বিএনপির জন্য সময় রেখেছেন রাষ্ট্রপতি

player
বিএনপির জন্য সময় রেখেছেন রাষ্ট্রপতি

২০১৬ সালে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদের সঙ্গে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে প্রতিনিধি দল সংলাপে অংশ নেয়। ছবি: সংগৃহীত

দলটি সংলাপে অংশ না নেয়ার ঘোষণা দিলেও বুধবার বিকেল ৪টায় রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ সময় রেখেছেন বিএনপির জন্য। এদিন বিএনপির সঙ্গে সংলাপ শেষে ন্যাশনাল পিপলস পার্টির (এনপিপি) সঙ্গেও আলোচনার সময় রেখেছে বঙ্গভবন। এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, ‘বিএনপি নীতিগতভাবে সিদ্ধান্ত নিয়েছে এই সংলাপে অংশগ্রহণ করবে না।’

নির্বাচন কমিশন গঠন নিয়ে সংলাপে না যাওয়ার কথা জানালেও বিএনপির জন্য সময় রেখেছেন রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ। বুধবার বিকেল ৪টায় বঙ্গভবনে অপেক্ষায় থাকবেন তিনি।

এর আগেও দুটি নির্বাচন কমিশন রাষ্ট্রপতি গঠন করেছেন বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সংলাপ করে। দুইবারই বঙ্গভবনে গিয়ে আলোচনা করে আসেন বিএনপি নেতারা। তবে কাজী রকিবউদ্দিন আহমেদ ও কে এম নূরুল হুদার নেতৃত্বাধীন কমিশনের করা দুটি জাতীয় নির্বাচন নিয়ে বিএনপির প্রবল আপত্তি আছে।

এই অবস্থায় রাষ্ট্রপতির তৃতীয় সংলাপকে ‘অর্থহীন’ আখ্যা দিয়ে তাতে অংশ না নেয়ার সিদ্ধান্ত জানিয়ে বঙ্গভবনে আগেই চিঠি পাঠিয়েছে দলটি। বিএনপি এই সিদ্ধান্ত জানানোর পর আরও বেশ কিছু দল সংলাপ বর্জন করেছে।

গত জাতীয় নির্বাচনে বিএনপির জোট জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের শরিক কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি আবদুল কাদের সিদ্দিকী অবশ্য মনে করেন বিএনপির এই সংলাপে অংশ নেয়া উচিত। রাষ্ট্রপতির সঙ্গে আলোচনা করে এসে গণমাধ্যমকে এই কথা বলেছেন তিনি।

তবে রাষ্ট্রপতি সময় রাখলেও বিএনপির সিদ্ধান্ত পাল্টাবে না বলে সাফ জানিয়েছেন দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়। নিউজবাংলাকে তিনি বলেন, ‘এটা পুনর্বিবেচনা করার কোনো সুযোগ নেই। এসব নামেমাত্র সংলাপে অংশগ্রহণ করে বিএনপির এখন যে সময় যাচ্ছে, তা নষ্ট করতে চাই না।’

বরং আন্দোলনে দলটি এখন বেশি মনোযোগী হচ্ছে বলেও জানালেন বিএনপির এই নেতা।

সংলাপে অংশ না নেয়ার বিষয়ে গত ২৭ ডিসেম্বর বিএনপির সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম স্থায়ী কমিটির বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়। দুই দিন পর এক বিবৃতিতে বিষয়টি জানিয়ে দেন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

এতে তিনি বলেন, ‘বিএনপি মনে করে বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে নির্বাচনকালীন নিরপেক্ষ সরকার গঠন এবং নিরপেক্ষ প্রশাসনের সাংবিধানিক নিশ্চয়তা ব্যতীত নির্বাচন কমিশনের গঠন নিয়ে সংলাপ শুধু সময়ের অপচয়।’

এর আগে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দল (বাসদ), লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এলডিপি), জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জেএসডি) ও বাংলাদেশ মুসলিম লীগ বঙ্গভবনের আমন্ত্রণ পাওয়া সত্ত্বেও সংলাপে অংশ নেয়নি।

কোনো রাজনৈতিক দল সংলাপে না গেলেও নির্বাচন কমিশন গঠন প্রক্রিয়া থেমে থাকবে না বলে জানিয়ে দিয়েছে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ।

রাষ্ট্রপতির সঙ্গে চলমান সংলাপে অংশ নিতে সোমবার বঙ্গভবনে যাচ্ছেন আওয়ামী লীগের প্রতিনিধিরা। এদিন বিকেল ৪টায় তাদের আমন্ত্রণ জানিয়েছে বঙ্গভবন।

সংলাপে অংশ নেয়া দলগুলো ৭ থেকে ৮ সদস্যের প্রতিনিধি দল নিয়ে বঙ্গভবনে যাওয়ার সুযোগ পেলেও ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ সর্বোচ্চ ১০ সদস্যের প্রতিনিধি দল নিয়ে যাওয়ার সুযোগ পাচ্ছে বলে জানা গেছে।

ক্ষমতাসীন দলটির এক নেতা জানান, আগের ধারবাহিকতায় এবারও সংলাপে আওয়ামী লীগ প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেবেন দলের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। দলের সাধারণ সম্পাদকসহ জ্যেষ্ঠ নেতারা প্রতিনিধি দলে থাকবেন।

কে এম নূরুল হুদার নেতৃত্বাধীন বর্তমান নির্বাচন কমিশনের মেয়াদ ফেব্রুয়ারিতে শেষ হচ্ছে। এই সময়সীমার মধ্যে একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচন কমিশন গঠনের লক্ষ্যে মঙ্গলবার পর্যন্ত ৩২টি দলকে সংলাপে অংশ নিতে আমন্ত্রণ জানিয়েছে বঙ্গভবন।

হুদা কমিশনের পর যারা নির্বাচন কমিশনে আসবে, তারাই আগামী জাতীয় নির্বাচনের আয়োজন করবে।

স্বাধীনতার ৫০ বছরেও নির্বাচন কমিশন গঠন নিয়ে কোনো আইন তৈরি হয়নি দেশে। তবে সংবিধান অনুযায়ী প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও নির্বাচন কমিশনার নিয়োগের এখতিয়ার রাষ্ট্রপতির।

আইন না থাকায় ২০১২ সাল থেকে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের নেতৃত্বে চার কমিশনার নিয়োগের ক্ষেত্রে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে রাষ্ট্রপতির সংলাপের সংস্কৃতি তৈরি হয়েছে দেশে।

সাবেক রাষ্ট্রপতি জিল্লুর রহমান ২০১২ সালে এবং বর্তমান রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ ২০১৬ সালে রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সংলাপ করে সার্চ কমিটির মাধ্যমে নির্বাচন কমিশন গঠন করেন।

পাঁচ বছর আগের সংলাপে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে দলটির প্রতিনিধি দল সংলাপে অংশ নিতে বঙ্গভবনে যান।

আরও পড়ুন:
সংলাপ: সংবিধান অনুযায়ী ইসি চায় জেপি
সংলাপ: বঙ্গভবনে জেপি
বিএনপির সংলাপে আসা উচিত: কাদের সিদ্দিকী
সংলাপ: ১৭ জানুয়ারি বঙ্গভবনে যাচ্ছে আওয়ামী লীগ
বঙ্গভবনে কাদের সিদ্দিকীর দল

শেয়ার করুন

মন্তব্য

‘কালই দেশ দুর্নীতিমুক্ত হবে তা সম্ভব নয়’

‘কালই দেশ দুর্নীতিমুক্ত হবে তা সম্ভব নয়’

দুদক চেয়ারম্যান মোহাম্মদ মঈনউদ্দীন আবদুল্লাহ (ডায়াসে ডানে)। ফাইল ছবি

টিআইবি’র প্রতিবেদনের প্রতিক্রিয়ায় দুদক চেয়ারম্যান বলেন, ‘এ ব্যাপারে আমাদের গ্রহণ করার বিষয় না, প্রত্যাহারেরও বিষয় না। আমরা এটা যাচাই করে দেখব। আমাদের কাজের কোনো সুপারিশ থাকলে এবং তা বাস্তবসম্মত হলে ভবিষ্যতের উন্নতির জন্য যথাযথ ব্যবস্থা নেব।’

অনেক প্রতিকূলতা ও সীমাবদ্ধতা নিয়ে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) কাজ করছে বলে জানিয়েছেন সংস্থাটির চেয়ারম্যান মোহাম্মদ মঈনউদ্দিন আবদুল্লাহ।

দুর্নীতি দমনে দুদক ধীরে ধীরে এগিয়ে চলেছে তিনি বলেছেন, ‘আজ ঘুমাতে যাবেন, কালই দেশ দুর্নীতিমুক্ত হয়ে যাবে এমনটা সম্ভব নয়।’

ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) বাংলাদেশের দুর্নীতির ধারণা সূচক প্রতিবেদনের বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে দুদক চেয়ারম্যান এসব কথা বলেন।

বুধবার বিকেলে সাংবাদিকদের দুদক চেয়ারম্যান বলেন, ‘টিআইবির প্রতিবেদনের ব্যাপারে আমাদের কোনো রিঅ্যাকশন নেই। এটা গ্রহণ করার বিষয় না, প্রত্যাহারেরও বিষয় না।

‘এটি বার্লিনভিত্তিক টিআই ইন্টারন্যাশনালের একটি প্রতিবেদন। তারা একটা রিপোর্ট দিয়েছে, তাদের ক্রাইটেরিয়া আছে। ৮ প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন ইনডেক্স থেকে কোড করে তারা এটা করেছে।’

দুর্নীতিবিরোধী আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল (টিআই) ১৮০টি দেশের দুর্নীতির ধারণা সূচক (সিপিআই)-২০২১ প্রকাশ করে মঙ্গলবার। এরই অংশ হিসেবে এদিন বাংলাদেশের দুর্নীতির ধারণা সূচক প্রকাশ করে টিআই’র অঙ্গ সংগঠন টিআইবি।

প্রতিবেদনের তথ্য দুদক আমলে নেবে জানিয়ে মঈনউদ্দিন আবদুল্লাহ বলেন, ‘আমরা এটা যাচাই করে দেখব। এতে আমাদের কাজের কোনো সুপারিশ থাকলে এবং তা বাস্তবসম্মত হলে ভবিষ্যতের উন্নতির জন্য যথাযথ ব্যবস্থা নেব।’

কোন খাতে কেমন দুর্নীতি হয়- এ বিষয়ে কোনো গবেষণা আছে কিনা জানতে চাইলে দুদক চেয়ারম্যান বলেন, ‘আমাদের একটি রিসার্স উইং আছে। কোভিডের জন্য দু’বছর ধরে আমাদের প্রতিরোধ কার্যক্রম একটু স্তিমিত। দুর্নীতি বন্ধে ২২টি মন্ত্রণালয়ে আমরা সুপারিশ করেছি। সেগুলো মন্ত্রণালয় বাস্তবায়ন করছে কিনা তা দেখার এক্সিকিউটিভ ক্ষমতা আমাদের নেই। সেটা তাদের বিষয়।’

দুর্নীতি বেড়েছে না কমেছে এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘দুর্নীতি বাড়ল না কমল বা দুর্নীতি কী জন্য এটা আমরা বলব না। আমাদের কাছে দুর্নীতির অভিযোগ এলে সেটা অনুসন্ধান করে বিচারের আওতায় আনা হলো আমাদের কাজ। মিডিয়ায় বিভিন্ন খবর উঠে আসছে। এগুলোর ওপর নির্ভর করে সাংবাদিকরা বলবেন দুর্নীতি বাড়ল না কমল। আর টিআইবি কী হিসাব করে দুর্নীতির সংখ্যা বের করছে সেটা আমাদের জানা নেই।

‘কোভিডের কারণে গত দুই বছর দুদকে অভিযোগ কম এসেছে। তবে সেটা সরলীকরণ করা যাবে না। অভিযোগ কম আসছে বলেই কি আমি বলতে পারি যে দুর্নীতি কম হয়েছে? টিআইবি কিসের ভিত্তিতে কী হিসাব করে দুর্নীতির সংখ্যা বের করছে সেটা আমাদের জানা নেই।’

বিভিন্ন সীমাবদ্ধতা সত্ত্বেও দুদক কাজ করে যাচ্ছে উল্লেখ করে দুদক চেয়ারম্যান বলেন, ‘আমরা চাচ্ছি দুর্নীতি দমন হোক, দিন দিন অবস্থার উন্নতি হোক। আমরা চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। কিন্তু জনগণের প্রত্যাশা অনেক বেশি। দুর্নীতির ব্যাপারে নমনীয় বা জিরো টলারেন্স এটা দেখানোর সুযোগ দুদকের নেই। দুদকের একমাত্র কাজ দুর্নীতি দমন। পৃথিবীর সব দেশেই দুর্নীতি আছে, মাত্রা কম আর বেশি। প্রযুক্তির উন্নতির সঙ্গে সঙ্গে দুর্নীতির ধারণাই পালটে যাচ্ছে। এ জন্য আমাদের প্রশিক্ষিত লোকবল দরকার।’

আরও পড়ুন:
সংলাপ: সংবিধান অনুযায়ী ইসি চায় জেপি
সংলাপ: বঙ্গভবনে জেপি
বিএনপির সংলাপে আসা উচিত: কাদের সিদ্দিকী
সংলাপ: ১৭ জানুয়ারি বঙ্গভবনে যাচ্ছে আওয়ামী লীগ
বঙ্গভবনে কাদের সিদ্দিকীর দল

শেয়ার করুন

অর্থ পাচারকারী ৬৯ ব্যক্তি-প্রতিষ্ঠান যারা

অর্থ পাচারকারী ৬৯ ব্যক্তি-প্রতিষ্ঠান যারা

অর্থ পাচারকারী হিসেবে প্যারাডাইস ও পানামা পেপার্সে যেসব বাংলাদেশির নাম এসেছে, তাদের একটি তালিকা তৈরি করে বিএফআইইউ। আদালতে দাখিল করা এ তালিকায় দেশের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী-রাজনীতিকের নাম রয়েছে।

বিদেশে অর্থ পাচারকারীদের নামের একটি তালিকা তৈরি করেছে বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ)। এ নিয়ে বুধবার বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের হাইকোর্ট বেঞ্চে প্রতিবেদন দাখিল করা হয়।

রাষ্ট্রপক্ষে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এ কে এম আমিন উদ্দিন মানিক প্রতিবেদনটি দাখিল করেন। তিনি জানান, আগামী রোববার এ বিষয়ে শুনানির জন্য দিন ঠিক করে দিয়েছে হাইকোর্ট।

অর্থ পাচারকারী হিসেবে প্যারাডাইস ও পানামা পেপার্সে যেসব বাংলাদেশির নাম এসেছে, তাদের একটি তালিকা তৈরি করে বিএফআইইউ।

আদালতে দাখিল করা প্রতিবেদনে দেখা যায়, তালিকায় দেশের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী-রাজনীতিকের নাম রয়েছে।

প্যারাডাইস পেপার্সে যাদের নাম এসেছে তারা হলেন মাল্টিমোড লিমিটেডের আব্দুল আউয়াল মিন্টু, ফাতেমা নাসরিন আউয়াল, তাবিথ আউয়াল, মোহাম্মদ তাফসির আউয়াল, মো. তাজওয়ার আউয়াল, মেঘনাঘাট পাওয়ার লিমিটেডের ফয়সাল চৌধুরী, ওয়াই ফরিদা মোগল, শহিদ উল্লাহ, সামির আহমেদ, সেভেন সিজ অ্যাসেটস লিমিটেড, সোয়েন ইনভেস্টমেন্টস লিমিটেড, ব্রামার অ্যান্ড পার্টনার্স অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট লিমিটেড, ইউনোকল বাংলাদেশ লিমিটেড, ইউনোকল বাংলাদেশ এক্সপ্লোরেশন লিমিটেড, ইউনোকল শাহবাজপুর পাওয়ার লিমিটেড, ইউনোকল শাহবাজপুর পাইপলাইন লিমিটেড, এনএফএম এনার্জি (সিঙ্গাপুর) পিটিই লিমিটেড, ইউনোকল বাংলাদেশ ব্লক সেভেন লিমিটেড, ইউনোকল শাহবাজপুর লিমিটেড, ইউনোকল বাংলাদেশ ব্লক ফাইভ লিমিটেড, ইউনোকল বাংলাদেশ ব্লক টেন লিমিটেড, বারলিংটন রিসোর্সেস বাংলাদেশ লিমিটেড, ইউনোকল বাংলাদেশ ব্লকস থারটিন অ্যান্ড ফরটিন লিমিটেড, ইউনোকল বাংলাদেশ ব্লক টুয়েলভ লিমিটেড, ফ্রন্টিয়ার বাংলাদেশ (বারমুডা) লিমিটেড ও টেরা বাংলাদেশ ফান্ড লিমিটেড।

পানামা পেপার্সে নাম আসা ৪৩ জন হলেন বেগম নিলুফার কাজী, হংকং সাংহাই টেক্সটাইল স্পিনিং লিমিটেডের জাফরুল্লাহ কাজী (কাজী জাফর উল্লাহ), কাজী রায়হান জাফর, ওয়েস্টার্ন মেরিন শিপ বিল্ডারের ক্যাপ্টেন সোহাইল হোসাইন (হাসান), স্পার্ক লিমিটেডের চেয়ারম্যান ইফতেখারুল আলম, বাংলা ট্র্যাক লিমিটেডের আমিনুল হক, নাজিম আসাদুল হক ও তারিক ইকরামুল হক, আব্দুল মোনেম লিমিটেডের এ এস এম মহিউদ্দিন মোনেম ও আসমা মোনেম, বিএপিআইয়ের সাবেক সভাপতি ড. এ এম এম খান, মমিন টির আজমত মঈন, পাট ব্যবসায়ী দিলীপ কুমার মোদী, অনন্ত গ্রুপের শরীফ জহির, মার্কেন্টাইল করপোরেশনের আজীজ খান, আঞ্জুমান আজীজ খান, আয়েশা আজীজ খান, জাফের উমায়ের খান ও ফয়সাল করিম খান, সি পার্লের চেয়ারম্যান ড. সৈয়দ সিরাজুল হক, ইউনাইটেড গ্রুপ অব কোম্পানির হাসান মাহমুদ রাজা, খন্দকার মঈনুল আহসান শামীম, আহমেদ ইসমাইল হোসেন, আখতার মাহমুদ, মাসকট গ্রুপের চেয়ারম্যান এফ এফ জোবায়দুল হক, সেতু করপোরেশনের মাহতাব উদ্দিন চৌধুরী ও উম্মে রাব্বানা, স্কয়ার গ্রুপের স্যামসন এইচ চৌধুরী, ক্যাপ্টেন এম এ, এফ এম জোবায়দুল হক, সালমা হক, খাজা শাহাদাৎ উল্লাহ, মীর্জা ইয়াহিয়া, সৈয়দা সামিয়া মীর্জা, আমিনুল হক, তারেক একরামুল হক, জাহিদুল ইসলাম, মো. শহীদ, মোহাম্মদ ফয়সাল করিম, নজরুল ইসলাম, সৈয়দ সিরাজুল হক ও জুলফিকার হায়দার এবং বিটিএল।

গত বছরের ৬ ডিসেম্বর হাইকোর্ট বিদেশে অর্থ পাচারকারীদের তালিকা দাখিলের নির্দেশ দেয়। ওই নির্দেশ অনুযায়ী বাংলাদেশ ব্যাংকের আর্থিক দুর্নীতির তদন্ত সংস্থা বিএফআইইউ এ প্রতিবেদন দাখিল করে।

ওই দিন ২৯ ব্যক্তি ও ১৪ প্রতিষ্ঠানের তালিকা দাখিল করা হয়। ওই তালিকা দেখে বিএফআইইউ ও পুলিশের অপরাধ তদন্ত সংস্থা সিআইডি কী পদক্ষেপ নিয়েছে, তা জানানোর নির্দেশ দেয়া হয়। নতুন এই তালিকা দাখিল ও সে বিষয়ে কী পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে, তা শুনানির জন্য ৩০ জানুয়ারি দিন ঠিক করে দিয়েছে আদালত।

আরও পড়ুন:
সংলাপ: সংবিধান অনুযায়ী ইসি চায় জেপি
সংলাপ: বঙ্গভবনে জেপি
বিএনপির সংলাপে আসা উচিত: কাদের সিদ্দিকী
সংলাপ: ১৭ জানুয়ারি বঙ্গভবনে যাচ্ছে আওয়ামী লীগ
বঙ্গভবনে কাদের সিদ্দিকীর দল

শেয়ার করুন

উপাচার্য প্রশ্নে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত: শিক্ষামন্ত্রী

উপাচার্য প্রশ্নে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত: শিক্ষামন্ত্রী

বুধবার রাজধানীতে নিজ বাসভবনে প্রেস ব্রিফিংয়ে বক্তব্য দেন শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি। ফাইল ছবি

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘শাবিপ্রবির পুরো বিষয়টি নিয়ে গত কয়েকটি দিন তাদের সঙ্গে নানাভাবে আমরা সম্পৃক্ত থেকেছি। নানাভাবে আলাপ-আলোচনা হয়েছে। যারা অনশন ও আন্দোলন করছিল সবাই মিলে আমরা এই সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছি- আমাদের যে শিক্ষার্থীরা এই অবরোধ কর্মসূচিতে রয়েছে তারা তা তুলে নেবে এবং আন্দোলনের এখানেই ইতি টানবে।’

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) শিক্ষার্থীরা তাদের চলমান অবরোধ তুলে নেবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। একইসঙ্গে বলেছেন, উপাচার্য ফরিদ উদ্দিন আহমেদের ব্যাপারে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।

শাবিপ্রবি ইস্যু নিয়ে বুধবার রাজধানীর হেয়ার রোডে নিজ বাসভবনে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে শিক্ষামন্ত্রী এসব কথা বলেন।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘শাবিপ্রবির পুরো বিষয়টি নিয়ে গত কয়েকটি দিন তাদের সঙ্গে নানাভাবে আমরা সম্পৃক্ত থেকেছি। নানাভাবে আলাপ-আলোচনা হয়েছে। যারা অনশন ও আন্দোলন করছিল সবাই মিলে আমরা এই সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছি- আমাদের যে শিক্ষার্থীরা এই অবরোধ কর্মসূচিতে রয়েছে তারা তা তুলে নেবে এবং আন্দোলনের এখানেই ইতি টানবে।

‘এই অর্থে শিক্ষার্থীরা এখন আর আন্দোলন করবে না। তবে তারা যে অর্থে আন্দোলন করেছে সেই কারণগুলো আমরা অ্যাড্রেস করব এবং সমাধান করব। পুরো বিষয়টি আমরা খতিয়ে দেখব। যারা অপরাধী তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেব।’

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘শিক্ষক-শিক্ষার্থী, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন, সরকার- সবাই এক পক্ষ। এখানে দুই পক্ষ বলে কিছু নেই। আন্দোলনে থাকা শিক্ষার্থীরা মানসিকভাবে কিছুটা ভেঙে পড়েছে। তারা একটু গুছিয়ে উঠুক। যারা আন্দোলনের কারণে অসুস্থ হয়েছে তারা সুস্থ হয়ে উঠুক। কিছুদিন পর আমরা সেখানে যেতে পারি। শিক্ষার্থীরা চাইলে আমরা যে কোনো সময় আলোচনায় বসতে পারি।’

ব্রিফিংয়ে শাবিপ্রবি শিক্ষার্থীদের আন্দোলনকে যৌক্তিক উল্লেখ করে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘কিন্তু এখানে পুলিশি অ্যাকশন হয়েছে। অনেক শিক্ষার্থী আহত হয়েছে। একটি দুঃখজনক। আমরা সব সমস্যা চিহ্নিত করে সমাধান করব।

‘শিক্ষার্থীরা আমাদের ওপর আস্থা রেখেছে। আমরা তাদের আস্থার প্রতিদান দেব। অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ে এ ধরনের আন্দোলনে ভাঙচুরসহ নানা অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটে। এখানে তেমন কিছু ঘটেনি। তারা শান্তিপূর্ণভাবে গত সাত-আটদিন ধরে আন্দোলন চালিয়ে গেছে। এ জন্য আমরা তাদের সাধুবাদ জানাই।’

দীপু মনি বলেন, ‘আন্দোলনের কারণ ও সমস্যা- সব বিষয় খতিয়ে দেখা হবে। এতে যেই অপরাধী হোক তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে। শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের মাধ্যমে কিছু সমস্যা আমাদের সামনে উঠে এসেছে। আমরা তা খুঁজে বের করে সমাধন করার সুযোগ পেলাম। সবাই মিলে সেসব সমস্যার সমাধান করা হবে।’

মন্ত্রী বলেন, ‘যে সমস্যাগুলো নিয়ে শাবিপ্রবির শিক্ষার্থীরা আন্দোলন করছে, সেসব সমস্যা কেবল শাবিপ্রবির নয়। অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়েও একই ধরনের সমস্যা রয়েছে। মূল সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে সমাধান করাটা জরুরি। বিশ্ববিদ্যালয়গুলো যেন সুষ্ঠুভাবে চলে, সেখানে যেন শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় থাকে, শিক্ষার্থীরা যেন সুন্দর পরিবেশে লেখাপড়া করতে পারে তা নিশ্চিত করাটা আমাদের জন্য জরুরি।

সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘আমি শুনেছি শাবির কয়েকজন শিক্ষার্থীর নামে মামলা হয়েছে। তাদের ছেড়ে দেয়া হয়েছে। এখনো যদি কেউ আটক থাকে সেটি আমরা খোঁজখবর নিয়ে সমাধান করব। শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আলোচনা করে এসব সমস্যার সমাধান করা হবে।’

উপাচার্যকে সরানো হবে কী না- এমন প্রশ্নের উত্তরে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘একজন উপাচার্যকে সরালে আরেকজন উপাচার্য আসেন। রাষ্ট্রপতির মাধ্যমে উপাচার্য নিয়োগ পান। তাই তাকে সরাতে হলে একটি প্রক্রিয়া রয়েছে। তাকে রাখা হবে নাকি সরানো হবে সেটি শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।

‘সবার প্রচেষ্টায় শিক্ষার্থীদের অনশন ভাঙানো হয়েছে। আমরা আশা করি তারা তাদের অবরোধ তুলে নিয়ে ক্লাসে ফিরে যাবে। একইসঙ্গে বিদ্যমান সব সমস্যা চিহ্নিত করে তা সমাধান করা হবে।’

আরও পড়ুন:
সংলাপ: সংবিধান অনুযায়ী ইসি চায় জেপি
সংলাপ: বঙ্গভবনে জেপি
বিএনপির সংলাপে আসা উচিত: কাদের সিদ্দিকী
সংলাপ: ১৭ জানুয়ারি বঙ্গভবনে যাচ্ছে আওয়ামী লীগ
বঙ্গভবনে কাদের সিদ্দিকীর দল

শেয়ার করুন

মাঘের বিকেলে ঢাকায় আকাশ ভেঙে বৃষ্টি

মাঘের বিকেলে ঢাকায় আকাশ ভেঙে বৃষ্টি

শীতের বিকেলে হঠাৎ ঝুম বৃষ্টিতে স্নিগ্ধ ঢাকা। ছবি: সাইফুল ইসলাম

আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, ঢাকার পাশেই একটি বজ্রমেঘের সৃষ্টি হয়েছে, যা বর্তমানে কুমিল্লার দিকে যাচ্ছে। এর প্রভাবে ঢাকাসহ সারা দেশে বৃষ্টি শুরু হয়েছে। বৃষ্টি শুরু হলেও শীতের মাত্রা বাড়ছে না।

শীতের বিকেলে রাজধানীতে হঠাৎ ঝুম বৃষ্টি। মাঘ মাসে পাওয়া গেল ভরা বর্ষার আমেজ। আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হচ্ছে সারা দেশেই। তবে এই অবস্থা বেশিক্ষণ স্থায়ী হবে না।

বুধবার দিনের শুরু থেকেই রাজধানীর আকাশ ছিল মেঘে ঢাকা। বিকেল ৪টা থেকে শুরু হয় গুঁড়িগুঁড়ি বৃষ্টি। কোথাও কোথাও তা বর্ষার মতন রূপ নেয় সোয়া ৪টার দিকে।

নিউজবাংলাকে আবহাওয়াবিদ ওমর ফারুক বলেন, ঢাকার পাশেই একটি বজ্রমেঘের সৃষ্টি হয়েছে, যা বর্তমানে কুমিল্লার দিকে যাচ্ছে। এর প্রভাবে ঢাকাসহ সারা দেশে বৃষ্টি শুরু হয়েছে।

এই আবহাওয়াবিদ জানান, বৃষ্টি শুরু হলেও শীতের মাত্রা বাড়ছে না। তাপমাত্রার এমন পরিস্থিতি থাকবে অন্তত আরও দুদিন। এরপর তাপমাত্রা কিছুটা কমবে। ফলে শীত কিছুটা বাড়বে।

আবহাওয়া অফিসের ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, সারা দেশের আকাশ আংশিক মেঘলা থাকবে। বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের দু-এক জায়গায় হালকা বা গুঁড়িগুঁড়ি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।

মধ্যরাত থেকে বৃহস্পতিবার সকাল পর্যন্ত দেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চল ও নদী-অববাহিকার কোথাও কোথাও মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা এবং দেশের অন্যত্র হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশা পড়তে পারে। কোথাও কোথাও তা দুপুর নাগাদ অব্যাহত থাকতে পারে।

আরও পড়ুন:
সংলাপ: সংবিধান অনুযায়ী ইসি চায় জেপি
সংলাপ: বঙ্গভবনে জেপি
বিএনপির সংলাপে আসা উচিত: কাদের সিদ্দিকী
সংলাপ: ১৭ জানুয়ারি বঙ্গভবনে যাচ্ছে আওয়ামী লীগ
বঙ্গভবনে কাদের সিদ্দিকীর দল

শেয়ার করুন

করোনামুক্ত হয়ে সস্ত্রীক বাসায় ফিরলেন প্রধান বিচারপতি

করোনামুক্ত হয়ে সস্ত্রীক বাসায় ফিরলেন প্রধান বিচারপতি

প্রধান বিচারপতি হাসান ফয়েস সিদ্দিকী। ফাইল ছবি

সুপ্রিম কোর্টের মুখপাত্র ও হাইকোর্ট বিভাগের বিশেষ কর্মকর্তা মোহাম্মদ সাইফুর রহমান বলেন, ‘মঙ্গলবার করোনা নেগেটিভ হওয়ায় প্রধান বিচারপতি বাসায় ফিরেছেন এবং ‍সুস্থ আছেন।’

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে চিকিৎসা শেষে করোনাভাইরাস মুক্ত হয়ে বাসায় ফিরেছেন প্রধান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী ও তার স্ত্রী ডালিয়া ফিরোজ।

সুপ্রিম কোর্টের মুখপাত্র ও হাইকোর্ট বিভাগের বিশেষ কর্মকর্তা মোহাম্মদ সাইফুর রহমান বুধবার এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, ‘মঙ্গলবার করোনা নেগেটিভ হওয়ায় প্রধান বিচারপতি বাসায় ফিরেছেন এবং ‍সুস্থ আছেন।’

প্রধান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী করোনা আক্রান্ত হয়ে ১৯ জানুয়ারি রাত থেকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন।

তার আগের দিন ভাইরাসটিতে আক্রান্ত হয়ে প্রধান বিচারপতির স্ত্রীও হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন।

দেশের ২৩তম প্রধান বিচারপতি হিসেবে গত ৩০ ডিসেম্বর নিয়োগ পান হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী। নতুন বছর থেকে দায়িত্ব পালন শুরু করেন তিনি।

আরও পড়ুন:
সংলাপ: সংবিধান অনুযায়ী ইসি চায় জেপি
সংলাপ: বঙ্গভবনে জেপি
বিএনপির সংলাপে আসা উচিত: কাদের সিদ্দিকী
সংলাপ: ১৭ জানুয়ারি বঙ্গভবনে যাচ্ছে আওয়ামী লীগ
বঙ্গভবনে কাদের সিদ্দিকীর দল

শেয়ার করুন

দেশবিরোধিতায় বিএনপি-জামায়াতের ৮ লবিস্ট ফার্ম

দেশবিরোধিতায় বিএনপি-জামায়াতের ৮ লবিস্ট ফার্ম

সংসদে বক্তব্য দেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রে বিভিন্ন দেশের, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের লবিস্ট নিয়োগ দেশটির আইন অনুযায়ী বৈধ প্রক্রিয়া। ভারত, পাকিস্তান, কাতার, ইরান, ইরাক, তুরস্ক, শ্রীলঙ্কাসহ পৃথিবীর অনেক দেশ ও প্রতিষ্ঠানই যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে তাদের রাজনৈতিক সম্পর্ক উন্নয়নের জন্য লবিস্ট নিয়োগ করে থাকেন। জামায়াত-বিএনপি মোট আটটি লবিস্ট ফার্ম নিয়োগ করেছে।’

সরকার ও দেশবিরোধী প্রচারণা চালাতে বিভিন্ন সময়ে যুক্তরাষ্ট্রে বিএনপি-জামায়াত আট লবিস্টফার্ম নিয়োগ করেছে বলে সংসদে তথ্য দিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন।

স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে জাতীয় সংসদ অধিবেশন শুরু হলে বুধবার এ-সংক্রান্ত তথ্য তুলে ধরেন তিনি।

গত ২৩ জানুয়ারি জাতীয় পার্টির সংসদ সদস্য মুজিবুল হক চুন্নু পররাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে দেশবিরোধী ষড়যন্ত্রে জড়িত থাকা বিএনপির লবিস্ট নিয়োগের তথ্য চান। সে সময় বিস্তারিত তথ্যের জন্য তিনি সময় চেয়েছিলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোমেন।

অধিবেশনে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রে বিভিন্ন দেশের, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের লবিস্ট নিয়োগ দেশটির আইন অনুযায়ী বৈধ প্রক্রিয়া। ভারত, পাকিস্তান, কাতার, ইরান, ইরাক, তুরস্ক, শ্রীলঙ্কাসহ পৃথিবীর অনেক দেশ ও প্রতিষ্ঠানই যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে তাদের রাজনৈতিক সম্পর্ক উন্নয়নের জন্য লবিস্ট নিয়োগ করে থাকে। জামায়াত-বিএনপি মোট আটটি লবিস্ট ফার্ম নিয়োগ করেছে।

‘এগুলো আমার তথ্য নয়, যেগুলো নিবন্ধন করেছে সে তথ্যগুলোই দেয়া হয়েছে। ২০১৪ সালে একটি ফার্মকে নিয়োগ করেছিল জামায়াত। এর উদ্দেশ্য ছিল, তখন যে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল চলমান ছিল, সেটা বন্ধ করার জন্য।’

তিনি বলেন, ‘যুদ্ধাপরাধীদের বিচার বন্ধের জন্য তারা এই লবিস্ট নিয়োগ করে এবং এর জন্য তারা দেড় লাখ ডলার দেয়। তারা এ কাজগুলো করে যাতে বিচার বন্ধ করা যায়। তখনও তারা ইউএস কংগ্রেসের মেম্বারদেরও এনগেজ করেছিল। আরও ৫০ হাজার ডলার দিয়ে কেসিবিয়ান অ্যাসোসিয়েটস নামের একটি কোম্পানিকে তারা নিয়োগ করে একই কারণে।

‘ইউএস সরকারকে প্রভাবিত করার জন্য তাদের একটি সংস্থা হলো পিস অ্যান্ড জাস্টিস। জিয়াউল ইসলামের পক্ষ থেকে একটি জামায়াত-বিএনপির প্রতিষ্ঠান এক লাখ ৩২ হাজার ডলার দিয়ে প্রতিষ্ঠানটিকে নিয়োগ করে একই কারণে। পরে যদি দেখেন কমডাক্ট পাবলিক অ্যাফেয়ার্স আউট রিচ, সে জন্য তারা লবিস্ট নিয়োগ করে।’

জামায়াতের পাশাপাশি বিএনপিও লবিস্ট নিয়োগ করে বলে জানান পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

মোমেন বলেন, ‘বাংলাদেশ ন্যাশনালিস্ট পার্টি ফেব্রুয়ারি ২০১৫ থেকে এপ্রিল ২০১৭ এতগুলো দিন ২৭ লাখ ডলার প্রতি মাসে দিয়েছে ১ লাখ ২০ হাজার। এই তথ্যগুলো আমি বানাইনি, এগুলো আমেরিকান ওয়েবসাইটে আছে। আপনারাও দেখতে পারেন। সেখান থেকেই আমরা সংগ্রহ করেছি।

‘আমেরিকায় যে লবিস্ট নিয়োগ করা হয় তারা তাদের আইন অনুযায়ী কী কারণে নিয়েছে, কত টাকা নিয়েছে, সেটা রেজিস্ট্রার করে। সেখান থেকে আমরা তথ্য পেয়েছি। ২০১৯ সালের অক্টোবরে, এটা খুব তাজ্জবের বিষয়। বিএনপির কিছু নেতারা আমেরিকায় গিয়েছেন। তাদের সঙ্গে অ্যাপয়েন্টমেন্ট করার জন্য, আমাদের দেশের বিরুদ্ধে বক্তব্য দেয়ার জন্য তারা বিভিন্ন ধরনের লবিস্ট ফার্ম নিয়োগ করেছিল। এটা খুবই দুঃখের বিষয়।’

তিনি বলেন, ‘যেটা মুজিবুল হক চুন্নু সাহেব বলেছিলেন যে লবিস্ট নিয়োগ করা অন্যায় নয়, কিন্তু লবিস্ট কী কারণে নিয়োগ করা হয়েছে, সেটা হচ্ছে দেখার বিষয়। আরেকটি বিষয় লবিস্টের টাকা কোথা থেকে গেল, সেটাও গুরুত্বপূর্ণ।’

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘আমি বলতে চাই যে, তারা যে লবিস্ট নিয়োগ করেছেন দুঃখের বিষয় হচ্ছে, তাদের লবিস্টরা এমন সব বক্তব্য তুলে ধরেছেন তা দেশের মানুষ জানলে দুঃখিতই শুধু হবে না, তাদের ধিক্কার দেবে। কারণ লবিস্টরা চিঠি দিয়েছে, আমেরিকানদের বলেছে, তোমরা যে বাংলাদেশে সাহায্য-সহযোগিতা করো- এগুলো তোমরা বন্ধ করে দাও।’

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘এগুলো বন্ধ করলে কী হবে? এই যে আপনারা যারা বিরোধী দলে আছেন, যে যেখানে আছেন, নাগরিকরা দুই বেলা খেতে পারেন, ইলেকট্রিসিটি পান, দেশের উন্নয়ন হচ্ছে- এই উন্নয়ন যেন ব্যাহত হয়, এ জন্য তারা ইউএস সরকারে বলছেন এগুলো। আমি বিশ্বাস করতে পারি না, নিশ্চয়ই বিএনপির মাঠে ময়দানে যে কর্মীরা আছেন, তারা কেউই চাইবেন না দেশের অমঙ্গল হোক।

‘তারা কেউই চাইবেন না ব্যবসা-বাণিজ্য বন্ধ হোক। কিন্তু তাদের কিছু নেতৃস্থানীয় লোক তাদের অগোচরে এমন কাজ করেছেন যে, আমার বিশ্বাস, এখানে যারা সংসদ সদস্য আছেন, তারা এক বাক্যে স্বীকার করেন এ ধরনের লবিস্ট তারা বাংলাদেশের জন্য চাইবেন না।’

আরও পড়ুন:
সংলাপ: সংবিধান অনুযায়ী ইসি চায় জেপি
সংলাপ: বঙ্গভবনে জেপি
বিএনপির সংলাপে আসা উচিত: কাদের সিদ্দিকী
সংলাপ: ১৭ জানুয়ারি বঙ্গভবনে যাচ্ছে আওয়ামী লীগ
বঙ্গভবনে কাদের সিদ্দিকীর দল

শেয়ার করুন

সিইসি-ইসি নিয়োগ বিল পরীক্ষার প্রতিবেদন সংসদে উপস্থাপন

সিইসি-ইসি নিয়োগ বিল পরীক্ষার প্রতিবেদন সংসদে উপস্থাপন

জাতীয় সংসদের অধিবেশন। ফাইল ছবি

স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে বুধবার সংসদ অধিবেশন শুরু হলে বিলসংক্রান্ত প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন আইন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি সংসদ সদস্য মো. শহীদুজ্জামান সরকার।

প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) ও নির্বাচন কমিশনার (ইসি) নিয়োগ আইনসংক্রান্ত বিল পরীক্ষা করে এ-সংক্রান্ত প্রতিবেদন জাতীয় সংসদে উপস্থাপন করেছে আইন মন্ত্রণালয় সংক্রান্ত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি।

স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে বুধবার সংসদ অধিবেশন শুরু হলে বিলসংক্রান্ত প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন আইন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি সংসদ সদস্য মো. শহীদুজ্জামান সরকার। তবে প্রতিবেদনে কী রয়েছে তা তাৎক্ষণিক জানা যায়নি।

এর আগে গত ২৩ জানুয়ারি সিইসি ও ইসি নিয়োগ বিলটি সংসদে উত্থাপন করেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক। এ সময় বিএনপির সংসদ সদস্যরা বিলটির বিরোধিতাও করেছিলেন।

গত ১৭ জানুয়ারি মন্ত্রিসভা প্রস্তাবিত আইনটির (বিল) খসড়া চূড়ান্ত অনুমোদন করে। পরে এ নিয়ে বিস্তারিত তুলে ধরেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম।

তিনি বলেছিলেন, ‘প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ আইন ২০২২-এর খসড়া চূড়ান্তভাবে অনুমোদন দেয়া হয়েছে। এটা আর্টিকেল ১৮(১) এর একটি বিধানে আছে, রাষ্ট্রপতি প্রধান নির্বাচন কমিশনার বা নির্বাচন কমিশনারদের নিয়োগ দিতে পারেন। তারই পরিপ্রেক্ষিতে এই আইন নিয়ে আসা হয়েছে।

‘এটা খুব বেশি বড় আইন না। এ ধরনের আইন আমরা আগেও হ্যান্ডেল করে এসেছি। সেই ধারা অনুযায়ীই এটা করা হয়েছে।’

মন্ত্রিপরিষদ সচিব জানিয়েছিলেন, এখানে প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও নির্বাচন কমিশনার নিয়োগের জন্য রাষ্ট্রপতির কাছে সুপারিশের জন্য অনুসন্ধান কমিটি গঠন করা হবে। এটা অন্যান্য আইনে যেভাবে আছে, ঠিক সেভাবেই। অনুসন্ধান কমিটি করা হবে। সেটা রাষ্ট্রপতির অনুমতি নিয়ে। সেটার দায়িত্ব ও কার্যাবলি একজন যোগ্য প্রতিনিধির সুপারিশ করা।

কে এম নুরুল হুদার নেতৃত্বাধীন বর্তমান নির্বাচন কমিশনের মেয়াদ শেষ হচ্ছে ফেব্রুয়ারিতে। এমন বাস্তবতায় নির্বাচন কমিশন গঠন নিয়ে সর গরম দেশের রাজনৈতিক অঙ্গন।

আইন করার উদ্দেশ্য তুলে ধরে সংসদে দেয়া বক্তব্যে আইনমন্ত্রী বলেছিলেন, ‘প্রস্তাবিত বিলটি আইনে পরিণত হলে প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ হবে, গণতন্ত্র সুসংহত ও প্রাতিষ্ঠানিক রূপ লাভ করবে এবং জনস্বার্থ সমুন্নত হবে, আশা করা যায়।’

বিলটিতে বলা হয়েছে, ‘প্রধান নির্বাচন কমিশনার এবং নির্বাচন কমিশনার নিয়োগদানের উদ্দেশ্যে রাষ্ট্রপতি কর্তৃক ইতিপূর্বে গঠিত অনুসন্ধান কমিটির ও তৎকর্তৃক সম্পাদিত কার্যাবলি এবং উক্ত অনুসন্ধান কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে প্রধান নির্বাচন কমিশনার এবং নির্বাচন কমিশনারের নিয়োগ বৈধ ছিল বলিয়া গণ্য হইবে এবং উক্ত বিষয়ে কোনো আদালতে কোনো প্রশ্ন উত্থাপন করা যাবে না।’

বিলে সার্চ কমিটির কাজ সুনির্দিষ্ট করে দেয়া হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, এ কমিটি স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতার নীতি অনুসরণ করে দায়িত্ব পালন করবে। আইনে বেঁধে দেয়া যোগ্যতা, অযোগ্যতা, অভিজ্ঞতা, দক্ষতা ও সুনাম বিবেচনা করে কমিটি প্রধান নির্বাচন কমিশনার এবং নির্বাচন কমিশনার নিয়োগের জন্য রাষ্ট্রপতির কাছে সুপারিশ করবে।

সার্চ কমিটি সিইসি ও কমিশনারদের প্রতি পদের জন্য দুজন করে ব্যক্তির নাম সুপারিশ করবে। কমিটি গঠনের ১০ কার্যদিবসের মধ্যে সুপারিশ রাষ্ট্রপতির কাছে দেবে বলে বিলে নির্দিষ্ট করা হয়েছে।

এতে আরও বলা হয়, সার্চ কমিটি প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও নির্বাচন কমিশনার পদে যোগ্যদের অনুসন্ধানের জন্য রাজনৈতিক দল এবং পেশাজীবী সংগঠনের কাছ থেকে নাম আহ্বান করতে পারবে।

সার্চ কমিটিতে থাকতে পারবেন যারা

উত্থাপন করা বিলে বলা হয়েছে, প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও নির্বাচন কমিশনার নিয়োগের জন্য রাষ্ট্রপতি ছয় সদস্যের একটি সার্চ কমিটি গঠন করবেন। এর সভাপতি হবেন প্রধান বিচারপতি মনোনীত আপিল বিভাগের একজন বিচারক।

সদস্য হিসেবে থাকবেন প্রধান বিচারপতির মনোনীত হাইকোর্ট বিভাগের একজন বিচারক, মহাহিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক, সরকারি কমিশনের চেয়ারম্যান এবং রাষ্ট্রপতি মনোনীত দুজন বিশিষ্ট নাগরিক। তিনজন সদস্যের উপস্থিতিতে কমিটির সভার কোরাম গঠন হবে। কমিটির কাজে সাচিবিক সহায়তা দেবে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।

কারা হতে পারবেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও নির্বাচন কমিশনার

প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও নির্বাচন কমিশনার হিসেবে কাকে নিয়োগ দেয়া হবে তাও নির্দিষ্ট করে দেয়া হয়েছে বিলে। এতে বলা হয়েছে, এই দুই পদে নিয়োগ পাওয়াদের অবশ্যই বাংলাদেশের নাগরিক হতে হবে, ন্যূনতম ৫০ বছর বয়স হতে হবে এবং কোনো গুরুত্বপূর্ণ সরকারি, বিচার বিভাগীয়, আধাসরকারি বা বেসরকারি পদে তার অন্যূন ২০ বছর কাজের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে।

যোগ্যতার পাশাপাশি প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও নির্বাচন কমিশনারদের অযোগ্যতাও নির্দিষ্ট করে দেয়া হয়েছে। বিলে মোট ছয়টি অযোগ্যতার কথা উল্লেখ করা হয়েছে।

এগুলো হলো আদালত অপ্রকৃতিস্থ ঘোষণা করলে, দেউলিয়া হওয়ার পর দায় থেকে অব্যাহতি না পেলে, কোনো বিদেশি রাষ্ট্রের নাগরিকত্ব নিলে কিংবা বিদেশি রাষ্ট্রের প্রতি আনুগত্য ঘোষণা বা স্বীকার করলে, নৈতিক স্খলনজনিত ফৌজদারি অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হয়ে অন্যূন দুই বছরের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হলে, ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইমস (ট্রাইব্যুনালস) অ্যাক্ট-১৯৭৩ বা বাংলাদেশ কোলাবরেটরস (স্পেশাল ট্রাইব্যুনালস) অর্ডার-১৯৭২-এর অধীনে কোনো অপরাধের জন্য দণ্ডিত হলে এবং আইনের দ্বারা পদাধিকারীকে অযোগ্য ঘোষণা করছে না- এমন পদ ব্যতীত প্রজাতন্ত্রের কর্মে লাভজনক পদে অধিষ্ঠিত থাকলে।

আরও পড়ুন:
সংলাপ: সংবিধান অনুযায়ী ইসি চায় জেপি
সংলাপ: বঙ্গভবনে জেপি
বিএনপির সংলাপে আসা উচিত: কাদের সিদ্দিকী
সংলাপ: ১৭ জানুয়ারি বঙ্গভবনে যাচ্ছে আওয়ামী লীগ
বঙ্গভবনে কাদের সিদ্দিকীর দল

শেয়ার করুন