× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
The child died after falling from the roof while playing
hear-news
player
google_news print-icon

খেলতে গিয়ে ছাদ থেকে পড়ে শিশুর মৃত্যু

খেলতে-গিয়ে-ছাদ-থেকে-পড়ে-শিশুর-মৃত্যু
সংগৃহীত ছবি
শিশুটির মা হোসনে আরা বেগম জানিয়েছেন, তিনি বাসায় কাজে ব্যস্ত ছিলেন। ছেলেকে খাবারের জন্য ডাকাডাকি করছিলেন। ছেলেটি একটি রুটি খেয়ে, বাসার পাশে অন্যান্য ছেলেদের সঙ্গে খেলতে যায়। সেখানে একটি দোতলা ভবন থেকে পড়ে যায়।

রাজধানীর যাত্রাবাড়ী এলাকায় ছাদে খেলতে গিয়ে সেখান থেকে পড়ে পাঁচ বছর বয়সী এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

দুর্ঘটনার পর শিশুটিকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজে হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসার পর চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

শিশুটির নাম বাপ্পি। সে ভোলার দৌলতখান উপজেলার চর খলিফা গ্রামের মো. স্বপন এর ছেলে।

স্বপন যাত্রাবাড়ী উত্তর যাত্রাবাড়ী ইসলামিয়া হাসপাতাল গলির আমজাদ এর বাড়িতে ভাড়া থাকেন। তিনি পেশায় পিকআপ চালক।
রোববার বেলা ২ টার দিকে শিশুটি পড়ে যায়। পরে বেলা সাড়ে চারটার দিকে তাকে মৃত ঘোষণা করা হয়।

দুই ভাই এক বোনের মধ্যে বাপ্পি ছিল দ্বিতীয়।

শিশুটির মা হোসনে আরা বেগম জানিয়েছেন, তিনি বাসায় কাজে ব্যস্ত ছিলেন। ছেলেকে খাবারের জন্য ডাকাডাকি করছিলেন। ছেলেটি একটি রুটি খেয়ে, বাসার পাশে অন্যান্য ছেলেদের সঙ্গে খেলতে যায়। সেখানে একটি দোতলা ভবন থেকে পড়ে যায়।

বাপ্পি পড়ে গেছে- এই বিষয়টি জানার পর তাকে উদ্ধার করে প্রথমে স্থানীয় ইসলামিয়া হাসপাতালে নেয়া হয়। এরপর নেয়া হয় আল করিম হাসপাতালে।

বিকেল সাড়ে চারটার দিকে তাকে ঢাকা মেডিক্যালে নিয়ে আসা হয়।

ঢাকা মেডিক্যালে কলেজ হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ পরিদর্শক বাচ্চু মিয়া জানান, বাপ্পির মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতাল মর্গে রাখা হয়েছে।

আরও পড়ুন:
কেরানীগঞ্জে ছাদ থেকে পড়ে শিশুর মৃত্যু
বালতির পানিতে পড়ে শিশুর মৃত্যু
রাঙ্গাবালীতে পানিতে ডুবে দুই শিশুর মৃত্যু
‘ফেসবুক’ নিয়ে ব্যস্ত নার্স, ২ শিশুর মৃত্যু
‘শ্বাসনালিতে চুইংগাম আটকে’ শিশুর মৃত্যু

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Negative attitudes are the cause of violence against women

‘নেতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি নারী নির্যাতনের কারণ’

‘নেতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি নারী নির্যাতনের কারণ’ রোববার জাতীয় প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে আলোচকরা। ছবি: নিউজবাংলা
সংবাদ সম্মেলনে আলোচকরা বলেন, নারী নির্যাতন কোনো একক সমস্যা নয়। এটা বৈশ্বিক সমস্যা। নারীর প্রতি সহিংসতা রোধ করতে হবে। নারীর প্রতি এ সহিংসতা রোধে নতুন আইন প্রণয়ন ও পুরনো আইনগুলোকে সংস্কার করতে হবে এবং সঠিকভাবে বাস্তবায়ন করতে হবে।

নারীদের প্রতি সমাজের নেতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি নারী নির্যাতনের একটি উল্লেখযোগ্য কারণ। আর এটি নারীর প্রতি সহিংসতা-নারীর মৌলিক অধিকার প্রতিষ্ঠায় অন্যতম বাধা।

রোববার জাতীয় প্রেস ক্লাবের তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে নারী অধিকার সংগঠন জেন্ডার প্ল্যাটফর্ম বাংলাদেশ আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে আলোচকরা এসব কথা বলেন৷

সংবাদ সম্মেলনে আলোচকরা বলেন, নারী নির্যাতন কোনো একক সমস্যা নয়। এটা বৈশ্বিক সমস্যা। নারীর প্রতি সহিংসতা রোধ করতে হবে। নারীর প্রতি এ সহিংসতা রোধে নতুন আইন প্রণয়ন ও পুরনো আইনগুলোকে সংস্কার করতে হবে এবং সঠিকভাবে বাস্তবায়ন করতে হবে।

লিখিত বক্তব্যে বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব লেবার স্টাডিজের (বিলস) পরিচালক নাজমা ইসলাম বলেন, বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের তথ্য অনুযায়ী শুধু অক্টোবর মাসেই ৩৭১ জন নারী ও শিশু নির্যাতনের শিকার হয়েছে। এর মধ্যে ৬২ জন শিশুসহ ৯১ জন ধর্ষণের শিকার হয়েছে। তার মধ্যে ১২ জন শিশু ও ১০ জন নারী দলবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হয়েছে। আর দুজন শিশুকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে। এছাড়া পাঁচ শিশুসহ ১০ জনকে ধর্ষণের চেষ্টা করা হয়েছে। তাছাড়া নারী ও শিশু পাচারের ঘটনা ঘটেছে ৬৩টি।

আইন ও সালিশ কেন্দ্রের (আসক) বরাত দিয়ে নাজমা ইসলাম বলেন, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে অক্টোবর পর্যন্ত এই দশমাসে সারা দেশে ধর্ষণের শিকার হয়েছেন ৮৩০ জন নারী। ধর্ষণের পর হত্যার শিকার হয়েছেন ৩৯ জন। আর ধর্ষণের কারণে আত্মহত্যা করেছেন ৭ জন। এছাড়া আরও ১৪১ নারীকে ধর্ষণের চেষ্টা করা হয়েছে। বিশ্লেষণ অনুযায়ী, ঢাকা জেলায় সর্বাধিক ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। এরপর নারায়ণগঞ্জ, চট্টগ্রাম, গাজীপুর ও নোয়াখালী জেলায় ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে সবচেয়ে বেশি।

সংবাদ সম্মেলনে হয়রানি ও নির্যাতন রোধে জেন্ডার প্লাটফর্ম থেকে ৭ দফা দাবি জানানো হয়।

দাবি গুলো হলো যৌন হয়রানিমুক্ত কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ‘কর্মক্ষেত্রে যৌন হয়রানি প্রতিরোধ আইন’ প্রণয়ন করতে হবে; আইএলও কনভেনশন ১৯০ অনুসমর্থন করতে হবে;যৌন হয়রানি প্রতিরোধে ২০০৯ সালে দেওয়া হাইকোর্টের নির্দেশনার যথাযথ বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে হবে; আদালতের নির্দেশনা যাতে সঠিকভাবে বাস্তবায়িত হয়, সেজন্য সরকারি উদ্যোগে একটি তদারকি কমিটি গঠন করতে হবে।

এছাড়াও প্লাটফর্ম থেকে আরও দাবি করা হয় যৌন হয়রানি প্রতিরোধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে এবং নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে নারী ও শিশু নির্যাতনের বিচার নিষ্পত্তি করা ও বৈষম্যমূলক আইন সংশোধন করতে হবে।

আরও পড়ুন:
নারী-শিশু নির্যাতন মামলা ১৮০ দিনের মধ্যে নিষ্পত্তির দাবি
আদালতে যৌতুকের মামলা করেও বিচার না পাওয়ার অভিযোগ
কিশোরীকে প্রকাশ্যে পেটানোর আসামিরা ১ দিনেই মুক্ত

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Suicide of a housewife suffering from dengue fever

ডেঙ্গুর জ্বরে আক্রান্ত গৃহবধূর ‘আত্মহত্যা’

ডেঙ্গুর জ্বরে আক্রান্ত গৃহবধূর ‘আত্মহত্যা’ প্রতীকী ছবি
সে বেশ কয়েকদিন ধরে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত। গায়ে প্রচণ্ড জ্বর ছিল। আমি তার জন্য দুপুরে ডাব আনতে যাই এর। কিছুক্ষণ পর এসে দেখি ঘরের দরজা বন্ধ। ডাকাডাকি করি, কোনো সাড়া-শব্দ না পেয়ে জানলা দিয়ে উঁকি দিয়ে দেখি আমার স্ত্রী লোহার অ্যাঙ্গেলে ঝুলে আছে: স্বামীর বর্ণনা।

রাজধানীতে ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত এক তরুণী গৃহবধূর আত্মহত্যার খবর পাওয়া গেছে। তার স্বামী দাবি করেছেন, জ্বরের যন্ত্রণা সহ্য করতে না পেরে গলায় ফাঁসি দেন ২০ বছর বয়সী কবিতা আক্তার।

রোববার দুপুরের দিকে এই ঘটনা ঘটে। তাকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে এলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

কবিতাকে হাসপাতালে নিয়ে আসেন তার স্বামী সোহাগ মিয়া। জানান, ছয় মাস আগে বিয়ে করেন তারা। তিন দিন হলো বাবার বাড়ি থেকে ঢাকায় আসেন কবিতা।

‘সে বেশ কয়েকদিন ধরে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত। গায়ে প্রচণ্ড জ্বর ছিল। আমি তার জন্য দুপুরে ডাব আনতে যাই এর। কিছুক্ষণ পর এসে দেখি ঘরের দরজা বন্ধ। ডাকাডাকি করি, কোনো সাড়া-শব্দ না পেয়ে জানলা দিয়ে উঁকি দিয়ে দেখি আমার স্ত্রী লোহার অ্যাঙ্গেলে ঝুলে আছে’- ঘটনার বর্ণনা দিয়ে বলেন সোহাগ।

পরে জানলার ভেতর দিয়ে রড ঢুকিয়ে দরজা খোলা হয়। সরাসরি নিয়ে আসা হয় হাসপাতালে।

সোহাগের গ্রামের বাড়ি কিশোরগঞ্জ জেলার, বাজিতপুর উপজেলার, কুক্রাই নয়াদি গ্রাম। তিনি খিলগাঁও থানার দক্ষিণ বনশ্রীর মেরাদিয়া বাজারের একটি বাসায় বসবাস করেন। এই বাড়িতেই নিরাপত্তা প্রহরীর কাজ করেন।

ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ পরিদর্শক বাচ্চু মিয়া বলেন, ‘খিলগাঁও থেকে এক গৃহবধূর ফাঁসিতে আত্মহত্যা করেছেন। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল মর্গে রাখা হয়েছে বিষয়টি খিলগাঁও থানাকে অবগত করা হয়েছে।’

আরও পড়ুন:
ডেঙ্গুতে আরও ২ মৃত্যু, শনাক্ত ৪৬২
ডেঙ্গুর প্রকোপ কমছে, নভেম্বরে মৃত্যু ছাড়াল ১০০
নভেম্বরে ডেঙ্গুতে এক শ মৃত্যু

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Relief at Messis awakening in DU

মেসিদের জাগরণে স্বস্তি ঢাবিতে

মেসিদের জাগরণে স্বস্তি ঢাবিতে মাঠে উদযাপনে টিম আর্জেন্টিনা। ছবি: এএফপি
আমজাদ হোসেন হৃদয় নামের এক ছাত্র বলেন, ‘আজকের খেলায় মেসির কাছে আমাদের প্রত্যাশা ছিল। নিজে গোল দেয়া এবং ফার্নান্দেসকে দিয়ে করানো গোলটা দেখে কিছুটা স্বস্তি অনুভব করছি। মার্টিনেজের সেভটাও দেখার মতো ছিল।’

বিশ্বকাপে নিজেদের প্রথম ম্যাচে সৌদি আরবের সঙ্গে হেরে খাদের কিনারায় চলে গিয়েছিল আর্জেন্টিনা। সেখান থেকে উঠে আসতে বিকল্প ছিল না জয়ের।

কাতারের লুসাইল আইকনিক স্টেডিয়ামে অধরা সেই জয়ের লক্ষ্যে মাঠে নেমেছিলেন মেসি, ফার্নান্দেসরা, কিন্তু বাংলাদেশ সময় শনিবার মধ্যরাতের ম্যাচের প্রথমার্ধ পর্যন্ত বুক চিনচিন করছিল দর্শকদের। তীর্থের কাকের মতো গোলের অপেক্ষায় ছিলেন তারা।

সে অপেক্ষার অবসান হয় দ্বিতীয়ার্ধে। দলপতি লিওনেল মেসির নীরবতা ভাঙানো গোলে প্রাণ ফেরে দর্শকদের। এরপর এনজো ফার্নান্দেসের দ্বিতীয় গোলে আসে স্বস্তি, যা বহাল ছিল রেফারির শেষ বাঁশি পর্যন্ত।

মেক্সিকোর বিপক্ষে আর্জেন্টিনার গুরুত্বপূর্ণ এ জয়ে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের দর্শকদের মতো প্রাণ ফেরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) টিএসসি, মুহসীন হলের মাঠে বড় পর্দায় খেলা দেখা দর্শকদের। গভীর রাতে তাদের মুখ থেকে বের হয় চাপা অভিমান আর আনন্দের কথা।

বাঁশি বাজিয়ে, মোটরসাইকেলে শোডাউন করে, আর্জেন্টিনার পতাকা গায়ে প্যাঁচিয়ে, নেচে-গেয়ে মেসিদের জয় উদযাপন হয় ঢাবি ক্যাম্পাসে। অনেকে স্লোগান দিতে দিতে ফেরেন হল আর বাসায়।

মেসিদের জাগরণে স্বস্তি ঢাবিতে

এমন মুহূর্তে কথা হয় কিছু আর্জেন্টিনাপ্রেমীর সঙ্গে। তাদের একজন ঢাবি ছাত্র নাসিমুল হুদা বলেন, ‘আমাদের প্রত্যাশা আরেকটু বেশি ছিল। তারপরও জয় পেয়েছি দেখে ভালো লাগছে।

‘প্রথমার্ধের খেলায় আমরা মোটেও সন্তুষ্ট হতে পারিনি। যখন খেলা দেখছিলাম, তখন প্রচণ্ড রাগ উঠছিল। কারণ আর্জেন্টিনা এত বাজে খেলবে, সেটা মানতে পারছিলাম না। তাদের আরও ভালো খেলা উচিত ছিল।’

আরেক ছাত্র সিদ্দিক ফারুক বলেন, ‘প্রথমার্ধে মন খারাপ থাকলেও মেক্সিকোর এত ডিফেন্সের ভেতর মেসির গোল এবং ফার্নান্দেসকে দিয়ে করানো গোলটা অসাধারণ ছিল, তবে আমাদের খেলায় আরও অনেক উন্নতি করা দরকার। এই খেলা দিয়ে আমরা ফাইনালের স্বপ্ন দেখার সাহস করতে পারি না।’

আমজাদ হোসেন হৃদয় নামের এক ছাত্র বলেন, ‘আজকের খেলায় মেসির কাছে আমাদের প্রত্যাশা ছিল। নিজে গোল দেয়া এবং ফার্নান্দেসকে দিয়ে করানো গোলটা দেখে কিছুটা স্বস্তি অনুভব করছি। মার্টিনেজের সেভটাও দেখার মতো ছিল।

‘আশা করছি পোল্যান্ডের ম্যাচে আমরা জিতব। আমি অনেক বেশি করে চাইছি, কাতার বিশ্বকাপটা আর্জেন্টিনার হোক।’

এসইএস শাহিনের কাছে মেক্সিকোর বিপক্ষে ম্যাচটি ছিল ফাইনাল। এতে জয়ের পর তার ভাষ্য, ‘আর্জেন্টিনার সামনে দুইটা ফাইনাল ছিল। একটাতে আজ জিতেছে; আরেকটা আগামী বৃহস্পতিবার।

‘সেটাতেও জিতবে বলে আশা আছে, তবে দলের অবস্থা দেখে মনে হচ্ছে, কেউই ফর্মে নাই। তারপরও আমি আশা ছাড়তে চাই না।’

আর্জেন্টিনার বহুল প্রতীক্ষিত এ জয়ের উচ্ছ্বাসের ঢেউ দেখা গেছে ছাত্রীদের হলে। হল গেটের ভেতর থেকে ‘মেসি মেসি’ স্লোগান দিতে দেখা যায় ছাত্রীদের।

প্রিয় দলের খেলা বড় পর্দায় দেখবে বলে অনেক ছাত্রী নির্ধারিত সময় রাত ১০টার মধ্যে হলে ঢোকেননি। খেলা শেষে তারা বাইরে বন্ধুদের সঙ্গে গল্প করে, আড্ডা দিয়ে রাত কাটিয়েছেন।

এমনই একজন তাসনুভা জাহান নিউজবাংলাকে বলেন, ‘রাত ১০টায় হল বন্ধ হয়ে যায়। সেখানে বড় পর্দায় খেলা দেখার ব্যবস্থা নেই। সবার সঙ্গে বড় পর্দায় খেলা দেখার মজাটাই অন্যরকম। আর সেটা যদি হয় প্রিয় দলের, তাহলে আনন্দটা দ্বিগুণ হয়।

‘তাই আজকে খেলা শেষে বান্ধবীদের সঙ্গে ক্যাম্পাসেই গল্প, আড্ডা করতে করতে রাত কাটাতে হবে।’

তিনি বলেন, ‘আজকে মেসি জিতেছে; অনেক খুশি। এবার অন্তত বিশ্বকাপটা মেসির হোক।’

আরও পড়ুন:
চাপ সামলে জয় অস্ট্রেলিয়ার
আর্জেন্টিনার সামনে যেসব সমীকরণ
সৌদি ফুটবলারদের রোলস রয়েস পাওয়ার খবরটি ভুয়া
মুহিন-ঝিলিকের ‘ছুটছে মেসি ছুটছে নেইমার’
সেই মাঠে আবার নামছে আর্জেন্টিনা

মন্তব্য

বাংলাদেশ
What will be the benefit of metro rail up to Agargaon?

আগারগাঁও পর্যন্ত মেট্রোরেলে লাভ কী হবে?

আগারগাঁও পর্যন্ত মেট্রোরেলে লাভ কী হবে? উত্তরা থেকে মতিঝিল নয়, অর্ধেক দূরত্বে আগারগাঁও পর্যন্ত মেট্রোরেল চললে যাত্রীরা আসলে কতটা উপকৃত হবেন, তা নিয়ে আছে প্রশ্ন। ছবি কোলাজ: নিউজবাংলা
উত্তরা-মতিঝিল রুটটির এক প্রান্ত উত্তরা বলা হলেও রাজধানীর উত্তর অংশের মূল জনপদ থেকে স্টেশনের দূরত্ব কয়েক কিলোমিটার। আবার আগারগাঁও এসে নামার পর যাত্রীদের বাসে করে যেতে হবে গন্তব্যে। রাষ্ট্রায়ত্ত পরিবহন সংস্থা বিআরটিসি বলছে, উত্তরা-আগারগাঁও থেকে বাস চালু করবে তারা। তবে মেট্রোরেলের আরামদায়ক ভ্রমণ শেষে বিআরটিসির পুরোনো বাস যাত্রীর বিরক্তির কারণ হবে বলে মনে করেন নগরবাসী।

তীব্র যানজটে ভুগতে থাকা রাজধানীতে এক মাস পরই যাত্রী নিয়ে দেশের প্রথম মেট্রোরেলের ছোটার অপেক্ষা শেষ হচ্ছে আগামী মাসেই। তবে উত্তরা থেকে মতিঝিল নয়, অর্ধেক দূরত্বে আগারগাঁও পর্যন্ত ট্রেন চললে যাত্রীরা আসলে কতটা উপকৃত হবেন, তা নিয়ে আছে প্রশ্ন।

এই রুটটির এক প্রান্ত উত্তরা বলা হলেও রাজধানীর উত্তর অংশের মূল জনপদ থেকে স্টেশনের দূরত্ব কয়েক কিলোমিটার। আবার আগারগাঁও এসে নামার পর যাত্রীদের বাসে করে যেতে হবে গন্তব্যে।

রাষ্ট্রায়ত্ত পরিবহন সংস্থা বিআরটিসি বলছে, উত্তরা আগারগাঁও থেকে বাস চালু করবে তারা। তবে মেট্রোরেলের আরামদায়ক ভ্রমণ শেষে বিআরটিসির পুরোনো বাস যাত্রীর বিরক্তির কারণ হবে বলে মনে করেন নগরবাসী।

ঢাকার যন্ত্রণাদায়ক গণপরিবহন ব্যবস্থার অভিজ্ঞতা পাল্টে দেয়ার ঘোষণা দিয়ে রাজধানীতে মেট্রোরেলের যে ছয়টি লাইন চালুর পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে, তার মধ্যে প্রথমটি হচ্ছে উত্তরার দিয়াবাড়ী থেকে কমলাপুর পর্যন্ত।

নির্ধারিত সময়ে কাজ শেষ করতে না পেরে তিন ধাপে উদ্বোধন করা হবে যাত্রী বহন, যার মধ্যে আগামী মাসের শেষে দিয়াবাড়ী থেকে আগারগাঁও পর্যন্ত ছুটবে ট্রেনগুলো। পরের ধাপে মতিঝিল পর্যন্ত চলবে ২০২৪ সালের শেষে আর কমলাপুর পর্যন্ত যাবে ২০২৫ সালের শেষে।

প্রশ্ন উঠেছে, আগারগাঁও পর্যন্ত রুটে ট্রেন চললে যাত্রীর ভোগান্তি আসলে কতটা কমবে, নাকি সেটি আরও বাড়াবে?

উত্তরাবাসীর একাংশের হতাশা

উত্তরার দিয়াবাড়ী ও আশপাশের এলাকার মানুষ অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করে আছেন মেট্রোরেলের জন্য। তবে ১ থেকে ১০, এমনকি ১৩, ১৪ নম্বর সেক্টরের বাসিন্দাদের এই ট্রেনের সুবিধা নিতে বেশ কাঠখড় পুড়িয়ে যেতে হবে স্টেশনে।

উত্তরার এসব সেক্টর থেকে দিয়াবাড়ী পর্যন্ত যাতায়াতে গণপরিবহনব্যবস্থা নেই বললেই চলে। একটি মাত্র কোম্পানি রাইদার বাস হাউস বিল্ডিং হয়ে দিয়াবাড়ী পর্যন্ত রুট পারমিট থাকলেও যায় কালভার্ট রোড পর্যন্ত দিয়াবাড়ীতে ঢোকে না। সেখান থেকে ২০ থেকে ৩০ টাকা রিকশা ভাড়া দিয়ে যেতে হবে স্টেশনে। হাউস বিল্ডিং থেকে কেউ রিকশায় যেতে চাইলে খরচ পড়বে ৭০ থেকে ৮০ টাকা। লেগুনায় চড়লে যাওয়া যাবে ২০ টাকায়।

‘মেট্রোরেলে চড়ার তো ইচ্ছা আছেই। চড়তে পারলে আমগো লইগা ভালো। তয় হাউস বিল্ডিং দিয়া হেহানে যাইতে ভাঙা খরচ আছে। হের চাইতে তো এইহান দিয়া (বিমানবন্দর সড়ক ধরে) যাইতেই ভালা’- বলছিলেন পেশায় গাড়িচালক আজহারুল ইসলাম।

দিয়াবাড়ী যাওয়ার সড়কে যানজট নিয়ে শঙ্কায় স্থানীয় আসলাম পারভেজ। তবে এই উদ্যোগের প্রশংসা রয়েছে তার মুখে। স্থানীয়দের অনেকেই এই মেট্রোরেল সেবা নিতে মুখিয়ে আছে।

যাত্রীদের ভোগান্তির কথা চিন্তা করে উত্তরার হাউস বিল্ডিং থেকে দিয়াবাড়ী পর্যন্ত বিআরটিসির বাস চলবে- এমন একটি প্রচার থাকলেও সেটি নিয়ে রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থাটির সুনির্দিষ্ট কোনো ঘোষণা বা পরিকল্পনা জানানো হয়নি।

রাষ্ট্রায়ত্ত পরিবহন সংস্থাটির মহাব্যবস্থাপক আমজাদ হোসেন নিউজবাংলাকে জানান, উত্তরা প্রথম স্টেশনের নিচ থেকে উত্তরার হাউস বিল্ডিং হয়ে বিভিন্ন দিকে বাস চালু হবে। তবে কতগুলো বাস চলবে, কোথায় কোথায় স্টপেজ, ভাড়া কত, সেসব বিষয়ে এখনও বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি।

এই রুটে রাইদা বাসে চালকের সহকারী ইব্রাহীম হোসেন সজল নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আমরা তো চাই যাত্রী উঠুক। কিন্তু যাত্রী নেয়া নিষেধ আছে লেগুনার। এই কারণে যাত্রী তুলি না। এই রাস্তায় যাত্রী নামতে পারলে উঠাইতে পারি না।’

এক চালক বলেন, ‘আমগো তো দিয়াবাড়ী যাওয়ার কথা। কিন্তু ওগো (লেগুনা) কারণে যাইতে পারি না। এই কারণে কালভার্ট রোডে আমারা গাড়ি স্টপ কইরা দেই। ওরা আগে থেইকা এই রোডে চলে তো। ওগো একটা প্রভাব আছে।’

এ সড়কে একাধিক গাড়িচালক নিউজবাংলাকে জানান, স্বাভাবিক সময়ে হাউস বিল্ডিং থেকে স্টেশন পর্যন্ত পৌঁছাতে সময় লাগে ১৫ থেকে ২০ মিনিট। যদি যানজট থাকে, সে ক্ষেত্রে সময় লাগে ৩০ থেকে ৪০ মিনিট।

হাউস বিল্ডিং এলাকার বাসিন্দা আসলাম পারভেজ নিউজবাংলাকে বলেন, ‘উত্তরাবাসীর এই দিয়াবাড়ী আইতে একটা সমস্যা হবে। কারণ এই রাস্তায় অনেক যানজট। যানজট কীভাবে নিয়ন্ত্রণ করা যাবে, সেটার একটা উপায় খুঁজে বের করতে হবে।’

মেট্রোরেলে অবশ্য সুবিধা হবে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘একটা জিনিস প্রবলেম হতে পারে। সেটা হচ্ছে স্টেশনে যাওয়া ও সেখান থেকে বের হওয়া।

‘হাউস বিল্ডিং থেকে লেগুনা দিয়ে ২০ টাকা দিয়া চইলা অসা যাবে। তবে এই লেগুনা দিয়া এত যাত্রী বহন করা সম্ভব নয়। অনেক মানুষ আসবে-যাবে। আসা-যাওয়ার জন্য রাস্তাটা বড় করা দরকার।’

তবু অধীর অপেক্ষায় বহুজন

দিয়াবাড়ীতে উত্তরা উত্তরের প্রথম স্টেশনের পাশেই চায়ের দোকান হরিপদ সরকারের। মেট্রারেল নিয়ে তিনি উচ্ছ্বসিত। নিউজবাংলাকে বলেন, ‘উঠুম না মানে? অবশ্যই উঠুম। এখান থেইকা উইঠা যামুগা কারওয়ান বাজার।’

কারওয়ানবাজার তো যেতে পারবেন আগামী বছর। এখন তো যেতে হবে আগারগাঁও পর্যন্ত। এই তথ্য জানালে কিছুটা হতাশা চলে আসে তার মধ্যে। তখন বলেন, ‘যামু এহন যতটুকু চলব। কিছু দূর গেলেও তো যাওয়ন লাগব।’

দিয়াবাড়ী বটতলার ব্যবসায়ী বাছির মিয়া বলেন, ‘এহানেই তো থাকি। আগারগাঁও গেলেও তাড়াতাড়ি যাওন যাইব। আগে বেড়িবাঁধ হাউস বিল্ডিং দিয়া যাইতাম।

‘আগারগাঁও গেলেও আমরা এই এলাকার যারা আছি তারার লইগা সুবিধা বেশি। যারা দূর-দূরান্ত থেইকা আইব, তাগো খরচা বেশি। যে টাকা দিয়া তারা আইব, সেই টাকা দিয়া আপ-ডাউন করতে পারমু।’

আগারগাঁও নেমে কী হবে?

বেড়ে প্রায় ১২ কিলোমিটার নির্বিঘ্ন যাত্রার পর আগারগাঁও নেমে আবার সেই আগের ভোগান্তি। এখান থেকে বাসে চেপে যেতে হবে ফার্মগেট, শাহবাগ বা মতিঝিলের পথে। এই পথের যানজট এক ইস্যু, আরেকটি হলো আগারগাঁও নেমে যাত্রীরা আসলে বাসে উঠতেই পড়বেন ভোগান্তিতে।

বিআরটিসি বলছে, মেট্রোরেল চালুর দিন থেকে তারা আগারগাঁও থেকে বাস চালু করবে। তবে এই বাসগুলো যাত্রী চাহিদা আদৌ পূরণ করতে পারবে কি?

ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেডের (ডিএমটিসিএল) ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম এ এন ছিদ্দিক জানিয়েছেন, প্রথমে ১০টি ট্রেন দিয়ে মেট্রোরেল চালু করা হবে। প্রতিটি ট্রেনের যাত্রী ধারণক্ষমতা ১ হাজার ৭৩৮।

গত ২২ আগস্ট সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ‘প্রথম দিন ১০ মিনিট পর পর ট্রেন চালু হবে। দ্বিতীয় দিন হয়তো আমরা ৭ মিনিটে নামিয়ে আনব। ক্রমান্বয়ে যাত্রীর চাপের ওপর নির্ভর করবে আমরা কতক্ষণ পর পর ট্রেন ছাড়ব। অনেক বেশি যাত্রী অপেক্ষমাণ থাকলে আমরা সাড়ে ৩ মিনিট পর পর ট্রেন ছাড়ব। ফজরের নামাজের সময় থেকে শুরু করে রাত ১২টা পর্যন্ত ট্রেন চলবে।’

যদি ১০ মিনিটে পৌনে ২ হাজার যাত্রী এসে আগারাগাঁও নামে, তাহলে ঘণ্টায় নামবে সাড়ে ১০ হাজার। একেকটি বাসে ৬০ জন যাত্রী উঠলেও ৫০ বাসে যাত্রী উঠতে পারে তিন হাজার জন।

তবে এই ৫০টি বাসের মধ্যে কিছু চলবে উত্তরায়, কিছু চলবে আগারগোঁওয়ে। যদি ২৫টি করে দুই রুটে দেয়া হয়, তাহলে সেগুলো একবারে দেড় হাজার যাত্রী তুলতে পারবে ঘণ্টায়।

তবে ৫০টি বাসের সবগুলো একসঙ্গে স্টেশনে দাঁড়িয়ে থাকবে না। সব সময় আসা যাওয়ার মধ্যে থাকবে কিছু বাস। কিছু বাস থাকবে নষ্ট।

আগারগাঁওয়ে নিত্যদিনের চিত্রটা কী?

মিরপুর থেকে ছেড়ে আসা বাসগেুলো মূলত শেওড়াপাড়া আগারগাঁও হয়ে নগরীর বিভিন্ন প্রান্তে ছুটে যায়। আগারগাঁও প্রান্তে সরকারি গুরুত্বপূর্ণ অফিসসহ আছে স্কুল কলেজ। প্রতিদিন অসংখ্য যাত্রী এ প্রান্তে বাসের অপেক্ষায় দাঁড়িয়ে থাকে।

আইডিবি ভবনের বিপরীত পাশে সকাল, দুপুর, সন্ধ্যা বা রাত বেশিরভাগ সময়েই বাসে আসন পাওয়া যায় না। এমনকি দাঁড়িয়ে যাওয়ারও উপায় থাকে না বিশেষ করে অফিস সময় ও ছুটি শেষে। বাদুর ঝোলা হয়েই ছুটতে হয় তাদের।

বিআরটিসি কী বলছে

রাষ্ট্রায়ত্ত পরিবহন সংস্থাটির মহাব্যবস্থাপক আমজাদ হোসেন নিউজবাংলাকে বলেন, ‘মেট্রোরেলে উত্তরা প্রথম স্টেশন এবং আগারগাঁও স্টেশনে যাত্রীদের আনা নেয়ার জন্য ডিএমটিসিএল সঙ্গে আমাদের যে চুক্তি হয়েছে, সেখানে আমরা এই দুই স্টেশনের জন্য আপাতত ৫০টি বিআরটিসি বাস দেবো। পরে চাহিদা বাড়লে বাসের সংখ্যাও বাড়ানো হবে।’

আগারগাঁও থেকে ফার্মগেট, শাহবাগ, পল্টন হয়ে মতিঝিল পর্যন্ত চলবে এই বাসগুলো। উত্তরা থেকে দিয়াবাড়ী স্টেশনেও থাকবে শাটল বাস। তবে শুধু মেট্রোরেলের যাত্রী নয়, সব যাত্রীই উঠতে পারবে এতে।

তবে বাসগুলো কোথায় পার্কিং করা হবে- জানতে চাইলে এমআরটি লাইন-৬-এর উপ প্রকল্প ব্যবস্থাপক মাহফুজুর রহমান বলেন, ‘স্টেশনের সামনে যে একটা নার্সারি ছিল, সেটা আমরা সরিয়ে ফেলেছি। এখানেই আমরা স্টেশন প্লাজা তৈরি করব। এখানেই বাসগুলো পার্কিং করা থাকবে। যাত্রীরা আসলে বাসগুলো পরে চলে যাবে।’

পরিবহন বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক শামসুল যা বলছেন

দিয়াবাড়ী থেকে আগারগাঁও পর্যন্ত মেট্রোরেল যাত্রী ভোগান্তি কমাতে পারবে না বলে মনে করেন পরিবহন বিশেষজ্ঞ ও বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক শামসুল হক। তার ধারণা, এটি আরও নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে।

নিউজবাংলাকে তিনি বলেন, ‘আগারগাঁও পর্যন্ত রুট চালু হলে মানুষ হয়তো উচ্ছ্বাসে যাতায়াত করবে। তবে পুরোদমে চালু হলে উচ্ছ্বাসের পাশপাশি মানুষ তার গন্তব্যে সহজে যেতে পারত। সমন্বিতভাবে না হওয়ায় এর একটি ঋণাত্মক প্রভাব পড়বে। প্রধান যে লক্ষ্য, পিক আওয়ারে চাপ কমানো, সেটি পূরণ সম্ভব নয়।’

আগারগাঁওয়ের বদলে ফার্মগেট পর্যন্তও যদি মেট্রোরেল চলত, তাতে কিছুটা সুফল মিলতে পারত কি না, এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘সেটা হতো, কিন্তু ফার্মগেটে বাক আছে। ফলে সেটি অপারেশনালি সম্ভব না। আগারগাঁও পর্যন্ত চালু হলে কী ডিফিকাল্টিস আছে তা আবিষ্কার করা সম্ভব।’

আরও পড়ুন:
মেট্রোরেল উদ্বোধন ডিসেম্বরের শেষ সপ্তাহে
কিছুতেই থামছে না মেট্রোরেলে পোস্টার দূষণ
২০৩০ সালের মধ্যে মেট্রোরেলের ৬ লাইন
মেট্রোরেলের দুই স্টেশনে যাত্রী উঠবে কীভাবে
মেট্রোরেলের দ্বাদশ চালান নিয়ে মোংলায় ট্রাম্প

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Non contributory pension scheme for farm laborers essential Menon

ক্ষেতমজুরের জন্য জমাবিহীন পেনশন স্কিম জরুরি: মেনন

ক্ষেতমজুরের জন্য জমাবিহীন পেনশন স্কিম জরুরি: মেনন শনিবার জাতীয় প্রেস ক্লাবে গোলটেবিল বৈঠকে ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি ও সংসদ সদস্য রাশেদ খান মেনন। ছবি: নিউজবাংলা
রাশেদ খান মেনন বলেন, ‘আমরা সচিবদের বৃদ্ধ বয়সের নিরাপত্তা দিচ্ছি। অন্য কর্মকর্তাদের বৃদ্ধ বয়সে নিরাপত্তা দিচ্ছি। তাহলে কৃষিকাজে যারা আছেন তাদের বৃদ্ধ বয়সে নিরাপত্তা কীভাবে দিতে পারব? এ জন্য জমাবিহীন পেনশন স্কিম খুবই জরুরি।’

ক্ষেতমজুরের জন্য জমাবিহীন পেনশন স্কিম জরুরি বলে মনে করেন বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি ও সংসদ সদস্য রাশেদ খান মেনন।

শনিবার জাতীয় প্রেস ক্লাবের তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে বাংলাদেশ খেতমজুর ইউনিয়ন আয়োজিত ‘খেতমজুর ও গ্রামীণ শ্রমজীবীদের জন্য জমাবিহীন পেনশন’ শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠকে তিনি এই মন্তব্য করেন।

রাশেদ খান মেনন বলেন, ‘আমরা সচিবদের বৃদ্ধ বয়সের নিরাপত্তা দিচ্ছি। অন্য কর্মকর্তাদের বৃদ্ধ বয়সে নিরাপত্তা দিচ্ছি। তাহলে কৃষিকাজে যারা আছেন তাদের বৃদ্ধ বয়সে নিরাপত্তা কীভাবে দিতে পারব? এ জন্য জমাবিহীন পেনশন স্কিম খুবই জরুরি।’

তিনি বলেন, ‘ইউনিভার্সেল পেনশন স্কিম বা খেতমজুরদের জন্য জমাবিহীন পেনশনের কথা যা-ই বলি না কেন, এটা সরকারের দয়া-দক্ষিণা নয়, তারা নাগরিক হিসেবেই এটা পেতে পারে। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে এ বিষয়টি চালু রয়েছে।’

রাশেদ খান মেনন বলেন, ‘এখন একটা অভিযোগ প্রায় শোনা যায় যে গ্রামে কাজের জন্য লোক পাওয়া যায় না। এ ছাড়া এত বেশি তাদের দাম এখন, তাদের দিয়ে পোষানো সম্ভব হয় না। এ কথাটি প্রায়ই শোনা যায়।

‘তার মানে এই না যে গ্রামে তাদের অনেক কর্মসংস্থান করা হয়েছে এবং তারা অনেক ভালো সুযোগসুবিধা পাচ্ছে। তারা মূলত দেশের বাইরে চলে যায় ভালো সুযোগসুবিধার জন্য। যার ফলে সেখানে নারীদের অংশগ্রহণ বেড়ে গেছে। গ্রামের ৭২ শতাংশ নারী এখন কৃষিকাজে অংশ নিচ্ছেন।’

তিনি বলেন, ‘আমাদের সরকার দাবি করে সামাজিক নিরাপত্তা ব্যবস্থার জন্য বাজেটে এবারও বহু টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। সামাজিক নিরাপত্তার বিষয়ে বলা হয় বয়স্ক ভাতা দেয়া হচ্ছে, বিধবা ভাতা দেওয়া হচ্ছে ইত্যাদি ইত্যাদি।

‘আমি একসময় সমাজকল্যাণমন্ত্রী ছিলাম। বর্তমানে আমি স্থায়ী কমিটির সভাপতি, এ বিষয়ে আমার একটু ধারণা আছে। সরকারের একটা সামাজিক নিরাপত্তা কৌশল এখানে আছে। কিন্তু কিন্তু যে ব্যক্তি এই ভাতার ৫০০ টাকা পান তার আসলে তেমন কিছুই হয় না। শুধু আত্মসম্মানটা বাঁচে।’

আরও পড়ুন:
সর্বজনীন পেনশন উদ্যোগে ঢিমেতাল
সংসদে উঠল সর্বজনীন পেনশন বিল
সর্বজনীন পেনশনে মন্ত্রিসভার সায়

মন্তব্য

বাংলাদেশ
There is no alternative to greater preparedness to prevent fire accidents Mayor Atiqul

অগ্নিদুর্ঘটনা রোধে বড় প্রস্তুতির বিকল্প নেই: মেয়র আতিকুল

অগ্নিদুর্ঘটনা রোধে বড় প্রস্তুতির বিকল্প নেই: মেয়র আতিকুল গোলটেবিল বৈঠকে মেয়র আতিকুল ইসলাম। ছবি: নিউজবাংলা
মেয়র বলেন, ‘বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি খাত গার্মেন্টসশিল্পে কর্মীদের অগ্নিনিরাপত্তার বিষয়টি অত্যন্ত কঠোরভাবে মানা হয়। যে নিরাপত্তা কমপ্লায়েন্স গার্মেন্টসশিল্প মানতে পারবে, সেটা কেন সিটি করপোরেশন এলাকার বহুতল ভবনগুলো মানতে পারবে না? সবার জীবন ও জীবিকার নিরাপত্তার স্বার্থে আমাদের সবাইকে তা অবশ্যই মেনে চলতে হবে।’

অগ্নিদুর্ঘটনায় ক্ষয়ক্ষতি ও জীবন বাঁচাতে বড় আকারের পূর্বপ্রস্তুতির কোনো বিকল্প নেই বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) মেয়র আতিকুল ইসলাম।

শনিবার রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তর ও ইলেকট্রনিক্স সেইফটি অ্যান্ড সিকিউরিটি অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ইস্সাব) যৌথ উদ্যোগে ‘বাংলাদেশে অগ্নিনিরাপত্তায় চ্যালেঞ্জসমূহ’ শিরনামে এক গোলটেবিল বৈঠকে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই মন্তব্য করেন।

প্রত্যকটি বহুতল ভবনে মানসম্মত কার্যকর অগ্নিনির্বাপক ব্যবস্থা থাকার জোর দাবি জানিয়ে মেয়র আতিকুল ইসলাম বলেন, ‘অগ্নিদুর্ঘটনায় ক্ষয়ক্ষতি ও জীবন বাঁচাতে বড় আকারের পূর্বপ্রস্তুতির কোনো বিকল্প নেই। নানা কারণে অগ্নিকাণ্ড ঘটতেই পারে কিন্তু আমরা যদি নির্বাপণের জন্য প্রস্তুতি না নিয়ে হাত গুটিয়ে বসে থাকি দিন শেষে ক্ষয়ক্ষতি আমাদেরই হবে। আগুনে পুড়ে মানুষের মত্যুর মিছিল দেখতে হবে।’

তিনি বলেন, ‘নির্বাপণ ব্যবস্থা থাকলেই হবে না। নির্বাপণ ব্যবস্থা কতটুকু কার্যকর তা পরীক্ষা করে দেখতে হবে।’

মেয়র বলেন, ‘বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি খাত গার্মেন্টসশিল্পে কর্মীদের অগ্নিনিরাপত্তার বিষয়টি অত্যন্ত কঠোরভাবে মানা হয়। যে নিরাপত্তা কমপ্লায়েন্স গার্মেন্টসশিল্প মানতে পারবে, সেটা কেন সিটি করপোরেশন এলাকার বহুতল ভবনগুলো মানতে পারবে না? সবার জীবন ও জীবিকার নিরাপত্তার স্বার্থে আমাদের সবাইকে তা অবশ্যই মেনে চলতে হবে।’

এ সময় তিনি বহুতল ভবনগুলোর চাকচিক্যের পাশাপাশি বিল্ডিং কোড, ফায়ার সেফটিসহ অন্য নিরাপত্তাজনিত বিষয়গুলো গুরুত্বসহকারে নিশ্চিত করার কথা বলেন।

আতিকুল ইসলাম বলেন, ‘২০ ফিটের কম প্রশস্ত রাস্তা হলে দুর্ঘটনা-পরবর্তী কার্যক্রম চালানো ব্যাহত হবে। কোনো ধরনের উদ্ধার সরঞ্জাম বা গাড়ি ওই এলাকায় প্রবেশ করতেই পারবে না। তাই ২০ ফিটের কম প্রশস্ত রাস্তা হলে সিটি করপোরেশন তা উন্নয়নের জন্য কোনো বরাদ্দ দেবে না।’

আলোচনায় ডিএনসিসি মেয়র সব ভবনের পাশাপাশি যেকোনো অনুষ্ঠানে অগ্নিকাণ্ডের সময় করণীয় নির্দেশনা, ফায়ার সেফটির সম্পর্কে শিক্ষাসহ সিনেমা হলগুলোতে সিনেমা শুরুর আগে এবং বিরতির সময় ফায়ার সেফটি-বিষয়ক জনসচেতনামূলক তথ্য চিত্র প্রদর্শনের বিষয়টি জোর দিতে বলেন।

গোলটেবিল বৈঠকে মুখ্য আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. মাইন উদ্দিন।

আরও পড়ুন:
মেয়র আতিকুলের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলার আবেদন

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Suhrawardy Udyan full of slogans is waiting for the Prime Minister

সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে মহিলা আওয়ামী লীগের সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী

সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে মহিলা আওয়ামী লীগের সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী বর্ণিল সাজে সাজানো হয়েছে মহিলা আওয়ামী লীগের সম্মেলনের মঞ্চ। ছবি: নিউজবাংলা
মহিলা আওয়ামী লীগের ষষ্ঠ জাতীয় সম্মেলন এটি। এর আগে ২০১৭ সালের ৪ মার্চ সংগঠনটির সর্বশেষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সর্বশেষ সম্মেলনে সাফিয়া খাতুনকে সভাপতি ও মাহমুদা বেগমকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়।

আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠন মহিলা আওয়ামী লীগের ষষ্ঠ ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনে যোগ দিতে রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে উপস্থিত হয়েছেন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

শনিবার বেলা ৩টায় সম্মেলনস্থলে পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী। তিনি সম্মেলন উদ্বোধন করবেন।

সকাল থেকেই এই সম্মেলনস্থল রঙিন সাজে সাজতে শুরু করে। শাড়িসহ বর্ণিল পোশাক আর নানা সাজে উপস্থিত হতে থাকেন নেতা-কর্মীরা।

একে একে আসেন মহিলা আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির নেতা, কাউন্সিলর এবং ডেলিগেটরা। সঙ্গে তাদের ব্যানার, প্ল্যাকার্ড, ফেস্টুন। তখন থেকেই স্লোগান দিচ্ছেন তারা।

মঞ্চ আগে থেকেই প্রস্তুত করা হয়। চালানো হয় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মহড়া। মঞ্চের সামনে অবস্থান নিয়েছেন আওয়ামী লীগসহ অন্য সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা। আর সম্মেলনস্থল ঘিরে আছেন মহিলা লীগের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা-কর্মীরা।

সম্মেলন উপলক্ষে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান ও আশপাশের এলাকা ব্যানার, প্ল্যাকার্ড ও ফেস্টুনে ছেয়ে গেছে। শাহবাগ থেকে মৎস্য ভবন, অন্যদিকে শাহবাগ থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি হয়ে শাপলা চত্বর পর্যন্ত সাজানো হয়েছে নানাভাবে।

মহিলা আওয়ামী লীগের ষষ্ঠ জাতীয় সম্মেলন এটি। এর আগে ২০১৭ সালের ৪ মার্চ সংগঠনটির সর্বশেষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সর্বশেষ সম্মেলনে সাফিয়া খাতুনকে সভাপতি ও মাহমুদা বেগমকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়।

সংগঠনের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী প্রতি তিন বছর পর সম্মেলন হওয়ার কথা থাকলেও প্রায় পাঁচ বছর পর এ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। করোনা পরিস্থিতির কারণে নির্ধারিত সময়ে সম্মেলন হয়নি।

আরও পড়ুন:
মহিলা আ.লীগের ৫৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী
জয়পুরহাট মহিলা আ.লীগের নেতৃত্বে শাম্মিম-সাবিনা

মন্তব্য

p
উপরে