× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
Launch fire 18 member civil investigation committee
google_news print-icon

লঞ্চে আগুন: ১৭ সদস্যের নাগরিক তদন্ত কমিটি

লঞ্চে-আগুন-১৭-সদস্যের-নাগরিক-তদন্ত-কমিটি
এমভি অভিযান-১০ লঞ্চে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় পরিবেশ বাঁচাও আন্দোলনের কার্যালয়ে নাগরিক তদন্ত কমিটি গঠন। ছবি: নিউজবাংলা
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, কমিটি আগামী তিন সপ্তাহের মধ্যে সুপারিশসহ প্রতিবেদন প্রকাশ করবে।

ঝালকাঠির সুগন্ধা নদীতে এমভি অভিযান-১০ লঞ্চে অগ্নিকাণ্ড ও হতাহতের প্রকৃত কারণ উদঘাটন করতে ১৭ সদস্যবিশিষ্ট নাগরিক তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

পরিবেশ বাঁচাও আন্দোলন (পবা), নিরাপদ নৌপথ বাস্তবায়ন আন্দোলন এবং নৌ, সড়ক ও রেলপথ রক্ষা জাতীয় কমিটিসহ ১৫টি সামাজিক সংগঠনের উদ্যোগে এই কমিটি গঠন করা হয়।

মঙ্গলবার সকালে রাজধানীর কলাবাগানে পবা কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনটির চেয়ারম্যান আবু নাসের খান কমিটি গঠনের ঘোষণা দেন।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, কমিটি আগামী তিন সপ্তাহের মধ্যে সুপারিশসহ প্রতিবেদন প্রকাশ করবে।

তদন্ত কমিটির আহ্বায়ক করা হয়েছে পবা চেয়ারম্যান আবু নাসের খানকে। নিরাপদ নৌপথ বাস্তবায়ন আন্দোলনের আমিনুর রসুল বাবুল কমিটির সদস্যসচিব এবং সাংবাদিক ও নৌপরিবহনবিষয়ক গবেষক আশীষ কুমার দে প্রধান সমন্বয়কের দায়িত্ব পেয়েছেন।

কমিটিতে বিশেষজ্ঞ হিসেবে রয়েছেন বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) অধ্যাপক ড. মীর তারেক আলী, পানিসম্পদ পরিকল্পনা সংস্থার সাবেক মহাপরিচালক প্রকৌশলী ইনামুল হক এবং যুক্তরাজ্যের গ্লাসগোর ভি শিপসের সাবেক প্রধান নৌপ্রকৌশলী মো. আবদুল হামিদ।

এ ছাড়া নৌ, সড়ক ও রেলপথ রক্ষা জাতীয় কমিটির সভাপতি হাজী মোহাম্মদ শহীদ মিয়া, নাগরিক উদ্যোগের প্রধান নির্বাহী জাকির হোসেন, বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) সাবেক সচিব সৈয়দ মনোয়ার হোসেন, সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার নিশাদ মাহমুদ, কালের কণ্ঠের জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক নিখিল ভদ্র, নাগরিক অধিকার সংরক্ষণ ফোরামের (নাসাফ) সাধারণ সম্পাদক মো. তৈয়ব আলী, আইনজীবী ও গবেষক অ্যাডভোকেট জীবনানন্দ জয়ন্ত, কোস্ট ফাউন্ডেশনের কর্মকর্তা মোস্তফা কামাল আকন্দ, বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলনের যুগ্ম সম্পাদক মিহির বিশ্বাস, বিআইডব্লিউটিএর সাবেক কর্মকর্তা প্রকৌশলী তোফায়েল আহমেদ ও পুরান ঢাকা পরিবেশ উন্নয়ন ফোরামের আহ্বায়ক মো. নাজিম উদ্দিনকে নাগরিক তদন্ত কমিটির সদস্য রাখা হয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, ‘তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হবে। এরপর সুপারিশসহ এই প্রতিবেদন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় ও এর অধীন সংশ্লিষ্ট সংস্থা/অধিদপ্তর, নৌযান মালিক সমিতি এবং নৌযান শ্রমিক সংগঠনগুলোর কার্যালয়ে দেয়া হবে।’

সংবাদ সম্মেলনে আরও বলা হয়, ‘অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় দুজন আইনজীবীর করা আলাদা দুটি রিট পিটিশন উচ্চ আদালতে বিচারাধীন থাকায় কমিটির প্রতিবেদন অ্যাটর্নি জেনারেলের মাধ্যমে আদালতের সংশ্লিষ্ট বেঞ্চে উপস্থাপনের উদ্যোগও নেয়া হবে।’

ঝালকাঠির পোনাবালিয়া ইউনিয়নের দেউরী এলাকায় সুগন্ধা নদীতে গত ২৩ ডিসেম্বর ঢাকা থেকে বরগুনাগামী এমভি অভিযান-১০ লঞ্চ আগুনে পুড়ে যায়। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত ৪৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। নিখোঁজ রয়েছেন অনেকে।

পুড়ে যাওয়া লঞ্চটিতে কতজন যাত্রী ছিলেন তার সঠিক তথ্য পাওয়া যায়নি। তবে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ) বলছে, লঞ্চটিতে অন্তত ৪০০ যাত্রী ছিলেন।

তবে লঞ্চ থেকে প্রাণে বেঁচে যাওয়া যাত্রীদের অনেকের দাবি, নৌযানটিতে যাত্রী ছিলেন ৮০০ থেকে এক হাজারের মতো।

আরও পড়ুন:
লঞ্চে আগুন: মালিক-চালককে দায়ী করে প্রতিবেদন
অভিযান-১০-এর তিন মালিককে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন
লঞ্চে আগুন: হতাহতের ঘটনায় ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর শোক
ঝালকাঠির সেই সিভিল সার্জন ওএসডি
লঞ্চে আগুন: মৃত্যু বেড়ে ৪৭

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
11 people are under treatment at Bern University and 3 at DMK Hospital
বেইলি রোড ট্র্যাজেডি

বার্ন ইউস্টিটিউটে ১১ ও ঢামেক হাসপাতালে ৩ জন চিকিৎসাধীন

বার্ন ইউস্টিটিউটে ১১ ও ঢামেক হাসপাতালে ৩ জন চিকিৎসাধীন বেইলি রোডে গ্রিন কোজি কটেজে বৃহস্পতিবার র রাতে অগ্নিকাণ্ডে ভবনে অনেকে আটকা পড়েন। ছবি: নিউজবাংলা
বার্ন ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন ১১ জনই শ্বাসকষ্টে ভুগছেন। শ্বাসনালী ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় তাদের অবস্থা শঙ্কামুক্ত নয় বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট চিকিৎসক।

রাজধানীর বেইলি রোডে বহুতল ভবন গ্রিন কোজি কটেজে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় আহত ১৪ জন হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। তাদের মধ্যে শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ১১ জন এবং ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে তিনজন।

ঢামেক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আহতরা হলেন- মোহাম্মদ জুয়েল, জোবায়ের ও হালিম। ২৩ থেকে ২৫ বছর বয়সী এই তিনজনের কারও মেরুদণ্ড, কারও পা আবার কারও হাত ও পা ভেঙেছে। তাদেরকে অর্থোপেডিক ১০২ নম্বর ওয়ার্ডে ভর্তি রাখা হয়েছে।

বার্ন ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন ১১ জনই শ্বাসকষ্টে ভুগছেন। শ্বাসনালী ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় তাদের অবস্থা শঙ্কামুক্ত নয় বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট চিকিৎসক।

এখানে চিকিৎসাধীন ১১ জন হলেন- ফয়সাল আহমেদ, সুজন মণ্ডল, পুরোহিত, আবিনা, রাকিব, কাজী নওশাদ, আজাদ আবরার, মেহেদী হাসান, শাদ মাহমুদ, রাকিব হাসান ও সুমাইয়া। তাদের বয়স ২৩ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে।

বার্ন ইনস্টিটিউটের আবাসিক সার্জন তরিকুল ইসলাম বলেন, ‘এখানে চিকিৎসাধীন ১১ জনকে পোস্ট অপারেটিভে ভর্তি রাখা হয়েছে। তাদের সবারই কার্বন-মনোক্সাইড (পয়জনিং) জনিত শ্বাসকষ্টে আক্রান্ত।’

আরও পড়ুন:
আগুনের সূত্রপাত নিচতলায় গ্যাস সিলিন্ডার থেকে: র‌্যাব ডিজি
মাকে ইফতার সামগ্রী কিনে দেয়া হলো না জিহাদের
ওয়ারীতে রেস্টুরেন্টে অগ্নিকাণ্ড
আগুন কেড়ে নিল পাঁচ সদস্যের পরিবারকে
বেইলি রোডে অগ্নিকাণ্ড: পুলিশ সপ্তাহের অনুষ্ঠান বাতিল

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Fire started from gas cylinder on ground floor RAB DG

আগুনের সূত্রপাত নিচতলায় গ্যাস সিলিন্ডার থেকে: র‌্যাব ডিজি

আগুনের সূত্রপাত নিচতলায় গ্যাস সিলিন্ডার থেকে: র‌্যাব ডিজি শুক্রবার সকালে বার্ন ইনস্টিটিউটে অগ্নিদগ্ধদের দেখতে এসে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন এম খুরশীদ হোসেন। ছবি: নিউজবাংলা
র‌্যাবের ডিজি এম খুরশীদ হোসেন বলেন, ‘ফায়ার সার্ভিস কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে জানতে পেরেছি যে নিচতলার একটি দোকানের সিলিন্ডার থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে। ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা সেখানে পৌঁছলেও অন্যান্য সিলিন্ডার বিস্ফোরণ হওয়ায় আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে।’

রাজধানীর বেইলি রোডের গ্রিন কোজি কটেজ নামে বহুতল ভবনে আগুনের সূত্রপাত নিচতলায়। একটি দোকানের সিলিন্ডার থেকে আগুন লাগে এবং দ্রুত তা ছড়িয়ে পড়ে।

র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‌্যাব) মহাপরিচালক (ডিজি) পুলিশের অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক এম খুরশীদ হোসেন এ তথ্য জানিয়েছেন।

শুক্রবার সকালে শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে অগ্নিদগ্ধদের দেখতে এসে তিনি এসব কথা বলেন।

র‌্যাবের ডিজি বলেন, ‘ফায়ার সার্ভিস কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে জানতে পেরেছি যে নিচতলার একটি দোকানের সিলিন্ডার থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে। ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা সেখানে পৌঁছালেও অন্যান্য সিলিন্ডার বিস্ফোরণ হওয়ায় আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। মার্কেটে একটিমাত্র সিঁড়ি থাকায় অনেকে নামতে পারেননি। নিচে নামতে গিয়ে অনেকে পুড়ে গেছেন।’

খুরশীদ হোসেন বলেন, ‘আমরা এখনও তদন্ত শুরু করিনি। ইতোমধ্যে যেহেতু একটি কমিটি গঠন হয়েছে, নিশ্চয়ই তারা বলবে কী কারণে এমন ভয়াবহ অবস্থা হয়েছে। সরকারের পক্ষ থেকে দায়িত্ব না দেয়া পর্যন্ত আমরা আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু করতে পারি না। তবে আমাদের নিজস্ব একটা তদন্ত তো থাকবেই।’

তিনি আরও বলেন, ‘সিলিন্ডার গ্যাস ব্যবহার ঝুঁকিপূর্ণ। বাসা-বাড়িতেও আমরা এমন ঘটনা দেখছি। কিন্তু সবাই সবার দায়িত্বটা ঠিকঠাক পালন করলে এসব ঘটনা এড়ানো সম্ভব।’

আরও পড়ুন:
মাকে ইফতার সামগ্রী কিনে দেয়া হলো না জিহাদের
আগুন কেড়ে নিল পাঁচ সদস্যের পরিবারকে
বেইলি রোডে অগ্নিকাণ্ড: পুলিশ সপ্তাহের অনুষ্ঠান বাতিল
বেইলি রোডে অগ্নিকাণ্ডে আহতদের কেউই শঙ্কামুক্ত নন
বেইলি রোডের আগুন কেড়ে নিল দুই বুয়েট শিক্ষার্থীর প্রাণ

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Rajuk will look at whether the design of the building on Bailey Road was correct

বেইলি রোডের ভবনটির নকশা ঠিক ছিল কি না, দেখবে রাজউক

বেইলি রোডের ভবনটির নকশা ঠিক ছিল কি না, দেখবে রাজউক ফাইল ছবি
রাজউকের সদস্য (উন্নয়ন নিয়ন্ত্রণ)-কে আহ্বায়ক করে এই কমিটিকে আগামী ৭ কার্য দিবসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।

রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) আওতাধীন ঢাকার নিউ বেইলি রোডে বহুতল ভবনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের লক্ষে ৭ সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে।

রাজউকের সদস্য (উন্নয়ন নিয়ন্ত্রণ)-কে আহ্বায়ক করে এই কমিটিকে আগামী ৭ কার্য দিবসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।

রাজউকের পরিচালক (প্রশাসন) মো. মমিন উদ্দিন স্বাক্ষরিত শুক্রবার এক অফিস আদেশে এ তথ্য জানা গেছে। খবর বাসসের

কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন -রাজউকের প্রধান প্রকৌশলী (বাস্তবায়ন), প্রধন নগর পরিকল্পনাবিদ, প্রধান নগর স্থপতি, পরিচালক (উন্নয়ন নিয়ন্ত্রণ-১), পরিচালক (জোন-৬) এবং অথরাইজড অফিসার (জোন-৬/১) কমিটির সদস্য সচিবের দায়িত্ব পালন করবেন।

এই কমিটি ভবনটির নক্সা ও এর অনুমোদন প্রক্রিয়া পরীক্ষা করে কোনো ত্রুটি বিচ্যুতি থাকলে তা সনাক্ত করবে এবং দায়ী ব্যক্তিদের চিহ্নিত করবে। অনুমোদিত নক্সা এবং চিহ্নিত ভবনের মধ্যে কোনো বিচ্যুতি আছে কি না তা সরেজমিনে পরীক্ষা করে দেখবে এবং বিচ্যুতি পাওয়া গেলে দায়ী ব্যক্তিদের চিহ্নিত করবে। কমিটি প্রয়োজনে বিশেষজ্ঞ মতামত গ্রহণ করবে অথবা কোনো কর্মকর্তা/পেশাজীবিকে সদস্য হিসেবে কো-অপ্ট করতে পারবে।

এর আগে বৃহস্পতিবার রাত ১০টার দিকে বেইলি রোডের বহুতল ভবন গ্রিন কোজি কটেজে আগুন লাগে। ফায়ার সার্ভিসের মোট ১৩টি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নেভাতে কাজ করে এবং রাত ১১টা ৫০ মিনিটে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। ওই আগুনে এখন পর্যন্ত ৪৬ জনের মৃত্যু হয়েছে, আহত হয়ে চিকিৎসা নিচ্ছেন অনেকে।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Fire at restaurant in Warri

ওয়ারীতে রেস্টুরেন্টে অগ্নিকাণ্ড

ওয়ারীতে রেস্টুরেন্টে অগ্নিকাণ্ড নিয়ন্ত্রণে এসেছে ওয়ারীর এই রেস্টুরেন্টের আগুন। ছবি: নিউজবাংলা
ফায়ার সার্ভিসের বার্তায় বলা হয়, ওয়ারীতে একটি রেস্টুরেন্টের কিচেনে আগুন ছিল। ফায়ার এক্সটিংগুইশার ব্যবহার করে আগুন নেভানো হয়েছে।

রাজধানীর বেইলি রোডে ভয়াবহ আগুনের কয়েক ঘণ্টার মাথায় ওয়ারীতে একটি রেস্টুরেন্টে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এতে কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।

কেন্দ্রীয় ফায়ার সার্ভিসের কন্ট্রোলরুমের ডিউটি অফিসার রাফি আল ফারুক এ তথ্য জানিয়েছেন।

তিনি জানান, ওয়ারী পোস্ট অফিসের বিপরীতে একটি রেস্টুরেন্টে আগুন লাগে। তবে সেখানে পৌঁছানোর আগেই আগুন নিয়ন্ত্রণে চলে আসে। কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণও তেমন নেই।

আল ফারুক জানান, এ ঘটনায় সূত্রাপুর থেকে ২টি ইউনিট ঘটনাস্থলে যাচ্ছিল। রাস্তায় জ্যামের কারণে সিদ্দিকবাজার থেকে আরও দুটি ইউনিট পাঠানো হয়। সোয়া ১০টার দিকে খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস ঘটনাস্থলে পৌঁছায় সাড়ে ১০টার দিকে।

এ ছাড়া ফায়ার সার্ভিসের বার্তায় বলা হয়, ওয়ারীতে একটি রেস্টুরেন্টের কিচেনে আগুন ছিল। ফায়ার এক্সটিংগুইশার ব্যবহার করে আগুন নেভানো হয়েছে।

এর আগে বৃহস্পতিবার রাত ১০টার দিকে বেইলি রোডের বহুতল ভবন গ্রিন কোজি কটেজে আগুন লাগে। ফায়ার সার্ভিসের মোট ১৩টি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নেভাতে কাজ করে এবং রাত ১১টা ৫০ মিনিটে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।

ওই আগুনে এখন পর্যন্ত ৪৬ জনের মৃত্যু হয়েছে, আহত হয়ে চিকিৎসা নিচ্ছেন অনেকে।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Some areas including Banani DOHS will not have gas on Saturday

বনানী ডিওএইচএসসহ কয়েকটি এলাকায় শনিবার গ্যাস থাকবে না

বনানী ডিওএইচএসসহ কয়েকটি এলাকায় শনিবার গ্যাস থাকবে না ফাইল ছবি
গ্যাস পাইপ লাইনের জরুরি মেরামত কাজের জন্য শনিবার বেলা দেড়টা থেকে রাত সাড়ে ৯টা পর্যন্ত মোট আট ঘণ্টা ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট, বনানী ডিওএইচএস, আরজতপাড়া, শাহীনবাগ এলাকার সব শ্রেণির গ্যাহকের গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকবে।

গ্যাস পাইপ লাইনের জরুরি মেরামত কাজের জন্য শনিবার রাজধানীর বনানী ডিওএইচএসসহ বেশ কয়েকটি এলাকায় গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকবে।

শুক্রবার তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড এই তথ্য জানিয়েছে।

এ সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, গ্যাস পাইপ লাইনের জরুরি মেরামত কাজের জন্য শনিবার বেলা দেড়টা থেকে রাত সাড়ে ৯টা পর্যন্ত মোট আট ঘণ্টা ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট, বনানী ডিওএইচএস, আরজতপাড়া, শাহীনবাগ এলাকার সব শ্রেণির গ্যাহকের গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকবে।

এতে আরও বলা হয়, এই সময়ের মধ্যে আশপাশের এলাকায় গ্যাসের স্বল্পচাপ বিরাজ করবে।

আরও পড়ুন:
মগবাজার হাতিরঝিল তেজগাঁওয়ে গ্যাস থাকবে না রাত ১২টা পর্যন্ত
শাহজাহানপুরে গ্যাস লিকেজ থেকে আগুনে দগ্ধ ৭
বিদ্যুৎ উৎপাদনের গ্যাসের দাম ইউনিটে ৭৫ পয়সা বাড়ল

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The family found 39 bodies but no one came to look for 7 people

৩৯ মরদেহ পেল পরিবার, ৭ জনের খোঁজে আসেনি কেউ

৩৯ মরদেহ পেল পরিবার, ৭ জনের খোঁজে আসেনি কেউ আগুনে পুড়েছে ভবনটি, প্রাণ গেছে বহু মানুষের। ছবি: নিউজবাংলা
ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল এবং শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউট থেকে শুক্রবার বিকেল পর্যন্ত ৩৯ জনের মরদেহ পরিবারের সদস্যদের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

রাজধানীর বেইলি রোডে বহুতল ভবনে অগ্নিকাণ্ডে নিহত ৪৬ জনের মরদেহের মধ্যে ৩৯ জনের মরদেহ পরিবারের সদস্যদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। বাকি ৭ জনের পরিচয় এখনো পাওয়া যায়নি।

শুক্রবার ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগের সামনে ঢাকা জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আনিসুর রহমান এ তথ্য জানান। খবর বাসসের

তিনি বলেন, ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল এবং শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউট থেকে শুক্রবার বিকেল পর্যন্ত ৩৯ জনের মরদেহ পরিবারের সদস্যদের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

অজ্ঞাত সাতজনের মরদেহের বিষয়ে তিনি বলেন, এর মধ্যে পাঁচজনের মরদেহ এখনো কেউ দাবি করেনি। তাদের চেহারা বোঝা যাচ্ছে। তবে একটি মরদেহ পুড়ে একেবারে অঙ্গার হয়ে গেছে। গুরুতর আহত ১০জনকে বার্ন ইনস্টিটিউটের ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিটে (আইসিইউ) চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।

এর আগে বৃহস্পতিবার রাত ১০টার দিকে বেইলি রোডের বহুতল ভবন গ্রিন কোজি কটেজে আগুন লাগে। ফায়ার সার্ভিসের মোট ১৩টি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নেভাতে কাজ করে এবং রাত ১১টা ৫০ মিনিটে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। এ সময় ফায়ার সার্ভিস ৭৫ জনকে জীবিত উদ্ধার করে।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
I realized that death is very close

‘বুঝতে পারলাম মৃত্যু খুব কাছে’

‘বুঝতে পারলাম মৃত্যু খুব কাছে’
কীভাবে বেঁচে ফিরলেন সেই গল্প শোনালেন এস এম কামরুজ্জামান। ছবি: নিউজবাংলা
কামরুজ্জামান বলেন, ‘সবাই হুলস্থুল করে দৌড়াদৌড়ি করছে। আমি সবাইকে বললাম, আপনারা একটু শান্ত হয়ে বসেন। প্রচণ্ড আগুন। ধোঁয়ায় পুরোটা নয়তলা কালো হয়ে গেছে। সাফোকেশন হচ্ছে সবার। রুমাল হাতে দিয়ে আমি পেছনের গ্লাসগুলো ভাঙি। তখন কিছুটা সহজ হয় শ্বাস নিতে। নয়তলায় ডিশের তার ছিল। একজন কান্না করছিল। তাকে ডিশের তার দিয়ে নামিয়ে দিই।’

কীভবে মৃত্যুর খুব কাছ থেকে ফিরে এলেন সেই বর্ণনা দিয়েছেন বেইলি রোডের অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় আহত এস এম কামরুজ্জামান।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে ডেপুটি প্রোগ্রাম ম্যানেজার কামরুজ্জামান শুক্রবার শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে নিউজবাংলাকে এ বর্ণনা দিয়েছেন।

তিনি বলেন, ‘আমি খাওয়া শেষ করে রাত ১০টার দিকে ৯ তলায় ক্যাশ কাউন্টারে টাকা দিতে গিয়ে দেখি সবাই ছোটছুটি করছে। বললাম কী হয়েছে। বলে, আগুন লেগেছে আপনি জানেন না? বেলকনি খুলে বের হয়ে দেখি আগুনের লেলিহান শিখা। ধোঁয়া চার তলায় আমরা নয় তলায়। পরে গ্লাস বন্ধ করে দিলাম।’

কামরুজ্জামান বলেন, ‘সবাই হুলস্থুল করে দৌড়াদৌড়ি করছে। আমি সবাইকে বললাম, আপনারা একটু শান্ত হয়ে বসেন। প্রচণ্ড আগুন। ধোঁয়ায় পুরোটা নয়তলা কালো হয়ে গেছে। সাফোকেশন হচ্ছে সবার। রুমাল হাতে দিয়ে আমি পেছনের গ্লাসগুলো ভাঙি। তখন কিছুটা সহজ হয় শ্বাস নিতে। নয়তলায় ডিশের তার ছিল। একজন কান্না করছিল। তাকে ডিশের তার দিয়ে নামিয়ে দিই।’

তিনি বলেন, ‘এরপর তাকে হাতে রুমাল পেঁচিয়ে নামিয়ে দিই। তারা আমাকে বলেন, তুমিও নেমে যাও। আমি পরিচয় দিই আমি ডাক্তার। আমি নিচে আসার সময় ডান হাতে রুমাল ছিল। বামহাত দিয়ে অনেক জোর দিয়ে নামার সময় আমার হাতের মাংসগুলো ছিঁড়ে যায়। তখন পাঁচতলায় এসির বক্সের ওপর আমি দাঁড়াই।’

কামরুজ্জামান বলেন, ‘এরপর পায়ের সাপোর্ট বেলকনি ধরে আস্তে আস্তে নিচে নামি। সেখানে একটা টিনশেড ছিল। একজন পড়ে ছিল। তাকে তোলার চেষ্টা করলাম। কিন্তু ভারী হয়ে থাকায় একজনকে বললাম, ওপরে এসে ওনাকে একটু নামান। সে বললো আপনি আগে নামেন। সেখানে ফায়ার সার্ভিসের মই ছিল। সেটা দিয়ে আমি নামার পর আর শক্তি পাচ্ছিলাম না।

‘একজনকে বললাম, আমাকে একটু তুলে সামনে নিয়ে যান। পানি পিপাসা লেগেছে। পানি খাওয়ার পর মনে আসলো ওপরে তো অনেক লোকজন আছে। ফায়ার সার্ভিসে যারা আছেন তাদের বললাম, অনুরোধ করলাম ওপরে অনেক লোকজন আছে। তারা মারা যাবে। তাদের উদ্ধার করেন। এরপর আমি হলি ফ্যামিলি থেকে ট্রিটমেন্ট নিয়ে চলে আসি।’

সে সময় কী মনে হচ্ছিল আর কতজনকে নিজে উদ্ধার করতে পেরেছেন-এই প্রশ্নে তিনি বলেন, মনে হচ্ছিল মৃত্যু খুব কাছে। তবে মৃত্যু হলেও এখন মাথা ঠান্ডা রাখতে হবে। যতরকম দোয়া, তওবা পড়া যায় পড়েছি। তিনজনকে উদ্ধার করতে পেরেছি। নয়তলায় ২৫-৩০ জন ছিল। পরে শুনেছি ওই ফ্লোরে সবাইকে উদ্ধার করা গিয়েছে।

মন্তব্য

p
উপরে