× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ পৌর নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য

বাংলাদেশ
Omicron does not respond to warnings on the field
hear-news
player
print-icon

ওমিক্রন ‘সতর্কতায়’ মাঠে নেই সাড়া

ওমিক্রন-সতর্কতায়-মাঠে-নেই-সাড়া আগ্রাবাদ বাদামতলী মোড়ে শনিবার বিকেলে দেখা যায় জনা পঞ্চাশেক মানুষের জটলা। তারা সবাই বাসের অপেক্ষায়। ছবি: নিউজবাংলা
চট্রগ্রাম নগরীতে হোটেল, রেস্টুরেন্ট, গণপরিবহন, বাজারসহ প্রায় সবখানে চলছে স্বাস্থ্যবিধি অমান্যের প্রতিযোগিতা। অন্যদিকে করোনা পরিস্থিতি যাচ্ছে খারাপের দিকে। গত ১০ দিনে প্রায় সাড়ে ৬ হাজার জন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। এর মধ্যে ৭০৪ জন শনাক্ত হয়েছেন গত ২৪ ঘণ্টায়।

স্ত্রী-সন্তান নিয়ে শনিবার দুপুরে রেস্টুরেন্টে খাবার খেতে যান ব্যাংক কর্মকর্তা ফাহিম আহমেদ। তাদের টিকা সনদ দেখতে চায়নি কেউ, আর সরকারি নির্দেশনা থাকলেও তারা সনদ ছাড়াই বের হয়েছেন।

চট্টগ্রামের ২ নম্বর গেইটের একটি অভিজাত রেস্টুরেন্টে শনিবার দুপুরে দেখা যায় এ চিত্র।

নিউজবাংলার প্রতিবেদক প্রশ্ন করলে ফাহিম বলেন, ‘টিকা দিয়েছি, তবে কার্ড আনতে ভুলে গেছি। আর রেস্টুরেন্ট কর্তৃপক্ষ তো কার্ড দেখতে চাচ্ছে না।’

চট্রগ্রাম নগরীতে প্রায় প্রতিটি রেস্টুরেন্টেই অভিন্ন চিত্র। করোনাভাইরাস সংক্রমণ প্রতিরোধে সরকার বিধিনিষেধ জারি করলেও তা মানছেন খুব কম সংখ্যাক মানুষ।

করোনার তৃতীয় ঢেউয়ে বিশেষ করে ওমিক্রন সতর্কতায় রেস্টুরেন্টগুলোতে টিকার সনদ দেখে খাবার পরিবেশন করার কথা বলা হয়েছে। তা যেমন মানা হচ্ছে না, তেমনি মাস্ক ছাড়াই সর্বত্র ঘুরছেন মানুষ। কিছু বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান প্রবেশপথে হ্যান্ড স্যানিটাইজার রাখছে, তবে ভেতরে মাস্ক ছাড়াই আড্ডা দিতে দেখা গেছে অনেককেই।

চট্টগ্রামের একাধিক রেস্টুরেন্ট মালিক, স্টাফ ও আগতদের সঙ্গে কথা বলেন নিউজবাংলা। প্রায় সবার বক্তব্য দায়সারা।

কাজীর দেউড়ি এলাকার একটি রেস্টুরেন্টের ব্যবস্থাপক আনোয়ার হোসেন বলেন, ‘আমরা স্বাস্থ্যবিধি মেনে খাবার পরিবেশন করছি। তবে টিকা কার্ডের বিষয়ে খুব একটা কড়াকড়ি করছি না। করোনার কারণে দুই বছরে অনেক ক্ষতি হয়েছে, তাই কিছুটা ছাড় দিয়ে চলতে হচ্ছে।’

ওমিক্রন ‘সতর্কতায়’ মাঠে নেই সাড়া
গণপরিবহনগুলোতে মানা হচ্ছে না করোনার বিধিনিষেধ। ছবি: নিউজবাংলা

গণপরিবহনগুলোতেও বিধিনিষেধ শিকেয় উঠেছে। শনিবার বিকেলে আগ্রাবাদ বাদামতলী মোড়ে দেখা যায় জনা পঞ্চাশেক মানুষের জটলা। তারা সবাই বাসের অপেক্ষায়।

বহদ্দারহাটমুখী ১০ নম্বর রুটের একটি বাস আসতেই তাতে হুড়মুড় করে উঠলেন অধিকাংশ। যাত্রীদের বেশিরভাগের মুখে ছিল না মাস্ক; কয়েকজনের ঝুলছিল থুতনিতে। এভাবে গাদাগাদি করে যাত্রী নিয়ে চলছে বেশিরভাগ বাস। নিষেধাজ্ঞার তোয়াক্কা করছেন না তারা।

ট্রাফিক পুলিশের পরিদর্শক মেহেদী রহমান নিউজবাংলাকে বলেন, ‘করোনা সংক্রমণ নিয়ে বাসচালক, সহকারী ও যাত্রীদের সতর্ক হতে হবে। তাদেরই যেন মাথাব্যথা নেই। সচেতনতার জন্য মাস্ক বিলিসহ প্রচার চলছে। এভাবে চললে নির্দেশ অমান্যকারীদের জরিমানা করা হবে।’

চট্রগ্রামের কাঁচাবাজারগুলোতেও স্বাস্থ্যবিধির তোয়াক্কা নেই। শনিবার বিকেলে নগরীর কর্ণফুলী বাজারে গিয়ে দেখা যায়, সবজি-মাছ বিক্রেতাদের কারো মুখেই নেই মাস্ক। তবে অধিকাংশ ক্রেতার মুখে মাস্ক দেখা গেছে।

জানতে চাইলে সবজি বিক্রেতা খোকন মিয়া বলেন, ‘মাস্ক পরতে অস্বস্তি লাগে। টিকা নিছি, তাই মাস্ক খুব একটা পরিনা।’

মাঠ পর্যায়ে বিধি অমান্যের প্রতিযোগিতার মধ্যেই চট্টগ্রামে করোনা পরিস্থিতি যাচ্ছে খারাপের দিকে। নগরীতে গত ১০ দিনে প্রায় সাড়ে ৬ হাজার মানুষ করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। এর মধ্যে ৭০৪ জন শনাক্ত হয়েছেন গত ২৪ ঘণ্টায়।

বিএসএমএমইউ ফার্মাকোলজি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. মো. সায়েদুর রহমান খসরু বলেন, ‘বিধিনিষেধ কাগজের টুকরো হয়ে যাচ্ছে। এসব প্রয়োগ ও নজরদারির জন্য যে জনবল প্রয়োজন, তা আমাদের নেই। গণপরিবহণ বা রেস্টুরেন্ট কর্মচারীদের শতকরা ৩৫ ভাগও টিকা নিতে পারেননি। সবমিলিয়ে বিধিনিষিধগুলো বাস্তবায়নযোগ্য হয়ে উঠছে না।’

চট্টগ্রামে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মমিনুর রহমান বলেন, ‘বিধিনিষেধ অমান্যকারীদের আইনের আওতায় আনতে চারটি ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে অভিযান পরিচালনা করা হবে। ভ্রাম্যমাণ আদালত রেস্টুরেন্ট, হোটেল, বিনোদনকেন্দ্র, কমিউনিটি সেন্টারসহ জনসমাগম হয় এমন জায়গায় নিয়মিত অভিযান চালাবে। জনগণকে সচেতন করতে প্রচার চালাব।’

আরও পড়ুন:
টিকা কার্ডের শর্তে রাজনৈতিক-সামাজিক অনুষ্ঠানে ১০০ জন
ওমিক্রনের বিস্তার নিয়ে ভিন্ন ভিন্ন তথ্য কেন
চট্টগ্রামে ৭ জনের দেহে ‘ওমিক্রন’

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Preliminary recruitment examinee in North Jail via SMS

এসএমএসে উত্তর, কারাগারে প্রাথমিক নিয়োগ পরীক্ষার্থী

এসএমএসে উত্তর, কারাগারে প্রাথমিক নিয়োগ পরীক্ষার্থী ভ্রাম্যমাণ আদলতে জেরার মুখে পরীক্ষার্থী আব্দুল্লাহ আল মামুন।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. নাহারুল ইসলাম জানান, মামুনের পরীক্ষা বাতিল করা হয়েছে। এ ছাড়া তাকে যারা উত্তরপত্র সরবরাহ করছিল তাদেরও আটকের চেষ্টা চলছে।

নওগাঁয় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় আব্দুল্লাহ আল মামুন নামে প্রশ্নফাঁস চক্রের সক্রিয় সদস্য ও পরীক্ষার্থীকে এক মাসের সাজা দিয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।

শুক্রবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে পরীক্ষা চলার সময় জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. নাহারুল ইসলাম ভ্রাম্যমাণ আদালতে সাজা প্রদান করেন। এর আগে জাতীয় গোয়েন্দো সংস্থার গোপন তথ্যের ভিত্তিতে মামুনকে আটক করা হয়।

দণ্ডপ্রাপ্ত মামুন জেলার পোরশা উপজেলার বিষ্ণপুর গ্রামের আব্দুর রাজ্জাকের ছেলে।

ঘটনার সময় উপস্থিত ব্যক্তিদের বরাতে জানা গেছে, নওগাঁ শহরের জনকল্যাণ মডেল উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছিল। পরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ওই কেন্দ্রের ২১০ নম্বর কক্ষ থেকে মামুনকে আটক করা হয়। এ সময় তার কাছ থেকে একটি মোবাইল ফোন, দুটি সিম ও একটি মোটরসাইকেল জব্দ করা হয়।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. নাহারুল ইসলাম বলেন, ‘আব্দুল্লাহ আল মামুন প্রশ্নফাঁস চক্রের অন্য সদস্যদের সহযোগিতায় এসএমএসের মাধ্যমে সরবরাহ করা উত্তরপত্র দেখে পরীক্ষা দেয়ার জন্য হলে মোবাইল নিয়ে প্রবেশ করে। পরে তাকে আটক করা হয়। তার বিরুদ্ধে দণ্ডবিধি আইন ১৮৬০ এর ১৮৮ ধারায় দোষী সাব্যস্ত করে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেয়া হয়।’

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জানান, মামুনের পরীক্ষা বাতিল করা হয়েছে। এ ছাড়া তাকে যারা উত্তরপত্র সরবরাহ করছিল তাদেরও আটকের চেষ্টা চলছে।

আরও পড়ুন:
প্রাথমিকে নিয়োগ: মৌখিক পরীক্ষা গ্রহণ কমিটি সংশোধন
প্রাথমিকে নিয়োগ: মৌখিক পরীক্ষার জন্য পাস ৪১ হাজার
শিক্ষক নিয়োগ: দ্বিতীয় ধাপের সুপারিশ এ মাসেই
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে ই-রেজিস্ট্রেশনের নির্দেশ
৪৭১ শিক্ষক নিয়োগের সুপারিশ

মন্তব্য

বাংলাদেশ
13 members of question paper fraud ring arrested

প্রাথমিকের প্রশ্নপত্র জালিয়াতি চক্রের ১৩ সদস্য আটক

প্রাথমিকের প্রশ্নপত্র জালিয়াতি চক্রের ১৩ সদস্য আটক প্রশ্ন ফাঁস জালিয়াতি চক্রের ১৩ সদস্যকে আটক করেছে পুলিশ। ছবি: সংগৃহীত
জেলা গোয়েন্দা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) প্রাণবন্ধু চন্দ্র কৃঞ্চ বিশ্বাস জানান, রাজবাড়ীর পুলিশ সুপার এম এম শাকিলুজ্জামানের নির্দেশনায় গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে দুপুরে জেলা শহরের নতুন বাজার এলাকার আবুল খায়েরের ছেলে মিজানুর রহমানের বাড়িতে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়েছে।

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র জালিয়াতি চক্রের ১৩ সদস্যকে আটক করেছে রাজবাড়ী জেলা গোয়েন্দা পুলিশ।

এ সময় জব্দ করা হয়েছে প্রশ্নের ফটোকপি, টাকা, ২০টি মোবাইল ফোন, ইলেক্ট্রনিক্স ডিভাইসসহ বিভিন্ন সরঞ্জাম।

শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টায় রাজবাড়ী জেলা পুলিশের গোয়েন্দা শাখায় এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান জেলা গোয়েন্দা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা প্রাণবন্ধু চন্দ্র কৃঞ্চ বিশ্বাস।

আটক ব্যক্তিরা হলেন ইব্রাহীম হোসেন, সাগর আহম্মেদ, বিজয় বালা, নুরুল হক হাওলাদার, হারুন সরদার, রেজাউল করিম, আবু সালাম, মুনছুর মণ্ডল, রুবেল মাহমুদ, মিজানুর রহমান, রুমান হাসান, মাইনুল ইসলাম, ও ফরিদা বেগম।

আটক ব্যক্তিদের মধ্যে একজন নারী পরীক্ষার্থী ও পাঁচজন প্রাথমিক শিক্ষকও রয়েছেন।

চক্রের হোতা মাঈনুল ইসলাম হাওলাদারকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জালিয়াতির ঘটনা স্বীকার করেছেন।

পুলিশ জানায়, তিনি তার সোনালী ব্যাংক একাউন্টের মাধ্যমে পরীক্ষার্থীদের কাছ থেকে টাকা সংগ্রহ করেছে বলে জানায়। ঘটনার বিষয়ে তদন্ত চলছে। ঘটনার সাথে জড়িতদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত আছে।

জেলা গোয়েন্দা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) প্রাণবন্ধু চন্দ্র কৃঞ্চ বিশ্বাস জানান, রাজবাড়ীর পুলিশ সুপার এম এম শাকিলুজ্জামানের নির্দেশনায় গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে দুপুরে জেলা শহরের নতুন বাজার এলাকার আবুল খায়েরের ছেলে মিজানুর রহমানের বাড়িতে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়েছে।

এ ব্যাপারে একটি মামলা হবে বলেও জানান তিনি।

আরও পড়ুন:
প্রশ্ন ফাঁস: কারণ দর্শাতে হবে বুয়েটের সেই শিক্ষককে
‘প্রশ্ন ফাঁস করে কেন সুনাম নষ্ট করতে চাইব’
প্রশ্ন ফাঁস: বুয়েটের সেই শিক্ষকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা
ব্যাংক নিয়োগের প্রশ্নফাঁসের তদন্তে বুয়েট শিক্ষকের নাম
প্রশ্ন ফাঁস: ব্যাংক কর্মকর্তাসহ রিমান্ডে আরও ৩

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The old man was killed for preventing him from planting mangoes

আম পাড়তে বাধা দেয়ায় বৃদ্ধকে হত্যা

আম পাড়তে বাধা দেয়ায় বৃদ্ধকে হত্যা আম পাড়তে বাধা দেয়ায় বৃদ্ধকে গলা টিপে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। ছবি: সংগৃহীত
রূপগঞ্জ থানার ওসি সায়েদ বলেন, ‘ধারণা করা হচ্ছে আম পাড়তে বাধা দেয়ায় ওই বৃদ্ধকে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়েছে। তার মরদেহ উদ্ধার করে নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।’

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে আম পাড়তে বাধা দেয়ায় জয়দেব সরকার নামে এক ব্যক্তিকে শ্বাসরোধে হত্যার অভিযোগ উঠেছে।

হত্যার ঘটনায় দুজনকে আসামি করে মামলা হয়েছে রূপগঞ্জ থানায়। উপজেলার বিরাবো এলাকায় শুক্রবার বিকেলে এ ঘটনা ঘটে।

রূপগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ এফ এম সায়েদ ঘটনার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

মামলায় বলা হয়, গোপালগঞ্জ জেলার কোটালীপাড়া থানার বটবাড়ি এলাকার জয়দেব সরকার তার পরিবারের সদস্যদের নিয়ে সুনীল মালাকারের বাড়িতে বাস করতেন।

শুক্রবার বিকেলে বিরাবো গ্রামের অটোরিকশাচালক মাহবুবের স্ত্রী রোকেয়া বেগম ও তার ছেলে সিয়াম সুনীল সরকারের গাছের আম পাড়ার সময় জয়দেব সরকার তাদের বাধা দেন। এ সময় তাদের সঙ্গে জয়দেরবের বাগবিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে রোকেয়া ও সিয়াম বাড়ির কেয়ারটেকার জয়দেব সরকারের গলা চেপে ধরেন। তখন জয়দেব সরকার মাটিতে লুটিয়ে পড়েন।

জয়দেব সরকারের ডাকচিৎকারে তার স্ত্রী-কন্যাসহ আশপাশের লোকজন ছুটে এলে তারা পালিয়ে যান। পরে জয়দেব সরকারকে উদ্ধার করে রূপগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়।

রূপগঞ্জ থানার ওসি এ এফ এম সায়েদ বলেন, ‘ধারণা করা হচ্ছে আম পাড়তে বাধা দেয়ায় ওই বৃদ্ধকে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়েছে। তার মরদেহ উদ্ধার করে নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় জয়দেব সরকারের মেয়ে তৃষ্ণা রাণী সরকার রোকেয়া বেগম ও তার ছেলে সিয়ামকে আসামি করে রূপগঞ্জ থানায় হত্যা মামলা করেছেন। পুলিশ তাদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা করছে।’

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Missing after bathing in Jamuna

যমুনায় গোসলে নেমে নিখোঁজ

যমুনায় গোসলে নেমে নিখোঁজ
নিখোঁজ আহসান হাবিবের বাড়ি বগুড়া সদর উপজেলার ফুলবাড়ি কুনপাড়া গ্রামে। তিনি সাভারের আশুলিয়া এলাকার নাসা গার্মেন্টেসের জেনারেল ম্যানেজার (ওয়াশিং) পদে কর্মরত ছিলেন।

মানিকগঞ্জের শিবালয়ের যমুনা নদীতে গোসল করতে নেমে আহসান হাবিব নামের এক ব্যক্তি নিখোঁজ হয়েছেন।

শুক্রবার বিকেল ৪টার দিকে শিবালয়ের জাফরগঞ্জের নদীতে গোসল করতে নেমে নিখোঁজের এ ঘটনা ঘটে।

নিখোঁজ আহসান হাবিবের বাড়ি বগুড়া সদর উপজেলার ফুলবাড়ি কুনপাড়া গ্রামে। তিনি সাভারের আশুলিয়া এলাকার নাসা গার্মেন্টেসের জেনারেল ম্যানেজার (ওয়াশিং) পদে কর্মরত ছিলেন।

শিবালয় থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শাহিন বলেন, ‘খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে এবং ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি তার খোঁজ করছেন। ধারণা করা হচ্ছে, গোসল করার একপর্যায়ে নদীর শ্রোতে ভেসে ডুবে যান তিনি। এখনো তাকে খোঁজে পাওয়া যায়নি।’

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Nesco worker killed in explosion of electrical transformer

বৈদ্যুতিক ট্রান্সফরমার বিস্ফোরণে নেসকো কর্মীর মৃত্যু

বৈদ্যুতিক ট্রান্সফরমার বিস্ফোরণে নেসকো কর্মীর মৃত্যু
নেসকোর বিতরণ বিভাগ-৩-এর সহকারী প্রকৌশলী জুলফিকার বলেন, ‘রবিউল ইসলামের মরদেহ এখনও ঢাকার বার্ন হাসপাতালের মর্গে রয়েছে। আনুষ্ঠানিক ব্যবস্থা শেষে তার মরদেহ বগুড়ায় নিয়ে আসা হবে।’

বগুড়ায় ট্রান্সফরমার বিস্ফোরিত হয়ে সরকারি মালিকানাধীন নর্দার্ন ইলেকট্রিসিটি সাপ্লাই কোম্পানির এক কর্মীর মৃত্যু হয়েছে। ৫০ বছর বয়সী ওই নেসকো কর্মীর নাম রবিউল ইসলাম শাহিন। তার বাড়ি জেলার গাবতলী উপজেলায়।

শুক্রবার সকাল ৯টার দিকে রাজধানীর শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান শাহিন।

এর আগে বৃহস্পতিবার রাত ১টার দিকে শহরের পুরান বগুড়া এলাকায় অবস্থিত নেসকোর বিতরণ বিভাগ-৩-এর কার্যালয়ে ওই ট্রান্সফরমার বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে।

প্রায় ২৭ বছর ধরে বিদ্যুৎ বিভাগে কাজ করা শাহিনের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নেসকোর বিতরণ বিভাগ-৩-এর সহকারী প্রকৌশলী জুলফিকার আলী।

তিনি জানান, রবিউল ইসলামের দায়িত্ব ছিল প্রতি ঘণ্টায় বিদ্যুতের বিভিন্ন ডাটা লিপিবদ্ধ (রিডিং) করা। বৃহস্পতিবার রাত ১টার দিকে মিটারের রিডিং নেয়ার সময় রবিউলের পেছনে থাকা বৈদ্যুতিক ট্রান্সফরমার ইকুইপমেন্ট (সিটি ইকুইপমেন্ট) বিস্ফোরিত হলে দগ্ধ হন তিনি।

বিস্ফোরণের শব্দ শুনে অফিসের অন্যরা আহত শাহিনকে উদ্ধার করে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে তাকে রাত আড়াইটার দিকেই ঢাকার শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে পাঠানো হয়। সেখানে ভর্তির পর শুক্রবার সকাল ৯টার দিকে তিনি মারা যান।

জুলফিকার বলেন, ‘রবিউল ইসলামের মরদেহ এখনও ঢাকার বার্ন হাসপাতালের মর্গে রয়েছে। সেখানে নেসকোর এক কর্মকর্তা রয়েছেন সার্বিক বিষয় দেখার জন্য। আনুষ্ঠানিক ব্যবস্থা শেষে তার মরদেহ বগুড়ায় নিয়ে আসা হবে।’

আরও পড়ুন:
করাচি বিশ্ববিদ্যালয়ে বিস্ফোরণ, তিন চীনাসহ নিহত ৪
কারখানায় বিস্ফোরণে নিহতের ঘটনায় ২ মামলা
যাত্রাবাড়ীতে কম্প্রেসার বিস্ফোরণ, দম্পতি-সন্তান দগ্ধ
আতশবাজি তৈরির সময় বিস্ফোরণে দুই নারী নিহত
তিন মৃত্যুতে জানাজানি হলো বিস্ফোরণের খবর

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The son who rescued his fathers body in the sinking boat is still missing

নৌকাডুবিতে বাবার মরদেহ উদ্ধার, ছেলে এখনও নিখোঁজ

নৌকাডুবিতে বাবার মরদেহ উদ্ধার, ছেলে এখনও নিখোঁজ পদ্মা নদীর ধুলাউড়ি ঘাট এলাকায় শুক্রবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে বদিউজ্জামানের মরদেহ ভেসে ওঠে। ছবি: নিউজবাংলা
চাঁপাইনবাবগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার ফরিদ উদ্দিন বলেন, ‘ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল রাজশাহী থেকে এসে অভিযান চালাচ্ছে। সন্ধ্যা পর্যন্ত রবিউলের মরদেহ উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি, আমরা চেষ্টা করছি।’

চাঁপাইনবাবগঞ্জের পদ্মা নদীর ধুলাউড়ি ঘাট এলাকায় নৌকাডুবি হয়েছে। এতে বাবার মরদেহ উদ্ধার হলেও এখনও নিখোঁজ ছেলে।

বৃহস্পতিবার রাতে শিবগঞ্জ উপজেলার দূলভপুর ইউনিয়নের মনোহরপুর এলাকার বদিউজ্জামান তার ছেলে রবিউল আওয়ালকে নিয়ে পদ্মা নদীতে মাছ ধরছিলেন। ঝড়, বৃষ্টি ও বজ্রপাতের সময় তাদের নৌকা ডুবে যায়।

পদ্মা নদীর ধুলাউড়ি ঘাট এলাকায় শুক্রবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে বদিউজ্জামানের মরদেহ ভেসে ওঠে। ওই সময় স্থানীয়রা মরদেহ তার বাড়িতে নিয়ে যান।

পরে রবিউলের মরদেহ উদ্ধারের জন্য ফায়ার সার্ভিসসহ স্থানীয় প্রশাসনকে জানানো হয়। দুপুর থেকে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীসহ স্থানীয়রা রবিউল আওয়ালের মরদেহ উদ্ধারে চেষ্টা করছেন। সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত রবিউলের মরদেহ উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।

দূলভপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুর রজিব রাজু বলেন, ‘বিকেলে শিবগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবুল হায়াত নিহত বদিজ্জমানের পরিবারের কাছে ২০ হাজার টাকা করে ৪০ হাজার টাকা পৌঁচ্ছে দিয়েছেন।’

চাঁপাইনবাবগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার ফরিদ উদ্দিন বলেন, ‘ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল রাজশাহী থেকে এসে অভিযান চালাচ্ছে। সন্ধ্যা পর্যন্ত রবিউলের মরদেহ উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি, আমরা চেষ্টা করছি।’

আরও পড়ুন:
ল‌ঞ্চের ধাক্কায় নৌকা ডু‌বি, নি‌খোঁজ জে‌লে
নৌকায় বাল্কহেডের ধাক্কা, তিতাসে নিখোঁজ পল্লী চিকিৎসক
ডুবে যাওয়া নৌকার কেবিন থেকে মাঝির মরদেহ উদ্ধার
শীতলক্ষ্যায় নৌকাডুবি: কিশোরীর মরদেহ উদ্ধার
শীতলক্ষ্যায় বাল্কহেডের ধাক্কায় নৌকাডুবি, নিখোঁজ দুই নারী

মন্তব্য

বাংলাদেশ
BNPs job is to destroy the country Food Minister

দেশ ধ্বংস করাই বিএনপির কাজ: খাদ্যমন্ত্রী

দেশ ধ্বংস করাই বিএনপির কাজ: খাদ্যমন্ত্রী সাপাহার পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে শুক্রবার দুপুরে ফুটবল টুর্নামেন্টে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার। ছবি: নিউজবাংলা
মন্ত্রী বলেন, ‘ক্ষমতায় থাকাকালে বিএনপি ফুটবল খেলা বন্ধ করে দিয়েছিল, কমিউনিটি ক্লিনিক বন্ধ করেছিল। আমরা ক্ষমতায় এসে চালু করেছি। দেশের সব সেক্টরে উন্নয়ন হচ্ছে। বিএনপি উন্নয়ন দেখতে পায় না, তাদের কাজই হচ্ছে বিশৃঙ্খলা তৈরি করে দেশকে ধ্বংস করা।’

বিশৃঙ্খলার মাধ্যমে দেশ ধ্বংস করাই বিএনপির কাজ বলে মন্তব্য করেছেন খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার।

শুক্রবার দুপুরে নওগাঁর সাপাহার পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে ফুটবল টুর্নামেন্টের পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি এ মন্তব্য করেন।

এ সময় মন্ত্রী বলেন, ‘ক্ষমতায় থাকাকালে বিএনপি ফুটবল খেলা বন্ধ করে দিয়েছিল, কমিউনিটি ক্লিনিক বন্ধ করেছিল। আমরা ক্ষমতায় এসে চালু করেছি। দেশের সব সেক্টরে উন্নয়ন হচ্ছে। বিএনপি উন্নয়ন দেখতে পায় না, তাদের কাজই হচ্ছে বিশৃঙ্খলা তৈরি করে দেশকে ধ্বংস করা।’

খাদ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা ছোটবেলায় পলিথিন দিয়ে বল বানিয়ে খেলেছি। কত স্মৃতি এই ফুটবল খেলা নিয়ে। কালের বিবর্তনে সেই পলিথিন দিয়ে বানানো ফুটবল খেলা আর নেই। এখন তো আধুনিক সরঞ্জাম দিয়ে ফুটবল তৈরি হয়ে থাকে।

‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ক্ষমতায় আসার পর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান জাতীয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট এবং বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব জাতীয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট চালুর পর ফুটবল খেলায় আবারও প্রাণ ফিরেছে।’

সরকারের উন্নয়ন তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, ‘শেখ হাসিনার কাছেই বাংলাদেশ নিরাপদ। তার দ্বারাই সম্ভব দেশের উন্নয়ন। আর দ্বিতীয় কোনো ব্যক্তি বা দলের দ্বারা এমন উন্নয়ন সম্ভব নয়। ২০০৮ সালে আমরা ক্ষমতায় আসার পর দেখেছি দেশের কী অবস্থা করে রেখেছিল বিএনপি।

‘প্রধানমন্ত্রী ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার কথা বলেছিলেন, বর্তমানে সেই সুফল ভোগ করছে দেশের মানুষ। হাতে হাতে মোবাইল হয়েছে, ইন্টারনেট পেয়েছে। ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ পেয়েছে। মানুষ এখন আর না খেয়ে থাকে না। কৃষকদের পর্যাপ্ত কৃষি উপকরণ দেয়া হচ্ছে।’

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল মামুন।

উপস্থিত ছিলেন উপজেলা চেয়ারম্যান শাহজাহান হোসেন, উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা মুহাম্মদ রুহুল আমিন, উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি শামসুল আলম শাহ চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক মাসুদ রেজা সারোয়ার, বীর মুক্তিযোদ্ধা ওমর আলী ও থানার ওসি তারেকুর রহমান সরকার।

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান জাতীয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টে অনূর্ধ্ব-১৭ বালক এবং বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব জাতীয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টে বিজয়ী অনূর্ধ্ব-১৭ বালিকাদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন খাদ্যমন্ত্রী।

আরও পড়ুন:
সততার সঙ্গে দেশ গঠনে অবদান রাখুন: খাদ্যমন্ত্রী
কাঁদলেন খাদ্যমন্ত্রী
সারা দেশে ২০০ পেডি সাইলো নির্মাণ করবে সরকার
মাদকের সঙ্গে জড়িতদের নিয়ে কমিটি নয়: খাদ্যমন্ত্রী
খালেদার সুস্থতা চায় না বিএনপি: খাদ্যমন্ত্রী

মন্তব্য

উপরে