বাণিজ্যিকভাবে ফাইভজি মার্চে: জব্বার

player
বাণিজ্যিকভাবে ফাইভজি মার্চে: জব্বার

বুধবার ঢাকায় এক হোটেলে বিআইজিএফ আয়োজিত ‘অ্যাকসেস টু মিনিংফুল কানেক্টিভিটি অ্যান্ড সোশ্যাল ইনক্লিউশন’ শীর্ষক আলোচনায় বক্তব্য দেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার। ছবি: নিউজবাংলা

ডাক ও টেলিযোগাযোগমন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার বলেন, ‘প্রযুক্তিতে পশ্চাৎপদতা অতিক্রম করে ফাইভজি যুগে বাংলাদেশ প্রবেশ করেছে। চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের প্রযুক্তি ব্যবহারের জন্য ফাইভজি অপরিহার্য। আগামী মার্চের মধ্যেই দেশে বাণিজ্যিকভাবে ফাইভজি চালু হবে।’ তবে এখনই বেসরকারি মোবাইল অপারেটরগুলো দেশে ফাইভজি চালু করতে পারছে না। তাই ফাইভজি ছড়িয়ে দিতে আগামী মার্চে তরঙ্গ নিলাম করবে সরকার।

চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের প্রযুক্তি ব্যবহারের জন্য অপরিহার্য ফাইভজি সেবা আগামী মার্চের মধ্যেই দেশে বাণিজ্যিকভাবে চালু হবে। এমনটি জানিয়েছেন ডাক ও টেলিযোগাযোগমন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার।

মন্ত্রী বুধবার ঢাকায় এক হোটেলে বাংলাদেশ ইন্টারনেট গভর্নেন্স ফোরাম (বিআইজিএফ) আয়োজিত ‘অ্যাকসেস টু মিনিংফুল কানেক্টিভিটি অ্যান্ড সোশ্যাল ইনক্লিউশন’ শীর্ষক আলোচনায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন।

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়সংক্রান্ত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি ও বিআইজিএফ সভাপতি হাসানুল হক ইনুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিটিআরসির মহাপরিচালক মো. নাসিম পারভেজ, বিটিসিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. রফিকুল মতিন, সাউথ এশিয়া আর্টিকেল ১৯-এর আঞ্চলিক পরিচালক ফারুক ফয়সাল, বিএনএনআরসি রিসার্চ ফেলো এএইচএম বজলুর রহমান, বিআইজিএফ সেক্রেটারি জেনারেল আবদুল হক অনু, সাংবাদিক রাশেদ মেহেদি অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন।

গত ১২ ডিসেম্বর পঞ্চম প্রজন্মের মোবাইল প্রযুক্তি ফাইভজিতে প্রবেশ করে বাংলাদেশ। রাষ্ট্রায়ত্ত মোবাইল অপারেটর টেলিটক দেশের ছয়টি এলাকায় পরীক্ষামূলকভাবে উচ্চগতির এ ফাইভজি সেবা চালু করে। তবে শুরুতে শুধু ঢাকায় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, জাতীয় সংসদ ভবন, সচিবালয়, ধানমন্ডির ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধু জাদুঘর, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মস্থান টুঙ্গিপাড়া এবং সাভারে শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধ এলাকায় এই সেবা পাওয়া যাবে।

মোস্তাফা জাব্বার বলেন, প্রযুক্তিতে পশ্চাৎপদতা অতিক্রম করে ফাইভজি যুগে বাংলাদেশ প্রবেশ করেছে। চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের প্রযুক্তি ব্যবহারের জন্য ফাইভজি অপরিহার্য। আগামী মার্চের মধ্যেই দেশে বাণিজ্যিকভাবে ফাইভজি চালু হবে।

তবে এখনই বেসরকারি মোবাইল অপারেটরগুলো দেশে ফাইভজি চালু করতে পারছে না। তাই ফাইভজি ছড়িয়ে দিতে আগামী মার্চে তরঙ্গ নিলাম করবে সরকার।

মন্ত্রী বলেন, ‘যত বেশি ডিজিটাল, তত বেশি নিরাপত্তাঝুঁকি। চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় ডিজিটাল শিল্পবিপ্লব পৃথিবীতে অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের উদ্দেশ্য এবং আমাদের উদ্দেশ্য এক নয়। জননেত্রী শেখ হাসিনা ২০০৮ সালে ডিজিটাল বাংলাদেশ কর্মসূচি ঘোষণা করেন, তার আট বছর পর ২০১৬ সালে চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের ধারণাটি ঘোষিত হয়।’

দেশে ডিজিটাল ডিভাইডেশন নিরসনে সরকার গৃহীত বিভিন্ন কর্মসূচি তুলে ধরে জব্বার বলেন, ‘দেশে ইন্টারনেটের এক দেশ এক রেট একটি বিপ্লবের নাম। প্রত্যন্ত অঞ্চলে বসবাস করা কোনো নাগরিককেও ইন্টারনেট অধিকার থেকে যেমন বঞ্চিত করা যাবে না। তেমনি প্রত্যন্ত অঞ্চলের জন্য আলাদা কোনো রেটও গ্রহণযোগ্য নয়। এই লক্ষ্যে দেশের প্রায় প্রত্যেক মানুষের দোরগোড়ায় উচ্চগতির ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সংযোগ পৌঁছে দিয়েছি। করোনাকালে দেশের শতকরা ৯৭ ভাগ এলাকায় ফোরজি নেটওয়ার্ক সুবিধা নিশ্চিত করা হয়েছে।

এ সময় হাসানুল হক ইনু বলেন, ‘২০০৮ সালের ডিজিটাল কর্মসূচির ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশ তৃতীয় শিল্পবিপ্লব যুগে প্রবেশ করে। এরই ধারাবাহিকতায় উন্নয়নের মহাসড়কে বাংলাদেশ যুক্ত হওয়ার সুযোগ সৃষ্টি হয়।’

তিনি বলেন, ‘ডিজিটাল প্রযুক্তি অর্থনৈতিক অগ্রগতির অপরিহার্য অঙ্গ।’ ইন্টারনেটকে সংবিধানে মৌলিক অধিকার হিসেবে প্রতিষ্ঠার প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেন ইনু।

আরও পড়ুন:
পরীক্ষামূলক ফাইভ-জি কি ডিসেম্বরে সম্ভব

শেয়ার করুন

মন্তব্য

দূরপাল্লার যানে বিকল্প চালকের প্রস্তাব ডিসিদের

দূরপাল্লার যানে বিকল্প চালকের প্রস্তাব ডিসিদের

দূরপাল্লার গাড়িতে দুই জন চালক রাখার প্রস্তাব দিয়েছেন জেলা প্রশাসকরা। ফাইল ছবি

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, কতিপয় বৃহৎ প্রকল্পের আওতায় সড়ক ও মহাসড়ক ঘেঁষা হাটবাজারে ফ্লাইওভার, ওভারপাস ও আন্ডারপাস নির্মাণ করার কার্যক্রম গ্রহণ করা হচ্ছে।

দুর্ঘটনা রোধে মহাসড়কে নিয়মিত চলাচলকারী দূরপাল্লার গাড়িতে দুই জন চালক রাখার প্রস্তাব দিয়েছেন জেলা প্রশাসকরা (ডিসি)। রাজধানীর ওসমানি স্মৃতি মিলনায়তনে ডিসি সম্মেলনে এ প্রস্তাব আনা হয়।

পরে এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায় মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, কতিপয় বৃহৎ প্রকল্পের আওতায় সড়ক ও মহাসড়ক ঘেঁষা হাটবাজারে ফ্লাইওভার, ওভারপাস ও আন্ডারপাস নির্মাণ করার কার্যক্রম গ্রহণ করা হচ্ছে।

বিআরটিএর লাইসেন্স ফি ইউডিসিতে জমা দেয়ার লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণের বিষয়ে আলোচনা করা হয়।

সিএনজি ও ইজিবাইক উৎপাদন, বিক্রয় ও বিপণন সংক্রান্ত সুনির্দিষ্ট আইন প্রণয়ন করার বিষয়ে সভায় আলোচনা হয়েছে বলে জানায় মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।

সৈয়দপুর ও চট্টগ্রামে রেল ইঞ্জিন তৈরির উদ্যোগ

সৈয়দপুর ও চট্টগ্রামের রেল ওয়ার্কসপে ট্রেনের ইঞ্জিন ও বগি তৈরির উদ্যোগ নিতে ডিসি সম্মেলনে আলোচনা হয়েছে।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, রেলপথ সংক্রান্ত অধিবেশনে সৈয়দপুর ও চট্টগ্রামে রেল ইঞ্জিন ও রেলবগি তৈরির উদ্যোগ গ্রহণ করার বিষয়ে আলোচনা করা হয়।

পৌর মার্কেট সংলগ্ন স্থানে রেলওয়ে ওভারপাস নির্মাণ করার বিষয়ে সভায় আলোচনা করা হয়।

রেলওয়ে আইন, ১৮৯০ এর প্রয়োজনীয় সংশোধনের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে বলে জানানো হয়েছে।

আরও পড়ুন:
পরীক্ষামূলক ফাইভ-জি কি ডিসেম্বরে সম্ভব

শেয়ার করুন

রেমিট্যান্সে নগদ সহায়তার আওতা বাড়ল

রেমিট্যান্সে নগদ সহায়তার আওতা বাড়ল

বাংলাদেশ ব্যাংকের সার্কুলারে বলা হয়, ‘প্রবাসীদের আয় বৈধ উপায়ে দেশে আনাকে উৎসাহিত করতে বিদ্যমান হারে রেমিট্যান্স প্রণোদনা বা নগদ সহায়তা দেয়ার জন্য কয়েকটি খাত যুক্ত করা হয়েছে। এগুলো হলো- পেনশন ফান্ড, প্রভিডেন্ট ফান্ড, লিভ সেলারি, বোনাস ও অন্যান্য গ্র্যাচুইটি এবং অবসর সুবিধা।’

বৈধ পথে দেশে রেমিট্যান্স প্রবাহ বাড়াতে নগদ সহায়তায় আওতা বাড়িয়েছে সরকার। এখন থেকে বিদেশি সংস্থায় কাজ করেছেন এমন ব্যক্তিদের ওইসব প্রতিষ্ঠান থেকে প্রাপ্ত পেনশন ফান্ড, প্রভিডেন্ট ফান্ড, লিভ সেলারি, বোনাস ও অন্যান্য গ্র্যাচুইটি এবং অবসর সুবিধার অর্থ রেমিট্যান্স হিসেবে আড়াই শতাংশ নগদ সহায়তা পাবেন।

বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রা নীতি বিভাগ বৃহস্পতিবার এ সংক্রান্ত একটি নির্দেশনা জারি করেছে। এই নির্দেশনা দেশের সব তফসিলি ব্যাংকের প্রধান নির্বাহী ও ব্যবস্থাপনা পরিচালকদের কাছে পাঠানো হয়েছে।

সার্কুলারে বলা হয়, ‘সরকারি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী প্রবাসীদের কষ্টার্জিত বৈদেশিক আয় বৈধ উপায়ে দেশে আনাকে উৎসাহিত করতে বিদ্যমান হারে রেমিট্যান্স প্রণোদনা বা নগদ সহায়তা দেয়ার জন্য কয়েকটি খাত যুক্ত করা হয়েছে। এগুলো হলো- পেনশন ফান্ড, প্রভিডেন্ট ফান্ড, লিভ সেলারি, বোনাস ও অন্যান্য গ্র্যাচুইটি এবং অবসর সুবিধা।

‘রেমিট্যান্সের অর্থের আয়ের উৎস সম্পর্কে নিশ্চিত হতে হবে এবং আহরণের সঙ্গে সঙ্গে আবশ্যিকভাবে তা টাকায় রূপান্তর করতে হবে।’

নির্দেশনাটি সার্কুলার জারির তারিখ থেকে কার্যকর হবে। রেমিট্যান্স পাঠানোর বিপরীতে প্রণোদনা ও নগদ সহায়তা সংক্রান্ত আগের ইস্যু করা নির্দেশনা অপরিবর্তিত থাকবে বলে সার্কুলারে উল্লেখ করা হয়েছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ২০২১-২২ অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে (জুলাই-ডিসেম্বর) রেমিট্যান্স এসেছে এক হাজার ২৩ কোটি ডলার। গত অর্থবছরের একই সময়ে তা ছিল এক হাজার ২৯৪ কোটি ডলার। সে হিসাবে চলতি অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে রেমিট্যান্স কমেছে ২৭০ কোটি ডলার।

আরও পড়ুন:
পরীক্ষামূলক ফাইভ-জি কি ডিসেম্বরে সম্ভব

শেয়ার করুন

ডিসিরাই জানেন দুর্নীতি কোথায় হয়: দুদক চেয়ারম্যান

ডিসিরাই জানেন দুর্নীতি কোথায় হয়: দুদক চেয়ারম্যান

দুদক চেয়ারম্যান মোহাম্মদ মঈনউদ্দীন আবদুল্লাহ (ডায়াসে ডানে)। ফাইল ছবি

দুদক চেয়ারম্যান বলেন, ‘দুদকের অন্যতম একটি কাজ হলো সচেতনতা বৃদ্ধি; দুর্নীতি যেন না হয়। দুর্নীতি থেকে যেন মানুষ দূরে থাকে, এটাও কিন্তু দুদকের অন্যতম কাজ। এ জন্য আমরা ডিসিদের অনুরোধ জানিয়েছি। তারা আমাদের সবসময় সাহায্য করেন; আরও যেন সাহায্য করেন।’

দুর্নীতি রোধের পাশাপাশি এ বিষয়ে জনসচেতনতা বাড়াতে জেলা প্রশাসকদের (ডিসি) সহযোগিতা চেয়েছেন দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চেয়ারম্যান মোহাম্মদ মঈনউদ্দীন আবদুল্লাহ।

রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে বৃহস্পতিবার ডিসি সম্মেলনে অংশ নিয়ে তিনি এ সহযোগিতা চান।

দুদক চেয়ারম্যান বলেন, ‘দুদকের অন্যতম একটি কাজ হলো সচেতনতা বৃদ্ধি; দুর্নীতি যেন না হয়। দুর্নীতি থেকে যেন মানুষ দূরে থাকে, এটাও কিন্তু দুদকের অন্যতম কাজ। এ জন্য আমরা ডিসিদের অনুরোধ জানিয়েছি। তারা আমাদের সবসময় সাহায্য করেন; আরও যেন সাহায্য করেন।

‘একজন জেলা প্রশাসক জানেন তার অফিসে কোথায় কোথায় দুর্নীতির সুযোগ আছে। কোন অফিসে কোথায় কোথায় দুর্নীতির সুযোগ আছে, এটা কিন্তু জেলা প্রশাসকরা জানেন। ওই জায়গায় তারা যেন সচেতনতা বৃদ্ধির কাজ করেন।’

তিনি বলেন, ‘আমাদের আরেকটি কাজ হলো গণশুনানি। আপনারা জানেন যে প্রযুক্তির উন্নয়নের সঙ্গে সঙ্গে দুর্নীতির ধরনও পরিবর্তন হয়ে যায়। কোথাও যদি গণশুনানি করা হয়, তাহলে দুর্নীতির নতুন ধরনগুলোও জানা যায়। করোনার কারণে এটি এখন সীমিত আছে।

‘আমরা ডিসিদের বলেছি তারাও যেন গণশুনানি করেন। আমরাও করব। কোথায় নতুন রূপে দুর্নীতি হয় এবং কীভাবে তা বন্ধ করা যায়, সে বিষয়ে তারা যেন সহযোগিতা করেন।’

দুর্নীতির তদন্তের সময় কমিয়ে আনতে উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে বলেও জানান দুদক চেয়ারম্যান।

তিনি বলেন, ‘আমাদের একটি সমস্যা হলো তদন্ত বা অনুসন্ধানে একটু সময় লেগে যায়। এটার কারণে হয়তো অনেকে অভিযোগ থাকলেও সমস্যা হয়। এটা আমাদের একটি সীমাবদ্ধতা। এটা আমরা অ্যাড্রেস করার চেষ্টা করছি। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে যেন আমাদের তদন্তগুলো শেষ হয়, আমরা চেষ্টা করছি।

‘দুর্নীতি এমন একটি জিনিস, প্রমাণ পাওয়াটা খুব কঠিন। অকাট্য প্রমাণ ছাড়া তো আমরা এগোতে পারি না। কারণ এটি না হলে আদালত মামলা গ্রহণ করবে না। যিনি ঘুষ নেন ও যিনি দেন, তারা কেউই তো স্বীকার করে না। এটি কমিয়ে আনতে আমরা চেষ্টা করছি। আমাদের যারা অনুসন্ধান করে তাদেরকেও আমরা জবাবদিহিতার আওতায় আনার চেষ্টা করছি।’

দুদকের আইনজীবীরা মামলার শুনানিতে উপস্থিত থাকেন না এমন অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আমরা জেলার যারা বিজ্ঞ আইনজীবী আছেন, তাদেরকেই নিয়োগ করার চেষ্টা করি। দুদক আইনে আছে আমাদের একটি প্যানেল থাকে। অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি বা অ্যাসিস্ট্যান্ট ডিরেক্টরের বেতনে তো কোনো আইনজীবী আসতে রাজি হবেন না।

‘তারা যদি স্বাধীনভাবে আইন পেশায় থাকে, তাদের আয় অনেক বেশি থাকে। আমার এখানে যদি নিয়ে আসি, তাহলে পঞ্চম গ্রেডের বেতন যদি দেই, সে টাকায় ভালো আইনজীবী আসবে না। আইনজীবী নিয়োগের জন্য যারা প্রতিষ্ঠিত তাদেরই আমরা নিয়োগের চেষ্টা করি। মামলার সময় উপস্থিত থাকে না, এমন ঘটনা অনেক কম।’

আরও পড়ুন:
পরীক্ষামূলক ফাইভ-জি কি ডিসেম্বরে সম্ভব

শেয়ার করুন

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন সংশোধনের ইঙ্গিত

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন সংশোধনের ইঙ্গিত

আইনমন্ত্রী আনিসুল হক। ফাইল ছবি

আনিসুল হক বলেন, ‘ডিজিটাল সিকিউরিটি অ্যাক্ট নিয়ে জাতিসংঘের হিউম্যান রাইটস অফিসের সঙ্গে দুবার আলোচনা করেছি। মানবাধিকার কমিশনকে অবহিত করা হয়েছে যে আমরা আলোচনার জন্য প্রস্তুত।’

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন সংশোধন হতে পারে। জাতিসংঘ মানবাধিকার কমিশনের সঙ্গে আলোচনার উল্লেখ করে আইনমন্ত্রী আনিসুল হক এমন ধারণা দিয়েছেন।

রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে চলমান ডিসি সম্মেলনে বৃহস্পতিবার অংশ নিয়ে আইনমন্ত্রী একথা বলেন।

আনিসুল হক বলেন, ‘ডিজিটাল সিকিউরিটি অ্যাক্ট নিয়ে জাতিসংঘের হিউম্যান রাইটস অফিসের সঙ্গে দুবার আলোচনা করেছি। একটি কমিটি করা হয়েছে। মানবাধিকার কমিশনকে অবহিত করা হয়েছে যে আমরা আলোচনার জন্য প্রস্তুত। তারা যেন দ্রুতই সে আলোচনার তারিখ জানায়। তাদের নির্ধারিত তারিখ অনুযায়ী আমরা আলোচনায় বসতে রাজি আছি।

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন সংশোধন ইস্যুতে আলোচনার জন্য লেজিসলেটিভ বিভাগের সচিবের নেতৃত্বে আইন ও বিচার বিভাগ, আইসিটি, স্বরাষ্ট্র এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধিদের নিয়ে ছয় সদস্যের কমিটি করা হয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে- ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা করার সঙ্গে সঙ্গে এটা যেন মামলা হিসেবে গ্রহণ করা না হয়। আইসিটি অ্যাক্ট অনুযায়ী যেন সেলে পাঠানো হয়।

‘সংবাদ মাধ্যমের কর্মীদের যেন তাৎক্ষণিক গ্রেপ্তার করা না হয়, সে ব্যাপারে পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। আর এমন নির্দেশনার পর এই আইনে সাংবাদিকদের গ্রেপ্তার অনেকাংশে কমে গেছে।’

কমিটির কাজ সম্পর্কে জানতে চাইলে মন্ত্রী বলেন, ‘এই আইন প্রধানত সাইবার অপরাধ নিয়ন্ত্রণের উদ্দেশ্যে করা হয়েছে। বাক-স্বাধীনতা বা সংবাদ মাধ্যমের স্বাধীনতা হরণ করার জন্য করা হয়নি। সেটা যদি করা হতো এটা আইন হিসেবেই গণ্য হতো না।

‘কারণ সংবিধানে মৌলিক অধিকার হিসেবে বাক-স্বাধীনতা এবং গণমাধ্যমের স্বাধীনতাকে রাখা হয়েছে। আমরা একটু আগে এমন আইন করেছি। তবে ইতোমধ্যে অনেক দেশেই করা হয়েছে এবং অনেক দেশ এই আইন করা আবশ্যক মনে করছে।’

আনিসুল হক বলেন, ‘এই আইন যখন বাস্তবায়ন করা হয় সেখানে কিছু মিসইউজ ও কিছু অ্যাবিউস হয়েছে। এগুলো যাতে না হয় সে জন্য জাতিসংঘের হিউম্যান রাইটস অফিসের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা করে সারা পৃথিবীর বেস্ট প্র্যাকটিসগুলো নির্ণয় করে তা থেকে আমাদের দেশের জন্য প্রয়োজনীয় অংশটুকু হয়ত আমরা বিধি দিয়ে গ্রহণ করব। প্রয়োজন হলে আইনের বিধিবিধান কিছুটা সংশোধনও করা হবে।’

নির্বাচন কমিশন গঠনে সংসদের চলমান অধিবেশনে আইন পাসের চেষ্টা করা হবে বলেও জানান মন্ত্রী।

ভূমির নিবন্ধন প্রক্রিয়া ভূমি মন্ত্রণালয়ের অধীনে দেয়া সংক্রান্ত এক প্রশ্নে আইনমন্ত্রী বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী এ বিষয়ে অনুশাসন দিয়েছেন, এটা আইন মন্ত্রণালয়ের অধীনে থাকবে। প্রধানমন্ত্রী যেখানে অনুশাসন দিয়েছেন সেখানে আলোচনার কোনো অবকাশ থাকতে পাবে না।’

‌এক প্রশ্নের জবাবে আইনমন্ত্রী বলেন, ‘ভ্রাম্যমাণ আদালত নিয়ে আলোচনার বিষয়ে কোনো নির্দেশনা দেইনি। কারণ আমি বিচারাধীন বিষয় নিয়ে কথা বলি না। আমি ডিসিদের বলেছি- বিষয়টি বিচারাধীন। যখন রিভিউ হবে তখন চেষ্টা থাকবে এর ক্রটি-বিচ্যুতিগুলো সমাধান করার। যে রায় দেয়া হয়েছে সেটি স্থগিত আছে। আমি তাদের এটা জানিয়েছি।

‘দণ্ডবিধির ২২৮ ধারা মোবাইল কোর্ট আইনের তফসিলে যুক্ত করতে ডিসিদের দাবির বিষয়ে তিনি বলেন, ‘সিআরপিসি অনুযায়ী সামারি ট্রায়াল ও পাশাপাশি বেইলেবল। সেটা মোবাইল কোর্টে স্থানান্তর করতে অসুবিধা হওয়ার কথা না। তবু আমি এটি পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত দেব।’

আরও পড়ুন:
পরীক্ষামূলক ফাইভ-জি কি ডিসেম্বরে সম্ভব

শেয়ার করুন

মসজিদে নামাজ পড়া নিয়ে নতুন নির্দেশনা নেই

মসজিদে নামাজ পড়া নিয়ে নতুন নির্দেশনা নেই

বায়তুল মোকাররম মসজিদে নামাজের একটি মুহূর্ত। ছবি: পিয়াস বিশ্বাস

মসজিদে নামাজ পড়ার বিষয়ে ধর্ম প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘এর আগে যে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে, সেটা এখনও বলবৎ আছে। আমরা বলেছি স্বাস্থ্যবিধি মেনে নামাজ পড়ার জন্য।’

করোনাভাইরাস সংক্রমণ হারের ঊর্ধ্বগতির মধ্যে মসজিদে নামাজ পড়ার বিষয়ে নতুন করে কোনো নির্দেশনা নেই বলে জানিয়েছেন ধর্মবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ফরিদুল হক খান।

রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে বৃহস্পতিবার ডিসি সম্মেলনে অংশ নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

ধর্ম প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘এর আগে যে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে, সেটা এখনও বলবৎ আছে। আমরা বলেছি স্বাস্থ্যবিধি মেনে নামাজ পড়ার জন্য।

‘আগে বলা হয়েছিল ২০ জন মসজিদে নামাজ পড়তে পারবে। এমন একটা নিয়ম চালু করা হয়েছিল। আমরা বুঝতে পেরেছি, সেটা ঠিক নয়। বায়তুল মোকাররমে ৩৫ হাজার মানুষ নামাজ পড়তে পারে। সেখানে যদি ১০ হাজার মানুষ নামাজ পড়ে, তবে তো আইনের ব্যত্যয় ঘটবে বলে মনে হয় না। হয়তো ছোট ছোট মসজিদগুলোকে যেখানে ৪০-৫০ জন নামাজ পড়তে পারে, সেটা লক্ষ্য করে ওই নির্দেশনা দেয়া হয়েছিল।’

জেলা প্রশাসকদের কী নির্দেশনা দেয়া হয়েছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আমরা যেসব নির্দেশনা দিয়েছি, সেগুলোর মধ্যে রয়েছে ধর্মীয় সম্প্রীতি ও শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান নিশ্চিত করুন। মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্র নির্মাণকাজের তদারকি ও সংশ্লিষ্ট কাজের ভূমির জটিলতা নিরসনে বিশেষভাবে সচেষ্ট হওয়ার জন্য বলা হয়েছে। মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্র পরিচালনা করতে হবে।’

সরকারি ব্যবস্থাপনায় হজে যাওয়ার বিষয়ে মাঠ পর্যায়ে জনসচেতনতা বাড়াতে ডিসিদের নির্দেশনা দেয়া হয়েছে বলেও জানান প্রতিমন্ত্রী।

তিনি বলেন, ‘ওয়াকফ সম্পত্তি ব্যবস্থাপনা তালিকাভুক্ত করাসহ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে আরও সক্রিয় ভূমিকা রাখতে হবে। মসজিদ, মন্দির ও প্যাগোডাভিত্তিক প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষা কার্যক্রম তদারকি করতে হবে।

‘জেলা পর্যায়ে চাঁদ দেখার বিষয়ে আরও যত্নবান ও দায়িত্বশীল হতে হবে। সারা দেশে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের মন্দির সংস্কারের কাজ তদারকি করতে হবে। কোভিড-১৯ নিয়ন্ত্রণে সময়ে সময়ে সরকারের জারি করা নির্দেশনাবলী সকল উপাসনালয়ে প্রচারের ব্যবস্থা করতে হবে।’

তাবলিগ জামাতের বিশ্ব ইজতেমায় অংশগ্রহণকারীদের কাছ থেকে কোনো চার্জ আরোপের চিন্তা সরকারের আছে কি না জানতে চাইলে ধর্ম প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘এমন কোনো পরিকল্পনা হাতে নেই। সারা বিশ্ববাসী যখন বিশ্ব ইজতেমায় আসে, আল্লাহতায়ালা ইজতেমাকে কবুল করে নিয়েছেন।

‘কোনো অর্থ আরোপ করা সমীচীন হবে না বলে আমি ব্যক্তিগতভাবে মনে করি। আমি মনে করি এটা এ দেশের জন্য আল্লাহর বরকত।’

আরও পড়ুন:
পরীক্ষামূলক ফাইভ-জি কি ডিসেম্বরে সম্ভব

শেয়ার করুন

সিঙ্গেল ডোজের জনসনের টিকা ঢাকায়

সিঙ্গেল ডোজের জনসনের টিকা ঢাকায়

স্বাস্থ্য অধিদপ্তররের টিকা কমিটির সদস্য সচিব ডা. শামসুল হক বলেন, ‘আজ সকালে একটি বিশেষ ফ্লাইটে দেশে প্রথমবারের মতো জনসনের ৩ লাখ ৩৬ হাজার ডোজ করোনা টিকা এসেছে। যুক্তরাষ্ট্র থেকে এই টিকা এসেছে কোভ্যাক্সের মাধ্যমে। অন্যান্য টিকা করোনা প্রতিরোধে দুই ডোজ দেয়ার প্রয়োজন হলেও এই টিকা এক ডোজ দিতে হয়।’

প্রথমবারের মতো জনসন অ্যান্ড জনসনের সিঙ্গেল ডোজের ৩ লাখ ৩৬ হাজার টিকা দেশে এসেছে। কোভ্যাক্সের আওতায় যুক্তরাষ্ট্র এই টিকা দিয়েছে বাংলাদেশকে। বৃহস্পতিবার সকালে একটি বিশেষ ফ্লাইটে ঢাকায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এই টিকার চালান এসে পৌঁছেছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের টিকা কমিটির সদস্য সচিব ডা. শামসুল হক বৃহস্পতিবার দুপুরে নিউজবাংলাকে এসব তথ্য জানান। এর আগে বৃহস্পতিবার যুক্তরাষ্ট্রের সরকারি সাহায্য সংস্থা ইউএসএইড তাদের ভেরিফায়েড ফেসবুকে জনসনের এই টিকা পাঠানোর উল্লেখ করে একটি পোস্ট দেয়।

ডা. শামসুল হক বলেন, ‘আজ সকালে একটি বিশেষ ফ্লাইটে দেশে প্রথমবারের মতো জনসনের ৩ লাখ ৩৬ হাজার ডোজ করোনা টিকা এসেছে। যুক্তরাষ্ট্র থেকে এই টিকা এসেছে কোভ্যাক্সের মাধ্যমে। ‘এই টিকা সংরক্ষণ ও পরিবহন অনেকটা সহজ। তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ নিয়ে তেমন জটিলতা নেই। অন্যান্য টিকা করোনা প্রতিরোধে দুই ডোজ দেয়ার প্রয়োজন হলেও এই টিকা মাত্র এক ডোজ দিতে হয়।’

আরও পড়ুন:
পরীক্ষামূলক ফাইভ-জি কি ডিসেম্বরে সম্ভব

শেয়ার করুন

নিয়োগ পরীক্ষায় দুর্নীতি, জীবন বিমার এমডির বিরুদ্ধে দুদকের মামলা

নিয়োগ পরীক্ষায় দুর্নীতি, জীবন বিমার এমডির বিরুদ্ধে দুদকের মামলা

দুদক সচিব মোহাম্মদ মাহবুব হোসেন সাংবাদিকদের বলেন, জীবন বিমা করপোরেশনের নিয়োগ পরীক্ষায় দুর্নীতি ও অসৎ উদ্দেশ্যে নিজেদের মতো করে প্রশ্নপত্র পরিবর্তনের প্রমাণ পেয়েছে দুদক। তাই এই মামলার অনুমোদন দেয়া হয়েছে।

নিয়োগ পরীক্ষায় অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগে জীবন বিমা করপোরেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) জহুরুল হক এবং সহকারী জেনারেল ম্যানেজার মো. মাহবুবুল আলমের বিরুদ্ধে মামলার অনুমোদন দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

দুদকের সমন্বিত কার্যালয় ঢাকা-১-এ বৃহস্পতিবার মামলাটি হয়েছে বলে সাংবাদিকদের জানিয়েছেন দুদক সচিব মোহাম্মদ মাহবুব হোসেন।

তিনি বলেন, জীবন বিমা করপোরেশনের নিয়োগ পরীক্ষায় দুর্নীতি ও অসৎ উদ্দেশ্যে নিজেদের মতো করে প্রশ্নপত্র পরিবর্তনের প্রমাণ পেয়েছে দুদক। ফলে তাদের বিরুদ্ধে মামলার অনুমোদন দেয়া হয়েছে।

এই মামলার তদন্তের দায়িত্বে আছেন দুদকের সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ নুর আলম সিদ্দিকী।

দুদকের অনুসন্ধানী টিম এ বিষয়ে আরও তদন্ত করে এই অনিয়মের সঙ্গে অন্য কারও সম্পৃক্ততার অভিযোগ পেলে তাদের বিরুদ্ধেও আইনানুগ ব্যবস্থা নেবে বলে জানান দুদক সচিব। তিনি বলেন, ভবিষ্যতেও অন্যান্য নিয়োগের পরীক্ষায় অনিয়ম ও দুর্নীতির বিষয়েও দুদক তদন্ত করবে।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, ২০২১ সালের সেপ্টেম্বরে অনুষ্ঠিত উচ্চমান সহকারী, অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক ও অফিস সহায়ক পদে নিয়োগ পরীক্ষায় জাল-জালিয়াতি, বিভিন্ন অনিয়ম ও প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগের প্রমাণ পেয়েছে দুদক।

এতে জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়ায় জীবন বিমা করপোরেশনের এমডি (অতিরিক্ত সচিব) মো. জহুরুল হক ও সহকারী জেনারেল ম্যানেজার (প্রশাসন) মো. মাহবুবুল আলমকে আসামি করা হয়েছে।

মামলায় বলা হয়, প্রতিষ্ঠানটিতে উচ্চমান সহকারী, অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক এবং অফিস সহায়ক পদে নিয়োগ পরীক্ষায় অভিনব পন্থায় নিজেদের মতো করে প্রশ্ন প্রস্তুত এবং তার উত্তর সাজিয়ে তা ছাপানোর ব্যবস্থা করেন আসামিরা। পরবর্তী সময়ে তা চাকরি প্রার্থীদের সরবরাহ করেন।

এভাবে পরীক্ষা নিয়ে পরস্পর যোগসাজশে আসামিরা তাদের ওপর অর্পিত সরকারি ক্ষমতার অপব্যবহার করেছেন বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে। বলা হয়েছে, এর মাধ্যমে বিশ্বাসভঙ্গের মাধ্যমে নিজেদের পছন্দের লোকদের নিয়োগ দিতে প্রশ্নের উত্তরের ধারাবাহিক ক্রমবিন্যাস পরিবর্তন করে শাস্তিযোগ্য অপরাধ করেছেন।

আর এই অপরাধের দায়ে আসামি দুজনের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৪০৯/১০৯ ধারা এবং ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারায় কমিশন কর্তৃক একটি মামলা করার অনুমোদন দেয়া হয়েছে বলে জানান দুদক সচিব।

আরও পড়ুন:
পরীক্ষামূলক ফাইভ-জি কি ডিসেম্বরে সম্ভব

শেয়ার করুন