× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ পৌর নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট

বাংলাদেশ
Ownership of char land in violation of law
hear-news
player
print-icon

আইনের মারপ্যাঁচে চরের জমির মালিকানা

আইনের-মারপ্যাঁচে-চরের-জমির-মালিকানা-
চর জেগে ওঠায় ফিরে পাওয়া জমিতে সবজি চাষ করছেন অনেকে। ছবি: নিউজবাংলা
নদীভাঙনে সর্বস্বান্ত হয় মানুষ। তবে একবার ভেঙে গিয়ে নদীর গতি পরিবর্তন হয়ে সেখানে আবারও চর জেগে উঠতে পারে। এমন হলে অতীতে জমি হারানো মানুষ আবারও তাদের পুরোনো সম্পত্তি ফিরে পান। যদিও এর জন্য তাদের পাড়ি দিতে হয় আইনের দীর্ঘ মারপ্যাঁচ।

চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জে পদ্মা নদীর ভাঙনে হারিয়ে গেছে অনেক ফসলি জমি, ঘর-বাড়ি। আবার নদীর গতিপথ পরিবর্তন হওয়ায় চর জেগেছে কোনো কোনো এলাকায়।

চর জেগে ওঠায় নদীতে বিলীন জমি ফিরে পেয়েছেন অনেকেই। নিজ নিজ জমির পরিমাণ অনুযায়ী সীমানা ঠিক করে চাষাবাদও করে আসছেন। কিন্তু জমি ফিরে পাওয়ার আনন্দ এখন ফিকে হতে বসেছে ওই সব প্রান্তিক মানুষের। জমির মালিকানা প্রমাণে তাদের ছুটতে হচ্ছে দপ্তর থেকে দপ্তরে।

চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলার ঘোড়াপাখিয়া মৌজার জমি ১৯৯৮ সালে পদ্মার ভাঙনে বিলীন হয়ে যায়। প্রায় দু-তিন বছর ওই এলাকায় পদ্মার পাড় ভাঙে। এতে অসংখ্য আমবাগান, ফসলি জমিসহ ঘর-বাড়ি, স্কুল-মাদ্রাসা ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান নদীতে বিলীন হয়ে যায়।

তবে এর কয়েক বছরের মাথায় পদ্মার গতিপথ বদলে আবারও চর জেগে ওঠে ঘোড়াপাখিয়া মৌজা। এতে অতীতের বিলীন হয়ে যাওয়া জমি আবারও ফিরে পায় ওই এলাকার মানুষ। পরে জমির মালিকরা স্থানীয়ভাবে বসে সেই জেগে ওঠা চরে নিজেদের জমি পরিমাপ করে আইল সীমানা নির্ধারণ করে নেন। এরপর নিজ নিজ জমিতে তারা বিভিন্ন ফসল আবাদ শুরু করেন।

কিন্তু এসব জমি এখনও সরকারিভাবে শিকস্তির অন্তর্ভুক্ত (নদীতে বিলীন)। ফলে এই জমির খাজনা নেয়া বন্ধ। এতে জমির নামজারি বা বেচাকেনা কোনো কিছুই করতে পারছেন না জমির মালিকরা। জমি দখলে মিললেও কাগজে-কলমে এখনও মেলেনি এসব মানুষের।

পদ্মায় বিলীন হয়েছিল ওই এলাকার দোরশিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। বিদ্যালয়টি এখন অস্থায়ীভাবে অন্যের জমিতে শিক্ষা কার্যক্রম চালাচ্ছে। এর স্থায়ী ভবন নির্মাণের জন্য কেনা হয়েছে জমি।

বিদ্যালয়ের ভবন নির্মাণের অনুমোদন পেয়ে শিক্ষকরা জমির কাগজপত্র সংগ্রহ করতে যখন ভূমি অফিসে গেলেন, তখন দেখেন তাদের বিদ্যালয়ের জমিও কাগজে-কলমে এখনও নদীতে বিলীন। এ জন্য বিদ্যালয়টির ভবন নির্মাণ এখন অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।

বিদ্যালয়টির প্রধান শিক্ষক আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, ‘দীর্ঘদিন আগে চর জাগলেও গোটা ঘোড়াপাখিয়া মৌজাকেই শিকস্তি জমি করে রাখা হয়েছে।’ সম্প্রতি ওই এলাকায় শুরু হয়েছে ডিয়াড়া জরিপ (নদীতীরবর্তী জমির জরিপ) কার্যক্রম। এ জরিপ কার্যক্রম শুরু হওয়ায় আবারও চরের জমির মালিকানা নিয়ে বিভিন্ন আইন ও বিধিবিধান সামনে আসছে।

এ অবস্থায় পূর্বপুরুষের জমির মালিকানা শেষ পর্যন্ত রক্ষা হয় কি-না সেই চিন্তায় আছেন মানুষ।

সরকার আমাদের জমির খাজনা নিচ্ছে না। খাজনা দিতে গেলে বলছে বন্ধ আছে। আর এখন জমির রেকর্ড করতে যারা আসছে তারা আবার খাজনার কাগজ ছাড়া জমি রেকর্ড করবে না। তাহলে আমাদের জমির কী হবে?

জরিপ কাজে নিয়োজিত কর্মকর্তারা বলছেন, যাদের দখলে আছে, সেই সঙ্গে জমির খাজনার কাগজপত্র ঠিক আছে, তাদের জমি রেকর্ডে অন্তর্ভুক্ত হবে।

মো. জামাল নামের এক জমির মালিক বলেন, ‘নদী আসছিল, দুই বছর পর চলে গেছে। আমরা মাটির আইন সীমানা নিজেরা ঠিক করে নিয়েছি। আমাদের কোনো সমস্যা নাই। কিন্তু সরকার আমাদের জমির খাজনা নিচ্ছে না। খাজনা দিতে গেলে বলছে বন্ধ আছে। আর এখন জমির রেকর্ড করতে যারা আসছে তারা আবার খাজনার কাগজ ছাড়া জমি রেকর্ড করবে না। তাহলে আমাদের জমির কী হবে?’

এসবুল, আহসান আলী, হযরত আলীসহ বেশ কয়েকজন জমির মালিক একই রকম দুশ্চিন্তার কথা জানালেন। তাদের দাবি, আগে জমির খাজনা চালু করা হোক। তারা সরকারকে খাজনা দিতে চান। তারপর জমির রেকর্ডের কাজ করা হোক।

ইব্রাহিম আলী নামের এক মালিক বলেন, ‘এখন শুনছি সরকারের কাছ থেকে বন্দোবস্ত নিতে হবে। এই জমি আমার পৈতৃক সম্পত্তি। আমি কেন আবার বন্দোবস্ত নেব। আর কেন অফিসে অফিসে ঘুরব। আমি কি ভূমিহীন যে বন্দোবস্ত নেব। জমি নেমে গিয়েছিল, আবার জেগে উঠেছে। এখন যার যার জমি তাদের দলিল দেখে খাজনা চালু করে দিলেই তো হয়।’

জরিপ কাজ যারা করছে, তারা ভিন্ন একটা ডিপার্টমেন্ট। তারা কাজটা শেষ করুক। এরপর যদি কারো জমি শিকস্তি হয়ে থাকে, তিনি যদি আবেদন করেন অবশ্যই আমরা বিষয়টি দেখব।

চলমান ডিয়ারা জরিপ কার্যক্রমে রাজশাহী বিভাগের দায়িত্বে থাকা ফজলুল করিম বলেন, ‘জরিপ কার্যক্রম নিয়ে কিছুটা বিভ্রান্তি রয়েছে। আমার সোজা কথা, যার জমি তিনি আইল সীমানা ঠিক রাখবেন। আমরা তার কাগজ দেখে রেকর্ড দেব।’

নদীতে বিলিন হওয়া জমির বিষয়ে আইনের ব্যাখ্যায় চাঁপাইনবাবগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মহসীন মৃধা বলেন, ‘যখন কোনো জমি নদীতে বিলীন হয়ে যায়, তখন তাকে শিকস্তি জমির অন্তর্ভুক্ত করা হয় এবং এর খাজনা নেয়া বন্ধ থাকে। এরপর যদি ৩০ বছরের মধ্যে ওই জমির চর জেগে ওঠে তখন তা পোয়স্তি জমি। তখন ওই জমির মালিকের আবেদনের প্রেক্ষিতে তাকেই বন্দোবস্ত দেয়া হয়। তবে তাকে আবেদন করে বন্দোবস্ত নিতে হয়।’

জেলা প্রশাসক আরও বলেন, ‘জরিপ কাজ যারা করছে, তারা ভিন্ন একটা ডিপার্টমেন্ট। তারা কাজটা শেষ করুক। এরপর যদি কারো জমি শিকস্তি হয়ে থাকে, তিনি যদি আবেদন করেন, অবশ্যই আমরা বিষয়টি দেখব।’

আরও পড়ুন:
মসজিদের জমি ‘আত্মসাৎ চেষ্টার’ প্রতিবাদে সভা
দিনমজুরের জমি খাস বানিয়ে লিজের অভিযোগ
ঘুষ ছাড়া রেজিস্ট্রি হয়নি প্রতিমন্ত্রীর জমি
বড় ভাইয়ের হামলায় আনসার সদস্য নিহত
রেলের জমি উদ্ধারে যাওয়া এস্কাভেটরে আগুন 

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Husband sentenced to death for murdering housewife

গৃহবধূ হত্যায় প্রথমপক্ষের শ্যালকসহ স্বামীর মৃত্যুদণ্ড

গৃহবধূ হত্যায় প্রথমপক্ষের শ্যালকসহ স্বামীর মৃত্যুদণ্ড
এজাহারে বলা হয়, সাইফুল ইসলাম ২০১৬ সালের ৩০ জুলাই তার প্রথম স্ত্রী পারভীন বেগমের ভাই করিম মিয়াকে সঙ্গে নিয়ে দ্বিতীয় স্ত্রী পারভীন আকতারকে গলা কেটে হত্যা করেন। সেই মরদেহ কয়েকদিন পর সেপটিক ট্যাংক থেকে উদ্ধার করে পুলিশ।

গৃহবধূ হত্যা মামলায় প্রথমপক্ষের শ্যালকসহ স্বামীকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে গাইবান্ধার একটি বিচারিক আদালত। একই সঙ্গে তিন আসামিকে খালাস দেয়া হয়েছে।

অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক ফেরদৌস ওয়াহিদ বৃহস্পতিবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে এ রায় দেন।

দণ্ডিতরা হলেন, সাঘাটা উপজেলার কামালেরপাড়া গ্রামের মফিজ উদ্দিন ব্যাপারির ছেলে সাইফুল ইসলাম ও একই উপজেলার বসন্তেরপাড়া গ্রামের চাঁন মিয়ার ছেলে করিম মিয়া। তারা সম্পর্কে শালা-দুলাভাই।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী আবদুল্যা কনক নিউজবাংলাকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

এজাহারে বলা হয়, সাইফুল ইসলাম ২০১৬ সালের ৩০ জুলাই তার প্রথম স্ত্রী পারভীন বেগমের ভাই করিম মিয়াকে সঙ্গে নিয়ে দ্বিতীয় স্ত্রী পারভীন আকতারকে গলা কেটে হত্যা করেন। সেই মরদেহ কয়েকদিন পর সেপটিক ট্যাংক থেকে উদ্ধার করে পুলিশ।

এ ঘটনায় নিহত পারভীন আকতারের ভাই আজিজুল রহমান সাঘাটা থানায় পাঁচজনকে আসামি করে মামলা করেন। পরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে গ্রেপ্তার হন সাইফুল ও করিম।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী আবদুল্যা কনক বলেন, ‘হত্যায় অংশ নেয়া দুই জনের সর্বোচ্চ শাস্তি হয়েছে। তবে বাকি তিন আসামি নিরাপরাধ হওয়ায় তাদের খালাস দিয়েছে আদালত।’

আরও পড়ুন:
কালুখালীতে ইউপি সদস্যকে গুলি করে হত্যা
শিক্ষককে পিটিয়ে হত্যায় জিতু গ্রেপ্তার
শিক্ষক হত্যাকারীকে গ্রেপ্তারের দাবিতে ঢাবিতে আমরণ অনশন
ছেলের প্রেমে মাকে পুড়িয়ে হত্যা, দম্পতি কারাগারে
শিক্ষক হত্যায় জিতুর বাবা রিমান্ডে

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Conflict over the meaning of the mosque hacked to death

মসজিদের অর্থের হিসাব নিয়ে দ্বন্দ্ব, একজনকে কুপিয়ে হত্যা

মসজিদের অর্থের হিসাব নিয়ে দ্বন্দ্ব, একজনকে কুপিয়ে হত্যা
নড়াইল সদর হাসপাতালে চিকিৎসক শামিমুর রহমান বলেন, ‘হাসপাতালে আনার আগেই কামরুলের মৃত্যু হয়। আহতদের শরীরে ধারালো অস্ত্রের কোপ ছিল। তাদের প্রচুর রক্তক্ষরণ হয়েছে। তাই উন্নত চিকিৎসার জন্য দ্রুত তাদের খুলনায় নেয়ার পরামর্শ দেয়া হয়।’

নড়াইলের কালিয়া উপজেলায় বাড়িতে ঢুকে এক ব্যক্তিকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। এ সময় আহত হয়েছে আরও পাঁচজন।

পুরুলিয়া গ্রামে বৃহস্পতিবার সকালে হামলার এই ঘটনা ঘটে।

নিহত ৪০ বছর বয়সী ব্যক্তির নাম কামরুল শেখ। আহতরা হলেন জাকির শেখ, মো. ইমরুল শেখ, সবুর শেখ, মনসুর শেখ ও মনজুর শেখ।

নিউজবাংলাকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন নড়াইল কালিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তাসমীম আলম।

নিহতের ভাই ও সাবেক মেম্বার বেলাল হোসেন জানান, পুরুলিয়া জামে মসজিদের অর্থের হিসাব নিয়ে গত শুক্রবার স্থানীয় নয়ন সরদার ও আলিম গাজীর সঙ্গে কামরুল শেখ ও ইমরুল শেখের কথা-কাটাকাটি হয়।

এরই জেরে সকাল আনুমানিক ৭টার দিকে নয়ন, আলিমসহ ১৫ থেকে ২০ জন কামরুলের বাড়িতে ঢুকে দেশীয় অস্ত্র দিয়ে তাকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে জখম করে। কামরুলসহ গুরুতর আহতদের নড়াইল সদর হাসপাতালে নেয়া হলে চিকিৎসক কামরুলকে মৃত ঘোষণা করেন।

নড়াইল সদর হাসপাতালের চিকিৎসক শামিমুর রহমান বলেন, ‘হাসপাতালে আনার আগেই কামরুলের মৃত্যু হয়। আহতদের শরীরে ধারালো অস্ত্রের কোপ ছিল। তাদের প্রচুর রক্তক্ষরণ হয়েছে। তাই উন্নত চিকিৎসার জন্য দ্রুত তাদের খুলনায় নেয়ার পরামর্শ দেয়া হয়।’

ওসি তাসমীম আলম জানান, ‘কামরুল শেখের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য নড়াইল সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। এ ঘটনায় এখনও মামলা হয়নি। আমরা অভিযুক্তদের ধরতে চেষ্টা করছি।’

আরও পড়ুন:
শেখ হাসিনার গাড়িবহরে হামলা: অস্ত্র ও বিস্ফোরক মামলার সাক্ষ্য শুরু
শিক্ষক হত্যাকারীকে গ্রেপ্তারের দাবিতে ঢাবিতে আমরণ অনশন
ছেলের প্রেমে মাকে পুড়িয়ে হত্যা, দম্পতি কারাগারে
শিক্ষক হত্যায় জিতুর বাবা রিমান্ডে
ছাগলের জন্য বড় ভাইকে হত্যায় গ্রেপ্তার ছোট

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The driver was killed in a truck motorcycle collision

ট্রাক-মোটরসাইকেল সংঘর্ষে প্রাণ গেল চালকের

ট্রাক-মোটরসাইকেল সংঘর্ষে প্রাণ গেল চালকের প্রতীকী ছবি
ওসি জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে ট্রাকটি জব্দ করেছে পুলিশ। তবে ট্রাকচালক পলাতক আছেন। এ বিষয়ে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

চাঁদপুরের কচুয়ায় ট্রাক ও মোটরসাইকেলের সংঘর্ষে মোটরসাইকেলচালক নিহত হয়েছেন।

কচুয়া-গৌরিপুর সড়কের বায়েক এলাকায় বৃহস্পতিবার সকালে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত মোটরসাইকেল চালকের নাম শফিকুল ইসলাম। তিনি নেত্রকোণা জেলার কেন্দুয়া উপজেলার হোসাইন নগর গ্রামের আবুল হাশেমের ছেলে।

কচুয়া সাচার পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মো. আনোয়ার হোসেন বিষয়টি নিউজবাংলাকে নিশ্চিত করেছেন।

স্থানীয়দের বরাতে তিনি জানান, বৃহস্পতিবার সকালে কচুয়া থেকে মোটরসাইকেলে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা হন শফিকুল। এ সময় ঢাকা থেকে কচুয়া আসার পথে বায়েক মোড় এলাকায় একটি ট্রাকের সঙ্গে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই মোটরসাইকেলচালক শফিকুল ইসলাম মারা যান।

খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে ট্রাকটি জব্দ করেছে পুলিশ। তবে ট্রাকচালক পলাতক আছেন। এ বিষয়ে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন বলেও জানান পুলিশের ওই কর্মকর্তা।

আরও পড়ুন:
গাছের সঙ্গে মোটরসাইকেলের ধাক্কায় শ্রমিক নিহত
প্রবাসীকে আনতে গিয়ে খুঁটিতে মাইক্রোর ধাক্কা, নিহত ৩
ধাক্কা দিয়ে কাভার্ড ভ্যানের চালক নিহত
দুই বাইকের সংঘর্ষে চালকরা নিহত
ট্রাকচাপায় প্রাণ গেল অটোচালক ও যাত্রীর

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The death toll in covered vanchapa increased to 3

কাভার্ড ভ্যানচাপায় নিহত বেড়ে ৩

কাভার্ড ভ্যানচাপায় নিহত বেড়ে ৩ নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে কাভার্ড ভ্যানটি সবজি বাজারে ঢুকে পড়ে। ছবি: নিউজবাংলা
ভৈরব হাইওয়ে থানা পুলিশের ওসি মোজাম্মেল হোসেন বলেন, ‘আজ ভোরে মহাসড়কের মাহমুদাবাদে কাভার্ড ভ্যানের চাপায় তিনজন নিহত হয়েছেন। আমাদের নথিতে এখনও চারজনের নাম লিপিবদ্ধ করা হয়নি। হতাহতের সংখ্যা নিশ্চিত করতে আইনি কার্যক্রম চলছে।’

নরসিংদীর রায়পুরা উপজেলায় নিয়ন্ত্রণ হারানো কাভার্ড ভ্যানের চাপায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে তিনজনে দাঁড়িয়েছে। এ ঘটনায় আরও চারজন আহত হয়ে বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন বলে জানা গেছে।

তবে স্বজনদের দাবি, এ ঘটনায় চারজন নিহত হয়েছেন।

হতাহতরা সবাই সবজি বিক্রেতা বলে জানিয়েছে স্থানীয়রা।

ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের মাহমুদাবাদ এলাকায় সবজি বাজারে বৃহস্পতিবার ভোরে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিউজবাংলাকে তথ্য নিশ্চিত করেছেন ভৈরব হাইওয়ে থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোজাম্মেল হোসেন।

নিহতদের মধ্যে উপজেলার মির্জাপুর ইউনিয়নের মির্জাপুর গ্রামের ৫০ বছরের ফারুক মিয়া ও মাহমুদাবাদ পাগলাবাড়ির ৪৫ বছরের মো. মাসাকিন ঘটনাস্থলেই নিহত হন। হাসপাতালে নেয়ার পথে টানপাড়া এলাকার ৩৫ বছরের রিপন মিয়া ও ৫০ বছরের মো. শাজাহানের মৃত্যু হয়।

আহতদের নাম-পরিচয় এখনও জানা যায়নি।

প্রত্যক্ষদর্শী রহমান মিয়া ও তাহের ব্যাপারীসহ কয়েকজন সবজি বিক্রেতা নিউজবাংলাকে জানান, প্রতিদিনের মতো ভোরে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের পাশে মাহমুদাবাদ বাজারে সবজির হাট জমে ওঠে। এ হাটে স্থানীয় ব্যবসায়ীরা সবজি বিক্রি করতে আসেন। আজ ভোরে মহাসড়কে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি কাভার্ড ভ্যান সবজি বিক্রেতাদের অটোরিকশার ওপর উঠে যায়। এতে অটোরিকশার পাশে দাঁড়িয়ে থাকা দুই সবজি বিক্রেতা চাপা পড়ে ঘটনাস্থলেই নিহত হন।

অন্তত পাঁচজনকে গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে নিলে আরও দুজন মারা যান।

ফায়ার সার্ভিসের উদ্ধার কর্মীরা জানান, ভোরে ভৈরব ছেড়ে আসা ঢাকামুখী জননী কুরিয়ার সার্ভিসের একটি কাভার্ড ভ্যান মাহমুদাবাদ বাজারের পাশে মেশিনঘর এলাকায় পৌঁছালে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বিপরীত দিকে চলে যায়। একই সময়ে ঢাকা থেকে সিলেটগামী আরেকটি কাভার্ড ভ্যান নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে মহাসড়কের পাশে মেশিন গড় এলাকায় রাস্তার পাশে সবজির হাটে ঢুকে পড়ে। এ সময় ভ্যান দুটি বেশ কিছু দোকান ও অটোরিকশাকে চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই দুজন নিহত ও অন্তত পাঁচজন আহত হয়েছেন।

ভৈরব বাজার ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের ইনচার্জ আজিজুল হক বলেন, ‘ভোর সাড়ে ৫টার দিকে খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থল গিয়ে দুটি মরদেহ উদ্ধার করি। আরও একজনকে গুরুতর আহত অবস্থায় ভৈরব নেয়ার পথে তিনি মারা যান।’

ওসি মোজাম্মেল হোসেন বলেন, ‘আজ ভোরে মহাসড়কের মাহমুদাবাদে কাভার্ড ভ্যানের চাপায় তিনজন নিহত হয়েছেন। আমাদের নথিতে এখনও চারজনের নাম লিপিবদ্ধ করা হয়নি। হতাহতের সংখ্যা নিশ্চিত করতে আইনি কার্যক্রম চলছে।’

তিনি বলেন, ‘প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, চালক ঘুমিয়ে পড়ার কারণে দুর্ঘটনা ঘটে থাকতে পারে। কাভার্ড ভ্যান জব্দ করা হয়েছে। মরদেহ নরসিংদী সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।’

আরও পড়ুন:
আখ মাড়াই যন্ত্রে হাত, ফায়ার সার্ভিসের ১ ঘণ্টার চেষ্টায় বিক্রেতা উদ্ধার
পিকআপ ভ্যানের ধাক্কায় চিকিৎসাধীন নারীর মৃত্যু
খিলগাঁও ফ্লাইওভারে গেল যুবকের প্রাণ
বিকল ট্রেন উদ্ধার, দেড় ঘণ্টা পর চালু সিলেটের রেলপথ
ট্রাকচাপায় অটোরিকশাযাত্রী মা-ছেলে নিহত

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Surma water is expected to rise above the danger level

সুনামগঞ্জে বাড়ছে সুরমার পানি, দীর্ঘস্থায়ী বন্যার শঙ্কা

সুনামগঞ্জে বাড়ছে সুরমার পানি, দীর্ঘস্থায়ী বন্যার শঙ্কা টানা বৃষ্টি ও উজানের ঢলে সুনামগঞ্জে ফের বাড়ছে সুরমা নদীর পানি। ছবি: নিউজবাংলা
সুনামগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী জহুরুল ইসলাম নিউজবাংলাকে বলেন, ‘সুনামগঞ্জ ও মেঘালয়ে বৃষ্টি হওয়ায় সুরমাসহ অন্যান্য নদীর পানি বাড়ছে। তবে এখনও সুরমার পানি বিপৎসীমার ৫ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এক দিন আগে তা ১৪ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে।’

টানা বৃষ্টি ও উজানের ঢলে সুনামগঞ্জে সুরমার পানি আরও বেড়েছে। তবে এখনও তা বিপৎসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ড বলছে, গত ২৪ ঘণ্টায় সুনামগঞ্জে ১৮৫ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা পর্যন্ত সুরমার পানি ১৬ সেন্টিমিটার বেড়েছে। এতে জেলায় বন্যা পরিস্থিতি ফের অবনতি ও দীর্ঘস্থায়ী হওয়ার শঙ্কা দেখা দিয়েছে।

পানি বাড়ায় জেলার নিচু এলাকা নতুন করে প্লাবিত হচ্ছে। পৌর শহরের তেঘরিয়া, আরপিন নগর, বড়পাড়া, পূর্ব নতুনপাড়া, হাজীপাড়া, নবীনগর, ধূপাখালি এবং ছাতক ও দোয়ারাবাজার উপজেলার নিম্নাঞ্চলে পানি ঢুকছে।

তেঘরিয়া এলাকার বাসিন্দা ফরহাদ আহমেদ বলেন, ‘ঘরবাড়ি থেকে মাত্র চার দিন হইছে পানি নামছিল। কিন্তু আজকে সকাল থকি আবারও ঘরে বারান্দায় পানি প্রবেশ করা শুরু করেছে। আজকে বৃষ্টি এ রকম হতে থাকলে ঘরেও পানি ডুকতে বেশি সময় লাগবে না, বিপদের মধ্যে মহাবিপদ।’

উত্তর আরপিন নগর এলাকার বাসিন্দা লুকনা বিবি বলেন, ‘আশ্রয়কেন্দ্র থেকে বাড়িত আইলাম দুই দিন অইল। এখন দেখি আবার পানি আইচ্ছে। তিনটা মেয়ে, স্বামী ও শাশুড়ি নিয়া কষ্টের মধ্যে আছি। কাজকাম নাই। মানুষের ঘরে কাজ করিয়া দিন আনি দিন খাই। কিন্তু পানি আইলে আমরা বন্দি।’

সুনামগঞ্জে বাড়ছে সুরমার পানি, দীর্ঘস্থায়ী বন্যার শঙ্কা

সুনামগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী জহুরুল ইসলাম নিউজবাংলাকে বলেন, ‘সুনামগঞ্জ ও মেঘালয়ে বৃষ্টি হওয়ায় সুরমাসহ অন্যান্য নদীর পানি বাড়ছে। তবে এখনও সুরমার পানি বিপৎসীমার ৫ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এক দিন আগে তা ১৪ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে।’

আরও পড়ুন:
সিলেটে বৃষ্টি, আবারও বন্যার শঙ্কা
বন্যার কবলে পৌনে ৬ লাখ শিক্ষার্থী
আসামের বন্যাদুর্গতদের জন্য ২৫ লাখ রুপি দিলেন আমির খান
পানি নামার আগেই আবার বাড়ছে সুনামগঞ্জে
বন্যাদুর্গত এলাকায় কাটা রাস্তায় সেতু বা কালভার্ট নির্মাণের নির্দেশ

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The housewife was killed less than a week after the wedding

সপ্তাহ না যেতেই নববধূ ‘খুন’

সপ্তাহ না যেতেই নববধূ ‘খুন’ বিয়ের এক সপ্তাহের মধ্যেই খুন হলেন দিতি খাতুন। ছবি: সংগৃহীত
নালিতাবাড়ী থানার ওসি বছির আহমেদ বাদল বলেন, ‘ঘটনার তদন্ত চলছে। কী কারণে এ হত্যার ঘটনা ঘটেছে তা এখনও জানা যায়নি। মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য শেরপুর জেলা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।’

শেরপুরের নালিতাবাড়ীতে বিয়ের এক সপ্তাহের মাথায় নববধূকে বাবার বাড়িতে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে।

নালিতাবাড়ী পৌর এলাকার কালিনগর মহল্লায় বুধবার রাত ১০টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

এ ঘটনায় জড়িতের অভিযোগে পুলিশ স্থানীয় রহুল আমিন নামের এক যুবক ও তার ভাবিকে গ্রেপ্তার করেছে। ২৫ বছরের রহুল মাদক সেবন করতেন বলে জানা গেছে।

১৮ বছরের দিতি খাতুন কালিনগর মহল্লার মুছা মিয়ার মেয়ে।

মেয়েকে হত্যার ঘটনায় বৃহস্পতিবার সকালে হত্যা মামলা করেন মুছা মিয়া।

নিউজবাংলাকে এসব তথ্য নিশ্চিত করে নালিতাবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বছির আহমেদ বাদল বলেন, ‘আসামিদের আজ দুপুরে আদালতে তোলা হবে।’

স্বজনদের বরাতে ওসি জানান, এক সপ্তাহ আগে গত বৃহস্পতিবার উপজেলার চেল্লাখালী সন্যাসীভিটা এলাকার খাইরুল ইসলামের সঙ্গে দিতির বিয়ে হয়। বিয়ের পর দিতিকে তার বাবার বাড়ি কালিনগর রেখে খাইরুল কর্মস্থল ঢাকায় চলে যান।

বুধবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে একই এলাকার রহুল আমিন তার ভাবি রাহেলাকে নিয়ে দিতিদের বাড়িতে যান। এ সময় রাহেলার ডাক শুনে দরজা খোলার সঙ্গে সঙ্গে রহুল দা দিয়ে দিতির মাথায় কুপিয়ে পালিয়ে যান।

পরে স্বজনরা তাকে উদ্ধার করে নালিতাবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় চিকিৎসক ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠাতে পরামর্শ দেন। ময়মনসিংহ নেয়ার পথে রাত সাড়ে ১০টার দিকে নকলা উপজেলায় দিতির মৃত্যু হয়।

সপ্তাহ না যেতেই নববধূ ‘খুন’
গৃহবধূকে খুনের মামলায় গ্রেপ্তার রুহুল আমিন। ছবি: নিউজবাংলা

ওসি বলেন, ‘খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে রাহেলাকে আটক করে ও রহুল আমিনকে খুঁজতে থাকে। পরে রাত সাড়ে ১১টার দিকে রহুল আমিন নিজেই ঘটনাস্থলে পুলিশের কাছে এসে হত্যার কথা স্বীকার করে।’

এ ঘটনায় দিতির মা মনোয়ারা বেগম জানান, রাতের খাওয়া শেষে তারা ঘুমাতে যাচ্ছিলেন। এ সময় রাহেলা এসে ঘরের দরজা খুলতে বলেন। দিতি দরজা খোলা মাত্রই রহুল তাকে কুপিয়ে পালিয়ে যান। পরে রাহেলাও চলে যান। তখন পুলিশে খবর দেয়া হয়।

তিনি বলেন, ‘কী কারণে তারা আমার মেয়েডারে মারল আমরা জানি না। আমার মেয়ের খুনিদের বিচার চাই।’

এদিকে রাতেই ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন নালিতাবাড়ী সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার আফরোজা নাজনীন ও ওসি বাদল।

ওসি বছির আহমেদ বাদল বলেন, ‘ঘটনার তদন্ত চলছে। কী কারণে এ হত্যার ঘটনা ঘটেছে তা এখনও জানা যায়নি। তবে দ্রুতই আমরা আসল ঘটনা উদ্ধার করতে পারব।মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য শেরপুর জেলা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।’

আরও পড়ুন:
ছোট ভাইকে খুনের কথা বলে যুবকের আত্মসমর্পণ
জমি নিয়ে বিরোধে ভাইকে ‘খুন’
‘বন্ধুর ছুরিকাঘাতে’ কলেজছাত্র খুন
কুষ্টিয়ায় ২০ দিনে ৯ খুন
ভাটারায় দুর্বৃত্তের ছুরিকাঘাতে তরুণ খুন

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Voting has been suspended at a center in Vidyanandapur the winner of Andharmani

আন্ধারমানিক ইউনিয়নে জয়ী স্বতন্ত্র, বিদ্যানন্দপুরেও এগিয়ে স্বতন্ত্রপ্রার্থী

আন্ধারমানিক ইউনিয়নে জয়ী স্বতন্ত্র, বিদ্যানন্দপুরেও এগিয়ে স্বতন্ত্রপ্রার্থী
মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা জহিরুল ইসলাম জানান, ভোটের বেসরকারি ফলাফল অনুযায়ী আন্ধারমানিক ইউনিয়ন পরিষদের স্বতন্ত্র প্রার্থী চশমা প্রতীকের নাসির উদ্দিন খোকন ৪২১০ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার বিপরীতে নৌকা প্রতীকের আলাউদ্দিন কবিরাজ ৩৬০১ ভোট পেয়েছেন।

বরিশালের আন্ধারমানিক ইউনিয়নে বিজয়ী হয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী। বিদ্যানন্দপুরেও এগিয়ে আছে স্বতন্ত্র প্রার্থী। তবে বিদ্যানন্দপুরের একটি কেন্দ্রে ৮৯ জনের ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনে (ইভিএম) আঙুলের ছাপ মিল না হওয়ায় ওই কেন্দ্রের ভোটগ্রহণ স্থগিত ঘোষণা করা হয়েছে। স্থগিত কেন্দ্রের ভোট কবে নাগাদ হবে সে সিদ্ধান্ত এখনও নেয়া হয়নি।

জেলার মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলায় আন্ধারমানিক ও বিদ্যানন্দপুর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের এ ভোটগ্রহণ শেষ হয়েছে বুধবার।

মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা জহিরুল ইসলাম বুধবার রাতে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, ভোটের বেসরকারি ফলাফল অনুযায়ী আন্ধারমানিক ইউনিয়ন পরিষদের স্বতন্ত্র প্রার্থী চশমা প্রতীকের নাসির উদ্দিন খোকন ৪২১০ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার বিপরীতে নৌকা প্রতীকের আলাউদ্দিন কবিরাজ ৩৬০১ ভোট পেয়েছেন।

এই ইউনিয়নে শতকরা ৫৭ দশমিক ৭৫ ভাগ ভোট পড়েছে।

বিদ্যানন্দপুর ইউনিয়ন পরিষদের একটি কেন্দ্রের ফলাফল স্থগিত হয়েছে। তবে সেখানে ৩২৫৮ ভোট পেয়ে এগিয়ে আছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী আনারস প্রতীকের শাহে আলম মীর এবং দ্বিতীয় অবস্থানে ২৩৪২ ভোট পেয়ে নৌকা প্রতীকের জব্বার খান।

বিদ্যানন্দপুর ইউনিয়নে মোট ভোটার সংখ্যা নারী-পুরুষ মিলিয়ে বারো হাজার ৯৫ জন এবং আন্ধারমানিকে সতের হাজার ৫১৩ জন ভোটার রয়েছে।

আন্ধারমানিক ইউনিয়নে বিজয়ী স্বতন্ত্র প্রার্থীকে ১২ জুন দল থেকে বহিষ্কার করেছিলেন বরিশাল জেলা আওয়ামী লীগ। সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক তালুকদার মোহাম্মদ ইউনুস বিষয়টি নিশ্চিত করেছিলেন।

এর আগে ১৩ জুন নির্বাচন কমিশন এই দুই ইউনিয়নে নির্বাচনী পরিবেশ না থাকায় ১৫ জুন নির্ধারিত ভোটগ্রহণ স্থগিত করা হয়।

আরও পড়ুন:
এমপি বাহার কুমিল্লাতেই, ইসির নির্দেশ উপেক্ষা
ঢাকার দোহারসহ তিন পৌরসভায় ভোট ২৭ জুলাই
এবার সাতকানিয়ার এওচিয়া ইউপির ভোট স্থগিত
নির্বাচনি আচরণবিধি ভঙ্গ : তিন সাংসদকে সতর্ক করল ইসি
ভোটের প্রচারে বাধা: দুই ডিসিকে প্রতিবেদন দিতে ইসির নির্দেশ

মন্তব্য

p
উপরে