× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ পৌর নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য

বাংলাদেশ
The raped child did not get a chance to study in the madrasa either
hear-news
player

‘ধর্ষণের শিকার’ শিশুটি পড়ার সুযোগ পেল না মাদ্রাসাতেও

ধর্ষণের-শিকার-শিশুটি-পড়ার-সুযোগ-পেল-না-মাদ্রাসাতেও
শিশুর মা নিউজবাংলাকে বলেন, ‘ভর্তির তিন দিন পর আমার মেয়েকে মাদ্রাসার গেটের বাইরে বের করে দেয়া হয়। তারপর গেট লাগিয়ে দেয়। মেয়েটা গেটের বাইরে দাঁড়িয়ে তখন কাঁদছিল। পরে পরিচালক আমাকে ডাকল।’

রাজশাহী নগরীতে ‘ধর্ষণের শিকার’ হওয়ায় মাদ্রাসা থেকে শিশু শিক্ষার্থীকে বের করে দেয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ বলছে, অন্য অভিভাবকদের আপত্তির কারণে শিশুটির ভর্তি বাতিল করা হয়েছে।

শিশুটির বয়স ৮। দুই বছর আগে তাকে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা হয়। সেই মামলায় গ্রেপ্তার করা হয় প্রতিবেশী এক কিশোরকে, যে এখন আছে কারাগারে।

নগরীর কাশিয়াডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এসএম মাসুদ পারভেজ এ তথ্য জানিয়েছেন।

ওই শিশুর বাবা অটোরিকশাচালক। নগরীতে রেলের জমির বস্তিতে একটি ঘরে তিনি পরিবার নিয়ে থাকেন।

এজাহারসূত্রে জানা গেছে, ২০২০ সালের ২০ মার্চ বাড়ির পাশের নির্জন স্থানে নিয়ে শিশুটিকে ধর্ষণ করে ওই কিশোর। এর ভিডিও ধারণ করে সে। ঘটনা জানাজানি হলে শিশুটির মা থানায় মামলা করেন। পরদিন ওই ছেলেকে গ্রেপ্তার করা হয়। আদালতের মাধ্যমে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।

শিশুর মা নিউজবাংলাকে জানান, চলতি মাসের শুরুতে নগরীর হড়গ্রাম মুন্সিপাড়া এলাকার উম্মাহাতুল মুমিনীন মহিলা মাদ্রাসায় মেয়েকে ভর্তি করিয়েছিলেন। আবাসনের ব্যবস্থা আছে বলে তিনি ভেবেছিলেন, মেয়ে এখানে নিরাপদে থাকবে।

মায়ের অভিযোগ, ভর্তির তিন দিন পরই শিশুটিকে মাদ্রাসা থেকে বের করে দেয়া হয়েছে। ফেরত দেয়া হয়েছে ভর্তি ও আবাসিকের জন্য জমা দেয়া টাকাও।

তিনি নিউজবাংলাকে বলেন, ‘ভর্তির তিন দিন পর আমার মেয়েকে মাদ্রাসার গেটের বাইরে বের করে দেয়া হয়। তারপর গেট লাগিয়ে দেয়। মেয়েটা গেটের বাইরে দাঁড়িয়ে তখন কাঁদছিল। পরে পরিচালক আমাকে ডাকল।

‘আমাকে বলল, “আপনার মেয়েকে নিয়ে গিয়ে অন্য কোথাও ভর্তি করেন।” আমি বললাম, আমার মেয়ের কোনো সমস্যা? তখন বললেন, “না, দূরে কোথাও ভর্তি করেন।” আমি কাঁদতে কাঁদতে বললাম, আপনার মেয়ের সঙ্গে যদি এ ধরনের ঘটনা ঘটে, তাহলে আপনি কী করবেন? তখন কোনো কথা বলছে না সে (মাদ্রাসা পরিচালক)।

‘আমাকে টাকাটা ফেরত দিয়ে মেয়েকে বের করে দিল। আমার মেয়ের কোনো সমস্যা দেখাতে পারছে না, খালি বলছে- “দূরে কোথাও ভর্তি করেন।”’

শিশুটির মা আরও বলেন, ‘মেয়েটাকে নিয়ে আমি ভুক্তভোগী হচ্ছি। সমাজের কাছে এত লাঞ্ছনা শুনতে আমার খুবই খারাপ লাগছে। মেয়েটাকে সবাই খারাপ চোখে দেখছে। ছোট সেটাও কেউ বুঝছে না। ওই ঘটনাটাই তুলে ধরছে সবাই।’

মেয়েকে অন্য একটা স্কুলে ভর্তি করিয়েছেন জানিয়ে তিনি বলেন, ‘ওখানেও যদি কেউ কিছু বলে, আবার যদি বের করে দেয়, এই ভয় পাচ্ছি। এখন আমি একটা সুষ্ঠু বিচার চাই। যে আমার মেয়ের ক্ষতি করেছে তার যেন শাস্তি হয়।’

এ বিষয়ে জানতে চাইলে মাদ্রাসার পরিচালক মাওলানা মো. হাবিবুল্লাহ বলেন, ‘মেয়েটার ব্যাপারে অন্য শিক্ষার্থীদের অভিভাবকেরা এসে অভিযোগ করে আমাকে বলেছিল যে, তার সমস্যা আছে। আমি নাকি যাকে তাকে ভর্তি নিয়ে নিচ্ছি। অভিভাবকদের আপত্তি থাকায় এই মেয়েটার ভর্তি বাতিল করতে হয়েছে। টাকাও ফেরত দেয়া হয়েছে।’

ধর্ষণের সেই মামলার বিষয়ে কাশিয়াডাঙ্গা থানার ওসি মাসুদ বলেন, ‘শিশুটার মায়ের করা মামলাটা তদন্তাধীন। তদন্ত চলাকালে বেশি কিছু বলব না। তবে প্রাথমিকভাবে ঘটনার সত্যতা পাওয়া গেছে। এখন ডিএনএ টেস্ট করা হবে। তারপর অভিযোগপত্র জমা দেয়া হবে।’

আরও পড়ুন:
ধর্ষণের পর হত্যা, আসামির মৃত্যুদণ্ড
সংঘবদ্ধ ধর্ষণ মামলার আসামির ফের ‘ধর্ষণ’, সীতাকুণ্ডে গ্রেপ্তার
অস্ত্র ঠেকিয়ে ধর্ষণের দায়ে যাবজ্জীবন
মাদ্রাসাছাত্রীকে ধর্ষণচেষ্টা মামলায় আসামি শিক্ষক
ধর্ষণ মামলায় চাচা কারাগারে

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
River dredging in Sylhet before monsoon Foreign Minister

সিলেটে বর্ষার আগেই নদী খনন: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

সিলেটে বর্ষার আগেই নদী খনন: পররাষ্ট্রমন্ত্রী উজানের ঢল ও বৃষ্টিতে তলিয়ে গেছে সিলেটের বেশিরভাগ এলাকা। ছবি: নিউজবাংলা
মন্ত্রী বলেন, ‘সিলেটে এই মৌসুমে সবসময়ই ঢল নামে। আমরা ছেলেবেলাতেও এমনটি দেখেছি। কিন্তু পানি আটকে থাকতো না। চলে যেতো। কারণ আমাদের আগে অনেক পুকুর ও দিঘি ছিল। প্রত্যেক বাড়ির সামনে পুকুর ছিল। আর সিলেটকে বলা হতো দিঘির শহর। কিন্তু এখন আমরা নগরের ভেতরের সব পুকুর-দিঘি ভরাট করে বড় বড় বিল্ডিং করেছি। হাওরগুলো ভরাট করে ফেলেছি।’

বর্ষার আগেই সিলেটের নদীগুলো খনন করা হবে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আবুল মোমেন।

তিনি বলেন, ‘সিলেটের প্রধান দুই নদী সুরমা ও কশিয়ারার তলদেশ ভরাট হয়ে গেছে। এই দুই নদী খনন করতে হবে। এ ব্যাপারে আমাদের সরকার ও প্রধানমন্ত্রী খুবই আন্তরিক।’

নগরের চালিবন্দর এলাকার বুধবার দুপুরে একটি আশ্রয়কেন্দ্রে বন্যাদুর্গতদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, ‘সিলেটে এই মৌসুমে সবসময়ই ঢল নামে। আমরা ছেলেবেলাতেও এমনটি দেখেছি। কিন্তু পানি আটকে থাকতো না। চলে যেতো। কারণ আমাদের আগে অনেক পুকুর ও দিঘি ছিল। প্রত্যেক বাড়ির সামনে পুকুর ছিল। আর সিলেটকে বলা হতো দিঘির শহর। কিন্তু এখন আমরা নগরের ভেতরের সব পুকুর-দিঘি ভরাট করে বড় বড় বিল্ডিং করেছি। হাওরগুলো ভরাট করে ফেলেছি।

‘এ ছাড়া প্রধান নদীগুলোর তলদেশ ভরাট হয়ে গেছে। খালি মাঠগুলো ভরাট হয়ে গেছে। এ কারণে পানি নামতে পারছে না। যে কোনো দুর্যোগেই সিলেটের জন্য এটা একটা ভয়ের কারণ।’

মন্ত্রী নগরের ভেতরের পুকুর-দিঘিসহ জলাশয়গুলো রক্ষায় সবাইকে আন্তরিক হওয়ার আহ্বান জানান। এ ছাড়া ড্রেনগুলো খনন করা ও আরও বড় করার জন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেন। তিনি বলেন, প্রাকৃতিক সিস্টেমটাকে নষ্ট করা যাবে না।

বন্যার্তদের প্রতি সহমর্মিতা জানিয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘এই পানি বেশি দিন থাকবে না। দ্রুতই নেমে যাবে। ফলে কয়েকটা দিন কষ্ট করতে হবে। এই সময়ে সরকার আপনাদের পাশে আছে।’

ত্রাণ বিতরণকালে উপস্থিত ছিলেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী এনামুল হক।

এ সময় তিনি বলেন, ‘সিলেটে বন্যাদুর্গত এলাকায় ২৫ লাখ টাকা ও ২০০ টন চাল বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। প্রয়োজনে আরও বরাদ্দ দেয়া হবে।

‘দুর্যোগ মোকাবিলায় সরকার প্রস্তুত আছে। আমরা আজকে সিলেটের দুর্গত এলাকা ঘুরে দেখব। প্রশাসনের কর্মকর্তা ও জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করব। সবার সঙ্গে আলাপ করে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ সম্পর্কে জানব। এরপর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

তিনি বলেন, ‘প্রত্যেক বছরই এই অঞ্চলে ঢল নামে। কিন্তু এবার ব্যাপক আকারে ঢল নামছে। সিলেটের উজানে মেঘালয়ের চেরাপুঞ্জিতে রেকর্ড পরিমাণ বৃষ্টি হয়েছে। ফলে এবার বন্যা মারাত্মক আকার ধারণ করেছে।’

বন্যা মোকাবিলায় আগামীতে এই অঞ্চলের নদনদীগুলোর নব্য ফিরিয়ে আনা হবে বলে জানান এই প্রতিমন্ত্রীও। তিনি বলেন, নদীর পানি ধারণ ক্ষমতা কমে গেছে। এই নদীগুলো ক্যাপিটাল ড্রেজিংয়ের জন্য প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় থেকে উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

চালিবন্দরে ত্রাণ বিতরণ শেষে দুই মন্ত্রী মিরাবাজার এলাকার একটি আশ্রয়কেন্দ্রে ত্রাণ বিতরণ করেন। এরপর সিলেট সদর উপজেলার বিভিন্ন বন্যাদুর্গত এলাকা পরিদর্শন করেন।

এ সময় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ সচিব মো. কামরুল হাসান, সিলেট মহানগর পুলিশ কমিশনার নিশারুল আরিফ, সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা বিধায়ক রায় চৌধুরী, সিলেটের জেলা প্রশাসক মো. মজিবর রহমান, সিলেট জেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি শফিকুর রহমান চৌধুরী, মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক জাকির হোসেনসহ উপস্থিত ছিলেন আরও অনেকে।

আরও পড়ুন:
তিস্তায় বাড়ছে পানি, হুমকিতে ইচলি বাঁধ
বন্যার পানি গোটা সিলেটে
বন্যায় কোনো কিছুই ঠিক নেই সিলেট নগরীর
আসামে বন্যা: পানির স্রোতে উল্টে গেল ট্রেনের বগি
১৮ বছরের মধ্যে সিলেটে সবচেয়ে বড় বন্যা

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The child Samiul was killed to avenge the divorce

বিয়েবিচ্ছেদের প্রতিশোধ নিতেই শিশুকে খুন

বিয়েবিচ্ছেদের প্রতিশোধ নিতেই শিশুকে খুন শিশু সামিউলকে হত্যায় অভিযুক্ত ফজলুল হক ও অনীতা রানী। ছবি: নিউজবাংলা
বগুড়ার এসপি সুদীপ কুমার বলেন, ‘এই হত্যাকাণ্ড ফজলুল একাই করেছে। অনীতা মোবাইলে নকল মা সেজে ফজলুলকে সহযোগিতা করায় অপরাধ করেছে। হত্যার ঘটনায় দুইজনের নামে মামলার প্রস্তুতি চলছে।’

বিয়ের দু সপ্তাহের মাথায় স্বামীর সঙ্গে বিয়েবিচ্ছেদ করেন নিহত শিশু সামিউলের মা। এর কারণও ছিল সামিউল। বিয়েবিচ্ছেদের ঘটনায় ক্ষুব্ধ হন ফজলুল হক। তাই প্রতিশোধ নিতে খুন করেন শিশু সামিউলকে।

বুধবার বেলা ১১টার দিকে নিজ কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান বগুড়া জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) সুদীপ কুমার চক্রবর্ত্তী।

এর আগে মঙ্গলবার সকালে বগুড়ার শাজাহানপুরের লাউয়ের ক্ষেত থেকে ৮ বছরের শিশু সামিউলের গলায় ফাঁস দেয়া মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

এ ঘটনায় বিকেলে সামিউলের সৎ বাবা ফজলুল হককে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের পর তাকে ও সহযোগিতা করার অপরাধে অনীতা রাণীকে গ্রেপ্তার করা হয়।

ফজলুল শাজাহানপুরের খরনা ইউনিয়নের কমলাচাপড় গ্রামের এবং অনীতা চেলোগ্রামের বাসিন্দা। তারা একসঙ্গে দিনমজুরের কাজ করেন।

সংবাদ সম্মেলনে এসপি সুদীপ কুমার জানান, সামিউলের বাবা জাহাঙ্গীরের সঙ্গে সম্পর্ক শেষ করে মা সালেহা বেগম গত এপ্রিল মাসের শেষের দিকে ফজলুল হককে বিয়ে করেন। কিন্তু বিয়ের পর থেকে ফজলুল সৎ ছেলে সামিউলকে মেনে নিতে পারেননি।

তিনি প্রায়ই সামিউলকে সালেহার মা ও বোনের কাছে রেখে আসতে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করতেন। ফজলুল প্রায়ই রাতের বেলা সামিউলকে ঘরের বাইরে রেখে দরজা বন্ধ করে দিতেন। এমনকি খাবার না দিয়ে তাকে অনাহারে রাখতেন। ঈদে সামিউল তার মায়ের সঙ্গে বেড়াতে যেতে চাইলে ফজলুল তাদের মারধর করে সালেহার বোনের বাড়ি পাঠিয়ে দেন।

এসব কারণে গত ১১ মে সালেহা ফজলুলের সঙ্গে বিয়েবিচ্ছেদ করেন। এ ঘটনার পর থেকেই ক্ষুব্ধ হন ফজলুল।

এসপি আরও জানান, পরে ১৬ মে সোমবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে সামিউলের মাদ্রাসায় যান ফজলুল। সেখানে গিয়ে সামিউলকে নিয়ে যাওয়ার কথা জানান। কিন্তু মাদ্রাসার নিয়ম অনুযায়ী মায়ের অনুমতি ছাড়া ছাত্রদের বাইরে যাওয়ার নিষেধ থাকায় অসম্মতি জানান মাদ্রাসার শিক্ষক আবু মুছা।

এ সময় পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী অনীতা রানী সামিউলের মা সেজে মোবাইলে কথা বলেন মাদ্রাসা শিক্ষকের সঙ্গে। কথা বলে নিশ্চিত হলে সামিউলকে ফজলুলের সঙ্গে যেতে দেন মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ।

এর পরপরই ফজলুল সামিউলকে মানিকদিপা এলাকার লাউ ক্ষেতে নিয়ে যান। সেখানে সামিউলের গলায় সুতার রশি পেঁচিয়ে শ্বাসরোধে হত্যা করেন।

সুদীপ কুমার বলেন, ‘এই হত্যাকাণ্ড ফজলুল একাই করেছে। অনীতা মোবাইলে নকল মা সেজে ফজলুলকে সহযোগিতা করায় অপরাধ করেছে। তবে অনিতা হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে জানতেন না। হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় দুইজনের নামে মামলার প্রস্তুতি চলছে।’

আরও পড়ুন:
লাউয়ের ক্ষেতে শিশুর মরদেহ 

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Complaint of railway worker station master in black market

কালোবাজারিতে রেলকর্মী, স্টেশন মাস্টারের অভিযোগ

কালোবাজারিতে রেলকর্মী, স্টেশন মাস্টারের অভিযোগ প্রতীকী ছবি
খুলনা রেলওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. খবির আহমেদ বলেন, ‘সাধারণ ডায়েরিটি তদন্তের অনুমতি চেয়ে আদালতে আবেদন করা হয়েছে। অনুমতি পেলে তদন্ত করে আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

খুলনা রেলওয়ের স্টেশনের পাচঁ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে কালোবাজারে টিকিট বিক্রির অভিযোগ এনে সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে।

স্টেশন মাস্টার মানিক চন্দ্র সরকার গত ১৬ মে খুলনা রেলওয়ে থানায় সাধারণ ডায়েরিটি করেন।

নিউজবাংলাকে বিষয়টি নিশ্চিত করে খুলনা রেলওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. খবির আহমেদ জানিয়েছেন, অভিযোগ তদন্তের অনুমতি চেয়ে আদালতে আবেদন করা হয়েছে।

অভিযুক্তরা হলেন খুলনা রেল স্টেশনের টিএক্সআর বাইতুল ইসলাম, আইডাব্লিউ জাফর মিয়া ও তোতা মিয়া, সহকারী স্টেশন মাস্টার মো. আশিক আহমেদ ও মো. জাকির হোসেন। এছাড়াও অজ্ঞাত পরিচয় ৪/৫ জনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে।

সাধারণ ডায়েরিতে বলা হয়েছে, অভিযুক্তরা বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতাদের নামে ভুয়া টিকিটের চাহিদা দিয়ে টিকিট সংগ্রহ করেন। টিকিট না দিলে বহিরাগতদের ডেকে এনে তাকে চাপ দেন। সম্প্রতি তাদের চাহিদা এতটা বেড়েছে যে, টিকিট না পেলে স্টেশন ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ, মারধর করার মত অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটানোর পাঁয়তারা করছেন।

অভিযুক্তরা সরকারি নির্দেশনা অমান্য করে এই ধরনের কর্মকাণ্ডে লিপ্ত রয়েছেন। স্টেশনে শৃঙ্খলা বজায় রাখার স্বার্থে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদে নির্দেশে এই জিডি করা হয়েছে।

ওসি খবির আহমেদ নিউজবাংলাকে বলেন, ‘সাধারণ ডায়েরিটি তদন্তের অনুমতি চেয়ে আদালতে আবেদন করা হয়েছে। অনুমতি পেলে তদন্ত করে আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

আরও পড়ুন:
মেট্রোরেলের সুড়ঙ্গ: কলকাতায় আবার বাড়িতে ফাটল
মন্ত্রীর স্ত্রীর ফোনে দ্রুত ব্যবস্থা, রুবেল বিচার পাননি ৪ মাসেও
রেলের জমিতে অবৈধ দখল উচ্ছেদ চায় স্থায়ী কমিটি
কাজে ফিরেই ৯ হাজার টাকা জরিমানা টিটিই শফিকুলের
বিনা টিকিটে ট্রেনে চড়ার ‘সুযোগ দেন’ রেলকর্মীরাই

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Hand foot barrier corpse in Madhumati

মধুমতীতে হাত-পা বাধা মরদেহ

মধুমতীতে হাত-পা বাধা মরদেহ
পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, ‘মরদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য গোপালগঞ্জ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে। তাকে হত্যা করে মরদেহ গুম করতে হাত-পায়ে ছয়টি ইট বেঁধে পানিতে ডুবিয়ে দেয়া হয়। এ ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।’

গোপালগঞ্জ সদরে পানিতে ভাসমান হাত-পা বাধা মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

উপজেলার মালেঙ্গায় মধুমতী বিলরুট চ্যানেল থেকে বুধবার বেলা ১১টার দিকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

নিহত ব্যক্তির নাম বেলাল হোসেন। তিনি কাশিয়ানী উপজেলার কুমরিয়া গ্রামের বসার বিশ্বাসের ছেলে।

এর আগে উলপুর ইউনিয়নের নারী মেম্বার ফারজানা বেগম মরদেহটি ভাসতে দেখে ৯৯৯-এ ফোন দেন।

বৌলতলি পুলিশ ফাঁড়ির পরিদর্শক এ এইচ এম জসিমউদ্দিন নিউজবাংলাকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

তিনি বলেন, ‘মরদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য গোপালগঞ্জ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে। তাকে হত্যা করে মরদেহ গুম করতে হাত-পায়ে ছয়টি ইট বেঁধে পানিতে ডুবিয়ে দেয়া হয়। এ ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।’

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The fire broke out in the area next to Chittagong EPZ

প্রাণ নিয়ে থামল চট্টগ্রাম ইপিজেডের পাশের এলাকার আগুন

প্রাণ নিয়ে থামল চট্টগ্রাম ইপিজেডের পাশের এলাকার আগুন
ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তা বলেন, ‘আগুনে নিভলেও এখনও কয়েক জায়গায় ধোঁয়া দেখছি। সেগুলোতে পানি ছিটানো হচ্ছে। অর্ধশতাধিক কাঁচাঘর ও দোকান আগুনে পুড়ে গেছে। যে বৃদ্ধ মারা গেছেন তিনি আগুন লাগার সময় একটি লেপ-তোশক বানানোর দোকানে ছিলেন বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছে।’

প্রায় আড়াই ঘণ্টা পর চট্টগ্রাম ইপিজেড এলাকার কলসীদীঘি পারের দোকাপাট ও বসতবাড়িতে লাগা আগুন নিয়ন্ত্রণে এসেছে।

দুপুর ১টা ২০ মিনিটের দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে বলে জানান ফায়ার সার্ভিসের সহকারী পরিচালক ফারুক হোসেন সিকদার।

তিনি বলেন, ‘আগুনে নিভলেও এখনও কয়েক জায়গায় ধোঁয়া দেখছি। সেগুলোতে পানি ছিটানো হচ্ছে। অর্ধশতাধিক কাঁচাঘর ও দোকান আগুনে পুড়ে গেছে।

‘যে বৃদ্ধ মারা গেছেন তিনি আগুন লাগার সময় একটি লেপ-তোশক বানানোর দোকানে ছিলেন বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছে। উনি চোখে দেখতেন না, কানেও শুনতেন না। প্রাথমিকভাবে ধারণা করছি, ওই বৃদ্ধ আগুনের তাপে ও ধোঁয়ায় মারা গেছেন।’

তিনি জানান, বেলা ১১টার দিকে ওই এলাকায় আগুন লাগে। এরপর তা নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে ফায়ার সার্ভিসের ১২টি ইউনিট। সেখানে একটি ঘর থেকে ওই ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

আরও পড়ুন:
মারামারি থামাতে গিয়ে মারা গেলেন নিজেই
আম কুড়াতে বেরিয়ে ডুবে মৃত্যু ভাই-বোনের
খেলতে গিয়ে পুকুরে ডুবে শিশুর মৃত্যু
হত্যার দায়ে ২ আসামির মৃত্যুদণ্ড, ৪ জনের যাবজ্জীবন
স্বামীকে হত্যার দায়ে নারীসহ দুজনের মৃত্যুদণ্ড

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Garment factory warehouse fire under control in two hours

২ ঘণ্টায় নিয়ন্ত্রণে পোশাক কারখানার গুদামের আগুন

২ ঘণ্টায় নিয়ন্ত্রণে পোশাক কারখানার গুদামের আগুন
কারখানার শ্রমিক সফিকুল ইসলাম বলেন, ‘চায়না থেকে আমদানি করা প্রচুর ফেব্রিকস কারখানার পঞ্চম তলার গুদামে মজুত করা ছিল। সকালে হঠাৎ গুদাম থেকে ধোঁয়া বের হতে দেখি। এরপর সবাই দ্রুত কারখানা থেকে বেরিয়ে আসি।’

দুই ঘণ্টায় নিয়ন্ত্রণে এসেছে গাজীপুরের কালিয়াকৈরের পোশাক কারখানার গুদামে লাগা আগুন।

ফায়ার সার্ভিসের ছয় ইউনিটের চেষ্টায় বুধবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।

কালিয়াকৈর ফায়ার সার্ভিসের ওয়্যার হাউস ইন্সপেক্টর সাইফুল ইসলাম নিউজবাংলাকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

সকাল সাড়ে ৯টার দিকে কালিয়াকৈর উপজেলার চন্দ্রা এলাকায় নূর গ্রুপের রাইয়ান নিট কম্পোজিট লিমিটেডের গুদামে আগুন লাগে।

কারখানার শ্রমিক সফিকুল ইসলাম বলেন, ‘চায়না থেকে আমদানি করা প্রচুর ফেব্রিকস কারখানার পঞ্চম তলার গুদামে মজুত করা ছিল। সকালে হঠাৎ গুদাম থেকে ধোঁয়া বের হতে দেখি। এরপর সবাই দ্রুত কারখানা থেকে বেরিয়ে আসি।’

ওয়্যার হাউস ইন্সপেক্টর সাইফুল জানান, আগুন নেভাতে ফায়ার সার্ভিসের কালিয়াকৈরের তিনটি ও ইপিজেডের তিনটি ইউনিট কাজ করে। এ ঘটনায় কেউ হতাহত হয়নি। তবে গুদামের অনেক মালামাল পুড়ে গেছে। আগুন লাগার কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ তদন্তের পর জানা যাবে।

আরও পড়ুন:
ভিমরুলের বাসায় আগুন দিয়ে পুড়ল নিজের ঘর
দিল্লিতে চার তলা ভবনে আগুন, ২৭ মৃত্যু
চট্টগ্রাম বন্দরের কনটেইনারে আগুন
আগুনে পুড়ল ২ বসতঘর
চীনে উড্ডয়নের সময় উড়োজাহাজে আগুন

মন্তব্য

বাংলাদেশ
That is why CandF agents are on strike in Chittagong

যে কারণে কর্মবিরতিতে সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টরা

যে কারণে কর্মবিরতিতে সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টরা সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের নেতারা চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউজের প্রধান ফটকে অবস্থান নিয়েছেন। ছবি:নিউজবাংলা
চট্টগ্রাম কাস্টমসের যুগ্ম কমিশনার সালাউদ্দিন রিজভী জানিয়েছেন, সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টদের দাবি সঠিক নয়৷ আমাদের কাছে ৬৭টি লাইসেন্সের তালিকা রয়েছে যেগুলো নানা কারণে নবায়ন করা হচ্ছে না। এর মধ্যে ৪টি লাইসেন্সের মালিক মারা গেছেন। বাকি ৬৩টির যথাযথ কাগজপত্র জমা না দেয়ায় নবায়ন হচ্ছে না। 

দুই শতাধিক ক্লিয়ারিং অ্যান্ড ফরওয়ার্ডিং এজেন্ট (সিঅ্যান্ডএফ) লাইসেন্স নবায়ন না করার প্রতিবাদে চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউজে কর্মবিরতি পালন করছেন সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টরা।

বুধবার বেলা সাড়ে ১১টা থেকে শুরু হয়েছে কর্মবিরতি।

বর্তমানে চট্টগ্রাম কাস্টমস সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের নেতারা হাউজের প্রধান ফটকে অবস্থান নিয়েছেন।

লাইসেন্স বিধিমালা ২০১৬ ও ২০২০ এর কিছু ধারার অপব্যাখা দিয়ে কাস্টমস এসব লাইসেন্স নবায়ন করতে দিচ্ছে না বলে অভিযোগ করেন তারা।

অ্যাসোসিয়েশনের প্রথম যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কাজী মাহমুদ ইমাম বিলু নিউজবাংলাকে বলেন, ‘লাইসেন্সিং রুলের অপব্যাখা করে দুই শতাধিক সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টের লাইসেন্স নবায়ন করা হচ্ছে না। এতে মঙ্গলবার রাত থেকে এসব সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টরা কাজ করতে পারছে না। বিধিমালায় বলা আছে লাইসেন্স হস্তান্তরযোগ্য নয়।

‘তবে একই বিধিমালার আরেকটি অনুচ্ছেদে বলা আছে, পার্টনারশিপ ও কোম্পানি অ্যাক্টের আওতায় লাইসেন্সের গঠনগত পরিবর্তন করা যাবে। সেভাবেই লাইসেন্সগুলোর পরিবর্তন করেছি আমরা।’

তিনি বলেন, ‘এতো বছর পর কাস্টমস হাউজ এটি সঠিক নয় বলে লাইসেন্স নবায়ন বন্ধ রেখেছে। এর প্রতিবাদে আমরা কর্মবিরতি পালন করছি। যতক্ষণ পর্যন্ত লাইসেন্স নবায়ন করা না হবে ততক্ষণ পর্যন্ত আমাদের কর্মবিরতি চলবে।’

এ দিকে এজেন্টদের কর্মবিরতির কারণে কাস্টমসের শুল্কায়নসহ অন্যান্য কার্যক্রমে ধীর গতির কথা শোনা গেছে।

তবে চট্টগ্রাম কাস্টমসের যুগ্ম কমিশনার সালাউদ্দিন রিজভী জানিয়েছেন, কর্মবিরতি চললেও কাস্টমসের কার্যক্রম স্বাভাবিক আছে।

তিনি বলেন, ‘সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টদের দাবি সঠিক নয়৷ দুই শতাধিক লাইসেন্স নবায়ন না করার দাবি ভিত্তিহীন। আমাদের কাছে ৬৭টি লাইসেন্সের তালিকা রয়েছে যেগুলো নানা কারণে নবায়ন করা হচ্ছে না।

‘এর মধ্যে ৪টি লাইসেন্সের মালিক মারা গেছেন। নিয়ম অনুযায়ী ওই লাইসেন্সের মালিকানা পেতে তাদের উত্তরসূরীদের পরীক্ষা দিতে হবে। তারা পরীক্ষা না দেয়ায় লাইসেন্স নবায়ন করা যাচ্ছে না। বাকি ৬৩টি লাইসেন্সের যথাযথ কাগজপত্র জমা না দেয়ায় নবায়ন হচ্ছে না।

চট্টগ্রাম কাস্টমসের তথ্যমতে, চট্টগ্রামে সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট লাইসেন্স রয়েছে মোট ৩ হাজার ৩২টি।

আরও পড়ুন:
সাবেক কাস্টমস কর্মকর্তার নামে দুদকের মামলা
যে বিপদ ওত পেতে আছে চবি রেলস্টেশনে
ট্রেন যখন যানজটে আটকা
শাটল সংকট: ট্রেনের বিকল্প দুইটি বাস কীভাবে
মঙ্গলবার থেকে চলবে চবির সব শাটল

মন্তব্য

উপরে