সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংকের আরও ৪ উপশাখা

player
সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংকের আরও ৪ উপশাখা

ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক জাফর আলম এই ৪টি উপশাখার উদ্বোধন করেন বলে ব্যাংকটির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।

সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক লিমিটেড (এসআইবিএল) চাঁদপুরে বাবুরহাট, ময়মনসিংহে ত্রিশাল, খুলনায় ময়লাপোতা এবং সিরাজগঞ্জে হরিণা পিপুল বাড়ীয়া বাজারে ৪টি উপশাখার কার্যক্রম শুরু করেছে।

সম্প্রতি ভার্চুয়াল প্লাটফর্মে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান কার্যালয় হতে ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী জাফর আলম এই ৪টি উপশাখার উদ্বোধন করেন বলে ব্যাংকটির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।

এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ব্যাংকের অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক তাজুল ইসলাম এবং আবু রেজা মো. ইয়াহিয়া, উপব্যবস্থাপনা পরিচালক আবু নাসের চৌধুরী, সিরাজুল হক ও সামছুল হক, কোম্পানি সচিব আব্দুল হান্নান খান, মার্কেটিং অ্যান্ড ব্র্যান্ড কমিউনিকেশন ডিভিশনের প্রধান মো. মনিরুজ্জামান এবং ব্রাঞ্চেস কন্ট্রোল অ্যান্ড জেনারেল ব্যাংকিং ডিভিশনের প্রধান সাইফ আল-আমীন উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন:
আবু রেজা ইয়াহিয়া এসআইবিএলের নতুন এএমডি
নোয়াখালীর সুবর্ণচরে সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক
চট্টগ্রামের চট্টেশ্বরীতে সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক
সয়াবিন ও মরিচ চাষীদের ৪% সুদে ঋণ দিল এসআইবিএল
১০০তম উপশাখা খুলল এসআইবিএল

শেয়ার করুন

মন্তব্য

কুমিল্লার ২ মার্কেটে ভ্যাট গোয়েন্দার অভিযান

কুমিল্লার ২ মার্কেটে ভ্যাট গোয়েন্দার অভিযান

মিষ্টির দোকান মাতৃভাণ্ডারে মানুষের ভিড়। ফাইল ছবি

কুমিল্লায় ভ্যাট গোয়েন্দার উপ-পরিচালক মুনাওয়ার মুরসালীন ও সহকারী পরিচালক আলমগীর হুসেনের নেতৃত্বে এটি বিশেষ গোয়েন্দা দল এই অভিযান চালায়।

মূল্য সংযোজন কর (ভ্যাট) ফাঁকির অভিযোগে কুমিল্লা শহরের দুটি মার্কেটে অভিযান চালিয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) ভ্যাট নিরীক্ষা ও গোয়েন্দা অধিদপ্তর।

সোমবার অভিযান চালানো এ দুই মার্কেট হলো কুমিল্লা টাউনহলের কান্দিরপাড়ে প্লানেট এসআর মার্কেট এবং কুমিল্লা ক্যান্টনমেন্টে ময়নামতি সুপার মার্কেট।

কুমিল্লায় ভ্যাট গোয়েন্দার উপ-পরিচালক মুনাওয়ার মুরসালীন ও সহকারী পরিচালক আলমগীর হুসেনের নেতৃত্বে এটি বিশেষ গোয়েন্দা দল এই অভিযান চালায়।

ভ্যাট নিরীক্ষা ও গোয়েন্দা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. মইনুল খান নিউজবাংলাকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

মার্কেট দুটিতে অভিযান চালিয়ে ভ্যাট গোয়েন্দারা ওই মার্কেটের দোকানগুলোতে হিসাব সংরক্ষণ না করা ও বিক্রির প্রকৃত তথ্য গোপন করে বিপুল পরিমাণ ভ্যাট ফাঁকি দেয়ার প্রমাণ পেয়েছেন।

গোয়েন্দা কর্মকর্তারা বলেন, ‘অভিযানের পাশাপাশি দুটি মার্কেটে জরিপ চালানো হয়। তাতে দেখা যায়, কোনো প্রতিষ্ঠান নিবন্ধন গ্রহণ করেনি, ভ্যাটও দেয়নি।’

ভ্যাট গোয়েন্দার তথ্য মতে, কুমিল্লার প্লানেট এসআর মার্কেটে ৮০ টি দোকান রয়েছে। এর মধ্যে ৫৬ টি দোকানের কোনো নিবন্ধন নেই।

অন্যদিকে, ক্যান্টনমেন্টের ময়নামতি সুপার মার্কেটে মোট ১২০ টি দোকান রয়েছে। এর মধ্যে ৬৪টি দোকানের নিবন্ধন নেই।

ড.মইনুল খান বলেন, ‘জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের নির্দেশে ২০২১ সালের ২৫-৩১ মে ভ্যাট গোয়েন্দা অধিদপ্তরের চারটি জরিপ দল মাঠে নেমে রাজধানী ও রাজধানীর বাইরের মার্কেটগুলোতে জরিপ করে।

‘জরিপের পর পর সারাদেশে ভ্যাট নিবন্ধন গ্রহণে ব্যাপক সাড়া পাওয়া যায়। কিন্তু দীর্ঘ সময় পার হলেও কুমিল্লার এই দুটি মার্কেটের কোনো প্রতিষ্ঠানেরই ভ্যাট নিবন্ধন পাওয়া যায়নি।’

মাতৃভান্ডারের ভ্যাট ফাঁকি

এ দিন কুমিল্লার কান্দিরপাড়ে মিষ্টির দোকান ‘মাতৃভান্ডার’- এ অভিযান চালায় ভ্যাট গোয়েন্দার দলটি।

প্রতিষ্ঠানটিতে মিষ্টি বিক্রির সময় ক্রেতাদের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা গেলেও মাতৃভান্ডারে গড়ে মাত্র ২০-২২ টি চালান কাটার তথ্য পাওয়া যায়।

ভ্যাট গোয়েন্দার দু্ইজন কর্মকর্তা ওই প্রতিষ্ঠানের বিক্রি পর্যবেক্ষণের জন্য সকাল ১১ টা থেকে সন্ধ্যা ৭ টা পর্যন্ত অবস্থান করেন।

দেখা যায়, এক দিনে ভ্যাট গোয়েন্দাদের উপস্থিতিতে প্রতিষ্ঠানটি ৩১৮টি চালান ইস্যু করে, যেখানে বিক্রিমূল্য পাওয়া যায় প্রায় তিন লাখ টাকা। অর্থ্যাৎ ভ্যাট চালান না দিয়ে মাতৃভান্ডার মিষ্টির দোকান বিপুল পরিমাণ ভ্যাট ফাঁকি দিয়েছে।

গোয়েন্দাদের অভিযানে জব্দ করা কাগজপত্রে দেখা গেছে, নতুন বছরের ১ থেকে ১৬ জানুয়ারি পর্যন্ত মাতৃভান্ডার মিষ্টান্ন ভান্ডার মাত্র ৩৫৪ টি ভ্যাট চালান ইস্যু করে।এর বিপরীতে বিক্রিমূল্য দেখানো হয়েছে প্রায় ৭ লাখ টাকা। অথচ, ভ্যাট গোয়েন্দার একদিনের পর্যবেক্ষণে ৩১৮ টি চালানে ৩ লাখ টাকা বিক্রির হিসাব পাওয়া গেছে।

এভাবে প্রতিষ্ঠানটি চালান ইস্যু না করেই সরকারের বিপুল পরিমাণ ভ্যাট ফাঁকি দিয়েছে বলে গোয়েন্দা কর্মকর্তারা জানান।

গোয়েন্দারা বলছেন, কুমিল্লা শহরের অনেক মার্কেট রয়েছে যেগুলোর প্রতিষ্ঠান এখনও নিবন্ধন গ্রহণ করেনি। শিগগিরই এসব প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

আরও পড়ুন:
আবু রেজা ইয়াহিয়া এসআইবিএলের নতুন এএমডি
নোয়াখালীর সুবর্ণচরে সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক
চট্টগ্রামের চট্টেশ্বরীতে সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক
সয়াবিন ও মরিচ চাষীদের ৪% সুদে ঋণ দিল এসআইবিএল
১০০তম উপশাখা খুলল এসআইবিএল

শেয়ার করুন

নতুন উচ্চতায় তেলের দাম, ৭ বছরের সর্বোচ্চ

নতুন উচ্চতায় তেলের দাম, ৭ বছরের সর্বোচ্চ

যুক্তরাষ্ট্রের বহুজাতিক বিনিয়োগ কোম্পানি ব্যাংক গোল্ডম্যান স্যাক্সও মাস চারেক আগে তাদের এক প্রতিবেদনে বলেছিল, কোভিড-১৯ এর কারণে বৈশ্বিক সরবরাহ ব্যবস্থায় যে প্রতিবন্ধকতা দেখা দিয়েছিল তা দূর হচ্ছে। পাশাপাশি দেশে দেশে অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারের প্রক্রিয়া গতি পেয়েছে। ফলে বিশ্ববাজারে তেলের দাম বাড়ছে।

বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম বেড়ে নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে। মঙ্গলবার প্রতি ব্যারেলের দর ৮৫ ডলার ছাড়িয়ে গেছে।

গত নভেম্বর বাংলাদেশে ডিজেলের দাম লিটারে ১৫ টাকা বাড়ানোর সময় যে দর ছিল, এবার ছাড়িয়ে গেছে সেই দরও।

বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, মঙ্গলবার দুই ধরনের অপরিশোধিত তেলের দাম আগের দিনের চেয়ে ১ শতাংশের বেশি বেড়েছে। এদিন ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট অপরিশোধিত তেলের দাম প্রতি ব্যারেল ৮৫ ডলার ৫ সেন্টে বিক্রি হচ্ছে। আর ব্রেন্ট অপরিশোধিত তেলের দর উঠেছে ৮৭ ডলার ৩৬ সেন্টে।

এই দর গত সাত বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ বলে তথ্য দিয়েছে রয়টার্স।

২০১৪ সালের পর আন্তর্জাতিক বাজারে এতো বেশি দামে জ্বালানি তেল বিক্রি হয়নি। মধ্যপ্রাচ্য উপসাগরে হামলার পর সরবরাহের ঘাটতি দেখা দেওয়ায় দাম বাড়ছে বলে রয়টার্সের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

করোনাভাইরাসের নতুন ধরন ওমিক্রন আতঙ্কে নভেম্বরের মাঝামাঝি সময়ে ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট তেলের দাম কমতে কমতে ৬৬ ডলারে নেমে গিয়েছিল। ব্রেন্ট তেলের দর কমে হয়েছিল ৬৮ ডলার।

তিন-চার দিন ওই একই জায়গায় স্থির ছিল তেলের বাজার। কিন্তু ওমিক্রন বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে পড়লেও করোনার নতুন ওই ধরনে আক্রান্ত হয়ে মানুষ খুব একটা মারা না যাওয়ায় এই ভাইরাস নিয়ে আতঙ্ক বেশ খানিকটা কেটে যায়। এতে বিশ্বে তেলের চাহিদা বাড়বে-এ সম্ভাবনাকে সামনে রেখে আবার বাড়তে শুরু করে দাম। সেই ঊর্ধ্বগতি অব্যাহত রয়েছে।

২০২০ সালের ডিসেম্বর মাস থেকে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম বাড়তে শুরু করে। করোনা মহামারির মধ্যেও টানা বেড়েছে তেলের দাম। করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে শুরু করায় তা আরও ঊর্ধ্বমুখী হয়।

বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ার কারণে গত ৪ নভেম্বর থেকে বাংলাদেশ সরকারও ডিজেল ও কেরোসিনের দাম লিটারে এক লাফে ১৫ টাকা বাড়িয়ে নতুন দাম ৮০ টাকা নির্ধারণ করে। বাংলাদেশ যখন তেলের নতুন দাম নির্ধারণ করে, তখন আন্তর্জাতিক বাজারে যে দর ছিল, এখন তাতেও ছাড়িয়ে গেল।

গত ২৭ অক্টোবর ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দাম প্রতি ব্যারেল ৮৫ ডলার ওঠে। এরপর থেকেই তা কমতে থাকে। ৮ নভেম্বর এর দর ছিল ৮২ দশমিক ৫ ডলার। ১৬ অক্টোবর দাম ছিল ৮০ ডলার।

আর এক বছর আগে ২০২০ সালের ডিসেম্বরে প্রতি ব্যারেল অপরিশোধিত তেলের দাম ছিল ৪২ ডলার।

যুক্তরাষ্ট্রের বহুজাতিক বিনিয়োগ কোম্পানি ব্যাংক গোল্ডম্যান স্যাক্সও মাস চারেক আগে তাদের এক প্রতিবেদনে বলেছিল, কোভিড-১৯ এর কারণে বৈশ্বিক সরবরাহ ব্যবস্থায় যে প্রতিবন্ধকতা দেখা দিয়েছিল তা দূর হচ্ছে। পাশাপাশি দেশে দেশে অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারের প্রক্রিয়া গতি পেয়েছে। ফলে বিশ্ববাজারে তেলের দাম বাড়ছে।

২০২০ সালের ডিসেম্বর মাস থেকে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম বাড়তে শুরু করে। করোনা মহামারির মধ্যেও টানা বেড়েছে তেলের দাম। করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে শুরু করায় তা আরও ঊর্ধ্বমুখী হয়।

আন্তর্জাতিক বাজারে গত বছরের জানুয়ারি মাসে জ্বালানি তেলের দাম ছিল গড়ে প্রতি ব্যারেল ৪৯ ডলার। এরপর থেকে গড়ে প্রতি ব্যারেল অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দাম ছিল ফেব্রুয়ারি মাসে ৫৩ ডলার, মার্চে ৬০, এপ্রিলে ৬৫, মে মাসে ৬৪, জুনে ৬৬, জুলাইয়ে ৭৩ এবং আগস্টে ৭৪ ডলার। অক্টোবর মাসে এই দাম ৮৫ ডলার ছাড়িয়ে যায়। ধারণা করা হচ্ছিল, শিগগিরই তা ১০০ ডলার হয়ে যেতে পারে।

তবে গত নভেম্বরের মাঝামাঝি থেকে দাম নিম্নমুখী হয়। তারপরও দামটা নিয়ন্ত্রণে আসছিল না। এ অবস্থায় জ্বালানি তেলের দাম কমিয়ে আনতে নিজ দেশের পেট্রোলিয়াম ভাণ্ডার থেকে পাঁচ কোটি ব্যারেল তেল বাজারে ছাড়ার ঘোষণা দেন বিশ্বের সবচেয়ে বড় অর্থনীতির দেশ যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন।

গত ২৩ নভেম্বর টুইট বার্তায় বাইডেন ঘোষণা দেন, ‘আমেরিকান পরিবারগুলোর জন্য তেল ও গ্যাসের দাম কমাতে পদক্ষেপের কথা আজ ঘোষণা করছি। আমেরিকাবাসীর জন্য স্ট্র্যাটেজিক পেট্রোলিয়াম রিজার্ভ (এসপিআর) থেকে পাঁচ কোটি ব্যারেল তেল ছাড়ব আমরা, যাতে তেল ও গ্যাসের দাম সহনীয় পর্যায়ে নেমে আসে।’

দেশে তেল ও গ্যাসের মতো জ্বালানির ক্রমবর্ধমান মূল্যবৃদ্ধি রুখতে এই পদক্ষেপ নেন জো বাইডেন। এর জেরে সে দেশে জ্বালানির দাম কমবে বলে মনে করা হচ্ছিল। পাশাপাশি বিশ্ব জুড়ে জ্বালানির দামেও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে মনে করছিলেন অনেকে।

তবে বাইডেনের এই ঘোষণার পর বিশ্ববাজারে তেলের দাম খুব একটা কমেনি। ওমিক্রন আতঙ্কেই মূলত বড় দরপতন হয়।

বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ার কারণে গত ৪ নভেম্বর থেকে বাংলাদেশ সরকারও ডিজেল ও কেরোসিনের দাম লিটারে এক লাফে ১৫ টাকা বাড়িয়ে নতুন দাম ৮০ টাকা নির্ধারণ করে।

বাংলাদেশ যখন তেলের নতুন দাম নির্ধারণ করে, তখন আন্তর্জাতিক বাজারে যে দর ছিল, এখন তাতেও ছাড়িয়ে গেল।

আরও পড়ুন:
আবু রেজা ইয়াহিয়া এসআইবিএলের নতুন এএমডি
নোয়াখালীর সুবর্ণচরে সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক
চট্টগ্রামের চট্টেশ্বরীতে সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক
সয়াবিন ও মরিচ চাষীদের ৪% সুদে ঋণ দিল এসআইবিএল
১০০তম উপশাখা খুলল এসআইবিএল

শেয়ার করুন

শহরে করা যাবে না কনটেইনার ডিপো

শহরে করা যাবে না কনটেইনার ডিপো

৩৮ বছর পর বেসরকারি আইসিডির চূড়ান্ত নীতিমালা জারি করেছে এনবিআর।

ইনল্যান্ড কনটেইনার ডিপো (আইসিডি) ও কনটেইনার ফ্রেইট স্টেশনের (সিএফএস) নীতিমালার চুড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড। তবে নীতিমালা অনুযায়ী শহরের ভেতর করা যাবে না কোনো কনটেইনার ডিপো।

তবে শহরের ভেতর থাকা বর্তমান আইসিডির বিষয়ে এ সংক্রান্ত কোনো বিধান রাখা হয়নি।

বেসরকারি আইসিডিগুলোর মালিকদের সংগঠন বিকডার সচিব রুহুল আমিন সিকদার মঙ্গলবার দুপুরে নিউজবাংলাকে এ কথা বলেন।

তিনি জানান, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) এই নীতিমালা সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করেছে। এটি বেসরকারি খাতে ইনল্যান্ড কনটেইনার ডিপো (আইসিডি) ও কনটেইনার ফ্রেইট স্টেশন (সিএফএস) নীতিমালা, ২০২১ নামে অভিহিত করা হয়েছে।

তিনি আরও জানান, এই চূড়ান্ত নীতিমালা অনুযায়ী নতুন আইসিডিগুলো অবশ্যই শহরের ২০ কিলোমিটার দূরে স্থাপন করতে হবে।

এর আগে ২০২১ সালের ১৪ অক্টোবর জাতীয় রাজস্ব বোর্ডে সংশ্লিষ্ট স্টেকহোল্ডারদের নিয়ে এর খসড়া নীতিমালার বিষয়ে আলোচনা করা হয়। ওই বৈঠকে বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনার পর খসড়া নীতিমালাকে চূড়ান্ত করে এনবিআর।

১৯৮৪ সালে সি ফেয়ারার্স লিমিটেড নামে আইসিডি চালুর মাধ্যমে দেশে বেসরকারি আইসিডির যাত্রা শুরু হয়। এরপর কোনো নীতিমালা ছাড়াই ২০২১ সাল পর্যন্ত ধাপে ধাপে গড়ে ওঠে ১৯টি বেসরকারি আইসিডি।

বিকডা বলছে, বিদ্যমান আইসিডিগুলো শহরের বাইরে নিয়ে যেতে হবে এমন কোন নির্দেশনা নীতিমালায় নেই। এনবিআরের সঙ্গে আলোচনায় বিদ্যমান আইসিডিগুলো শহরের ভেতরেই রাখার বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়েছে।

অন্যদিকে বেসরকারি আইসিডিগুলোর বিভিন্ন সেবা মাসুলের ব্যাপারেও কোনো ধারা রাখা হয়নি। কোনো ট্যারিফ কমিটিও নির্ধারণ করা হয়নি। তবে আইসিডির বাৎসরিক কার্যক্রম ও সক্ষমতা পর্যালোচনার জন্য সাত সদস্যের একটি মূল্যায়ন কমিটি নির্ধারণ করে দিয়েছে এনবিআর।

আইসিডিগুলোতে কনটেইনার স্ক্যানার স্থাপনের বিষয়টিও ঐচ্ছিক রাখা হয়েছে। তবে বিকডা থেকে জানানো হয়েছে, যদি কোনো বেসরকারি আইসিডি কনটেইনার স্ক্যানার স্থাপন করে তবে তাদের জন্য আমদানি পণ্য খালাসের ক্ষেত্রে ৩৮ ধরনের পণ্যের বাইরে আরও কিছু পণ্য বাড়িয়ে দিতে পারে।

এর বাইরে নীতিমালায় আরও উল্লেখ আছে, নতুন আইসিডি স্থাপনের ক্ষেত্রে নিজস্ব মালিকানাধীন জায়গা, ভাড়া জায়গা বা লিজ নেয়া জায়গায় আইসিডি স্থাপন করা যাবে। এক্ষেত্রে ন্যূনতম ১৫ একর জায়গা থাকতে হবে এবং সাড়ে ৪ হাজার টিইইউস কনটেইনার রাখার জায়গা থাকতে হবে। সিএফএস এর আয়তন হতে হবে আইসিডির মোট আয়তনের ৫ ভাগের ১ ভাগ। আইসিডি স্থাপনে বিদেশি বিনিয়োগ থাকলে অংশীদারত্বে ন্যূনতম ৫১ শতাংশ বাংলাদেশি মালিকানাধীন হতে হবে।

এছাড়া আইসিডির মূল গেট জাতীয় ও আঞ্চলিক মহাসড়ক থেকে ২০০ মিটার দূরে রাখতে হবে। এই নীতিমালার পাশাপাশি চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের প্রণীত বেসরকারি আইসিডি নীতিমালা ২০১৬ ও সরকার প্রণীত অন্যান্য বিধি-বিধান পালন করতে হবে।

১৯৮৪ সাল থেকে ১৯৯৮ সাল পর্যন্ত সি ফেয়ারার্স লিমিটেড, ওশান কনটেইনারর্স লিমিটেড, শফি মোটর্স লিমিটেড ও ইকবাল এন্টারপ্রাইজ লিমিটেডের নামে ৪টি বেসরকারি আইসিডি স্থাপন হয়। ১৯৯৮ সালে সর্বপ্রথম একটি অফিস আদেশ জারি করে।

এরপর ২০১৬ সাল পর্যন্ত স্থাপিত হয় আরও ১৪ বেসরকারি আইসিডি। তখন ২০১৬ সালে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের উদ্যোগে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় একটি বেসরকারি আইসিডি/অফডক নীতিমালা জারি করে।

তবে বেসরকারি আইসিডির অনুমোদন, পরিচালনা ও তদারকি যেহেতু জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের তত্ত্ববধানে হয়, তাই এর সুনির্দিষ্ট নীতিমালা এনবিআরকে জারি করার প্রয়োজনীয়তা ছিল দীর্ঘদিনের।

অবশেষে ৩৮ বছর পর হলেও চূড়ান্ত নীতিমালা জারি করেছে এনবিআর।

বিকডা সচিব রুহুল আমিন সিকদার বলেন, এনবিআর আইসিডি নীতিমালা স্থাপন ও পরিচালনার জন্য নীতিমালা প্রণয়নে অনেক আগে থেকেই উদ্যোগ নেয়। আইসিডি সংশ্লিষ্ট যাবতীয় তথ্য উপাত্ত নিয়ে প্রথমে খসড়া একটি নীতিমালা প্রকাশ করে।

পরে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডেও সংশ্লিষ্ট স্টেকহোল্ডারদের নিয়ে বৈঠক করা হয়। বৈঠকে নানা বিষয় তুলে ধরা হয়। সবকিছু বিবেচনা করে শেষ পর্যন্ত এনবিআর চূড়ান্ত নীতিমালা জারি করল।

আরও পড়ুন:
আবু রেজা ইয়াহিয়া এসআইবিএলের নতুন এএমডি
নোয়াখালীর সুবর্ণচরে সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক
চট্টগ্রামের চট্টেশ্বরীতে সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক
সয়াবিন ও মরিচ চাষীদের ৪% সুদে ঋণ দিল এসআইবিএল
১০০তম উপশাখা খুলল এসআইবিএল

শেয়ার করুন

আরও তিন বছর সিটি ব্যাংকের নেতৃত্বে মাসরুর আরেফিন

আরও তিন বছর সিটি ব্যাংকের নেতৃত্বে মাসরুর আরেফিন

মাসরুর আরেফিন ২০১৯ সালের জানুয়ারি মাসে সিটি ব্যাংকের এমডি হিসেবে দায়িত্বপ্রাপ্ত হন। গত তিন বছরে তিনি ব্যাংকটিকে ভিন্নতর উচ্চতায় নিয়ে যেতে সক্ষম হয়েছেন বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

মাসরুর আরেফিন আরও তিন বছর সিটি ব্যাংকে নেতৃত্ব দেবেন।

মঙ্গলবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বেসরকারি এই ব্যাংকটি জানিয়েছে, মাসরুর আরেফিন সিটি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও পদে পুনর্নিয়োগ পেয়েছেন। সম্প্রতি ব্যাংকটির পরিচালনা পর্ষদের অনুমোদনের পরে বাংলাদেশ ব্যাংক পরবর্তী তিন বছরের জন্য তার পুনর্নিয়োগে অনুমতি প্রদান করেছে।

মাসরুর আরেফিন ২০১৯ সালের জানুয়ারি মাসে সিটি ব্যাংকের এমডি ও সিইও হিসেবে প্রথমবারের মতো দায়িত্বপ্রাপ্ত হন। গত তিন বছরে তিনি ব্যাংকটিকে ভিন্নতর উচ্চতায় নিয়ে যেতে সক্ষম হয়েছেন বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়।

এই সময়কালে ব্যাংকটির বার্ষিক আয় ৩৫ শতাংশ বেড়ে ২ হাজার কোটি টাকা অতিক্রম করে এবং পরিচালন মুনাফা ৬১ শতাংশ বেড়ে ১০০০ কোটি টাকা মুনাফার সম্মানজনক ক্লাবে প্রবেশ করে।

একই সঙ্গে গত তিন বছরে ব্যাংকটির আয় ও ব্যয়ের অনুপাত ৫৯ শতাংশ থেকে ৫০ দশমিক ৫ শতাংশ নেমে আসে এবং বৈদেশিক বাণিজ্য বার্ষিক ৩ দশমিক ৬ বিলিয়ন ডলার থেকে ৬ দশমিক ৬ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত হয়।

‘তার নেতৃত্বে সিটি ব্যাংক মূলত আর্থিক অন্তর্ভুক্তির এজেন্ডা মাথায় নিয়ে একটি শহরভিত্তিক ব্যাংক থেকে সমগ্র দেশের আপামর জনমানুষের জন্য ডিজিটাল ব্যাংক হওয়ার পথে এগিয়ে যাচ্ছে। তিনি ব্যাংকে ডিজিটাল ন্যানো লোন এবং প্রথাগত ক্ষুদ্র ও মাইক্রো ফাইন্যান্সের সূচনা করেন,’ বলা হয় বিজ্ঞপ্তিতে।

মাসরুর আরেফিন এএনজেড গ্রিন্ডলেজ ব্যাংকে ১৯৯৫ সালে ম্যানেজমেন্ট ট্রেইনি হিসেবে যোগদান করেন। ২৭ বছরের কর্মজীবনে তিনি এএনজেড ব্যাংক মেলবোর্ন, স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক কাতার, সিটি ব্যাংক এনএ, আমেরিকান এক্সপ্রেস ব্যাংক, ব্র্যাক ব্যাংক এবং ইস্টার্ন ব্যাংকে গুরুত্বপূর্ণ পদে কাজ করেন।

মাসরুর আরেফিন তার ব্যাংকার পরিচয়ের পাশাপাশি একজন ঔপন্যাসিক, কবি ও অনুবাদক হিসেবেও পরিচিত।

আরও পড়ুন:
আবু রেজা ইয়াহিয়া এসআইবিএলের নতুন এএমডি
নোয়াখালীর সুবর্ণচরে সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক
চট্টগ্রামের চট্টেশ্বরীতে সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক
সয়াবিন ও মরিচ চাষীদের ৪% সুদে ঋণ দিল এসআইবিএল
১০০তম উপশাখা খুলল এসআইবিএল

শেয়ার করুন

ছোট দোকানে সরকারি উদ্যোগে ইএফটি মেশিন দেয়ার প্রস্তাব

ছোট দোকানে সরকারি উদ্যোগে ইএফটি মেশিন দেয়ার প্রস্তাব

জেলা প্রশাসক সম্মেলন উদ্বোধনীতে মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক। ছবি: নিউজবাংলা

মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক বলেন, যারা মেশিনটি কিনতে পারবেন না, সরকার নিজ উদ্যোগে তাদের মেশিন সরবরাহ করবে। পরে মেশিনের দাম কিস্তিতে পরিশোধ করবেন দোকানিরা। এ বিষয়ে অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগের পাশাপাশি সারা দেশে জেলা প্রশাসকদের প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়ার নির্দেশনাও দেন তিনি।

গ্রামগঞ্জ থেকেও অধিক ভ্যাট আদায়ের মাধ্যমে সরকারের রাজস্ব বাড়াতে স্থানীয়ভাবে প্রতিষ্ঠিত বড় ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানগুলোর পাশাপাশি ছোট দোকানগুলোতেও ইএফটি মেশিন দেয়ার প্রস্তাব করেছে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক।

তিনি বলেন, যারা মেশিনটি কিনতে পারবেন না, সরকার নিজ উদ্যোগে তাদের মেশিন সরবরাহ করবে। পরে মেশিনের দাম কিস্তিতে পরিশোধ করবেন দোকানিরা। এ বিষয়ে অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগের পাশাপাশি সারা দেশে জেলা প্রশাসকদের প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়ার নির্দেশনাও দেন তিনি।

মঙ্গলবার রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আয়োজিত ডিসি সম্মেলনের প্রথম অধিবেশনে ‘অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ সম্পর্কিত বিষয়াদি’র ওপর সাধারণ আলোচনা পর্বে এ প্রস্তাব দেন আ ক ম মোজাম্মেল হক।

তিনি বলেন, ‘আজকাল গ্রাম পর্যায়ে মানুষের সামর্থ্য বেড়েছে। সেখানে অনেক কেনাকাটা হচ্ছে। অথচ এই কেনাকাটায় যে অর্থের প্রবাহ হচ্ছে, তার থেকে সরকার পাচ্ছে খুবই কম। যারা দিচ্ছে সেটিও সঠিক দিচ্ছে কি না প্রশ্ন সাপেক্ষ।’

তাই বিষয়টিতে অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগকে আরও জোর তদারকি করতে বলেন। সে সঙ্গে জেলা প্রশাসকদের মাধ্যমে সারা দেশে ছোট দোকানগুলোতেও সরকারি উদ্যোগে একটি করে মেশিন দেয়ার প্রস্তাব দেন।

এর জবাবে প্রধানমন্ত্রীর অর্থনৈতিকবিষয়ক উপদেষ্টা ড. মশিউর রহমান বলেন, ‘প্রস্তাবটি ভালো, যৌক্তিক। এ বিষয়ে অনেক আগে থেকেই এনবিআর কাজ করে আসছে। তবে এখনো সব পর্যায়ে তার বিস্তার ঘটেনি। অনেক এলাকায় গ্রামে পৌঁছে গেছে ইএফটি মেশিন। তবে অনেক এলাকায় এবং তৃণমূল পর্যায়ের দোকানগুলোতে একটি মেশিন স্থাপন করতে গেলে এর কিছু প্রযুক্তিগত সমস্যা আছে। সেখানে ক্রেতা এবং বিক্রেতা উভয় প্রযুক্তিগত সমস্যা মোকাবিলা করবেন। আমরা বিষয়টি নিয়ে কাজ করছি, নিশ্চয়ই আমরা সে পর্যায়ে যাব।’

জেলা প্রশাসক সম্মেলনে মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয় বিষয়ক আলোচনায় চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্রে সংশ্লিষ্ট এলাকা এবং চট্টগ্রাম বিমানবন্দরের কন্ট্রোল এলাকায় মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিবিজড়িত দুটি বিশেষ স্মৃতিস্তম্ভ স্থাপন করার কথা জানান মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী।

এ সময় তিনি জেলা প্রশাসকদের কাছে কোন এলাকায় এ রকম স্মৃতিস্তম্ভ স্থাপন করা যায় এবং সেখান নিষ্কণ্টক জমি পাওয়া গেলে মন্ত্রণালয়কে স্থানীয় পর্যায়ে থেকে প্রস্তাব করার অনুরোধ জানান।

আরও পড়ুন:
আবু রেজা ইয়াহিয়া এসআইবিএলের নতুন এএমডি
নোয়াখালীর সুবর্ণচরে সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক
চট্টগ্রামের চট্টেশ্বরীতে সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক
সয়াবিন ও মরিচ চাষীদের ৪% সুদে ঋণ দিল এসআইবিএল
১০০তম উপশাখা খুলল এসআইবিএল

শেয়ার করুন

নতুন বছরে নতুন রূপে দারাজ

নতুন বছরে নতুন রূপে দারাজ

দারাজের নতুন লোগো।

মিকেলসেন বলেন, ‘এই লক্ষ্য অর্জনের জন্য আমাদের গ্রাহকদের অভিজ্ঞতা উন্নত করতে হবে, গ্রাহকদের কেনাকাটার যাত্রার প্রতিটি ধাপে মানসম্পন্ন পণ্য ও সেবা নিশ্চিত করতে হবে এবং গ্রাহকদের বিনোদন প্রদান ও যুক্ত করার নতুন উপায় তৈরি করতে হবে। এসব গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে আমাদের সেবা উন্নত ও বিকশিত করার ক্ষেত্রে  ব্র্যান্ড রিফ্রেশ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।’

নিজেদের নতুন লোগো ও ব্র্যান্ড লুক উন্মোচন করেছে দক্ষিণ এশিয়ার শীর্ষস্থানীয় ই-কমার্স প্ল্যাটফর্ম দারাজ। আগের বছরের সাফল্যের ধারা অব্যাহত রাখতেই নতুন রূপে আসা বলে জানিয়েছে ই-কমার্স প্ল্যাটফর্মটি।

দারাজ গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা ও সিইও বিয়ার্কে মিকেলসেন দারাজের নতুন সূচনা প্রতিষ্ঠানটিকে সামনের দিকে এগিয়ে নিতে অনন্য ভূমিকা রাখবে বলে জানান।

তিনি বলেন, ৭ বছরে দারাজের ব্যাবসায়িক পরিধি অনেক বেড়েছে। এখন সময় দারাজের নতুন এক অধ্যায়ে পদাপর্ণ করার। নতুন এ অধ্যায়ে দারাজের মূল লক্ষ্য থাকবে ক্রেতার জন্য উন্নত এবং আনন্দদায়ক অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করা।

ব্র্যান্ডের নতুন লুক এখনও দারাজের মূল ভ্যালুগুলোই ধারণ করে, একই সঙ্গে নতুন দারাজে যুক্ত হচ্ছে পারসোনালাইজড এক্সপেরিয়েন্স যাতে করে প্ল্যাটফর্মে ক্রেতা ও বিক্রেতা আরও দৃঢ়ভাবে সংযুক্ত হতে পারেন বলে জানান তিনি।

মিকেলসেন বলেন, ‘এই লক্ষ্য অর্জনের জন্য আমাদের গ্রাহকদের অভিজ্ঞতা উন্নত করতে হবে, গ্রাহকদের কেনাকাটার যাত্রার প্রতিটি ধাপে মানসম্পন্ন পণ্য ও সেবা নিশ্চিত করতে হবে এবং গ্রাহকদের বিনোদন প্রদান ও যুক্ত করার নতুন উপায় তৈরি করতে হবে। এসব গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে আমাদের সেবা উন্নত ও বিকশিত করার ক্ষেত্রে ব্র্যান্ড রিফ্রেশ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।’

কীভাবে ই-কমার্স প্ল্যাটফর্ম এসএমই বিক্রেতাদের ক্রেতাদের সঙ্গে যুক্ত করছে, তা তুলে ধরতে প্রতীক হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে আইকনটি। আইকনের কেন্দ্রে একটি তীর রয়েছে, যা প্রবৃদ্ধি এবং দ্রুত ডেলিভারিতে দারাজের পারদর্শিতাকে তুলে ধরে বলে জানায় দারাজ।

এটি দেখতে একটি ‘প্লে বাটন’ এর মতো, যা ব্যবহারকারীদের জন্য আরও অসাধারণ কনটেন্ট অভিজ্ঞতা তৈরিতে দারাজের ক্রমাগত উদ্ভাবনকেও ইঙ্গিত করে।

দারাজ বাংলাদেশ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ মোস্তাহিদল হক বলেন, ‘দারাজ সব সময়ই দেশের ইন্ডাস্ট্রি ও তার গ্রাহকদের প্রতি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ, তাই তাদের কেনাকাটার অভিজ্ঞতায় নতুন মাত্রা যোগ করতে এবং ই-কমার্স সেক্টরকে সম্পূর্ণ নতুন উচ্চতায় নিয়ে যেতে দারাজ বাংলাদেশ একটি সম্পূর্ণ রূপান্তর করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আশা করছি, এই পরিবর্তন দারাজের গ্রাহকদের একটি আনন্দদায়ক অভিজ্ঞতা দেবে, যা আগে কখনো তারা দেখেননি।’

দারাজ বাংলাদেশ লিমিটেডের চিফ মার্কেটিং অফিসার মো. তাজদীন হাসান বলেন, "নতুন লোগো উন্মোচনের পেছনে রয়েছে এক বছরের কঠোর পরিশ্রম ও একাগ্রতা। দারাজের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ব্র্যান্ড এলিমেন্টটিকে আরও সমসাময়িক, আধুনিক ও অর্থপূর্ণ করে গড়ে তুলতে দায়িত্বপ্রাপ্ত ক্রিয়েটিভ এজেন্সি, ডিজাইন স্টুডিও নিবিড় গবেষণা চালায়, মাসের পর মাস চলে নানাবিধ মিটিং, আলোচনা ও গবেষণা। অবশেষে দারাজের অঙ্গীকার ‘শপিং ওডিসি’কে প্রাধান্য দিয়ে ‘আ বক্স অফ ইনফিনিট পসিবিলিটিসকে’ কেন্দ্র করে নির্মাণ করা হয় আজকের প্রকাশিত লোগো।’’

গ্রাহকের স্বাচ্ছন্দ্য নিশ্চিত করতে ও দারাজের অভ্যন্তরীণ ব্র্যান্ড যেমন দারাজ মল, দারাজ মার্ট ইত্যাদির মাঝে সাধারণ অবিচ্ছন্দতা সৃষ্টি করতে এই নতুন যাত্রা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

পাশাপাশি, দারাজ একটি নতুন ওয়েবসাইটও চালু করেছে, যা নতুন ব্র্যান্ডটিকে তুলে ধরবে এবং দারাজের পরিচয় ও এর কার্যক্রম সম্পর্কে মানুষকে আরও ভালোভাবে বুঝতে সহায়তা করবে।

আরও পড়ুন:
আবু রেজা ইয়াহিয়া এসআইবিএলের নতুন এএমডি
নোয়াখালীর সুবর্ণচরে সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক
চট্টগ্রামের চট্টেশ্বরীতে সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক
সয়াবিন ও মরিচ চাষীদের ৪% সুদে ঋণ দিল এসআইবিএল
১০০তম উপশাখা খুলল এসআইবিএল

শেয়ার করুন

অবশেষে সাকিবকে যুক্ত করে লাইসেন্স পাচ্ছে পিপলস ব্যাংক

অবশেষে সাকিবকে যুক্ত করে লাইসেন্স পাচ্ছে পিপলস ব্যাংক

গত ২১ ডিসেম্বর পিপলস ব্যাংকের বিষয়ে আলোচনার জন্য গভর্নর ফজলে কবিরের সঙ্গে দেখা করেন সাবিক আল হাসান। ছবি: সংগৃহীত

বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের সভায় পিপলস ব্যাংকের এলওআইর মেয়াদ আরও বাড়ানোর আবেদন উত্থাপনের কথা রয়েছে। গভর্নর ফজলে কবিরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠেয় বৈঠকে অনুমতি পেলে সাকিবের বদৌলতেই দেশে আরও একটি ব্যাংকের যাত্রা শুরু হবে।

বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে সম্মতিপত্র দেয়ার তিন বছরেও চূড়ান্ত লাইসেন্স পাওয়ার যোগ্যতা অর্জন করতে পারেনি প্রস্তাবিত পিপলস ব্যাংক।

কয়েক দফা সম্মতিপত্রের (লেটার অব ইনটেন্ট বা এলওআই) মেয়াদ বাড়ানোর পর সবশেষ গত বছরের ডিসেম্বরে তা শেষ হয়।

এখন নতুন করে ক্রিকেটার সাকিব আল হাসান ও তার মা শিরিন আক্তারকে যুক্ত করার মাধ্যমে এলওআইর মেয়াদ আরও বাড়ানোর আবেদন করেছে ব্যাংকটি।

আগামী বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের সভায় পিপলস ব্যাংকের এলওআইর মেয়াদ আরও বাড়ানোর আবেদন উত্থাপনের কথা রয়েছে। গভর্নর ফজলে কবিরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠেয় বৈঠকে অনুমতি পেলে সাকিবের বদৌলতেই দেশে আরও একটি ব্যাংকের যাত্রা শুরু হবে।

আর অনুমতি না মিললে প্রস্তাবিত ব্যাংকটির এলওআই বাতিল বলে গণ্য হবে।

জানা যায়, টাকার অভাবে কার্যক্রম শুরু করতে পারছিল না পিপলস ব্যাংক। জোগাড় হচ্ছিল না পেইড আপ ক্যাপিটালের (পরিশোধিত মূলধন) ৫০০ কোটি টাকা। তাই বাংলাদেশ ব্যাংকের চূড়ান্ত লাইওেসন্সও পাচ্ছে না ব্যাংকটি। শেষ পর্যন্ত কেন্দ্রীয় ব্যাংকের চূড়ান্ত লাইসেন্স পাওয়ার অপেক্ষায় থাকা পিপলস ব্যাংকের দুটি পরিচালক পদের মালিকানায় আসছেন বাংলাদেশের ক্রিকেটের পোস্টার বয়। ব্যাংকটির মালিকানায় আসছেন সাকিব আল হাসান এবং তার মা শিরিন আক্তার।

ফলে এবার কেন্দ্রীয় ব্যাংক পিপলস ব্যাংকের চূড়ান্ত অনুমোদন দিতে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তারা।

এলওআই’র মেয়াদ বৃদ্ধির জন্য প্রস্তাবিত পিপলস ব্যাংকের মূল উদ্যোক্তা এম এ কাশেম সম্প্রতি বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে আবেদন করেছেন। এর আগে গত ২১ ডিসেম্বর তিনি ক্রিকেটার সাবিক আল হাসানকে নিয়ে গভর্নর ফজলে কবিরের সঙ্গে দেখা করেন। সেখানে সাকিব আল হাসান ও তার মা শিরিন আক্তারকে ব্যাংকটির শেয়ারহোল্ডার হিসেবে যুক্ত করার বিষয়টি আলোচনায় আসে। ব্যাংকটিতে সাকিব মোট ২৫ কোটি টাকার মূলধন সরবরাহ করবেন বলে জানা গেছে।

পিপলস ব্যাংকের প্রস্তাবিত চেয়ারম্যান ও প্রধান উদ্যোক্তা এম এ কাশেম নিউজবাংলাকে বলেন, ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আমাকে একটি ব্যাংক পরিচালনার সুযোগ দিয়েছেন। তাই দেরি হলেও আমরা দেশবাসীর কাছে একটি ভালো ব্যাংক উপহার দিতে চাই। কোনো ধরনের অনিয়ম বা দুর্নীতির কোনো ইচ্ছা আমাদের নেই। পিপলস ব্যাংকের মালিকানায় সাকিব আল হাসান ও তার মা যুক্ত হচ্ছেন। এরই মধ্যে আমরা তাদের ফাইল বাংলাদেশ ব্যাংকে জমা দিয়েছি। সাকিবের মতো একজন তারকাকে উদ্যোক্তা হিসেবে পাওয়া আমাদের জন্য গৌরবের।’

তিনি বলেন, ‘পিপলস ব্যাংকের লাইসেন্সের জন্য প্রয়োজনীয় মূলধন আমরা সংগ্রহ করতে পেরেছি। আমাদের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন। বাংলাদেশ ব্যাংকের চূড়ান্ত অনুমোদন পেলেই শিগগিরই পিপলস ব্যাংকের কার্যক্রম শুরু হবে।’

এ বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র সিরাজুল ইসলাম নিউজবাংলাকে বলেন, ‘প্রস্তাবিত পিপলস ব্যাংকের এলওআই’র মেয়াদ বাড়ানোর আবেদন করা হয়েছে। এ বিষয়ে এখনো সিদ্ধান্ত হয়নি। বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের বৈঠকে সিদ্ধান্ত হবে পরবর্তী করণীয় নিয়ে। তাছাড়া সাকিব ও তার মায়ের পরিচালক হওয়ার বিষয়টিও একই সঙ্গে বিবেচনাধীন রয়েছে।’

২০১৯ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের বৈঠক থেকে নতুন করে তিনটি ব্যাংককে এলওআই দেয়ার অনুমতি দেয়া হয়। তিন ব্যাংকের মধ্যে বেঙ্গল গ্রুপের মালিকানার বেঙ্গল কমার্শিয়াল ব্যাংক বেশ আগেই চূড়ান্ত লাইসেন্স নিয়ে কার্যক্রম শুরু করেছে। আর আইনমন্ত্রী আনিসুল হকের দ্য সিটিজেন ব্যাংক চূড়ান্ত লাইসেন্স পেয়েছে।

তবে শর্ত পূরণ করতে না পারা ও বিভিন্ন বিতর্কের কারণে পিপলস ব্যাংক এখনও লাইসেন্স পায়নি।

দেশে বর্তমানে বাণিজ্যিক ব্যাংক রয়েছে ৬১টি। এর মধ্যে সরকারি ও বিদেশি মালিকানায় ৯টি করে ১৮ ব্যাংক রয়েছে। বাকি ৪৩টি বেসরকারি মালিকানায়।

আরও পড়ুন:
আবু রেজা ইয়াহিয়া এসআইবিএলের নতুন এএমডি
নোয়াখালীর সুবর্ণচরে সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক
চট্টগ্রামের চট্টেশ্বরীতে সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক
সয়াবিন ও মরিচ চাষীদের ৪% সুদে ঋণ দিল এসআইবিএল
১০০তম উপশাখা খুলল এসআইবিএল

শেয়ার করুন