× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
Allegation of taking money against the primary education officer
hear-news
player
print-icon

যেখানেই যান, সেখানেই ‘ঘুষ-অনিয়মে’ সালাম

যেখানেই-যান-সেখানেই-ঘুষ-অনিয়মে-সালাম
রাঙ্গামাটির বরকল উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা আব্দুস সালাম। ছবি: নিউজবাংলা
বরকল দোছরীপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রিমেশ চাকমা বলেন, ‘বকেয়া বিলের বিষয়ে আব্দুস সালামের সঙ্গে কথা বললে তিনি প্রতিটি শিক্ষকের কাছ থেকে বেতনের ১০ শতাংশ করে টাকা লাগতে পারে বলেন... ব্যক্তিগতভাবে আমিও জানি যে, এসব বিষয়ে কাজ করতে গেলে কিছু টাকা লাগেই। তবে শিক্ষা কর্মকর্তা যে এখন একতরফাভাবে আমাদের ওপর দায় চাপাচ্ছেন সেটি সঠিক নয়।’

গাইবান্ধা সদর ও পাবনার বেড়া উপজেলায় দায়িত্ব পালনের সময় অনিয়ম ও দুর্নীতির একাধিক অভিযোগ ছিল প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আব্দুস সালামের বিরুদ্ধে। অভিযোগ মাথায় নিয়েই তাকে বদলি করা হয় রাঙ্গামাটির বরকল উপজেলায়। এখানেও উঠেছে একই ধরনের অভিযোগ।

পাবনায় ঘুষসহ নানা অনিয়মের অভিযোগ উঠার পর সালামের বিরুদ্ধে তদন্তের উদ্যোগ নেয়া হয়। তিনি বদলি হয়ে যাওয়ার পর থেমে যায় সে উদ্যোগ।

গাইবান্ধায় একাধিক শিক্ষক লিখিত অভিযোগ দেয়ার পর সেখান থেকে বদলি করা হয় তাকে। সেখানকার প্রশাসনও এ বিষয়ে আর কোনো পদক্ষেপ নেয়নি।

বরকলের বিভিন্ন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের অভিযোগ, গ্রেড উন্নীত করতে উপজেলার প্রতিটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষককে তাদের বেতনের ১০ শতাংশ করে চাঁদা দিতে হয়েছে। চাঁদা নেয়ার সঙ্গে প্রাথমিক বিদ্যালয় সহকারী শিক্ষক সমিতির কয়েকজন নেতাও জড়িত।

সালামের বিরুদ্ধে বরকলে ঘুষ গ্রহণের অভিযোগ নিয়ে জানলেও গাইবান্ধা ও পাবনায় অতীত রেকর্ডের বিষয়ে কিছু জানা নেই বলে জানিয়েছেন রাঙ্গামাটির জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা সাজ্জাদ হোসেন।

রাঙামাটির বরকলের শিক্ষা কর্মকর্তা হিসেবে সালাম দায়িত্ব নেন ২০২১ সালে।

সে বছরের ৯ ফেব্রুয়ারি থেকে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকরা ১৪তম গ্রেডের পরিবর্তে ১৩তম গ্রেডের বেতন-বোনাসসহ সব সুযোগ-সুবিধা পাবেন বলে ঘোষণা দেয় প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর।

বরকলের বিভিন্ন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের অভিযোগ, গ্রেড উন্নীত করতে উপজেলার প্রতিটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষককে তাদের বেতনের ১০ শতাংশ করে চাঁদা দিতে হয়েছে। চাঁদা নেয়ার সঙ্গে প্রাথমিক বিদ্যালয় সহকারী শিক্ষক সমিতির কয়েকজন নেতাও জড়িত।

মাইছছড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মেলিনা চাকমা নিউজবাংলাকে জানান, শুধু গ্রেডে উন্নীত করা নয়, অফিশিয়াল যে কোনো কাজেই তাদের টাকা দিতে হয়।

তবে শিক্ষা কর্মকর্তা সালাম উল্টো দোষ চাপিয়েছেন সহকারী শিক্ষক সমিতির নেতাদের ওপর। তিনি বলেন, ‘শিক্ষকদের কাছ থেকে টাকা নেয়ার সঙ্গে সমিতির নেতারা জড়িত। বিলের কাজের জন্য মাসে দুই-তিনবার তাদের ঢাকায় যেতে হয়। সে কারণে টাকা নিয়েছেন। তবে অফিশিয়ালি টাকা নেয়ার কোনো নির্দেশনা দেয়া হয়নি।

মেলিনা বলেন, ‘১৩তম গ্রেডের বকেয়া বিলের কাজ করতে শিক্ষক সমিতির একজনকে ৬০০ টাকা দিয়েছি।’

এই স্কুলের আরেক শিক্ষক জলসা চাকমা জানান, টাকা না দিলে তার কাগজপত্র খালি যাবে এবং বেতনের কোনো কাজ হবে না বলে হুমকি দেন বরুনাছড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক ও শিক্ষক সমিতির সদস্য পূণ্যবান চাকমা।

এ বিষয়ে পূণ্যবান বলেন, ‘বকেয়া বিলের কাজ করতে সহকারী শিক্ষকদের ন্যূনতম একটা ফি দিতে বলা হয়েছিল। পরে শিক্ষকরা অভিযোগ করায় টাকা দিতে হবে না বলে জানানো হয়েছে।’

টাকা ফেরত দেয়া হয়েছে কি না সে বিষয়ে তিনি বলেন, ‘আমরা এ বিষয়ে অভিযোগকারী শিক্ষকদের সঙ্গে কথা বলব।’

তবে শিক্ষা কর্মকর্তা সালাম উল্টো দোষ চাপিয়েছেন সহকারী শিক্ষক সমিতির নেতাদের ওপর।

তিনি বলেন, ‘শিক্ষকদের কাছ থেকে টাকা নেয়ার সঙ্গে সমিতির নেতারা জড়িত। বিলের কাজের জন্য মাসে দুই-তিনবার তাদের ঢাকায় যেতে হয়। সে কারণে টাকা নিয়েছেন। তবে অফিশিয়ালি টাকা নেয়ার কোনো নির্দেশনা দেয়া হয়নি।

‘এর আগেও কয়েকজন সমিতির নেতাদের বিরুদ্ধে টাকা নেয়ার অভিযোগ করেছিলেন। তখন তাদের বলেছিলাম লিখিতভাবে অভিযোগ দেয়ার জন্য।’

বরকল দোছরীপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক ও শিক্ষক সমিতির সভাপতি রিমেশ চাকমার দাবি, ‘বকেয়া বিলের বিষয়ে আব্দুস সালামের সঙ্গে কথা বললে তিনি প্রতিটি শিক্ষকের কাছ থেকে বেতনের ১০ শতাংশ করে টাকা লাগতে পারে বলেন। তবে আমরা বিষয়টার বিরোধিতা করেছিলাম। পরে ন্যূনতম একটা খরচ শিক্ষকদের কাছ থেকে নেয়া হয়েছে।

‘ব্যক্তিগতভাবে আমিও জানি যে, এসব বিষয়ে কাজ করতে গেলে কিছু টাকা লাগেই। তবে শিক্ষা কর্মকর্তা যে এখন একতরফাভাবে আমাদের ওপর দায় চাপাচ্ছেন সেটি সঠিক নয়।’

শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক হিরণ কুমার অধিকারী টাকা নেয়ার বিষয়টি পুরোপুরি অস্বীকার করে নিউজবাংলাকে বলেন, ‘টাকা নেয়ার বিষয়ে কথা উঠেছিল কিন্তু পরে নেয়া হয়নি।’

তবে এক পর্যায়ে তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের কোন জায়গায় টাকা নিচ্ছে না বলেন তো? দেশে এত অনিয়ম হচ্ছে সেগুলা দেখতে পাচ্ছেন না। আপনি আমাদের নিয়ে পড়ে আছেন কেন?’

শিক্ষা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অভিযোগের বিষয়ে রাঙ্গামাটি জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা সাজ্জাদ হোসেন বলেন, ‘বরকল উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দপ্তরি নিয়োগে টাকা নেয়া, ঠিকভাবে কাজ না করা ও অফিসের অনিয়মের অভিযোগে তদন্ত চলছে। শিক্ষা অধিদপ্তর থেকে তদন্ত কর্মকর্তা তদন্তে এসেছিলেন। তিনি জেলা প্রশাসকের কাছে প্রতিবেদন জমা দেবেন।

‘যদি অভিযোগের সত্যতা মেলে তাহলে জেলা প্রশাসক সিদ্ধান্ত নেবেন বিভাগীয় মামলা হবে কি না। শিক্ষকদের বকেয়া বেতনের জন্য টাকা নেয়ার বিষয়ে এখনও কোনো লিখিত অভিযোগ পাইনি। তবে মৌখিকভাবে শুনেছি। বিষয়টি আমাদের নলেজে আছে।’

শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক হিরণ কুমার টাকা নেয়ার বিষয়টি পুরোপুরি অস্বীকার করে নিউজবাংলাকে বলেন, ‘টাকা নেয়ার বিষয়ে কথা উঠেছিল কিন্তু পরে নেয়া হয়নি।’ তবে এক পর্যায়ে তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের কোন জায়গায় টাকা নিচ্ছে না বলেন তো? দেশে এত অনিয়ম হচ্ছে সেগুলা দেখতে পাচ্ছেন না। আপনি আমাদের নিয়ে পড়ে আছেন কেন?

রাঙ্গামাটি আসার আগে সালাম ছিলেন পাবনার বেড়ার প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা। বেড়ার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সবুর আলী জানান, সেখানকার স্কুলগুলোর প্রধান শিক্ষকরা সালামের বিরুদ্ধে ঘুষ দাবি করার অভিযোগ করেছেন। তবে সে সময় তার বদলির সময় হয়ে যাওয়ায় এর তদন্ত এগোয়নি।

গাইবান্ধা সদরের প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা থাকার সময়ও সালাম বেশ কিছু অভিযোগ ছিল বলে জানান জেলা প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি জহুরুল ইসলাম।

তিনি বলেন, ‘কিছু টিচারের সঙ্গে তার সম্পর্কের অবনতি হয়েছিল। কিছু অনিয়ম-দুনীতিও ছিল তার বিরুদ্ধে। একাধিক শিক্ষকের সঙ্গে অসদাচরণও করেছিলেন তিনি।

‘তার বিরুদ্ধে বেশ কিছু অভিযোগ মন্ত্রণালয়সহ দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) তদন্তে সত্যতাও পায়। পরে তাকে এখান থেকে রংপুর বিভাগীয় প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে সংযুক্ত করা হয়। বিশেষ করে তিনি শিক্ষক বদলি বাণিজ্যে জড়িত ছিলেন। এ ছাড়া কয়েকটি দপ্তরে তার বিরুদ্ধে একাধিক শিক্ষক অনিয়মের লিখিত অভিযোগও করেন।’

প্রতিবেদন তৈরিতে সহযোগিতা করেছেন পাবনার ইমরোজ খন্দকার বাপ্পি ও গাইবান্ধার পিয়ারুল ইসলাম।

আরও পড়ুন:
দুই ভাইয়ের দখলে বরিশালের পরিবহন খাত
ডিসিরাই জানেন দুর্নীতি কোথায় হয়: দুদক চেয়ারম্যান
ধানমন্ডিতে নৌকার কোট পিন নিয়ে চাঁদাবাজি
চাঁদাবাজি: ৬ পুলিশের বিরুদ্ধে চার্জশিট

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Sajeke Kalabojhai jeep overturned and killed 2

সাজেকে কলাবোঝাই জিপ উল্টে নিহত ২

সাজেকে কলাবোঝাই জিপ উল্টে নিহত ২
সাজেক থানার ওসি বলেন, ‘কলাবোঝাই একটি জিপ উল্টে গাড়ির নিচে চাপা পড়ে দুইজন নিহত হয়েছে। তাদের বাড়ি বাঘাইছড়ি উপজেলাতে। তাদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তবে দুর্ঘটনার পর থেকে চালক পলাতক আছে।’

রাঙামাটির বাঘাইছড়ির দুর্গম পাহাড়ি এলাকা সাজেকে একটি কলাবোঝাই জিপ উল্টে দুইজন মারা গেছেন।

সাজেকের মাচালং বাজার থেকে বাঘইহাট যাওয়ার সময় নাইল্লাছড়ি এলাকায় বুধবার সকালে দুর্ঘটনাটি ঘটে।

নিহতরা হলেন ৪৫ বছর বয়সী কলা ব্যবসায়ী ইলিয়াছ হোসেন ও ৪০ বছর বয়সী অনন্ত ত্রিপুরা। অনন্ত গাড়িতে কলা তোলা আর নামানোর কাজ করতেন।

ইলিয়াছের বাড়ি উপজেলার বঙ্গতলী ইউনিয়নের করেঙ্গাতলী ও অনন্তের বাড়ি সাজেকের মাচালং এলাকায়।

সাজেক থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নুরুল হক নিউজবাংলাকে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, ‘কলা বোঝাই করা একটি জিপ উল্টে গাড়ির নিচে চাপা পড়ে দুইজন নিহত হয়েছে। তাদের বাড়ি বাঘাইছড়ি উপজেলাতে। তাদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তবে দুর্ঘটনার পর থেকে চালক পলাতক আছে।’

বাঘাইছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রুমানা আক্তার বলেন, ‘সাজেকের নাইল্লাছড়িতে কলাবোঝাই করা একটি জিপ উল্টে দুইজন নিহত হয়েছেন।’

আরও পড়ুন:
কার্গোতে ধাক্কা দিয়ে ট্রাকের হেলপার নিহত
বাস ও ট্রাকের ত্রিমুখী সংঘর্ষ, চালক নিহত, আহত ১৫
সড়ক বিভাজকে মোটরসাইকেলের ধাক্কা, প্রাণ গেল এসএসসি পরীক্ষার্থীর
সড়ক বিভাজকের রেলিংয়ে ধাক্কা, মোটরসাইকেল আরোহী নিহত
দুর্বৃত্তের গুলিতে রোহিঙ্গা নেতাসহ নিহত ২

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Mirsrai train accident gateman and micro driver to blame
তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন

মীরসরাইয়ে ট্রেন দুর্ঘটনা: গেটম্যান ও মাইক্রোচালক দায়ী

মীরসরাইয়ে ট্রেন দুর্ঘটনা: গেটম্যান ও মাইক্রোচালক দায়ী লেভেল ক্রসিংয়ে ট্রেনের ধাক্কায় ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারান ১১ জন। ফাইল ছবি/নিউজবাংলা
‘মঙ্গলবার প্রতিবেদন জমা দিয়েছে কমিটি। গেটম্যান সাদ্দামের ঘটনাস্থলে অনুপস্থিতির প্রমাণ পেয়েছে তদন্ত কমিটি। তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে। ইতোমধ্যে মামলায় সে আসামি হয়ে কারাগারে আছে। তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থাও নেয়া হবে। আর মাইক্রোবাসচালক তো মারাই গেছে।’

চট্টগ্রামের মীরসরাইয়ে লেভেল ক্রসিংয়ে উঠে যাওয়া মাইক্রোবাসে ট্রেনের ধাক্কায় ১৩ জন নিহতের ঘটনায় গেটম্যান ও নিহত মাইক্রোচালকের দায় খুঁজে পেয়েছে তদন্ত কমিটি।

মঙ্গলবার তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিয়েছে রেলওয়ের পূর্বাঞ্চলের বিভাগীয় পরিবহন কর্মকর্তা আনসার আলীকে প্রধান করে গঠিত তদন্ত কমিটি।

প্রতিবেদনে লেভেল ক্রসিংয়ের দায়িত্বে থাকা গেটম্যান সাদ্দাম হোসেন ও নিহত মাইক্রোচালক গোলাম মোস্তফা নিরুকে দুর্ঘটনার জন্য দায়ী করে রেলওয়ের চট্টগ্রাম বিভাগীয় ব্যবস্থাপক আবুল কালামের কাছে এ প্রতিবেদন জমা দেয়া হয়।

বুধবার আবুল কালাম নিজেই নিউজবাংলাকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, ‘মঙ্গলবার প্রতিবেদন জমা দিয়েছে কমিটি। গেটম্যান সাদ্দামের ঘটনাস্থলে অনুপস্থিতির প্রমাণ পেয়েছে তদন্ত কমিটি। তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে। ইতোমধ্যে মামলায় সে আসামি হয়ে কারাগারে আছে। তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থাও নেয়া হবে। আর মাইক্রোবাসচালক তো মারাই গেছে।’

২৯ জুলাই আরঅ্যান্ডজে কোচিং সেন্টার থেকে খইয়াছড়া ঝরনায় ঘুরতে যান শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা। ফেরার পথে মীরসরাইয়ের বড়তাকিয়া রেলস্টেশন এলাকায় অরক্ষিত একটি লেভেল ক্রসিংয়ে পর্যটকবাহী মাইক্রোটিকে ধাক্কা দেয়।

এতে ঘটনাস্থলে প্রাণ হারান ১১ জন। পরে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন মারা যান দুজন। এ ঘটনায় আহত তিনজন এখনও চিকিৎসাধীন।

এ ঘটনায় দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগ এনে গেটম্যান সাদ্দাম হোসেনের বিরুদ্ধে চট্টগ্রাম রেলওয়ে থানায় মামলা করেন সহকারী পরিদর্শক (এএসআই) জহিরুল ইসলাম। পরে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।

ঘটনার সময় সাদ্দাম হোসেন লেভলে ক্রসিংয়ে ছিলেন কি না এ নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। দুর্ঘটনার পর প্রাণহানির পুরো দায় মাইক্রোচালকের বলে দাবি করে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ।

তখন রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের প্রধান প্রকৌশলী মো. আবু জাফর মিঞা নিউজবাংলাকে বলেন, ‘সেখানে রাস্তায় ক্রসিংয়ে সাদ্দাম নামে একজন গেটকিপারের দায়িত্বে ছিলেন। তার সঙ্গে আমরা কথা বলেছি। তিনি দাবি করেছেন যে সময়মতোই ক্রসিংবার ফেলেছিলেন। তার কথা অমান্য করে মাইক্রোবাসের চালক বারটি তুলে রেললাইনে গাড়ি তুলে দেয়। এতেই দুর্ঘটনাটি ঘটে।’

পরে রেলওয়ে কর্মকর্তার এ দাবি সত্য নয় দাবি করেন বেঁচে ফেরা দুর্ঘটনাকবলিত মাইক্রোর যাত্রী জুনায়েদ কায়সার ইমন।

ট্রেনের ধাক্কায় দুমড়ে-মুচড়ে যাওয়া মাইক্রোর পেছনের সারিতে ছিলেন হাটহাজারীর কলেজছাত্র জুনায়েদ। তিনি জানান, ক্রসিংয়ে কোনো বার ছিল না। এ কারণে চালক গাড়ি টেনে নেন রেললাইনে।

নিউজবাংলাকে তিনি বলেছিলেন, ‘ট্রেনের কোনো ব্যারিকেড ছিল না। ট্রেন যখন আসছিল তখন বৃষ্টি পড়ছিল। আমরা বুঝতে পারিনি যে ট্রেন আসছে। ড্রাইভার গাড়ি চালানোর সঙ্গে সঙ্গে ট্রেন এসে মেরে দিয়েছে। খেয়ালও করিনি। নিমিষেই ট্রেন চলে আসছে। আমি পড়ে গেছি পেছনে। কীভাবে পড়লাম, কিছুই বুঝে উঠতে পারিনি।’

এ ঘটনা তদন্তে পরে দুটি কমিটি গঠন করে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ। এর মধ্যে একটি কমিটি গেটম্যান ও মাইক্রোবাসের চালককে দুর্ঘটনার জন্য দায়ী করে প্রতিবেদন দিয়েছে।

আরও পড়ুন:
মীরসরাইয়ের ঘটনায় গেটম্যান বরখাস্ত
মীরসরাই দুর্ঘটনা: ৫ জনের দাফন
মীরসরাই দুর্ঘটনা: গেটম্যানকে আসামি করে মামলা
‘এলাকায় একসঙ্গে এত লাশ কখনও দেখিনি’
‘আব্বু আমি চলে যাব, দোয়া করিয়েন’

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The restaurant caught fire

আগুনে পুড়ল রেস্তোরাঁ 

আগুনে পুড়ল রেস্তোরাঁ 
আলমডাঙ্গা ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের স্টেশন লিডার মিজানুর রহমান জানান, খবর পেয়ে পানি বহনকারী গাড়ি নিয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় একটি ইউনিট। ১৫ থেকে ২০ মিনিটের মধ্যে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয় তারা। এর কিছুক্ষণ পরই আগুন পুরোপুরি নিভে যায়।

চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গায় একটি রেস্তোরাঁয় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে।

আলমডাঙ্গা পৌর এলাকার ওয়াবদা এলাকায় সিস্টার কিচেন নামক রেস্তোরাঁয় বুধবার দুপুর ১২টার দিকে ওই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। পরে ২০ মিনিটের চেষ্টায় আগুন নেভান ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিটের কর্মীরা।

আলমডাঙ্গা ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের স্টেশন লিডার মিজানুর রহমান নিউজবাংলাকে এসব তথ্য জানান।

রেস্তোরাঁর পরিচালক দিলরুবা খাতুন বলেন, ‘দুপুরে আমার স্বামী তানছেন জামান গ্যাসের চুলায় রান্নার কাজ করছিলেন। এ সময় হঠাৎ চুলায় আগুন ধরে গেলে মুহূর্তের মধ্যে আগুন ঘরের চালে ও দোকান ঘরে ছড়িয়ে পড়ে। এতে দোকান ঘরে থাকা এসি, ফ্রিজসহ নানা জিনিস পুড়ে প্রায় ৪ লক্ষাধিক টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়।’

তানছেন জামান বলেন, ‘দুপুর ১২টার দিকে চুলায় তেল গরম করতে দেয়া হয়। অসাবধানতায় আগুন লেগে যায়। নেভানোর চেষ্টা করা হলেও তা ভয়াবহ আকার ধারণ করে। পরে খবর দেয়া হয় ফায়ার সার্ভিসে।’

স্টেশন লিডার মিজানুর রহমান জানান, খবর পেয়ে পানি বহনকারী গাড়ি নিয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় একটি ইউনিট। ১৫ থেকে ২০ মিনিটের মধ্যে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয় তারা। এর কিছুক্ষণ পরই আগুন পুরোপুরি নিভে যায়।

তিনি আরো জানান, গ্যাসের চুলা থেকে আগুনের সূত্রপাত। দোকানে থাকা সব মালামাল পুড়ে ভস্মীভূত হয়েছে। আনুমানিক ৪ লক্ষাধিক টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

আরও পড়ুন:
শ্রমিকদের ৪০ ঘর পুড়ে ছাই
ঘরে আগুনে দগ্ধ ইউপি সদস্যের মৃত্যু
সীতাকুণ্ডে আগুন: বুয়েট শিক্ষকের নেতৃত্বে বিশেষজ্ঞ কমিটির নির্দেশ
আগুনে পুড়ল গোডাউন
সার্জেন্টের সঙ্গে তর্কাতর্কি, নিজ বাইকে আগুন

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Mobile court fines Hoteliers on strike in Kuakata

কুয়াকাটায় হোটেল মালিকদের হঠাৎ ধর্মঘটে বিপাকে পর্যটকরা

কুয়াকাটায় হোটেল মালিকদের হঠাৎ ধর্মঘটে বিপাকে পর্যটকরা কুয়াকাটায় সব খাবার হোটেল বন্ধ রেখেছেন মালিকরা। ছবি: নিউজবাংলা
হোটেল মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. কলিম মিয়া বলেন, ‘কয়েক দিন ধরে ভ্রাম্যমাণ আদালত এসে খাবারের মান নিয়ে অভিযোগ তুলে জরিমানাসহ বিভিন্নভাবে হয়রানি করছে। ছোট ছোট হোটেল মালিককেও ৩০ থেকে ৪০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। এমনকি একেক জনকে মাসের মধ্যে তিন-চারবার জরিমানা করা হয়েছে। তাই সব হোটেল ও রেস্টুরেন্ট ব্যবসায়ী বসে অনির্দিষ্টকালের জন্য হোটেল ও রেস্টুরেন্ট বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।’

পটুয়াখালীর কুয়াকাটায় খাবার হোটেল ও রেস্টুরেন্ট মালিকদের অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘট চলছে। আকস্মিক এ ধর্মঘটের কারণে বিপাকে পড়েছেন এখানকার পর্যটকরা।

খাবারের নিম্ন মান এবং অস্বাস্থ্যকর পরিবেশের অভিযোগে বিভিন্ন সময় ভ্রাম্যমাণ আদালতের জরিমানার প্রতিবাদে মঙ্গলবার রাতে এ ঘোষণা দেয় খাবার হোটেল মালিক সমিতি। বুধবার সকাল থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য হোটেল-রেস্টুরেন্ট বন্ধ রেখেছেন মালিকরা।

সংগঠনের সভাপতি মো. সেলিম মুন্সি নিউজবাংলাকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, ‘প্রতিদিন ম্যাজিস্ট্রেট খাবার হেটেলে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন; আবার একই হোটেলে একাধিকবার জরিমানা করা হয়। মোবাইল কোর্টের নামে আমাদের হয়রানি করা হচ্ছে। তাই সব হোটেল মালিক এক হয়ে আমরা এই সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’

সংগঠনের এই নেতা আরও বলেন, ‘গত ১১ আগস্ট আল-মদিনা নামের একটি হোটেলে ২৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। তখন ওই হোটেল মালিক তার সমস্যা সমাধানে ১৫ দিন সময় চেয়ে নেন; কিন্তু গতকাল (মঙ্গলবার) আবার ওই হোটেলেই ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

‘মালিক জরিমানা না দিতে পারায় তাকে বেশ কিছুক্ষণ আটকে রাখা হয়। পরে তার পরিবারের সদস্যরা ধার করে টাকা এনে তাকে ছাড়িয়ে নেয়।’

বিষয়টি সমাধানে প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করে তিনি বলেন, ‘খাবার হোটেল বন্ধ থাকলে পর্যটকরা বড় সমস্যায় পড়বেন। তাই আশা করব, প্রশাসন আমাদের বিষয়টি সহজ করে দেখবে। তাহলে আমরা হোটেল খুলে দিব।’

অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে পচা-বাসি ও ভেজাল খাবার পরিবেশন এবং অধিকমূল্য আদায় নিয়ে পর্যটকদের অভিযোগের ভিত্তিতে প্রশাসন ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে- এ বিষয়ে মালিক সমিতির সভাপতি বলেন, ‘মোবাইল কোর্ট অবশ্যই হবে, কিন্তু যার যার সাধ্য মোতাবেক জরিমানা করা উচিত। আর পর্যটকদের যাতে খাবার, পরিবেশের কোনো অভিযোগ না থাকে, সেদিকে আমি আমার সংগঠনের সবাইকে কড়া নির্দেশনা দিয়েছি।’

জরিমানার নামে হয়রানির অভিযোগ করে সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মো. কলিম মিয়া বলেন, ‘কয়েক দিন ধরে ভ্রাম্যমাণ আদালত এসে খাবারের মান নিয়ে অভিযোগ তুলে জরিমানাসহ বিভিন্নভাবে হয়রানি করছে। ছোট ছোট হোটেল মালিককেও ৩০ থেকে ৪০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। এমনকি একেক জনকে মাসের মধ্যে তিন-চারবার জরিমানা করা হয়েছে।

‘এতে ব্যবসায়ীদের এখন পথে বসার উপক্রম। তাই হোটেল ও রেস্টুরেন্ট ব্যবসায়ীদের নিয়ে মঙ্গলবার রাতে জরুরি সভা করা হয়েছে। এতে সবার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বুধবার সকাল থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য হোটেল ও রেস্টুরেন্ট বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।’

এর প্রতিকারে জেলা প্রশাসক ব্যবস্থা না নেয়া পর্যন্ত সব হোটেল ও রেস্টুরেন্ট বন্ধ থাকবে বলেও তিনি জানান।

এদিকে হঠাৎ ধর্মঘট ডাকায় বিপাকে পড়েছেন পর্যটকরা।

খুলনা থে‌কে আসা পর্যটক হান্নান মিয়া নিউজবাংলাকে বলেন, ‘মঙ্গলবার পরিবার নি‌য়ে আস‌ছি বেড়াতে। রাতে হো‌টে‌লেই খে‌য়ে‌ছি। সকা‌লে দে‌খি সব বন্ধ। যেখা‌নে উঠেছি, সেখানকার বয়‌কে ব‌লে‌ছি দুপু‌রের খাবা‌রের ব্যবস্থা কর‌তে।’

সাতক্ষীরা থে‌কে এসেছেন ক‌লেজ শিক্ষার্থী আবু রায়হান। তিনি বলেন, ‘খাবার হো‌টেল সব বন্ধ, তাই কলাপাড়ার এক প‌রি‌চিত জন‌কে ফোন দি‌ছি। দুপু‌রে তাদের ওখা‌নে খে‌য়ে বিকেলেই চ‌লে যাব।’

এ বিষয়ে কুয়াকাটা পৌরসভার মেয়র আনোয়ার হোসেন বলেন, বিষয়টি সকালেই আমি জেনেছি। জেলা প্রশাসনকেও জানিয়েছি। আমি হোটেল মালিক কর্তৃপক্ষকে বলেছি যে, খাবারের মানও ঠিক রাখতে হবে, আবার মোবাইল কোর্টও চালাতে হবে। দুটি বিষয়ই একে অপরের সঙ্গে জড়িত।

‘আগে পর্যটকদের সুযোগ-সুবিধা দিতে হবে। তারপর আন্দোলন সংগ্রাম। ভালো মানের খাবার পরিবেশন না করতে পারলে কুয়াকাটার ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হবে। কুয়াকাটার বদনাম হয় এমন কোনো কাজ এখানকার কারও করা উচিত নয়।’

তিনি আরও বলেন, ‘আশা করি এর একটি সমাধান হয়ে যাবে। কারণ এখানে এখনও বেশ কিছু পর্যটক আছেন। তাদের যেন খাবারে কোনো রকমের সমস্যা না হয়, সে বিষয়টিও দেখভাল করতে হবে।’

কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আবু হাসনাত শহীদুল্লাহ নিউজবাংলাকে বলেন, ‘পদ্মা সেতু চালুর পর কুয়াকাটায় পর্যট‌কের উপ‌স্থি‌তি বাড়‌ছে। এখানকার হো‌টেলগু‌লোর খাবা‌রের মান নি‌য়ে পর্যটকরা প্রশ্ন তুলেছেন। পচা-বাসি খাবার দেয়া, অ‌তি‌রিক্ত দাম রাখার অভিযোগ তুলেছেন।’

তাই জেলা প্রশাসকের নির্দেশে ভ্রাম্যমাণ আদালত প‌রিচালনার কথা জানিয়ে তিনি বলেন, পর্যটক‌দের সেবার মান অক্ষুণ্ন রাখ‌তে, খাবার হো‌টেলগু‌লো‌তে মানসম্মত খাবার পরিবেশন, তাদের সঙ্গে পর্যটকবান্ধব আচরণ করতে হবে। মূলত আমরা এসব নিয়েই ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করছি।

কিছু কাজ সম্পন্ন করতে ওনারা (হোটেল মালিক) কিছুদিন সময় নিয়েছেন। এ ছাড়া আজ হোটেল বন্ধ রাখার বিষয়ে তারা জেলা প্রশাসকের সঙ্গে কথা বলবেন।’

আরও পড়ুন:
এক মাসেই ভেসে এলো ৮ ডলফিন
পর্যটকদের হাতছানি দিচ্ছে ‘সাগরকন্যা’
করোনা: কুয়াকাটা ১৫ দিনের জন্য বন্ধ ঘোষণা
স্বতন্ত্র ঠেকাতে আ. লীগ-বিএনপি ভাই ভাই
সাগরকন্যায় সাত মাসে ৬ পর্যটকের লাশ

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Arrested for storing and selling porn videos 4

পর্ন ভিডিও সংরক্ষণ ও বিক্রির অভিযোগে গ্রেপ্তার ৪

পর্ন ভিডিও সংরক্ষণ ও বিক্রির অভিযোগে গ্রেপ্তার ৪
নাটোর র‍্যাব ক্যাম্পের কোম্পানি কমান্ডার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ফরহাদ হোসেন জানান, সুনির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে পর্নো ভিডিও সংরক্ষণ ও বিক্রির অভিযোগে চারজনকে আটক করা হয়। এরপর রাতেই বড়াইগ্রাম থানায় মামলা করে তাদের গ্রেপ্তার দেখানো হয়।

নাটোরের বড়াইগ্রামে পৃথক অভিযানে পর্ন ভিডিও সংরক্ষণ ও বিক্রির অভিযোগে চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব। এ সময় জব্দ করা হয় ৪টি কম্পিউটার ও ১০টি হার্ডডিস্ক।

উপজেলার বাগডোব এবং জোনাইল বাজারে মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে ৫টা থেকে রাত সাড়ে ১১টা পর্যন্ত অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন, একই উপজেলার পাড় বাগডোব গ্রামের সিডি ব্যবসায়ী আজাদ হোসেন ও বাগডোব গ্রামের আল আমিন ও শামছুল হক এবং চাঁদপুর গ্রামের জসিম উদ্দিন।

নাটোর র‍্যাব ক্যাম্পের কোম্পানি কমান্ডার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ফরহাদ হোসেন প্রেসবিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বুধবার সকাল ৯টার দিকে এসব জানান।

তিনি জানান, সুনির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে পর্নো ভিডিও সংরক্ষণ ও বিক্রির অভিযোগে চারজনকে আটক করা হয়। এরপর রাতেই বড়াইগ্রাম থানায় মামলা করে তাদের গ্রেপ্তার দেখানো হয়।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, জব্দকৃত আলামত পর্নোগ্রাফি সংরক্ষণ এবং টাকার বিনিময়ে এলাকার যুবক ও স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীদের কাছে অনেকদিন ধরে হস্তান্তর করে আসছে তারা।

তারা মূলত কম্পিউটারের দোকানে গান, সফটওয়ার লোড,মোবাইল মেকানিক্সের ব্যবসার আড়ালে পর্নোগ্রাফী সংরক্ষণ ও বিক্রি করত।

পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১২ তে বলা হয়েছে, পর্নোগ্রাফি বিক্রয়, ভাড়া, বিতরণ, সরবরাহ, প্রকাশ্যে প্রদর্শন বা যেকোনো প্রকারে প্রচার করিলে অথবা উক্ত সকল বা যেকোনো উদ্দেশ্যে প্রস্তত, উৎপাদন, পরিবহন বা সংরক্ষণ করিলে তা অপরাধ বলে গণ্য হবে। উক্তরূপ অপরাধের জন্য তিনি সর্বোচ্চ ২ (দুই) বৎসর সশ্রম কারাদন্ড এবং ১,০০,০০০ (এক লক্ষ) টাকা পর্যন্ত অর্থদন্ডে দন্ডিত হইবেন।

আরও পড়ুন:
‘পর্নোগ্রাফি ভিডিও সরবরাহ’, ৬ যুবক গ্রেপ্তার
ইলন মাস্কের রকেটে পর্নোগ্রাফি হবে মহাকাশে
আপত্তিকর ছবি ভাইরাল করায় চকরিয়ায় যুবক গ্রেপ্তার
৪ পর্নোগ্রাফি ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার
পর্নো ভিডিও সংরক্ষণ ও বিক্রির দায়ে গ্রেপ্তার ৫

মন্তব্য

বাংলাদেশ
1 arrested with 16 gold bars from Jessore border

যশোর সীমান্ত থেকে ১৬টি স্বর্ণের বারসহ আটক ১

যশোর সীমান্ত থেকে ১৬টি স্বর্ণের বারসহ আটক ১
খুলনা বিজিবি-২১ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল তানভীর রহমান (পিএসসি) জানান, শার্শার গোগা সীমান্ত দিয়ে বৃহৎ একটি স্বর্ণের চালান পাচার হবে- এমন খবর পেয়ে গোগা ক্যাম্পের বিজিবি সদস্যরা ওই এলাকার ইউনাইটেড মাধ্যমিক বিদ্যালয় এলাকায় অভিযান চালিয়ে একজনকে আটক করেন। পরে তার শরীরে লুকিয়ে রাখা ১৬টি সোনার বার জব্দ করা হয়।

যশোরে ১৬টি সোনার বারসহ এক ব্যক্তিকে আটক করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।

শার্শার গোগা সীমান্ত থেকে বুধবার সকাল ৯টার দিকে তাকে আটক করা হয়।

৪০ বছর বয়সী জনি বেনাপোল পোর্ট থানার ছোট আঁচড়া গ্রামের বাসিন্দা।

খুলনা বিজিবি-২১ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল তানভীর রহমান (পিএসসি) নিউজবাংলাকে এসব তথ্য জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, ‘শার্শার গোগা সীমান্ত দিয়ে বৃহৎ একটি স্বর্ণের চালান পাচার হবে- এমন খবর পেয়ে গোগা ক্যাম্পের বিজিবি সদস্যরা ওই এলাকার ইউনাইটেড মাধ্যমিক বিদ্যালয় এলাকায় অভিযান চালিয়ে একজনকে আটক করেন। পরে তার শরীরে লুকিয়ে রাখা ১৬টি সোনার বার জব্দ করা হয়।

‘এ বারগুলোর ওজন এক কেজি ৮৪৬ গ্রাম। আটক সোনার বারের আনুমানিক মূল্য প্রায় এক কোটি ৫৩ লাখ টাকা।’

সোনার বারসহ আটক আসামি জনিকে শার্শা থানায় দেয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।

আরও পড়ুন:
বাসের সিটের নিচে ১০ পিস সোনার বার
১ গ্রামের স্বর্ণের বার বাজারে আনলেন সাকিব
লক্ষ্মীদাঁড়ি সীমান্তে ১৫টি সোনার বারসহ আটক ১
যশোরে ২০টি সোনার বার উদ্ধার, আটক ১
২.৪ কেজি সোনা ফেলে দৌড় 

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Chittagong naval base mosque bomb 5 militants sentenced to death

চট্টগ্রামে নৌ ঘাঁটির মসজিদে বোমা: ৫ জঙ্গির মৃত্যুদণ্ড

চট্টগ্রামে নৌ ঘাঁটির মসজিদে বোমা: ৫ জঙ্গির মৃত্যুদণ্ড চট্টগ্রাম আদালত। ছবি: নিউজবাংলা
মনোরঞ্জন বলেন, ‘মামলার এক বছর পর ২০১৭ সালের ১৫ অক্টোবর আদালতে পাঁচজনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দেয় তদন্ত কর্মকর্তা। বিচার শুরুর পর চলতি বছরের ২৩ মার্চ সাক্ষ্য গ্রহণ শুরু হয়। ২৪ জন সাক্ষীর মধ্যে ১৭ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে রায় ঘোষণা করেন আদালত।’

চট্টগ্রামে নৌবাহিনীর ঈশা খাঁ ঘাঁটির মসজিদে বোমা বিস্ফোরণের মামলায় নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন জেএমবির ৫ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত।

জেলার সন্ত্রাসবিরোধী ট্রাইব্যুনালের বিচারক আবদুল হালিম বুধবার সকালে এ রায় ঘোষণা করেন।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী (পিপি) মনোরঞ্জন দাশ নিউজবাংলাকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

দণ্ডিতরা হলেন নৌবাহিনীর সাবেক সদস্য এম সাখাওয়াত হোসেন, বলকিপার আবদুল মান্নান, তার ভাই আবদুল গাফফার, বলকিপার রমজান আলী এবং বাবুল রহমান ওরফে রনি।

পিপি জানান, ২০১৫ সালের ১৮ ডিসেম্বর চট্টগ্রামে নৌবাহিনীর ঈশা খাঁ ঘাঁটি এলাকায় অবস্থিত দুটি মসজিদে জুমার নামাজের পর বোমা হামলার ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় ২০১৬ সালের ৩ সেপ্টেম্বর নেভাল প্রভোস্ট মার্শাল কমান্ডার এম আবু সাঈদ নগরীর ইপিজেড থানায় মামলা করেন।

সন্ত্রাসবিরোধী ও বিস্ফোরক আইনে করা এই মামলায় আসামি করা হয় ৪ জনকে। পরে পুলিশের তদন্তে আসামি আবদুল মান্নানের বড় ভাই জেএমবি সদস্য আবদুল গাফফারের সম্পৃক্ততা পাওয়া যায়।

মনোরঞ্জন বলেন, ‘মামলার এক বছর পর ২০১৭ সালের ১৫ অক্টোবর আদালতে পাঁচজনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দেয় তদন্ত কর্মকর্তা। বিচার শুরুর পর চলতি বছরের ২৩ মার্চ সাক্ষ্য গ্রহণ শুরু হয়। ২৪ জন সাক্ষীর মধ্যে ১৭ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে বুধবার রায় ঘোষণা করেন আদালত।’

আসামিদের মধ্যে এম সাখাওয়াত হোসেন পলাতক। বাকিরা রায় ঘোষণার সময় আদালতে উপস্থিত ছিলেন বলেও জানান পিপি।

আরও পড়ুন:
শিশু ধর্ষণ ও হত্যার দায়ে মৃত্যুদণ্ড
কন্যাকে পায়ে পিষে হত্যা, বাবার মৃত্যুদণ্ড
ব‍্যবসায়ী হত‍্যা মামলায় ২ জনের মৃত‍্যুদণ্ড
স্ত্রী হত্যা মামলায় যুবকের মৃত্যুদণ্ড
ক্ষমা বিশ্বাস হত্যা মামলায় একজনের মৃত্যুদণ্ড

মন্তব্য

p
উপরে