× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
Arrested in case of recovery of body from Bangla College
google_news print-icon

বাঙলা কলেজে মরদেহ: গ্রেপ্তার ২

বাঙলা-কলেজে-মরদেহ-গ্রেপ্তার-২
অভিযানে গ্রেপ্তার দুজনকে রোববার ডিএমপির সংবাদ সম্মেলনে হাজির করা হয়। ছবি: নিউজবাংলা
গত ৫ জানুয়ারি সকাল ১০টার দিকে রুবেল মিয়া লালমনিরহাট সদর এলাকা থেকে নিখোঁজ হন। ১৩ জানুয়ারি সন্ধ্যা ৬টার দিকে সরকারি বাঙলা কলেজের নির্মাণাধীন ১০ তলা ভবনের পঞ্চম তলার ৮১৬ নম্বর কক্ষ থেকে তার অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

রাজধানীর সরকারি বাঙলা কলেজের নির্মাণাধীন ভবন থেকে যুবকের মরদেহ উদ্ধারের মামলায় দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

রোববার সকালে গাজীপুরের শ্রীপুর এবং রাজধানীর মোহাম্মদপুর এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

মো. রুবেল মিয়াকে হত্যার অভিযোগে দারুস সালাম থানার মামলায় ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) মিরপুর গোয়েন্দা বিভাগের অভিযানে গ্রেপ্তার দুজন হলেন আব্দুল জলিল ও আব্দুল মন্নান।

রোববার দুপুরে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে প্রেস ব্রিফিংয়ে এ বিষয়ে বিস্তারিত জানান ডিএমপির যুগ্ম কমিশনার (সাইবার অ্যান্ড স্পেশাল ক্রাইম ও ডিবি-উত্তর) হারুন অর রশীদ।

তিনি বলেন, ‘গত ৫ জানুয়ারি সকাল ১০টার দিকে রুবেল মিয়া লালমনিরহাট সদর এলাকা থেকে নিখোঁজ হন। পরে ১৩ জানুয়ারি সন্ধ্যা ৬টার দিকে সরকারি বাঙলা কলেজের নির্মাণাধীন ১০ তলা ভবনের পঞ্চম তলার ৮১৬ নম্বর কক্ষ থেকে তার অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

‘এ ঘটনায় নিহতের চাচা শুক্রবার দারুস সালাম থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। মামলাটি তদন্ত শুরু করে গোয়েন্দা মিরপুর জোনাল টিম।

পুলিশের এ কর্মকর্তা বলেন, ‘মামলাটি তদন্তকালে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় অভিযান পরিচালনা করে আব্দুল জলিল ও আব্দুল মন্নানকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার আব্দুল জলিল প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার করেছেন, ৯ জানুয়ারি বিকেলে বাঙলা কলেজের ভবন থেকে মোবাইল ফোন ও টাকা চোর সন্দেহে তাকে আটক করেন তারা। একপর্যায়ে হাত রশি দিয়ে বেঁধে একই রশি দিয়ে গলায় ফাঁস দেয়া হয় রুবেলকে। মৃত্যু হলে তাকে ফেলে পালিয়ে যান তারা।’

রুবেল লালমনিরহাট থেকে বাঙলা কলেজে কীভাবে এলেন, এমন প্রশ্নে যুগ্ম কমিশনার হারুন অর রশীদ বলেন, ‘আমরা বিষয়টি নিয়ে এখনও ওভাবে জিজ্ঞাসা করার সুযোগ পায়নি। আসামিদের আদালতে পাঠিয়ে রিমান্ডের আবেদন করা হবে।’

আরও পড়ুন:
ট্যাংকারের ভেতর কম্বল মোড়ানো মরদেহ
ব্রিজের পাশে ব্যবসায়ীর মরদেহ
কচুরিপানায় আটকে ছিল মরদেহটি

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
A woman died among those burnt in a cylinder explosion in Bhashanate

ভাষানটেকে সিলিন্ডার বিস্ফোরণে দগ্ধদের মধ্যে এক নারীর মৃত্য

ভাষানটেকে সিলিন্ডার বিস্ফোরণে দগ্ধদের মধ্যে এক নারীর মৃত্য ফাইল ছবি
শুক্রবার ভোর চারটার দিকে সিলিন্ডার বিস্ফোরণে আগুনে দগ্ধ হন ওই ৬ জন। পরে তাদের উদ্ধার করে শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের ভর্তি করা হয়।

রাজধানীর পশ্চিম ভাষানটেকে গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে দগ্ধ একই পরিবারের দগ্ধ ছয়জনের মধ্যে একজন মারা গেছেন।

শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) শনিবার সকালের চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।

মারা যাওয়া ওই নারী হলেন ৬৫ বছর বয়সী মোছাম্মৎ মেহেরুন্নেছা।

হাসপাতালে এখনও চিকিৎসাধীন রয়েছেন মেহেরুননেছার মেয়ে সূর্য বানু (৪০), মেয়ের জামাই মো. লিটন (৫২) এবং লিটন ও সূর্য বানুর তিন সন্তান লিজা (১৮), সুজন (৮) ও লামিয়া (৭)।

এর আগে শুক্রবার ভোর চারটার দিকে সিলিন্ডার বিস্ফোরণে আগুনে দগ্ধ হন ওই ৬ জন। পরে তাদের উদ্ধার করে শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের ভর্তি করা হয়।

দগ্ধদের বাড়ির কেয়ারটেকার মো. সিফাত জানিয়েছিলেন, মশার কয়েল জ্বালাতে গেলে ঘরের মধ্যে থাকা গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণ ঘটে, এতে একই পরিবারের ছয়জন দগ্ধ হন।

শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক চিকিৎসক তরিকুল ইসলাম জানান, ভাষানটেকের সিলিন্ডার বিস্ফোরণের ঘটনায় ছয়জন বার্ন ইনস্টিটিউটে এসেছিলেন, সকালের দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় এক নারী মারা যান।

তিনি জানান, বাকি দগ্ধদের প্রত্যেকের অবস্থা আশঙ্কাজনক। সূর্য বানুর শরীরের ৮২ শতাংশ, লিটনের ৬৭ শতাংশ. লামিয়ায় ৫৫ শতাংশ, মেহরুন্নেসার ৪৭ শতাংশ, সুজনের ৪৩ শতাংশ ও লিজার ৩০ শতাংশ দগ্ধ।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Today Dhaka is second in the list of cities with polluted air

দূষিত বাতাসের শহরের তালিকায় ঢাকা দ্বিতীয়

দূষিত বাতাসের শহরের তালিকায় ঢাকা দ্বিতীয় ফাইল ছবি
১০১ থেকে ১৫০ এর মধ্যে হলে বাতাসের মান ‘সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর’ , ১৫১ থেকে ২০০ এর মধ্যে একিউআই স্কোরকে ‘অস্বাস্থ্যকর’ বলে মনে করা হয়।

ঈদের ছুটিতে বেশিরভাগ রাস্তাঘাট ফাঁকা থাকলেও রাজধানী ঢাকার বাতাস দূষণমুক্ত হয়নি।

শনিবার সকাল সোয়া ১০টায় একিউআই সূচক ১৭৮ নিয়ে বিশ্বের দূষিত বাতাসের শহরের তালিকায় দ্বিতীয় অবস্থানে উঠে এসেছে ঢাকা। খবর ইউএনবির

এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্স অনুযায়ী, আজ ঢাকার বাতাসকে ‘অস্বাস্থ্যকর’ শ্রেণিকরণ করা হয়েছে।

নেপালের কাঠমান্ডু, ভারতের কলকাতা ও উজবেকিস্তানের তাসখন্দ যথাক্রমে ১৮৮, ১৭৪ ও ১৬৩ একিউআই স্কোর নিয়ে তালিকার প্রথম, তৃতীয় ও চতুর্থ স্থাসে রয়েছে।

১০১ থেকে ১৫০ এর মধ্যে হলে বাতাসের মান ‘সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর’ , ১৫১ থেকে ২০০ এর মধ্যে একিউআই স্কোরকে ‘অস্বাস্থ্যকর’ বলে মনে করা হয়।

২০১ থেকে ৩০০ এর মধ্যে ‘খুব অস্বাস্থ্যকর’ বলা হয়, ৩০১+ একিউআই স্কোরকে ‘ঝুঁকিপূর্ণ’ হিসেবে বিবেচনা করা হয়, যা বাসিন্দাদের জন্য গুরুতর স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করে।

বাংলাদেশে একিউআই নির্ধারণ করা হয় দূষণের ৫টি বৈশিষ্ট্যের ওপর ভিত্তি করে। সেগুলো হলো- বস্তুকণা (পিএম১০ ও পিএম২.৫), এনও২, সিও, এসও২ ও ওজোন (ও৩)।

দীর্ঘদিন ধরে বায়ু দূষণে ভুগছে ঢাকা। এর বাতাসের গুণমান সাধারণত শীতকালে অস্বাস্থ্যকর হয়ে যায় এবং বর্ষাকালে কিছুটা উন্নত হয়।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Sadarghat launch tragedy Five accused on three day remand

সদরঘাট লঞ্চ ট্র্যাজেডি: তিন দিনের রিমান্ডে পাঁচ আসামি

সদরঘাট লঞ্চ ট্র্যাজেডি: তিন দিনের রিমান্ডে পাঁচ আসামি সদরঘাটে এমভি তাসরিফ-৪ লঞ্চটির ছিঁড়ে যাওয়া দড়ির আঘাতেই আশপাশে থাকা পাঁচজন প্রাণ হারান। ছবি: মেহেরাবুল ইসলাম সৌদিপ/নিউজবাংলা
রিমান্ড পাওয়া আসামিরা হলেন এমভি ফারহান-৬ লঞ্চের প্রথম শ্রেণির মাস্টার (চালক) আবদুর রউফ হাওলাদার (৫৪), দ্বিতীয় শ্রেণির মাস্টার (চালক) সেলিম হাওলাদার (৫৪), ম্যানেজার ফারুক খান (৭০), এমভি তাসরিফ-৪ লঞ্চের প্রথম শ্রেণির মাস্টার (চালক) মিজানুর রহমান (৪৮) ও দ্বিতীয় শ্রেণির মাস্টার (চালক) মনিরুজ্জামান (২৮)।

রাজধানীর সদরঘাট টার্মিনালের পন্টুনে দুই লঞ্চের মধ্যে ধাক্কা লেগে রশি ছিঁড়ে পাঁচ যাত্রীর মৃত্যুর ঘটনায় হওয়ায় মামলায় গ্রেপ্তার পাঁচ আসামিকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তিন দিনের রিমান্ডে পাঠিয়েছে আদালত।

পাঁচজনের মধ্যে তিনজন এমভি ফারহান-৬ লঞ্চের মাস্টার ও ম্যানেজার। বাকি দুজন এমভি তাসরিফ-৪ লঞ্চের মাস্টার।

ঢাকার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আরিফা চৌধুরী হিমেল শুক্রবার রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের এ আদেশ দেন।

ওই আদালতের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর আনোয়ারুল কবির বাবুল নিউজবাংলাকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, শুক্রবার সদরঘাট নৌ পুলিশের সদস্যরা আসামিদের আদালতে হাজির করেন। এরপর মামলার সুষ্ঠু তদন্তের জন্য তাদের সাত দিনের পুলিশি রিমান্ডে নিতে আবেদন করেন তদন্তকারী কর্মকর্তা সদরঘাট নৌ থানার উপপরিদর্শক নকীব অয়জুল হক। আসামিদের পক্ষে তাদের আইনজীবীরা রিমান্ড বাতিল চেয়ে জামিন আবেদন করেন। পরবর্তী সময়ে রাষ্ট্রপক্ষ থেকে এর বিরোধিতা করা হয়।

শুনানি শেষে আদালত প্রত্যেক আসামিকে তিন দিনের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের আদেশ দেন।

রিমান্ড পাওয়া আসামিরা হলেন এমভি ফারহান-৬ লঞ্চের প্রথম শ্রেণির মাস্টার (চালক) আবদুর রউফ হাওলাদার (৫৪), দ্বিতীয় শ্রেণির মাস্টার (চালক) সেলিম হাওলাদার (৫৪), ম্যানেজার ফারুক খান (৭০), এমভি তাসরিফ-৪ লঞ্চের প্রথম শ্রেণির মাস্টার (চালক) মিজানুর রহমান (৪৮) ও দ্বিতীয় শ্রেণির মাস্টার (চালক) মনিরুজ্জামান (২৮)।

এর আগে বৃহস্পতিবার রাতে এ ঘটনায় বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) নৌ নিরাপত্তা ও ট্রাফিক বিভাগের যুগ্ম পরিচালক ইসমাইল হোসেন বাদী হয়ে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানায় একটি মামলা করেন।

মামলার এজহারে বলা হয়েছে, বৃহস্পতিবার ২টা ৫৫ মিনিটে সদরঘাট টার্মিনালের ১১ নম্বর পল্টুনে এমভি তাসরিফ-৪ নোঙর করা অবস্থায় এমভি ফারহান-৬-এর চালক বেপরোয়া গতিতে লঞ্চ চালিয়ে ১১ নম্বর পন্টুনে ঢোকার সময় তাসরিফ লঞ্চকে ধাক্কা দেয়। এতে তাসরিফ লঞ্চের রশি ছিঁড়ে যায়। সেটি দ্রুত গতিতে এসে পন্টুনে অপেক্ষমাণ যাত্রীদের আঘাত করলে তারা নদীতে পড়ে যায়। এতে এক পরিবারের তিনজনসহ পাঁচ যাত্রীর মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় ফারহান এবং তাসরিফ লঞ্চের দায়িত্ব অবহেলা আছে।

লঞ্চ ট্র্যাজেডিতে প্রাণ হারিয়েছেন পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া থানার মাটিচোরা গ্রামের প্রয়াত আবদুল মালেকের ছেলে বিল্লাল (৩০), তার স্ত্রী মুক্তা (২৬), তাদের মেয়ে সাইমা (৩)। প্রাণ হারানো বাকি দুজন হলেন পটুয়াখালী সদরের জয়নাল আবেদিনের ছেলে রিপন হাওলাদার (৩৮) এবং ঠাকুরগাঁও সদরের নিশ্চিতপুর এলাকার আব্দুল্লাহ কাফীর ছেলে রবিউল (১৯)।

এ ঘটনায় তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ পরিবহন কর্তৃপক্ষ।

কমিটিকে আগামী পাঁচ কর্মদিবসের মধ্যে বিআইডব্লিউটিএর চেয়ারম্যানের কাছে প্রতিবেদন পেশ করতে বলা হয়েছে।

বিআইডব্লিউটিএর পক্ষ থেকে মৃত প্রত্যেকের নমিনির কাছে দাফন-কাফন বাবদ ২৫ হাজার টাকা করে আর্থিক সহায়তা দেয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন:
সদরঘাটে দুই লঞ্চের সংঘর্ষে পাঁচ যাত্রী নিহত
ঈদের সকালে হরিয়ানায় স্কুলবাস উল্টে ৬ শিশু নিহত, ‘মদ্যপ ছিলেন’ চালক
নোয়াখালীতে সড়ক দুর্ঘটনায় শিশুসহ নিহত ৩
চট্টগ্রামে ট্রাকের পেছনে বাসের ধাক্কা, চালকসহ নিহত ২
শেষ কর্মদিবসে সদরঘাট ছেড়েছে যাত্রীভর্তি লঞ্চ

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Hazaribagh slum fire

হাজারীবাগে বস্তিতে অগ্নিকাণ্ড

হাজারীবাগে বস্তিতে অগ্নিকাণ্ড আগুনে পুড়ল টিনশেড বস্তি। ছবি: সংগৃহীত
ফায়ার সার্ভিসের নিয়ন্ত্রণ কক্ষ থেকে জাননো হয়, হাজারীবাগ ফায়ার স্টেশনের ২টি, লালবাগের ২টি, মোহাম্মদপুরের ২টি ও সিদ্দিকবাজার ফায়ার স্টেশনের একটি, মোট ৭টি ইউনিট চেষ্টা করে আগুন নিয়ন্ত্রণে এনেছে।

রাজধানীর হাজারীবাগে একটি বস্তিতে আগুনের ঘটনা ঘটেছে।

শুক্রবার সকাল ১১টা ৫০ মিনিটে হাজারীবাগের ঝাউচরের মোড়ে ওই টিনশেড বস্তিতে আগুনের খবর পায় ফায়ার সার্ভিস। পরে ঘটনাস্থলে পৌঁছে ৭টি ইউনিট দুপুর ১২টা ৪০ মিনিটে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।

ফায়ার সার্ভিসের নিয়ন্ত্রণ কক্ষ থেকে জাননো হয়, হাজারীবাগ ফায়ার স্টেশনের ২টি, লালবাগের ২টি, মোহাম্মদপুরের ২টি ও সিদ্দিকবাজার ফায়ার স্টেশনের একটি, মোট ৭টি ইউনিট চেষ্টা করে আগুন নিয়ন্ত্রণে এনেছে।

আগুনের কারণ এবং তাৎক্ষণিকভাবে হতাহতের খবর জানা যায়নি।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
6 people of the same family were burnt due to gas cylinder explosion at home

বাসায় গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে একই পরিবারের ৬ জন দগ্ধ

বাসায় গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে একই পরিবারের ৬ জন দগ্ধ ফাইল ছবি
দগ্ধদের শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়েছে।

রাজধানীর ভাষানটেকে একটি বাসায় গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে একই পরিবারের নারী-শিশুসহ ছয়জন দগ্ধ হয়েছেন।

শুক্রবার ভোরে ভাষানটেকের ১৩ নম্বর নতুন বাজার কালভাট রোডের ওই বাসায় এ ঘটনা ঘটে। দগ্ধদের শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়েছে।

তারা হলেন মেহেরুন্নেসা (৬৫) বছর), তার শরীরের ৪৭ শতাংশ দগ্ধ, সূর্যবানু (৩০ বছর), ৮২ শতাংশ দগ্ধ, লিজা আক্তার (১৮ বছর), ৩০ শতাংশ দগ্ধ, লামিয়া ( ৭ বছর ), ৫৫ শতাংশ দগ্ধ, সুজন (৮ বছর ), ৪৩ শতাংশ দগ্ধ ও মোহাম্মদ লিটন (৫২ বছর), ৬৭ শতাংশ দগ্ধ।

দগ্ধদের হাসপাতালে আনেন তারা যে বাসায় ভাড়া থাকেন সেই বাড়িটার কেয়ারটেকার মোহাম্মদ সিফাত হোসেন।

তিনি বলেন, আমি পশ্চিম ভাষানটেকের কালভাট রোডের ৪/১৩/এল দ্বিতীয় তলা বাড়ির কেয়ার টেকার। ফার্নিচার ব্যবসায়ী লিটন মিয়া বাসাটির নিচ তলায় পরিবার নিয়ে বসবাস করেন।

সিফাত হোসেন বলেন, ভোর চারটার দিকে মশার কয়েল ধরাতে গিয়ে তার বাসার গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণ হয়। এতে তার পরিবারের নারী-শিশু সহ ছয়জন দগ্ধ হন। পরে তাদেরকে ভোর পাঁচটার দিকে চিকিৎসার জন্য শেখ হাসিনা বার্ন ইনস্টিটিউটে নিয়ে আসা হয়।

শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক চিকিৎসক মো. তরিকুল ইসলাম বলেন, ভোরের দিকে ভাষানটেক থেকে সিলিন্ডারের আগুনে দগ্ধ ৬ জন এখানে এসেছে। তাদের অবস্থা আশঙ্কাজনক এবং তাদের সবার শ্বাসনালী পুড়ে গেছে। সবাইকে বার্ন ইউনিটের অবজারভেশনে রেখে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Mukta who was killed by her family in Sadarghat was pregnant

সপরিবারে সদরঘাটে নিহত মুক্তা ছিলেন অন্তঃসত্ত্বা

সপরিবারে সদরঘাটে নিহত মুক্তা ছিলেন অন্তঃসত্ত্বা মুক্তা বেগম ও তার স্বামী। ছবি: সংগৃহীত
আত্নীয়রা বলছেন, বিল্লাল পারিবারিকভাবে অস্বচ্ছল ছিলেন। তার বাবা নেই। পোশাক কারখানার স্বল্প বেতনের কর্মী ছিলেন বেলাল। বেলাল-মুক্তা দম্পতির সংগ্রামী জীবনে স্বাবলম্বী হতে চাকরির পাশাপাশি স্ত্রীকে নিয়ে ব্যবসায়ও শুরু করেছিলেন।

রাজধানীর সদরঘাট টার্মিনালে নিহত পাঁচ যাত্রীর মধ্যে সপরিবারে মারা যাওয়া মুক্তা বেগম ছয় মাসের অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন। তাকে বাড়িতে রাখতে যাচ্ছিলেন তার স্বামী, তবে স্ত্রী ও তিন বছরের মেয়ের সঙ্গে দুর্ঘটনায় মারা গেছেন তিনিও।

নিহতরা হলেন পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া থানার মাটিচোরা গ্রামের মৃত আব্দুল মালেকের ছেলে মো. বিল্লাল (৩০), তার স্ত্রী মুক্তা (২৬), তাদের মেয়ে সাইমা (৩)।

তাদের আত্নীয়রা বলছেন, বিল্লাল পারিবারিকভাবে অস্বচ্ছল ছিলেন। তার বাবা নেই। পোশাক কারখানার স্বল্প বেতনের কর্মী ছিলেন বেলাল। বেলাল-মুক্তা দম্পতির সংগ্রামী জীবনে স্বাবলম্বী হতে চাকরির পাশাপাশি স্ত্রীকে নিয়ে ব্যবসায়ও শুরু করেছিলেন। কিন্তু স্ত্রী অন্তঃসত্ত্বা হওয়ায় ব্যবসা আপাতত বন্ধ রেখে স্ত্রীকে গ্রামে রেখে আসতে চেয়েছিলেন বিল্লাল। এজন্য ভিড় এড়িয়ে ঈদের দিন রওনা হয়েছিলেন।

বিল্লালের ফুফাতো বোন হনুফা আক্তার বলেন, বিল্লাল পরিবার নিয়ে থাকতেন গাজীপুরে। চাকরি করতেন গার্মেন্টসে। গার্মেন্টসের টাইম কিপিং বিভাগে কাজ করতেন। ১৪ থেকে ১৫ হাজার টাকার মতো বেতন পেতেন। সাড়ে ৪ হাজার টাকার বাসায় থাকা বিল্লালের জীবনটা সংগ্রামের ছিল। মেয়ে মাইশাকে এখনো স্কুলে ভর্তি হয়নি। চাকরির ফাঁকে ছোট্ট একটা দোকান দিয়েছিলেন বাসার কাছেই। সেখানে টেইলার্সের কিছু কাপড়-চোপড় উঠিয়েছিলেন।

তিনি বলেন, মুক্তা টেইলার্সের কাজ করতে পারতো। অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার পর সে দোকান ছেড়ে দিয়েছিল। মালামাল বাসায় রেখে দিয়েছিল। বাচ্চা হওয়ার পর আবার দোকান দেয়ার ইচ্ছা ছিল।

বৃহস্পতিবার বিকেল ৩টার দিকে সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনালের ১১ নম্বর পন্টুনের সামনে ঢাকা থেকে ভোলাগামী এমভি তাশরিফ-৪ ও এমভি টিপু-১৩ নামে দুটি লঞ্চ রশি দিয়ে পন্টুনে নোঙর করা ছিল। লঞ্চ দুটির মাঝখান দিয়ে ফারহান নামের আরেকটি লঞ্চ প্রবেশের চেষ্টা চালায়।

এ সময় এম ভি ফারহান-৬ লঞ্চটি এম ভি টিপু-১৩ কে সজোরে ধাক্কা দেয়। পরবর্তীতে এম ভি টিপু-১৩ ধাক্কা দেয় এম ভি তাসরিফ-৪-কে। এ সময় এমভি তাসরিফ-৪ লঞ্চের রশি ছিঁড়ে যায়।

ছিঁড়ে যাওয়া সেই দড়িটিই পন্টুনের আশপাশে থাকা পাঁচজনকে সজোরে আঘাত করে। সেখানে গুরুতর আহত অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে মিডফোর্ড হাসপাতালে নেয়া হলে সেখানকার জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Case in Sadarghat 5 deaths

সদরঘাটে ৫ প্রাণহানির ঘটনায় মামলা

সদরঘাটে ৫ প্রাণহানির ঘটনায় মামলা সদরঘাট টার্মিনালের পন্টুনে দুই লঞ্চের মধ্যে ধাক্কা লেগে রশি ছিঁড়ে পাঁচ যাত্রীর মৃত্যু হয়। ছবি: নিউজবাংলা
বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের নৌ নিরাপত্তা ও ট্রাফিক বিভাগের যুগ্মপরিচালক ইসমাইল হোসেন বাদী হয়ে বৃহস্পতিবার রাতে এ মামলা করেছেন।

রাজধানীর সদরঘাট টার্মিনালের পন্টুনে দুই লঞ্চের মধ্যে ধাক্কা লেগে রশি ছিঁড়ে পাঁচ যাত্রীর মৃত্যুর ঘটনায় দক্ষিণ কেরাণীগঞ্জ থানায় মামলা হয়েছে।

বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের নৌ নিরাপত্তা ও ট্রাফিক বিভাগের যুগ্মপরিচালক ইসমাইল হোসেন বাদী হয়ে বৃহস্পতিবার রাতে এ মামলা করেছেন।

নিউজবাংলাকে বিষয়টি জানিয়েছেন দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মামুন অর-রশিদ।
তিনি জানান, দুই লঞ্চের মাষ্টার ও ম্যানেজারসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। মামলায় অবহেলাজনিত বেপরোয়া গতিতে লঞ্চ চালানোর কারণে মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ আনা হয়েছে।

ওসি জানান, এর আগে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য এই পাঁচজনকে আটক করা হয়। এই মামলায় তাদের গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন- এমভি ফারহান-৬ লঞ্চের প্রথম শ্রেণির মাষ্টার (চালক) আব্দুর রউফ হাওলাদার (৫৪), দ্বিতীয় শ্রেণির মাষ্টার (চালক) সেলিম হাওলাদার (৫৪), ম্যানেজার ফারুক খান (৭০), এমভি তাসরিফ-৪ লঞ্চের প্রথম শ্রেণির মাষ্টার (চালক) মিজানুর রহমান (৪৮), দ্বিতীয় শ্রেণির মাষ্টার (চালক) মনিরুজ্জামান (২৮)।

দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার ডিউটি অফিসার এসআই মোদাচ্ছের হোসেন বলেন, বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে এ ঘটনায় মামলা করা হয়েছে। ঢাকা নদী বন্দরের নৌ নিরাপত্তা ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা বিভাগের যুগ্ম পরিচালক ইসমাইল হোসাইন বাদী হয়ে মামলা করেন।

মামলার এজহারে বলা হয়েছে, বৃহস্পতিবার ২টা ৫৫ মিনিটে সদরঘাট টার্মিনালের ১১ নম্বর পল্টুনে এমভি তাসরিফ-৪ নোঙর করে থাকা অবস্থায় এমভি ফারহান-৬ এর চালক বেপরোয়া গতিতে লঞ্চ চালিয়ে ১১ নম্বর পন্টুনে ঢোকার সময় তাসরিফ লঞ্চকে ধাক্কা দেয়। এতে তাসরিফ লঞ্চের রশি ছিঁড়ে যায়। সেটি দ্রুত গতিতে এসে পন্টুনে অপেক্ষমাণ যাত্রীদের আঘাত করলে তারা নদীতে পড়ে যায়। এতে এক পরিবারের তিনজনসহ ৫ যাত্রীর মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় ফারহান এবং তাসরিফ লঞ্চের দায়িত্ব অবহেলা আছে।

মিডফোর্ড হাসপাতালে লাশের সুরতহালের দায়িত্বে থাকা সদরঘাট নৌ থানার এসআই কুমারেশ ঘোষ জানান, এক লঞ্চকে আরেক লঞ্চ ধাক্কা দেয়। ওই ধাক্কায় লঞ্চের মোটা রশি ছিঁড়ে মানুষের গায়ে ধাক্কা লেগেছে। আর এতেই হতাহতের ঘটনা ঘটে। মরদেহ হস্তান্তর করা হয়েছে।

ঢাকা নদীবন্দর সদরঘাটে দায়িত্বে থাকা বিআইডব্লিউটিএ এর নৌ-নিরাপত্তা ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা বিভাগের যুগ্ম পরিচালক মুহাম্মদ ইসমাইল হোসেন বলেন, ফারহান-৬ লঞ্চটি জোরে পার্কিং করতে যাওয়ায় তাসরিফের রশি ছিঁড়ে গেলে এ দুর্ঘটনা ঘটে। দুর্ঘটনা তদন্তে কমিটি গঠন করা হবে। এ দুর্ঘটনার পর এমভি ফারহান ও এমভি টিপুর যাত্রা বাতিল করেছে বিআইডব্লিউটিএ। এ ঘটনায় আমরা মামলা করেছি।

বৃহস্পতিবার বিকেল ৩টার দিকে সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনালের ১১ নম্বর পন্টুনের সামনে ঢাকা থেকে ভোলাগামী এমভি তাশরিফ-৪ ও এমভি টিপু-১৩ নামে দুটি লঞ্চ রশি দিয়ে পন্টুনে নোঙর করা ছিল। লঞ্চ দুটির মাঝখান দিয়ে ফারহান নামের আরেকটি লঞ্চ প্রবেশের চেষ্টা চালায়। এ সময় এম ভি ফারহান-৬ লঞ্চটি এম ভি টিপু-১৩ কে সজোরে ধাক্কা দেয়। পরবর্তীতে এম ভি টিপু-১৩ ধাক্কা দেয় এম ভি তাসরিফ-৪-কে। এ সময় এমভি তাসরিফ-৪ লঞ্চের রশি ছিঁড়ে যায়।

ছিঁড়ে যাওয়া সেই দড়িটিই পন্টুনের আশপাশে থাকা পাঁচজনকে সজোরে আঘাত করে। সেখানে গুরুতর আহত অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে মিডফোর্ড হাসপাতালে নেয়া হলে সেখানকার জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন।

নিহতরা হলেন- পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া থানার মাটিচোরা গ্রামের মৃত আব্দুল মালেকের ছেলে বিল্লাল (৩০), তার স্ত্রী মুক্তা (২৬), তাদের মেয়ে সাইমা (৩)। তারা তিনজন একই পরিবারের সদস্য। বাকি দুজন হলেন পটুয়াখালী সদরের জয়নাল আবেদিনের ছেলে রিপন হাওলাদার (৩৮) এবং ঠাকুরগাঁও সদরের নিশ্চিতপুর এলাকার আব্দুল্লাহ কাফীর ছেলে রবিউল (১৯)।

এ ঘটনায় তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ। বিআইডব্লিউটিএর ক্রয় ও সংরক্ষণ পরিচালক মো. রফিকুল ইসলাম কমিটির আহ্বায়ক, নৌ সংরক্ষণ ও পরিচালন বিভাগের যুগ্ম পরিচালক মো. আজগর আলী এবং বন্দর শাখার যুগ্ম পরিচালক মো. কবীর হোসেন কমিটির সদস্য।

কমিটি আগামী পাঁচ কর্মদিবসের মধ্যে বিআইডব্লিউটিএ'র চেয়ারম্যানের কাছে প্রতিবেদন পেশ করতে বলা হয়েছে। এ ছাড়াও বিআইডব্লিউটিএর পক্ষ হতে প্রতি মৃত ব্যক্তির নমিনির কাছে দাফন-কাফন বাবদ ২৫ হাজার টাকা করে আর্থিক সহায়তা দেয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন:
মোটরসাইকেলে ঘুরতে বের হওয়া ৪ কিশোরের প্রাণ গেল সড়কে
সদরঘাটে দুর্ঘটনা: দুই লঞ্চের মাস্টার ম্যানেজারসহ পাঁচজন আটক
সদরঘাটে লঞ্চ দুর্ঘটনা তদন্তে কমিটি, দুই লঞ্চের রুট পারমিট বাতিল

মন্তব্য

p
উপরে