কেনা জমিকে সরকারি দাবি করে দাফনে ভূমি কর্মকর্তার বাধা

player
কেনা জমিকে সরকারি দাবি করে দাফনে ভূমি কর্মকর্তার বাধা

জমিটি সরকারের নয় দাবি করে স্থানীয় সৈয়দ মছরু জানান, এই জমি নিয়ে মামলা হয়েছিল। আদালতের রায় জমির মালিক মঞ্জুরুল হুদা, ময়নুল হুদা ও মোমিনুল হুদার পক্ষে এসেছে। সেটেলমেন্ট জরিপেও রায় তাদের পক্ষে গেছে। তাদের কাছ থেকেই দুলাল সরদার কিনেছেন। 

সাতক্ষীরার তালা উপজেলায় এক নারীর মরদেহ দাফনের সময় জায়গাটিকে সরকারি দাবি করে বাধা দিয়েছেন ভূমি কর্মকর্তা।

তালা উপজেলার মাঝিয়াড়া গ্রামে বৃহস্পতিবার বিকেল ৪টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

পরে ৬৫ বছরের মৃত জাহানারা বেগমকে সরকারি কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে। তার স্বামী মাঝিয়াড়া বাজার মসজিদের মুয়াজ্জিন দুলাল সরদার।

জাহানারা বেগমের মেয়ে ডলি আক্তার নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আমাদের ঘরবাড়ি না থাকায় বিভিন্ন সময় রাস্তার ধারে থেকেছি। কয়েক বছর আগে একটু জমি কিনে এখানে থাকছি।

‘বৃহস্পতিবার সকালে আমার মা স্ট্রোক করে মারা যান। এই জমিতে মাকে দাফন করতে গেলে ভূমি অফিসের নায়েব এসে বাধা দেন। তিনি জানান, জমিটি সরকারের। এখানে লাশ দাফন করা যাবে না। পরে বাধ্য হয়ে সরকারি কবরস্থানে দাফন করেছি।’

তালা ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা আনিসুর রহমান বলেন, ‘সরকারি জায়গায় লাশ দাফনের জন্য কবর খোঁড়া হয়েছে শুনে ইউএনও স্যার আমাকে পাঠিয়েছিলেন। ওই জমি সরকারের হওয়ায় আমি বাধা দিয়েছি। তাদের সরকারি কবরস্থানে দাফনের জন্য বলা হয়েছিল।’

জমিটি সরকারের নয় দাবি করে স্থানীয় সৈয়দ মছরু জানান, এই জমি নিয়ে মামলা হয়েছিল। আদালতের রায় জমির মালিক মঞ্জুরুল হুদা, ময়নুল হুদা ও মোমিনুল হুদার পক্ষে এসেছে। সেটেলমেন্ট জরিপেও রায় তাদের পক্ষে গেছে। তাদের কাছ থেকেই দুলাল সরদার কিনেছেন।

‘এখন সরকার কীভাবে জমির মালিকানা দাবি করছে আমি জানি না। আমরা সব কাগজপত্র নায়েবের কাছে দিয়ে এসেছি।’

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) প্রশান্ত কুমার বিশ্বাস জানান, কাগজপত্র যাচাই করে নিশ্চিত হওয়া যাবে এই জমির মালিকানা কার।

আরও পড়ুন:
‘দেবরদের বাঁশের আঘাতে মৃত্যু’
দিনমজুরের জমি খাস বানিয়ে লিজের অভিযোগ
সরকারি স্কুলের ২ একর জমি ‘বেদখলে’
মিল্ক ভিটাকে আধুনিক করব: প্রতিমন্ত্রী স্বপন
মিল্ক ভিটার জমি প্রতিমন্ত্রীর ছেলের নামে

শেয়ার করুন

মন্তব্য

শ্রমিকদের ওপর ‘হামলা’: শরীয়তপুরে বাস ধর্মঘট

শ্রমিকদের ওপর ‘হামলা’: শরীয়তপুরে বাস ধর্মঘট

সন্ত্রাসী হামলার প্রতিবাদে শরীয়তপুরে বাস শ্রমিকের ধর্মঘটে স্থবির বাস টার্মিনাল। ছবি: নিউজবাংলা

পালং মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আক্তার হোসেন বলেন, ‘পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করে। এ ঘটনায় কোনো হতাহত হয়নি। কেউ কোনো অভিযোগও করেনি। পেলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে। যাত্রীভোগান্তি বন্ধে দ্রুত বাস চলাচল শুরুর জন্য পরিবহন শ্রমিকদের সঙ্গে আলোচনা চলছে।’

শরীয়তপুরে বাসশ্রমিক ইউনিয়ন ও মালিক সমিতির ডাকা ধর্মঘটে বিপাকে যাত্রীরা। বাস টার্মিনালগুলোতে এসে ফিরে যাচ্ছেন তারা। অনেকে বাড়তি টাকায় বিকল্প যানে গন্তব্যে যাচ্ছেন।

সন্ত্রাসী হামলার প্রতিবাদে বৃহস্পতিবার বেলা ২টার দিকে ধর্মঘটে যান পরিবহন শ্রমিকরা। পুলিশ বলছে, বাস চলাচল চালুর বিষয়ে পরিবহন নেতাদের সঙ্গে তাদের আলোচনা চলছে।

ইব্রাহিম হোসেন নামে এক যাত্রী নিউজবাংলাকে বলেন, ‘ছয় মাসের সন্তান, স্ত্রী ও এক মেয়েকে নিয়ে ঢাকার উদ্দেশে বাস কাউন্টারে আসি। তখন জানতে পারি, বাস চলাচল বন্ধ। কিন্তু মেয়ের চিকিৎসার জন্য আজই তার যাওয়া জরুরি।

ইয়াসমিন আক্তার নামের আরেক যাত্রী বলেন, ‘অফিস শেষে গোসাইরহাটে যাব। সেখানে আমার বাড়ি। কিন্তু এসে শুনি ধর্মঘট। বাস না পাওয়ায় অটোরিকশায় যাব। এ জন্য সময়ের সঙ্গে বাড়তি টাকা গুনতে হচ্ছে।’

স্থানীয়দের বরাতে পুলিশ জানায়, দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে সদর উপজেলার পালং ইউনিয়নের বালাখানা এলাকায় বাসশ্রমিকদের ওপর বোমা ছোড়ে সন্ত্রাসীরা। এরপর দেশীয় অস্ত্র নিয়ে চালায় হামলা।

বাস শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক আলী মাদবর ও মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক বাচ্চু ব্যাপারী ঘটনাস্থলে গেলে তাদের ওপরও চড়াও হয় সন্ত্রাসীরা। একপর্যায়ে তারা পালং ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে আশ্রয় নেন। সন্ত্রাসীরা সেখানেও বোমা হামলা চালায়। পুলিশ আসলে তারা পালিয়ে যায়।

শ্রমিকদের ওপর ‘হামলা’: শরীয়তপুরে বাস ধর্মঘট

জেলা বাস শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক আলী মাদবর নিউজবাংলাকে বলেন, ‘বালাখানায় বাসশ্রমিকদের ওপর চিহ্নিত সন্ত্রাসীরা বোমা হামলা চালিয়েছে। শ্রমিকদের কোনো নিরাপত্তা নাই। তাই তারা বাস চালাবেন না। যতক্ষণ পর্যন্ত হামলাকারীরা গ্রেপ্তার হবে না, ততক্ষণ আন্দোলন চলবে।’

পালং মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আক্তার হোসেন বলেন, ‘পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করে। এ ঘটনায় কোনো হতাহত হয়নি। কেউ কোনো অভিযোগও করেনি। পেলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে। যাত্রীভোগান্তি বন্ধে দ্রুত বাস চলাচল শুরুর জন্য পরিবহন শ্রমিকদের সঙ্গে আলোচনা চলছে।’

আরও পড়ুন:
‘দেবরদের বাঁশের আঘাতে মৃত্যু’
দিনমজুরের জমি খাস বানিয়ে লিজের অভিযোগ
সরকারি স্কুলের ২ একর জমি ‘বেদখলে’
মিল্ক ভিটাকে আধুনিক করব: প্রতিমন্ত্রী স্বপন
মিল্ক ভিটার জমি প্রতিমন্ত্রীর ছেলের নামে

শেয়ার করুন

মাকে হত্যা, ১০ মাসের সন্তানকে ছুড়ে ফেলা হলো সড়কের ধারে

মাকে হত্যা, ১০ মাসের সন্তানকে ছুড়ে ফেলা হলো সড়কের ধারে

তামিমকে তার বাড়ি গোপালগঞ্জের বেদ গ্রাম থেকে আটক করেছে পুলিশ। ছবি: নিউজবাংলা

ওসি গোলাম সরোয়ার বলেন, ‘তামিম জানিয়েছেন, বুধবার রাশিদাকে নিয়ে গোপালগঞ্জের একটি হোটেলে অবস্থান করেন তিনি। রাত ৮টার পরে সেখান থেকে বের হয়ে অপর লোকজনের সহায়তায় রাশিদাকে হত্যা করেন। ওই রাতে একটি ‌থ্রি হুইলার ভাড়া করে আগৈলঝাড়ার বাইপাস মহাসড়কের পাশে রাশিদার লাশ ও তার শিশুসন্তানকে ফেলে রেখে পালিয়ে যান।’

বরিশালের আগৈলঝাড়া উপজেলায় মাকে হত্যা করে তার শিশুসন্তানকে রাস্তার ধারে ফেলে রাখার ঘটনা ঘটেছে।

মরদেহ উদ্ধারের তিন ঘণ্টার মধ্যে হত্যায় জড়িত থাকার অভিযোগে গোপালগঞ্জ থেকে আটক করা হয় নিহতের স্বামীকে। পরে তার বিরুদ্ধে মামলা হলে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

বৃহস্পতিবার ভোরে উপজেলার বাইপাস মহাসড়কের পাশে ঘেরের পাশ থেকে রাশিদা বেগমের রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে পুলিশ আটক করে তার স্বামী তামিম শেখকে।

রাশিদা আগৈলঝাড়ার নগড়বাড়ি গ্রামের মৃত করিম শাহের মেয়ে। তিনি উপজেলার ১ নম্বর ব্রিজসংলগ্ন এলাকায় থাকতেন।

রাশিদা ও তামিম বিয়ে করেছিলেন দুই বছর আগে। তামিমের আগের স্ত্রীর দুটি ছেলেসন্তান রয়েছে। রাশিদার গর্ভে জন্ম নেয়া তার সন্তানের বয়স ১০ মাস।

আগৈলঝাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা গোলাম সরোয়ার বলেন, স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে উপজেলার বাইপাস মহাসড়কের পাশে ঘেরের পাড় থেকে রাশিদার রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। কান্নার আওয়াজ পেয়ে রাশিদার ১০ মাস বয়সী শিশুপুত্র তানিমকে মায়ের মরদেহের পাঁচ শ গজ দূরে সড়কের পাশ থেকে উদ্ধার করা হয়।’

তিনি বলেন, ‘মরদেহ উদ্ধারের পরপরই ঘটনার পারিপার্শ্বিক অবস্থা দেখে রাশিদার স্বামীর বাড়িতে অভিযান পরিচালনা করা হয়।’

অভিযান পরিচালনাকারী পরিদর্শক (তদন্ত) মাজহারুল ইসলাম জানান, তামিমকে তার বাড়ি গোপালগঞ্জের বেদ গ্রাম থেকে রক্তমাখা জুতা ও জামা পরা অবস্থায় আটক করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে তিনি স্ত্রী হত্যার দায় স্বীকার করেন।

দুপুরে তামিমকে নিয়ে হত্যার ঘটনাস্থল বেদগ্রাম পরিদর্শন এবং হত্যায় ব্যবহৃত হাতুড়ি ও দেশীয় অস্ত্র উদ্ধারে অভিযান চালানো হয়।

ওসি গোলাম সরোয়ার বলেন, ‘তামিম জানিয়েছেন, বুধবার রাশিদাকে নিয়ে গোপালগঞ্জের একটি হোটেলে অবস্থান করেন তিনি। রাত ৮টার পরে সেখান থেকে বের হয়ে অপর লোকজনের সহায়তায় রাশিদাকে হত্যা করেন।

‘ওই রাতে একটি ‌থ্রি হুইলার ভাড়া করে আগৈলঝাড়ার বাইপাস মহাসড়কের পাশে রাশিদার মরদেহ ও তার শিশুসন্তানকে ফেলে রেখে পালিয়ে যান।’

মরদেহের সুরতহাল শেষে ময়নাতদন্তের জন্য শের-ই বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

তামিম শেখসহ অজ্ঞাতনামা ২-৩ জনকে আসামি করে আগৈলঝাড়া থানায় মামলা করেছেন রাশিদার ভাই আলামিন শাহ। এই মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে বৃহস্পতিবার বিকেলে তামিমকে বরিশাল আদালতে তোলা হয়। পরে বিচারক তাকে কারাগারে পাঠান।

আরও পড়ুন:
‘দেবরদের বাঁশের আঘাতে মৃত্যু’
দিনমজুরের জমি খাস বানিয়ে লিজের অভিযোগ
সরকারি স্কুলের ২ একর জমি ‘বেদখলে’
মিল্ক ভিটাকে আধুনিক করব: প্রতিমন্ত্রী স্বপন
মিল্ক ভিটার জমি প্রতিমন্ত্রীর ছেলের নামে

শেয়ার করুন

খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদারের করোনা

খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদারের করোনা

খাদ্যমন্ত্রী বলেন, ‘অনেক ইচ্ছা ছিল নওগাঁ চেম্বার অফ কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের অনুষ্ঠানে যোগ দেয়ার। কিন্তু করোনা পজিটিভ আসার কারণে তা আর পারলাম না। সবাই আমার জন্য দোয়া করবেন, যাতে দ্রুত সুস্থ হয়ে সবার মাঝে ফিরে আসতে পারি।’

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন নওগাঁ-১ আসনের সংসদ সদস্য ও খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার।

বৃহস্পতিবার দুপুরে নওগাঁ চেম্বার অফ কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের আয়োজনে সাধারণ সভা, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী, মেয়র ও চেয়ারম্যানদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে ভার্চুয়ালে যুক্ত হয়ে নিজের করোনা পজিটিভ হওয়ার কথা জানান তিনি।

খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার বলেন, ‘বুধবার সন্ধ্যায় নমুনা পরীক্ষায় রিপোর্ট পজিটিভ আসে। তবে আমার শরীরে ভাইরাসের তেমন কোনো উপসর্গ নেই। যেহেতু করোনা পজিটিভ। তাই বাসায় বিশ্রামে থাকতে হচ্ছে।

‘অনেক ইচ্ছা ছিল নওগাঁ চেম্বার অফ কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের অনুষ্ঠানে যোগ দেয়ার। কিন্তু করোনা পজিটিভ আসার কারণে তা আর পারলাম না। সবাই আমার জন্য দোয়া করবেন, যাতে দ্রুত সুস্থ হয়ে সবার মাঝে ফিরে আসতে পারি।’

করোনাভাইরাস প্রতিরোধে সবাইকে সচেতন থাকার আহ্বানও জানান মন্ত্রী।

খাদ্য মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. কামাল হোসেন বলেন, ‘মন্ত্রী মঙ্গলবার বিকেলে টেস্ট করেছিলেন। এরপর বুধবার সন্ধ্যায় রিপোর্ট পজিটিভ আসে। মন্ত্রী মহোদয়ের আসলে ওই রকম কোনো লক্ষণই ছিল না। হেলিকপ্টারে করে আজ নওগাঁয় যাওয়ার কথা ছিল। সে জন্য উনি টেস্ট করেছিলেন। তারপর রিপোর্ট পজিটিভ আসে। বর্তমানে বাসায় আইসোলেশনে আছেন।’

আরও পড়ুন:
‘দেবরদের বাঁশের আঘাতে মৃত্যু’
দিনমজুরের জমি খাস বানিয়ে লিজের অভিযোগ
সরকারি স্কুলের ২ একর জমি ‘বেদখলে’
মিল্ক ভিটাকে আধুনিক করব: প্রতিমন্ত্রী স্বপন
মিল্ক ভিটার জমি প্রতিমন্ত্রীর ছেলের নামে

শেয়ার করুন

অসুস্থ হয়ে পড়ছেন শাবির আন্দোলনকারীরা

অসুস্থ হয়ে পড়ছেন শাবির আন্দোলনকারীরা

শাবি উপাচার্যের পদত্যাগের দাবিতে অনশনে বসা শিক্ষার্থীরা অসুস্থ হয়ে পড়ছেন। ছবি: নিউজবাংলা

আলোচনার প্রস্তাব নিয়ে এসে বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. আনোয়ারুল ইসলাম অসুস্থ হয়ে পড়া শিক্ষার্থীদের বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাম্বুলেন্সে করে হাসপাতালে নেয়ার প্রস্তাব দেন। তবে শিক্ষার্থীরা এই প্রস্তাবেও সম্মত হননি।

উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমদের পদত্যাগ দাবিতে আমরণ অনশনে বসা শিক্ষার্থীদের অনেকেই অসুস্থ হয়ে পড়ছেন। তাদের মধ্যে কাজল দাস নামের একজনকে বৃহস্পতিবার দুপুরে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

আরও পাঁচজনের হাতে অনশনস্থলেই স্যালাইন লাগানো হয়েছে।

উপাচার্যের পদত্যাগ দাবিতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের মধ্যে ২৪ জন বুধবার দুপুর থেকে অনশন শুরু করেন। তীব্র শীত আর অনাহারে রাতভর রাস্তায় থাকায় বৃহস্পতিবার সকাল থেকে তাদের শরীর খারাপ হতে থাকে।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে একজন চিকিৎসক তাদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করে যান।

এর এক ঘণ্টা পর কাজল দাস নামের এক অনশনকারীর শারীরিক অবস্থার অবনতি হয়। সঙ্গে সঙ্গে তাকে অ্যাম্বুলেন্সে করে নগরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। কাজল পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী।

শিক্ষার্থীরা জানান, রাতে কাজলের কাঁপুনি দিয়ে জ্বর আসে। এ ছাড়া তার রক্তচাপ কমে যায়।

অসুস্থ হয়ে পড়ছেন শাবির আন্দোলনকারীরা


সিলেটের যে হাসপাতালে কাজল দাসকে নেয়া হয়েছে সেখানকার চিকিৎসক বাবলু হোসেন বলেন, ‘জ্বর ও রক্তচাপ কমে যাওয়ায় তার অবস্থা খারাপের দিকে যাচ্ছিল। তবে হাসপাতালে আনার পর তার অবস্থা স্থিতিশীল রয়েছে।’

শিক্ষক প্রতিনিধিরা দুই দফায় আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আলোচনা করতে যান। তবে শিক্ষার্থীরা আলোচনার প্রস্তাব ফিরিয়ে দেন।

আলোচনার প্রস্তাব নিয়ে এসে বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. আনোয়ারুল ইসলাম অসুস্থ হয়ে পড়া শিক্ষার্থীদের বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাম্বুলেন্সে করে হাসপাতালে নেয়ার প্রস্তাব দেন। তবে শিক্ষার্থীরা এই প্রস্তাবেও সম্মত হননি।

আন্দোলনকারী শিক্ষার্থী সাব্বির আহমদ বলেন, ‘ঠান্ডা ও অনাহারে আমাদের অনেকে অসুস্থ হয়ে পড়ছেন। তবু দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আমরা আন্দোলন চালিয়ে যাব।’

আরও পড়ুন:
‘দেবরদের বাঁশের আঘাতে মৃত্যু’
দিনমজুরের জমি খাস বানিয়ে লিজের অভিযোগ
সরকারি স্কুলের ২ একর জমি ‘বেদখলে’
মিল্ক ভিটাকে আধুনিক করব: প্রতিমন্ত্রী স্বপন
মিল্ক ভিটার জমি প্রতিমন্ত্রীর ছেলের নামে

শেয়ার করুন

রাবিতে সশরীরেই ক্লাস-পরীক্ষা, হলও খোলা

রাবিতে সশরীরেই ক্লাস-পরীক্ষা, হলও খোলা

উপ-উপাচার্য সুলতান-উল-ইসলাম বলেন, ‘বিভিন্ন বিভাগের ক্লাস ও পরীক্ষাগুলো এখন সশরীরেই চলবে। তবে কোনো বিভাগ চাইলে তাদের সামর্থ্য অনুযায়ী অনলাইনেও ক্লাস নিতে পারবে। এ ছাড়া স্বাস্থ্যবিধি মেনে শিক্ষার্থীদের আবাসিক হলগুলো খোলা থাকবে।’

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) সশরীরেই ক্লাস ও পরীক্ষা চলবে বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রশাসন। তবে কোনো বিভাগ চাইলে তাদের সক্ষমতা অনুযায়ী অনলাইনেও ক্লাস নিতে পারবে। এ ছাড়া স্বাস্থ্যবিধি মেনে আবাসিক হলগুলোও খোলা থাকবে।

বৃহস্পতিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ সিনেট ভবনে আয়োজিত এক জরুরি সভায় এই সিদ্ধান্ত হয়।

সভা শেষে দুপুরে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক চৌধুরী মো. জাকারিয়া ও উপ-উপাচার্য সুলতান-উল-ইসলাম।

উপ-উপাচার্য সুলতান-উল-ইসলাম বলেন, ‘বিভিন্ন বিভাগের ক্লাস ও পরীক্ষাগুলো এখন সশরীরেই চলবে। তবে কোনো বিভাগ চাইলে তাদের সামর্থ্য অনুযায়ী অনলাইনেও ক্লাস নিতে পারবে। এ ছাড়া স্বাস্থ্যবিধি মেনে শিক্ষার্থীদের আবাসিক হলগুলো খোলা থাকবে।

‘বিশ্ববিদ্যালয়ের চিকিৎসা কেন্দ্র এবং হলগুলোর আইসোলেশন রুমের ব্যবস্থা থাকবে। কোনো শিক্ষার্থী পরীক্ষা চলাকালে অসুস্থ হয়ে পড়লে চিকিৎসা কেন্দ্রের আইসোলেশন রুমে পরীক্ষা দেয়ার ব্যবস্থা থাকবে।’

সভায় উপাচার্য অধ্যাপক গোলাম সাব্বির সাত্তার অনলাইনে যুক্ত ছিলেন। সভায় দুই উপ-উপাচার্য ছাড়াও সশরীরে উপস্থিত ছিলেন ছাত্র উপদেষ্টা তারেক নূর, ভারপ্রাপ্ত প্রক্টর লিয়াকত আলী, জনসংযোগ দপ্তরের প্রশাসক অধ্যাপক প্রদীপ কুমার, বিভিন্ন অনুষদের ডিনসহ আরও অনেকে।

আরও পড়ুন:
‘দেবরদের বাঁশের আঘাতে মৃত্যু’
দিনমজুরের জমি খাস বানিয়ে লিজের অভিযোগ
সরকারি স্কুলের ২ একর জমি ‘বেদখলে’
মিল্ক ভিটাকে আধুনিক করব: প্রতিমন্ত্রী স্বপন
মিল্ক ভিটার জমি প্রতিমন্ত্রীর ছেলের নামে

শেয়ার করুন

সংঘবদ্ধ ধর্ষণ মামলার আসামির ফের ‘ধর্ষণ’, সীতাকুণ্ডে গ্রেপ্তার

সংঘবদ্ধ ধর্ষণ মামলার আসামির ফের ‘ধর্ষণ’, সীতাকুণ্ডে গ্রেপ্তার

স্কুলছাত্রী ধর্ষণ মামলার আসামি মো. দুলাল। ছবি: নিউজবাংলা

মেজর শেখ ইউসূফ আহমেদ জানান, দুলাল ও তার ভাই আবদুর রহিম মামলা তুলে নিতে স্কুলছাত্রীর পরিবারকে হুমকি দিচ্ছিল। র‌্যাব আসামিকে চট্টগ্রাম নগরীর সীতাকুণ্ড থেকে বৃহস্পতিবার সকাল ৯টার দিকে গ্রেপ্তার করে।

কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলায় স্কুলছাত্রী ধর্ষণ মামলায় একজনকে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব।

চট্টগ্রাম থেকে মো. দুলালকে গ্রেপ্তারের কথা বৃহস্পতিবার বেলা ৩টার দিকে নিউজবাংলাকে নিশ্চিত করেছেন কক্সবাজার র‌্যাব-১৫-এর সিপিসি কমান্ডার মেজর শেখ ইউসূফ আহমেদ।

দুলালের বিরুদ্ধে এক দশক আগে একটি সংঘবদ্ধ ধর্ষণ মামলা হয়েছিল। সেই মামলায় তিনি জামিনে ছাড়া পান। এরপর তাকে আর খুঁজে পায়নি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

মেজর শেখ ইউসূফ আহমেদ জানান, দুলাল ও তার ভাই আবদুর রহিম মামলা তুলে নিতে স্কুলছাত্রীর পরিবারকে হুমকি দিচ্ছিল। র‌্যাব আসামিকে চট্টগ্রাম নগরীর সীতাকুণ্ড থেকে বৃহস্পতিবার সকাল ৯টার দিকে গ্রেপ্তার করে।

গত বছরের ১৬ আগস্ট ওই ছাত্রীর মা উখিয়া থানায় মামলা করেন।

এজাহার বলা হয়েছে, ‘উপজেলার রত্নাপালং ইউনিয়নের স্কুলছাত্রীকে একই এলাকার দুলাল উত্ত্যক্তসহ প্রেমের প্রস্তাব দেয়। সাড়া না দেয়ায় তাকে ধর্ষণসহ নানা হুমকি-ধমকি দেয়া হয়।

একপর্যায়ে পরিবারের অনুপস্থিতিতে তাকে তুলে নিয়ে ধর্ষণ করেন দুলাল। এর দুদিন পর ধর্ষণ মামলা হয়।

ওই ছাত্রীর মা অভিযোগ করে বলেন, ‘চিকিৎসার জন্য আমরা চট্টগ্রামে ছিলাম। কেবল বাড়িতে ছিল কিশোরী মেয়ে ও পুত্রবধূ। দুলাল রাতে বাড়িতে ঢুকে আমার মেয়েকে অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে তুলে নিয়ে ধর্ষণ করে।’

আরও পড়ুন:
‘দেবরদের বাঁশের আঘাতে মৃত্যু’
দিনমজুরের জমি খাস বানিয়ে লিজের অভিযোগ
সরকারি স্কুলের ২ একর জমি ‘বেদখলে’
মিল্ক ভিটাকে আধুনিক করব: প্রতিমন্ত্রী স্বপন
মিল্ক ভিটার জমি প্রতিমন্ত্রীর ছেলের নামে

শেয়ার করুন

মোটরসাইকেলে ট্রাকের ধাক্কায় ব্যাংক কর্মকর্তা নিহত

মোটরসাইকেলে ট্রাকের ধাক্কায় ব্যাংক কর্মকর্তা নিহত

মোটরসাইকেলে ট্রাকের ধাক্কায় এই ব্যাংক কর্মকর্তা নিহত হন। ছবি: নিউজবাংলা

আদমদিঘী থানার ওসি জালাল উদ্দিন বলেন, ‘নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ঘাতক ট্রাকের চালককে আটকের চেষ্টা চলছে।’

বগুড়ার সান্তাহারে মোটরসাইকেলে ট্রাকের ধাক্কায় এক ব্যাংক কর্মকর্তা নিহত হয়েছেন।

উপজেলার ছাতনি ঘেগড়ার মোড়ে বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

দুপুরে আদমদিঘী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জালাল উদ্দিন বিষয়টি নিউজবাংলাকে নিশ্চিত করেন।

নিহত ৪৫ বছরের মিরাজুল ইসলামের বাড়ি পাবনার বেড়া উপজেলার খাপছাড়া এলাকায়। তিনি নওগাঁর রানীনগর গ্রামীণ ব্যাংক শাখায় এরিয়া ম্যানেজার হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

ওসি জালাল উদ্দিন জানান, মিরাজুল সকালে ব্যাংকের কাজে মোটরসাইকেল নিয়ে সান্তাহারে যান। কাজ শেষে কর্মস্থল রানীনগরে ফেরার পথে ঘেগড়ার মোড়ে পৌঁছালে পেছন থেকে একটি ট্রাক তার মোটরসাইকেলকে ধাক্কা দেয়। এতে মিরাজুল সড়কে ছিটকে পড়ে ঘটনাস্থলেই মারা যান।

ওসি বলেন, ‘নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ঘাতক ট্রাকের চালক পলাতক রয়েছেন। তাকে আটকের চেষ্টা চলছে।’

আরও পড়ুন:
‘দেবরদের বাঁশের আঘাতে মৃত্যু’
দিনমজুরের জমি খাস বানিয়ে লিজের অভিযোগ
সরকারি স্কুলের ২ একর জমি ‘বেদখলে’
মিল্ক ভিটাকে আধুনিক করব: প্রতিমন্ত্রী স্বপন
মিল্ক ভিটার জমি প্রতিমন্ত্রীর ছেলের নামে

শেয়ার করুন