× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
Mercantile is a great UCB City surprise
google_news print-icon

মার্কেন্টাইল দারুণ, ইউসিবি-সিটির চমক

মার্কেন্টাইল-দারুণ-ইউসিবি-সিটির-চমক
মার্কেন্টাইল ব্যাংকের আয় গত বছরের তুলনায় বেড়েছে ৭৫ শতাংশের বেশি। ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ও সিটি ব্যাংকের আয় বেড়েছে ৫৫ শতাংশের বেশি। শাহজালাল ইসলামী ব্যাংকের আয়ও বেড়েছে প্রায় ৫০ শতাংশ।

করোনার দ্বিতীয় বছরেও পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত বেশির ভাগ ব্যাংকের পরিচালন মুনাফা বেড়েছে ব্যাপক হারে।

গত ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত বছরে সবগুলো ব্যাংকের চূড়ান্ত হিসাব এখনও পাওয়া যায়নি। তবে যেসব ব্যাংকের হিসাব পাওয়া গেছে, সেগুলোর মধ্যে সিংহভাগের মুনাফাই বাড়তে দেখা গেছে।

নিউজবাংলা মোট ২৩টি ব্যাংকের ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত অর্থবছরের মুনাফার তথ্য জানতে পেরেছে। এর মধ্যে ২০টি পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত, বাকি তিনটির মধ্যে একটি তালিকাভুক্ত হতে প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের মাধ্যমে টাকা তুলছে।

এই ব্যাংকগুলোর মধ্যে কেবল দুটি ব্যাংকের পরিচালন মুনাফা গত বছরের চেয়ে কম হয়েছে। বাকি সবগুলোর আয় বেশি হয়েছে।

এর মধ্যে মার্কেন্টাইল ব্যাংকের আয় গত বছরের তুলনায় বেড়েছে ৭৫ শতাংশের বেশি। ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ও সিটি ব্যাংকের আয় বেড়েছে ৫৫ শতাংশের বেশি। শাহজালাল ইসলামী ব্যাংকের আয়ও বেড়েছে প্রায় ৫০ শতাংশ।

প্রাথমিক তথ্য বলছে, ব্যাংকগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ভালো করেছে মার্কেন্টাইল; গত বছরের তুলনায় মুনাফা তিন-চতুর্থাংশ বাড়াতে পেরেছে তারা। তবে টাকার অঙ্কে সবচেয়ে বেশি পরিচালন মুনাফা করেছে বরাবরের মতোই ইসলামী ব্যাংক। তবে মুনাফার প্রবৃদ্ধি খুব একটা বেশি নয়।

২০২০ সালে করোনার প্রথম বছরে ব্যাংকগুলোর পরিচালন মুনাফার বড় ধাক্কা লাগলেও চূড়ান্ত মুনাফা বেড়ে গিয়েছিল।

গত জানুয়ারি থেকে মার্চ পর্যন্ত প্রথম প্রান্তিক, এপ্রিল থেকে জুন পর্যন্ত দ্বিতীয় প্রান্তিক, জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত তৃতীয় প্রান্তিকে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ব্যাংকগুলোর প্রকাশিত হিসাবে দেখা যায়, ব্যাংকগুলোর সিংহভাগই দারুণ করেছে। চতুর্থ প্রান্তিকে অক্টোবর থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত এই ধারাবাহিকতা বজায় থাকে।

অবশ্য পরিচালন মুনাফা কোনো ব্যাংকের প্রকৃত মুনাফা নয়। আয় থেকে ব্যয় বাদ দিয়ে যে মুনাফা থাকে, সেটিই কোনো ব্যাংকের পরিচালন মুনাফা। এ মুনাফা থেকে খেলাপি ঋণ ও অন্যান্য সম্পদের বিপরীতে প্রভিশন (নিরাপত্তা সঞ্চিতি) সংরক্ষণ এবং সরকারকে কর পরিশোধ করতে হয়। প্রভিশন ও কর-পরবর্তী এ মুনাফাই হলো একটি ব্যাংকের প্রকৃত বা নিট মুনাফা।

ব্যাংকের মুনাফা বৃদ্ধিতে ভূমিকা রেখেছে করোনা নিয়ন্ত্রণে আসার পর আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যে জোয়ার।

নভেম্বর পর্যন্ত ২০২১ সালে বাংলাদেশের আমদানি ৫৩ দশমিক ৭৪ শতাংশ বেড়ে ছাড়িয়েছে ৩ হাজার কোটি ডলারে। ডিসেম্বরের হিসাব এখনও পাওয়া যায়নি। তবে নভেম্বরের প্রবণতার ভিত্তিতে বছরের শেষ মাসে ৮ বিলিয়ন বা ৮০০ কোটি ডলার ছাড়িয়ে যাওয়ার আশা করছেন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কর্মকর্তারা।

মার্কেন্টাইল দারুণ, ইউসিবি-সিটির চমক
ব্যাংকাররা বলছেন, করোনা নিয়ন্ত্রণে আসার পর আমদানি-রপ্তানির জোয়ারে এলসির কমিশন ব্যাংকের মুনাফা বাড়িয়েছে

অন্যদিকে নভেম্বর পর্যন্ত রপ্তানি হয়েছে ১৯ দশমিক ৮ বিলিয়ন ডলার। এর মধ্যে কেবল নভেম্বরেই হয়েছে ৪ দশমিক শূন্য ৪ বা ৪০৪ কোটি ডলার। এই প্রবণতার ভিত্তিতে গোটা বছরে রপ্তানি ২৫ বিলিয়ন ডলারের আশপাশে হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

আমদানি ও রপ্তানি- এই দুই ক্ষেত্রে ব্যাংকগুলো কমিশন পায়।

আরেকজন শীর্ষস্থানীয় ব্যাংকার বলেন, ‘করোনার সময় ব্যাংকগুলো ভয়ে খরচ অনেক কমিয়েছে। ডিপোজিটের বিপরীতে সুদহারও কমেছে। অন্যদিকে আমদানি-রপ্তানি বাড়ায় এলসি বাবদ আয় হয়েছে অনেক বেশি। এ কারণে ব্যাংকগুলো এবার ভালো মুনাফা করেছে।

পাশাপাশি করোনা নিয়ন্ত্রণে আসার পর দুই বছরের মধ্যে প্রথমবারের মতো বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি ছাড়িয়েছে দুই অঙ্কের ঘর।

এর পাশাপাশি করোনার দ্বিতীয় বছরেও ব্যাংকগুলোকে দেয়া ছাড় মুনাফা স্ফীত হওয়ার ক্ষেত্রে অবদান রেখেছে।

এই ছাড়ের বিষয়ে ব্যাংক নির্বাহীদের সংগঠন অ্যাসোসিয়েশন অফ ব্যাংকার্স বাংলাদেশের (এবিবি) চেয়ারম্যান ও ব্র্যাক ব্যাংকের এমডি সেলিম আর এফ হোসেন নিউজবাংলাকে বলেন, ‘করোনার কারণে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ ব্যাংক নীতিসহায়তায় বেশ কিছু ছাড় দিয়েছে। ফলে মুনাফায় সেটার প্রভাব পড়েছে।’

তিনি বলেন, ‘২০২০ সালে পরিশোধ না করলেও কোনো ঋণই খেলাপি করা হয়নি। ২০২১ সালে ২৫ শতাংশ পরিশোধে খেলাপি না করার নির্দেশ দেয়া হয়। এসব ছাড়ের ফলে অধিকাংশ ব্যাংকই প্রয়োজনীয় প্রভিশন সংরক্ষণ করেনি।’

এবার বছরের শেষ ভাগে বাংলাদেশ ব্যাংকের একটি নির্দেশনা ব্যাংকের পরিচালন মুনাফা বাড়াতে সহায়তা করেছে। ব্যাংকের সুদকে আয় হিসেবে দেখাতে বিশেষ সুবিধা দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। ব্যাংকগুলো কোনো একক গ্রাহকের কাছ থেকে ২০২১ সালে যে সুদ আদায়ের লক্ষ্য ঠিক করেছে, তার ২৫ শতাংশ যদি আদায় করতে পারে, তাহলে ওই গ্রাহকের কাছ থেকে সুদ বাবদ পাওয়া অর্থের পুরোটাকে আয় হিসেবে দেখাতে পারবে।

নতুন নির্দেশনার ফলে ব্যাংকগুলোর মুনাফা করা সহজ হয়েছে। কারণ সাধারণত পুরো টাকা আদায় না হলে তা খেলাপি হয়ে যায়। সুদও আয় খাতে নেয়া যায় না।

তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে পরিচালন মুনাফা ব্যাংকের জন্য বড় বিষয় নয় বলে মনে করেন এবিবির চেয়ারম্যান। তিনি বলেন, ‘এখন সময় হলো সম্পদের গুণগত মান ঠিক রেখে মূলধনের ভিত শক্তিশালী রাখা। ব্যাংক কখনই স্বল্পমেয়াদি কোনো ব্যবসা নয়। গ্রাহকদের আস্থা ও বিশ্বাস অটুট রেখে দীর্ঘমেয়াদে টিকে থাকাই যেকোনো ব্যাংকের বড় সফলতা।’

কোন ব্যাংক কী হারে ‍মুনাফা বাড়াল

মার্কেন্টাইল ব্যাংক এবার মুনাফা করেছে ৭২২ কোটি টাকা। গত বছর পরিচালন মুনাফা ছিল ৪১১ কোটি টাকা। মুনাফা বেড়েছে ৩১১ কোটি বা ৭৫ দশমিক ৬৬ কোটি টাকা।

ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক গত বছর পরিচালন মুনাফা করেছিল ৭০০ কোটি টাকা। ৫৭ দশমিক ১৪ শতাংশ বেড়ে এবার মুনাফা দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ১০০ কোটি টাকা।

সিটি ব্যাংকের মুনাফায়ও ব্যাপক উত্থান হয়েছে। এ কোম্পানিটি এবার আয় করেছে ১ হাজার ১০১ কোটি টাকা। গত বছর মুনাফা ছিল ৭০৪ কোটি টাকা। মুনাফা বেড়েছে ৩৯৭ কোটি টাকা বা ৫৬ দশমিক ৩৯ শতাংশ।

মার্কেন্টাইল দারুণ, ইউসিবি-সিটির চমক
এখন পর্যন্ত প্রাপ্ত তথ্যে মুনাফার প্রবৃদ্ধিতে এগিয়ে থাকা ৫ ব্যাংক

শাহজালাল ইসলামী ব্যাংক মুনাফা করেছে ৭১৭ কোটি টাকা, ২০২০ সালে যা ছিল ৪৮১ কোটি টাকা। মুনাফা বেড়েছে ২৩৬ কোটি টাকা বা ৪৯ দশমিক শূন্য ৬ শতাংশ।

প্রিমিয়ার ব্যাংক এবার পরিচালন মুনাফা করেছে ৮৮১ কোটি টাকা, যা গত বছর ছিল ৬০০ কোটি টাকা। বেড়েছে ২৮১ কোটি টাকা বা ৪৬ দশমিক ৮৩ শতাংশ।

বড় প্রবৃদ্ধি হয়েছে ব্যাংক এশিয়ার আয়েও। গত বছর ব্যাংকটির পরিচালন মুনাফা ছিল ৭১০ কোটি টাকা। সেটি এবার বেড়ে হয়েছে এক হাজার ২ কোটি টাকা। বেড়েছে ২৯২ কোটি টাকা বা ৪১.১২ শতাংশ।

ওয়ান ব্যাংক এবার মুনাফা করেছে ৪৩৩ কোটি টাকা। গত বছর এই মুনাফা ছিল ৩১৫ কোটি টাকা। মুনাফা বেড়েছে ১১৮ কোটি টাকা। শতকরা হিসাবে প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৩৭ দশমিক ৪৬ ভাগ।

২০২০ সালে সাউথ ইস্ট ব্যাংকের পরিচালন মুনাফা ছিল ৭৭০ কোটি টাকা। সেটি এবার ছাড়িয়ে ১ হাজার ৫০ কোটি টাকা। বেড়েছে ২৮০ কোটি টাকা বা ৩৬ দশমিক ৩৬ শতাংশ।

এনআরবিসি ব্যাংক মুনাফা করেছে ৪৫০ কোটি টাকা, ২০২০ সালে যা ছিল ৩২৩ কোটি টাকা। মুনাফা বেড়েছে ১২৭ কোটি টাকা বা ৩৯ দশমিক ৩১ শতাংশ।

সাউথ বাংলা এগ্রিকালচার অ্যান্ড কমার্স ব্যাংক মুনাফা করেছে ২১০ কোটি টাকা, ২০২০ সালে যা ছিল ১৫২ কোটি টাকা। ব্যাংকটির মুনাফা বেড়েছে ৫৮ কোটি টাকা বা ৩৮ দশমিক ১৫ শতাংশ।

এনসিসি ব্যাংক মুনাফা করেছে ৭১৭ কোটি টাকা। ২০২০ সালে মুনাফা ছিল ৫৭৩ কোটি টাকা। অর্থাৎ মুনাফা বেড়েছে ১৪৪ কোটি টাকা বা ২৫ দশমিক ১৩ শতাংশ।

মার্কেন্টাইল দারুণ, ইউসিবি-সিটির চমক
এই ৬টি ব্যাংকের বেশিরভাগের আয় গত বছর আগের বছরের চেয়ে কমেছিল

২০২১ সালে পূবালী ব্যাংক মুনাফা করেছে ১ হাজার ১৪০ কোটি টাকা, ২০২০ সালে যা ছিল ৯৩৫ কোটি টাকা। মুনাফা ২০৫ কোটি টাকা বেড়েছে। শতকরা হারে মুনাফা বেড়েছে ২১ দশমিক ৯২ ভাগ।

ইস্টার্ন ব্যাংক বিদায়ী বছরে মুনাফা করেছে ১ হাজার ৫০ কোটি টাকা, ২০২০ সালে যা ছিল ৮৭০ কোটি টাকা। বছরের ব্যবধানে ১৮০ কোটি টাকা মুনাফা বেড়েছে। শতকরা হারে মুনাফা বেড়েছে ২০ দশমিক ৬৮ ভাগ।

যমুনা ব্যাংকের মুনাফা করেছে ৭৫০ কোটি টাকা, ২০২০ সালে যা ছিল ৬৩৭ কোটি টাকা। মুনাফা ১১৩ কোটি টাকা বেড়েছে। শতকরা হারে মুনাফা বেড়েছে ১৭ দশমিক ৭৩ ভাগ।

আল-আরাফাহ ইসলামী ব্যাংক মুনাফা করেছে ৭৫০ কোটি টাকা, ২০২০ সালে যা ছিল ৬৮০ কোটি টাকা। বছর শেষে মুনাফা ৭০ কোটি টাকা বেড়েছে। শতকরা হারে মুনাফা বেড়েছে ১০ দশমিক ২৯ ভাগ।

এসআইবিএল এবার পরিচালন মুনাফা করেছে ৫০৩ কোটি টাকা। গত বছর পরিচালন মুনাফা ছিল ৪৬০ কোটি টাকা। মুনাফা বেড়েছে ৪৩ কোটি টাকা বা ৯ দশমিক ৩৪ শতাংশ।

মার্কেন্টাইল দারুণ, ইউসিবি-সিটির চমক
এই ব্যাংকগুলোর মধ্যে কেবল একটি গত বছর আগের বছরের তুলনায় বেশি মুনাফা করতে পেরেছিল

এক্সিম ব্যাংক মুনাফা করেছে ৭৮০ কোটি টাকা, ২০২০ সালে যা ছিল ৭৪১ কোটি টাকা। মুনাফা ৩৯ কোটি টাকা বেড়েছে। শতকরা হারে মুনাফা বেড়েছে ৫ দশমিক ২৬ ভাগ।

বরাবরের মতো এবারও দেশের ব্যাংকগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি পরিচালন মুনাফা করেছে বেসরকারি খাতের ইসলামী ব্যাংক। ব্যাংকটি সদ্য বিদায়ী বছরে ২ হাজার ৪৩০ কোটি টাকা পরিচালন মুনাফা করেছে, যা ২০২০ সাল শেষে ছিল ২ হাজার ৩৫০ কোটি টাকা। মুনাফা ৮০ কোটি টাকা বেড়েছে। তবে শতকরা হারে মুনাফা বৃদ্ধির হার খুব একটা আকর্ষণীয় নয়, ৩ দশমিক ৪০ ভাগ।

একমাত্র ডাচ্-বাংলার আয় কমার তথ্য পাওয়া গেছে। এ ব্যাংকটি এবার মুনাফা করেছে ১ হাজার ১০০ কোটি টাকা। আগের বছর মুনাফা ছিল ১ হাজার ১৯০ কোটি টাকা। অর্থাৎ মুনাফা কমেছে ৯০ কোটি বা ৭ দশমিক ৫৬ শতাংশ।

সংকটে থাকা ন্যাশনাল ব্যাংকের মুনাফায় ধস নেমেছে। ব্যাংকটি এবার পরিচালন মুনাফা করেছে ২৪৮ কোটি টাকা। আগের বছর এই মুনাফা ছিল ৯৫০ কোটি টাকা। কমেছে ৬৭২ কোটি টাকা বা ৭৩ দশমিক ৮৯ শতাংশ।

তালিকাভুক্ত নয় যেগুলো

পুঁজিবাজারের বাইরে থাকা মেঘনা ব্যাংক মুনাফা করেছে ১০৫ কোটি টাকা, ২০২০ সালে যা ছিল ৭৩ কোটি টাকা। মুনাফা ৩২ কোটি টাকা বেড়েছে। শতকরা হারে মুনাফা বেড়েছে ৪৩ দশমিক ৮৩ ভাগ।

মার্কেন্টাইল দারুণ, ইউসিবি-সিটির চমক

ইউনিয়ন ব্যাংক মুনাফা করেছে ৩৭৫ কোটি টাকা, ২০২০ সালে যা ছিল ৩১৭ কোটি টাকা। মুনাফা বেড়েছে ৫৮ কোটি টাকা বা ১৮ দশমিক ২৯ শতাংশ। এই ব্যাংকটি তালিকাভুক্ত হতে প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের মাধ্যমে টাকা ‍তুলছে।

তালিকাভুক্ত নয়, এমন মিডল্যান্ড ব্যাংক মুনাফা করেছে ১৬২ কোটি টাকা, ২০২০ সালে যা ছিল ১২৫ কোটি টাকা। বছরের ব্যবধানে পরিচালন মুনাফা ৩৭ কোটি টাকা বা ২৯ দশমিক ৬০ শতাংশ বেড়েছে।

রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোর মধ্যে কেবল সোনালী ব্যাংকের হিসাব পাওয়া গেছে। এই ব্যাংকটির আয়ও বেড়েছে। গত জানুয়ারি থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত ব্যাংকটি ২ হাজার ২০৫ কোটি ২৩ লাখ টাকা আয় করেছে, যা টাকার অঙ্কে ইসলামী ব্যাংকের পরেই দ্বিতীয়। আগের বছর আয় ছিল ২ হাজার ১৭৫ কোটি টাকা।

আরও পড়ুন:
সাউথ বাংলাকে বোনাস শেয়ারের অনুমোদন
পতন টানা পাঁচ দিন, বিনিয়োগ এখন ব্যাংকমুখী
সাউথ বাংলার নতুন চেয়ারম্যান কাদির মোল্লা
খেলাপি ঋণ বাড়াল ২০ ব্যাংক, পুঁজিবাজারের ১৪টি
দুই শর্তে পুঁজিবাজারে আসছে ইউনিয়ন ব্যাংক

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
The government withdrew from the decision to increase the price of sugar

চিনির মূল্য বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত থেকে সরে এলো সরকার

চিনির মূল্য বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত থেকে সরে এলো সরকার প্রতি কেজি চিনির খুচরা মূল্য ১৪০ টাকা‍ই থাকছে। ফাইল ছবি
এর আগে সকালে বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প করপোরেশন (বিএসএফআইসি) চিনি উৎপাদনকারী রাষ্ট্রায়ত্ত মিলগুলোর কেজিতে ২০ টাকা বাড়িয়ে প্রতি কেজির সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য ১৬০ টাকা নির্ধারণ করে দেয়।

পবিত্র রমজানের আগমন ও মানুষের দুর্ভোগের কথা বিবেচনা করে চিনির দাম বাড়ানোর কয়েক ঘণ্টার মধ্যে সরকার তার সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসেছে।

শিল্প মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব জাকিয়া সুলতানা স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বৃহস্পতিবার রাতে এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়। খবর ইউএনবির

এতে বলা হয়, প্রতি কেজি চিনির খুচরা মূল্য ১৪০ টাকা আগের মূল্যের ভিত্তিতেই বিক্রি করা হবে।

এর আগে সকালে বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প করপোরেশন (বিএসএফআইসি) চিনি উৎপাদনকারী রাষ্ট্রায়ত্ত মিলগুলোর কেজিতে ২০ টাকা বাড়িয়ে প্রতি কেজির সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য ১৬০ টাকা নির্ধারণ করে দেয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বিএসএফআইসির উৎপাদিত চিনির আন্তর্জাতিক ও দেশীয় বাজারমূল্যের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বিক্রয়মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

আরও পড়ুন:
চিনির দাম কেজিতে ২০ টাকা বাড়ল
নেত্রকোণায় মজুত করা ৪৯৯ বস্তা ভারতীয় চিনি জব্দ
চোরাই পথে আসা ভারতীয় চিনি ঢুকছে সিলেটের বাজারে
চিনি ও সয়াবিন তেলের দাম কমল ৫ টাকা
চিনির দাম বাড়ানো অযৌক্তিক: ক্যাব

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Sugar price increased by Tk 20 per kg

চিনির দাম কেজিতে ২০ টাকা বাড়ল

চিনির দাম কেজিতে ২০ টাকা বাড়ল ফাইল ছবি
নতুন দর অনুযায়ী সরকারি মিলের চিনির সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য ১৬০ টাকা নির্ধারণ করেছে চিনি ও খাদ্য শিল্প করপোরেশন (বিএসএফআইসি)।

রমজান মাস সামনে রেখে এক লাফে কেজিতে ২০ টাকা বাড়ানো হলো চিনির দাম।

নতুন দর অনুযায়ী সরকারি মিলের চিনির সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য ১৬০ টাকা নির্ধারণ করেছে চিনি ও খাদ্য শিল্প করপোরেশন (বিএসএফআইসি)।

বৃহস্পতিবার বিএসএফআইসির বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আন্তর্জাতিক ও দেশীয় চিনির বাজারমূল্যের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বিএসএফআইসি কর্তৃক উৎপাদিত চিনির বিক্রয়মূল্য পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে। বাজারে রোজা উপলক্ষে চিনির বাজার নিয়ন্ত্রণে সরকারের সহযোগিতা প্রয়োজন।

এখন থেকে করপোরেশনের ৫০ কেজি বস্তাজাত চিনির মিলগেট বিক্রয়মূল্য ১৫০ টাকা (এক কেজি) ও ডিলার পর্যায়ে বিক্রয়মূল্য ১৫৭ টাকা (এক কেজি) নির্ধারণ করা হয়েছে।

এ ছাড়া করপোরেশনের ১ কেজি প্যাকেটজাত চিনির মিলগেট বা করপোরেট সুপারশপ বিক্রয়মূল্য ১৫৫ টাকা ও বিভিন্ন সুপারশপ, চিনি শিল্প ভবনের বেজমেন্টে ও বাজারে সর্বোচ্চ খুচরা বিক্রয়মূল্য ১৬০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

এর আগে কেজিপ্রতি ১৪০ টাকা চিনির মূল্য নির্ধারণ করে সংস্থাটি। তবে বাজারে এর থেকে বেশি দামে চিনি বিক্রি হচ্ছিল।

আরও পড়ুন:
নেত্রকোণায় মজুত করা ৪৯৯ বস্তা ভারতীয় চিনি জব্দ
চোরাই পথে আসা ভারতীয় চিনি ঢুকছে সিলেটের বাজারে
চিনি ও সয়াবিন তেলের দাম কমল ৫ টাকা

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Islami Bank Tribute to Central Shaheed Minar

কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ইসলামী ব্যাংকের শ্রদ্ধা

কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ইসলামী ব্যাংকের শ্রদ্ধা শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে বুধবার ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসির পক্ষ থেকে শ্রদ্ধা জানানো হয়। ছবি: নিউজবাংলা
ব্যাংকের পক্ষে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন পরিচালক মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন, এফসিএমএ। ওই সময় অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক মুহাম্মদ কায়সার আলী, ক্যামেলকো তাহের আহমেদ চৌধুরী, সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট মো. মাকসুদুর রহমান ও আবু সাঈদ মো. ইদ্রিসসহ ব্যাংকের নির্বাহী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।

শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে বুধবার ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসির পক্ষ থেকে শ্রদ্ধা জানানো হয়েছে।

ব্যাংকের পক্ষে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন পরিচালক মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন, এফসিএমএ। ওই সময় অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক মুহাম্মদ কায়সার আলী, ক্যামেলকো তাহের আহমেদ চৌধুরী, সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট মো. মাকসুদুর রহমান ও আবু সাঈদ মো. ইদ্রিসসহ ব্যাংকের নির্বাহী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন:
বাণিজ্য মেলায় ইসলামী ব্যাংকের প্রিমিয়ার স্টল উদ্বোধন
ইসলামী ব্যাংকের বার্ষিক ব্যবসায় উন্নয়ন সম্মেলন শুরু
ইসলামী ব্যাংকের ১২ উপশাখার উদ্বোধন
পোলট্রি ও মৎস্য প্রকল্পে বিনিয়োগ করছে গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক পিএলসি
ইসলামী ব্যাংকের ইন্টার্নশিপ প্রোগ্রাম শুরু

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Walton Services champion Ansar Bahini in both categories of wrestling

ওয়ালটন সার্ভিসেস কুস্তির উভয় বিভাগে চ্যাম্পিয়ন আনসার বাহিনী

ওয়ালটন সার্ভিসেস কুস্তির উভয় বিভাগে চ্যাম্পিয়ন আনসার বাহিনী
শেখ রাসেল রোলার স্কেটিং কমপ্লেক্সে অনুষ্ঠিত তিন দিনব্যাপী ওই প্রতিযোগিতার উভয় বিভাগে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী।

ইলেকট্রনিক্স জায়ান্ট ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসি’র পৃষ্ঠপোষকতায় ও বাংলাদেশ অ্যামেচার রেসলিং ফেডারেশনের ব্যবস্থাপনায় আয়োজিত ‘ওয়ালটন উন্মুক্ত ১২তম জাতীয় সার্ভিসেস (পুরুষ ও মহিলা) কুস্তি প্রতিযোগিতা-২০২৪’ মঙ্গলবার শেষ হয়েছে।

শেখ রাসেল রোলার স্কেটিং কমপ্লেক্সে অনুষ্ঠিত তিন দিনব্যাপী ওই প্রতিযোগিতার উভয় বিভাগে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী।

পুরুষ বিভাগের ১০টি ওজন শ্রেণির পাঁচটিতে স্বর্ণ, ৩টিতে রৌপ্য ও ২টিতে ব্রোঞ্জসহ মোট ১০টি পদক জিতে চ্যাম্পিয়ন হয় তারা। ৩টি স্বর্ণ, ৩টি রৌপ্য ও ৪টি ব্রোঞ্জসহ ১০টি পদক জিতে রানার্স-আপ হয় বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। আর ২টি স্বর্ণ, ৪টি রৌপ্য ও ৩টি ব্রোঞ্জসহ মোট ০৯টি পদক জিতে তৃতীয় হয় বাংলাদেশ সেনাবাহিনী।

এদিকে নারী বিভাগের ১০টি ওজন শ্রেণি থেকে ৭টি স্বর্ণ, ২টি রৌপ্য ও ১টি ব্রোঞ্জসহ মোট ১০টি পদক জিতে চ্যাম্পিয়ন হয় আনসার। আর রানার্স-আপ হওয়া বাংলাদেশ সেনাবাহিনী পায় ২টি স্বর্ণ ও ৬টি রৌপ্যসহ মোট ৮টি পদক। তৃতীয় হওয়া বাংলাদেশ পুলিশ পেয়েছে ১টি স্বর্ণ, ১টি রৌপ্য ও ৩টি ব্রোঞ্জসহ মোট ৫টি পদক।

পুরুষ বিভাগে সেরা খেলোয়াড় নির্বাচিত হন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর জুয়েল (৭৪ কেজি ওজন শ্রেণি)। মহিলা বিভাগে সেরা খেলোয়াড় নির্বাচিত হয়েছেন বাংলাদেশ আনসার দলের রোজিনা (৭৬ কেজি ওজন শ্রেণি)।

টুর্নামেন্টের উভয় বিভাগের চ্যাম্পিয়ন, রানার্স-আপ ও তৃতীয় হওয়া দলকে ট্রফি দেওয়া হয়। সেরা খেলোয়াড় হওয়া দুজনই পেয়েছেন ৫ হাজার টাকা করে নগদ অর্থ পুরস্কার। এছাড়া প্রতিযোগিতায় পদকপ্রাপ্ত খেলোয়াড়দের ওয়ালটনের পক্ষ থেকে হোম অ্যাপ্লায়েন্স পুরস্কার প্রদান করা হয়।

প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ওয়ালটনের সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর এফ.এম. ইকবাল বিন আনোয়ার (ডন), বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন ওয়ালটনের মার্কেটিং এন্ড কমিউনিকেশন বিভাগের সিনিয়র ডেপুটি এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর রবিউল ইসলাম মিলটন ও সিনিয়র ডেপুটি অপারেটিভ ডিরেক্টর মেহরাব হোসেন আসিফ।

এ সময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ফেডারেশনের সহ-সভাপতি এমএ কুদ্দুস খান, সাধারণ সম্পাদক তাবিউর রহমান পালোয়ান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আশিকুর রহমান বাচ্চু ও মেসবাহ উদ্দিন আজাদ প্রমুখ।

এবারের এই প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, বাংলাদেশ পুলিশ, বাংলাদেশ আনসার, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও তিতাস গ্যাসের পক্ষে ১৫০ জন মহিলা ও পুরুষ কুস্তিগীর অংশ নেন। পুরুষ ও মহিলা উভয় বিভাগে ১০টি করে মোট ২০টি ওজন শ্রেণিতে প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। পুরুষ বিভাগের ওজন শ্রেণিগুলো ছিল- ৫৭ কেজি, ৬১ কেজি, ৬৫ কেজি, ৭০ কেজি, ৭৪ কেজি, ৭৯ কেজি, ৮৬ কেজি, ৯২ কেজি, ৯৭ কেজি ও ১২৫ কেজি। মহিলাদের ওজন শ্রেণিগুলো ছিল- ৫০ কেজি, ৫৩ কেজি, ৫৫ কেজি, ৫৭ কেজি, ৫৯ কেজি, ৬২ কেজি, ৬৫ কেজি, ৬৮ কেজি, ৭২ কেজি ও ৭৬ কেজি।

অনুষ্ঠানে ওয়ালটনের সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর এফ.এম. ইকবাল বিন আনোয়ার (ডন) বলেন, দীর্ঘদিন যাবত খেলাধুলাসহ সব ধরনের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানকে উৎসাহিত ও সহযোগিতা করে আসছে ইলেকট্রনিক্স জায়ান্ট ওয়ালটন। খেলাধুলার এসব প্রতিযোগিতায় ওয়ালটনের অংশগ্রহণ থাকবে সবসময়।

ওয়ালটনের মার্কেটিং এন্ড কমিউনিকেশন বিভাগের সিনিয়র ডেপুটি এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর রবিউল ইসলাম মিলটন বলেন, যেকোনো প্রতিযোগিতায় প্রতিভাবান মুখগুলো সামনে উঠে আসে। এই কুস্তি প্রতিযোগিতাও এর ব্যতিক্রম কিছু নয়। প্রতিযোগিতামুখর এই ইভেন্ট অত্যন্ত সুন্দর ও সফলভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই প্রতিযোগিতায় ওয়ালটনের উপস্থিতি ওয়ালটনকে সম্মানিত করেছে।

উল্লেখ্য, কুস্তি প্রতিযোগিতা-২০২৪ এর ইভেন্ট পার্টনার ছিল দেশের জনপ্রিয় ইলেকট্রনিক্স ব্র্যান্ড মার্সেল। আর মিডিয়া পার্টনার হিসেবে ছিল অনলাইনভিত্তিক সংবাদমাধ্যম রাইজিংবিডি.কম। সংবাদ বিজ্ঞপ্তি

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Onion price is decreasing in Chittagong

চট্টগ্রামে কমছে পেঁয়াজের দাম

চট্টগ্রামে কমছে পেঁয়াজের দাম ফাইল ছবি
সোমবার পেঁয়াজ রপ্তানির ওপর দেয়া নিষেধাজ্ঞা বাংলাদেশসহ ছয় দেশের জন্য নমনীয় করে ভারত। এরপর দেশটির থেকে পেঁয়াজ আমদানির ঘোষণা দেয় বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। এ কারণে দাম পড়তির দিকে বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।

চট্টগ্রামে কমতে শুরু করেছে পেঁয়াজের দাম। পাইকারি ও খুচরা উভয় বাজারেই দাম কমছে।

মঙ্গলবার এক দিনেই কেজিতে কমেছে ১৫ টাকা। ব্যবসায়ীরা বলছেন, দাম আরও কমতে পারে।

সোমবার পেঁয়াজ রপ্তানির ওপর দেয়া নিষেধাজ্ঞা বাংলাদেশসহ ছয় দেশের জন্য নমনীয় করে ভারত। এরপর দেশটির থেকে পেঁয়াজ আমদানির ঘোষণা দেয় বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। এ কারণে দাম পড়তির দিকে বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।

দেশের অন্যতম বৃহৎ ভোগ্যপণ্যের পাইকারি বাজার চট্টগ্রামের খাতুনগঞ্জ ঘুরে দেখা যায়, প্রায় প্রতিটি আড়তই পেঁয়াজে ভর্তি। সেখানে পাইকারিতে কেজি প্রতি ১৫ টাকা পর্যন্ত দাম কমেছে।

মঙ্গলবার ভারতীয় পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে ৯০ থেকে ৯৫ টাকা কেজি, যা আগের দিন বিক্রি হয়েছিল ১০৫ থেকে ১১০ টাকায়। অন্যদিকে দেশি পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে ৮০ থেকে ৮৫ টাকায়, যা আগেরদিন বিক্রি হয় ১০০ টাকার ওপরে।

নগরীর রিয়াজুদ্দিন বাজার, কাজির দেউরি বাজার, চকবাজার, টেরিবাজারসহ বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, খুচরা দোকানেও পেঁয়াজের দাম কমেছে। খুচরা মূল্যে প্রতি কেজি ভারতীয় পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ১১০ টাকায়, দেশি পেঁয়াজ ১০০ টাকা এবং মেহেরপুরের পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৭০ টাকা থেকে ৭৫ টাকায়, যা আগের দিনের চাইতে প্রত্যেকটিতেই কেজি প্রতি ১০ থেকে ১৫ টাকা করে কম।

চাক্তাই খাতুনগঞ্জ আড়তদার কল্যাণ সমিতির সভাপতি মো. জাহাঙ্গীর আলম নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আড়তদাররা দাম নির্ধারণ করেন না। আমদানিকারকরা যে দাম বলেন, সে দামেই বিক্রি করেন। দাম বাড়া-কমায় আমাদের কোনো হাত নেই।’

তিনি বলেন, ‘গত দুদিন থেকে পেঁয়াজের দাম কমতে শুরু করেছে। ভারত সরকার পেঁয়াজ রপ্তানির ঘোষণা দেয়ার পর বাজারে এর প্রভাব পড়তে শুরু করেছে। দাম আরও কমতে পারে।’

ভারত থেকে আমদানি শুরু হলে দাম কমতে থাকবে বলে জানান তিনি।

আরও পড়ুন:
বাংলাদেশে সীমিত আকারে পেঁয়াজ রপ্তানি করবে ভারত

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Suspicious transactions have increased by 6457 in a year in the country

দেশে এক বছরে সন্দেহজনক লেনদেন বেড়েছে ৬৪.৫৭%

দেশে এক বছরে সন্দেহজনক লেনদেন বেড়েছে ৬৪.৫৭% বিএফআইইউ মঙ্গলবার বাংলাদেশ ব্যাংকে সংবাদ সম্মেলনে ২০২২-২৩ অর্থবছরের বার্ষিক প্রতিবেদন তুলে ধরে। ছবি: সংগৃহীত
বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের প্রধান মাসুদ বিশ্বাস বলেন, ‘মানি লন্ডারিংয়ের ৮০ শতাংশ হ‌য় ব্যাংকের মাধ্যমে। ব্যাংক সহযো‌গিতা না করলে এটা নিয়ন্ত্রণ করা ক‌ঠিন। কারণ একবার মানি লন্ডারিং হ‌য়ে গেলে তা ফেরত আনা যায় না।’

দেশের আর্থিক খাতে সন্দেহজনক লেনদেন (এসটিআর) ও সন্দেহজনক কার্যক্রম ব্যাপক হারে বেড়েছে। গত অর্থবছরে সন্দেহজনক লেনদেন হয়েছে ১৪ হাজার ১০৬টি, যা আগের ২০২১-২২ অর্থবছরে ছিল ৮ হাজার ৫৭১টি। আর তার আগের অর্থবছরে ছিল ৫ হাজার ২৮০টি। সে হিসাবে দেশে এক বছরে সন্দেহজনক লেনদেন বেড়েছে ৬৪ দশ‌মিক ৫৭ শতাংশ বা ৫ হাজার ৫৩৫টি।

অর্থপাচার ও সন্ত্রাসে অর্থায়ন প্রতিরোধের কেন্দ্রীয় সংস্থা বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের (বিএফআইইউ) ২০২২-২৩ অর্থবছরের বার্ষিক প্রতিবেদনে এমন তথ্য তুলে ধরা হয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকে মঙ্গলবার সংবাদ সম্মেলনে এই প্রতিবেদনের বিস্তারিত তুলে ধরা হয়। এতে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএফআইইউর প্রধান মাসুদ বিশ্বাস।

সংবাদ সম্মেলনে জানা‌নো হয়, সব সন্দেহজনক লেনদেন (এসটিআর) অপরাধ নয়। লেন‌দেন সন্দেহজনক হ‌লে বিএফআইইউ তদন্ত করে। এরপর কো‌নো অপরা‌ধের তথ্য-প্রমাণ মিললে সংশ্লিষ্টদের বিরু‌দ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হয়।

মাসুদ বিশ্বাস বলেন, মানি লন্ডারিংয়ের ৮০ শতাংশ হ‌য় ব্যাংকের মাধ্যমে। ব্যাংক সহযো‌গিতা না করলে এটা নিয়ন্ত্রণ করা ক‌ঠিন। কারণ একবার মানি লন্ডারিং হ‌য়ে গেলে তা ফেরত আনা যায় না।’

পাচার হওয়া অর্থ ফেরত আনা ও সহযোগিতার জন্য ১০ দে‌শের স‌ঙ্গে এমওইউ’র প্রস্তাব দেয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।

সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বিএফআইইউ প্রধান বলেন, ‘বিএফআইইউর তথ্যের ভিত্তিতে অর্থ পাচারের মামলা হয়েছে ৫৯টি। এর ম‌ধ্যে দুর্নীতি দমন কমিশন মামলা করেছে ৪৭টি। এছাড়া সিআই‌ডি ১০টি ও এন‌বিআরের বিশেষ সেল দুটি মামলা করেছে। সেসব মামলা এখনও নিষ্পত্তি হয়‌নি।’

বিএফআইইউর প্রতিবেদনে বলা হয়, পুরো অর্থবছরে সর্বোচ্চ ১২ হাজার ৮০৯টি সন্দেহজনক লেনদেনের রিপোর্ট জমা দিয়েছে ব্যাংকগুলো। তার আগের অর্থবছরে তারা জমা দিয়েছিল ৭ হাজার ৯৯৯টি রিপোর্ট। আর্থিক প্র‌তিষ্ঠা‌নগু‌লো জমা দেয় ১২১টি রিপোর্ট। আর ৯০০ রি‌পোর্ট জমা দিয়েছে এক্সচেঞ্জ হাউজগুলো।

বিএফআইইউ’র নির্বাহী প‌রিচালক র‌ফিকুল ইসলাম, বৈ‌দে‌শিক মুদ্রা ও নী‌তি বিভা‌গের প‌রিচালক সা‌রোয়ার হো‌সেন ও অতি‌রিক্ত প‌রিচালক কামাল হোসাইন সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন:
অবৈধ লেনদেন রোধে একযোগে কাজ করার আহ্বান
ইউএফএস এমডিসহ ১৫ ব্যক্তি-প্রতিষ্ঠানের ব্যাংক হিসাব জব্দ
পাচারের টাকা ফেরাতে ১০ দেশের সঙ্গে চুক্তি চায় বিএফআইইউ
বিচারকের প্রশ্নবাণে জেরবার বিএফআইইউ প্রধান
বিএফআইইউ প্রধান মাসুদ বিশ্বাসকে হাইকোর্টে তলব

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Walton Freezes Dreamers Canvas Project Launched

ওয়ালটন ফ্রিজের ‘ড্রিমার্স ক্যানভাস’ প্রজেক্ট উদ্বোধন

ওয়ালটন ফ্রিজের ‘ড্রিমার্স ক্যানভাস’ প্রজেক্ট উদ্বোধন রাজধানীতে ওয়ালটন করপোরেট অফিসে রোববার ‘ড্রিমার্স ক্যানভাস’ প্রজেক্ট উদ্বোধন করেন ওয়ালটন হাই-টেকের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। ছবি: সংগৃহীত
গ্রাহক নিজের পছন্দমতো রঙ ও ডিজাইন দিয়ে ঘরে বসেই ওয়ালটন ফ্রিজ অর্ডার করতে পারবেন। গ্রাহকের দেয়া কাঙ্ক্ষিত ডিজাইনের ফ্রিজ অল্প সময়ের মধ্যে তৈরি করে তাদের ঘরে পৌঁছে দেবে ওয়ালটন।

গ্রাহকের পছন্দমতো রঙ ও ডিজাইনে ফ্রিজ তৈরি করে দেয়ার লক্ষ্যে ‘ড্রিমার্স ক্যানভাস’ প্রজেক্ট চালু করল দেশের সুপার ব্র্যান্ড ওয়ালটন। বাংলাদেশে ওয়ালটনই প্রথম গ্রাহকদের কাস্টমাইজড ফ্রিজের এই সুবিধা দিচ্ছে।

গ্রাহক নিজের পছন্দমতো রঙ ও ডিজাইন দিয়ে ঘরে বসেই ওয়ালটন ফ্রিজ অর্ডার করতে পারবেন। গ্রাহকের দেয়া কাঙ্ক্ষিত ডিজাইনের ফ্রিজ অল্প সময়ের মধ্যে তৈরি করে তাদের ঘরে পৌঁছে দেবে ওয়ালটন।

রোববার রাজধানীতে ওয়ালটন করপোরেট অফিসে ‘ড্রিমার্স ক্যানভাস’ প্রজেক্টের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এসব তথ্য জানানো হয়।

অনুষ্ঠানে ‘ড্রিমার্স ক্যানভাস’ প্রজেক্টের লোগো ও ওয়েবসাইট উদ্বোধন করেন ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসি’র পরিচালক এবং ওয়ালটন ডিজি-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের চেয়ারম্যান এস এম রেজাউল আলম।

অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ওয়ালটন প্লাজার ম্যানেজিং ডিরেক্টর মোহাম্মদ রায়হান, ওয়ালটন হাই-টেকের এডিশনাল ম্যানেজিং ডিরেক্টর এস এম শোয়েব হোসেন নোবেল ও নজরুল ইসলাম সরকার, চিফ ফাইন্যান্সিয়াল অফিসার জিয়াউল আলম এফসিএ, ওয়ালটন ফ্রিজের চিফ বিজনেস অফিসার (সিবিও) তোফায়েল আহমেদ, ডেপুটি চিফ বিজনেস অফিসার (ডিসিবিও) আনিসুর রহমান মল্লিক, ওয়ালটন রিসার্চ অ্যান্ড ইনোভেশন (আরএন্ডআই) সেন্টারের প্রধান তাপস কুমার মজুমদার, ফ্রিজ আরএন্ডআই বিভাগের প্রধান আজমল ফেরদৌস, প্রোডাক্ট ম্যানেজার শহীদুল ইসলাম রেজা, ব্র্যান্ড ম্যানেজার মোস্তাফিজুর রহমান প্রমুখ।

এছাড়া ভার্চুয়াল প্লাটফর্মের মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ওয়ালটন প্লাজার ম্যানেজার ও পরিবেশকগণ ‘ড্রিমার্স ক্যানভাস’ প্রোজেক্টের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যুক্ত হন। সংবাদ বিজ্ঞপ্তি।

আরও পড়ুন:
ওয়ালটন ১২তম জাতীয় সার্ভিসেস কুস্তি প্রতিযোগিতা
ওয়ালটন প্লাজার ‘চ্যালেঞ্জার্স সামিট’ অনুষ্ঠিত
বিক্রয় বৃদ্ধিতে অসামান্য অবদান রাখায় ৩৮১ জনকে পুরস্কৃত করল ওয়ালটন
ওয়ালটনের নতুন ‘নেক্সজি এন২৫’ সিরিজের স্মার্টফোন বাজারে
ওয়ালটন অনূর্ধ্ব-১৭ জাতীয় যুব হ্যান্ডবল প্রতিযোগিতা শুরু

মন্তব্য

p
উপরে