× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ পৌর নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য

বাংলাদেশ
In the movement from the ICU
hear-news
player
print-icon

আইসিইউ থেকে আন্দোলনে

আইসিইউ-থেকে-আন্দোলনে শরীরে ৬৩টি স্প্লিন্টারের আঘাত নিয়ে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে সংহতি জানিয়েছেন নৃবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী সজল কুণ্ডু। ছবি: নিউজবাংলা
আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের কয়েকজন উপাচার্য বাসভবনের সামনে আমরণ অনশন শুরু করলে সেখানে হুইলচেয়ারে করে উপস্থিত হন সজল। আন্দোলনের সঙ্গে সংহতিও প্রকাশ করেন তিনি। কিছুক্ষণ সেখানে থেকে আবার তাকে নিয়ে যাওয়া হয় এম এ জি ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে।

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে পুলিশ-শিক্ষার্থী সংঘর্ষে স্প্লিন্টারের আঘাতে শরীর ঝাঁজরা হয়ে গিয়েছিল সজল কুণ্ডুর। গায়ে লেগেছিল ৬৩টি স্প্লিন্টার।

বিশ্ববিদ্যালয়ের নৃবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী সজলকে সেদিনই সজ্ঞাহীন অবস্থায় নিয়ে যাওয়া হয় হাসপাতালে। সেখানে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) ছিলেন দুদিন। আইসিউ থেকে বের হয়েছেন মঙ্গলবার। এরপর আজই চলে এসেছেন শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে।

বুধবার আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের কয়েকজন উপাচার্য বাসভবনের সামনে আমরণ অনশন শুরু করলে সেখানে হুইলচেয়ারে করে উপস্থিত হন সজল। আন্দোলনের সঙ্গে সংহতিও প্রকাশ করেন তিনি। কিছুক্ষণ সেখানে থেকে আবার তাকে নিয়ে যাওয়া হয় এম এ জি ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের বেগম সিরাজুন্নেসা হলের প্রাধ্যক্ষ জাফরিন আহমদ লিজার পদত্যাগ দাবিতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা রোববার উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমদকে অবরুদ্ধ করে রাখেন। সন্ধ্যার দিকে শিক্ষার্থীদের লাঠিপেটা করে উপাচার্যকে মুক্ত করে পুলিশ।

এ সময় পুলিশ-শিক্ষার্থী সংঘর্ষ বাধে। ওই দিন ২১টি সাউন্ড গ্রেনেড ও ৩২ রাউন্ড শটগানের গুলি ছোড়ার কথা জানায় পুলিশ। যে ভবনে সেদিন উপাচার্যকে অবরুদ্ধ করে রাখা হয়েছিল, সেই ড. এয়াজেদ মিয়া আইআইসিটি ভবনের ক্যান্টিন ইজারা নিয়ে পরিচালনা করেন সজল। বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ালেখার পাশাপাশি এ ব্যবসা করেন তিনি।

সংঘর্ষের সময়ও নিজের ক্যান্টিনে ছিলেন সজল। সেদিনের ঘটনার বর্ণনা দিয়ে তিনি বলেন, ‘আমি আন্দোলনে ছিলাম না। ক্যান্টিনে ছিলাম। কিন্তু হঠাৎ দেখতে পাই পুলিশ শিক্ষার্থীদের মারধর করছে। আমার দুই বন্ধুকেও মারছিল। তখন আমি তাদের বাঁচাতে এগিয়ে যাই।’

আইসিইউ থেকে আন্দোলনে

সজল বলেন, ‘এ সময় পুলিশ আমাকে বেদম পেটায়। আমি মাটিতে পড়ে যাই। পুলিশ আমার ওপর সাউন্ড গ্রেনেড ও রাবার বুলেট ছোড়ে। এরপর আমি জ্ঞান হরাই।

চিকিৎসকদের বরাতে সজল বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন থেকে বলা হয়েছিল আহত শিক্ষার্থীদের চিকিৎসার ব্যয় বহন করা হবে। তবে এখন পর্যন্ত প্রশাসনের কেউ আমাকে দেখতেও যায়নি।’

সজলের অভিযোগ প্রসঙ্গে শাবি প্রক্টর অধ্যাপক আলমগীর কবীর বলেন, ‘আমরা আহত শিক্ষার্থীদের চিকিৎসা ব্যয় বহন করব। তবে এখনও অস্থিতিশীল পরিস্থিতির কারণে আমরা অনেককে দেখতে যেতে পারিনি। তবে সবারই খোঁজখবর নিচ্ছি।’

উপাচার্যের পদত্যাগ দাবিতে বুধবার দুপুর থেকে আমরণ অনশনে বসেছেন আন্দোলনকারী ২৪ শিক্ষার্থী। দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত অনশন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন তারা। উপাচার্যের বাসভবনের পাশে অনশন চলাকালেই অন্য আন্দোলনকারীরা তাদের অবস্থান কর্মসূচি চালিয়ে যাচ্ছেন।

আরও পড়ুন:
উপাচার্যের পদত্যাগ চেয়ে অনশনে শাবি শিক্ষার্থীরা
শাবি ভিসির কুশপুতুল পুড়িয়ে জাবিতে বিক্ষোভ
শাবির আন্দোলন ও ছাত্র-শিক্ষক সম্পর্ক 
শাবি শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে এবার মাঠে শিক্ষকরা
শাবির সিন্ডিকেট নির্বাচন স্থগিত

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
I dont want relief I want salvation

‘ত্রাণ চাই না, পরিত্রাণ চাই’

‘ত্রাণ চাই না, পরিত্রাণ চাই’ আশাশুনিতে কপোতাক্ষ নদের ভাঙন। ছবি: নিউজবাংলা
'ত্রাণ চাই না, পরিত্রাণ চাই' এই স্লোগানে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সামনে মঙ্গলবার দুপুর ১২টার দিকে মানববন্ধন করেছেন কপোতাক্ষপাড়ের মানুষ।

সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলায় টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন কপোতাক্ষপাড়ের মানুষ।

‘ত্রাণ চাই না, পরিত্রাণ চাই’ স্লোগানে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সামনে মঙ্গলবার দুপুর ১২টার দিকে মানববন্ধন করেছেন তারা।

জেলা নাগরিক কমিটি, নারী কমিটি, আশাশুনি সদর ও শ্রীউলা ইউনিয়নবাসী এই কর্মসূচির আয়োজন করেন।

জেলা নাগরিক কমিটির আহ্বায়ক অধ্যক্ষ আনিসুর রহিমের সভাপতিত্বে ও যুগ্মসচিব আলী নুর খান বাবলুর সঞ্চালনায় মানববন্ধন হয়।

অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন নাগরিক কমিটির সদস্য সচিব আবুল কালাম আজাদ, পানি কমিটির সভাপতি অধ্যক্ষ আশেক ই এলাহী, আশাশুনি সদর ইউপি চেয়ারম্যান এস এম হোসেনুজ্জামান, জাসদ নেতা অধ্যাপক ইদ্রিস আলী।

আনিসুর রহিম বলেন, ‘আমরা ত্রাণ চাই না, টেকসই বেড়িবাঁধ চাই। নদনদীর ভাঙন আর দেখতে চাই না। আশাশুনির নদনদী খনন প্রয়োজন। জলাবদ্ধতা নিরসনে সরকারের বরাদ্দের অর্থ যথাযথভাবে ব্যয় করতে হবে।’

তিনি আরও বলেন, সাতক্ষীরা পৌরসভার বিভিন্ন পাড়া মহল্লা জলাবদ্ধতা। অনেকের ঘরের মধ্যে পানি। জলাবদ্ধতায় জীবন দুর্বিসহ হয়ে উঠেছে।

মানববন্ধন শেষে সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হুমায়ুন কবিরের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে স্মারকলিপি পাঠিয়েছেন নাগরিক নেতারা।

আরও পড়ুন:
‘ভাঙনের ভয়ে ঘুমাইতে পারি না’
নদীভাঙন প্রতিরোধে ব্যবস্থা নিতে মানববন্ধন
আইনের মারপ্যাঁচে চরের জমির মালিকানা
সন্ধ্যা নদীর ভাঙনে দিশেহারা পাড়ের মানুষ
কংস নদের ভাঙনের মুখে শত শত বসতঘর

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Ear locks while reading bricks on the school grounds

স্কুলমাঠে ইটের খোয়া, পড়ার সময় কানে তালা

স্কুলমাঠে ইটের খোয়া, পড়ার সময় কানে তালা
উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মাহবুবুর রহমান বলেন, ‘বিদ্যালয়ের মাঠ ভাড়া দেয়ার কোন বিধান নেই। বিষয়টি সরেজমিনে তদন্ত করে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া উপজেলার বান্ধাবাড়ি জেবিপি উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠ মোটা অঙ্কের অর্থের বিনিময়ে এক ঠিকাদারের কাছে ভাড়া দেয়ার অভিযোগ উঠেছে। বিদ্যালয়টির মাঠজুড়ে রাখা হয়েছে ইট, খোয়াসহ নানা ধরণের নির্মাণ সামগ্রী। আর মেশিন দিয়ে ইট ভাঙার শব্দে পাঠগ্রহণে প্রতিদিনই বাধাগ্রস্ত হচ্ছে শিক্ষার্থীরা। এ নিয়ে ওই স্কুলের শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মাঝে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সদস্য মো. কামাল হোসেন দাবি করেছেন, উপজেলার নাগরা-বান্ধাবাড়ি-রাশমীল সড়কের নির্মাণ সামগ্রী রাখতে বান্ধাবাড়ি জেবিপি উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠটি ৭ লাখ টাকায় ভাড়া দিয়েছে কর্তৃপক্ষ। ঠিকাদার মো. জসিম উদ্দিনের কাছ থেকে এই টাকা গ্রহণ করেছেন বিদ্যালয়ের সভাপতি ও প্রধান শিক্ষক।

ক্ষোভ প্রকাশ করে কামাল হোসেন বলেন, ‘মাঠটিতে জেবিপি উচ্চ বিদ্যালয় ও বান্ধাবাড়ি হাট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়- দুই স্কুলের শিক্ষার্থীরাই খেলাধুলা করে। কিন্তু নির্মাণ সামগ্রী রাখার কারণে তাদের খেলাধুলা এখন বন্ধ। আর বিদ্যালয় চলার সময়ে মেশিন দিয়ে ইট ভাঙার শব্দে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায়ও সমস্যা হচ্ছে।’

খেলাধুলা ও পড়াশোনায় সমস্যা হওয়ার কথা জানিয়েছে বান্ধাবাড়ি হাট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির কয়েক শিক্ষার্থীও। এ স্কুলের ছাত্র-অভিভাবক সবুজ ঘরামী বলেন, ‘আমরাও শুনেছি, ঠিকাদারের কাছ থেকে জেবিপি উচ্চ বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি হান্নান মোল্লা ও প্রধান শিক্ষক শেখ আব্দুর রশিদ ৭ লাখ টাকা নিয়েছেন। এতে দুই স্কুলেরই শিক্ষার পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে।’

এ বিষয়ে বান্ধাবাড়ি জেবিপি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শেখ আব্দুর রশিদ বলেন, ‘যে মাঠটি ভাড়া দেয়া হয়েছে সেটি আমাদের বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা ব্যবহার করে না। মাঠটি আমাদের হলেও ব্যবহার করে বান্ধাবাড়ি হাট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।’

তবে ভাড়া হিসেবে সাত লাখ টাকা নেয়ার কথা অস্বীকার করে প্রধান শিক্ষক দাবি করেছেন, নির্মাণ সামগ্রী রাখতে ৫০ হাজার টাকা ও একটি সিসি টিভি মনিটরের বিনিময়ে ঠিকাদার জসিমউদ্দীনকে অনুমতি দেয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, ‘৭ লাখ টাকা নেয়ার বিষয়টি ভিত্তিহীন।’

সাত লাখ টাকা দেয়ার কথা অস্বীকার করেন ঠিকাদার জসিমউদ্দীনও। তিনি বলেন, ‘আমি ৩ মাসের জন্য মাঠটি ভাড়া নিয়েছি। বিনিময়ে বিদ্যালয়ে ৫০ হাজার টাকা ও ১টি সিসি টিভি মনিটর দিতে হবে।’

তবে বিষয়টি নিয়ে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মাহবুবুর রহমান বলেন, ‘বিদ্যালয়ের মাঠ ভাড়া দেয়ার কোন বিধান নেই। বিষয়টি সরেজমিনে তদন্ত করে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

আরও পড়ুন:
অল্প বৃষ্টিতেই স্কুলের মাঠে জমে হাঁটু পানি
স্কুলে একাকার গোয়ালঘর পড়ার ঘর
স্কুলে ছাত্র একজন
স্কুলের পরিত্যক্ত ঘর ধসে ৪ শিশু আহত
প্রবেশ পথে বেড়া, বন্ধ হওয়ার পথে স্কুল

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The power terminal of the bus terminal is disconnected due to arrears

বিল বকেয়া: বাস টার্মিনালের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন

বিল বকেয়া: বাস টার্মিনালের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন বাগেরহাট কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনালের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়েছে।
বাগেরহাট ওয়েস্টজোন পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড (ওজোপাডিকো) জানিয়েছে, বাগেরহাট কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনালের পক্ষে মেয়র বাগেরহাট পৌরসভার ব্যাংক হিসেবে ২০১৬ সালের অক্টোবর থেকে ২০২২ সালের এপ্রিল পর্যন্ত ১৭ লাখ ২৭ হাজার ৩৫৬ টাকা বিল বকেয়া রয়েছে। অপরদিকে বাগেরহাট বাস মালিক সমিতির দাবি, বিদ্যুৎ বিলের টাকা নিয়মিত পৌরসভাকে দেয়া হয়েছে। আর বাগেরহাট পৌরসভা কর্তৃপক্ষ বলছে, বিষয়টি তাদের জানা নেই। পুনরায় বিদ্যুৎ সংযোগ স্থাপনের জন্য চেষ্টা করা হবে।

বছরের পর বছর বিদ্যুৎ বিল না দেয়ায় বাগেরহাট কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনালের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়েছে।

১৭ লাখ ২৭ হাজার ৩৫৬ টাকা বকেয়া থাকায় সোমবার বিকেলে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেয় বাগেরহাট ওয়েস্টজোন পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড (ওজোপাডিকো)।

ওজোপাডিকোর দাবি, ২০১৬ সাল থেকে বাগেরহাট পৌরসভার মালিকানাধীন জেলার এই বাস টার্মিনালের বিদ্যুৎ বিল বকেয়া রয়েছে।

অপরদিকে বাগেরহাট বাস মালিক সমিতি বলছে, বিদ্যুৎ বিলের টাকা নিয়মিত পৌরসভাকে দেয়া হয়েছে। আর বাগেরহাট পৌরসভা কর্তৃপক্ষ বলছে, বিষয়টি তাদের জানা নেই। তবে পুনরায় বিদ্যুৎ সংযোগ স্থাপনের জন্য চেষ্টা করা হবে।

ওজোপাডিকো সূত্রে জানা যায়, বাগেরহাট কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনালের পক্ষে মেয়র বাগেরহাট পৌরসভার ব্যাংক হিসেবে ২০১৬ সালের অক্টোবর থেকে ২০২২ সালের এপ্রিল পর্যন্ত ১৭ লাখ ২৭ হাজার ৩৫৬ টাকা বিল বকেয়া রয়েছে। শুধু বাগেরহাট বাস টার্মিনাল নয়, বাগেরহাট পৌরভবন, স্ট্রীট লাইটসহ বিভিন্ন ধরণের ১৮টি হিসেবে বাগেরহাট পৌরসভার কাছে আরও প্রায় সাড়ে চার কোটি টাকা বিদ্যুৎ বিল বকেয়া রয়েছে ওজোপাডিকোর।

পৌরসভার বাইরেও বাগেরহাট জেলা পুলিশের কাছে ২৫ লাখ ১৯ হাজার, শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরে ৪ লাখ ২১ হাজার, পিসি কলেজে ৩ লাখ ২০ হাজার, বাগেরহাট মেডিক্যাল স্কুল এ্যান্ড কলেজে ২ লাখ ২২ হাজার, রেলরোড জামে মসজিদে ৩ লাখ, শ্রী শ্রী রাধা গোবিন্দ মন্দিরে ৪৪ হাজার টাকা বকেয়া রয়েছে ওজোপাডিকোর।

এদিকে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করায় ভোগান্তিতে পড়েছেন বাস শ্রমিক-কর্মচারীরা।

বাস শ্রমিক রানা শেখ নিউজবাংলাকে বলেন, ‘বাগেরহাট বাস স্ট্যান্ডে একদিন বাস রাখলে ঢাকার পরিবহনের জন্য ৮০ টাকা এবং লোকাল পরিবহনের জন্য ৫০ টাকা দিতে হয়। এখানের টয়েলেটগুলোও আমাদের টাকা দিয়ে ব্যবহার করতে হয়। তাহলে কেন টাকার জন্য বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন থাকবে? আসলে আমরা খেটে খাওয়া মানুষ, আমাদের টাকার কোন দাম নেই।’

জামাল শেখ বলেন, ‘এই স্ট্যান্ড থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত বিভিন্ন স্থানের বাস ছাড়ে। বিদ্যুৎ না থাকায় খুব সমস্যায় পড়তে হচ্ছে। যত দ্রুত সম্ভব বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ করে, পুন সংযোগ স্থাপনের দাবি জানাই।’

নিউজবাংলাকে বাগেরহাট বাস মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক তালুকদার আব্দুল বাকি বলেন, ‘আমাদের দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে বিদ্যুৎ বিলের জন্য প্রতি মাসে পৌরসভার মার্কেটিং কর্মকর্তার কাছে ২০ হাজার টাকা দেয়া হত। কিন্তু করোনাকালীন সময়ে এই টাকা নিয়মিত দেয়া হয়নি।

‘বিদ্যুৎ না থাকায় কয়েক হাজার বাস শ্রমিক ও যাত্রী ভোগান্তিতে রয়েছেন। তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত ও ভোগান্তি লাঘবে অতি দ্রুত বিদ্যুৎ সংযোগ দেয়ার দাবি জানাই।’

বাগেরহাট পৌরসভার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মাদ মুছাব্বেরুল ইসলাম নিউজবাংলাকে বলেন, ‘বাগেরহাট বাস টার্মিনালে যাতে দ্রুত বিদ্যুৎ সংযোগ দেয়া যায়, সে বিষয়ে বিদ্যুৎ বিভাগের সঙ্গে আলোচনা করা হবে।

প্রতি মাসের বিদ্যুৎ বিলের টাকা নিয়মিত পৌরসভার কাছে দেয়া হত- বাস মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক তালুকদার আব্দুল বাকির এমন দাবির বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘বাস টার্মিনাল থেকে নিয়মিত বিদ্যুৎ বিল বাবদ টাকা দেয় বিষয়টি আমার জানা নেই। বিষয়টি ক্ষতিয়ে দেখা হবে।’

সাড়ে চার কোটি টাকা বকেয়ার বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে তিনি বলেন, ‘অন্যান্য হিসেবে যে সাড়ে চার কোটি টাকা রয়েছে ওই টাকার বিপরীতে মাঝে মাঝে কিছু টাকা দেয়া হয়। এছাড়া জুন মাসের শেষে রাজস্ব খাতের হিসেব করে বিদ্যুৎ বিভাগের বকেয়া পরিশোধের বিষয়ে অগ্রাধিকার দেয়া হবে।’

বাগেরহাট ওজোপাডিকোর সহকারি প্রকৌশলী সাইদুর রহমান নিউজবাংলাকে বলেন, ‘সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন পর্যায়ের গ্রাহকের কাছে ওজোপাডিকোর প্রায় সাড়ে পাঁচ কোটি টাকা বকেয়া রয়েছে। বকেয়া থাকা গ্রাহকদের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্নের নোটিশ দেয়া হয়েছে।

অনেকের সংযোগ বিচ্ছিন্ন এবং কারও কারও বিরুদ্ধে মামলাও করা হয়েছে। যেসব প্রতিষ্ঠানের বকেয়ার পরিমাণ অনেক বেশি, তাদের বিষয়ে জেলা উন্নয়ন সমন্বয় কিমিটির সভায়ও বলা হয়েছে। সব মিলিয়ে আমরা চেষ্টা করছি যাতে দ্রুত বকেয়া বিদ্যুৎ বিল আদায় করতে পারি।’

আরও পড়ুন:
বিদ্যুৎ-জ্বালানি খাতে আরও বিনিয়োগ চায় সরকার
বিদ্যুৎস্পৃষ্টে স্কুলছাত্রের মৃত্যু
শিয়াল মারার ফাঁদে প্রাণ গেল কলেজছাত্রের
ডিশ সংযোগের সময় বিদ্যুৎস্পৃষ্টে যুবকের মৃত্যু
লোহাগড়ায় বিদ্যুৎস্পৃষ্টে যুবকের মৃত্যু

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Arrested on charges of child rape 1

কিশোরীকে ‘ধর্ষণ’: দোকানি কারাগারে

কিশোরীকে ‘ধর্ষণ’: দোকানি কারাগারে কিশোরী ধর্ষণ মামলায় গ্রেপ্তার আসামি নাসির হাওলাদার। ছবি: নিউজবাংলা
মোংলা থানার পরিদর্শক বিকাশ বলেন, ‘কিশোরীর বাবা প্রায় চার বছর আগে মারা যান। মা সৌদি প্রবাসী। অভিযুক্ত ৫২ বছরের নাসির হাওলাদার দূর সম্পর্কের আত্মীয় মেয়েটির। সে তার ছোট বোনকে নিয়ে একটি আশ্রয়কেন্দ্রে নাসিরের পরিবারের সঙ্গেই থাকত।’

বাগেরহাটের মোংলায় এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা হয়েছে।

সোমবার করা মামলায় আসামিকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারের পাঠিয়েছে পুলিশ। মঙ্গলবার দুপুরে আসামিকে মুখ্য বিচারিক হাকিম খোকন হোসেনের আদালতে তোলা হলে বিচারক কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

মোংলা থানার পরিদর্শক (তদন্ত) বিকাশ চন্দ্র ঘোষ নিউজবাংলাকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, কিশোরীর বাবা প্রায় চার বছর আগে মারা যান। মা সৌদি প্রবাসী।অভিযুক্ত ৫২ বছরের নাসির হাওলাদার মেয়েটির দূর সম্পর্কের আত্মীয়। সে তার ছোট বোনকে নিয়ে একটি আশ্রয়কেন্দ্রে নাসিরের পরিবারের সঙ্গেই থাকত।

এজাহারে বলা হয়েছে, আশ্রয়কেন্দ্রের পাশে নাসিরের একটি চায়ের দোকান আছে। ওই দোকানে রোববার রাতে ধর্ষণের শিকার হয় মেয়েটি। বিষয়টি কাউকে না জানাতে তাকে হুমকি ও ভয়ভীতি দেখান নাসির।

মেয়েটি বিষয়টি আশ্রয়কেন্দ্রের এক ব্যক্তিকে জানায়। এ ঘটনায় পরদিন মোংলা থানায় মামলা করেন স্থানীয় জনপ্রতিনিধি।

থানার পরিদর্শক বিকাশ চন্দ্র ঘোষ বলেন, ‘১৪ বছরের এক কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগে সোমবার রাতেই চাঁদপাই ইউনিয়নের এক ইউপি সদস্য বাদী হয়ে মামলা করেন। রাতেই ওই এলাকায় অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত নাসিরকে গ্রেপ্তার করা হয়। নাসিরকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।’

মেয়েটিকে শারীরিক পরীক্ষার জন্য বাগেরহাট জেলা হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে বলেও জানান পুলিশের এই কর্মকর্তা।

আরও পড়ুন:
অবৈধ ওয়াকিটকি ব্যবহার করে নানা অপরাধ
ধর্ষণ মামলার সাজাপ্রাপ্ত আসামি গ্রেপ্তার
ধর্ষণ-মানবপাচারের অভিযোগে গ্রেপ্তার ৩
বন্ধুকে বেঁধে তার স্ত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ
পাঁচবিবিতে শিশু ‘ধর্ষণচেষ্টা’ মামলায় গ্রেপ্তার

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Arna lost her parents together

অর্ণাকে ঘিরে বাঁচার স্বপ্ন দাদা-দাদির

অর্ণাকে ঘিরে বাঁচার স্বপ্ন দাদা-দাদির অর্ণা বিশ্বাস তার দাদী সুন্দরী বিশ্বাসের সঙ্গে। ছবি: নিউজবাংলা
অর্ণার দাদা অসীম বিশ্বাস বলেন, ‘একসময়ে আমাদের পরিবারে অনেক অভাব ছিল। এসএসসি পরীক্ষার ফি জমা না দিতে পেরে ছেলে অভিজিত লেখাপড়া ছেড়ে দেয়। পরে সে সংসারের হাল ধরে। ছেলের অনেক শখ ছিল তাদের মেয়ে অর্ণাকে অনেক লেখাপড়া শেখাবে। এখন অর্ণাকে নিয়ে আমরা আছি। সে কিছু বুঝছে না, কাঁদছেও না। অর্ণাকে নিয়ে ছেলে যে স্বপ্ন দেখত, আমি যতদিন বেঁচে থাকি ছেলের স্বপ্ন পূরণ করব, অনেক লেখাপড়া শেখাব।’

মায়াভরা মুখ নিয়ে তাকিয়ে আছে চার বছর বয়সী অর্ণা বিশ্বাস। সে জানে না তার মা-বাবা আর নেই। কেউ জিজ্ঞেস করলে কখনও সে উত্তর দিচ্ছে তার মা-বাবা হাসপাতালে, আবার কখনও উত্তর দিচ্ছে না।

খুলনার ডুমুরিয়ার কুলটি গ্রামে নিজ ঘরে গত বুধবার বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে একসঙ্গে মারা যান অর্ণার বাবা অভিজিত বিশ্বাস ও মা কেয়া বিশ্বাস। ওই সময় আহত হয় অর্ণাও।

সম্প্রতি অর্ণাদের বাড়িতে যান নিউজবাংলার প্রতিবেদক। সেখানে গিয়ে দেখা যায়, বাড়ির উঠানে বসে আছেন অর্ণার দাদা অসীম বিশ্বাস ও দাদি সুন্দরী বিশ্বাস।

সেই উঠানে খেলা করছে অর্ণা। তার ডান হাত ও ডান পায়ে রয়েছে বিদ্যুৎস্পৃষ্টের ক্ষত। ব্যথায় হাত নাড়াতে না পারলেও স্বাভাবিকভাবে চলাফেরা করছে অর্ণা।

ঘটনার দিন কী হয়েছিল জানতে চাইলে অর্ণার দাদি নিউজবাংলাকে বলেন, ‘সকাল থেকে ছেলে ও বউমা একসঙ্গে ধান মাড়াই করছিল। পরে গোসল করে এসে ভাত খেয়ে ছেলে, বউমা ও অর্ণা একত্রে ঘরে যায়। আমি ও আমার স্বামী তখন বাড়ির উঠানে ধান মাড়াই করছিলাম।

‘হঠাৎ বউমা আমাকে ডেকে একটা চিৎকার দেয়। পরে আর কোনো শব্দ করেনি। আমি ও আমার স্বামী তাৎক্ষণিক সেখানে ছুটে যাই। গিয়ে দেখি ছেলে ঘরের বারান্দায় মাথা গুটিয়ে বসে টিনের বেড়া ধরে কাঁপছে। বউমা তার পাশে শুয়ে একইভাবে কাঁপছে। অর্ণা পড়ে আছে তার মায়ের কোলে।’

তিনি জানান, সন্তান ও বউমার এমন পরিস্থিতি দেখে নিজেকে সামলাতে পারেননি তিনি। আগে অর্ণাকে টেনে তাদের কাছ থেকে আলাদা করে পরে ছেলে ও বউমাকে ছাড়াতে গেলে বিদ্যুতের শক খেয়ে বাইরে ছিটকে পড়েন তিনি।

অর্ণাকে ঘিরে বাঁচার স্বপ্ন দাদা-দাদির

পরে প্রতিবেশীরা এসে বিদ্যুতের মেইন সুইচ বন্ধ করে দেয়। ছেলে ও তার বউকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন।

অর্ণার দাদা নিউজবাংলাকে বলেন, ‘সন্ধ্যার দিকে হাসপাতাল থেকে ছেলে ও বউমার মরদেহ বাড়িতে আনা হয়। পরে রাত ৩টার দিকে শ্মশানঘাটে নিয়ে তাদের সৎকার করা হয়।’

‘বাবা হয়ে সন্তানের চিতায় আগুন দেয়া যে কত কষ্টের, তা যে বাবা দিয়েছে শুধু সেই জানে। আমার সেই কঠিন পরীক্ষা দিতে হয়েছে। ছেলে আমাদের কত আশা দেখাত। এর আগেই আমাদের সব আশা শেষ হয়ে গেল। তার মৃত্যুতে আমিও যেন মারা গেলাম।’

তিনি জানান, অভিজিত তার একমাত্র ছেলে। তার দুই মেয়ে আছে, তারা বিবাহিত।

তিনি বলেন, ‘একসময়ে আমাদের পরিবারে অনেক অভাব ছিল। এসএসসি পরীক্ষার ফি জমা না দিতে পেরে ছেলে অভিজিত লেখাপড়া ছেড়ে দেয়। পরে সে সংসারের হাল ধরে। ছেলের অনেক শখ ছিল তাদের মেয়ে অর্ণাকে অনেক লেখাপড়া শেখাবে।

‘এখন অর্ণাকে নিয়ে আমরা আছি। সে কিছু বুঝছে না, কাঁদছেও না। অর্ণাকে নিয়ে ছেলে যে স্বপ্ন দেখত, আমি যতদিন বেঁচে থাকি ছেলের স্বপ্ন পূরণ করব, অনেক লেখাপড়া শেখাব।’

ডুমুরিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) শরীফ আসিফ রহমান বলেন, ‘আমি অর্ণার কাছে গিয়েছিলাম। তার দাদা-দাদির সঙ্গেও দেখা করেছি। তখন ওই পরিবারকে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে কিছু আর্থিক সহায়তা করা হয়েছে।’

যেভাবে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন অর্ণার বাবা-মা

অর্ণার বাবা-মা টিনের ঘরে থাকতেন। ঘরের ভেতর মাঝামাঝি এক স্থানে একটি বিদ্যুতের সার্কিট র‍য়েছে। সেখানে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকতে দেখা গেছে বিদ্যুতের তার।

মৃত অভিজিতের ভগ্নিপতি দেবাশীষ বিশ্বাস বলেন, ‘ঘরের মাঝামাঝি যে সার্কিটটি আছে, সেখানে মেইন সুইচ থেকে বিদ্যুৎ সংযোগ এসেছে। সেই সার্কিটটি ভালো করে ফিটিং ছিল না।’

‘ওই সার্কিট থেকে একটি তার বের হয়ে টিনের বেড়ার সঙ্গে বিদুৎসংযোগ লেগে যায়। এতে পুরো ঘর বিদ্যুতায়িত হয়ে যায়। ’

তিনি বলেন, ‘দুপুরে খাবার খেয়ে অর্ণার বাবা-মা ঘরের ভেতরে খাটে ছিল। ওই খাটের পাশেও টিনের বেড়া আছে। সেই বেড়া থেকে তারা প্রথমে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়। পরে সেখান থেকে ছিটকে বারান্দায় পড়ার পর আবারও টিনের বেড়ায় হাত লাগায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন তারা।’

আরও পড়ুন:
লোহাগড়ায় বিদ্যুৎস্পৃষ্টে যুবকের মৃত্যু
বিদ্যুৎস্পর্শে শ্বশুর-জামাইয়ের মৃত্যু
ইজিবাইকে চার্জ, বিদ্যুৎস্পৃষ্টে পথচারীর মৃত্যু
বিদ্যুৎস্পৃষ্টে কলেজছাত্রের মৃত্যু
ঘাস কাটতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে মৃত্যু

মন্তব্য

বাংলাদেশ
UN High Commissioner for Refugees in Bhasanchar

ভাসানচরে জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক হাইকমিশনার

ভাসানচরে জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক হাইকমিশনার
ভাসানচর রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ইনচার্জ মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, ‘প্রতিনিধিদল রোহিঙ্গাদের অবস্থান পর্যবেক্ষণে ভাসানচরে এসেছে। তারা বিভিন্ন ক্লাস্টারে গিয়ে রোহিঙ্গাদের সঙ্গে কথা বলছে এবং রোহিঙ্গাদের খোঁজখবর নিচ্ছে। ভাসানচরের সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে বিকেলে ঢাকার উদ্দেশে যাত্রা করবে প্রতিনিধিদল।’
নোয়াখালীর হাতিয়ার ভাসানচর রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শনে এসেছেন জাতিসংঘের শরণার্থীবিষয়ক হাইকমিশনার ফিলিপ্পো গ্র্যান্ডি।
মঙ্গলবার দুপুর ১২টার দিকে তার নেতৃত্বে ছয় সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল বিমান বাহিনীর হেলিকপ্টারে করে ভাসানচর এসে পৌঁছায়।

ভাসানচর রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ইনচার্জ মোস্তাফিজুর রহমান বিষয়টি নিউজবাংলাকে নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, ‘প্রতিনিধিদল রোহিঙ্গাদের অবস্থান পর্যবেক্ষণে ভাসানচরে এসেছে। তারা বিভিন্ন ক্লাস্টারে গিয়ে রোহিঙ্গাদের সঙ্গে কথা বলছে এবং রোহিঙ্গাদের খোঁজখবর নিচ্ছে। ভাসানচরের সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে বিকেলে ঢাকার উদ্দেশে যাত্রা করবে প্রতিনিধিদল।’
ভাসানচর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ ইমদাদুল হক নিউজবাংলাকে বলেন, ভাসানচরে রোহিঙ্গাদের জন্য সুযোগ-সুবিধা ও সেবা সরেজমিনে দেখেছে তারা। ভাসানচর থানা পুলিশ সার্বিক নিরাপত্তায় প্রতিনিধিদলের সঙ্গে রয়েছে।
২০১৭ সালের ২৫ আগস্ট মিয়ানমার সেনাবাহিনীর নির্যাতনের ফলে প্রায় সাড়ে ৮ লাখ রোহিঙ্গা দেশে আশ্রয় নেয়। এর আগে বিভিন্ন সময়ে আরও কয়েক লাখ রোহিঙ্গা এসে কক্সবাজারের পাহাড়ি এলাকায় আশ্রয় নেয়।

এমন পরিস্থিতিতে রোহিঙ্গাদের চাপ সামলাতে সরকার এক লাখ রোহিঙ্গাকে নোয়াখালীর ভাসানচরে স্থানান্তরের উদ্যোগ নেয়। এই প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে ১৩ ধাপে কক্সবাজার থেকে নোয়াখালীর ভাসানচরে পৌঁছেছে ২৯ হাজার ১১৬ জন রোহিঙ্গা।

আরও পড়ুন:
অস্ত্র-গুলিসহ ‘রোহিঙ্গা ডাকাত দলের প্রধান’ আটক
রোহিঙ্গা ইস্যুতে অপপ্রচারে জাতিসংঘের সংস্থা: সরকার
ক্যাম্প থেকে পালানোর চেষ্টা, ২০৩ রোহিঙ্গা আটক
সমুদ্রে গোসল করতে নেমে রোহিঙ্গার মৃত্যু
‘রোহিঙ্গাদের স্বদেশে প্রত্যাবাসনে চীন বাংলাদেশের সঙ্গে কাজ করছে’

মন্তব্য

বাংলাদেশ
3 arrested with drugs in a separate operation of RAB

র‍্যাবের আলাদা অভিযানে মাদকসহ গ্রেপ্তার ৩

র‍্যাবের আলাদা অভিযানে মাদকসহ গ্রেপ্তার ৩ পৃথক অভিযান চালিয়ে র‌্যাব মাদকসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে। ছবি: নিউজবাংলা
র‍্যাব-১২ কোম্পানি কমান্ডার মোহাম্মদ আনিসুজ্জামান বলেন, ‘গ্রেপ্তারকৃতরা ইয়াবা ও হেরোইন অবৈধভাবে সংগ্রহ করে জেলার বিভিন্ন জায়গায় বিক্রি করতেন। তাদের নামে টাঙ্গাইল সদর ও কালিহাতী থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে আলাদা দুটি মামলা হয়েছে।’

টাঙ্গাইল ও কালিহাতীতে আলাদা অভিযান চালিয়ে তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটেলিয়ন (র‌্যাব)।

এ সময় তাদের কাছ থেকে ৩১০ গ্রাম হেরোইন ও ১৫২ পিস ইয়াবা জব্দ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে র‌্যাব।

সদর উপজেলার রূপসী যাত্রা এলাকা ও কালিহাতী উপজেলার রাজাবাড়ী সিএনজি স্ট্যান্ড এলাকা থেকে মঙ্গলবার সকালে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন সাভারের বাসিন্দা ৩৫ বছরের মো. নান্নু শেখ, টাঙ্গাইল সদর উপজেলার রূপসী গ্রামের ৩৮ বছরের মো. শফিকুল ইসলাম ও দেলদুয়ার উপজেলার বেতরাইল গ্রামের ৩৪ বছরের লুৎফর মিয়া।

নিউজবাংলাকে তথ্য নিশ্চিত করে র‌্যাব-১২ কোম্পানি কমান্ডার মেজর মোহাম্মদ আনিসুজ্জামান বলেন, ‘গ্রেপ্তার করা ব্যক্তিদের কাছ থেকে ১৫২ পিস ইয়াবা, ৩১০ গ্রাম হেরোইন, ০২টি মোবাইল ফোন ও নগদ ২০৬০ টাকা জব্দ করা হয়েছে।’

মেজর মোহাম্মদ আনিসুজ্জামান বলেন, ‘গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা ইয়াবা ও হেরোইন অবৈধভাবে সংগ্রহ করে জেলার বিভিন্ন জায়গায় বিক্রি করতেন। এ ঘটনায় র‌্যাব তাদের নামে টাঙ্গাইল সদর ও কালিহাতী থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে পৃথক দুটি মামলা করেছে।’

আরও পড়ুন:
নি‌য়োগ পরীক্ষা: প্রক্সি দেয়ার আ‌গেই গ্রেপ্তার ৩
বাড়ির আঙিনায় গাঁজা চাষ, নারীসহ গ্রেপ্তার ২
‘চোরাই’ মোটরসাইকেলসহ ২ যুবক গ্রেপ্তার
গৃহবধূ ধর্ষণ মামলায় গ্রাম পুলিশ গ্রেপ্তার
উগ্রবাদী বইসহ দুজন গ্রেপ্তার

মন্তব্য

p
উপরে