× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ পৌর নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য

বাংলাদেশ
Thats why Ivy repeatedly
hear-news
player
print-icon

যে কারণে আইভী বারবার

যে-কারণে-আইভী-বারবার নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের তিন বারের মেয়র সেলিনা হায়াৎ আইভী। ফাইল ছবি/নিউজবাংলা
সেলিনা হায়াৎ আইভীকেই কেন বারবার বেছে নেয় নারায়ণগঞ্জবাসী? সেটা কী মেয়র হিসেবে তার পারফরম্যান্স, নাকি শামীম ওসমান বিরোধিতা?

উন্নয়ন, সাহসিকতা ও সততা—এই তিন গুণ দিয়ে নবনির্বাচিত মেয়র সেলিনা হায়াৎ আইভী নারায়ণগঞ্জবাসীর মন জয়ের পাশাপাশি আস্থা অর্জনে সফল হয়েছেন বলে মনে করেন নগরের বিশিষ্টজনরা।

তারই ধারাবাহিকতায় এই হ্যাটট্রিক জয় এসেছে বলে মনে করেন তারা। কিন্তু ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের প্রার্থী হয়ে আইভী ভোটযুদ্ধে পাস করলেও এই জয় নৌকার নয় বলে অভিমত তাদের।

রোববার অনুষ্ঠিত হয়েছে নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন নির্বাচনের ভোট। সেই ভোটে মূল প্রতিদ্বন্দ্বী হাতি প্রতীকে স্বতন্ত্র প্রার্থী তৈমূর আলম খন্দকারকে উড়িয়ে দিয়ে বিজয় ছিনিয়ে নেন আইভী। ব্যবধান ছিল ৬৬ হাজার ৯৩১ ভোট। ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনে (ইভিএম) ভোট না হলে এই ব্যবধান আরও বড় হতে পারত বলেও বিজয়ের পর নিজের প্রতিক্রিয়ায় জানিয়েছেন মেয়র আইভী।

আইভীর পথটি অবশ্য মোটেও সহজ ছিল না। তার কারণ নারায়ণগঞ্জের ভোটের সমীকরণ। এখানকার হিসাব-নিকাশ দেশের আর ১০টি এলাকার চেয়ে ভিন্ন। এই জেলার রাজনীতিতে প্রভাবশালী ওসমান পরিবারের সঙ্গে তার প্রকাশ্য বিরোধ মানুষের মুখে মুখে ফেরে। আর সেই বিরোধ হয়ে ওঠে নির্বাচনে মূল আলোচ্য বিষয়।

২০১৬ সালে সিটি নির্বাচনে দলীয় প্রতীক ব্যবহারের অনুমতি এলে আওয়ামী লীগ আস্থা রাখেন আইভীর ওপর। সেই নির্বাচনে ধানের শীষের প্রার্থী বিএনপি নেতা সাখাওয়াত হোসেনকে ৭৪ হাজার ভোটের ব্যবধানে হারান আইভী।

নারায়ণগঞ্জ পৌরসভাকে সিটি করপোরেশনের মর্যাদা দেয়ার পর প্রথম নির্বাচন হয় ২০১১ সালে। সেই নির্বাচনে আওয়ামী লীগ পরিবারের সদস্য হলেও দলের সমর্থন বঞ্চিত হন আইভী। কিন্তু তৎকালীন পৌর মেয়র স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে মাঠে থাকেন। প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন আওয়ামী লীগ সমর্থিত হেভিওয়েট প্রার্থী শামীম ওসমানের বিরুদ্ধে। নির্বাচনের মাঠে পারিবারিক দ্বন্দ্ব হয়ে ওঠে প্রকাশ্য। নির্বাচনে কী হবে না হবে তা নিয়ে জল্পনা-কল্পনার শেষ ছিল না। কিন্তু শেষ পর্যন্ত লাখো ভোটের ব্যবধানে শামীম ওসমানকে পরাস্ত করে নারায়ণগঞ্জের ইতিহাসের প্রথম মেয়র নির্বাচিত হন আইভী।

এমনকি তার আগে যে পৌরসভা ছিল, তারও নির্বাচিত চেয়ারম্যান ছিলেন তিনি। এখন পর্যন্ত নির্বাচনে অংশ নিয়ে পরাজয়ের স্বাদ নিতে হয়নি আইভীকে। ওই সময়ের জেলা বিএনপির সহসভাপতি নূর ইসলামকে হারিয়ে পৌরসভার নেতৃত্ব নেন তিনি।

সেলিনা হায়াৎ আইভী বলেন, ‘সব কটি নির্বাচন ছিল চ্যালেঞ্জিং। এটিও তার চেয়ে কম নয়। একেকটার ধরন একেক রকম। আমি এত চ্যালেঞ্জের কথা বলতে চাই না। নির্বাচন মানেই প্রতিদ্বন্দ্বিতা-প্রতিযোগিতা।’

কোন জাদুমন্ত্রে তিনি নারায়ণগঞ্জবাসীকে মুগ্ধ করে রেখেছেন, জয় নিশ্চিত হওয়ার পর প্রশ্নটি রাখা হয় সেলিনা হায়াৎ আইভীর কাছে।

মৃদু হেসে নবনির্বাচিত এই মেয়র বলেন, ‘আমার যত কিছু হয়েছে বা অতীতেও যে বিজয় হয়েছে, সব কিছুর মূলে কিন্তু আমার জনশক্তি, জনস্রোত এবং জনসমর্থন। জনসমর্থন যদি না থাকত, তাহলে আমি নারায়ণগঞ্জে দাঁড়িয়ে থাকতে পারতাম না।’

কেন এই জনসমর্থন তার ব্যাখ্যাও দাঁড় করিয়েছেন নৌকা প্রতীকের এই বিজয়ী।

আইভী বলেন, ‘এটা সত্যি যে, জনগণের যে আস্থা আমার প্রতি, তার কারণ মানুষকে কখনও মিথ্যে বলিনি, কখনও অযথা আশ্বাস দিইনি। আমি গতানুগতিকের বাইরে গিয়ে যে আপনাদের সঙ্গে মিশেছি, কাজ করেছি, যেটা পেরেছি সেটা করেছি, যেটা পারিনি সেটা বলিনি। সবচেয়ে বড় কথা হলো নিঃস্বার্থভাবে মানুষকে ভালোবেসেছি, মানুষ প্রতিবারই আমাকে প্রতিদান দিয়েছে।’

আইভীর এই সাফল্যকে উন্নয়ন, সাহসিকতা ও সততার মেলবন্ধন মনে করে নারায়ণগঞ্জে সুশাসনের জন্য নাগরিকের (সুজন) সাধারণ সম্পাদক ধীমান সাহা জুয়েল বলেন, ‘এটা খুব সহজ জিনিস। প্রথমত তার কাজ, এটি খুব গুরুত্বপূর্ণ। বিগত দিনে তিনি মানুষের কল্যাণে অনেক কাজ করেছেন। এটি উন্নয়ন বলি বা অন্য যেভাবেই সংজ্ঞায়িত করি। এটা নগরবাসীর কাছে মুখ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে।’

সাফল্যের দ্বিতীয় কারণ হিসেবে ধীমান সাহা বলছেন, সেলিনা হায়াৎ আইভীর সততার কথা।

তিনি বলেন, ‘এসব কাজের পেছনে তার সততা ছিল। একটা মানুষ শতভাগ সৎ হয় না। তিনি ৯৯ পার্সেন্ট সৎ ছিলেন। এটা নগরবাসী দেখেছে। তার কাজের মধ্যে স্বচ্ছতা ছিল, সততা ছিল। সততার পাশাপাশি জবাবদিহিও ছিল।

‘আমরা দেখেছি, মেয়র আইভীর পেছনে প্রতিপক্ষের অন্তত ১০০টা ক্যামেরা লাগানো ছিল। এখানে আমি আক্ষরিক ক্যামেরার কথা বলছি না, দৃষ্টিকে বুঝিয়েছি। এত কিছুর পরও তিনি তার কাজটি করে গেছেন। তাই সততা ও স্বচ্ছতার বিষয়ে আমার কিছু বলার আছে বলে মনে হয় না।’

আইভীর ‘সাহস’ তাকে অন্য একটি উচ্চতায় নিয়েছে বলেও মত তার।

ধীমান সাহা জুয়েল বলেন, ‘কোনো একটি কাজ করতে গিয়ে যদি একটা বিল্ডিং ভাঙতে হয় বা কারও একটু ক্ষতি হয়ে যায়, তারপরও দশজনের কল্যাণের জন্য কাজটা তিনি করেছেন। এই সাহসটা অন্য কোনো জনপ্রতিনিধির মধ্যে দেখা যায় না।’

নারায়ণগঞ্জের প্রভাবশালী শামীম ওসমানের সঙ্গে বিরোধের প্রসঙ্গ টেনে ধীমান সাহা বলেন, ‘সাহস দুই ধরনের। একটি হচ্ছে কাজ করার সাহস। আরেকটি হচ্ছে নারায়ণগঞ্জের একটি অশুভ শক্তির বিরুদ্ধে লড়াই করার যে সাহস। সৎ থেকে, কাজ করে, শুভ শক্তির সঙ্গে থেকে অশুভ শক্তির বিরুদ্ধে লড়াই করা। অশুভ শক্তি প্রতিটা জেলায়ই আছে। প্রতিটা জেলায়ই একাধিক অশুভ শক্তি থাকে। পাশাপাশি শুভ শক্তিও থাকে। শুভ শক্তিদের যে সম্মিলন, অশুভ শক্তিকে পরাভূত করার যে সাহস, লড়াই করার যে সাহস, তা আইভীর মধ্যে আছে।’

আর তাই আইভী জনমানুষের হৃদয়ে আছে জানিয়ে ধীমান সাহা জুয়েল বলেন, ‘গতকাল এর প্রতিফলন আমরা দেখেছি, মানুষের ভোটাধিকার প্রয়োগের মাধ্যমে।’

নারায়ণগঞ্জ নাগরিক কমিটির সাধারণ সম্পাদক জাহিদুল করিম দীপু মনে করেন উন্নয়ন, সন্ত্রাস বিরোধিতা আর তরুণদের কাছে টানতে পারার ক্ষমতার দিক বিবেচনায় নিলে, অন্য যে কোনো প্রার্থীর চেয়ে এগিয়ে সেলিনা হায়াৎ আইভী।

তিনি বলেন, ‘এটা স্থানীয় সরকার নির্বাচন। এখানে মানুষ উন্নয়ন চায়। এখানে উন্নয়নের জয় হয়েছে। উনি দৃশ্যমান উন্নয়ন অনেক করেছেন, আমরা দেখেছি।’

দীপু বলেন, ‘নারায়ণগঞ্জের বাস্তবতায় সন্ত্রাসবিরোধী যে অবস্থান, সেটা একটা ব্যাপার। তিনি একজন ভিশনারি মেয়র। ছোট করে হলেও ভবিষ্যতে কী কী করবেন তার ঘোষণা দিয়েছেন। তার মধ্যে ছিল সবুজবান্ধব নগরী গড়া, যেটাকে আমরা বলছি গ্রিন কনসেপ্ট।’

গ্রিন কনসেপ্টই তরুণদের কাছে টানার কৌশল বলে মনে করেন এই বিশ্লেষক। তিনি বলেন, ‘আমরা যারা বয়স্ক ভোটার, তারা এতটা বুঝি না। আমরা হয়তো গ্রিন কনসেপ্ট মানে গাছ লাগানো বুঝি। কিন্তু যারা তরুণ ভোটার, তাদের জন্য বিষয়টা জরুরি। তারা এই বিষয়গুলো আমলে নিয়েছে বলে আমি মনে করি।’

আইভীর পারিবারিক পরিচয়কেও বড় করে দেখছেন দীপু। তিনি বলেন, ‘তার পরিবারের ভক্ত যারা আছেন, তারা সংখ্যায় বিশাল, যারা ওনার বাইরে যাবে না।’

বন্দরকে মূল শহরের সঙ্গে সংযুক্ত করতে শীতলক্ষ্যা নদীতে সেতু তৈরি নারায়ণগঞ্জবাসীর প্রাণের দাবি। অন্তত নির্বাচনের মাঠে মানুষের সঙ্গে কথা বলে তার গুরুত্ব বোঝা গেছে।

জাহিদুল করিম দীপু বলেন, ‘আমাদের ছোটবেলা থেকে একটা দাবি ছিল কদম রসুল ব্রিজ। তিনি এর ব্যাপারে বলেছেন, আগামী তিন মাসের মধ্যে ব্রিজটির কাজের উদ্বোধন হবে বলে আশা করছেন।’

এ ছাড়া সামাজিক বাস্তবতায় নারীদের অকুণ্ঠ সমর্থন পেয়েছেন সেলিনা হায়াৎ আইভী।

তবে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে তার পাস করাকে নৌকার বিজয় বলতে নারাজ তিনি। বলেন, ‘সাংস্কৃতিক জোট একটা লিফলেট করেছে, যেখানে কোনো মার্কা নেই। বর্তমান যে অবস্থা, সেখানে বিভিন্ন কারণে মানুষের নৌকা প্রতীকের প্রতি অনীহা আছে। কিন্তু আইভী এর ঊর্ধ্বে। লিফলেটেও বলা হয়েছে, আইভীকে সর্বস্তরের মানুষ ভোট দিবে এবং সেভাবেই আইভীর জয় হবে।’

নারায়ণগঞ্জের সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব রফিউর রাব্বি বলেন, ‘মানুষ আইভীকে ভোট দিয়েছে দুর্বৃত্তায়নের বিরুদ্ধে তার সাহসিকতা ও গত ১০ বছরে যে দৃশ্যমান উন্নয়ন করেছেন সে জন্য।’

সব গুণ বাদ রেখে সেলিনা হায়াৎ আইভীর নারায়ণগঞ্জবাসীর উন্নয়নে নিবেদিতপ্রাণ হয়ে কাজ করাকে এগিয়ে রাখলেন নারায়ণগঞ্জ মহিলা পরিষদের সভাপতি লক্ষ্মী চক্রবর্তী।

তিনি বলেন, ‘যেটা দৃশ্যমান দেখি, যেটা অনুভব করি, সেটা হলো কাজ। নিজের কর্মক্ষেত্র দিয়েই তো মানুষের পরিচয়। কাজই তাকে আর সবার চেয়ে এগিয়ে রেখেছে। সিটি করপোরেশন বলি, ইউনিয়ন পরিষদ সবখানেই তো পাবলিক ফাংশন। মানুষ আসলে কাজ দিয়েই মূল্যায়ন করে।’

আরও পড়ুন:
টানা জয়েও ভোটে ভাটা আইভীর
তৈমূর কি এখন ট্রাইব্যুনালে যাবেন?
তৈমূরের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ কী
আইভীকে মিষ্টিমুখ করালেন তৈমূর
‘নারায়ণগঞ্জে উন্নয়নবিমুখ রাজনীতির চরম ভরাডুবি’

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Home teacher jailed for trying to rape child in Parshuram

পরশুরামে শিশুকে ধর্ষণচেষ্টা, গৃহশিক্ষক কারাগারে

পরশুরামে শিশুকে ধর্ষণচেষ্টা, গৃহশিক্ষক কারাগারে
পরশুরাম মডেল থানার ওসি বলেন, ফেনীর সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ফাতেমা তুজ জোহরার আদালতে শিশুটির জবানবন্দি নেয়া হয়। পরে আদালত আফাজ উদ্দিনকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেয়।

ফেনীর পরশুরাম উপজেলায় এক শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে গৃহশিক্ষককে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

ওই গৃহশিক্ষকের বাড়ি উপজেলার মির্জানগর ইউনিয়নে। শিশুটি স্থানীয় একটি বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রী।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রতিদিনের মতো রোববার সন্ধ্যায় শিশুটির বাড়িতে পড়াতে যান গৃহশিক্ষক আফাজ উদ্দিন। শিশুটিকে পড়ানোর সময় তার মা পাশের ঘরে চলে যান। এ ফাঁকে আফাজ উদ্দিন শিশুটিকে ধর্ষণের চেষ্টা করেন। এক পর্যায়ে শিশুটির চিৎকার শুনে মা ঘরে এসে বিষয়টি জানতে পারেন। তখন তিনি প্রতিবেশীদের ডেকে গৃহশিক্ষকের অপকর্মের কথা জানান।

স্থানীয়রা তাৎক্ষণিক জাতীয় জরুরি সেবা নম্বরে (৯৯৯) কল করে বিষয়টি জানান। পরশুরাম থানা পুলিশ ওই বাড়িতে গিয়ে গৃহশিক্ষককে আটক করে থানায় নিয়ে যায়।

রাতেই শিশুটির মা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে পরশুরাম থানায় একটি মামলা করেন। ওই মামলায় আফাজ উদ্দিনকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়।

সোমবার আদালতে তুললে বিচারক তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

পরশুরাম মডেল থানার ওসি সাইফুল ইসলাম বলেন, ফেনীর সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ফাতেমা তুজ জোহরার আদালতে শিশুটির জবানবন্দি নেয়া হয়। পরে আদালত আফাজ উদ্দিনকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেয়।

আরও পড়ুন:
ধর্ষণ মামলার সাজাপ্রাপ্ত আসামি গ্রেপ্তার
ধর্ষণ-মানবপাচারের অভিযোগে গ্রেপ্তার ৩
বন্ধুকে বেঁধে তার স্ত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ
পাঁচবিবিতে শিশু ‘ধর্ষণচেষ্টা’ মামলায় গ্রেপ্তার
ডাকাতি করতে গিয়ে ‘ধর্ষণ’

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The body of the college student was hanging on the ceiling fan in the mess

মেসে সিলিং ফ্যানে ঝুলছিল ক‌লেজছাত্রীর দেহ

মেসে সিলিং ফ্যানে ঝুলছিল ক‌লেজছাত্রীর দেহ ব‌রিশা‌ল নগরীতে মেস থে‌কে এক ক‌লেজছাত্রীর মরদেহ উদ্ধার ক‌রে‌ছে পু‌লিশ। ছবি: নিউজবাংলা
ব‌রিশাল কোতোয়ালি ম‌ডেল থানার ও‌সি লোকমান হো‌সেন জানাান, দরজা ভে‌ঙে ছাত্রীর মরদেহ উদ্ধার করা হ‌য়ে‌ছে। হত্যা না কি আত্মহত্যা তা নি‌শ্চিত হওয়া যায়‌নি। ছাত্রীর মোবাইল ফোন‌ জব্দ করা হ‌য়ে‌ছে।

ব‌রিশা‌ল নগরীতে মেস থে‌কে সান ই জাহান জু‌য়েনা নামের ক‌লেজছাত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার ক‌রে‌ছে পু‌লিশ।

সোমবার রাত ৯টার দিকে নগরীর ব্রজ‌মোহন ক‌লে‌জের মস‌জি‌দের গে‌টের সাম‌নের গ‌লির আইনুন ভিলা থে‌কে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

১৮ বছর বয়সী জু‌য়েনা সরকা‌রি ব‌রিশাল ক‌লে‌জের দ্বাদশ শ্রেণীর বিজ্ঞান বিভা‌গের ছাত্রী। তিনি পি‌রোজপু‌রের নেছারাবা‌দের সোহাগদল এলাকার মাসুম ফরাজীর মে‌য়ে।

জু‌য়েনা আইনুন ভিলার চতুর্থ তলার ৪০৪ নম্বর রু‌মে দেড় বছর ধ‌রে ভাড়া থাক‌তেন।

আইনুন ভিলার কেয়ার‌টেকার ম‌র্জিনা বেগম ব‌লেন, ‘সন্ধ্যায় মে‌য়ে‌দের চিৎকার শু‌নে দরজার ওপর থে‌কে দেখ‌তে পাই সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ওড়না পে‌চি‌য়ে ঝু‌লে আছে ওই ছাত্রী। প‌রে পু‌লিশে কল দেই।’

বাড়ির মা‌লিক আইনুন বেগম ব‌লেন, ‘প্রায় দেড় বছর ধ‌রে এই মে‌য়ে ভাড়া থা‌কে এখা‌নে। কখনো স‌ন্দেহজনক কোনো বিষয় চো‌খে প‌ড়েনি।’

পু‌লি‌শ জানায়, ওই ছাত্রীর হা‌তে ব্লেড দি‌য়ে কাটা অ‌নেকগু‌লো দাগ পাওয়া গে‌ছে।

ব‌রিশাল কোতোয়ালি ম‌ডেল থানার ও‌সি লোকমান হো‌সেন জানাান, দরজা ভে‌ঙে ছাত্রীর মরদেহ উদ্ধার করা হ‌য়ে‌ছে। হত্যা না কি আত্মহত্যা তা নি‌শ্চিত হওয়া যায়‌নি। ছাত্রীর মোবাইল ফোন‌ জব্দ করা হ‌য়ে‌ছে। ঘটনার তদন্ত চলছে।

আরও পড়ুন:
বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রীকে মারধর, অভিযুক্ত ইউ‌পি সদস্য গ্রেপ্তার
ঢাবির ছাত্রী হলে বিবাহিতদের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার
স্বামীর বিরুদ্ধে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রীকে হত্যার অভিযোগ  
মাদ্রাসার ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা
সড়কের গর্তে মোটরসাইকেল, লরির চাকায় পিষ্ট কলেজছাত্রী

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The robber Sardar was killed in the shelling

গোলাগুলিতে ‘ডাকাত সরদার’ নিহত

গোলাগুলিতে ‘ডাকাত সরদার’ নিহত চকরিয়ার ডুলাহাজারায় সোমবার রাতে দুই দলের মধ্যে গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। ছবি: নিউজবাংলা
ইউপি চেয়ারম্যান জানান, উমখালী বাজারে রাত পৌনে ১১টার দিকে রহমানের নেতৃত্ব ডাকাত গ্রুপের সঙ্গে আমির হোসেনের গ্রুপের ডাকাতদের গুলিবিনিময় হয়। এ সময় রহমান গ্রুপের লোকজন আমির হোসেনকে কুপিয়ে ও গুলি করে হত্যা করে।

কক্সবাজারের চকরিয়ার ডুলাহাজারায় দুই দলের মধ্যে গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। এ সময় আমির হোসেন নামের একজন নিহত হয়েছেন।

দুই দল ডাকাতের সংঘাতে এক পক্ষের সরদার নিহত হয়েছেন বলে দাবি স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যানের।

সোমবার রাত পৌনে ১১ টার দিকে ডুলাহাজারা ইউনিয়নের উমখালী বাজারে এ ঘটনা ঘটে।

ডুলাহাজারা ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান হাসানুল ইসলাম আদর জানান, দুই দল ডাকাতের মধ্যে গোলাগুলিতে এক পক্ষের সরদার আমির হোসেন নিহত হন।

তিনি নিউজবাংলাকে জানান, উমখালী বাজারে রাত পৌনে ১১টার দিকে রহমানের নেতৃত্ব ডাকাত গ্রুপের সঙ্গে আমির হোসেনের গ্রুপের ডাকাতদের গুলিবিনিময় হয়। এ সময় রহমান গ্রুপের লোকজন আমির হোসেনকে কুপিয়ে ও গুলি করে হত্যা করে।

তিনি আরও জানান, ঘটনার পর এলাকায় আতংক সৃষ্টি করতে বেশ কয়েক রাউন্ড ফাঁকা গুলি ছোড়ে রহমান গ্রুপের লোকজন। আমিরের মরদেহ পুলিশ নিয়ে গেছে। র‍্যাব-পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনেছে।

কক্সবাজার র‍্যাব-১৫ এর উপঅধিনায়ক মেজর মঞ্জুর মেহেদী ইসলাম জানান, এলাকার পরিস্থিতি এখন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। অস্ত্রধারীদের ধরতে অভিযান চলছে।

আরও পড়ুন:
চলন্ত বাসে ডাকাতির চেষ্টা: পুলিশের মামলা
চলন্ত বাসে ‘ডাকাতকে’ পিটুনি: হাসপাতালে মৃত্যু
পুলিশের সাহসিকতায় বাঁচল ‘ডাকাতকবলিত’ বাসের যাত্রীরা
গৃহবধূকে কুপিয়ে জখম, টাকা-স্বর্ণালংকার লুট
মধ্যরাতে মহাসড়কে ডাকাতির অভিযোগ

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The schoolgirl was injured in the attack of Chhatra League in the procession of Chhatra Dal

ছাত্রদলের মিছিলে ছাত্রলীগের হামলা, স্কুলছাত্রী আহত

ছাত্রদলের মিছিলে ছাত্রলীগের হামলা, স্কুলছাত্রী আহত হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে ছাত্রলীগ।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, একই ইস্যুতে সকাল ১০টার দিকে জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক আল হেলাল নয়নের নেতৃত্বে একটি বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। এ খবর ছড়িয়ে পরলে বেলা সাড়ে ১০টার দিকে জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক সালাহ উদ্দিন খান হিরার নেতৃত্বে একটি মিছিল শহরে মহড়া দেয়।

পটুয়াখালীতে ছাত্রদলের বিক্ষোভ মিছিলে হামলার অভিযোগ উঠেছে ছাত্রলীগের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় মেহেরিন আফরোজ সারিকা নামে ষষ্ঠ শ্রেণির এক শিক্ষার্থী আহত হয়েছে।

সোমবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে শহরের কলেজরোড এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। পরে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আল-আমিন হওলাদারের বাসা থেকে তিনটি মোটরসাইকেল জব্দ করে থানায় নিয়ে যায়।

বিষয়টি নিশ্চিত করে সদর থানার ওসি মো. মনিরুজ্জামান জানান, কাগজপত্র না থাকায় মোটরসাইকেল তিনটি থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। এ ছাড়া দুই পক্ষের মধ্যে সামান্য উত্তেজনা দেখা দিলে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে পরিবেশ স্বাভাবিক আছে।

পটুয়াখালী জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আল-আমিন হাওলাদারের অভিযোগ, খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে কটূক্তি এবং কেন্দ্রীয় ছাত্রদল সভাপতির ওপর হামলার প্রতিবাদে তারা মিছিল বের করেন। মিছিলটি কলেজের সামনে দিয়ে সদররোড়ে যাওয়ার সময় ছাত্রলীগের কর্মীরা হঠাৎ হামলা চালায়। এ সময় ছাত্রদলকর্মীরা আশপাশের এলাকায় আশ্রয় নিলে ছাত্রলীগ কর্মীরা ওই এলাকার বাসাবাড়িতেও ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করে।

আল-আমিন আরও জানান, ঘটনার পর পুলিশ তার বাসায় গিয়ে ৩টি মোটরসাইকেল জোর করে নিয়ে গেছে।

ছাত্রদলের মিছিলে ছাত্রলীগের হামলা, স্কুলছাত্রী আহত
হামলার পর ছাত্রদল নেতার বাসা থেকে তিনটি মোটরসাইকেল থানায় নিয়ে যায় পুলিশ

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, একই ইস্যুতে সকাল ১০টার দিকে জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক আল হেলাল নয়নের নেতৃত্বে একটি বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। এ খবর ছড়িয়ে পরলে বেলা সাড়ে ১০টার দিকে জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক সালাহ উদ্দিন খান হিরার নেতৃত্বে একটি মিছিল শহরে মহড়া দেয়।

এর আধা ঘন্টা পর জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আল-আমিনের নেতৃত্বে ওই মিছিলটি বের হয়ে কলেজ রোড এলাকা অতিক্রমের সময় ছাত্রলীগকর্মীরা কলেজ থেকে বের হয়ে হামলা চালায় এবং মিছিলটিকে ছত্রভঙ্গ করে দেয়। ছাত্রলীগের এই দলটিকে সে সময় নেতৃত্ব দিচ্ছিলেন জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সভাপতি হৃদয় আশিষ, সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক তানভির হাসান আরিফ ও সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক সালাহ উদ্দিন খান হিরা। এ সময় ছাত্রদলের বেশ কয়েকজন কর্মীকে আহত অবস্থায় ঘটনাস্থল ত্যাগ করতেও দেখা গেছে।

তবে ওই হামলার ঘটনায় বাসা থেকে স্কুলে যাবার পথে লাঠির আঘাতে আহত হয়েছে পটুয়াখালী সরকারী বালিকা বিদ্যালয়ের ৬ষ্ঠ শ্রেনীর শিক্ষার্থী মেহেরিন আফরোজ সারিকা। ঘাড়ে লাঠির আঘাত লাগলে স্থানীয়দের সহায়তায় তাকে পটুয়াখালী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে বাসায় পাঠানো হয়েছে। কার লাঠির আঘাতে সারিকা আহত হয়েছে সে সম্পর্কে কিছু জানা যায়নি।

এদিকে হামলার পর এর প্রতিবাদে ডিসি কোর্ট এলাকায় আরেকটি বিক্ষোভ মিছিল বের হয় জেলা ছাত্রদলের সহ-সভাপতি মেহেদি হাসান শামিম চৌধুরীর নেতৃত্বে।

সদর থানার ওসি মনিরুজ্জামান জানান, পুলিশ কোনো লাঠিচার্জ করেনি। তা ছাড়া ঘটনার সময় কোনো শিক্ষার্থী আহত হয়েছে কি-না এমন কোনো খবরও তার জানা নেই।

আরও পড়ুন:
বিপথগামী তারুণ্য ও আদর্শহীন রাজনীতি
ছাত্রদলের নতুন সভাপতি, সম্পাদক বেছে নিলেন তারেক
ছাত্রদলের ওপর ছাত্রলীগের হামলার অভিযোগ
২ বছর পর বরিশাল মহানগর ছাত্রদলের পূর্ণাঙ্গ কমিটি
আলটিমেটামের ২ মিনিটেই শহীদ মিনার ছাড়ল ছাত্রদল

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Chhatra Dal leaders and activists have been beaten and evicted from campus RU Chhatra League president

রাবিতে ছাত্রদলকে পিটিয়ে ক্যাম্পাসছাড়া করল ছাত্রলীগ

রাবিতে ছাত্রদলকে পিটিয়ে ক্যাম্পাসছাড়া করল ছাত্রলীগ রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে সোমবার বিকেলে হামলায় আহত ছাত্রদল নেতাদের হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। ছবি: নিউজবাংলা
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগ সভাপতি গোলাম কিবরিয়া বলেন, ‘ক্যাম্পাসে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির জন্য ওরা মিটিং করছিল। সেটা দেখে ছাত্রলীগের রুহুল ও শাকিলের নেতৃত্বে কিছু ছেলে তাদের পিটুনি দিয়ে ক্যাম্পাস থেকে বের করে দিয়েছে।’

ছাত্রদল নেতাকর্মীদের পিটিয়ে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাবি) ক্যাম্পাস থেকে বের করে দিয়েছে ছাত্রলীগ। এ ঘটনায় ছাত্রদলের দুই নেতা আহত হয়েছেন।

ছাত্রদল নেতাকর্মীদের পিটুনি দিয়ে ক্যাম্পাস থেকে বের করে দেয়ার ঘটনা অকপটে স্বীকার করেছেন বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি।

সোমবার বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের বুদ্ধিজীবী চত্বরের পাশে ছাত্রদলের টেন্টে এই হামলার ঘটনা ঘটে।

আহত দুজন হলেন রাবি ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক এম এ তাহের ও আহ্বায়ক কমিটির সদস্য জাকির রেজোয়ান।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বিকেলে রাবি ছাত্রদল নেতাকর্মীরা দলীয় টেন্টে বসে আড্ডা দিচ্ছিলেন। বিকেল ৫টার দিকে ছাত্রলীগের ১০-১২ জন সেখানে গিয়ে ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের পেটাতে শুরু করেন। এ সময় ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা ক্যাম্পাস ছেড়ে পালিয়ে যান।

রাবি ছাত্রদলের আহ্বায়ক সুলতান আহমেদ রাহী বলেন, ‘রাবি ছাত্রলীগ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের নির্দেশে তাদের নেতাকর্মীরা আমাদের নেতাকর্মীদের ওপর হামলা করে। এতে ছাত্রদলের বেশ কয়েকজন নেতাকর্মী আহত হন। তাদের মধ্যে গুরুতর আহত দুজন রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।’

এ বিষয়ে রাবি ছাত্রলীগ সভাপতি গোলাম কিবরিয়া বলেন, ‘ক্যাম্পাসে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির জন্য ওরা মিটিং করছিল। সেটা দেখে ছাত্রলীগের রুহুল ও শাকিলের নেতৃত্বে কিছু ছেলে তাদের পিটুনি দিয়ে ক্যাম্পাস থেকে বের করে দিয়েছে।’

রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক শামসুর রহমান বিশ্বাস জানান, সন্ধ্যার দিকে এম এ তাহের ও জাকির রেজোয়ান নামে বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই ছাত্র চিকিৎসা নিতে হাসপাতালে আসেন। তাদের মধ্যে তাহেরকে ভর্তি করা হয়েছে। অন্যজনকে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে ছেড়ে দেয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন:
পরীক্ষার হলে লাইভ করা সেই ছাত্রলীগ নেতা আবারও সরব
ছাত্রলীগের পদবঞ্চিতদের বিক্ষোভ
ইডেন কলেজে ছাত্রলীগের কমিটি নিয়ে উত্তেজনা
ছাত্রলীগের সেই তুখোড় নেতারা এখন যেমন
‘পারিবারিক নিয়ম চর্চায়’ রাবির ছাত্রী হলে প্রবেশের নতুন সময়

মন্তব্য

বাংলাদেশ
From fire welding at Square Pharmas factory

স্কয়ার ফার্মার কারখানায় আগুন ‘ওয়েল্ডিং’ থেকে

স্কয়ার ফার্মার কারখানায় আগুন ‘ওয়েল্ডিং’ থেকে
ফায়ার সার্ভিস কর্মকর্তা রেজাউল বলেন, ‘আগুন নেভাতে মূল চ্যালেঞ্জ ছিল কারখানার বিশাল আয়তন। প্রায় ৬০-৭০ হাজার স্কয়ার ফিটের কমপেক্ট কারখানার বহুতল ভবনটিতে সংস্কার ও ওয়েল্ডিংয়ের কাজ চলছিল। সেখান থেকে আগুনের সুত্রপাত হয়ে থাকতে পারে বলে স্থানীয়দের মাধ্যমে জানতে পেরেছি।’

গাজীপুরের কালিয়াকৈরের স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালের কারখানায় ওয়েল্ডিংয়ের কাজ করার সময় আগুন লেগে থাকতে পারে বলে জানিয়েছে ফায়ার সার্ভিস।

আগুন নিয়ন্ত্রণে নেয়ার পর সোমবার রাত ৮টায় সাংবাদিকদের একথা জানান ফায়ার সার্ভিসের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক (অপারেশন) লেফট্যানেন্ট কর্নেল রেজাউল করিম।

তিনি জানান, আগুনে স্যালাইন ও নানা ট্যাবলেট তৈরির বিপুল উপকরণ ও কেমিক্যাল পুড়ে গেছে।

কারখানার লার্জ ভলিউম প্যারেন্টাল ইউনিটে সোমবার দুপুর ১২টার দিকে আগুন লাগে। ফায়ার সার্ভিসের ১৯টি ইউনিটের ৭ ঘণ্টার চেষ্টায় তা নিয়ন্ত্রণে আসে।

ফায়ার সার্ভিস কর্মকর্তা রেজাউল বলেন, ‘আগুন নেভাতে মূল চ্যালেঞ্জ ছিল কারখানার বিশাল আয়তন। প্রায় ৬০-৭০ হাজার স্কয়ার ফিটের কমপেক্ট কারখানার বহুতল ভবনটিতে সংস্কার ও ওয়েল্ডিংয়ের কাজ চলছিল। সেখান থেকে আগুনের সুত্রপাত হয়ে থাকতে পারে বলে স্থানীয়দের মাধ্যমে জানতে পেরেছি।

‘অনেক বড় বিল্ডিং এবং চারিদিক থেকে প্রবেশপথ খুবই স্বল্প ছিল। স্টিল এবং গ্লাসের পার্টিসান ছিল, সেগুলো ভেঙে ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করতে হয়েছে। এ কারণে আগুন নেভাতে বেগ পেতে হয়েছে। এর ফলে দুপুরের দিকে আগুনের ব্যপকতা বেড়ে যায়। বিকেল নাগাদ আমরা আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হই।’

তিনি জানান, এত বড় কোম্পানিতে যে পরিমাণ নিজস্ব অগ্নিনির্বাপন ব্যবস্থা থাকার কথা, তা ছিল কি না সেটি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

আরও পড়ুন:
গ্যাসের লিকেজের আগুনে দগ্ধ আনোয়ারের মৃত্যু
প্রাণ নিয়ে থামল চট্টগ্রাম ইপিজেডের পাশের এলাকার আগুন
২ ঘণ্টায় নিয়ন্ত্রণে পোশাক কারখানার গুদামের আগুন
আগুনে পুড়ছে চট্টগ্রাম ইপিজেডের পাশের এলাকা
পোশাক কারখানার গুদামে আগুন

মন্তব্য

বাংলাদেশ
3 arrested for snatching bank money

ব্যাংকের টাকা ছিনতাই করতে গিয়ে আটক ৩

ব্যাংকের টাকা ছিনতাই করতে গিয়ে আটক ৩ ব্যাংকের টাকা ছিনতাই চেষ্টার দায়ে আটক তিনজন।
জয়পুরহাট থানার ওসি এ কে এম আলমগীর জাহান জানান, আটক তিনজনকে আদালতে পাঠানো হয়েছে। আর ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার হওয়া ১৩ লাখ টাকা আদালতের মাধ্যমে এজেন্ট ব্যাংক নিয়ে যেতে পারবে।

জয়পুরহাটে ইসলামী ব্যাংকের এজেন্ট শাখা ব্যবস্থাপকের কাছ থেকে ১৩ লাখ টাকা ছিনতাইয়ের সময় ধারালো অস্ত্রসহ ৩ ছিনতাইকারীকে আটক করেছে পুলিশ। জয়পুরহাট সদর উপজেলার চান্দা ব্রিজ এলাকা থেকে তাদের আটক করা হয়।

সোমবার এক প্রেস ব্রিফিংয়ে জয়পুরহাট থানার ওসি এ কে এম আলমগীর জাহান এ তথ্য জানিয়েছেন।

আটক ছিনতাইকারীদের মধ্যে ৪০ বছরের জামিউল ইসলাম জেলা শহরের আমতলী এলাকার মৃত মজিবর রহমানের ছেলে, ৩১ বছর বয়সী শামসুজ্জোহা ধানমন্ডি এলাকার রফিকুল ইসলামের ছেলে এবং ৩৪ বছরের সুমন হাজি মাদ্রাসা রোড এলাকার মৃত আফজাল হোসেনের ছেলে।

ওসি আলমগীর জাহান জানান, গত রোববার ইসলামী ব্যাংকের জেলা শাখা থেকে কয়েক লাখ টাকা তুলে জামালগঞ্জের মাহা ট্রেডিং কর্পোরেশনের এজেন্ট ব্যাংকে নেয়া হবে এ কথা এজেন্টের গাড়িচালক সুমন জানতেন। ওই টাকা লুট করতে ছিনতাইকারীদের সঙ্গে পরিকল্পনা করেন তিনি।

রোববার এজেন্ট শাখার ম্যানেজার আবুল হোসেন তার সহকারীকে নিয়ে ব্যাংক থেকে ১৩ লাখ টাকা তুলে মোটরসাইকেলে চড়ে চান্দা ব্রিজ এলাকায় পৌঁছালে পেছন থেকে দুটি মোটরসাইকেলে আসা ৬ জন ধারালো ছুরি দেখিয়ে তাদের পথরোধ করে। একপর্যায়ে চোখে মরিচের গুঁড়া ছিটিয়ে টাকাগুলো ছিনতাইয়ের চেষ্টা করে তারা।

এ সময় ভুক্তভোগীরা চিৎকার শুরু করলে পথচারী ও আশপাশের মানুষ দৌড়ে এসে দুজনকে আটকের পর মারধর করে পুলিশে খবর দেয়।

পুলিশ ওই দুজনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদের পর আরও একজনকে আটক করতে সক্ষম হয়। ওই তিনজনকে আদালতে পাঠানো হয়েছে। আর ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার হওয়া ১৩ লাখ টাকা আদালতের মাধ্যমে এজেন্ট ব্যাংক নিয়ে যেতে পারবে বলেও জানান ওসি।

আরও পড়ুন:
পল্টনে বিএনপি নেতাকে ছুরিকাঘাত
এসএ পরিবহনের হেলপারকে ছিনতাইকারীর ছুরিকাঘাত
রাজধানীতে চাঁদাবাজ-ছিনতাইকারী চক্রের ৫৩ সদস্য গ্রেপ্তার
রাজধানীতে ছিনতাইকারী-অজ্ঞান পার্টির ২৭ সদস্য গ্রেপ্তার
খুন করে অটো ছিনতাই, বিক্রি ৯ হাজারে

মন্তব্য

p
উপরে