× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
The Communist Party wants a law to reduce business in Parliament
google_news print-icon

সংসদে ব্যবসায়ী কমাতে আইনের দাবি

সংসদে-ব্যবসায়ী-কমাতে-আইনের-দাবি
বঙ্গভবনে সংলাপ শেষে বের হয়ে বাংলাদেশের সাম্যবাদী দলের সাধারণ সম্পাদক দীলিপ বড়ুয়া সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন। ছবি: নিউজবাংলা
স্বাধীনতার দুই বছর পর প্রথম নির্বাচনে ১৯৭৩ সালে সংসদে ব্যবসায়ী ছিলেন ১৫ শতাংশ। সেটি বাড়তে বাড়তে একাদশ সংসদ নির্বাচন শেষে দাঁড়িয়েছে ৬১ দশমিক ৭ শতাংশ।

জাতীয় সংসদ সদস্যদের মধ্যে ব্যবসায়ীদের প্রতিনিধিত্ব ক্রমেই বেড়ে চলার পরিপ্রেক্ষিতে এটি ঠেকাতে আইন চাইছে বামপন্থি বাংলাদেশের সাম্যবাদী দল। এ বিষয়ে রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদকে উদ্যোগী হওয়ার অনুরোধ করেছে তারা। রাষ্ট্রপতি বিষয়টি নিয়ে সরকারের সঙ্গে কথা বলবেন বলে জানিয়েছেন।

মঙ্গলবার নির্বাচন কমিশন গঠন নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে রাষ্ট্রপতির সংলাপে বঙ্গভবনে গিয়ে এমন দাবি জানিয়েছে দলটি। সংলাপ শেষে বের হয়ে দলের সাধারণ সম্পাদক দীলিপ বড়ুয়া সাংবাদিকদের এমন কথা বলেন।

বিকেল সাড়ে ৫টায় দলের ৭ সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল নিয়ে বঙ্গভবনে প্রবেশ করেন। যার নেতৃত্বে ছিলেন দীলিপ বড়ুয়া।

গত ২০ ডিসেম্বর থেকে নির্বাচন কমিশন গঠনে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে রাজনৈতিক দলগুলোর সংলাপ শুরু হয়। প্রথম দিন জাতীয় সংসদের প্রধান বিরোধী দল জাতীয় পার্টি সংলাপে অংশ নেয়।

সংলাপ শেষে বেরিয়ে দিলীপ বড়ুয়া সাংবাদিকদের বলেন, ‘মহামান্য রাষ্ট্রপতি বলেছেন, ব্যবসায়ীদের দ্বারা সংসদ নিয়ন্ত্রিত হচ্ছে। সে বক্তব্য তিনি সংসদেও অতীতে দিয়েছেন। তখন আমরা বলেছি যে এ ব্যাপারে একটি আইন করা উচিত। যাতে ব্যবসায়ীদের দ্বারা রাজনৈতিক ভারসাম্য নষ্ট না হয়।’

এ আইন কি রাষ্ট্রপতি করতে পারবেন এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘যেখানে এ বিষয়ে যেখানে আইন করতে বলার সেখানে বলবেন।’

রাষ্ট্রপতি আপনাদের দাবির প্রেক্ষিতে কি বলেছেন জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘উনি বলেছেন, উনার যা ক্ষমতা আছে, তার মধ্য দিয়ে সংশ্লিষ্ট সকল ক্ষমতার সঙ্গে উনি আলাপ করবেন।’

স্বাধীনতার দুই বছর পর প্রথম নির্বাচনে ১৯৭৩ সালে সংসদে ব্যবসায়ী ছিলেন ১৫ শতাংশ। তবে ১৯৯০ সালের পর থেকেই রাজনীতিতে পরিবর্তন আসতে শুরু করে।

১৯৯৬ সালে ব্যবসায়ী এমপির হার হয় ৪৮ শতাংশ, ২০০১ সালে তা দাঁড়ায় ৫১ শতাংশ।

২০০৮ সালে সংসদ সদস্যদের ৬৩ শতাংশই ছিলেন ব্যবসায়ী। দশম জাতীয় সংসদে তা আরও বেড়ে হয় ৫৯ শতাংশ। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ১৮২ জন ব্যবসায়ী সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। অর্থাৎ সংসদের ৬১ দশমিক ৭ শতাংশের পেশা এখন ব্যবসা।

শেখ হাসিনার নেতৃত্বেই নির্বাচনকালীন সরকার

সংলাপে রাষ্ট্রপতিকে এই বিষয়ে প্রস্তাব দেয়ার বিষয়ে দীলিপ বড়ুয়া বলেন, ‘আমরা মহানাম্য রাষ্ট্রপতিকে বলেছি, বর্তমান বাস্তবতায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে শাসনতন্ত্র মোতাবেক নির্বাচনকালীন সরকার গঠন করা বাস্তবসম্মত।

‘সেই সরকার সংবিধান অনুসারেই গঠিত হবে। অথবা বর্তমান প্রধানমন্ত্রী অতীতে নির্বাচনকালীন একটি সরকার গঠন করেছেন সে রকমও হতে পারে।’

সংবিধানে তো নির্বাচনকালীন সরকার বলে কিছু নেই- এমন মন্তব্যের পর দীলিপ বড়ুয়া বলেন, ‘এর আগে তো প্রধানমন্ত্রী বিএনপিকে অফার দিয়েছিলেন নির্বাচনি সরকারে আসতে। বিএনপি আসেনি। সেটা তো সরকারের ইচ্ছার বিষয়।’

নির্বাচন কমিশন আইন দাবি

দীলিপ বড়ুয়া বলেন, ‘আমাদের প্রথম প্রস্তাব ছিল নির্বাচন কমিশন আইন তৈরি করা। যদি নির্বাচন কমিশন আইন তৈরি না হয়, তাহলে তো আর প্রতিষ্ঠানিক, স্বাবলম্বী রূপ পাবে না। আর নির্বাচন কমিশন প্রশাসনের আজ্ঞাবহ হয়েই থাকবে। অবাধ, সুষ্ঠু নির্বাচন ও মানুষ যাতে স্বাধীনভাবে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারে সে জন্য আইন প্রয়োজন।’

তিনি বলেন, ‘আমরা মহানাম্য রাষ্ট্রপতিকে বলেছি, যদি সার্চ কমিটির মাধ্যমে করা হয়, তাহলে যেন সাংবিধানিক সংস্থাগুলো থেকেই নিয়ে যেন একটি কাউন্সিল করা হয়। সেই কাউন্সিল যেন নির্বাচন কমিশন গঠন করে।’

সে কাউন্সিলে কারা থাকবে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আমরা নির্দিষ্ট নাম দেইনি। তবে প্রধান বিচারপতি, স্পিকার, প্রধানমন্ত্রী, বিরোধীদলীয় নেতা যে কেউ হতে পারেন। এর মধ্যে দিয়ে সাংবিধানিক সংস্থার প্রধানদের নিয়ে সার্চ কমিটি গঠন করে নির্বাচন কমিশন করতে পারেন।’

সাংবিধানিক পদ থেকে হলে সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব বলে মনে করেন কি না- এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘জাতির প্রতি ওয়াদাবদ্ধ ও নিষ্ঠাবান থাকলে অবশ্যই নিরপেক্ষ নির্বাচন হবে।’

আরও পড়ুন:
সুষ্ঠু নির্বাচনে প্রয়োজন সুস্থ রাজনীতি: রাষ্ট্রপতি
সংলাপ: রাজনৈতিক দলের কমিটিতে ৩৩% নারী ঐচ্ছিক করার দাবি

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
The condition of BNP is in turmoil Kader

বিএনপির অবস্থা টালমাটাল: কাদের

বিএনপির অবস্থা টালমাটাল: কাদের আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। ফাইল ছবি
ওবায়দুল কাদের বলেন, মির্জা ফখরুল ইসলাম জনগণের কাছে রাষ্ট্রযন্ত্রকে ঝাঁকুনি দেয়ার আহ্বান জানিয়েছে। অথচ বিএনপি নিজেই রাজনৈতিকভাবে টালমাটাল অবস্থায় রয়েছে। ব্যর্থ রাজনীতির ধারায় হাঁটায় হোঁচট আর ঝাঁকুনির প্রকোপে পর্যুদস্ত বিএনপি।

বিএনপি রাজনৈতিকভাবে টালমাটাল অবস্থায় রয়েছে বলে দাবি করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, দলটি ব্যর্থ রাজনীতির ধারায় হাঁটায় হোঁচট আর ঝাঁকুনির প্রকোপে পর্যুদস্ত।

রোববার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তিনি এসব কথা বলেন।

ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘মির্জা ফখরুল ইসলাম জনগণের কাছে রাষ্ট্রযন্ত্রকে ঝাঁকুনি দেয়ার আহ্বান জানিয়েছে। অথচ বিএনপি নিজেই রাজনৈতিকভাবে টালমাটাল অবস্থায় রয়েছে। ব্যর্থ রাজনীতির ধারায় হাঁটায় হোঁচট আর ঝাঁকুনির প্রকোপে পর্যুদস্ত বিএনপি।

‘এই ঝাঁকুনি হলো বার বার পরাজয়ের ঝাঁকুনি। হতাশার গভীরে নিমজ্জিত হয়ে বিএনপির নেতাদের বোধশক্তি লোপ পেয়েছে। দিন দিন তারা দেশ, রাষ্ট্র ও জনগণকে শত্রুতে পরিণত করে চলেছে।’

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘বিভিন্ন সময় বিএনপি ও তার দোসরদের যৌথ উদ্যোগে প্রযোজিত ও পরিচালিত সকল ষড়যন্ত্র ব্যর্থ হওয়ায় তারা আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠার চেষ্টা করছে এবং দেশের জনগণের মধ্যে বিভ্রান্তি ছড়িয়ে উসকানি সৃষ্টির পাঁয়তারা করছে।’

ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘জনগণ দ্বারা বর্জিত বিএনপি কখনোই ইতিবাচক কিছু অর্জন করতে পারবে না। দেশের স্বার্থ আর জনগণের কল্যাণকে অগ্রাধিকার দিয়ে কাজ করে যাচ্ছে আওয়ামী লীগ সরকার।

‘আওয়ামী লীগ দেশের জনগণের প্রতিনিধিত্বকারী রাজনৈতিক সংগঠন। তাই যে অপশক্তি দেশ ও জনগণের বিরুদ্ধে অবস্থান নেবে তারা স্বয়ংক্রিয়ভাবে আওয়ামী লীগের প্রবল প্রতিপক্ষ বা শত্রু হিসেবে গণ্য হবে।’

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Will not allow anyone to undermine freedom sovereignty PM

কাউকে স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব ক্ষুণ্ন করতে দেব না: প্রধানমন্ত্রী

কাউকে স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব ক্ষুণ্ন করতে দেব না: প্রধানমন্ত্রী চট্টগ্রামের হালিশহর সেনানিবাসে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ছবি: ফোকাসবাংলা
শেখ হাসিনা বলেন, বর্তমানে যুদ্ধও ডিজিটাল মাধ্যমে করা হচ্ছে। এজন্য দেশে আধুনিক, জ্ঞানভিত্তিক উচ্চ প্রশিক্ষিত সশস্ত্র বাহিনী গড়ে তোলা দরকার।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বাংলাদেশ সবার সঙ্গে বন্ধুত্ব বজায় রাখতে চায়, তবে দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় যা যা করা দরকার তাই করা হবে।

তিনি বলেন, ‘কেউ আমাদের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব ক্ষুণ্ন করুক তা আমরা চাই না। আমরা বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রেখে চলতে চাই, কিন্তু আমাদের দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার জন্য যা যা করা দরকার আমরা তা করব। আমাদের এটি সর্বদা মনে রাখতে হবে।’

রোববার সকালে চট্টগ্রামের হালিশহর সেনানিবাসে আর্টিলারি সেন্টার অ্যান্ড স্কুলে নবনির্মিত ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব ব্যাটারি কমপ্লেক্স’ উদ্বোধন শেষে দরবারে দেয়া ভাষণে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী। খবর ইউএনবির

তিনি বলেন, ‘আমরা সব সময় শান্তি চাই। আমাদের দেশ স্বাধীন ও সার্বভৌম। আমরা যুদ্ধের মাধ্যমে বিজয় অর্জন করেছি। যুদ্ধে জয়ী হয়ে আমরা যে স্বাধীনতা পেয়েছি তা আমাদের ধরে রাখতে হবে।’

শেখ হাসিনা বলেন, বর্তমানে যুদ্ধও ডিজিটাল মাধ্যমে করা হচ্ছে। এজন্য দেশে আধুনিক, জ্ঞানভিত্তিক উচ্চ প্রশিক্ষিত সশস্ত্র বাহিনী গড়ে তোলা দরকার।

তিনি বলেন, ‘আমরা চাই আমাদের সশস্ত্র বাহিনী আরও উন্নত, আরও দক্ষ এবং আরও প্রশিক্ষিত হবে এবং আমরা সেই লক্ষ্যেই কাজ করে যাচ্ছি।’

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী যেহেতু প্রয়োজনে সবসময় জনগণের পাশে রয়েছে, তাই এখন তারা জাতির কাছে আস্থার প্রতীক।

তিনি বলেন, ‘সশস্ত্র বাহিনী পেশাগত দক্ষতা, কর্তব্যপরায়ণতা, অনুশীলন, প্রশিক্ষণ ও দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে দায়িত্ব পালন করবে।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আওয়ামী লীগ সরকার ২০৩০ সালের মধ্যে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জন এবং ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত, সমৃদ্ধ ও স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে।

তিনি বলেন, ‘এজন্য বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রতিটি সদস্যকে তথ্যপ্রযুক্তি জ্ঞান সম্পন্ন চৌকস হতে হবে।’

সেনাবাহিনীর সদস্যদের নেতৃত্বের প্রতি আস্থা ও আনুগত্য বজায় রেখে কর্তব্যপরায়ণতা, পেশাগত দক্ষতা ও দেশপ্রেমের সঙ্গে দেশের গৌরব বজায় রাখতে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।

সেনাবাহিনীর সার্বিক উন্নয়নে তার সরকারের গৃহীত পদক্ষেপসমূহ সংক্ষেপে বর্ণনা করেন তিনি।

তিনি বলেন, সেনাবাহিনীর আধুনিকায়নের অংশ হিসেবে সেনাবাহিনীতে অত্যাধুনিক বিমান, হেলিকপ্টার, ইউএভি, চতুর্থ প্রজন্মের ট্যাংক, এপিসি, ট্যাংক ধ্বংসের ক্ষেপণাস্ত্রসহ অন্যান্য যুদ্ধাস্ত্র সংযোজন করা হয়েছে।

দেশের কল্যাণে সেনাবাহিনীর সার্বিক কর্মকাণ্ডের ভূয়সী প্রশংসা করে শেখ হাসিনা বলেন, ‘জনগণের আস্থার প্রতীক হিসেবে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী সুপ্রতিষ্ঠিত হয়েছে।’

তিনি বলেন, জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর কাজের দক্ষতা ও পেশাদারিত্বের জন্য দেশে-বিদেশে ভূয়সী প্রশংসা করা হয়েছে।

তিনি বলেন, জাতিসংঘ মিশনগুলোতে অপারেশনাল সক্ষমতা বৃদ্ধি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সেনাবাহিনীর জন্য অত্যাধুনিক হালকা সাঁজোয়া যান এবং মাইন প্রতিরোধী অ্যামবুশ সুরক্ষিত যানবাহন কেনা হয়েছে।

এর আগে প্রধানমন্ত্রী অনুষ্ঠানস্থলে পৌঁছালে সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ তাকে স্বাগত জানান।

অনুষ্ঠানে মুজিব ব্যাটারির ওপর একটি অডিও-ভিজ্যুয়াল ডকুমেন্টারি প্রদর্শন করা হয়।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Palaks brother in law withdrew from the upazila polls

উপজেলা ভোট থেকে সরে দাঁড়ালেন পলকের শ্যালক

উপজেলা ভোট থেকে সরে দাঁড়ালেন পলকের শ্যালক আওয়ামী লীগ নেতা লুৎফুল হাবীব রুবেল। ফাইল ছবি
লুৎফুল হাবীব রুবেল ভিডিও বার্তায় বলেন, ‘উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতার জন্য ৮ এপ্রিল মনোনয়নপত্র জমা দেই। তারপর যে পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে তার সাথে আমি জড়িত নই। আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করা হয়েছে। আমাকে নির্বাচন থেকে দূরে রাখতে বিভিন্ন মহল সক্রিয় রয়েছে।’

নাটোরের সিংড়া উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীকে অপহরণ ও মারধরের ঘটনার পর লুৎফুল হাবীব রুবেল নিজের প্রার্থিতা প্রত্যাহার করে নিয়েছেন। রোববার সকালে নাটোরের গণমাধ্যমকর্মীদের কাছে পাঠানো এক ভিডিও বার্তায় নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন তিনি।

রুবেল ডাক, টেলিযোগাযোগর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলকের শ্যালক।

ভিডিওতে নিজেকে ষড়যন্ত্রের শিকার দাবি করে লুৎফুল হাবীব রুবেল বলেন, ‘আমি ২০০২ সাল থেকে ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। ২০০৫ সালে সিংড়া গোল ই আফরোজ কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি ছিলাম। বর্তমানে উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্বরত আছি।’

তিনি বলেন, ‘গত ৩ এপ্রিল ইউনিয়ন পরিষদ থেকে পদত্যাগ করি। ইউনিয়ন পরিষদেও পরপর তিন বার নির্বাচিত হয়েছি আমি।

‘উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতার জন্য ৮ এপ্রিল মনোনয়নপত্র জমা দেই। তারপর যে পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে তার সাথে আমি জড়িত নই। আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করা হয়েছে। আমাকে নির্বাচন থেকে দূরে রাখতে বিভিন্ন মহল সক্রিয় রয়েছে।’

রুবেল আরও বলেন, ‘উপজেলা পরিষদের নির্বাচন নিয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ঘোষণা দিয়েছেন যে, কোনো মন্ত্রী-সংসদ সদস্যের আত্মীয়-স্বজন নির্বাচন করতে পারবে না। তারই আলোকে এই ঘোষণার প্রতি শ্রদ্ধা রেখে এবং প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলকের নির্দেশনা অনুযায়ী মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে নিয়েছি। অফিসিয়াল যে প্রক্রিয়াগুলো রয়েছে সেগুলো যত দ্রুত সম্ভব সম্পন্ন করব।’

ভিডিও বার্তার বিষয়ে কথা বলতে লুৎফুল হাবীব রুবেলের মোবাইল ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তার মোবাইল নম্বরটি বন্ধ পাওয়া গেছে। এজন্য নিউজবাংলার পক্ষ থেকে তার বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।

সিংড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সিংড়া পৌরসভার মেয়র মো. জান্নাতুল ফেরদৌস বলেন, ‘ভিডিওটি আমাকেও পাঠানো হয়েছে। তাছাড়া রুবেলের পক্ষের লোকজন ফোন দিয়ে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের সিদ্ধান্তের বিষয়টি আমাকে জানিয়েছেন।’

আরও পড়ুন:
দল থেকে শোকজ পেয়েছেন সিংড়ার রুবেল
উপজেলায় মন্ত্রী-এমপির স্বজনদের প্রার্থিতা চায় না আওয়ামী লীগ

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Chhatra League announced to plant five lakh trees in 10 days

১০ দিনে পাঁচ লাখ গাছ লাগানোর ঘোষণা ছাত্রলীগের

১০ দিনে পাঁচ লাখ গাছ লাগানোর ঘোষণা ছাত্রলীগের
ছাত্রলীগ বলছে, তীব্র তাপপ্রবাহ থেকে মুক্তি এবং টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য (এসডিজি) অর্জনের লক্ষ্যে এই পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে।

দেশব্যাপী তীব্র তাপপ্রবাহ চলমান। জনসাধারণের স্বাভাবিক জীবনযাত্রায় এর মারাত্মক প্রভাব পড়েছে। জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে উষ্ণায়নের এমন পরিস্থিতির উল্লেখ করে ১০ দিনে পাঁচ লাখ গাছ লাগানোর কর্মসূচি ঘোষণা করেছে ছাত্রলীগ।

ছাত্রলীগ বলছে, তীব্র তাপপ্রবাহ থেকে মুক্তি এবং টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য (এসডিজি) অর্জনের লক্ষ্যে এই পরিকল্পনা। এই কর্মসূচি সফল করতে কিছু নির্দেশনাও দিয়েছে সংগঠনটি।

শনিবার রাতে ছাত্রলীগ সভাপতি সাদ্দাম হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ ইনান স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব নির্দেশনা দেয়া হয়।

আরও পড়ুন:
ছাত্রলীগ নেতার অন্তরঙ্গ মুহূর্তের ভিডিও ভাইরাল, কমিটি বিলুপ্ত
অসহায়-ছিন্নমূলদের মাঝে ছাত্রলীগের ঈদ সামগ্রী বিতরণ
হেরোইনসহ গ্রেপ্তারের পর ছাত্রলীগ নেতা বহিষ্কার
হেরোইনসহ নেত্রকোণা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি গ্রেপ্তার
ববি ছাত্রলীগের কমিটি শিগগিরই: ইনান

মন্তব্য

বাংলাদেশ
BNP also calls those arrested in terrorist activities their own workers Foreign Minister

সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে গ্রেপ্তারদেরও নিজেদের কর্মী বলছে বিএনপি: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে গ্রেপ্তারদেরও নিজেদের কর্মী বলছে বিএনপি: পররাষ্ট্রমন্ত্রী পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাছান মাহমুদ শনিবার চট্টগ্রাম নগরীর পলোগ্রাউন্ড মাঠে আন্তর্জাতিক উইমেন এসএমই এক্সপো’র অনুষ্ঠানে বক্তব্য শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন। ছবি: নিউজবাংলা
হাছান মাহমুদ বলেন, ‘বিএনপি নেতারা দলটা টিকিয়ে রাখার জন্য গতানুগতিক কিছু কর্মসূচি পালন করে। গাড়ি যখন বসে যায় তখন সেটির ব্যাটারি মাঝে-মধ্যে স্টার্টে রাখতে হয়। বিএনপিও পুরনো গাড়ির মতো বসে গেছে।’

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, ‘চুরি-ডাকাতি, ছিনতাই-রাহাজানিসহ নানা সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের অপরাধে দেশে প্রতিদিন কয়েক হাজার মানুষ গ্রেপ্তার হয়। বিএনপি নেতা মির্জা ফখরুল ও রিজভী সাহেবরা গ্রেপ্তারের যে হিসাব দিচ্ছেন, তাতে মনে হচ্ছে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে যুক্ত, পুলিশের খাতায় অপরাধীদেরও বিএনপি তাদের কর্মী বলে দাবি করছে।’

শনিবার সন্ধ্যায় চট্টগ্রাম নগরীর পলোগ্রাউন্ড মাঠে চিটাগাং উইমেন চেম্বার অফ কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি আয়োজিত ১৪তম আন্তর্জাতিক উইমেন এসএমই এক্সপো’র উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এসব কথা বলেন। বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী আহসানুল ইসলাম টিটু অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন।

হাছান মাহমুদ বলেন, বিএনপির কোনো নেতা কিংবা কর্মীর বিরুদ্ধে কোনো রাজনৈতিক মামলা দেয়া হয় না। তাদের বিরুদ্ধে যে মামলাগুলো হয়েছে সেগুলো গাড়ি পোড়ানো, পুলিশ এবং জনগণের ওপর হামলাসহ নানা সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের মামলা। এসব মামলায় তারা গ্রেপ্তার হয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা বিচারাধীন।’

সরকার চোরাবালিতে দাঁড়িয়ে আছে- বিএনপি নেতাদের এমন বক্তব্যের বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নে ড. হাছান বলেন, ‘এটা গত ১৫ বছর ধরে শুনতে পাচ্ছি। তবে চোরাবালিটা এত শক্ত যে তাদেরকে আরও বহু বছর অপেক্ষা করতে হবে।’

বিএনপি নেতারা দলটা টিকিয়ে রাখার জন্য গতানুগতিক কিছু কর্মসূচি পালন করে উল্লেখ করে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘গাড়ি যখন বসে যায় তখন সেটির ব্যাটারি মাঝে-মধ্যে স্টার্টে রাখতে হয়। বিএনপিও পুরনো গাড়ির মতো বসে গেছে।’

এর আগে এসএমই এক্সপো’র উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে চট্টগ্রামর সন্তান ড. হাছান নিয়মিত এই আয়োজনের জন্য চিটাগাং উইমেন চেম্বারের প্রশংসা করেন।

চেম্বারের সভাপতি মনোয়ারা হাকিম আলীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র এম রেজাউল করিম চৌধুরী, এফবিসিসিআই সভাপতি মাহবুবুল আলম, শামীমা হারুন লুবনা এমপি প্রমুখ বক্তব্য দেন।

আরও পড়ুন:
বিএনপি নেতাদের বক্তব্য সার্কাসের মতো: পররাষ্ট্রমন্ত্রী
মুজিবনগর সরকারের কর্মচারী ছিলেন জিয়াউর রহমান: পররাষ্ট্রমন্ত্রী
অপরাজনীতি যেন দেশ থেকে চিরতরে দূর হয়: পররাষ্ট্রমন্ত্রী
জিম্মি নাবিকরা ভালো আছেন, তবে উদ্ধারের দিনক্ষণ বলা কঠিন: পররাষ্ট্রমন্ত্রী
বুয়েটে ছাত্র রাজনীতি ও শিক্ষার পরিবেশ দুই-ই থাকা উচিত

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The appeal authority for the third phase of upazila polls is the District Commissioner

তৃতীয় ধাপের উপজেলা ভোটেও আপিল কর্তৃপক্ষ জেলা প্রশাসক

তৃতীয় ধাপের উপজেলা ভোটেও আপিল কর্তৃপক্ষ জেলা প্রশাসক
প্রথম এবং দ্বিতীয় ধাপের ভোটেও আপিল কর্তৃপক্ষ হিসেবে জেলা প্রশাসকদের নিয়োগ করা হয়েছে। ইসির নির্বাচন ব্যবস্থাপনা শাখার উপ-সচিব মো. আতিয়ার রহমান স্বাক্ষরিত চিঠি ইতোমধ্যে সংশ্লিষ্টদের কাছে পাঠানো হয়েছে।

ষষ্ঠ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের তৃতীয় ধাপের ভোটেও আপিল কর্তৃপক্ষ হিসেবে জেলা প্রশাসককে নিয়োগ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এর আগে প্রথম এবং দ্বিতীয় ধাপের ভোটেও আপিল কর্তৃপক্ষ হিসেবে জেলা প্রশাসকদের নিয়োগ করা হয়েছে।

ইসির নির্বাচন ব্যবস্থাপনা শাখার উপ-সচিব মো. আতিয়ার রহমান স্বাক্ষরিত চিঠি ইতোমধ্যে সংশ্লিষ্টদের কাছে পাঠানো হয়েছে।

তফসিল অনুযায়ী, তৃতীয় ধাপের নির্বাচনে মনোনয়ন ফরম জমার শেষ তারিখ ২ মে ও মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই হবে ৫ মে। রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল ৬ থেকে ৮ মে, আপিল নিষ্পত্তি ৯ থেকে ১১ মে এবং প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন ১২ মে।

প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের মাঝে প্রতীক বরাদ্দ ১৩ মে এবং ভোটগ্রহণ হবে ২৯ মে। েই ধাপে ৪৭টি জেলার ১১২ উপজেলায় ভোটগ্রহণ হবে।

তৃতীয় ধাপে রিটার্নিং কর্মকর্তা হিসেবে অতিরিক্ত জেলা ও অতিরিক্ত আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা এবং অতিরিক্ত জেলা প্রশাসকদের নিয়োগ দেয়া হয়েছে৷ রিটার্নিং কর্মকর্তাদের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল আবেদন আপিল কর্তৃপক্ষ হিসেবে নিষ্পত্তি করবেন জেলা প্রশাসক।

দ্বিতীয় ধাপের তফসিল অনুযায়ী, মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ সময় ২১ এপ্রিল, মনোনয়নপত্র বাছাই ২৩ এপ্রিল, আপিল গ্রহণ ২৪-২৬ এপ্রিল এবং আপিল নিষ্পত্তি ২৭ থেকে ২৯ এপ্রিল। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময় ৩০ এপ্রিল, প্রতীক বরাদ্দ দেয়া হবে ২ মে। আর ১৬১ উপজেলায় ভোটগ্রহণ হবে ২১ মে।

এই ধাপের নির্বাচনে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসকদের রিটার্নিং কর্মকর্তা ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়েছে। যেসব উপজেলায় ভোটারের সংখ্যা ৫ লাখের বেশি সেখানে একাধিক সহকারী রিটার্নিং অফিসার নিয়োজিত থাকবেন।

প্রথম ধাপের তফসিল অনুযায়ী, মনোনয়নপত্র দাখিল ও বাছাইয়ের সময় শেষ। বৈধ প্রার্থী এক হাজার ৭৮৬ জন। রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিলের শেষ সময় ২০ এপ্রিল। আপিল নিষ্পত্তি হবে ২১ এপ্রিল, প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময় ২২ এপ্রিল। প্রতীক বরাদ্দ দেয়া হবে ২৩ এপ্রিল। আর ১৫২ উপজেলায় ভোটগ্রহণ হবে ৮ মে।

এই ধাপের নির্বাচনে রিটার্নিং কর্মকর্তা হিসেবে জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা হিসেবে উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তাদের নিয়োগ করা হয়েছে।

আরও পড়ুন:
স্থানীয় সরকার নির্বাচনে রাজনৈতিক ফ্লেভার নেই: ইসি আলমগীর
দল থেকে শোকজ পেয়েছেন সিংড়ার রুবেল
বিজেপির হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনার মধ্যে ভারতের লোকসভা নির্বাচনে ভোট শুরু
উপজেলায় মন্ত্রী-এমপির স্বজনদের প্রার্থিতা চায় না আওয়ামী লীগ
প্রথম ধাপের উপজেলা নির্বাচনে বৈধ প্রার্থী ১৭৮৬ জন

মন্তব্য

বাংলাদেশ
In Sylhet polls BNP is ignoring the instructions of the center
উপজেলা পরিষদ নির্বাচন

সিলেটে ভোটে থাকছে ‘বিএনপি’, কেন্দ্রের নির্দেশ উপেক্ষা

সিলেটে ভোটে থাকছে ‘বিএনপি’, কেন্দ্রের নির্দেশ উপেক্ষা
উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের প্রথম ধাপে সিলেট বিভাগের ১১টি উপজেলায় ভোটগ্রহণ হবে। এর মধ্যে অন্তত চারটি উপজেলায় বিএনপির ১৩ জন নেতা প্রার্থী হওয়ার তথ্য নিশ্চিত হওয়া গেছে।

জাতীয় সংসদের মতো উপজেলা পরিষদ নির্বাচনেও অংশ না নেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিএনপি। তবে দলের হাইকমান্ডের এই সিদ্ধান্ত মানছেন না তৃণমূলের নেতারা। সিলেটের বিভিন্ন উপজেলায় প্রার্থী হয়েছেন দলটির নেতারা। ফলে অনানুষ্ঠানিকভাবে সিলেটে উপজেলার ভোটে থাকছে বিএনপিও।

উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের প্রথম ধাপে সিলেট বিভাগের ১১টি উপজেলায় ভোটগ্রহণ হবে। এর মধ্যে অন্তত চারটি উপজেলায় বিএনপির ১৩ জন নেতা প্রার্থী হওয়ার তথ্য নিশ্চিত হওয়া গেছে। তাদের মধ্যে সাতজনই সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলায় প্রার্থী হয়েছেন। এছাড়া সুনামগঞ্জের শাল্লায় তিনজন ও দিরাইয়ে দুজন এবং মৌলভীবাজারের বড়লেখায় একজন প্রার্থী রয়েছেন।

নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা বুধবার যাচাই-বাছাই শেষে বৈধ প্রার্থীদের তালিকা ঘোষণা করেছেন। বিভাগের মধ্যে একমাত্র হবিগঞ্জ জেলায় বিএনপির কোনো নেতা প্রার্থী হননি।

জেলা বিএনপি নেতারা বলছেন, নির্বাচন বর্জনের দলীয় সিদ্ধান্ত প্রার্থী হওয়া নেতাদের জানিয়ে দেয়া হয়েছে। দলীয় সিদ্ধান্ত মেনে মনোনয়ন প্রত্যাহার না করলে তাদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেয়া হবে।

নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, সিলেট বিভাগের চার জেলার মধ্যে সিলেট সদর, দক্ষিণ সুরমা, বিশ্বনাথ ও গোলাপগঞ্জ; সুনামগঞ্জের দিরাই ও শাল্লা; মৌলভীবাজারের জুড়ি, কুলাউড়া ও বড়লেখা এবং হবিগঞ্জের আজমিরীগঞ্জ ও বানিয়াচং উপজেলায় প্রথম ধাপে নির্বাচন হচ্ছে। এই ১১ উপজেলায় প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ তারিখ ২২ এপ্রিল। আর ভোটগ্রহণ হবে ৮ মে।

সিলেটের বিশ্বনাথে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী বিএনপির ৭ নেতার মধ্যে চেয়ারম্যান পদে চারজন, ভাইস চেয়ারম্যান পদে দুজন ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে একজন প্রার্থী হয়েছেন।

বিশ্বনাথ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে বিএনপির যে চার নেতা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন তারা হলেন- জেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি সুহেল আহমদ চৌধুরী, উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান গৌছ খান, তার চাচাতো ভাই যুক্তরাজ্য বিএনপির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক সেবুল মিয়া ও যুক্তরাজ্য প্রবাসী বিএনপি নেতা সফিক উদ্দিন।

তাদের মধ্যে গত উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে দলীয় নির্দেশনা অমান্য করে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করায় সুহেল আহমদ চৌধুরীকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছিল। সেই বহিষ্কারাদেশ এখনও প্রত্যাহার করা হয়নি।

এছাড়া ভাইস চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মো. কাওছার খান ও খাজাঞ্চি ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুর রব সরকার।

মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে সাবেক মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান ও উপজেলা বিএনপির মহিলা বিষয়ক সম্পাদক বেগম স্বপ্না শাহিন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান প্রার্থী যুক্তরাজ্য বিএনপির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক সেবুল মিয়া বলেন, ‘এলাকার মানুষের চাওয়ার কারণে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছি। বিএনপির অনেক নেতা-কর্মীও নির্বাচনে অংশ নিতে বলেছেন। তাদের দাবি- যেহেতু বিএনপি নেতাকর্মীরা নির্বাচনে ভোট দেবে, সেহেতু নিজেদের একজনকে দিতে পারে। সেই দাবি থেকে নির্বাচনে অংশ নিয়েছি।’

তিনি আরও বলেন, ‘এ ব্যাপারে দল কোনো সিদ্ধান্ত নিলে নিতে পারে। আমার কিছু করার থাকবে না।’

অপর চেয়ারম্যান প্রার্থী উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান গৌছ খান বলেন, ‘নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে দলের সিনিয়র নেতাকর্মীদের সঙ্গে আলোচনা চলছে। এখনও অনেক সময় বাকি আছে। আলোচনার ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত হবে।’

তবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ নিয়ে কারও সঙ্গে কোনো আলোচনার সুযোগ নেই বলে জানিয়েছেন সিলেট জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এমরান আহমদ চৌধুরী। তিনি বলেন, ‘দলের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী পর্ষদ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে অংশ না নেয়ার আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্তের কথা জানিয়ে দিয়েছে। এর বাইরে গিয়ে কেউ অংশ নিলে তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

সুনামগঞ্জোর শাল্লা উপজেলা বিএনপির সভাপতি গণেশ চন্দ্র দাস উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এ উপজেলায় ভাইস চেয়ারম্যান পদে উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি মো. সাইফুর রহমান ও উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি আবদুল মজিদ প্রার্থী হয়েছেন।

এ ছাড়া দিরাই উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মো. গোলাপ মিয়া। আর মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে সুনামগঞ্জ জেলা মহিলা দলের সহ-সভাপতি ছবি চৌধুরী প্রার্থী হয়েছেন।

মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ও জেলা মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক রাহেনা বেগম হাছনা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হয়েছেন।

এ বিষয়ে সিলেট জেলা বিএনপির সভাপতি আবদুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, ‘বিএনপির সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী পর্ষদ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে দলের কাউকে প্রার্থী না হওয়ার জন্য নির্দেশনা দিয়েছে। কেউ এ সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করলে অবশ্যই সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

আরও পড়ুন:
তৃতীয় ধাপের উপজেলা ভোটেও আপিল কর্তৃপক্ষ জেলা প্রশাসক
স্থানীয় সরকার নির্বাচনে রাজনৈতিক ফ্লেভার নেই: ইসি আলমগীর

মন্তব্য

p
উপরে