করোনা: শিক্ষকদের কর্মসূচি স্থগিত

player
করোনা: শিক্ষকদের কর্মসূচি স্থগিত

জাতীয়করণের দাবিতে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে অবস্থান কর্মসূচি স্থগিত করেছে এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারী জাতীয়করণ প্রত্যাশী মহাজোট। ছবি: নিউজবাংলা

এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারী জাতীয়করণপ্রত্যাশী মহাজোটের যুগ্ম আহ্বায়ক ইমরান হোসেন বলেন, বিরাজমান করোনা পরিস্থিতিতে সরকারি প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী বৃহস্পতিবার থেকে বিধিনিষেধ রয়েছে। অবস্থান কর্মসূচিতে সারা দেশ থেকে শিক্ষক-কর্মচারীরা এসেছেন। সবার কথা বিবেচনা করে কর্মসূচি স্থগিত করা হয়েছে। তবে বাতিল করা হয়নি।

করোনা সংক্রমণ বাড়ায় এমপিওভুক্ত শিক্ষাব্যবস্থা জাতীয়করণের দাবিতে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে অবস্থান কর্মসূচি স্থগিত করেছে শিক্ষক-কর্মচারী জাতীয়করণপ্রত্যাশী মহাজোট।

সংগঠনের যুগ্ম আহ্বায়ক ইমরান হোসেন মঙ্গলবার সন্ধ্যায় এই ঘোষণা দেন। করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে আবার কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে বলে জানান তিনি।

তিনি বলেন, বিরাজমান করোনা পরিস্থিতিতে সরকারি প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী বৃহস্পতিবার থেকে বিধিনিষেধ রয়েছে। অবস্থান কর্মসূচিতে সারা দেশ থেকে শিক্ষক-কর্মচারীরা এসেছেন। সবার কথা বিবেচনা করে কর্মসূচি স্থগিত করা হয়েছে। তবে বাতিল করা হয়নি। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে যেকোনো সময় আবার কর্মসূচি শুরু হবে।

এর আগে সোমবার থেকে এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান জাতীয়করণের দাবিতে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে অবস্থান কর্মসূচি শুরু করেন সারা দেশের শিক্ষক-কর্মচারীরা।

শিক্ষক নেতা ইমরান হোসেন বলেন, স্বাধীনতার পঞ্চাশ বছর পেরিয়ে গেলেও এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরা পূর্ণাঙ্গ সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত। একই মন্ত্রণালয়ের অধীনে একই পাঠ্যক্রম ও আইনে শিক্ষাব্যবস্থা পরিচালিত হলেও বিদ্যমান ব্যবস্থায় সরকারি ও বেসরকারি শিক্ষক-কর্মচারীদের সুযোগ-সুবিধার ক্ষেত্রে বড় ব্যবধান রয়েছে।

তিনি বলেন, অনেক শিক্ষক-কর্মচারী টাকার অভাবে বিনা চিকিৎসায় মারা যান। অধিকাংশ শিক্ষক নিজ জেলার বাইরে চাকরি করেন, তাদের বদলির ব্যবস্থা চালু করা জরুরি। অধ্যক্ষ থেকে কর্মচারী পর্যন্ত এক হাজার টাকা বাড়ি ভাড়া ও ৫০০ টাকা চিকিৎসা ভাতা এবং ২৫ শতাংশ উৎসব ভাতা পান। এই বৈষম্য দূরকরণে এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান জাতীয়করণ প্রয়োজন।

এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারী জাতীয়করণপ্রত্যাশী মহাজোটের আহ্বায়ক মো. মাঈন উদ্দিন বলেন, বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী স্মরণীয় করে রাখতে মুজিব শতবর্ষই এমপিওভুক্ত শিক্ষা জাতীয়করণের মাহেন্দ্রক্ষণ। এমপিওভুক্ত শিক্ষা জাতীয়করণ হলে সবচেয়ে লাভবান হবে গ্রামের প্রান্তিক জনগোষ্ঠী।

অবস্থান কর্মসূচিতে বক্তব্য দেন বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতির সভাপতি তালুকদার আব্দুল মান্নাফ, মহাসচিব মেজবাহুল ইসলাম প্রিন্স, নির্বাহী মহাসচিব অরুপ সাহা, বাংলাদেশ বেসরকারি শিক্ষক কর্মচারী ফোরামের মহাসচিব রফিকুল ইসলাম, বাংলাদেশ এমপিওভুক্ত শিক্ষক অনলাইন পরিষদের সভাপতি আবু তালেব সোহাগ, বাংলাদেশ শিক্ষক সমাজের আহ্বায়ক বেনী মাধব দেবনাথ, সদস্য সচিব দিদার হোসেন।

শেয়ার করুন

মন্তব্য

জবি সায়েন্স ফিকশন সোসাইটির নেতৃত্বে রাহাত-রাফিয়া

জবি সায়েন্স ফিকশন সোসাইটির নেতৃত্বে রাহাত-রাফিয়া

সভাপতি জোবায়ের হোসেন রাহাত এবং সাধারণ সম্পাদক রাফিয়া রহমান। ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশ সায়েন্স ফিকশন সোসাইটির জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখার নতুন কমিটি গঠন করা হয়েছে।

বাংলাদেশ সায়েন্স ফিকশন সোসাইটির জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) শাখার নতুন কমিটি গঠন করা হয়েছে। এতে সভাপতি হয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগের শিক্ষার্থী জোবায়ের হোসেন রাহাত এবং সাধারণ সম্পাদক ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষার্থী রাফিয়া রহমান।

বৃহস্পতিবার সংগঠন সূত্রে এ তথ্য জানা যায়।

সাত সদস্যবিশিষ্ট এ কমিটির চূড়ান্ত অনুমোদন দেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. ইমদাদুল হক।

এক বছর মেয়াদি এ কমিটিতে সহসভাপতি হিসেবে রয়েছেন কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের হেলাল উদ্দিন এবং ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগের রায়হান রিয়াজ। এ ছাড়া যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে রয়েছেন পরিসংখ্যান বিভাগের মেহেরাবুল ইসলাম সৌদিপ।

কমিটিতে কোষাধ্যক্ষ হিসেবে রয়েছেন মার্কেটিং বিভাগের ইব্রাহিম শেখ, বিজ্ঞান ও সাহিত্য সম্পাদক হিসেবে রয়েছেন কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের তামিম মাহমুদ।

দায়িত্ব পাওয়ার পর সভাপতি জোবায়ের হোসেন রাহাত বলেন, ‘জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের বিজ্ঞানচিন্তা বিকশিত করতেই আমরা কাজ করে যাব। অনেকেই মনে করেন, বিজ্ঞানচিন্তা কেবল বিজ্ঞান নিয়ে যারা পড়াশোনা করে তাদেরই কাজ। এই ভুল ধারণা থেকে বের করার জন্যই বাংলাদেশ সায়েন্স ফিকশন সোসাইটি, জবি শাখা কাজ করবে।’

সংগঠনটির গঠনতন্ত্র অনুযায়ী অনুমোদিত কমিটি আগামী ৩১ ডিসেম্বর ২০২২ পর্যন্ত কার্যক্রম পরিচালনা করবে।

গঠনতন্ত্র অনুসারে আগামী ৩০ দিনের মধ্যে বিচারক প্যানেলের সঙ্গে আলোচনা করে পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করবেন।

শেয়ার করুন

এমপিওভুক্ত হলেন ২২৭৮ শিক্ষক-কর্মচারী

এমপিওভুক্ত হলেন ২২৭৮ শিক্ষক-কর্মচারী

আরও ২,২৭৮ শিক্ষক-কর্মচারীকে এমপিওভুক্ত করেছে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর। ফাইল ছবি

মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিপ্তরের পরিচালক (মাধ্যমিক) অধ্যাপক বেলাল হোসাইন বলেন, ‘নিয়মিত এমপিও বৈঠকে স্কুল-কলেজ পর্যায়ে প্রায় ১০ হাজার আবেদনের মধ্যে ২ হাজার ২৭৮ শিক্ষক-কর্মচারীকে এমপিওভুক্ত করা হয়েছে।’

নতুন করে দেশের আরও ২ হাজার ২৭৮ শিক্ষক-কর্মচারীকে এমপিওভুক্ত (মান্থলি পেমেন্ট অর্ডার) করেছে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)।

বৃহস্পতিবার মাউশির মহাপরিচালকের (চলতি দায়িত্ব) সভাপতিত্বে এক সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। সভায় ভার্চুয়ালি মাউশির উপপরিচালক (মাধ্যমিক) আজিজ উদ্দিন ও দেশের ১০টি অঞ্চলের উপপরিচালকরা যুক্ত ছিলেন।

এমপিও হলো মান্থলি পেমেন্ট অর্ডার বা মাসিক বেতন আদেশ, যার মাধ্যমে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও কর্মচারীদের বেতন ওই প্রতিষ্ঠানের বদলে পরিশোধ করে সরকার।

মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিপ্তরের পরিচালক (মাধ্যমিক) অধ্যাপক বেলাল হোসাইন বলেন, ‘নিয়মিত এমপিও বৈঠকে স্কুল-কলেজ পর্যায়ে প্রায় ১০ হাজার আবেদনের মধ্যে ২ হাজার ২৭৮ শিক্ষক-কর্মচারীকে এমপিওভুক্ত করা হয়েছে।’

এর মধ্যে যাচাই-বাছাই করে স্কুল পর্যায়ে এক হাজার ৮৩০ জন এবং কলেজ পর্যায়ে ৪৪৮ জন শিক্ষক-কর্মচারীকে এমপিওভুক্ত করা হয়েছে। যেসব আবেদনে অসংগতি ছিল সেগুলো আরও যাচাই-বাছাই করে পরের সভায় তোলা হবে।

নিয়ম অনুযায়ী, প্রতি বিজোড় মাসে একবার এমপিও কমিটির সভা হয়। সে হিসেবে বৃহস্পতিবার ডাকা সভায় শিক্ষক-কর্মচারীদের এমপিওভুক্ত করার বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়।

শেয়ার করুন

জবি প্রেস ক্লাবের নির্বাচন ২৪ জানুয়ারি

জবি প্রেস ক্লাবের নির্বাচন ২৪ জানুয়ারি

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় প্রেস ক্লাবের কার্যনির্বাহী পরিষদ-২০২২ নির্বাচনে দপ্তর, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক পদে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন মেহেরাবুল ইসলাম সৌদিপ। ছবি: নিউজবাংলা

বৃহস্পতিবার বিকেলে ভোটার তালিকা প্রকাশ ও মনোনয়ন ফরম বিতরণ করা হয়। মনোনয়ন ফরম পূরণের শেষ সময় ২২ জানুয়ারি দুপুর ১২টা। ওই দিনই বিকেল ৪টায় প্রার্থিতা যাচাই ও প্রকাশ করা হবে।

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) প্রেস ক্লাবের নির্বাচন আগামী ২৪ জানুয়ার‌ি।

বৃহস্পতিবার সাধারণ সভা শেষে সংগঠন‌টির সভাপ‌তি জাহিদুল ইসলাম সাদেক এ তথ্য জানান।

তি‌নি বলেন, ‘জবি প্রেস ক্লাবের কার্যক্রম আরও গতিশীল করার লক্ষ্যে আগামী ২৪ জানুয়ার‌ি নতুন কমিটি গঠন করতে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।’

নির্বাচনের তারিখ ঘোষণার দিনই বিকেলে ভোটার তালিকা প্রকাশ ও মনোনয়ন ফরম বিতরণ করা হয়। মনোনয়ন ফরম পূরণের শেষ সময় ২২ জানুয়ারি দুপুর ১২টা। ওই দিনই বিকাল ৪টায় প্রার্থিতা যাচাই ও প্রকাশ করা হবে।

২৪ জানুয়ারি সোমবার দুপুর সাড়ে ১২টা থেকে বেলা ২টা পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের অবকাশ ভবনের চতুর্থ তলায় ৪০৪ নম্বর কক্ষে ভোটগ্রহণ হবে। একই দিন বেলা সাড়ে ৩টায় ভোটের ফল প্রকাশ করা হবে।

এ বিষয়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ইমরান আহমেদ অপু বলেন, ‘আমরা সব সময় অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ ভোটাধিকারের পক্ষে। আশা করি একটি সুন্দর নির্বাচনের মাধ্যমে গতিশীল নেতৃত্ব নির্বাচিত হয়ে এই সংগঠনকে এগিয়ে নেবে।’

শেয়ার করুন

এবার শাবি শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে বিএনপির সংহতি

এবার শাবি শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে বিএনপির সংহতি

শাবি শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের সঙ্গে সংহতি জানিয়েছেন সিলেট মহানগর বিএনপির নেতারা। ছবি: নিউজবাংলা

মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক আব্দুল কাইয়ুম জালালী পংকী বলেন, ‘একজন সচেতন নাগরিক হিসেবে আমরা এই আন্দোলনে সংহতি জানাতে এসেছি। শিক্ষার্থীদের দাবির সঙ্গে আমরাও একমত। এই উপাচার্যের অবিলম্বে পদত্যাগ করা উচিত।’

উপাচার্যের পদত্যাগ দাবিতে আন্দোলনরত সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সংহতি প্রকাশ করেছেন সিলেটের বিএনপি নেতারা।

সিলেট মহানগর বিএনপির ছয়-সাতজন শীর্ষ নেতা বৃহস্পতিবার বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ে এসে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে সংহতি প্রকাশ করেন।

এর দুদিন আগে আওয়ামী লীগ নেতারা বিশ্ববিদ্যালয়ে এসে আন্দোলনের সঙ্গে সংহতি জানান।

মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক আব্দুল কাইয়ুম জালালী পংকীর নেতৃত্বে বৃহস্পতিবার বিকেলে দলটির নেতারা শাবি উপাচার্যের বাসভবনের সামনে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনস্থলে আসেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব মিফতাহ সিদ্দিকী, যুগ্ম আহ্বায়ক এমদাদ হোসেন, রেজাউল হাসান কয়েস লোদী, সালেহ আহমদ খসরুসহ কয়েকজন। তারা সেখানে কিছুক্ষণ অপেক্ষা করেন ও আন্দোলনকারীদের সঙ্গে কথা বলেন।

মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক আব্দুল কাইয়ুম জালালী পংকী বলেন, ‘একজন সচেতন নাগরিক হিসেবে আমরা এই আন্দোলনে সংহতি জানাতে এসেছি। শিক্ষার্থীদের দাবির সঙ্গে আমরাও একমত। এই উপাচার্যের অবিলম্বে পদত্যাগ করা উচিত।’

তিনি বলেন, ‘শিক্ষার্থীরা যেহেতু চাচ্ছে, তাহলে ওনার (উপাচার্যের) সরে যাওয়াই উচিত।’

আন্দোলনকারী শিক্ষার্থী মোহাইমিনুল বাশার বলেন, ‘আমাদের আন্দোলনে যে কেউ সংহতি জানাতে পারেন। যেকোনো দলের নেতারাই আসতে পারেন। তবে এটি কোনো দলীয় আন্দোলন নয়, সাধারণ শিক্ষার্থীদের আন্দোলন।’

শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে সংহতি জানিয়ে আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক শফিউল আলম মঙ্গলবার বলেছিলেন, ‘আমাদের দল ও সরকার আপনাদের পাশে আছে। আমরা প্রশাসনের সঙ্গে কথা বলে এই সংকট থেকে বের হয়ে আসার একটি পথ খুঁজে বের করার চেষ্টা করব।

‘আমি আপনাদের দাবির প্রতি একমত। আপনাদের প্রাথমিক দাবিগুলো যাতে দ্রুত বাস্তবায়ন হয় সে চেষ্টা করব। তবে আমাদের একটু সময় দিতে হবে। যাতে এই বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার পরিবেশ ফিরে আসে সে চেষ্টা চালাব।’

শফিউল আলমের সঙ্গে সিলেট মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক জাকির হোসেন, যুগ্ম সম্পাদক বিধান কুমার সাহাসহ আরও অনেকে ছিলেন।

শেয়ার করুন

জাবি ছাত্রীদের বিয়ে হয় না অডিও ‘এডিটেড’: শাবি উপাচার্য

জাবি ছাত্রীদের বিয়ে হয় না অডিও ‘এডিটেড’: শাবি উপাচার্য

শাবি উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমেদ।

উপাচার্য ফরিদ উদ্দিন আহমেদ নিউজবাংলাকে বলেন, ‘এটা একদম বোগাস। আমি এ রকম কোনো কথা বলিনি। এগুলো কেউ এডিট করে প্রচার করতে পারে।’

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রীদের নিয়ে ‘আপত্তিকর মন্তব্য’ করার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ফরিদ উদ্দিন আহমেদ।

তার নামে ছড়িয়ে পড়া অডিওটিকে ‘বোগাস’ আখ্যায়িত করে উপাচার্যের দাবি, এ ধরনের কোনো মন্তব্য তিনি করেননি। কেউ এডিট করে অডিওটি প্রচার করছে।

শাবি উপাচার্য ফরিদ উদ্দিন আহমেদের পদত্যাগের দাবিতে সোমবার থেকে আন্দোলন করছেন শিক্ষার্থীরা। এর মধ্যেই অডিও ক্লিপটি ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে।

শাবি উপাচার্যের কথিত অডিওতে তাকে বলতে শোনা যায়, ‘যারা এই ধরনের দাবি (ছাত্রী হলে রাত ১০টা পর্যন্ত ঢোকার অনুমতি) তুলেছে, যে বিশ্ববিদ্যালয় সারা রাত খোলা রাখতে হবে, এইটা একটা জঘন্য রকম দাবি। আমরা মুখ দেখাইতে পারতাম না। এখানে আমাদের ছাত্রনেতা বলছে যে, জাহাঙ্গীরনগরের মেয়েদের সহজে কেউ বউ হিসেবে চায় না।

‘কারণ সারা রাত এরা ঘোরাফেরা করে। বাট আমি চাই না যে আমাদের যারা এত ভালো ভালো স্টুডেন্ট, যারা এত সুন্দর, এত সুন্দর ডিপার্টমেন্টগুলো, বিখ্যাত সব শিক্ষক... তারা যাদের গ্র্যাজুয়েট করবে, এ রকম একটা কালিমা লেপুক তাদের মধ্যে।’

শাবি উপাচার্যের এ ধরনের মন্তব্যে তৈরি হয়েছে নতুন ক্ষোভ। এর প্রতিবাদে সরব হয়েছেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতিও এই বক্তব্যের নিন্দা জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছে।

যে বৈঠকে শাবি উপাচার্য এমন মন্তব্য করেন বলে দাবি করা হচ্ছে সেটি কবে হয়েছে তা নিয়ে ভিন্ন মত থাকলেও বেশির ভাগ শিক্ষার্থী জানিয়েছেন, সেটি ২০২০ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারির।

জাবি ছাত্রীদের বিয়ে হয় না অডিও ‘এডিটেড’: শাবি উপাচার্য

বিশ্ববিদ্যালয়ের একাধিক শিক্ষার্থীর দাবি, ছাত্রী হলের সান্ধ্য আইন বাতিলের দাবিতে আন্দোলনের পরিপ্রেক্ষিতে এক বৈঠকে উপাচার্য ফরিদ উদ্দিন আহমেদ এমন কথা বলেন।

তারা জানান, বক্তব্যের সময় উপাচার্য যে ছাত্রনেতার বরাত দিয়েছেন তিনি বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের তখনকার ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রুহুল আমিন। তিনিও ওই বৈঠকে একই ধরনের মন্তব্য করেন।

সুলতানা ইয়াসমিন নামের এক ছাত্রী বলেন, ‘এটি উপাচার্যেরই কণ্ঠ। ছাত্রীদের সঙ্গে বৈঠকে সেদিন তিনি এসব কথা বলেছিলেন।’

বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিত বিভাগের শিক্ষার্থী ওমর ফারুক বৃহস্পতিবার নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আমার সামনেই উপাচার্য ফরিদ উদ্দিন আহমেদ ও ছাত্রলীগ সভাপতি রুহুল আমিন এসব আপত্তিকর মন্তব্য করেছেন।’

ঘটনার বর্ণনা দিয়ে তিনি বলেন, ‘‘ছাত্রী হলের সান্ধ্য আইন বাতিলসহ কিছু দাবি-দাওয়া নিয়ে তখন আন্দোলন করছিলাম আমরা। এই আন্দোলনের নাম ছিল ‘অর্বাচীন’।

‘এটা ২০২০ সালের ফেব্রুয়ারির দিকের ঘটনা। বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তনের পর পরই। সমাবর্তন হয়েছিল ২০২০ সালের জানুয়ারিতে।”

ওমর ফারুক বলেন, ‘ওই আন্দোলনের পর উপাচার্য তার কক্ষে আমাদের বৈঠকে ডেকেছিলেন। বৈঠকে ছয়জন সাধারণ শিক্ষার্থী, ছয়জন ছাত্রলীগ নেতা ও ৩২ জন শিক্ষক ছিলেন। আলোচনার সময় উপাচার্য ও ছাত্রলীগ সভাপতি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের মেয়েদের নিয়ে এসব আপত্তিকর কথা বলেন। মেয়েদের রাতে বাইরে থাকা নিয়েও অনেক আপত্তিকর কথা বলেছিলেন তারা।’

জাবি ছাত্রীদের বিয়ে হয় না অডিও ‘এডিটেড’: শাবি উপাচার্য
ভিসির পদত্যাগের দাবিতে শাবি শিক্ষার্থীদের আমরণ অনশন। ছবি: নিউজবাংলা



ওই বৈঠকের পর ২০২০ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেন অনিরুদ্ধ অমিয় নামে এক শিক্ষার্থী। তিনি ওই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।

স্ট্যাটাসে অনিরুদ্ধ লেখেন, ‘একজন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর যখন অন্য একটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের মেয়েদের নিয়ে খুবই অসংগতিপূর্ণ মন্তব্য করেন, তখন আসলে তার সঙ্গে আলোচনার জায়গাই থাকে না।

‘‘খুব স্পেসিফিক বললে ওনার বক্তব্য এ রকম ছিল- ‘জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের মেয়েদের কেউ বিয়ে করতে চায় না। আমি চাই না আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের মেয়েদেরও এই দশা হোক।’ ওনার আরেকটা বক্তব্য এমন ছিল- লাইব্রেরি খোলা রাখার মূল কারণ হচ্ছে মেয়েদের রাতের বেলা বাইরে রাখা। এমন কথা শোনার পর লিটারেলি থ হয়ে গিয়েছিলাম।”

তবে উপাচার্য ফরিদ উদ্দিন আহমেদ নিউজবাংলাকে বৃহস্পতিবার বলেন, ‘এটা একদম বোগাস। আমি এ রকম কোনো কথা বলিনি। এগুলো কেউ এডিট করে প্রচার করতে পারে।’

অডিও ক্লিপে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রীদের নিয়ে মন্তব্যে যে ছাত্রনেতার প্রসঙ্গ এসেছে সেই রুহুল আমিনও দাবি করছেন, এ ধরনের কোনো মন্তব্য তিনি করেননি।

বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাবেক ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রুহুল আমিনের ছাত্রত্ব শেষ হয়ে গেছে। তিনি এখন ক্যাম্পাসে থাকেন না।

নিউজবাংলাকে রুহুল আমিন বলেন, ‘এ রকম কথা আমি কোনো দিন বলিনি। আমি এমন লোকই না। এটা আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র। কেউ এডিট করে উদ্দেশ্যমূলকভাবে এটা ছড়িয়েছে।’

জাবি ছাত্রীদের বিয়ে হয় না অডিও ‘এডিটেড’: শাবি উপাচার্য

উপাচার্য এ ধরনের মন্তব্য করেছিলেন কি না- জানতে চাইলে রুহুল বলেন, ‘আমার এ রকম কিছু মনে পড়ছে না। তবে এ সময়ে এটি ছড়িয়ে দেয়ায় মনে হচ্ছে এগুলো এডিট করে উদ্দেশ্যমূলকভাবে ছড়ানো হচ্ছে।’

যে বৈঠকে উপাচার্য এমনটি বলেছেন বলে দাবি করা হচ্ছে, সেই বৈঠকে উপস্থিত শিক্ষার্থী উমর ফারুকের দাবি- বৈঠকে তখনকার ছাত্রকল্যাণ উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. রাশেদ তালুকদার ও তৎকালীন প্রক্টর অধ্যাপক জহির উদ্দিন আহমদও উপস্থিত ছিলেন।

অধ্যাপক রাশেদ বৃহস্পতিবার নিউজবাংলাকে বলেন, ‘এ ধরনের কোনো কথা সেদিন উপাচার্য বলেছেন বলে আমার জানা নেই। একটি বৈঠকে তো অনেক ধরনের কথাই হয়। সব কথা তো আর মনে রাখা সম্ভব না।’

তবে অধ্যাপক জহির উদ্দিন আহমদ গুলিবিদ্ধ হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বলে তার সঙ্গে যোগাযোগ করা যায়নি। ক্যাম্পাসে গত রোববার পুলিশ-শিক্ষার্থী সংঘর্ষের ঘটনায় তিনি গুলিবিদ্ধ হয়েছিলেন।

শেয়ার করুন

শাবি ভিসির বক্তব্য প্রত্যাহারে আইনি নোটিশ

শাবি ভিসির বক্তব্য প্রত্যাহারে আইনি নোটিশ

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ফরিদ উদ্দিন আহমদ। ছবি: সংগৃহীত

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী ও ঢাকা জজ কোর্টের আইনজীবী খাদেমুল ইসলাম বৃহস্পতিবার রেজিস্ট্রি ডাকযোগে এই নোটিশ পাঠিয়েছেন। নোটিশ প্রাপ্তির ৭২ ঘণ্টার মধ্যে শাবি উপাচার্যকে বক্তব্য প্রত্যাহার করে ক্ষমা চাইতে বলা হয়েছে।

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) ছাত্রীদের নিয়ে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য ও অবমাননাকর বক্তব্য প্রত্যাহারের আহ্বান জানিয়ে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবি) উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমেদকে আইনি নোটিশ দেয়া হয়েছে।

জাবির সাবেক শিক্ষার্থী ও ঢাকা জজ কোর্টের আইনজীবী খাদেমুল ইসলাম বৃহস্পতিবার রেজিস্ট্রি ডাকযোগে এই নোটিশ পাঠিয়েছেন। নোটিশ প্রাপ্তির ৭২ ঘণ্টার মধ্যে শাবি উপাচার্যকে তার বক্তব্য প্রত্যাহার করে ক্ষমা চাইতে বলা হয়েছে।

নোটিশে বলা হয়েছে, ‘শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে মেয়েদের হল সারারাত খোলা রাখার দাবির পরিপ্রেক্ষিতে সম্পূর্ণ অপ্রাসঙ্গিকভাবে দেশের অপর একটি স্বনামধন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রীদের নিয়ে কুরুচিপূর্ণ, অশালীন ও অবমাননাকর মন্তব্য করেন শাবি উপাচার্য। বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদন ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া অডিও ক্লিপ থেকে এসব জানা যায়। শাবি উপাচার্য বলেছেন তার ওই বক্তব্যে বলেন, ‘জাহাঙ্গীরনগরের মেয়েদের কেউ সহজে বউ হিসেবে নিতে চায় না। কারণ সারারাত এরা ঘুরাফিরা করে।’

আইনজীবী খাদেমুল ইসলাম নিউজবাংলাকে বলেন, ‘এই জ্ঞানপাপী অশোভন আচরণ ও কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করে ভিসি তো দূরের কথা, শিক্ষক পদে থাকার যোগ্যতাও হারিয়েছেন।’

শেয়ার করুন

ইউনিক আইডি নিয়ে ৪ নির্দেশনা

ইউনিক আইডি নিয়ে ৪ নির্দেশনা

ইউনিক আইডির ডাটা এন্ট্রি চলবে আগামী ১৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। ফাইল ছবি

বৃহস্পতিবার ইউনিক আইডির ডাটা এন্ট্রি নিয়ে চার দফা নির্দেশনা দিয়েছে বাংলাদেশ শিক্ষাতথ্য ও পরিসংখ্যান ব্যুরো (ব্যানবেইস)।

দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত সব শিক্ষার্থীর জন্য একটি ‘ইউনিক আইডি’ তৈরির উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এতে প্রত্যেক শিক্ষার্থীর মৌলিক ও শিক্ষাসংক্রান্ত সব তথ্য থাকবে। ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে ইউনিক আইডির ডাটা এন্ট্রি। যা চলবে আগামী ১৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত।

বৃহস্পতিবার ইউনিক আইডির ডাটা এন্ট্রি নিয়ে চার দফা নির্দেশনা দিয়েছে বাংলাদেশ শিক্ষাতথ্য ও পরিসংখ্যান ব্যুরো (ব্যানবেইস)।

নির্দেশনাগুলো হলো

১. ২০২২ সালে ৬ষ্ঠ শ্রেণিতে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীদের তথ্য ফরম পূরণ কার্যক্রম পরবর্তী নির্দেশনা না দেয়া পর্যন্ত সাময়িকভাবে স্থগিত থাকবে।

২. মুদ্রিত শিক্ষার্থী তথ্যছকে শিক্ষার্থীর শ্রেণি অনুযায়ী Data Entry করতে হবে। অর্থাৎ ফরমে শিক্ষার্থীদের যে শ্রেণি উল্লেখ রয়েছে সেই শ্রেণি হিসেবেই Data Entry দিতে হবে। অর্থাৎ সকল শিক্ষার্থীর তথ্য ২০২১ সাল বিবেচনা করে Entry করতে হবে।

৩. শিক্ষার্থীর পিতা/মাতা/অভিভাবকের জন্মনিবন্ধন থাকলে অবশ্যই ১৭ ডিজিটে দিতে হবে। অর্থাৎ ১৩ ডিজিটের নম্বরের শুরুতে জন্মসাল দিতে হবে।

৪. শিক্ষার্থীর BRN এবং জন্মতারিখ এন্টির পর শিক্ষার্থীর নাম প্রদর্শিত না হলে অন্যান্য তথ্য Entry দেয়া যাবে না। এবং প্রথম Page Save হবে না।

ইউনিক আইডি কেন

প্রত্যেক শিক্ষার্থীর মৌলিক ও শিক্ষাসংক্রান্ত যাবতীয় তথ্য এক জায়গায় রাখার জন্য তৈরি করা হচ্ছে ইউনিক আইডি। শিক্ষার্থীর বয়স ১৮ বছর পূর্ণ হলে এই আইডি জাতীয় পরিচয়পত্রে (এনআইডি) রূপান্তরিত হবে।

ষষ্ঠ থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের ইউনিক আইডি তৈরির দায়িত্বে আছে বাংলাদেশ শিক্ষা তথ্য ও পরিসংখ্যান ব্যুরো (ব্যানবেইস)। আর প্রাক-প্রাথমিক থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের ইউনিক আইডি তৈরি করছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর।

কেন শিক্ষার্থীদের জন্য ইউনিক আইডি তৈরি করা হচ্ছে, এমন প্রশ্নে প্রকল্প পরিচালক অধ্যাপক শামসুল আলম বলেন, ‘কোনো শিশু জন্মগ্রহণ করলেই স্থানীয় সরকার বিভাগের অফিস অফ রেজিস্ট্রার জেনারেলের আওতায় তার জন্মনিবন্ধন হয়। আর ১৮ বছর পূর্ণ হওয়া সবার জন্য আছে জাতীয় পরিচয়পত্র। কিন্তু যারা প্রাইমারি, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিকের শিক্ষার্থী, অর্থাৎ যাদের বয়স ১৮-এর নিচে তারা এই সিস্টেমের বাইরে। এ জন্য তাদের সিস্টেমের মধ্যে আনতেই ইউনিক আইডি তৈরির উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।’

ফরমে যেসব তথ্য দিতে হয়

স্ট্যাবলিশমেন্ট অফ ইন্টিগ্রেটেড এডুকেশনাল ইনফরমেশন ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (আইইআইএমএস) প্রকল্পের আওতায় তৈরি করা চার পৃষ্ঠার ফরমে শিক্ষার্থীদের তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে।

ফরমে শিক্ষার্থীর নাম, জন্মনিবন্ধন নম্বর, জন্মস্থান, জেন্ডার, জাতীয়তা, ধর্ম, অধ্যয়নরত শ্রেণি, রোল নম্বর, বৈবাহিক অবস্থা, প্রতিবন্ধিতা (ডিজ-অ্যাবিলিটি), রক্তের গ্রুপ, ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী কি না, মা-বাবার নামসহ বেশ কিছু তথ্যের ঘর রয়েছে।

বৈবাহিক অবস্থার অপশন হিসেবে অবিবাহিত, বিবাহিত, বিধবা, বিপত্নীক ছাড়াও স্বামী-স্ত্রী পৃথক বসবাস, তালাকপ্রাপ্ত, বিয়েবিচ্ছেদের ঘরও রয়েছে ফরমে।

শেয়ার করুন