× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ পৌর নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য

বাংলাদেশ
Two SIs killed in private car ditch
hear-news
player

প্রাইভেট কার খাদে, ২ এসআই নিহত

প্রাইভেট-কার-খাদে-২-এসআই-নিহত প্রাইভেট কার খাদে পড়ে নিহত হয়েছেন সোনারগাঁ থানার দুজন এসআই। ছবি: নিউজবাংলা
প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাতে এসপি জানান, একটি মামলার কাজে সোমবার বিকেলে আদালতে যাওয়ার পথে দত্তপাড়া এলাকায় একটি গাড়ি পুলিশের গাড়িটি ওভারটেক করতে নেয়। সেটিকে জায়গা করে দিতে গিয়ে পুলিশের গাড়িটি পাশের পুকুরে পড়ে তলিয়ে যায়।

নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে প্রাইভেট কার খাদে পড়ে পুলিশের দুজন উপপরিদর্শক (এসআই) নিহত হয়েছেন।

সোনারগাঁ উপজেলার দত্তপাড়া এলাকায় সোমবার সন্ধ্যায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন সোনারগাঁ থানার দুই উপপরিদর্শক শরিফুল ইসলাম ও কাজী সালেহ আহম্মেদ। তাদের মধ্যে শরিফুলের বাড়ি গোপালগঞ্জের চরভাটপাড়া গ্রামে ও সালেহর বাড়ি ফরিদপুরের ভাঙ্গা থানার মুনসুরাবাদ গ্রামে।

নারায়ণগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোস্তাফিজুর রহমান নিউজবাংলাকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) জায়েদুল আলম নিউজবাংলাকে জানান, রোববার সোনারগাঁয়ের মোগড়াপাড়া এলাকায় একটি প্রাইভেট কার থেকে ৪২ হাজার পিস ইয়াবাসহ এক ব্যক্তিকে আটক করা হয়। পরে থানায় নিয়ে তাদের নামে মামলা দেয়া হয়।

প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাতে এসপি জানান, সেই মামলার কাজে সোমবার বিকেলে আদালতে যাওয়ার পথে দত্তপাড়া এলাকায় একটি গাড়ি পুলিশের গাড়িটি ওভারটেক করতে নেয়। সেটিকে জায়গা করে দিতে গিয়ে পুলিশের গাড়িটি পাশের পুকুরে পড়ে তলিয়ে যায়।

স্থানীয়রা পুকুর থেকে শরিফুল ও সালেহকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন।

আরও পড়ুন:
প্রাইভেট কার খাদে, ২ এসআই নিহত
মাইক্রোর ধাক্কায় পথচারী নিহত
মহেন্দ্রচাপায় বাইক আরোহী নিহত
লেগুনায় বাসের ধাক্কা, চালক নিহত
লরিচাপায় অটোরিকশার দুই যাত্রী নিহত

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
The dead child went out to walk with the father in the pumpkin field

লাউ ক্ষেতে মৃত শিশুটি বাবার সঙ্গে ঘুরতে বেরিয়েছিল

লাউ ক্ষেতে মৃত শিশুটি বাবার সঙ্গে ঘুরতে বেরিয়েছিল লাউয়ের ক্ষেত থেকে সামিউলের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ছবি: নিউজবাংলা
শাজাহানপুর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আব্দুর রউফ বলেন, ‘নিহত সামিউলের মা থানায় এসেছেন। এ ঘটনায় থানায় মামলার প্রস্তুতি চলছে। তবে কাউকে এখনও আটক করা হয়নি। খোঁজ খবর নেয়া হচ্ছে।’

বগুড়ার শাজাহানপুরে উদ্ধার হওয়া মৃত শিশুর নাম সামিউল বলে জানিয়েছে পুলিশ। সে ওই উপজেলার সাজাপুর পূর্বপাড়া তালিমুল কুরআন হাফেজিয়া মাদ্রাসার আবাসিক শিক্ষার্থী ছিল।

মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের দাবি, গত সোমবার সামিউলের সৎ বাবা ফজলু মাদ্রাসা থেকে ঘুরতে যাওয়ার কথা বলে সামিউলকে নিয়ে গিয়েছিলেন।

আট বছর বয়সী সামিউলের মায়ের নাম সালেহা বেগম। শাজাহানপুর উপজেলার মাঝিড়াপাড়া গ্রামের বাসিন্দা তিনি। মাদ্রাসার নথিতে সামিউলের বাবার নাম জাহাঙ্গীর।

মঙ্গলবার বিকেলে সামিউলের নাম পরিচয়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শাজাহানপুর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আব্দুর রউফ।

এর আগে মঙ্গলবার সকালে উপজেলার মানিকদিপা উত্তরপাড়া বটতলা গ্রামের একটি লাউ ক্ষেত থেকে সামিউলের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। প্রাথমিকভাবে তার পরিচয় নিশ্চিত হওয়া না গেলেও পরে খোঁজখবরে বেরিয়ে আসে নাম-ঠিকানা।

সামিউলের মাদ্রাসার ম্যানেজিং কমিটির সাধারণ সম্পাদক রুবেল মণ্ডল বলেন, ‘সোমবার সন্ধ্যায় ফজলু নামে সামিউলের সৎ বাবা তাকে মাদ্রাসা থেকে নিয়ে যান। সামিউলকে নিয়ে তিনি ঘুরতে বের হয়েছিলেন। ফজলু মাঝেমধ্যেই মাদ্রাসায় এসে সামিউলের খোঁজ খবর নিতেন। সামিউলই জানিয়েছিল লোকটি তার সৎ বাবা।’

শাজাহানপুর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আব্দুর রউফ বলেন, ‘নিহত সামিউলের মা থানায় এসেছেন। এ ঘটনায় থানায় মামলার প্রস্তুতি চলছে। তবে কাউকে এখনও আটক করা হয়নি। খোঁজ খবর নেয়া হচ্ছে।’

সকালে শাজাহানপুর থানার ওসি মো. আব্দুল্লাহ আল-মামুন জানিয়েছিলেন, শিশুটিকে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হয়। ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন পাওয়া গেলে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে। তার সঙ্গে কী ঘটেছিল এ বিষয়ে তদন্ত হচ্ছে।

আরও পড়ুন:
লাউয়ের ক্ষেতে শিশুর মরদেহ 
খালে ভাসছিল যুবকের মরদেহ
যুবকের হাত বাঁধা ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার 
ধানক্ষেতে মরদেহ, একজন আটক

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Elderly man killed in clash between two groups

দুই গ্রুপের সংঘর্ষে বৃদ্ধ নিহত

দুই গ্রুপের সংঘর্ষে বৃদ্ধ নিহত প্রতীকী ছবি
লোহাগড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ আবু হেনা মিলন বলেন, ‘মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নড়াইল সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য চারজনকে আটক করা হয়েছে। ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।’

নড়াইলের লোহাগড়ায় সংঘর্ষের সময় এক বৃদ্ধকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে। এসময় আহত দুইজনকে স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য চারজনকে আটক করেছে পুলিশ।

উপজেলার নোয়াগ্রাম ইউনিয়নের শামুকখোলা গ্রামে মঙ্গলবার দুপুর ২টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

লোহাগড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ আবু হেনা মিলন নিউজবাংলাকে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

নিহত ৬০ বছর বয়সী মিজানুর শরীফ শামুককোলা গ্রামের ওয়াদুদ শরীফের ছেলে। আহতরা হলেন ৫৫ বছরের মফিদুল কাজী ও ৬২ বছরের আশরাফ আলী। তাদেরকে লোহাগড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। তারা সবাই আলীম কাজী গ্রুপের লোক বলে জানা গেছে।

স্থানীয়দের বরাতে ওসি জানান, লোহাগড়ার শামুকখোলা গ্রামের আলীম কাজী ও হোসেন কাজীর গ্রুপের লোকজনের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে দ্বন্দ্ব চলে আসছিল। প্রতিপক্ষ গ্রুপের লোকজন সোমবার আলীম কাজী গ্রুপের ওবায়দুর কাজীর একটি গরু ধরে নিয়ে যায়।

এর জেরে মঙ্গলবার দুপুর ২টার দিকে এই দুই গ্রুপের লোকজনের মধ্যে সংঘর্ষ বাঁধে। একপর্যায়ে হোসেন কাজীর লোকজন ভ্যানচালক মিজানুর শরীফের বুকে ধারালো দেশীয় অস্ত্র দিয়ে কোপ মারলে তিনি ঘটনাস্থলেই মারা যান। এসময় মিজানকে বাঁচাতে এগিয়ে এলে আহত হন মফিদুল কাজী ও আশরাফ আলী।

নড়াইলের পুলিশ সুপার প্রবীর কুমার রায় ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।

ওসি নিউজবাংলাকে বলেন, ‘মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নড়াইল সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য চারজনকে আটক করা হয়েছে। ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।’

আরও পড়ুন:
সালাম হত্যার বিচার চায় যুবজোট
ইজিবাইক ছিনতাই করতে হত্যা করা হয় চালককে: পুলিশ
শিশুকে শ্বাসরোধে হত্যার দায়ে ফুপুর যাবজ্জীবন
খালিয়াজুরীতে শিশুকে কুপিয়ে হত্যায় মামলা
ছেলেকে ‘হত্যার’ পর নিজের ফাঁসির দাবি 

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Rifat filed a defamation suit worth Tk 10 crore

১০ কোটি টাকার মানহানি মামলা ঠুকলেন রিফাত

১০ কোটি টাকার মানহানি মামলা ঠুকলেন রিফাত কুমিল্লা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পাওয়া আরফানুল হক রিফাত। ছবি: নিউজবাংলা
প্রার্থী আরফানুল হক রিফাত নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা বানোয়াট সংবাদ প্রকাশ করায় দৈনিক ভোরের কাগজের প্রকাশক সাবের হোসেন চৌধুরী ও সম্পাদক শ্যামল দত্তসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে কুমিল্লার আদালতে ১০ কোটি টাকার মানহানি মামলা করেছি।’

একটি জাতীয় পত্রিকার বিরুদ্ধে ১০ কোটি টাকার মানহানির মামলা ঠুকেছেন কুমিল্লা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী আরফানুল হক রিফাত।

তার পক্ষে কুমিল্লা জেলা ও দায়রা জজ আদালত-১ এ মামলার আবেদন করেন আইনজীবী মাসুদুর রহমান শিকদার।

তিনি বলেন, বিচারক আব্দুল হান্নান মামলাটি গ্রহণ করে সমন জারি করেছেন।

মামলার বিষয়টি নিউজবাংলাকে নিশ্চিত করেছেন কোর্ট পরিদর্শক মুজিবুর রহমান।

কুমিল্লা কোর্ট পুলিশ পরিদর্শক মুজিবুর রহমান জানান, ‘ভোরের কাগজের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। আদেশের অনুলিপি এখনো আমাদের কাছে এসে পৌঁছায়নি।’

গত ১৫ মে ভোরের কাগজে ‘কুমিল্লার শীর্ষ মাদককারবারি রিফাত এখন নৌকার কাণ্ডারি’ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশিত হয়। প্রকাশিত সংবাদে দাবি করা হয়, কুমিল্লার শীর্ষ মাদককারবারিদের একটি তালিকা করেছে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয় ও প্রধানমন্ত্রীর দপ্তার। এই তালিকার প্রথম নামটি কুমিল্লা মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সিটি করপোরেশনে আওয়ামীলীগের প্রার্থী আরফানুল হক রিফাত।

প্রার্থী আরফানুল হক রিফাত নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা বানোয়াট সংবাদ প্রকাশ করায় দৈনিক ভোরের কাগজের প্রকাশক সাবের হোসেন চৌধুরী ও সম্পাদক শ্যামল দত্তসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে কুমিল্লার আদালতে ১০ কোটি টাকার মানহানি মামলা করেছি।’

তিনি বলেন, ‘আমার বিরুদ্ধে প্রকাশিত সংবাদ কোনভাবেই সত্যি নয়। যদি সত্যি হয় তাহলে কেন এর আগে সংবাদ প্রকাশ করেনি। মনোনয়ন জমা দেবার পর কেন করেছে। তার মানে তাদের কোন খারাপ উদ্দেশ্য ছিল। তবে আমরা মহানগর আওয়ামী লীগ এখন ঐক্যবদ্ধ। আমরা সব ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করেই নৌকার বিজয় ছিনিয়ে আনব।’

কুমিল্লা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন রিফাত। মঙ্গলবার দুপুরে মনোনয়ন জমা দেয়ার পর তিনি সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন।

কুমিল্লা সিটি করপোরেশন ২০১১ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। এরপর ২০১২ ও ২০১৭ সালে অনুষ্ঠিত দুই সিটি নির্বাচনে পরাজিত হয় আওয়ামী লীগের প্রার্থীরা। ১৫ জুন তৃতীয় বারের মতো সিটি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

আরও পড়ুন:
কুমিল্লায় আ.লীগের ‘ভূত’ বিএনপির ঘাড়ে
প্রথম পরীক্ষার আগে কঠিন প্রস্তুতি সিইসির
ভোটের প্রচারের আগেই কুমিল্লায় বিজিবি
কুমিল্লায় আ.লীগের ১৪, ‘বিএনপির’ ২
কুমিল্লায় আ. লীগের মনোনয়ন ফরম নিলেন সাংসদ সীমা

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Zia has made a joke about the vote Liton

জিয়া ভোট নিয়ে তামাশা-প্রহসন করে গেছেন: লিটন

জিয়া ভোট নিয়ে তামাশা-প্রহসন করে গেছেন: লিটন
লিটন বলেন, ‘জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তার কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের অনেক মিল রয়েছে। বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের দিনে বিমানবন্দরে যেমন মানুষের ঢল নেমেছিল, তেমনি শেখ হাসিনার প্রত্যাবর্তনের দিনেও বিমানবন্দরে মানুষের ঢল নেমেছিল। শেখ হাসিনা দেশে ফেরার পর তাকে অনেক আন্দোলন-সংগ্রাম করতে হয়েছে। নানা চড়াই উৎরাই পেরিয়ে ক্ষমতায় এসে তিনি মানুষের ভাগ্য উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছেন। বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ছেন।’

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও রাজশাহী সিটি করপোরেশনের মেয়র এ এইচ এম খায়রুজ্জামান লিটন বলেছেন, ‘আজকে বিএনপি গণতন্ত্র নিয়ে, ভোট নিয়ে নানা কথা বলছে। অথচ তাদের প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান ভোট নিয়ে প্রহসন করে গেছেন, গণভোট আয়োজন করে ভোট নিয়ে তামাশা করে গেছেন। রাজাকারদের পৃষ্ঠপোষকতা ও মৌলবাদের উত্থান ঘটিয়েছেন তিনি।’

এমন পরিস্থিতিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশে ফিরে মৌলবাদ-জঙ্গিবাদ থেকে দেশকে মুক্ত করেছেন বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে মঙ্গলবার দুপুরে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ঐতিহাসিক স্বদেশ প্রত্যাবর্তন ও বাংলাদেশের গণতন্ত্র’ শীর্ষক বিশেষ আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন লিটন। রাবির শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ সিনেট ভবনে এ সভার আয়োজন করা হয়।

লিটন বলেন, ‘জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তার কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের অনেক মিল রয়েছে। বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের দিনে বিমানবন্দরে যেমন মানুষের ঢল নেমেছিল, তেমনি শেখ হাসিনার প্রত্যাবর্তনের দিনেও বিমানবন্দরে মানুষের ঢল নেমেছিল। শেখ হাসিনা দেশে ফেরার পর তাকে অনেক আন্দোলন-সংগ্রাম করতে হয়েছে। নানা চড়াই উৎরাই পেরিয়ে ক্ষমতায় এসে তিনি মানুষের ভাগ্য উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছেন। বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ছেন।’

আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য এই সদস্য বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে বারবার হত্যার চেষ্টা করা হয়েছে। সৃষ্টিকর্তা শেখ হাসিনার মাধ্যমেই বাংলাদেশের মানুষের ভাগ্য উন্নয়ন করবেন, তাই তাকে বাঁচিয়ে রেখেছেন।’

তিনি আরও বলেন, ‘দেশের সর্বক্ষেত্রে উন্নয়ন হয়েছে। বাংলাদেশ কখনো শ্রীলংকা হবে না, কারণ শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশের অর্থনীতি স্বাবলম্বী হয়েছে। বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়তে আমরা এগিয়ে যাচ্ছি। বঙ্গবন্ধু মানুষের মুখের হাসি ফোটানোর যে স্বপ্ন দেখেছিলেন, সেই কাজটি বাস্তবায়ন করেছেন তারই সুযোগ্যকন্যা শেখ হাসিনা।’

আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্য প্রফেসর গোলাম সাব্বির সাত্তার। সভায় আলোচক হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য দেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে উপউপাচার্য প্রফেসর চৌধুরী মো. জাকারিয়া ও উপউপাচার্য প্রফেসর মো. সুলতান-উল ইসলাম।

আরও পড়ুন:
তিনি ফিরলেন সব হারানোর দেশে
শেখ হাসিনা ফিরেছিলেন বলেই দেশ এগিয়েছে
অবিনশ্বর ১০ জানুয়ারির ঐতিহাসিক তাৎপর্য
স্বাধীনতার পূর্ণতার দিন
বঙ্গবন্ধু ফিরেই ভবিষ্যতের রূপরেখা দিয়েছিলেন 

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The biggest flood in 16 years in Sylhet

১৮ বছরের মধ্যে সিলেটে সবচেয়ে বড় বন্যা!

১৮ বছরের মধ্যে সিলেটে সবচেয়ে বড় বন্যা!
পাউবো সিলেটের উপসহকারী প্রকৌশলী নিলয় পাশা বলেন, ‘পানি এত বেশি আসছে যে আমাদের বাঁধগুলো উপচে পড়ছে। কিছু কিছু জায়গায় বাঁধ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। পানি অতিরিক্ত থাকায় আমরা সংস্কারকাজও করতে পারছি না।’

১৮ বছর আগে ২০০৪ সালে এমন পানি হয়েছিল। সিলেটে এবারের বন্যা পরিস্থিতি মনে করিয়ে দিল সেই স্মৃতি। গত ১৮ বছরের মধ্যে এবারই সবচেয়ে বড় বন্যা হয়েছে। উজানে বৃষ্টি না থামলে বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতি হবে।

এমন মন্তব্য পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) সিলেট কার্যালয়ের উপসহকারী প্রকৌশলী নিলয় পাশার। পাউবোর এই কর্মকর্তার মন্তব্য থেকেই বোঝা যাচ্ছে, সিলেটে এবারের বন্যার ভয়াবহতা।

থেমে থেমে পানি বেড়ে সিলেটের বেশির ভাগ এলাকাই এখন ভাসছে বন্যায়। জেলা প্রশাসনের হিসাবে সিলেটের ৬টি উপজেলা বন্যায় সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এ ছাড়া পানি উঠে গেছে নগরের বেশির ভাগ এলাকায়ও।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের তথ্য মতে, সিলেটের উজানে ভারতের চেরাপুঞ্জিতে গত পাঁচ দিনে ১২৩৮ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে। অবিরাম বৃষ্টি ঝরছে সিলেটেও। ফলে দ্রুত বাড়ছে নদনদীর পানি।

মঙ্গলবার দুপুর পর্যন্ত সুরমা নদীর পানি অমলসীদ ও কানাইঘাট পয়েন্টে প্রায় ১৫০ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। আর সিলেট সদরে ৩০ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে। পানির তোড়ে জেলার বিভিন্ন এলাকায় ইতোমধ্যেই ভেঙে গেছে ২০টি নদীরক্ষা বাঁধ। এ ছাড়া কুশিয়ারা, সারি ও গোয়াইন নদীর পানিও বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

১৮ বছরের মধ্যে সিলেটে সবচেয়ে বড় বন্যা!
প্লাবিত এলাকা থেকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেয়া হচ্ছে এক বৃদ্ধাকে


পাউবো সিলেটের উপসহকারী প্রকৌশলী নিলয় পাশা বলেন, ‘পানি এত বেশি আসছে যে আমাদের বাঁধগুলো উপচে পড়ছে। কিছু কিছু জায়গায় বাঁধ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। পানি অতিরিক্ত থাকায় আমরা সংস্কারকাজও করতে পারছি না।’

এদিকে আবহাওয়া অধিদপ্তর সিলেটের জ্যেষ্ঠ আবহাওয়াবিদ সাঈদ আহমদ চৌধুরী জানিয়েছেন, আগামী ২৩ জুন পর্যন্ত সিলেটে বৃষ্টি অব্যাহত থাকতে পারে। ফলে বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতি হতে পারে।

মঙ্গলবার দিনভর সিলেট নগরের বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, প্রতি মিনিটেই বাড়ছে পানি। নগরের অন্তত ২০টি এলাকা প্লাবিত হয়েছে। ডুবে গেছে এসব এলাকার সড়ক। বাসাবাড়ি, দোকানপাট, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং বিভিন্ন সরকারি অফিসেও পানি উঠে গেছে।

দুপুরে নগরের তালতলা এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, এই সড়কে হাঁটুর ওপরে পানি জমে গেছে। পানির কারণে সড়কজুড়ে ছিল দীর্ঘ যানজট। পানি ঢুকে কারও কারও গাড়িতে দেখা দিয়েছে ত্রুটি। সড়কের মাঝখানে নিজের সিএনজি অটোরিকশাটিকে ধাক্কাধাক্কি করছিলেন চালক মইনুল হক। তিনি বলেন, ‘সায়লেন্সারে পানি ঢুকে গেছে। এখন আর স্টার্ট হচ্ছে না। ধাক্কা ছাড়া উপায় নাই।’

সোবহানীঘাট এলাকার গৃহিণী আমিনা বেগম বলেন, ‘ঘরের ভেতর পানি ঢুকেছে গতকালই। তখন থেকে বিছানার ওপর আছি। এখন মনে হচ্ছে, বিছানায়ও পানি উঠে যাবে।’

এ অবস্থায় ঘরে রান্না বন্ধ, এমনকি বাথরুমও ব্যবহার করা যাচ্ছে না বলে জানান আমিনা।

১৮ বছরের মধ্যে সিলেটে সবচেয়ে বড় বন্যা!
বন্যায় ডুবে যাওয়া একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান

গত সপ্তাহের মঙ্গলবার রাত থেকেই সিলেটে ভারী বর্ষণ শুরু হয়। এখনও তা চলমান। বুধবার থেকেই সিলেটের নিম্নাঞ্চল তলিয়ে যেতে শুরু করে। আর এখন বন্যা পরিস্থিতি ভয়াবহ রূপ নিয়েছে।

তলিয়ে গেছে জৈন্তাপুর উপজেলার ৬টি ইউনিয়ন। রাস্তাঘাট, ঘরবাড়ি, কমিউনিটি ক্লিনিক ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানেও পানি ঢুকে পড়েছে। এই উপজেলার হেমু ভাটপাড়া এলাকার বাসিন্দা আব্বাস উদ্দিন বলেন, ‘পানি ঘরে ঢুকে গেছে। এখন মাচাংয়ের ওপর দিন কাটছে। বিশুদ্ধ পানি আর শুকনো খাবারের সংকট দেখা দিয়েছে।’

উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, জৈন্তাপুরে এবারের বন্যায় এ পর্যন্ত ৪০ একর বীজতলা পানির নিচে নিমজ্জিত এবং প্রায় ১০০ হেক্টর বোরো ধান তলিয়ে গেছে।

জৈন্তাপুরের ইউএনও আল-বশিরুল ইসলাম বলেন, ‘আমরা এর আগে পানিবন্দি মানুষের মাঝে ত্রাণ ও শুকনো খাবার বিতরণ করেছি। একই সঙ্গে পানি বিশুদ্ধকরণ ট্যাবলেটও বিতরণ করা হচ্ছে। আমরা উপজেলা প্রশাসন পানিবন্দি মানুষের সহায়তায় সার্বক্ষণিক কাজ করতে প্রস্তুত আছি।’

১৮ বছরের মধ্যে সিলেটে সবচেয়ে বড় বন্যা!

বন্যায় জকিগঞ্জ উপজেলার বারহাল, মানিকপুর, কাজলসার, বিরশ্রী ইউনিয়নের অর্ধ লক্ষাধিক মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন বলে খবর পাওয়া গেছে। বারহাল ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোস্তাক আহমদ জানান- তার ইউনিয়নের নোয়াগ্রাম, উত্তর খিলোগ্রাম, চকবারাকুলি, শরীফাবাদ, শাহগলী বাজার ও কচুয়া এলাকা সুরমা নদীর ডাইক ভেঙে তলিয়ে গেছে।

বিরশ্রী ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুস সাত্তার জানান, সুপ্রাকান্দি ও বড়চালিয়া গ্রামের বেড়িবাঁধ যেকোনো সময় ভেঙে পুরো ইউনিয়ন তলিয়ে যেতে পারে।

বেশির ভাগ গ্রামীণ সড়ক তলিয়ে যাওয়ায় জকিগঞ্জের যোগাযোগব্যবস্থাও ব্যাহত হচ্ছে।

এ ছাড়া বন্যায় তলিয়ে গেছে কানাইঘাট, সদর, গোয়াইনঘাট, ফেঞ্চুগঞ্জ ও কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার বেশির ভাগ এলাকাই। এসব এলাকার বেশির ভাগ সড়কই তলিয়ে গেছে। পানি উঠে গেছে কানাইঘাট থানায়ও।

ঘরবাড়ি তলিয়ে যাওয়ায় নিজেদের পাশাপাশি গবাদিপশু নিয়েও বিপাকে পড়েছেন এসব এলাকার বাসিন্দারা।

১৮ বছরের মধ্যে সিলেটে সবচেয়ে বড় বন্যা!

গোয়াইনঘাটের রাধানগর এলাকার বাসিন্দা সাহাদুল ইসলাম বলেন, ‘আমরা না হয় কোথাও গিয়ে আশ্রয় নিলাম। কিন্তু গরুগুলোকে কী করব?’

সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রধান প্রকৌশলী নুর আজিজুর রহমান জানান, বন্যাকবলিতদের জন্য নগরে দুটি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে। এ ছাড়া দুটি মেডিক্যাল টিম গঠন করা হয়েছে। নগরে শুকনো খাবার বিতরণেরও উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

সিলেটের জেলা প্রশাসক মো. মজিবর রহমান বলেন, ‘প্লাবিত প্রতি উপজেলায় আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে। বন্যাকবলিতদের প্রয়োজনীয় খাদ্য সহায়তাও দেয়া হচ্ছে।’

আরও পড়ুন:
বন্যায় নাকাল সাউথ আফ্রিকা, মৃত বেড়ে ২৫০
অস্ট্রেলিয়ায় বন্যায় জরুরি অবস্থা ঘোষণা
৩ ঘণ্টার বৃষ্টিতে বন্যা, ৯৪ মৃত্যু ব্রাজিলে
মালয়েশিয়ায় বন্যায় নিখোঁজ ১০, বাস্তুচ্যুত অন্তত ২১ হাজার
বন্যার ক্ষতিতে সহায়তা গেল ৪ জেলায়

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The body of a child was found in a bamboo bush

বাঁশঝাড়ে পড়ে ছিল নিখোঁজ শিশুর মরদেহ

বাঁশঝাড়ে পড়ে ছিল নিখোঁজ শিশুর মরদেহ
সাভারের আশুলিয়ার কলতাসূতি নয়াবাড়ী এলাকা থেকে মঙ্গলবার দুপুরে একটি জঙ্গল থেকে এক শিশুর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। আশুলিয়া থানার ওসি (তদন্ত) মোহাম্মদ জিয়াউল ইসলাম বলেন, শিশুটি গত দুই দিন ধরে নিখোঁজ ছিলো। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য রাজধানীর শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। রিপোর্ট পেলে মৃত্যুর কারণ জানা যাবে।

নিখোঁজের দুদিন পর বাড়ির পাশের একটি বাঁশঝাড় থেকে ৫ বছর বয়সী এক শিশুর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

সাভারের আশুলিয়ার কলতাসূতি নয়াবাড়ী এলাকা থেকে মঙ্গলবার দুপুরে ওই শিশুর মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

নিহত শিশুর নাম সামিয়া আক্তার। সে কিশোরগঞ্জের করিমগঞ্জ থানাধীন ঝাটিয়াপাড়া এলাকার আব্দুল মতিনের মেয়ে। আশুলিয়ার কলতাসূতি নয়াবাড়ী এলাকার ভাড়া বাসায় বাবা-মায়ের সঙ্গেই থাকত সে।

নিহতের বাবা আব্দুল মতিন বলেন, ‘গত ১৫ মে প্রতিদিনের মতো সামিয়াকে বাসায় রেখে আমি ও তার মা পোশাক কারখানায় যাই। সন্ধ্যায় বাসায় ফিরে সামিয়াকে আর খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। পরে আশুলিয়া থানায় সাধারণ ডায়েরি করি।

‘মঙ্গলবার দুপুরে বাসা থেকে আধা কিলোমিটার দূরে একটি বাঁশঝাড়ে তার মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে পুলিশকে খবর দেয় স্থানীয়রা। এরপর পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।’

আশুলিয়া থানার ওসি (তদন্ত) মোহাম্মদ জিয়াউল ইসলাম বলেন, ভাড়া বাসা থেকে প্রায় আধা কিলোমিটার দূরে একটি বাঁশঝাড় থেকে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য রাজধানীর শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। রিপোর্ট পেলে মৃত্যুর কারণ জানা যাবে।

আরও পড়ুন:
ধান শুকাতে গিয়ে সন্তান হারালেন দুই মা
বাগেরহাটে মাদ্রাসাছাত্র ও বৃদ্ধের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার
ফাঁকা বাড়িতে সাংবাদিকের মায়ের মরদেহ
গৃহবধূকে ‘শ্বাসরোধে হত্যা’
কক্সবাজারে নিখোঁজ পর্যটকের মরদেহ উদ্ধার

মন্তব্য

বাংলাদেশ
27 firearms under the ground of the building under construction

নির্মাণাধীন ভবনের মাটির নিচে ২৭ আগ্নেয়াস্ত্র

নির্মাণাধীন ভবনের মাটির নিচে ২৭ আগ্নেয়াস্ত্র
এসপি বলেন, ‘অস্ত্রগুলো পরিত্যক্ত। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে মুক্তিযুদ্ধের সময় সেগুলো ব্যবহার করা হয়েছিল।’

ঠাকুরগাঁও শহরের আশ্রমপাড়ার একটি নির্মাণাধীন ভবন থেকে ২৭টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করেছে পুলিশ।

মো. হানিফ নামে এক ব্যক্তির ওই ভবন থেকে মঙ্গলবার বেলা ৩টার দিকে সেগুলো উদ্ধার করা হয় বলে ঘটনাস্থল থেকে জানান জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) মোহম্মদ জাহাঙ্গীর হোসেন।

তিনি নিউজবাংলাকে জানান, ভবনের নির্মাণকাজের সময় শ্রমিকরা মাটি খুঁড়লে অস্ত্র দেখতে পান। তারাই পুলিশকে খবর দেন। পুলিশ গিয়ে ২৭টি আগ্নেয়াস্ত্র পায়। আরও অস্ত্র আছে কি না তা বের করতে পুলিশ কাজ করছে।

এসপি বলেন, ‘ভবনের মালিককে খবর দেয়া হয়েছে। তিনি পঞ্চগড়ে থাকায় আসতে দেরি হচ্ছে। আমরা তার জন্য অপেক্ষা করছি।

‘অস্ত্রগুলো পরিত্যক্ত। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে মুক্তিযুদ্ধের সময় সেগুলো ব্যবহার করা হয়েছিল।’

নির্মাণাধীন ভবনের মাটির নিচে ২৭ আগ্নেয়াস্ত্র

শ্রমিকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, বহু বছরের পুরোনো ভবন ভেঙে সেখানে নতুন ভবন নির্মাণ করা হচ্ছে। নাজির হাওলাদার নামে এক বীর মুক্তিযোদ্ধার বাড়ি ছিল সেটি। তার উত্তরসূরিদের কাছ থেকে পুরোনো ভবন কিনে সেখানে নতুন করে বাড়ি বানাচ্ছেন হানিফ।

আরও পড়ুন:
পরিত্যক্ত ঘরে বালিশে অস্ত্র-গাঁজা
অস্ত্র ব্যবসায় নতুন শক্তি ভারত
পিস্তল-গুলিসহ ২ যুবক আটক
রাশিয়ায় জীবাণু অস্ত্রের হামলা পাখির মাধ্যমে!
এত অবৈধ অস্ত্রের চাহিদা কোথায়

মন্তব্য

উপরে