× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ পৌর নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য

বাংলাদেশ
JOB Chhatra Dal distributes food on Zias birth anniversary
hear-news
player
print-icon

জিয়ার জন্মবার্ষিকীতে খাবার বিতরণ জবি ছাত্রদলের

জিয়ার-জন্মবার্ষিকীতে-খাবার-বিতরণ-জবি-ছাত্রদলের বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের জন্মবার্ষিকীতে বুধবার জবি এলাকায় খাবার বিতরণ করে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদল। ছবি: নিউজবাংলা
বিশ্ববিদ্যালয়ের ফটকে বুধবার দুপুরে জবি ছাত্রদলের আহ্বায়ক পদপ্রার্থী মেহেদী হাসান হিমেলের নেতৃত্বে খাবার বিতরণ করা হয়। ওই সময় উপস্থিত ছিলেন ছাত্রদল নেতারা।

বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৮৬তম জন্মবার্ষিকীতে দুস্থদের মধ্যে খাবার বিতরণ করেছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) ছাত্রদলের নেতা-কর্মীরা।

বিশ্ববিদ্যালয়ের ফটকে বুধবার দুপুর ১টার দিকে জবি ছাত্রদলের আহ্বায়ক পদপ্রার্থী মেহেদী হাসান হিমেলের নেতৃত্বে খাবার বিতরণ করা হয়।

ওই সময় উপস্থিত ছিলেন ছাত্রদলের নেতা কাওছার হামিদ খান, মিহির বিশ্বাস, মো. নাহিদ চৌধুরী, ওয়াহিদুজ্জামান তুহিন, নাছিম উদ্দিন, রফিকুল ইসলাম, শাহরিয়ার আহমেদ, জামাল সাগর, মাহবুব, জাহিদ হাসান, আজিজুর রহমান, তৌহিদ চৌধুরী, রাকিব হাসান, সুমন রাজাসহ অনেকেই।

খাবার বিতরণ নিয়ে জবি ছাত্রদলের আহ্বায়ক পদপ্রার্থী মেহেদী হাসান হিমেল বলেন, ‘মহান স্বাধীনতার ঘোষক, বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবক্তা, বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৮৬তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদল জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় গরিব, দুস্থ মানুষের মধ্যে খাবার বিতরণ করেছে। আমাদের এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।’

১৯৩৬ সালের ১৯ জানুয়ারি বর্তমান বগুড়ায় জন্ম হয় জিয়াউর রহমানের।

আরও পড়ুন:
৭৭ সালে জিয়ার আদেশে কত হত্যা, তথ্য চাই: প্রধানমন্ত্রী
‘ছাত্রলীগ নেতাকে’ বহিষ্কার করা ছাত্রদল দপ্তর সম্পাদককে অব্যাহতি
জিয়ার মরণোত্তর বিচার দাবি
জবিসহ ৪ বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রদলের কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা
কর্নেল বেগের সেই চিঠি

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Various crimes using illegal walkie talkies

অবৈধ ওয়াকিটকি ব্যবহার করে নানা অপরাধ

অবৈধ ওয়াকিটকি ব্যবহার করে নানা অপরাধ অবৈধভাবে ওয়াকিটকি সেট বিক্রির অভিযোগে গ্রেপ্তার হওয়া দুইজন। ছবি: নিউজবাংলা
ওয়াকিটকি সেট অবৈধভাবে বিক্রি চক্রের হোতাসহ দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব। জব্দ করা হয়েছে ১৬৮টি ওয়াকিটকি সেট, ৩৫টি ব্যাটারি, ৩২টি চার্জার, ৬৩টি এন্টেনা, ৬টি মাউথ স্পিকার ও ছয়টি ব্যাক ক্লিপ।

দেশের সাধারণ মানুষ ওয়াকিটকি বহনকারী ব্যক্তিকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য হিসেবেই বিবেচনা করে থাকে। আর এই জনমানসিকতাকে সুযোগ হিসেবে কাজে লাগাচ্ছে অপরাধীরা। তারা ওয়াকিটকি সেট ব্যবহার করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পরিচয়ে ডাকাতি, ছিনতাই, অপহরণ করে মুক্তিপণ আদায়সহ নানা অপরাধ করে বেড়াচ্ছে।

দেশে একটি চক্র অবৈধভাবে ওয়াকিটকি সেট মজুত ও বিক্রি করে আসছে। তাদের ক্রেতা মূলত অপরাধ জগতের সদস্যরা। অবৈধ কারবারিরা এভাবে কোটি কোটি টাকার রাজস্ব ফাঁকি দিচ্ছে। আবার এসব ওয়াকিটকি ব্যবহার করে একের পর এক অপরাধ সংঘটনে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটাচ্ছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ভাবমূর্তিও ক্ষুণ্ন হচ্ছে।

অবশেষে ওয়াকিটকি সেট অবৈধভাবে বিক্রি চক্রের হোতাসহ দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)।

রোববার রাতে রাজধানীর মোহাম্মদপুর ও গুলিস্তান স্টেডিয়াম মার্কেট এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। তারা হলেন অলেফিল ট্রেড করপোরেশনের মালিক ও চক্রের হোতা আব্দুল্লাহ আল সাব্বির এবং তার সহযোগী আল-মামুন। এ সময় ১৬৮টি ওয়াকিটকি সেট, ওয়াকিটকি সেটের ৩৫টি ব্যাটারি, ৩২টি চার্জার, ৬৩টি এন্টেনা, ৬টি মাউথ স্পিকার ও ছয়টি ব্যাক ক্লিপ জব্দ করা হয়।

রাজধানীর কারওয়ান বাজারে র‍্যাব মিডিয়া সেন্টারে সোমবার সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান র‌্যাব-৩-এর অধিনায়ক (সিও) লেফটেন্যান্ট কর্নেল আরিফ মহিউদ্দিন আহমেদ।

তিনি বলেন, র‌্যাব-৩ ও বিটিআরসির যৌথ অভিযানে অবৈধ ওয়াকিটকি সেট বিক্রি চক্রের হোতাসহ দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গোয়েন্দা সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায়, একটি চক্র অধিক মুনাফার আশায় দীর্ঘদিন ধরে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় অবৈধভাবে অপরাধীদের কাছে কালো রঙের ওয়াকিটকি সেট বিক্রি করে আসছে। অথচ বিটিআরসির নির্দেশনা অনুযায়ী সরকারি প্রতিষ্ঠান ছাড়া অন্য কোনো প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তি কালো রঙের ওয়াকিটকি সেট ব্যবহার করা দণ্ডনীয় অপরাধ।

গ্রেপ্তার দুজন অলেফিল ট্রেড করপোরেশন নামক প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইট ও ফেসবুক পেজের মাধ্যমে অবৈধভাবে বেতারযন্ত্র ওয়াকিটকি সেট মজুত করে বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের কাছে বিক্রি করে আসছিল। তারা উদ্ধারকৃত ওয়াকিটকি সেটগুলোর ব্যবহারসংক্রান্ত লাইসেন্স ও কোনো ধরনের বৈধ কাগজপত্র দেখাতে পারেনি। এসব ওয়াকিটকি সেটের ফ্রিকোয়েন্সি ২৪৫-২৪৬ মেগাহার্টজ। এসব ওয়াকিটকি ব্যবহার করে রিপিটার ছাড়া আধ কিলোমিটার দূরত্ব পর্যন্ত যোগাযোগ করা সম্ভব।

এ ছাড়া বহুতল ভবনের মধ্যে উপরতলা থেকে নিচতলায় যোগাযোগ করা সম্ভব। এসব ওয়াকিটকির মূল্য পাঁচ হাজার থেকে পঞ্চাশ হাজার টাকা পর্যন্ত।

র‍্যাব-৩-এর অধিনায়ক বলেন, ‘আসামি আল সাব্বির ওই প্রতিষ্ঠানের মালিক। তিনি পাঁচ বছর ধরে অবৈধভাবে ওয়াকিটকি সামগ্রী মজুত রেখে বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের কাছে বিক্রি করে আসছিলেন। গ্রেপ্তার অপরজন আল মামুন দুই বছর ধরে সাব্বিরের সহযোগী হিসেবে কাজ করে আসছিলেন। এ পর্যন্ত তারা দুই হাজার ওয়াকিটকি সেট বিভিন্ন ব্যক্তির কাছে অবৈধভাবে বিক্রি করেছেন।

দেশের নিরাপত্তা হুমকির উল্লেখ করে লেফটেন্যান্ট কর্নেল আরিফ বলেন, ‘সাধারণ মানুষ ওয়াকিটকি বহনকারী কাউকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য হিসেবেই গণ্য করে। এটাকে সুযোগ হিসেবে কাজে লাগিয়ে ওয়াকিটকি সেট ব্যবহার করে অপরাধীরা ভুয়া ডিবি, র‌্যাব, ডিজিএফআই ও এনএসআই সদস্য এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পরিচয় দিয়ে ডাকাতি, ছিনতাই, অপহরণ করে মুক্তিপণ আদায়সহ বিভিন্ন অপরাধ করে আসছে।

‘এতে করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হচ্ছে। অন্যদিকে প্রকৃত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা সাদা পোশাকে দায়িত্ব পালন করতে গেলে জনসাধারণ তাদের ভুয়া আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য ভেবে ভুল বোঝাবুঝির সৃষ্টি হচ্ছে। এ ছাড়া ওয়াকিটকির মাধ্যমে পরস্পরের সঙ্গে যোগাযোগ করে অপরাধ সংগঠন করলে পরবর্তীতে অপরাধী শনাক্তকরণে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী প্রতিবন্ধকতার সম্মুখীন হবে, যা সার্বিক নিরাপত্তার জন্য হুমকি।

আরও পড়ুন:
‘চোরাই’ মোটরসাইকেলসহ ২ যুবক গ্রেপ্তার
গৃহবধূ ধর্ষণ মামলায় গ্রাম পুলিশ গ্রেপ্তার
উগ্রবাদী বইসহ দুজন গ্রেপ্তার
পাগলায় ওয়ারেন্টভুক্ত দুই আসামি গ্রেপ্তার
দুই বোনকে ‘সংঘবদ্ধ ধর্ষণ’: গ্রেপ্তার ৩

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The hearing of the emperors bail will be canceled in the full bench on May 30

বাতিলই থাকছে সম্রাটের জামিন, ৩০ মে পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে শুনানি

বাতিলই থাকছে সম্রাটের জামিন, ৩০ মে পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে শুনানি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন সম্রাটকে ঢাকার বিশেষ আদালত জামিন দেয়ার পর তাকে শুভেচ্ছা জানাচ্ছেন এক ব্যক্তি। ফাইল ছবি/নিউজবাংলা
বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিমের চেম্বার আদালত হাইকোর্টের আদেশ স্থগিত না করে আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে পাঠিয়ে দেন। আগামী ৩০ মে আপিল বিভাগে শুনানি হবে বলে জানিয়েছেন দুদকের আইনজীবী খুরশীদ আলম খান।

অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) মামলায় ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের বহিষ্কৃত সভাপতি ইসমাইল হোসেন চৌধুরী সম্রাটের জামিন বাতিল করে হাইকোর্টের আদেশ বহাল রেখেছে আপিল বিভাগের চেম্বার আদালত। পরে শুনানির জন্য আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে পাঠিয়ে দিয়েছে চেম্বার আদালত।

সোমবার বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিমের চেম্বার আদালত হাইকোর্টের আদেশ স্থগিত না করে আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে পাঠিয়ে দেন। আগামী ৩০ মে আপিল বিভাগে শুনানি হবে বলে জানিয়েছেন দুদকের আইনজীবী খুরশীদ আলম খান।

জামিন বাতিল সংক্রান্ত হাইকোর্টের আদেশ স্থগিত চেয়ে আপিল বিভাগে আবেদন করেন সম্রাট।

চেম্বার আদালতে সম্রাটের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী রোকন উদ্দিন মাহমুদ। দুদকের পক্ষে ছিলেন খুরশীদ আলম খান।

১৮ মে হাইকোর্ট সম্রাটের জামিন বাতিল করে সাত দিনের মধ্যে তাকে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দেয় বিচারপতি নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি কাজী ইজারুল হক আকন্দের হাইকোর্ট বেঞ্চ। পরে আদেশটি স্থগিত চেয়ে আবেদন করেন সম্রাট।

গত ১১ মে সম্রাটকে জামিন দেয় ঢাকার বিশেষ আদালত-৬-এর বিচারক আল আসাদ মো. আসিফুজ্জামান।

সম্রাটের বিরুদ্ধে অস্ত্র, মাদক, অর্থপাচারসহ নানা অভিযোগে মামলা হয়। মামলা করে দুদকও। সব মামলাতেই তিনি জামিনে ছিলেন।

দুদকের মামলা থেকে জানা গেছে, ২ কোটি ৯৪ লাখ ৮০ হাজার ৮৭ টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে সম্রাটের বিরুদ্ধে ২০১৯ সালের ১২ নভেম্বর দুদকের উপপরিচালক মো. জাহাঙ্গীর আলম মামলা করেন।

২০২০ সালের ২৬ নভেম্বর মামলাটি তদন্ত করে সম্রাটের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দেন দুদকের ওই কর্মকর্তা।

আরও পড়ুন:
সম্রাট জামিনে মুক্ত, থাকছেন হাসপাতালেই
সব মামলাতেই এখন জামিনে সম্রাট
সম্রাটের জামিন আবেদন খারিজ
অর্থ পাচার: সম্রাটের জামিন শুনানি হলো, আদেশ পরে
দুই মামলায় সম্রাটের জামিন

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Mayor Tapas asked to remove Sadarghat launch terminal

সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনাল সরাতে বললেন মেয়র তাপস

সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনাল সরাতে বললেন মেয়র তাপস অনুষ্ঠানে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপস। ছবি: নিউজবাংলা
মেয়র তাপস বলেন, ‘এখানে বিআইডব্লিউটিএর কর্মকর্তা আছেন, আমি তাদের আমন্ত্রণ জানিয়েছিলাম। আমি তাদের নির্দেশনা দিচ্ছি, আজকে থেকেই দ্রুতগতিতে ঢাকার ঐতিহ্যবাহী নদীগুলোর সামনে থেকে অবৈধ স্থাপনা এবং লঞ্চ টার্মিনালগুলো সরিয়ে নেয়া হোক।’

পুরান ঢাকার ঐতিহ্য পুনরুদ্ধারে লালকুঠি-রূপলাল হাউসের সামনে থেকে দ্রুত সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনাল সরাতে বলেছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপস।

রাজধানীর সদরঘাটের লালকুঠি ৪৩ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর কার্যালয়ে সোমবার ‘ঢাকা সিটি নেইবারহুড আপগ্রেডিং প্রজেক্ট’র প্রদর্শনী অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষকে (বিআইডব্লিউটিএ) এ নির্দেশনা দেন তিনি।

মেয়র তাপস বলেন, ‘এখানে বিআইডব্লিউটিএর কর্মকর্তা আছেন, আমি তাদের আমন্ত্রণ জানিয়েছিলাম। আমি তাদের নির্দেশনা দিচ্ছি, আজকে থেকেই দ্রুতগতিতে ঢাকার ঐতিহ্যবাহী নদীগুলোর সামনে থেকে অবৈধ স্থাপনা এবং লঞ্চ টার্মিনালগুলো সরিয়ে নেয়া হোক।

‘আমাদের পরিকল্পনা অনুযায়ী এগুলোকে সরাতে হবে। এটি কীভাবে করবেন তা আপনারা জানেন, আমি না। আমি শুধু জানি ঢাকাকে নতুন করে সাজাতে হবে। আমরা শুধু লালকুঠি বা নর্থব্রুক হল নতুন করে সাজাব বা গড়ে তুলব না, বরং আমরা নতুন করে গড়ে তুলব আমাদের ঢাকাকে।’

মেয়র বলেন, ‘যেভাবে ঢাকায় জায়গাগুলোকে দখল করা হয়েছে, চারদিকে শুধু বাজার আর বাজার। আমরা চাই, ঢাকা হবে পর্যটন নগরী। ঢাকা হবে ঐতিহ্য ও ইতিহাসের নগরী। এ জন্য আমরা পথনকশা শুরু করেছি।’

তিনি বলেন, ‘আমি অনেক ভেবেছি কীভাবে পুরান ঢাকার ঐতিহ্যকে সংরক্ষণ করা যায়। আমাদের মূল লক্ষ্য ঢাকাকে সংরক্ষণ করা, শুধু লালকুঠিকে সংরক্ষণ করা নয়। আমাদের প্রাণের ঢাকা, যে ঢাকাকে আমরা খুব ভালোবাসি। প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হলে ঢাকাকে সংরক্ষণ করা সম্ভব।

‘বিশ্বব্যাংককে ধন্যবাদ জানাই ঢাকাকে সংরক্ষণ করতে এ প্রকল্পে সহযোগিতা করার জন্য। সচেতন নাগরিকসহ সবাইকে আহ্বান জানাব ঢাকাকে সংরক্ষণ করতে আমাদের সহযোগিতা করার জন্য।’

মেয়র বলেন, ‘নদীর পাড়ে ঢাকাকে অবস্থিত করা হয়েছিল। নদী হলো আমাদের মূল সম্মুখ। এই সম্মুখকে যদি আমরা জীবিত না রাখতে পারি, পরিশীলিত না করতে পারি তাহলে ভেতরে কেউ ঢাকাকে খুঁজে পাবে না। ভেতরে শুধু থাকবে ইট-বালু আর সিমেন্টের কিছু কিছু দালান আর ভবন।

‘ঢাকাকে যদি উপভোগ করতে হয় তাহলে নদীকে উপভোগ করতে হবে। ঢাকাকে যদি উপভোগ করতে হয় তাহলে লালকুঠি, রূপলাল হাউস, আহসান মঞ্জিলসহ ছোট কাটরা, বড় কাটরা, লালবাগের কেল্লা একে উপভোগ করতে হবে, যেটা আমাদের পরিচিতি দেবে ঢাকার।’

তিনি বলেন, ‘আমরা বহির্বিশ্বে গিয়ে কিন্তু পুরোনো শহরটাকে উপভোগ করতে যাই। নতুন শহরকে উপভোগ করতে যাই না। তাই আমাদেরও ঢাকাকে সংরক্ষণ করতে হবে।’

অনুষ্ঠানে বিশ্বব্যাংকের কান্ট্রি ডিরেক্টর মারসি মিয়াঙ টেমবন বলেন, ‘সবার পর্যবেক্ষণগুলো শুনছিলাম, এটা খুবই ভালো লাগছিল। পরিদর্শন করে যখন দেখছিলাম তখন সবাই যে বিষয়টি বলছিল তা হলো জনসম্পৃক্ততা জরুরি। সবাই সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে।

‘ঢাকার ঐতিহ্যবাহী স্থানগুলোর সংরক্ষণে সবার সম্মিলিত উদ্যোগ খুবই প্রশংসনীয়। আমরা এই উদ্যোগের পাশে থেকে এটাই বলতে চাই, উদ্যোগগুলোর যেন সঠিকভাবে বাস্তবায়ন হয়।’

ইতিহাসবিদ মুনতাসীর মামুন বলেন, ‘গত ৫০ বছরে যেসব মেয়র দায়িত্ব পালন করেছেন তাদের সবাই ঢাকা নগরীর ইতিহাস ঐতিহ্য রক্ষায় কিছুটা উদাসীনতা দেখিয়েছেন। আমরা এখন একজন মেয়র পেয়েছি যার কাছে ঢাকার ঐতিহ্য সংরক্ষণের গুরুত্ব পেয়েছে।

‘পুরান ঢাকার মানুষের অধিকার আছে ধানমন্ডি, গুলশান এলাকার মানুষের মতো বসবাস করার। বিশ্ব ঐতিহ্য সংরক্ষণের মাধ্যমে সেই পরিবেশ পাবে বলে আশা করি।’

ইনস্টিটিউট অফ আর্কিটেক্টস বাংলাদেশের (আইএবি) সভাপতি প্রকৌশলী মোবাশ্বের হোসেন বলেন, ‘পুরান ঢাকার মানুষ অনেক পুরোনো বিল্ডিং রাতের বেলায় না ভেঙে সেটিকে হেরিটেজ হিসেবে ঘোষণা করার জন্য দৌড়াদৌড়ি করবে এমনটাই চাই আমরা।’

রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) সাবেক চেয়ারম্যান প্রকৌশলী মো. নুরুল হুদা বলেন, ‘আমরা জীবনের শেষ পর্যায়ে এসে নগরীর জন্য ভালো কিছু কাজ করে যেতে পারলেই অন্তত গর্ব অনুভব করতে পারব।’

এর আগে প্রকল্পের বিভিন্ন চিত্রপ্রদর্শনী ঘুরে দেখেন অতিথিরা। এ সময় উপস্থিত ছিলেন আইইবি, আইএবি ও বিআইপির সভাপতিসহ স্থানীয় ওয়ার্ড কাউন্সিলররা।

আরও পড়ুন:
ঢাকায় অতিবৃষ্টির জলাবদ্ধতাও দূর হবে আধা ঘণ্টায়: তাপস
বুড়িগঙ্গার আদি চ্যানেল পুনরুদ্ধার কাজ শুরু মার্চে
করোনায় আক্রান্ত মেয়র তাপস

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Not harassment in the name of interrogation in immigration State Minister for Aviation

ইমিগ্রেশনে জিজ্ঞাসাবাদের নামে হয়রানি নয়: বিমান প্রতিমন্ত্রী

ইমিগ্রেশনে জিজ্ঞাসাবাদের নামে হয়রানি নয়: বিমান প্রতিমন্ত্রী শাহজালাল বিমানবন্দর পরিদর্শনে বিমান প্রতিমন্ত্রী মাহবুব আলী। ছবি: নিউজবাংলা
বিমান প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘এ বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলেছি। ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষের সঙ্গেও কথা বলেছি। প্রত্যেক যাত্রীকে যেন জিজ্ঞাসাবাদ করা না হয়, হয়রানি না করা হয়। যাদের তারা প্রয়োজন মনে করবেন তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করবেন। প্রয়োজনে তাদের আলাদা করে জিজ্ঞাসা করবেন। এই কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করার জন্যই আজকে আসা।’

বিমানবন্দরে ইমিগ্রেশনে জিজ্ঞাসাবাদের নামে যাত্রী হয়রানি না করতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দিয়েছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী মো. মাহবুব আলী।

ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর পরিদর্শন শেষে সোমবার দুপুরে বিমান প্রতিমন্ত্রী এ নির্দেশনা দেন।

তিনি বলেন, ‘এয়ারপোর্টে দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে কাউকে সন্দেহ হলে শুধু তাকেই চেক করুন। আমাদের প্রতিদিন ২১ হাজারের মতো যাত্রীর আসা-যাওয়া। সবাইকে যদি চেকের সম্মুখীন হতে হয় তবে এটা যাত্রী সেবার অনুকূল হবে না।’

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘এ বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলেছি। ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষের সঙ্গেও কথা বলেছি। প্রত্যেক যাত্রীকে যেন জিজ্ঞাসাবাদ করা না হয়, হয়রানি না করা হয়। যাদের তারা প্রয়োজন মনে করবেন তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করবেন। প্রয়োজনে তাদের আলাদা করে জিজ্ঞাসা করবেন। এই কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করার জন্যই আজকে আসা।’

‘কাস্টমসের সঙ্গে কথা বলা হয়েছে, যাতে সব যাত্রীর ব্যাগ চেক করা না হয়। কেবল তথ্যের ভিত্তিতে যাকে সন্দেহ হবে তাকে চেক করা হবে। ১ থেকে ২ শতাংশ যাত্রীকে আলাদাভাবে নিয়ে চেক করতে হবে।’

চেক করতে গিয়ে যাত্রীদের আসা-যাওয়ায় যাতে কোনো হয়রানি না হয় সে বিষয়েও জোর দেন তিনি। বলেন, ‘এয়ারপোর্টে এসে সেবা নির্বিঘ্ন করতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ আছে। শিগগির যাতে ই-গেট চালু হয় সেটির ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।’

হজ ফ্লাইট প্রসঙ্গে বিমান প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘৩১ মে হজ ফ্লাইট শুরু করার প্রস্তুতি আছে। কিন্তু হজে যারা যাবেন বাড়ি ভাড়া এবং মোয়াল্লেম নির্ধারণসহ আনুষঙ্গিক কাজগুলো করতে পারেনি সৌদি কর্তৃপক্ষ। এই বিষয়গুলো এখনও ক্লিয়ার হয়নি। তবে আমাদের বিশ্বাস নির্দিষ্ট সময়ে কাজগুলো শেষ করবে সৌদি কর্তৃপক্ষ। ধর্ম মন্ত্রণালয় এ বিষয়গুলো দেখছে। আমাদের বিশ্বাস এই সময়ের মধ্যে সব হয়ে যাবে। আনুষ্ঠানিকভাবে ৩১ মে হজ ফ্লাইট উদ্বোধন করা হবে।’

হজ ফ্লাইট পরিচালনার ক্ষেত্রে সিডিউল ফ্লাইট বিঘ্ন হবে কি না সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নে বিমান প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘বিমানের বহরে ২১টির মধ্যে চারটি বোয়িং-৭৭৭। ২০১৯ সালে এই চারটি দিয়ে হজ ফ্লাইট পরিচালনা করা হয়েছিল। এ বছরও সেটি করা হবে। এতে বিমানের অন্যান্য গন্তব্যের সিডিউল ফ্লাইটের ফ্রিকোয়েন্সি আমরা কমিয়ে দেব। কম গুরুত্বপূর্ণ ও কম লাভজনক রুটের ফ্রিকোয়েন্সি কমানো হবে। এটা দুই মাসের বিষয়। সিডিউল ফ্লাইটে কোনো ব্যাঘাত হবে না।’

মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে ফ্লাইটের ক্ষেত্রে ফ্রিকোয়েন্সি কমানো হবে না বলে জানান তিনি।

মাঙ্কিপক্স নিয়ে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ সতর্ক রয়েছে জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘বিশ্বের বিভিন্ন দেশে মাঙ্কিপক্স দেখা দিয়েছে। এ বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে।’

বিমানবন্দরের গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিং ব্যবস্থাপনা প্রসঙ্গে বিমান প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে একটা দল করা হয়েছে। সপ্তাহে তিন দিন মন্ত্রণালয়ের লোকজন বিমানবন্দরে থাকেন। কোনো অব্যবস্থাপনা হয় কি না তারা দেখেন। আমরা এখানে যাত্রীদের সঙ্গে কথা বলেছি। তারা বলেছেন, সেবার মান ভালো। ইমিগ্রেশনে তাদের কোনো সমস্যা নেই।’

বিমানবন্দরের গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিংয়ের দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘বিমানবন্দরে যার যারা ডিউটি করেন তাদের নির্দিষ্ট সময়ের আধা ঘণ্টা আগে এয়ারপোর্টে ঢুকতে হবে। ডিউটি শেষে বের হতে হবে। যাতে আমরা যাত্রী সেবা নিশ্চিত করতে পারি। বহির্বিশ্বে বিমানবন্দরগুলোতে যেমন সেবা দেয়া হয় সে ব্যাপারে আমরা সচেষ্ট আছি।’

বিমানবন্দরের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে আপনি সন্তুষ্ট কি না এমন প্রশ্নের জবাবে বিমান প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা সব ব্যবস্থাপনা যে সম্পূর্ণভাবে করতে পারছি তা বলি না, আমাদেরও কিছু সীমাবদ্ধতা আছে। বিভিন্ন অসুবিধার কারণে আমরা যথাযথ সেবা দিতে পারছি না। সেজন্য তৎপর আমরা। কিছু কিছু অব্যবস্থাপনা যাত্রীদের হচ্ছে না, এটা আমরা বলতে পারব না।’

বিমানবন্দরের ক্যানপিতে লোহার বাধার কারণে যাত্রীদের ব্যাগ নিয়ে বের হতে কষ্ট হচ্ছে এ বিষয়ে জানতে চাইলে বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল এম মফিদুর রহমান বলেন, ‘এখানে ব্যারিকেড উঠিয়ে দেয়া হয়েছিল। তবে যখন ট্রলির সংকট হলো তখন আবার ব্যারিকেড দেয়া হয়েছে। কারণ অনেক ট্রলি বিমানবন্দরের বাইরে চলে যেত। ট্রলি নিয়ন্ত্রণ করার জন্য এটা আমাদের করতে হয়েছে। হুইল চেয়ার যাতে বের হওয়ার ব্যবস্থা করা যায় সেটি দেখা হবে।’

মাঙ্কিপক্স বিষয়ে বিমানবন্দরে সতর্কতা ও যাত্রী স্ক্যানিংয়ের বিষয়ে বেবিচক চেয়ারম্যান বলেন, ‘আমরা সতর্ক আছি। দেশে এলে হেলথ ডিক্লারেশন ফরম অনলাইনে দিতে হয়। সেখানে এ পয়েন্টটি দেয়া হয়েছে। সেখানে যাত্রীদের উপসর্গ আছে কি না, যেসব দেশে মাঙ্কিপক্স বাড়ছে সেসব দেশ থেকে আসছে কি না সেসব তথ্য পাওয়া যাবে।’

আরও পড়ুন:
শাহজালালে ইয়াবাসহ ২ রোহিঙ্গা আটক
শাহজালাল বিমানবন্দরে মশা ও লার্ভার ঘনত্ব নির্ণয়ের নির্দেশ
শাহজালালে সিটি ব্যাংকের তৃতীয় আমেরিকান এক্সপ্রেস লাউঞ্জ উদ্বোধন
উড়ে এসে ‘হুড়োহুড়ি’ শাহ মখদুমে
শাহজালালে স্ক্যানার জটিলতা, যুক্তরাজ্যে সবজি রপ্তানি বন্ধ

মন্তব্য

বাংলাদেশ
One person was killed in a car crash at Jatrabari

যাত্রাবাড়ীতে গাড়ির ধাক্কায় একজন নিহত

যাত্রাবাড়ীতে গাড়ির ধাক্কায় একজন নিহত যাত্রাবাড়ীতে গাড়ির ধাক্কায় নিহত ব্যক্তির মরদেহ ঢামেক হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। ফাইল ছবি
নিহত নজরুলের ভাতিজা মোহাম্মদ হাবিবুল্লাহ জানান, গত রাত সোয়া ১টার দিকে কাজলা এলাকায় দ্রুতগামী একটি গাড়ি তার চাচাকে ধাক্কা দেয়। রাস্তায় রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকার খবর পেয়ে দ্রুত সেখান থেকে ঢামেক হাসপাতালে নেয়া হয় তাকে।

রাজধানীর যাত্রাবাড়ীতে গাড়ির ধাক্কায় মো. নজরুল ইসলাম নামের এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন।

কাজলা এলাকায় রোববার রাত সোয়া ১টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

৬০ বছর বয়সী নজরুলের গ্রামের বাড়ি কিশোরগঞ্জের করিমগঞ্জে। তিনি কাজলা এলাকায় থাকতেন। তার চার ছেলে ও এক মেয়ে আছে।

নজরুলের ভাতিজা মোহাম্মদ হাবিবুল্লাহ জানান, তার চাচা আগে সিএনজিচালিত অটোরিকশা চালাতেন; এখন কিছু করেন না। গত রাত সোয়া ১টার দিকে কাজলায় দ্রুতগামী একটি গাড়ি তাকে ধাক্কা দেয়। পরে রাস্তায় রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকার খবর পেয়ে দ্রুত সেখান থেকে তাকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নেয়া হয়।

ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ বাচ্চু মিয়া জানান, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে রাখা হয়েছে। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানাকে অবহিত করা হয়েছে।

আরও পড়ুন:
শ্যালক-সম্বন্ধিকে গরম পানিতে ঝলসে দিলেন ভগ্নিপতি
ঢাকা মেডিক্যালে সিগারেটের আগুন নিয়ন্ত্রণে
ছারপোকা মারার ওষুধের গ্যাসে অসুস্থ ৫ শ্রমিক
এসি মেরামতের সময় ১৫ তলা থেকে পড়ে মৃত্যু
দুই দিনের ব্যবধানে ছিনতাইকারীর ছুরিতে গেল আরেক প্রাণ

মন্তব্য

বাংলাদেশ
MP of Dhaka 6 in jail from Special Judge Court 6

বিশেষ জজ আদালত-৭ থেকে কারাগারে ঢাকা-৭ এর এমপি

বিশেষ জজ আদালত-৭ থেকে কারাগারে ঢাকা-৭ এর এমপি রোববার রায় ঘোষণার পর ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৭ থেকে হাজি সেলিমকে কারাগারে নিয়ে যায় পুলিশ। ছবি: নিউজবাংলা
হাজি সেলিমের আদালতে আত্মসমর্পণকে কেন্দ্র করে রোববার দুপুরের আগে থেকেই আদালত চত্বরে ছিল উপচেপড়া ভিড়। কর্মী-সমর্থকদের পাহারায় আদালতে প্রবেশ করেন তিনি। আর আদালতের রায়ের পর পুলিশ পাহারায় তাকে কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়।

দুর্নীতির মামলায় ঢাকা-৭ আসনের আওয়ামী লীগ দলীয় সংসদ সদস্য হাজি সেলিমের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠিয়েছে ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৭।

নানামুখী আলোচনার অবসান ঘটিয়ে কারাগারেই যেতে হলো হাজি সেলিম এমপিকে। আদালতের নির্দেশের পর পুলিশ তাকে কারাগারে নিয়ে যায়।

রোববার ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৭ এর বিচারক শহিদুল ইসলাম হাজি সেলিমের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

আদালতে হাজি সেলিমের পক্ষে আইনজীবী ছিলেন সাঈদ আহমেদ রাজা। আর মামলার বাদী দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) পক্ষে ছিলেন মোশাররফ হোসেন কাজল।

হাজি সেলিমের আদালতে আত্মসমর্পণকে কেন্দ্র করে রোববার দুপুরের আগে থেকেই আদালত চত্বরে ছিল উপচেপড়া ভিড়। কর্মী-সমর্থকদের পাহারায় আদালতে প্রবেশ করেন তিনি। আর আদালতের রায়ের পর পুলিশ পাহারায় তাকে কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়।

আদালতে হাজি সেলিম

ঢাকা-৭ আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য হাজি সেলিমের আদালতে হাজিরাকে কেন্দ্র করে রোববার দুপুরের আগে থেকেই তার কর্মী-সমর্থকরা আদালতে জড়ো হতে থাকে। বেলা ২টার পর থেকে আদালত এলাকায় উপচেপড়া ভিড় জমে যায়। সেই ভিড় ঠেলে বিকেল ৩টার দিকে ঢাকা বিশেষ জজ আদালত-৭ এর এজলাসে প্রবেশ করেন হাজি সেলিম।

ক্ষমতাসীন দলের এই এমপি এজলাসে প্রবেশ করে প্রথমে সামনের একটি বেঞ্চে বসেন। সঙ্গে সঙ্গে তার বেশকিছু কর্মী-সমর্থকও এজলাসে ঢুকে পড়েন। এ সময় তার সন্তানেরা পাশে গিয়ে দাঁড়ান।

আইনজীবী, সাংবাদিক, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য এবং কর্মী-সমর্থকদের উপস্থিতিতে পুরো এজলাজ কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে যায়। অধিক মানুষের উপস্থিতিতে এজলাস কক্ষে অনেকটা হ-য-ব-র-ল অবস্থার সৃষ্টি হয়। এ কারণে বিচারিক কাজ শুরু হতে বেশ কিছুটা বিলম্ব হয়।

বিকেল ৩টা ২০ মিটিনের দিকে বিচারক এজলাসে ওঠেন। আইনজীবী আর সাংবাদিক ও দায়িত্বরত পুলিশ সদস্যরা ছাড়া বাকিদের এজলাস কক্ষ থেকে বের হয়ে যেতে বলেন বিচারক। এ সময় হাজি সেলিম উঠে দাঁড়িয়ে তার কর্মী-সমর্থকদের এজলাস থেকে বের হয়ে যেতে বলেন। কর্মী-সমর্থকরা এজলাস থেকে বের হয়ে যাওয়ার পর শুনানি শুরু হয়। শুনানির শুরুতে হাজি সেলিম কাঠগড়ায় গিয়ে দাঁড়ান। পুরোটা সময় ধরে তিনি কাঠগড়াতেই দাঁড়িয়ে থাকেন।

এ সময় আদালতে দুদকের পক্ষে আইনজীবী মোশাররফ হোসেন কাজল এবং হাজি সেলিমের পক্ষে সাঈদ আহমেদ রাজা শুনানি করেন। উভয় পক্ষের বক্তব্য শুনে আদালত জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে হাজি সেলিমকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেয়।

বিচারক হাজি সেলিমকে বসতে বলেন। পরে তিনি এজলাস থেকে নেমে এসে আবার বেঞ্চে এসে বসেন। সেখানে কিছুক্ষণ বসে থেকে আইনজীবীদের সঙ্গে সঙ্গে কথা বলতে যান হাজি সেলিম। এই পর্যায়ে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে আদালতের একটি বেঞ্চে শুয়ে পড়েন তিনি।

বিকেল ৫টার পর পুলিশের একটি পিকআপ ভ্যানে করে হাজি সেলিমকে আদালত থেকে কারাগারে নিয়ে যায় আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। এ সময় তার কর্মী-সমর্থকরা নানা স্লোগান দিতে থাকে। অনেককে তার জন্য কান্না করতেও দেখা যায়।

আইনজীবীদের বক্তব্য

দুদকের পক্ষের আইনজীবী মোশাররফ হোসেন কাজল সাংবাদিকদের বলেন, ‘উচ্চ আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী আজ হাজি সেলিম আদালতে আত্মসমর্পণ করেছেন। একইসঙ্গে জামিন চেয়ে আবেদন করেছিলেন। আদালত তার জামিন আবেদন খারিজ করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন। আর চিকিৎসা এবং কারাগারে ডিভিশনের বিষয়ে জেল কোড অনুযায়ী কারা কর্তৃপক্ষকে ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছেন।’

অন্যদিকে হাজি সেলিমের আইনজীবী সাঈদ আহমেদ রাজা সাংবাদিকদের বলেন, ‘আদালতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থেকে তিনি আজকে আত্মসমর্পণ করেছেন। আদালত জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেছেন। তবে ডিভিশন এবং চিকিৎসার বিষয়ে কারা কর্তৃপক্ষকে ব্যবস্থা নিতে বলেছেন।

‘আজ আদেশের সার্টিফায়েড কপি পাওয়ামাত্রই সর্বোচ্চ আদালতে আপিল দায়ের করব এবং আপিল বিভাগের চেম্বার আদালতে জামিন চেয়ে আবেদন করব। আশা করি সর্বোচ্চ আদালত থেকে জামিন পেয়ে আমার মক্কেল কারামুক্তি লাভ করবেন।’

হাজি সেলিম এই মামলায় এর আগে দেড় মাস জেল খেটেছেন বলেও জানান আইনজীবী।

হাইকোর্টের রায়

অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে গত বছরের ৯ মার্চ বিচারপতি মো. মঈনুল ইসলাম চৌধুরী ও বিচারপতি এ কে এম জহিরুল হকের হাইকোর্ট বেঞ্চ হাজি সেলিমকে ১০ বছরের কারাদণ্ড এবং ১০ লাখ টাকা অর্থদণ্ড দিয়ে রায় ঘোষণা করেন। রায়ের কপি পাওয়ার ৩০ দিনের মধ্যে বিচারিক আদালতে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দেয় আদালত।

চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ হয়। ২৫ এপ্রিল রায়ের সার্টিফায়েড কপি পায় আসামি পক্ষ। সে হিসাবে ৩০ দিনের মধ্যেই রোববার বিচারিক আদালতে আত্মসমর্পণ করেন এই সংসদ সদস্য।

২০০৭ সালের ২৪ অক্টোবর হাজি সেলিমের বিরুদ্ধে লালবাগ থানায় অবৈধভাবে সম্পদ অর্জনের অভিযোগে মামলা করে দুদক। এ মামলায় ২০০৮ সালের ২৭ এপ্রিল দুটি ধারার একটিতে ১০ বছর এবং একটিতে তিন বছর করে মোট ১৩ বছরের কারাদণ্ড দেয় বিচারিক আদালত।

২০০৯ সালের ২৫ অক্টোবর এ রায়ের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে আপিল করেন হাজী সেলিম। এরপর ২০১১ সালের ২ জানুয়ারি হাইকোর্ট এক রায়ে তার সাজা বাতিল করে।

পরবর্তীতে হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করে দুদক। ওই আপিলের শুনানি শেষে ২০১৫ সালের ১২ জানুয়ারি হাইকোর্টের রায় বাতিল করে পুনরায় হাইকোর্টে শুনানির নির্দেশ দেয় আপিল বিভাগ।

দীর্ঘ শুনানি শেষে গত বছরের ৯ মার্চ রায় ঘোষণা করে হাইকোর্ট।

আরও পড়ুন:
হাজি সেলিমের ১০ বছরের কারাদণ্ডের রায় প্রকাশ
হত্যাচেষ্টা মামলা: হাজি সেলিমপুত্রের জামিন স্থগিত
করোনায় আক্রান্ত হয়ে হাজি সেলিম হাসপাতালে
ঢাকার বাইরে ‘মানসিক প্রশান্তি’ খুঁজছেন হাজি সেলিম
হাজি সেলিমের ৮৬ প্লট বাজেয়াপ্ত

মন্তব্য

বাংলাদেশ
5 DMP officers transferred

ডিএমপির ৫ কর্মকর্তা বদলি

ডিএমপির ৫ কর্মকর্তা বদলি
রোববার এক আদেশে বলা হয়, ডিএমপিতে কর্মরত পাঁচ নিরস্ত্র পুলিশ পরিদর্শককে পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত জনস্বার্থে তাদের নামের পাশে বর্ণিত স্থানে বদলি বা নিয়োগ করা হলো।

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) পরিদর্শক (নিরস্ত্র) পদমর্যাদার পাঁচ কর্মকর্তাকে বদলি করা হয়েছে।

রোববার ডিএমপি কমিশনার মোহা. শফিকুল ইসলামের স্বাক্ষর করা আদেশে বলা হয়, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশে কর্মরত পাঁচ নিরস্ত্র পুলিশ পরিদর্শককে পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত জনস্বার্থে তাদের নামের পাশে বর্ণিত স্থানে বদলি বা নিয়োগ করা হলো।

শাহ আলী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আবুল বাসার মুহাম্মদকে ভাসানটেক থানার ওসি, গুলশান থানার নিরস্ত্র পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) আমিনুল ইসলামকে শাহ আলী থানার ওসি, ডিএমপির লাইনওআরের নিরস্ত্র পুলিশ পরিদর্শক আবুল কালাম আজাদকে মোহাম্মদপুর থানার ওসি, মোহাম্মদপুর থানার ওসি আব্দুল লতিফকে ডিবি গুলশানে এবং গুলশান থানার নিরস্ত্র পুলিশ পরিদর্শক (অপারেশন) শেখ শাহানুর রহমানকে গুলশান থানার নিরস্ত্র পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) হিসেবে বদলি করা হয়েছে।

আরও পড়ুন:
‘শুধু পাহারা নয়, অপরাধীদের গ্রেপ্তার করে প্রতিরোধ করতে হবে’
জাতির পিতার জন্মদিনে ভিন্ন রকম এক আয়োজন
পুলিশে মন্দ লোকের বিরুদ্ধে জিহাদ চলছে: ডিএমপি কমিশনার
আইএস হুমকি দেয়ায় নিরাপত্তা জোরদার: ডিএমপি কমিশনার
ডিসি বিপ্লব আবার তেজগাঁওয়ে

মন্তব্য

p
উপরে