দুর্নীতি বন্ধ করতে পারিনি, ভয় দেখাতে পেরেছি: দুদক কমিশনার

player
দুর্নীতি বন্ধ করতে পারিনি, ভয় দেখাতে পেরেছি: দুদক কমিশনার

দেশের আরও ১৩টি জেলায় কার্যালয় স্থাপন করা হচ্ছে বলে জানান দুদক কমিশনার জহুরুল হক। ফাইল ছবি/নিউজবাংলা

দুদক কমিশনার জহুরুল হক বলেন, ‘আমরা দেশ থেকে দুর্নীতি পুরোপুরি বন্ধ করতে পারিনি। তবে দুর্নীতিবাজদের ভয় দেখাতে পেরেছি।’

দেশ থেকে দুর্নীতি বন্ধ করতে না পারলেও দুর্নীতিবাজদের ভয় দেখাতে পেরেছেন বলে মন্তব্য করেছেন দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) কমিশনার জহুরুল হক।

রাজধানীর সেগুন বাগিচায় দুদক কার্যালয়ে মঙ্গলবার এক প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এ মন্তব্য করেন।

দুদক কমিশনার (তদন্ত) জহুরুল হক বলেন, ‘আমরা দেশ থেকে দুর্নীতি পুরোপুরি বন্ধ করতে পারিনি। তবে দুর্নীতিবাজদের ভয় দেখাতে পেরেছি। আমরা চেষ্টা করছি, যাতে দেশে দুর্নীতির বিস্তার না ঘটে।’

তিনি জানান, দুর্নীতি সংক্রান্ত পুরনো মামলা আগামী দুই-এক বছরের মধ্যে নিষ্পত্তি করার উদ্যোগও নিয়েছে দুদক।

কমিশনের সক্ষমতা বাড়াতে ১ জুলাই থেকে দেশের আরও ১৩টি জেলায় কার্যালয় স্থাপন করা হচ্ছে বলে জানান তিনি।

এর আগে রোববার কক্সবাজারে দুদক সমন্বিত জেলা কার্যালয় উদ্বোধন করেন তিনি। তৃনমূলে দুর্নীতি প্রতিরোধে কক্সবাজার ও বান্দরবান জেলাকে নিয়ে সমন্বিত কার্যালয় হিসেবে কাজ করবে এটি।

সমন্বিত কার্যালয়ের বিষয়ে জহুরুল হক বলেন, ‘এর মধ্য দিয়ে জনগণ আরও সহজে দুর্নীতির অভিযোগ দিতে পারবে। এতে দুর্নীতিবাজদের মনে ভীতির সঞ্চার হবে।’

দুদক কোনো দুর্নীতিবাজদের ছাড় দেয় না জানিয়ে তিনি বলেন, ‘ভবিষ্যতেও দেবে না। সরকার বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজের জন্য অর্থ বরাদ্দ দেয়। এই অর্থ যেন যথাযথভাবে ব্যবহার হয় সেদিকে নজর রাখবে দুদক। এক্ষেত্রে দুদকের কোনো গাফিলতি যেন না থাকে সেদিকে লক্ষ্য রাখা হবে।’

দুর্নীতির বিষয়ে দুদককে তথ্য দিতে গণমাধ্যমের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

প্রেস ব্রিফিংয়ে জানানো হয়, দুদকের বর্তমান ২২টির সঙ্গে নতুনগুলো যুক্ত হলে মোট ৩৬ জেলায় সমন্বিত জেলা কার্যালয় হবে। এতে দুর্নীতি প্রতিরোধ কার্যক্রম আরও জোরদার হবে।

আরও পড়ুন:
আ.লীগ নেতা মোহনের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা
চট্টগ্রাম বন্দরের সাবেক কর্মকর্তা ও স্ত্রীর বিরুদ্ধে মামলা
আইডিয়ালের অধ্যক্ষের সম্পদের খোঁজে ৬৮ প্রতিষ্ঠানে দুদকের চিঠি
নিজেকে নির্দোষ দাবি ডিআইজি মিজান ও দুদকের বাছিরের
কক্সবাজারে দুদকের যাত্রা

শেয়ার করুন

মন্তব্য

বাসে অজ্ঞান করে ব্যবসায়ীর টাকা নিয়ে চম্পট

বাসে অজ্ঞান করে ব্যবসায়ীর টাকা নিয়ে চম্পট

ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে আসার পর ভুক্তভোগী সজলের পাকস্থলি পরিষ্কার করা হয়। ফাইল ছবি

অসুস্থ সজলের ভায়রা জনী ঘোষ বলেন, ‘আমার ভায়রার কাছে থাকা দুই লাখ ৫ হাজার টাকার মধ্যে এক পকেটে থাকা দুই লাখ টাকা নিয়ে যায় তারা। অপর পকেটে থাকা ৫ হাজার টাকা ও মোবাইল ফোন নিতে পারেনি। পরে এক পথচারী ফোন দিলে আমি সেখানে যাই।’

ব্রাহ্মণবাড়িয়া থেকে ঢাকা কাপড় কিনতে আসা এক ব্যবসায়ীকে বাসে অজ্ঞান করে টাকা নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

রোববার সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টার দিকে সজল ঘোষ নামে সেই ব্যবসায়ীকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসা হয়। পরে তাকে স্যার সলিমুল্লাহ মেডিক্যাল কলেজ (মিটফোর্ড) হাসপাতালে পাঠানো হয়।

অসুস্থ সজলের ভায়রা জনী ঘোষ বলেন, ‘আমার ভায়রার ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় কাপড়ের ব্যবসা রয়েছে। দোকানের কাপড় কেনার জন্য ঢাকায় আসার পথে বাসে কে বা কারা তাকে অচেতন করে।

‘তার কাছে থাকা দুই লাখ ৫ হাজার টাকার মধ্যে এক পকেটে থাকা দুই লাখ টাকা নিয়ে যায় তারা। অপর পকেটে থাকা ৫ হাজার টাকা ও মোবাইল ফোন নিতে পারেনি। পরে এক পথচারী ফোন দিলে আমি সেখানে যাই।’

জনি জানান, ঢাকা মেডিক্যালে নিয়ে আসার পর সজলের পাকস্থলি পরিষ্কার করে মিটফোর্ডে পাঠানো হয়।

তিনি বলেন, ‘আমার ভায়রা এখন ভালো রয়েছে। তিনি এখন কথা বলতে পারেন। তার কাছেই জানতে পারলাম কত টাকা খোয়া গেছে।’

ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ পরিদর্শক বাচ্চু মিয়া বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

আরও পড়ুন:
আ.লীগ নেতা মোহনের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা
চট্টগ্রাম বন্দরের সাবেক কর্মকর্তা ও স্ত্রীর বিরুদ্ধে মামলা
আইডিয়ালের অধ্যক্ষের সম্পদের খোঁজে ৬৮ প্রতিষ্ঠানে দুদকের চিঠি
নিজেকে নির্দোষ দাবি ডিআইজি মিজান ও দুদকের বাছিরের
কক্সবাজারে দুদকের যাত্রা

শেয়ার করুন

সেনা-পুলিশ পরিচয়ে প্রতারণা করত তারা

সেনা-পুলিশ পরিচয়ে প্রতারণা করত তারা

গ্রেপ্তার হলেন চক্রের হোতা ফুয়াদ আমিন ইশতিয়াক ওরফে সানি, অন্যতম সহযোগী সাইমা শিকদার নিরা ওরফে আরজে নিরা ও আব্দুল্লাহ আফিফ সাদমান ওরফে রিশু। ছবি: নিউজবাংলা

র‍্যাবের মুখপাত্র কমান্ডার খন্দকার আল মঈন বলেন, ‘একজন ট্রান্সজেন্ডার নারী বিউটি ব্লগারকে যৌন নির্যাতন ও হত্যাচেষ্টার ঘটনার রাজধানীর ভাটারা থানায় মামলা করেন ওই নারী। গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে র‍্যাব সদর দপ্তরের গোয়েন্দা শাখা, র‍্যাব-১ ও র‍্যাব-২ এর যৌথ অভিযানে গত রাত থেকে শুরু করে আজ দুপুর পর্যন্ত অভিযান চালিয়ে তাদেরকে গ্রেপ্তার করা হয়।’ এরা একটি সংঘবদ্ধ অপরাধী চক্র নিয়ন্ত্রণ করতেন।

সেনা ও পুলিশ কর্মকর্তা পরিচয় দিয়ে বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার নারী-পুরুষদের আপত্তিকর ছবি ও ভিডিও ধারণ করে হেনস্থা ও ব্ল্যাকমেইল করতো চক্রটি। এছাড়া অনলাইনেও ভিকটিমদের ফাঁদে ফেলতেন তারা।

সম্প্রতি ট্রান্সজেন্ডার নারী বিউটি ব্লগারকে যৌন নির্যাতন ও হত্যাচেষ্টার ঘটনা তদন্ত করতে নেমে এই প্রতারণা চক্রের হোতাসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব)।

শনিবার রাত থেকে রোববার দুপুর ১টা পর্যন্ত রাজধানীর ফার্মগেট ও মহাখালী এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে তাদেরকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তার হলেন- হোতা ফুয়াদ আমিন ইশতিয়াক ওরফে সানি, অন্যতম সহযোগী সাইমা শিকদার নিরা ওরফে আরজে নিরা ও আব্দুল্লাহ আফিফ সাদমান ওরফে রিশু।

অভিযানে ভিকটিমের ছিনিয়ে নেয়া মোবাইল উদ্ধারসহ জব্দ করা হয় প্রতারণার কজে ব্যবহৃত অবৈধ ওয়াকিটকি সেট, খেলনা পিস্তল, মোবাইল ও একাধিক ব্যাংকের কার্ড।

রোববার বিকেলে কারওয়ান বাজার র‍্যাব মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন র‍্যাবের মুখপাত্র কমান্ডার খন্দকার আল মঈন।

তিনি বলেন, ‘একজন ট্রান্সজেন্ডার নারী বিউটি ব্লগারকে যৌন নির্যাতন ও হত্যাচেষ্টার ঘটনার রাজধানীর ভাটারা থানায় মামলা করেন ওই নারী। গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে র‌্যাব সদর দপ্তরের গোয়েন্দা শাখা, র‌্যাব-১ ও র‌্যাব-২ এর যৌথ অভিযানে গত রাত থেকে শুরু করে আজ দুপুর পর্যন্ত অভিযান চালিয়ে তাদেরকে গ্রেপ্তার করা হয়।’

এরা একটি সংঘবদ্ধ অপরাধী চক্র নিয়ন্ত্রণ করতেন। গ্রেপ্তার ইশতিয়াক এই চক্রের হোতা, গ্রেপ্তার আরজে নিরা ও গ্রেপ্তার সাদমান আফিফ ওরফে রিশু তার অন্যতম সহযোগি।

তিনি আরও বলেন, গ্রেপ্তারকৃতরা গত দুই বছর ধরে বিভিন্ন কৌশলে জিম্মি, ব্ল্যাকমেইল ও প্রতারণা করে বিভিন্ন শ্রেণী পেশার নারী-পুরুষদের অর্থ হাতিয়ে নিত। তারা সাধারণত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার করে বিভিন্নজনের সঙ্গে সখ্যতা গড়ে তোলেন। এরপর কৌশলে বিভিন্ন সময়ের আপত্তিকর ছবি ও ভিডিও ধারণ করে ভিকটিমদের হেনস্থা ও ব্ল্যাকমেইল করত। তাদের ভাড়া বাসা ব্যবহার করে জোরপূর্বক আপত্তিকর ভিডিও ধারণ করে ব্ল্যাকমেইল করতো। এছাড়া অনলাইনেও ভিকটিমদের ফাঁদে ফেলত তারা। গ্রেপ্তারকৃতরা নিজেদেরকে সেনা কর্মকর্তা ও পুলিশ কর্মকর্তা হিসেবে পরিচয় দিত।

কমান্ডার খন্দকার আল মঈন বলেন, কিছুদিন আগে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভিকটিম ট্রান্সজেন্ডার নারীর সঙ্গে গ্রেপ্তার সাদমান আফিফ রিশুর পরিচয় হয়। পরিচয়ের সূত্রে গত ১০ জানুয়ারি রাজধানীর বসুন্ধরার একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছে একটি রেস্টুরেন্টের সামনে রিশুর সঙ্গে ভিকটিমের সাক্ষাত হয়। এরপর সারপ্রাইজ দেয়ার কথা বলে কৌশলে ভিকটিমকে বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় ইশতিয়াকের ভাড়া বাসায় নিয়ে যায়। বাসায় নেয়ার পরে ইশতিয়াক, নিরা ও রিশু জোর করে ভিকটিমকে মারধর, শ্লীলতাহানী ও যৌন নিপীড়ন করার পাশাপাশি ভিডিও ধারণ করে। এসময় তারা ট্রান্সজেন্ডার ওই নারীর সঙ্গে থাকা মোবাইল ফোন, স্বর্ণালঙ্কার ও টাকা ছিনিয়ে নেয় এবং এক লাখ টাকা দাবি করে।

র‍্যাব জানায়, ওই নারীকে ব্লাকমেইলের এক পর্যায়ে তারা আইন-শৃঙ্খলা ও সামরিক বাহিনীর পরিচয় দিয়ে ভয়-ভীতি দেখায়। ওই ট্রান্সজেন্ডার নারীকে থানায় নিয়ে যাওয়ার কথা বলে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় ঘুরিয়ে রামপুরায় নামিয়ে দেন।

এক প্রশ্নের জবাবে র‍্যাবের এই কর্মকর্তা বলেন, গ্রেপ্তার ইশতিয়াক এর আগের দুটি মামলা রয়েছে। ইতোপূর্বে বিভিন্ন মামলায় সে কারাভোগ করেছে। তারা এর আগেও এমন প্রতারণা করেছেন। তাদের বিরুদ্ধে মামলাও রয়েছে।

আরও পড়ুন:
আ.লীগ নেতা মোহনের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা
চট্টগ্রাম বন্দরের সাবেক কর্মকর্তা ও স্ত্রীর বিরুদ্ধে মামলা
আইডিয়ালের অধ্যক্ষের সম্পদের খোঁজে ৬৮ প্রতিষ্ঠানে দুদকের চিঠি
নিজেকে নির্দোষ দাবি ডিআইজি মিজান ও দুদকের বাছিরের
কক্সবাজারে দুদকের যাত্রা

শেয়ার করুন

সিটি করপোরেশনের ময়লার গাড়ির ধাক্কায় আবার মৃত্যু

সিটি করপোরেশনের ময়লার গাড়ির ধাক্কায় আবার মৃত্যু

প্রতীকী ছবি

প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাতে পুলিশ জানায়, শিখা রানী মহাখালী ফ্লাইওভারের ওপরে রাস্তা ঝাড়ু দিচ্ছিলেন। এ সময় একটা ময়লার গাড়ি বেপরোয়া গতিতে এসে তাকে চাপা দেয়। তার মাথা ফেটে যায়। সোহরাওয়ার্দী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

রাজধানীর মহাখালীতে সিটি করপোরেশনের ময়লার গাড়ির ধাক্কায় ফের মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। এবার প্রাণ গেছে শিখা রানী নামে এক পরিচ্ছন্নতাকর্মীর।

মহাখালীর ফ্লাইওভারের মুখে শনিবার দিবাগত রাত ২টার দিকে ঝাড়ু দেয়ার সময় একটি ময়লার গাড়িতে চাপা পড়েন শিখা রানী। তিনি ডিএনসিসির পরিচ্ছন্নতাকর্মী বলে জানা গেলেও ময়লার গাড়িটি কোন সিটি করপোরেশনের ছিল তা জানা যায়নি।

প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাতে পুলিশ জানায়, শিখা রানী মহাখালী ফ্লাইওভারের ওপরে রাস্তা ঝাড়ু দিচ্ছিলেন। এ সময় একটা ময়লার গাড়ি বেপরোয়া গতিতে এসে তাকে চাপা দেয়। তার মাথা ফেটে যায়। সোহরাওয়ার্দী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে তেজগাঁও থানার পরিদর্শক (তদন্ত) শাহ আলম নিউজবাংলাকে বলেন, এ ঘটনায় অজ্ঞাত চালককে আসামি করে মামলা হয়েছে। চালককে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। ময়নাতদন্তের জন্য শিখা রানীর মরদেহ শহীদ সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।

গত কয়েক মাসে রাজধানীর দুই সিটি করপোরেশনের ময়লার গাড়ির চাপায় কয়েকজনের প্রাণ গেছে।

গত ২৩ ডিসেম্বর ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) ময়লার গাড়ির ধাক্কায় স্বপন কুমার সরকার নামের এক বৃদ্ধের মৃত্যু হয়। ৬২ বছর বয়সী স্বপন কুমার থাকতেন গেণ্ডারিয়ায়। তার গ্রামের বাড়ি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে।

এর আগে ২৪ নভেম্বর রাজধানীর গুলিস্তান এলাকায় ডিএসসিসির এক ময়লার গাড়ির ধাক্কায় নাঈম হাসান নামের নটর ডেমের এক শিক্ষার্থী নিহত হন।

পরের দিনই ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের এক ময়লার গাড়ির ধাক্কায় বসুন্ধরা সিটি কমপ্লেক্সের উল্টো পাশে প্রাণ যায় আহসান কবির খানের। তিনি একটি জাতীয় দৈনিকের সাবেক কর্মী ছিলেন।

২ ডিসেম্বর উত্তর সিটি করপোরেশনেরই এক ময়লার গাড়ি যাত্রীবাহী একটি বাসকে ধাক্কা দিলে আরজু বেগম নামের ৬৫ বছর বয়সী এক বৃদ্ধা আহত হন।

আরও পড়ুন:
আ.লীগ নেতা মোহনের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা
চট্টগ্রাম বন্দরের সাবেক কর্মকর্তা ও স্ত্রীর বিরুদ্ধে মামলা
আইডিয়ালের অধ্যক্ষের সম্পদের খোঁজে ৬৮ প্রতিষ্ঠানে দুদকের চিঠি
নিজেকে নির্দোষ দাবি ডিআইজি মিজান ও দুদকের বাছিরের
কক্সবাজারে দুদকের যাত্রা

শেয়ার করুন

সেন্টমার্টিন বাসের চালক রিমান্ডে, সহকারী কারাগারে

সেন্টমার্টিন বাসের চালক রিমান্ডে, সহকারী কারাগারে

শনিবার দেলোয়ার হোসেনকে এবং কোরবান আলীকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। ছবি: নিউজবাংলা

শনিবার মানিকগঞ্জ সদর থানার চিকারঘোনা থেকে দেলোয়ার হোসেনকে এবং যাত্রাবাড়ী থানার মীরহাজিরবাগ থেকে কোরবান আলীকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

রাজধানীর মাতুয়াইলে সেন্টমার্টিন পরিবহনের বাসের ধাক্কায় সিএনজিচালিত অটোরিকশার তিন যাত্রী নিহতের মামলায় বাসের চালক দেলোয়ার হোসেন দিনারকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে এক দিনের হেফাজতে নিয়েছে পুলিশ।

ঢাকার মহানগর হাকিম তরিকুল ইসলাম রোববার শুনানি শেষে এ আদেশ দেন। আদালত একই সঙ্গে বাসটির চালকের সহকারী কোরবান আলীর রিমান্ড আবেদন নাকচ করে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছে।

এদিন যাত্রাবাড়ী থানায় করা মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পুলিশের উপপরিদর্শক বিশ্বজিৎ সরকার দুই আসামিকে আদালতে হাজির করে প্রত্যেককে তদন্তের স্বার্থে পাঁচ দিন করে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের আবেদন করেন।

দেলোয়ারের পক্ষে আইনজীবী মারুফ বিল্লাহ রহিম এবং কোরবান আলীর পক্ষে মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন মুন্সী রিমান্ড বাতিল চেয়ে জামিন আবেদন করেন। রাষ্ট্রপক্ষ থেকে এর বিরোধিতা করা হয়।

উভয়পক্ষের শুনানি শেষে আদালত দেলোয়ারের এক দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করে। আর কোরবান আলীর রিমান্ড ও জামিন আবেদন নাকচ করে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেয়।

যাত্রাবাড়ী থানার আদালতের সাধারণ নিবন্ধন শাখার কর্মকর্তা পুলিশের পরিদর্শক শাহ আলম এসব তথ্য নিউজবাংলাকে নিশ্চিত করেন।

এর আগে শনিবার মানিকগঞ্জ সদর থানার চিকারঘোনা থেকে দেলোয়ার হোসেনকে এবং যাত্রাবাড়ী থানার মীরহাজিরবাগ থেকে কোরবান আলীকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

মামলা সূত্রে জানা যায়, ২১ জানুয়ারি সকাল সোয়া ৭টার দিকে ওই দুর্ঘটনা ঘটে। এতে গুরুতর আহত হন আব্দুর রহমান বেপারী, তার মেয়ে ৩৮ বছর বয়সী শারমিন আক্তার এবং জামাতা ৪০ বছর বয়সী রিয়াজুল ইসলাম।

আহতদের উদ্ধার করে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের (ঢামেক) জরুরি বিভাগে নেয় পুলিশ। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন। শারমিনের মেয়ে বৃষ্টি এবং সিএনজিচালক রফিকুল ইসলাম গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

এ ঘটনায় আব্দুর রহমান বেপারীর ছেলে নজরুল ইসলাম ওই দিনই যাত্রাবাড়ী থানায় মামলা করেন।

আরও পড়ুন:
আ.লীগ নেতা মোহনের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা
চট্টগ্রাম বন্দরের সাবেক কর্মকর্তা ও স্ত্রীর বিরুদ্ধে মামলা
আইডিয়ালের অধ্যক্ষের সম্পদের খোঁজে ৬৮ প্রতিষ্ঠানে দুদকের চিঠি
নিজেকে নির্দোষ দাবি ডিআইজি মিজান ও দুদকের বাছিরের
কক্সবাজারে দুদকের যাত্রা

শেয়ার করুন

বারিধারায় ভবনে অগ্নিকাণ্ড

বারিধারায় ভবনে অগ্নিকাণ্ড

বারিধারায় বহুতল ভবনে রোববার বিকেলে আগুন লেগেছে। ছবি: নিউজবাংলা

খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের ছয়টি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে এনেছে। তাৎক্ষণিকভাবে হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।

রাজধানীর বারিধারায় একটি বহুতল ভবনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে।

রোববার বিকেল ৪টা ২৪ মিনিটে বারিধারার জে ব্লকের পাঁচ নম্বর রোডের ওই ভবনে পাঁচ ও ছয়তলায় ভিট্রা ফার্নিচারের শোরুমে আগুন লাগে।

খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের ছয়টি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে সাড়ে ৫টার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। তাৎক্ষণিকভাবে হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।

ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের মিডিয়া সেলের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শাহজাহান শিকদার এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

নিউজবাংলাকে তিনি বলেন, ‘ওই ভবনে ফার্নিচারের শোরুমে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। ছয়টি ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণে এনেছে।’

কী কারণে অগ্নিকাণ্ড তা তাৎক্ষণিকভাবে জানাতে পারেননি তিনি।

আরও পড়ুন:
আ.লীগ নেতা মোহনের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা
চট্টগ্রাম বন্দরের সাবেক কর্মকর্তা ও স্ত্রীর বিরুদ্ধে মামলা
আইডিয়ালের অধ্যক্ষের সম্পদের খোঁজে ৬৮ প্রতিষ্ঠানে দুদকের চিঠি
নিজেকে নির্দোষ দাবি ডিআইজি মিজান ও দুদকের বাছিরের
কক্সবাজারে দুদকের যাত্রা

শেয়ার করুন

কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটির সিন্ডিকেট সভা

কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটির সিন্ডিকেট সভা

কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অফ বাংলাদেশের ১৭তম সিন্ডিকেট সভায় উপস্থিত ছিলেন কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটির প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ও বোর্ড অফ ট্রাস্টিজ ড. চৌধুরী নাফিজ সরাফাত। ছবি: নিউজবাংলা

কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অফ বাংলাদেশের ১৭তম সিন্ডিকেট সভায় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন নীতিমালা প্রণয়ন, মানবসম্পদ উন্নয়ন এবং অচিরেই প্রথম সমাবর্তনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অফ বাংলাদেশের ১৭তম সিন্ডিকেট সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রোববার বিকেল ৫টায় ইউনিভার্সিটির কনফারেন্স রুমে এ সভা হয়।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অফ বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ও বোর্ড অফ ট্রাস্টিজ ড. চৌধুরী নাফিজ সরাফাত।

সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান অনুষদের ডিন ও কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অফ বাংলাদেশের সিন্ডিকেট সদস্য অধ্যাপক ড. মো. জিয়াউর রহমান, কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অফ বাংলাদেশের নির্বাহী চেয়ারম্যান ও সিন্ডিকেট সদস্য শাহনুল হাসান খান, সিনিয়র অ্যাডভাইজার অধ্যাপক ড. এইচ এম জাহিরুল হক, বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার এবং উপাচার্য (ভারপ্রাপ্ত) অধ্যাপক এস এম সিরাজুল হক ও সিন্ডিকেট সদস্য স্কুল অফ সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের ডিন ও কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (সিএসই) বিভাগের বিভাগীয় প্রধান প্রফেসর সৈয়দ আক্তার হোসেন।

ব্যবসায় প্রশাসন (বিবিএ) বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক এস এম আরিফুজ্জামান এবং ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং (ইইই) বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ড. মো. শাহরুখ আদনান খানও সভায় উপস্থিত ছিলেন।

ওই সভায় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন নীতিমালা প্রণয়ন, মানবসম্পদ উন্নয়ন এবং অচিরেই প্রথম সমাবর্তনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

আরও পড়ুন:
আ.লীগ নেতা মোহনের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা
চট্টগ্রাম বন্দরের সাবেক কর্মকর্তা ও স্ত্রীর বিরুদ্ধে মামলা
আইডিয়ালের অধ্যক্ষের সম্পদের খোঁজে ৬৮ প্রতিষ্ঠানে দুদকের চিঠি
নিজেকে নির্দোষ দাবি ডিআইজি মিজান ও দুদকের বাছিরের
কক্সবাজারে দুদকের যাত্রা

শেয়ার করুন

পল্লবীর ওসির বিরুদ্ধে মামলার আবেদন খারিজ

পল্লবীর ওসির বিরুদ্ধে মামলার আবেদন খারিজ

রাজধানীর পল্লবী থানা। ছবি: সংগৃহীত

অভিযোগে বলা হয়, ওসি পারভেজ ইসলামের নেতৃত্বে আসামিরা বাদীর ঘরের মালামাল তছনছ এবং শাড়ি, টাকা, স্বর্ণালংকার লুট করে নিয়ে যায়। এতে বাদীর ১২ লাখ টাকার ক্ষতি হয়। বাদীকে না পেয়ে পুলিশ তার ভাই দুলারাকে গ্রেপ্তার করে এবং মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দেয়।

রাজধানীর পল্লবী থানার ওসির বিরুদ্ধে আসামির বাসা থেকে মালামাল লুটের অভিযোগ খারিজ করে দিয়েছেন আদালত।

ঢাকার অতিরিক্ত মুখ্য মহানগর হাকিম তোফাজ্জল হোসেন রোববার এ আদেশ দেন।

মামলার বাদী পারভেজ আহম্মদ বিষয়টি নিউজবাংলাকে নিশ্চিত করেন।

ব্যবসায়ী পারভেজ আহম্মদ গত বৃহস্পতিবার পল্লবী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) পারভেজ ইসলামসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে মামলার জন্য আদালতে আবেদন করেন। আদালত বাদীর জবানবন্দি রেকর্ড করে রোববার আদেশের জন্য রাখেন।

আবেদন খারিজের আদেশে বিচারক বলেন, ‘আসামিদের সঙ্গে বাদীর পূর্বশত্রুতার তথ্য নালিশি দরখাস্তে উল্লেখ নেই। আসামিরা সরকারি দায়িত্ব পালন করছিলেন বলেই দেখা যায়। তাদের বিরুদ্ধে মামলায় সরকারি অনুমোদন নেই।

‘মাদক উদ্ধার অভিযান পরিচালনা ও বাদীর ভাইয়ের বিরুদ্ধে মামলার কারণে পুলিশের বিরুদ্ধে অভিযোগের সৃষ্টি। সার্বিক বিবেচনায় এ মামলা অগ্রসর হওয়ার কোনো কারণ নেই। ফৌজদারি কার্যবিধির ২০৩ ধারা মতে মামলাটি খারিজ করা হলো।’

পারভেজ আহম্মদ আবেদনে অভিযোগ করেন, গত বছর ৩১ অক্টোবর সন্ধ্যায় পরিবারসহ তিনি বিয়ের দাওয়াতে যান। রাত সাড়ে ১০টার পর তার পল্লবীর বাসা ও দোকানের চারদিকে পুলিশ অবস্থান নেয়।

রাত একটায় বাসায় ফিরে তিনি দেখতে পান বাসার সব মালামাল এলোমেলো। ঘরের বিভিন্ন গোপন স্থানে থাকা কাপড়, টাকা ও স্বর্ণালংকার লুট হয়েছে। পুলিশ সদস্যরা বাসার সিসিক্যামেরা ভাঙচুর করেছেন। এতে তার ১২ লাখ টাকার ক্ষতি হয়।

পুলিশ তার ভাইকে ধরে নিয়ে যায় এবং মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে পল্লবী থানায় মামলা দেয় বলে পারভেজ অভিযোগে উল্লেখ করেন।

আরও পড়ুন:
আ.লীগ নেতা মোহনের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা
চট্টগ্রাম বন্দরের সাবেক কর্মকর্তা ও স্ত্রীর বিরুদ্ধে মামলা
আইডিয়ালের অধ্যক্ষের সম্পদের খোঁজে ৬৮ প্রতিষ্ঠানে দুদকের চিঠি
নিজেকে নির্দোষ দাবি ডিআইজি মিজান ও দুদকের বাছিরের
কক্সবাজারে দুদকের যাত্রা

শেয়ার করুন