সাংবাদিক নিয়োগে মানদণ্ড নির্ধারণের তাগিদ তথ্যমন্ত্রীর

player
সাংবাদিক নিয়োগে মানদণ্ড নির্ধারণের তাগিদ তথ্যমন্ত্রীর

সাংবাদিক হতে ন্যূনতম যোগ্যতা নির্ধারণের বিষয়ে তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদ তাগিদ দিয়েছেন। ফাইল ছবি

তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদ বলেন, ‘আমি প্রেস কাউন্সিলের চেয়ারম্যানকে অনুরোধ করেছি, সাংবাদিক হওয়ার জন্য কিছু প্যারামিটার ঠিক করে দেয়া যায় কি না। তারা বিষয়টি নিয়ে এরই মধ্যে চিন্তাভাবনা শুরু করেছেন। এ নিয়ে সুপারিশমালা তারা প্রণয়ন করতে পারবেন বলে আশা করি।’

সাংবাদিক নিয়োগের ক্ষেত্রে মানদণ্ড নির্ধারণের তাগিদ দিয়েছেন তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদ। তিনি জানিয়েছেন, সংবাদকর্মীদের মানদণ্ড নির্ধারণ করতে প্রেস কাউন্সিলের চেয়ারম্যানকে অনুরোধ করা হয়েছে।

সচিবালয়ে সোমবার সকালে প্রেস কাউন্সিলের নব নির্বাচিত সদস্যদের সঙ্গে এক বৈঠকে তিনি এ কথা বলেন।

সাংবাদিক হতে ন্যূনতম যোগ্যতা নির্ধারণের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘অনেকে সাংবাদিক না হয়েও সাংবাদিক হিসেবে পরিচয় দেন। সাংবাদিক হওয়ার জন্য কোনো প্যারামিটার নির্ধারণ করা নেই।

‘আমি প্রেস কাউন্সিলের চেয়ারম্যানকে অনুরোধ করেছি, এজন্য কিছু প্যারামিটার ঠিক করে দেয়া যায় কি না। তারা বিষয়টি নিয়ে এরই মধ্যে চিন্তাভাবনা শুরু করেছেন। এ নিয়ে সুপারিশমালা তারা প্রণয়ন করতে পারবেন বলে আশা করি।’

প্রেস কাউন্সিলকে শক্তিশালী করতে আইন সংশোধনের উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘প্রেস কাউন্সিলের বিদ্যমান আইনে ক্ষমতা অত্যন্ত সীমিত। একইসঙ্গে জরিমানা করার ক্ষমতাও নেই। প্রেস কাউন্সিল আইন সংশোধনের জন্য উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে। একইসঙ্গে ক্ষমতা বৃদ্ধি করে প্রেস কাউন্সিলকে আরও শক্তিশালী করার উদ্যোগ নিয়েছি।

‘মন্ত্রিসভায় উপস্থাপনের জন্য আমরা মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে এটি পাঠিয়েছি। যাচাই-বাছাই করে মন্ত্রিসভায় উপস্থাপন করা হবে। এরপর এটি পার্লামেন্টে যাবে, সেখান থেকে কমিটিতে যাবে এবং পরে আইনে রূপান্তরিত হবে। তাহলে প্রেস কাউন্সিল আরও শক্তিশালী হবে।’

নতুন বছরের প্রথম অধিবেশনেই গণমাধ্যমকর্মী আইন সংসদে উত্থাপন করা হবে বলেও জানান হাছান মাহমুদ। তিনি বলেন, ‘গণমাধ্যমকর্মী আইন এরই মধ্যে ভেটিং করে আইনমন্ত্রী সাইন করেছেন। এখন এটি রাষ্ট্রপতির কাছে পাঠিয়েছি। তিনি অনুমোদন দিলে এটি আমরা পার্লামেন্টে উপস্থাপন করবো। আশা করছি, ১৬ জানুয়ারি শুরু হওয়া অধিবেশনে এটি উপস্থাপন করতে পারবো।’

আরও পড়ুন:
গণমাধ্যমকর্মী আইনের খসড়া সংসদে উঠছে
সাংবাদিকের ওপর চেয়ারম্যানের ছেলের ‘হামলা’

শেয়ার করুন

মন্তব্য

ইউক্রেন-রাশিয়া নিয়ে মন্তব্যে জার্মান নৌ প্রধানের পদত্যাগ

ইউক্রেন-রাশিয়া নিয়ে মন্তব্যে জার্মান নৌ প্রধানের পদত্যাগ

জার্মান নৌ প্রধান কে আচিন শোনবাখ। ছবি: বিবিসি

পদত্যাগ প্রসঙ্গে শনিবার শোয়েনবাখ বলেন, ‘নিজের বক্তব্য নিয়ে আরও ক্ষতি এড়ানোর জন্য আমি পদত্যাগ করছি। এটি শিগগিরই কার্যকর হবে।’

রাশিয়া-ইউক্রেন সম্পর্ক ও রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনকে নিয়ে মন্তব্যের জেরে পদত্যাগ করলেন জার্মান নৌ সেনা প্রধান কে আচিন শোনবাখ।

বিবিসি জানিয়েছে, গত শুক্রবার ভারতের রাজধানী দিল্লিতে একটি আলোচনা সভায় শোনবাখ দাবি করেন, রাশিয়া ইউক্রেন আক্রমণ করবে এই ধারণার কোনো ভিত্তি নেই।

তিনি বলেন, ‘সর্ব প্রেসিডেন্ট পুতিন চেয়েছিলেন সম্মান।’

শোনবাখের মতে, ইউক্রেনে আগ্রাসন চালানোর কোনো পরিকল্পনাই নেই রাশিয়ার। দেশটি চায় না ইউক্রেন ন্যাটো বাহিনীর সঙ্গে যুক্ত থাকুক। আর পুতিন মূলত নিজ দেশের নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে পূর্ব ইউরোপে ন্যাটো সেনাদের অনুশীলনের বিরোধিতা করছেন।

আর এই ব্যপারটিকেই কি-না ইউক্রেনে মস্কোপন্থী সরকার গঠন করতে চাইছেন পুতিন, এমন প্রচারণা চালাচ্ছে যুক্তরাজ্য।

শোনবাখ আরও দাবি করেন, রাশিয়ার কাছ থেকে ইউক্রেনের ক্রিমিয়া ফিরে পাওয়ার আর কোনো আশাই নেই।

তিনি বলেন, ‘ভ্লাদিমির পুতিন আসলে একটু সম্মান চান। আমিও মনে করি তিনি সম্মান পাওয়ার যোগ্য।’

রাশিয়া ও ইউক্রেন নিয়ে শোনবাখের এসব মন্তব্য পরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়ে যায়। এরই ধারাবাহিকতায় এল তার পদত্যাগের খবরও।

পদত্যাগ প্রসঙ্গে শনিবার শোয়েনবাখ বলেন, ‘নিজের বক্তব্য নিয়ে আরও ক্ষতি এড়ানোর জন্য আমি পদত্যাগ করছি। এটি শিগগিরই কার্যকর হবে।’

আরও পড়ুন:
গণমাধ্যমকর্মী আইনের খসড়া সংসদে উঠছে
সাংবাদিকের ওপর চেয়ারম্যানের ছেলের ‘হামলা’

শেয়ার করুন

সিদ্ধিরগঞ্জে পিটিয়ে হত্যা, ৩ আসামি কারাগারে

সিদ্ধিরগঞ্জে পিটিয়ে হত্যা, ৩ আসামি কারাগারে

সিদ্ধিরগঞ্জে হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার তিন আসামিকে কারাগারে পাঠিয়েছে আদালত। ছবি: নিউজবাংলা

সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ওসি জানান, সুফিয়ান নামের এক যুবককে পিটিয়ে ও শ্বাসরোধ করে হত্যা মামলার তিন আসামিকে গুলিস্তান সিটি প্লাজা মার্কেট এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

নারায়ণগঞ্জে মোটরসাইকেলকে পিকনিক বাসের সাইড না দেয়া নিয়ে যাত্রীদের সঙ্গে তর্কাতর্কির জেরে মোহাম্মদ সুফিয়ান নামে এক যুবককে পিটিয়ে হত্যা মামলার তিন আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

রোববার বিকেলে গ্রেপ্তারকৃত তিন জনকে সাত দিন করে রিমান্ডের আবেদন চেয়ে আদালতে নেয় পুলিশ। বিচারক শুনানির দিন ধার্য করে তাদেরকে কারাগারে পাঠিয়েছেন।

এর আগে সকালে রাজধানীর গুলিস্তান থেকে তাদেরকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

গ্রেপ্তরকৃতরা হলেন, মুন্সিগঞ্জের লৌহগঞ্জের কলমা এলাকার মো. সবুজ, পটুয়াখালীর কলাপাড়ার রহমতপুর এলাকার মো. শাকিল এবং শরীয়তপুরের সখীপুরের চরপাড়া এলাকার জাহিদুল ইসলাম।

সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মশিউর রহমান জানান, সুফিয়ান নামের এক যুবককে পিটিয়ে ও শ্বাসরোধ করে হত্যা মামলার তিন আসামিকে গুলিস্তান সিটি প্লাজা মার্কেট এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বিকেলে তিন জনকে সাত দিন করে পুলিশ রিমান্ড চেয়ে আদালতে পাঠানো হয়। বিচারক শুনানির দিন ধার্য করে তাদেরকে জেল হাজতে পাঠিয়েছেন।

পুলিশ জানায়, বুধবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে সিদ্ধিরগঞ্জের সানারপাড়ের পিডিকে পেট্রোল পাম্পের সামনে মোটরসাইকেলকে বাসের সাইড না দেয়া নিয়ে পিকনিক যাত্রীদের সঙ্গে তর্কাতর্কি হয় মোহাম্মদ সুফিয়ান নামে এক যুবকের। এক পর্যায় তাকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ ওঠে পিকনিকের গাড়ির চালক-হেলপার ও যাত্রীদের বিরুদ্ধে।

এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার দুপুরে সুফিয়ানের চাচা জজ মিয়া বাদী হয়ে গাড়ির চালক-হেলপারসহ ২০-২৫ জনকে আসামি করে সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় হত্যা মামলা করেন।

আবু সুফিয়ান সিদ্ধিরগঞ্জের মিজমিজি পশ্চিমপাড়া এলাকার আহাম্মদ আলীর ছেলে।

আরও পড়ুন:
গণমাধ্যমকর্মী আইনের খসড়া সংসদে উঠছে
সাংবাদিকের ওপর চেয়ারম্যানের ছেলের ‘হামলা’

শেয়ার করুন

সড়কে প্রাণ গেল শিশুর, নানা-নানিসহ আহত ৩

সড়কে প্রাণ গেল শিশুর, নানা-নানিসহ আহত ৩

প্রতীকী ছবি

পুলিশ জানায়, সন্ধ্যায় সিএনজিচালিত অটোরিকশায় নানা-নানির সঙ্গে এক স্বজনের বাড়িতে বেড়াতে যাচ্ছিল নাঈম। পথে একটি ভ্যানের সঙ্গে অটোরিকশার সংঘর্ষে ছিটকে পড়ে নাঈম। তাকে হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

ঢাকার ধামরাইয়ে ব্যাটারিচালিত ভ্যান ও ইজিবাইকের সংঘর্ষে নাঈম খান নামের তৃতীয় শ্রেণীর এক শিক্ষার্থী নিহত হয়েছে। এতে আহত হয়েছেন আরও তিনজন।

রোববার সন্ধ্যা ৭টার দিকে উপজেলার ভাড়ারিয়া ইউনিয়নের শাইলবাড়ী এলাকায় দুর্ঘটনাটি ঘটে।

রাতে ধামরাই থানার উপপরিদর্শক রশিদ উদ্দিন নিউজবাংলাকে এই তথ্য নিশ্চিত করেন।

তিনি জানান, নাঈম মানিকগঞ্জ সদরের ফাঁড়িরচর গ্রামের রফিক খানের ছেলে। সে ধামরাইয়ের কুল্লা ইউনিয়নের কাইজার কুণ্ডু গ্রামে নানা দেলোয়ার হোসেনের বাড়িতে থাকতো। শিশুটি কাইজার কুন্ডু সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছাত্র ছিল।

রশিদ উদ্দিন জানান, সন্ধ্যায় সিএনজিচালিত অটোরিকশায় নানা মোজাম্মেল হক ও নানির সঙ্গে এক স্বজনের বাড়িতে বেড়াতে যাচ্ছিল নাঈম। ভাড়ারিয়া ইউনিয়নের শাইলবাড়ী এলাকায় পৌঁছালে একটি ভ্যানের সঙ্গে তাদের অটোরিকশার সংঘর্ষ হয়।

এতে অটোরিকশার সামনে বসা নাঈম ছিটকে সড়কে পাশে দেয়ালের সঙ্গে ধাক্কা লেগে মাথায় আঘাতপ্রাপ্ত হয়।

এ সময় সিএনজিতে থাকা তার নানা, নানি ও ভ্যানচালকও আহত হন। তাদের উদ্ধার করে ধামরাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে চিকিৎসক নাঈমকে মৃত ঘোষণা করেন।

পুলিশ কর্মকর্তা রশিদ উদ্দিন বলেন, ‘মরদেহ থানায় রাখা হয়েছে। তার পরিবারের সঙ্গে কথা বলে এ বিষয়ে আইনে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।’

আরও পড়ুন:
গণমাধ্যমকর্মী আইনের খসড়া সংসদে উঠছে
সাংবাদিকের ওপর চেয়ারম্যানের ছেলের ‘হামলা’

শেয়ার করুন

নাট্যকর্মীদের প্রতি রামেন্দুর খোলা চিঠি

নাট্যকর্মীদের প্রতি রামেন্দুর খোলা চিঠি

নাট্যব্যক্তিত্ব রামেন্দু মজুমদার। ছবি: সংগৃহীত

নিউজবাংলাকে রামেন্দু মজুমদার লিখেছেন, ‘এখন নাটক নয়, তথাকথিত ক্ষমতার রাজনীতিই প্রধান হয়ে উঠেছে। জাতীয় নির্বাচনের মতো ফেডারেশনের নির্বাচনে প্রার্থীরা দেশব্যাপী ঘুরে প্রচার চালান। প্রতিনিধিরা ঢাকায় এলে তাদের থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থা করেন। কেবল ভোটের আশায়। কী এমন মধু আছে ফেডারেশনে আমি বুঝতে পারি না।’

টাকা আত্মসাৎসহ নানা অভিযোগে বাংলাদেশ গ্রুপ থিয়েটার ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক কামাল বায়েজীদকে শনিবার দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়।

এমন খবরে বিষ্ময় প্রকাশ করেছেন দেশের বরেণ্য নাট্য ব্যক্তিত্ব রামেন্দু মজুমদার। এ বিষয়ের উল্লেখ করে রোববার তিনি একটি খোলা চিঠি লিখেছেন। তা প্রকাশ পেয়েছে থিয়েটার বিষয়ক পত্রিকা ‘ক্ষ্যাপা’-এর ফেসবুক পেজে।

খোলা চিঠিতে রামেন্দু লেখেন-

প্রিয় স্বজন,

বাংলাদেশ গ্রুপ থিয়েটার ফেডারেশনকে কেন্দ্র করে বর্তমানে যা ঘটছে, তা জানতে পেরে আমি অত্যন্ত মর্মাহত। অনেকেই আমাকে টেলিফোন করে এ অবস্থার নিরসনে ভূমিকা রাখার অনুরোধ করেছেন। সেই প্রেক্ষিতে আমি সংবাদপত্রে প্রকাশ করে জনসমক্ষে আমাদের নিজেদের অনাকাঙ্ক্ষিত চেহারাটা তুলে না ধরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের সহায়তায় আপনাদের কাছে আমার ব্যক্তিগত মতামত ব্যক্ত করছি।

দীর্ঘদিন ধরেই আমি ফেডারেশনের ব্যাপারে নির্লিপ্ত। থিয়েটার পত্রিকার সম্পাদক হিসেবে ১৯৮০ সালে আমার আহ্বানে নাট্যকর্মীরা সভায় মিলিত হয়ে ফেভারেশন গঠনে একমত হন এবং আমি প্রথম চেয়ারম্যান নির্বাচিত হই। তাই সংকটকালে একটা দায়িত্ববোধ অনুভব করছি।

আমরা প্রতিষ্ঠাকালে যে ফেডারেশনের স্বপ্ন দেখেছিলাম, আজকের পরিস্থিতি আমাদের কল্পনারও অতীত ছিল। অনেক কষ্ট করে সব মত ও পথের মানুষকে ফেডারেশনের পতাকাতলে এক করে সংগঠনকে নাট্যকর্মীদের একটি বিশাল শক্তি হিসেবে গড়ে তুলতে পেরেছিলাম। কোনো সরকারি আর্থিক অনুদান ছাড়া নিজেরা পরিশ্রম করে বিভিন্ন জায়গা থেকে অর্থ সংগ্রহ করে দীর্ঘদিন ফেডারেশনের কাজকর্ম চালিয়েছি। আমরা সমবয়সী হলেও একে অন্যের সিদ্ধান্ত মেনে চলেছি, অন্যের মতামতকে শ্রদ্ধা করেছি।

এখন দেখছি- নাটক নয়, তথাকথিত ক্ষমতার রাজনীতিই প্রধান হয়ে উঠেছে। জাতীয় নির্বাচনের মতো ফেডারেশনের নির্বাচনে প্রার্থীরা দেশব্যাপী ঘুরে প্রচার চালান। প্রতিনিধিরা ঢাকায় এলে তাদের থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থা করেন। কেবল ভোটের আশায়। কী এমন মধু আছে ফেডারেশনে আমি বুঝতে পারি না।

বর্তমানে ফেডারেশনের কর্তা ব্যক্তিদের এই বিরোধ জনসমক্ষে নাট্যকর্মীদের ভাবমূর্তিকে চরমভাবে কালিমালিপ্ত করেছে। এর দায় নাট্যকর্মীরা কেন নেবেন? তারা সুন্দর পরিবেশে নাটক করতে চান, নোংরা রাজনীতি চান না।

এমন অবস্থায় আমার ব্যক্তিগত মত হচ্ছে, অনির্দিষ্টকালের জন্য বাংলাদেশ গ্রুপ থিয়েটার ফেডারেশনের সব কর্মকাণ্ড স্থগিত করা হোক। এবং ব্যাংক অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করে রাখা হোক। গঠনতান্ত্রিক উপায়ে কাজটি করার জন্য ফেডারেশনের একটি জরুরি সাধারণ সভা আহ্বান করে এসব সিদ্ধান্ত নিতে হবে। বর্তমান নির্বাহী ও কেন্দ্রীয় পরিষদ বাতিল করে ৭/৮ জনের একটি অ্যাডহক কমিটি করে দেয়া যেতে পারে, যারা বেশ কিছুদিন পর পরিস্থিতি শীতল হলে ফেডারেশনকে ঢেলে সাজিয়ে নতুনভাবে যাত্রা শুরু করবেন।

আবারও বলছি, এটা একান্তই আমার ব্যক্তিগত মত। সিদ্ধান্ত নেয়ার ক্ষমতা ফেডারেশনের সাধারণ সদস্যদের। আমরা কোনোভাবেই চাই না নাট্যকর্মীদের এমন একটি প্রতিষ্ঠান নষ্ট হয়ে যাক।

আসুন সবাই নিজ নিজ দলের নাট্যকর্মে মনোযোগ দেই। কারণ আমাদের প্রধান কাজ নাটক করা, নাটক নিয়ে রাজনীতি করা নয়। অতিমারিকালে সব সতর্কতা অবলম্বন করবেন। আপনাদের সবার মঙ্গল কামনা করি।

প্রীতি ও শুভেচ্ছান্তে,

রামেন্দু মজুমদার

আরও পড়ুন:
গণমাধ্যমকর্মী আইনের খসড়া সংসদে উঠছে
সাংবাদিকের ওপর চেয়ারম্যানের ছেলের ‘হামলা’

শেয়ার করুন

‘প্রভাষককে পিটিয়ে অব্যাহতিপত্রে সই নিলেন অধ্যক্ষ’

‘প্রভাষককে পিটিয়ে অব্যাহতিপত্রে সই নিলেন অধ্যক্ষ’

চৌরাট-শিবপুর বরেন্দ্র ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ দীপক কুমার সরকার। ছবি: সংগৃহীত

রশিদের ফোনে রেকর্ড করা অডিওতে শোনা যায়, দীপক কুমার তাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করছেন এবং অব্যাহতিপত্রে সই করতে চাপ দিচ্ছেন। ১৫ মিনিটের ওই অডিওতে অধ্যক্ষ তাকে চড়থাপ্পড় মারছেন, এমন শব্দও শোনা যায়।

নওগাঁর পত্নীতলার চৌরাট-শিবপুর বরেন্দ্র ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ দীপক কুমার সরকারের বিরুদ্ধে ওই কলেজের প্রভাষক আবদুর রশিদকে মারধর করে অব্যাহতিপত্রে সই নেয়ার অভিযোগ উঠেছে।

কলেজের ইসলাম শিক্ষা বিভাগের প্রভাষক আবদুর রশিদ অভিযোগের সত্যতা প্রমাণের জন্য ঘটনার সময় ধারণ করা ১৫ মিনিটের অডিও উপস্থাপন করেছেন।

আবদুর রশিদ বলেন, ‘অধ্যক্ষ দীপক কুমার সরকারের বিরুদ্ধে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা (মাওশি) অধিদপ্তরের মহাপরিচালসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরে অভিযোগ করায় রোববার বেলা ২টার দিকে কলেজে নিজ কক্ষে ডেকে নিয়ে তিনি আমাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন। তিনি আমার শরীরেও আঘাত করেন বেশ কয়েকবার।

‘এ রকম কিছু ঘটতে পারে, আঁচ করতে পেরে অধ্যক্ষের কক্ষে প্রবেশের আগেই মোবাইল ফোনের অডিও রেকর্ড চালু রাখি। আমাকে মারধর করে অব্যাহতিপত্রে সই নিয়ে দ্রুত নওগাঁ ছাড়ার নির্দেশ দেন তিনি।’

রশিদ আরও বলেন, ‘থানা পুলিশ ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে অভিযোগ করলে মেরে ফেলার হুমকিও দেন অধ্যক্ষ। প্রাণভয়ে বিকেলে নওগাঁ ছেড়ে মানিকগঞ্জে আমার গ্রামের বাড়িতে রওনা দিয়েছি।

‘বিষয়টি আমি মৌখিকভাবে পত্নীতলার ইউএনও এবং থানার ওসিকে জানিয়েছি। তারা অভিযোগটি লিখিতভাবে জানাতে বলেছেন। দু-একদিনের মধ্যে এ বিষয়ে থানা এবং কলেজ পরিচালনা কমিটির সভাপতি ইউএনওর কাছে লিখিত অভিযোগ করব।’

নওগাঁয় নিরাপত্তা নিয়ে চরম শঙ্কা বোধ করছেন বলে জানান প্রভাষক আবদুর রশিদ।

রশিদের ফোনে রেকর্ড করা অডিওতে শোনা যায়, দীপক কুমার তাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করছেন এবং অব্যাহতিপত্রে সই করতে চাপ দিচ্ছেন। ১৫ মিনিটের ধারণ করা অডিওতে অধ্যক্ষ তাকে চড়থাপ্পড় মারছেন, এমন শব্দও শোনা যায়।

চৌরাট-শিবপুর বরেন্দ্র ডিগ্রি কলেজ সূত্রে জানা যায়, আবদুর রশিদের বাড়ি মানিকগঞ্জের দৌলতপুর উপজেলার দৌলতপুর গ্রামে। তিনি লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে ইসলাম শিক্ষা বিভাগে ডিগ্রির তৃতীয় শিক্ষক হিসেবে ২০১৫ সালের ৭ নভেম্বর যোগদান করেন। ২০২১ সালের ৭ নভেম্বর মাওশি প্রকাশিত তালিকায় ডিগ্রি তৃতীয় শিক্ষক হিসেবে তার নাম রয়েছে।

অভিযোগে জানা যায়, আবদুর রশিদ ডিগ্রি তৃতীয় শিক্ষক হিসেবে অনুমোদন পাওয়ার পর দীপক কুমার তার জায়গায় অন্য একজনকে নিয়োগ দেয়ার পাঁয়তারা করেন। তাকে কলেজে যেতে নিষেধ করে দেন। গত বছরের ৯ ডিসেম্বর তিনি মাউশি মহাপরিচালক বরাবর লিখিত অভিযোগ করেন। সেই অভিযোগের অনুলিপি তিনি কলেজের সভাপতি ইউএনও এবং জেলা শিক্ষা কর্মকর্তাকে দেন।

অভিযোগের বিষয়ে দীপক কুমার সরকার বলেন, ‘আবদুর রশিদ পদত্যাগ করেছেন। দুপুরে অবশ্য আমাদের মধ্যে হালকা কথাকাটাকাটি হয়েছে। তাকে মারধর বা গালিগালাজ কিছুই করা হয়নি।’

মারধর করে অব্যাহতিপত্রে সই নিতে বাধ্য করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন আবদুর রশিদ- এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি ‘এসব ভিত্তিহীন’ বলেই ফোন কেটে দেন।

ওই কলেজের সভাপতি ইউএনও লিটন সরকার বলেন, ‘প্রভাষক আবদুর রশিদ লাঞ্ছিত হওয়ার বিষয়টি আমাকে মৌখিকভাবে জানিয়েছেন। লিখিত অভিযোগ দিলে এ বিষয়ে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

ওই অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে এর আগেও একজন একই ধরনের অভিযোগ করেছেন বলে জানান ইউএনও।

আরও পড়ুন:
গণমাধ্যমকর্মী আইনের খসড়া সংসদে উঠছে
সাংবাদিকের ওপর চেয়ারম্যানের ছেলের ‘হামলা’

শেয়ার করুন

রাশিয়াকে আবারও চোখ রাঙাল আমেরিকা

রাশিয়াকে আবারও চোখ রাঙাল আমেরিকা

সিএনএন সঞ্চালিকা ডানা বেশ ও আমেরিকার পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিংকেন। ছবি: সিএনএন

ধারণা করা হচ্ছে, ইউক্রেন সীমান্তে লক্ষাধিক সেনার সমাবেশ ঘটিয়েছে রাশিয়া। রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন দেশটিতে যে কোনো মুহূর্তে হামলার নির্দেশ দিতে পারেন, এমনটাই ভাবছে আমেরিকা ও তার মিত্রশক্তিগুলো।

ইউক্রেনে সম্ভাব্য রুশ আগ্রাসন নিয়ে কড়া হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন আমেরিকান পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিংকেন। বলেছেন, ইউক্রেনে যদি রুশ বাহিনীর আর একটি দলও প্রবেশ করে তবে তার তাৎক্ষনিক এবং সমুচিত জবাব দেবে আমেরিকা ও তার মিত্র শক্তিগুলো।

রোববার সিএনএন সঞ্চালক ডানা-বেশের সঙ্গে এক সাক্ষাতকারে এই হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন আমেরিকার পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

ব্লিংকেন এমন এক সময়ে রাশিয়াকে হুমকি দিলেন যখন দেশটি ইউক্রেন সীমান্তে লক্ষাধিক সেনা জড়ো করেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

এই হুমকির মধ্য দিয়ে ইউক্রেন ইস্যুতে আমেরিকার অবস্থান আবারও পরিষ্কার করলেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

এর আগে গত কিছুদিন ধরেই ধারাবাহিকভাবেই রাশিয়াকে একের পর এক হুমকি দিয়ে আসছে আমেরিকান কর্তৃপক্ষ। গত সপ্তাহেই দেশটির প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনও একই ধরনের হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন। এ ক্ষেত্রে রাশিয়ার ক্ষুদ্র অনুপ্রবেশেও অকল্পনীয় জবাব দেয়ার কথা বলেন তিনি।

বাইডেন বলেন, ‘রাশিয়া যদি ইউক্রেন আক্রমণ করে তাহলে আপনারা সবাই দেখবেন যুক্তরাষ্ট্র কি করে। তাই পুরো বিষয়টি নির্ভর করছে রাশিয়ার পদক্ষেপের ওপর।’

গত ২০ জানুয়ারি ক্ষমতায় আসার এক বছর পূর্তিতে নিজ কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে বাইডেন বলেন, ‘আমার ধারণা, পুতিন ইউক্রেনে হামলা চালাতে চান। যুক্তরাষ্ট্রকে পরীক্ষার জন্যও তিনি এমন করতে পারেন।’

বাইডেন পরে এই বিষয়টি আরও পরিস্কার করে বলেন, ‘রুশ সেনারা যদি ইউক্রেনের সীমান্তে পা রাখে তবে এটিকে আগ্রাসন হিসেবে বিবেচনা করা হবে।’

পরবর্তীতে গত সপ্তাহেই রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী সেরগেই ল্যাভরভের সঙ্গে এক বৈঠকে আমেরিকার পররাষ্ট্রমন্ত্রী ব্লিংকেনও একই ধরনের সতর্কতা উচ্চারণ করেন।

সর্বশেষ রোববার ব্লিংকেন এটাও পরিস্কার করেন যে, তড়িঘরি করে রাশিয়ার ওপর কোনো নিষেধাজ্ঞা আরোপ করবে না আমেরিকা ও তার ইউরোপিয়ান মিত্র শক্তিগুলো। যদিও সীমান্তে সৈন্য মোতায়েন করার জন্য ইক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি রাশিয়ার বিরুদ্ধে এখনই পদক্ষেপ নেয়ার আহ্বান জানাচ্ছেন আমেরিকা ও ইউরোপের দেশগুলোকে।

ব্লিংকেন জানিয়ে দিয়েছেন, নিষেধাজ্ঞা হোক আর হামলাই হোক রাশিয়া আগ্রাসন শুরু করলেই কেবল তার সূচনা হবে। আর এটা করা হবে ইউরোপ ও ন্যাটোকে সঙ্গে নিয়ে।

আরও পড়ুন:
গণমাধ্যমকর্মী আইনের খসড়া সংসদে উঠছে
সাংবাদিকের ওপর চেয়ারম্যানের ছেলের ‘হামলা’

শেয়ার করুন

নায়করাজের ব্যবহৃত জিনিসপত্র ফিল্ম মিউজিয়ামে

নায়করাজের ব্যবহৃত জিনিসপত্র ফিল্ম মিউজিয়ামে

নায়করাজ রাজ্জাকের ব্যবহৃত জিনিসপত্র রোববার বাংলাদেশ ফিল্ম আর্কাইভের মিউজিয়াম কর্তৃপক্ষের কাাছে হস্তান্তর করেন সম্রাট। ছবি: নিউজবাংলা

প্রয়াত রাজ্জাকের ব্যবহৃত ব্লেজার, চশমা, পাঞ্জাবি ও ক্যাপ হস্তান্তর করেন সম্রাট। এগুলো গ্রহণ করেন বাংলাদেশ ফিল্ম আর্কাইভের মহাপরিচালক মো. নিজামূল কবীর।

বাংলা চলচ্চিত্রের নায়করাজ রাজ্জাকের ব্যবহৃত জিনিসপত্র বাংলাদেশ ফিল্ম আর্কাইভের মিউজিয়ামে সংরক্ষণ করা হচ্ছে।

নায়করাজ রাজ্জাকের ৮০তম জন্মদিন উপলক্ষে রোববার তার ছোট ছেলে অভিনেতা সম্রাট পরিবারের পক্ষ থেকে এসব জিনিসপত্র মিউজিয়াম কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করেন। ফিল্ম আর্কাইভের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।

প্রয়াত রাজ্জাকের ব্যবহৃত ব্লেজার, চশমা, পাঞ্জাবি ও ক্যাপ হস্তান্তর করেন সম্রাট। এগুলো গ্রহণ করেন বাংলাদেশ ফিল্ম আর্কাইভের মহাপরিচালক মো. নিজামূল কবীর।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ফিল্ম আর্কাইভের পরিচালক ড. মোফাকখারুল ইকবাল, সহকারী পরিচালক মনিরুজ্জামান, ফিল্ম অফিসার মো. ফখরুল আলম, গবেষক ও লেখক মীর শামসুল আলম বাবুসহ আরও অনেকে।

১৯৪২ সালে কলকাতায় জন্মগ্রহণ করেন নায়করাজ রাজ্জাক। ২০১৭ সালের ২১ আগস্ট না ফেরার দেশে চলে যান তিনি।

জানা গেছে, বাংলাদেশ ফিল্ম আর্কাইভ চলচ্চিত্রের মতো জনসংস্কৃতির সংরক্ষণের পাশাপাশি চলচ্চিত্রসংশ্লিষ্ট ক্যামেরা, সম্পাদনা মেশিন, সাউন্ড ফলোয়ার, স্টুডিওতে ব্যবহৃত সাউন্ডের যন্ত্রপাতি, চলচ্চিত্র অভিনেতা ও অভিনেত্রীদের ব্যবহৃত নানা ধরনের সামগ্রী ফিল্ম মিউজিয়ামে সংরক্ষণের জন্য সংগ্রহ করছে।

২০২০ সালে বাংলাদেশ ফিল্ম আর্কাইভের দ্বিতীয় তলায় ফিল্ম মিউজিয়াম স্থাপন করা হয়। এরই মধ্যে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশন, বাংলাদেশ শর্ট ফিল্ম ফোরাম, শ্রুতি রেকডিং স্টুডিও, চলচ্চিত্র পরিচালক, চিত্রগ্রাহক এম এ সামাদ, সালাউদ্দিন, অভিনেত্রী সুলতানা জামান, চলচ্চিত্র পরিচালক-প্রযোজক চাষী নজরুল ইসলাম, অভিনেতা আজিম, অভিনেত্রী সুজাতাসহ চলচ্চিত্র ব্যক্তিত্বদের ব্যবহৃত দ্রব্যাদি ও যন্ত্রপাতি বাংলাদেশ ফিল্ম আর্কাইভের মিউজিয়ামে সংরক্ষণ করা হয়েছে।

আরও পড়ুন:
গণমাধ্যমকর্মী আইনের খসড়া সংসদে উঠছে
সাংবাদিকের ওপর চেয়ারম্যানের ছেলের ‘হামলা’

শেয়ার করুন