্যাংশ দেয়া হয় প্রতি শেয়ারে ১ টাকা।

পুঁজিবাজারে এ কোম্পানির ১ কোটি ৮৮ লাখ ৭৫ হাজার ২৩৬টি শেয়ার রয়েছে। এর মধ্যে ৪৫ দশমিক ৬৪ শতাংশ আছে পরিচালকদের হাতে।

প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের হাতে আছে ৭ দশমিক ২২ শতাংশ শেয়ার, বিদেশিদের হাতে রয়েছে দশমিক শূন্য ১ শতাংশ এবং সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে রয়েছে ৪৭ দশমিক ১৩ শতাংশ শেয়ার।

শমরিতা হাসপাতালের বর্তমান বাজার মূলধন ২ হাজার কোটি ৬৬ লাখ টাকা। পরিশোধিত মূলধন ১৮ কোটি ৮৮ লাখ টাকা এবং রিজার্ভের পরিমাণ ৭৮ কোটি ২৫ লাখ টাকা।

আরও পড়ুন:
ভুল সিদ্ধান্তের দায় নিলেন না বিএসইসি কমিশনার
অল্প অল্প করে বাড়ছে পুঁজিবাজারে লেনদেন
গ্রাহকদের ওএমএস সুবিধা দেবে এনবিএল সিকিউরিটিজ
পুঁজিবাজার দীর্ঘমেয়াদি অর্থায়নের উৎস হতে পারছে না: ডিএসই চেয়ারম্যান
পুঁজিবাজার: অন্ধকারে আশার ক্ষীণ আলো

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Gold prices hit a record high of 87000 rupees

স্বর্ণের দামে রেকর্ড, ভরি ৮৭ হাজার টাকা ছাড়াল

স্বর্ণের দামে রেকর্ড, ভরি ৮৭ হাজার টাকা ছাড়াল
অতীতের সব রেকর্ড ছাড়িয়ে সবচেয়ে ভালো মানের স্বর্ণের দাম ৮৭ হাজার ২৪৭ টাকা নির্ধারণ হয়েছে। রোববার থেকে সারা দেশে এই দরে স্বর্ণ বিক্রি হবে বলে জানিয়েছে স্বর্ণ ব্যবসায়ীদের সংগঠন বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি-বাজুস।

দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম আরেক দফা বেড়ে নতুন রেকর্ড গড়েছে। অতীতের সব রেকর্ড ছাড়িয়ে সবচেয়ে ভালো মানের স্বর্ণের দাম ৮৭ হাজার ২৪৭ টাকা নির্ধারণ হয়েছে। রোববার থেকে সারা দেশে এই দরে স্বর্ণ বিক্রি হবে বলে জানিয়েছে স্বর্ণ ব্যবসায়ীদের সংগঠন বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি-বাজুস।

শনিবার রাতে বাজুসের মূল্য নির্ধারণ ও মূল্য পর্যবেক্ষণ স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান এম এ হান্নান আজাদ স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। এতে বলা হয় স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) দাম বাড়ায় সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।

অন্যান্য মানের স্বর্ণের দামও প্রায় একই হারে বাড়ানো হয়েছে।

এ নিয়ে দুই সপ্তাহের ব্যবধানে প্র‌তি ভরি স্বর্ণের দাম বাড়ালো তিন হাজার ৩৩ টাকা। নতুন দাম অনুযায়ী ২২ ক্যারেটের প্রতি ভ‌রি এই স্বর্ণের দাম বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮৭ হাজার ২৪৭ টাকা, যা এত দিন ৮৪ হাজার ২১৪ টাকা ছিল।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন- বাংলাদেশের ইতিহাসে এর আগে কখনই প্রতি ভরি সোনা এতো বেশি দামে বিক্রি হয়নি।

টানা তিন দফা কমানোর পর গত ১২ নভেম্বর মূল্যবান এ ধাতুর দাম ভরিতে দুই হাজার ৩৩৩ টাকা বাড়িয়েছিল বাজুস। যা ১৩ নভেম্বর থেকে কার্যকর হয়। ছয় দিনের মাথায় ১৭ নভেম্বর ভরিতে এক হাজার ৭৫০ টাকা বাড়ানো হয়। শনিবার আরও তিন হাজার ৩৩ টাকা বাড়ানোর ঘোষণা এলো।

নতুন দাম অনুযায়ী, রোববার থেকে সবচেয়ে ভালো মানের ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণ ৮৭ হাজার ২৪৭ টাকায় বিক্রি হবে। ২১ ক্যারেটের স্বর্ণ ভরিতে বাড়ানো হয়েছে এক হাজার ৬৩২ টাকা; বিক্রি হবে ৮৩ হাজার ২৮১ টাকায়। ১৮ ক্যারেটের দাম এক হাজার ৪৫৮ টাকা বাড়িয়ে ৭১ হাজার ৩৮৪ টাকা করা হয়েছে। সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের দাম ভরিতে এক হাজার ১৬৬ টাকা বেড়ে হয়েছে ৫৯ হাজার ৪৮৬ টাকা।

এর আগে সর্বশেষ গত ১৭ নভেম্বর বাজুস স্বর্ণের দাম বাড়ানোর ঘোষণা দেয়, যা পরের দিন ১৮ নভেম্বর থেকে কার্যকর হয়। ওই দাম অনুযায়ী শনিবার পর্যন্ত ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণ ৮৪ হাজার ২১৪ টাকায় বিক্রি হয়েছে। ২১ ক্যারেটের স্বর্ণ বিক্রি হয়েছে ৮০ হাজার ৩৬৫ টাকায়। ১৮ ক্যারেটের স্বর্ণ বিক্রি হয়েছে ৬৮ হাজার ৯৩৪ টাকায়। সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের দাম ছিল ৫৬ হাজার ৬৮৭ টাকা।

এরও আগে স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয় গত ২৪ অক্টোবর, যা ২৫ অক্টোবর থেকে কার্যকর হয়। ওই সময় ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম ছিল ৮০ হাজার ১৩২ টাকা, ২১ ক্যারেটের ৭৬ হাজার ৫১৬ টাকা, ১৮ ক্যারেটের দাম ৬৫ হাজার ৫৫২ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ছিল ৫৪ হাজার ৩৫৪ টাকা।

তবে রুপার দাম অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে। ক্যাটাগরি অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপার দাম এক হাজার ৫১৬ টাকা। ২১ ক্যারেটের রুপার দাম এক হাজার ৪৩৫ টাকা, ১৮ ক্যারেটের রুপার দাম এক হাজার ২২৫ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপার দাম ৯৩৩ টাকা অপরিবর্তিত আছে।

আরও পড়ুন:
বৈধ জুয়েলারি থেকে গহনা কেনার পরামর্শ বাজুসের
বাজুস সদস্য ছাড়া স্বর্ণালংকার না কেনার পরামর্শ
৩ নারী উদ্যোক্তাকে সম্মাননা দিল বাজুস
বাজুসের নতুন কমিটির দায়িত্ব গ্রহণ
বাজুস সভাপতি সায়েম সোবহান

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Many of the wealthy are not paying income tax NBR

সামর্থ্যবানদের অনেকে দিচ্ছেন না আয়কর: এনবিআর

সামর্থ্যবানদের অনেকে দিচ্ছেন না আয়কর: এনবিআর ট্যাক্স গাইড ২০২২-২৩ প্রকাশ করেছে ডিসিসিআই। ছবি: নিউজবাংলা
‘বর্তমানে দেশে টিআইএন-ধারীর সংখ্যা ৮৩ লাখ। অথচ গত অর্থবছরে আয়কর রিটার্ন দাখিল হয়েছে মাত্র ২৫ লাখ ৩০ হাজার। দেশে আয়কর প্রদানে সক্ষম ব্যক্তির সংখ্যা প্রায় ১ কোটি ১৬ লাখ, বিপুল জনগোষ্ঠীর একটি বড় অংশ কর ব্যবস্থাপনার বাইরে রয়ে গেছে।’

দেশে আয়কর দিতে সক্ষম ব্যক্তির সংখ্যা ১ কোটি ছাড়িয়ে গেছে। তবে এর বড় একটি অংশ করের আওতার বাইরে বলে জানিয়েছেন এনবিআর সদস্য (আয়কর তথ্য ব্যবস্থাপনা ও সেবা) মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন।

শনিবার রাজধানীর মতিঝিলে ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই) আয়োজিত ‘কাস্টমস্, ভ্যাট অ্যান্ড ইনকাম ট্যাক্স ম্যানেজমেন্ট’ বিষয়ক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তেব্যে তিনি এ কথা বলেন।

ডিসিসিআই বিগত বছরের ন্যায় এ বছর ‘ট্যাক্স গাইড ২০২২-২৩’ প্রকাশ করেছে। এতে আয়কর, ভ্যাট এবং কাস্টমস আইনের বিস্তারিত বিবরণী তুলে ধরা হয়েছে।

ডিসিসিআিই বলেছে, এই গাইডটি চেম্বারের সদ্যেসের পাশাপাশি দেশের সকল ব্যবসায়ীর কাজে লাগবে।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে এনবিআর সদস্য জাহিদ হাসান বলেন, ‘সরকারের লক্ষ্য দেশের অর্থনীতিকে আরও এগিয়ে নিয়ে যাওয়া। এ লক্ষ্যকে সামনে রেখে প্রয়োজনীয় নীতি ও সংস্কারের উদ্যোগ নিয়েছে এনবিআর। আর সংস্কার একটি চলমান প্রক্রিয়া, যা অব্যাহত থাকবে।

নিবন্ধনের চেয়ে করদাতার সংখ্যা কম, এমন তথ্য জানিয়ে তিনি বলেন, ‘বর্তমানে দেশে টিআইএন-ধারীর সংখ্যা ৮৩ লাখ। অথচ গত অর্থবছরে আয়কর রিটার্ন দাখিল হয়েছে মাত্র ২৫ লাখ ৩০ হাজার। এটি মোটেই আশাব্যঞ্জক নয়।

‘চলতি অর্থবছরের বাজেটে বেশ কিছু সেবা গ্রহণে রিটার্ন-এর সাথে প্রমাণপত্র দেখানো বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। এর ফলে আশা করা যাচ্ছে রিটার্নের সংখ্যা অনেক বাড়বে। আয়কর, ভ্যাট ও শুল্ক ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা আনতে এনবিআর সকল কার্যক্রমে ডিজিটাল ব্যবস্থা চালুর উপর জোর দিচ্ছে। এর ফলে জনগনের ভোগান্তি কমবে এবং রাজস্ব আহরণের হার বৃদ্ধি পাবে।’

দেশে আয়কর প্রদানে সক্ষম লোকের সংখ্যা প্রায় ১ কোটি ১৬ লাখ, এমন তথ্য জানিয়ে জাহিদ হাসান বলেন, ‘বিপুল জনগোষ্ঠীর একটি বড় অংশ কর ব্যবস্থাপনার বাইরে রয়ে গেছে। কর-জাল সম্প্রসারণে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড সারাদেশে কর অঞ্চলের অফিস বাড়ানোসহ নানা উদ্যোগ নিয়েছে। এর ফলে করদাতার সংখ্যা আরও বাড়বে।’

কর্মশালায় স্বাগত বক্তব্যে ঢাকা চেম্বারের সভাপতি রিজওয়ান রাহমান বলেন, ‘কোম্পানীর রাজস্ব ব্যবস্থাপনার জন্য আয়কর ও ভ্যাট সম্পর্কে পর্যাপ্ত জ্ঞান রাখা অপরিহার্য। এটা জানা থাকলে একজন উদ্যোক্তার ব্যবসায়িক কর্মকান্ড সফলভাবে পরিচালনা ও কৌশল নির্ধারন সহজ হয়।

‘চলতি অর্থবছরের জাতীয় বাজেটে কর-জাল বৃদ্ধির জন্য ৩৮টি ক্ষেত্রে রিটার্ন দাখিল বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। ভ্যাটের কেন্দ্রীয় নিবন্ধন বাধ্যতামূলক, স্থানীয় পর্যায়ে কেমিক্যাল উৎপাদনে ৬ শতাংশ ভ্যাট ছাড়, মূসক ফরমে পরিবর্তন এবং কম্পিউটার যন্ত্রাংশ আমদানিতে ভ্যাট বৃদ্ধিসহ বেশকিছু পরিবর্তন করা হয়েছে। এসব পরিবর্তন সম্পর্কে ব্যবসায়ীদের অবশ্যই অবগত থাকতে হবে।’

রাজস্ব আহরণের লক্ষ্যমাত্রা পূরণে করদাতা ও কর্মকর্তাদের মধ্যে পারস্পরিক আস্থা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করেন ডিসিসিআই ঊর্ধ্বতন সহ-সভাপতি আরমান হক।

কর্মশালায় দুটি প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ডিসিসিআই’র কাস্টমস্, ভ্যাট অ্যান্ড এনবিআর বিষয়ক স্ট্যান্ডিং কমিটির উপদেষ্টা স্নেহাশীষ বড়ুয়া ও যুগ্ম-আহবায়ক এমবিএম লুৎফুল হাদী।

আরও পড়ুন:
আয়কর রিটার্ন জমার সময় বাড়ল এক মাস
শেষ মুহূর্তে রিটার্ন জমার হিড়িক, সময় বাড়তে পারে
রিটার্ন জমা পড়েছে ৯ লাখ, অনলাইনে সাড়া কম
ভুয়া আয়কর রিটার্ন শনাক্ত করা যাবে সহজে 
আয়কর রিটার্ন দ্বিগুণ করতে চায় এনবিআর

মন্তব্য

বাংলাদেশ
FBCCI signs deal with CNN at Business Summit March

এফবিসিসিআই’র বিজনেস সামিট মার্চে, সিএনএনের সঙ্গে চুক্তি

এফবিসিসিআই’র বিজনেস সামিট মার্চে, সিএনএনের সঙ্গে চুক্তি গুলশানে বেক্সিমকো কার্যালয়ে শনিবার এফবিসিসিআই ও সিএনএন-এর মধ্যে সমঝোতা স্মারক সই হয়। ছবি: নিউজবাংলা
এফবিসিসিআই সভাপতি মো. জসিম উদ্দিন বলেন, ‌‘এই সামিটের আন্তর্জাতিক মিডিয়া পার্টনার হিসেবে সিএনএনের সঙ্গে আমরা চুক্তিবদ্ধ হয়েছি। তারা আমাদের এই অনুষ্ঠানের খবর বিশ্বব্যাপী প্রচার করবে।’

বাংলাদেশে বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণ করতে আগামী বছরের মার্চে ‘বাংলাদেশ বিজনেস সামিট-২০২৩’ আয়োজন করতে যাচ্ছে ফেডারেশন অফ বাংলাদেশ চেম্বার অফ কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (এফবিসিসিআই)।

স্বাধীনতার ৫০ বছরপূর্তি উপলক্ষে এই সম্মেলনের ব্যাপকভিত্তিক প্রচারে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম সিএনএন-এর সঙ্গে সমঝোতা স্মারক সই করেছে দেশের ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠনটি।

এই চুক্তির আওতায় চলতি ডিসেম্বর মাস থেকে আগামী বছরের মার্চ পর্যন্ত বাংলাদেশের উন্নয়ন ও বিনিয়োগ সম্ভাবনা নিয়ে প্রচার চালাবে সিএনএন।

গুলশানের বেক্সিমকো কার্যালয়ে শনিবার প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা সালমান এফ রহমানের উপস্থিতিতে এই স্মারক স্বাক্ষর হয়।

এফবিসিসিআইর পক্ষে সভাপতি মো. জসিম উদ্দিন ও সিএনএনের পক্ষে ‍প্রতিষ্ঠানটির দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলের পরিচালক (সেলস) অভিজিৎ ধর চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।

অনুষ্ঠানে সালমান এফ রহমান বলেন, ‘এই বিজনেস সামিট-এর মাধ্যমে বিভিন্ন দেশের ব্যবসায়ী প্রতিনিধিরা বাংলাদেশের বিগত বছরের সফলতা ও সম্ভাবনা সম্পর্কে জানতে পারবেন। এই আয়োজন বিদেশি বিনিয়োগকারীদের বাংলাদেশে বিনিয়োগে আকৃষ্ট করবে। গত ৫০ বছরে বাংলাদেশের অগ্রযাত্রা এবং আগামীর উন্নয়ন সম্ভাবনার কথাও এই সামিটে তুলে ধরা হবে।’

মো. জসিম উদ্দিন বলেন, ‌‘টেক্সটাইল, গ্রিন ইকোনমি, সার্কুলার ইকোনমি ইত্যাদি সম্ভাবনাময় খাতের প্রদর্শনী করা হবে এই সামিটে। এর মাধ্যমে বাংলাদেশে অনেক দেশের ব্যবসা-বাণিজ্য রিলোকেশনের সুযোগ তৈরি হবে।

‘সামিটে বীর মুক্তিযোদ্ধা ব্যবসায়ীসহ দেশের অর্থনীতিতে অবদান রাখা ব্যবসায়ীদের সম্মানিত করা হবে।’

এফবিসিসিআই সভাপতি বলেন, ‌‘এই সামিটের আন্তর্জাতিক মিডিয়া পার্টনার হিসেবে সিএনএনের সঙ্গে আমরা চুক্তিবদ্ধ হয়েছি। তারা আমাদের এই অনুষ্ঠানের খবর বিশ্বব্যাপী প্রচার করবে।

‌‘এই আয়োজনে ডব্লিউটিও’র ডিজি, ইউরোপীয় ইউনিয়নের ট্রেড কমিশনার, জেটরো চেয়ারম্যান, বিভিন্ন মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানির সিইও এবং বাংলাদেশের সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্ক আছে এমন ৩০টির বেশি দেশের মন্ত্রীসহ সেসব দেশের ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদের আমন্ত্রণের মাধ্যমে বাংলাদেশে বিনিয়োগ সম্ভাবনাকে তুলে ধরা হবে।’

অনুষ্ঠানে এফবিসিসিআইর সিনিয়র সহ-সভাপতি মোস্তফা আজাদ চৌধুরী বাবু, সহ-সভাপতি এম এ মোমেন, সালাউদ্দিন আলমগীর, পরিচালক সৈয়দ সাদাত আলমাস কবির, আনোয়ার উল-আলম চৌধুরী (পারভেজ), আবুল কাসেম খান, মহাসচিব মোহাম্মদ মাহফুজুল হক প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন:
শীতার্ত মানুষের পাশে এফবিসিসিআই
ব্যয় বাড়ায় ব্যবসা হারাচ্ছে বহু প্রতিষ্ঠান
পরিবহনে চাঁদাবাজি বন্ধের দাবি ব্যবসায়ীদের
ব্যাংক ঋণ সহজীকরণ চান নারী উদ্যোক্তারা
কৃষিপণ্য ও মৎস্য রপ্তানি সম্ভাবনায় এফবিসিসিআই-ইউএসডিএর সমঝোতা

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Planning Minister believes that the countrys economy will be normal in March April

দেশের অর্থনীতি স্বাভাবিক এপ্রিলের মধ্যে, আশা পরিকল্পনামন্ত্রীর

দেশের অর্থনীতি স্বাভাবিক এপ্রিলের মধ্যে, আশা পরিকল্পনামন্ত্রীর সুনামগঞ্জ জেলা স্টেডিয়ামে দুই দিনব্যাপী কুস্তির উদ্বোধন অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাব দেন পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান। ছবি: নিউজবাংলা
পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, ‘আপনারা পত্র-পত্রিকায় সংবাদ করেছেন রেমিট্যান্স বেড়েছে, এক্সপোর্ট বেড়েছে। ধীরে ধীরে বাংলাদেশ আবার আগের জায়গায় আসবে। আমি মনে করি আগামী বছরের মার্চ-এপ্রিল নাগাদ তা পুরোপুরি ঠিক হয়ে যাবে।’  

বাংলাদেশের অর্থনীতি আগামী বছরের মার্চ থেকে এপ্রিলের মধ্যে স্বাভাবিক হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান।

শনিবার সকালে সুনামগঞ্জ জেলা স্টেডিয়ামে দুই দিনব্যাপী কুস্তির উদ্বোধন অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ আশার কথা জানান।

পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, ‘আপনারা পত্র-পত্রিকায় সংবাদ করেছেন রেমিট্যান্স বেড়েছে, এক্সপোর্ট বেড়েছে। ধীরে ধীরে বাংলাদেশ আবার আগের জায়গায় আসবে। আমি মনে করি আগামী বছরের মার্চ-এপ্রিল নাগাদ তা পুরোপুরি ঠিক হয়ে যাবে।’

তিনি বলেন, ‘বর্তমানে বাংলাদেশের অর্থনীতি ভালো, কিন্তু আগে আরও ভালো ছিল। মধ্যে কোভিডের কারণে বিশ্বব্যাপী, মোড়লদের যন্ত্রণায় আমরাও ক্রসফায়ারের মধ্যে পড়ে গিয়েছি। এটি ক্লিয়ার হয়ে যাচ্ছে, সারা বিশ্বে মূল্যস্ফীতি কমে আসতেছে, তেলের দাম কমে আসছে, গ্যাসের দাম কমে আসছে।

‘আমাদের মাঠভরা ধান আছে, হাওরে মাছ আছে, সবজি পাওয়া যাচ্ছে। গেল তিন মাসে আমাদের মূল্যস্ফীতি কিছুটা কমেছে; চলতি মাসেও কমবে। আমার বিশ্বাস, এটি আরও কমবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যে কথাটি বলেছেন, আমাদের অপচয় রোধ করতে হবে। আমরা যারা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কাজ করি, এখন খুব সাবধানে মানুষের প্রকৃত প্রয়োজন অনুযায়ী বিভিন্ন প্রকল্পগুলো নেয়া হচ্ছে। আমাদের ওপর আস্থা রাখেন; আগামী নির্বাচনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ওপর আস্থা রাখুন।’

আরও পড়ুন:
ভারতীয় হাইকমিশনের ইফতারে বিএনপির ৪ নেতা
ডিজিটাল লাইফের ব্যবহারবিধি প্রয়োজন
সংবাদ পাঠক-পাঠিকাদের ‘ব্রেকিং নিউজ’
জমজমাট ঈদের পাঁচফোড়ন
মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস জানাতে ‘লালন করি মুক্তিযুদ্ধ’

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Banks incur huge losses if an institution closes BSEC chairman

কোনো প্রতিষ্ঠান বন্ধ হলে ব্যাংকের বিশাল ক্ষতি হয়: বিএসইসি চেয়ারম্যান

কোনো প্রতিষ্ঠান বন্ধ হলে ব্যাংকের বিশাল ক্ষতি হয়: বিএসইসি চেয়ারম্যান ভেলোর অফ বাংলাদেশ আয়োজিত সিএক্সও সামিটে বক্তব্য দেন বিএসইসি চেয়ারম্যান অধ্যাপক শিবলী রুবাইয়াত-উল-ইসলাম। ছবি: নিউজবাংলা
শিবলী রুবাইয়াত-উল-ইসলাম বলেন, কোনো প্রতিষ্ঠান বন্ধ হলে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয় ব্যাংকিং খাত। কারণ বিভিন্ন ব্যাংকের কাছে তাদের অনেক ঋণ থাকে। তাই বন্ধ হয়ে গেলে সেই ঋণ আর পরিশোধ করা হয় না।

কোনো আর্থিক প্রতিষ্ঠান বা কোম্পানি বন্ধ হওয়ার ঝুঁকি কমাতে ‘গুড ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম’-এর বিকল্প নেই বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক শিবলী রুবাইয়াত-উল-ইসলাম। তিনি বলেছেন, ‘একটি কোম্পানি বন্ধ হয়ে গেলে ক্ষতিগ্রস্ত হয় দেশের সামগ্রিক অর্থনীতি। তবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয় ব্যাংকিং খাত।’

শনিবার রাজধানীর একটি পাঁচ তারকা হোটেলে বাংলাদেশের একমাত্র তথ্য ব্যবস্থাপনা প্ল্যাটফর্ম ভেলোর অফ বাংলাদেশ আয়োজিত ‘সিএক্সও সামিট-২০২২’-এ তিনি এসব কথা বলেন।

বিএসইসি চেয়ারম্যান বলেন, ‘বিভিন্ন ব্যাংকের কাছে শিল্প প্রতিষ্ঠানের অনেক ঋণ থাকে। তাই সেটি বন্ধ হলে সেই ঋণ আর পরিশোধ করা হয় না। এতে ব্যাংকগুলো আর্থিকভাবে বিশাল ক্ষতির মুখে পড়ে। পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানগুলোর অনেক কর্মী বেকার হয়ে পড়েন। এতে তাদের পরিবারও ক্ষতির মুখে পড়ে৷’

সম্মেলনে স্বাগত বক্তব্য দেন ভেলোর অফ বাংলাদেশের চেয়ারম্যান আনিস খান। সামিটে অংশ নেয়ার জন্য তিনি আলোচকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

সামিটে করপোরেট ব্যক্তিত্বদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন গ্রামীণফোনের চিফ এক্সিকিউটিভ অফিসার ইয়াসির আজমান, ইউনিলিভার কনজিউমার কেয়ারের চেয়ারম্যান মাসুদ খান, ইউনিলিভার বাংলাদেশের ব্যবস্থাপনা পরিচালক জাভেদ আকতার, স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এনামুল হক, আকিজ গ্রুপের পরিচালক খুরশিদ আলমসহ দেশীয় ও বহুজাতিক কোম্পানির শীর্ষস্থানীয় ব্যক্তিরা।

সামিটের প্যানেলিস্টগণ জাতীয় অগ্রাধিকার এজেন্ডা এবং কার্যকর সমাধান ও সচেতনতা সৃষ্টির ব্যবস্থা নিয়ে কথা বলেন। এছাড়া বিভিন্ন ব্যবসায়িক মডেল নিয়ে আলোচনা করেন তারা।

উল্লেখ্য, ভেলোর অফ বাংলাদেশ গত আগস্টে ‘স্ট্র্যাটেজি সামিট’-এর আয়োজন করে। এতে মুদ্রাস্ফীতি ও খরচ, জ্বালানি অবকাঠামো, ফরেক্স ম্যাট্রিক্স, আরএমজি এবং ম্যানুফ্যাকচারিং, কৃষি অর্থনীতি, ব্যাংকিং ও ফাইন্যান্স, ডিজিটাল অর্থনীতি বিষয়ে আলোচনা হয়।

আরও পড়ুন:
আর্থিক প্রতিষ্ঠানেও খেলাপি ঋণের পাহাড়
অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগে সোনালী ব্যাংকের ৩ কর্মকর্তা বরখাস্ত
ইসলামী ব্যাংকের ‘অর্থ লোপাট’ নিয়ে রিটের পরামর্শ হাইকোর্টের
বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি আরও কমেছে
‘শক্তিশালী ব্যাংকের’ স্বীকৃতি পেল ইসলামী ব্যাংক

মন্তব্য

p
উপরে