× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
Qazida buried in mothers grave
hear-news
player
print-icon

মায়ের কবরে সমাহিত কাজীদা

মায়ের-কবরে-সমাহিত-কাজীদা
মাসুদ রানা ও কুয়াশা সিরিজের স্রষ্টা কাজী আনোয়ার হোসেন। ছবি: সংগৃহীত
রাজধানীর বনানী কবরস্থানে মা সাজেদা খাতুনের কবরে চিরনিদ্রায় শায়িত করা হয় তুমুল পাঠকপ্রিয় থ্রিলার সিরিজ মাসুদ রানা ও কুয়াশা সিরিজের স্রষ্টা এবং সেবা প্রকাশনীর কর্ণধার কাজী আনোয়ার হোসেনকে।

মায়ের কবরে চিরনিদ্রায় শায়িত হলেন তুমুল পাঠকপ্রিয় থ্রিলার সিরিজ মাসুদ রানা ও কুয়াশা সিরিজের স্রষ্টা এবং সেবা প্রকাশনীর কর্ণধার কাজী আনোয়ার হোসেন।

বৃহস্পতিবার বেলা আড়াইটার দিকে রাজধানীর বনানী কবরস্থানে মা সাজেদা খাতুনের কবরে তাকে চিরনিদ্রায় শায়িত করা হয়।

এর আগে সেগুনবাগিচার কাঁচাবাজার মসজিদে বাদ জোহর কাজী আনোয়ার হোসেনের প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।

সকাল সোয়া ৯টার দিকে বারডেম হাসপাতালের হিমঘর থেকে মরদেহ সেগুনবাগিচায় তার বাসায় নেওয়া হয়।

প্রতিবেশী ও সংবাদকর্মীরা সেখানে লেখককে শেষবারের মতো দেখতে গেলেও অন্য লেখক বা প্রকাশকদের তেমন দেখা যায়নি।

মায়ের কবরে সমাহিত কাজীদা
বনানী কবরস্থানে মায়ের কবরে চিরনিদ্রায় শায়িত করা হয় কাজী আনোয়ার হোসেনকে। ছবি: নিউজবাংলা

কাজী আনোয়ার হোসেনের চাচাতো ভাই কাজী রওনাক হোসেন নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আমরা একটা বিরাট ইতিহাসের অংশ হারালাম। সবচেয়ে বড় ব্যাপার হলো ওনার মূল্যায়ন সেভাবে হয়নি। যখন কম্পিউটার ছিল না, মোবাইল ছিল না, অ্যাপস ছিল না সেই সময়ে এ দেশের যুব সমাজকে অবক্ষয় থেকে রোধ করেছিল মাসুদ রানা এবং কুয়াশা।

‘অবাক হবেন, যারা শোকবার্তা পাঠাচ্ছেন, তারা লিখছেন, কেউ হয়তো ২০ বছর বয়সে মাসুদ রানা পড়েছেন এখন তার বয়স ৬০ বা ৬৫। তার জীবনটা পুরো প্রভাবিত মাসুদ রানা চরিত্রটি দিয়ে।’

রওনাক জানান, কাজী আনোয়ার হোসেন অত্যন্ত ভালো কণ্ঠশিল্পী ছিলেন। উনি সিনেমায় গানও গেয়েছেন। ১৯৫৫ থেকে ১৯৬৬ পর্যন্ত রেডিওতে নিয়মিত নজরুলসংগীত, আধুনিক গান করতেন। সৈয়দ শামসুল হকের কথায় সত্য সাহার সুরে, আব্দুল আলীমের সঙ্গে ‘এই যে আকাশ, এই যে বাতাস’ গেয়েছেন কাজী আনোয়ার হোসেন। উর্দু তালাশ সিনেমাতেও গান করেছেন তিনি।

মূল্যায়ন না হওয়ার বিষয়ে রওনাক হোসেন বলেন, ‘দেশের জন্য, যুব সমাজের জন্য যিনি এতকিছু করে গেলেন সরকারের থেকে কোনো রকম স্বীকৃতি নেই। তিনি সব সময় নিভৃতচারী ছিলেন, কখনই চাননি তাকে ঢাকঢোল পিটিয়ে পদক দেয়া হোক।

‘আমি মনে করি দেশ-জাতি, সরকারের একটা কর্তব্য আছে। বাংলা একাডেমি সাহিত্যের জন্য যাদের পুরস্কার দিচ্ছে, ওনার যোগ্যতা কি তাদের চেয়ে কম? এই জিনিসগুলো নিয়ে একটু কষ্ট পাই।’

কাজী আনোয়ার হোসেন প্রোস্টেট ক্যানসারে ভুগছিলেন। বুধবার বিকাল ৪টা ৪০ মিনিটে বারডেম হাসপাতালে মারা যান তিনি।

সেবা প্রকাশনীর কর্ণধার হিসেবে কাজী আনোয়ার হোসেন ষাটের দশকের মধ্যভাগে মাসুদ রানা নামের স্পাই চরিত্র সৃষ্টি করেন। মাসুদ রানার চরিত্রটি মূলত ইয়ান ফ্লেমিংয়ের সৃষ্ট জেমস বন্ড চরিত্রের বাঙালি সংস্করণ হিসেবে গণ্য করা হয়।

মাসুদ রানা সৃষ্টির কিছু আগে কুয়াশা নামক আরেকটি জনপ্রিয় চরিত্র তার হাতেই জন্ম নেয়। কাজী আনোয়ার হোসেন ছদ্মনাম হিসেবে বিদ্যুৎ মিত্র ও শামসুদ্দীন নওয়াব নাম দুটি ব্যবহার করতেন। তবে সেবা প্রকাশনীর ভক্ত পাঠকের কাছে তিনি কাজীদা নামেই বেশি পরিচিতি পান।

কাজী আনোয়ার হোসেনের জন্ম ১৯৩৬ সালের ১৯ জুলাই ঢাকায়। পুরো নাম কাজী শামসুদ্দিন আনোয়ার হোসেন। ডাক নাম ‘নবাব’। তার বাবা প্রখ্যাত বিজ্ঞানী, গণিতবিদ ও সাহিত্যিক কাজী মোতাহার হোসেন, মা সাজেদা খাতুন।

কাজী আনোয়ার হোসেন ১৯৫২ সালে সেন্ট গ্রেগরি স্কুল থেকে ম্যাট্রিক পাস করেন। এরপর জগন্নাথ কলেজ থেকে আইএ এবং বিএ পাস করেন। ১৯৬১ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাংলা সাহিত্যে এমএ পাস করেন তিনি।

বেশ কয়েক বছর রেডিওতে নিয়মিত গান গাইতেন কাজী আনোয়ার হোসেন। ১৯৫৮ থেকে ১৯৬৬ সাল পর্যন্ত তিনি ঢাকা বেতারের সংগীতশিল্পী ছিলেন। ১৯৬২ সালে বিয়ে করেন কণ্ঠশিল্পী ফরিদা ইয়াসমিনকে।

কাজী আনোয়ার হোসেনের তিন বোন সনজীদা খাতুন, ফাহমিদা খাতুন ও মাহমুদা খাতুনও রবীন্দ্রসংগীতশিল্পী।

কাজী আনোয়ার হোসেন ১৯৬৩ সালের মে মাসে বাবার দেয়া ১০ হাজার টাকা নিয়ে সেগুনবাগিচায় প্রেস চালু করেন। দুজন কর্মচারী নিয়ে শুরু হওয়া এই প্রেসের নাম পরে পাল্টে হয় সেবা প্রকাশনী। সেবা প্রকাশনী বাংলাদেশে পেপারব্যাক বই প্রকাশ, বিশ্ব সাহিত্যের প্রখ্যাত উপন্যাসের অনুবাদ এবং কিশোর সাহিত্যের ধারা এগিয়ে নিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

আরও পড়ুন:
কাজীদার শেষ শয্যা বনানীতে
বিদায় কাজীদা
মাসুদ রানার ২৬০ বইয়ের লেখক আব্দুল হাকিম
মাসুদ রানা, কুয়াশা সিরিজের বই নিয়ে কপিরাইটের আদেশ স্থগিত

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
IGP wants CCTV cameras in all pavilions

সব মণ্ডপে সিসিটিভি ক্যামেরা চান আইজিপি

সব মণ্ডপে সিসিটিভি ক্যামেরা চান আইজিপি প্রধান অভিযুক্ত ইকবাল হোসেন মাজারের মসজিদ থেকে কোরআন শরিফ নিয়ে রওনা হন মণ্ডপের দিকে। সিসিটিভি ফুটেজ থেকে নেয়া ছবি।
গত বছর কুমিল্লায় একটি মণ্ডপে মুসলমানদের প্রধান ধর্মীয় গ্রন্থ কোরআন শরিফ রেখে আসার পর সেখানেকার এবং চাঁদপুর, নোয়াখালী ও রংপুরে হিন্দুদের বাড়িঘরে ব্যাপক হামলা, অগ্নিসংযোগ ও লুটপাট চলে। পুলিশের গুলিতে নিহত হয় বেশ কয়েকজন আক্রমণকারীও। সেই মণ্ডপে কোনো ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরা না থাকলেও কোরআন রেখে আসার ঘটনাটি ধরা পড়ে পাশের কয়েকটি বাড়িতে স্থাপন করা ক্যামেরার ফুটেজে।

দুর্গা পূজাকে ঘিরে কেউ যেন অন্তর্ঘাতমূলক কর্মকাণ্ড করতে না পারে, সে জন্য বিশেষভাবে সতর্ক থাকার তাগিদ দিয়েছেন পুলিশ প্রধান বেনজীর আহমেদ। সব মণ্ডপে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপনের পরামর্শও দিয়েছেন তিনি।

পূজাকে সামনে রেখে সোমবার সকালে পুলিশ সদরদপ্তরে নিরাপত্তা সংক্রান্ত এক সভায় তিনি এসব নির্দেশ দেন।

বাঙালি হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব দুর্গা পূজা শুরু হচ্ছে আগামী ১ অক্টোবর থেকে। বিসর্জনের মধ্য দিয়ে উৎসব শেষ হবে ৫ অক্টোবর।
গত বছর কুমিল্লায় একটি মণ্ডপে মুসলমানদের প্রধান ধর্মীয় গ্রন্থ কোরআন শরিফ রেখে আসার পর সেখানেকার এবং চাঁদপুর, নোয়াখালী ও রংপুরে হিন্দুদের বাড়িঘরে ব্যাপক হামলা, অগ্নিসংযোগ ও লুটপাট চলে। পুলিশের গুলিতে নিহত হয় বেশ কয়েকজন আক্রমণকারীও।

পরে তদন্তে বেরিয়ে আসে, বিশৃঙ্খলা তৈরি করতে একটি দরগা থেকে কোরআন শরিফ এনে রাখা হয় কুমিল্লার সেই মণ্ডপে। এরপর ফেসবুকে লাইভ করে তা ছড়িয়ে দেয়া হয়। এরপরই শুরু হয় বিশৃঙ্খলা।

সেই মণ্ডপে কোনো ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরা না থাকলেও কোরআন রেখে আসার ঘটনাটি ধরা পড়ে পাশের কয়েকটি বাড়িতে স্থাপন করা ক্যামেরার ফুটেজে।

পুলিশের সভায় এবার সব মণ্ডপে ক্যামেরা স্থাপন এবং প্রযোজ্য ক্ষেত্রে হ্যান্ডহেল্ড মেটাল ডিটেকটর ও আর্চওয়ে গেইট স্থাপন, মণ্ডপে সার্বক্ষণিক স্বেচ্ছাসেবক নিয়োগ, নারী ও পুরুষের জন্য আলাদা প্রবেশ ও প্রস্থান পথের ব্যবস্থা করা, মণ্ডপ ও বিসর্জন স্থানে পর্যাপ্ত আলো, স্ট্যান্ডবাই জেনারেটর/ চার্জার লাইটের ব্যবস্থা করা, আজান ও নামাজের সময় উচ্চশব্দে মাইক ব্যবহার না করার জন্য পূজা উদযাপন কমিটির প্রতি অনুরোধ জানানো হয়।

কমিউনিটি পুলিশের সদস্য এবং বিট পুলিশ কর্মকর্তাকে সংশ্লিষ্ট পূজা উদযাপন কমিটির সঙ্গে সমন্বয় করে পূজার নিরাপত্তায় নিয়োজিত থাকার অনুরোধ জানান আইজিপি।

সভায় হিন্দু সম্প্রদায়ের নেতারাও অংশ নেন। তারা এবার নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেন।

সভায় জানানো হয়, দুর্গাপূজা নিরাপদে উদযাপনে পুলিশ প্রাক পূজা, পূজা চলাকালীন ও পূজা পরবর্তী তিন স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। যে কোনো জরুরি প্রয়োজনে জাতীয় জরুরি সেবা-৯৯৯-এ কল করার পরামর্শও দেয়া হয়।

আরও পড়ুন:
আইজিপি ও জাতিসংঘ পুলিশ প্রধানের বৈঠক
আমেরিকার প্রতি অভিযোগ নেই, নিষেধাজ্ঞার পেছনে সেই গোষ্ঠী: বেনজীর
নানা শর্তে আইজিপিকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা
জাতীয় শোক দিবসে নিরাপত্তা নিশ্চিতের নির্দেশ আইজিপির
পুলিশ-র‍্যাব বেতনের জন্য কাজ করে না: আইজিপি

মন্তব্য

বাংলাদেশ
3 policemen were dismissed in the case of rape and video recording

ধর্ষণ ও ভিডিও ধারণে চুরির মামলা নিয়ে বরখাস্ত ৩ পুলিশ

ধর্ষণ ও ভিডিও ধারণে চুরির মামলা নিয়ে বরখাস্ত ৩ পুলিশ বাঙ্গরা বাজার থানা। ছবি: সংগৃহীত
বাঙ্গরা বাজার থানার ওসি ইকবাল হোসেন বলেন, ‘গর্ভবতী গৃহবধূকে বিবস্ত্র করে ভিডিও ধারণ ও ধর্ষণের ঘটনায় গাফিলতির কারণে জেলা পুলিশ সুপারের নির্দেশে ৩ পুলিশ সদস্যক ক্লোজড করা হয়েছে।’

অভিযোগ ছিল, কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলার চাপিতলা গ্রামে এক গর্ভবতী গৃহবধূকে ধর্ষণ ও এর ভিডিও ধারণ করা হয়েছে। অথচ এ ঘটনাটিকে একটি চুরির মামলা হিসেবে নথিভুক্ত করে পুলিশ।

এ ঘটনায় দায়িত্বে অবহেলার কারণে ৩ পুলিশ সদস্যকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে।

সোমবার বিকেলে বিষয়টি নিশ্চিত করেন মুরাদনগর উপজলার বাঙ্গরা বাজার থানার ওসি ইকবাল হোসেন।

সাময়িক বরখাস্ত পুলিশ সদস্যরা হলেন- ওই মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও বাঙ্গরা বাজার থানার এসআই ওমর ফারুক, এএসআই আতাউর রহমান এবং কনস্টেবল মামুন।

নির্যাতিতার স্বজনদের অভিযোগ, উপজেলার চাপিতলা গ্রামে গত ১৫ সেপ্টেম্বর রাতে গৃহবধূর মা ও ছোট সন্তানকে মারধর করে হাত-পা বেঁধে মুখে স্কচটেপ লাগিয় দেয় ৮/১০ জনের একটি দল। পরে ওই গৃহবধূকে পাশের কক্ষে নিয়ে ধর্ষণ করে তারা।

এ সময় বিবস্ত্র অবস্থায় ভুক্তভোগীর ভিডিওচিত্রও ধারণ করে দলটি। শুধু তাই নয়, দুর্বৃত্তরা ওই গৃহবধূর গর্ভে থাকা সন্তানকে নষ্ট করতে পেটে লাথিও মারে।

এ ঘটনার পরদিন গত ১৬ সেপ্টেম্বর থানায় অভিযোগ করতে গেলে আসল ঘটনাকে আড়াল করে সাধারণ চুরির মামলা নিয়ে সময় ক্ষেপণের মাধ্যমে আসামিদের পালিয়ে যেতে সহায়তার অভিযাগ ওঠে ওই তিন পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে।

এই ঘটনায় রোববার বিকেলে কুমিল্লা জেলা পুলিশ সুপারের নির্দেশে ওই পুলিশ সদস্যদরকে বাঙ্গরা বাজার থানা থেকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়।

আরও পড়ুন:
স্ত্রীকে উত্ত্যক্তের প্রতিবাদ করায় পুলিশকে মারধরে আটক ৫
যুবদল কর্মী শাওনের দাফন
পুলিশের ক্ষমতা দেখিয়ে সাবেক সেনাসদস্যের ফ্ল্যাট দখলের চেষ্টা
সশস্ত্র মিছিল ও হামলায় ছাত্রলীগ, মামলা বিএনপির বিরুদ্ধে
‘ভুল চিকিৎসা’য় প্রসূতির মৃত্যুর জেরে সংঘর্ষ

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Bangladesh wants the use of atoms in food security and medicine

খাদ্য নিরাপত্তা-চিকিৎসায় পরমাণুর ব্যবহার চায় বাংলাদেশ

খাদ্য নিরাপত্তা-চিকিৎসায় পরমাণুর ব্যবহার চায় বাংলাদেশ অস্ট্রিয়ার ভিয়েনায় আন্তর্জাতিক আণবিক শক্তি সম্মেলনে বাংলােদশের স্টল। ছবি: নিউজবাংলা
অস্ট্রিয়ার ভিয়েনার ভিয়েনা ইন্টারন্যাশনাল সেন্টারে আইএইএর ৬৬তম স্থানীয় সময় সোমবার সকালে সাধারণ সভাটি শুরু হয়। সংস্থাটির ১৭৫টি সদস্য রাষ্ট্র এতে অংশ নিচ্ছে। আছে বিশ্ব পরমাণু ক্লাবের ৩৩তম সদস্য রাষ্ট্র বাংলাদেশ।

করোনাভাইরাস মহামারির অভিঘাত ও রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের জের ধরে বৈশ্বিক সংকটের সময় খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পরমাণুর ব্যবহার বাড়ানোর ক্ষেত্র তৈরির প্রত্যাশা নিয়ে আন্তর্জাতিক আণবিক শক্তি সংস্থার (আইএইএ) সাধারণ অধিবেশনে যোগ দিয়েছে বাংলাদেশ।

অস্ট্রিয়ার ভিয়েনার ভিয়েনা ইন্টারন্যাশনাল সেন্টারে আইএইএর ৬৬তম স্থানীয় সময় সোমবার সকালে সাধারণ সভাটি শুরু হয়। সংস্থাটির ১৭৫টি সদস্য রাষ্ট্র এতে অংশ নিচ্ছে। আছে বিশ্ব পরমাণু ক্লাবের ৩৩তম সদস্য রাষ্ট্র বাংলাদেশ।

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী ইয়াফেস ওসামনের নেতৃত্বে এই সম্মেলনে আরও যোগ দিয়েছেন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব জিয়াউল হাসান, নির্মাণাধীন রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রকল্প পরিচালক শৌকত আকবর।

এই সম্মেলনের মধ্য দিয়ে জাতিসংঘের এই আণবিক সংস্থাটির সঙ্গে বাংলাদেশ আরও নিবিড় যোগাযোগ গড়ে তুলতে চায় বলে জানিয়েছেন অস্ট্রিয়ায় বাংলাদেশ দূতাবাস ও জাতিসংঘের স্থায়ী মিশনের প্রধান চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স রাহাত বিন জামান।

খাদ্য নিরাপত্তা-চিকিৎসায় পরমাণুর ব্যবহার চায় বাংলাদেশ

আন্তর্জাতিক আণবিক শক্তি সম্মেলনে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী ইয়াফেস ওসমান। ছবি: নিউজবাংলা

আইএইএর কারিগরি সহযোগিতাবিষয়ক কর্মসূচির আওতায় চিকিৎসা ও স্বাস্থ্য সুরক্ষা, কৃষি উৎপাদন বাড়ানো ও খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিত, শিক্ষা নিয়ে কাজ করতে চায় বাংলাদেশ।

রাহাত বিন জামান বলেন, ‘কৃষি, খাদ্যনিরাপত্তা, চিকিৎসা, ক্যানসারসহ নানা চিকিৎসাসেবার মতো গুরুত্বপূর্ণ প্রজেক্টে আইএইএ আমাদের সঙ্গে কাজ করে। জনবলকে প্রশিক্ষণ দেয়, নানা ধরনের সাহায্য-সহযোগিতা করে থাকে। আমরা সেই জায়গাটিকে আরও জোরদার করতে চাই।’

বিশ্বজুড়ে পরমাণুর শান্তিপূর্ণ ব্যবহার নিশ্চিত করতেও আইএইএর সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করছে বলে জানালেন ভিয়েনায় ভারপ্রাপ্ত এই রাষ্ট্রদূত।

তিনি বলেন, ‘রূপপুরে আমরা নিউক্লিয়ার পাওয়ার প্ল্যান্ট করছি। যেটির কাজ সফলতার সঙ্গে এগিয়ে যাচ্ছে। সেই প্রকল্পের সেফটি, সিকিউরিটি ইস্যুতে আইএইএর সঙ্গে আমাদের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে। তারা আমাদেরর কারিগরি পরামর্শক হিসেবে সহযোগিতা করছে।’

এ ছাড়া প্রয়োজনীয় জনবলকে প্রশিক্ষণও দিচ্ছে বলে জানান ভিয়েনায় বাংলাদেশের চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স।

রাহাত বিন জামান বলেন, ‘এই সহযোগিতা আরও বাড়িয়ে নিতে চাই। এবং প্ল্যান্টের কার্যক্রম সফলভাবে সম্পন্ন হওয়ার পর এই প্ল্যান্ট থেকে যখন বিদ্যুৎ উৎপাদন হবে তখনও আমরা চাই এই সহযোগিতা অব্যাহত থাকুক।’

আন্তর্জাতিক সম্মেলনটি চলবে ৩০ সেপ্টেম্বর। পাঁচ দিনের এই সম্মেলনে পরমাণুর শান্তিপূর্ণ ব্যবহার নিশ্চিত করার ওপরই জোর দিচ্ছেন সব রাষ্ট্রের প্রতিনিধিরা।

রাশিয়া-ইউক্রেনের চলমান যুদ্ধ বিষয়টিকে আরও বেশি ভাবিয়ে তুলছে। তাই বিশ্বজোড়া শান্তি প্রতিষ্ঠায় পরমাণুর শান্তিপূর্ণ ব্যবহারকে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মানছেন সম্মেলনে যোগ দিতে আসা বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিরা।

খাদ্য নিরাপত্তা-চিকিৎসায় পরমাণুর ব্যবহার চায় বাংলাদেশ
ভিয়েনায় আন্তর্জাতিক আণবিক শক্তি সম্মেলনে বাংলাদেশের প্রতিনিধিরা। ছবি: নিউজবাংলা

তবে ক্যানসারের মতো দুরারোগ্য রোগের চিকিৎসায় পরমাণুকে কীভাবে ব্যবহার করা যায় সে বিষয়টিও গুরুত্বসহকারে উঠে এসেছে এই সম্মেলনে। পরমাণুর ব্যবহারের মধ্য দিয়ে ক্যানসার চিকিৎসায় ‘আশার আলো’ বা ‘রেইস অফ হোপ’ দেখতে চান পরমাণু বিজ্ঞানীরা। এবারের সাধারণ সভায় বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করবেন বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিরা।

ভিয়েনায় এক টুকরো রূপপুর

নিজ নিজ দেশে পরমাণুর ব্যবহার নিয়ে ভিয়েনা ইন্টারন্যাশনাল সেন্টারে প্রদর্শনীতে অংশ নিয়েছে পরমাণু শক্তিধর দেশগুলো। রাশিয়া, চীন, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্সের পাশাপাশি আছে বাংলাদেশও।

বাংলাদেশের স্টলটিতে প্রতিনিধিত্ব করছেন রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের বিভাগীয় প্রধান (অর্থ ও প্রশাসন) অলক চক্রবর্তী। তিনি বলেন, ‘এর উদ্দেশ্য হলো বাংলাদেশকে তুলে ধরা, বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করা, বাংলাদেশের পতাকাকে তুলে ধরা।’

এই স্টলের মধ্য দিয়ে পরমাণুর শান্তিপূর্ণ ব্যবহারে বাংলাদেশের অবস্থানও তুলে ধরা হচ্ছে বলে জানান তিনি।

অলক চক্রবর্তী বলেন, ‘অতি অল্প সময়েরে মধ্যে তেল-গ্যাসসহ অন্যান্য জ্বালানি নির্ভরতা কমিয়ে পারমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদনের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের টেকসই জ্বালানি ও ১৯৪১ সালের মধ্যে উন্নত সমৃদ্ধ বাংলাদেশের যে স্বপ্ন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেখেছেন এ বিষয়টি সারা পৃথিবীর কাছে তুলে ধরার প্রয়াস এই স্টল।’

দেখা গেছে, বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিরা ভিড় করছেন এক টুকরো বাংলাদেশে। তারা জানতে চান বাংলাদেশের পরমাণুর ব্যবহার নিয়ে, কেউ আবার খোঁজ রাখছেন বিদ্যুৎকেন্দ্রের অগ্রগতি নিয়ে। আন্তরিকভাবেই দর্শনার্থীদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দিচ্ছেন স্টলে বাংলাদেশের প্রতিনিধিরা।

দর্শনার্থীদের জন্য শুভেচ্ছা উপহারও রেখেছে বাংলাদেশে। ‘সোনালি আঁশ’খ্যাত পাটের তৈরি ব্যাগ, কোর্টপিন, কলম, মাস্ক, চাবির রিং, চকোলেটসহ নানা সামগ্রীও শোভা পাচ্ছে স্টলটিতে।

থ্রিডি অ্যানিমেশনে রাশিয়া তুলে ধরেছে তুর্কিয়েতে তাদের নতুন পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের আদ্যোপান্ত। সর্বাধুনিক প্রযুক্তিতে চারটি পারমাণবিক চুল্লি থাকবে নির্মিতব্য কেন্দ্রটিতে। প্রতিটি ইউনিট থেকে ১ হাজার ২০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হওয়ার কথা রয়েছে।

আরও পড়ুন:
ইরানের পরমাণু চুক্তিতে ‘অভিযান’ বন্ধ হবে না: মোসাদ
রাশিয়া-আমেরিকা পরমাণু যুদ্ধে না খেয়ে মরবে ৫০০ কোটি
পরমাণু যুদ্ধ থেকে এক সুতা দূরে বিশ্ব
পরমাণু বোমা হামলা নিয়ে চিন্তিত ৭০ শতাংশ আমেরিকান
আরেকটি পরমাণু বিদ্যুৎকেন্দ্রের জন্য রাশিয়াকে চায় বাংলাদেশ

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Dope test before recruitment to police to prevent drug addicts

মাদকাসক্ত ঠেকাতে পুলিশে নিয়োগের আগে ডোপ টেস্ট

মাদকাসক্ত ঠেকাতে পুলিশে নিয়োগের আগে ডোপ টেস্ট সিরডাপ মিলনায়তনে সেমিনারে বক্তব্য দিচ্ছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। ছবি: নিউজবাংলা
‘চাকরির শুরুতে যারা সিলেক্টেড হবে, তাদের ডোপ টেস্ট করার প্রচলন পুরোপুরি নিতে যাচ্ছি। পুলিশ-বিজিবি সব জায়গায় ডোপ টেস্টের প্রচলন রয়েছে। এ ছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা মাদকাসক্ত হচ্ছে কি না, সেখানেও মনে হলে আমরা ডোপ টেস্ট করব।’

মাদকাসক্তরা যেন পুলিশে ঢুকতে না পারে, সে জন্য নিয়োগের আগেই ডোপ টেস্ট করার উদ্যোগ নেয়ার কথা জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল।

ডোপ টেস্ট করে বেশ কিছু পুলিশ সদস্যকে চাকরিচ্যুত করার মধ্যে নতুন এই উদ্যোগের কথা জানিয়েছেন তিনি।

সোমবার রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে ‘মাদকাসক্তি নিরাময়ে বেসরকারি খাতের ভূমিকা’ বিষয়ে এক গোলটেবিল সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা জানান।

মন্ত্রী বলেন, ‘পুলিশে যারা মাদক নেয় তদের ডোপ টেস্ট করা হচ্ছে। ডোপ টেস্টে পজিটিভ হলে তাকে সাসপেন্ড করা হচ্ছে। এই জায়গাটায় আমরা খুব কঠিন অবস্থানে চলে আসছি।

‘চাকরির শুরুতে যারা সিলেক্টেড হবে, তাদের ডোপ টেস্ট করার প্রচলন পুরোপুরি নিতে যাচ্ছি। পুলিশ-বিজিবি সব জায়গায় ডোপ টেস্টের প্রচলন রয়েছে। এ ছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা মাদকাসক্ত হচ্ছে কি না, সেখানেও মনে হলে আমরা ডোপ টেস্ট করব।’

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে কথা হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘সব চাকরিতে নিয়োগের ক্ষেত্রে ডোপ টেস্ট যেন বাধ্যতামূলক করা হয়। তিনি সম্মতি দিয়েছেন। চাকরির শুরুতে যারা সিলেক্টেড হবে তাদের ডোপ টেস্ট করার প্রচলন পুরোপুরি নিতে যাচ্ছি। পুলিশ-বিজিবি সব জায়গায় ডোপ টেস্টের প্রচলন রয়েছে। এ ছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা মাদকাসক্ত হচ্ছে কি না, সেখানেও মনে হলে আমরা ডোপ টেস্ট করব।’

মাদক কেনাবেচায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের জড়িয়ে পড়ার বিষয়টিও উঠে আসে তার বক্তব্যে। তিনি বলেন, ‘আপনি জেলখানায় গিয়ে দেখুন মাদকের মামলায় পুলিশের সদস্য যেমন আছে, র‍্যাবের সদস্যও আছে, তেমন অন্য ব্যবসায়ীরাও রয়েছে। পুলিশ বলে তার জন্য আইন আলাদা হবে- বিষয়টি এমন নয়।’

কারাগারে বন্দিদের সিংহভাগই মাদক মামলার আসামি বলে জানান মন্ত্রী। জানান, কারাগারে বন্দির সংখ্যা ৮০ হাজার থেকে এক লাখের মতো। এর মধ্যে ৬০ শতাংশই মাদক বিক্রেতা।

মাদক মামলায় বিচারের জটিলতা নিয়েও কথা বলেন তিনি। বলেন, ‘বিচারের সময় সাক্ষী পাওয়া যায় না। আর আমাদের লম্বা জট লেগেছে মামলার। সেখানে এই মাদক মামলা হারিয়ে যায়।

‘আমরা চেয়েছিলাম বিশেষ ট্রাইব্যুনাল চাইছিলাম। যদিও আমরা সেটা এখনও পাইনি। যদি শাস্তিটা দৃশ্যমান হতো, তাহলে ডিমান্ড হ্রাস ও সাপ্লাই কমে যেত।’

মাদকের সরবরাহ কমাতে বিজিবি, কোস্টগার্ডের সক্ষমতা ও জনবল বাড়ানো হচ্ছে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘বর্ডারে আমরা এখন অনেক কিছু করতেছি। টেকনাফে দেখেন নাফ নদীর যে বর্ডার তা দুর্গম। সেখানে বিওপি থেকে বিওপি যেতে সময় লাগে। আমরা সেন্সর লাগাচ্ছি সমস্ত বর্ডারে। হেলিকপ্টার টহলের ব্যবস্থা করছি, যাতে মাদকের সাপ্লাই বন্ধ করা সম্ভব হয়।’

‘চিকিৎসকরা নাকি সবচেয়ে বেশি মাদক নেন’
মন্ত্রী বলেন, ‘চিকিৎসরা নাকি সবচেয়ে বেশি মাদক গ্রহণ করেন। তবে বিষয়টি আমার জানা নেই। নেশা করে মাদক নেয় চিকিৎসক, সাংবাদিক, ইঞ্জিনিয়ার ও আমরাও নিয়ে থাকি। চিকিৎসকরা মাদক নেবে না এমন তো কথা নেই। তারা তো আলাদা জাতি না। দু-একজন পথভ্রষ্ট হতে পারে।’

অসাধু লোক সব জায়গাতেই আছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘হেরোইন উদ্ধারের পর নাকি পরীক্ষায় পাউডার হয়ে যায়। কারণ শুধু পোর্টে কিংবা পুলিশে নয়, সব জায়গাতেই খারাপ মানুষ আছে।’

সীমান্তেও অনেকে চোখ বন্ধ করে আছে বলেও মন্তব্য করেন মন্ত্রী।

আরও পড়ুন:
ডোপ টেস্টে শিক্ষার্থীরা ‘নাজেহাল’
শিক্ষক নয়, শিক্ষার্থীদের ডোপ টেস্ট ঢাবিতে
সরকারি চাকরিতে ডোপ টেস্ট বাধ্যতামূলক হচ্ছে
ডোপ টেস্টে পজিটিভ হলে সরকারি চাকরি নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
ডোপ টেস্ট কার্যক্রমের উদ্বোধন

মন্তব্য

বাংলাদেশ
ACC case against former London manager of Biman

বিমানের সাবেক লন্ডন ম্যানেজারের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা

বিমানের সাবেক লন্ডন ম্যানেজারের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা
ক্ষমতার অপব্যবহার করে বিমানের প্রায় এক কোটি টাকা ক্ষতিসাধনের দায়ে দুদকের উপ-পরিচালক মোহাম্মদ সিরাজুল হক সোমবার এই মামলা করেন।

বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের লন্ডন অফিসের সাবেক কান্ট্রি ম্যানেজার আকতার উদ্দীন আহমেদের বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন ( দুদক)।

ক্ষমতার অপব্যবহার করে বিমানের প্রায় এক কোটি টাকা ক্ষতিসাধনের দায়ে দুদকের উপ-পরিচালক মোহাম্মদ সিরাজুল হক সোমবার এই মামলা করেন।

দুদকের উপ-পরিচালক আরিফ সাদেক নিউজবাংলাকে জানান, ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারা তৎসহ দণ্ডবিধির ৪০৯ ধারায় মামলাটি করা হয়।

মামলার সংক্ষিপ্ত বিবরণীতে বলা হয়, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স লিমিটেডের অভ্যন্তরীণ তদন্তে প্রাথমিকভাবে প্রমাণ হয়েছে যে মহাব্যবস্থাপক (বিপণন ও বিক্রয়) আখতার উদ্দিন আহমেদ বিমানের লন্ডন স্টেশনে কান্ট্রি ম্যানেজার হিসেবে কর্মরত থাকাকালে (১৯৯৩-১৯৯৮) বিমানের সিটি অফিসের জন্য অফিস ইকুইপমেন্ট ও টেলিফোন সিস্টেমের জন্য ত্রৈমাসিক ২ হাজার ১২৫ পাউন্ড স্টারলিং ভাড়ার ভিত্তিতে তিনটি কোম্পানির সঙ্গে লিজ চুক্তি ছিল। এই চুক্তির মেয়াদ ছিল ২০০১ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। কিন্তু তিনি এবি সার্ভিসেস-এর পক্ষে কেভিন লুইসের মাধ্যমে বিমানের প্রধান কার্যালয়ের অনুমোদন ছাড়াই বিরাজমান সব চুক্তি অবসান করে নতুন চুক্তি স্বাক্ষর করেন।

নতুন চুক্তিতে ত্রৈমাসিক ভাড়া ২ হাজার ১২৫ পাউন্ডের স্থলে ১০ হাজার ৫০৬ পাউন্ড করা হয় এবং ব্যাংক হিসাব খাত থেকে সরাসরি ডেবিট পদ্ধতিতে ভাড়া পরিশোধের শর্ত অন্তর্ভুক্ত করা হয়, যা আগের চুক্তিতে ছিল না।

পরবর্তীতে আক্তার উদ্দিন আহমেদ বিমানের প্রধান কার্যালয়ের অনুমোদন না নিয়ে আইনজীবীর মাধ্যমে কেবিন লুইসের বিরুদ্ধে মামলা করেন এবং ওই চুক্তির অধীনে ভাড়া পরিশোধ বন্ধ রাখেন। কিন্তু চুক্তিপত্রে আক্তার উদ্দিন আহমেদের স্বাক্ষর থাকায় সব পক্ষের সম্মতিতে Centre for Dispute Resolutions-এর মাধ্যমে প্রতি ত্রৈমাসিক ৭ হাজার ১৫৬ পাউন্ড ভাড়া পরিশোধ নিষ্পত্তি হয়।

বিমানের প্রধান কার্যালয়ের অনুমোদনবহির্ভূত চুক্তিপত্রের ভিত্তিতে ২০০৪ সালের এপ্রিল পর্যন্ত লিজ রেন্ট বাবদ বিমানকে ১ লাখ ২০ হাজার ৭৪৪ পাউন্ড সমপরিমাণ ৯৬ লাখ ৫৯ হাজার ৪৪০ টাকা পরিশোধ করা হয়েছে।

আরও পড়ুন:
দুই এয়ারক্রাফটে ১১শ কোটি গচ্ছা, দুদকে জিজ্ঞাসাবাদ
বিমানের বিরুদ্ধে বেসরকারি এয়ারলাইনসের ক্ষোভ
গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিং: আধিপত্য হারাতে পারে বিমান
শাহজালালে তৃতীয় টার্মিনালের কাজ শেষ ৪৪ শতাংশ
টরন্টো ফ্লাইটে আগ্রহ বিদেশি যাত্রীদের

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Boda boat sinking death toll rises to 41

করতোয়ায় নৌকাডুবিতে মৃত বেড়ে ৪৩

করতোয়ায় নৌকাডুবিতে মৃত বেড়ে ৪৩
বোদা উপজেলার মারেয়া আউলিয়া-বদ্বেশ্বরী ঘাটে করতোয়া নদীতে রোববার দুপুরে শতাধিক যাত্রী নিয়ে একটি ইঞ্জিনচালিত নৌকা ডুবে যায়। যার বেশির ভাগই মহালয়ার পুণ্যার্থী ছিলেন। তারা নদীর ওপারে বদ্বেশ্বরী মন্দিরে প্রার্থনা শেষে ফিরছিলেন।

পঞ্চগড়ের বোদায় করতোয়া নদীতে নৌকাডুবির ঘটনায় সোমবার সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত ১৮ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ নিয়ে নৌকার ৪৩ যাত্রী নিহত হয়েছেন।

এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন পঞ্চগড়ের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট দীপঙ্কর রায়।

তিনি জানান, নৌকাডুবির ঘটনার দ্বিতীয় দিন দিনাজপুরের খানসামার আত্রাই নদীর জিয়া সেতুর নিচ থেকে ৮ জনের, বোদায় ৮ জনের ও দেবীগঞ্জে ২ জনের মরদেহ পাওয়া গেছে।

তিনি আরও জানান, প্রায় ৪০ জন এখনও নিখোঁজের তথ্য পাওয়া গেছে।

পঞ্চগড় ফায়ার সার্ভিসের উপপরিচালক সৈয়দ মাহাবুবুল আলম নিউজবাংলাকে বলেন, ‘সকাল সাড়ে ৫টায় দ্বিতীয় দিনের মতো নিখোঁজ ব্যক্তিদের উদ্ধারে কার্যক্রম শুরু হয়েছে। রংপুর, কুড়িগ্রাম ও রাজশাহী থেকে ডুবুরিদল এসেছে। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে পঞ্চগড় ফায়ার সার্ভিস।

‘ঘটনাস্থল করতোয়ার আউলিয়ার ঘাট থেকে ৩০ কিলোমিটার ভাটির দিকে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা টহল দিচ্ছেন, নজর রাখছেন।’

করতোয়ায় নৌকাডুবিতে মৃত বেড়ে ৪৩

বোদা উপজেলার মারেয়া আউলিয়া-বদ্বেশ্বরী ঘাটে করতোয়া নদীতে রোববার দুপুরে শতাধিক যাত্রী নিয়ে একটি ইঞ্জিনচালিত নৌকা ডুবে যায়। যার বেশির ভাগই মহালয়ার পুণ্যার্থী ছিলেন। তারা নদীর ওপারে বদ্বেশ্বরী মন্দিরে প্রার্থনা শেষে ফিরছিলেন।

এই প্রাণহানির জন্য অতিরিক্ত যাত্রী বহনকে দায়ী করেছেন জেলা প্রশাসক (ডিসি) জহুরুল ইসলাম।

তিনি বলেন, ‘নৌকায় অতিরিক্ত যাত্রী ছিল। ঘটনাস্থলে মারওয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও পুলিশ ছিল। তারা সবাই ওই নৌকায় এত লোক উঠতে নিষেধ করেছিলেন।

‘গতকাল বৃষ্টি হওয়ার কারণে নদীতে পানি বেশি ছিল, স্রোতও বেশি ছিল। নিষেধ করতে করতে সবাই উঠে যায়। যেহেতু ধর্মীয় বিষয় সবাই উঠতে চাইছিলেন। এরপর মাঝনদীতে গিয়ে ডুবে যায় নৌকাটি।’

মৃত ৪৩ জনের মধ্যে ১২ জনই শিশু বলে জানান তিনি। আর ২২ জন নারী ও ৯ জন আছেন পুরুষ।

করতোয়ায় নৌকাডুবিতে মৃত বেড়ে ৪৩

নৌকার বেঁচে যাওয়া যাত্রী মাড়েয়া বামনপাড়া এলাকার সুবাস চন্দ্র রায় বলেন, ‘নৌকায় দেড়শরও বেশি যাত্রী ছিল। আমরা উঠার পরপরই নৌকায় পানি ঢুকতে শুরু করে। এ সময় মানুষজন নৌকার মধ্যেই হুড়োহুড়ি শুরু করে।

‘যে পাশেই যাচ্ছিলাম, সে পাশেই নৌকায় পানি ঢুকছিল। আমরা ৫ বন্ধু ছিলাম। কোনোমতে সাঁতার কেটে প্রাণে বেঁচে যাই। অন্য যাত্রীরা একে অন্যকে জড়িয়ে ধরে বাঁচার আকুতি করছিল। ওই মুহূর্তের বর্ণনা করতে পারব না। তবে এত মানুষ মারা যাবে, তা বুঝতে পারিনি।’

ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স এর ঢাকা সদর দপ্তরের পরিচালক অপারেশন লেঃ কর্নেল জিল্লুর রহমান বলেন, ‘পানিতে ডুবে থাকা যে কোনো মানুষ ৪৮ ঘণ্টার মধ্যেই ভেসে উঠবে। সে মোতাবেক ২৭ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যা পযর্ন্ত আমাদের অভিযান চলবে।’

এদিকে এই দুর্ঘটনা তদন্তে পঞ্চগড়ের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট অথৈ আদিত্যকে আহ্বায়ক করে পাঁচ সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে।

আরও পড়ুন:
নৌকাডুবি: নিখোঁজ চাচা-ভাতিজাসহ তিনজনের মরদেহ উদ্ধার
নৌকাবাইচ দেখতে গিয়ে ব্রহ্মপুত্রে নিখোঁজ দুই শিশু
রাজশাহীতে পদ্মায় নৌকাডুবি, ৩ জন নিখোঁজ
নৌকাডুবির ৩ দিন পর মিলল শিশুর মরদেহ
গড়াই নদীতে নৌকাডুবি: নিখোঁজ শিশু উদ্ধারে ডুবুরিদল

মন্তব্য

বাংলাদেশ
5 lakh to send to Europe trap

৫ লাখে ইউরোপ পাঠানোর ফাঁদ

৫ লাখে ইউরোপ পাঠানোর ফাঁদ মানব পাচারের অভিযোগে র‍্যাবের হাতে গ্রেপ্তার চারজন। ছবি: সংগৃহীত
গ্রেপ্তারের সময় তাদের কাছ থেকে ১৬টি পাসপোর্ট, তিনটি চেক বই, চারটি স্ট্যাম্প, পাঁচটি মোবাইল, চারটি বিএমইটি কার্ড, চারটি রেজিস্ট্রার উদ্ধার করা হয়।

উচ্চ বেতনের চাকরি, সঙ্গে নানা সুবিধা, তাও আবার ইউরোপের দেশেগুলোতে। আর সেখানে এসব পেতে খরচ করতে হবে ৪ থেকে ৫ লাখ টাকা। এমন প্রলোভন দেখিয়ে ইউরোপ পাঠানোর কথা বলে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নেয়া মানব পাচার চক্রের হোতাসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব।

কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম এবং রাজধানীর গুলশান এলাকায় সোমবার ভোর থেকে সকাল পর্যন্ত অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

শুধু ইউরোপ নয়, কম খরচে মধ্যপ্রাচ্যসহ অন্য দেশগুলোতেও তারা পাঠানোর প্রলোভন দেখিয়ে আসছিল।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন তোফায়েল আহমেদ, আক্তার হোসেন, আনিছুর রহমান ও মো. রাসেল।

গ্রেপ্তারের সময় তাদের কাছ থেকে ১৬টি পাসপোর্ট, তিনটি চেক বই, চারটি স্ট্যাম্প, পাঁচটি মোবাইল, চারটি বিএমইটি কার্ড, চারটি রেজিস্ট্রার উদ্ধার করা হয়।

রাজধানীর কারওয়ান বাজারে র‍্যাব মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে র‍্যাব-৩-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আরিফ মহিউদ্দিন আহমেদ এসব তথ্য জানান।

প্রাথমিক অনুসন্ধান ও আসামিদের জিজ্ঞাসাবাদের বরাতে আরিফ মহিউদ্দিন বলেন, ‘আসামিরা সংঘবদ্ধ মানব পাচার চক্রের সদস্য। চক্রের হোতা দুবাই প্রবাসী তোফায়েল আহমেদ এবং বাংলাদেশে চক্রের হোতা আনিছুর রহমান ও আক্তার হোসেন। রাসেল তাদের অন্যতম সহযোগী।

‘তারা বাংলাদেশ থেকে বিভিন্ন দালালের মাধ্যমে মধ্যপ্রাচ্যসহ ইউরোপের বিভিন্ন দেশে উচ্চ বেতনে বিভিন্ন কোম্পানিতে চাকরি দেয়ার নাম করে প্রলুব্ধ করে। মধ্যপ্রাচ্যে পাঠানোর খরচ বাবদ প্রাথমিকভাবে তারা ৪ থেকে ৫ লাখে ইউরোপ এবং এশিয়ার অন্যান্য দেশের জন্য তারা ৬ থেকে ৮ লাখ টাকা নিয়ে থাকে।’

তিনি জানান, ভিকটিম ও তাদের অভিভাবকরা রাজি হলে প্রথমে তারা পাসপোর্ট এবং প্রাথমিক খরচ বাবদ ৫০ হাজার থেকে ১ লাখ টাকা নিয়ে থাকে। তারপর ভিকটিম এবং অভিভাবকদের বিদেশ থেকে বিভিন্ন দালালের মাধ্যমে ফোন দিয়ে আশ্বস্ত করে। আসামিদের মাধ্যমে বিদেশ গিয়ে তারা খুব ভালো আছে এবং অনেক অর্থ উপার্জন করে বলে জানানো হয়।

এমন প্রলোভনে অনেকেই আগ্রহী হয়ে ওঠে। এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে পরিবহন খরচ, ভিসা খরচ, মেডিক্যাল খরচ, বিএমইটি ক্লিয়ারেন্স ইত্যাদি খরচের কথা বলে আসামিরা ধাপে ধাপে ভিকটিমদের কাছ থেকে টাকা আত্মসাৎ করতে থাকে বলে জানান র‍্যাবের ওই কর্মকর্তা।

আরিফ মহিউদ্দিন জানান, ফ্লাইটের আগে ভুক্তভোগীদের কাছে পাসপোর্ট, ভিসা বা টিকিট হস্তান্তর করা হয় না। তাদের যখন বিমানবন্দরের ভেতর প্রবেশ করেন, ঠিক তখন তাদের হাতে এসব ধরিয়ে দেয়া হয়। পরে ভুক্তভোগীরা বুঝতে পারে কর্মী ভিসার বদলে তাদের ভ্রমণ ভিসায় পাঠানো হচ্ছে। পরে যোগাযোগের চেষ্টা করলেও আসামিদের সঙ্গে আর যোগাযোগ করা সম্ভব হয় না।

র‍্যাব জানায়, অনেক সময় বিদেশ পৌঁছানোর পর দুবাই প্রবাসী জাহিদ ভিকটিমদের স্বাগত জানিয়ে একটি অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে যায়। তারপর ভিকটিমের কাছ থেকে তার পাসপোর্ট ও টাকা ছিনিয়ে নেয়। এরপর তাদের একটি সাজানো কোম্পানিতে চাকরি দেয়া হয়। চার-পাঁচ দিন পর কোম্পানি থেকে জানিয়ে দেয়া হয় কোম্পানি আইনি জটিলতার কারণে বন্ধ করে দেয়া হচ্ছে। তারপর জাহিদ পুনরায় ভিকটিমদের অজ্ঞাত স্থানে বন্দি করে রেখে ভিকটিমদের শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করে অর্থ আদায় করে। ওই সময়ে ভিকটিমদের কোনো খাবার দেয়া হয় না। খাবার চাইলে জাহিদ বাংলাদেশ থেকে টাকা নিয়ে এসে খাবার কিনতে বলে।

র‍্যাব-৩-এর অধিনায়ক বলেন, তোফায়েলের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তোফায়েল ভিকটিমদের অপেক্ষা করতে বলে। জানায়, আইনি জটিলতা দূর হলেই আবার কোম্পানি চালু হবে। পরে পাসপোর্ট ফেরত নিতেও ৫০ থেকে ৬০ হাজার টাকা হাতিয়ে নেয় আসামিরা, যা দেশে কোনো স্বজনের মাধ্যমে পরিশোধ করেন ভুক্তভোগীরা।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের ট্রাভেল এজেন্সি বা রিক্রুটিং এজেন্সি পরিচালনার কোনো লাইসেন্স পাওয়া যায়নি। তারা শুধু সিটি করপোরেশন থেকে ট্রেড লাইসেন্স নিয়ে সিটি এক্সপ্রেস ট্রাভেল এজেন্সি নামে মানব পাচার ব্যবসা করে আসছে। চক্রের বাকি সদস্যদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা করা হচ্ছে বলেও জানান র‍্যাবের ওই কর্মকর্তা।

আরও পড়ুন:
মালয়েশিয়ার কথা বলে সেন্টমার্টিনে ‘পাচার’, গ্রেপ্তার ৫
মানব পাচার মামলায় নদীর জামিন দেয়নি হাইকোর্ট
লিবিয়ায় জিম্মি মাদারীপুরের ৯ যুবক
অভিবাসনপ্রত্যাশী নির্যাতন: ইতালিতে ২ বাংলাদেশির জেল
‘ইতালি যাওয়ার পথে’ ৩ যুবক নিখোঁজ, বাবা-ছেলে গ্রেপ্তার

মন্তব্য

p
উপরে