জগন্নাথ ছাত্রলীগের নেতৃত্বে ইব্রাহিম-আকতার

player
জগন্নাথ ছাত্রলীগের নেতৃত্বে ইব্রাহিম-আকতার

মো. ইব্রাহিম ফরাজি ও আকতার হোসেন। ছবি কোলাজ: নিউজবাংলা

কমিটি বিলুপ্তির ৩৪ মাস পর শনিবার রাতে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয় ও সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্যের স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ কমিটি ঘোষণা করা হয়।

মো. ইব্রাহিম ফরাজিকে সভাপতি এবং আকতার হোসেনকে সাধারণ সম্পাদক করে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) শাখা ছাত্রলীগের কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে।

কমিটি বিলুপ্তির ৩৪ মাস পর শনিবার রাতে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয় ও সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্যের স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ কমিটি ঘোষণা করা হয়।

আগামী এক বছরের জন্য শাখা ছাত্রলীগের ৩৫ সদস্যের আংশিক কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। এতে সহসভাপতি হিসেবে রয়েছেন ১৯ জন। তারা হলেন মহিউদ্দিন অনি, শাহবাজ হোসেন বর্ষণ, আতাউল গনি টুটুল, আসাদুজ্জামান আসাদ, মো. মশিউর রহমান লিজন, মেহেদি বাবু, মো. কামরুল হুসাইন, প্রীতিশ দত্ত রাজ, মো. শামিম ফেরদৌস অপি, মেহেদী হাসান জয়, আসাদুল্লাহ আসাদ, খালিদ হাসান, মো. রিয়াদ খান, ইব্রাহিম হোসাইন সানিম, মো. হাবুল হোসেন পরাগ, ফজলে রাব্বি, ফয়সাল আহমেদ, মিঠুন বাড়ৈ, মাসুম পারভেজ।

কমিটিতে অঞ্জন চৌধুরী পিংকু, নুরুল আফসার, ঋত্বিক রাজ বাহাদুর, আদম সাইফুল্লাহ, ইনজামামুল ইসলাম নিলয়, মুন্নি আক্তার, ফৌজিয়া জাফরিন প্রিয়ন্তীকে যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে।

এ ছাড়া রিফাত সাঈদ, আবদুল রায়হান, হাসিবুল হাসান হৃদয়, জিনিয়া আফরিন, সৈয়দ হাফসা ফারিয়া উর্মি, মফিজুর রহমান হামিম ও শেখ রাসেলকে সাংগঠনিক সম্পাদক করা হয়েছে।

২০১৯ সালের ৩ ও ১৮ ফেব্রুয়ারি তরিকুল-রাসেল কমিটির দুই গ্রুপের সংঘর্ষ হলে ১৯ ফেব্রুয়ারি শাখা ছাত্রলীগের কমিটি বিলুপ্ত করে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ।

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সর্বশেষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় ২০১৯ সালের ২০ জুলাই। তবে তৎকালীন কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সভাপতি রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভন ও সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানী এ শাখার কমিটি দিতে পারেননি।

এদিকে শনিবার ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদের শূন্যপদে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের নেতৃত্বের একাংশকে অন্তর্ভুক্তি করা হয়েছে। এদের মধ্যে কেন্দ্রীয় কমিটির সহসভাপতি হয়েছেন আশরাফুল ইসলাম টিটন। এ ছাড়া সহসম্পাদক হয়েছেন জামাল উদ্দিন, শান্ত নাজমুল বাবু, সৈয়দ শাকিল, আব্দুল্লাহ শাহীন, হোসনে মোবারক রিসাত, তারেক আজিজ, নাহিদ পারভেজ, অমিত কুমার দাস এবং কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য হয়েছেন আল-আমিন শেখ।

আরও পড়ুন:
জবির ১৩ তলা ভবন শেষ হলো না ১৬ বছরেও
জবি কর্মচারী সমিতির নতুন নেতৃত্ব নির্বাচিত
মিতুর পরিবারের পাশে থাকবে জবি: উপাচার্য

শেয়ার করুন

মন্তব্য

ঢাবি ছাত্রলীগের হল সম্মেলন টিএসসিতে, থাকতে পারছেন না কর্মীরা

ঢাবি ছাত্রলীগের হল সম্মেলন টিএসসিতে, থাকতে পারছেন না কর্মীরা

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্রে হবে ছাত্রলীগের সম্মেলন। ছবি: সংগৃহীত

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সাদ্দাম হোসেন বলেন, ‘আমরা অত্যন্ত সীমিত পরিসরে কর্মসূচি পালন করব। করোনা বিধিনিষেধ মাথায় রেখে শুধু পদপ্রত্যাশীদের নিয়ে প্রোগ্রাম আয়োজন করব। কোনো কর্মী উপস্থিত থাকবে না।’

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের হল সম্মেলন হবে ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্র (টিএসসি) প্রাঙ্গণে। ৩০ জানুয়ারি বেলা ১১টায় শুরু হবে সম্মেলন।

করোনাভাইরাস সংক্রমণ পরিস্থিতিতে বিধিনিষেধের কারণে দীর্ঘ প্রায় ছয় বছর পর হতে যাওয়া এই সম্মেলন হবে সীমিত পরিসরে। শুধু পদপ্রত্যাশীদের নিয়েই হবে এ আয়োজন। কোনো কর্মী থাকার সুযোগ পাচ্ছেন না।

বুধবার বিকেলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সাদ্দাম হোসেন এসব তথ্য জানান।

হল সম্মেলন উপলক্ষে ছাপানো একটি পোস্টার নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে শেয়ার দিয়েছেন সাদ্দাম হোসেন। তা থেকে জানা যায়, আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন।

বিশেষ অতিথি থাকবেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য জাহাঙ্গীর কবির নানক, আবদুর রহমান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাংগঠনিক সম্পাদক বি এম মোজাম্মেল হক, ছাত্রলীগ সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয় ও সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্য।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সভাপতি সনজিত চন্দ্র দাস সম্মেলনের উদ্বোধন করবেন। সাধারণ সম্পাদক সাদ্দাম হোসেন থাকবেন প্রধান বক্তা। সম্মেলনে সভাপতিত্ব করবেন জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হল ছাত্রলীগের সভাপতি বরিকুল ইসলাম বাঁধন।

সম্মেলনে আওয়ামী লীগ নেতারা সশরীরে উপস্থিত থাকবেন কি না জানতে চাইলে সাদ্দাম হোসেন বলেন, ‘সেটা পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করছে।’

সাদ্দাম বলেন, ‘আমরা অত্যন্ত সীমিত পরিসরে কর্মসূচি পালন করব। করোনা বিধিনিষেধ মাথায় রেখে শুধু পদপ্রত্যাশীদের নিয়ে প্রোগ্রাম আয়োজন করব। কোনো কর্মী উপস্থিত থাকবে না।’

তবে এমন উদ্যোগেও মানা সম্ভব হবে না সরকারের বিধিনিষেধ। সম্প্রতি মন্ত্রিপরিষদ থেকে জারি করা নির্দেশনায় বলা হয়েছে, ৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত যেকোনো প্রোগ্রামেই ১০০ জনের বেশি উপস্থিত থাকতে পারবে না। কিন্তু ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের ১৮টি হলে ছাত্রলীগের পদপ্রত্যাশীর সংখ্যাই তিন শতাধিক।

আরও পড়ুন:
জবির ১৩ তলা ভবন শেষ হলো না ১৬ বছরেও
জবি কর্মচারী সমিতির নতুন নেতৃত্ব নির্বাচিত
মিতুর পরিবারের পাশে থাকবে জবি: উপাচার্য

শেয়ার করুন

লবিস্ট নিয়োগে কারা কত টাকা পাচার করেছে, প্রশ্ন চুন্নুর

লবিস্ট নিয়োগে কারা কত টাকা পাচার করেছে, প্রশ্ন চুন্নুর

বুধবার জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যানের বনানীর কার্যালয়ে দোয়া অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন মুজিবুল হক চুন্নু। ছবি: নিউজবাংলা

জাতীয় পার্টির মহাসচিব বলেন, ‘আওয়ামী অথবা বিএনপি বিদেশে লবিস্ট নিয়োগ করে থাকলে এর উদ্দেশ্য ও অর্থের উৎস জনগণকে জানাতে হবে। আর সরকারিভাবে লবিস্ট নিয়োগ করে থাকলে সরকারকেই বলতে হবে কেন এবং কীভাবে টাকা দেয়া হলো।’

জাতীয় পার্টির মহাসচিব মুজিবুল হক চুন্নু বলেছেন, ‘মানুষ জানতে চায় বিদেশে লবিস্ট নিয়োগে কারা কত টাকা পাচার করেছে।

বুধবার জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যানের বনানীর কার্যালয়ে জাতীয় যুব সংহতি আয়োজিত মিলাদ ও দোয়া অনুষ্ঠানের আগে সংক্ষিপ্ত আলোচনায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যান জি এম কাদের এবং তার স্ত্রী শেরীফা কাদেরের রোগমুক্তি ও সুস্থতা কামনায় এই দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়।

জাতীয় পার্টির মহাসচিব বলেন, ‘আওয়ামী লীগ যদি সরকারিভাবে বিদেশে লবিস্ট নিয়োগ করে থাকে, তাহলে সরকারকেই বলতে হবে কেন এবং কীভাবে টাকা দেয়া হলো। আর আওয়ামী লীগ যদি দলীয়ভাবে লবিস্ট নিয়োগ করে থাকে, তা হলেও বলতে হবে এই টাকার উৎস কী এবং এই টাকা বৈধ না অবৈধ।

‘বিএনপি লবিস্ট নিয়োগ করলেও প্রকাশ করতে হবে কী উদ্দেশ্যে তারা লবিস্ট নিয়োগ করেছে এবং এত টাকা তারা কোথায় পেয়েছে। দেশের মানুষ জানতে চায় বিদেশে লবিস্ট নিয়োগে কারা এবং কত টাকা পাচার করেছে।’

চুন্নু আরও বলেন, ‘দুর্নীতি, দুঃশাসন আর কিছু সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীর অতি উৎসাহে দেশের মানুষ আওয়ামী লীগের ওপর বিরক্ত। আবার বিএনপির বক্তব্যেও এটা স্পষ্ট নয় যে তারা দেশ ও দেশের মানুষের জন্য কী করবে। দেশের মানুষ বিএনপির ওপর আস্থা রাখছে না। দেশের মানুষ আওয়ামী লীগ ও বিএনপির বিপরীতে জাতীয় পার্টিকে বিকল্প শক্তি হিসেবে বিবেচনা করছে। তারা জাতীয় পার্টিকে আরও শক্তিশালী রাজনৈতিক শক্তি হিসেবে দেখতে চায়। তাই জাতীয় পার্টিকে আরও শক্তিশালী করতে হবে।’

আরও পড়ুন:
জবির ১৩ তলা ভবন শেষ হলো না ১৬ বছরেও
জবি কর্মচারী সমিতির নতুন নেতৃত্ব নির্বাচিত
মিতুর পরিবারের পাশে থাকবে জবি: উপাচার্য

শেয়ার করুন

সংবিধান অনুযায়ীই আগামী নির্বাচন: কাদের

সংবিধান অনুযায়ীই আগামী নির্বাচন: কাদের

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। ফাইল ছবি

ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘ষড়যন্ত্র ও বিদেশি প্রভুদের সন্তুষ্ট করার মাধ্যমে ক্ষমতা দখলের দুঃস্বপ্নে বিভোর বিএনপি নেতৃবৃন্দ তাল হারিয়ে ফেলেছেন। একবার তারা নির্বাচন কমিশন গঠনে আইন প্রণয়নের দাবি তোলেন; আবার সরকারের পক্ষ থেকে আইন প্রণয়নের উদ্যোগ নেয়া হলে তার বিরোধিতা করেন।’

সংবিধান মেনেই আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

বুধবার আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে ওবায়দুল কাদের এমন মন্তব্য করেন। বিবৃতিতে তিনি বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের বক্তব্যেরও প্রতিবাদ জানিয়েছেন।

ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘ষড়যন্ত্র ও বিদেশি প্রভুদের সন্তুষ্ট করার মাধ্যমে ক্ষমতা দখলের দুঃস্বপ্নে বিভোর বিএনপি নেতৃবৃন্দ তাল হারিয়ে ফেলেছেন। একবার তারা নির্বাচন কমিশন গঠনে আইন প্রণয়নের দাবি তোলেন; আবার সরকারের পক্ষ থেকে আইন প্রণয়নের উদ্যোগ নেয়া হলে তার বিরোধিতা করেন।

‘একদিকে তারা নির্বাচন কমিশন ও নির্বাচন কমিশন গঠন প্রক্রিয়াকে প্রশ্নবিদ্ধ করার পাঁয়তারা চালান। অন্যদিকে তাদের কেউ কেউ নির্বাচন কমিশন নিয়ে কথা বলার দরকার নেই এবং নির্বাচন কমিশন কোনো ফ্যাক্টর নয় বলে মন্তব্য করে। আসলে রাজনীতি ও নির্বাচন নিয়ে তাদের সুনির্দিষ্ট কোনো রূপরেখা নেই।‘

সড়ক ও সেতুমন্ত্রী বলেন, সাংবিধানিক বিধান অনুযায়ীই আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। কোন সরকারের অধীনে হবে তা সংবিধানে স্পষ্ট বলা আছে। আমরা বার বার বলে আসছি, তত্ত্বাবধায়ক সরকার দেশের উচ্চ আদালত কতৃক একটি মীমাংসিত ইস্যু।

‘আমরা মনে করি, নির্বাচন ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করতে শেখ হাসিনা সরকারের যে উদ্যোগ বিএনপি নেতৃবৃন্দ সে উদ্যোগে মূল্যবান মতামত দিতে পারেন।’

বিবৃতিতে বিএনপি নেতাদের উদ্দেশ করে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘ক্ষমতা কুক্ষিগত করার জন্য পাতানো নির্বাচন আওয়ামী লীগ করে না। পাতানো রাজনৈতিক খেলা বিএনপির সংস্কৃতি।’

১৯৯৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারির উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘একই ব্যক্তিকে রাষ্ট্রপতি এবং তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান যারা করেছিল, দলীয় লোককে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান করতে যারা গোপনে বিচারপতিদের বয়সসীমা বাড়িয়েছিল- তারাই পাতানো খেলা আর গোপন ষড়যন্ত্রের কারিগর।’

বর্তমান সংসদ অবৈধ- বিএনপি নেতাদের এমন মন্তব্য প্রসঙ্গে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘বিএনপি নেতারা কথায় কথায় ২০১৮ সালের নির্বাচন ও একদশ জাতীয় সংসদ নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। অথচ ২০১৮ সালের নির্বাচন ছিল সব রাজনৈতিক দলের অংশগ্রহণে একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক নির্বাচন। সেই নির্বাচনে বিএনপি অংশগ্রহণ করেছিল এবং দেশি-বিদেশি পর্যবেক্ষক সংস্থা নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করেছে।

‘একাদশ সংসদ নির্বাচন পর্যবেক্ষণের জন্য নিবাচন কমিশনে নিবন্ধিত স্থানীয় ১১৮টি সংস্থার মধ্যে ৮১টি সংস্থা অনুমতিপ্রাপ্ত ছিল। সংসদে বিএনপিসহ অন্যান্য রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিও আছেন। তাহলে বিএনপির সংসদ সদস্যরা কিভাবে নির্বাচিত হলেন? সংসদ অবৈধ হলে তাদের সংসদ সদস্যরা কিভাবে সেখানে প্রতিনিধিত্ব করছেন এবং বিভিন্ন ইস্যুতে প্রতিদিন সংসদে বক্তব্য রাখছেন?’

আরও পড়ুন:
জবির ১৩ তলা ভবন শেষ হলো না ১৬ বছরেও
জবি কর্মচারী সমিতির নতুন নেতৃত্ব নির্বাচিত
মিতুর পরিবারের পাশে থাকবে জবি: উপাচার্য

শেয়ার করুন

‘আওয়ামী লীগে জনসমর্থন দিন দিন বাড়ছে’

‘আওয়ামী লীগে জনসমর্থন দিন দিন বাড়ছে’

মঙ্গলবার আওয়ামী লীগের তথ্য ও গবেষণা উপকমিটির ভার্চুয়াল সভা অনুষ্ঠিত হয়। ছবি: সংগৃহীত

আওয়ামী লীগের তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক ড. সেলিম মাহমুদ বলেন, ‘এ দেশের প্রতিটি নাগরিক শেখ হাসিনার উন্নয়নের সুবিধাভোগী l উন্নয়নের কথা প্রচার করা তাদের নৈতিক দায়িত্ব। আমি সমালোচকদের বলব, আপনারা গ্রামে গিয়ে দেখে আসেন, কেন আওয়ামী লীগ ভোট পাচ্ছে। আওয়ামী লীগের পক্ষে সাধারণ মানুষের সমর্থন দিন দিন বাড়ছে।’

আওয়ামী লীগের পক্ষে সাধারণ মানুষের সমর্থন দিন দিন বাড়ছে বলে মন্তব্য করেছেন দলের তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক ড. সেলিম মাহমুদ।

মঙ্গলবার তথ্য ও গবেষণা উপকমিটির এক ভার্চুয়াল সভায় তিনি এ মন্তব্য করেন।

প্রত্যেক নাগরিকের জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অবদানের কথা সারা দেশে ছড়িয়ে দেয়ার আহ্বান জানিয়েছেন ড. সেলিম।

তিনি বলেন, ‘দেশকে একটি প্রকৃত কল্যাণমুখী রাষ্ট্রে রূপান্তরিত করার জন্য বঙ্গবন্ধুকন্যার সব অবদান সবাইকে জানাতে হবে। আওয়ামী লীগের যেসব নেতা সাংগঠনিক সফরে বিভিন্ন জেলা-উপজেলায় যান, তাদের জন্য তথ্য ও গবেষণা উপকমিটির পক্ষ থেকে আমরা শেখ হাসিনার নানা উন্নয়ন ও অবদানের তথ্যসংবলিত খসড়া প্রস্তুত করছি।’

তিনি বলেন, ‘শুধু আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা এই প্রচার চালালে হবে না, এ দেশের প্রতিটি নাগরিক শেখ হাসিনার উন্নয়নের সুবিধাভোগী l উন্নয়নের কথা প্রচার করা তাদের নৈতিক দায়িত্ব। আমি সমালোচকদের বলব, আপনারা গ্রামে গিয়ে দেখে আসেন, কেন আওয়ামী লীগ ভোট পাচ্ছে। আওয়ামী লীগের পক্ষে সাধারণ মানুষের সমর্থন দিন দিন বাড়ছে।

‘এ দেশের খেটে খাওয়া মানুষের জন্য, কৃষক-শ্রমিকের জন্য শেখ হাসিনা যা করেছেন, সে কথা আমরা সবাই জানি। যাদের জমি-ঘর কিছুই ছিল না, সরকার তাদের ঘর, ফ্রিজ, টেলিভিশন, রাইস কুকার, প্রেসার কুকার, ফ্যান সব দিয়েছে।’

আওয়ামী লীগের তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক আরও বলেন, ‘বাংলাদেশের বিরুদ্ধে আজ দেশ-বিদেশে ষড়যন্ত্র চলছে। সব অর্জন ষড়যন্ত্রকারীরা নস্যাৎ করতে চায়। দেশবিরোধী এই ষড়যন্ত্রের কথা মানুষকে জানাতে হবে।’

সভায় আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া বলেন, ‘তথ্য ও গবেষণা উপকমিটি ইতিমধ্যে ডিজিটাল প্রযুক্তির মাধ্যমে জননেত্রী শেখ হাসিনার উন্নয়ন কর্মকাণ্ড প্রচারে সক্রিয় ভূমিকা রাখছে। আরও নতুন নতুন ডিজিটাল মাধ্যমে প্রচার চালাতে হবে। বিএনপি-জামায়াতের দেশবিরোধী কর্মকাণ্ড মানুষের সামনে তুলে ধরতে হবে।’

সভায় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন উপকমিটির সদস্য ড. শামসুর রহমান, ড. জাহানারা আরজু, ব্যারিস্টার সৌমিত্র সর্দার, নাজমুল তুহিন, আরিফুল ইসলাম টিপু, মোয়াজ্জেম হোসেন কাওসার, নুরুল ইসলাম মজুমদার, মনিরুজ্জামান শেখ, আবুল ফজল রাজু, রুবাইয়াৎ রাকিব, সিতুল মুনা, আরিফুল ইসলাম টিপু, দিলরুবা ইয়াসমিন, আবু সায়ীদ খান, ড. শবনম জাহান, অ্যাডভোকেট শওকত আলী পাটোয়ারী ও ফাহিম শাহরিয়ার।

আরও পড়ুন:
জবির ১৩ তলা ভবন শেষ হলো না ১৬ বছরেও
জবি কর্মচারী সমিতির নতুন নেতৃত্ব নির্বাচিত
মিতুর পরিবারের পাশে থাকবে জবি: উপাচার্য

শেয়ার করুন

কোকোর মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে রাজধানীতে কম্বল বিতরণ

কোকোর মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে রাজধানীতে কম্বল বিতরণ

ঢাকা-১৬ আসনের আওতাধীন ভোলা বস্তি এলাকায় বুধবার শীতবস্ত্র বিতরণ করেন ঢাকা মহানগর উত্তর যুবদলের আহ্বায়ক শফিকুল ইসলাম মিল্টন। ছবি: নিউজবাংলা

যুবদলের যুগ্ম সম্পাদক ও ঢাকা মহানগর উত্তর যুবদলের আহ্বায়ক শফিকুল ইসলাম মিল্টনের উদ্যোগে এ শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয়।

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার ছেলে ও ক্রীড়া সংগঠক আরাফাত রহমান কোকোর সপ্তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে রাজধানীতে কম্বল বিতরণ করা হয়েছে।

যুবদলের যুগ্ম সম্পাদক ও ঢাকা মহানগর উত্তর যুবদলের আহ্বায়ক শফিকুল ইসলাম মিল্টনের উদ্যোগে এ শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয়।

ঢাকা-১৬ আসনের আওতাধীন পল্লবী ও রূপনগর থানার ছয়টি ওয়ার্ডে দুস্থদের মধ্যে শীতবস্ত্র বিতরণ করছেন মিল্টন। এর অংশ হিসেবে বুধবার রাত সোয়া ৭টার দিকে ওই আসনের ৯২ নম্বর ওয়ার্ডের ভোলা বস্তিতে ১২০টি কম্বল বিতরণ করেন তিনি।

ওই সময় মিল্টনের সঙ্গে ছিলেন পল্লবী ও রূপনগর থানা বিএনপি, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদলের নেতা-কর্মীরা।

আরও পড়ুন:
জবির ১৩ তলা ভবন শেষ হলো না ১৬ বছরেও
জবি কর্মচারী সমিতির নতুন নেতৃত্ব নির্বাচিত
মিতুর পরিবারের পাশে থাকবে জবি: উপাচার্য

শেয়ার করুন

আ.লীগের লবিস্ট নিয়োগের ব্যাখ্যা দিলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী

আ.লীগের লবিস্ট নিয়োগের ব্যাখ্যা দিলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী

পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন। ফাইল ছবি

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘বিএনপি লবিস্ট নিয়োগ করেছিল যাতে যুদ্ধাপরাধীদের শাস্তি না হয়। তখন আওয়ামী লীগ ভুল পারসেপশানটা (ধারণাটা) চেঞ্জ (পরিবর্তন) করার জন্য লবিস্ট নিয়োগ করে। আমরা এটাকে বলি পিআর ফার্ম, নট লবিস্ট।’

ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ গুড গভর্নেন্স ও দেশের ইতিবাচক ইমেজ তুলে ধরতে বিদেশে লবিস্ট নিয়োগ করেছে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন।

অন্যদিকে বিএনপি দেশের ক্ষতি করার জন্য বিদেশে লবিস্ট নিয়োগ করেছে বলে দাবি করেন তিনি।

মঙ্গলবার রাজধানীর আগারগাঁও মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরে ‘মানবিক নীতি: এখানে এবং এখন প্রদর্শনীর’ উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।

মোমেন বলেন, ‘লবিস্ট নিয়োগ করা আইনবিরোধী না। কিন্তু দেখতে হবে কী কারণে লবিস্ট নিয়োগ, উদ্দেশ্য কী? যখন কেউ টাকা দেয় একটা লোককে কিডন্যাপ করার জন্য, তখন কিন্তু ওই অবজেকটিভটা ঠিক না। কিংবা যখন দেশের ক্ষতির জন্য অনেকে পয়সা দেয়, তদবির করার জন্য লবিস্ট নিয়োগ করে, সেটা খুবই অন্যায়।’

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘তারা দেশকে কোনো ধরনের সাহায্য করবে না। আমাদের কাছে যথেষ্ট তথ্য আছে বিএনপি যে কয়টা লবিস্ট নিয়োগ করেছে। এর মূল উদ্দেশ্যটা দেশের ক্ষতি। আপনার-আমার মধ্যে ঝগড়া থাকতে পারে, কিন্তু আপনার ও আমার ঝগড়া দেশের স্বার্থ কিনা সেটা দেখতে হবে। যদি সেটা দেশের স্বার্থ জলাঞ্জলি দিয়ে হয়, সেটা দুঃখজনক।’

আওয়ামী লীগ কেন বিদেশে লবিস্ট নিয়োগ করেছে তার ব্যাখ্যা দেন মোমেন। তবে তার ভাষায়, এটাকে সরকার পিআর ফার্ম হিসেবে দেখে, লবিস্ট নয়।

তিনি বলেন, ‘আওয়ামী লীগ গুড গভর্নেন্সের জন্য ও দেশের ইতিবাচক ইমেজ তুলে ধরার জন্য লবিস্ট নিয়োগ করেছে। বিএনপি লবিস্ট নিয়োগ করেছিল যাতে যুদ্ধাপরাধীদের শাস্তি না হয়। তখন আওয়ামী লীগ ভুল পারসেপশানটা (ধারণাটা) চেঞ্জ (পরিবর্তন) করার জন্য লবিস্ট নিয়োগ করে। আমরা এটাকে বলি পিআর ফার্ম, নট লবিস্ট।’

বাংলাদেশে লবিস্ট নিয়োগের প্রথা এরশাদের আমল থেকে চালু হয়েছে বলে মনে করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী। মোমেন বলেন, ‘এগুলো অনেকদিন ধরেই আছে, নতুন নয়। এরশাদের সময় থেকেই এগুলো প্রচলিত আছে। আপনি অন্য লোককে নিয়োগ করছেন দেশের ক্ষতি করার জন্য, কাউকে মেরে ফেলার জন্য, কিডন্যাপ করার জন্য। এগুলো দেশবাসী কোনোভাবেই মেনে নেবে না।’

আট বছর ধরে বিএনপির লবিস্ট নিয়োগ প্রমাণের কথা বলা হচ্ছে। তাহলে এতদিন সরকারের কাছে এমন তথ্য ছিল নাকি তথ্য না জানতে পারা সরকারের কূটনৈতিক ব্যর্থতা- এমন প্রশ্নের জবাবে মোমেন বলেন, ‘আপনারা আগে জানলেন না কেন, মিডিয়ার লোকের এটা জানার কথা, এটা আপনাদের দায়িত্বের মধ্যে পড়ে। সবই ওয়েবসাইটের মধ্যে আছে, কোনো কিছু লুকানো না।’

র‌্যাবকে জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা মিশন থেকে নিষিদ্ধ করার জন্য দাবি জানিয়েছে ১২টি আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা। সংস্থাগুলোর চিঠির কারণে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে কোনো প্রভাব পড়বে কিনা জানতে চাইলে মোমেন বলেন, ‘জাতিসংঘ যখন লোক নেয় তারা যাচাই-বাছাই করে নেয়। সুতরাং এটা নিয়ে আমরা খুব বেশি চিন্তিত নয়।’

অনুষ্ঠানে ঢাকায় নিযুক্ত সুইজারল্যান্ডের রাষ্ট্রদূত নাথালি চুয়ার্ড, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী এনামুর রহমান, বাংলাদেশে আইসিআরসি প্রতিনিধি দলের প্রধান কাটজা লরেঞ্জ, মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের ট্রাস্টি সারা জাকের প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন:
জবির ১৩ তলা ভবন শেষ হলো না ১৬ বছরেও
জবি কর্মচারী সমিতির নতুন নেতৃত্ব নির্বাচিত
মিতুর পরিবারের পাশে থাকবে জবি: উপাচার্য

শেয়ার করুন

বিএনপির লবিস্ট নেই, মিথ্যা বলছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী: ফখরুল

বিএনপির লবিস্ট নেই, মিথ্যা বলছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী: ফখরুল

গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ছবি: নিউজবাংলা

পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেনের বক্তব্যকে মিথ্যা বলেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, ‘দেশ এবং গণতন্ত্র রক্ষার জন্য বিএনপি সব সময় কাজ করে। বিএনপি কোন দিন লবিস্ট নিয়োগ করেনি। পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্য মিথ্যা।’

দেশের ক্ষতি করার জন্যই বিএনপি বিদেশে লবিস্ট নিয়োগ করেছে- পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেনের এ বক্তব্যকে মিথ্যা বলেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

মঙ্গলবার বিকেলে গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে তিনি একথা জানান।

দেশের ক্ষতি করতে বিএনপি বিদেশে লবিস্ট নিয়োগ করেছে। পররাষ্ট্রমন্ত্রীর এমন বক্তব্যে সাংবাদিকরা দৃষ্টি আকর্ষণ করলে বিএনপি মহাসচিব এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, ‘দেশ এবং গণতন্ত্র রক্ষার জন্য বিএনপি সব সময় কাজ করে। বিএনপি কোন দিন লবিস্ট নিয়োগ করেনি। পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্য মিথ্যা।’

মির্জা ফখরুল বলেন, ‘আন্তর্জাতিক মহলের নিষেধাজ্ঞার দায়ভার সরকারকে নিতে হবে।’

বিএনপি মহাসচিব আরও বলেন, ‘জনগণের ভোটে নির্বাচিত নয় বিধায় সরকারের নৈতিক এখতিয়ার নেই নির্বাচন কমিশন নিয়ে আইন প্রনয়ণ করার। সরকারের পদত্যাগ, নিরপেক্ষ নির্দলীয় সরকারের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর, গ্রহণযোগ্য ব্যক্তিদের নিয়ে কমিশন গঠন করে সুষ্ঠু অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের মাধ্যমে দেশে গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনা একমাত্র পথ। গণআন্দোলনের মাধ্যমে এই পরিবর্তন আনতে হবে।’

মির্জা ফখরুল বলেন, ‘গোপনীয়তার সঙ্গে তাড়াহুড়ো করে এই আইন প্রণয়নের প্রচেষ্টা জনগণের সঙ্গে আওয়ামী লীগের প্রতারণা করে আর একটি পাতানো নির্বাচন আয়োজনের মাধ্যমে অবৈধভাবে ক্ষমতায় টিকে থাকার নীল নকশা মাত্র।’

তিনি বলেন, ‘বিএনপি মনে করে বাংলাদেশের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে কোনও নির্বাচন কমিশনেই অবাধ নিরপেক্ষ সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানে সফল হবে না, যদি না নির্বাচনকালীন সময়ে নিরপেক্ষ তত্তাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। ২০১৪ এবং ২০১৮ সালের এক তরফা সাজানো ভোটারবিহীন ও মধ্যরাতের ভোট ডাকাতির নির্বাচনের মধ্য দিয়ে সেই সত্য প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।

‘বিএনপি মনে করে বর্তমান আওয়ামী লীগের অবৈধ সরকারের পদত্যাগ, নিরপেক্ষ নির্দলীয় সরকারের নিকট ক্ষমতা হস্তান্তর, সকল রাজনৈতিক দলের মতামতের ভিত্তিতে সকলের কাছে গ্রহণযোগ্য ব্যক্তিদের সমন্বয়ে গঠিত নির্বাচন কমিশনের পরিচালনায় একটি অবাধ, সুষ্ঠু, অংশগ্রহণ মূলক গ্রহণযোগ্য নির্বাচন বাংলাদেশে গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনার একমাত্র পথ, এর কোন বিকল্প নেই।’

বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘এই লক্ষে সকল রাজনৈতিক দল, সংগঠন, ব্যক্তি ও জনগণের ঐক্য গড়ে তুলে দূর্বার গণ-আন্দোলনের মাধ্যমে এই পরিবর্তন আনয়ন করতে হবে।’

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যসহ সংশ্লিষ্টদের অপসারণ দাবি করেছেন মির্জা ফখরুল।

মির্জা ফখরুল বলেন, ‘সিলেট শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) উপাচার্যের পদত্যাগের দাবিতে শিক্ষার্থীদের শান্তিপূর্ণ আন্দোলনে প্রথমে ছাত্রলীগের হামলা ও পরে পুলিশের হামলা, সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ, লাঠিচার্জ ও গুলি বর্ষণের ফলে অসংখ্য শিক্ষার্থী আহত হওয়ার ন্যক্কারজনক ঘটনার তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি।’

তিনি বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ও সরকারের স্বৈরাচারী মনোভাবের কারণেই পরিস্থিতি আরও জটিল হয়েছে এবং প্রায় ১০ দিনেও এই সমস্যার সমাধান হয়নি। সভায় অবিলম্বে ভাইস চ্যান্সেলরসহ দায়ী সকল সংশ্লিষ্ট দায়িত্ব প্রাপ্ত কর্মকর্তার অপসারণ এবং নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে ছাত্রলীগ ও পুলিশের দায়ী ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনার দাবী করছি।’

সভায় বিএনপি গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের লক্ষ্যে জাতীয় ঐক্য গড়ে তোলার জন্য সবার প্রতি আহ্বান জানান ফখরুল।

গতকাল বিএনপির সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম জাতীয় স্থায়ী কমিটির ভার্চুয়াল সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভার সিদ্ধান্তগুলো তুলে ধরে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এই সংবাদ সম্মেলন করেন।

আরও পড়ুন:
জবির ১৩ তলা ভবন শেষ হলো না ১৬ বছরেও
জবি কর্মচারী সমিতির নতুন নেতৃত্ব নির্বাচিত
মিতুর পরিবারের পাশে থাকবে জবি: উপাচার্য

শেয়ার করুন