বিজনেস ইনিশিয়েটিভ লিডিং ডেভেলপমেন্টের (বিল্ড) ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারপারসন হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন মেট্রোপলিটন চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (এমসিসিআই) সাবেক প্রেসিডেন্ট নিহাদ কবির।
২০২২-২৩ মেয়াদের জন্য আগের চেয়ারপারসন আবুল কাসেম খানের স্থলাভিষিক্ত হলেন তিনি।
নিহাদ কবির সুপ্রিম কোর্টের একজন সিনিয়র অ্যাডভোকেট ব্যারিস্টার-অ্যাট-ল। তিনি বাংলাদেশের শীর্ষস্থানীয় ল ফার্ম সৈয়দ ইশতিয়াক আহমদ অ্যান্ড অ্যাসোসিয়েটসের সিনিয়র পার্টনার। তিনি স্কয়ার টেক্সটাইলস লিমিটেডের পরিচালনা পর্ষদের একজন স্বাধীন পরিচালক ও ইনফ্রাস্ট্রাকচার ডেভেলপমেন্ট কোম্পানি লিমিটেডের (ইডকল) পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
এর আগে তিনি ব্র্যাক ইপিএল স্টক ব্রোকারেজ লিমিটেড ও ব্র্যাক ইপিএল ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেডের পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারপারসন হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
এ ছাড়া তিনি বিকাশ, ব্র্যাক ব্যাংক ও অন্যান্য তালিকাভুক্ত কোম্পানির পর্ষদ সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (বিআইডিএস) সিনিয়র ফেলো ও পর্ষদ সদস্য, বাংলাদেশ পাবলিক অ্যাডমিনিস্ট্রেশন ট্রেনিং সেন্টারের বোর্ড অব গভর্নরসের সদস্য এবং আইন ও লিগাল এইড প্রতিষ্ঠান আইন ও সালিশ কেন্দ্রের চেয়ারপারসন।
নিহাদ কবির বাংলাদেশ সরকারের জাতীয় শিক্ষানীতি কমিটি ও ন্যাশনাল পে অ্যান্ড সার্ভিসেস কমিশনের সদস্য। তিনি ২০১৭ সালে বিল্ডের চেয়ারপারসন হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
২০২২ সালের জন্য বিল্ডের ট্রাস্টি বোর্ডের অন্য সদস্যরা হলেন এমসিসিআই প্রেসিডেন্ট মো. সাইফুল ইসলাম, ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (ডিসিসিআই) প্রেসিডেন্ট রিজওয়ান রহমান, চিটাগং চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (সিসিসিআই) প্রেসিডেন্ট মাহবুবুল আলম, এমসিসিআইয়ের সেক্রেটারি জেনারেল ফারুক আহমদ, ডিসিসিআইয়ের সেক্রেটারি জেনারেল আফসারুল আরিফীন ও সিসিসিআইয়ের সচিব ইঞ্জি. মোহাম্মদ ফারুক।
বিল্ডের সদ্য বিদায়ী চেয়ারপারসন আবুল কাসেম খান ২০২২-২৩ মেয়াদে ডিসিসিআইয়ের পক্ষ থেকে বিল্ডের ট্রাস্টি বোর্ডের মনোনীত সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। অন্যদিকে একই মেয়াদের জন্য সিসিআই মনোনীত ট্রাস্টি বোর্ড সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন সিসিআইয়ের পরিচালক সৈয়দ মোহাম্মদ তানভীর। সদস্যসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন বিল্ডের বর্তমান প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ফেরদৌস আরা বেগম।
সরকারি ও বেসরকারি খাতের সংলাপের একটি প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করছে বিল্ড। ২০১১ সাল থেকে প্রতিষ্ঠানটি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের প্রাইভেট সেক্টর ডেভেলপমেন্ট পলিসি কোঅরডিনেশন কমিটিকে (পিএসডিপিসিসি) সাচিবিক সহায়তা প্রদান করে আসছে। পিএসডিপিসিসির নেতৃত্বে রয়েছেন প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের মুখ্য সচিব।
বিল্ড মূলত ৭টি বিষয়ভিত্তিক ক্ষেত্রে (থিমেটিক এরিয়া) পাবলিক-প্রাইভেট ডায়লগের আয়োজন করে থাকে। এগুলো হলো, ফোরআইআর অ্যান্ড আইসিটি, লজিস্টিকস ইনফ্রাস্ট্রাকচার ডেভেলপমেন্ট, ট্যাক্স, এসএমই, ফিন্যান্সিয়াল সেক্টর, ট্রেড অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট এবং সাসটেইনেবিলিটি অ্যান্ড গ্রিন গ্রোথ। সরকারি ও বেসকারি খাতের সংলাপকে কার্যকরী করতে প্রতিষ্ঠানটি বেশির ভাগ বিশ্লেষণ ও অ্যাডভোকেসি পরিচালনা করে থাকে। এর মাধ্যমে সরকারকে সুনির্দিষ্ট, নিরূপণযোগ্য ও ফলাফলভিত্তিক সুপারিশ প্রদান করে থাকে প্রতিষ্ঠানটি।
ছবি: সংগৃহীত
দেশের ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প (এসএমই) খাতে নেতিবাচক প্রভাবের আশঙ্কা এবং খুচরা ব্যবসায়ীদের তীব্র বিরোধিতার মুখে অবশেষে বড় ধরনের ছাড় দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। ক্ষুদ্র ব্যবসার ওপর নির্দিষ্ট হারে মূল্য সংযোজন কর (ভ্যাট) বা বহুল আলোচিত ‘প্যাকেজ ভ্যাট’ আরোপ এবং সব খুচরা দোকানের জন্য ভ্যাট নিবন্ধন বাধ্যতামূলক করার বিতর্কিত প্রস্তাব থেকে সরকার সরে আসছে। একই সঙ্গে তামাক খাতে প্রস্তাবিত কর বৃদ্ধি শিথিল করা এবং ভূমির মালিকদের জন্য মূলধনি মুনাফা কর (গেইন ট্যাক্স) কমানোর বিষয়টিও পুনর্বিবেচনা করা হচ্ছে। আজ সোমবার (২৯ জুন, ২০২৬) জাতীয় সংসদে নতুন অর্থ বিলটি ‘অর্থ আইন’ হিসেবে পাস হওয়ার আগেই এই পরিবর্তনগুলো আনা হচ্ছে।
বর্তমানে প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী, বছরে ৫০ লাখ টাকা বা তার বেশি টার্নওভার (বার্ষিক বিক্রি) রয়েছে এমন খুচরা ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানকে বাধ্যতামূলকভাবে ভ্যাট নিবন্ধন নিতে হয় এবং এর নিচের প্রতিষ্ঠানগুলো ভ্যাটের আওতার বাইরে থাকে। তবে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট প্রস্তাবে ১ জুলাই থেকে টার্নওভারের পরিমাণ নির্বিশেষে দেশের সব খুচরা ব্যবসাকে ভ্যাট নিবন্ধনের আওতায় আনার ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল। এই প্রস্তাবের পর দেশজুড়ে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়ে এবং তারা আশঙ্কা প্রকাশ করেন যে, এতে ক্ষুদ্র দোকানের পরিচালন ব্যয় বৃদ্ধি পাবে এবং মাঠপর্যায়ের ভ্যাট কর্মকর্তাদের হয়রানির ঝুঁকি বহুগুণ বাড়বে। ব্যবসায়ীদের এমন যৌক্তিক দাবির মুখে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী অর্থ বিল পাস হওয়ার আগেই সংশ্লিষ্ট বিধানটি বাদ দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।
একজন জ্যেষ্ঠ সরকারি কর্মকর্তা জানান, এই প্রস্তাবটি মাঠপর্যায়ে বাস্তবায়ন করা অত্যন্ত জটিল। তাছাড়া অনেক মাঝারি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানও সাধারণ ভ্যাট ব্যবস্থার পরিবর্তে প্যাকেজ ভ্যাটের সুবিধা নিয়ে কর ফাঁকি দেওয়ার চেষ্টা করতে পারে। এসব দিক বিবেচনা করেই এই সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করা হয়েছে। এদিকে বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতি ক্ষুদ্র ও অতিক্ষুদ্র ব্যবসাকে ভ্যাটের আওতার বাইরে রাখার জোর দাবি জানিয়ে আসছিল। সংগঠনের সভাপতি মো. হেলাল উদ্দিন এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, “ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের অধিকাংশেরই সাধারণ ভোক্তাদের কাছ থেকে ভ্যাট আদায়ের প্রযুক্তিগত সক্ষমতা নেই। এই ব্যবস্থা চালু হলে হাজারো ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী অপ্রয়োজনীয় হয়রানির শিকার হতেন এবং এসএমই খাতে অস্থিরতা তৈরি হতো।”
দোকান মালিক সমিতির তথ্যমতে, বর্তমানে দেশে প্রায় ৭ লাখ ৭৫ হাজার প্রতিষ্ঠান ভ্যাট নিবন্ধনের আওতায় রয়েছে। গত অর্থবছরে আদায়কৃত ১ লাখ ৪২ হাজার কোটি টাকার মোট ভ্যাটের প্রায় ৬০ শতাংশই এসেছে বৃহৎ করদাতা ইউনিটের (এলটিইউ) আওতাধীন মাত্র ১০৯টি বড় প্রতিষ্ঠান থেকে। তাই সংগঠনটি জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) প্রতি খুচরা দোকানদারদের হয়রানি না করে ভ্যাট অটোমেশন কার্যক্রম দ্রুত বাস্তবায়ন এবং বড় বড় ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের ওপর নজরদারি জোরদারের আহ্বান জানিয়েছে।
অর্থ বিলে আরও যেসব সংশোধন আসতে পারে:
দেশের অর্থনীতি ও বৈদেশিক মুদ্রার বাজারে স্বস্তির বার্তা দিয়ে আবারও বেড়েছে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ। বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ প্রতিবেদন অনুযায়ী, দেশের মোট গ্রস বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বেড়ে ৩৬ হাজার ৩১৪ দশমিক ২৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বা ৩৬ দশমিক ৩১ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে। রোববার (২৮ জুন, ২০২৬) বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান আনুষ্ঠানিকভাবে রিজার্ভ বৃদ্ধির এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সবশেষ পরিসংখ্যান বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, ২৮ জুন পর্যন্ত দেশের মোট গ্রস রিজার্ভের পরিমাণ যেখানে ৩৬ হাজার ৩১৪ দশমিক ২৫ মিলিয়ন ডলার, সেখানে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) আন্তর্জাতিক মানদণ্ড বা ‘বিপিএম-৬’ (BPM6) হিসাব পদ্ধতি অনুযায়ী নিট রিজার্ভের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৩১ হাজার ৭৩৮ দশমিক ০৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলারে (৩১ দশমিক ৭৩ বিলিয়ন ডলার)।
এর মাত্র তিন দিন আগে, অর্থাৎ গত ২৫ জুন পর্যন্ত দেশের গ্রস রিজার্ভের পরিমাণ ছিল ৩৬ হাজার ৮২ দশমিক ২৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার এবং বিপিএম-৬ পদ্ধতিতে রিজার্ভের স্থিতি ছিল ৩১ হাজার ৫৩২ দশমিক ৩০ মিলিয়ন ডলার। সেই হিসাবে মাত্র তিন দিনের ব্যবধানে দেশের গ্রস রিজার্ভ বেড়েছে প্রায় ২৩২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার এবং আইএমএফের হিসাব পদ্ধতিতে রিজার্ভ বেড়েছে ২০৫ দশমিক ৭৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। প্রবাসী আয় (রেমিট্যান্স) ও রপ্তানি আয়ের ইতিবাচক ধারার কারণেই রিজার্ভের এই ধারাবাহিক উন্নতি হচ্ছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট অর্থনৈতিক বিশ্লেষকরা।
চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালকে প্রায় ২ কোটি টাকার চিকিৎসা সরঞ্জাম দিয়েছে শিল্পগ্রুপ কেএসআএম।
কোম্পানির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, প্রায় দুই কোটি টাকা দামের চারটি হিমোডায়ালাইসিস মেশিন, চারটি রিয়েল-টাইম ফোরডি আল্ট্রাসাউন্ড মেশিন ও জিই ব্র্যান্ডের একটি উদ্ভাবনী কালার ডপলার সিস্টেম হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে হস্তান্তর করা হয়।
হাসপাতালের সম্মেলন কক্ষে কেএসআরএমের উপব্যবস্থাপনা পরিচালক সেলিম উদ্দিন স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (বাজেট) আরিফ আহমদ এবং হাসপাতাল পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ তসলিম উদ্দিনের কাছে এসব সরঞ্জাম তুলে দেন।
কেএসআরএমের পরিচালক জসিম উদ্দিন, উপ পরিচালক ইলিয়াছ চৌধুরী, সহকারী পরিচালক কাজী সাইফুল আলম, কেএসআরএম উপ মহাব্যবস্থাপক ওয়াহিদুজ্জামান,মোস্তফা আনোয়ার এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
আরিফ আহমদ বলেন, “দুই হাজার ২০০ বেডের হাসপাতালের যে বাজেট, তা অপ্রতুল। কেএসআরএমের এমন সহায়তায় রোগীদের অনেক উপকার হবে।”
মোহাম্মদ তসলিম উদ্দিন বলেন, “যে কোনো মানবিক কাজে কেএসআরএম আমাদের সারথি হয়ে থাকে। এবারও ব্যতিক্রম হয়নি। অতিমূল্যবান এসব চিকিৎসা সরঞ্জাম জরুরি মূহুর্তে সংকটাপন্ন রোগীর জীবন বাঁচাবে।”
জসিম উদ্দিন বলেন, “কেএসআরএম পরিবার অত্যন্ত আনন্দিত ও গর্বিত মানবিক সহায়তার সহযাত্রী হয়ে। আমাদের নিরলস প্রচেষ্টা মানুষের পাশে থাকা। যে কোনো মানবিক মূল্যবোধ সম্পন্ন কাজে আমাদের সহযোগিতা আগামীতেও অব্যাহত থাকবে।”
শিল্পখাতের শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে শিক্ষার্থীদের এক অনন্য ‘সেতুবন্ধন’ তৈরির লক্ষ্যে ইউনিভার্সিটি অব লিবারেল আর্টস বাংলাদেশে (ইউল্যাবে) অত্যন্ত সফলভাবে সম্পন্ন হলো ক্যারিয়ার ও নেটওয়ার্কিং বিষয়ক বিশেষ আয়োজন ‘মিট দ্য রিক্রুটার্স’। গত বুধবার রাজধানীর মোহাম্মদপুরে অবস্থিত ইউল্যাবের স্থায়ী ক্যাম্পাসে দিনব্যাপী বর্ণাঢ্য বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্য দিয়ে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। গতকাল শনিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ বিভাগ থেকে পাঠানো এক অফিশিয়াল সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই সফল আয়োজনের বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করা হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে ইউল্যাব কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কুল অব বিজনেস এবং ক্যারিয়ার সার্ভিসেস অফিস (সিএসও) যৌথভাবে এই ক্যারিয়ারমুখী কর্মসূচির আয়োজন করে। বুধবার সকাল ১০টা থেকে শুরু হয়ে বিকেল ৩টা পর্যন্ত চলা এই আয়োজনে দেশের বিভিন্ন খাতের শীর্ষস্থানীয় করপোরেট প্রতিষ্ঠানের মানবসম্পদ বিভাগের প্রতিনিধিরা অংশ নেন। এই ক্যাম্পেইন ও অনুষ্ঠানের মাধ্যমে তরুণ শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে সরাসরি ফুল-টাইম চাকরি এবং ইন্টার্নশিপের বাস্তব সুযোগ সম্পর্কে জানার পাশাপাশি করপোরেট নিয়োগদাতাদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ ও পেশাগত শক্তিশালী নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার দারুণ সুযোগ পেয়েছেন।
দিনব্যাপী আয়োজিত এই বিশেষ আয়োজনে দেশের স্বনামধন্য মোট ১১টি বড় কোম্পানি ও প্রতিষ্ঠান অংশ নেয়। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো—এবি ব্যাংক, আনোয়ার গ্রুপ, অ্যাপেক্স ডিএমআইটি, কোকাকোলা বেভারেজেস বাংলাদেশ লিমিটেড, ড্রিম টেক্সটাইলস মিলস লিমিটেড, এইচআরসফটবিডি, সোক্রিও টেকনোলজিস লিমিটেড, সুখের খামার অ্যাগ্রো, দৈনিক আগামীর সময়, মীনা বাজার এবং ইউনাইটেড ফাইন্যান্সিয়াল ট্রেডিং কোম্পানি লিমিটেড। এই প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতিনিধিরা সরাসরি বুথ বসিয়ে আগ্রহী শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে জীবনবৃত্তান্ত (সিভি) সংগ্রহ করেন, তাৎক্ষণিক ইন্টারভিউ নেন এবং বর্তমান করপোরেট বাজারের চাহিদা ও ক্যারিয়ার গঠনের বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ দেন।
এর আগে, ইউল্যাবের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক মিলন কুমার ভট্টাচার্য প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এই ‘মিট দ্য রিক্রুটার্স’ অনুষ্ঠানের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন ঘোষণা করেন। এই বিশেষ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন ইউল্যাব স্কুল অব বিজনেসের ডিন অধ্যাপক সারওয়ার উদ্দিন আহমেদ, বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার ফয়জুল ইসলাম, ডেপুটি ডিরেক্টর এবং হেড অব কমিউনিকেশন আসিফুর রহমান খান, ক্যারিয়ার সার্ভিসেস অফিসের অতিরিক্ত পরিচালক আসলাম হোসেন, এমবিএ ও ইএমবিএ প্রোগ্রামের পরিচালক শামসুদ্দিন আহমাদ এবং বিবিএ প্রোগ্রামের পরিচালক ওয়াজির এ এফ আহমাদসহ স্কুল অব বিজনেসের বিভিন্ন অনুষদের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীবৃন্দ।
কক্সবাজারে ‘পার্টনার সামিট’ আয়োজন করেছে ই-কমার্স ও অনলাইন শপিং প্ল্যাটফর্ম কার্টআপ।
এই আয়োজনে কার্টআপের ‘জুলাই জ্যাকপট’, ‘অক্টোবর অফার্স’, ‘বিগ ফ্রাইডে সেল’ ও ‘ইয়ার এন্ড সেল’ ক্যাম্পেইন ঘোষণা করা হয়।
শনিবার কার্টআপের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, কক্সবাজারের ওশান প্যারাডাইস হোটেলে শুক্রবার রাতে প্রথম পার্টনার সামিট ‘কার্টআপ কানেক্ট’ আয়োজন করা হয়। সেখানে ৩৫০ জনেরও বেশি সেলার পার্টনার, ১৫০টি ব্র্যান্ড, ২০টি ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান অংশগ্রহণ করে।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স ও কার্টআপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ আবদুল্লাহ আল মামুন।
তিনি বলেন, “আমাদের সেলার ও পার্টনারদের আস্থা ও সহযোগিতাই কার্টআপের অগ্রযাত্রার মূল শক্তি। বাংলাদেশের উদ্যোক্তাদের জন্য একটি নির্ভরযোগ্য, স্বচ্ছ ও আধুনিক ডিজিটাল মার্কেটপ্লেস গড়ে তুলতে কাজ করছি।”
সামিটে ১৩ ক্যাটাগরিতে বিভিন্ন পার্টনারকে সম্মাননা দেওয়া হয়।
পরিবেশবান্ধব টেকসই যাতায়াত ব্যবস্থা প্রবর্তন এবং গ্রাহকদের গাড়ি ক্রয়ে অর্থায়ন সুবিধা প্রদানের লক্ষ্যে মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক পিএলসি (এমটিবি) এবং বিওয়াইডি (BYD) বাংলাদেশ-এর মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক (MoU) স্বাক্ষরিত হয়েছে।
এই চুক্তির আওতায়, এমটিবি’র গ্রাহকরা বিওয়াইডি-এর গাড়ি ক্রয়ের ক্ষেত্রে বিশেষ অফার উপভোগ করতে পারবেন। এর পাশাপাশি তারা আকর্ষণীয় সুদের হারে অর্থায়ন এবং দ্রুততম সময়ে ঋণ প্রক্রিয়াকরণের বিশেষ সুবিধাও পাবেন।
গত জুন ২৪, ২০২৬ তারিখে ঢাকার তেজগাঁওয়ে অবস্থিত সিজি রানার বিডি লিমিটেডের কার্যালয়ে এই চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হয়। মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক পিএলসি-এর পক্ষে ব্যাংকের ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর ও হেড অব রিটেল ব্যাংকিং ডিভিশন মোঃ শাফকাত হোসেন এবং সিজি রানার বিডি লিমিটেড-এর পক্ষে প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজিং ডিরেক্টর, আমীদ সাকিফ খান নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।
অনুষ্ঠানে এমটিবি’র হেড অব রিটেল বিজনেস, তাহসিন শহীদ এবং সিজি রানার বিডি লিমিটেডের প্রধান আর্থিক কর্মকর্তা, ফেরদৌস উর রহমান, এফসিএ-সহ উভয় প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
এই যৌথ অংশীদারিত্ব পরিবেশবান্ধব ব্যাংকিং এবং টেকসই অর্থায়নের প্রতি এমটিবি’র ধারাবাহিক প্রতিশ্রুতিরই একটি প্রতিফলন। দেশে বৈদ্যুতিক গাড়ির (Electric Vehicles) ব্যবহার বাড়াতে উৎসাহিত করার মাধ্যমে একটি পরিচ্ছন্ন এবং সবুজতর বাংলাদেশ বিনির্মাণের লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।
নারায়ণগঞ্জ জেলার আড়াইহাজার থানাধীন পাঁচরুখী গ্রামের মাদ্রাসা “দারুল হাদীস সালাফিয়াহর বালক হোস্টেলের অসম্পূর্ণ কাজ সম্পূর্ণ করার জন্য শাহ্জালাল ইসলামী ব্যাংক ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে ২৫ (পঁচিশ) লক্ষ টাকার আর্থিক অনুদান প্রদান করা হয়েছে।
২৭ জুন ২০২৬ইং তারিখে শাহ্জালাল ইসলামী ব্যাংক ফাউন্ডেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও ব্যাংকের জনসংযোগ বিভাগের ইনচার্জ জনাব কে. এম. হারুনুর রশীদ, মাদ্রসা দারুল হাদীস সালাফিয়াহ’র প্রিন্সিপাল জনাব মুহাম্মাদ মাসউদুল আলম এর নিকট উক্ত অনুদানের চেক প্রদান করেন।
অনুদানের চেক প্রদানকালে শাহ্জালাল ইসলামী ব্যাংক ফাউন্ডেশনের এক্সিকিউটিভ অফিসার মো: কামাল মিয়া এবং মাদ্রাসা দারুল হাদীস সালাফিয়াহ’র অন্যান্য শিক্ষকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য