× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ পৌর নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য

বাংলাদেশ
A case of attempted murder of a transgender woman
hear-news
player
print-icon

ট্রান্সজেন্ডার নারীকে হত্যাচেষ্টার অভিযোগে মামলা

ট্রান্সজেন্ডার-নারীকে-হত্যাচেষ্টার-অভিযোগে-মামলা
শুক্রবার রাজধানীর ভাটারা থানায় ভুক্তভোগীর করা মামলায় এমন অভিযোগ করা হয়েছে। এ সময় তার মোবাইলসহ মূল্যবান জিনিস ছিনিয়ে নেয়া হয়েছে বলেও জানানো হয়েছে।

রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার এক বাসায় ট্রান্সজেন্ডার এক নারীকে নির্যাতন ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগ উঠেছে এক নারীসহ তিনজনের বিরুদ্ধে। অভিযুক্ত ওই নারী এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।

শুক্রবার রাজধানীর ভাটারা থানায় ভুক্তভোগীর করা মামলায় এমন অভিযোগ করা হয়েছে। এ সময় তার মোবাইলসহ মূল্যবান জিনিস ছিনিয়ে নেয়া হয়েছে বলেও জানিয়েছেন তিনি। মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ভাটারা থানার ওসি সাজেদুর রহমান।

তিনি বলেন, ‘মামলাটি আজই (শুক্রবার) হয়েছে। তদন্তে অভিযুক্তদের সম্পৃক্ততা পাওয়া গেলে আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

মামলার আসামিদের দুজনের নাম জানা গেছে। তারা হলেন রিশু ও সাইমা নিরা। অন্যজন অজ্ঞাত।

মামলা সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী ট্রান্সজেন্ডার নারী একজন মেকআপ আর্টিস্ট। সে সূত্রে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ইনস্টাগ্রামে এক যুবকের সঙ্গে পরিচয় হয় তার। ১০ জানুয়ারি বিকেলে ওই যুবকের সঙ্গে নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি-সংলগ্ন একটি রেস্টুরেন্টের সামনে তার দেখা হয়। ওই যুবক কথার একপর্যায়ে জানান, তার স্ত্রী ওই ট্রান্সজেন্ডার নারীর ভক্ত। স্ত্রীকে সারপ্রাইজ দেয়ার জন্য তাকে তার বাসায় যাওয়ার অনুরোধ করেন।

এজাহারে ভুক্তভোগী জানান, তিনি ওই যুবকের কথা বিশ্বাস করে বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার সি ব্লকে ৫ নম্বর সড়কের এক বাসার দ্বিতীয় তলার ফ্ল্যাটে যান। সেখানে যাওয়ার পর তিনি এক নারী ও আরেকজন পুরুষকে দেখতে পান।

ওই তিনজন ভুক্তভোগীকে বিবস্ত্র করে ভিডিও ধারণ করে। এতে বাধা দিলে তিনজন তাকে মারধর শুরু করেন এবং বলতে থাকেন এই ভিডিও তারা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেবে। এ সময় তিনজন নিজেদের আইনের লোক পরিচয় দেন। তাদের কাছে অস্ত্র ও ওয়াকিটকি ছিল বলে জানান তিনি।

মামলায় আরো অভিযোগ করা হয়, ভুক্তভোগীর কাছে থাকা মোবাইল ফোন, সোনার চেইন, নগদ টাকা ছিনিয়ে নেয়া হয়। এরপর তার কাছে এক লাখ টাকা দাবি করে বলা হয়, না দিলে মেরে পূর্বাচলে ফেলে দেয়া হবে।

পরবর্তী সময়ে প্রাণ ভিক্ষা চাইলে তাকে থানায় নিয়ে যাবে বলে ঢাকার বিভিন্ন রাস্তায় ঘুরিয়ে রাত ৮টার দিকে রামপুরা এলাকায় একটি হাসপাতালের সামনে ফেলে যায়।

এদিকে ট্রান্সজেন্ডার ওই ব্যক্তির অভিযোগকে মিথ্যা ও বানোয়াট বলে দাবি করছেন সংশ্লিষ্ট ফ্ল্যাটের অভিযুক্ত নারী। একটি রেডিওতে আরজে হিসেবে কাজ করেছেন দাবি করে তিনি বলেন, ‘আমার সঙ্গে তার কখনও দেখা হয়নি। আমাকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে ফাঁসানো হচ্ছে।’

কোনো পরিচয় না থাকলে কেন তাকে ফাঁসানো হচ্ছে- এমন প্রশ্নে ওই নারী বলেন, ‘আমার কাছ থেকে টাকা আদায় করার জন্য এমনটি করতে পারে। আর ওই ট্রান্সজেন্ডার যে মিথ্যাচার করছে, তার সব প্রমাণসহ আমার ফেসবুকে পোস্ট দেব। মামলার তদন্ত কর্মকর্তাকেও জানাব।’

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
13 members of question paper fraud ring arrested

প্রাথমিকের প্রশ্নপত্র জালিয়াতি চক্রের ১৩ সদস্য আটক

প্রাথমিকের প্রশ্নপত্র জালিয়াতি চক্রের ১৩ সদস্য আটক প্রশ্ন ফাঁস জালিয়াতি চক্রের ১৩ সদস্যকে আটক করেছে পুলিশ। ছবি: সংগৃহীত
জেলা গোয়েন্দা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) প্রাণবন্ধু চন্দ্র কৃঞ্চ বিশ্বাস জানান, রাজবাড়ীর পুলিশ সুপার এম এম শাকিলুজ্জামানের নির্দেশনায় গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে দুপুরে জেলা শহরের নতুন বাজার এলাকার আবুল খায়েরের ছেলে মিজানুর রহমানের বাড়িতে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়েছে।

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র জালিয়াতি চক্রের ১৩ সদস্যকে আটক করেছে রাজবাড়ী জেলা গোয়েন্দা পুলিশ।

এ সময় জব্দ করা হয়েছে প্রশ্নের ফটোকপি, টাকা, ২০টি মোবাইল ফোন, ইলেক্ট্রনিক্স ডিভাইসসহ বিভিন্ন সরঞ্জাম।

শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টায় রাজবাড়ী জেলা পুলিশের গোয়েন্দা শাখায় এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান জেলা গোয়েন্দা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা প্রাণবন্ধু চন্দ্র কৃঞ্চ বিশ্বাস।

আটক ব্যক্তিরা হলেন ইব্রাহীম হোসেন, সাগর আহম্মেদ, বিজয় বালা, নুরুল হক হাওলাদার, হারুন সরদার, রেজাউল করিম, আবু সালাম, মুনছুর মণ্ডল, রুবেল মাহমুদ, মিজানুর রহমান, রুমান হাসান, মাইনুল ইসলাম, ও ফরিদা বেগম।

আটক ব্যক্তিদের মধ্যে একজন নারী পরীক্ষার্থী ও পাঁচজন প্রাথমিক শিক্ষকও রয়েছেন।

চক্রের হোতা মাঈনুল ইসলাম হাওলাদারকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জালিয়াতির ঘটনা স্বীকার করেছেন।

পুলিশ জানায়, তিনি তার সোনালী ব্যাংক একাউন্টের মাধ্যমে পরীক্ষার্থীদের কাছ থেকে টাকা সংগ্রহ করেছে বলে জানায়। ঘটনার বিষয়ে তদন্ত চলছে। ঘটনার সাথে জড়িতদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত আছে।

জেলা গোয়েন্দা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) প্রাণবন্ধু চন্দ্র কৃঞ্চ বিশ্বাস জানান, রাজবাড়ীর পুলিশ সুপার এম এম শাকিলুজ্জামানের নির্দেশনায় গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে দুপুরে জেলা শহরের নতুন বাজার এলাকার আবুল খায়েরের ছেলে মিজানুর রহমানের বাড়িতে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়েছে।

এ ব্যাপারে একটি মামলা হবে বলেও জানান তিনি।

আরও পড়ুন:
প্রশ্ন ফাঁস: কারণ দর্শাতে হবে বুয়েটের সেই শিক্ষককে
‘প্রশ্ন ফাঁস করে কেন সুনাম নষ্ট করতে চাইব’
প্রশ্ন ফাঁস: বুয়েটের সেই শিক্ষকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা
ব্যাংক নিয়োগের প্রশ্নফাঁসের তদন্তে বুয়েট শিক্ষকের নাম
প্রশ্ন ফাঁস: ব্যাংক কর্মকর্তাসহ রিমান্ডে আরও ৩

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The old man was killed for preventing him from planting mangoes

আম পাড়তে বাধা দেয়ায় বৃদ্ধকে হত্যা

আম পাড়তে বাধা দেয়ায় বৃদ্ধকে হত্যা আম পাড়তে বাধা দেয়ায় বৃদ্ধকে গলা টিপে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। ছবি: সংগৃহীত
রূপগঞ্জ থানার ওসি সায়েদ বলেন, ‘ধারণা করা হচ্ছে আম পাড়তে বাধা দেয়ায় ওই বৃদ্ধকে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়েছে। তার মরদেহ উদ্ধার করে নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।’

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে আম পাড়তে বাধা দেয়ায় জয়দেব সরকার নামে এক ব্যক্তিকে শ্বাসরোধে হত্যার অভিযোগ উঠেছে।

হত্যার ঘটনায় দুজনকে আসামি করে মামলা হয়েছে রূপগঞ্জ থানায়। উপজেলার বিরাবো এলাকায় শুক্রবার বিকেলে এ ঘটনা ঘটে।

রূপগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ এফ এম সায়েদ ঘটনার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

মামলায় বলা হয়, গোপালগঞ্জ জেলার কোটালীপাড়া থানার বটবাড়ি এলাকার জয়দেব সরকার তার পরিবারের সদস্যদের নিয়ে সুনীল মালাকারের বাড়িতে বাস করতেন।

শুক্রবার বিকেলে বিরাবো গ্রামের অটোরিকশাচালক মাহবুবের স্ত্রী রোকেয়া বেগম ও তার ছেলে সিয়াম সুনীল সরকারের গাছের আম পাড়ার সময় জয়দেব সরকার তাদের বাধা দেন। এ সময় তাদের সঙ্গে জয়দেরবের বাগবিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে রোকেয়া ও সিয়াম বাড়ির কেয়ারটেকার জয়দেব সরকারের গলা চেপে ধরেন। তখন জয়দেব সরকার মাটিতে লুটিয়ে পড়েন।

জয়দেব সরকারের ডাকচিৎকারে তার স্ত্রী-কন্যাসহ আশপাশের লোকজন ছুটে এলে তারা পালিয়ে যান। পরে জয়দেব সরকারকে উদ্ধার করে রূপগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়।

রূপগঞ্জ থানার ওসি এ এফ এম সায়েদ বলেন, ‘ধারণা করা হচ্ছে আম পাড়তে বাধা দেয়ায় ওই বৃদ্ধকে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়েছে। তার মরদেহ উদ্ধার করে নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় জয়দেব সরকারের মেয়ে তৃষ্ণা রাণী সরকার রোকেয়া বেগম ও তার ছেলে সিয়ামকে আসামি করে রূপগঞ্জ থানায় হত্যা মামলা করেছেন। পুলিশ তাদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা করছে।’

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Extortion is the name of the system Home Minister

চাঁদাবাজি যার নামেই করুক ব্যবস্থা: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

চাঁদাবাজি যার নামেই করুক ব্যবস্থা: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে লায়নস ক্লাবের বার্ষিক সম্মেলনে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। ছবি: নিউজবাংলা
‘চাঁদাবাজির অভিযোগে অস্ত্রসহ একজনকে ধরেছে। সে উপযুক্ত শাস্তি পাবে। যেখানেই, যারা এগুলো করছে তার বিরুদ্ধে উপযুক্ত ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে। আরও যারা করছে তাদেরও ধরা হবে। যার নামেই চাঁদাবাজি করুক না কেন অপরাধীর বিরুদ্ধে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ব্যবস্থা নেবে।’

অপরাধ করলে কারো জন্যই ছাড় নয় বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল। বলেছেন, ‘যার নাম ভাঙিয়েই অপরাধ করুক না কেন প্রকৃত অপরাধীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নাম ভাঙিয়ে চাঁদাবাজির অভিযোগে ছাত্রলীগ নেতা গ্রেপ্তারের বিষয়ে তিনি একথা বলেন।

বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে শুক্রবার দুপুরে লায়নস ক্লাবের ২৭ তম বার্ষিক সম্মেলনে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমাকে র‌্যাবের প্রতিনিধি যেটা বলেছেন, তাদের যখন ধরেছে তারা নাকি আমার কথা বলেছে। আমি র‌্যাবকে বলেছি, কারো জন্যই ছাড় নয়। যে অপরাধ করবে তাকেই ধরুন। তারই সাজার ব্যবস্থা করুন।’

তিনি বলেন, ‘চাঁদাবাজির অভিযোগে অস্ত্রসহ একজনকে ধরেছে। সে উপযুক্ত শাস্তি পাবে। যেখানেই যারা এগুলো করছে তার বিরুদ্ধে উপযুক্ত ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে। আরও যারা করছে তাদেরও ধরা হবে। যার নামেই চাঁদাবাজি করুক না কেন অপরাধীর বিরুদ্ধে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ব্যবস্থা নেবে।’

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নাম ভাঙিয়ে চাঁদা আদায়ের অভিযোগে এক ছাত্রলীগ নেতা ও তাকে র‌্যাবের কাছ থেকে ছিনিয়ে নেয়ার চেষ্টায় সরকার সমর্থক ছাত্র সংগঠনটির আরেক নেতাকে আটক করা হয়।

রাজধানীর সবুজবাগ এলাকা থেকে বুধবার রাতে তাদের আটক করা হয়।

র‌্যাব প্রথমে আটক করে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ ছাত্রলীগের সহসম্পাদক দেলোয়ার হোসেন সাঈদীকে। পরে তাকে ছিনিয়ে নেয়ার চেষ্টাকালে আটক করা হয় মহানগর দক্ষিণ ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক জোবায়ের আহাম্মেদকে।

দেলোয়ার ও জোবায়েরের বিরুদ্ধে সবুজবাগ থানায় মামলা করা হয়েছে।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
5 railway officials transferred on charges of ticket black market

টিকিট কালোবাজারির অভিযোগে ৫ রেল কর্মকর্তাকে বদলি

টিকিট কালোবাজারির অভিযোগে ৫ রেল কর্মকর্তাকে বদলি
বদলি হওয়া কর্মকর্তা-কর্মচারীরা হলেন- টিএক্সআর বায়তুল ইসলাম, আইডব্লিউ অফিসের জাফর মিয়া, তোতা মিয়া, সহকারী স্টেশন মাস্টার আশিক আহম্মেদ ও সহকারী স্টেশন মাস্টার জাকির হোসেন।

খুলনা রেলওয়ে স্টেশনের পাঁচ কর্মকর্তা ও কর্মচারীকে বদলি করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে টিকিট কালোবাজারে বিক্রির অভিযোগ রয়েছে।

বৃহস্পতিবার পাকশী বিভাগীয় রেলওয়ে ব্যবস্থাপক মো. শাহীদুল ইসলাম ওই আদেশ দেন।

বদলি হওয়া কর্মকর্তা-কর্মচারীরা হলেন- টিএক্সআর বায়তুল ইসলাম, আইডব্লিউ অফিসের জাফর মিয়া, তোতা মিয়া, সহকারী স্টেশন মাস্টার আশিক আহম্মেদ ও সহকারী স্টেশন মাস্টার জাকির হোসেন।

এর আগে গত ১৬ মে টিকিট কালোবাজারির অভিযোগে তাদের বিরুদ্ধে খুলনা রেলওয়ে থানায় সাধারণ ডায়েরি করেন খুলনা রেলওয়ে স্টেশনের স্টেশন মাস্টার মানিক চন্দ্র সরকার।

অভিযোগ ওঠা ওই পাঁচজনকে বদলি করার পাশাপাশি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে না জানিয়ে থানায় সাধারণ ডায়েরি করার দায়ে স্টেশন মাস্টার মানিক চন্দ্র সরকারকে কারণ দর্শানোর নোটিশ করা হয়েছে।

এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন পাকশী বিভাগীয় রেলওয়ে ব্যবস্থাপক মো. শাহীদুল ইসলাম।

তিনি বলেন বলেন, ‘স্টেশন মাস্টার মানিক চন্দ্র সরকার রেল প্রশাসনকে না জানিয়ে পুলিশে সাধারণ ডায়েরি করেছেন যা রেলওয়ে আইনের পরিপন্থী। কেন তিনি ওই কাজ করলেন সেজন্য তার কাছে ব্যাখ্যা চাওয়া হয়েছে। সাত কার্যদিবসের মধ্যে তাকে জবাব দিতে বলা হয়েছে।’

কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বদলির ব্যাপারে তিনি বলেন, ‘এর আগেও ওই পাঁচজনের বিরুদ্ধে কিছু তথ্য ছিল। এ কারণে তাদের বিভিন্ন জায়গায় বদলি করা হয়েছে। স্টেশন মাস্টার মানিক চন্দ্র সরকারের কাছ থেকে ব্যাখ্যা পাওয়ার পর ওই পাঁচজনের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু হবে।’

১৬ মে করা সাধারণ ডায়েরিতে খুলনা স্টেশন মাস্টার মানিক চন্দ্র সরকার উল্লেখ করেন, খুলনা আইডব্লিউ অফিস স্টাফ, দুইজন সহকারী স্টেশন মাস্টারসহ ৫ জন কর্মকর্তা ও আরও ৪/৫ জন অজ্ঞাত ব্যক্তি সরাসরি টিকিট কালোবাজারীর সঙ্গে জড়িত। তারা বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতার নামে ভুয়া টিকিটের চাহিদা দিয়ে টিকিট সংগ্রহ করেন।

টিকিট না পেলে বহিরাগতদের ডেকে এনে সংঘবদ্ধ হয়ে মাস্টারকে হেনস্থা করার জন্য চাপ সৃষ্টি করেন। তাদের টিকিটের চাহিদা এতোটাই বেড়েছে যে টিকিট না পেলে স্টেশন ভাংচুর, অগ্নিসংযোগ ও মারধর করার মতো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটানোর পাঁয়তারা করছেন।

প্রকৃত পক্ষে রেলের কোনো ভিআইপি টিকিট সংরক্ষিত নেই। কিন্তু ওই পাঁচজন সরকারি নির্দেশনা অমান্য করে ওই কাজে লিপ্ত রয়েছেন বলে তিনি সাধারণ ডায়েরিতে উল্লেখ করেন।

এ ব্যাপারে কথা বলার জন্য খুলনা রেলওয়ে স্টেশন মাস্টার মানিক চন্দ্র সরকারের সঙ্গে মোবাইল ফেঅনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও নম্বরটি বন্ধ পাওয়া গেছে।

খুলনা রেলওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খবির আহমেদ বলেন, ‘সাধারণ ডায়েরিটি তদন্তের অনুমতি চেয়ে আদালতে আবেদন করা হয়েছে। অনুমতি পেলে তদন্ত করে আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

আরও পড়ুন:
দরপত্রে ‘কারসাজি করে’ ট্রেনের টিকিট ব্যবস্থাপনায় সহজ
সাড়ে ৩ ঘণ্টা পর ঢাকা-ময়মনসিংহ রেল চলাচল শুরু
‘ক্ষমা চাওয়াতেই শাস্তি শেষ’ রেলমন্ত্রীর ভাগনের
সত্যের জয়ে আল্লাহকে কৃতজ্ঞতা টিটিই শফিকুলের
টিটিই শফিকুল অন্যায় করেননি, তিনি নির্দোষ: তদন্ত প্রতিবেদন

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Accused of killing father with bricks

ইট দিয়ে বাবাকে হত্যার অভিযোগ

ইট দিয়ে বাবাকে হত্যার অভিযোগ
মিলপাড়া পুলিশ ফাঁড়ির এএসআই শাহীন আলম জানান, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। ঘটনার পর থেকে রমিজ পলাতক। মরদেহের দাফন শেষে বাবু শেখের স্ত্রী মামলা করবেন বলে জানা গেছে।

কুষ্টিয়ায় জমিজমা-সংক্রান্ত বিরোধের জেরে ছেলের ইটের আঘাতে বাবাকে হত্যার অভিযোগ উঠেছে।

শহরের চর মিলপাড়ায় সকাল ৭টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

মিলপাড়া পুলিশ ফাঁড়ির এএসআই শাহিন আলম বিষয়টি নিউজবাংলাকে নিশ্চিত করেছেন।

পরিবারের সদস্যদের বরাতে তিনি বলেন, ‘বাবু শেখ ঢাকায় শ্রমিকের কাজ করতেন। সম্প্রতি তিনি বাড়িতে এসে পাকা ঘর নির্মাণের কাজ শুরু করেন। তার তিন ছেলের মধ্যে মেজ ছেলে মো. রমিজ। সকালে বাবার কাছে টাকা চাইলে তার বাবা টাকা দিতে অস্বীকার করেন।

‘এ সময় ছেলে রমিজের সঙ্গে তার বাবা বাবু শেখের কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে রমিজ ইট দিয়ে তার বাবার মাথায় আঘাত করেন। পরে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে বাবু শেখকে নেয়া হলে ৭টার দিকে তার মৃত্যু হয়।’

এএসআই শাহীন আলম আরও জানান, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। ঘটনার পর থেকে রমিজ পলাতক। মরদেহের দাফন শেষে বাবু শেখের স্ত্রী মামলা করবেন বলে জানা গেছে।

আরও পড়ুন:
শিশু হত্যায় ৩ জনের মৃত্যুদণ্ড
বিষাক্ত ইনজেকশন দিয়ে রোগীকে হত্যাচেষ্টা, স্ত্রী আটক
দুই গ্রুপের সংঘর্ষে বৃদ্ধ নিহত
সালাম হত্যার বিচার চায় যুবজোট
ইজিবাইক ছিনতাই করতে হত্যা করা হয় চালককে: পুলিশ

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Raghabboyal Kara behind PK

পি কের পেছনের রাঘববোয়াল কারা

পি কের পেছনের রাঘববোয়াল কারা পি কে হালদার। কার্টুন: মামুন হোসাইন
পি কে হালদারের জালিয়াতি ও অর্থ পাচারের এই অপকর্মের নেপথ্যের কুশীলব রাঘববোয়ালদের এখনো সামনে আনেনি দুদকসহ আইন প্রয়োগকারী অন্যান্য সংস্থা। বলা হচ্ছে, পি কের এই জালিয়াতির সঙ্গে ৭০ থেকে ৮০ জনের সম্পৃক্ততা রয়েছে। তাদের মধ্যে এ পর্যন্ত ৬২ জনকে শনাক্ত করেছে দুদক।

ভারতে আটক হওয়ার পর প্রশান্ত কুমার হালদারের (পি কে হালদার) নাম নতুন করে আলোচনায় চলে এসেছে। একই সঙ্গে জোরেশোরে প্রশ্ন উঠেছে, জালিয়াতি করে হাজার হাজার কোটি টাকা আত্মসাৎ ও পাচারের হোতা পি কে হালদারের পেছনে কারা। বলা হচ্ছে, পি কে হালদারকে দেশে ফিরিয়ে আনা হলে তার পেছনের রাঘববোয়ালদের সন্ধান মিলবে।

২০১৯ সাল থেকে পি কে হালদারের অর্থ কেলেঙ্কারি অনুসন্ধানের দায়িত্বে থাকা এক গোয়েন্দা কর্মকর্তা নিউজবাংলাকে বলেন, ‘শুরুতেই এই তদন্ত থামানোর জন্য সরকারের বিভিন্ন পর্যায়ে প্রভাব খাটানোর চেষ্টা করেছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক ডেপুটি গভর্নর সিতাংশু কুমার সুর ওরফে এস কে সুর ও নির্বাহী পরিচালক শাহ আলম।’

অন্যদিকে পি কে হালদার-সংশ্লিষ্ট তদন্তে আটক প্রায় সবাই আদালতে দেয়া জবানবন্দিতে এস কে সুর ও শাহ আলমের নাম বলেন। অনেকেই এদেরকে পি কে হালদারের গডফাদার হিসেবে অভিহিত করেছেন।

আটক রাশেদুল হক জবানবন্দিতে বলেন, ‘পি কে হালদারের নির্দেশেই তিনি ইন্টারন্যাশনাল লিজিংয়ে যোগ দিয়েছিলেন। অর্থ লোপাটের তথ্য ধামাচাপা দিতে বাংলাদেশ ব্যাংকের এক নির্বাহী পরিচালক ও সাবেক এক ডেপুটি গভর্নরকে দুই লাখ টাকা করে মাসোহারা দিতেন পি কে।’

পি কের পেছনের রাঘববোয়াল কারা

পি কে হালদার-সংশ্লিষ্ট তদন্তে আটক প্রায় সবাই আদালতে দেয়া জবানবন্দিতে পি কে হালদারের গডফাদার হিসেবে বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক শাহ আলম ও সাবেক ডেপুটি গভর্নর সিতাংশু কুমার সুর ওরফে এস কে সুরের নাম বলেন। ছবি কোলাজ: নিউজবাংলা

বাংলাদেশ ব্যাংকের অডিট টিমকে ম্যানেজ করতে লাখ লাখ টাকা ঢেলেছেন পি কে হালদার- এমনটাও দাবি করা হয়েছে জবানবন্দিতে। তবে আরও বড় কোনো শক্তি পি কে হালদারের পেছনে আছে বলে মনে করেন কেউ কেউ।

সারা দেশ যখন ক্যাসিনোকাণ্ডে তোলপাড়, ঠিক তখনই সামনে আসে একটি নাম, প্রশান্ত কুমার হালদার। সংক্ষেপে তাকে ডাকা শুরু হয় পি কে হালদার। ঢাকা শহরের ক্লাব ও অভিজাত এলাকায় যখন ক্যাসিনোবিরোধী ধারাবাহিক অভিযানে গলদঘর্ম আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, ঠিক তখনই পি কের বোমা ফাটায় দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

২০১৯ সালের মাঝামাঝি শুরু হওয়া ক্যাসিনোবিরোধী অভিযানের রেশ না কাটতেই ২০২০ সালের ৮ জানুয়ারি পি কের বিরুদ্ধে ২৭৫ কোটি টাকা আত্মসাতের মামলা ঠুকে দেয় দুদক। একই সঙ্গে তার বিরুদ্ধে রেড অ্যালার্ট জারি করে আন্তর্জাতিক পুলিশি সংস্থা ইন্টারপোল।

একে একে বের হতে থাকে বিভিন্ন আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে কাগুজে প্রতিষ্ঠানের নামে পি কে হালদারের হাজার হাজার কোটি টাকা লুটের ঘটনা। প্রকাশ হতে থাকে তার সহযোগীদের নামও। অভিযোগ আছে, দেশের ইতিহাসে অন্যতম বড় এই আর্থিক কেলেঙ্কারির পেছনে রয়েছে রাঘববোয়ালদের প্রচ্ছন্ন সহায়তা।

এই রাঘববোয়ালদের এখনো সামনে আনেনি দুদকসহ আইন প্রয়োগকারী অন্যান্য সংস্থা। যদিও বিভিন্ন সময়ে জানা গেছে, পি কের এই জালিয়াতির সঙ্গে ৭০ থেকে ৮০ জনের সম্পৃক্ততা রয়েছে।

তাদের মধ্যে এ পর্যন্ত ৬২ জনকে দুদক শনাক্ত করেছে বলে জানা গেছে। তাদেরকে বিভিন্ন সময়ে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য দুদকে ডাকাও হয়েছে।

দুদক কর্মকর্তাদের দেয়া তথ্য মতে, পি কে হালদার পিপলস লিজিং, ইন্টারন্যাশনাল লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস, পিপলস লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস, এফএএস ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড ও বাংলাদেশ ইন্ডাস্ট্রিয়াল ফাইন্যান্স কোম্পানির (বিআইএফসি) দায়িত্বে থেকেই প্রায় ৩ হাজার ৬০০ কোটি টাকা লুট করেছেন।

পি কে হালদার ও তার সহযোগীদের নামে এখন পর্যন্ত ৩৯টি মামলা করেছে দুদক। দুদকের উপপরিচালক মোহাম্মদ সালাউদ্দিন ও গুলশান আনোয়ারের নেতৃত্বে করা টিম অনুসন্ধানের মাধ্যমে এসব মামলা করেন।

পি কের পেছনের রাঘববোয়াল কারা
ভারতের পশ্চিমবঙ্গে গ্রেপ্তারের পর পি কে হালদার। ফাইল ছবি

এসব মামলায় এখন পর্যন্ত ১২ আসামি গ্রেপ্তার হয়েছেন। তাদের মধ্যে উজ্জ্বল কুমার নন্দী, শংখ বেপারী, রাশেদুল হক, অবন্তিকা বড়াল ও নাহিদা রুনাইসহ ১০ জন দোষ স্বীকার করে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। এ ছাড়া ১ হাজার কোটি টাকা সমমূল্যের সম্পদ অবরুদ্ধ ও জব্দ করা হয়েছে।

আদালতের মাধ্যমে ৮৩ জনের বিদেশযাত্রায় দেয়া হয়েছে নিষেধাজ্ঞা। একই ইস্যুতে ৩৩ ব্যক্তির সম্পদ বিবরণী চেয়ে নোটিশ জারি করা হয়েছে। এ ছাড়া ৮৩ জনের বিরুদ্ধে দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা ও তাদের ব্যাংক হিসাব ফ্রিজ করে রেখেছে দুদক।

পিকের বান্ধবীরা

আলোচিত প্রশান্ত কুমার হালদারের ৮০ জন বান্ধবী থাকা নিয়ে একসময় তুমুল আলোচনা ছিল। তবে দুদকের তদন্তে এখন পর্যন্ত ১৫ জনের তথ্য মিলেছে। তারা হলেন অবন্তিকা বড়াল, শিমু রায়, নাহিদা রুনাই, পূর্ণিমা রানি, সুপ্তি চৌধুরী, শাহনাজ বেগম, হালি আকতার, সুস্মিতা, সামিয়া বেগম, অনিন্দিতা মৃধা, আতশী, পাপিয়া, শুভ্রা রানি, লামিয়া ও সাজিয়া রহমান।

এই বান্ধবীদের নামে ৮৬৭ কোটি পাচার করেছেন পি কে। কেবল তাই নয়, এসব বান্ধবীকে কোটি কোটি টাকার উপহার, গয়না ও ফ্ল্যাট কিনে দিয়েছেন এই জালিয়াত।

এদের মধ্যে অবন্তিকা বড়ালকে ৪ কোটি ৩৫ লাখ ৭৪ হাজার কোটি টাকায় ধানমন্ডির ১০/এ সড়কে ৩৯ নম্বর বাড়িতে ফ্ল্যাট কিনে দেন পি কে। যদিও অবন্তিকা আয়কর নথিতে তা গোপন রাখেন। গোপন রাখেন ব্যাংক অ্যাকাউন্টে থাকা নগদ ১০ কোটি টাকার তথ্যও। বর্তমানে তিনি আটক রয়েছেন।

শিমু রায়ের ব্যাংক হিসাবে ৬৫ কোটি টাকা দিয়েছিলেন পি কে। ময়মনসিংহের আলোচিত কুমির খামারের নামে এই টাকা নিয়েছিলেন তিনি।

ইন্টারন্যাশনাল লিজিং ফাইন্যান্সের বাণিজ্য বিভাগের প্রধান নাহিদা রুনাইয়ের নামে কয়েক কোটি টাকা রেখেছিলেন পিকে, যা বিভিন্ন কাগুজে প্রতিষ্ঠানের নামে ব্যাংক থেকে তুলে নেয়া হয়।

পূর্ণিমা রানির ব্যাংক হিসাবে ১০০ কোটি টাকা দেন পি কে। এই টাকা একটি কাগুজে প্রতিষ্ঠানের নামে দেয়া লোন হিসেবে দেখানো হয়। হালি আক্তারকে কাগুজে প্রতিষ্ঠানের নামে দেন ৭০ কোটি টাকা। অবনিতার কাগুজে প্রতিষ্ঠানকে দেয়া হয় ৮৪ কোটি টাকা।

সুপ্তি চৌধুরীকেও কোটি কোটি টাকা দেয়ার প্রমাণ পেয়েছে দুদক। যদিও তদন্ত শুরুর গন্ধ পেয়ে কানাডায় চলে যান পি কের এই বান্ধবী। কানাডায় তার আশ্রয়েই পি কে ছিলেন বলে প্রমাণ মিলেছে দুদকের তদন্তে।

বান্ধবী শাহনাজকে ৬০ কোটি টাকা দেন পি কে। আবার সুস্মিতা ও সামিয়া বেগমের কাগুজে প্রতিষ্ঠানের নামে দেন ৬২ কোটি টাকা করে মোট ১২৪ কোটি টাকা।

অনিন্দিতা মৃধাকে উইন্টেল ইন্টারন্যাশনাল নামে ঠিকানাহীন প্রতিষ্ঠানকে দেয়া হয় ৭০ কোটি টাকা।

একই কায়দায় আতশি বেগমকে দেন ৮০ কোটি টাকা।

পাপিয়াকে ইন্টারন্যাশনাল লিজিংয়ের পরিচালক দেখান পি কে। এই পরিচয়ে এফএএস থেকে তাকে ১২০ কোটি টাকা ঋণ তুলে দেন তিনি। কাগুজে প্রতিষ্ঠানের পরিচয়ে শুভ্রা রানীকে দেয়া হয় ৮০ কোটি টাকা। একই কায়দায় সুস্মিতাকে দেয়া হয় ৭০ কোটি টাকা।

লামিয়া নামে একজন পার্টি এক্সপার্ট বান্ধবীও ছিল পি কের। তাকে নিয়ে হোটেল, মোটেল ও রিসোর্টের পার্টিতে যেতেন পি কে। তার ব্যাংক হিসাবেও মিলেছে বিপুল টাকা। দুদককে দেয়া জবানবন্দিতে লামিয়া বলেছেন তার অতীত জীবনের সেই অধ্যায়।

ইন্টারন্যাশনাল লিজিংয়ের সাজিয়া রহমান নামে এক নারীও এসব পার্টিতে লামিয়ার সঙ্গী হতেন। তার হিসাবেও রয়েছে পি কের জালিয়াতির অর্থ। পি কে হালদার তার অবৈধ উপায়ে অর্জিত অর্থ হস্তান্তর, স্থানান্তর ও রূপান্তরের মাধ্যমে বান্ধবীসহ ঘনিষ্ঠদের নামে সরিয়ে নেন বলে নিশ্চিত হয়েছে দুদক।

পি কের সহযোগী কারা

পি কে হালদারের বিরুদ্ধে এখন পর্যন্ত ৪০টি মামলা হয়েছে। এসব মামলায় পি কের পরিবারের সদস্য, সহকর্মী, বন্ধুবান্ধবী, সহযোগী, ব্যবসায়িক অংশীদার হিসেবে নাম এসেছে প্রায় ১০০ জনের। এদের সবাইকে পিকের অর্থ লুটপাটের সহযোগী হিসেবে চিহ্নিত ও আসামি করেছে দুদক।

অর্থ লুটপাটে পি কে হালদারের সহযোগী হিসেবে যাদের নাম পাওয়া গেছে তারা হলেন হাল ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেডের চেয়ারম্যান সুস্মিতা সাহা ও এমডি মৈত্রেয়ী রানী বেপারী, এফএএস ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্টের চেয়ারম্যান মো. সিদ্দিকুর রহমান ও ভাইস চেয়ারম্যান মো. জাহাঙ্গীর আলম, পরিচালক মো. আবুল শাহজাহান, কাজী মাহজাবিন মমতাজ, মাহফুজা রহমান বেবী, সোমা ঘোষ, ডা. উদ্ভব মল্লিক, অরুণ কুমার কুণ্ডু, প্রদীপ কুমার নন্দী, এফএএস ফাইন্যান্সের স্বতন্ত্র পরিচালক বীরেন্দ্র কুমার সোম, সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রাসেল শাহরিয়ার, উপব্যবস্থাপনা পরিচালক নুরুল হক গাঙ্গী, সিনিয়র অফিসার মৌসুমী পাল, ম্যানেজার আহসান রাকিব, প্রাক্তন সিনিয়র অফিসার তাসনিয়া তাহসিন রোজালিন, ভাইস প্রেসিডেন্ট মীর ইমাদুল হক, প্রাক্তন ডিপি মনিরুজ্জামান আকন্দ, সাবেক এসভিপি জাহাঙ্গীর আলম ভূঁইয়া এবং সাবেক এসইভিপি ও সিএডির প্রধান প্রাণ গৌরাঙ্গ দে।

সহযোগীদের মধ্যে আরও রয়েছেন ইন্টারন্যাশনাল লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসেসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক বাসুদের ব্যানার্জি, ইন্টারন্যাশনাল লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসেসের পরিচালক নওশেরুল ইসলাম, অঞ্জন কুমার রায়, মোস্তাইন বিল্লাহ, উজ্জ্বল কুমার নন্দী, আর বি এন্টারপ্রাইজের মালিক রতন কুমার বিশ্বাস, আর্থ-স্কোপ লিমিটেডের এমডি প্রশান্ত দেউরি, পরিচালক মোস্তাফিজুর রহমান, নিউট্রিক্যাল লিমিটেডের চেয়ারম্যান স্বপন কুমার মিস্ত্রি, ওয়াকামা লিমিটেডের চেয়ারম্যান সুব্রত দাস, পরিচালক সুভ্রা রাণী ঘোষ ও তোফাজ্জল হোসেন, কোলাসিন লিমিটেডের এমডি উত্তম কুমার মিস্ত্রি, চেয়ারম্যান অতশী মৃধা, জিঅ্যান্ডজি এন্টারপ্রাইজের মালিক গোপাল চন্দ্র গাঙ্গুলী, দ্রিনান অ্যাপারেলসের এমডি মোহাম্মদ আবু রাজিব মারুফ, কণিকা এন্টারপ্রাইজের মালিক রাম প্রসাদ রায় ও ইমেক্রো’র মালিক ইমাম হোসেন।

এ ছাড়া রয়েছেন দিয়া শিপিং লিমিটেডের পরিচালক শিব প্রসাদ ব্যানার্জি, পাপিয়া ব্যানার্জি এবং এফ এ এসের চেয়ারম্যান এমএ হাফিজ। এরা সবাই দুদকের করা মামলার আসামি।

আরও পড়ুন:
পি কেকে ফেরাতে পশ্চিমবঙ্গে যাবে কমিটি
পি কে হালদারকে ফেরত চেয়ে ইন্টারপোলে আবার চিঠি দুদকের
পি কে হালদারের নামে আরেক মামলা দুদকের
পি কে হালদারকে ফেরাতে দুদকের কমিটি
ঘরে-বাইরে পি কে আছে অনেক

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Arrested along with women for cultivating cannabis in the yard of the house

বাড়ির আঙিনায় গাঁজা চাষ, নারীসহ গ্রেপ্তার ২

বাড়ির আঙিনায় গাঁজা চাষ, নারীসহ গ্রেপ্তার ২
কবিরহাট থানার ওসি রফিকুল বলেন, ‘বৃহস্পতিবার রাতে গোপন সংবাদ পেয়ে কামালের বাড়িতে বিশেষ অভিযান চালানো হয়। এ সময় তার বসতঘর থেকে ১ কেজি ৫০০ গ্রাম গাঁজা ও ঘরের সামনের আঙিনা থেকে ২ থেকে ৫ ফুট উচ্চতার আনুমানিক ৫ কেজি ওজনের ৮টি গাঁজার গাছ উদ্ধার করা হয়।’

নোয়াখালীর কবিরহাট উপজেলায় বসতবাড়ির আঙিনায় গাঁজার চাষ করায় এক নারীসহ দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে বৃহস্পতিবার রাতে তাদের বিরুদ্ধে মামলা হয়। শুক্রবার সকালে আদালতের মাধ্যমে তাদের জেল হাজতে পাঠানো হবে।

এর আগে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার রাত ৯টার দিকের এক অভিযানে কবিরহাট উপজেলার পশ্চিম সোনাদিয়া গ্রামের ঘাট মাঝিগো বাড়ি থেকে তাদের আটক করা হয়।

আটকরা হলেন, ৩২ বছরের কোহিনুর বেগমের বাড়ি কবিরহাট উপজেলার পশ্চিম সোনাদিয়া গ্রামে। তিনি কামাল হোসেনের স্ত্রী। আরেকজন হলেন ৩৫ বছরের এনামুল হক। তার বাড়ি ফতেজঙ্গপুর গ্রামে।

অভিযানের বিষয়টি টের পেয়ে পশ্চিম সোনাদিয়া গ্রামের কামাল হোসেন পালিয়ে গেছেন বলে জানায় পুলিশ।

কবিরহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রফিকুল ইসলাম এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, ‘বৃহস্পতিবার রাতে গোপন সংবাদ পেয়ে কামালের বাড়িতে বিশেষ অভিযান চালানো হয়। এ সময় তার বসতঘর থেকে ১ কেজি ৫০০ গ্রাম গাঁজা ও ঘরের সামনের আঙিনা থেকে ২ থেকে ৫ ফুট উচ্চতার আনুমানিক ৫ কেজি ওজনের ৮টি গাঁজার গাছ উদ্ধার করা হয়।’

আরও পড়ুন:
দুই বোনকে ‘সংঘবদ্ধ ধর্ষণ’: গ্রেপ্তার ৩
‘ইয়াবার কারবার’ নিয়ে দ্বন্দ্বে হত্যা
ধর্ষণচেষ্টায় অভিযুক্ত দুই শিশু নিরাপত্তা হেফাজতে
১৩ বছর লুকিয়ে থাকার পর গ্রেপ্তার
ধর্ষণচেষ্টা মামলায় মাসহ দুই শিশু গ্রেপ্তার

মন্তব্য

উপরে