× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
Committee to find source of mobile phone in hanging cell
google_news print-icon

ফাঁসির কয়েদিদের কক্ষে মোবাইল ফোনের উৎস খুঁজতে কমিটি

ফাঁসির-কয়েদিদের-কক্ষে-মোবাইল-ফোনের-উৎস-খুঁজতে-কমিটি
আলোচিত সাত খুন মামলার ফাঁসির সাজা পাওয়া আসামি নূর হোসেন। ছবি: নিউজবাংলা
জেল সুপার বলেন, ‘কারাগারে মোবাইল ব্যবহারের অপরাধে তার বিরুদ্ধে কারাবিধি আইনে ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে। কীভাবে কনডেম সেলে মোবাইল নেয়া হয়েছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এরই মধ্যে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।’

গাজীপুরের কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগারের কনডেম সেলে ফাঁসির দণ্ড পাওয়া আসামি নূর হোসেনের কাছে কীভাবে মোবাইল ফোন গেল, তা খতিয়ে দেখতে তিন সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে।

নিউজবাংলাকে শনিবার দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কেন্দ্রীয় কারাগার-২-এর জেল সুপার আব্দুল জলিল।

তিনি জানান, কারাগারের উপ-তত্ত্বাবধায়ক উম্মে সালমাকে প্রধান করে তিন সদস্যের এই কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিকে আগামী ১১ জানুয়ারির মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে হবে।

এর আগে কনডেম সেল থেকে একটি মোবাইল ফোন উদ্ধার করে কারা কর্তৃপক্ষ। সেটি নারায়ণগঞ্জে আলোচিত সাত খুন মামলায় ফাঁসির দণ্ড পাওয়া আসামি সিটি করপোরেশনের সাবেক কাউন্সিলর নূর হোসেন ব্যবহার করতেন বলে জানিয়েছে কারা কর্তৃপক্ষ।

জেল সুপার আব্দুল জলিল বলেন, ‘নূর হোসেনের সঙ্গে একই সেলে আরও দুই বন্দি রয়েছেন। সেখানে তিনি মোবাইল ফোন ব্যবহার করছেন বলে আমরা জানতে পারি। পরে তার কনডেম সেলে গত ৫ জানুয়ারি অভিযান চালানো হয়।

‘এ সময় ওই কনডেম সেল থেকে একটি মিনি বাটন মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়। নূর হোসেনের বিরুদ্ধে অস্ত্র, চাঁদাবাজিসহ একাধিক মামলা বিচারাধীন।’

নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন নির্বাচন আগামী ১৬ জানুয়ারি। এই নির্বাচনে কাউন্সিলর পদে ৪ নম্বর ওয়ার্ডে লড়ছেন নূর হোসেনের ছোট ভাই নূর উদ্দিন এবং ৩ নম্বর ওয়ার্ডে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ভাতিজা শাহ জালাল বাদল।

ফাঁসির কয়েদিদের কক্ষে মোবাইল ফোনের উৎস খুঁজতে কমিটি
অপহরণের পর হত্যা করা হয় এই সাতজনকে

নূর হোসেনের বিরুদ্ধে কী ধরনের শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে- এই প্রশ্নে জেল সুপার বলেন, ‘কারাগারে মোবাইল ব্যবহারের অপরাধে তার বিরুদ্ধে কারাবিধি আইনে ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে। কীভাবে কারাগারের ভেতর মোবাইল নেয়া হয়েছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এরই মধ্যে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।’

ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ লিংক রোডের ফতুল্লার লামাপাড়া এলাকা থেকে ২০১৪ সালের ২৭ এপ্রিল নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের প্যানেল মেয়র নজরুল ইসলামসহ সাতজনকে অপহরণ করা হয়। এর তিন দিন পর শীতলক্ষ্যা নদী থেকে তাদের বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় দুটি মামলা হয়।

হত্যার প্রায় তিন বছর পর বিচারিক আদলতে এই মামলার রায় হয়। রায়ে সাত খুন মামলায় নূর হোসেন, সাবেক র‍্যাব অধিনায়ক তারেক সাঈদসহ ২৬ জনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছিল নারায়ণগঞ্জের একটি আদালত।

হাইকোর্ট ১৫ জনের মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখে। তাদের মধ্যে নূর ও তারেক সাঈদ রয়েছেন।

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Train movement stopped for two days on Kolkata Khulna railway

কলকাতা-খুলনা রেলপথে দুদিন ট্রেন চলাচল বন্ধ

কলকাতা-খুলনা রেলপথে দুদিন ট্রেন চলাচল বন্ধ
রোববার (১৬ জুন) এবং বৃহস্পতিবার (২০ জুন) ট্রেনটি বন্ধ থাকবে বলে জানানো হয়েছে। এই রেলপথে ট্রেনটি সপ্তাহের ওই দুদিনই চলাচল করে।

আসন্ন ঈদুল আজহা উপলক্ষে কলকাতা-খুলনা রেলপথে চলাচল করা যাত্রীবাহী ‘বন্ধন-এক্সপ্রেস’ ট্রেনটি দুদিন বন্ধ থাকবে। রোববার (১৬ জুন) এবং বৃহস্পতিবার (২০ জুন) ট্রেনটি বন্ধ থাকবে বলে জানানো হয়েছে। এই রেলপথে ট্রেনটি সপ্তাহের ওই দুদিনই চলাচল করে।

রেলওয়ে সূত্র জানায়, রেললাইন ও কর্মীদের ওপর চাপ কমানো এবং ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করতেই এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। প্রতি বছরই এ সময় ট্রেন চলাচল বন্ধ থাকে।

জানা গেছে, বাংলাদেশ রেল কর্তৃপক্ষ এ ব্যাপারে গত ১৩ মে ভারতীয় রেল কর্তৃপক্ষকে একটি চিঠি দিয়ে জানায়। ভারতীয় কর্তৃপক্ষ তাতে সম্মতি জানিয়ে ফিরতি চিঠি পাঠায়।

এ বিষয়ে বেনাপোল রেলওয়ে স্টেশন মাস্টার সাইদুজ্জামান জানান, ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে চলাচল করা বন্ধন এক্সপ্রেস দুই দিন বন্ধ থাকবে। ভারতীয় রেল কর্তৃপক্ষ এবং বাংলাদেশ রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

বেনাপোল চেকপোস্ট পুলিশ ইমিগ্রেশনের ওসি আজহারুল ইসলাম বলেন, ‘আগামী ১৬ ও ২০ জুন বন্ধন এক্সপ্রেস ট্রেনটি বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কর্তৃপক্ষ। এ ব্যাপারে একটি চিঠি আমার দপ্তরে এসেছে। তবে সড়কপথে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে পাসপোর্টধারী যাত্রী চলাচল স্বাভাবিক থাকবে। এমনকি ঈদের দিনও চালু থাকবে পাসপোর্ট যাত্রীদের চলাচল।’

আরও পড়ুন:
ম্যাংগো ট্রেনের সঙ্গে ক্যাটেল ট্রেনেরও যাত্রা শুরু
চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে ম্যাংগো স্পেশাল ট্রেনের যাত্রা শুরু
এক সপ্তাহ পর চালু মোহনগঞ্জ লোকাল ট্রেন
ভাঙা লাইনে ছিপি দিয়ে চলল ট্রেন
মোহনগঞ্জ লোকাল ট্রেন বন্ধে দুর্ভোগে যাত্রীরা

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Sunamganj SA transports Indian illegal goods worth crores of rupees

সুনামগঞ্জ এসএ পরিবহনে কোটি টাকার ভারতীয় অবৈধ পণ্য

সুনামগঞ্জ এসএ পরিবহনে কোটি টাকার ভারতীয় অবৈধ পণ্য সুনামগঞ্জে এসএ পরিবহনের অফিসে থাকা অবৈধ ভারতীয় পণ্য বুধবার রাতে জব্দ করা হয়। ছবি: নিউজবাংলা
জব্দ পণ্যের মধ্যে রয়েছে- ১২৪ বস্তা ফুসকা, ৩০ বস্তা কসমেটিকস সামগ্রী, ১৬ বস্তা কাজু বাদাম, আট বস্তা বিস্কুট, চার বস্তা পলিথিন, তিন বস্তা কিসমিস,  দুই বস্তা চকলেট ও চশমা।

জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থার (এনএসআই) সহায়তায় সুনামগঞ্জে এসএ পরিবহন পার্সেল অ্যান্ড কুরিয়ার সার্ভিসে অভিযান চালিয়ে অবৈধভাবে ভারত থেকে আনা ১৮৭ বস্তা বিভিন্ন ধরনের পণ্য জব্দ করেছে টাস্কফোর্স।

আদালতের নিলাম কাগজ জালিয়াতি করে দেশের বিভিন্ন জায়গায় পাঠানোর সময় বুধবার রাত ১১টায় সুনামগঞ্জ পৌর শহরের পুরাতন বাস স্টেশন এলাকায় অবস্থিত এসএ পরিবহনের কাভার্ড ভ্যান ও কুরিয়ার কার্যালয়ে অভিযান চালিয়ে এসব পণ্য জব্দ করা হয়।

জব্দ পণ্যের মধ্যে রয়েছে- ১২৪ বস্তা ফুসকা, ৩০ বস্তা কসমেটিকস সামগ্রী, ১৬ বস্তা কাজু বাদাম, আট বস্তা বিস্কুট, চার বস্তা পলিথিন, তিন বস্তা কিসমিস, দুই বস্তা চকলেট ও চশমা। অবৈধ পথে আসা এসব পণ্য জব্দ করে তিনটি বড় কার্গো ট্রাকে ভরে বিজিবির ক্যাম্পে নিয়ে যাওয়া হয়। জব্দকৃত পণ্যের আনুমানিক মূল্য কোটি টাকা।

অবৈধ পণ্য পরিবহনের দায়ে এসএ পরিবহন সুনামগঞ্জ শাখার ম্যানেজারকে এর আগেও দুবার সাজা দিয়ে কারাগারে পাঠিয়েছিলো ভ্রাম্যমাণ আদালত।

টাস্কফোর্সের নেতৃত্বে থাকা সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এমদাদ শরীফ বলেন, ‘ভারত থেকে অবৈধভাবে নিয়ে আসা পণ্য পাচারের খবর পেয়ে অভিযান চালিয়ে ১৪৭ বস্তা বিভিন্ন ধরনের পণ্য জব্দ করেছি। যারা এই পণ্যগুলো পাঠানোর চেষ্টা করছিলেন তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

অবশ্য এসব অবৈধ পণ্য পরিবহনের জন্য কাউকে আটক করা হয়েছে কী না সে তথ্য দেননি তিনি।

অভিযানে অংশ নেন এনএসআইয়ের উপ-পরিচালক আরিফুর রহমান, সহকারী পরিচালক কৌশিক আহমদ কনকসহ পুলিশ, বিজিবি ও আনসার সদস্যরা।

আরও পড়ুন:
ময়মনসিংহে ২৮০ বস্তা ভারতীয় চিনিসহ একজন গ্রেপ্তার
বাজারের ইলেকট্রিক্যাল পণ্যের অর্ধেকই নকল ও অনুমোদনহীন
শেরপুরে পৌনে এক কোটি টাকার ভারতীয় চিনি জব্দ
প্রথমবারের মতো ভারত থেকে পণ্য নিয়ে বাংলাদেশে নারী ট্রাকচালক
‘চোরাই পণ্যবাহী’ গাড়ির কারণে সিলেট-তামাবিল মহাসড়ক এখন মরণফাঁদ

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Big Boss King Tiger Bullet and Rock are coming to shake the market

বাজার কাঁপাতে আসছে বিগবস, বাদশা, টাইগার, বুলেট ও রক

বাজার কাঁপাতে আসছে বিগবস, বাদশা, টাইগার, বুলেট ও রক ব্যতিক্রমী পাঁচটি গরুর আচরণকে কেন্দ্র করে নানা বাহারি নামে ডাকা হচ্ছে। ছবি: নিউজবাংলা
জেলা প্রাণিসম্পদ বিভাগের কর্মকর্তা ডা. মো. আশরাফুল আলম খান জানান, চাহিদামতো জেলায় ৯৬ হাজার ৭২৮টি গবাদিপশু লালনপালন করে প্রস্তত করা হয়েছে। এ বছর বাইরের দেশ থেকে কোনো পশু না ঢুকলে খামারিরা ভালো দামে গবাদিপশু বিক্রি করতে পারবেন।

পবিত্র ঈদুল আজহা সামনে রেখে বাজার ধরতে নানা বাহারি নামে গরু মোটাতাজা করে বিক্রির জন্য প্রস্তুত করছেন মৌলভীবাজারের খামারিরা। এরই মধ্যে অনেক খামারে শুরু হয়ে গেছে আগাম বেচাবিক্রি। খামারিরা জানিয়েছেন, এবার অন্য বছরের তুলনায় কিছুটা ভালো দামে গরু বিক্রির আশা করছেন তারা।

লাভজনক হওয়ায় দেশে এখন বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে গরুর খামার। প্রতি বছরই নতুন নতুন মানুষ যুক্ত হচ্ছে খামার ব্যবসায়। সফলতাও পাচ্ছেন অনেকে। এমনই এক সফল খামারি হচ্ছেন জুড়ী উপজেলার মেসার্স সিয়াম অ্যাগ্রো ফার্মের স্বত্বাধিকারী সাইফুল ইসলাম ছেনু।

বাবা মৃত বজলু মিয়ার হাতে গড়া খামারটির বয়স এখন শত বছরের ওপরে। ছেনুর বাবার মৃত্যুর পর ছেলেরা খামারের হাল ধরেন। এ খামারে বর্তমানে ছোটবড় মিলিয়ে মোট ৬৫টি গরু রয়েছে। কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে দেশীয় পদ্ধতিতে ক্রেতাদের মন জয় করতে এ খামারে গড়ে তোলা হয়েছে বিগবস, বাদশা, টাইগার, বুলেট ও রক নামের পাঁচটি গরু। এসব গরু দেখতে প্রতিদিন শত শত মানুষ ভিড় জমাচ্ছেন।

সাইফুল ইসলাম ছেনু জানান, মূলত কোরবানির বাজার ধরতে অনেক আগে থেকেই দেশীয় পদ্ধতিতে গরু মোটাতাজা করছেন তিনি। ভারতীয় গরু অনুপ্রবেশ না করলে এবং আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে এবারের ঈদে ভালো মুনাফা পাবেন বলে আশা করছেন।

তিনি বলেন, ‘এ পর্যন্ত ছোটবড় মিলিয়ে ৬৫টি গরু মোটাতাজা করা হয়েছে। সেইসঙ্গে ব্যতিক্রমী পাঁচটি গরুর আচরণকে কেন্দ্র করে নানা বাহারি নামে ডাকা হচ্ছে। এগুলো দাম ৩ থেকে ৫ লাখ টাকা করে চাচ্ছি আমরা।’

জুড়ী উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. রমাপদ দে জানান, প্রবাসী অধ্যুষিত এ উপজেলায় দিনকে দিন বাড়ছে কোরবানির পশুর চাহিদা। সেইসঙ্গে বেড়েছে খামারের সংখ্যা। উপজেলায় ছোটবড় মিলিয়ে প্রায় শতাধিক খামার রয়েছে।

ঈদের আগে খামারগুলোতে কঠোর নজরদারি রাখা হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘কেউ যাতে অসৎ উপায়ে গরু মোটাতাজা না করতে পারে, সেজন্যই এ ব্যবস্থা।’

জেলা প্রাণিসম্পদ বিভাগের কর্মকর্তা ডা. মো. আশরাফুল আলম খান জানান, চাহিদামতো জেলায় ৯৬ হাজার ৭২৮টি গবাদিপশু লালনপালন করে প্রস্তত করা হয়েছে। এ বছর বাইরের দেশ থেকে কোনো পশু না ঢুকলে খামারিরা ভালো দামে গবাদিপশু বিক্রি করতে পারবেন।

আরও পড়ুন:
ডিএনসিসির পশুর হাটে নিরাপদ ‘ক্যাশলেস’ লেনদেনের আশা মেয়রের
নেত্রকোণায় ‘ঘাস খেয়ে’ এক খামারের ২৬ গরুর মৃত্যু
‘রাজা বাবু’র দাম হাঁকা হচ্ছে ৬ লাখ টাকা
ঢাকায় কোরবানির পশুর হাট বসছে বৃহস্পতিবার থেকে
‘সাদা পাহাড়ের’ ওজন ৩৮ মণ, দাম ১৬ লাখ

মন্তব্য

বাংলাদেশ
He was hacked to death on his way to appear in a case in Teknaf

টেকনাফে মামলায় হাজিরা দিতে যাওয়ার পথে কুপিয়ে হত্যা

টেকনাফে মামলায় হাজিরা দিতে যাওয়ার পথে কুপিয়ে হত্যা রেজাউল করিম। ছবি: সংগৃহীত
নিহতের মা বলেন, ‘সকালে আমার ছেলে কক্সবাজার আদালতে মামলার হাজিরা দিতে যাওয়ার সময় পেঠানের ছেলে ফরহাদসহ কয়েকজন তাকে হত্যা করে পালিয়ে যায়। আমার ছেলেকে পরিকল্পিতভাবে খুন করা হয়েছে। আমি খুনিদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি।’

কক্সবাজার টেকনাফে সিএনজিচালিত অটোরিকশা থেকে নামিয়ে এলোতাপাড়ি কুপিয়ে ও ছুরিকাঘাতে এক যুবককে হত্যা করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকাল ৮টার দিকে টেকনাফ শাহপরীর দ্বীপ কোনারপাড়া কবরস্থানের সামনে এই ঘটনা ঘটে।

পুলিশ নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে।

নিহত যুবক টেকনাফ শাহপরীর দ্বীপ মিস্ত্রীপাড়া গ্রামের মৃত হামিদ হোসেনের ছেলে রেজাউল করিম।

খবর পেয়ে থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। এ সময় হত্যাকাণ্ডের হোতা মো. ফরহাদ ওই এলাকায় আত্মগোপন করে আছেন জেনে পুলিশ তার বাড়িতে অভিযান চালায়। তাকে না পেয়ে তার মা এবং বাড়ির পাশ থেকে দুজনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য টেকনাফ মডেল থানায় নিয়ে আসা হয়।

প্রত্যক্ষদর্শী ও নিহতের পরিবার সূত্রে জানা যায়, রেজাউল করিম বৃহস্পতিবার সকালে একটি মামলায় হাজিরা দেয়ার জন্য সিএনজিচালিত অটোরিকশায় কক্সবাজারের আদালতে যাচ্ছিলেন। পথে ওই মামলার বাদী পক্ষের লোকজন পরিকল্পিতভাবে অটোরিকশার গতিরোধ করে প্রথমে ধারালো অস্ত্র দিয়ে রেজাউলের হাতে কোপ দেয়। এ সময় রেজাউল অটোরিকশা থেকে নেমে পালানোর চেষ্টা করেন। এরপর হামলাকারীরা তাকে ধরে এলোতাপাড়ি ছুরিকাঘাত করে চলে যায়।

স্থানীয় লোকজন রেজাউলকে উদ্ধার করে টেকনাফ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে চিকিৎসক নওশাদ আলম তাকে মৃত ঘোষণা করেন। তিনি বলেন, ‘নিহতের দুই হাতে ধারালো অস্ত্রের কোপ এবং শরীরের বিভিন্ন স্থানে ধারালো অস্ত্র বা লোহার রড ধরনের কিছুর আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে।’

এ ব্যাপারে নিহতের মা সাজিদা বলেন, ‘সকালে আমার ছেলে কক্সবাজার আদালতে মামলার হাজিরা দিতে যাচ্ছে এমন সময় পেঠানের ছেলে ফরহাদসহ কয়েকজন তাকে হত্যা করে পালিয়ে যায়। আমার ছেলেকে পরিকল্পিতভাবে খুন করা হয়েছে। আমি খুনিদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি।’

এই ব্যাপারে টেকনাফ মডেল থানার ওসি ওসমান গণি বলেন, ‘পূর্বশত্রুত থেকে এই হত্যাকাণ্ড ঘটেছে বলে জানা গেছে। হত্যা মামলা রুজু করার পর তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

মন্তব্য

বাংলাদেশ
BGB has increased surveillance at Benapole and Sharsha border

বেনাপোলসহ শার্শা সীমান্তে নজরদারি বাড়িয়েছে বিজিবি

বেনাপোলসহ শার্শা সীমান্তে নজরদারি বাড়িয়েছে বিজিবি যশোরের শার্শা সীমান্তে বিজিবি টহল দলের নজরদারি। ছবি: নিউজবাংলা
যশোর ৪৯ বিজিবির কমান্ডিং অফিসার আহমেদ হাসান জামিল বলেন, ‘ঈদ সামনে রেখে কোনো চোরাকারবারি যাতে ওপার সীমান্তে প্রবেশ করতে না পারে সেজন্য আমরা সীমান্ত এলাকার বাসিন্দাদের কাছে সতর্ক বার্তা পাঠিয়েছি। চোরাকারবারিরা যাতে সীমান্ত এলাকায় প্রবেশ করতে না পারে সে জন্য আমরা নজরদারি বাড়িয়েছি।’

যশোর সীমান্তে নজরদারি বাড়িয়েছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। বাংলাদেশের কোনো নাগরিক যেন অবৈধভাবে সীমান্ত অতিক্রম বা বিনা কারণে সীমান্ত এলাকায় না যায় সেজন্য সতর্ক করা হচ্ছে। তবে কৃষকদের মাঠে কাজ করতে যেতে কোনো বাধা নেই।

বৃহস্পতিবার ৪৯ বিজিবির কোম্পানি সদর থেকে দেয়া নির্দেশনার পরিপ্রেক্ষিতে সীমান্ত এলাকায় বিজিবি সদস্যরা সতর্ক অবস্থায় রয়েছেন।

মহেশপুর সীমান্তের বিপরীতে বিএসএফ সদস্যরা সীমান্তের নিকটবর্তী বাংলাদেশি অসামরিক ব্যক্তিদের লক্ষ্য করে গুলি চালাতে পারে- এমনটা উল্লেখ করে বুধবার সংশ্লিষ্ট এলাকায় বিজিবির পক্ষ থেকে মাইকিং করা হয়। এ সময় বাংলাদেশি জনসাধারণকে সীমান্ত এলাকায় না যাওয়ার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করা হয়।

বেনাপোলসহ শার্শা সীমান্তে নজরদারি বাড়িয়েছে বিজিবি

জানা গেছে, সোমবার (১০ জুন) গভীর রাতে মহেশপুর সীমান্তের বিপরীতে ভারতের অভ্যন্তরে বিএসএফের এক সদস্যকে কুপিয়ে জখম করে দুষ্কৃতকারীরা। বিএসএফের ধারণা, এটা বাংলাদেশের দুষ্কৃতকারীরা করেছে। এজন্য প্রতিশোধ নিতে বিএসএফ গুলি চালাতে পারে এমনটা আশঙ্কা করে বিজিবি সদস্যরা সীমান্তের সাধারণ মানুষদের সতর্ক থাকার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করছেন।

যশোর ৪৯ বিজিবির কমান্ডিং অফিসার আহমেদ হাসান জামিল বলেন, ‘ঈদ সামনে রেখে কোনো চোরাকারবারি যাতে ওপার সীমান্তে প্রবেশ করতে না পারে সেজন্য আমরা সীমান্ত এলাকায় বসবাসকারী মানুষের কাছে সতর্ক বার্তা পাঠিয়েছি।

‘ঈদ এলেই চোরাকারবারিদের দৌরাত্ম্য কিছুটা বৃদ্ধি পায়। চোরাকারবারিরা যাতে সীমান্ত এলাকায় প্রবেশ করতে না পারে সে জন্য আমরা নজরদারি বাড়িয়েছি।’

সীমান্ত এলাকায় ফসলের ক্ষেতে কাজ করার জন্য কৃষকরা যেতে পারবে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, কৃষকদের মাঠে কাজ করতে বা ফসলাদি দেখাশোনা করতে কোনো বাধা নেই। এ সময়ে সীমান্ত এলাকায় কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা যাতে না ঘটে, তার জন্য সীমান্ত এলাকায় নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। আমাদের সীমান্ত এলাকায় তেমন কোনো সমস্যা নেই। আশা করি কোনো সমস্যা হবে না।’

আরও পড়ুন:
বেনাপোল বন্দর দিয়ে ৫ দিন আমদানি-রপ্তানি বন্ধ
বিএসএফ এলাকায় দুর্ঘটনা ঘটাতে পারে: বিজিবির সতর্কতামূলক মাইকিং

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Dolphins in Patuakhali reservoir

পটুয়াখালীর জলাশয়ে ডলফিন

পটুয়াখালীর জলাশয়ে ডলফিন বৃহস্পতিবার সন্ধ‌্যা ৬টার দি‌কে ডল‌ফিন‌টি‌কে ব‌ঙ্গোপসাগর-সংলগ্ন আন্ধারমা‌রিক নদী‌র মোহনায় অবমুক্ত করা হ‌য়। ছবি: নিউজবাংলা
কলাপাড়া উপ‌জেলার জালালপুর গ্রা‌মে আন্ধারমা‌নিক নদী-সংলগ্ন জলাশ‌য়ে বোটলনোজ প্রজাতির একটি জীবিত ডলফিনটি পাওয়া যায়। এটির দৈর্ঘ্য ৫ ফুট ও প্রস্থ দেড় ফুট।

কুয়াকাটা সৈক‌তে মৃত ডল‌ফিন ভে‌সে আসার পর এবার পটুয়াখালীর এক‌টি জলাশয় পাওয়া গেল জী‌বিত ডল‌ফিন।

কলাপাড়া উপ‌জেলার জালালপুর গ্রা‌মে আন্ধারমা‌নিক নদী-সংলগ্ন জলাশ‌য়ে বোটলনোজ প্রজাতির একটি জীবিত ডলফিনটি পাওয়া যায়। এটির দৈর্ঘ্য ৫ ফুট ও প্রস্থ দেড় ফুট।

বৃহস্পতিবার সন্ধ‌্যা ৬টার দি‌কে ডল‌ফিন‌টি‌কে ব‌ঙ্গোপসাগর-সংলগ্ন আন্ধারমা‌রিক নদী‌র মোহনায় অবমুক্ত করা হ‌য়ে‌ছে ব‌লে নিশ্চিত ক‌রেন কলাপাড়া উপ‌জেলা জ্যেষ্ঠ মৎস‌্য কর্মকর্তা অনুপ কুমার সাহা।

এসময় ডলফিনটিকে এক নজর দেখতে জলাশ‌য়ের দুপা‌ড়ে উৎসুক জনতা ভিড় জমায়।

মৎস‌্য কর্মকর্তা অনুপ কুমার সাহা জানান, শেষ বিকেলে আন্ধারমা‌নিক নদী থে‌কে ডল‌ফিন‌টি ভাসতে ভাসতে ওই জলাশ‌য়ে প্রবেশ ক‌রে। প‌রে খবর পে‌য়ে বন্যপ্রাণী অপরাধ দমন ইউনিটের বন্যপ্রাণী পরিদর্শক অসীম মল্লিক এবং ওয়ার্ল্ড ফিশ ইকোফিশ-২ এর সহযোগী গবেষক সাগরিকা স্মৃতির পরামর্শ অনুযায়ী ডলফিনটিকে উদ্ধার করে নিবিড় পর্যক্ষণে রেখে খাবার দিয়ে তার শারীরিক অবস্থার উন্নতির চেষ্টা করা হয়।

এক পর্যা‌য়ে স্থানীয় প্রাণিকল্যাণ ও পরিবেশবাদী সংগঠন অ্যানিম্যাল লাভার্স অফ পটুয়াখালীর সদস্য ও মো. সুজন বৃহস্পতিবার সন্ধ‌্যা ৬টার দি‌কে ডলফিনটিকে অবমুক্ত করেন।

আল মুনজির বলেন, ‘জেলেদের জালে আটকে ডলফিনটি আহত হয়। আমাদের ধারণা, পরে পথভ্রষ্ট হয়ে এটি আন্ধারমানিক নদী হয়ে জলাশ‌য়ে ঢুকে পড়ে।’

এর আগে কখনও দক্ষিণাঞ্চলে জী‌বিত ডলফিন ভেসে আসার খবর পাওয়া যায়নি ব‌লে জানান তিনি।

আরও পড়ুন:
কুয়াকাটা সৈকতে অর্ধগলিত ডলফিন
হালদায় এক সপ্তাহে ৩ ডলফিনের মৃত্যুর কারণ কী
৭ দিনের ব্যবধানে হালদায় আরও দুটি মৃত ডলফিন
হালদার বুকে আরও একটি মৃত ডলফিন
এবার কুয়াকাটা সৈকতে ‘সদ্যোমৃত’ ডলফিন

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The passenger cargo trawler from St Martin did not go

সেন্টমার্টিন থেকে এসেছে যাত্রী, টেকনাফ থেকে পণ্যবাহী ট্রলার যায়নি

সেন্টমার্টিন থেকে এসেছে যাত্রী, টেকনাফ থেকে পণ্যবাহী ট্রলার যায়নি সেন্টমার্টিন থেকে আসা যাত্রীদের টেকনাফের মুন্ডারডেইল ঘাটে ডিঙি নৌকা দিয়ে তীরে আনা হচ্ছে। ছবি: নিউজবাংলা
মিয়ানমার থেকে গুলিবর্ষণের একাধিক ঘটনায় সাতদিন বন্ধ থাকার পর বিজিবি ও কোস্টগার্ডের নিরাপত্তায় টেকনাফ-সেন্টমার্টিন রুটে নৌ-চলাচল শুরু হয়েছে। বৃহস্পতিবার আড়াই শ’ যাত্রী নিয়ে অন্তত ১০টি ট্রলার টেকনাফের মুন্ডারডেইল ঘাটে ভেড়ে। তবে সাগর প্রতিকূল থাকায় পণ্যবাহী ট্রলার সেন্টমার্টিনে পাঠানো সম্ভব হয়নি।

মিয়ানমার সীমান্ত থেকে সেন্টমার্টিন দ্বীপে যাতায়াতকারী নৌযান লক্ষ্য করে গুলিবর্ষণের একাধিক ঘটনার কারণে ৭ দিন বন্ধ থাকার পর বিজিবি ও কোস্টগার্ডের নিরাপত্তায় শুরু হয়েছে ট্রলার চলাচল।

বৃহস্পতিবার আড়াই শ’ যাত্রী নিয়ে অন্তত ১০টি ট্রলার টেকনাফের মুন্ডারডেইল ঘাটে ভেড়ে। তবে সাগরে প্রতিকূল পরিস্থিতির কারণে পণ্যবাহী ট্রলার সেন্টমার্টিনে পাঠানো সম্ভব হয়নি।

টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আদনান চৌধুরী জানান, বৃহস্পতিবার বিকেল সাড়ে ৩টায় মেরিন ড্রাইভ সড়ক সংলগ্ন টেকনাফ উপজেলার সাবরাং ইউনিয়নের মুন্ডারডেইল এলাকার সাগর উপকূলের পয়েন্ট দিয়ে সেন্টমার্টিন থেকে ট্রলারযোগে এসব মানুষ মূল ভূখণ্ডে ফিরে আসেন।

সেন্টমার্টিন থেকে এসেছে যাত্রী, টেকনাফ থেকে পণ্যবাহী ট্রলার যায়নি
সেন্টমার্টিনে যাওয়ার উদ্দেশ্যে টেকনাফের মুন্ডারডেইল ঘাটে ভিড় করেছেন যাত্রীরা। ছবি: নিউজবাংলা

এদিকে সাগর উত্তাল থাকায় ঝুঁকি নিয়ে এসব ট্রলার থেকে লোকজনকে সরাসরি তীরে উঠানো সম্ভব হচ্ছিল না। পরে কয়েকটি ডিঙ্গি নৌকা উপকূলের কিছু দূরে সাগরে অবস্থানরত ট্রলারগুলোর কাছে পাঠানো হয়।

ইউএনও বলেন, ‘আজ (বৃহস্পতিবার) দুপুর ১টার দিকে সেন্টমার্টিন দ্বীপের জেটি ঘাট থেকে তিনটি ট্রলারযোগে বিজিবি ও কোস্টগার্ড সদস্যদের নিরাপত্তায় তিন শতাধিক মানুষ টেকনাফের উদ্দেশে রওনা হয়। বিকেল ৩টার দিকে ট্রলারগুলো টেকনাফের মুন্ডারডেইল সাগর উপকূলে পৌঁছে। কিন্তু সাগরের প্রতিকূল পরিস্থিতির কারণে পণ্যবাহী ট্রলার সেন্টমার্টিনে পাঠানো সম্ভব হয়নি।’

সেন্টমার্টিন ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান খোরশেদ আলম জানান, গত সাতদিন দ্বীপে আসা-যাওয়া বন্ধ থাকায় দ্বীপে খাদ্য পণ্যের সংকট দেখা দিয়েছে। এখন বিকল্পভাবে ট্রলার চলাচল শুরু হওয়ায় স্বস্তি মিলছে। যে ট্রলারগুলো গেছে ওইসব ট্রলার নিয়ে টেকনাফে থাকা মানুষ ফিরে আসবে।’

টানা ৭ দিন বন্ধ থাকার পর বুধবার সন্ধ্যায় কক্সবাজার জেলা প্রশাসনের এক জরুরি সভায় বৃহস্পতিবার থেকে সেন্টমার্টিনে যাত্রী আসা-যাওয়া এবং পণ্যবাহী ট্রলার চলাচল শুরুর সিদ্ধান্ত হয়।

এ বিষয়ে ইউএনও আদনান জানান, বৃহস্পতিবার টেকনাফ-সেন্টমার্টিন নৌরুটে সাগরের বিকল্প পথে যাত্রী পারাপার শুরু হলেও পণ্যবাহী কোনো ট্রলার সেন্টমার্টিনের উদ্দেশে টেকনাফ ছাড়েনি।

টেকনাফের নাফ নদীর সীমান্তের ওপারে মিয়ানমারের কাছে টানা দুদিন ধরে বড় আকারের একটি জাহাজের উপস্থিতি দেখা যাচ্ছে। আর সেই জাহাজ ও মিয়ানমারের স্থলভাগে বুধবার রাত থেকে বৃহস্পতিবার বিকেল পর্যন্ত চলেছে গোলাগুলি। বিস্ফোরণের বিকট শব্দ ভেসে আসছে টেকনাফের সীমান্তবর্তী এলাকায়।

আরও পড়ুন:
সেন্টমার্টিনে খাদ্য সংকট কেন
সেন্টমার্টিন রুটে স্পিডবোট লক্ষ্য করে মিয়ানমার থেকে গুলি
নাফ নদে নির্বাচনি কর্মকর্তা ও সরঞ্জামবাহী ট্রলারে গুলি
মিয়ানমারে ফের গোলাগুলি, কাঁপল টেকনাফ সীমান্ত
মিয়ানমার নৌবাহিনীর গুলিতে আহত বাংলাদেশি দুই জেলে

মন্তব্য

p
উপরে