ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আসনসংখ্যা পুনর্নির্ধারণের সুপারিশ

player
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আসনসংখ্যা পুনর্নির্ধারণের সুপারিশ

ফাইল ছবি

শিক্ষার গুণগত মান উন্নয়নের জন্য আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির যে আসনসংখ্যা, সেটিকে যুগোপযোগী করার সুপারিশ করা হয়েছে। যে বিষয়গুলোর চাহিদা আছে, সেসবের প্রতি গুরুত্ব বেশি দিয়ে সেখানে আসনসংখ্যা বাড়ানো আর যেখানে এই গুরুত্বটা কম, সেখানে কমানোর সুপারিশ করা হয়। তবে সব মিলিয়ে কত আসনের সুপারিশ করা হয়েছে, সেটি প্রকাশ পায়নি।

শিক্ষার গুণগত মান উন্নয়ন ও যথোপযুক্ত দক্ষ মানবসম্পদ তৈরির লক্ষ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির আসনসংখ্যা পুনর্নির্ধারণের সুপারিশ করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের সক্ষমতা ও সামর্থ্য এবং জাতীয় ও আন্তর্জাতিক চাহিদা বিবেচনায় নিয়ে এই সুপারিশ করা হয়।

বুধবার বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে অনুষ্ঠিত ডিনস কমিটির এক বিশেষ সভায় এ সুপারিশ করা হয়।

উপাচার্য মো. আখতারুজ্জামান সভার সভাপতিত্ব করেন।

সভায় সংশ্লিষ্ট বিভাগ, ইনস্টিটিউট ও অনুষদগুলোর চাহিদা এবং প্রস্তাব পর্যালোচনা করা হয় এবং ভর্তির যৌক্তিক আসনসংখ্যা নির্ধারণ বিষয়ে সুপারিশ প্রণীত হয়।

এই সুপারিশ অনুমোদনের জন্য পরবর্তী শিক্ষা পরিষদের (অ্যাকাডেমিক কাউন্সিল) সভায় পেশ করা হবে। আগামী ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষ থেকে পুনর্নির্ধারিত আসনসংখ্যা অনুযায়ী শিক্ষার্থী ভর্তি করানোর পরিকল্পনা বিশ্ববিদ্যালয়ের।

সভায় উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক মুহাম্মদ সামাদ, উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক এ এস এম মাকসুদ কামাল এবং বিভিন্ন অনুষদের ডিন উপস্থিত ছিলেন।

এ বিষয়ে ডিনস কমিটির সদস্য এবং জীববিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মিহির লাল সাহা নিউজবাংলাকে বলেন, সভায় শিক্ষার গুণগত মান উন্নয়নের জন্য আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির যে আসনসংখ্যা, সেটিকে যুগোপযোগী করার সুপারিশ করা হয়েছে। যে বিষয়গুলোর চাহিদা আছে, সেসবের প্রতি গুরুত্ব বেশি দিয়ে সেখানে আসনসংখ্যা বাড়ানো আর যেখানে এই গুরুত্বটা কম, সেখানে কমানোর সুপারিশ করা হয়। তবে সব মিলিয়ে কত আসনের সুপারিশ করা হয়েছে, সেটি আমার জানা নেই।

সার্বিক বিষয়ে উপাচার্য বলেন, ‘শিক্ষার গুণগত মানোন্নয়ন ও সক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য কোনো কোনো বিভাগের শিক্ষার্থীর সংখ্যা বাড়ানো হতে পারে, আবার কোথাও কমানো হতে পারে। আমাদের সক্ষমতা বাড়লে ক্রমান্বয়ে পরবর্তী সময়ে আবার আসনসংখ্যা বাড়ানো হবে।

‘শিক্ষার্থীর সংখ্যা বাড়ানোয় নানা ধরনের সমস্যা আছে। এ ক্ষেত্রে আমাদের সার্বিক বিষয়ে ব্যবহারিক সুবিধাগুলো বাড়াতে হবে। আমরা এ বিষয়ে সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা চালিয়ে যাব।’

আরও পড়ুন:
কড়া নিরাপত্তায় ঢাবিতে থার্টি ফার্স্ট নাইট উদযাপন
ঢাবি শিক্ষক সমিতির নির্বাচনে ১৪টিতেই নীল দলের জয়
ছাত্রলীগের কর্মসূচিতে না যাওয়ায় ঢাবিতে শিক্ষার্থীকে নির্যাতন
ঢাবি ভর্তিতে আপাতত ডোপ টেস্ট সনদ লাগবে না
ঢাবির ছাত্র ও ছাত্রীদের হলে একই নিয়মের দাবি

শেয়ার করুন

মন্তব্য

শাবি উপাচার্য ভবনের অবোরোধ প্রত্যাহার

শাবি উপাচার্য ভবনের অবোরোধ প্রত্যাহার

অনশনের ভাঙার পর এবার শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালের উপাচার্যের বাসভবন অবরুদ্ধ করে রাখার কর্মসূচি থেকে সরে এসেছেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা। বুধবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে অবস্থান থেকে সরে আসেন বিক্ষুব্ধরা।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের মুখপাত্র মোহাইমিনুল বাশার রাজ।

সংবাদ সমেলনে তিনি বলেন, ‘জাফর স্যার এবং ইয়াসমিন ম্যামের অনুরোধে শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ফটক এবং উপাচার্যের বাসভবনের সামনে থেকে অবরোধ প্রত্যাহার করে নিয়েছে।

‘আমাদের ৫ দাবির মধ্যে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে অর্থদানের অভিযোগে গ্রেপ্তার ৫ সাবেক শাবি শিক্ষার্থীর জামিন মঞ্জুর হয়েছে। অজ্ঞাতনামা শিক্ষার্থীদের নামে করা মামলা প্রত্যাহার হয়েছে। অনশনকারী শিক্ষার্থীদের চিকিৎসা খরচ মিটিয়ে দেয়া হয়েছে। ১৬ জানুয়ারি উপাচার্যের মদদে সংঘটিত পুলিশি হামলায় গুরুতর আহত শিক্ষার্থীর চিকিৎসার দায়িত্ব নেয়া হবে বলে আশ্বাস দেয়া হয়েছে।

রাজ আরও বলেন, ‘আমাদের মূল দাবি উপাচার্য ফরিদ উদ্দিনকে প্রত্যাহার এবং ছাত্র উপদেষ্টা ও প্রক্টোরিয়াল বডির অপসারণের বিষয়ে এখনও সিদ্ধান্ত হয়নি। তবে জাফর স্যার এবং ইয়াসমিন ম্যাম শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে এই দাবি পূরণে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলাপ করার দায়িত্ব নিয়েছেন। একই সঙ্গে ক্যাম্পাসের সব আবাসিক হল যা বর্তমানে শিক্ষার্থীরা নিজেদের উদ্যোগে সচল আছে, সেগুলোও পুরোদমে চালু হবে বলে জানিয়েছেন।’

আরও আসছে...

আরও পড়ুন:
কড়া নিরাপত্তায় ঢাবিতে থার্টি ফার্স্ট নাইট উদযাপন
ঢাবি শিক্ষক সমিতির নির্বাচনে ১৪টিতেই নীল দলের জয়
ছাত্রলীগের কর্মসূচিতে না যাওয়ায় ঢাবিতে শিক্ষার্থীকে নির্যাতন
ঢাবি ভর্তিতে আপাতত ডোপ টেস্ট সনদ লাগবে না
ঢাবির ছাত্র ও ছাত্রীদের হলে একই নিয়মের দাবি

শেয়ার করুন

শিক্ষার্থীদের দাবি মন্ত্রীর কাছেও তুললেন জাফর ইকবাল

শিক্ষার্থীদের দাবি মন্ত্রীর কাছেও তুললেন জাফর ইকবাল

অনশন ভাঙানোর পর শিক্ষার্থীদের সঙ্গে ছবি তোলেন জাফর ইকবাল ও ইয়াসমিন হন। ছবি: নিউজবাংলা

অধ্যাপক মুহম্মদ জাফর ইকবালের কয়েক ঘণ্টার চেষ্টায় সাত দিন ধরে অনড় অবস্থানে থাকা শিক্ষার্থীরা বুধবার অনশন ভাঙেন। সন্ধ্যায় আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের নিয়ে শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে ভার্চুয়াল বৈঠকেও বসেন জাফর ইকবাল।

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে অনশনরত শিক্ষার্থীদের ঘিরে এক সপ্তাহ ধরে যে উৎকণ্ঠার পরিবেশ তৈরি হয়েছিল, তা কেটে গেছে বুধবার।

শিক্ষক থেকে শিক্ষামন্ত্রী পর্যন্ত অনেকে চেষ্টা করেও যখন শিক্ষার্থীদের অনশন ভাঙাতে পারছিলেন না তখন অধ্যাপক মুহম্মদ জাফর ইকবাল গিয়ে কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই সেটি করেছেন।

শুধু তাই নয়, শিক্ষার্থীদের সঙ্গে নিয়ে ভার্চুয়াল বৈঠকে শিক্ষামন্ত্রীর কাছে তাদের দাবিও তুলে ধরেন বিশ্ববিদ্যালয়টির সাবেক এই অধ্যাপক।

শিক্ষার্থীরা জানান, তারা জাফর ইকবালের অনুরোধে অনশন ভাঙলেও, উপাচার্য পদত্যাগ না করা পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাবেন বলে মন্ত্রীকে জানিয়েছেন।

দিনভর আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কাটিয়ে অধ্যাপক জাফর ইকবাল ও তার স্ত্রী অধ্যাপক ইয়াসমিন হক ঢাকা ফিরে গেছেন বুধবার সন্ধ্যায়।

শিক্ষার্থীদের দাবি মন্ত্রীর কাছেও তুললেন জাফর ইকবাল

উপাচার্যবিরোধী আন্দোলন গত ১৬ জানুয়ারি থেকে শুরু হলেও তিন দিন পর থেকে আমরণ অনশনে বসেন ২৪ জন। বাবার অসুস্থতার কারণে একজন বাড়ি চলে যান সেদিন। দফায় দফায় অনশনে যোগ দেন আরও ৫ শিক্ষার্থী।

গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়ায় এদের মধ্যে ২০ জনকেই ভর্তি করা হয় হাসপাতালে, বাড়তে থাকে শঙ্কা আর উদ্বেগ। ক্যাম্পাসে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ক্ষোভও বাড়তে থাকে।

সহযোদ্ধাদের শারীরিক পরিস্থিতির অবনতি হতে দেখে মঙ্গলবার দুপুর থেকে অনশনের কর্মসূচি থেকে সরে আসার বিষয়ে আলাপ করতে থাকেন আন্দোলনকারীরা।

তবে অনশনকারীরা নিজেদের কর্মসূচিতে অনড় থাকেন।

এ নিয়ে আন্দোলনকারী ও অনশনকারীদের মধ্যে মঙ্গলবার গভীর রাত পর্যন্ত চলতে থাকে আলোচনা।

এরই মধ্যে বুধবার ভোর ৪টার দিকে ক্যাম্পাসে পৌঁছান জাফর ইাকবাল ও ইয়াসমিন হক। ক্যাম্পাসে তাদের পা পড়তেই আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন শিক্ষার্থীরা। সাবেক এই দুই অধ্যাপকও ধরে রাখতে পারেননি কান্না।

শিক্ষার্থীদের দাবি মন্ত্রীর কাছেও তুললেন জাফর ইকবাল

প্রিয় শিক্ষককে পাশে পেয়ে শিক্ষার্থীরা নিজেদের ক্ষোভ ও শঙ্কার কথা খুলে বলেন।

জাফর ইকবাল অনশনকারীদের আশ্বস্ত করেন, তাদের সব দাবি মেনে নেয়া হবে বলে সরকারের উচ্চ পর্যায় থেকে নির্দেশনা এসেছে। এই বার্তা নিয়ে তিনি ক্যাম্পাসে ছুটে এসেছেন। তিনি অনশন ভাঙার জন্য শিক্ষার্থীদের অনুরোধ করেন।

ঘণ্টাদুয়েকের আলোচনা শেষে সকাল ৬টার দিকে শিক্ষার্থীরা অনশন ভাঙতে রাজি হন।

হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অনশনরতদের ক্যাম্পাসে আনা হলে বুধবার সকাল ১০টা ২০ মিনিটে প্রিয় দুই শিক্ষকের উপস্থিতিতে পানি পান করে একযোগে অনশন ভাঙেন ওই ২৮ জন।

দুই সপ্তাহ ধরে অস্থির ক্যাম্পাসে স্বস্তি নামে। অনশন ভেঙে শিক্ষকদম্পতিকে জড়িয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষার্থীরা। প্রিয় শিক্ষকদের তারা ফুল উপহার দেন, তোলেন ছবি।

শিক্ষার্থীদের দাবি মন্ত্রীর কাছেও তুললেন জাফর ইকবাল

বেলা প্রায় ১২ টায় দিকে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন জাফর ইকবাল ও ইয়াসমিন হক।

জাফর ইকবাল বলেন, ‘এখানে আসার আগে আমার সঙ্গে সরকারের অনেক উচ্চমহল থেকে কথা বলেছে। আমি তাদের অনুরোধ করব, তারা আমাকে যে কথা দিয়েছেন সে কথাগুলো যেন রক্ষা করেন। আমি আর এই ছাত্রদের ভেতর কোনো পার্থক্য নাই।

‘আমাকে যে কথাটা দিয়েছেন তা যদি রক্ষা করা না হয়, তাহলে বুঝে নেব তারা শুধু ছাত্রদের সঙ্গে নয়, আমার সঙ্গে এবং এই দেশের যত প্রগতিশীল মানুষ আছে সবার সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করেছেন। কাজেই আমি আশা করব তারা যেন আমাকে যে কথা দিয়েছেন সে কথাগুলো রাখেন।’

উপাচার্যের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘আমি যতটা চিন্তা করেছিলাম অনশনকারীদের শারীরিক অবস্থা তার চেয়েও খারাপ। তাদের শরীরে স্যালাইনও পুশ করা যাচ্ছে না। বেশির ভাগই বসতে পারছে না। যে মানুষ এই অবস্থা দেখার পরও নিজের জায়গায় অনড় থাকে, তাকে আমি মানুষ বলতে চাই না। আমি তাকে দানব বলি।’

সংবাদ সম্মেলন শেষে জাফর ইকবাল ও ইয়াসমিন হক ফিরে যান বিশ্ববিদ্যালয়ের টিচার্স কোয়ার্টারে।

শিক্ষার্থীদের দাবি মন্ত্রীর কাছেও তুললেন জাফর ইকবাল

সেখানে মধ্যাহ্নভোজ ও বিশ্রাম শেষে বিকেলে শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনির সঙ্গে ভার্চুয়ালি বৈঠকে বসেন জাফর ইকবাল। তাতে যুক্ত করেন আন্দোলনকারী কয়েক শিক্ষার্থীকে।

ওই বৈঠকে থাকা শিক্ষার্থী মোহাইমনুল বাশার রাজ নিউজবাংলাকে জানান, শিক্ষামন্ত্রী তাদের খোঁজ-খবর নিয়েছেন। অনশনে যারা ছিলেন, তাদের স্বাস্থ্যের বিষয়েও খোঁজ নিয়েছেন।

রাজ জানান, তাদের পক্ষ থেকে উপাচার্যের পদত্যাগের দাবিসহ নানা অভিযোগ শিক্ষামন্ত্রীর কাছে তুলে ধরেন জাফর ইকবাল। এ সময় শিক্ষামন্ত্রী তাদের অভিযোগ খতিয়ে দেখা হবে বলে আশ্বস্ত করেন এবং আন্দোলন প্রত্যাহার করে নিতে বলেন।

রাজ আরও জানান, অনশন ভাঙলেও তারা তাদের দাবি আদায়ে অনড়। উপাচার্য পদত্যাগ না করা পর্যন্ত তারা আন্দোলন চালিয়ে যাবেন।

শিক্ষার্থীদের দাবি মন্ত্রীর কাছেও তুললেন জাফর ইকবাল

এই বৈঠক শেষে সন্ধ্যায় ঢাকার পথে রওনা হন জাফর ইকবাল ও ইয়াসমিন হক।

অধ্যাপকের ব্যক্তিগত সহকারী জয়নাল আবেদীন এই তথ্য জানিয়েছেন নিউজবাংলাকে।

শিক্ষার্থীদের অনশন ভাঙতে রাজি করানোয় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলোতে প্রশংসিত হচ্ছেন এই শিক্ষকদম্পতি।

বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী জে এ সিদ্দিকী ফেসবুকে লিখেছেন, ‘আবারও একটি সূত্র প্রমাণিত হলো- সাস্ট ও সাস্টের ছাত্রছাত্রীরা মানেই জাফর স্যার।’

সাবেক আরেক শিক্ষার্থী শরিফুল ইসলাম লেখেন, ‘আবারও প্রমাণ হলো, জাফর স্যারই পারেন। সবাই যেখানে ব্যর্থ সেখানে জাফর স্যার সফল। একজন শিক্ষক শিক্ষার্থীদের কাছে কতোটা প্রিয় আর শ্রদ্ধেয় হতে পারেন সেটিও প্রমাণ হলো আজ।’

আরও পড়ুন:
কড়া নিরাপত্তায় ঢাবিতে থার্টি ফার্স্ট নাইট উদযাপন
ঢাবি শিক্ষক সমিতির নির্বাচনে ১৪টিতেই নীল দলের জয়
ছাত্রলীগের কর্মসূচিতে না যাওয়ায় ঢাবিতে শিক্ষার্থীকে নির্যাতন
ঢাবি ভর্তিতে আপাতত ডোপ টেস্ট সনদ লাগবে না
ঢাবির ছাত্র ও ছাত্রীদের হলে একই নিয়মের দাবি

শেয়ার করুন

ঢাবি ছাত্রলীগের হল সম্মেলন টিএসসিতে, থাকতে পারছেন না কর্মীরা

ঢাবি ছাত্রলীগের হল সম্মেলন টিএসসিতে, থাকতে পারছেন না কর্মীরা

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্রে হবে ছাত্রলীগের সম্মেলন। ছবি: সংগৃহীত

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সাদ্দাম হোসেন বলেন, ‘আমরা অত্যন্ত সীমিত পরিসরে কর্মসূচি পালন করব। করোনা বিধিনিষেধ মাথায় রেখে শুধু পদপ্রত্যাশীদের নিয়ে প্রোগ্রাম আয়োজন করব। কোনো কর্মী উপস্থিত থাকবে না।’

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের হল সম্মেলন হবে ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্র (টিএসসি) প্রাঙ্গণে। ৩০ জানুয়ারি বেলা ১১টায় শুরু হবে সম্মেলন।

করোনাভাইরাস সংক্রমণ পরিস্থিতিতে বিধিনিষেধের কারণে দীর্ঘ প্রায় ছয় বছর পর হতে যাওয়া এই সম্মেলন হবে সীমিত পরিসরে। শুধু পদপ্রত্যাশীদের নিয়েই হবে এ আয়োজন। কোনো কর্মী থাকার সুযোগ পাচ্ছেন না।

বুধবার বিকেলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সাদ্দাম হোসেন এসব তথ্য জানান।

হল সম্মেলন উপলক্ষে ছাপানো একটি পোস্টার নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে শেয়ার দিয়েছেন সাদ্দাম হোসেন। তা থেকে জানা যায়, আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন।

বিশেষ অতিথি থাকবেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য জাহাঙ্গীর কবির নানক, আবদুর রহমান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাংগঠনিক সম্পাদক বি এম মোজাম্মেল হক, ছাত্রলীগ সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয় ও সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্য।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সভাপতি সনজিত চন্দ্র দাস সম্মেলনের উদ্বোধন করবেন। সাধারণ সম্পাদক সাদ্দাম হোসেন থাকবেন প্রধান বক্তা। সম্মেলনে সভাপতিত্ব করবেন জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হল ছাত্রলীগের সভাপতি বরিকুল ইসলাম বাঁধন।

সম্মেলনে আওয়ামী লীগ নেতারা সশরীরে উপস্থিত থাকবেন কি না জানতে চাইলে সাদ্দাম হোসেন বলেন, ‘সেটা পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করছে।’

সাদ্দাম বলেন, ‘আমরা অত্যন্ত সীমিত পরিসরে কর্মসূচি পালন করব। করোনা বিধিনিষেধ মাথায় রেখে শুধু পদপ্রত্যাশীদের নিয়ে প্রোগ্রাম আয়োজন করব। কোনো কর্মী উপস্থিত থাকবে না।’

তবে এমন উদ্যোগেও মানা সম্ভব হবে না সরকারের বিধিনিষেধ। সম্প্রতি মন্ত্রিপরিষদ থেকে জারি করা নির্দেশনায় বলা হয়েছে, ৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত যেকোনো প্রোগ্রামেই ১০০ জনের বেশি উপস্থিত থাকতে পারবে না। কিন্তু ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের ১৮টি হলে ছাত্রলীগের পদপ্রত্যাশীর সংখ্যাই তিন শতাধিক।

আরও পড়ুন:
কড়া নিরাপত্তায় ঢাবিতে থার্টি ফার্স্ট নাইট উদযাপন
ঢাবি শিক্ষক সমিতির নির্বাচনে ১৪টিতেই নীল দলের জয়
ছাত্রলীগের কর্মসূচিতে না যাওয়ায় ঢাবিতে শিক্ষার্থীকে নির্যাতন
ঢাবি ভর্তিতে আপাতত ডোপ টেস্ট সনদ লাগবে না
ঢাবির ছাত্র ও ছাত্রীদের হলে একই নিয়মের দাবি

শেয়ার করুন

উপাচার্য প্রশ্নে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত: শিক্ষামন্ত্রী

উপাচার্য প্রশ্নে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত: শিক্ষামন্ত্রী

বুধবার রাজধানীতে নিজ বাসভবনে প্রেস ব্রিফিংয়ে বক্তব্য দেন শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি। ফাইল ছবি

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘শাবিপ্রবির পুরো বিষয়টি নিয়ে গত কয়েকটি দিন তাদের সঙ্গে নানাভাবে আমরা সম্পৃক্ত থেকেছি। নানাভাবে আলাপ-আলোচনা হয়েছে। যারা অনশন ও আন্দোলন করছিল সবাই মিলে আমরা এই সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছি- আমাদের যে শিক্ষার্থীরা এই অবরোধ কর্মসূচিতে রয়েছে তারা তা তুলে নেবে এবং আন্দোলনের এখানেই ইতি টানবে।’

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) শিক্ষার্থীরা তাদের চলমান অবরোধ তুলে নেবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। একইসঙ্গে বলেছেন, উপাচার্য ফরিদ উদ্দিন আহমেদের ব্যাপারে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।

শাবিপ্রবি ইস্যু নিয়ে বুধবার রাজধানীর হেয়ার রোডে নিজ বাসভবনে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে শিক্ষামন্ত্রী এসব কথা বলেন।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘শাবিপ্রবির পুরো বিষয়টি নিয়ে গত কয়েকটি দিন তাদের সঙ্গে নানাভাবে আমরা সম্পৃক্ত থেকেছি। নানাভাবে আলাপ-আলোচনা হয়েছে। যারা অনশন ও আন্দোলন করছিল সবাই মিলে আমরা এই সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছি- আমাদের যে শিক্ষার্থীরা এই অবরোধ কর্মসূচিতে রয়েছে তারা তা তুলে নেবে এবং আন্দোলনের এখানেই ইতি টানবে।

‘এই অর্থে শিক্ষার্থীরা এখন আর আন্দোলন করবে না। তবে তারা যে অর্থে আন্দোলন করেছে সেই কারণগুলো আমরা অ্যাড্রেস করব এবং সমাধান করব। পুরো বিষয়টি আমরা খতিয়ে দেখব। যারা অপরাধী তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেব।’

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘শিক্ষক-শিক্ষার্থী, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন, সরকার- সবাই এক পক্ষ। এখানে দুই পক্ষ বলে কিছু নেই। আন্দোলনে থাকা শিক্ষার্থীরা মানসিকভাবে কিছুটা ভেঙে পড়েছে। তারা একটু গুছিয়ে উঠুক। যারা আন্দোলনের কারণে অসুস্থ হয়েছে তারা সুস্থ হয়ে উঠুক। কিছুদিন পর আমরা সেখানে যেতে পারি। শিক্ষার্থীরা চাইলে আমরা যে কোনো সময় আলোচনায় বসতে পারি।’

ব্রিফিংয়ে শাবিপ্রবি শিক্ষার্থীদের আন্দোলনকে যৌক্তিক উল্লেখ করে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘কিন্তু এখানে পুলিশি অ্যাকশন হয়েছে। অনেক শিক্ষার্থী আহত হয়েছে। একটি দুঃখজনক। আমরা সব সমস্যা চিহ্নিত করে সমাধান করব।

‘শিক্ষার্থীরা আমাদের ওপর আস্থা রেখেছে। আমরা তাদের আস্থার প্রতিদান দেব। অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ে এ ধরনের আন্দোলনে ভাঙচুরসহ নানা অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটে। এখানে তেমন কিছু ঘটেনি। তারা শান্তিপূর্ণভাবে গত সাত-আটদিন ধরে আন্দোলন চালিয়ে গেছে। এ জন্য আমরা তাদের সাধুবাদ জানাই।’

দীপু মনি বলেন, ‘আন্দোলনের কারণ ও সমস্যা- সব বিষয় খতিয়ে দেখা হবে। এতে যেই অপরাধী হোক তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে। শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের মাধ্যমে কিছু সমস্যা আমাদের সামনে উঠে এসেছে। আমরা তা খুঁজে বের করে সমাধন করার সুযোগ পেলাম। সবাই মিলে সেসব সমস্যার সমাধান করা হবে।’

মন্ত্রী বলেন, ‘যে সমস্যাগুলো নিয়ে শাবিপ্রবির শিক্ষার্থীরা আন্দোলন করছে, সেসব সমস্যা কেবল শাবিপ্রবির নয়। অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়েও একই ধরনের সমস্যা রয়েছে। মূল সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে সমাধান করাটা জরুরি। বিশ্ববিদ্যালয়গুলো যেন সুষ্ঠুভাবে চলে, সেখানে যেন শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় থাকে, শিক্ষার্থীরা যেন সুন্দর পরিবেশে লেখাপড়া করতে পারে তা নিশ্চিত করাটা আমাদের জন্য জরুরি।

সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘আমি শুনেছি শাবির কয়েকজন শিক্ষার্থীর নামে মামলা হয়েছে। তাদের ছেড়ে দেয়া হয়েছে। এখনো যদি কেউ আটক থাকে সেটি আমরা খোঁজখবর নিয়ে সমাধান করব। শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আলোচনা করে এসব সমস্যার সমাধান করা হবে।’

উপাচার্যকে সরানো হবে কী না- এমন প্রশ্নের উত্তরে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘একজন উপাচার্যকে সরালে আরেকজন উপাচার্য আসেন। রাষ্ট্রপতির মাধ্যমে উপাচার্য নিয়োগ পান। তাই তাকে সরাতে হলে একটি প্রক্রিয়া রয়েছে। তাকে রাখা হবে নাকি সরানো হবে সেটি শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।

‘সবার প্রচেষ্টায় শিক্ষার্থীদের অনশন ভাঙানো হয়েছে। আমরা আশা করি তারা তাদের অবরোধ তুলে নিয়ে ক্লাসে ফিরে যাবে। একইসঙ্গে বিদ্যমান সব সমস্যা চিহ্নিত করে তা সমাধান করা হবে।’

আরও পড়ুন:
কড়া নিরাপত্তায় ঢাবিতে থার্টি ফার্স্ট নাইট উদযাপন
ঢাবি শিক্ষক সমিতির নির্বাচনে ১৪টিতেই নীল দলের জয়
ছাত্রলীগের কর্মসূচিতে না যাওয়ায় ঢাবিতে শিক্ষার্থীকে নির্যাতন
ঢাবি ভর্তিতে আপাতত ডোপ টেস্ট সনদ লাগবে না
ঢাবির ছাত্র ও ছাত্রীদের হলে একই নিয়মের দাবি

শেয়ার করুন

জামিন পেলেন শাবির সাবেক ৫ শিক্ষার্থী

জামিন পেলেন শাবির সাবেক ৫ শিক্ষার্থী

শাবির গ্রেপ্তার ৫ সাবেক শিক্ষার্থীকে জামিন আবেদনের জন্য নেয়া হচ্ছে আদালতে। ছবি: নিউজবাংলা

অসৎ উদ্দেশ্যে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে অর্থ জোগান এবং আন্দোলনকারীদের উসকানি দেয়ার অভিযোগে ওই পাঁচজনের নামে মঙ্গলবার মামলা হয়।

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্যবিরোধী আন্দোলনে অর্থের যোগান দেয়ার অভিযোগ গ্রেপ্তার সাবেক ৫ শিক্ষার্থীকে জামিন দিয়েছে আদালত।

সিলেট মহানগর মেট্রোপলিটন-২ আদালতের বিচারক সুমন ভূঁইয়া বুধবার সন্ধ্যা সোয়া ৭টার দিকে তাদের জামিন দেন।

জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক মাহফুজুর রহমান নিউজবাংলাকে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, ওই পাঁচজনের মধ্যে চারজনকে বিকেলে আদালতে তুলে জামিনের আবেদন করা হয়। করোনা শনাক্ত হওয়ায় আরেক আসামি নাজমুস সাকিব দ্বীপকে নেয়া হয় হাসপাতালে।

শুনানি শেষে বিচারক আসামিদের জামিনের আদেশ দেন।

আইনজীবী সমিতির নেতা মাহফুজুর জানান, নাজমুস সাকিব দ্বীপকে সিলেটের শহীদ সামসুদ্দিন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

তিনি বলেন, ‘আমরা আশা করছি আজ (বুধবার) রাতেই তারা সবাই জামিনে ছাড়া পাবেন।’

এর আগে বুধবার সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ে উপস্থিত থেকে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের অনশন ভাঙান সাবেক অধ্যাপক মুহম্মদ জাফর ইকবাল ও তার স্ত্রী অধ্যাপক ইয়াসমিন হক।

সেখানে শিক্ষার্থীদের দাবি পূরণ হবে বলে তারা আশ্বাস দেন। একইসঙ্গে জানান, আন্দোলনে অনুদান দেয়ার অভিযোগে গ্রেপ্তার সাবেক শাবি শিক্ষার্থীদের জামিনও হয়ে যাবে।

জামিন পেলেন শাবির সাবেক ৫ শিক্ষার্থী

ওই মামলায় অন্য কোনো শিক্ষার্থীকে হয়রানি করা হবে না বলেও জানান অধ্যাপক জাফর ইকবাল।

এসব আশ্বাসের পরিপ্রেক্ষিতে বুধবার সকাল ১০টা ২০ মিনিটে সাত দিন ধরে চলা অনশন ভাঙেন শিক্ষার্থীরা।

মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত উপকমিশনার (গণমাধ্যম) বি এম আশরাফউল্ল্যাহ তাহের মঙ্গলবার জানিয়েছিলেন অসৎ উদ্দেশ্যে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে অর্থ জোগান এবং আন্দোলনকারীদের উসকানি দেয়ার অভিযোগে ওই পাঁচজনের নামে মামলা হয়। আসামি করা হয়েছে অজ্ঞাতপরিচয় আরও ১০০-১৫০ জনকে।

তিনি আরও জানান, রাজধানী থেকে তাদের আটকের পর সিলেটে হস্তান্তর করা হয়।

তারা হলেন হাবিবুর রহমান স্বপন, রেজা নূর মঈন দীপ, নাজমুস সাকিব দ্বীপ, এ কে এম মারুফ হোসেন ও ফয়সাল আহমেদ।

এর মধ্যে হাবিবুর বিশ্ববিদ্যালয়টির কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (সিএসই) বিভাগ থেকে ২০১২ সালে পাস করেছেন। একই বছর আর্কিটেকচার বিভাগ থেকে পাস করেছেন রেজা নূর মঈন দীপ ও নাজমুস সাকিব দ্বীপ।

আরও পড়ুন:
কড়া নিরাপত্তায় ঢাবিতে থার্টি ফার্স্ট নাইট উদযাপন
ঢাবি শিক্ষক সমিতির নির্বাচনে ১৪টিতেই নীল দলের জয়
ছাত্রলীগের কর্মসূচিতে না যাওয়ায় ঢাবিতে শিক্ষার্থীকে নির্যাতন
ঢাবি ভর্তিতে আপাতত ডোপ টেস্ট সনদ লাগবে না
ঢাবির ছাত্র ও ছাত্রীদের হলে একই নিয়মের দাবি

শেয়ার করুন

ছাত্র লাঞ্ছনায় জাবির দুই ছাত্রী বহিষ্কার

ছাত্র লাঞ্ছনায় জাবির দুই ছাত্রী বহিষ্কার

বহিষ্কৃত সুমাইয়া বিনতে ইকরাম (বামে) ও আনিকা তাবাসসুম। ছবি: নিউজবাংলা

রেজিস্ট্রার রহিমা কানিজ বলেন, ‘সুমাইয়াকে এক বছর ও আনিকাকে ৬ মাসের জন্য বহিষ্কার করা হয়েছে। এই সময়ে তারা কোনো ক্লাস-পরীক্ষায় অংশ নিতে পারবে না এবং হলে অবস্থান ও বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রবেশ করতে পারবে না। একই সঙ্গে তারা বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহনসহ অন্য সুযোগ-সুবিধা পাবে না।’

ছাত্র লাঞ্ছনায় জড়িত জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) দুই ছাত্রীকে শাস্তি দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

এক শিক্ষার্থীকে এক বছর এবং অন্যজনকে ৬ মাসের জন্য বহিষ্কার করা হয়েছে।

উপাচার্য অধ্যাপক ফারজানা ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক জরুরি সিন্ডিকেট সভায় মঙ্গলবার রাতে এই সিদ্ধান্ত হয়।

বহিষ্কৃত ওই দুই ছাত্রীর নাম সুমাইয়া বিনতে ইকরাম ও আনিকা তাবাসসুম। তারা দুজনই নৃবিজ্ঞান বিভাগের স্নাতক চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী।

সুমাইয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রীতিলতা হল এবং আনিকা নওয়াব ফয়জুন্নেসা হলের আবাসিক ছাত্রী।

বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার রহিমা কানিজ নিউজবাংলাকে বলেন, ‘সুমাইয়াকে এক বছর ও আনিকাকে ৬ মাসের জন্য বহিষ্কার করা হয়েছে। এই সময়ে তারা কোনো ক্লাস-পরীক্ষায় অংশ নিতে পারবে না এবং হলে অবস্থান ও বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রবেশ করতে পারবে না। একই সঙ্গে তারা বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহনসহ অন্য সুযোগ-সুবিধা পাবে না।’

বিশ্ববিদ্যালয়ের বটতলায় সোমবার রাত ৮টার দিকে রাস্তার জায়গা ছেড়ে দেয়াকে কেন্দ্র করে সরকার ও রাজনীতি বিভাগের স্নাতকোত্তর পর্বের এক ছাত্রকে থাপ্পড় মারেন সুমাইয়া।

এ ঘটনায় শিক্ষার্থীরা সেখানে উপস্থিত হয়ে সুমাইয়া ও তার সহযোগী আনিকার শাস্তির দাবি জানান। পরে রাত ১১টার দিকে প্রক্টর অফিসে উভয় পক্ষই তাদের লিখিত বক্তব্য জমা দেয়।

আরও পড়ুন:
কড়া নিরাপত্তায় ঢাবিতে থার্টি ফার্স্ট নাইট উদযাপন
ঢাবি শিক্ষক সমিতির নির্বাচনে ১৪টিতেই নীল দলের জয়
ছাত্রলীগের কর্মসূচিতে না যাওয়ায় ঢাবিতে শিক্ষার্থীকে নির্যাতন
ঢাবি ভর্তিতে আপাতত ডোপ টেস্ট সনদ লাগবে না
ঢাবির ছাত্র ও ছাত্রীদের হলে একই নিয়মের দাবি

শেয়ার করুন

উপাচার্য নিয়োগে আরও সতর্কতা চান শিক্ষাবিদরা

উপাচার্য নিয়োগে আরও সতর্কতা চান শিক্ষাবিদরা

উপাচার্যের পদত্যাগ দাবির আন্দোলনে শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের দেয়াল লিখন। ছবি: সংগৃহীত

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, উপাচার্য নিয়োগে সার্চ কমিটি অথবা বিশেষজ্ঞ প্যানেল করা যেতে পারে। তারা যাচাই-বাছাই করে যোগ্য ব্যক্তিদের উপাচার্য নিয়োগের সুপারিশ করবে। নিয়োগপ্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা নিশ্চিতের পরামর্শও দিচ্ছেন তারা।  

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমেদের পদত্যাগের দাবিতে তীব্র আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন শিক্ষার্থীরা। এর আগে আওয়ামী লীগ সরকারের গত ১৩ বছরে শিক্ষার্থী আন্দোলনের মুখে পদত্যাগ করেছেন পাঁচজন উপাচার্য। এমন পরিস্থিতিতে উপাচার্য নিয়োগে সরকারকে আরও সতর্ক হওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন শিক্ষাবিদরা।

তারা বলছেন, উপাচার্য নিয়োগে সার্চ কমিটি অথবা বিশেষজ্ঞ প্যানেল করা যেতে পারে। তারা যাচাই-বাছাই করে যোগ্য ব্যক্তিদের উপাচার্য নিয়োগের সুপারিশ করবে। নিয়োগপ্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা নিশ্চিতের পরামর্শও দিচ্ছেন শিক্ষাবিদরা।

২০০৯ সালে পদত্যাগ করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য এস এম এ ফায়েজ। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য শরীফ এনামুল কবির পদত্যাগ করেন ২০১২ সালে। একই বিশ্ববিদ্যালয়ের আরেক উপাচার্য মো. আনোয়ার হোসেনও পদ ছাড়তে বাধ্য হন ২০১৪ সালে।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য খোন্দকার নাসির উদ্দিন আহমেদ ২০১৯ সালে এবং বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য এস এম ইমামুল হক একই বছর পদত্যাগ করেন।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. সৈয়দ আনোয়ার হোসেন নিউজবাংলাকে বলেন, ‘সরকার যোগ্য লোককে যোগ্য জায়গায় বসাতে পারছে না বলেই উপাচার্যদের শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের মুখোমুখি হতে হচ্ছে।’

তার মতে, ‘আচার্য মানেই হচ্ছেন প্রভূত জ্ঞানের অধিকারী। উপাচার্যরা তার সমগোত্রীয়। তাই উপাচার্য নিয়োগ যাচ্ছেতাইভাবে হতে পারে না।’

এই শিক্ষাবিদ বলেন, ‘সার্চ কমিটির মাধ্যমে উপাচার্য নিয়োগ দিতে হবে। এ রীতি আমাদের পাশের দেশ ভারতেই আছে। এ পদ্ধতি অবলম্বন করলে যোগ্য ব্যক্তিরা সঠিক জায়গায় অধিষ্ঠিত হবেন।’

উপাচার্য নিয়োগে আরও সতর্কতা চান শিক্ষাবিদরা
শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমেদ

একই ধরনের পরামর্শ দিচ্ছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের সাবেক শিক্ষক অধ্যাপক সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম।

তিনি বলেন, ‘পদের মোহে অনেকেই উপাচার্য পদে যাওয়ার প্রতিযোগিতায় লিপ্ত হচ্ছেন, যা শিক্ষাব্যবস্থার জন্য সুখকর নয়। এ জন্য উপাচার্য নিয়োগপ্রক্রিয়া খুব স্বচ্ছ হওয়া উচিত। এ ক্ষেত্রে বিশেষজ্ঞ প্যানেল করা যেতে পারে। তারা দেখে উপাচার্য নিয়োগের সুপারিশ করবে।

উপাচার্য হিসেবে যারা নিয়োগ পান তাদের মেয়াদ একবারের বেশি হওয়া উচিত নয় বলেও মনে করছেন অধ্যাপক মনজুরুল ইসলাম। তিনি বলেন, ‘তা না হলে যারা উপাচার্য পদে নিয়োগ পেতে ব্যর্থ হন তারা বিভিন্ন ঘটনায় ইন্ধন জোগান।’

বিশ্ববিদ্যালয়ে অযাচিত রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ বন্ধের পরামর্শ দিয়ে তিনি বলেন, ‘বেশ কয়েকটি কারণে উপাচার্যদের বিরুদ্ধে নানা সময়ে অভিযোগ ওঠে। এর মূলে রয়েছে অযাচিত রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ। বিশ্ববিদ্যালয়ে রাজনৈতিক বিবেচনায় উপাচার্য ও শিক্ষক নিয়োগ হচ্ছে। এগুলো ক্ষতি করেছে আমাদের শিক্ষাব্যবস্থাকে।’

তার মতে, ‘বিভিন্ন কারণে উপাচার্যদের বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠে। এর পেছনে রয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও ছাত্ররাজনীতি। এ ছাড়া বড় বড় কাজের টেন্ডার তো রয়েছেই। কারও (উপাচার্য) বিরুদ্ধে সত্যিকার অর্থে অভিযোগ উঠলে ইউজিসি দেশের গণমান্য শিক্ষাবিদদের নিয়ে একটা প্যানেল করতে পারে। সেই প্যানেল অভিযোগ তদন্ত করে ব্যবস্থার সুপারিশ করবে।’

উপাচার্যদের বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠা ‘অস্বাভাবিক নয়’ বলে মনে করছেন বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. আব্দুল মান্নান।

তিনি নিউজবাংলাকে বলেন, ‘উপাচার্যদের বিরুদ্ধে অনেক ধরনের অভিযোগ উঠতেই পারে। তবে সব অভিযোগ সত্য নয়। অভিযোগগুলোর মধ্যে দুটি গুরুতর। একটি হচ্ছে নৈতিক স্খলন, আরেকটি দুর্নীতি। এর একটিও যদি কারও বিরুদ্ধে ওঠে, অবশ্যই গুরুত্ব দিয়ে তা তদন্ত করতে হবে। যা শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও ইউজিসি করে থাকে। তদন্ত করে অভিযোগ প্রমাণিত হলে অবশ্যই দায়ীদের আইনের আওতায় আনতে হবে।’

উপাচার্য নিয়োগে আরও সতর্কতা চান শিক্ষাবিদরা
শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্দোলনকারীদের দেয়াল লিখন

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের চলমান আন্দোলনের উদাহরণ টেনে তিনি বলেন, ‘সেখানে কিন্তু ফরিদের (শাবি উপাচার্য) বিরুদ্ধে নৈতিক স্খলন বা আর্থিক দুর্নীতির কোনো অভিযোগ নেই। অদক্ষতা বা অযোগ্যতা সেগুলো অন্য বিষয়। তারপরও শিক্ষার্থীরা আন্দোলন করছে।’

পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে অস্থিরতার অন্যতম কারণ আঞ্চলিকতা বলে মনে করছেন সাবেক শিক্ষাসচিব নজরুল ইসলাম খান (এন আই খান)।

তিনি বলেন, ‘বেশির ভাগ বিশ্ববিদ্যালয়ে লোকাল ছেলেমেয়ে শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ পাচ্ছে। নিয়োগ পেয়েই তারা একটি বলয় সৃষ্টি করে। আমেরিকায় কিন্তু যে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আপনি পাস করবেন সেখানে প্রথমে শিক্ষক হওয়া যায় না। প্রথমে অন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ পেতে হবে। এরপর সেখানে শিক্ষকতায় নিজের যোগ্যতা প্রমাণ করে সে যে বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করেছে সেখানে নিয়োগের সুযোগ পাবে। এ জন্য আঞ্চলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে যেন ভারসাম্য থাকে সে ব্যবস্থা করতে হবে।’

উপাচার্যদের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠলে ত্বরিত ব্যবস্থা নেয়া উচিত বলে মনে করেন এই সাবেক শিক্ষাসচিব।

তিনি নিউজবাংলাকে বলেন, ‘কৌটিল্যের অর্থশাস্ত্রে আছে, প্রশাসনে যারা থাকে তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠলে ন্যায়-অন্যায় যা-ই হোক তাদের সরিয়ে দিতে হবে। এটাই যুগ যুগ ধরে চলে আসছে। যারা উপাচার্য তারা খুবই গুরুত্বপূর্ণ মানুষ। তাই পদ এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি যেন কলুষিত না হয় সে বিষয়ে গুরুত্ব দিতে হবে।’

উপাচার্য নিয়োগে আরও সতর্কতা চান শিক্ষাবিদরা
ড. জাফর ইকবালের অনুরোধে অনশন ভেঙেছেন শাবি শিক্ষার্থীরা

অন্যদিকে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক মনে করছেন, কোনো উপাচার্যের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠলে নৈতিক অবস্থান থেকে সে বিষয়ে তার নিজেরই পদক্ষেপ নেয়া উচিত।

তিনি নিউজবাংলাকে বলেন, ‘উপাচার্যের বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ এলে বিশ্ববিদ্যালয়-কাঠামোর মধ্যেই এর সমাধান আছে। যেমন, সিনেট ও সিন্ডিকেট। এ দুটোতেই সভাপতিত্ব করেন উপাচার্য। তাই উপাচার্যরা যখন দেখবেন তার বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ এসেছে, তখন তিনি নৈতিক অবস্থান থেকে সেখানে আর সভাপতিত্ব করবেন না।

‘তা যদি তিনি না করেন তাহলে উচিত ইউজিসিতে অভিযোগগুলো তদন্ত করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে সুপারিশ যাওয়া। এটাই নিয়ম ও বিধিবিধান। এ ছাড়া উপাচার্য স্বপ্রণোদিত হয়েও ইউজিসিকে তদন্তের অনুরোধ করতে পারেন।’

অধ্যাপক আরেফিন সিদ্দিক বলেন, ‘আমি মনে করি নৈতিক অবস্থান থেকে উপাচার্যদের উচিত তার বিষয়ে যে অভিযোগগুলো এসেছে, সে বিষয়ে পদক্ষেপ নেয়া। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ইউজিসি গঠন করেছিলেন যাতে শিক্ষকদের ওপর অন্যরা কোনো ধরনের হস্তক্ষেপ না করতে পারে। বঙ্গবন্ধু বিশ্বাস করতেন শিক্ষকদের স্বশাসনের ওপর।’

উপাচার্য নিয়োগে আরও সতর্ক হতে সরকারকে পরামর্শ দেন এই শিক্ষাবিদ।

তিনি বলেন, ‘বর্তমান সময়ে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে যে অস্থিরতা সৃষ্টি হচ্ছে তা কোনোভাবেই কাম্য নয়। এ জন্য আমি মনে করি নিয়োগপ্রক্রিয়ায় আরও সতর্ক হতে হবে।’

আরও পড়ুন:
কড়া নিরাপত্তায় ঢাবিতে থার্টি ফার্স্ট নাইট উদযাপন
ঢাবি শিক্ষক সমিতির নির্বাচনে ১৪টিতেই নীল দলের জয়
ছাত্রলীগের কর্মসূচিতে না যাওয়ায় ঢাবিতে শিক্ষার্থীকে নির্যাতন
ঢাবি ভর্তিতে আপাতত ডোপ টেস্ট সনদ লাগবে না
ঢাবির ছাত্র ও ছাত্রীদের হলে একই নিয়মের দাবি

শেয়ার করুন