× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
23 thousand crore bid in Sukuk bond auction
hear-news
player
google_news print-icon
প্রাথমিক বিদ্যালয়ের উন্নয়ন

সুকুক বন্ড নিলামে ২৩ হাজার কোটি টাকার বিড

সুকুক-বন্ড-নিলামে-২৩-হাজার-কোটি-টাকার-বিড-
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চাহিদামাফিক উন্নয়ন প্রকল্পের অধীনে দেশে ৪০ হাজার অতিরিক্ত প্রাথমিক বিদ্যালয় নির্মাণ করা হবে। ফাইল ছবি
সুকুকের বিবরণীতে বলা হয়েছে, ২০১৬ সালের ১ জুলাই থেকে ‘সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চাহিদামাফিক উন্নয়ন প্রকল্প’ বাস্তবায়ন করছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর। এ প্রকল্পের ব্যয় ৯ হাজার ১২৩ কোটি টাকা। গত নভেম্বর পর্যন্ত এই প্রকল্পে ৪ হাজার ৫১০ কোটি টাকা খরচ করেছে সরকার। আগামী এক বছরে আরও ৫০০ কোটি টাকা খরচ হবে। সরকারের খরচ করা এই অর্থই এখন সুকুকে রূপান্তর করে বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে সংগ্রহ করা হবে।

শরিয়াহভিত্তিক ইসলামি বন্ড ‘সুকুক’ ছেড়ে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অবকাঠামো উন্নয়নের জন্য টাকা তুলবে সরকার। এ জন্য প্রথম দফায় ৫ হাজার কোটি টাকা তোলা হবে।

সরকারের পক্ষে বাংলাদেশ ব্যাংক বুধবার নিলামে এ বন্ড বিক্রি করে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, পাঁচ হাজার কোটি টাকা অভিহিত মূল্যের ইজারা সুকুক ইস্যুর বিপরীতে বিনিয়োগকারীরা মোট ২৩ হাজার ৩০৪ কোটি ২৬ লাখ টাকার বিড জমা দেন।

এই সুকুক বন্ডের প্রতিটির অভিহিত মূল্য ১০ হাজার টাকা। ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের নিজের জন্য বা যেকোনো গ্রাহকের জন্য ১০ হাজার টাকার গুণিতক যেকোনো পরিমাণে সুকুক কিনতে পারে। সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১২টার মধ্যে এ নিলাম অনুষ্ঠিত হয়।

অকশনে ব্যক্তি পর্যায়ের বিনিয়োগকারী ছাড়া শরীয়াহ্ ভিত্তিক ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও বীমা কোম্পানি; কনভেনশনাল ব্যাংকগুলোর ইসলামিক ব্রাঞ্চ ও উইন্ডোজ এবং কনভেনশনাল ব্যাংক ও অন্যান্য প্রতিষ্ঠান শ্রেণিতে বরাদ্দকৃত সুকুকের পরিমাণের চেয়ে বেশি বিড জমা হয়েছে। বিনিয়োগকারীদেরকে তাদের জমাকৃত বিডের বিপরীতে আনুপাতিক হারে সুকুক বণ্টন করা হয়েছে।

যে প্রকল্পের জন্য টাকা তোলা হবে, তার নাম ‘সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চাহিদামাফিক উন্নয়ন প্রকল্প’ বাস্তবায়ন করছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর।

জানা গেছে, এই সুকুকের বিপরীতে বিনিয়োগকারীদের বার্ষিক ৪ দশমিক ৬৫ শতাংশ হারে অর্থ পরিশোধ করা হবে। এই বন্ডের মেয়াদ শেষ হবে ২০২৬ সালের ৩০ ডিসেম্বর। এটি হবে ইজারা সুকুক, অর্থাৎ বিনিয়োগের বিপরীতে ভাড়া হিসেবে বিনিয়োগকারীদের অর্থ পরিশোধ করবে সরকার; যা দেয়া হবে ছয় মাস পর পর।

সুকুকের বিবরণীতে বলা হয়েছে, ২০১৬ সালের ১ জুলাই থেকে ‘সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চাহিদামাফিক উন্নয়ন প্রকল্প’ বাস্তবায়ন করছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর। এ প্রকল্পের ব্যয় ৯ হাজার ১২৩ কোটি টাকা। গত নভেম্বর পর্যন্ত এই প্রকল্পে ৪ হাজার ৫১০ কোটি টাকা খরচ করেছে সরকার। আগামী এক বছরে আরও ৫০০ কোটি টাকা খরচ হবে। সরকারের খরচ করা এই অর্থই এখন সুকুকে রূপান্তর করে বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে সংগ্রহ করা হবে।

এ প্রকল্পের অধীনে দেশে ৪০ হাজার অতিরিক্ত প্রাথমিক বিদ্যালয় নির্মাণ, ৮ হাজার প্রাথমিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পানি ও স্যানিটেশন–সুবিধা প্রদান, ৩৬ হাজার ৫০০ শ্রেণিকক্ষে বেঞ্চ ও শিক্ষকদের ৩ হাজার ৫০০ শ্রেণিকক্ষে চেয়ার, টেবিল, আলমারি ও দেয়াল কেবিনেট সরবরাহ করা হবে।

এর আগে গত বছরের ২৮ ডিসেম্বর বিশুদ্ধ পানি সরবরাহের লক্ষ্যে গণস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের বাস্তবায়নাধীন একটি প্রকল্পের জন্য সুকুকের মাধ্যমে প্রথম দফায় ৪ হাজার কোটি টাকা তুলেছিল সরকার। ওই প্রকল্পের প্রাক্কলিত ব্যয় ছিল ৮ হাজার ৮৫১ কোটি টাকা। দ্বিতীয় দফার নিলামে ওই প্রকল্পের জন্য চলতি বছরের ২৮ জুন আরও ৪ হাজার কোটি টাকা তোলে সরকার।

গত বছরের ৮ অক্টোবর সুকুক ইস্যু ও ব্যবস্থাপনা সম্পর্কিত নীতিমালা অনুমোদন করে সরকার। ওই নীতিমালার চতুর্থ অনুচ্ছেদে সরকার বাংলাদেশ ব্যাংককে এই বন্ডের ‘স্পেশাল পারপাস ভেহিকেল’ বা এসপিভি এবং ট্রাস্টি হিসেবে দায়িত্ব দেয়।

আরও পড়ুন:
এক হাজার কোটি টাকার সুকুক আনছে আইসিবি
সুকুকের ৩ হাজার কোটি টাকা পেল বেক্সিমকো
জাপানি বিনিয়োগের প্রধান গেটওয়ে হচ্ছে বাংলাদেশ

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
The results of the initial teacher recruitment are immediate

প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগের ফল প্রকাশ সহসাই

প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগের ফল প্রকাশ সহসাই পদ বাড়ানোর দাবিতে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের প্রধান ফটকে অবস্থান নেন চাকরিপ্রার্থীরা। ছবি: নিউজবাংলা
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক শাহ রেজওয়ান হায়াত বলেন, ‘সহকারী শিক্ষক পদের চূড়ান্ত ফল বৃহস্পতিবার প্রকাশের প্রস্তুতি ছিল। কিছু টেকনিক্যাল সমস্যায় তা সম্ভব হয়নি। আশা করছি আগামী সপ্তাহে চূড়ান্ত ফল প্রকাশ করা সম্ভব হবে।’

দেশের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক পদের নিয়োগ পরীক্ষার চূড়ান্ত ফল আগামী সপ্তাহে প্রকাশ হতে পারে। বৃহস্পতিবার ফলাফল প্রকাশের কথা থাকলেও তা পিছিয়ে গেছে।

বিভিন্ন গণমাধ্যমে বৃহস্পতিবার ফল প্রকাশের কথা উল্লেখ করা হলেও তা প্রকাশ হয়নি। সকালেই প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের সামনে অবস্থান নেন চাকুরিপ্রার্থীরা। তারা পদ সংখ্যা বাড়িয়ে ফল প্রকাশের দাবি জানান। এ অবস্থাতেই কর্মকর্তারা শেষ মুহুর্তে ফল প্রকাশ না করার সিদ্ধান্ত নেন বলে জানান অনেকে।

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক শাহ রেজওয়ান হায়াত এ বিষয়ে বলেন, ‘সহকারী শিক্ষক পদের চূড়ান্ত ফল বৃহস্পতিবার প্রকাশের প্রস্তুতি ছিল। কিছু টেকনিক্যাল সমস্যায় তা সম্ভব হয়নি। আশা করছি আগামী সপ্তাহে চূড়ান্ত ফল প্রকাশ করা সম্ভব হবে।’

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর থেকে জানা যায়, সহকারী শিক্ষকের পদসংখ্যা বাড়িয়ে ৪৫ হাজার শিক্ষক নিয়োগের আলোচনা হলেও সিদ্ধান্ত হয়নি। বিজ্ঞপ্তি অনুসারে আপাতত ৩২ হাজার ৫৭৭ পদেই নিয়োগ দেয়া হবে।

বৃহস্পতিবার ফল প্রকাশের কাজে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে গিয়েছিলেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব ফরিদ আহাম্মদ ও প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক শাহ রেজওয়ান হায়াতসহ একাধিক কর্মকর্তা। তাদের সেখান থেকে অধিদপ্তরে যাওয়ার কথা ছিল।

পদ সংখ্যা বাড়ানোর দাবি নিয়ে চাকুরিপ্রার্থীরা এ সময় প্রধান ফটকে অবস্থান নিলে সচিব আর প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরে যাননি। পরে সিদ্ধান্ত নিয়ে এ ফল প্রকাশ করা হবে।

২০২০ সালের ২০ অক্টোবর সহকারী শিক্ষকের ৩২ হাজার ৫৭৭টি শূন্য পদে নিয়োগের জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর।

আরও পড়ুন:
প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগে পদ বাড়ানোর দাবিতে অবস্থান
প্রাথমিকের সহকারী শিক্ষকদের বেতন কেন ১০ম গ্রেডে নয়: হাইকোর্ট
মামলা থাকা প্রাথমিক শিক্ষকদের বদলি নয়
প্রাথমিকে নিয়োগ: মৌখিক পরীক্ষায় যাচাই হবে হাতের লেখা
প্রাথমিকে নিয়োগ: প্রয়োজনীয় কাগজ জমা ২৩ মে পর্যন্ত

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Miss World Bangladesh Aishi in CUB

সিইউবিতে মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ ঐশী

সিইউবিতে মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ ঐশী রাজধানীর প্রগতি সরণিতে সিইউবি ক্যাম্পাসে বৃহস্পতিবার এক অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ জান্নাতুল ফেরদৌস ঐশী। ছবি: নিউজবাংলা
কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশের ক্যাম্পাসে উপস্থিত হয়ে অনুপ্রেরণামূলক বক্তব্য রাখেন মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ জান্নাতুল ফেরদৌস ঐশী।

শিক্ষার্থীদের পেশাগত দক্ষতা, মানোন্নয়নে ‘কনভয় কনফিডেন্স’ শীর্ষক অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ (সিইউবি)।

রাজধানীর প্রগতি সরণির নিজস্ব ক্যাম্পাসে বৃহস্পতিবার এ আয়োজন করে প্রতিষ্ঠানটির মিডিয়া কমিউনিকেশন অ্যান্ড জার্নালিজম বিভাগ।

এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত হয়ে অনুপ্রেরণামূলক বক্তব্য দেন মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ জান্নাতুল ফেরদৌস ঐশী। এ সময় শিক্ষার্থীদের সঙ্গে নিজের অভিজ্ঞতা বিনিময় করেন ঐশী।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন সিইউবির ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. এইচ এম জহিরুল হক, কোষাধ্যক্ষ ও স্কুল অব আর্টসের ডিন এ এস এম সিরাজুল হক, মিডিয়া কমিউনিকেশন অ্যান্ড জার্নালিজম বিভাগের প্রধান ড. আনিস পারভেজসহ কর্মকর্তারা।

আরও পড়ুন:
ক্যারিয়ার প্রস্তুতি নিয়ে সিইউবির কর্মশালা
সিইউবিতে ডেটা সায়েন্স নিয়ে সেমিনার
বড় বিনিয়োগের সুযোগ করে দিয়েছে পদ্মা সেতু: প্যাট্রিক
১১ স্কুলকে কোর্সের বিস্তারিত জানাল সিইউবি
দক্ষিণ এশিয়ার জ্ঞানব্যবস্থা নিয়ে সিইউবিতে সেমিনার

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Communal incitement in question 5 teachers punished by Jessore board

প্রশ্নে সাম্প্রদায়িক উসকানি: ৫ শিক্ষককে শাস্তি যশোর বোর্ডের

প্রশ্নে সাম্প্রদায়িক উসকানি: ৫ শিক্ষককে শাস্তি যশোর বোর্ডের এইচএসসি পরীক্ষায় বিতর্কিত প্রশ্ন করে সমালোচিত শিক্ষক প্রশান্ত কুমার পাল। গ্রাফিক্স: মামুন হোসাইন/নিউজবাংলা
যশোর শিক্ষা বোর্ডের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এইচএসসির ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের বাংলা (আবশ্যিক) প্রথম পত্রের প্রশ্নপত্রটি যশোর শিক্ষা বোর্ডের শিক্ষকরা প্রণয়ন ও পরিশোধন করেছেন। যশোর শিক্ষা বোর্ড গঠিত তদন্ত কমিটির সুপারিশ অনুযায়ী প্রশ্নপত্রটি সৃজনশীল প্রশ্ন প্রণয়নের নির্দেশনার পরিপন্থি হয়েছে। এ কারণে পাঁচ শিক্ষককে যশোর শিক্ষা বোর্ডের পাবলিক পরীক্ষা-সংক্রান্ত যাবতীয় কার্যক্রম থেকে বিরত রাখার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

এইচএসসির বাংলা প্রথম পত্র পরীক্ষার প্রশ্নপত্রে ‘সাম্প্রদায়িক বিদ্বেষমূলক’ প্রশ্ন রাখার ঘটনায় পাঁচ শিক্ষককে যশোর শিক্ষা বোর্ডের পাবলিক পরীক্ষাসংক্রান্ত যাবতীয় কার্যক্রম থেকে বিরত রাখার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার ওই বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক মাধব চন্দ্র রুদ্রের সই করা বিজ্ঞপ্তিতে এ শাস্তির নির্দেশ দেয়া হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এইচএসসির ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের বাংলা (আবশ্যিক) প্রথম পত্রের প্রশ্নপত্রটি যশোর শিক্ষা বোর্ডের শিক্ষকরা প্রণয়ন ও পরিশোধন করেছেন। যশোর শিক্ষা বোর্ড গঠিত তদন্ত কমিটির সুপারিশ অনুযায়ী প্রশ্নপত্রটি সৃজনশীল প্রশ্ন প্রণয়নের নির্দেশনার পরিপন্থি হয়েছে। এ কারণে পাঁচ শিক্ষককে যশোর শিক্ষা বোর্ডের পাবলিক পরীক্ষা-সংক্রান্ত যাবতীয় কার্যক্রম থেকে বিরত রাখার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

এতে উল্লেখ করা হয়, ভবিষ্যতে বোর্ডের পাবলিক পরীক্ষা-সংক্রান্ত কোনো কার্যক্রমে ওই শিক্ষকদের সম্পৃক্ত করা হবে না।

জানতে চাইলে মাধব চন্দ্র রুদ্র বুধবার নিউজবাংলাকে বলেন, ‘বোর্ডের অন্তর্ভুক্ত যত দায়িত্ব আছে, তা থেকে তাদের বিরত থাকার কথা বলা হয়েছে। প্রশ্ন প্রণয়ন, পরীক্ষক হওয়া, প্রধান পরীক্ষক হওয়া, পরিশোধন করা—এই জাতীয় কাজ থেকে তাদের বিরত রাখা হলো।’

সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র জানিয়েছে, পাঁচ শিক্ষকের বিরুদ্ধে আপাতত ব্যবস্থা নিয়েছে যশোর শিক্ষা বোর্ড। এরপর মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা (মাউশি) অধিদপ্তর থেকেও তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে। শ্রেণিকক্ষে তারা পাঠদান করাতে পারবেন কি না, বা তাদের অন্যান্য সুবিধা বাতিল করা হবে কি না, সে ব্যাপারেও সিদ্ধান্ত নেবে মাউশি।

৬ নভেম্বর সারা দেশে এইচএসসির বাংলা প্রথম পত্রের পরীক্ষা হয়। ঢাকা বোর্ডের ‘কাসালাং’সেটের নাটক সিরাজউদ্দৌলা অংশের ১১ নম্বর প্রশ্নে সাম্প্রদায়িক বিদ্বেষের বিষয়টি উঠে এসেছে।

এ ঘটনায় জড়িত পাঁচ শিক্ষককে চিহ্নিত করা হয়েছে বলে ৮ নভেম্বর জানায় ঢাকা শিক্ষা বোর্ড। একই দিনে গঠন করা হয় তদন্ত কমিটি। কমিটি ১৭ নভেম্বর তাদের দোষী সাব্যস্ত করে মন্ত্রণালয়ে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেয়।

বাংলা প্রথম পত্রের বিতর্কিত প্রশ্নটি করেছেন ঝিনাইদহের মহেশপুরের ডা. সাইফুল ইসলাম ডিগ্রি কলেজের সহকারী অধ্যাপক প্রশান্ত কুমার পাল। আর প্রশ্নপত্রটি পরিশোধনের (মডারেশন) দায়িত্বে ছিলেন নড়াইলের সরকারি ভিক্টোরিয়া কলেজের সহযোগী অধ্যাপক সৈয়দ তাজউদ্দীন শাওন, সাতক্ষীরা সরকারি মহিলা কলেজের সহযোগী অধ্যাপক মো. শফিকুর রহমান, মির্জাপুর ইউনাইটেড কলেজের সহকারী অধ্যাপক শ্যামল কুমার ঘোষ ও কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা আদর্শ কলেজের সহকারী অধ্যাপক রেজাউল করিম।

প্রশ্নে যা ছিল

প্রশ্নের একটি অংশে বলা হয়, ‘নেপাল ও গোপাল দুই ভাই। জমি নিয়ে বিরোধ তাদের দীর্ঘদিন। অনেক সালিশ-বিচার করেও কেউ তাদের বিরোধ মেটাতে পারেনি। কেউ কাউকে ছাড় দিতে নারাজ। এখন জমির ভাগ-বণ্টন নিয়ে মামলা চলছে আদালতে। ছোট ভাই নেপাল বড় ভাইকে শায়েস্তা করতে আবদুল নামের এক মুসলমানের কাছে ভিটের জমির এক অংশ বিক্রি করে। আবদুল সেখানে বাড়ি বানিয়ে স্থায়ীভাবে বসবাস শুরু করে।

‘কোরবানির ঈদে সে নেপালের বাড়ির সামনে গরু কোরবানি দেয়। এই ঘটনায় নেপালের মন ভেঙে যায়। কিছুদিন পর কাউকে কিছু না বলে জমি-জায়গা ফেলে সপরিবারে ভারতে চলে যায় সে।’

এই গল্প উল্লেখ করে প্রশ্নপত্রে চারটি প্রশ্ন করা হয়। তার দুটি এ রকম: ‘মীরজাফর কোন দেশ হতে ভারতে আসেন? উদ্দীপকের নেপাল চরিত্রের সঙ্গে সিরাজউদ্দৌলা নাটকের মীরজাফর চরিত্রের তুলনা করো?’

আরও পড়ুন:
সাহিত্যিক আনিসুল হককে নিয়ে সৃজনশীল প্রশ্নের তদন্তে কমিটি
এইচএসসির বিতর্কিত প্রশ্নের পেছনে প্রশান্ত কুমারের ‘কবিমন’!
প্রশ্নকর্তা-মডারেটর নিয়োগে সতর্ক হতে হবে: শিক্ষামন্ত্রী
বিতর্কিত প্রশ্ন: অভিযুক্ত শিক্ষক লাপাত্তা, দায় নিচ্ছেন না মডারেটর
মাদ্রাসা বোর্ডে অনুপস্থিতির হার বেশি

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Student dies after falling from roof of Jagannath Hall

জগন্নাথ হলের ভবন থেকে পড়ে ছাত্রের মৃত্যু

জগন্নাথ হলের ভবন থেকে পড়ে ছাত্রের মৃত্যু লিমন কুমার রয়। ছবি: সংগৃহীত
হলের প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক মিহির লাল সাহা বলেন, ‘সকাল ১০টার দিকে সন্তোষ চন্দ্র ভট্টাচার্য ভবন থেকে পড়ে যায় ওই ছাত্র। শব্দ শুনে হলের শিক্ষার্থীরা তাকে হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে ডাক্তার তাকে মৃত ঘোষণা করেন।’

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) জগন্নাথ হলের একটি ভবন থেকে পড়ে এক ছাত্র মারা গেছেন।

বুধবার সকাল ১০টার দিকে হলের সন্তোষচন্দ্র ভট্টাচার্য নামের দশ তলা ভবন থেকে পড়ে তার মৃত্যু হয়।

নিহত ব্যক্তির নাম লিমন কুমার রয়। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা ইনিস্টিউটের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন। থাকতেন একই ভবনের ৪০২১ নম্বর কক্ষে।

হলের প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক মিহির লাল সাহা বলেন, ‘সকাল ১০টার দিকে সন্তোষ চন্দ্র ভট্টাচার্য ভবন থেকে পড়ে যায় ওই ছাত্র। শব্দ শুনে হলের শিক্ষার্থীরা তাকে হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে ডাক্তার তাকে মৃত ঘোষণা করেন।’

শাহবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নূর মোহাম্মদ বলেন, ‘হলের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা আনুমানিক সকাল ১০টার দিকে ওই ছাত্রকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে আসে। আনার পর কর্তব্যরত ডাক্তার তাকে মৃত ঘোষণা করেছেন। আমরা হলের ওই জায়গা পরিদর্শনে যাব। বিস্তারিত পরে জানাতে পারব।’

জগন্নাথ হল ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক অতনু বর্মণ বলেন, ‘লাস্ট কয়েকদিন নাকি সে ডিপার্টমেন্ট নিয়ে একটু চাপে ছিল। এরপর সকাল নয়টায় সে ছাদে উঠেছে। এরপর এই ঘটনা।’

লিমন কুমারের এক রুমমেট বলেন, ‘আমরা রুমে আটজন থাকি। লিমন খুব চঞ্চল প্রকৃতির ছেলে ছিল। ফেসবুকে তার ফানি ভিডিও আছে। লিমন রুমে খুব বেশি থাকত না। সে প্রায় সময় রিডিং রুমেই থাকত। রাতে সে রুমে পড়ছিল। বিভিন্ন কথার ফাঁক দিয়ে সে বলেছে, কী যে করি পড়া মনে থাকছে না। এই দিকে পড়লে এই দিকে ভুলে যাচ্ছি।

‘এরপর সকাল সাড়ে ৮টায় আমি ঘুম থেকে উঠি। ৯টা থেকে আমার ক্লাস থাকায় আমি ফ্রেশ হচ্ছিলাম। এ সময় সে তার বেডে শুয়ে ফোন টিপছিল। তাকে জিজ্ঞেস করেছি, কী রে পরীক্ষা না তোর? পরীক্ষা দিতে যাবি না? সে বলেছে যাব। কিছু মনে থাকছে না। এরপর আমি আচ্ছা বলে রুম থেকে বের হয়ে যাই। তখন রুমে লিমন ছাড়াও আর দুইজন ঘুমিয়ে ছিল। পরে ক্লাসে এসে শুনি সে মারা গেছে।’

হলের অ্যাথলেটিক্স বেয়ারা মানিক কুমার দাসসহও আরও কয়েকজন লিমনকে হাসপাতালে নিয়ে যান। মানিক বলেন, ‘আমরা হলের কর্মচারীরা শিক্ষার্থীদের জার্মানির পতাকা লাগানোর জন্য অন্য একটি ভবনের নিচে কাজ করছিলাম। এ সময় একটা ছেলে দৌড়ে এসে আমাকে বলে, মানিকদা, একটা ছেলে পড়ে গেছে। আমি রিকশার জন্য যাচ্ছি। আপনি একটু দেখেন। এরপর আমি দৌড়ায়ে সেখানে গেছি। অনেক ছাত্র দাঁড়িয়ে ছিল। কেউ হয়তো ভয়ে উঠাচ্ছে না। এরপর আমি এবং আরেকজন কর্মচারী তাকে তুলে রিকশা করে মেডিক্যালে নিয়ে আসছি।’

তিনি বলেন, ‘আমি যখন তাকে তুলছি সে সে তখন জীবিত ছিল। চোখ একবার বন্ধ করছিল আবার খুলছিল। তখন তার সারা গায়ে রক্ত।’

আরও পড়ুন:
ঢাবি ছাত্রলীগের সম্মেলন ৩ ডিসেম্বর, দুই মহানগরের ২ ডিসেম্বর
শিক্ষক নিয়োগে মেধা ও যোগ্যতাকে প্রাধান্য দিতে হবে: রাষ্ট্রপতি
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫৩তম সমাবর্তন শুরু

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Position on the demand to increase the post in primary teacher recruitment

প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগে পদ বাড়ানোর দাবিতে অবস্থান

প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগে পদ বাড়ানোর দাবিতে অবস্থান প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক নিয়োগে পদ সংখ্যা বাড়ানোর দাবিতে বৃহস্পতিবার প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের প্রধান ফটকে অবস্থান নেন চাকরিপ্রার্থীরা। ছবি: নিউজবাংলা
বৃহস্পতিবার সকাল ১১টার পর থেকেই চাকরিপ্রার্থীরা ডিপিই-এর প্রধান ফটকে অবস্থান নিতে শুরু করেন। অবস্থান কর্মসূচি থেকে তারা সহকারী শিক্ষক নিয়োগে পদের সংখ্যা বাড়ানোর দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন।

দেশের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক নিয়োগে পদ সংখ্যা বাড়ানোর দাবিতে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের (ডিপিই) প্রধান ফটকে অবস্থান নিয়েছেন চাকরিপ্রার্থীরা।

বৃহস্পতিবার সকাল ১১টার পর থেকেই চাকরিপ্রার্থীরা ডিপিই-এর প্রধান ফটকে অবস্থান নিতে শুরু করেন। অবস্থান কর্মসূচি থেকে তারা সহকারী শিক্ষক নিয়োগে পদের সংখ্যা বাড়ানোর দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন।

অবস্থানকারীরা বলেন- করোনা মহামারির কারণে দীর্ঘদিন নিয়োগ বন্ধ থাকায় প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী বলেছিলেন ৪৫ হাজার নিয়োগ দেয়া হবে। কিন্তু হঠাৎ করেই এ সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর। এটা আমরা মানি না, মানব না।

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর বলছে, সহকারী শিক্ষকের পদসংখ্যা বাড়িয়ে ৪৫ হাজার শিক্ষক নিয়োগের কথা থাকলেও সেটি হচ্ছে না। বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা ৩২ হাজার ৫৭৭ পদেই নিয়োগ দেয়া হবে।

অবস্থানকারীদের সঙ্গে কথা বলেন প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক (পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন) ড. উত্তম কুমার দাশ।

তাদের বলেন, ‘নিয়োগের বিধি মোতাবেক ফল প্রকাশ করা হবে। মেধাবীরা চাকরির সুযোগ পাবেন। সবাইকে অনুরোধ করব আপনার মূল ফটক ছেড়ে দিন।’

মন্ত্রণালয়ের সূত্র বলছে, আজ বৃহস্পতিবার চূড়ান্ত ফল প্রকাশ করা হবে। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব ফরিদ আহাম্মদ এজন্য বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে অবস্থান করছেন। সেখানে পরীক্ষার ফল নিয়ে কাজ চলছে।

আরও পড়ুন:
শিক্ষক-কর্মচারীদের ফেসবুকে নজর দেবে সরকার
সরকারি প্রাথমিক শিক্ষকদের জন্য হচ্ছে কল্যাণ ট্রাস্ট
প্রাথমিকে বদলি বন্ধ, ভোগান্তিতে শিক্ষকরা
প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগে ফের কোটা বাতিলের দাবি
প্রাথমিকের প্রধান শিক্ষকরা চান শতভাগ টাইমস্কেল

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Shabir Zahirul is the VC of Metropolitan University

মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সিটির ভিসি হলেন শাবির জহিরুল

মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সিটির ভিসি হলেন শাবির জহিরুল অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ জহিরুল হক। ছবি: সংগৃহীত
শাবি উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের পলিটিক্যাল স্টাডিজ বিভাগের অধ্যাপক ড. জহিরুল হক মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সিটির উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন। এটি আমাদের জন্য অত্যন্ত আনন্দের ও গৌরবের। আশা করছি, তিনি সেখানে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবেন।’

সিলেটের মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সিটির উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) পলিটিক্যাল স্টাডিজ বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ জহিরুল হক।

রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ তাকে চার বছরের জন্য এই পদে নিয়োগ দিয়েছেন। ২১ নভেম্বর অধ্যাপক জহিরুলকে উপাচার্য হিসেবে নিয়োগের প্রজ্ঞাপন জারি করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

ভিসি পদে জহিরুলের নিয়োগের বিষয়টি নিশ্চিত করেন শাবি উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমেদ।

তিনি বলেন, ‘আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের পলিটিক্যাল স্টাডিজ বিভাগের অধ্যাপক ড. জহিরুল হক মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সিটির উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন। এটি আমাদের জন্য অত্যন্ত আনন্দের ও গৌরবের। আশা করছি, তিনি সেখানে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবেন।’

জহিরুল শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয়ের পলিটিক্যাল স্টাডিজ ও পাবলিক অ্যাফেয়ার্স বিভাগের শিক্ষার্থী ছিলেন। তিনিই প্রথম শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয়ের কোনো শিক্ষার্থী উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পেলেন। রোববার তিনি উপাচার্যের দায়িত্ব গ্রহণ করবেন।

তার আগে মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সিটির উপাচার্য ছিলেন শাবির দুইবারের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. সালেহ উদ্দিন। শাবির আরেক সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক হাবিবুর রহমানও এই বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ছিলেন ।

নবনিযুক্ত উপাচার্য অধ্যাপক জহিরুল হক বলেন, ‘প্রথমবারের মতো শাবির শিক্ষার্থী হিসেবে উপাচার্য হওয়া আমার জন্য অত্যন্ত আনন্দের।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমার জানা মতে, দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর উপাচার্যদের মধ্যে আমিই সর্বকনিষ্ঠ। এতে নিজের মধ্যে অন্যরকম একটি অনুভূতি কাজ করছে। এ দায়িত্ব পালনে সবার সহযোগিতা কামনা করি।’

অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ জহিরুল হক শিক্ষাজীবনে কমনওয়েলথ স্কলারশিপ, ইউজিসি স্কলারশিপ, চ্যান্সেলর গোল্ড মেডেল, ভাইস চ্যান্সেলর মেডেল, ইউনিভার্সিটি বুক প্রাইজসহ বিভিন্ন অ্যাওয়ার্ডে ভূষিত হয়েছেন।

হবিগঞ্জ সদরের শায়েস্তানগর আবাসিক এলাকায় জন্ম জহিরুলের। ১৯৯৩ সালে হবিগঞ্জ শহরের জে কে এন্ড এইচ কে হাইস্কুল থেকে সাধারণ বিজ্ঞান বিভাগে স্টার মার্কসহ প্রথম বিভাগে এসএসসি ও ১৯৯৫ সালে সরকারি বৃন্দাবন কলেজ থেকে মানবিক বিভাগে প্রথম বিভাগে এইচএসসি পাস করেন। পরে সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে পলিটিক্যাল স্টাডিজ অ্যান্ড পাবলিক অ্যাফেয়ার্স বিভাগে ভর্তি হয়ে কৃতিত্বের স্বাক্ষর রাখেন।

এ বিভাগ থেকে ১৯৯৮ সালের পরীক্ষায় এ গ্রেড ও ডিস্টিংশন নিয়ে বিএসএস অনার্স লাভ করেন। বিএসএস পরীক্ষায় তার প্রাপ্ত সিজিপিএ ছিল বিশ্ববিদ্যালয়ে সর্বোচ্চ। এ জন্য তিনি চ্যান্সেলর গোল্ড মেডেল লাভ করেন। একই সঙ্গে স্কুল অব সোশ্যাল সায়েন্সে সর্বোচ্চ সিজিপিএর জন্য ভাইস চ্যান্সেলর মেডেল ও ইউজিসি মেরিট স্কলারশিপ-২০০০ এবং বিভাগে সর্বোচ্চ সিজিপিএ প্রাপ্তির জন্য ইউনিভার্সিটি বুক মেডেল লাভ করেন।

একই বিভাগ থেকে ১৯৯৯ সালের পরীক্ষায় ডিস্টিংশনসহ এ গ্রেড নিয়ে এমএসএস ডিগ্রি লাভ করেন। ওই শিক্ষাবর্ষে স্কুল অব সোশ্যাল সায়েন্সে সর্বোচ্চ সিজিপিএর জন্য ভাইস চ্যান্সেলর মেডেল ও তার বিভাগে সর্বোচ্চ সিজিপিএ প্রাপ্তির জন্য ইউনিভার্সিটি বুক মেডেল লাভ করেন। তার বাবা শিক্ষক মো. জবরু মিয়া ও মা মোছাম্মৎ রাবেয়া খাতুন।

তিনি ২০০৯ সালে যুক্তরাজ্যে কমনওয়েলথ স্কলারশিপ লাভ করেন। এই স্কলারশিপের অধীনে ইংল্যান্ডের লিডস বেকেট ইউনিভার্সিটির অ্যাপ্লাইড গ্লোবাল ইথিকস থেকে পিস অ্যান্ড ডেভেলপমেন্টে মেরিট অ্যাওয়ার্ডসহ মাস্টার্স ডিগ্রি অর্জন করেন। ২০১২ সালে দ্বিতীয়বারের মতো কমনওয়েলথ স্কলারশিপ পেয়ে যুক্তরাজ্যের ইউনিভার্সিটি অব লন্ডনের স্কুল অব ওরিয়েন্টাল অ্যান্ড আফ্রিকান স্টাডিজের ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ বিভাগ থেকে ২০১৮ সালে পিএইচডি অর্জন করেন।

বিভিন্ন জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সেমিনারে প্রবন্ধ উপস্থাপন ছাড়াও দেশি-বিদেশি জার্নালে জহিরুলের ৩০টি প্রবন্ধ প্রকাশিত হয়েছে। তিনি জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ইস্যুতে জাতীয় ও স্থানীয় পত্রিকায় লেখালেখি করেন।

আরও পড়ুন:
রাঙ্গামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন ভিসি
শাবি ভিসির বক্তব্য প্রত্যাহারে আইনি নোটিশ
নিয়োগ পেলেন নতুন ভিসি
বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের নয়া ভিসি হাসিবুর
অভিযুক্ত উপাচার্যদের শাস্তির সুপারিশ দ্রুত বাস্তবায়ন চায় টিআইবি

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Quality education is a big challenge Deepu Moni

মানসম্মত শিক্ষা অনেক বড় চ্যালেঞ্জ: দীপু মনি

মানসম্মত শিক্ষা অনেক বড় চ্যালেঞ্জ: দীপু মনি ইন্ডিয়ান ওশান রিম বিজনেস ফোরাম লিডারশিপ সামিটের সমাপনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি। ছবি: নিউজবাংলা
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের অনেক বেশি সতর্ক হতে হবে টেকনোলজির ব্যাপারে। টেকনোলজি একজন মানুষের জীবনকে সফলতা দেবার পাশাপাশি অনেক বেশি ক্ষতিও করতে পারে।’

শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি বলেছেন, ‘বর্তমান সময়ে মানসম্মত শিক্ষা অনেক বড় একটা চ্যালেঞ্জ। শিক্ষা খাতে আমরা অনেক কিছু করলেও আমাদের আরও অনেক কিছু করার বাকি আছে।’

দুই দিনব্যাপী ইন্ডিয়ান ওশান রিম বিজনেস ফোরাম (আইওআরবিএফ) লিডারশিপ সামিট ২০২২-এর শেষ দিনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

দীপু মনি বলেন, ‘বাংলাদেশে কোয়ালিটি এডুকেশন অনেক বড় চ্যালেঞ্জ। শিক্ষা খাতে আমরা অনেক কিছু করলেও আমাদের আরও অনেক কিছু করার বাকি আছে। আমাদের ভিশনারি লিডার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আমরা এগিয়ে যাব। এ আয়োজন যিনি করেছেন শেখ ফজলে ফাহিম, তিনি একজন ডায়নামিক লিডার। করোনা-পরবর্তী সময়ে এমন একটা আলোচনার আয়োজন করার জন্য তাকে সাধুবাদ জানাই।’

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের অনেক বেশি সতর্ক হতে হবে টেকনোলজির ব্যাপারে। টেকনোলজি একজন মানুষের জীবনকে সফলতা দেবার পাশাপাশি অনেক বেশি ক্ষতিও করতে পারে। শুধু টেকনোলজি নিয়েই আমাদের দক্ষ না করে গবেষণার মাধ্যমেও আমাদের দক্ষ করা উচিত। এখানে আমাদের অনেক বড় গ্যাপ আছে।’

তিনি বলেন, ‘আমাদের শিক্ষাব্যবস্থা অনেক পরীক্ষানির্ভর, সার্টিফিকেট ফোকাসড, এটা থেকে আমাদের বেরিয়ে আসতে হবে। মুখস্থ করে নয়, এখন থেকে শিক্ষার্থীরা শিখবে প্র্যাকটিক্যাল করে। আনন্দের সঙ্গে শিক্ষা গ্রহণ করা আমাদের শিক্ষা খাত থেকে হারিয়ে গেছে বললেই চলে। তাই সবাইকে আনন্দের সঙ্গে শিক্ষা নিতে হবে, যেন তারা প্রধানমন্ত্রীর ২০৪১ সালের ভিশন স্মার্ট বাংলাদেশ গড়তে সহায়ক ভূমিকা পালন করে।’

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রীর বিনিয়োগ উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান বলেন, ‘বিশ্বব্যাপী একটা সংকট চলছে। যুক্তরাষ্ট্র ও চীন দুই দেশই প্রায় সমান সবদিক দিয়ে। টেকনোলজির যে প্রসার হচ্ছে, এটা একদিকে যেমন আমাদের জন্য ভালোর, অন্যদিকে ক্ষতিরও। আমরা যখন সোশ্যাল মিডিয়ার কথা বলি, তখন দেখতে পাই যে ফেসবুক টুইটার ই-মেইল ইত্যাদির দিন দিন প্রসার হয়েই যাচ্ছে। আমরা দেখি যে অনলাইন বুলিংয়ের কারণে অনেকেই আত্মহত্যা করে।’

তিনি বলেন, ‘২০০৯ সালে যখন প্রধানমন্ত্রী ক্ষমতায় আসে, তখন থেকে এখন আমরা অনেক বেশি ডিজিটাল অন্যান্য এলডিসি দেশের তুলনায়। আমাদের আছে হাইটেক পার্ক, ফ্রিল্যান্সার, এবং আইটি বিজনেসের জন্য প্রণোদনা দেয়া হচ্ছে। ফ্রিল্যান্সিংয়ের দিক থেকে আমরা বিশ্বে দ্বিতীয়।’

আরও পড়ুন:
বছরের প্রথম দিনেই শিক্ষার্থীদের হাতে নতুন বই : শিক্ষামন্ত্রী
এইচএসসি: পরীক্ষার্থী কমেছে প্রায় ২ লাখ
সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বিতর্ক চর্চা চান শিক্ষামন্ত্রী
ইভটিজিং রোধের উপায় মেয়েদের ঘরে আটকে রাখা নয়
ধর্ষণের শিকার হলেই সম্ভ্রম যায় না: শিক্ষামন্ত্রী

মন্তব্য

p
উপরে