ভোটে সহিংসতা চলছেই

player
ভোটে সহিংসতা চলছেই

ভোট শেষে রাজবাড়ীর একটি কেন্দ্রে চলছে গণনা। ছবি: নিউজবাংলা

আগের তিনটি ধাপে প্রাণহানির ঘটনা ঘটলেও এবার সে খবর পাওয়া যায়নি। নির্বাচন কমিশন বলছে, ভোট সুষ্ঠু হয়েছে এবং আনন্দমুখর পরিবেশে মানুষ ভোট দিয়েছে। প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ায় মাত্র ২৯ জন আহত হয়েছেন।

হামলা, সংঘর্ষ, ভোট বর্জন, ব্যালট ছিনতাই, ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়াসহ বেশ কিছু বিচ্ছিন্ন ঘটনার মধ্য দিয়ে চতুর্থ ধাপের ইউপি নির্বাচনের ভোট শেষ হয়েছে। তবে এবার ভোট চলাকালে প্রাণহানির কোনো খবর পাওয়া যায়নি।

নির্বাচন কমিশন বলছে, ভোট সুষ্ঠু হয়েছে এবং আনন্দমুখর পরিবেশে মানুষ ভোট দিয়েছে। ভোট চলাকালে প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ায় ২৯ জন আহত হয়েছেন। এ সময় আটক হয়েছেন ৬৩ জন। পাঁচজনকে শাস্তি দিয়েছেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট।

এর আগের ধাপগুলোর মধ্যে বেশি প্রাণহানি ঘটে দ্বিতীয় ধাপে। নিউজবাংলার হিসাবে এই ধাপের ভোটের আগে-পরে অন্তত ১৬ জন নিহত হন। এর মধ্যে শুধু নরসিংদীতেই মৃত্যু হয়েছিল সাতজনের। এ ছাড়া তৃতীয় ধাপের নির্বাচনে সহিংসতায় প্রাণ হারান ১০ জন।

সহিংসতার শঙ্কা নিয়ে পৌষের শীতের মধ্যে রোববার সকাল ৮টা থেকে শুরু হয় চতুর্থ ধাপের ভোট। বিরতিহীনভাবে ভোট নেয়া হয় বিকেল ৪টা পর্যন্ত। এরপর কেন্দ্রে কেন্দ্রে শুরু হয় গণনা।

ভোট শুরুর আগে বিভিন্ন উপজেলায় কেন্দ্রে কেন্দ্রে ভোটারদের সারি দেখা গেছে। নারী ভোটারদেরও উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। আত্মীয়স্বজনের সহায়তায় কেন্দ্রে এসে ভোট দিতে দেখা গেছে অনেক বয়স্ক মানুষকে।

ভোটে সহিংসতা চলছেই
কুমিল্লার একটি কেন্দ্রে নারী ভোটারদের ব্যাপক উপস্থিতি দেখা যায়। ছবি: নিউজবাংলা

ভোট শেষের সোয়া ১ ঘণ্টা আগে মাদারীপুরের একটি কেন্দ্রে হামলার শিকার হয়েছেন ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানী।

ছুরির আঘাতে তার ডান হাতের তিনটি আঙুল কাটা পড়েছে। এর মধ্যে সেলাই পড়েছে দুটিতে। তাকে রাজৈর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।

প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয়রা জানান, ইউপি নির্বাচনে ইশিবপুর ইউনিয়নে স্বতন্ত্র প্রার্থী গোলাম রব্বানীর মামা সালাহ উদ্দিন আহমেদ চেয়ারম্যান পদে লড়ছেন। মামার পক্ষে বেশ কিছুদিন তিনি প্রচার চালিয়েছেন।

ভোট কারচুপিরর অভিযোগ শুনে বেলা পৌনে ৩টার দিকে ৭ নম্বর ওয়ার্ডের গাংকান্দি সরকারি বিদ্যালয় কেন্দ্রে যান রাব্বানী। এ সময় প্রতিপক্ষ মোশারফ মোল্লার ছেলে সোহেল মোল্লা তার ওপর চড়াও হন।

একপর্যায়ে তাকে ছুরি দিয়ে কোপ দেয়া হয়। হামলা ঠেকাতে গিয়ে তার ডান হাতের দুটি আঙুল কেটে যায়। পরে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে।

গোলাম রাব্বানী সাংবাদিকদের বলেন, ‘নির্বাচনে মোশারফ মোল্লার লোকজন প্রকাশ্যে ভোট কেটে নেয়ার চেষ্টা করছিল। পরে আমিসহ কিছু লোক গিয়ে বিষয়টি জানার চেষ্টা করলে আমাকে অস্ত্র দিয়ে কোপ দেয়া হয়। আমি থানায় অভিযোগ করব।’

ভোটে সহিংসতা চলছেই
হামলায় আহত ছাত্রলীগের সাবেক সম্পাদককে মাদারীপুরের একটি হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। ছবি: নিউজবাংলা

এ বিষয়ে রাজৈর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শেখ মো. সাদিক নিউজবাংলাকে বলেন, ‘নির্বাচনে বিচ্ছিন্ন কিছু ঘটনা ঘটতে পারে। অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

কারচুপির অভিযোগ এনে চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলার হাবিলাসদ্বীপ ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন বর্জন করেছেন স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী শফিকুল ইসলাম।

নিউজবাংলাকে তিনি বলেন, ​‘নির্বাচনের আগের দিন পুলিশ নানা অজুহাতে আমার বাসায় অভিযান চালিয়েছে, আমার কর্মীদের গ্রেপ্তার করেছে। কোনো কেন্দ্রে আমার এজেন্ট বসতে দেয়া হয়নি। এমনকি আমি নিজের ভোটও দিতে পারিনি। তাই নির্বাচন বর্জন করছি।’

তবে হুলাইন ছালেহ নূর কলেজের প্রিসাইডিং কর্মকর্তা মো. সোহেল বলেন, ‘এজেন্ট বের করে দেয়ার কোনো অভিযোগ আমি পাইনি, এখনও স্বতন্ত্র প্রার্থীর একজন নারী এজেন্ট কেন্দ্রে আছেন।’

মেম্বার প্রার্থীর গুলিতে ফেনীর একটি কেন্দ্রের বাইরে ১১ জন গুলিবিদ্ধ হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। তাদের মধ্যে শিশু ও নারী রয়েছেন।

সোনাগাজীর দক্ষিণ চরচান্দিয়া হোসাইনিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রের ওই ঘটনায় গুলিবিদ্ধ ছয়জনকে স্থানীয় হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।

স্থানীয়রা জানান, মেম্বার প্রার্থী ওমর ফারুক সজিবের লোকজন রোববার দুপুরে ওই কেন্দ্র দখল করতে চাইলে প্রতিদ্বন্দ্বী কয়েকজন মেম্বার প্রার্থী তাকে বাধা দেন। তখন গুলি করেন তার অনুসারীরা। এতে অন্তত ১১ জন গুলিবিদ্ধ হন।

তবে এই অভিযোগ নাকচ করেছেন ওমর ফারুক সজিব। তার দাবি, এ ঘটনায় তিনি বা তার কোনো কর্মী জড়িত নন। অপপ্রচার চালানো হচ্ছে।

আচরণবিধি লঙ্ঘনের দায়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া ও বিজয়নগর উপজেলায় দুই পোলিং এজেন্টকে কারাদণ্ড দিয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। বরখাস্ত করা হয়েছে একজন প্রিসাইডিং কর্মকর্তাকে।

দণ্ড পাওয়া পোলিং এজেন্টরা হলেন আখাউড়া উপজেলার মনিয়ন্দ গ্রামের বাসিন্দা হাবিবুল বাশার ও বিজয়নগর উপজেলার পত্তন ইউনিয়নের আদমপুর গ্রামের মহসিন মিয়া। হাবিবুলকে ছয় মাসের এবং মহসিনকে তিন মাসের কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে।

ভোটে সহিংসতা চলছেই
আচরণবিধি ভঙ্গের দায়ে দুজনকে দণ্ড দিয়েছে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ভ্রাম্যামাণ আদালত। ছবি: নিউজবাংলা

ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা গেছে, আখাউড়ার মনিয়ন্দ ইউনিয়নের উত্তর সরকারি বিদ্যালয় কেন্দ্রে ঘোড়া মার্কা প্রতীকের চেয়ারম্যান প্রার্থী লুৎফুর রহমানের পোলিং এজেন্ট হাবিবুল বাশারকে তল্লাশি করেন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা। এ সময় তার কাছ থেকে দুটি মোবাইল ফোন ও ১৭ হাজার টাকার একটি খাম পাওয়া যায়।

খামের ওপর লেখা নম্বরটি ভোটকেন্দ্রেটির একজন সহকারী প্রিসাইডিং কর্মকর্তার বলে নিশ্চিত হন পুলিশের সদস্যরা।

আখাউড়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাইফুল ইসলাম নির্বাচনি আচরণবিধি ভঙ্গের অভিযোগে পোলিং এজেন্ট হাবিবুলকে ছয় মাসের কারাদণ্ড ও সহকারী প্রিসাইডিং কর্মকর্তা অলোক কুমারকে সঙ্গে সঙ্গে বরখাস্ত করেন।

বিজয়নগর উপজেলার পত্তন ইউনিয়নের আদমপুর সরকারি বিদ্যালয় কেন্দ্রে পোলিং এজেন্ট মহসিনকে আটক করেন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা। এ সময় মহসিনের কাছ থেকে একটি মুঠোফোন এবং ৩৪ হাজার টাকা উদ্ধার করে পুলিশ।

ওই কেন্দ্রে ভ্রাম্যমাণ আদালতের দায়িত্বে থাকা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও নবীনগর উপজেলা কর্মকর্তা (ইউএনও) একরামুল সিদ্দিক নির্বাচনী আচরণবিধি ভঙ্গের দায়ে মহসিনকে তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেন।

এ ছাড়া বিজয়নগরে দুই ইউপি সদস্যের সমর্থকদের সংঘর্ষের সময় একজনকে কুপিয়ে জখম করার খবর পাওয়া গেছে।

জামাল নামে ওই ব্যক্তিকে প্রথমে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স হাসপাতালে নেয়া হয়। সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে নেয়া হয়েছে।

জাল ভোট দেয়াকে কেন্দ্র করে উপজেলার চম্পকনগর ইউনিয়নের খোদহাড়িয়া প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে এ ঘটনা ঘটে।

বিজয়নগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি-তদন্ত) ফয়সাল আহমেদ নিউজবাংলাকে বলেন, এ ঘটনায় তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

টাঙ্গাইলের ভূঞাপু‌রে ১০৫ নম্বর বঙ্গবন্ধু পূর্ব পুনর্বাসন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে ভোটারদের প্রকাশ্যে নৌকায় ভোট দিতে বাধ্য করার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

ভোটে সহিংসতা চলছেই
১০৫ নম্বর বঙ্গবন্ধু পূর্ব পুনর্বাসন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রের চিত্র এটি। ছবি: নিউজবাংলা

ভোটাররা বলছেন, প্রভাবশালী প্রার্থীদের এজেন্টদের ইশারায় প্রকাশ্যে সিল মারতে বাধ্য করা হচ্ছে। অন্যথায় তারা হুমকি-ধমকি দিচ্ছে।

অভিযোগ রয়েছে, বিষয়টি প্রিসাইডিং কর্মকর্তাকে বারবার জানানো হলেও কোনো কাজ হয়নি।

জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা এ এইচ এম কামরুল হাসান বলেন, ‘অভিযোগ পেয়ে কেন্দ্রে ম্যাজিস্ট্রেট পাঠানো হয়। বের করে দেয়া হয় অভিযুক্তদের।’

ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলায় কেন্দ্র থেকে বিপুল পরিমাণ টাকাসহ এক নৌকার এজেন্টকে আটক করা হয়েছে।

উপজেলার পক্ষিয়া ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ড কেন্দ্র থেকে তাকে আটক করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রায়হানুল ইসলাম।

এ সময় তার কাছ থেকে ৩৭ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়। আটকের নাম মো. সবুজ। তার বাড়ি কেন্দ্র এলাকায়।

নোয়াখালী সদর উপজেলার এওজবালিয়া ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে মধ্য চরশুল্লুকিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে জাল ভোট দেয়ার অভিযোগে সেলিনা আক্তার নামে এক নারীকে আটক করা হয়েছে।

আটক সেলিনা আক্তারের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলায়।

রাজশাহীর চারঘাট ও বাঘার তিন ইউনিয়নে ভোট শুরুর কিছুক্ষণের মধ্যেই ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে আহত হয়েছেন অন্তত ১৫ জন। তাদের মধ্যে একজনকে কুপিয়ে জখম করা হয়েছে।

দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে লালমনিরহাট হাতীবান্ধার গড্ডীমারী ইউনিয়নে এক প্রিসাইডিং কর্মকর্তাকে প্রত্যাহার করেছেন জেলা প্রশাসক।

প্রত্যাহার হওয়া মো. দেলোয়ার হোসেন মধ্য গড্ডীমারী লুৎফর রহমান সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রের দায়িত্বে ছিলেন।

চুয়াডাঙ্গার সদর উপজেলায় নৌকার প্রার্থীর কর্মীদের বিরুদ্ধে স্বতন্ত্র প্রার্থীর দুই কর্মীকে ছুরিকাঘাতের অভিযোগ উঠেছে।

ভোটে সহিংসতা চলছেই
ছুরিকাঘাতে আহতদের চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ছবি: নিউজবাংলা

আলুকদিয়া ইউনিয়নের জোড়াঘাটা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রের সামনে এ ঘটনা ঘটে।

আহতদের উদ্ধার করে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে নেয়া হয়েছে। আহতরা হলেন জোড়াঘাটা গ্রামের দুই ভাই রাজু আহমেদ ও রাসেল আহমেদ।

সদর হাসপাতালের চিকিৎসক ওয়াহেদ মাহমুদ রবিন জানান, ‘আহত দুজনের শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। তবে তারা শঙ্কামুক্ত।’

ময়মনসিংহে গৌরীপুরে একটি ইউনিয়নে ভোটগ্রহণের মধ্যেই হট্টগোল আর ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে।

উপজেলার ৫ নম্বর সহনাটি ইউনিয়নের ভালুকাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে রোববার বেলা ১টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

ভোটাররা জানিয়েছেন, কেন্দ্রটিতে হট্টগোল আর চরম বিশৃঙ্খলার মধ্যেই ভোট নেয়া হচ্ছিল। একপর্যায়ে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনাও ঘটে।

ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার ২ নম্বর আখানগর ইউনিয়নে ব্যালট ছিনতাইয়ের সময় বাবা-মেয়েকে আটক করার কথা জানিয়েছে পুলিশ।

ইউনিয়নের ঝাড়গাঁও রহমানিয়া দাখিল মাদ্রাসা কেন্দ্রে এ ঘটনা ঘটে। তাদের আটকের পর উত্তেজনা সৃষ্টি হলে পুলিশ ১৫ রাউন্ড ফাঁকা গুলি ছোড়ে। সেই গুলিতে একজন আহত হয়েছেন।

আটক দুজন হলেন ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক কাবুল ও তার মেয়ে কামরুন নাহার। তারা কোন প্রার্থীর জন্য ব্যালট ছিনতাই করতে যান, তা অবশ্য জানাতে পারেনি পুলিশ।

ভোটগ্রহণ শেষে আগারগাঁওয়ের নির্বাচন কমিশন ভবনে সংবাদ সম্মেলনে নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিব হুমায়ুন কবীর খোন্দকার বলেন, ‘নির্বাচন প্রিসাইডিং কর্মকর্তার নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাওয়ায় ১৫টি কেন্দ্রের ভোট স্থগিত হয়েছে। আমাদের মোট ভোটকেন্দ্র ছিল ৯ হাজার ২২৪টি। সেই হিসাবে ভোটকেন্দ্রের তুলনায় স্থগিত ভোটকেন্দ্রের হার শূন্য দশমিক ১৬ শতাংশ।’

তিনি বলেন, ‘আমরা বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে খবর নিয়েছি। সব মিলিয়ে এ নির্বাচন সুষ্ঠু হয়েছে। আনন্দমুখর পরিবেশে ভোট হয়েছে, জনগণের সম্পৃক্ততা ছিল। তাই ভোটারদের উপস্থিতি আমরা ৭০ শতাংশের বেশি আশা করছি।’

আরও পড়ুন:
‘ব্যালট ছিনতাইয়ের’ সময় বাবা-মেয়ে আটক
পাশের ইউপিতে ভোট দেখতে যাওয়া চেয়ারম্যানকে ধাওয়া
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় কেন্দ্রে একজনকে কুপিয়ে জখম
ককটেল হামলা-সংঘর্ষে ৩ কেন্দ্রে ভোট বন্ধ
ছাত্রলীগের সাবেক সম্পাদক রাব্বানীকে কুপিয়ে জখম

শেয়ার করুন

মন্তব্য

মেয়েকে গুম, বাবার যাবজ্জীবন

মেয়েকে গুম, বাবার যাবজ্জীবন

আদালত প্রাঙ্গণে যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত লুৎফর রহমান।

মামলা সূত্রে জানা যায়, পীরগাছা উপজেলার মকরমপুর গ্রামের লুৎফর রহমানের মেয়ে রাবেয়া খাতুন ভালোবেসে বিয়ে করেন একই এলাকার আব্দুর রশীদ নামে এক যুবককে। এই বিয়ে কেন্দ্র করেই শুরু হয় দুই পরিবারের মধ্যে শত্রুতা।

নিজের মেয়েকে অপহরণ ও গুমের মামলায় বাবা লুৎফর রহমানকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও ৫ লাখ টাকা জরিমানা করেছে রংপুরের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আদালত-২।

বুধবার ওই আদালতের বিচারক মো. রোকনুজ্জামান রায়টি ঘোষণা করেন।

মামলা সূত্রে জানা যায়, পীরগাছা উপজেলার মকরমপুর গ্রামের লুৎফর রহমানের মেয়ে রাবেয়া খাতুন ভালোবেসে বিয়ে করেন একই এলাকার আব্দুর রশীদ নামে এক যুবককে।

এ নিয়ে রাবেয়ার পরিবারের সঙ্গে শ্বশুরবাড়ির লোকজনের বিরোধ দেখা দেয়। একপর্যায়ে রাবেয়ার ভাশুর হোসেন আলী হত্যার শিকার হন।

এ ঘটনায় রাবেয়ার বাবাসহ তার পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা হয়। মামলায় লুৎফর রহমানসহ অন্য আসামিরা নিম্ন আদালতে খালাস পান।

কিন্তু হত্যাকাণ্ডের একমাত্র চাক্ষুস সাক্ষী ছিলেন ৩৫ বছরের রাবেয়া খাতুন। এ ঘটনার পর রাবেয়া খাতুন অনেকবার তার বাবা লুৎফর রহমানকে হুমকি দেন, তিনি বিষয়টি উচ্চ আদালতে সাক্ষ্য দেবেন।

এর জের ধরে নিজের মেয়েকেই হত্যার পরিকল্পনা করেন লুৎফর রহমান।

২০০৩ সালের ২০ এপ্রিল মেয়ে রাবেয়াকে ঢাকায় নিয়ে যাওয়ার জন্য পীরগাছা চৌধুরানী বাজারে ঢাকা বাসস্ট্যান্ডে নিয়ে যান লুৎফর। সেখানে তার বেশ কয়েকজন সহযোগীও ছিলেন। কিন্তু রাবেয়া বিষয়টি বুঝতে পেরে চিৎকার শুরু করলে লুৎফর তাকে আবারও বাড়িতে নিয়ে যান।

একই বছরের ২৭ মে থেকে রাবেয়া নিখোঁজ হন। পরে তার ছেলে রাঙ্গা মিয়া পীরগাছা থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন। সেটি আদালতে পাঠায় পুলিশ। আদালত সাধারণ ডায়েরিটিকে তদন্ত করে এজাহার হিসেবে রেকর্ড করার নির্দেশ দেন।

পরে পুলিশ তদন্ত শেষে লুৎফর রহমানসহ ১০ আসামির বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দেন। এর মধ্যে এক আসামি মারা যান। মামলায় ১৪ সাক্ষীর সাক্ষ্য ও জেরা শেষে আসামি লুৎফর রহমানকে দোষি সাব্যস্ত করে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও ৫ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। অন্য আসামিদের খালাস দেয় আদালত।

সরকারপক্ষের আইনজীবী নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আদালত-২-এর বিশেষ পিপি জাহাঙ্গীর হোসেন তুহিন বলেন, দীর্ঘদিন পর চাঞ্চল্যকর একটি মামলার রায় হয়েছে। রায়ে প্রধান অভিযুক্ত সাজা পেলেও অন্য আসামিরা খালাস পেয়েছেন।

বাদীর সঙ্গে আলোচনাসাপেক্ষে রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপিল করা হবে বলে জানান তিনি।

আরও পড়ুন:
‘ব্যালট ছিনতাইয়ের’ সময় বাবা-মেয়ে আটক
পাশের ইউপিতে ভোট দেখতে যাওয়া চেয়ারম্যানকে ধাওয়া
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় কেন্দ্রে একজনকে কুপিয়ে জখম
ককটেল হামলা-সংঘর্ষে ৩ কেন্দ্রে ভোট বন্ধ
ছাত্রলীগের সাবেক সম্পাদক রাব্বানীকে কুপিয়ে জখম

শেয়ার করুন

কাদের মির্জার বিরুদ্ধে ৭ প্রার্থীর যত অভিযোগ

কাদের মির্জার বিরুদ্ধে ৭ প্রার্থীর যত অভিযোগ

বসুরহাট পৌরসভার মেয়র আব্দুল কাদের মির্জা। ছবি: নিউজবাংলা

লিখিত অভিযোগে বলা হয়, ‘আব্দুল কাদের মির্জা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে তার অনুসারী জনবিচ্ছিন্ন প্রার্থীদের নির্বাচিত করতে সাতটি ইউনিয়নে হীনচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। তিনি ইতোমধ্যে তার সন্ত্রাসীদের দিয়ে এবং সশরীরে বিভিন্ন ইউনিয়নের ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে উপস্থিত হয়ে আমাদের ভয়ভীতি দেখাচ্ছেন।’

নোয়াখালীর বসুরহাট পৌরসভার মেয়র আব্দুল কাদের মির্জার বিরুদ্ধে ইউপি নির্বাচনে আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ করেছেন আওয়ামী লীগের চেয়ারম্যান প্রার্থীরা।

কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার সাত ইউপি চেয়ারম্যান প্রার্থী বুধবার দুপুরে একসঙ্গে নোয়াখালীর পুলিশ সুপার কার্যালয় ও জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে এই লিখিত অভিযোগ দেন।

লিখিত অভিযোগে বলা হয়, ‘আব্দুল কাদের মির্জা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে তার অনুসারী জনবিচ্ছিন্ন প্রার্থীদের অবৈধভাবে নির্বাচিত করতে সাতটি ইউনিয়নে হীনচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। তিনি ইতোমধ্যে তার সন্ত্রাসীদের দিয়ে এবং সশরীরে বিভিন্ন ইউনিয়নের ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে উপস্থিত হয়ে আমাদের ভয়ভীতি দেখাচ্ছেন। মোবাইল ফোনেও অনেককে হুমকি দিচ্ছেন। এতে সাধারণ ভোটারদের মধ্যে চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে।’

আরও বলা হয়, ‘তিনি নির্বাচনি আচরণবিধি লঙ্ঘন করে পৌরসভার সরকারি গাড়িতে তার সশস্ত্র সন্ত্রাসীদের নিয়ে বিভিন্ন গণসংযোগে উসকানিমূলক বক্তব্য রাখছেন। এতে আগামী ৭ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে দাঙ্গা-হাঙ্গামাসহ সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড সংগঠিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এই অবস্থায় আব্দুল কাদের মির্জার এমন উসকানিমূলক কর্মকাণ্ড বন্ধসহ তার অনুসারীদের কাছ থেকে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার করা জরুরি।

লিখিত অভিযোগ দেয়া প্রার্থীরা হলেন ২ নম্বর চরপার্বতী ইউপির চেয়ারম্যান প্রার্থী মাহবুবুর রশীদ মঞ্জু, মুছাপুর ইউপির চেয়ারম্যান প্রার্থী নজরুল ইসলাম চৌধুরী শাহীন, ৮ নম্বর চরএলাহী ইউপির প্রার্থী আব্দুর রাজ্জাক, ৬ নম্বর রামপুর ইউপির প্রার্থী সিরাজিস সালেকীন রিমন, ৩ নম্বর চরহাজারী ইউপিতে নুরুজ্জামান স্বপন, ৫ নম্বর চরফকিরা ইউপির প্রার্থী জায়দল হক কচি ও ১ নম্বর সিরাজপুর ইউপির প্রার্থী মাঈন উদ্দিন মামুন।

অভিযোগের বিষয়ে বসুরহাট পৌরসভার মেয়র আব্দুল কাদের মির্জা বলেন, ‘আমি কোনো সন্ত্রাসী নিয়ে চলি না। আমার দলের নেতাকর্মী আমার সঙ্গে থাকে। অবাধ-সুষ্ঠু নিরপেক্ষ নির্বাচন করার জন্য প্রশাসন আমার থেকে যে সহযোগিতা চায়, সে সহযোগিতা করব।’

নোয়াখালী জেলা প্রশাসক দেওয়ান মাহবুবুর রহমান নিউজবাংলাকে বলেন, অভিযোগ করার বিষয়টি আমি শুনেছি। তবে এখনও অভিযোগপত্র আমার হাতে আসেনি।’

আরও পড়ুন:
‘ব্যালট ছিনতাইয়ের’ সময় বাবা-মেয়ে আটক
পাশের ইউপিতে ভোট দেখতে যাওয়া চেয়ারম্যানকে ধাওয়া
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় কেন্দ্রে একজনকে কুপিয়ে জখম
ককটেল হামলা-সংঘর্ষে ৩ কেন্দ্রে ভোট বন্ধ
ছাত্রলীগের সাবেক সম্পাদক রাব্বানীকে কুপিয়ে জখম

শেয়ার করুন

সাত জেলায় বিয়ে করে অভিনব প্রতারণা, যুবক গ্রেপ্তার

সাত জেলায় বিয়ে করে অভিনব প্রতারণা, যুবক গ্রেপ্তার

প্রতারণার অভিযোগে আটক শাকিল আজাদ। ছবি: নিউজবাংলা

অভিযুক্ত শাকিল আজাদ বিভিন্ন এলাকায় গিয়ে প্রথমেই নিম্ন আয়ের পরিবার খোঁজেন। পরে সেই পরিবারের মেয়েকে বিয়ে করে শুরু করেন আসল প্রতারণা।

প্রতারণার মাধ্যম হিসেবে বিয়েকেই বেছে নিয়েছিলেন অভিযুক্ত যুবক। যেখানে বিয়ে করেন, সেখানেই নিজেকে কাতার প্রবাসী পরিচয় দেন। পরে এলাকার বেকার যুবকদের কাতারে নেয়ার কথা বলে হাতিয়ে নেন টাকা-পয়সা।

এভাবে একে একে সাত জেলায় সাতটি বিয়ে করেন ২৯ বছর বয়সী শাকিল আজাদ। তার বাড়ি কুমিল্লার বরুড়া উপজেলায়।

ভুক্তভোগীরা অভিযোগ করলে মঙ্গলবার গভীর রাতে কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলার পদুয়ার বাজার বিশ্বরোড এলাকা থেকে শাকিলকে গ্রেপ্তার করে র‌্যাব। এ সময় তার কাছ থেকে সাতটি পাসপোর্টও জব্দ করা হয়।

বুধবার বেলা ১টার দিকে কুমিল্লা র‌্যাব-১১-এর কোম্পানি কমান্ডার মেজর মোহাম্মদ সাকিব হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

মেজর সাকিব জানান, গ্রেপ্তার শাকিল আজাদ প্রতারণার মাধ্যমে এখন পর্যন্ত কুমিল্লা, রাজশাহী, চট্টগ্রাম, খুলনা, রংপুর, নীলফামারী ও ফরিদপুরে বিয়ে করেছেন।

প্রথমে তিনি বিভিন্ন এলাকায় গিয়ে ওই এলাকার নিম্ন আয়ের পরিবার খোঁজেন। পরে সেই পরিবারের মেয়েকে বিয়ে করেন। বিয়ের পর শ্বশুরবাড়ির এলাকার বিভিন্ন মসজিদ-মাদ্রাসায় দান-খয়রাত করেন। নিজেকে পরিচয় দেন কাতার প্রবাসী হিসেবে।

এভাবে শ্বশুরবাড়ির এলাকার বেকার যুবকদের কাতার নেয়ার কথা বলে টাকা-পয়সা হাতিয়ে উধাও হয়ে যান। পরে প্রতারণার শিকার বেকার যুবকরা তার শ্বশুরবাড়ি গিয়ে টাকার জন্য চাপ দেন।

এসব ঘটনায় একদিকে কন্যাকে নিয়ে দুশ্চিন্তা, অন্যদিকে টাকা ফেরত দেয়ার জন্য এলাকার যুবকদের চাপে অসহ্য হয়ে উঠত ওই পরিবারের মানুষদের জীবন।

২০১৮ সালে আজাদ চতুর্থ বিয়েটি করেন খুলনায়। ওই এলাকা থেকে তিনি বেশ কয়েক লাখ টাকা হাতিয়ে উধাও হন। পরে এলাকাবাসীর রোষানলে পড়ে ওই পরিবারটি এলাকা ছাড়তে বাধ্য হয়।

১৫ দিন আগে আজাদের চতুর্থ স্ত্রী কুমিল্লার র‌্যাব অফিসে একটি অভিযোগ করেন। এই অভিযোগের ভিত্তিতেই তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

কমান্ডার সাকিব আরও জানান, বিভিন্ন অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ ইতিপূর্বে আজাদের পাসপোর্টটি বাতিল করেছে। বর্তমানে তিনি ছদ্মবেশে চট্টগ্রামে একটি বেকারি খুলে ব্যবসা করছিলেন।

শাকিলের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে বরুড়া থানায় হস্তান্তর করা হবে।

আরও পড়ুন:
‘ব্যালট ছিনতাইয়ের’ সময় বাবা-মেয়ে আটক
পাশের ইউপিতে ভোট দেখতে যাওয়া চেয়ারম্যানকে ধাওয়া
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় কেন্দ্রে একজনকে কুপিয়ে জখম
ককটেল হামলা-সংঘর্ষে ৩ কেন্দ্রে ভোট বন্ধ
ছাত্রলীগের সাবেক সম্পাদক রাব্বানীকে কুপিয়ে জখম

শেয়ার করুন

নির্মাণকাজ ও বৃষ্টিতে টঙ্গীতে যানজট চরমে

নির্মাণকাজ ও বৃষ্টিতে টঙ্গীতে যানজট চরমে

ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের টঙ্গীতে থমকে থাকা যানবাহন। ছবি: নিউজবাংলা

বলাকা পরিবহনের যাত্রী রেজাউল করিম বলেন, ‘বিকেল ৪টায় টঙ্গীর চেরাগআলী থেকে উত্তরার রাজলক্ষ্মীর উদ্দেশে রওনা দিই। পথের দূরত্ব মাত্র ১০ মিনিটের। অথচ টঙ্গী ব্রিজ পার হতেই সময় লেগেছে দেড় ঘণ্টা। সড়কের বিভিন্ন স্থান কাদায় মাখামাখি হওয়ায় হেঁটে যাওয়ারও উপায় নেই।’

বাস র‍্যাপিড ট্রানজিট (বিআরটি) প্রকল্পের নির্মাণকাজের জন্য এমনিতেই তীব্র যানজটের মুখে পড়তে হয় ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের টঙ্গী এলাকা ব্যবহার করা যাত্রীদের। সেই ভোগান্তি চরমে পৌঁছেছে বুধবার সকাল থেকে গুঁড়িগুঁড়ি বৃষ্টিতে।

খানাখন্দে ভরা রাস্তায় বৃষ্টির পানি জমায় যান চলাচল করছে ধীরগতিতে। আর এতেই দেখা দিয়েছে তীব্র জট। অনেকে বিকল্প রাস্তায় যাচ্ছেন গন্তব্যে।

পরিস্থিতি দেখতে সকাল থেকেই ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের টঙ্গীতে অবস্থান নেন নিউজবাংলার প্রতিবেদক।

দেখা যায় গুঁড়িগুঁড়ি বৃষ্টিতে বেলা ১১টা থেকে থেমে থেমে যান চলাচল করছিল। কিন্তু বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ভোগান্তি বাড়তে থাকে।

ঢাকামুখী লেন বন্ধ থাকায় টঙ্গী-কালিগঞ্জ আঞ্চলিক সড়কের পুবাইল পর্যন্ত গাড়ির দীর্ঘ সারি। অনেক যাত্রীকে হেঁটে গন্তব্যে রওনা দিতে দেখা গেছে।

বলাকা পরিবহনের যাত্রী রেজাউল করিম বলেন, ‘বিকেল ৪টায় টঙ্গীর চেরাগআলী থেকে উত্তরার রাজলক্ষ্মীর উদ্দেশে রওনা দিই। পথের দূরত্ব মাত্র ১০ মিনিটের। অথচ টঙ্গী ব্রিজ পার হতেই সময় লেগেছে দেড় ঘণ্টা। সড়কের বিভিন্ন স্থান কাদায় মাখামাখি হওয়ায় হেঁটে যাওয়ারও উপায় নেই।’

মিলগেট এলাকায় যানজটে পড়ে গাড়ির ইঞ্জিন বন্ধ করে বসে ছিলেন পিকআপ চালক ওসমান। নিউজবাংলাকে তিনি বলেন, ‘কলেজগেট থেকে মিলগেট আসতেই সময় লেগেছে এক ঘণ্টার বেশি। প্রায় ২০ মিনিট একই জায়গায় বসে আছি।’

ট্রাফিক পুলিশ ও পরিবহনসংশ্লিষ্টরা বলছে, মহাসড়কে বিআরটির নির্মাণকাজের কারণে যানজট এই পথের যাত্রীদের নিত্যদিনের সঙ্গী। বৃষ্টি হলে যানজট আরও ভয়াবহ রূপ নেয়।

যানজটের কারণে হেঁটে যাওয়ারও উপায় থাকে না। সড়কের বিভিন্ন জায়গায় খানাখন্দে পানি জমে গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। পুরো সড়ক কর্দমাক্ত হওয়ার ধীরগতিতে চলছে যানবাহন।

গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের ট্রাফিক বিভাগের উপকমিশনার (দক্ষিণ) আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, ‘উত্তরার বিএনএস সেন্টারের সামনে বিআরটি প্রজেক্টের কাজ চলার কারণে রাস্তা সরু হয়ে গেছে। তা ছাড়া বৃষ্টিতে গাড়ি চলার গতি কমে যাওয়ায় ঢাকামুখী চাপ বেড়েছে। এতে উত্তরার যানজট টঙ্গীর চেরাগআলী পর্যন্ত পৌঁছেছে। ডিএমপির ট্রাফিক উত্তর বিভাগের সঙ্গে সমন্বয় করে দ্রুত গাড়ি ঢাকায় প্রবেশের চেষ্টা করছি।’

ট্রাফিক পুলিশের এই কর্মকর্তা আরও বলেন, ‘শীত মৌসুমে যানজট আগের চেয়ে কিছুটা কমেছে। তবে বর্ষার আগে যদি বিআরটির নির্মাণকাজ শেষ করা না যায়, তাহলে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের টঙ্গী থেকে চান্দনা চৌরাস্তা পর্যন্ত চরম ভোগান্তিতে পড়তে হতে পারে চলাচলকারীদের।

আরও পড়ুন:
‘ব্যালট ছিনতাইয়ের’ সময় বাবা-মেয়ে আটক
পাশের ইউপিতে ভোট দেখতে যাওয়া চেয়ারম্যানকে ধাওয়া
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় কেন্দ্রে একজনকে কুপিয়ে জখম
ককটেল হামলা-সংঘর্ষে ৩ কেন্দ্রে ভোট বন্ধ
ছাত্রলীগের সাবেক সম্পাদক রাব্বানীকে কুপিয়ে জখম

শেয়ার করুন

টিকা নিতে বাইকে রওনা ৩ স্কুলছাত্রের, বাসচাপায় নিহত ২

টিকা নিতে বাইকে রওনা ৩ স্কুলছাত্রের, বাসচাপায় নিহত ২

ফাইল ছবি/ নিউজবাংলা

করোনার টিকা নিতে ওই তিন বন্ধু স্কুলের সামনে জড়ো হয়। সেখান থেকে মোটরসাইকেলে করে রওনা দেয় গৌরনদী সদরের টিকাকেন্দ্রের দিকে। সে সময় বরগুনা থেকে চট্টগ্রামগামী একটি বাস মোটরসাইকেলটিকে চাপা দেয়।

করোনার টিকা নিতে মোটরসাইকেলে করে রওনা দিয়েছিল বরিশালের গৌরনদীর একটি মাধ্যমিক স্কুলের নবম শ্রেণির তিন ছাত্র। ওই স্কুলের সামনেই বাসচাপায় প্রাণ হারায় দুইজন। আরেকজন আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

বরিশাল-ঢাকা মহাসড়কের গৌরনদীর বার্থী তাঁরা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সামনে বুধবার সকালে এই দুর্ঘটনা হয়।

নিহত কিশোররা হলেন ওই স্কুলের নবম শ্রেণির ছাত্র অন্তর মৃধা ও রেদওয়ান ফকির। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন তাদের সহপাঠী মো. শান্ত।

গৌরনদী হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ বেলাল হোসেন এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

স্থানীয়দের বরাতে তিনি জানান, করোনার টিকা নিতে ওই তিন বন্ধু স্কুলের সামনে জড়ো হয়। সেখান থেকে মোটরসাইকেলে করে রওনা দেয় গৌরনদী সদরের এবি সিদ্দিক ডায়গনস্টিক সেন্টারের দিকে। সে সময় বরগুনার পাথরঘাটা থেকে চট্টগ্রামগামী বলেশ্বর পরিবহনের একটি বাস স্কুলের সামনেই মোটরসাইকেলটিকে চাপা দেয়।

স্থানীয় লোকজন আহতদের নিয়ে যান বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে। পথেই মৃত্যু হয় অন্তরের।

ওসি শেখ বেলাল জানান, আশঙ্কাজনক অবস্থায় ঢাকায় নেয়ার পথে মারা যান রেদোয়ানও।

দুর্ঘটনার পর ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী বাসটি আটকে ভাঙচুর চালায়। এতে প্রায় এক ঘণ্টা মহাসড়কে যান চলাচল ব্যাহত হয়। হাইওয়ে থানা পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেয়।

হাইওয়ে থানার ওসি জানান, হতাহতদের পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ করা হয়নি। পাওয়া যায়নি বাসচালক ও হেলপারকে।

আরও পড়ুন:
‘ব্যালট ছিনতাইয়ের’ সময় বাবা-মেয়ে আটক
পাশের ইউপিতে ভোট দেখতে যাওয়া চেয়ারম্যানকে ধাওয়া
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় কেন্দ্রে একজনকে কুপিয়ে জখম
ককটেল হামলা-সংঘর্ষে ৩ কেন্দ্রে ভোট বন্ধ
ছাত্রলীগের সাবেক সম্পাদক রাব্বানীকে কুপিয়ে জখম

শেয়ার করুন

‘নৌকার বিরুদ্ধে কাজ করলে এলাকায় থাইকেন না’

‘নৌকার বিরুদ্ধে কাজ করলে এলাকায় থাইকেন না’

ইউনিয়নের রিটার্নিং কর্মকর্তা প্রলয় কুমার সাহা বলেন, ‘আমি প্রশিক্ষণে আছি। অভিযোগ দিয়ে থাকলে সেটা অফিসে থাকতে পারে। তবে আমি এই বিষয়ে অবগত নই।’

কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া উপজেলার একটি ইউনিয়নে ‘বিদ্রোহী প্রার্থীর’ কর্মী-সমর্থকদের এলাকায় না থাকার হুমকি দেয়ার অভিযোগ উঠেছে আওয়ামী লীগের প্রার্থীর বিরুদ্ধে।

তবে নৌকার প্রার্থী বলছেন, তিনি এ ধরনের কোনো কথাই বলেননি।

নারান্দী ইউনিয়নের শালংকা গ্রামে ২১ জানুয়ারি উঠান বৈঠক করেন ক্ষমতাসীন দলের প্রার্থী শফিকুল ইসলাম। এ সময় তার দেয়া বক্তব্য পরদিন ‘সত্যের সন্ধান’ নামের একটি ফেসবুক আইডি থেকে পোস্ট হয়।

ভিডিওতে প্রার্থীকে বলতে শোনা যায়, ‘মুখে জয় বাংলা বলবেন, আর কাজ করবেন নৌকার বিরুদ্ধে, আমি লালু, ভুলু ও শাকিলকে বলে দিতে চাই- আগামীকালের পর এলাকায় থাইকেন না।’

যাদেরকে এলাকায় না থাকার হুমকি দেয়া হয়েছে তাদের একজন শাকিল রেজা। তিনি নারান্দী ইউনিয়ন যুবলীগের সহসভাপতি।

তিনি নিউজবাংলাকে বলেন, ‘শফিক গত নির্বাচনে যখন চেয়ারম্যান প্রার্থী হয়েছিলেন তখন আমি, লালু আর কালু দিনরাত পরিশ্রম করে তাকে চেয়ারম্যান বানিয়েছিলাম। কিন্তু তিনি চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ার পর বিভিন্ন সময়ে অসহায়দের কাছ থেকে ঘর দেবেন বলে টাকাপয়সা নিয়েছেন।

‘আমরা সেগুলোর প্রতিবাদ করেছি। তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ আছে। তাই এবারের নির্বাচনে আমরা তার সঙ্গে নাই। আর এ জন্যই তিনি গ্রামে এসে আমাদেরকেই হুমকি দিচ্ছেন।’

স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. মুছলেহ উদ্দিন উপজেলা আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য। তিনি দল থেকে মনোনয়ন না পেয়ে আনারস প্রতীকে নির্বাচন করছেন।

তিনি অভিযোগ করে বলেন, ‘পুরো ইউনিয়নে ঘুরে নৌকার প্রার্থী বুঝতে পেরেছেন তার কোনো জনসমর্থন নাই। নির্বাচনে নিশ্চিত ভরাডুবি জেনে রাজনৈতিক প্রভাব এবং পেশিশক্তি ব্যবহারের এমন হীন তৎপরতায় জড়িয়েছেন।’

তিনি বলেন, ‘শফিক প্রতিনিয়ত আমার কর্মী-সমর্থকদের বিভিন্ন মাধ্যমে হুমকি-ধমকি দিচ্ছেন। আমার প্রচারে বাধা দিচ্ছেন। এ বিষয়ে আমি উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ করেছি।’

আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী শফিকুল ইসলাম নিউজবাংলাকে বলেন, ‘এই ধরনের বক্তব্য আমি দেইনি। আপনি খোঁজ নিয়ে দেখেন তারা এখনো নিজেদের এলাকায় অবস্থান করছেন। আমি বলেছি আপনারা আওয়ামী লীগ করবেন আবার দলের বিপক্ষে অবস্থান নিয়ে নির্বাচন করবেন এমনটা ঠিক না।’

পাকুন্দিয়া উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা সাখাওয়াৎ হোসেন নিউজবাংলাকে জানান, নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ করতে সর্বোচ্চ ব্যবস্থা নেয়া হবে।

কোনো প্রার্থীর পক্ষ থেকে অভিযোগ পেয়েছেন কি না এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘অভিযোগ দিয়ে থাকলে সেটা আমার কাছে নয় দেবেন ওই ইউনিয়নের রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে।’

ইউনিয়নের রিটার্নিং কর্মকর্তা প্রলয় কুমার সাহা বলেন, ‘আমি প্রশিক্ষণে আছি। অভিযোগ দিয়ে থাকলে সেটা অফিসে থাকতে পারে। তবে আমি এই বিষয়ে অবগত নই।’

আগামী ৩১ জানুয়ারি ষষ্ঠ ধাপে জেলার পাকুন্দিয়া উপজেলার ৯টি ইউনিয়ন পরিষদে প্রথমবারের মতো ভোট হবে ইভিএমে।

আরও পড়ুন:
‘ব্যালট ছিনতাইয়ের’ সময় বাবা-মেয়ে আটক
পাশের ইউপিতে ভোট দেখতে যাওয়া চেয়ারম্যানকে ধাওয়া
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় কেন্দ্রে একজনকে কুপিয়ে জখম
ককটেল হামলা-সংঘর্ষে ৩ কেন্দ্রে ভোট বন্ধ
ছাত্রলীগের সাবেক সম্পাদক রাব্বানীকে কুপিয়ে জখম

শেয়ার করুন

লোকালয়ের ‘নাগরিক’ বুনোহাতির শাবক

লোকালয়ের ‘নাগরিক’ বুনোহাতির শাবক

মায়ের সঙ্গে ছয় দিন আগে জন্ম নেয়া হাতি। ছবি: নিউজবাংলা

চট্টগ্রাম দক্ষিণ অঞ্চলের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘বুনোহাতি সাধারণত জঙ্গলেই সন্তান প্রসব করে। লোকালয়ে শাবক জন্ম দেয়া বিরল ঘটনা। শাবক ও মা হাতি দুটোই সুস্থ আছে। বনকর্মীরা তাদের ওপর নজর রাখছেন।’

শীতের ভোরে হালকা কুয়াশার মাঝে ছোট্ট শাবককে নিয়ে ঘুরছে মা হাতি। কদিন আগেই জন্ম নিয়েছে এই শাবক।

তবে জঙ্গলে নয়, এই শাবকের জন্ম হয়েছে লোকালয়ে। বন কর্মকর্তা বলছেন, লোকালয়ে হাতির বাচ্চা প্রসব বেশ বিরল ঘটনা।

চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলার দেয়াং পাহাড়ে রাডার অফিসের সামনে এলাকায় গত বৃহস্পতিবার হাতিটির জন্ম। বিষয়টি স্থানীয়দের নজরে আসে শনিবার।

স্থানীয় বাসিন্দা এইচ এম জাহিদ জানান, মঙ্গলবার ভোরে মা হাতি তার শাবক নিয়ে রাডার অফিস ও গুচ্ছগ্রাম এলাকায় ঘুরছিল। দুজনের চলাফেরাই বেশ শান্ত ছিল। তাদের সঙ্গে আরও কয়েকটি হাতি ছিল।

চট্টগ্রাম দক্ষিণ অঞ্চলের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘বৃহস্পতিবার বনকর্মীরা হাতিকে বাচ্চা প্রসব করতে দেখেন। তবে স্থানীয়রা বিরক্ত করতে পারে ভেবে প্রকাশ করা হয়নি।

‘বুনোহাতি সাধারণত জঙ্গলেই সন্তান প্রসব করে। লোকালয়ে শাবক জন্ম দেয়া বিরল ঘটনা। শাবক ও মা হাতি দুটোই সুস্থ আছে। বনকর্মীরা তাদের ওপর নজর রাখছেন।’

তিনি জানান, সম্প্রতি বন্য হাতির দল চট্টগ্রামের আনোয়ারা, সাতকানিয়া ও বাঁশখালীর সংরক্ষিত বন ছেড়ে লোকালয়ে আশ্রয় নিয়েছে। বিশেষ করে বিলের ফসলসংলগ্ন এলাকায় তারা ঘোরাফেরা করছে। স্থানীয়দের বাধায় এরা অনেক সময় জনবসতিতেও হামলা করছে। পাল্টা আক্রমণে মারাও পড়ছে।

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউট অফ ফরেস্ট্রি অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্সের সহযোগী অধ্যাপক ও হাতি বিশেষজ্ঞ ড. এ এইচ এম রায়হান সরকার বলেন, ‘লোকালয়ে হাতির বাচ্চা প্রসব বেশ বিরল ঘটনা। সম্ভবত জঙ্গলে যাওয়ার আগেই বাচ্চা প্রসব হয়ে গেছে।’

বন বিভাগের চট্টগ্রাম দক্ষিণ রেঞ্জ কর্মকর্তা মিজানুর রহমান জানান, পাহাড় ও জঙ্গল কেটে বসতি নষ্ট করায় হাতিরা লোকালয়ে চলে আসছে। হাতির খাবার জোগান দিতে একটি প্রকল্প হাতে নেয়া হয়েছে। হাতি নিয়ন্ত্রণেও বন বিভাগ কাজ করছে।

আরও পড়ুন:
‘ব্যালট ছিনতাইয়ের’ সময় বাবা-মেয়ে আটক
পাশের ইউপিতে ভোট দেখতে যাওয়া চেয়ারম্যানকে ধাওয়া
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় কেন্দ্রে একজনকে কুপিয়ে জখম
ককটেল হামলা-সংঘর্ষে ৩ কেন্দ্রে ভোট বন্ধ
ছাত্রলীগের সাবেক সম্পাদক রাব্বানীকে কুপিয়ে জখম

শেয়ার করুন