× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
I will be able to finish the investigation of Sagar Runi murder quickly RAB
hear-news
player
google_news print-icon

সাগর-রুনি হত্যার তদন্ত দ্রুত শেষ করা যাবে: র‍্যাব

সাগর-রুনি-হত্যার-তদন্ত-দ্রুত-শেষ-করা-যাবে-র‍্যাব
রাজধানীর কারওয়ানবাজারে র‍্যাবের মিডিয়া সেন্টারে সংবাদ সম্মেলনে কথা বলেন বাহিনীর লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন। ছবি: নিউজবাংলা
র‍্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন বলেন, ‘সাগর-রুনি হত্যা মামলার তদন্তে যেসব তথ্য-উপাত্ত ও আলামত পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা দরকার, র‍্যাব তা করেছে। আমরা আশা করছি খুব দ্র্রুত সময়ের মধ্যে তদন্ত শেষ করতে পারব।’

সাংবাদিক দম্পতি সাগর সরওয়ার ও মেহেরুন রুনি হত্যার তদন্ত দ্রুত শেষ করা যাবে বলে আশা প্রকাশ করেছে তদন্তকারী সংস্থা র‌্যাব।

রাজধানীর কারওয়ান বাজারে র‍্যাবের মিডিয়া সেন্টারে শুক্রবার দুপুরে এক সংবাদ সম্মেলনে এ আশার কথা জানায় বাহিনীটি।

২০১২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর পশ্চিম রাজাবাজারের বাসায় খুন হন সাংবাদিক দম্পতি সাগর-রুনি। এ ঘটনার দুই মাস পর হত্যা মামলাটি তদন্তের দায়িত্ব পায় র‌্যাব, তবে প্রায় ১০ বছরেও তদন্ত শেষ করতে পারেনি বাহিনীটি।

আদালতে সাগর-রুনি হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন জমা পিছিয়েছে ৮৫ বার। এমন বাস্তবতায় মামলার অগ্রগতি নিয়ে কথা বলেন র‌্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন।

সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, ‘র‌্যাব যখন মামলার তদন্ত করে, তখন সর্বোচ্চ পেশাদারত্বের মাধ্যমে করে থাকে। সাগর-রুনি হত্যা মামলার তদন্ত র‌্যাব সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েই তদন্ত করছে। এখন পর্যন্ত ১৬০ জনের সাক্ষ্য নিয়েছে র‌্যাব।’

কমান্ডার মঈন বলেন, ‘সাগর-রুনি হত্যা মামলার তদন্তে যেসব তথ্য-উপাত্ত ও আলামত পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা দরকার, র‌্যাব তা করেছে। আমরা আশা করছি, খুব দ্র্রুত সময়ের মধ্যে তদন্ত শেষ করতে পারব।

‘র‌্যাব সব সময় চেষ্টা করে তদন্তে যেন নিরপরাধ কোনো ব্যক্তি দোষী সাব্যস্ত না হয়।’

তিনি বলেন, ‘আপনারা জানেন আমরা সাগর-রুনি হত্যা মামলার তদন্তভার গ্রহণ করেছি দুই মাস পর। আমরা রিমান্ডে এনে অনেককে জিজ্ঞাসাবাদ করেছি। সরকার এতটাই গুরুত্ব দিয়েছে, এই মামলার তথ্য-উপাত্ত প্রমাণের জন্য আলামত পরীক্ষা করতে দেশের বাইরে পাঠানো হয়েছে। আলামত পরীক্ষার প্রতিবেদন পেতে সময় লেগেছে। তদন্ত চলমান।’

সাগর-রুনি হত্যার ১০ বছর হচ্ছে, আর কত দেরি হলে দ্রুত সময়ের মধ্যে প্রতিবেদন দেয়া সম্ভব জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘র‌্যাব এই মামলা তদন্ত করছে আদালতের নির্দেশে। আমরা সব দিক বিবেচনায় তদন্ত করছি।’

এমন চাঞ্চল্যকর মামলার তদন্ত করার মতো সক্ষমতা কি তবে র‌্যাবের নেই? জবাবে কমান্ডার মঈন বলেন, ‘র‌্যাব অনেক চাঞ্চল্যকর মামলার তদন্ত করেছে। র‌্যাব কখনো নিজে থেকে মামলার তদন্ত করে না। আদালত দিলেই কেবল তদন্ত করে।

‘আমরা যে আজ একটি অভিযান পরিচালনা করেছি, এটার আলামত ও আসামি থানায় সোপর্দ করা হবে। সুতরাং নিয়মতান্ত্রিক উপায়েই র‌্যাব সাগর-রুনি হত্যা মামলার তদন্ত করছে।’

বাদীপক্ষ মামলার তদন্তে র‌্যাবের প্রতি আস্থা হারিয়ে ফেলছেন, এমন বক্তব্যও আসছে, এ প্রসঙ্গে র‌্যাব গণমাধ্যম শাখার পরিচালক বলেন, ‘এ মামলার তদন্তের অগ্রগতি প্রতিটি ডেটে আদালতকে অবহিত করছি। আমরা এখন পর্যন্ত এ ধরনের কোনো অভিযোগ বা বক্তব্য পাইনি। আদালতও আমাদের বলেনি। এখানে তদন্ত নিয়ে খারাপ লাগার কিছু নেই।

‘বাংলাদেশের কয়টি মামলায় আলামত পরীক্ষা করে আসামিকে শনাক্তের চেষ্টা করা হয়। আমরা কিন্তু সেটি করছি। আমরা চাই এটি দ্রুত শেষ হোক। নিরপরাধ কেউ সাজা না পাক।’

২০১২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি ভোরে নিজ বাসায় খুন হন সাংবাদিক দম্পতি সাগর সরওয়ার ও মেহেরুন রুনি। এ ঘটনায় শেরেবাংলা নগর থানায় হত্যা মামলা করা হয়।

মামলাটি ২০১২ সালের ১৮ এপ্রিল থেকে তদন্ত করছে র‌্যাব। তদন্তে অগ্রগতি নিয়ে র‌্যাবের কমান্ডার বলেন, ‘আমরা এ পর্যন্ত ১৬০ জনের জবানবন্দি নিয়েছি। গ্রেপ্তার আটজনকে বিভিন্ন মেয়াদে রিমান্ডে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে।

‘ডিএনএ টেস্টের নমুনা আমেরিকায় পাঠানো হয়েছে, যেটার ফলাফল এখনও আসেনি।’

বিচারিক আদালত সূত্রে জানা যায়, চলতি বছরের ২৪ জানুয়ারি আদালতে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেয়ার সর্বশেষ তারিখ ছিল। সেদিন জমা দিতে না পারায় র‌্যাবের পক্ষ থেকে আবারও সময়ের আবেদন করা হয়।

আদালত ২৩ ফেব্রুয়ারি নতুন তারিখ ঠিক করেন। এ নিয়ে ৮৫ বার পেছাল আলোচিত মামলাটির তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেয়ার তারিখ।

শেরে বাংলা নগর থানায় করা মামলায় রুনির বন্ধু তানভীর রহমানসহ মোট আসামির সংখ্যা আট। অন্য আসামিরা হলেন বাড়ির সিকিউরিটি গার্ড এনাম আহমেদ (হুমায়ুন কবির), রফিকুল ইসলাম, বকুল মিয়া, মিন্টু ওরফে বারগিরা মিন্টু ওরফে মাসুম মিন্টু, কামরুল হাসান অরুণ, পলাশ রুদ্র পাল, তানভীর ও আবু সাঈদ।

আসামিদের প্রত্যেককে একাধিবার রিমান্ডে নেয়া হলেও তাদের মধ্যে কেউ স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেননি।

৪৮ ঘণ্টা শেষ হয়নি এক দশকেও

ঘটনার পরই তখনকার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যাডভোকেট সাহারা খাতুন ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে খুনিদের গ্রেপ্তারের ঘোষণা দেন। সন্দেহভাজন হিসেবে আটজনকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়, কিন্তু খুনিরা এখনও ধরাছোঁয়ার বাইরে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ৪৮ ঘণ্টা সময়সীমা পার হওয়ার পর ১৩ ফেব্রুয়ারি তখনকার আইজিপি হাসান মাহমুদ খন্দকার সাংবাদিকদের জানিয়েছিলেন, জোড়া হত্যাকাণ্ডের তদন্তে ‘প্রণিধানযোগ্য’ অগ্রগতি হয়েছে।

কয়েক দিন পর ২৬ ফেব্রুয়ারি তখনকার ডিবির ডিসি ও ডিএমপির মুখপাত্র এবং বর্তমানে স্পেশাল ব্রাঞ্চের প্রধান অতিরিক্ত আইজিপি মনিরুল ইসলাম বলেছিলেন, হত্যাকাণ্ডের মোটিভ সম্পর্কে তারা নিশ্চিত হয়েছেন। দ্রুততম সময়ে আসামিদের গ্রেপ্তার করে সাংবাদিকদের সামনে হাজির করা হবে।

মনিরুল ইসলামের এ বক্তব্যের দুই দিন পর ২৮ ফেব্রুয়ারি খুনিদের আইনের আওতায় আনার নির্দেশ দিয়ে কারণ দর্শানোর নোটিশ জারি করে হাইকোর্ট। ঘটনার প্রায় দুই মাস পর ২০১২ সালের ১৮ এপ্রিল হাইকোর্টে হাজির হয়ে সাগর-রুনি হত্যা তদন্তে তারা ব্যর্থ হয়েছেন বলে স্বীকার করেন মনিরুল ইসলাম।

ওই দিনই উচ্চ আদালত র‌্যাবকে তদন্তের দায়িত্ব দিয়ে বাহিনীর ডিজিকে নির্দেশ দেন একজন সুদক্ষ, অভিজ্ঞ এবং এএসপি পদমর্যাদার নিচে নয় এমন কর্মকর্তাকে দিয়ে মামলার তদন্ত করাতে।

হাইকোর্টের নির্দেশনার পর র‌্যাবের আবেদনে ভিসেরা রিপোর্টের জন্য ২৬ এপ্রিল সাগর-রুনির মরদেহ কবর থেকে তুলে আবার ময়নাতদন্ত করা হয়।

মেহেরুন রুনির ভাই নওশের রোমান ও মা নুরুন নাহার মির্জা এবং সাগর সরওয়ারের মা সালেহা মনিরসহ দুই পরিবারের অনেক সদস্যকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন তদন্তসংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

র‌্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক খন্দকার আল মঈন বলেছিলেন, ‘আমাদের তদন্ত চলমান রয়েছে। তদন্ত শেষ করেই প্রতিবেদন আদালতে দাখিল করা হবে।’

এক দশক ধরে সাংবাদিকরা তাদের দুই সহকর্মীকে হত্যার বিচার দাবি করে আসছেন। বিভিন্ন কর্মসূচিও পালন করছেন তারা।

এ বছরও দুই সাংবাদিকের মৃত্যুবার্ষিকী ঘিরে তিন দিনের কর্মসূচি দিয়েছে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি (ডিআরইউ)। মোমবাতি প্রজ্বালন, ডিআরইউ চত্বরে প্রতিবাদ সমাবেশের পাশাপাশি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে স্মারকলিপি দেবে সাংবাদিকদের এ সংগঠন।

আরও পড়ুন:
অন্তহীন তদন্তের চক্রে সাগর-রুনি হত্যা
৮৫ বার পেছাল সাগর-রুনি হত্যার প্রতিবেদন
সাগর-রুনি হত্যা: পেছাল তদন্ত প্রতিবেদন
৮৩ বার পেছাল সাগর-রুনি হত্যা মামলার প্রতিবেদন
৮৩ বার পেছাল সাগর-রুনি হত্যা মামলার প্রতিবেদন

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Fire scare Emergency landing of Nepal plane in Chittagong

আগুন আতঙ্ক: চট্টগ্রামে নেপালের বিমানের জরুরি অবতরণ

আগুন আতঙ্ক: চট্টগ্রামে নেপালের বিমানের জরুরি অবতরণ
ফরহাদ বুধবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে নিউজবাংলাকে বলেন, ‘কাঠমুন্ডু থেকে ব্যাংকক যাওয়ার পথে আগুন ও ধোঁয়ার সংকেত পেয়ে শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে জরুরি অবতরণ করে। তবে অবতরণের পর চেক করে তেমন কিছু পাওয়া যায়নি।’

আগুন লাগার সংকেত পেয়ে চট্টগ্রাম বিমানবন্দরে জরুরি অবতরণ করেছে র‍য়্যাল নেপালের একটি ফ্লাইট। তবে আগুনের কোনো ঘটনা ঘটেনি। ফ্লাইটে থাকা যাত্রী ও ক্রু সদস্যরা নিরাপদে আছেন।

এ ঘটনা ঘটেছে বুধবার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে।

এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ব্যবস্থাপক উইং কমান্ডার ফরহাদ হোসেন খান।

তিনি জানান, রয়্যাল নেপাল ফোর জিরো ওয়ান এর ফ্লাইটটি ১৫০ যাত্রী ও ৯ জন ক্রু নিয়ে নেপালের ত্রিভুবন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ব্যাংককে যাচ্ছিল।

ফরহাদ বুধবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে নিউজবাংলাকে বলেন, ‘কাঠমুন্ডু থেকে ব্যাংকক যাওয়ার পথে আগুন ও ধোঁয়ার সংকেত পেয়ে শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে জরুরি অবতরণ করে। তবে অবতরণের পর চেক করে তেমন কিছু পাওয়া যায়নি।

‘উড়োজাহাজটিকে নিরাপদে অবতরণ করাতে সক্ষম হন পাইলট। পরে রয়্যাল নেপালের টেকনিক্যাল টিম উড়োজাহাজটি মেরামত করে। রাত ১০টার পরে ফ্লাইটটি ব্যাংককের উদ্দেশ্যে যাত্রা করে।’

আরও পড়ুন:
শাহজালাল বিমানবন্দরে মশা নিধনে ব্যবস্থা নিতে হাইকোর্টের নির্দেশ
বিমানের ভিভিআইপি ফ্লাইট বিতর্কে যা বললেন প্রতিমন্ত্রী
ঢাকা-নারিতা ফ্লাইট মার্চের আগে নয়
টেক্সাসে মাঝ আকাশে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধকালীন ২ বিমানের সংঘর্ষ
বিমানের সারচার্জ মওকুফ ঠিক হবে না: বেবিচক

মন্তব্য

বাংলাদেশ
FBCCI next to cool people

শীতার্ত মানুষের পাশে এফবিসিসিআই

শীতার্ত মানুষের পাশে এফবিসিসিআই এফবিসিসিআই কার্যালয়ে ত্রান ও পুনর্বাসন বিষয়ক স্ট্যান্ডিং কমিটির সভা। ছবি: নিউজবাংলা
‘এফবিসিসিআই দেশের সব দুস্থ মানুষকে শীতবস্ত্র দিতে পারবে না, সেই সক্ষমতা নেই সংগঠনের। তবে জেলা চেম্বার ও অ্যাসোসিয়েশনের মাধ্যমে শীতবস্ত্র বিতরণে দেশের অন্য ব্যবসায়ীরা উৎসাহিত হবেন।’

ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআই সামাজিক দায়বদ্ধতা কর্মসূচির আওতায় শীতবস্ত্র বিতরণের পাশাপাশি দরিদ্র মানুষকে আর্থিক সহায়তার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এক্ষেত্রে অগ্রাধিকার দেয়া হবে দেশের উত্তরাঞ্চলকে।

বুধবার সকালে এফবিসিসিআই কার্যালয়ে ত্রান ও পুনর্বাসন বিষয়ক স্ট্যান্ডিং কমিটির দ্বিতীয় সভায় এ সিদ্ধান্ত হয়। এবার জেলা চেম্বার ও অ্যাসোসিয়েশনের মাধ্যমে সারা দেশে শীতবস্ত্র বিতরণের কথা জানান ব্যবসায়ীরা।

এফবিসিসিআই’র সিনিয়র সহ-সভাপতি মোস্তফা আজাদ চৌধুরী বাবু সভায় বলেন, ‘দেশে শীতবস্ত্র বিতরণে জেলা চেম্বারের পাশাপাশি এবার বেশকিছু অ্যাসোসিয়েশনকেও যোগ করা হবে। শীতবস্ত্রের পরিমান বাড়াতে পরিচালকসহ সকলকে এগিয়ে আসতে হবে।’

সহ-সভাপতি মো. আমিন হেলালী বলেন, ‘এফবিসিসিআই দেশের সব দুস্থ মানুষকে শীতবস্ত্র দিতে পারবে না, সেই সক্ষমতা নেই সংগঠনের। তবে জেলা চেম্বার ও অ্যাসোসিয়েশনের মাধ্যমে শীতবস্ত্র বিতরণে দেশের অন্য ব্যবসায়ীরা উৎসাহিত হবেন।’

শীতবস্ত্র বিতরণের পাশাপাশি অতিদরিদ্রের মাঝে স্বল্প পরিসরে নগদ অর্থ, সেলাই মেশিন ও রিকশা সরবরাহেরও উদ্যোগ নেয়া হবে বলে জানান কমিটির ডিরেক্টর ইনচার্জ মোহাম্মেদ বজলুর রহমান।

কমিটির চেয়ারম্যান মো. আবুল খায়ের মোরসেলিন প্রতিবছর সারা দেশে শীতবস্ত্র বিতরণের ব্যবস্থা করায় এফবিসিসিআই’র পরিচালনা পর্ষদের প্রতি ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।

এফবিসিসিআই’র পরিচালক এমজিআর নাসির মজুমদার, শফিকুল ইসলাম ভরসা, হাফেজ হারুন, আবু মোতালেব, ইকবাল শাহরিয়ার, শাহীন আহমেদ, মো. নাসের, আবু হোসেন ভুঁইয়া (রানু), আক্কাস মাহমুদ, মহাসচিব মোহাম্মদ মাহফুজুল হক, কমিটির কো-চেয়ারম্যান আজিজুল হক, ইয়াকুব হোসেন মালিক, আবদুল ওয়াদুদসহ সদস্যরা সভায় উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন:
ব্যয় বাড়ায় ব্যবসা হারাচ্ছে বহু প্রতিষ্ঠান
পরিবহনে চাঁদাবাজি বন্ধের দাবি ব্যবসায়ীদের
ব্যাংক ঋণ সহজীকরণ চান নারী উদ্যোক্তারা
কৃষিপণ্য ও মৎস্য রপ্তানি সম্ভাবনায় এফবিসিসিআই-ইউএসডিএর সমঝোতা
মূল্যস্ফীতি কমাতে হবে জ্বালানির দাম কমিয়ে: এফবিসিসিআই

মন্তব্য

বাংলাদেশ
DRU President Nomani Secretary Sohel

ডিআরইউর সভাপতি নোমানি, সম্পাদক সোহেল

ডিআরইউর সভাপতি নোমানি, সম্পাদক সোহেল বুধবার সন্ধ্যায় নির্বাচনের ফল ঘোষণার পর ডিআরইউ কার্যনির্বাহী কমিটির নবনির্বাচিত নেতৃবৃন্দ। ছবি: নিউজবাংলা
রাজধানীর সেগুনবাগিচায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি (ডিআরইউ) মিলনায়তনে বুধবার সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত ভোট গ্রহণ হয়। ১ হাজার ৭৪৪ জন ভোটারের মধ্যে ১ হাজার ৪৫৭ জন ভোট দেন।

ঢাকায় কর্মরত সাংবাদিকদের সংগঠন ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি (ডিআরইউ)-২০২৩ কার্যনির্বাহী কমিটির নির্বাচনে দ্বিতীয়বারের মতো সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থার (বাসস) মুরসালিন নোমানী। সহসভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন দৈনিক কালবেলার দিপু সারোয়ার।

আর সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক দৈনিক ইনকিলাবের মইনুল হোসেন সোহেল।

রাজধানীর সেগুনবাগিচায় ডিআরইউ মিলনায়তনে বুধবার সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। ১ হাজার ৭৪৪ জন ভোটারের মধ্যে ১ হাজার ৪৫৭ জন ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন। সন্ধ্যায় ফল ঘোষণা করে মঞ্জুরুল আহসান বুলবুলের নেতৃত্বাধীন নির্বাচন কমিশন।

সভাপতি পদে মুরসালিন নোমানী পেয়েছেন ৬৩৫ ভোট। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী তারই সহকর্মী (বাসস) কবির আহম্মেদ খান পেয়েছেন ৫৪৩ ভোট। একই পদে ২৬৪ ভোট পেয়ে তৃতীয় হয়েছেন বর্তমান সভাপতি নজরুল ইসলাম মিঠু (জার্মান সংবাদ সংস্থা ডিপিএ)।

সহসভাপতি পদে দিপু সারোয়ার পেয়েছেন ৮২৩ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাভিশনের গ্যালমান শফি পেয়েছেন ৫৯১ ভোট।

সাধারণ সম্পাদক পদে সোহেল পেয়েছেন ৪২২ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী দেশ টেলিভিশনের মহিউদ্দিন মাহমুদ পেয়েছেন ৩৩৮ ভোট। একই পদে দৈনিক মুখপাত্রর সম্পাদক শেখ মোহাম্মদ জামাল হোসাইন (শেখ জামাল) ২৬০ ভোট পেয়ে তৃতীয় ও দৈনিক ইত্তেফাকের জামিউল আহসান শিপু ২৪৭ ভোট পেয়ে চতুর্থ হন। এই পদে আরাফাত দাঁড়িয়া ৭২ ও আফজাল বারী ৫৫ ভোট পেয়েছেন।

৫০৮ ভোট পেয়ে যুগ্ম সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন এটিএন বাংলা টেলিভিশনের মইনুল হাসান। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ফারুক খান পেয়েছেন ২৮৬ ভোট। এই পদে পবন আহমদ ২৪৪ ভোট পেয়ে তৃতীয়, নয়ন মুরাদ ২০৮ ভোট পেয়ে চতুর্থ ও কামাল মোশারেফ ১৫২ ভোট পেয়ে পঞ্চম হয়েছেন।

সাংগঠনিক সম্পাদক পদে ৮৭৮ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন গাজী টেলিভিশনের সাইফুল ইসলাম। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আব্দুল হাই তুহিনের প্রাপ্ত ভোট ৫২৪।

বিজনেস পোস্ট পত্রিকার সাখাওয়াত হোসেন সুমন ৭১২ ভোট পেয়ে অর্থ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জাকির হোসেন পেয়েছেন ৫৮৩ ভোট।

৭৪১ ভোট পেয়ে নারীবিষয়ক সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন ভোরের কাগজের মরিয়ম মনি সেজুঁতি। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী সময় টেলিভিশনের রোজিনা রোজী পেয়েছেন ৬৪৭ ভোট।

ইনকিলাবের কাওসার আজম ৮০৬ ভোট পেয়ে দপ্তর সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী সময়ের আলো পত্রিকার রফিক রাফি পেয়েছেন ৫৫৮ ভোট।

প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক পদে নির্বাচিত হয়েছেন কামাল উদ্দিন সুমন। তার প্রাপ্ত ভোট ৭৩১। এই পদে তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মেজবাউল্লাহ শিমুল পেয়েছেন ৫৫৭ ভোট।

তথ্য ও প্রযুক্তিবিষয়ক সম্পাদক পদে ৭৯২ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন দেশ রূপান্তরের তোফাজ্জল হোসেন রুবেল। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মানবজমিন পত্রিকার মোহাম্মদ রাশিম (রাশিম মোল্লা) পেয়েছেন ৫৫৮ ভোট।

আপ্যায়ন সম্পাদক পদে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন রাইজিং বিডির মোহাম্মদ নাঈমুদ্দীন।

কল্যাণ সম্পাদক পদে বাংলানিউজের মোহাম্মাদ তানভীর আহম্মেদ ৬৬৪ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মানবকণ্ঠের জাহাঙ্গীর কিরণ পেয়েছেন ৬২৫ ভোট।

সাংস্কৃতিক সম্পাদক পদে ৭৩৮ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন মিজান চৌধুরী। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মোহাম্মদ শাহাবুদ্দীন মাহতাব পেয়েছেন ৫৬৯ ভোট।

কার্যনির্বাহী সদস্য পদে ৯ প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে ৭ জন জয়ী হন। তারা হলেন ৭১ টেলিভিশনের মনিরুল ইসলাম মিল্লাত (৯৩০ ভোট), জাগো নিউজের ইসমাইল হোসেন রাসেল (৭৭২ ভোট), বাসসের মহসিন ব্যাপারী (৭৫১ ভোট), আজকালের খবরের মোজাম্মেল হক তুহিন (৬৮৩ ভোট), বিবার্তার কিরণ সেখ (৬৭২), ভোরের কাগজের মোহাম্মদ ইব্রাহীম আলী (৬৩৪)।

সদস্য পদে হেরে যাওয়া দুইজন হলেন মোহাম্মদ ফারুক আলম (৫৮৩) ও মোহাম্মদ শরীফুল ইসলাম (৪৫৩ ভোট)।

আরও পড়ুন:
ডিআরইউতে ক্রোকারিজ সামগ্রী দিল বিসিএমইএ
ডিআরইউ’র মিঠু-হাসিব-নাদিয়াকে যুক্তরাষ্ট্রের অভিনন্দন
ডিআরইউর নেতৃত্বে মিঠু-হাসিব
ডিআরইউ নির্বাচন: নোমানী সভাপতি, মসিউর সম্পাদক
করোনায়ও জমেছে ডিআরইউ’র ভোট

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Corona detection is near zero

করোনায় শনাক্ত শূন্যের কোঠায়

করোনায় শনাক্ত শূন্যের কোঠায় করোনার সংক্রমণ কমে আসছে। ফাইল ছবি/নিউজবাংলা
বুধবার সকাল ৮টা পর্যন্ত পূর্ববর্তী ২৪ ঘণ্টায় ২ হাজার ২৩৪টি নমুনা পরীক্ষায় ১৮ জনের করোনা শনাক্ত হয়। শনাক্তের হার শূন্য দশমিক ৮১ শতাংশ। নতুন শনাক্তদের মধ্যে ১১ জন ঢাকার বাসিন্দা।

করোনাভাইরাস শনাক্তের হার ঘুরছে শূন্যের কোঠায়। কার্যত পঞ্চম ঢেউয়ে করোনার সংক্রমন নিয়ন্ত্রণের পথে বলে মনে করছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। সারা দেশে ২৪ ঘন্টায় ১৮ জনের দেহে করোনাভাইরাসের অস্তিত্ব পাওয়া গেছে। এসময় করোনা শনাক্ত হয়ে কারও মৃত্যু হয়নি।

বুধবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বুধবার সকাল ৮টা পর্যন্ত পূর্ববর্তী ২৪ ঘণ্টায় ২ হাজার ২৩৪টি নমুনা পরীক্ষায় ১৮ জনের করোনা শনাক্ত হয়। শনাক্তের হার শূন্য দশমিক ৮১ শতাংশ। নতুন শনাক্তদের মধ্যে ১১ জন ঢাকার বাসিন্দা।

দেশে এ পর্যন্ত ভাইরাসটিতে আক্রান্ত হয়েছেন ২০ লাখ ৩৬ হাজার ৫৮৫ জন। আক্রান্তদের মধ্যে মৃত্যু হয়েছে ২৯ হাজার ৪৩৩ জনের।

গত ২৪ ঘন্টায় করোনা থেকে সেরে উঠেছেন ৬৮ জন। সব মিলিয়ে দেশে এ পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ১৯ লাখ ৮৫ হাজার ৮৩০ জন।

২০২০ সালের মার্চে দেশে করোনা ভাইরাসের উপস্থিতি শনাক্ত হওয়ার পর মোট পাঁচটি ঢেউ মোকাবিলা করতে হয়েছে দেশকে। পঞ্চম ঢেউয়ে শনাক্ত ও মৃত্যু তুলনামূলক কম। বর্তমানে করোনা নিয়ন্ত্রণের পথে বলে মনে করছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

আরও পড়ুন:
করোনা জয় সদ্য মাতৃত্বের সুখের মতো: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
করোনায় ১ মৃত্যু, শনাক্ত ১১
করোনায় ফের মৃত্যুহীন দিন, শনাক্ত ৩৩
করোনায় ফের মৃত্যু, শনাক্ত তলানিতে
করোনায় শনাক্ত ১৯, মৃত্যু নেই

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Transgenders want reserved seats in Parliament

সংসদে সংরক্ষিত আসন চান ট্রান্সজেন্ডাররা

সংসদে সংরক্ষিত আসন চান ট্রান্সজেন্ডাররা সংসদে সংরক্ষিত আসনের দাবি জানিয়ে নির্বাচন কমিশনের বৈঠকে ট্রান্সজেন্ডারদের প্রতিনিধিদল। ছবি নিউজবাংলা
ট্রান্সজেন্ডার জনগোষ্ঠীর উন্নয়নে কাজ করা ‘সুস্থ জীবন’ নামের বেসরকারি কমিউনিটিভিত্তিক সংস্থার প্রতিনিধিরা বুধবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে এই স্মারকলিপি দেন। সিইসি কাজী হাবিবুল আউয়াল, নির্বাচন কমিশনার আহসান হাবিব ও রাশেদা সুলতানার সঙ্গে তাদের প্রায় আধা ঘণ্টা বৈঠক হয়।

জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত আসনের দাবি জানিয়ে নির্বাচন কমিশনে স্মারকলিপি দিয়েছে ট্রান্সজেন্ডারদের প্রতিনিধিদল। ট্রান্সজেন্ডারদের জন্য সংসদে অন্তত তিনটি আসন সংরক্ষিত রাখার দাবি জানানো হয়েছে।

জাতীয় পরিচয়পত্র করার সময় হয়রানি ও বিড়ম্বনার অবসানও চেয়েছে প্রতিনিধিদল।

ট্রান্সজেন্ডারদের উন্নয়নে কাজ করা ‘সুস্থ জীবন’ নামের বেসরকারি কমিউনিটিভিত্তিক সংস্থার প্রতিনিধিরা বুধবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে এই স্মারকলিপি দেন।

সিইসি কাজী হাবিবুল আউয়াল, নির্বাচন কমিশনার আহসান হাবিব ও রাশেদা সুলতানার সঙ্গে প্রতিনিধিদলের প্রায় আধা ঘণ্টা বৈঠক হয়।

পরে ‘সুস্থ জীবন’-এর চেয়ারম্যান পার্বতী আহমেদ সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমাদের দাবি জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত আসন পূর্ণ হবে সবার অংশগ্রহণে। ট্রান্সজেন্ডারদের অন্ততপক্ষে যেন তিনটি আসন দেয়া হয়।

‘প্রধানমন্ত্রী বলেছেন- লিভ নো ওয়ান বিহাইন্ড, কাউকে বাদ দিয়ে নয়। তাহলে জাতীয় সংসদে নারী আছে, পুরুষ আছে; আমরা কোথায়? আমাদের দাবিদাওয়া এবং আমাদের নিয়ে কাজ করার জন্য সংসদে প্রতিনিধি দরকার।’

তিনি বলেন, ‘আমাদের মধ্যে এখন অনেক শিক্ষিত আছে। সম্প্রতি একজন বিপুল ভোটে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। দায়িত্ব দেয়া হলে অবশ্যই আমরা পালন করতে পারব।’

প্রধান নির্বাচন কমিশনারসহ অন্য কমিশনারদের সঙ্গে আলোচনার প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, ‘তারা আমাদের বলেছেন কী করা যায় দেখবেন। সংবিধান কী বলে সেগুলো তারা দেখবেন। এ ছাড়া রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে এ ধরনের বৈঠক করতে বলেছেন।’

পার্বতী আহমেদ বলেন, ‘ভোটার আইডি কার্ড তৈরি ও সংশোধন নিয়েও কথা বলেছি। আমাদের অনেকেরই পুরুষ হিসেবে আইডি কার্ড আছে। এখন সেটা নিয়ে কোথাও গেলে একসেপ্ট করে না। কারণ, আইডি কার্ড এক রকম, আর তাদের দেখতে আরেক রকম। অনেকে এ কারণে হ্যারাচমেন্টের শিকার হচ্ছেন।

‘এ ছাড়া সেখানে অভিভাবকের প্রয়োজন হয়। অভিভাবকরা তো আমাদের অনেক আগেই ছেড়েই দিয়েছেন। পরিবার তো আমাদের রাখে না। তাহলে আমরা অভিভাবক কীভাবে আনব?’

তিনি বলেন, ‘আমাদের এফিডেফিট করতে হয় প্রথম শ্রেণির হাকিম দিয়ে। তিনি আবার থানায় পাঠান। এ জন্য অনেক হয়রানির মুখে পড়তে হতে হয়। এগুলো দেখা হবে বলে বৈঠকে আশ্বাস দেয়া হয়েছে।’

পার্বতী আহমেদের সঙ্গে ছিলেন ‘সুস্থ জীবন’-এর সাধারণ সম্পাদক ববি হিজড়া ও কমিউনিটি লিয়াজোঁ অফিসার জোনাকী জোনাক।

আরও পড়ুন:
সংসদের ২০তম অধিবেশন বসছে রোববার
১০ ডিসেম্বর ঢাকায় মিলনমেলা করবে মুক্তিযুদ্ধ প্রজন্ম
ট্রান্সজেন্ডারদের সেলাই মেশিন দিল পাথওয়ে
‘নারীবেশী যুবক’ খুন, ৬ ট্রান্সজেন্ডার গ্রেপ্তার
সংসদ উপনেতা: আলোচনায় আমু, তোফায়েল, মতিয়া

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Bangladesh is a very good friend of India High Commissioner

বাংলাদেশ ‘খুব ভালো বন্ধু’ ভারতের: হাইকমিশনার

বাংলাদেশ ‘খুব ভালো বন্ধু’ ভারতের: হাইকমিশনার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন ভারতের হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মা। ছবি: পিআইডি
প্রণয় ভার্মা বলেন, ‘প্রতিবেশী দেশগুলোর জন্য ভারতের একটি নীতি রয়েছে। এ ক্ষেত্রে বাংলাদেশকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেয়া হয়। যেকোনো বিষয়ে সবচেয়ে বেশি অগ্রাধিকার পায় বাংলাদেশ।’

বাংলাদেশ সব সময় ভারতের কাছে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার পায় বলে জানিয়েছেন ঢাকায় দেশটির হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মা।

গণভবনে বুধবার সকালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতে তিনি এ কথা বলেন।

এ বিষয়ে পরে সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন প্রধানমন্ত্রীর উপ প্রেস সচিব কে এম শাখাওয়াত মুন।

প্রণয় ভার্মা বলেন, ‘প্রতিবেশী দেশগুলোর জন্য ভারতের একটি নীতি রয়েছে। এ ক্ষেত্রে বাংলাদেশকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেয়া হয়। যেকোনো বিষয়ে সবচেয়ে বেশি অগ্রাধিকার পায় বাংলাদেশ।’

বাংলাদেশকে ভারতের ‘খুব ভালো বন্ধু’ হিসেবেও অভিহিত করেন ঢাকায় দিল্লির দূত। তিনি বলেন, এ অঞ্চলে সন্ত্রাস দমনে বাংলাদেশ ও ভারত একসঙ্গে কাজ করবে।

জবাবে বাংলাদেশ কখনও সন্ত্রাসবাদকে প্রশ্রয় দেয়নি বলে সুস্পষ্ট বার্তা দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, সন্ত্রাসের কোনো ধর্ম ও সীমানা নেই।

বাংলাদেশ তার মাটিকে কখনও সন্ত্রাসবাদের উদ্দেশ্যে ব্যবহার করতে দেয় না বলেও জানান সরকারপ্রধান।

বাংলাদেশ ও ভারত আলোচনার মাধ্যমে তিস্তা নদীর পানি বণ্টনসহ অমীমাংসিত সব সমস্যার সমাধান করতে পারে বলে আশা প্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি ভারতের ব্যবসায়ীদের বাংলাদেশের ১০০টি বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলে বিনিয়োগের আহ্বান জানান।

সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে বাণিজ্য ও যোগাযোগ বেড়েছে বলে এ সময় মন্তব্য করেন প্রণয় ভার্মা।

দুই প্রতিবেশী দেশের মধ্যে অর্থনৈতিক সম্পর্ককে সহজতর করতে ব্যাপক অর্থনৈতিক অংশীদারি চুক্তি (সিইপিএ) নিয়েও আলোচনা করেন তারা। প্রণয় ভার্মা বলেন, ভারত বাংলাদেশকে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে সহযোগিতা দেবে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দূরদর্শী নেতৃত্বে বাংলাদেশের আর্থসামাজিক উন্নয়নের প্রশংসা করেন তিনি।

এ সময় অ্যাম্বাসেডর অ্যাট লার্জ মোহাম্মদ জিয়াউদ্দিন এবং প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব ড. আহমদ কায়কাউস উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন:
বর্ষসেরা কূটনীতিক সাইদা মুনা তাসনিম
নগ্ন ভিডিও চ্যাটিং: কলকাতা থেকে বাংলাদেশি কূটনীতিক প্রত্যাহার
আনারসযুদ্ধে চীন-তাইওয়ান
এক যুগে কৌশলী ভারসাম্যের কূটনীতি
ডুবন্ত শিক্ষার্থীকে বাঁচিয়ে প্রশংসায় ভাসছেন ব্রিটিশ কূটনীতিক

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The government wants to reduce the remuneration of CEC EC

সিইসি-ইসির সম্মানী কর্তন করতে চায় সরকার

সিইসি-ইসির সম্মানী কর্তন করতে চায় সরকার সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার কাজী হাবিবুল আউয়াল। ফাইল ছবি
ভোট গ্রহণ কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণে দেড় ঘণ্টার সেশন বাবদ প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও নির্বাচন কমিশনাররা ৭ হাজার ৫০০ টাকা পেয়ে এলেও সে টাকা দিতে নারাজ অর্থ মন্ত্রণালয়। সাংবিধানিক দায়িত্ব পালনে প্রিভিলাইজ অ্যাক্ট অনুযায়ী সুবিধাপ্রাপ্ত হন বিধায় তাদের এই সম্মানীতে অসম্মতি দিয়েছে মন্ত্রণালয়।

দেশের অর্থনৈতিক সংকট মোকাবিলায় সরকার ঘোষিত ব্যয় সংকোচন নীতিতে এবার প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) ও নির্বাচন কমিশনারদের (ইসি) সম্মানী কর্তন করছে সরকার।

ভোট গ্রহণ কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণে দেড় ঘণ্টার সেশন বাবদ প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও নির্বাচন কমিশনাররা ৭ হাজার ৫০০ টাকা পেয়ে এলেও সে টাকা দিতে নারাজ অর্থ মন্ত্রণালয়। সাংবিধানিক দায়িত্ব পালনে প্রিভিলাইজ অ্যাক্ট অনুযায়ী সুবিধাপ্রাপ্ত হন বিধায় তাদের এই সম্মানীতে অসম্মতি দিয়েছে মন্ত্রণালয়।

তবে বিদায়ী কে এম নূরুল হুদা কমিশনের সবাই এ বাবদ সম্মানী পেয়েছেন। নির্বাচন কমিশনের কর্মকর্তারা বলছেন, অর্থ মন্ত্রণালয় ভুলবশত এই চিঠি দিয়েছে। হাইকোর্টের বিচারকরা যেমন সম্মানী পেয়ে থাকেন ঠিক তেমনি নির্বাচন কমিশনাররা এটা পাবেন।

এ ছাড়া আরও বিভিন্ন খাতে প্রশিক্ষণার্থীদের প্রশিক্ষণ ভাতা অর্ধেক কমিয়ে ১ হাজার টাকা থেকে ৫০০ টাকা করা হয়েছে। কোর্স পরিচালক, কোর্স সমন্বয়ক ও সহযোগী কর্মচারীদের ক্ষেত্রে রুটিন কাজ হওয়ায় টাকা ছাড় করতে রাজি হয়নি মন্ত্রণালয়।

সম্প্রতি নির্বাচন কমিশনে পাঠানো অর্থ মন্ত্রণালয়ের উপসচিব নারগিস মুরশিদ স্বাক্ষরিত এক চিঠি থেকে এসব তথ্য জানা যায়। ভোট গ্রহণ কাজে কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণে প্রশিক্ষক সম্মানী ও প্রশিক্ষণ ভাতা নির্ধারণের জন্য অর্থ মন্ত্রণালয়কে চিঠি দিয়েছিল ইসি। তারই জবাবে এ চিঠি দেয় অর্থ মন্ত্রণালয়।

নির্বাচন কমিশনের অতিরিক্ত সচিব অশোক কুমার দেবনাথ নিউজবাংলাকে বলেন, ‘অর্থ মন্ত্রণালয়ের এ রকম একটি চিঠি আসছে। ওরা ভুলবশত দিয়েছে। কমিশনাররা সম্মানী পাবেন। অর্ডার সংশোধনের জন্য আমরা আরেকটা চিঠি দিয়েছি।’

তিনি বলেন, ‘হাইকোর্টের বিচারকরা যেমন সম্মানী পান৷ কমিশনাররাও তেমন সম্মানী পাবে। আমরা আবার চিঠি দেব অর্থ মন্ত্রণালয়ে। তাদের সঙ্গে আমাদের কথা হয়েছে।’

ব্যয় সংকোচনের কারণে এমন সিদ্ধান্ত প্রশিক্ষণ দেয়ার ক্ষেত্রে বাধা সৃষ্টি হবে কি না, জানতে চাইলে অশোক কুমার দেবনাথ বলেন, ‘বাংলাদেশে সার্বিক অবস্থা বিবেচনা করেই হয়তো বা এমন হয়েছে। তবে এতে প্রশিক্ষণ বাধাগ্রস্ত হবে না। আনুষঙ্গিক খরচ কিছুটা কমতে পারে।’

প্রতি দেড় ঘণ্টা সেশনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অন্য কমিশনারদের জন্য প্রশিক্ষক সম্মানী ৭ হাজার ৫০০ টাকা নির্ধারণ করলেও সে ক্ষেত্রে কোনো অর্থ খরচ করতে চায় না অর্থ মন্ত্রণালয়। এ ছাড়া জ্যেষ্ঠ সচিব, সচিব ও অতিরিক্ত সচিবদের প্রতি দেড় ঘণ্টা সেশনে সম্মানী বাবদ নির্বাচন কমিশন ৫ হাজার টাকা চাইলেও অর্থ মন্ত্রণালয় ২ হাজার টাকা কেটে তা ৩ হাজার টাকা করে দিয়েছে।

যুগ্ম সচিব বা সমপর্যায়ের কর্মচারীদের ৩ হাজার টাকার জায়গায় ১ হাজার কমিয়ে ২ হাজার টাকা করা হয়েছে। এ ছাড়া উপসচিব ও সমপর্যায়ের কর্মীদের ২ হাজার টাকা থেকে কমিয়ে দেড় হাজার টাকা করার সিদ্ধান্ত জানিয়েছে অর্থ মন্ত্রণালয়। প্রশিক্ষণার্থীদের প্রশিক্ষণ ভাতা অর্ধেক কমিয়ে ১ হাজার টাকা থেকে ৫০০ টাকা করা হয়েছে। এ ছাড়া কোর্স পরিচালক, কোর্স সমন্বয়ক ও সহযোগী কর্মচারীদের ক্ষেত্রে রুটিন কাজ হওয়ায় টাকা ছাড় করতে রাজি হয়নি অর্থ মন্ত্রণালয়।

অন্যদিকে নির্বাচন কমিশন তাদের চিঠিতে কোর্স পরিচালকের সম্মানী ৬ হাজার টাকা, সমন্বয়কদের ৫ হাজার টাকা চায়। সহযোগীদের দিনপ্রতি ৫০০ টাকা চেয়েছিল তারা।

প্রশিক্ষণার্থীদের চা-নাশতা বাবদ খরচ না কমালেও দুপুরের খাবার বাবদ ১০০ টাকা কমাতে চায় অর্থ মন্ত্রণালয়। এ ছাড়া প্রশিক্ষণ সামগ্রী বাবদ জনপ্রতি ১০০ টাকা খরচের জায়গায় ৫০ টাকা, উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের খরচ ৫ হাজার থেকে কমিয়ে ৩ হাজার টাকা সম্মতি দিয়েছে অর্থ মন্ত্রণালয়৷

ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) ভোট গ্রহণে সহায়ক কর্মচারীদের সফটওয়্যার-বিষয়ক প্রশিক্ষণের ক্ষেত্রে সিস্টেম ম্যানেজারদের প্রশিক্ষণ সম্মানী আড়াই হাজার থেকে কমিয়ে ২ হাজার টাকা, সিনিয়র সিস্টেম অ্যানালিস্টদের ক্ষেত্রে ২ হাজার থেকে কমিয়ে দেড় হাজার টাকা করা হয়েছে। প্রশিক্ষণার্থীদের চা-নাশতা বাবদ খরচ না কমালেও দুপুরের খাবার বাবদ ১০০ টাকা কমাতে চায় অর্থ মন্ত্রণালয়।

যেসব শর্ত অর্থ মন্ত্রণালয়ের

প্রিসাইডিং অফিসার, সহকারী প্রিসাইডিং অফিসার ও পোলিং অফিসারদের ব্যালট এবং ইভিএমের ভোট গ্রহণের বিষয়ে একত্রে বা আলাদাভাবে ভোট গ্রহণ করা যাবে।
একজন প্রশিক্ষক একাধিক প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে অংশ নিলেও দিনে দুইটার বেশি সম্মানী পাবেন না।

এ খাতে বরাদ্দ অর্থ থেকে এই ব্যয় নির্বাহ করতে হবে, এ বাবদ অতিরিক্ত বরাদ্দ দাবি করা যাবে না। এ অর্থ ব্যয়ে যাবতীয় আর্থিক বিধান যথাযথভাবে পালন করতে হবে।

প্রাপ্যতা নিশ্চিত হয়ে সম্মানী প্রদান করতে হবে। ব্যয়ে কোনো অনিয়ম দেখা দিলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দায়ী থাকবে। আদেশ জারির পর থেকে এ হার কার্যকর হবে।

আরও পড়ুন:
পুলিশ দিয়ে ব্যালেন্স করব না: সিইসি
ফরিদপুরে শান্তিপূর্ণ ভোট, গাইবান্ধার সিদ্ধান্তে আরও ৭ দিন: সিইসি
গোপন কক্ষে দ্বিতীয় কেউ যাননি: সিইসি
কোনো চাপ নেই: সিইসি

মন্তব্য

p
উপরে