× হোম রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া সিটিজেন জার্নালিজম বিচিত্র ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য আফগানিস্তান ১৫ আগস্ট কী-কেন স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও যৌনতা-প্রজনন ইউরোপ অন্যান্য উদ্ভাবন প্রবাসী আফ্রিকা ক্রিকেট শারীরিক স্বাস্থ্য আমেরিকা দক্ষিণ এশিয়া সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ মানসিক স্বাস্থ্য ব্লকচেইন অন্যান্য ভাষান্তর ফুটবল অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
The Election Commission has been vacant four times
google_news print-icon

নির্বাচন কমিশন ফাঁকা এ নিয়ে চারবার

নির্বাচন-কমিশন-ফাঁকা-এ-নিয়ে-চারবার
রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবন। ফাইল ছবি
কে এম নুরুল হুদা কমিশনের মেয়াদ শেষ হওয়ার প্রায় দুই মাস বাকি থাকতে ডিসেম্বরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সংলাপ শুরু করেন রাষ্ট্রপতি। এই সময়ের মধ্যেও নতুন কমিশন গঠন করতে না পারার একটি কারণ সংলাপে বেশির ভাগ দলের প্রস্তাব অনুযায়ী নির্বাচন কমিশন আইন প্রণয়ন।

কে এম নুরুল হুদার নেতৃত্বাধীন নির্বাচন কমিশনের মেয়াদ শেষ হতে চললেও নতুন কমিশন কবে দায়িত্ব নেবে, সে বিষয়টি পুরোপুরি অনিশ্চিত। সোমবার মেয়াদ শেষ হওয়ার পর কমিশন শূন্য হয়ে যাচ্ছে।

কমিশনে এই শূন্য অবস্থা খানিকটা অস্বাভাবিক ঠেকলেও নির্বাচন কমিশনের অতীত ইতিহাস বিবেচনায় নিলে এটি একেবারে বিরল নয়। এখন পর্যন্ত যে ১২টি নির্বাচন কমিশন গঠন করা হয়েছে, তার মধ্যে তিনটি গঠন হয়েছে আগের কমিশনের মেয়াদ শেষ হওয়ার পড়ে।

বিদায়ের ক্ষণ গুনতে থাকা কে এম নুরুল হুদাও সিইসি হিসেবে দায়িত্ব নেন আগের সিইসি রকিবউদ্দীন আহমদের দায়িত্ব ছাড়ার ৬ দিন পর। এর আগে এম এ সাঈদ ও এ টি এম শামসুল হুদাও আগের সিইসির মেয়াদ শেষের কিছুদিন পরে দায়িত্ব নেন।

নির্বাচন কমিশনের সব পদই সাংবিধানিক, তবে মেয়াদ শেষের পরও ফাঁকা থাকায় সাংবিধানিক সংকট বা শূন্যতা তৈরি হয় না বলে জানিয়েছেন সংবিধান বিশেষজ্ঞ ও আইনজীবীরা।

ব্যাখ্যায় তারা বলছেন, নির্বাচন কমিশনের মূল দায়িত্ব নির্বাচন পরিচালনা করা। এই সময়ে কোনো নির্বাচনের সূচি নেই। নুরুল হুদার নেতৃত্বাধীন কমিশন সব নির্ধারিত ভোট শেষ করে গেছে। ফলে নতুন কমিশনের দায়িত্ব গ্রহণে কয়েকটি দিন দেরি হলে তেমন কোনো সমস্যা হবে না। এ সময়ে কমিশনের নিয়মিত কাজগুলো করে যাবে কমিশন সচিবালয়।

কে এম নুরুল হুদা কমিশনের মেয়াদ শেষ হওয়ার প্রায় দুই মাস বাকি থাকতে ডিসেম্বরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সংলাপ শুরু করেন রাষ্ট্রপতি। এ সময়ের মধ্যেও নতুন কমিশন গঠন করতে না পারার একটি কারণ সংলাপে বেশির ভাগ দলের প্রস্তাব অনুযায়ী নির্বাচন কমিশন আইন প্রণয়ন।

জাতীয় সংসদে এই আইন করার পর তার আলোকে নতুন কমিশন গঠনে করা হয়েছে সার্চ কমিটি। এ কমিটি কমিশনার হিসেবে নাম চাওয়ার পর তিন শতাধিক জনের নামের প্রস্তাব জমা পড়েছে। এখন সার্চ কমিটি বিশিষ্টজনদের সঙ্গে আলোচনায় বসে তাদের কর্মকৌশল ঠিক করছে।

এই সার্চ কমিটি কাজ শেষ করতে সময় পাচ্ছে ২৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। এর মধ্যে তারা ১০ জনের নাম রাষ্ট্রপতির হাতে তুলে দিতে চাইছে। তারপর সিইসিসহ অন্য কমিশনারদের নিয়োগ দেবেন রাষ্ট্রপতি।

অর্থাৎ এবার অন্তত দুই সপ্তাহের মতো ফাঁকা থাকতে পারে নির্বাচন কমিশন।

এর আগে তিনবার কমিশন ফাঁকা থাকার যে ঘটনা ঘটেছে, তার মধ্যে সর্বোচ্চ ১৫ দিন কেউ পদে ছিলেন না ২০০০ সালে।

অষ্টম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে ২০০০ সালের ৮ মে সিইসি হিসেবে মোহাম্মদ আবু হেনা দায়িত্ব ছাড়ার পর তার স্থলাভিষিক্ত হন এম এ সাইদ। তিনি দায়িত্ব নিয়েছিলেন ওই বছরের ২৩ মে। মাঝে সিইসির পদ শূন্য ছিল ১৫ দিন।

২০০৬ সালের শেষে নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচন করতে বিচারপতি এম এ আজিজের নেতৃত্বাধীন নির্বাচন কমিশন দায়িত্ব নিলেও ভোট করতে পারেনি। এক দফা পিছিয়ে ভোটের তারিখ ২০০৭ সালের ২২ জানুয়ারি পুনর্নির্ধারণ করা হয়।

এর ১১ দিন আগে ১১ জানুয়ারি জারি করা হয় জরুরি অবস্থা। দায়িত্ব নেয় সেনা সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার।

এ সরকারের আমলে নির্বাচন কমিশন পুনর্গঠন হলে আগের কমিশনের সবাই একে একে দায়িত্ব ছাড়েন।

২০০৭ সালের ২১ জানুয়ারি সিইসি পদ থেকে সরে দাঁড়ান বিচারপতি এম এ আজিজ। জ্যেষ্ঠতার বিচারে নির্বাচন কমিশনার বিচারপতি মাহফুজুর রহমান আসেন ভারপ্রাপ্ত সিইসির দায়িত্বে, তবে ৩১ জানুয়ারি এম এ আজিজের পথ ধরেন কমিশনের অপর ৫ সদস্য।

৪ দিন কমিশন শূন্য থাকার পর ২০০৭ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি সিইসির দায়িত্ব পান এ টি এম শামসুল হুদা। তিনি নির্বাচন কমিশনার পদে সঙ্গী হিসেবে পান ছহুল হোসাইনকে, তবে ওই কমিশনের অপর সদস্য সাবেক সেনা কর্মকর্তা এম সাখাওয়াত হোসেন যোগ দেন ১৪ ফেব্রুয়ারি। দায়িত্ব গ্রহণের দিন থেকে ঠিক ৫ বছর দায়িত্ব পালন করেন তাদের প্রত্যেকেই।

এই কমিশনের মেয়াদ শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে দায়িত্ব গ্রহণ করে সার্চ কমিটির মাধ্যমে প্রথমবার গঠন করা হয় নির্বাচন কমিশন। ২০১২ থেকে ২০১৭ মেয়াদকাল শেষে কাজী রকিবউদ্দীন আহমদ কমিশনের ৪ জন বিদায় নেন ২০১৭ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি। অপর এক সদস্যের মেয়াদ শেষ হয় ১৪ ফেব্রুয়ারি।

২০১৭ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি কে এম নুরুল হুদার নেতৃত্বাধীন ৫ সদস্যের কমিশনারদের নিয়োগ দেন রাষ্ট্রপতি। পুরো কমিশন এক দিনেই দায়িত্ব গ্রহণ করে। এর মধ্যে সিইসি হিসেবে রকিবউদ্দীনের বিদায়ের ৬ দিন পর যোগ দেন নুরুল হুদা।

সংকট নেই

কমিশনের মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে নতুন কমিশন চূড়ান্ত না হওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মনজিল মোরসেদ নিউজবাংলাকে বলেন, ‘যদি একটা নির্বাচনের সিদ্ধান্ত নেয়া প্রয়োজন হয়, কিন্তু কমিশন না থাকায় সেই সিদ্ধান্ত নেয়া যাচ্ছে না, তখন ভ্যাকুয়াম হবে। আর নরমালি কমিশনের যে সিদ্ধান্তগুলো আছে, সেগুলোর জন্য তো কমিশন সেক্রেটারিয়েট আছে। ধরা যাক, মার্চের ১ তারিখ নির্বাচনের সিদ্ধান্ত নেয়া আছে। তাহলে সেটা কমিশন সচিবালয় করে ফেলবে।’

আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেন, ‘সংবিধানে কিংবা আইনে এ ধরনের শূন্যতার কথা নাই। সোমবার বর্তমান কমিশনের মেয়াদ পূর্ণ হচ্ছে। নির্বাচন কমিশন গঠনে একটু বিলম্ব হলেও আইনে শূন্যতা হিসেবে গণ্য হবে না।’

নতুন কমিশন নিয়োগ দেয়ার আগে বর্তমান কমিশনের পক্ষে দায়িত্ব পালন করে যাওয়া সম্ভব কি না, এই প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘না, তারা সেটা পারবেন না। কারণ সংবিধানে সুনির্দিষ্টভাবে বলা আছে, তারা পাঁচ বছর দায়িত্ব পালন করবেন। পাঁচ বছর শেষ হয়ে গেলে এমন কথা নাই যারা স্থলাভিষিক্ত হবেন, তারা না আসা পর্যন্ত কারা দায়িত্বে থাকবেন।’

এই সময়ে ‘ইলেকশন কমিশন বন্ধ হয়ে যাবে না’ বলেও জানান মন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘সচিবালয় অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ দায়িত্ব পালন করবে। নতুন নির্বাচন কমিশন এলেই কোনো নির্বাচনের বিষয়ে পদক্ষেপ নিতে পারবে।’

সিইসি পদে ছিলেন যারা

স্বাধীনতার পর এখন পর্যন্ত প্রধান নির্বাচন কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন ১২ জন। আর নির্বাচন কমিশনারের দায়িত্ব পালন করেছেন ২৭ জন।

৭ জুলাই ১৯৭২ থেকে ৭ জুলাই ১৯৭৭ পর্যন্ত সিইসি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন বিচারপতি মো. ইদ্রিস।

৮ জুলাই ১৯৭৭ থেকে ১৭ ফেব্রুয়ারি ১৯৮৫ পর্যন্ত সিইসি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন বিচারপতি এ কে এম নুরুল ইসলাম।

১৭ ফেব্রুয়ারি ১৯৮৫ থেকে ১৭ ফেব্রুয়ারি ১৯৯০ পর্যন্ত সিইসি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন বিচারপতি চৌধুরী এ টি এম মাসুদ।

১৭ ফেব্রুয়ারি ১৯৯০ থেকে ২৪ ডিসেম্বর ১৯৯০ পর্যন্ত সিইসি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন বিচারপতি সুলতান হোসেন খান।

২৫ ডিসেম্বর ১৯৯০ থেকে ১৮ এপ্রিল ১৯৯৫ পর্যন্ত সিইসি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন বিচারপতি আব্দুর রউফ।

২৭ এপ্রিল ১৯৯৫ থেকে ৬ এপ্রিল ১৯৯৬ পর্যন্ত সিইসি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন বিচারপতি এ কে এম সাদেক।

৯ এপ্রিল ১৯৯৬ থেকে ৮ মে ২০০০ সাল পর্যন্ত সিইসি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন মোহাম্মদ আবু হেনা।

২৩ মে ২০০০ থেকে ২২ মে ২০০৫ সাল পর্যন্ত সিইসি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন এম এ সাইদ।

২৩ মে ২০০৫ থেকে ২১ জানুয়ারি ২০০৭ সাল পর্যন্ত সিইসি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন বিচারপতি এম এ আজিজ।

৫ ফেব্রুয়ারি ২০০৭ থেকে ৫ ফেব্রুয়ারি ২০১২ সাল পর্যন্ত সিইসি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন এ টি এম শামসুল হুদা।

৯ ফেব্রুয়ারি ২০১২ থেকে ৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ সাল পর্যন্ত সিইসি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন কাজী রকিবউদ্দীন আহমদ।

১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ থেকে ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২২ সাল পর্যন্ত সিইসি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন কে এম নুরুল হুদা।

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Urge to prevent black money and corruption proposal to scrap Rs 1000 and Rs 500 notes in Parliament

কালোটাকা ও দুর্নীতি প্রতিরোধের তাগিদ: সংসদে ১০০০ ও ৫০০ টাকার নোট বাতিলের প্রস্তাব

কালোটাকা ও দুর্নীতি প্রতিরোধের তাগিদ: সংসদে ১০০০ ও ৫০০ টাকার নোট বাতিলের প্রস্তাব

বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের দুর্নীতিবাজদের জমানো অপ্রদর্শিত অর্থ ব্যাংকিং ব্যবস্থায় ফেরাতে, মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ এবং কালো টাকার উৎস বন্ধ করতে দেশে প্রচলিত ৫০০ ও ১০০০ টাকার নোট বাতিল করার দাবি জানিয়েছেন সরকারদলীয় সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকন। একই সঙ্গে তিনি দেশে প্রয়োজনের তুলনায় অতিরিক্ত ব্যাংক রয়েছে উল্লেখ করে ব্যাংকের সংখ্যা কমানোরও আহ্বান জানান।

রোববার (২৮ জুন) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় ও প্রথম বাজেট অধিবেশনের ১৭তম দিনে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

মাহবুব উদ্দিন খোকন বলেন, অনেক মানুষ ব্যাংকে টাকা না রেখে ঘরে নগদ অর্থ সংরক্ষণ করছেন। যারা দেশ ছেড়ে পালিয়েছেন, তারাও বিপুল পরিমাণ নগদ অর্থ রেখে গেছেন। এই অবস্থায় ৫০০ ও ১০০০ টাকার নোট আগামী এক থেকে দুই মাসের মধ্যে ব্যাংকে জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হলে সেই বিপুল অর্থ স্বয়ংক্রিয়ভাবে ব্যাংকিং ব্যবস্থায় ফিরে আসবে।

তিনি আরও বলেন, যাদের টাকার বৈধ উৎস দেখানোর সুযোগ নেই, তারা নির্দিষ্ট হারে—২০ থেকে ২৫ শতাংশ—কর দিয়ে সেই অর্থ বৈধ করার সুযোগ পেতে পারেন। এতে বিপুল পরিমাণ অর্থ ব্যাংকে ফিরে আসবে, বিনিয়োগ বাড়বে এবং অর্থনীতিতে অর্থের প্রবাহ বৃদ্ধি পাবে।

দেশে প্রয়োজনের তুলনায় অনেক বেশি ব্যাংক রয়েছে উল্লেখ করে এই সংসদ সদস্য বলেন, ‘এমপি হলেই একটা ব্যাংক লাগবে, নেতা হলেই একটা লিজিং কোম্পানি লাগবে—এই সংস্কৃতি বন্ধ করতে হবে। দেশে এত ব্যাংকের প্রয়োজন নেই। জনগণের টাকা দিয়ে এখন দুর্বল ব্যাংকগুলোকে জোর করে টিকিয়ে রাখা হচ্ছে।’ তাই ব্যাংকের সংখ্যা কমিয়ে ব্যাংকিং খাতকে আরও কার্যকর করার আহ্বান জানান তিনি।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Former DMP Commissioner Habib and 3 policemen sentenced to death
রামপুরায় যুবককে গুলি ও হত্যা মামলা

সাবেক ডিএমপি কমিশনার হাবিবসহ ৩ পুলিশের মৃত্যুদণ্ড

সাবেক ডিএমপি কমিশনার হাবিবসহ ৩ পুলিশের মৃত্যুদণ্ড ছবি: সংগৃহীত

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় রাজধানীর রামপুরায় ভবনের কার্নিশে ঝুলে থাকা যুবক আমির হোসেনকে গুলিসহ দুজনকে হত্যার অভিযোগে করা মামলায় ডিএমপির সাবেক কমিশনার হাবিবুর রহমানসহ তিনজনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। একইসঙ্গে গ্রেপ্তার রামপুরা পুলিশ ফাঁড়ির তৎকালীন সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) চঞ্চল চন্দ্র সরকারকে ২০ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

রোববার (২৮ জুন) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন। ট্রাইব্যুনালের বাকি সদস্যরা হলেন বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ ও বিচারক মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- ডিএমপির সাবেক কমিশনার হাবিবুর রহমান, খিলগাঁও জোনের সাবেক এডিসি মো. রাশেদুল ইসলাম ও রামপুরা থানার সাবেক ওসি মো. মশিউর রহমান। যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত হলেন- রামপুরা থানার সাবেক এসআই তারিকুল ইসলাম ভূঁইয়া।

এদিন বেলা ১১টা ৪৮ মিনিট থেকে রায় পড়া শুরু হয়। প্রথমেই রায়ের কার্যক্রম বাংলাদেশ টেলিভিশনে (বিটিভি) সরাসরি সম্প্রচারের জন্য অনুমতি চান প্রসিকিউটর গাজী এমএইচ তামিম। এরপর অনুমতি সাপেক্ষে এ কার্যক্রম বিটিভিতে সরাসরি দেখানো হয়।

শুরুতেই এ মামলার আসামিদের দায় পড়ে শোনান ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি গোলাম মর্তূজা। এরপর চার্জ পড়েন বিচারক মোহিতুল হক এনাম। আর রায় ঘোষণা করেন বিচারপতি শফিউল আলম মাহমুদ।

এদিকে, বেলা ১১টা ৩৫ মিনিটে একমাত্র গ্রেপ্তার আসামি রামপুরা পুলিশ ফাঁড়ির তৎকালীন এএসআই চঞ্চল চন্দ্র সরকারকে এজলাসে তোলা হয়। মামলার অপর চার আসামি পলাতক রয়েছেন।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই রামপুরায় সংঘর্ষের সময় পুলিশি অভিযানের মুখে আমির হোসেন একটি নির্মাণাধীন ভবনে আশ্রয় নেন। পরে তাকে নিচে লাফ দিতে বাধ্য করা হয়। কার্নিশের রড ধরে ঝুলে থাকা অবস্থায় তাকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়া হয়, যাতে তার দুই পায়ে গুলি লাগে। একই দিনে রামপুরার বনশ্রী এলাকায় পুলিশের গুলিতে নাদিম ও মায়া ইসলাম নিহত হন।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
If Bangladesh is included in the corridor goods will reach China by truck in 24 hours Commerce Minister

করিডোরে বাংলাদেশ যুক্ত হলে ২৪ ঘণ্টায় ট্রাকে করে চীনে পণ্য পৌঁছাবে: বাণিজ্যমন্ত্রী

করিডোরে বাংলাদেশ যুক্ত হলে ২৪ ঘণ্টায় ট্রাকে করে চীনে পণ্য পৌঁছাবে: বাণিজ্যমন্ত্রী বাণিজ্য, শিল্প এবং বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। ছবি: সংগৃহীত

বাণিজ্য, শিল্প এবং বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেছেন, চীন-মিয়ানমার করিডোরে বাংলাদেশ যুক্ত হলে মাত্র ২৪ ঘণ্টায় ট্রাকযোগে বাংলাদেশ থেকে চীনে পণ্য পৌঁছানো সম্ভব হবে। এতে দুই দেশের বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরও গতিশীল হবে এবং বিনিয়োগ বৃদ্ধি পাবে। এছাড়াও চট্টগামে ৮০০ একরের একটি চাইনিজ শিল্প পার্ক স্থাপনের ব্যাপারে কিছুদিন আগেই মন্ত্রিসভায় সিদ্ধান্ত হয়েছে বলেও জানান তিনি।

শনিবার (২৭ জুন) দুপুরে সিলেট জেলা আইনজীবী সমিতিতে যোগদানকারী নবীন আইনজীবীদের কর্মশালা ও নবীনবরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রীর চীন সফর নিয়ে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রীর চীন সফরের সময় দেশটির প্রধানমন্ত্রী, শীর্ষ নেতারা ও বড় বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক হয়েছে। এর ফলে আগামী দিনে বাংলাদেশে বিপুল সংখ্যক চীনা বিনিয়োগ আসবে এবং বাণিজ্য ঘাটতি কমবে।

তিনি বলেন, চীন ইতোমধ্যে আমাদের সব পণ্য শুল্কমুক্ত করে দিয়েছে। আমাদের কাছে একটাই সম্ভাব্য উপায় যেটি আমরা অনুসরণ করছি। আর তা হলো, বাংলাদেশে বেশি বেশি চীনা বিনিয়োগ আকর্ষণ করা।

শাহজালাল মাজার ব্যবস্থাপনা কমিটি নিয়ে সমালোচনার বিষয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, মাজার ব্যবস্থাপনা কমিটিতে রাজনৈতিক বিবেচনায় কাউকে স্থান দেওয়া হয়নি। নিয়মতান্ত্রিকভাবেই কমিটি গঠন করা হয়েছে।

তিনি বলেন, আইনের শাসন, ন্যায়বিচার এবং সামাজিক শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠায় আইনজীবীদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। একটি রাষ্ট্রে বিচারহীনতার পরিবেশ সৃষ্টি হলে সামাজিক চুক্তি ও আইনের শাসন দুর্বল হয়ে পড়ে। সংবিধানে বর্ণিত মৌলিক অধিকার- সমতা, বৈষম্যহীনতা, জীবন ও ব্যক্তিস্বাধীনতা, মতপ্রকাশের স্বাধীনতাসহ নাগরিক অধিকার বাস্তবায়নে আইনজীবীরা অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন।

তিনি আরও বলেন, নির্বাচনী প্রচারণার সময় অনলাইন জুয়া প্রতিরোধকে অন্যতম অগ্রাধিকার হিসেবে ঘোষণা করেছিলাম। এ লক্ষ্যে অনলাইন জুয়া নিয়ন্ত্রণে কঠোর শাস্তির বিধান রেখে নতুন আইন জাতীয় সংসদে উত্থাপন করা হয়েছে, যা সংসদীয় প্রক্রিয়া শেষে শিগগিরই পাস হবে। একই সঙ্গে মাদকসংক্রান্ত অপরাধের দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য বিশেষ ট্রাইব্যুনাল গঠনের উদ্যোগ রয়েছে।

খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, একটি সমৃদ্ধ, নিরাপদ ও মানবিক সমাজ গড়ে তুলতে সরকার, বিচার বিভাগ, আইনজীবী এবং সমাজের সব শ্রেণিপেশার মানুষের সম্মিলিত প্রচেষ্টা প্রয়োজন।

মন্ত্রী আরও বলেন, বাংলাদেশের বিচার বিভাগ ও আইনজীবী সমাজের রয়েছে গৌরবোজ্জ্বল ঐতিহ্য। স্বাধীনতার পর থেকে বিভিন্ন প্রতিকূল সময়ে বহু বিচারপতি ও আইনজীবী ব্যক্তিগত ও পেশাগত ঝুঁকি নিয়েও আইনের শাসন ও ন্যায়বিচার সমুন্নত রাখতে দৃঢ় ভূমিকা পালন করেছেন। সিলেটের আইনজীবী ও বিচারকরাও এ ঐতিহ্যে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছেন।

তিনি বলেন, সিলেট জেলা আইনজীবী সমিতির জন্য নতুন ভবন নির্মাণের পাশাপাশি আইনজীবীদের পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে একটি আধুনিক ও নিয়মিত প্রশিক্ষণব্যবস্থা গড়ে তোলা প্রয়োজন। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), আইনবিষয়ক গবেষণা, কেস স্টাডি বিশ্লেষণ এবং আদালতে কার্যকর উপস্থাপনার ওপর ধারাবাহিক প্রশিক্ষণের মাধ্যমে আইনজীবীদের সক্ষমতা আরও বৃদ্ধি করা সম্ভব। এ ধরনের উদ্যোগ ভবিষ্যতে দক্ষ আইনজীবী ও বিচারক তৈরিতে সহায়ক হবে।

সিলেট জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট গোলাম ইয়াহ-ইয়া চৌধুরী সুহেলের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে সমিতির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মো. জুবায়ের বখত জুবের, ভারপ্রাপ্ত জেলা ও দায়রা জজ মোহাম্মদ এরফান উল্লাহ, বিভাগীয় স্পেশাল জজ এম আলী আহমদ, চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. হাসাম ইমাম, সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সুদীপ্ত তালুকদার, মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সাইফুল ইসলাম, জেলা আইনজীবী সমিতির নেতৃবৃন্দ, রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ এবং গণমাধ্যমকর্মীরা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
NID renewal with photograph is mandatory

বাধ্যতামূলক হচ্ছে ছবিসহ এনআইডি নবায়ন

বাধ্যতামূলক হচ্ছে ছবিসহ এনআইডি নবায়ন ফাইল ছবি

জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) নবায়ন বাধ্যতামূলক করার কথা ভাবছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এনআইডির মেয়াদ ১৫ বছর পূর্ণ হলে অবশ্যই নবায়ন করতে হতে পারে। ইসি জানিয়েছে, আইন ও বিধিমালায় এনআইডি নবায়নের বিষয়টি থাকলেও তা বাধ্যতামূলক করা হয়নি। তবে বিষয়টি এখন বাধ্যতামূলক করা জরুরি হয়ে পড়েছে।

ইসি কর্মকর্তারা বলছেন, ১৫ বছর দীর্ঘ সময়। এই সময়ের মধ্যে মানুষের চেহারায় অনেক পরিবর্তন আসে। অনেকে ইচ্ছাকৃত পরিবর্তন করেন। অনেকেই সার্জারির মাধ্যমে জেন্ডার চেঞ্জ করেন। আবার মানুষের আঙুলের ছাপেরও পরিবর্তন আসে কোয়ালিটি কমে যাওয়ার মাধ্যমে। ব্যক্তির পরিচিতি নিশ্চিত করতে এমন ক্ষেত্রে নানা জটিলতার সৃষ্টি হয়। তাই নবায়ন বাধ্যতামূলক করার আলোচনা চলছে।

জাতীয় পরিচয়পত্র নিবন্ধন আইন-২০১০ এর ধারা ৭(১)-এ বলা হয়েছে, এই আইনের অধীন কোনো নাগরিককে প্রদত্ত জাতীয় পরিচয়পত্রের মেয়াদ হবে, তা প্রদানের তারিখ থেকে ১৫ বছর। আইনের ২ ধারাতে বলা হয়েছে, জাতীয় পরিচয়পত্রের মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়ার পূর্বে বা পরে নবায়নের জন্য প্রত্যেক নাগরিককে নির্ধারিত পদ্ধতি ও ফি প্রদান সাপেক্ষে কমিশনের কাছে আবেদন করতে হবে।

এদিকে জাতীয় পরিচয়পত্র বিধিমালার ৫ বিধিতে বলা হয়েছে, জাতীয় পরিচয়পত্র নবায়নের জন্য প্রত্যেক নাগরিক বা ক্ষেত্রমতো তার আইনানুগ অভিভাবককে ফরম-৫ অনুযায়ী সরাসরি অথবা কমিশনের ওয়েবসাইটের মাধ্যমে অনলাইনে আবেদন করতে হবে।

সরাসরি আবেদনের ক্ষেত্রে, বিধি ৮-এর উপবিধি (২) অনুসারে ফি পরিশোধপূর্বক রশিদের কপি আবেদনের সহিত সংযুক্ত করে ‘জরুরি’ বা ‘সাধারণ’ হিসাবে দাখিল করতে হবে অথবা অনলাইনে আবেদনের ক্ষেত্রে ফি পরিশোধপূর্বক রশিদের স্ক্যানকৃত কপি ইলেকট্রনিক পদ্ধতিতে ‘জরুরি’ বা ‘সাধারণ’ হিসেবে দাখিল করতে হবে।

‘জরুরি’ আবেদন কমিশনে এবং ‘সাধারণ’ আবেদন স্থানীয় কার্যালয়ে দাখিল করতে হবে এবং আবেদনপত্র প্রাপ্তির পর দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবেদন ফরম এর অংশ ‘ক’ স্বাক্ষর করে তা আবেদনকারী বা তার আইনানুগ অভিভাবককে ফেরত দেবেন অথবা অনলাইনে আবেদনের ক্ষেত্রে আবেদনকারী বা তার আইনানুগ অভিভাবক বরাবর মোবাইল নম্বর বা ই-মেইল ঠিকানায় অংশ ‘ক’ পাঠাবেন।

তবে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তার কাছে আবেদনপত্রে কোনো ত্রুটি বা অসম্পূর্ণতা পরিলক্ষিত হলে তিনি অংশ ‘ক’-এ তা উল্লেখ করে ওই ত্রুটি বা অসম্পূর্ণতা দূরীকরণের লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করার জন্য আবেদনকারী বা তার আইনানুগ অভিভাবককে আবেদনপত্রটি ফেরত দেবেন এবং আবেদনকারী বা তার আইনানুগ অভিভাবক ওই ত্রুটি বা অসম্পূর্ণতা দূরীকরণের লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করে দ্রুত আবেদনপত্র পুনরায় দাখিল করবেন এবং দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সন্তুষ্ট হলে আবেদনকারীর বায়োমেট্রিক ফিচার দেওয়ার জন্য তারিখ নির্ধারণপূর্বক অংশ ‘ক’ দেবেন।

সংশ্লিষ্ট আবেদনকারীকে অংশ ‘ক’-এ উল্লিখিত তারিখে কমিশন বা স্থানীয় কার্যালয়ে উপস্থিত হইয়ে বায়োমেট্রিক ফিচার প্রদানসহ প্রয়োজনীয় সকল পদক্ষেপ সম্পন্ন করতে হবে। এখানে বায়োমেট্রিক ফিচার বলতে আঙুলের ছাপ, হাতের ছাপ, তালুর ছাপ, চোখের আইরিশ, মুখাবয়ব, ডিএনএ, স্বাক্ষর ও কণ্ঠস্বরকে বোঝানো হয়েছে। বর্তমানে কেবল আঙুলের ছাপ, চোখের আইরিশ নেওয়া হচ্ছে।

বিধিমালায় আরও বলা হয়েছে, দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবেদনকারীর বায়োমেট্রিক ফিচার গ্রহণসহ প্রয়োজনীয় সকল পদক্ষেপ সম্পন্ন করে আবেদন ফরম এর অংশ ‘খ’ স্বাক্ষর করে আবেদনকারী বা তার আইনানুগ অভিভাবককে দেবেন।

এসব কার্যক্রম সম্পন্ন হবার পর কমিশন অংশ ‘খ’-এ উল্লিখিত তারিখে পুরাতন জাতীয় পরিচয়পত্র ফেরত প্রদান সাপেক্ষে পুরাতন জাতীয় পরিচয়পত্র নবায়নপূর্বক আবেদনকারী বা তার আইনানুগ অভিভাবককে ফরম-২ বা ফরম-৪ অনুসারে একই নম্বরে নতুন জাতীয় পরিচয়পত্র দেওয়ার ব্যবস্থা করবেন।

বিধিমালায় জরুরি আবেদনের জন্য সাতদিন ও সাধারণ আবেদনের জন্য ৩০ দিন সময় নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে। জরুরি আবেদনের জন্য ১৫০ টাকা এবং সাধারণ আবেদনের জন্য ১০০ টাকা ফি নির্ধারণ করা হয়েছে।

এনআইডির মেয়াদ ১৫ বছর হলে নবায়ন করার বিষয়ে ইসি সচিব আখতার আহমেদ বলেন, এটা হচ্ছেই। কেউ চাইলে যখন তখন নবায়ন করতে পারেন; আবেদন করে নতুন এনআইডি নিচ্ছেন হারিয়ে গেলে বা নষ্ট হয়ে গেলে।

১৫ বছরে চেহারায় বা অন্যান্য ক্ষেত্রে ব্যক্তির যে পরিবর্তন আসে, এতে অনেকেই কারসাজির আশ্রয় নেওয়ার সুযোগ পায়—এমন বিষয় উত্থাপন করা হলে ইসি সচিব বলেন, বাধ্যতামূলক করা যায় কি না, তাও আমরা ভেবে দেখব, আলোচনা চলছে।

ইসি কর্মকর্তারা বলছেন, বিষয়টি নথিতে উত্থাপন করা হচ্ছে। আমরা বিষয়টি খুব করে চাই। কেননা, বিধিতে আছে। তবে সেখানে ফি নির্ধারণের বিষয় আছে। ফি ছাড়াই করা যায় কি না, সেটাও ভাবা হচ্ছে। তবে এই প্রস্তাব আমরা জোরালোভাবে দেব। কেননা ১৫ বছরে কেউ দাড়ি রাখতে পারেন, কারো চেহারায় অন্য পরিবর্তন আসতে পারে। কাজেই অসদুপায় অবলম্বনের একটা সুযোগ থেকে যায়।

নির্ধারিত ফি কত টাকা: সাধারণত মানুষ এনআইডি নষ্ট বা পুরাতন হয়ে গেলে নিজ থেকেই নতুন এনআইডির জন্য আবেদন করেন। এক্ষেত্রে ফি কিছুটা বেশি। প্রথমবার আবেদনের ক্ষেত্রে সাধারণ হলে ২০০ টাকা, জরুরি হলে ৩০০ টাকা; দ্বিতীয়বার আবেদন করলে সাধারণ ৩০০ টাকা ও জরুরি ৫০০ টাকার আর পরবর্তী যে কোনোবার সাধারণ আবেদনের জন্য ৫০০ টাকা এবং জরুরি হলে ১০০০ টাকা ফি নির্ধারিত রয়েছে। এক্ষেত্রে দুই ধরনের অসুবিধা আছে। প্রথমত, হারানো বা নষ্ট হওয়ার জন্য নতুন এনআইডি পেতে যে আবেদন করা হয়, সে জন্য এনআইডির তথ্যে কোনো পরিবর্তন হয় না। টাকাও লাগে বেশি। দ্বিতীয়ত নবায়ন করা হলে ছবি, আঙুলের ছাপ, আইরিশের মতো তথ্যে পরিবর্তন হয়। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ব্যক্তির পরিচয় যাচাই আরও সহজ হয়। টাকাও লাগে কম।

এ বিষয়ে এনআইডি মহাপরিচালক এএইচএম আনোয়ার পাশা বলেন, এখনো বিষয়টি পর্যালোচনার মধ্যে রয়েছে। দেখা যাক কী হয়।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
News of 7 bodies floating in Turag river baseless Police HQ 

তুরাগ নদীতে ৭ লাশ ভাসার খবর ভিত্তিহীন: পুলিশ সদরদপ্তর 

তুরাগ নদীতে ৭ লাশ ভাসার খবর ভিত্তিহীন: পুলিশ সদরদপ্তর  ফাইল ছবি

ঢাকার তুরাগ নদীতে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগের সাত নেতা-কর্মীর লাশ ভাসার খবর ভিত্তিহীন বলে জানিয়েছে পুলিশ সদর দপ্তর। বাহিনীটি বলছে, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এই তথ্য প্রচার করে জনমনে বিভ্রান্তি ছড়ানো হচ্ছে। প্রকৃতপক্ষে এই ধরনের কোনো ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি।

শনিবার (২৭ জুন) সন্ধ্যায় গণমাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে পুলিশ সদরদপ্তর এই অনুরোধ জানায়।

বিজ্ঞপ্তিতে পুলিশ সদর দপ্তর জানায়, একটি মহল এ ধরনের বিভ্রান্তি ছড়িয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর মনোবল নষ্ট করার অপচেষ্টায় লিপ্ত রয়েছে। যারা এ ধরনের বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে পুলিশ তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণে তৎপর রয়েছে।

কেউ এ ধরনের অপপ্রচারে জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া গেলে তার বিরুদ্ধে যথাযথ আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও জানিয়েছে পুলিশ সদর দপ্তর।

এই ধরনের মিথ্যা অপপ্রচারে বিভ্রান্ত না হওয়ার জন্য সকলের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছে পুলিশ সদর দপ্তর।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Bangla QR is becoming mandatory from July
ক্যাশলেস লেনদেন আরও সহজ

জুলাই থেকে বাধ্যতামূলক হচ্ছে ‘বাংলা কিউআর’

জুলাই থেকে বাধ্যতামূলক হচ্ছে ‘বাংলা কিউআর’ ফাইল ছবি

ক্যাশলেস বা নগদবিহীন লেনদেন আরও সহজ, দ্রুত ও নিরাপদ করতে আগামী ১ জুলাই থেকে বাধ্যতামূলকভাবে চালু হচ্ছে ‘বাংলা কিউআর’। বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, একক এই কিউআর ব্যবস্থার মাধ্যমে ডিজিটাল লেনদেনের স্বচ্ছতা বাড়বে, কমবে নগদ টাকার ব্যবহার ও প্রতারণার ঝুঁকি।

বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, নতুন এই নিয়মের ফলে ছোট থেকে বড় সব ধরনের ক্যাশলেস লেনদেন সহজ হবে।

এখন থেকে একজন বিক্রেতার দোকানে নগদ, বিকাশ, রকেট বা বিভিন্ন ব্যাংকের জন্য ভিন্ন ভিন্ন কিউআর কোড ঝুলিয়ে রাখতে হবে না। একটিমাত্র সর্বজনীন ‘বাংলা কিউআর’ ব্যবহার করেই যেকোনো গ্রাহক সহজে তার পেমেন্ট সম্পন্ন করতে পারবেন।

বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর নুরুন নাহার বলেন, ‘ক্যাশলেস লেনদেনকে সবার মধ্যে ছড়িয়ে দিতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক কাজ করছে। ডিজিটাল এই পদ্ধতিতে লেনদেন বাড়লে টাকা ছাপানোর খরচ যেমন কমবে, তেমনি আর্থিক খাতে স্বচ্ছতা বৃদ্ধি পাবে।’

আরেক ডেপুটি গভর্নর হাবিবুর রহমান জানান, ফুটপাত থেকে শুরু করে বড় বড় শপিংমল- সবখানেই নগদ টাকার লেনদেনের ঝুঁকি কমাবে এই বাংলা কিউআর। এর মাধ্যমে দেশের রাজস্ব আয়ও বাড়বে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি। তবে ডিজিটাল লেনদেনের ক্ষেত্রে নিরাপত্তার বিষয়ে সবাইকে সচেতন থাকার আহ্বান জানান কর্মকর্তারা।

বাংলাদেশ ব্যাংকের দেয়া তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালে ডিজিটাল লেনদেনে মোট প্রতারণার ঘটনা ঘটেছে ৮১ হাজার ৪২৩টি। এসব জালিয়াতির মাধ্যমে গ্রাহকদের কাছ থেকে প্রায় ১০০ কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে প্রতারক চক্র। বাধ্যতামূলকভাবে সর্বজনীন বাংলা কিউআর চালু হলে এই ধরনের প্রতারণার ঝুঁকি অনেকটাই কমে আসবে বলে মনে করছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Bangladesh Shop Owners Association demands to keep small traders exempt from VAT

ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের ভ্যাটের আওতামুক্ত রাখার দাবি বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতির

ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের ভ্যাটের আওতামুক্ত রাখার দাবি বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতির

ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের ভ্যাটের আওতামুক্ত রাখার দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতি। শনিবার রাজধানীর মগবাজারে সংগঠনের কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব দাবি জানান তারা।

সংগঠনের নেতারা বলেন, রাজস্ব আদায় বাড়াতে মুদি দোকান, প্রসাধন সামগ্রীর দোকানসহ ১৬টি খুচরা ও সেবামূলক খাতকে সুনির্দিষ্ট করের আওতায় আনার প্রস্তাব করা হয়েছে এবারের বাজেটে। কিন্তু অতি ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা কীভাবে ভোক্তার কাছ থেকে ভ্যাট আদায় করবেন তা স্পষ্ট নয়। তারা বলেন, রাজস্বের বেশিরভাগই আসে বড় প্রতিষ্ঠান থেকে। ভ্যাট ফাঁকির পরিমাণ অনেক বেশি এসব প্রতিষ্ঠানেই। তাই খুচরা পর্যায়ে হয়রানি বন্ধ করার আহ্বান জানান তারা।

ব্যবসায়ী নেতাদের উপস্থাপিত তথ্যমতে, দেশে বর্তমানে ৮ লাখ ভ্যাট নিবন্ধিত প্রতিষ্ঠান রয়েছে। এর মধ্যে লার্জ ট্যাক্সপেয়ার্স ইউনিটের (এলটিইউ) মাত্র ১০৯টি প্রতিষ্ঠান থেকে আসে মোট ভ্যাটের ৬০ শতাংশ। বৃহৎ ৫০০টি প্রতিষ্ঠান দেয় মোট ভ্যাটের ৯৮ শতাংশ, আর বাকি লাখ লাখ ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসায়ীর অবদান মাত্র ২ শতাংশ। ব্যবসায়ী নেতাদের মতে, এ বাস্তবতায় রাজস্ব প্রশাসনের প্রধান মনোযোগ হওয়া উচিত বড় করদাতাদের ওপর।

দোকান মালিক সমিতির সভাপতি হেলাল উদ্দিন বলেন, দেশে প্রকৃত ভ্যাটদাতার সংখ্যা বাড়াতে খুচরা পর্যায়ে হয়রানি বন্ধ করে ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে দ্রুত অটোমেশন (স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতি) চালু করা হোক। একই সঙ্গে এনবিআরকে খুচরা ও প্রান্তিক ব্যবসায়ীদের ওপর চাপ সৃষ্টি না করে বড় খাতগুলো থেকে এবং উৎস পর্যায়ে ভ্যাট আদায়ের দাবি জানান হেলাল উদ্দিন।

মন্তব্য

p
উপরে