× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ পৌর নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট

বাংলাদেশ
51 arrested in 23 cases of violence in Satkania
hear-news
player
print-icon

সাতকানিয়ায় সহিংসতা, ২৩ মামলায় গ্রেপ্তার ৫১

সাতকানিয়ায়-সহিংসতা-২৩-মামলায়-গ্রেপ্তার-৫১
নিজ কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার এস এম রশিদুল হক। ছবি: নিউজবাংলা
চট্টগ্রাম পুলিশ সুপার এস এম রশিদুল হক জানান, নির্বাচনি সহিংসতায়  এখন পর্যন্ত উপজেলায় ২৩টি মামলায় মোট ৫১ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এর মধ্যে সাতটি নির্বাচনের আগে ও ১৬টি পরবর্তী সময়ে করা।

চট্টগ্রামের সাতকানিয়ায় নির্বাচনি সহিংসতায় এখন পর্যন্ত ২৩ মামলায় ৫১ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

সর্বশেষ খাগরিয়ায় সহিংসতা মামলার দুই আসামিকে অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার করা হয়।

সোমবার দুপুরে নগরীর ২ নম্বর গেট এলাকায় নিজ কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে করে এসব তথ্য জানিয়েছেন চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার এস এম রশিদুল হক।

তিনি বলেন, ‘৭ ফেব্রুয়ারি সপ্তম ধাপের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে সাতকানিয়ার ১৬টি ইউনিয়নে ভোট হয়। ভোট চলাকালে সকাল সোয়া ১০টার দিকে খাগরিয়া ইউনিয়নের ৬ ও ৭ নম্বর ওয়ার্ডে কেন্দ্রের পাশে চেয়ারম্যান প্রার্থীদের সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়।

‘এ সময় সমর্থকরা দা, লাঠি, ছোরা ও বন্দুক নিয়ে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। এতে ওই দুই ওয়ার্ডের কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ স্থগিত করা হয়। এ ঘটনায় সাতকানিয়া থানায় একটি মামলা হয়।’

পুলিশ সুপার জানান, পরবর্তী সময়ে সহিংসতায় জড়িতদের ছবি বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত হলে তাদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তারে অভিযান শুরু করে পুলিশ। এর ধারাবাহিকতায় রোববার রাতে সাতকানিয়ার মাইজপাড়া থেকে সামশুদ্দিন ওরফে নিশানকে গ্রেপ্তার করে গোয়েন্দা পুলিশ।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি ঘটনায় জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন। তার তথ্যের ভিত্তিতে খাগরিয়ার জোড়ারকুল সাচি মিয়ার বাড়ির সাকিবের নির্মাণাধীন ঘর থেকে একটি এলজি উদ্ধার করা হয়।

এ ছাড়া গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সাতকানিয়া থানা পুলিশ সোমবার সকালে খাগরিয়া থেকে জয়নাল আবেদীন ওরফে লেদাইয়াকে গ্রেপ্তার করে। তিনিও সহিংসতায় জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন। তার দেয়া তথ্যমতে, তার বাড়ি থেকে একটি একনলা বন্দুক উদ্ধার করা হয়।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে পুলিশ সুপার বলেন, ‘নির্বাচনি সহিংসতায় এখন পর্যন্ত উপজেলায় ২৩টি মামলায় মোট ৫১ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

‘এর মধ্যে সাতটি মামলা নির্বাচনের আগে ও ১৬টি নির্বাচন-পরবর্তী বিভিন্ন সময়ে করা হয়েছে।’

আরও পড়ুন:
নির্বাচনি সহিংসতায় মৃত্যু: ইউপি সদস্যের নামে মামলা
আট ধাপে গড়ে ভোট পড়েছে ৭২.২০ শতাংশ
প্রতিবেশীদের হাতেই শিশু লিজা হত্যা: পিবিআই
‘ভোটে হেরে’ হামলা, আহত ৫
হুদা কমিশনের শেষ নির্বাচনে ভোট শুরু

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Big screen in the town hall to watch the inauguration ceremony

উদ্বোধন অনুষ্ঠান দেখতে টাউনহলে বড়পর্দা

উদ্বোধন অনুষ্ঠান দেখতে টাউনহলে বড়পর্দা র‌্যালি শেষে কুমিল্লায় সমাবেশে সব শ্রেণি পেশার মানুষ। ছবি: নিউজবাংলা
কুমিল্লা জেলা প্রশাসক কামরুল হাসান বলেন, ‘পদ্মা সেতুর উদ্বোধন আমাদের আরেক বিজয়। সবাই হয়তো অনুষ্ঠানস্থলে গিয়ে উদ্বোধন দেখতে পারবেন না, তাই কুমিল্লাবাসীর জন্য জেলা প্রশাসনের আয়োজনে নগরীর টাউনহলে উদ্বোধন অনুষ্ঠান দেখার ব্যবস্থা করেছি।’

কিছুক্ষণ পরই মুন্সিগঞ্জের মাওয়ায় উদ্বোধন করা হবে স্বপ্নের পদ্মা সেতুর। এ সেতুর সঙ্গে যোগাযোগ ব্যবস্থায় কুমিল্লার তেমন সম্পর্ক না থাকলেও উদ্বোধন উপলক্ষে জেলাবাসীর উচ্ছ্বাস চোখে পড়ার মতো।

শনিবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা জেলা শিল্পকলা একাডেমি থেকে শুরু হয়ে নগরীর প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে টাউনহলে এসে মিলিত হয়। আনন্দ শোভাযাত্রায় সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানসহ বিভিন্ন স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীরা অংশ গ্রহণ করে।

শোভাযাত্রায় নেতৃত্ব দেন কুমিল্লা জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ কামরুল হাসান। এ সময় উপস্থিত ছিলেন পুলিশ সুপার মো. ফারুক আহমেদ, জেলা পরিষদের প্রশাসক রিয়ার এডমিরাল অবসরপ্রাপ্ত আবু তাহের, বীরমুক্তিযোদ্ধা নাজমুল হাসান পাখি, সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী সফিকুর রহমান।

আরও উপস্থিত ছিলেন, কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ ড. আবু খান, কুমিল্লা মহিলা সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর জামাল নাছের, র‌্যাব ১১ এর কোম্পানি কমান্ডার মেজর মোহাম্মদ সাকিব হোসেন, নেত্রী পাপড়ি বসুসহ জেলা ও পুলিশ প্রশাসনের উধর্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ।

এ দিকে সকাল ১০টার দিকে নগরীর টাউনহলে দেখা যায়, পদ্মা সেতু উদ্বোধনের মূল অনুষ্ঠান বড় পর্দায় দেখতে হাজার খানেক মানুষ ভীড় করেছেন।

নিজের রিকশা থামিয়ে টাউনহলের বাইরে থেকে পদ্মা সেতুর উদ্বোধন দেখতে আসা জমির হোসেন জানান তার বাড়ি পিরোজপুর।

জমির বলেন, ‘আমাদের মনে আনন্দের বন্যারে ভাই। পদ্মা সেতুর উদ্বোধনে আমাদের কেমন মনে হচ্ছে বলে বোঝানো যাবে না। এখন আর ফেরির জন্য অপেক্ষা করতে হবে না। সেতুর উপর দিয়া দ্রুত চলে যাবো বাড়ি।’

জেলা প্রশাসক কামরুল হাসান বলেন, ‘পদ্মা সেতুর উদ্বোধন আমাদের আরেক বিজয়। সবাই হয়তো অনুষ্ঠানস্থলে গিয়ে উদ্বোধন দেখতে পারবেন না, তাই কুমিল্লাবাসীর জন্য জেলা প্রশাসনের আয়োজনে নগরীর টাউনহলে উদ্বোধন অনুষ্ঠান দেখার ব্যবস্থা করেছি।

‘আয়োজনে সব শ্রেণি পেশার মানুষের অংশগ্রহণে বলা যায় আজ কুমিল্লার জন্যও আনন্দের দিন।’

আরও পড়ুন:
পদ্মা সেতু উদ্বোধন অনুষ্ঠান বঞ্চিত মুন্সীগঞ্জের এসপি
পদ্মার কাঁঠালবাড়ী প্রান্ত জনসমুদ্র
পদ্মা সেতুর উদ্বোধন অনুষ্ঠানে আবেগাপ্লুত প্রধানমন্ত্রী
আতশবা‌জি‌তে আ‌লো‌কিত কীর্তনখোলা
পদ্মা সেতু উদ্বোধন উপলক্ষে বর্ণিল সাজে নরসিংদী

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Dr Zafarullah in the gathering

সুধী সমাবেশে ডা. জাফরুল্লাহ

সুধী সমাবেশে ডা. জাফরুল্লাহ পদ্মা সেতু উদ্বোধন উপলক্ষে সুধী সমাবেশে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ও ট্রাস্টি জাফরুল্লাহ চৌধুরী। ছবি: বিটিভি থেকে নেয়া
হুইলচেয়ারে করে তিনি সুধী সমাবেশে আসেন। শনিবার সকাল ৮টার দিকে মুন্সীগঞ্জের মাওয়া প্রান্তে সমাবেশস্থলে ডা. জাফরুল্লাহকে দেখা যায়। এ সময় তার পরনে ছিল সাদা-কালো রঙের শার্ট ও খাকি লুঙ্গি।

পদ্মা সেতু উদ্বোধন উপলক্ষে সুধী সমাবেশে যোগ দেন গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ও ট্রাস্টি জাফরুল্লাহ চৌধুরী। হুইলচেয়ারে করে তিনি সুধী সমাবেশে আসেন।

শনিবার সকাল ৮টার দিকে মুন্সীগঞ্জের মাওয়া প্রান্তে সমাবেশস্থলে ডা. জাফরুল্লাহকে দেখা যায়। এ সময় তার পরনে ছিল সাদা-কালো রঙের শার্ট ও খাকি লুঙ্গি।

পদ্মা সেতুর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগ দিতে সকাল ১০টায় মাওয়া প্রান্তে পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

তেজগাঁও বিমানবন্দর থেকে হেলিকপ্টারে শনিবার সকাল সাড়ে ৯টার পর মাওয়ার উদ্দেশে রওনা হন তিনি। সকাল ১০টার দিকে তিনি মাওয়া প্রান্তে পৌঁছান।

প্রধানমন্ত্রী মাওয়ায় যোগ দেন সুধী সমাবেশে। রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ সাড়ে তিন হাজার নাগরিককে আমন্ত্রণ জানানো হয় এই সমাবেশে। ভোর সাড়ে ৬টা থেকে শুরু হয় অতিথিদের আগমন।

ফুরিয়ে এলো ক্ষণগণনার পালা। আর অল্প সময়ের মধ্যে বহুল প্রতীক্ষার পদ্মা সেতুর উদ্বোধন ঘোষণা করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

উচ্ছ্বাসে মুখর গোটা মাওয়া প্রান্ত। অপেক্ষার অবসান হলো বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার আগমনের মধ্য দিয়ে।

দুর্নীতিচেষ্টার মিথ্যে অভিযোগ এনে পদ্মা সেতুর অর্থায়ন থেকে বিশ্বব্যাংকের সরে দাঁড়ানোর ঘোষণার পর নিজস্ব অর্থায়নের এই সেতু নির্মাণের ঘোষণা দিয়েছিলেন বঙ্গবন্ধুকন্যা। তার নেতৃত্বেই নির্মিত হয়েছে সেতুটি। আজ তার হাত ধরেই খুলে যাবে সেতুটি।

এর মধ্য দিয়ে দক্ষিণাঞ্চল সরাসরি যুক্ত হচ্ছে রাজধানীর সঙ্গে।

সুধী সমাবেশ শেষে বেলা ১১টার দিকে স্মারক ডাকটিকিট, স্যুভেনির শিট, উদ্বোধনী খাম ও সিলমোহর অবমুক্ত করবেন সরকারপ্রধান। পদ্মা সেতু নির্মাণসংশ্লিষ্টদের সঙ্গে ফটোসেশনে অংশ নেয়ার কথাও রয়েছে তার।

বেলা ১১টা ১২ মিনিটে টোল দিয়ে মুন্সীগঞ্জের মাওয়া প্রান্তে সেতুর উদ্বোধনী ফলক ও ম্যুরাল-১ উন্মোচন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এরপর ১১টা ২৩ মিনিটের দিকে পদ্মা সেতু পাড়ি দেবেন বঙ্গবন্ধুকন্যা। ওই সময় কিছুক্ষণের জন্য গাড়ি থেকে নেমে সেতুতে পায়চারি করতে পারেন তিনি।

বেলা ১১টা ৪৫ মিনিটে শরীয়তপুরের জাজিরা প্রান্তে পৌঁছেই পদ্মা সেতুর আরেকটি উদ্বোধনী ফলক ও ম্যুরাল-২ উন্মোচন করবেন প্রধানমন্ত্রী। এরপর কাঁঠালবাড়ীর ইলিয়াছ আহমেদ চৌধুরী ফেরিঘাটে আওয়ামী লীগের জনসভায় দলপ্রধান হিসেবে যোগ দেবেন শেখ হাসিনা।

আরও পড়ুন:
পদ্মা সেতু উদ্বোধন উপলক্ষে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা
নিরাপত্তার চাদরে পদ্মা সেতুর মাওয়া প্রান্ত
পদ্মাপাড়ে বৃষ্টির ছাট
পদ্মা সেতু উদ্বোধন অনুষ্ঠান বঞ্চিত মুন্সীগঞ্জের এসপি

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Today is the day of release of Abbas Uddin

আব্বাস উদ্দিনের ‘মুক্তির দিন’

আব্বাস উদ্দিনের ‘মুক্তির দিন’ পদ্মা সেতুর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগ দিতে এসেছেন বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্বাস উদ্দিন। ছবি; নিউজবাংলা
বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্বাস উদ্দিন বলেন, ‘আমার কাছে এই বিজয় ঈদের আনন্দের চেয়ে কম নয়। সারা জীবন ঘাটে এসে অনেক দুর্ভোগ পোহাতে হয়েছে। এই দুর্ভোগ থেকে মুক্তির দিন আজ। এমন দিনে আসনে না পারলে মনে দুঃখ থেকে যেত। এখন মনে হয় পরিপূর্ণতা পেয়েছে।’

খুলনা থেকে মাদারীপুরের বাংলাবাজার ঘাটে পদ্মা সেতুর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগ দিতে এসেছেন বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্বাস উদ্দিন। বয়স ৭০ ছুঁই ছুঁই।

শনিবার সকাল ৮টার দিকে কথা হয় তার সঙ্গে। তিনি বলেন, ‘আমি সারা রাত ঘুমাতে পারে নাই। কখন আসব, আর মুক্তির গান শুনব।’

আর কিছু মুহূর্ত। এরপরই বর্ণিল আয়োজনে উন্মোচিত হবে দেশের সক্ষমতার প্রতীক পদ্মা সেতুর।

এই দিনটি বীর মুক্তিযোদ্ধার কাছে মুক্তির দিন। আর এমন দিনে না আসলে আক্ষেপ থেকে যেত আজীবন। তাই এখানে আসতে পেরে উচ্ছ্বসিত বীর মুক্তিযোদ্ধা। যে উচ্ছ্বাস তার কাছে ঈদের আনন্দের চেয়েও কম নয়।

তিনি বলেন, ‘আমার কাছে এই বিজয় ঈদের আনন্দের চেয়ে কম নয়। সারা জীবন ঘাটে এসে অনেক দুর্ভোগ পোহাতে হয়েছে। এই দুর্ভোগ থেকে মুক্তির দিন আজ। এমন দিনে আসনে না পারলে মনে দুঃখ থেকে যেত। এখন মনে হয় পরিপূর্ণতা পেয়েছে। আর কয় দিনই বাঁচব। যে কয় দিন আসি, সেই কয় দিন শান্তিতে পার হতে পারব।’

তিনি আরও বলেন, ‘পদ্মা সেতু ঘোষণার দিন থেকেই ইচ্ছে ছিল প্রধানমন্ত্রীকে দেখতে আসব। শুক্রবারই আসার ইচ্ছে ছিল। কিন্তু পরিবারের লোকজন আসতে দেয় নাই। পরে রাত ৩টার দিকে গাড়িতে করে রওনা দেই। সকাল ৭টায় শিবচর উপজেলার পাচ্চর নামিয়ে দেয়। পরে প্রায় ৫ কিলোমিটার পায়ে হেঁটে সভামঞ্চের কাছে এসেছি।’

তিনি আরও বলেন, ‘এখন শান্তি পাচ্ছি। প্রশাসনের ভাইরা খুব সহযোগিতা করছে, না হলে মঞ্চের কাছে আসতে পারতাম না।’

আরও পড়ুন:
আতশবা‌জি‌তে আ‌লো‌কিত কীর্তনখোলা
পদ্মা সেতু উদ্বোধন উপলক্ষে বর্ণিল সাজে নরসিংদী
স্বপ্নসেতুর দুয়ার খোলার অপেক্ষা
আলো ফোটার সঙ্গে সঙ্গে জনসভায় যাত্রা
পুকুরে পদ্মার আদলে সেতু

মন্তব্য

বাংলাদেশ
I am also going to thank the Prime Minister

‘আমিও যাইতাছি প্রধানমন্ত্রীরে ধন্যবাদ দিতে’

‘আমিও যাইতাছি প্রধানমন্ত্রীরে ধন্যবাদ দিতে’
রেজা শামিম বলেন, ‘আমরা নতুন প্রজন্ম স্বাধীনতার বিজয় দেখিনি কিন্তু পদ্মা বিজয়ের উৎসব দেখছি। আমাদের জন্মান্তরের ভোগান্তি লাঘব হবে। পদ্মা সেতু উপহার দেয়ায় সড়কের ভোগান্তির তোয়াক্কা না করে প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ দিতে যাচ্ছি।’

‘আমাগো আর গাঙ্গে ডুইববা মরতে অইবো না। লঞ্চ ডুইবা আমি পোলারে হারাইছি। এই দিনে পোলাডারে মনে পারতাছে। আর কয় বছর আগে সেতুডা হইলে পোলাডা হয়ত জীবিত থাকত। আইজ এই দিনে আমি ঘরে বিয়া থাকতে পারি? বয়স ওইছে তো কী হইছে। আমিও যাইতাছি প্রধানমন্ত্রীরে ধন্যবাদ দিতে।’

কথাগুলো বলছিলেন ৬৫ ঊর্ধ্ব আমজাদ হোসেন। পদ্মা সেতুর উদ্বোধন অনুষ্ঠানে যে কোনো মূল্য সামিল হতে চান তিনি। তাই তো পথের ক্লান্তি আর বয়সের ভার তোয়াক্কা না করে তিনি যোগ দিয়েছেন বিজয় মিছিলে, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ধন্যবাদ দিতে।

শুধু আমজাদ হোসেন নন, বিজয় মিছিলে সমাবেত হয়েছেন শত শত মানুষ। জেলা শহর থেকে মোটরসাইকেল, বাস, ট্রাক, ভ্যানসহ বিভিন্ন যানবাহনে করে তারা ছুটছেন সমাবেশস্থল কাঁঠালবাড়ির পানে। আর যারা যানবাহন পাননি তারাও বসে নেই। হেঁটে ৩৫ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ দিতে রওনা করেছেন অনেকে।

তাদেরই একজন রেজা শামিম। তিনি নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আমরা নতুন প্রজন্ম স্বাধীনতার বিজয় দেখিনি কিন্তু পদ্মা বিজয়ের উৎসব দেখছি। আমাদের জন্মান্তরের ভোগান্তি লাঘব হবে। পদ্মা সেতু উপহার দেয়ায় সড়কের ভোগান্তির তোয়াক্কা না করে প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ দিতে যাচ্ছি।’

জাজিরা টিঅ্যান্ডটি মোড় থেকে কাঁঠালবাড়ি পর্যন্ত ১৭ কিলোমিটার সড়ক জুড়ে যানবাহনের দীর্ঘ সারি তৈরি হয়েছে। সমাবেশে যোগ দিতে শহর থেকে ৩ হাজার মোটরসাইকেল নিয়ে ছুটছে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা। উৎসবে যোগ দিতে লঞ্চ ও ট্রলারে করে আসছেন ভেদেরগঞ্জ নড়িয়া, সখিপুর ও চরাঞ্চলের মানুষ।


‘আমিও যাইতাছি প্রধানমন্ত্রীরে ধন্যবাদ দিতে’


শহর থেকে কাঁঠালবাড়ি পর্যন্ত ছেয়ে গেছে পদ্মা সেতু, প্রধানমন্ত্রী ও বঙ্গবন্ধুর ছবি সম্বলিত ব্যানার ফেস্টুনে। শরীয়তপুর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অনল কুমার দে নিউজবাংলাকে বলেন, ‘পদ্মা বিজয়ের উৎসব পালন করছি আমরা। ৩ লাখ মানুষ সড়ক ও নৌপথে শেখ হাসিনার জনসভায় যোগ দিতে জেলা থেকে কাঁঠালবাড়ি এসেছে।’

পদ্মা সেতুর উদ্বোধনকে কেন্দ্র করে বর্ণিল সাজে সেজেছে শরীয়তপুর শহর। শহরের প্রতিটি সড়কে আলোকসজ্জা করা হয়েছে। বাদ পড়েনি সরকারি বেসরকারি বিভিন্ন স্থাপনাও। জেলাব্যাপী শুরু হয়েছে ৩ দিনের বিজয় উৎসব।

আরও পড়ুন:
পদ্মা সেতু উদ্বোধন অনুষ্ঠান বঞ্চিত মুন্সীগঞ্জের এসপি
পদ্মার কাঁঠালবাড়ী প্রান্ত জনসমুদ্র
পদ্মা সেতুর উদ্বোধন অনুষ্ঠানে আবেগাপ্লুত প্রধানমন্ত্রী
আতশবা‌জি‌তে আ‌লো‌কিত কীর্তনখোলা
পদ্মা সেতু উদ্বোধন উপলক্ষে বর্ণিল সাজে নরসিংদী

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Colorful procession on the occasion of inauguration of Padma Bridge

পদ্মা সেতু উদ্বোধন উপলক্ষে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা

পদ্মা সেতু উদ্বোধন উপলক্ষে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা পদ্মা সেতুর উদ্বোধন উপলক্ষে মানিকগঞ্জে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়। ছবি: নিউজবাংলা
মানিকগঞ্জ জেলা প্রশাসক মুহাম্মদ আব্দুল লতিফ বলেন, ‘পদ্মা সেতু আমাদের গর্ব। কারণ নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মা সেতু আমরা নির্মাণ করতে পেরেছি। বিশ্বকে আমরা আমাদের সক্ষমতার কথা জানিয়ে দিলাম। আমরা পিছিয়ে নেই, আমরাও এগিয়ে যাচ্ছি।’

পদ্মা সেতুর উদ্বোধন উপলক্ষে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার সকাল ৯টার দিকে মানিকগঞ্জ সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠ থেকে শোভাযাত্রাটি বের হয়ে শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে একই স্থানে গিয়ে শেষ হয়। পরে সেখানে সংক্ষিপ্ত আলোচনাসভার আয়োজন করা হয়।

জেলা প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসনসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের আয়োজনে শোভাযাত্রায় সরকারি-বেসরকারি কর্মকর্তা ছাড়াও স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করেন।

শোভাযাত্রায় জেলা প্রশাসক মুহাম্মদ আব্দুল লতিফ, পুলিশ সুপার মুহাম্মদ গোলাম আজাদ খান, সিভিল সার্জন মোয়াজ্জেম আলী খান চৌধুরী, র‌্যাব-৪-এর লেফটেন্যান্ট কোম্পানি কমান্ডার মো. আরিফ হোসেন, পৌর মেয়র মো. রমজান আলী, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট গোলাম মহিউদ্দীন ও সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সালামসহ অন্যরা উপস্থিত ছিলেন।

সভায় জেলা প্রশাসক মুহাম্মদ আব্দুল লতিফ বলেন, ‘পদ্মা সেতু আমাদের গর্ব। কারণ নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মা সেতু আমরা নির্মাণ করতে পেরেছি। বিশ্বকে আমরা আমাদের সক্ষমতার কথা জানিয়ে দিলাম। আমরা পিছিয়ে নেই, আমরাও এগিয়ে যাচ্ছি।’

আরও পড়ুন:
আতশবা‌জি‌তে আ‌লো‌কিত কীর্তনখোলা
পদ্মা সেতু উদ্বোধন উপলক্ষে বর্ণিল সাজে নরসিংদী
স্বপ্নসেতুর দুয়ার খোলার অপেক্ষা
আলো ফোটার সঙ্গে সঙ্গে জনসভায় যাত্রা
পুকুরে পদ্মার আদলে সেতু

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Munshiganj SP deprived of Padma bridge inauguration ceremony

পদ্মা সেতু উদ্বোধন অনুষ্ঠান বঞ্চিত মুন্সীগঞ্জের এসপি

পদ্মা সেতু উদ্বোধন অনুষ্ঠান বঞ্চিত মুন্সীগঞ্জের এসপি
এসপি মোমেন বলেন, ‘সন্ধ্যা ৬টার দিকে জানতে পারি আমার করোনা পজিটিভ। তাই হোম আইসোলেশনে আছি। তবে যেহেতু জেলার আইনশৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর দায়িত্বে আছি, তাই ঘরে থেকেও কাজ করছি।’

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ায় পদ্মা সেতুর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে থাকতে পারছেন না মুন্সীগঞ্জের পুলিশ সুপার আব্দুল মোমেন।

শুক্রবার বিকেল ৬টায় আব্দুল মোমেনের করোনা পরীক্ষার ফল পজিটিভ আসে।

সেতুর উদ্বোধন অনুষ্ঠানে যারা অংশ নেবেন তাদের সবার করোনা পরীক্ষা বাধ্যতামূলক হওয়ায় অনুষ্ঠানের ৪৮ ঘণ্টা আগে নমুনা পাঠান এসপি।

এসপি মোমেন বলেন, ‘সন্ধ্যা ৬টার দিকে জানতে পারি আমার করোনা পজিটিভ। তাই হোম আইসোলেশনে আছি। তবে যেহেতু জেলার আইনশৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর দায়িত্বে আছি, তাই ঘরে থেকেও কাজ করছি।

‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা স্বপ্নের পদ্মা সেতুর উদ্বোধন করবেন। এই অনুষ্ঠানে থাকতে পারলে পরিপূর্ণ পরিতৃপ্তি পেতাম।’

আরও পড়ুন:
পুকুরে পদ্মার আদলে সেতু
পদ্মা সেতুর খরচ উঠতে কতদিন লাগবে?
পদ্মার পারে খুলনার ৫০ হাজার মানুষ
১২ হাজার মানুষ নিয়ে পদ্মা সেতু অভিমুখে এমপি শাওন
মাহেন্দ্রক্ষণের প্রতীক্ষা

মন্তব্য

বাংলাদেশ
A case of clash between two groups of A League

আ.লীগের দুই গ্রুপে সংঘর্ষের ঘটনায় মামলা

আ.লীগের দুই গ্রুপে সংঘর্ষের ঘটনায় মামলা আ.লীগের দুই গ্রুপে সংঘর্ষের ঘটনায় মামলার পর তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ছবি: নিউজবাংলা
সাবেক সংসদ সদস্য সোহরাবের অনুসারী ফরিদ বলেন, ‘এই মামলা বর্তমান এমপি নূর মোহাম্মদের ইশারায় হয়েছে। এমপি তার ক্ষমতার অপব্যবহার করেছেন। আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন করতে গিয়ে নিজেরা হামলার শিকার হলাম আবার মামলাও খেলাম।’

কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়ায় আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে দলটির দুই গ্রপের সংঘর্ষের ঘটনায় ৫৬ জনকে আসামি করে মামলা হয়েছে।

পাকুন্দিয়া উপজেলার ষাইটকাহন গ্রামের সাইফুল ইসলাম জাফরুল শুক্রবার বিকেলে ৩১ জনের নামসহ অজ্ঞাতপরিচয় ২৫ জনকে আসামি করে মামলা করেন।

মামলার প্রধান আসামি পাকুন্দিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক ফরিদ উদ্দিনের দাবি, এ ঘটনার সঙ্গে তাদের কোনো সম্পৃক্ততা নেই। স্থানীয় সংসদ সদস্যকে খুশি করতে মামলার আসামি করা হয়েছে।

স্থানীয়রা জানান, কিশোরগঞ্জ-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য সোহরাব উদ্দিন ও বর্তমান সংসদ সদস্য সাবেক আইজিপি নূর মোহাম্মদ গ্রুপের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরেই বিবাদ চলছে। যেকোনো অনুষ্ঠানেই তাদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর দিনও আধিপত্য বিস্তারের জেরে দুই গ্রুপের সংঘর্ষে সাংবাদিকসহ অন্তত ৩০ জন আহত হয়েছেন।

মামলার বরাতে পাকুন্দিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সারোয়ার জাহান নিউজবাংলাকে জানান, গত বৃহস্পতিবার বিকেলে পুলেরঘাট বাজারে আওয়ামী লীগের দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এরপর ফরিদ উদ্দিনের নির্দেশে সাইফুল ইসলাম জাফরুলের বাড়িতে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা ও ভাঙচুর চালানো হয়।

সাইফুলের বাড়িতে একটি এনজিওর অফিস আছে। ওই এনজিওর দুই কর্মীকেও মারধর করা হয়। পাশের বাড়িতেও হামলা চালিয়ে টাকা ও স্বর্ণালংকার লুট করে হামলাকারীরা।

এরপর বাড়িঘরে হামলা, ভাঙচুর, এনজিওকর্মীদের মারধর ও শ্লীলতাহানির অভিযোগে মামলা করেন সাইফুল।

ওসি বলেন, ‘মামলার পরপরই কালু, শামীম ও জীবন নামের তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বাকিদেরও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।’

সাবেক সংসদ সদস্য সোহরাবের অনুসারী ফরিদ বলেন, ‘এই মামলা এমপি নূর মোহাম্মদের ইশারায় হয়েছে। মামলার বাদী এজাহারে লিখেছেন, পূর্ব শত্রুতার জেরে আমার হুকুমে তার বাড়িতে হামলা করা হয়। অথচ আমি বাদীকেও চিনি না, তার বাড়িও চিনি না।

‘এখানে এমপি নূর মোহাম্মদ তার ক্ষমতার অপব্যবহার করেছেন। আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন করতে গিয়ে নিজেরা হামলার শিকার হলাম আবার মামলাও খেলাম। আমাদের অনেকে আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। এরই মধ্যে অসহায় দিনমজুর লোকদের আসামি করা হয়েছে।’

ফরিদের দাবি, ‘যাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে তাদের কেউ এই ঘটনার সঙ্গে সম্পৃক্ত নন। এমপিকে খুশি করতে গিয়ে পুলিশ তাড়াহুড়া করে যাকে সামনে পেয়েছে তাকেই গ্রেপ্তার করেছে।’

আরও পড়ুন:
বালু ব্যবসা নিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ১২
ফেরি দুর্ঘটনা: খোকনের মরদেহ বাবার হাতে
ঘুমাচ্ছিলেন ফেরির মাস্টার
পদ্মায় দুই ফেরির সংঘর্ষ তদন্তে কমিটি
দুই ফেরির সংঘর্ষ, গাড়িচাপায় যুবক নিহত

মন্তব্য

p
ad-close 20220623060837.jpg
উপরে