× হোম রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া সিটিজেন জার্নালিজম বিচিত্র ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য আফগানিস্তান ১৫ আগস্ট কী-কেন স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও যৌনতা-প্রজনন ইউরোপ অন্যান্য উদ্ভাবন প্রবাসী আফ্রিকা ক্রিকেট শারীরিক স্বাস্থ্য আমেরিকা দক্ষিণ এশিয়া সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ মানসিক স্বাস্থ্য ব্লকচেইন অন্যান্য ভাষান্তর ফুটবল অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
RBI lags behind in the number of teachers in proportion to the number of students
google_news print-icon

শিক্ষার্থীর অনুপাতে শিক্ষকের সংখ্যায় পিছিয়ে রাবি

শিক্ষার্থীর-অনুপাতে-শিক্ষকের-সংখ্যায়-পিছিয়ে-রাবি
ফাইল ছবি
দেশের চারটি স্বায়ত্তশাসিত বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে ঢাবিতে ৩৯ হাজার ৩৮৩ শিক্ষার্থীর বিপরীতে শিক্ষক ২ হাজার ৪২১ জন। শিক্ষক-শিক্ষার্থীর অনুপাত ১:১৬। অন্যদিকে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ৩৮ হাজার ২৯১ শিক্ষার্থীর বিপরীতে শিক্ষক ১ হাজার ৯৭ জন। শিক্ষক-শিক্ষার্থীর অনুপাত ১:৩৫। অর্থাৎ প্রতি ৩৫ জন শিক্ষার্থীর জন্য একজন শিক্ষক। শিক্ষার্থীর সংখ্যায় প্রায় সমান হলেও শিক্ষকের তুলনায় ঢাবির অর্ধেকেরও কম।

শিক্ষার্থীর সংখ্যায় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাবি) বর্তমানে দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম বিদ্যাপীঠ। তবে শিক্ষক-শিক্ষার্থী অনুপাতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের তুলনায় পিছিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়টি।

সম্প্রতি বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) প্রকাশিত প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে এমন তথ্য পাওয়া গেছে।

চলতি বছরের ১০ জানুয়ারি ইউজিসি তাদের ৪৭তম বার্ষিক প্রতিবেদন প্রকাশ করে।

দেশের চারটি স্বায়ত্তশাসিত বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে ঢাবিতে ৩৯ হাজার ৩৮৩ শিক্ষার্থীর বিপরীতে শিক্ষক ২ হাজার ৪২১ জন। শিক্ষক-শিক্ষার্থীর অনুপাত ১:১৬।

অন্যদিকে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ৩৮ হাজার ২৯১ শিক্ষার্থীর বিপরীতে শিক্ষক ১ হাজার ৯৭ জন। শিক্ষক-শিক্ষার্থীর অনুপাত ১:৩৫। অর্থাৎ প্রতি ৩৫ জন শিক্ষার্থীর জন্য একজন শিক্ষক। শিক্ষার্থীর সংখ্যায় প্রায় সমান হলেও শিক্ষকের তুলনায় ঢাবির অর্ধেকেরও কম।

চবি ও জাবিতে শিক্ষক-শিক্ষার্থীর অনুপাত ১:২২।

বৈশ্বিক উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষার্থীর ন্যূনতম অনুপাত ধরা হয় ১:১৬। অর্থাৎ প্রতি ১৬ জন শিক্ষার্থীর জন্য একজন শিক্ষক। কিন্তু রাবিতে প্রতি ৩৫ জন শিক্ষার্থীর জন্য একজন শিক্ষক। অর্থাৎ যেখানে দুজন শিক্ষকের প্রয়োজন, সেখানে একজন শিক্ষক দিয়েই চলছে।

বিশ্ববিদ্যালয়টির ব্যবস্থাপনা বিভাগের শিক্ষক অধ্যাপক মলয় ভৌমিক নিউজবাংলাকে বলেন, ‘রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে দুই বছর ধরে শিক্ষক নিয়োগ নেই বলা যায়। বিভিন্ন মামলা-মোকাদ্দমা ও মন্ত্রণালয়ের নিষেধাজ্ঞার কারণে শিক্ষক নিয়োগ দেয়া হচ্ছে না।

‘আবার যে শিক্ষকরা রয়েছেন, অনেকে অবসরে যাচ্ছেন। অনেকে দেশের বাইরে চলে যাচ্ছেন। তাই জরুরি ভিত্তিতে কর্তৃপক্ষের উচিত শিক্ষক-শিক্ষার্থীর অনুপাতকে যৌক্তিক পর্যায়ে নিয়ে আসা।’

এই অধ্যাপক আরও বলেন, ‘অনেক বিভাগ আছে যেখানে প্রফেশনাল ডিগ্রি দেয়া হয়। এ ধরনের বিভাগে শিক্ষকের সঙ্গে শিক্ষার্থীর নিবিড় সম্পর্ক না হলে প্রফেশনাল গুণ তৈরি হয় না। একজন শিক্ষক যখন ১০০ জন শিক্ষার্থীকে একসঙ্গে পড়াচ্ছেন, তখন তাদের মধ্যে এই গুণের ঘাটতি থেকে যাচ্ছে।

‘তাই শুধু শিক্ষক নিয়োগই সমাধান নয়। এমনভাবে শিক্ষক নিয়োগ দিতে হবে, যাতে সেকশন অনুযায়ী ভাগ করা যায় এবং একজন শিক্ষককে যেন ৫০ জন শিক্ষার্থীর ওপরে পড়াতে না হয়।’

এদিকে শিক্ষক-শিক্ষার্থীর অনুপাত মোট শিক্ষার্থীর অনুপাতে হওয়া উচিত না বলে মনে করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের নাট্যকলা বিভাগে শিক্ষক অধ্যাপক আতাউর রহমান রাজু।

বলেন, ‘শিক্ষক-শিক্ষার্থীর অনুপাত হওয়া উচিত বিভাগ অনুযায়ী। কারণ কোনো কোনো বিভাগে শিক্ষক-শিক্ষার্থীর আদর্শ অনুপাতের থেকে অনেক বেশি শিক্ষক রয়েছেন। আবার অনেক বিভাগ আছে যেখানে এই অনুপাতের থেকে অনেক কম শিক্ষক রয়েছেন। ফলে যেখানে শিক্ষক প্রয়োজন, সেখানে ঘাটতি থেকে গেছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘শিক্ষক-শিক্ষার্থীর এই অনুপাতটা অবশ্যই ১:১৬ হওয়া উচিত। তবে অবশ্যই সেটি বিভাগ ভেবে হতে হবে। তা না হলে সামগ্রিকভাবে এই অসমতা থেকেই যাবে।’

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক সুলতান-উল-ইসলাম বলেন, ‘রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি অবনমিত নিয়োগ নীতি ছিল। যার মাধ্যমে অধিকতর কম যোগ্যতাসম্পন্ন ব্যক্তিদের নিয়োগ দেয়া হচ্ছিল। তাই সরকার নিয়োগে স্থগিতাদেশ দিয়ে রেখেছে।

‘বিশ্ববিদ্যালয়ের যখন নতুন নীতিমালা হবে এবং সরকার নিয়োগের অনুমতি দেবে, তখন নিয়োগ দেয়া হবে। তাহলে শিক্ষকের সংখ্যাটা বেড়ে যাবে।’

নীতিমালার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘সরকারের স্থগিতাদেশের বিষয়ে বলতে পারব না। তবে নীতিমালা প্রণয়ন খুব দ্রুতই শেষ হবে।’

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
The head of the institution will be brought under the law if found fake Education Minister

নকল পেলে আইনের আওতায় আনা হবে প্রতিষ্ঠান প্রধানকে: শিক্ষামন্ত্রী

নকল পেলে আইনের আওতায় আনা হবে প্রতিষ্ঠান প্রধানকে: শিক্ষামন্ত্রী শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন। ছবি: সংগৃহীত

শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, ‘আসন্ন এইচএসসি পরীক্ষায় যদি কোনো শিক্ষার্থীর কাছে নকল পাওয়া যায়, তবে তাকে ডিটেনশনে বা আইনের আওতায় আনা হবে। একইসঙ্গে কোনো পরীক্ষাকেন্দ্রে নকল পেলে, ওই প্রতিষ্ঠানের প্রধান বা কেন্দ্র প্রধানকেও আইনের আওতায় আনা হবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘এখন আর নকল নেই, তবে নকলের রূপ পরিবর্তন হয়েছে। সেজন্য পুরোনো পরীক্ষা আইন পরিবর্তন করা হয়েছে।’

বুধবার (২৪ জুন) রাজধানীর আজিমপুর গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজে আসন্ন এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা উপলক্ষে ঢাকা শিক্ষা বোর্ড, ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ড, মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের কেন্দ্র সচিবদের সঙ্গে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, ‘সংসদে আগের পরীক্ষা আইন সংশোধন করে বর্তমান সময়ের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করা হয়েছে। নকল-প্রশ্নফাঁসের বিষয়ে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। সেজন্য এখন পরীক্ষা আইনের পরিবর্তন করা হয়েছে।’

এসময় ঢাকা ৭ আসনের সংসদ সদস্য হামিদুর রহমান, মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষাবোর্ড ঢাকার চেয়ারম্যান প্রফেসর আক্তারুজ্জামান, সচিব অধ্যাপক এস এম কামাল উদ্দিন হায়দার উপস্থিত ছিলেন।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Appointment of 5 officers of education cadre in administrative and educational improvement of Manipur schools

মনিপুর স্কুলের প্রশাসনিক ও শিক্ষা মানোন্নয়নে শিক্ষা ক্যাডারের ৫ কর্মকর্তা নিয়োগ

মনিপুর স্কুলের প্রশাসনিক ও শিক্ষা মানোন্নয়নে শিক্ষা ক্যাডারের ৫ কর্মকর্তা নিয়োগ ছবি: সংগৃহীত

রাজধানীর মনিপুর উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের পাঁচটি শাখা ক্যাম্পাস পরিচালনার জন্য সরকারি কলেজের পাঁচজন শিক্ষককে নিয়োগ দিয়েছে সরকার। এর আগে প্রতিষ্ঠানটির সার্বিক তদারকি ও পরিচালনার জন্য দুই বছর মেয়াদি বিশেষ কমিটি গঠন করে ঢাকা শিক্ষা বোর্ড।

বুধবার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের (সরকারি কলেজ-১ শাখা) উপসচিব মো. আ. কদ্দুস স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপন থেকে এ তথ্য জানা যায়।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, মনিপুর উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজে শিক্ষার মান বৃদ্ধি এবং অনিয়ম-অব্যবস্থাপনা দূর করতে প্রতিষ্ঠানটির মূল ক্যাম্পাসে বিদ্যমান প্রধান শিক্ষক ছাড়া বাকি ৫টি শাখার জন্য একজন করে পৃথক শাখা প্রধান হিসেবে স্ব-বেতনে প্রেষণে পদায়ন করা হলো।

প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়, হাজারীবাগ সরকারি কলেজের সংযুক্ত সহযোগী অধ্যাপক (বাংলা) মো. আব্দুল হালিমকে মূল বালক ক্যাম্পাসের (মনিপুর ৬০ ফিট রোড) শাখা প্রধান করা হয়েছে। কুমিল্লার দেবিদ্বার সুজাত আলী সরকারি কলেজের সহযোগী অধ্যাপক (ব্যবস্থাপনা) মো. নজরুল ইসলামকে কলেজ ক্যাম্পাসের (রূপনগর আবাসিক এলাকা) দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। টাঙ্গাইলের কুমুদিনী সরকারি কলেজের ইনসিটু সহযোগী অধ্যাপক (ইংরেজি) মোহাম্মদ আক্তার হোসেনকে রূপনগরের শাখা-১ ক্যাম্পাসে পদায়ন করা হয়েছে।

এ ছাড়া গাজীপুরের ভাওয়াল বদরে আলম সরকারি কলেজের সহযোগী অধ্যাপক (রসায়ন) শেখ শাহরীয়ার হাসানকে ইব্রাহিমপুরের শাখা-২ ক্যাম্পাসে এবং টাঙ্গাইলের সরকারি মাওলানা মোহাম্মদ আলী কলেজের সহকারী অধ্যাপক (দর্শন) মুহাম্মাদ নুর-এ-আলমকে শেওড়াপাড়ার শাখা-৩ ক্যাম্পাসের শাখা প্রধান হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে নতুন শাখা প্রধানদের দায়িত্ব সম্পর্কে বলা হয়েছে, পদায়ন পাওয়া কর্মকর্তারা সংশ্লিষ্ট শাখার আয়-ব্যয়ন কর্মকর্তা (ডিডিও) হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। একই সঙ্গে তারা সংশ্লিষ্ট শাখার শিক্ষার মানোন্নয়ন ও প্রশাসনিক কার্যক্রম তদারকি করবেন।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Daffodil ranks among the worlds best in sustainable development

টেকসই উন্নয়নে বিশ্বসেরাদের কাতারে ড্যাফোডিল

টেকসই উন্নয়নে বিশ্বসেরাদের কাতারে ড্যাফোডিল

বিশ্বের সেরা ১০০ টেকসই বিশ্ববিদ্যালয়ের তালিকায় স্থান পেয়েছে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি (ডিআইইউ)। টাইমস হায়ার এডুকেশন (টিএইচই) সাসটেইনেবিলিটি ইমপ্যাক্ট রেটিংস ২০২৬-এ বিশ্বের ১ হাজার ৬০৩টি বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে ডিআইইউ ৮৭তম স্থান অর্জন করেছে। একই সঙ্গে সরকারি ও বেসরকারি সব বিশ্ববিদ্যালয়কে পেছনে ফেলে বাংলাদেশের মধ্যে প্রথম স্থান অধিকার করেছে প্রতিষ্ঠানটি।

জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) বাস্তবায়নে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর অবদান মূল্যায়নের ভিত্তিতে এ রেটিং প্রকাশ করা হয়। ডিআইইউর এ অর্জন বাংলাদেশের উচ্চশিক্ষা খাতের জন্যও একটি গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

এসডিজি ১৭: পার্টনারশিপস ফর দ্য গোলস সূচকে ডিআইইউ বিশ্বে চতুর্থ স্থান অর্জন করেছে। আন্তর্জাতিক সহযোগিতা, জ্ঞান বিনিময় এবং বৈশ্বিক অংশীদারত্ব গড়ে তোলার ক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয়টির উল্লেখযোগ্য অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে এ সাফল্য এসেছে।

এ ছাড়া বিভিন্ন এসডিজি সূচকে ডিআইইউর অবস্থান হলো:

  • এসডিজি ১৭: পার্টনারশিপস ফর দ্য গোলস — বিশ্বে ৪র্থ
  • এসডিজি ৪: কোয়ালিটি এডুকেশন — বিশ্বে ১২তম
  • এসডিজি ৮: ডিসেন্ট ওয়ার্ক অ্যান্ড ইকোনমিক গ্রোথ — বিশ্বে ৪৮তম
  • এসডিজি ১০: রিডিউসড ইনইকুয়ালিটিজ — বিশ্বে ৬৮তম

বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এই অর্জন টেকসই উন্নয়ন, গবেষণা, উদ্ভাবন, শিক্ষা এবং কমিউনিটি সম্পৃক্ততায় ডিআইইউর দীর্ঘমেয়াদি প্রতিশ্রুতির আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি। এর ফলে বাংলাদেশ ও দক্ষিণ এশিয়ায় টেকসই উন্নয়নকেন্দ্রিক উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে বিশ্ববিদ্যালয়টির অবস্থান আরও শক্তিশালী হয়েছে।

এই সাফল্যের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ শিক্ষক, গবেষক, কর্মকর্তা-কর্মচারী, শিক্ষার্থী, অ্যালামনাই এবং দেশি-বিদেশি অংশীদার প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছে। তাদের সম্মিলিত প্রচেষ্টা, গবেষণা কার্যক্রম, শিল্পখাতের সহযোগিতা এবং সামাজিক সম্পৃক্ততাই এ অর্জনের ভিত্তি তৈরি করেছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি জানিয়েছে, শিক্ষা, গবেষণা, উদ্ভাবন ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতার মাধ্যমে দায়িত্বশীল বৈশ্বিক নাগরিক গড়ে তোলা এবং টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে ভবিষ্যতেও কাজ করে যাবে প্রতিষ্ঠানটি।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The head of the institution will be brought under the law if found fake Education Minister

নকল পেলে প্রতিষ্ঠান প্রধানকে আইনের আওতায় আনা হবে : শিক্ষামন্ত্রী

নকল পেলে প্রতিষ্ঠান প্রধানকে আইনের আওতায় আনা হবে : শিক্ষামন্ত্রী
ছবি: সংগৃহীত

শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন হুশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেছেন, বর্তমান সময়ে নকলের ধরন ও রূপ পরিবর্তন হয়েছে। এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় পুরোনো ‘পরীক্ষা আইন’ সংশোধন করে আরও কঠোর ও যুগোপযোগী করা হয়েছে। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, আসন্ন এইচএসসি পরীক্ষায় কোনো শিক্ষার্থীর কাছে নকল পাওয়া গেলে তাকে সরাসরি ডিটেনশন বা কঠোর আইনের আওতায় আনা হবে। একই সঙ্গে কোনো পরীক্ষাকেন্দ্রে নকলের প্রমাণ মিললে, সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান প্রধান বা কেন্দ্র সচিবকেও রেহাই দেওয়া হবে না।

বুধবার (২৪ জুন) রাজধানীর আজিমপুর গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজে আসন্ন এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা উপলক্ষে আয়োজিত এক গুরুত্বপূর্ণ মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। ঢাকা, ময়মনসিংহ, মাদ্রাসা এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের কেন্দ্র সচিবদের উপস্থিতিতে আয়োজিত এই সভায় মন্ত্রী বলেন, নকল ও প্রশ্নফাঁস রোধে সরকার ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণ করছে। জাতীয় সংসদে ইতোমধ্যে পূর্বের পরীক্ষা আইন সংশোধন করে বর্তমান সময়ের প্রেক্ষাপটে সামঞ্জস্যপূর্ণ করা হয়েছে, যাতে যেকোনো ধরনের কারচুপি কঠোরভাবে দমন করা সম্ভব হয়।

মন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে উল্লেখ করেন যে, প্রশ্নপত্রের নিরাপত্তা ও পরীক্ষার স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে শিক্ষা মন্ত্রণালয় সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। কোনো ধরনের অনিয়ম বরদাশত করা হবে না এবং অপরাধীকে অবশ্যই আইনের কাঠগড়ায় দাঁড়াতে হবে। মতবিনিময় সভায় ঢাকা-৭ আসনের সংসদ সদস্য হামিদুর রহমান, ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর আক্তারুজ্জামান এবং সচিব অধ্যাপক এস এম কামাল উদ্দিন হায়দারসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। সুষ্ঠুভাবে পরীক্ষা আয়োজনের লক্ষে কেন্দ্র সচিবদেরও প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন মন্ত্রী।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
DU teacher who went viral after singing song exempted from academic activities

গান গেয়ে ভাইরাল ঢাবি শিক্ষককে একাডেমিক কার্যক্রম থেকে অব্যাহতি

গান গেয়ে ভাইরাল ঢাবি শিক্ষককে একাডেমিক কার্যক্রম থেকে অব্যাহতি ছবি: সংগৃহীত

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গান গেয়ে ব্যাপক আলোচনায় আসা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) বাংলা বিভাগের অধ্যাপক চৌধুরী মো. তাশরিক-ই-হাবিবকে একাডেমিক কার্যক্রম থেকে অব্যাহতি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। বিভাগের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে এই কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। সোমবার রাতে উপাচার্য অধ্যাপক এ বি এম ওবায়দুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ সিদ্ধান্ত গ্রহণকারী ফোরাম সিন্ডিকেটের এক সভায় এই সিদ্ধান্তটি অনুমোদিত হয়।

বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, বাংলা বিভাগের একাডেমিক কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতেই অধ্যাপক তাশরিক-ই-হাবিবকে পাঠদানসহ সকল প্রকার একাডেমিক কার্যক্রম থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার অভিযোগ তোলা হয়েছিল। বিশেষ করে তাঁর গাওয়া গানগুলো ইন্টারনেটে ছড়িয়ে পড়ার পর শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের একটি বড় অংশ এটি নিয়ে নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে এবং তাঁর বিরুদ্ধে প্রশাসনিক পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানায়।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি অধ্যাপক তাশরিক-ই-হাবিব সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শাহ আব্দুল করিম, জেমস এবং ফজলুর রহমান বাবুর মতো জনপ্রিয় শিল্পীদের গান গেয়ে নেটিজেনদের মাঝে ব্যাপকভাবে ভাইরাল হন। ফেসবুকে তাঁর এই পরিবেশনাগুলো উল্লেখযোগ্য সাড়া পেলেও বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ ও শিক্ষক সুলভ আচরণ নিয়ে বিতর্কের সৃষ্টি হয়। এই ঘটনার প্রেক্ষিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক মান ও মর্যাদা অক্ষুণ্ন রাখতে সিন্ডিকেট তাঁর বিরুদ্ধে অব্যাহতির এই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে বলে জানা গেছে।

বাংলাদেশ
CSE Research Day 2026 held at BRAC University on research and future computing

গবেষণা ও ভবিষ্যতের কম্পিউটিং নিয়ে ব্র্যাক ইউনিভার্সিটিতে সিএসই রিসার্চ ডে ২০২৬ অনুষ্ঠিত

গবেষণা ও ভবিষ্যতের কম্পিউটিং নিয়ে ব্র্যাক ইউনিভার্সিটিতে সিএসই রিসার্চ ডে ২০২৬ অনুষ্ঠিত

ব্র্যাক ইউনিভার্সিটিতে ‘সিএসই রিসার্চ ডে ২০২৬’ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সম্প্রতি বিশ্ববিদ্যালয়ের মেরুল বাড্ডা ক্যাম্পাসে গবেষণা, প্রযুক্তি এবং কম্পিউটিংয়ের বাস্তব প্রয়োগ নিয়ে দিনব্যাপী আলোচনা হয়। এতে অংশ নেন শিক্ষার্থী, শিক্ষক, গবেষক এবং ইন্ডাস্ট্রি এক্সপার্টরা।

গবেষণা ও গবেষকের এই মিলনমেলার আয়োজন করে কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ। কম্পিউটার সায়েন্সের গবেষণাকে কীভাবে জ্ঞান-বিজ্ঞানের অন্যান্য ক্ষেত্রের সঙ্গে যুক্ত কর যেতে পারে এবং তা কীভাবে বাস্তব সমস্যার সমাধানে ভূমিকা রাখতে পারে রিসার্চ ডে’তে এই বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

এই আয়োজনটি শিক্ষার্থীদের জন্য ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তারা এতে বর্তমান গবেষণা ক্ষেত্র সম্পর্কে জানার সুযোগ পায়। সেই সাথে এই রিসার্চ ডে তাদের অ্যাকাডেমিয়া ও ইন্ডাস্ট্রির বিশেষজ্ঞদেরকে কাছ থেকে শোনার সুযোগ করে দেয়। অ্যাকাডেমিক কাজ কীভাবে ইন্ডাস্ট্রির সঙ্গে করা যায় সেটা সম্পর্কে তারা জ্ঞানলাভ করে।

অনুষ্ঠানে ছিল বিভিন্ন বিষয়ে প্যানেল আলোচনা, বিশেষজ্ঞ সেশন এবং কর্মশালা। আলোচনার বিষয়বস্তুর মধ্যে ছিল আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স, মেশিন লার্নিং, ন্যাচারাল ল্যাঙ্গুয়েজ প্রসেসিং, বায়োইনফরমেটিকস, ইউজেবল সিকিউরিটি, প্রাইভেসি, কম্পিউটার ভিশন, ইমেজ প্রসেসিং, রোবোটিকস, ব্লকচেইন, কোয়ান্টাম কম্পিউটিং, হিউম্যান-কম্পিউটার ইন্টারঅ্যাকশন এবং আইসিটি ফর ডেভেলপমেন্ট।

দিনের শুরুতে ইন্টার ডিসিপ্লিনারি গবেষণা নিয়ে প্যানেল আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। কম্পিউটার সায়েন্সের টুলস ও পদ্ধতি কীভাবে জনস্বাস্থ্য, বায়োটেকনোলজি, ইঞ্জিনিয়ারিং এবং অন্যান্য ক্ষেত্রে কাজে লাগতে পারে সেই বিষয়ে আলোচনা করেন বক্তারা। সেই সাথে জটিল বৈজ্ঞানিক ও প্রযুক্তিগত সমস্যা সমাধানে বিভিন্ন বিষয়ের মধ্যে সহযোগিতা কেন গুরুত্বপূর্ণ, সেটিও আলোচনায় উঠে আসে।

প্রজেক্ট, ইন্টার্নশিপ এবং সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিং নিয়ে একটি আলাদা সেশনে সফটওয়্যার ইন্ডাস্ট্রির প্রত্যাশা নিয়ে আলোচনা হয়। শিক্ষক ও ইন্ডাস্ট্রির পেশাজীবীরা সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্টের চর্চা, ইন্টার্নশিপের সুযোগ এবং অ্যাকাডেমিক প্রজেক্টকে কীভাবে পোর্টফোলিওতে উল্লেখ করার মতো কাজে রূপ দেওয়া যায়, তা নিয়ে কথা বলেন। এই সেশনে সমস্যা সমাধানের দক্ষতা এবং ইঞ্জিনিয়ারিং ভাবনার গুরুত্বও তুলে ধরা হয়।

অন্যান্য সেশনে শিক্ষার্থীরা ল্যাঙ্গুয়েজ টেকনোলজি, বায়োলজিক্যাল ডেটা, স্বাস্থ্যসেবা উদ্ভাবন, মানবকেন্দ্রিক নিরাপত্তা এবং প্রাইভেসি নিয়ে চলমান গবেষণা সম্পর্কে ধারণা পান।

আলোচনায় ইন্টেলিজেন্ট ভিজ্যুয়াল সিস্টেম, অটোনোমাস টেকনোলজি, সিকিউর কম্পিউটিং, ব্লকচেইন এবং কোয়ান্টাম কম্পিউটিং বিষয়ও উঠে আসে।

হিউম্যান-কম্পিউটার ইন্টারঅ্যাকশন এবং আইসিটি ফর ডেভেলপমেন্ট ট্র্যাকের অধীনে একটি ইন্টারঅ্যাকটিভ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। এতে শিক্ষার্থীদের বাস্তব সমস্যা চিহ্নিত করা, গবেষণার ধারণা তৈরি করা এবং সেই ধারণা কীভাবে বাস্তব প্রকল্পে রূপ নিতে পারে সেটা নিয়ে আলোচনা হয়।

দিনের শেষ সেশনে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স এবং মেশিন লার্নিং নিয়ে আলোচনা হয়। আলোচক ও শিক্ষার্থীরা এই সেশনে বর্তমান গবেষণার দিক এবং বিভিন্ন ক্ষেত্রে এআইয়ের ক্রমবর্ধমান ব্যবহার নিয়ে খোলামেলা আলোচনা করেন।

সমাপনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির রেজিস্ট্রার ড. ডেভিড ডাউল্যান্ড। তিনি শিক্ষার্থীদের হাতে ‘বেস্ট থিসিস অ্যাওয়ার্ড ২০২৫’ তুলে দেন। তিনি বলেন, এমন গবেষণা করা দরকার যা সমাজে পরিবর্তনে ইতিবাচক অবদান রাখে।

দিনব্যাপী বিভিন্ন সেশনে বক্তব্য দেন বিশিষ্ট শিক্ষক ও ইন্ডাস্ট্রি পেশাজীবীরা। তাদের মধ্যে ছিলেন কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের চেয়ারপারসন ড. সাদিয়া হামিদ কাজী। এছাড়াও ছিলেন ব্র্যাক জেমস পি গ্রান্ট স্কুল অব পাবলিক হেলথের প্রফেসর এবং সেন্ট্রাল রিসার্চ অ্যান্ড ইনোভেশন অফিসের ডিরেক্টর ড. মলয় কান্তি মৃধা; কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের প্রফেসর এবং ইনস্টিটিউশনাল কোয়ালিটি অ্যাসিউরেন্স সেলের ডেপুটি ডিরেক্টর ড. স্বাক্ষর শতাব্দ; প্রফেসর ড. তাইয়েবুল হক; প্রফেসর ড. ফরিদা চৌধুরী; প্রফেসর ড. মো. সাদেক ফেরদৌস; অ্যাসোসিয়েট প্রফেসর মুহাম্মদ ইকবাল হোসাইন; এবং অ্যাসোসিয়েট প্রফেসর ড. ফারিগ ইউসুফ সাদেক।

ইন্ডাস্ট্রির পেশাজীবীদের মধ্যে বক্তব্য দেন গ্রামীণফোনের প্রজেক্ট ম্যানেজার হাবিব আল সাকি, টাইগারআইটি বাংলাদেশ লিমিটেডের সিনিয়র সলিউশন আর্কিটেক্ট জোবায়ের হাসান এবং ব্রেইন স্টেশন ২৩ পিএলসির সিনিয়র সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার আরিফুল ইসলাম।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Signing of MoU between Sher e Bangla Agricultural University and Daffodil International University

শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ও ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি এর মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর

শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ও ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি এর মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর

শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (শেকৃবি) ও ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি এর মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে। অনুষ্ঠানটি ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির লেভেল-৬ এ সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত হয়। এই সমঝোতার মাধ্যমে একটি যৌথ শিক্ষা ও গবেষণা প্ল্যাটফর্ম প্রতিষ্ঠার বিষয়ে উভয় পক্ষ একমত হয়েছে। অনুষ্ঠানের শুরুতে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির উপ-উপাচর্য অধ্যাপক ড. মোঃ মাসুম ইকবাল শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. আব্দুল লতিফকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান।

সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেন শেকৃবি’র রেজিস্ট্রার (চলতি দায়িত্ব) কৃষিবিদ মোঃ নজরুল ইসলাম এবং ড্যাফোডিল এর রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মোঃ নাদির বিন আলী । অনুষ্ঠানটি সমন্বয় করেন এর কৃষি অনুষদ এর ডিন অধ্যাপক ড. মোঃ আব্দুর রহিম। এ সময় উপস্থিত ছিলেন শেকৃবি’র উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ বেলাল হোসেন, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক মুহাম্মদ আবুল বাশার, শেকৃবি রিসার্চ সিস্টেমের পরিচালক অধ্যাপক ড. এফ. এম. আমিনুজ্জামান, প্রক্টর অধ্যাপক ড. মোঃ আরফান আলী এবং এর সহকারী অধ্যাপক ড. এটিএম মাজহারুল মান্নান ও উসওয়াতুন হাসানা হাসি।

অনুষ্ঠানে শেকৃবি উপাচার্য এর উপ-উপাচার্য আশা প্রকাশ করেন, এই অংশীদারিত্বের মাধ্যমে উভয় বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা আন্তর্জাতিক পর্যায়ে জ্ঞান ও প্রযুক্তি বিনিময়ের সুযোগ পাবেন, যা কৃষি শিক্ষা ও গবেষণায় নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে।

মন্তব্য

p
উপরে