× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
Strict movement if Baikunthpur tea garden is not started
hear-news
player
print-icon

‘বৈকুণ্ঠপুর চা বাগান চালু না হলে কঠোর আন্দোলন’

বৈকুণ্ঠপুর-চা-বাগান-চালু-না-হলে-কঠোর-আন্দোলন
বৈকুণ্ঠপুর চা বাগান। ছবি: সংগৃহীত
বৈকুন্ঠপুর চা বাগান আন্দোলন কমিটি সভাপতি মনিব কর্মকার বলেন, ‘এই বাগানে স্থায়ী ৪১১ জন এবং অস্থায়ী ৩০ জন শ্রমিক রয়েছেন। এই শ্রমিকদের জীবিকা বাগানের ওপরই নির্ভরশীল। ২৭ দিন ধরে বাগান বন্ধ থাকায় শ্রমিকরা বেতন ও রেশন পাচ্ছেন না। এতে অনাহারে, অর্ধহারে দিন কাটছে তাদের।’

ব্যবস্থাপককে মারধরের জেরে হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার বৈকুণ্ঠপুর চা বাগান ২৭ দিন ধরে বন্ধ রয়েছে। এতে বিপাকে পড়েছেন বাগানের প্রায় সাড়ে চার শ শ্রমিক। মজুরি ও রেশন বন্ধ থাকায় অনিশ্চিত জীবন কাটাচ্ছেন তারা।

সংকট নিরসনে বুধবার সকাল ১০টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত বৈকুন্ঠপুর চা বাগানের স্থানীয় নাট্যমন্দিরে মতবিনিময় ও প্রতিবাদ সভা করেন ‘বৈকুন্ঠপুর চা বাগান আন্দোলন কমিটি’। এতে দ্রুত সময়ের মধ্যে বাগানের কার্যক্রম চালুর দাবি তোলেন বক্তারা। আর তা না হলে কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দেন নেতারা।

বক্তারা বলেন, বৈকুন্ঠপুর চা বাগানের স্থায়ী শ্রমিক হিসেবে আবাসন সুবিধা দেয়ার কথা। অথচ বৈকুণ্ঠপুর বাগানের মালিকপক্ষ স্থায়ী চা শ্রমিক দিলীপ কেউটকে সেই সুবিধা থেকে বঞ্চিত করছে। এক পর্যায়ে বাগানের একটি অংশে ব্যবস্থাপক ও পঞ্চায়েত কমিটির কাছ থেকে মৌখিক অনুমতি নিয়ে ঘর নির্মাণ করেন দিলীপ। কিন্তু ১৫ দিন না যেতেই, তাকে সেখান থেকে ঘর সরিয়ে নিতে নোটিশ দেয় কর্তৃপক্ষ।

বৈকুন্ঠপুর চা বাগানের পঞ্চায়েত কমিটির সাধারণ সম্পাদক খোকন চৌহান বলেন, ‘অস্থায়ী চা শ্রমিকদের স্থায়ীকরণ, উন্নত চিকিৎসাব্যবস্থা, কর্মক্ষেত্রে সুরক্ষা, মজুরি বৃদ্ধি এবং আবাসন নিশ্চিত করতে হবে।

‘২০১৯ সালে বিভাগীয় শ্রম অধিদপ্তর কর্তৃক ২৫ দফা ইশতেহারের ২৩ নম্বর অনুচ্ছেদে স্থানীয় আবাসন সংকট নিরসনের কথা স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা আছে। কিন্তু তিন বছরেও এক দফা মেনে নেয়া হয়নি।’

বৈকুন্ঠপুর চা বাগান আন্দোলন কমিটি সভাপতি মনিব কর্মকার বলেন, ‘এই বাগানে স্থায়ী ৪১১ জন এবং অস্থায়ী ৩০ জন শ্রমিক রয়েছেন। এই শ্রমিকদের জীবিকা বাগানের ওপরই নির্ভরশীল। ২৭ দিন ধরে বাগান বন্ধ থাকায় শ্রমিকরা বেতন ও রেশন পাচ্ছেন না। এতে অনাহারে, অর্ধহারে দিন কাটছে তাদের।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা মালিকপক্ষের সঙ্গে কথা বলেছি। তারা বলেছেন, দিলীপ কেউটের ঘর উচ্ছেদ বহাল থাকবে। প্রতিবাদকারী ২০ শ্রমিককে চাকুরিচ্যুত করা হবে। বাকি শ্রমিকদের প্রত্যেককে ৩ শতক করে জমি দেয়া হবে। এসব শর্ত মেনে নিলে বাগান চালু হবে।

‘কিন্তু আমরা সাফ জানিয়ে দিয়েছি, এসব শর্ত মানি না। আগামী ৩১ ডিসেম্বর শুক্রবারের মধ্যে যাবতীয় সংকট নিরসন না হলে কঠোর আন্দোলনের ডাক দেব।’

‘বৈকুণ্ঠপুর চা বাগান চালু না হলে কঠোর আন্দোলন’
বৈকুন্ঠপুর চা বাগান আন্দোলন কমিটির প্রতিবাদ সভা। ছবি: নিউজবাংলা

বৈকুণ্ঠপুর চা বাগানের ম্যানেজার সামছুল ইসলাম ভূঁইয়া বলেন, ‘বাগানের শ্রমিকদের বসবাসের জন্য নির্দিষ্ট জায়গা রয়েছে। কিন্তু শ্রমিক দিলীপ নিয়ম ভেঙে বাগানের ভেতর পাকা ঘর নির্মাণ করেন। বিষয়টি আমাদের নজরে এলে তাকে বাধা দিই। কিন্তু তিনি শোনেননি।’

তিনি আরও বলেন, ‘বাগানের নিয়ম ভঙ্গ করা এবং নির্দেশনা অমান্য করায় আমরা তার শ্রমিক কার্ড বাতিল করি। যে কারণে গত ৭ ডিসেম্বর তিনি (দিলিপ) বাগানের পঞ্চায়েত কমিটিকে নিয়ে আমাদের ওপর হামলা চালান। শ্রমিকরা আমাকে ও আমার ডেপুটিকে পেটায়, বাংলো ভাঙচুর করেন। পরদিন ১২ জনকে আসামি করে মাধপুর থানায় মামলা করি।’

সামছুল ইসলাম বলেন, ‘বিষয়টি বাগান মালিককে জানালে তিনি বাগান বন্ধ করে দেয়ার সিদ্ধান্ত দেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে ৯ ডিসেম্বর থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য বাগান বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।’

প্রতিবাদ সভায় উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ চা শ্রমিক ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক নৃপেন পাল, লস্করপুর ভ্যালীর সভাপতি রবীন্দ্র গৌড়, সাধারণ সম্পাদক অনিরুদ্ধ বাড়াইক, বাংলাদেশ চা কন্যা নারী সংগঠনের আহ্বায়ক খাইরুন আক্তার। এ ছাড়া নোয়াপাড়া ইউনিয়ন পরিষদ সদস্য মীরা কৈরী এবং রেমা-নোয়াপাড়া-চাঁদপুর-বেগমখানসহ বিভিন্ন চা বাগানের শ্রমিকরা এসময় উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন:
গাছ পাচার: ম্যানেজারের বিরুদ্ধে আন্দোলনে চা শ্রমিকরা
যে জীবন চা-শ্রমিকদের
চা শ্রমিকের মৃত্যু: ৮ ঘণ্টা পর ঘরে ফিরল শ্রমিকরা

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Extortion of crores of rupees a year from waste disposal

ময়লার ভাগাড় থেকে বছরে কোটি টাকার চাঁদাবাজি

ময়লার ভাগাড় থেকে বছরে কোটি টাকার চাঁদাবাজি সাভারে নবীনগর-চন্দ্রা মহাসড়কের চক্রবর্তী, শ্রীপুর, বাইপাইল, পলাশবাড়ীসহ বেশ কয়েকটি স্থানে মূলত বাসাবাড়ির উচ্ছিষ্ট ময়লা দিন-রাত ছোট ছোট গাড়িতে করে এনে ফেলা হচ্ছে।
ছোট গাড়িতে করে ময়লাকর্মীরা বাসা থেকে ময়লা সংগ্রহ করে সড়কের পাশে এসব ভাগাড়ে ফেলেন। এ জন্য তাদের গাড়িপ্রতি দিতে হয় চাঁদা। ময়লার এসব ভাগাড় নিয়ন্ত্রণ করেন স্থানীয় প্রভাবশালীরা।

মহাসড়ক কিংবা সড়কের যত্রতত্র ময়লার ভাগাড়। উটকো গন্ধে নাজেহাল পথচারী। রাজধানী ঢাকার কাছে সাভারের বিভিন্ন সড়ক-মহাসড়কের পাশে ময়লার ভাগাড়ের দুর্ভোগ এখানকার নাগরিকদের এখন অভ্যাসে পরিণত হয়েছে। উটকো পচা গন্ধে নাভিশ্বাস উঠলেও অভিযোগ জানানোর ভাষা হারিয়ে ফেলেছেন তারা।

কেন বছরের পর বছর ধরে সড়কের পাশে ময়লা ফেলা নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হচ্ছে না– এ প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে গিয়ে নিউজবাংলার অনুসন্ধানে বেরিয়ে এসেছে চাঞ্চল্যকর তথ্য।

সাভারে নবীনগর-চন্দ্রা মহাসড়কের চক্রবর্তী, শ্রীপুর, বাইপাইল, পলাশবাড়ীসহ বেশ কয়েকটি স্থানে মূলত বাসাবাড়ির উচ্ছিষ্ট ময়লা দিন-রাত ছোট ছোট গাড়িতে করে এনে ফেলা হচ্ছে। মহল্লাভিত্তিক বাসাবাড়ি থেকে যারা ময়লা সংগ্রহ করেন, তারা বাসাপ্রতি ১০০ টাকা নিয়ে থাকেন। ছোট গাড়িতে করে তারা বাসা থেকে ময়লা সংগ্রহ করে সড়কের পাশে এসব ভাগাড়ে ফেলেন। এ জন্য তাদের গাড়িপ্রতি গুনতে হয় চাঁদা। ময়লার এসব ভাগাড় নিয়ন্ত্রণ করেন স্থানীয় প্রভাবশালীরা।

আশুলিয়ার বাইপাইল এলাকায় শাহরিয়ার গার্মেন্টস নামক একটি পোশাক কারখানার বিপরীতে নবীনগর-চন্দ্রা মহাসড়কের পাশে রয়েছে এ রকম একটি ময়লার ভাগাড়। এখানে ময়লা ফেলতে গাড়িপ্রতি ৫০০ টাকা চাঁদা আদায় করে একটি চক্র। প্রতিদিন ৪০ থেকে ৪৫টি গাড়ি এখানে ময়লা ফেলে। সে হিসাবে মাসে এই একটি স্পট থেকে প্রায় ৬ লাখ ৭৫ হাজার টাকা চলে যায় চাঁদাবাজদের পকেটে। বছরে সেই অঙ্কটা প্রায় ১ কোটি টাকা।

ময়লার ভাগাড় থেকে বছরে কোটি টাকার চাঁদাবাজি

এ ছাড়া চক্রবর্তী, শ্রীপুর ও পলাশবাড়ীতে ময়লার স্পটগুলো থেকেও চাঁদাবাজির কথা জানিয়েছেন নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ময়লা ব্যবসায়ীরা। আর হকার্স লীগ ও ছাত্রলীগের নেতাসহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির সংশ্লিষ্টতার তথ্যও দিয়েছেন তারা।

বাসা থেকে ময়লা সংগ্রহকারী মো. বাবুল নিউজবাংলাকে বলেন, ‘পাবলিকের কাছ থাইকে আমরা আগে নিছি ৬০ ট্যাকা রুমপ্রতি। এখন সব জিনিসের দাম বাড়ার কারণে ১০০ ট্যাকা কইরা নেই। ওহানে মাল ফালাইলে হ্যাগো কিছু ট্যাকা দেয়া লাগে। তিন গাড়ি মাল ফালাইলে ৫০০ ট্যাকা কইরা গাড়িপ্রতি মোট ১৫০০ ট্যাকা দেয়া লাগে। ওরা গাড়িপ্রতি ৫০০ ট্যাকা নেয় জুয়েল আর ওবায়দুল।’

এখন ময়লা ফেলানো বন্ধ আছে কি না- এমন প্রশ্নে বলেন, ‘না না, বন্ধ নাই। কোনো ঝামেলা নাই। ভোর ৬টা থাইকা শুরু কইরে মনে করেন সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত মাল পড়ে। যত গাড়ি আপনে পারেন। ৪০ থেকে ৪৫টি গাড়ির ময়লা পড়ে।’

অভিযুক্ত আশুলিয়া থানা ছাত্রলীগের সাবেক সহসভাপতি মো. ওবায়দুল নিউজবাংলাকে বলেন, ‘যদি ভাই আমারে দেহেন, আমারে পান, তহন আমারে ধইরা নিয়া যাইয়েন। আমার এলাকায় আমি ময়লার ব্যবসা করি। আমার একটা গাড়ি আছে। ওখানে বাধা দেয়ার পর আমার গাড়িগুলার ময়লা চক্রবর্তীতে পড়ে। আমি এটার মধ্যে জড়িত না ভাই। যারা নেয়, তাদের নামে নিউজ করেন। আমার কাছে আগে শরীফ নামের একজন নিত। আমি আগে মাসে ১১ হাজার ট্যাকা দিয়া ফালাইতাম। হকার্স লীগের ওই শরিফরে দিতাম। ঢাকা জেলা হকার্স লীগের আহ্বায়ক। ভাই, সত্য কথা, আমি আগে ফালাইতাম। এখন আর ফালাই না ভাই।’

তার বিরুদ্ধে অভিযোগ কেন এমন প্রশ্নে বলেন, ‘জানি না। হয়তো যারা গাড়ির ময়লা ফালায়, আমার নাম দেয়। বিভিন্ন এলাকার আছে। আমার অবস্থান ভালো তো, হয়তো বা আমার নাম দিয়া বাঁইচা যায় আরকি। আমি আশুলিয়া থানা ছাত্রলীগের সাবেক কমিটির সহসভাপতি ছিলাম।’

ময়লার ভাগাড় থেকে বছরে কোটি টাকার চাঁদাবাজি

মো. জুয়েল নামে আরেক অভিযুক্তের সঙ্গে একাধিকবার কথা বলার চেষ্টা করে তাকে পাওয়া যায়নি।

তবে ঢাকা জেলা হকার্স লীগের আহ্বায়ক শরিফুল ইসলাম সবুজ নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আমি এটার সঙ্গে জড়িত না। আমি এটার বিপক্ষে। আমি ওখানে শাহরিয়ার গার্মেন্টসের সিকিউরিটি গার্ডকে বইলা রাখছি, একটা গাড়ি এখানে যদি ফেলতে দেখ, আমারে ফোন দিবা, আমি আসুম।’

সাবেক ছাত্রলীগ নেতা ওবায়দুল আপনাকে টাকা দিয়ে এখানে ময়লা ফেলেছে- এমন প্রশ্নের পরিপ্রেক্ষিতে তিনি বলেন, ‘না না, ওবায়দুল নামের কাউকে চিনি না তো। যদি আমার নাম কেউ বলে থাকে, আমাকে ফোন দিবেন।’

মানিকগঞ্জ সড়ক ও জনপদ বিভাগের নয়ারহাট শাখার উপবিভাগীয় প্রকৌশলী শাখার প্রকৌশলী আরাফাত সাকলায়েন নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আমি পুরোটা পরিষ্কার করেছি। পরিষ্কার করে ময়লাগুলো ঠেলে দিয়ে একটা ব্যানার দিছি বড়। আমাকে এলাকার লোকজন ফোন দিছিল। পাশাপাশি আমি জিডির কাগজ পৌঁছাইছি পুলিশের কাছে। পুলিশ এখনও জিডি করে নাই। ওনারা নাকি এখন সরেজমিনে পরিদর্শন করে জিডি করে। আমি লোক পাঠায় জিডিটা এনসিওর করাব।’

টাকার বিনিময়ে ওখানে ময়লা ফেলানো হচ্ছে- এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘আমরা ওই জায়গায় একটি বড় ড্রেন করি বাস যেন দাঁড়াতে পারে- এ রকম একটা কিছু করতে চাচ্ছি। যেহেতু জায়গাটা আমাদের হাত থেকে ছুটেই যাচ্ছে। ওরা বারবার ময়লা ফালাচ্ছে, এই করতেছে, সেই করতেছে। একটা পার্মানেন্ট সলুশন চাচ্ছি আরকি।’

আশুলিয়া থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মোহাম্মদ জিয়াউল ইসলাম নিউজবাংলাকে বলেন, ‘অনেক দিন আগে ওই স্থানটি বেদখল হয়ে যাচ্ছে বলে আমাদের অবগত করা হয়েছিল। তবে জিডি বা অভিযোগ দায়ের হয়নি। নতুন করে ময়লার ভাগাড় থেকে চাঁদা উত্তোলনের বিষয়ে অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

আরও পড়ুন:
সাংবাদিক পরিচয়ে চাঁদাবাজির অভিযোগে পিটুনি
বরিশালের অ্যাম্বুলেন্স মালিকদের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগ
সরকারি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মারধর-চাঁদাবাজির অভিযোগ
মেয়রের মামলায় গ্রেপ্তার ছাত্রলীগের ২ নেতা
মাঝিরঘাটে চাঁদাবাজির মামলায় সেই শহীদ চেংগা গ্রেপ্তার

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Boat capsizing in Panchgarh Death toll rises to 30

পঞ্চগড়ে নৌকাডুবি: মৃত বেড়ে ৩২

পঞ্চগড়ে নৌকাডুবি: মৃত বেড়ে ৩২ ফায়ার সার্ভিসের সদস্যদের উদ্ধার কার্যক্রম। ছবি: নিউজবাংলা
বোদা উপজেলার মারেয়া আউলিয়া-বদ্বেশ্বরী ঘাটে করতোয়া নদীতে রোববার দুপুরে শতাধিক যাত্রী নিয়ে একটি ইঞ্জিনচালিত নৌকা ডুবে যায়। যার বেশির ভাগই মহালয়ার পুণ্যার্থী ছিলেন। তারা নদীর ওপারে বদ্বেশ্বরী মন্দিরে প্রার্থনা শেষে ফিরছিলেন।

পঞ্চগড়ের বোদায় করতোয়া নদীতে নৌকাডুবির ঘটনায় এক শিশুসহ আরও সাতজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ নিয়ে মৃতের সংখ্যা দাঁড়াল ৩২ জনে।

সোমবার সকালে দিনাজপুরের খানসামা উপজেলার আত্রাই নদীর জিয়া সেতুর নিচ থেকে একজনের, বীরগঞ্জ অংশে কাশিমনগর বাদলারঘাটে এক শিশুসহ দুজনের, বোদা ও দেবীগঞ্জে দুজন করে চারজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

তাৎক্ষণিক উদ্ধার হওয়া মরদেহগুলোর নাম-পরিচয় জানা যায়নি।

বোদা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সুজয় কুমার রায়, খানসামা থানার ওসি চিত্তরঞ্জন, বীরগঞ্জ থানার ওসি সুব্রত কুমার সরকার ও দেবীগঞ্জ থানার ডিউটি অফিসার সোহেল রানা নিউজবাংলাকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

পঞ্চগড় ফায়ার সার্ভিসের উপপরিচালক সৈয়দ মাহাবুবুল আলম নিউজবাংলাকে বলেন, ‘সকাল সাড়ে ৫টায় দ্বিতীয় দিনের মতো নিখোঁজ ব্যক্তিদের উদ্ধারে কার্যক্রম শুরু হয়েছে। রংপুর, কুড়িগ্রাম ও রাজশাহী থেকে ডুবুরিদল এসেছে। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে পঞ্চগড় ফায়ার সার্ভিস।

‘ঘটনাস্থল করতোয়ার আউলিয়ার ঘাট থেকে ৩০ কিলোমিটার ভাটির দিকে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা টহল দিচ্ছেন, নজর রাখছেন।’

মাড়েয়া ইউপি সচিব কামরুজ্জামান নিউজবাংলাকে জানিয়েছেন, নদীর বিভিন্ন অংশে মরদেহ ভেসে উঠছে। স্থানীয়দের খবরের ভিত্তিতে ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশ সেগুলো উদ্ধার করে ইউনিয়ন পরিষদে এনে রাখছে। সেখান থেকে মরদেহ স্বজনদের কাছে স্থানান্তর করা হবে।

বোদা উপজেলার মারেয়া আউলিয়া-বদ্বেশ্বরী ঘাটে করতোয়া নদীতে রোববার দুপুরে শতাধিক যাত্রী নিয়ে একটি ইঞ্জিনচালিত নৌকা ডুবে যায়। যার বেশির ভাগই মহালয়ার পুণ্যার্থী ছিলেন। তারা নদীর ওপারে বদ্বেশ্বরী মন্দিরে প্রার্থনা শেষে ফিরছিলেন।

এ ঘটনায় রোববার রাত ৮টা পর্যন্ত ২৫ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। সব মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। সৎকারের জন্য পরিবারগুলোকে ২০ হাজার করে টাকা দেয়া হয়েছে।

এই প্রাণহানির জন্য অতিরিক্ত যাত্রী বহনকে দায়ী করেছেন জেলা প্রশাসক (ডিসি)।

তিনি বলেন, ‘নৌকায় অতিরিক্ত যাত্রী ছিল। ঘটনাস্থলে মারওয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও পুলিশ ছিল। তারা সবাই ওই নৌকায় এত লোক উঠতে নিষেধ করেছিলেন।

‘গতকাল বৃষ্টি হওয়ার কারণে নদীতে পানি বেশি ছিল, স্রোতও বেশি ছিল। নিষেধ করতে করতে সবাই উঠে যায়। যেহেতু ধর্মীয় বিষয় সবাই উঠতে চাইছিলেন। এরপর মাঝনদীতে গিয়ে ডুবে যায় নৌকাটি।’

এদিকে এই দুর্ঘটনা তদন্তে পঞ্চগড়ের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট অথৈ আদিত্যকে আহ্বায়ক করে পাঁচ সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে।

আরও পড়ুন:
রাজশাহীতে পদ্মায় নৌকাডুবি, ৩ জন নিখোঁজ
নৌকাডুবির ৩ দিন পর মিলল শিশুর মরদেহ
গড়াই নদীতে নৌকাডুবি: নিখোঁজ শিশু উদ্ধারে ডুবুরিদল
নৌকা ডুবে যাওয়ায় স্থগিত বাইচ
গ্রিসে নৌকা ডুবে নিখোঁজ ৫০

মন্তব্য

বাংলাদেশ
However the court allowed Maryam Mannans DNA test

তবুও মরিয়ম মান্নানের ডিএনএ পরীক্ষার অনুমতি দিল আদালত

তবুও মরিয়ম মান্নানের ডিএনএ পরীক্ষার অনুমতি দিল আদালত অজ্ঞাতপরিচয় মরদেহটি মায়ের দাবি করে ময়মনসিংহে মরিয়ম ও তার বোনেরা (বামে) ও মরদেহের পরনে থাকা কাপড়। ছবি কোলাজ: নিউজবাংলা
ওসি বলেন, ‘রহিমা নামের ওই নারীকে উদ্ধার করতে না পারলে রোববারই তার মেয়ের ডিএনএ টেস্ট করানোর প্রচেষ্টা চালানো হতো। কিন্তু এখন আবেদনে লিখতে হবে নারীকে উদ্ধার করা হয়েছে। পরে আদালতে জমা দিতে হবে।’

ময়মনসিংহের ফুলপুরে উদ্ধার মরদেহ মরিয়ম মান্নানের কি না- তা নিশ্চিত হতে ডিএনএ নমুনা পরীক্ষার অনুমতি দিয়েছে আদালত। জেলার মুখ্য বিচারিক ৬ নম্বর আমলি আদালতের বিচারক কে.এম রওশন জাহান রোববার বিকেলে এ অনুমতি দেন।

মরিয়মের শুক্রবার করা আবেদন আমলে নিয়েছেন বিচারক। অথচ শনিবার রাতেই মরিয়মের মা রহিমা বেগমকে অক্ষত অবস্থায় ফরিদপুর থেকে উদ্ধার করে পুলিশ। এ খবরে আলোড়িত গোটা দেশ।

আদালত পরিদর্শক মো. জসিম উদ্দিন আদালতের ডিএনএ টেস্টের অনুমতি দেয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, গত শুক্রবার বিকেলে ময়মনসিংহের ফুলপুর থানায় করা মরিয়মের আবেদনটি শনিবার অনুমতির জন্য আদালতে তুলেছিল পুলিশ। বিচারক রোববার বিকেলে সেটির অনুমতি দেন।

ওসি আব্দুল্লাহ আল মামুন নিউজবাংলাকে জানান, গত ১০ সেপ্টেম্বর বেলা ১১টার দিকে উপজেলার বওলা ইউনিয়নের পূর্বপাড়া গ্রাম থেকে বস্তাবন্দি গলিত মরদেহ পাওয়া যায়। সেটি একজন নারীর। মরদেহ গলিত হওয়ায় ময়মনসিংহের পিবিআই সেটির হাতের আঙ্গুলের ছাপ নিতে পারেনি। পরে ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ময়নাতদন্ত শেষে ১২ সেপ্টেম্বর সমাহিত করা হয়। তবে মরদেহটির ডিএনএ নমুনা সংরক্ষণ করা হয়।

ওসি বলেন, ‘গত শুক্রবার সকালে থানায় এসে ওই মরদেহের ছবি দেখে মরিয়ম মান্নান শতভাগ নিশ্চিত হয়ে বলেছিলেন শরীর, কপাল, হাত ও সালোয়ার-কামিজ তার নিখোঁজ মায়ের। তিনি তার মাকে চিনতে ভুল করেননি। এমন অবস্থায় ডিএনএ টেস্টের পরামর্শ দেয়া হলে তিনি আবেদন করেন। পরে আবেদনটি আদালতে অনুমতির জন্য পাঠানো হয়। কিন্তু বিচারক অনুমতি দেয়ার আগেই অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করা হয় রহিমা বেগমকে।’

ডিএনএ টেস্টের আবেদনটি আদলতে অনুমোদন পাওয়ার পর কী করা হবে- এমন প্রশ্নে ওসি বলেন, ‘রহিমা নামের ওই নারীকে উদ্ধার করতে না পারলে রোববারই তার মেয়ের ডিএনএ নমুনা পরীক্ষার প্রচেষ্টা চালানো হতো। কিন্তু এখন আরেকটি আবেদনে লিখতে হবে নারীকে উদ্ধার করা হয়েছে। পরে আদালতে সেটি জমা দিতে হবে।’

এদিকে মরিয়মের মাকে জীবিত উদ্ধারের পর অজ্ঞাত ওই মরদেহটির পরিচয় নিয়ে বিপাকে পড়েছে পুলিশ। কোনো ক্লু-ই মিলছে না এ বিষয়ে। কর্মকর্তারা বলছেন, তারা চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।

মেয়েটিকে শ্বাসরোধে হত্যার আলামত স্পষ্ট বলে জানিয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

ফুলপুর থানার ওসি আব্দুল্লাহ আল মামুন নিউজবাংলাকে জানান, মরদেহটি উদ্ধারের পরই সংবাদমাধ্যমে বিজ্ঞপ্তি দেয়া হয়। ছবিসহ জামাকাপড় ফেসবুকে পোস্ট করা হয়।

এ ছাড়া দেশের বিভিন্ন থানায় মরদেহের বয়সসহ সব আলামতের বর্ণনা পাঠিয়ে খোঁজ করা হচ্ছে। তবে এখন পর্যন্ত ওই নারীর খোঁজ পেতে থানায় কেউ এসেছেন এমন তথ্য পাওয়া যায়নি।

প্রায় এক মাস ধরে খুলনার দৌলতপুরের মহেশ্বরপাশা থেকে মা নিখোঁজের অভিযোগ করে মরিয়ম মান্নানের পোস্টগুলো ফেসবুকে ভাইরাল হয়।

শনিবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলার সৈয়দপুর গ্রামের একটি ঘর থেকে অক্ষত অবস্থায় রহিমাকে উদ্ধার করে পুলিশ।

আরও পড়ুন:
রহিমার ফরিদপুরে অবস্থানের তথ্য শুক্রবারই জানানো হয় মরিয়মদের
মরিয়ম মান্নানের ডাকে মুখ ফিরিয়ে নিলেন মা
দালাল সাংবাদিকরা যে যা লিখে দিল: মরিয়ম
উদ্ধারের পর নিশ্চুপ মরিয়মের মা, আশ্রয়দাতারা হেফাজতে
মরিয়মের ডিএনএ টেস্টের প্রস্তুতির মধ্যেই মাকে উদ্ধার পুলিশের

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The husband left his wifes body under the bed and ran away

স্ত্রীর মরদেহ খাটের নিচে রেখে পালাচ্ছিলেন স্বামী

স্ত্রীর মরদেহ খাটের নিচে রেখে পালাচ্ছিলেন স্বামী স্ত্রীকে হত্যার অভিযোগে হাসানকে আটক করে পুলিশ।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটক হাসান পুলিশের কাছে স্ত্রীকে হত্যার কথা স্বীকার করেছেন বলেও জানান রাজাপুর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) গোলাম মোস্তফা।

ঝালকাঠির রাজাপুর উপজেলায় স্ত্রীকে হত্যা করে খাটের নিচে মরদেহটি রেখে পালিয়ে যাচ্ছিলেন হাসান নামের এক যুবক। স্থানীয়দের সহযোগিতায় পরে তাকে উপজেলার নৈকাঠি এলাকা থেকে আটক করে রাজাপুর থানা পুলিশ।

রোববার দুপুরে হাসানকে আটকের পর বিকেলে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রাজাপুর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) গোলাম মোস্তফা।

তিনি বলেন, ‘রাজাপুরের পূর্ব বাদুরতলা গ্রামের মিলবাড়ী এলাকার একটি ঘরে খাটের নিচ থেকে ২৫ বছর বয়সী গৃহবধূ শারমিন বেগমের মরদেহ উদ্ধার করেছি। পরে তার স্বামী রিকশাচালক হাসানকে নৈকাঠি থেকে আটক করেছি।’

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে পুলিশের কাছে স্ত্রীকে হত্যার কথা হাসান স্বীকার করেছেন বলেও জানান পুলিশ পরিদর্শক।

থানা সূত্র জানায়, রোববার বিকেলে নিহত শারমিনের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঝালকাঠি সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। একই সঙ্গে আটক হাসানের নামে একটি হত্যা মামলা হয়েছে।

এলাকাবাসী জানায়, এক সন্তানের জননী শারমিন ঝালকাঠি সদর উপজেলার শাচিলাপুর গ্রামের মনির খানের মেয়ে। তার আটক স্বামী হাসান রাজাপুর উপজেলার পূর্ব বাদুরতলা গ্রামের মিলবাড়ী এলাকার শহিদুল ইসলামের ছেলে।

বাদুরতলা গ্রামের বাহারুল মিয়া বলেন, ‘দুপুর ২টার পর হত্যাকারী হাসানের ৮ বছর বয়সী ছোট ভাই রমজান ঘরে ঢুকে দেখে হাসান খাটের ওপর একা বসে আছে। খাটের নিচে চাদর প্যাঁচিয়ে ঘুমাচ্ছে শারমিন।

‘ঘটনাটি দেখে ছোট্ট রমজান এসে আমাকে বলে দেয়। কিন্তু এর মধ্যেই হাসান বাড়ি থেকে পালিয়ে যায়। পরে আমরা হাসানের ঘরে তার স্ত্রীর লাশ দেখে পুলিশে খবর দেই।’

এলাকাবাসী দাবি করেছে, হাসান নেশাগ্রস্ত হওয়ায় প্রায়ই স্ত্রী শারমিনকে মারধর করতেন। রোববার দুপুরেও তাদের মধ্যে ঝগড়া হয়।

আরও পড়ুন:
প্রথম স্ত্রীকে পুড়িয়ে হত্যা, পুলিশের ফাঁদে আসামি
ইবি শিক্ষকের স্ত্রীকে হত্যা, দাবি পরিবারের
স্ত্রীকে হত্যার ৬ মাস পর যুবক গ্রেপ্তার 
স্ত্রী-সন্তান হত্যায় আলমগীরের মৃত্যুদণ্ড হাইকোর্টে বহাল
স্ত্রীর টাকায় নেশা-জুয়া, হিসাব চাইতে গিয়ে খুন

মন্তব্য

বাংলাদেশ
SP announces arrest if found outside in school dress

স্কুলড্রেসে বাইরে পেলেই আটক, ঘোষণা এসপির

স্কুলড্রেসে বাইরে পেলেই আটক, ঘোষণা এসপির প্রতীকী ছবি
বিকেল ৪টা থেকে শুরু হওয়া ওই অনুষ্ঠানে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ছাড়াও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন।

স্কুল চলাকালীন কোনো শিক্ষার্থীকে হোটেল-রেস্তোরাঁ কিংবা পার্কে পাওয়া গেলেই তাকে আটক করার নির্দেশ দিয়েছেন নীলফামারীর পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমান।

এ ছাড়া স্কুল-কলেজের সামনে, এমনকি পাড়া-মহল্লায় কোনো বখাটে ঘোরাফেরা করলে তাদেরও আটক করে গোয়েন্দা কার্যালয়ে (ডিবি) নেয়ার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।

রোববার বিকেলে নীলফামারীর সৈয়দপুর রেলওয়ে মাঠে অনুষ্ঠিত ‘ওপেন হাউজ ডে’র অনুষ্ঠানে এ ঘোষণা দেন নবাগত পুলিশ সুপার মোস্তাফিজুর রহমান।

এ সময় মাদকের বিস্তার রোধে আগামী এক মাসের মধ্যে সবাইকে নিয়ে সৈয়দপুরকে মাদকমুক্ত করার ঘোষণাও দেন তিনি।

সৈয়দপুর থানার আয়োজনে এই সভায় সভাপতিত্ব করেন সৈয়দপুর ওসি সাইফুল ইসলাম। অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য রাবেয়া আলীম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অর্থ ও প্রশাসন) আমিরুল ইসলাম, সৈয়দপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শামীম হোসাইন, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মহসিনুল হক মহসিন, বীর মুক্তিযোদ্ধা একরামুল হক, সৈয়দপুর পৌরসভার প্যানেল মেয়র শাহিন হোসেন।

বিকেল ৪টা থেকে শুরু হওয়া ওই অনুষ্ঠানে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ছাড়াও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন।

আরও পড়ুন:
শ্যামপুরে স্কুলছাত্রকে ছুরিকাঘাতে খুন
প্রতিবেশীর সন্তান দেখিয়ে মাতৃত্বকালীন ছুটি!
স্কুল-কলেজে নতুন সূচি
বিশ্বের সবচেয়ে লম্বা ছুটি কাটিয়ে স্কুলে শিশুরা
পরিত্যক্ত ভবনে ৯ বছর ধরে স্কুল, ধসে পড়ল ছাদ

মন্তব্য

বাংলাদেশ
There are 27 unopposed Zilla Parishad Chairman

বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ২৭ জন

বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ২৭ জন
এবারের জেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে ২৭ জন, সংরক্ষিত পদে ১৯ জন, সাধারণ সদস্য পদে ৬৮ জন এবং তিন পদে সব মিলিয়ে ১১৪ জন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হতে যাচ্ছেন।

দেশের ৬১ জেলা পরিষদ নির্বাচনে ২৭ জন চেয়ারম্যান প্রার্থী বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হওয়ার পথে। এর আগে ১৯ জেলার একক প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দেন। মনোনয়ন যাচাই-বাছাইয়ে তিন জনের প্রার্থিতা বাতিল হওয়ায় সে সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় ২২ জনে। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন সে সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৭ জনে।

আট বিভাগের মধ্যে ঢাকায় বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত চেয়ারম্যানের সংখ্যা বেশি। এই বিভাগে ৭ জেলায় বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় চেয়ারম্যান নির্বাচিত হচ্ছেন। দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে রাজশাহী ও বরিশাল বিভাগ। এ দুই বিভাগের প্রতিটিতে পাঁচ জেলায় বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। রংপুর বিভাগে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন তিন জেলায়।

এবারের জেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে ২৭ জন, সংরক্ষিত পদে ১৯ জন, সাধারণ সদস্য পদে ৬৮ জন এবং তিন পদে সব মিলিয়ে ১১৪ জন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হতে যাচ্ছেন।

রোববার প্রার্থিতা প্রত্যাহার শেষে রিটার্নিং কর্মকর্তাদের পাঠানো তথ্য একীভূত করে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) তৈরি করা প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের জনসংযোগ পরিচালক আসাদুজ্জামান আরজু এটি নিশ্চিত করেন।

ইসির তথ্য অনুযায়ী ৬১ জেলায় চেয়ারম্যান পদে মনোনয়নপত্র দাখিল করেছিলেন ১৬২ জন। তার মধ্যে বাছাই শেষে বৈধতা পেয়েছেন ১৪২ জন। বর্তমানে চেয়ারম্যান পদে ভোটের মাঠে রয়েছে ৯০ জন। সাধারণ সদস্য পদে মনোনয়নপত্র জমা পড়ে ১ হাজার ৯৮৩টি। বৈধতা পেয়েছে ১ হাজার ৭৪টি। তবে বর্তমানে ভোটের মাঠে রয়েছেন ১ হাজার ৫০৫ জন। এ পদে বিনা ভোটে নির্বাচিত হচ্ছেন ৬৮ জন।

সংরক্ষিত সদস্য পদে মনোনয়নপত্র দাখিল করেছিলেন ৭১৫ জন, যাদের মধ্যে বৈধতা পেয়েছেন ৬৭৩ জন। বর্তমানে ভোটের মাঠে রয়েছেন ৬২০ জন। বিনা ভোটে নির্বাচিত হয়েছেন ১৯ জন।

ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময় ছিল রোববার। প্রতীক বরাদ্দ হবে ২৬ সেপ্টেম্বর সোমবার। আর ভোটগ্রহণ ১৭ অক্টোবর।

জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান পদে যে ২৭ জেলায় প্রার্থীরা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হচ্ছেন সেগুলো হলো: ঢাকা বিভাগে ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ, গোপালগঞ্জ, টাঙ্গাইল, শরীয়তপুর, মুন্সীগঞ্জ ও মাদারীপুর; ময়মনসিংহ বিভাগে জামালপুর; বরিশাল বিভাগে বরিশাল, ঝালকাঠি, বরগুনা, ভোলা ও পিরোজপুর; রাজশাহী বিভাগে চাঁপাইনবাবগঞ্জ, সিরাজগঞ্জ, নাটোর, নওগাঁ ও পাবনা; রংপুর বিভাগে লালমনিরহাট, কুড়িগ্রাম ও ঠাকুরগাঁও, চট্টগ্রাম বিভাগে কুমিল্লা, লক্ষ্মীপুর ও ফেনী; সিলেট বিভাগে মৌলভীবাজার ও সিলেট এবং খুলনা বিভাগে বাগেরহাট।

আরও পড়ুন:
সিলেট জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান হচ্ছেন নাসির
জাতীয় পার্টির প্রার্থীর মনোনয়নপত্র ছিনতাইয়ের অভিযোগ
৬১ জেলা পরিষদে আওয়ামী লীগের প্রার্থী যারা
দেশের ৬১ জেলা পরিষদে নির্বাচন ১৭ অক্টোবর
ডাস্টবিন নির্মাণে অনিয়ম, পালিয়েছেন ঠিকাদার

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Rahima wanted birth registration in Boalmari

বোয়ালমারীতে জন্মনিবন্ধন চেয়েছিলেন রহিমা

বোয়ালমারীতে জন্মনিবন্ধন চেয়েছিলেন রহিমা
বোয়ালমারীর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আব্দুল হক শেখ নিউজবাংলাকে বলেন, ‘গত ২২ তারিখ পরিষদের বাইরে ওই নারী ঘোরাফেরা করছিলেন। একপর্যায়ে আমার কাছে এসে বলেন জন্ম নিবন্ধন করব।’

খুলনার দৌলতপুর থেকে নিখোঁজের প্রায় এক মাস পর উদ্ধার রহিমা বেগম রোববার পিবিআই কার্যালয়ে বসে জানিয়েছেন, তাকে অপহরণ করা হয়েছিল। তবে তাকে উদ্ধারের ঘটনাস্থল ফরিদপুরের বোয়ালমারীর সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জানালেন, সেখানে জন্ম নিবন্ধন করতে চেয়েছিলেন রহিমা।

মামলার তদন্ত কর্তৃপক্ষ পুলিশ ব্যুরো অফ ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) বলছে, প্রাথমিক আলামতে মনে হচ্ছে রহিমার অপহরণ হওয়ার দাবি সঠিক নয়। এ বিষয়ে তদন্ত চলছে।

রহিমা বেগমকে শনিবার অক্ষত অবস্থায় ফরিদপুরের বোয়ালমারীর সৈয়দপুর গ্রাম থেকে উদ্ধার করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

খুলনা পিবিআই পুলিশ সুপার সৈয়দ মুশফিকুর রহমান নিউজবাংলাকে জানান, রহিমা জানিয়েছেন যে প্রতিবেশী কিবরিয়া ও মহিউদ্দীনসহ তিনজন তাকে অপহরণ করেছিল। তাকে কোথাও আটকে রেখে ব্ল্যাংক স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর করিয়ে নিয়েছে। পরে ১ হাজার টাকা দিয়ে তাকে ছেড়ে দেয়।

পুলিশ সুপার বলেন, ‘রহিমা বেগমের দাবি, তিনি কিছুই চিনতে পারছিলেন না। ছাড়া পাওয়ার পর তিনি চট্টগ্রাম ও বান্দরবান যান। পরে গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর হয়ে পূর্বপরিচিত ভাড়াটিয়ার ফরিদপুরের বোয়ালখালী উপজেলার সৈয়দপুর গ্রামে যান। তার কাছে কোনো মোবাইল নাম্বার না থাকায় কারও সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেননি।’

বোয়ালমারীর সৈয়দপুর গ্রামে গিয়ে রহিমাকে আশ্রয়দাতা কুদ্দুস মোল্লার স্বজন ও প্রতিবেশীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, সেখানে থাকাকালে প্রায়ই রহিমা ঘর থেকে বের হয়ে বিভিন্ন জায়গায় যেতেন।

কুদ্দুস মোল্লার বড় মেয়ের জামাই নূর মোহাম্মদ নিউজবাংলাকে জানান, এর মধ্যে একদিন রহিমা ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়েও গিয়েছিলেন।

সেখানে কেন গিয়েছিলেন জানতে চাইলে ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আব্দুল হক শেখ নিউজবাংলাকে বলেন, ‘গত ২২ তারিখ পরিষদের বাইরে ওই নারী ঘোরাফেরা করছিলেন। একপর্যায়ে আমার কাছে এসে বলেন জন্ম নিবন্ধন করব।’

বোয়ালমারীতে জন্মনিবন্ধন চেয়েছিলেন রহিমা
বোয়ালমারীর এই বাড়িতে পাওয়া গেছে রহিমাকে। ছবি: নিউজবাংলা

চেয়ারম্যান আরও বলেন, ‘আমি তখন তাকে জিজ্ঞেস করেছি আপনি কে, কোন এলাকায় বাড়ি। তিনি তখন জানান যে সৈয়দপুরে বাড়ি। বাগেরহাটে একটি বাড়িতে তিনি কাজ করেন। কিন্তু ওনার পোশাক দেখে আমার মনে হলো বড় ঘরের কেউ হবে। তখন সন্দেহ হলে জিজ্ঞেস করি আপনি কোন মেম্বারের এলাকার। উনি ঠিক করে বলতে পারলেন না।

‘তখন আমি বলি চাইলেই তো জন্মনিবন্ধন পাওয়া যায় না। বাসিন্দা হতে হয়। বিদ্যুৎ বিলের কাগজসহ আরও অনেক কাগজ লাগে। আপনি আপনার ওয়ার্ডের মেম্বারকে সঙ্গে নিয়ে আইসেন। এ কথা শুনে উনি উঠে চলে যান। আমার আরও সন্দেহ হয় যে উনি আবার কোনো গোয়েন্দা সংস্থার লোক কি না। পরে আমি এক মেম্বারকে ডেকে ওই নারীর খোঁজ নিতে বলি। খোঁজ নিয়ে সে আমাকে জানায় উনি কুদ্দুসের বাড়িতে বেড়াতে আসছেন।’

রহিমার অপহরণ হওয়ার দাবি সত্যি হলে, ২৭ আগস্ট তিনি অপহৃত হওয়ার পর ৪ সেপ্টেম্বরের মধ্যে কিবরিয়া ও মহিউদ্দীনরা তার কাছ থেকে স্ট্যাম্পে সই নিয়ে ছেড়ে দেন। এরপর তিনি চট্টগ্রাম, বান্দরবান, গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর হয়ে ১৭ সেপ্টেম্বর ফরিদপুরের বোয়ালখালী উপজেলার সৈয়দপুর গ্রামে কুদ্দুস মোল্লার বাড়িতে যান।

অপহরণকারীদের দেয়া মাত্র ১ হাজার টাকায় অন্তত ১৩ দিন তিনি দেশের বিভিন্ন জেলায় কীভাবে কাটালেন সেই প্রশ্নের জবাব খুঁজছে পিবিআই।

রহিমা অপহৃত হওয়ার অভিযোগ তদন্ত করা হচ্ছে জানিয়ে পিবিআইয়ের পুলিশ সুপার সৈয়দ মুশফিকুর রহমান নিউজবাংলাকে বলেন, ‘রহিমা বেগমকে উদ্ধারের সময় তার কাছ থেকে একটি সাদা ব্যাগ পাওয়া গেছে। তাতে ওষুধ ছিল, পোশাকসহ অন্য মালামাল ছিল। একজন ব্যক্তি অপহরণ হলে তার সঙ্গে এগুলো থাকতে পারে না। তাই এটা অপহরণ নাও হতে পারে।

‘আমরা রহিমা বেগমের বক্তব্য খতিয়ে দেখছি। অনেক রহস্য রয়ে গেছে। তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে। আইন অনুযায়ী তদন্ত শেষে সবকিছু প্রকাশ করা হবে।’

আরও পড়ুন:
মরিয়ম মান্নানের ডাকে মুখ ফিরিয়ে নিলেন মা
দালাল সাংবাদিকরা যে যা লিখে দিল: মরিয়ম
উদ্ধারের পর নিশ্চুপ মরিয়মের মা, আশ্রয়দাতারা হেফাজতে
মরিয়মের ডিএনএ টেস্টের প্রস্তুতির মধ্যেই মাকে উদ্ধার পুলিশের
মায়ের আত্মগোপনে মরিয়ম মান্নানও জড়িত!

মন্তব্য

p
উপরে