× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ পৌর নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য

বাংলাদেশ
Various Crisis in LCL Container Delivery
hear-news
player
print-icon

এলসিএল কনটেইনার ডেলিভারিতে নানা সংকট

এলসিএল-কনটেইনার-ডেলিভারিতে-নানা-সংকট
চট্টগ্রাম বন্দর সচিব মোহাম্মদ ওমর ফারুক বলেন, ‘বন্দরে প্রচুর জাহাজ আসছে। কনটেইনারের সংখ্যাও বেড়েছে। বাড়তি চাপ সামাল দিতে কিছুটা সমস্যা হচ্ছে।

চট্টগ্রাম বন্দর থেকে পণ্য বোঝাই কনটেইনার (এলসিএল) ডেলিভারিতে নানামুখী সংকট তৈরি হচ্ছে। স্বাভাবিক পণ্যের চেয়ে এসব পণ্য ডেলিভারি পেতে ৭-৮ দিন বেশি সময় লেগে যায়। এতে সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছে তৈরি পোশাক খাত।

সমস্যাগুলো সমাধানে চট্টগ্রাম বন্দরে ডেলিভারি শেড বৃদ্ধি ও শেডের আধুনিকায়নের দাবি জানিয়েছে পোশাক রপ্তানিকারকদের সংগঠন বিজিএমইএ।

সংগঠনটির সাবেক সহ সভাপতি মোহাম্মদ আবদুস সালাম জানান, বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে পণ্য নিয়ে দুই ধরনের কনটেইনার আসে চট্টগ্রাম বন্দরে। এর মধ্যে শুধুমাত্র একজন আমদানিকারকের পণ্য বোঝাই কনটেইনারকে বলা হয় এফসিএল কনটেইনার। আর কয়েকজন আমদানিকারকের পণ্য বোঝাই কনটেইনারকে বলা হয় এলসিএল কনটেইনার।

বিশ্বের উন্নত বন্দরগুলোর ভেতরে এলসিএল কনটেইনার থেকে পণ্য বের করে বিভিন্ন আমদানিকারককে বুঝিয়ে দেয়া হয় না। পুরো কনটেইনার নির্দিষ্ট একটি জায়গায় পাঠিয়ে দেয়া হয়। ওখান থেকে আমদানিকারকেরা নিজেদের পণ্য খালাস করে নিয়ে যান।

চট্টগ্রাম বন্দরে এলসিএল কনটেইনারগুলো ইয়ার্ডের ভেতরে খোলা হয়। সব পণ্য বের করে সংশ্লিষ্ট আমদানিকারকদের সরবরাহ দেয়া হয়। এতে বিশাল জায়গা ও সময় বেশি লাগে। যদি কোনো জাহাজে দেড়শ টিইইউএসের বেশি এলসিএল কনটেইনার আসে তাহলে সামাল দিতে বন্দরকে হিমশিম খেতে হয়।

একইভাবে এসব কনটেইনার বোঝাই করে পণ্য আনা ব্যবসায়ীদেরও সংকটে পড়তে হয়। এ ধরনের এক একটি কনটেইনার থেকে পণ্য খালাস করতে ৭-৮ দিন পর্যন্ত বাড়তি সময় লাগে। অনেক সময় এর প্রভাব পড়ে কারখানায়। কাঁচামাল সংকটে পড়ে কারখানার উৎপাদনও বন্ধ হয়ে যায়।

বিজিএমইএর সদস্য খন্দকার বেলায়েত হোসেন জানান, শুধু আমদানি পণ্য খালাসে নয়, রপ্তানি পণ্য বোঝাই কনটেইনারের ক্ষেত্রেও সংকট আছে। চট্টগ্রাম বন্দরের মাধ্যমে রপ্তানি পণ্য বোঝাই কনটেইনারগুলোর শতভাগই আসে বেসরকারি অভ্যন্তরীণ কনটেইনার টার্মিনাল (আইসিডি) হয়ে। আইসিডি থেকে এসব কনটেইনার এনে জাহাজে বোঝাই করে দেয়া হয়।

অধিকাংশ সময়ই আইসিডি থেকে কনটেইনারগুলোকে সরাসরি জাহাজের হুক পয়েন্টে নিয়ে আসা হয়। কনটেইনারগুলো আগেভাগে এনে বন্দরের অভ্যন্তরে রাখার ব্যবস্থা করা হলে রপ্তানিপণ্য বোঝাই কনটেইনার জাহাজীকরণ বেশি গতিশীল হতো।

বিশেষ করে চিটাগাং কনটেইনার টার্মিনালে রপ্তানি পণ্য বোঝাই কনটেইনার রাখার মতো কোনো নির্দিষ্ট জায়গা নেই। অবশ্য নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনালে ১ হাজার ও জেনারেল কার্গো বার্থ এলাকায় ১৪ শ টিইইউএস রপ্তানি পণ্য বোঝাই কনটেইনার রাখার স্লট রয়েছে। চিটাগাং কনটেইনার টার্মিনালে (সিসিটি) এই ধরনের একটি জায়গা নির্দিষ্ট করা হলে রপ্তানিকারকদের সুবিধা হতো।

তিনি বলেন, ‘বন্দর থেকে আমদানি পণ্যের কনটেইনার খালাস করতে প্রথমে যেতে হয় ওয়ান স্টপ সার্ভিস সেন্টারে। ওখান থেকে কনটেইনারটির অবস্থান জানানো হয়। লোকবল সংকটসহ বিভিন্ন কারণে ওয়ান স্টপ সার্ভিস থেকে অধিকাংশ সময়ই কনটেইনারের অবস্থান জানা সম্ভব হয় না। কখনও কখনও অবস্থান বলা হলেও কনটেইনার খুঁজে পাওয়া যায় না।

‘জেনারেল কার্গো বার্থে (জিসিবি) প্রায়ই এ ধরনের ঘটনা ঘটছে। এতে আমদানি পণ্য খালাসে অনাকাঙ্খিতভাবে বাড়তি সময় লাগছে। বাড়ছে খরচ। কারখানাগুলোকে নিয়মিত কাঁচামাল সংকটে পড়তে হচ্ছে।’

সংকটের কথা স্বীকার করে চট্টগ্রাম বন্দর সচিব মোহাম্মদ ওমর ফারুক বলেন, ‘বন্দরে প্রচুর জাহাজ আসছে। কনটেইনারের সংখ্যাও বেড়েছে। বাড়তি চাপ সামাল দিতে কিছুটা সমস্যা হচ্ছে।’

পতেঙ্গা কনটেইনার টার্মিনাল (পিসিটি) চালু হলে এ সমস্যা থাকবে না বলে জানিয়েছেন তিনি।

আরও পড়ুন:
কনটেইনার ধারণক্ষমতা বাড়ল চট্টগ্রাম বন্দরের
পণ্য হ্যান্ডলিংয়ে চট্টগ্রাম বন্দরের রেকর্ড
রণং বন্দর ও চট্টগ্রাম বন্দরের মধ্যে সমঝোতা স্মারক সই
মাশুল বাড়াচ্ছে চট্টগ্রাম বন্দর, ক্ষুব্ধ ব্যবসায়ীরা
চট্টগ্রাম বন্দরে অচলাবস্থা, আটকা পড়েছে ৬৪০০ কনটেইনার

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Arrest the young woman in the guise of love

পুরুষ সেজে প্রেমের ফাঁদ, তরুণীকে গ্রেপ্তার

পুরুষ সেজে প্রেমের ফাঁদ, তরুণীকে গ্রেপ্তার প্রতারণার মামলায় গ্রেপ্তার স্নেহা। ছবি: নিউজবাংলা
যশোর কোতোয়ালি থানার ওসি মনিরুজ্জামান জানান, স্নেহার নামে দেশের বিভিন্ন থানায় মাদক ও প্রতারণার একাধিক মামলা রয়েছে। তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।

পুরুষ সেজে প্রতারণার অভিযোগে যশোরে ফারহানা আক্তার স্নেহা নামে এক তরুণীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

শুক্রবার সকালে যশোর শহরের দড়াটানা মোড় থেকে স্নেহাকে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি শহরের লোন অফিস পাড়ার শাহাজান আলীর মেয়ে।

যশোর কোতোয়ালি থানার ওসি শেখ মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান জানান, আটক স্নেহা দীর্ঘদিন ধরে দেশের বিভিন্ন স্থানে পুরুষ সেজে প্রতারণা করে আসছেন।

ওসি আরও জানান, সম্প্রতি চৌগাছা উপজেলার বেড় গোবিন্দপুর গ্রামের চা দোকানি হাবিবুর রহমানের সঙ্গে পুরুষ বেশে স্নেহার পরিচয় হয়। পরে হাবিবুরের মেয়ের সঙ্গে তিনি প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলেন।

প্রেমের সম্পর্কের সূত্র ধরে ওই মেয়ের কাছ থেকে মোবাইলসহ বিকাশের মাধ্যমে নগদ টাকা নিয়ে সটকে পড়েন স্নেহা।

এ ঘটনায় হাবিবুর রহমান বাদী হয়ে গত বৃহস্পতিবার যশোর কোতোয়ালি থানায় লিখিত অভিযোগ দেন। পুলিশ অভিযোগটি মামলা হিসেবে গ্রহণ করে সকালে স্নেহাকে শহরের দড়াটানা মোড় থেকে গ্রেপ্তার করে।

মনিরুজ্জামান আরও জানান, স্নেহার নামে দেশের বিভিন্ন থানায় মাদক ও প্রতারণার একাধিক মামলা রয়েছে। তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।

আরও পড়ুন:
বঙ্গবন্ধু পরিবারের নাম ভাঙিয়ে প্রতারণা: দুজন রিমান্ডে
পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগ স্ত্রীর
বঙ্গবন্ধু পরিবারের নাম ভাঙিয়ে প্রতারণা, দুজন গ্রেপ্তার
গুলিস্তান শপিং কমপ্লেক্সের জায়গা নিয়ে প্রতারণার অভিযোগ
ভূমি অধিগ্রহণে প্রতারণা, সার্ভেয়ারকে বরখাস্তের সুপারিশ

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Two bikers killed in truck crash

ট্রাকচাপায় বাইকের দুই বন্ধু নিহত

ট্রাকচাপায় বাইকের দুই বন্ধু নিহত বগুড়ার কাহালুতে দুর্ঘটনা কবলিত বাইক। ছবি: সংগৃহীত
ওসি আমবার হোসেন বলেন, ‘হতাহত তিনজনই মোটরসাইকেলের ছিলেন। দুর্ঘটনা কবলিত ট্রাক ও মোটরসাইকেল হেফাজতে নেয়া হয়েছে। ঘটনার পরপরই ট্রাকের চালক-সহকারী পালিয়ে গেছেন।’

বগুড়ার কাহালুতে ট্রাকের চাপায় মোটরসাইকেলের দুই বন্ধু নিহত হয়েছেন। উপজেলার নওগাঁ-বগুড়া আঞ্চলিক মহাসড়কের বীরবেদার এলাকায় শুক্রবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত দুজনের নাম আব্দুল্লাহ ও সৈকত। এ ঘটনায় সাগর সাখিদার নামে আরও এক বন্ধু আহত হন।

তাদের সবার বয়স ২২ থেকে ২৫ বছরের মধ্যে। হতাহত তিনজনই নওগাঁর বাসিন্দা এবং একই বাইকের আরোহী ছিলেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।

কাহালু থানার উপপরিদর্শক (এসআই) এরশাদ আলী জানান, সাগর নওগাঁ সদরের তিলোকপুর এলাকার হবিবর সাখিদারের ছেলে। তাকে গুরুতর অবস্থায় বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। অন্যদের পরিচয় এখনও বিস্তারিত জানা যায়নি।

স্থানীয়রা জানান, মোটরসাইকেলে চড়ে তিন জন নওগাঁর দিকে যাচ্ছিলেন। রাত সাড়ে ৮টার দিকে বীরকেদার বারোপুর এলাকায় বিপরীতমুখী একটি ট্রাকের সঙ্গে সংঘর্ষ ঘটে। এতে সৈকত নামে এক বাইক আরোহী ট্রাকের চাপায় ঘটনাস্থলেই মারা যান। আর বাকি দুজনকে স্থানীয়রা উদ্ধার করে দুপচাঁচিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কেন্দ্রে নিয়ে যায়।

সেখানে নিয়ে যাওয়ার কিছুক্ষণ পরেই আব্দুল্লাহ মারা যান। আর গুরুতর আহত হওয়ায় সাগর সাখিদারকে বগুড়া শজিমেক হাসপাতালে পাঠানো হয়।

এসআই এরশাদ আলী আরও জানান, দুর্ঘটনার পর সৈকতের মরদেহ কাহালু থানা পুলিশের হেফাজতে রয়েছে। আর আব্দুল্লাহকে দুপচাঁচিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কেন্দ্রে নিয়ে যাওয়ার জন্য সেখানেই রয়েছে।

কাহালু থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আমবার হোসেন বলেন, ‘হতাহত তিনজনই মোটরসাইকেলের ছিলেন। দুর্ঘটনা কবলিত ট্রাক ও মোটরসাইকেল হেফাজতে নেয়া হয়েছে। ঘটনার পরপরই ট্রাকের চালক-সহকারী পালিয়ে গেছেন।’

আরও পড়ুন:
পিকআপ-অটোরিকশার সংঘর্ষে প্রাণ গেল দুই পরীক্ষার্থীর
পিকআপ-অটোরিকশার সংঘর্ষে পরীক্ষার্থী নিহত 
লরিচাপায় প্রাণ গেল পথচারীর 
মসজিদে যাওয়ার পথে বাসচাপায় ইমাম নিহত
ইজিবাইকে চাঁদাবাজি: সাদিক-মনীষা মুখোমুখি

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The young man died in the clash between the two sides

দুই পক্ষের সংঘর্ষে প্রাণ গেল যুবকের

দুই পক্ষের সংঘর্ষে প্রাণ গেল যুবকের দুই পক্ষের সংঘর্ষে নিহত ফরহাদ হোসেন। ছবি: সংগৃহীত
গাঙ্গুটিয়া বাজারের পল্লী চিকিৎসক মনতোষ চন্দ্র সাহা নিউজবাংলাকে বলেন, ‘দুপক্ষের মারামারি থামাতে গিয়ে ফরহাদ মাঝে পড়ে যায়। এ সময় রডের আঘাতে গুরুতর আহত হয় সে।’

ঢাকার ধামরাইয়ে পূর্ব বিরোধের জেরে দুই পক্ষের সংঘর্ষের মধ্যে পড়ে একজন নিহত হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এ সময় দুই পক্ষের চারজন আহত হয়েছে বলে জানা গেছে। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশ একজনকে আটক করেছে।

উপজেলার গাঙ্গুটিয়া ইউনিয়নের গাঙ্গুটিয়া বাজার এলাকায় শুক্রবার রাত ৮টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

নিহতের নাম ফরহাদ হোসেন। আর আটক হয়েছেন মো. জাকারিয়া।

ধামরাই থানার কাওয়ালীপাড়া বাজার তদন্ত কেন্দ্রের সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) ফয়েজ উদ্দিন এসব নিশ্চিত করেছেন।

তিনি স্থানীয়দের বরাতে জানান, গাঙ্গুটিয়া ইউনিয়নের গাজিখালী নদীর মাটি খনন নিয়ে একই ইউনিয়নের অর্জুন নালাই এলাকার মো. জাকারিয়া ও কাওয়ালীপাড়া গ্রামের মতিয়ার রহমানের মধ্যে বিরোধ চলছিল অনেকদিন ধরে।

শুক্রবার সন্ধ্যায় মতিয়ার গাঙ্গুটিয়া বাজার এলাকায় গেলে খবর পেয়ে তাকে মারতে আসে জাকারিয়া ও তার লোকজন। দুই পক্ষের লোকজনের মধ্যে তখন লাঠিসোটা ও রড নিয়ে সংঘর্ষে জড়ায়। এ সময় রডের আঘাতে আহত হন ফরহাদ। তাকে ধামরাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

গাঙ্গুটিয়া বাজারের পল্লী চিকিৎসক মনতোষ চন্দ্র সাহা নিউজবাংলাকে বলেন, ‘দুপক্ষের মারামারি থামাতে গিয়ে ফরহাদ মাঝে পড়ে যায়। এ সময় রডের আঘাতে গুরুতর আহত হয় সে।’

কাওয়ালীপাড়া বাজার তদন্ত কেন্দ্রের এএসআই ফয়েজ জানান, ঘটনা তদন্ত করে আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে।

আরও পড়ুন:
৭০০ টাকার জন্য ৭ জন হাসপাতালে
সম্মেলনের মধ্যেই আ.লীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষ
জমি নিয়ে বিরোধে দুই পক্ষের সংঘর্ষ, লুটপাট
দুটি আঙুল কেটে দিয়েছে, পরীক্ষা দেব কীভাবে
নিউমার্কেটে মারামারি শুরু করা দুইজন গ্রেপ্তার

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Allegation of beating a college teacher against MP Anar

এমপি আনারের বিরুদ্ধে কলেজ শিক্ষককে মারধরের অভিযোগ

এমপি আনারের বিরুদ্ধে কলেজ শিক্ষককে মারধরের অভিযোগ সরকারি মাহতাব উদ্দিন কলেজ। ছবি: সংগৃহীত
ঝিনাইদহের এসপিকে দেয়া লিখিত অভিযোগে অধ্যক্ষ জানান, বৃহস্পতিবার বিকেলে সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আজীম আনার কলেজে প্রবেশ করে গণিত বিভাগের সহকারী অধ্যাপক সাজ্জাদ হোসাইনকে তুই শিবির করিস বলে কানে-মুখে চড়-থাপ্পড় মারেন। পরে তিনি শিক্ষকদের কমনরুমে গিয়ে নানা হুমকি-ধমকি দিয়ে চলে যান।

ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ সরকারি মাহতাব উদ্দিন কলেজের সহকারী অধ্যাপক সাজ্জাদ হোসাইনকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আজীম আনারের বিরুদ্ধে।

এ ঘটনায় ঝিনাইদহের পুলিশ সুপার (এসপি) মোমতাসিরুল ইসলামকে বৃহস্পতিবার বিকেলে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন কলেজের অধ্যক্ষ মাহাবুবুর রহমান।

লিখিত অভিযোগে অধ্যক্ষ জানান, বৃহস্পতিবার দুপুর ১টার দিকে সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আজীম আনার কলেজে প্রবেশ করে গণিত বিভাগের সহকারী অধ্যাপক সাজ্জাদ হোসাইনকে তুই শিবির করিস বলে কানে-মুখে চড়-থাপ্পড় মারেন। পরে তিনি শিক্ষকদের কমনরুমে গিয়ে নানা হুমকি-ধামকি দিয়ে চলে যান।

অভিযোগে আরও বলা হয়, নন-এমপিওভুক্ত শিক্ষক সুব্রত, সাবেক ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মজিদ মণ্ডল, খাতা চুরি মামলার আসামি রকিবুল ইসলাম মিল্টন, কর্মচারী তাপস ও সবুজ কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মোশাররফকেও লাঞ্ছিত করেন। তারা কলেজের কিছু নথি হাতিয়ে নিয়ে মোশাররফকে একটি কক্ষে আটকে রাখেন। এ সময় কলেজের কর্মচারী তাপস ও সবুজ তাকে টানাহেঁচড়া করেন।

অধ্যক্ষ মাহাবুবুর রহমান বলেন, ‘কলেজ থেকে সরকারি খাতা চুরির বিষয় নিয়ে কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের নির্দেশে মামলা করা হয় আদালতে। মামলাটি বর্তমান সিআইডি তদন্ত করছে। মামলার সাক্ষী গণিত বিভাগের সহকারী অধ্যাপক সাজ্জাদ হোসেন।

‘এ কারণে তার ওপর ক্ষুব্ধ আসামিরা। তারাও ওই কলেজে চাকরি করেন। বহিরাগতদের ডেকে খাতা চুরি মামলার আসামি রকিবুল ইসলাম মিল্টনসহ অন্যরা তাকে চড়-থাপ্পড় মারেন।’

অধ্যক্ষ আরও বলেন, ‘কলেজের কাজে সহকারী অধ্যাপক মোশাররফ হোসেনকে সাময়িক ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের দায়িত্ব দেয়া হয়। নন-এমপিও ৬১ নম্বর সিরিয়ালের জুনিয়র প্রভাষক সব্রত কুমার নন্দী ও খাতা চুরির মামলার আসামি সাবেক উপাধ্যক্ষ আব্দুল মজিদ মণ্ডল চুরির ঘটনা ধামাচাপা দিতে বহিরাগত, কলেজের স্টাফ সবুজ ও পিয়ন তাপসের সহায়তায় ত্রাস সৃষ্টিসহ মোশাররফ হোসেনকে লাঞ্ছিত করে।’

অভিযোগকারী শিক্ষক সাজ্জাদ হোসাইন বলেন, ‘এমপি আনোয়ারুল আজীম আনার এসে শিক্ষক রুমের সবাইকে বের করে দেন। এরপর আমাকে শিবির করিস বলে থাপ্পড় মারেন। গ্রুপিং করিস কেন বলেই পরপর পাঁচ-ছয়টি থাপ্পড় মারেন। কিছু বুঝে ওঠার আগেই এমপি মারধর করেন।’

তিনি জানান, এমপি মারধরের আগে কিছু বহিরাগত দুষ্কৃতি তুই শিবির করিস বলে চড়-থাপ্পড় মারে। এতে তিনি কানে গুরুতর আঘাত পান।

এখন তিনি হাসপাতালে ভর্তি আছেন বলে জানান।

কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মোশাররফ হোসেন বলেন, ‘একটি ফাইল হাতিয়ে নিতে সুব্রত ও অবসরপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আব্দুল মজিদ মণ্ডল আটকে রেখে অপমান-অপদস্ত, এমনকি মারধর করতে উদ্যত হন। এ ধরনের একটি সরকারি ডকুমেন্ট নিতে হলে কালীগঞ্জ ইউএনওর সম্মতি ছাড়া দিতে পারব না বলে তাদের সাফ জানিয়ে দিই।’

বিকেল পৌনে ৫টার দিকে আটক অবস্থা থেকে তারা ছেড়ে দেন বলে জানান মোশাররফ।

এ ব্যাপারে জানতে ঝিনাইদহ-৪ আসনের সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আজীম আনারকে কল করা হলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

কালীগঞ্জ থানার ওসি আব্দুর রহিম মোল্লা জানান, কলেজের বিষয়টি তাকে কেউ জানায়নি। এ বিষয়ে তিনি কিছুই জানেন না।

অধ্যক্ষ তাকে জানানোর পরও ব্যবস্থা নেয়া হয়নি- এমন প্রশ্নের জবাব না দিয়ে তিনি ফোন কেটে দেন।

মোবাইল ফোন রিসিভ না করায় অধ্যক্ষের অভিযোগ বিষয়ে এসপি মোমতাসিরুল ইসলামের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Preliminary recruitment examinee in North Jail via SMS

এসএমএসে উত্তর, কারাগারে প্রাথমিক নিয়োগ পরীক্ষার্থী

এসএমএসে উত্তর, কারাগারে প্রাথমিক নিয়োগ পরীক্ষার্থী ভ্রাম্যমাণ আদলতে জেরার মুখে পরীক্ষার্থী আব্দুল্লাহ আল মামুন।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. নাহারুল ইসলাম জানান, মামুনের পরীক্ষা বাতিল করা হয়েছে। এ ছাড়া তাকে যারা উত্তরপত্র সরবরাহ করছিল তাদেরও আটকের চেষ্টা চলছে।

নওগাঁয় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় আব্দুল্লাহ আল মামুন নামে প্রশ্নফাঁস চক্রের সক্রিয় সদস্য ও পরীক্ষার্থীকে এক মাসের সাজা দিয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।

শুক্রবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে পরীক্ষা চলার সময় জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. নাহারুল ইসলাম ভ্রাম্যমাণ আদালতে সাজা প্রদান করেন। এর আগে জাতীয় গোয়েন্দো সংস্থার গোপন তথ্যের ভিত্তিতে মামুনকে আটক করা হয়।

দণ্ডপ্রাপ্ত মামুন জেলার পোরশা উপজেলার বিষ্ণপুর গ্রামের আব্দুর রাজ্জাকের ছেলে।

ঘটনার সময় উপস্থিত ব্যক্তিদের বরাতে জানা গেছে, নওগাঁ শহরের জনকল্যাণ মডেল উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছিল। পরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ওই কেন্দ্রের ২১০ নম্বর কক্ষ থেকে মামুনকে আটক করা হয়। এ সময় তার কাছ থেকে একটি মোবাইল ফোন, দুটি সিম ও একটি মোটরসাইকেল জব্দ করা হয়।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. নাহারুল ইসলাম বলেন, ‘আব্দুল্লাহ আল মামুন প্রশ্নফাঁস চক্রের অন্য সদস্যদের সহযোগিতায় এসএমএসের মাধ্যমে সরবরাহ করা উত্তরপত্র দেখে পরীক্ষা দেয়ার জন্য হলে মোবাইল নিয়ে প্রবেশ করে। পরে তাকে আটক করা হয়। তার বিরুদ্ধে দণ্ডবিধি আইন ১৮৬০ এর ১৮৮ ধারায় দোষী সাব্যস্ত করে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেয়া হয়।’

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জানান, মামুনের পরীক্ষা বাতিল করা হয়েছে। এ ছাড়া তাকে যারা উত্তরপত্র সরবরাহ করছিল তাদেরও আটকের চেষ্টা চলছে।

আরও পড়ুন:
প্রাথমিকে নিয়োগ: মৌখিক পরীক্ষা গ্রহণ কমিটি সংশোধন
প্রাথমিকে নিয়োগ: মৌখিক পরীক্ষার জন্য পাস ৪১ হাজার
শিক্ষক নিয়োগ: দ্বিতীয় ধাপের সুপারিশ এ মাসেই
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে ই-রেজিস্ট্রেশনের নির্দেশ
৪৭১ শিক্ষক নিয়োগের সুপারিশ

মন্তব্য

বাংলাদেশ
13 members of question paper fraud ring arrested

প্রাথমিকের প্রশ্নপত্র জালিয়াতি চক্রের ১৩ সদস্য আটক

প্রাথমিকের প্রশ্নপত্র জালিয়াতি চক্রের ১৩ সদস্য আটক প্রশ্ন ফাঁস জালিয়াতি চক্রের ১৩ সদস্যকে আটক করেছে পুলিশ। ছবি: সংগৃহীত
জেলা গোয়েন্দা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) প্রাণবন্ধু চন্দ্র কৃঞ্চ বিশ্বাস জানান, রাজবাড়ীর পুলিশ সুপার এম এম শাকিলুজ্জামানের নির্দেশনায় গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে দুপুরে জেলা শহরের নতুন বাজার এলাকার আবুল খায়েরের ছেলে মিজানুর রহমানের বাড়িতে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়েছে।

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র জালিয়াতি চক্রের ১৩ সদস্যকে আটক করেছে রাজবাড়ী জেলা গোয়েন্দা পুলিশ।

এ সময় জব্দ করা হয়েছে প্রশ্নের ফটোকপি, টাকা, ২০টি মোবাইল ফোন, ইলেক্ট্রনিক্স ডিভাইসসহ বিভিন্ন সরঞ্জাম।

শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টায় রাজবাড়ী জেলা পুলিশের গোয়েন্দা শাখায় এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান জেলা গোয়েন্দা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা প্রাণবন্ধু চন্দ্র কৃঞ্চ বিশ্বাস।

আটক ব্যক্তিরা হলেন ইব্রাহীম হোসেন, সাগর আহম্মেদ, বিজয় বালা, নুরুল হক হাওলাদার, হারুন সরদার, রেজাউল করিম, আবু সালাম, মুনছুর মণ্ডল, রুবেল মাহমুদ, মিজানুর রহমান, রুমান হাসান, মাইনুল ইসলাম, ও ফরিদা বেগম।

আটক ব্যক্তিদের মধ্যে একজন নারী পরীক্ষার্থী ও পাঁচজন প্রাথমিক শিক্ষকও রয়েছেন।

চক্রের হোতা মাঈনুল ইসলাম হাওলাদারকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জালিয়াতির ঘটনা স্বীকার করেছেন।

পুলিশ জানায়, তিনি তার সোনালী ব্যাংক একাউন্টের মাধ্যমে পরীক্ষার্থীদের কাছ থেকে টাকা সংগ্রহ করেছে বলে জানায়। ঘটনার বিষয়ে তদন্ত চলছে। ঘটনার সাথে জড়িতদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত আছে।

জেলা গোয়েন্দা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) প্রাণবন্ধু চন্দ্র কৃঞ্চ বিশ্বাস জানান, রাজবাড়ীর পুলিশ সুপার এম এম শাকিলুজ্জামানের নির্দেশনায় গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে দুপুরে জেলা শহরের নতুন বাজার এলাকার আবুল খায়েরের ছেলে মিজানুর রহমানের বাড়িতে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়েছে।

এ ব্যাপারে একটি মামলা হবে বলেও জানান তিনি।

আরও পড়ুন:
প্রশ্ন ফাঁস: কারণ দর্শাতে হবে বুয়েটের সেই শিক্ষককে
‘প্রশ্ন ফাঁস করে কেন সুনাম নষ্ট করতে চাইব’
প্রশ্ন ফাঁস: বুয়েটের সেই শিক্ষকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা
ব্যাংক নিয়োগের প্রশ্নফাঁসের তদন্তে বুয়েট শিক্ষকের নাম
প্রশ্ন ফাঁস: ব্যাংক কর্মকর্তাসহ রিমান্ডে আরও ৩

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The old man was killed for preventing him from planting mangoes

আম পাড়তে বাধা দেয়ায় বৃদ্ধকে হত্যা

আম পাড়তে বাধা দেয়ায় বৃদ্ধকে হত্যা আম পাড়তে বাধা দেয়ায় বৃদ্ধকে গলা টিপে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। ছবি: সংগৃহীত
রূপগঞ্জ থানার ওসি সায়েদ বলেন, ‘ধারণা করা হচ্ছে আম পাড়তে বাধা দেয়ায় ওই বৃদ্ধকে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়েছে। তার মরদেহ উদ্ধার করে নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।’

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে আম পাড়তে বাধা দেয়ায় জয়দেব সরকার নামে এক ব্যক্তিকে শ্বাসরোধে হত্যার অভিযোগ উঠেছে।

হত্যার ঘটনায় দুজনকে আসামি করে মামলা হয়েছে রূপগঞ্জ থানায়। উপজেলার বিরাবো এলাকায় শুক্রবার বিকেলে এ ঘটনা ঘটে।

রূপগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ এফ এম সায়েদ ঘটনার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

মামলায় বলা হয়, গোপালগঞ্জ জেলার কোটালীপাড়া থানার বটবাড়ি এলাকার জয়দেব সরকার তার পরিবারের সদস্যদের নিয়ে সুনীল মালাকারের বাড়িতে বাস করতেন।

শুক্রবার বিকেলে বিরাবো গ্রামের অটোরিকশাচালক মাহবুবের স্ত্রী রোকেয়া বেগম ও তার ছেলে সিয়াম সুনীল সরকারের গাছের আম পাড়ার সময় জয়দেব সরকার তাদের বাধা দেন। এ সময় তাদের সঙ্গে জয়দেরবের বাগবিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে রোকেয়া ও সিয়াম বাড়ির কেয়ারটেকার জয়দেব সরকারের গলা চেপে ধরেন। তখন জয়দেব সরকার মাটিতে লুটিয়ে পড়েন।

জয়দেব সরকারের ডাকচিৎকারে তার স্ত্রী-কন্যাসহ আশপাশের লোকজন ছুটে এলে তারা পালিয়ে যান। পরে জয়দেব সরকারকে উদ্ধার করে রূপগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়।

রূপগঞ্জ থানার ওসি এ এফ এম সায়েদ বলেন, ‘ধারণা করা হচ্ছে আম পাড়তে বাধা দেয়ায় ওই বৃদ্ধকে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়েছে। তার মরদেহ উদ্ধার করে নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় জয়দেব সরকারের মেয়ে তৃষ্ণা রাণী সরকার রোকেয়া বেগম ও তার ছেলে সিয়ামকে আসামি করে রূপগঞ্জ থানায় হত্যা মামলা করেছেন। পুলিশ তাদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা করছে।’

মন্তব্য

উপরে