× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
15 people received Bangla Academy Literary Award
hear-news
player
print-icon

বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার পেলেন ১৫ জন

বাংলা-একাডেমি-সাহিত্য-পুরস্কার-পেলেন-১৫-জন
বাংলা একাডেমি। ফাইল ছবি
বাংলা একাডেমি আয়োজিত অমর একুশে বইমেলা ২০২২-এর উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আনুষ্ঠানিকভাবে এ পুরস্কার তুলে দেবেন বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।

সাহিত্যের বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদান রাখা ১৫ জনকে এ বছর বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার দেয়া হচ্ছে।

রোববার সন্ধ্যায় এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বাংলা একাডেমি ২০২১ সালের জন্য পুরস্কারের জন্য মনোনীতদের নাম ঘোষণা করে।

পুরস্কারপ্রাপ্তরা হলেন কবিতায় আসাদ মান্নান, বিমল গুহ, কথাসাহিত্যে ঝর্ণা রহমান, বিশ্বজিৎ চৌধুরী, প্রবন্ধ/গবেষণা হোসেনউদ্দীন হোসেন, অনুবাদে আমিনুর রহমান, রফিক-উম-মুনীর চৌধুরী, নাটকে সাধনা আহমেদ, শিশুসাহিত্যে রফিকুর রশীদ, মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক গবেষণায় পান্না কায়সার, বঙ্গবন্ধুবিষয়ক গবেষণায় হারুন-অর-রশিদ, বিজ্ঞান/কল্পবিজ্ঞান/পরিবেশ বিজ্ঞানে শুভাগত চৌধুরী, আত্মজীবনী/স্মৃতিকথা/ভ্রমণকাহিনিতে সুফিয়া খাতুন, হায়দার আকবর খান রনো ও ফোকলোরে আমিনুর রহমান সুলতান।

বাংলা একাডেমি আয়োজিত অমর একুশে বইমেলা ২০২২-এর উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আনুষ্ঠানিকভাবে এ পুরস্কার তুলে দেবেন বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।

প্রতিষ্ঠার পাঁচ বছর পর ১৯৬০ সাল থেকে নিয়মিতভাবে সাহিত্য পুরস্কার দিয়ে আসছে বাংলা একাডেমি।

আরও পড়ুন:
বাংলা একাডেমির নতুন মহাপরিচালক কবি নূরুল হুদা
বাংলা একাডেমির অভিধানে ‘ভৌতিকভাবে’ ঢুকছে নতুন শব্দ
বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার ঘোষণা

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
The cry of the newborn came from the shoe box in the mosque

মসজিদে জুতার বাক্স থেকে ভেসে এলো নবজাতকের কান্না

মসজিদে জুতার বাক্স থেকে ভেসে এলো নবজাতকের কান্না
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ইমরান শাহরিয়ার বলেন, ‘শিশুটিকে অনেকেই দত্তক নিতে চাইছেন। তবে প্রশাসনের সবার সঙ্গে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে শিশুটি কোথায় থাকবে।’

হবিগঞ্জের নবীগঞ্জে মসজিদের জুতার বাক্স থেকে জীবিত নবজাতককে উদ্ধার করেছে পুলিশ।

শহরের ওসমানী রোডের বায়তুন নূর জামে মসজিদ থেকে সোমবার রাত ৮টার দিকে ছেলে শিশুটিকে উদ্ধার করা হয়।

নবীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ডালিম আহমেদ এসব নিশ্চিত করেছেন।

বায়তুন নূর জামে মসজিদের মুয়াজ্জিন সোহেল আহমেদ জানান, সোমবার তিনি এশার আযান দিতে মসজিদ যান। বারান্দায় ঢুকতেই শিশুর কান্নার আওয়াজ পান। খুঁজে দেখেন জুতা রাখার বাক্সে নবজাতক কান্না করছে। তিনি তখনই ইমাম ও মসজিদ কমিটির লোকজনকে জানালে তারা নবীগঞ্জ থানায় কল করেন।

থানার উপপরিদর্শক (এসআই) বিজয় দেবনাথ গিয়ে শিশুটিকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেন।

থানার ওসি ডালিম আহমেদ বলেন, ‘নবজাতকটি সুস্থ আছে। আপাতত তাকে পৌর এলাকার আনমনু গ্রামের এক নারীর কাছে রাখা হয়েছে। পুলিশের পক্ষ থেকে দুধ, তোয়ালে ও তেলসহ নবজাতকের জন্য প্রয়োজনীয় সব জিনিস কিনে দেয়া হয়েছে। পরবর্তীতে ইউএনওর নির্দেশে পদক্ষেপ নেয়া হবে।’

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ইমরান শাহরিয়ার বলেন, ‘শিশুটিকে অনেকেই দত্তক নিতে চাইছেন। তবে প্রশাসনের সবার সঙ্গে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে শিশুটি কোথায় থাকবে। এছাড়াও নবজাতকের আসল পরিচয় জানতে তদন্ত করছে পুলিশ।’

আরও পড়ুন:
যমজ নবজাতকের মৃত্যু: ধাত্রীই চালাতেন সেই ক্লিনিক
‘অপরিণত হওয়ায়’ সেই যমজ নবজাতকের মৃত্যু
‘বিলের জন্য অক্সিজেন খুলে নেয়ায়’ যমজ নবজাতকের মৃত্যু
গর্ভের সন্তান নষ্ট হওয়ায় নার্স বেশে নবজাতক চুরি
মাঝনদীতে সন্তান প্রসব, লঞ্চে আজীবন ভাড়া ফ্রি

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Two prisoners died in Dhaka Medical in 12 hours

১২ ঘণ্টায় ঢাকা মেডিক্যালে দুই কারাবন্দির মৃত্যু

১২ ঘণ্টায় ঢাকা মেডিক্যালে দুই কারাবন্দির মৃত্যু
কারারক্ষী মোহাম্মদ শিহাব উদ্দিন শিহাব বলেন, ‘রাত ৮টার দিকে কারাগারে ৫০ বছর বয়সী শফিকুল অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে তাকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক মৃত বলে জানান।

কেরানীগঞ্জে অবস্থিত ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দি আরও একজনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে ১২ ঘণ্টার ব্যবধানে দুই কারাবন্দির মৃত্যু হলো।

সোমবার রাত ৮টার দিকে কারাগারে অসুস্থ হয়ে পড়েন মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম।

তাকে হাসপাতালে নিয়ে আসা কারারক্ষী মোহাম্মদ শিহাব উদ্দিন শিহাব বলেন, ‘রাত ৮টার দিকে কারাগারে ৫০ বছর বয়সী শফিকুল অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে তাকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক মৃত বলে জানান।

এর আগে সকাল সাড়ে ৯টায় গিয়াস উদ্দিন খান নামে এক কারাবন্দির মৃত্যু হয়। ঢাকা মেডিক্যালের জরুরি বিভাগে ৮০ বছর বয়সী গিয়াস উদ্দিনকে নিলে চিকিৎসক তাকে মৃত বলে জানান।

ঢাকা মেডিক্যালের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ (পরিদর্শক) মো. বাচ্চু মিয়া জানান, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে রাখা হয়েছে।

আরও পড়ুন:
কারাগারে অসুস্থ, ঢাকা মেডিক্যালে মৃত্যু

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Withdrawal of the case footballer Ankhis land is intact

মামলা প্রত্যাহার, ফুটবলার আঁখির জমি নিষ্কণ্টক

মামলা প্রত্যাহার, ফুটবলার আঁখির জমি নিষ্কণ্টক মা-বাবার সঙ্গে ফুটবলার আঁখি। ফাইল ছবি
সিরাজগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট লুৎফুন নাহার জানান, বাদী পক্ষ মামলাটি প্রত্যাহারের আবেদন করেছে। ফলে মামলাটি খারিজ হয়ে গেছে। বর্তমানে ফুটবলার আঁখিকে বরাদ্দ দেয়া ওই জমি সম্পূর্ণ নিষ্কণ্টক।

নারী ফুটবলার আঁখি খাতুনকে প্রধানমন্ত্রীর দেয়া ৮ শতাংশ জমির ওপর করা মামলা প্রত্যাহার করে নেয়া হয়েছে। সোমবার দুপুরে মামলার বাদী হাজী মকরম প্রামানিক সিরাজগঞ্জ অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বরাবর মামলাটি প্রত্যাহারের আবেদন করেন।

অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট লুৎফুন নাহার জানান, বাদী পক্ষ মামলাটি প্রত্যাহারের আবেদন করেছে। ফলে মামলাটি খারিজ হয়ে গেছে। বর্তমানে ফুটবলার আঁখিকে বরাদ্দ দেয়া ওই জমি সম্পূর্ণ নিষ্কণ্টক।

শাহজাদপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তরিকুল ইসলাম বলেন, ‘সাফ উইমেন্স চ্যাম্পিয়নশিপ জয়ী ফুটবলার আঁখির জন্য প্রধানমন্ত্রীর উপহার হিসেবে ১ নম্বর খাস খতিয়ানভুক্ত ৮ শতাংশ জমির একটি প্লট বরাদ্দ দেয়া হয়। ৪ জুন পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব কবির বিন আনোয়ার জমির দলিল হস্তান্তর করেন।

‘সম্প্রতি হাজী মকরম প্রামাণিক নামে এক ব্যক্তি ওই জমি তাদের দখলে রয়েছে দাবি করে মামলা করেন। তবে মামলার তফসিলে তিনি খতিয়ান উল্লেখ বা জমিটির মালিকানা দাবি করেননি। সোমবার দুপুরে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে বাদী নিজেই মামলাটি প্রত্যাহারের আবেদন করলে মামলাটি খারিজ হয়ে যায়।

ফুটবলে অবদান এবং দরিদ্র পরিবারের কথা বিবেচনা করে তিন বছর আগে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নিদের্শনায় আঁখিকে জমি বরাদ্দ দেয়া হয়েছিল। কিন্তু সেই জমির মালিকানা দাবি করে শাহজাদপুরের একজন ব্যবসায়ী মামলা করেন।

বিষয়টি নিয়ে নিউজবাংলায় সংবাদ প্রচারের পর সিরাজগঞ্জ জেলা প্রশাসন ওই জমির বরাদ্দ বাতিল করে ১ নম্বর খাস খতিয়ানভুক্ত ৮ শতাংশ নতুন জমি আঁখির নামে বরাদ্দ দেয়। পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব কবির বিন আনোয়ার ৪ জুন আঁখির পরিবারের কাছে ওই জমির দলিল হস্তান্তর করেন।

এদিকে সম্প্রতি আঁখি খাতুনকে বরাদ্দ দেয়া সেই জমির দখল নিয়ে হাজী মকরম প্রামানিক আদালতে মামলা করেন। মামলায় আঁখিসহ পাঁচজনকে বিবাদী করা হয়।

বুধবার রাতে মামলার নোটিশ নিয়ে সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) মামুনুর রশিদ ও কনস্টেবল আবু মুসা আঁখির গ্রামের বাড়িতে গেলে তার বাবার সঙ্গে বিতণ্ডা হয়। এক পর্যায়ে আঁখির বাবাকে পুলিশ শাসায় এবং থানায় নিয়ে যাওয়ার হুমকি দেয় বলে অভিযোগ করা হয়। এ নিয়ে সিরাজগঞ্জসহ দেশব্যাপী সমালোচনার ঝড় ওঠে। পরবর্তীতে ওই দুই পুলিশ সদস্যকে প্রত্যাহার করে নেয়া হয়। এ ঘটনার পাঁচদিন পর স্ব-ইচ্ছায় বাদী মামলাটি প্রত্যাহার করে নিয়েছেন।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The victory of the womens football team is a victory against radicalism

‘নারী ফুটবল দলের জয় মৌলবাদ-কুপমণ্ডুকতার বিরুদ্ধে বিজয়’

‘নারী ফুটবল দলের জয় মৌলবাদ-কুপমণ্ডুকতার বিরুদ্ধে বিজয়’
গোলাম কুদ্দুস বলেন, ‘আমাদের দেশে নারীদের অগ্রগতি ঈর্ষনীয়। অথচ একটা মহল নারীদের সব অধিকার কেড়ে নিতে চায়। নারীর ভূমিকা নিয়ে কত প্রশ্ন তাদের! সব প্রশ্নের উত্তর দিয়েছে নারী ফুটবল দল। তারা দেখিয়েছে কীভাবে ঐক্যবদ্ধভাবে বিজয়কে অর্জন করতে হয়। আমাদের এই ফুটবল দলে বিভিন্ন জাতি গোষ্ঠীর সমন্বয় ঘটেছে। আমরা এই সমন্বয়ের বাংলাদেশ চেয়েছি।’

দক্ষিণ এশিয়ান ফুটবল ফেডারেশন (সাফ) নারী চ্যাম্পিয়নশিপ জয়ী নারী ফুটবল দলের এই বিজয়কে মৌলবাদের বিরুদ্ধে বিজয় হিসেবে দেখছেন সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের সভাপতি গোলাম কুদ্দুস।

তিনি বলেন, ‘আমরা নারীদের এই বিজয়কে শুধু ফুটবলের একটি প্রতিযোগিতার বিজয় মনে করি না। আমারা এটাকে মনে করি, কুপমণ্ডুকতার বিরুদ্ধে, নারীর অধিকারের বিরুদ্ধে, সমাজকে পিছিয়ে নেয়ার যে মধ্যযুগীয় চক্রান্ত আজও আমাদের দেশে বিদ্যমান, যারা নারীদের অন্তঘরে আবদ্ধ করে রাখতে চেয়েছিল তার বিরুদ্ধে আমাদের নারীদের সংগ্রামের বিজয়।’

সোমবার সন্ধ্যায় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে আয়োজিত এক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

সাফ জয়ী নারী ফুটবলারদের সংবর্ধনা দিতে ‘বিজয়ী বাংলার অদম্য নারীদের সংবর্ধনা’ শীর্ষক এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট।

অনুষ্ঠানে আইএফআইসি ব্যাংকের পক্ষ থেকে বাংলাদেশ নারী ফুটবল দলকে দশ লাখ টাকার চেক হস্তান্তর করা হয়।

গোলাম কুদ্দুস বলেন, ‘আমাদের দেশে নারীদের অগ্রগতি ঈর্ষনীয়। অথচ একটা মহল নারীদের সব অধিকার কেড়ে নিতে চায়। নারীর ভূমিকা নিয়ে কত প্রশ্ন তাদের! সব প্রশ্নের উত্তর দিয়েছে নারী ফুটবল দল। তারা দেখিয়েছে কীভাবে ঐক্যবদ্ধভাবে বিজয়কে অর্জন করতে হয়। আমাদের এই ফুটবল দলে বিভিন্ন জাতি গোষ্ঠীর সমন্বয় ঘটেছে। আমরা এই সমন্বয়ের বাংলাদেশ চেয়েছি।’

তিনি বলেন, ‘নারী পুরুষের সমান অধিকারের কথা আমাদের সংবিধানে উল্লেখ আছে। কিন্তু আমরা দেখছি বিভিন্ন ক্ষেত্রে নারীরা বঞ্চিত। আমরা জানি ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের অর্থের খুব বেশি জোগান নেই। তারপরও যা আছে সেটুকু যদি নারী পুরুষের ক্ষেত্রে সমানভাবে বণ্টন করা হয় তাহলে সংগত হবে।

‘আমরা নারী ফুটবলারদের সুযোগ-সুবিধা এবং বেতন পুরুষ ফুটবলারদের সমান করার দাবি জানাই। আমরা দেখতে চাই না, আমাদের নারী ফুটবলাররা লোকাল বাসে চড়ে তাদের থাকার জায়গা নেই। জাতির জন্য যারা সম্মান বয়ে আনে তাদেরকে দেখার দায়িত্ব রাষ্ট্রের। রাষ্ট্র সকল ক্ষেত্রে নারী পুরুষের বৈষম্য দূর করবে এটি আমাদেরর প্রত্যাশা।’

তার আগে নারী ফুটবল দলের ২৩ সদস্য শহীদ মিনারে পৌঁছালে ‘জয় নারী, জয় তারুণ্য’, ‘জয় মানুষ, জয় বাংলা’ শ্লোগানে তাদেরকে অভ্যার্থনা জানানো হয়। এরপর নারী ফুটবল দলের সদস্যরা শহীদ মিনারে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান। পরে ২১ আগস্ট, ১৫ আগস্ট সকল শহীদদের স্মরণে দাঁড়িয়ে এক মিনিট নিরবতা পালন করা হয়।

এরপর জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের মূল পর্ব শুরু হয়৷ পরে নারী ফুটবল সদস্য, কোচ ও টিম ম্যানেজমেন্টকে ফুলের মালা দিয়ে বরণ করে নেয়া হয়।

এ সময় আবৃত্তি, নাচ আর গানের তালে তালে তাদের ওপর পুষ্পবৃষ্টি বর্ষণ করা হয়। এরপর মানপত্র পাঠ শেষে ফুটবলারদের সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয়।

পরে আসাদুজ্জামান নূর এবং গোলাম কুদ্দুস সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের পক্ষ থেকে আইএফআইসির সহযোগিতায় ১০ লাখ টাকার চেক দেন বাফুফেকে।

আইএফআইসি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শাহ আলম সরওয়ার বলেন, ‘তোমরা আজকে যখন বিজয়ী হয়ে দেশে ফিরে এসেছো এখন দেশের সব আলো তোমাদের দিকে। কিন্তু দিন শেষে যখন তুমি তোমার পরিবারের কাছে ফিরে যাবে তখন একটা বাস্তব জীবন তোমার কাছে আসবে। সেই বাস্তব জীবনে অর্থের প্রয়োজন হয়, জীবিকার প্রয়োজন হয়।

‘সেই সময় যদি তোমরা কোন দিন মনে করো যে আইএফআইস ব্যাংক তোমাদের ব্যক্তিগত এবং পারিবারিকভাবে উপকার করতে পারে এবং তোমরা যদি আমাদের কাছে আসো তখন আমি কৃতার্থবোধ করব।’

অনুভূতি প্রকাশ করে নারী ফুটবল দলের অধিনায়ক সাবিনা খাতুন বলেন, ‘দিন শেষে যখন প্রাপ্তি পাওয়া যায় তখন অনেক ভালো লাগে। জয়ের পর থেকেই মনে হচ্ছে মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে পেরেছি। এটি নিঃসন্দেহে বাংলাদেশের জন্য স্মরণীয়ক্ষণ। আমার মনে হয় বাংলাদেশেরযে সাফল্য তার সবচেয়ে বড় পাওয়া আজকে আমাদের এখানে সংবর্ধনা গ্রহণ।

‘দিনশেষে যখন এমন সফলতা আসে এবং দেশের মানুষ হাসে তখন আমাদেরই ভালো লাগে। জয়ের পর থেকে দেশের মানুষের প্রতি কৃতজ্ঞতার শেষ নাই। এভাবে আপনারা পাশে থেকে সাপোর্ট দিয়ে গেলে আমরা আরও ভালো মূহূর্ত আপনাদেরকে উপহার দিতে পারব।’

হেড কোচ গোলাম রাব্বানী ছোটন বলেন, ‘আমি সম্মেলিত সাংস্কৃতিক জোটকে ধন্যবাদ জানাই, আমাদের এমন মুহূর্ত উপহার দেয়ার জন্য। আমাদের মেয়েরা এই এটি মনে রাখবে এবং বাফুফের সহযোগিতায় আগামী দুই-চার বছরে আরও বড় সফলতা এনে দেবে।’

বালাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের কমিটি ফর ওইমেন্স এর চেয়ারপারসন মাহফুজা আক্তার কীরণ বলেন, ‘আমাদের এই পথচলা স্মুথ ছিল না। আমরা অনেক পরিশ্রম করেছি, কিন্তু পিছু পা হইনি, কারণ নারীরাও পারে।’

বাফুফে সাধারণ সম্পাদক আবু নাইম সোহাগ বলেন, ‘আমরা ভিক্ষা করি এই মেয়েদের জন্য। আমাদের অনেকের কাছে শুনতে হয়, মেয়েরা কেন দশ-বারো হাজার টাকা বেতন পায়। আমরা মেয়েদেরকে কীভাবে ছেলেদের সমান ৫০ হাজার, ১ লাখ টাকা বেতন দেয়া যায় সে বিষয়ে কাজ করছি। আজকে এই সহযোগিতা আমাদেরকে অনেক দূর এগিয়ে দিয়েছে।’

সাবেক সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর বলেন, ‘পারিবারিক, সামাজিক, অর্থনৈতিক, ধর্মীয় সকল বাধা অতিক্রম করে তারা আজকে এখানে দাঁড়িয়েছে। সবকিছু হয়েছে প্রধানমন্ত্রীর জন্য। তিনি প্রাথমিকে যে খেলা শুরু করেছে সেখান থেকে অনেক মেয়ে উঠে এসেছে।’

তিনি বলেন, ‘সেদিন তোমাদের বিজয় দেখে আমরা চোখের পানি আটকিয়ে রাখতে পারিনি। কেননা আমরা মুক্তিযুদ্ধের বিজয় দেখার পর বহুদিন এমন জয়ের জন্য অপেক্ষা করেছি। আমরা সত্যিই গর্বিত। তোমরা অনেক প্রশংসা, সংবর্ধনা পাচ্ছ। এটি যেন অহংকারে পরিণত না হয়, সেটি যেন শক্তিতে, সাধনায় প্রতিফলিত হয়।’

অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে আরও বক্তব্য রাখেন সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব মফিদুল হক, মামুনর রশীদ, মুক্তিযোদ্ধা নাসির উদ্দীন ইউসুফ, রামেন্দ্র মজুমদার প্রমুখ।

আরও পড়ুন:
রূপনাদের গড়ে তুলছেন, কৃতিত্ব নিতে আগ্রহ নেই
সাফজয়ীদের চুরির ক্ষতিপূরণ দিল বাফুফে
সাফজয়ীদের সংবর্ধনা, কোটি টাকা দেবে সেনাবাহিনী
ট্রফি উঁচিয়ে নিজ শহরে সাবিনা
খেলোয়াড়দের বাড়ির ছাদ তৈরির আহ্বান শিরিনের

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Feminine Youth Murdered 6 Transgender Arrested

‘নারীবেশী যুবক’ খুন, ৬ ট্রান্সজেন্ডার গ্রেপ্তার

‘নারীবেশী যুবক’ খুন, ৬ ট্রান্সজেন্ডার গ্রেপ্তার তুষার হত্যার ঘটনায় প্রথমে চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের দেয়া তথ্যে আরও দুজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। ছবি: নিউজবাংলা
মরদেহ উদ্ধারের পর মৃতের পরিবারের সদস্যদের বরাতে পুলিশ জানায়, তুষার নিজেকে ট্রান্সজেন্ডার পরিচয় দিতেন এবং সেরকমই থাকতে পছন্দ করতেন। তার গলায় আঘাতের চিহ্ন ছিল।

সিলেটে তুষার আহমদ নামে এক ব্যক্তিকে হত্যার অভিযোগে ৬ ট্রান্সজেন্ডারকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

সোমবার পৃথক অভিযানে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

এর আগে গত রোববার তুষারের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহত তুষার নারীর ছদ্মবেশে ট্রান্সজেন্ডার লোকদের সঙ্গে চলাফেরা করতেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।

সোমবার রাতে কোতোয়ালি থানার ওসি মোহাম্মদ আলী মাহমুদ জানান, হত্যার ঘটনায় সোমবার ভোরের দিকে থানায় মামলা দায়ের করেন তুষারের ভাই হিমেল আহমদ রাফি। পরে সোমবার দিনভর অভিযান চালিয়ে ট্রান্সজেন্ডার ৬ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তার ৬ জন হলেন- সিলেটের বিয়ানীবাজার উপজেলার ছোটদেশ গ্রামের হৃদয়, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া থানার তানহা, সুনামগঞ্জের দিরাই থানার সুমি উজ্জল, হবিগঞ্জের চুনারুঘাট থানার চাঁদনী সজল, পাপ্পু পাপিয়া ও হৃদয় রুপা। এর মধ্যে পাপ্পু পাপিয়া ও হৃদয় রুপা ঘটনার মূল পরিকল্পনাকারী বলে জানিয়েছেন ওসি।

ওসি মোহাম্মদ আলী মাহমুদ বলেন, ‘আমরা বিশেষ অভিযানে প্রথমে চারজনকে গ্রেপ্তার করি। তাদের দেয়া তথ্যে পরে দুই পরিকল্পনাকারীকে গ্রেপ্তার করি।’

ওসি আরও বলেন, ‘প্রথমে গ্রেপ্তার ৪ জন ঘটনার সঙ্গে সম্পৃক্ত বলে আমাদের কাছে স্বীকারোক্তি দেয় এবং জানায়, তারা একসঙ্গে খারাপ কাজ করতো। এই কাজ নিয়ে দ্বন্দ্ব থেকেই তুষারকে খুন করা হয়। ওই চারজনকে সোমবার বিকেলে আদালতে পাঠানো হয়েছে। আর বাকি দুজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। মঙ্গলবার তাদেরও আদালতে পাঠানো হবে।’

এর আগে রোববার সকালে নগরের সোবহানীঘাট থেকে তুষারের মরদেহ উদ্ধার করে কোতোয়ালি থানা পুলিশ।

খবর পেয়ে তুষারের মা নাছিমা বেগম ঘটনাস্থলে গিয়ে ছেলের মরদেহ শনাক্ত করেন। পরে ময়নাতদন্ত শেষে রোববার বিকালে নগরীর মানিকপীর টিলায় মরদেহটি দাফন করা হয়।

মরদেহ উদ্ধারের পর মৃতের পরিবারের সদস্যদের বরাতে পুলিশ জানায়, তুষার নিজেকে তৃতীয় লিঙ্গের মানুষ পরিচয় দিতেন এবং সেরকমই থাকতে পছন্দ করতেন। তার গলায় আঘাতের চিহ্ন ছিল।

তুষারের ভাই হিমেল আহমদ রাফি বলেন, ‘আমার ভাই ট্রান্সজেন্ডার নয়। ছোটবেলায় একসঙ্গে আমাদের খতনা দেয়া হয়েছে। কিন্তু খাসদবির প্রাইমারি স্কুলে পড়ার সময় সে অস্বাভাবিক আচরণ করতে থাকে এবং একসময় ট্রান্সজেন্ডারদের সঙ্গে চলাফেরা শুরু করে।’

রাফি জানান, প্রায় প্রতি রাতেই ট্রান্সজেন্ডার বন্ধুদের সঙ্গে ঘর থেকে বের হয়ে যেতেন তুষার। ফিরতেন পরদিন সকালে। এ বিষয়ে পরিবারের পক্ষ থেকে বারবার মানা করা হলেও তিনি শুনেননি।

রাফি বলেন, ‘শনিবার রাত সাড়ে ৯টার দিকেও তৃতীয় লিঙ্গের এক বন্ধু তাকে বাসা থেকে ডেকে নিয়ে যায়। তবে তাকে এর আগে আমি কখনও তার সঙ্গে দেখিনি। রাতে সেই যে বেরুলো, আর ঘরে ফেরেনি তুষার। সকালেই জানতে পারি তার লাশ সোবহানীঘাট থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ।’

আরও পড়ুন:
প্রতিবন্ধী-ট্রান্সজেন্ডারদের চাকরি দিলে কর ছাড়
হোচিমিনের পরিবার একঘরে!
ট্রান্স পুরুষের পরিপক্ব ডিম্বাণুতে জন্ম নেবে সন্তান
ট্রান্সজেন্ডারদের দুই পক্ষের সংঘর্ষে আহত ৭
কিশোরের যৌনাঙ্গ কর্তন: ট্রান্সজেন্ডার জুঁই কারাগারে

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Jsobala saved her husband by despising death

মরণ তুচ্ছ করে স্বামীকে বাঁচালেন যশবালা

মরণ তুচ্ছ করে স্বামীকে বাঁচালেন যশবালা
যশবালা জানান, নৌকার সবাই নদীতে পড়ে যায়। তিনি তখন সাঁতরে গিয়ে ছোট বাঁশের খুঁটি আঁকড়ে ধরেন ও স্বামীকে খুঁজতে থাকেন। কিছু দূরে দেখেন তার স্বামী শুকাতু স্রোতে ভেসে যাচ্ছেন আর খাবি খাচ্ছেন। 

নৌকা ডুবে যাওয়ার পর অন্য অনেকের সঙ্গে নিজের জীবনও সংকটে। সাঁতার জানা থাকায় কিছুটা দূরে গিয়ে অবলম্বন হিসেবে পেয়ে যান বাঁশের একটি খুঁটি। ওদিকে অসুস্থ স্বামী সাঁতার জানেন না। তীব্র স্রোত ভাসিয়ে নিয়ে যাচ্ছে তাকে।

এই পর্যায়ে নিজের জীবনকে তুচ্ছ করে ছেড়ে দেন বাঁশের খুঁটি। এগিয়ে যান স্বামীকে বাঁচাতে। এক পর্যায়ে তাকে ধরে ফেলেন তিনি। আর প্রাণে বেঁচে যান দুজনই।

ঘটনাটি ঘটেছে রোববার, পঞ্চগড়ে। মহালয়ার পূজায় অংশ নিতে নৌকায় করে অন্য অনেকের সঙ্গে বদেশ্বরী মন্দিরে যাচ্ছিলেন বোদা উপজেলার ষাটোর্ধ্ব শুকাতু চন্দ্র বর্মণ ও তার স্ত্রী যশবালা রানী।

মাঝনদীতে নৌকা ডুবে গেলে শতাধিক যাত্রীর সঙ্গে তারা দুজনও পড়ে যান করতোয়ায়। যশবালা সাঁতরে তীরমুখী হলেও সাঁতার না জানায় তার স্বামী ডুবে যেতে থাকেন। তা দেখে নিজের জীবন তুচ্ছ করে এগিয়ে যান স্বামীর দিকে। এক পর্যায়ে স্বামীর নাগাল পেয়ে তাকে নিয়ে কোনোক্রমে ভেসে থাকেন। পরে লোকজন এসে তাদেরকে উদ্ধার করে।

তারা দুজন এখন চিকিৎসাধীন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে। সেখানে গিয়ে কথা হয় যশবালার সঙ্গে।

সে সময়ের অভিজ্ঞতা বলতে গিয়ে আতঙ্কে কেঁপে উঠছিলেন তিনি।

নিউজবাংলাকে বলেন, ‘নৌকা পাড়ে ভিড়তেই আমরা আগে উঠেছিলাম। পরে হুড়মুড় করে আরও লোকজন উঠা শুরু করল। আমি আমার অসুস্থ স্বামীকে নিয়ে তখন নেমে যেতে চেয়েছিলাম, সে সুযোগ পাই নাই। মাইক দিয়ে এত লোক উঠতে নিষেধ করছিল। তবুও কেউ কথা শুনলো না। মাঝখানে ডুবে গেল নৌকা।’

তিনি জানান, নৌকার সবাই নদীতে পড়ে যায়। তিনি তখন সাঁতরে গিয়ে ছোট বাঁশের খুঁটি আকড়ে ধরেন ও স্বামীকে খুঁজতে থাকেন। কিছু দূরে দেখেন তার স্বামী শুকাতু স্রোতে ভেসে যাচ্ছেন আর খাবি খাচ্ছিলেন।

যশবালা এ পর্যায়ে কেঁদে ফেলেন। তিনি বলেন, ‘এমন ভয়ঙ্কর পরিস্থিতিতে জীবনেও পড়িনি। আমি সাঁতার জানি, আমার স্বামী সাঁতার জানত না। সাঁতরে তাকে গিয়ে ধরেছি। এরপর স্থানীয় উদ্ধারকারীরা নৌকা নিয়ে এসে আমাদের দুজনকে তুলে নেয়।

‘আমি দেখি আমার স্বামী নৌকার উপর একদম নিস্তেজ হয়ে পড়েছে। তখনই আমাদের দুজনকে হাসপাতালে এনে ভর্তি করা হয়। এখন আমরা সুস্থ আছি।’

স্বামীর দিকে চেয়ে তিনি যেন আনমনেই বলে উঠেলেন, ‘মরে গেলেও স্বামীকে ছাড়া ডাঙ্গায় আসতাম না।’

বোদা উপজেলার মারেয়া আউলিয়া-বদ্বেশ্বরী ঘাটে করতোয়া নদীতে রোববার দুপুরে শতাধিক যাত্রী নিয়ে ডুবে যায় নৌকাটি। তাতে থাকা যাত্রীদের বেশির ভাগই মহালয়ার পুণ্যার্থী ছিলেন। তারা নদীর ওপারে বদ্বেশ্বরী মন্দিরে প্রার্থনার জন্য যাচ্ছিলেন।

এ দুর্ঘটনায় রোববার ও সোমবার দুই দিনে ৫০ জনের মরদেহ পাওয়া গেছে।

সোমবার সন্ধ্যা পর্যন্ত ২৭ জন নিখোঁজের তথ্য দিয়েছে ঘটনাস্থলে বসানো জেলা প্রশাসনের তথ্য কেন্দ্র। আর থানা পুলিশ জানিয়েছে, রোববার উদ্ধার হওয়া ১৫ জনকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়া হয়েছিল। এছাড়া দুর্ঘটনার পর অনেকে সাঁতরে তীরে উঠতে পেরেছিলেন।

আরও পড়ুন:
পঞ্চগড়ে নৌকাডুবি: মৃত বেড়ে ৩২
বাধা না মেনে অতিরিক্ত যাত্রী ওঠায় নৌকাডুবি: ডিসি
করতোয়ায় নৌকাডুবিতে প্রাণহানির ঘটনায় প্রধানমন্ত্রীর শোক
পঞ্চগড়ে নৌকা ডুবে ২৪ মৃত্যু
নৌকাডুবি: নিখোঁজ চাচা-ভাতিজাসহ তিনজনের মরদেহ উদ্ধার

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The Center is angry with the Chabi Chhatra League

চবি ছাত্রলীগে ক্ষেপেছে কেন্দ্র

চবি ছাত্রলীগে ক্ষেপেছে কেন্দ্র
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের ১০টি উপগ্রুপ সক্রিয়। চুন থেকে পান খসলেই বিশ্ববিদ্যালয়ে অবরোধের ডাক দেয়ার অভিযোগ রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে।

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ নষ্ট করা এবং সাংগঠনিক শৃঙ্খলা-পরিপন্থি যেকোনো কার্যকলাপের জন্য শাখা ছাত্রলীগকে কঠোর সতর্কবার্তা দিতে যাচ্ছে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ।

এ ক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয়ে অস্থিতিশীল পরিবেশ সৃষ্টিকারী নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানা গেছে।

সোমবার রাতে বিষয়টি নিউজবাংলাকে নিশ্চিত করেছেন কেন্দ্রীয় উপদপ্তর সম্পাদক নাজির আহমেদ।

কেন্দ্রীয় এই ছাত্রলীগ নেতা বলেন, ‘চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে বিশৃঙ্খলা চলছে কয়েক দিন ধরেই। এটা আমরা পর্যবেক্ষণে রেখেছি। আগামীকাল বা পরশু এ বিষয়ে কঠোর সাংগঠনিক সিদ্ধান্ত দেবে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ। ক্যাম্পাসে বিশৃঙ্খলা বা অস্থিতিশীল পরিবেশ সৃষ্টির জন্য যারা দায়ী তাদের বিরুদ্ধে কঠোর সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘সাংগঠনিক সমস্যা থাকতে পারে, কিন্তু তার জন্য সাধারণ শিক্ষার পরিবেশ কেউ নষ্ট করতে পারে না। ক্যাম্পাসে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টিকারীদের কোনোভাবেই প্রশ্রয় দেবে না কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ।’

এ বিষয়ে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক খোঁজখবর নিয়ে মঙ্গলবার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ও নির্দেশনা দেবেন বলেও জানান নাজির আহমেদ। এ ক্ষেত্রে চবি ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে শোকজ, বহিষ্কার কিংবা সাংগঠনিক শাস্তির ব্যবস্থা নিলে তা সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানিয়ে দেয়া হবে বলেও জানান তিনি।

চবি ছাত্রলীগে ক্ষেপেছে কেন্দ্র
পান থেকে চুন খসলেই ক্যাম্পাস অস্থিতিশীল করার অভিযোগ রয়েছে চবি ছাত্রলীগের বিরুদ্ধে

প্রসঙ্গত, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের ১০টি উপগ্রুপ সক্রিয়। চুন থেকে পান খসলেই বিশ্ববিদ্যালয়ে অবরোধের ডাক দেয়ার অভিযোগ রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে। এসব ক্ষেত্রে পূর্বঘোষণা ছাড়াই ক্যাম্পাসের শাটল ট্রেন বন্ধ করে দেয়ার অসংখ্য নজির রয়েছে। এতে সাধারণ শিক্ষার্থীরা প্রায়ই বিপাকে পড়েন।

শাখা ছাত্রলীগের কমিটি পূর্ণাঙ্গ করার পরও সম্প্রতি পরপর দুবার ক্যাম্পাসে অবরোধের ডাক দেয়া হয়েছে। এতে কার্যত অচল হয়ে পড়ে পুরো ক্যাম্পাস।

সম্প্রতি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ফটক, পরিবহন পুল বন্ধ করলে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে বিজ্ঞপ্তি দেয় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষও।

আরও পড়ুন:
মধ্যরাতে সংঘর্ষে চবি ছাত্রলীগের দুই পক্ষ
চবির মূল ফটকে ছাত্রলীগের তালা
চবিতে যৌন নিপীড়ন: প্রক্টরিয়াল বডিকে আদালতে তলব
বিএইচবিএফসি, রাকাব ও প্রবাসী ব্যাংকে নতুন এমডি
চবি ছাত্রলীগ নেতাকে ‘মারধর’

মন্তব্য

p
উপরে