× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
Results of the 43rd BCS prelims this month
google_news print-icon

৪৩তম বিসিএস প্রিলির ফল চলতি মাসে

৪৩তম-বিসিএস-প্রিলির-ফল-চলতি-মাসে
ফাইল ছবি
৪৩তম বিসিএসের মাধ্যমে সরকার বিভিন্ন ক্যাডারে ১ হাজার ৮১৪ জনকে নিয়োগ দেবে। এর মধ্যে প্রশাসন ক্যাডারে নিয়োগ হবে ৩০০ জন। পুলিশের এএসপি পদে নিয়োগ হবে ১০০ জন। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে নিয়োগ দেয়া হবে ২৫ জনকে।

নতুন বছরের প্রথম মাসেই প্রকাশ হচ্ছে ৪৩তম বিসিএসের প্রিলিমিনারি পরীক্ষার ফল। এ জন্য সব ধরনের প্রস্তুতি শেষ করেছে বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন-পিএসসি।

সংস্থাটির পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক নূর আহম্মদ নিউজবাংলাকে এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, ‘৪৩তম প্রিলিমিনারির ফল চলতি মাসেই প্রকাশ করা হবে।’

গত বছরের ২৯ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হয় এই প্রিলিমিনারি পরীক্ষা। আটটি বিভাগীয় শহরের ৩৬৯ কেন্দ্রে একযোগে এ পরীক্ষা হয়। এতে এ পরীক্ষায় অংশ নিতে আবেদন করেন ৪ লাখ ৪২ হাজার ৮৩২ জন চাকরিপ্রার্থী, যা বিসিএসের ইতিহাসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আবেদনের রেকর্ড।

গত বছরের ৩০ নভেম্বর ৪৩তম সাধারণ বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি দেয় পিএসসি। ৩০ ডিসেম্বর থেকে শুরু হয় আবেদন প্রক্রিয়া।

শুরুতে আবেদনের শেষ সময় এ বছরের ৩১ জানুয়ারি করা হলেও পরে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের সুপারিশে সময় বাড়িয়ে ৩১ মার্চ পর্যন্ত করা হয়।

৪৩তম বিসিএসের মাধ্যমে সরকার বিভিন্ন ক্যাডারে ১ হাজার ৮১৪ জনকে নিয়োগ দেবে। এর মধ্যে প্রশাসন ক্যাডারে নিয়োগ হবে ৩০০ জন। পুলিশের এএসপি পদে নিয়োগ হবে ১০০ জন। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে নিয়োগ দেয়া হবে ২৫ জনকে।

শিক্ষায় সবচেয়ে বেশি ৮৪৩ ক্যাডার নিয়োগ দেয়া হবে। এ ছাড়া অডিটে ৩৫, ট্যাক্সে ১৯, কাস্টমসে ১৪, সমবায়ে ২০, ডেন্টাল সার্জন পদে ৭৫ ও অন্যান্য ক্যাডারে নিয়োগ দেয়া হবে ৩৮৩ জনকে।

আরও পড়ুন:
৪১তম বিসিএস: বিষয়ভিত্তিক লিখিত পরীক্ষা শুরু ২৯ ডিসেম্বর
৪৪তম বিসিএসের প্রিলি ২৭ মে
৪৪তম বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি, নিয়োগ হবে ১৭১০ জন
৪২তম বিসিএস (বিশেষ): স্বাস্থ্য পরীক্ষা শুরু ৬ ডিসেম্বর
৪১তম বিসিএসের লিখিত পরীক্ষা শুরু

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
49 candidates per seat started on Saturday in Chabi

চবিতে ভর্তিযুদ্ধ শুরু শনিবার, আসনপ্রতি প্রার্থী ৪৯

চবিতে ভর্তিযুদ্ধ শুরু শনিবার, আসনপ্রতি প্রার্থী ৪৯
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের চারটি ইউনিট ও দুটি উপ-ইউনিটে চার হাজার ৯২৬টি আসনের জন্য চূড়ান্তভাবে আবেদন করেছেন ২ লাখ ৪৩ হাজার ৫৫৫ জন শিক্ষার্থী। এবার নিজ ক্যাম্পাস ছাড়াও ঢাকা ও রাজশাহী বিভাগে চবির ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (চবি) ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষে প্রথম বর্ষ (সম্মান) ভর্তি পরীক্ষা শুরু হচ্ছে ২ মার্চ শনিবার। এবার চট্টগ্রাম, ঢাকা ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে একযোগে চবির ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। ভর্তি পরীক্ষা সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে সম্পন্ন করতে সব ধরনের প্রস্তুতি নিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। ক্যাম্পাসে জোরদার করা হয়েছে নিরাপত্তা ও নজরদারি।

এদিকে ভর্তি ফরম বিক্রির টাকা কোন খাতে ব্যয় হয় প্রশাসন থেকে এর যথাযথ ব্যাখ্যা না পাওয়া পর্যন্ত ভর্তি পরীক্ষায় দায়িত্ব পালন করলেও সম্মানী (ভাতা) না নেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে শিক্ষক সমিতি।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, এবারের ভর্তি পরীক্ষায় প্রতি আসনের বিপরীতে লড়বেন ৪৯ জন ভর্তিচ্ছু। চারটি ইউনিট ও দুটি উপ-ইউনিটে চার হাজার ৯২৬টি আসনের জন্য চূড়ান্তভাবে আবেদন করেছেন ২ লাখ ৪৩ হাজার ৫৫৫ জন শিক্ষার্থী।

আইসিটি সেল সূত্রে জানা যায়, ‘এ’ ইউনিটে ১ হাজার ২১৫টি আসনের বিপরীতে আবেদন করেছেন ৯৯ হাজার ৫২১ জন শিক্ষার্থী। এই ইউনিটে প্রতি আসনের বিপরীতে ভর্তিচ্ছুর সংখ্যা ৮২ জন।

‘বি’ ইউনিটে ১ হাজার ২২১টি আসনের বিপরীতে আবেদন পড়েছে ৬৫ হাজার ২৬৭টি।

এই ইউনিটে প্রতি আসনের বিপরীতে ভর্তির জন্য লড়বেন ৫৪ জন।

‘সি’ ইউনিটে ৬৪০টি আসনের বিপরীতে আবেদন করেছেন ১৭ হাজার ৩০০ জন শিক্ষার্থী। এই ইউনিটে প্রতি আসনে ভর্তির জন্য লড়বেন ২৭ জন।

‘ডি’ ইউনিটে ৯৫৮টি আসনের বিপরীতে ৫৭ হাজার ৮০৪ জন আবেদন করেছেন। সম্মিলিত এই ইউনিটে প্রতি আসনের বিপরীতে ৬০ জন লড়বেন।

দুটি উপ-ইউনিটের মধ্যে ‘বি-১’ ইউনিটে ১২৫টি আসনের বিপরীতে আবেদন পড়েছে ১ হাজার ৬৬৯টি। এই উপ-ইউনিটে প্রতি আসনের বিপরীতে ভর্তির জন্য লড়ছেন ১৩ জন।

আর ‘ডি-১’ উপ-ইউনিটে ৩০টি আসনের বিপরীতে ১ হাজার ৯৯৪ জন প্রার্থী আবেদন করেছেন। অর্থাৎ এই উপ-ইউনিটে প্রতি আসনের জন্য লড়বেন ৬৭ জন শিক্ষার্থী।

সম্মানী ছাড়াই দায়িত্ব পালনের সিদ্ধান্ত শিক্ষকদের

ভর্তি ফরম বিক্রির টাকা কোন খাতে ব্যয় হয় প্রশাসন থেকে এর যথাযথ ব্যাখ্যা না পাওয়া পর্যন্ত ভর্তি পরীক্ষায় দায়িত্ব পালন করলেও সম্মানী (ভাতা) না নেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে চবি শিক্ষক সমিতি।

বুধবার রাতে শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক আব্দুল হকের সই করা এক জরুরি সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। ২২ ফেব্রুয়ারি শিক্ষক সমিতির এক সাধারণ সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের আয়-ব্যয়ের হিসাব নিয়ে সংসদে প্রশ্ন ওঠায় চবি শিক্ষক সমিতি জরুরি সভা ডেকে এই সিদ্ধান্ত নেয়।

ভর্তি পরীক্ষা হবে ঢাকা-রাজশাহীতেও

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা এবার নিজ ক্যাম্পাস ছাড়াও ঢাকা ও রাজশাহী বিভাগে অনুষ্ঠিত হবে। ঢাকা বিভাগের কেন্দ্র নির্ধারণ করা হয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) ও রাজশাহী বিভাগের কেন্দ্র নির্ধারণ করা হয়েছে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাবি) ক্যাম্পাস।

সি ইউনিটে পরীক্ষা নতুন নিয়মে

ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদভুক্ত ‘সি’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় এবার বেশকিছু পরিবর্তন আনা হয়েছে। অন্যান্যবার ব্যবসায় শিক্ষা, বিজ্ঞান ও মানবিক বিভাগের শিক্ষার্থীদের আলাদা প্রশ্নে পরীক্ষা হলেও এবার সব বিভাগ থেকে পাস করা শিক্ষার্থীদের অভিন্ন প্রশ্নে পরীক্ষা নেয়া হবে। এবার ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগ থেকে পাস করা শিক্ষার্থীদের জন্য ৩২০টি, বিজ্ঞান বিভাগের জন্য ২৫৬টি ও মানবিক বিভাগ থেকে পাস করা শিক্ষার্থীদের জন্য ৩২টি আসন বরাদ্দ রাখার সিদ্ধান্ত হয়েছে।

এছাড়া নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ‘সি’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় ইংরেজিতে ৪০, বিশ্লেষণ দক্ষতায় ৩০ ও সমস্যা সমাধান (প্রবলেম সলভিং) অংশে ৩০ নম্বর থাকবে।

পরীক্ষার সময়সূচি

শনিবার ২ মার্চ ‘এ’ ইউনিটের পরীক্ষা দিয়ে শুরু হবে ভর্তিযুদ্ধ। ৮ মার্চ ‘বি’ ইউনিট, ৯ মার্চ ‘সি’ ইউনিট এবং ১৬ মার্চ অনুষ্ঠিত হবে ‘ডি’ ইউনিটের পরীক্ষা।

এছাড়া ‘বি-১’ উপ-ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা ৩ মার্চ ও ‘ডি-১’ উপ-ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা ৪ মার্চ, ‘বি-১’ উপ-ইউনিটের ব্যবহারিক পরীক্ষা ১২, ১৩ ও ১৪ মার্চ এবং ‘ডি-১’ উপ-ইউনিটের ব্যবহারিক পরীক্ষা ১০ ও ১১ মার্চ অনুষ্ঠিত হবে।

পরীক্ষা পদ্ধতি

ভর্তি পরীক্ষা বরাবরের মতোই ১২০ নম্বরে অনুষ্ঠিত হবে। এর মধ্যে ১০০ নম্বর লিখিত পরীক্ষা (বহু নির্বাচনি) এবং বাকি ২০ নম্বর এসএসসি ও এইচএসসি জিপিএ থেকে যুক্ত হবে। বহু নির্বাচনী পদ্ধতির এই ভর্তি পরীক্ষায় প্রতি ভুল উত্তরের জন্য ০.২৫ নম্বর কাটা যাবে।

বিশেষ শাটল ট্রেন

ভর্তি পরীক্ষার্থীদের যাতায়াতের সুবিধার্থে বিশেষ শাটল ট্রেনের ব্যবস্থা করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। ভর্তি পরীক্ষার দিনগুলোতে এই বিশেষ শাটল সার্ভিস চলবে।

নগরীর বটতলী রেলস্টেশন থেকে যথাক্রমে সকাল ৬টা, সাড়ে ৬টা, ৮টা ১৫ মিনিট, ৮টা ৪০ মিনিট, বেলা ২টা ৫০ মিনিট, ৩টা ৫০ মিনিট ও রাত সাড়ে ৮টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্দেশে ছেড়ে যাবে এই বিশেষ শাটল ট্রেন।

অন্যদিকে বিশ্ববিদ্যালয় স্টেশন থেকে যথাক্রমে সকাল ৭টা ৫ মিনিট, ৭টা ৩৫ মিনিট, দুপুর ১টা, দুপুর দেড়টা, বিকেল ৪টা, ৫টা, সাড়ে ৫টা ও রাত সাড়ে ৯টায় নগরীর বটতলীর উদ্দেশে ছেড়ে যাবে ট্রেন।

সার্বিক বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. নূরুল আজিম সিকদার বলেন, ‘ভর্তি পরীক্ষা সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও নির্বিঘ্নে সুসম্পন্ন করতে ক্যাম্পাসের সার্বিক নিরাপত্তায় আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সাত শতাধিক সদস্য নিয়োজিত থাকবেন। যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে প্রক্টরিয়াল বডি সতর্ক অবস্থানে থাকবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘ভর্তি পরীক্ষার সময় শহর থেকে ক্যাম্পাসে আসার রাস্তা যানজটমুক্ত রাখা হবে। এছাড়া শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ শাটল ট্রেন চলবে।’

আরও পড়ুন:
ভর্তি পরীক্ষার আয়-ব্যয়ের হিসাব সাধারণ শিক্ষকরা জানেন না
চবিতে দফায় দফায় সংঘর্ষ: কঠোর ব্যবস্থা নিতে বললেন শিক্ষামন্ত্রী
ধর্ষণচেষ্টায় অভিযুক্ত চবি শিক্ষককে অপসারণের সিদ্ধান্ত
চবিতে ছাত্রলীগের সংঘর্ষ থামছেই না, এবার পুলিশসহ আহত ১৩
ফের সংঘর্ষে রণক্ষেত্র চবি, আহত ৭

মন্তব্য

বাংলাদেশ
DUs science unit admission test starts 66 candidates per seat

ঢাবির বিজ্ঞান ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত, আসনপ্রতি পরীক্ষার্থী ৬৬

ঢাবির বিজ্ঞান ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত, আসনপ্রতি পরীক্ষার্থী ৬৬ ঢাবি ক্যাম্পাস ও লোগো। ফাইল ছবি
গত বছর ইউনিটগুলোর নামও পরিবর্তন করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। আগের ‘ক’ ইউনিটের নাম পরিবর্তন করে রাখা হয়েছে বিজ্ঞান ইউনিট, ‘খ’ ইউনিটের নাম পরিবর্তন করে রাখা হয়েছে কলা, আইন ও সামাজিক বিজ্ঞান ইউনিট, ‘গ ইউনিটের নাম পরিবর্তন করে রাখা হয়েছে ব্যবসায় শিক্ষা ইউনিট এবং ‘চ’ ইউনিটের নাম পরিবর্তন করে চারুকলা ইউনিট।

আজ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) বিজ্ঞান ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে। পূর্বে যেটির নাম ছিল ‘ক’ ইউনিট। সম্প্রতি প্রতিটি ইউনিটের নাম পরিবর্তন করেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।

বেলা ১১টা থেকে ঢাকাসহ দেশের আটটি বিভাগীয় শহরে একযোগে শুরু হয় এই ইউনিটের পরীক্ষা। চলে সাড়ে ১২টা পর্যন্ত।

উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এস এম মাকসুদ কামাল বেলা ১১টা পনেরো মিনিটে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্জন হল কেন্দ্র পরিদর্শন করেন।

আসন, আবেদনকারী ও কেন্দ্র

এই ইউনিটে মোট আসন সংখ্যা রয়েছে ১ হাজার ৮৫১টি।। এর মধ্যে বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীদের জন্য ১ হাজার ৭৭৫টি, মানবিক বিভাগের শিক্ষার্থীদের জন্য ৫১টি এবং বাণিজ্য বিভাগের শিক্ষার্থীদের জন্য ২৫টি আসন বরাদ্দ রয়েছে।

বিজ্ঞান ইউনিটের মোট আসনের বিপরীতে ১ লক্ষ ২২ হাজার ৮২ জন শিক্ষার্থীর আবেদন জমা পড়েছে। যদি আবেদন করা সবাই ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নেয় তখন প্রতিটি আসনের বিপরীতে লড়তে হবে ৬৬ জন শিক্ষার্থীকে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এবারের ভর্তি পরীক্ষায় চারটি ইউনিটে মোট আসনসংখ্যা ৫ হাজার ৯৬৫। এসব আসনের বিপরীতে মোট ২ লাখ ৭৮ হাজার ৯৯৬ শিক্ষার্থী আবেদন করেছেন।

ইউনিটের সংখ্যা ও নাম পরিবর্তন

আগে পাঁচ ইউনিটে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হলেও গত বছর থেকে শুধু চারটি ইউনিটেই অনুষ্ঠিত হচ্ছে এই ভর্তি পরীক্ষা। বাদ দেয়া হয়েছে পূর্বের ঘ ইউনিট।

গত বছর ইউনিটগুলোর নামও পরিবর্তন করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

আগের ‘ক’ ইউনিটের নাম পরিবর্তন করে রাখা হয়েছে বিজ্ঞান ইউনিট, ‘খ’ ইউনিটের নাম পরিবর্তন করে রাখা হয়েছে কলা, আইন ও সামাজিক বিজ্ঞান ইউনিট, ‘গ ইউনিটের নাম পরিবর্তন করে রাখা হয়েছে ব্যবসায় শিক্ষা ইউনিট এবং ‘চ’ ইউনিটের নাম পরিবর্তন করে চারুকলা ইউনিট।

গত ২৩ ফেব্রুয়ারি কলা, আইন ও সামাজিক বিজ্ঞান ইউনিটের পরীক্ষার মাধ্যমে শুরু হয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তিযুদ্ধ।

আরও পড়ুন:
ঢাবির ব্যবসায় শিক্ষা ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা শুরু, আসনপ্রতি পরীক্ষার্থী ৩৬
অফিস সহকারীকে কক্ষ পরিদর্শনে রেখে বনভোজনে শিক্ষক, খাতা উধাও
ঢাবিতে ভর্তিযুদ্ধ শুরু
জাবিতে ভর্তিযুদ্ধ শুরু
জাবিতে ভর্তি পরীক্ষা শুরু বৃহস্পতিবার

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Books that are selling well at book fairs

মেলায় যেসব বই ভালো বিক্রি হচ্ছে

মেলায় যেসব বই ভালো বিক্রি হচ্ছে
বইমেলায় নবীন ও তরুণ জনপ্রিয় লেখকদের বই বিক্রির শীর্ষে থাকলেও হারিয়ে যাননি কিংবদন্তি লেখকরা। তরুণ জনপ্রিয় লেখকের ভীড়ে ভালো বিক্রি হচ্ছে তাদের বইও।

নতুন করে দুইদিন সময় না বাড়ানো হলে বৃহস্পতিবারই হতো অমর একুশে বইমেলার শেষদিন। তবে সময় বাড়ানোয় আরও দুদিন চলবে বইমেলা। ইতোমধ্যে সব বই মেলায় চলে এসেছে। ফলে শেষ সময়ে এসে পাঠকরা সহজেই খুঁজে নিতে পারছেন তাদের পছন্দের বই।

বইমেলায় নবীন ও তরুণ জনপ্রিয় লেখকদের বই বিক্রির শীর্ষে থাকলেও হারিয়ে যাননি কিংবদন্তি লেখকরা। তরুণ জনপ্রিয় লেখকের ভীড়ে ভালো বিক্রি হচ্ছে তাদের বইও।

এবারের বইমেলায় কোন বইগুলো সবচেয়ে ভালো বিক্রি হয়েছে- জানতে চাইলে প্রথমা প্রকাশনীর বিক্রয় প্রতিনিধি মেহেদী হাসান বলেন, “সর্বোচ্চ বিক্রিত তিনটি বইয়ের নাম বলতে বললে যে তিনটি বইয়ের নাম আসবে, সেগুলো হলো- আনিসুল হক স্যারের ‘কখনো আমার মাকে’, আসিফ নজরুল স্যারের ‘আমি আবু বকর বলছি’, আনু মোহাম্মদ স্যারের ‘অর্থশাস্ত্র’ বইটি।

“এছাড়া আরও দুইটি বইয়ের নাম বলা যাবে, মহিউদ্দিন আহমেদ স্যারের ‘প্লাবনভূমির মহাকাব্য পলাশী থেকে পাকিস্তান’ এবং জিয়াউদ্দিন এম চৌধুরী স্যারের ‘দুই জেনারেলের হত্যাকাণ্ড’।”

তিনি জানান, ‘দুই জেনারেলের হত্যাকাণ্ড’৭/৮ দিন আগে বইমেলায় এসেছে। এরই মধ্যে তিনবার স্টক আউটও হয়ে গেছে।

অন্বেষা প্রকাশনীর কর্মী আবদুল্লাহ বলেন, “ড. আমিনুল ইসলাম স্যারের ‘১০১ ইনট্রোডাকশন টু বাংলাদেশ’, ইসমত আর প্রিয়ার ‘আমার শুধু মানুষ হারায়’, সুজন দেবনাথের ‘হেমলকের নিমন্ত্রণ’, আরিফুর রহমানের ‘সাউদার্ন ভ্যালি ওয়ে’ আর জুনায়েদ ইসলামের ‘ক্রিমসন অ্যান্ড দ্য রেড ডোর’ সবচেয়ে ভালো বিক্রি হচ্ছে।”

মিজান পাবলিশার্সের বিক্রয়কর্মী ইমন বলেন, “নিমাই ভট্টাচার্যের ‘মেমসাহেব’, ফারজানা ছবির ‘জলছবি’ আর অভিনেত্রী রওনক বিশাখা শ্যামলীর ‘তুমি নয়নতারা’ বইগুলো সবচেয়ে ভালো বিক্রি হয়েছে।”

‘তুমি নয়নতারা’ বইয়ের স্টক শেষ হয়ে যাওয়া এবং মেলা বর্তমানে শেষ পর্যায়ে হওয়াতে প্রকাশনী নতুন কোনো মুদ্রণে যাচ্ছে না বলেও জানান তিনি।

অন্যপ্রকাশ প্রকাশনীর পরিচালক সিরাজুল কবীর চৌধুরী বলেন, ‘সবচেয়ে বিক্রিত বইগুলোর নির্দিষ্ট নাম না বলি। তবে উপন্যাসের কাটতি বেশি। আর কিংবদন্তি লেখক হুমায়ূন আহমেদের বই তো আছেই। এছাড়া সাদাত হোসাইন, মৌরি মরিয়মসহ আরও যেসব লেখক ফেসবুকে পজিটিভ লেখালেখি করেন, তাদের বই ভালো বিক্রি হচ্ছে।’

পাঞ্জেরী পাবলিকেশন্স-এর বিক্রয় প্রতিনিধি শারাফাত লস্কর বলেন, “অরুণ কুমার বিশ্বাসের ‘ব্রাউন পেপার’, দন্ত্যস রওশনের ‘নির্বাচিত কিশোর উপন্যাস’‘, মশিউর রহমান শান্তর ‘ঘোর’, ড. মোহাম্মদ আমীন স্যারের ‘যতিচিহ্নের গতি-প্রকৃতি’, সাগরিকা নাসরিনের ‘আধখানা বসতি তাহার’ এবং আবদুল গাফফার রনির ‘প্যারাডক্স’ বইগুলো আমাদের প্রকাশনী থেকে ভালো বিক্রি হচ্ছে।”

মাওলা ব্রাদার্সের মারিহা বিনতে আলী বলেন, “আমাদের প্রকাশনীর সব বই ভালো বিক্রি হচ্ছে। তবে আহমদ ছফার ‘যদ্যপি আমার গুরু’, ‘অর্ধেক নারী অর্ধেক ঈশ্বরী’, উপন্যাসসমগ্র, শাহাদুজ্জামানের ‘ক্রাচের কর্ণেল’ ও আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের ‘খোয়াবনামা’ বেশি বিক্রি হচ্ছে।”

ঐতিহ্য প্রকাশনীর এক বিক্রয়কর্মী বলেন, “আফতাব হোসেনের ‘বখতিয়ার’, ইফতেখার আমিনের অনুবাদ বই ‘ট্রাভেলস অব ইবনে বতুতা’, সাব্বির জাদিদের ‘আজাদির সন্তান’, মহিউদ্দিন আহমদের ‘চুয়াত্তরের দুর্ভিক্ষ’ আর ‘তেহাত্তরের নির্বাচন’ বইগুলো ভালো বিক্রি হচ্ছে।”

বইমেলা সোহরাওয়ার্দী উদ্যানেই রাখার দাবি

আগামী বছর থেকে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান প্রাঙ্গণে বইমেলা হবে না মর্মে একটি গুঞ্জন তৈরি হয়েছে।

বলা হচ্ছে, সোহরাওয়ার্দী উদ্যানকে ঘিরে সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড তৈরির অংশ হিসেবে কিছু প্রকল্পের কাজ মার্চ মাস থেকেই শুরু করতে চাইছে গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়। তাই বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণ থেকে সরিয়ে পূর্বাচলে নিয়ে যাওয়া হবে বইমেলা।

যদিও মেলার আয়োজক প্রতিষ্ঠান বাংলা একাডেমি বা সরকারের পক্ষ থেকে এখনও কোনো ঘোষণা আসেনি, তবে প্রকাশকদের দাবি, সোহরাওয়ার্দী উদ্যান প্রাঙ্গণ থেকে বইমেলা যেন না সরানো হয়। সরানো হলে বইমেলা না হওয়ারই নামান্তর সেটি।

এ বিষয়ে অন্বেষা প্রকাশনীর প্রধান নির্বাহী ফাতিমা বুলবুল বলেন, ‘অমর একুশে বইমেলা আমাদের ঐতিহ্য আর সংস্কৃতির অংশ। এর সঙ্গে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, সোহরাওয়ার্দী উদ্যানসহ পুরো এলাকা জড়িয়ে আছে।

‘শহীদ মিনারে ফুল দিয়ে সবাই বইমেলায় আসে। এখানে বইমেলা হওয়ায় আলাদা একটি আবহ অনুভূত হয়। তাই বইমেলার জন্য সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের বিকল্প কোনো জায়গা থাকতে পারে না।’

তিনি বলেন, ‘বইমেলায় অন্যত্র সরিয়ে নিলে মেলার প্রাণটাই থাকবে না। তার চেয়ে বইমেলা না হওয়াই ভালো। বইমেলাকে তো আর বাণিজ্যমেলার সঙ্গে তুলনা করা যাবে না।’

বইমেলায় কবি সামাদের ‘সিলেক্টে‌ড পোয়ে‌মস’

অমর একুশে গ্রন্থমেলায় প্রকাশিত হয়েছে দে‌শব‌রেণ‌্য কবি ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ সামাদের নতুন বই ‌‘সিলেক্টেড পো‌য়েমস’-এর তৃতীয় সংস্করণ। এবারের মেলায় অনন্য এ গ্রন্থটি প্রকাশ করেছে অন্যন্যা প্রকাশনী। উপমহা‌দে‌শের প্রখ‌্যাত চিত্রশিল্পী যো‌গেন চৌধুরীর চিত্রকর্ম অবলম্ব‌নে বইয়ের প্রচ্ছদ অংকন করেছেন খ্যাতিমান শিল্পী ধ্রুব এষ।

দ্বিভাষিক এই কাব‌্য সংকলন‌টি ইং‌রে‌জি ভার্সন নতুন ক‌রে সম্পাদনা ক‌রে‌ছেন যুক্তরা‌ষ্ট্রের বিখ‌্যাত দুই ক‌বি জে‌মি প্রক্টর শু এবং সাইমন জে অর্টিজ। আগের সংস্করণের স‌ঙ্গে তি‌রিশ‌টি নতুন অনুবাদ যুক্ত করা হ‌য়ে‌ছে বর্তমান সংস্কর‌ণে।

কবিতায় বিশেষ অবদানের জন্য অধ্যাপক সামাদ ২০২৪ সালে একুশে পদক, ২০২০ সালে বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কারসহ নানা পুরষ্কারে ভূষিত হয়েছেন। জাতীয় কবিতা পরিষদের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা মুহাম্মদ সামাদ ২০১৭ সাল থেকে পরিষদের সভাপতির দায়িত্বও পালন করছেন।

২৯তম দিনে ১২৭টি নতুন বই

বইমেলার ২৯তম দিনে নতুন বই এসেছে ১২৭টি।

‘লেখক বলছি’ অনুষ্ঠানে নিজেদের নতুন বই নিয়ে আলোচনা করেন লেখক ও আলোকচিত্রশিল্পী নাসির আলী মামুন, পুঁথিগবেষক জালাল খান ইউসুফী, কথাসাহিত্যিক মাহমুদুন নবী রনি এবং কবি রনি রেজা।

শুক্রবারের কর্মসূচি

শুক্রবার অমর একুশে বইমেলার ৩০তম দিন। মেলা শুরু হবে সকাল এগারোটায় এবং চলবে রাত নয়টা পর্যন্ত।

আরও পড়ুন:
বইমেলায় ‍দৃষ্টিহীনদের বাতিঘর স্পর্শ ব্রেইল প্রকাশনা
জমে উঠেছে শেষ সময়ের বইমেলা
বইমেলা ২ দিন বাড়ল
ক্যাটালগ দেখে ‘পছন্দের’ বই সংগ্রহে বইপ্রেমীরা

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Madrasa teacher detained again on the charge of Balatkar

ফের বলাৎকারের অভিযোগ, মাদ্রাসা শিক্ষক আটক

ফের বলাৎকারের অভিযোগ, মাদ্রাসা শিক্ষক আটক বলাৎকারে অভিযুক্ত দেবীগঞ্জ পৌর শহরের আলহেরা মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষক মিজানুর রহমান। ছবি: নিউজবাংলা
দুই বছর আগেও এক ছাত্রকে বলাৎকারের অভিযোগ ওঠে ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে। ছাত্রদের ভয়-ভীতি দেখিয়ে ও মারধর করে তিনি এই অপকর্ম করতেন বলে সেসময় অভিযোগ পাওয়া যায়।

পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জ উপজেলায় একটি মাদ্রাসার একাধিক ছাত্রকে বলাৎকারের অভিযোগে হাফেজ মিজানুর রহমান নামে এক শিক্ষককে আটক করেছে পুলিশ।

বুধবার রাতে দেবীগঞ্জ পৌর শহরের আলহেরা মাদ্রাসা থেকে ওই শিক্ষককে আটক করা হয়। সেইসঙ্গে জিজ্ঞাসাবাদের উদ্দেশে মাদ্রাসার ভুক্তভোগী ৬ ছাত্রকে হেফাজতে নিয়েছে পুলিশ।

অভিযুক্ত শিক্ষক মিজানুর রহমান নীলফামারী সদর উপজেলার ভবানীগঞ্জ গোড় গ্ৰামের বাসিন্দা। আলহেরা মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষকের দায়িত্বে রয়েছেন তিনি।

স্থানীয়দের বরাতে পুলিশ জানায়, আবাসিক ও অনাবসিক- দুই ব্যবস্থাতেই পাঠদান করে আলহেরা মাদ্রাসা। মঙ্গলবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) প্রধান শিক্ষক মিজানুর রহমানের বিরুদ্ধে বলাৎকারের অভিযোগ পায় মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ। তবে বিষয়টি ধামাচাপা দিতে তারা পুলিশকে না জানিয়ে অভিযুক্ত শিক্ষককে চাকরিচ্যুত করে।

চাকরিচ্যুত হওয়ার পর ওই শিক্ষক মাদ্রাসায় অবস্থান নিলে বুধবার বিষয়টি জানাজানি হয়। ঘটনার খবরে অভিভাবক ও স্থানীয়রা ক্ষোভে ফুঁসে ওঠেন। অভিযুক্ত শিক্ষকের শাস্তির দাবিতে রাত ৮টার দিকে মাদ্রাসায় জড়ো হন তারা।

পরিস্থিতির অবনতি হতে পারে বিবেচনায় ৯৯৯ ফোন করে সহযোগিতা চায় মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ। পরে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করে অভিযুক্ত শিক্ষককে আটক করে থানায় নিয়ে যায়।

দুই বছর আগেও এক ছাত্রকে বলাৎকারের অভিযোগ ওঠে ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে। ছাত্রদের ভয়-ভীতি দেখিয়ে ও মারধর করে তিনি এই অপকর্ম করতেন বলে সেসময় অভিযোগ পাওয়া যায়।

আলহেরা মাদ্রাসার ম্যানেজিং কমিটির সাধারণ সম্পাদক আব্দুল হাই প্রধান বলেন, ‘৭/৮ বছর ধরে এখানে শিক্ষকতা করছেন মিজানুর রহমান। মঙ্গলবার এক অভিভাবক তার বিরুদ্ধে যৌন নির্যাতনের অভিযোগ আনলে, ওইদিনই তাকে জরুরি মিটিংয়ের মাধ্যমে বরখাস্ত করা হয়।’

দেবীগঞ্জ থানার ওসি সরকার ইফতেখারুল মোকাদ্দেম বলেন, ‘এ ঘটনায় অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলার প্রস্তুতি চলছে।’

আরও পড়ুন:
শিক্ষার্থীকে বলাৎকার: মাদ্রাসাশিক্ষক কারাগারে
মাদারীপুরে মাদ্রাসার ৪ ছাত্রকে পিটিয়ে জখমের অভিযোগ
মাদ্রাসার ছাত্রকে ‘আছাড় মেরে’ মেরুদণ্ড ভেঙে ফেলার অভিযোগ
পালাতে গিয়ে পাঁচতলার কার্ণিশে আটকা, অতঃপর…

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The police claim that there is evidence of student harassment against teacher Murad

শিক্ষক মুরাদের বিরুদ্ধে ছাত্রী হয়রানির প্রমাণ মিলেছে, দাবি পুলিশের

শিক্ষক মুরাদের বিরুদ্ধে ছাত্রী হয়রানির প্রমাণ মিলেছে, দাবি পুলিশের ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষক মুরাদ হোসেন। ছবি: সংগৃহীত
ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার খ. মহিদ উদ্দিন বলেন, ‘কোচিং সেন্টারে ছাত্রীদের পড়ানোর নামে বিভিন্ন সময় তাদের শরীরে হাত দেয়াসহ নানা অশোভন আচরণের মাধ্যমে যৌন হয়রানি করেছেন শিক্ষক মুরাদ। তার প্রমাণ পাওয়া গেছে তার মোবাইল ফোন ও ল্যাপটপে।’

ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষক মোহাম্মদ মুরাদ হোসেন সরকারের বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগের সত্যতা পেয়েছে পুলিশ।

ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) অতিরিক্ত কমিশনার খ. মহিদ উদ্দিন বৃহস্পতিবার ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে একথা জানান।

পুলিশের এই কর্মকর্তা বলেন, ‘অভিযুক্ত ব্যক্তির ফোন ও ল্যাপটপ জব্দ করে কিছু অডিও-ভিডিও ক্লিপ পাওয়া যায়। ডিভাইস দুটি ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য পাঠানো হবে।

‘ওই শিক্ষক আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ২২ ধারায় সাক্ষ্য দিয়েছেন। আমরা অনেক তথ্য পাচ্ছি। আসামি এসব অভিযোগ এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন।’

সংবাদ সম্মেলনে অতিরিক্ত কমিশনার বলেন, ‘স্কুলের পাশে কোচিং সেন্টারে ছাত্রীদের পড়ানোর নামে বিভিন্ন সময় তাদের শরীরে হাত দেয়াসহ নানা অশোভন আচরণের মাধ্যমে যৌন হয়রানি করেছেন শিক্ষক মুরাদ। যার প্রমাণ পাওয়া গেছে তার মোবাইল ফোন ও ল্যাপটপে।

‘একাধিক ছাত্রীর বেশকিছু অডিও রেকর্ডিং ও কথোপকথনে এর প্রমাণ মিলেছে। তিনি পড়ানোর সময় শিক্ষার্থীদের কুরুচিপূর্ণ কৌতুক শোনাতেন বলেও জানা গেছে।’

মুরাদকে রিমান্ডে নিয়ে কী তথ্য পাওয়া গেছে জানতে চাইলে অতিরিক্ত কমিশনার বলেন, ‘যে অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়েছে পুলিশ হেফাজতে দুদিন জিজ্ঞাসাবাদ করার পর তার সত্যতা পাওয়া গেছে।

‘গত বছরের নভেম্বরে ওই শিক্ষার্থী যে যৌন নির্যাতনের শিকার হয়, তার প্রাথমিক সত্যতাও পেয়েছে পুলিশ। তবে ওই ঘটনা জানাজানি হলে মা-বাবার সম্মানহানি হবে এবং স্কুল থেকে তাকে বের করে দেয়া হবে এমন আশঙ্কায় নির্যাতিত ছাত্রী কাউকে কিছু জানায়নি।’

পুলিশের এই কর্মকর্তা বলেন, ‘২৬ ফেব্রুয়ারি এক শিক্ষার্থীর মা লালবাগ থানায় এসে অভিযোগ করেন, ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী যখন সপ্তম শ্রেণিতে পড়ত, তখন সে ওই শিক্ষকের কোচিংয়ে পড়তে যেত। মেয়েটিকে গত বছরের ১০ মার্চসহ বিভিন্ন সময় নানাভাবে যৌন নিপীড়ন করেছেন শিক্ষক মুরাদ।’

তিনি বলেন, ‘এই শিক্ষকের বিরুদ্ধে আগেও এমন অভিযোগ এসেছে। এ নিয়ে কিছু অভিভাবক ও তাদের সন্তানদের বক্তব্য শোনেন কলেজের অধ্যক্ষ। তিনি একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেন। এ ঘটনায় স্কুলে মানববন্ধনও হয়। ২৬ ফেব্রুয়ারি মামলা হওয়ার পর ওই রাতে আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়।’

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে মহিদ উদ্দিন বলেন, ‘ফৌজদারি অপরাধ কখনও তামাদি হয়ে যায় না। আর শ্লীলতাহানির অভিযোগ প্রমাণের জন্য মেডিক্যাল প্রতিবেদন জরুরি নয়। অভিযোগ প্রমাণের জন্য আরও অনেক প্রক্রিয়া রয়েছে।

‘আমরা প্রত্যেক নাগরিকের অধিকারের বিষয়ে সংবেদনশীল। যৌন নিপীড়ন সংক্রান্ত অপরাধ কত দিন, কত জায়গায়, কতবার হয়েছে, সবই তদন্তের আওতায় আনা হবে।’

অভিযুক্ত মুরাদ হোসেন সরকার ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের আজিমপুর ক্যাম্পাসের দিবা শাখার গণিতের জ্যেষ্ঠ শিক্ষক। ২০১০ সাল থেকে তিনি বিদ্যালয়টিতে শিক্ষকতা করছেন। পাশাপাশি আজিমপুর এলাকার একটি ফ্ল্যাটে কোচিং সেন্টার খুলে ছাত্রীদের পড়াতেন।

শিক্ষক মুরাদ কারাগারে

যৌন হয়রানির মামলায় ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের আজিমপুর ক্যাম্পাসের গণিতের শিক্ষক মুরাদ হোসেন সরকারকে কারাগারে পাঠিয়েছে আদালত।

দুদিনের রিমান্ড শেষে বৃহস্পতিবার আদালতে হাজির করলে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন ঢাকা মহানগর হাকিম মোহাম্মদ জসিম।

একইসঙ্গে আসামি পক্ষের আইনজীবী চিকিৎসার আবেদন করলে কারাবিধি মোতাবেক তার চিকিৎসার ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেয় আদালত।

সোমবার রাত ১২টার দিকে রাজধানীর কলাবাগানের বাসা থেকে মুরাদকে গ্রেপ্তার করা হয়। ওই রাতেই ভিকারুননিসা স্কুলের গভর্নিং বডির জরুরি সভায় তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়।

এর আগে ৭ ফেব্রুয়ারি ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগ এনে অধ্যক্ষ বরাবর অভিযোগ করেন শিক্ষার্থীরা।

শিক্ষার্থীদের একাংশ ও তাদের অভিভাবকদের আন্দোলনের মুখে শনিবার স্কুল কর্তৃপক্ষ এই শিক্ষককে প্রত্যাহার করে অধ্যক্ষের কার্যালয়ে সংযুক্ত করে।

পরদিন প্রত্যাহারের সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে স্কুল ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ করেন শিক্ষার্থী ও তাদের অভিভাবকরা।

আরও পড়ুন:
যৌন হয়রানিতে অভিযুক্ত ভিকারুননিসার শিক্ষক মুরাদ রিমান্ডে
যৌন হয়রানির মামলায় ভিকারুননিসার শিক্ষক মুরাদ গ্রেপ্তার

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The teacher cut the girls hair for not wearing hijab

হিজাব না পরায় ছাত্রীদের চুল কেটে দিলেন শিক্ষিকা

হিজাব না পরায় ছাত্রীদের চুল কেটে দিলেন শিক্ষিকা প্রতীকী ছবি
প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ মো. ফরিদ আহমেদ বলেন, ‘আমি শুনেছি, হিজাব না পরার জন্য শিক্ষিকা কাঁচি দিয়ে শিক্ষার্থীদের ভয় দেখানোর চেষ্টা করেছেন। হয়ত তিনি শিক্ষার্থীদের সামান্য চুলও কেটেছেন।’

মুন্সীগঞ্জের হিজাব না পরার ‘অপরাধে’ রুনিয়া সরকার নামে এক জীববিজ্ঞানের শিক্ষিকা ছয় শিক্ষার্থীর চুল কেটে দিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

বুধবার বিকেলে সিরাজদিখান উপজেলার সৈয়দপুর আবদুর রহমান স্কুল অ্যান্ড কলেজের সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের সঙ্গে এ ঘটনা ঘটে।

সিরাজদিখান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাব্বির আহমেদ রাত ১০টার দিকে নিউজবাংলাকে এ খবর নিশ্চিত করেন।

ইউএনও বলেন, ‘বিষয়টি আমরা রাত ৯টার দিকে জানতে পারি। ঘটনা শুনে প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষকে ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশ দিয়েছি।’

তিনি বলেন, ‘যেহেতু ওই শিক্ষক এনটিআরসিএ কর্তৃপক্ষ কর্তৃক নিয়োগপ্রাপ্ত, আমরা তাদেরও তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া জন্য রিপোর্ট করব।’

প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ মো. ফরিদ আহমেদ বলেন, ‘আমি শুনেছি, হিজাব না পরার জন্য শিক্ষিকা কাঁচি দিয়ে শিক্ষার্থীদের ভয় দেখানোর চেষ্টা করেছেন। হয়ত তিনি শিক্ষার্থীদের সামান্য চুলও কেটেছেন। আমি আসলে নিশ্চিত করে বলতে পারছি না। ঘটনাটি বিকেলে ঘটেছে এবং স্কুল ছুটি হয়ে যাওয়ায় আমি সময়মতো ঘটনাটি জানতে পারিনি।’

তিনি বলেন, ‘এখনও পর্যন্ত কোনো শিক্ষার্থী বা অভিভাবক আমার কাছে অভিযোগ নিয়ে আসেনি। তারপরও আমরা ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেব।’

আরও পড়ুন:
শাসন করায় ছাত্র-অভিভাবকদের হামলা, প্রধান শিক্ষকসহ আহত ৫
শিক্ষাসফরে স্কুলের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের মদ্যপান, ভিডিও ভাইরাল
কুমিল্লায় এক শিক্ষকের ভালোবাসায় সিক্ত পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Garo children received books in their mother tongue

মাতৃভাষায় বই পেল গারো শিশুরা

মাতৃভাষায় বই পেল গারো শিশুরা মাতৃভাষায় বই পেয়ে খুশি গারো শিক্ষার্থীরা। ছবি: নিউজবাংলা
সরকারের ঘোষণা অনুযায়ী কেবল তৃতীয় শ্রেণি পর্যন্তই মাতৃভাষায় পড়তে পারবে দেশের ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর শিশুরা।

দেশের ক্ষুদ্র ও নৃগোষ্ঠী শিশুদের মাতৃভাষায় পাঠদানের জন্য বই বিতরণ করে আসছে সরকার। সরকারের ঘোষণা অনুযায়ী কেবল তৃতীয় শ্রেণি পর্যন্তই মাতৃভাষায় পড়তে পারবে দেশের ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর শিশুরা।

এতদিন চাকমা, মারমা, ত্রিপুরা, আচিক ও সাদ্রি- এই পাঁচটি ভাষায় বই বিতরণ হলেও প্রথমবারের মতো এবার গারো শিক্ষার্থীদের জন্য আচিক ভাষায় পাঠ্যবই বিতরণ করা হয়েছে। মাতৃভাষায় পাঠ্যবই পেয়ে আনন্দিত সুনামগঞ্জের মধ্যনগর উপজেলার গারো শিশুরা।

বুধবার জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি) প্রণীত আচিক ভাষার পাঠ্যবই শিক্ষার্থীদের হাতে তুলে দেয়া হয়।

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্র জানায়, মধ্যনগরে ক্ষুদ্র ও নৃগোষ্ঠী অধ্যুষিত বংশীকুন্ডা উত্তর ইউনিয়নের বাঙালভিটা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, বাঙালভিটা মিশন প্রাইমারি স্কুল, কাইটাকোনা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, কাইটাকোনা মিশন প্রাইমারি স্কুল ও ইছামারী মিশন প্রাইমারি স্কুল- এই পাঁচটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পাঠরত গারো শিক্ষার্থীর সংখ্যা দেড় শতাধিক। এসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রাক-প্রাথমিক থেকে তৃতীয় শ্রেণি পর্যন্ত মোট ৮৪ জন গারো শিক্ষার্থীর মধ্যে আচিক ভাষার পাঠ্যবই বিতরণ করা হয়েছে।

মাতৃভাষায় বই পেল গারো শিশুরা

কাইটাকোনা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক তূর্ণা মানকিন বলেন, ‘আজকে শিক্ষার্থীদের মাঝে আচিক ভাষায় প্রণীত বই বিতরণ করতে পেরে খুবই ভালো লাগছে। মনে নতুন আলোর সঞ্চার হলো। আমরা আমাদের অর্থাৎ গারো আদিবাসীর অস্তিত্বকে টিকিয়ে রাখার একটা উপায় পেয়েছি।’

এতে আচিক ভাষার শুদ্ধ ও সঠিক ব্যবহার সম্পর্কে নতুন প্রজন্মের ছেলে-মেয়েরা প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকেই ধারণা লাভ করতে পারবে বলে জানান তিনি।

বাঙালভিটা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ইয়ূস দাজেল বলেন, ‘আমি নিজেও একজন গারো। দেরিতে হলেও এই প্রথম শিশুদের হাতে মাতৃভাষায় সরকারি পাঠ্যবই তুলে দিতে পেরে আমি গর্ববোধ করছি।’

প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর ঐকান্তিক ইচ্ছায় গারোদের মাতৃভাষায় শিক্ষার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।’

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মানবেন্দ্র দাস বলেন, ‘ক্ষুদ্র ও নৃগোষ্ঠীর গারো শিশু শিক্ষার্থীদের হাতে সরকারি পাঠ্যবই পৌঁছে দিতে পেরে আমি আনন্দিত ও গর্বিত। আমার নিজ খরচে জেলা শহর থেকে এসব বই এনে সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সরবরাহ করেছি।’

আরও পড়ুন:
পাঠ্যবইয়ে ‘শরীফার গল্প’ নিয়ে বিভ্রান্তি থাকলে সংশোধন হবে
মৌলভীবাজারে মণিপুরী গারো ও খাসিয়াদের উৎসব, চলছে প্রস্তুতি
পাঠ্যবইয়ের ভুলভ্রান্তি দেখভালে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দুই কমিটি
পাঠ্যবইয়ে হুবহু অনুবাদের দায় স্বীকার জাফর ইকবাল ও হাসিনা খানের
পাঠ্য বইয়ে একের পর এক ভুল

মন্তব্য

p
উপরে