প্রেস কাউন্সিলের সদস্য হলেন ড. ফেরদৌস জামান

player
প্রেস কাউন্সিলের সদস্য হলেন ড. ফেরদৌস জামান

বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিলের সদস্য মনোনীত হয়েছেন ড. ফেরদৌস জামান। ছবি: নিউজবাংলা

ড. ফেরদৌস জামান আগামী ২ বছরের জন্য বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিলের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। ড. ফেরদৌস জামান ১৯৯১ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগ থেকে অনার্স এবং ১৯৯২ সালে একই বিভাগ থেকে মাস্টার্স সম্পন্ন করেছেন। তিনি ২০১৬ সালে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন।

বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিলের সদস্য মনোনীত হয়েছেন বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের (ইউজিসি) সচিব ড. ফেরদৌস জামান।

রোববার ইউজিসি থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে ফেরদৌস জামান বলেন, ‘আমাদের দেশে এখনও সত্যিকার অর্থে গণমাধ্যমে নানা ধরনের সমস্যা রয়েছে। আমি এগুলো সমাধানে সর্বাত্মক ভূমিকা পালন করতে চাই। আর সংবাদিকদের অধিকারের প্রশ্নে আমি সব সময় সোচ্চার থাকবো।

এতে বলা হয়, প্রেস কাউন্সিল অ্যাক্ট, ১৯৭৪-এর ৪(৩) (ডি) ধারা অনুযায়ী বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের মনোনয়নের প্রেক্ষিতে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে চূড়ান্ত সদস্য তালিকা সম্প্রতি প্রকাশ করেছে।

এ মনোনয়েনের মাধ্যমে ড. ফেরদৌস জামান আগামী ২ বছরের জন্য বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিলের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।

ড. ফেরদৌস জামান ১৯৯১ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগ থেকে অনার্স এবং ১৯৯২ সালে একই বিভাগ থেকে মাস্টার্স সম্পন্ন করেছেন। তিনি ২০১৬ সালে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন। তিনি বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনে সিনিয়র সহকারি সচিব (প্রশাসন) হিসেবে যোগদান করেন। পেশাগত দায়িত্বের অংশ হিসেবে তিনি বিশ্বের বিভিন্ন দেশ ভ্রমন করেছেন।

শেয়ার করুন

মন্তব্য

পরীক্ষা স্থগিতের প্রতিবাদে ৭ কলেজ শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ

পরীক্ষা স্থগিতের প্রতিবাদে ৭ কলেজ শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি চত্বর এলাকায় সাত কলেজ শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ। ছবি: নিউজবাংলা

পরীক্ষা স্থগিতের প্রতিবাদে শনিবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে নীলক্ষেত এলাকায় বিক্ষোভে নামেন শিক্ষার্থীরা। তাদের রাস্তা অবরোধে ওই এলাকায় সৃষ্টি হয় তীব্র যানজট। এরপর বেলা ১১টা ৫ মিনিটের দিকে শিক্ষার্থীরা মিছিল নিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি চত্বরের সামনে অবস্থান নেন।

কোনো ধরনের নোটিশ ছাড়া হঠাৎ পরীক্ষা স্থগিতের প্রতিবাদে বিক্ষোভে নেমেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) অধিভুক্ত রাজধানীর সরকারি সাত কলেজের ডিগ্রির শিক্ষার্থীরা।

পরীক্ষা স্থগিতের প্রতিবাদে শনিবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে নীলক্ষেত এলাকায় বিক্ষোভে নামেন শিক্ষার্থীরা। তাদের রাস্তা অবরোধে ওই এলাকায় সৃষ্টি হয় তীব্র যানজট। এরপর বেলা ১১টা ৫ মিনিটের দিকে শিক্ষার্থীরা মিছিল নিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি চত্বরের সামনে অবস্থান নেন।

বিক্ষোভকারীরা জানান, পূর্ব সূচি অনুযায়ী শনিবার সকালে দ্বিতীয় বর্ষের শেষ পরীক্ষা দিতে এসেছিলেন তারা। এসে শোনেন পরীক্ষা হবে না। আজকেই শেষ পরীক্ষা ছিল। কোনো ঘোষণা না দিয়ে পরীক্ষা স্থগিতের প্রতিবাদে নীলক্ষেত মোড় অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন তারা।

শিক্ষার্থীরা জানান, ২০১৮ সালে দ্বিতীয় বর্ষের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা থাকলেও তা ২০২২ সালে শেষ হচ্ছে। শেষ পরীক্ষার দিন তা আবার স্থগিত করে দেয়া হলো।

ভিসি চত্বরের সামনে এক শিক্ষার্থী বলেন, ‘নোটিশ না দিয়ে কেন হঠাৎ পরীক্ষা স্থগিত করে দেয়া হলো তা আমরা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন থেকে জানতে চাই।’

কবি নজরুল কলেজের শিক্ষার্থী আবদুস সাত্তার বলেন, ‘আমরা (ডিগ্রি) সবাই ২০১৬-১৭ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী। এখনও আমাদের দ্বিতীয় বর্ষের পরীক্ষা শেষ হয়নি। গত নভেম্বরে আমাদের পরীক্ষা শুরু হয়েছে। আজকে শেষ পরীক্ষা ছিল। কিন্তু পরীক্ষা কেন্দ্রে উপস্থিত হলে মাইকে ঘোষণা দিয়ে বলা হয় আমাদের পরীক্ষা স্থগিত। এটি আমাদের সঙ্গে তামাশা।’

পুলিশের অসদাচরণের কারণে নীলক্ষেত অবরোধ থেকে সরে আসতে হয়েছে বলে জানালেন সরকারি বাংলা কলেজের শিক্ষার্থী শাবানা খাতুন। তিনি বলেন, ‘আমরা আমাদের পরীক্ষা হঠাৎ স্থগিতের প্রতিবাদে নীলক্ষেত মোড় অবরোধ করি। অবরোধের এক ঘণ্টা পর পুলিশ আমাদের সঙ্গে খারাপ আচরণ করা শুরু করে।

‘এক পুলিশ সদস্য আমাদের উদ্দেশে বলেন, গুলি করা শুরু করলে কেউই থাকতে পারবেন না। আপনারা বরং বিশ্ববিদ্যালয়ের কন্ট্রোলার অফিসে গিয়ে আপনাদের দাবি জানান। এরপর আমরা ১১টার দিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আসি।’

শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভের বিষয়ে জানতে সাত কলেজের সমন্বয়ক ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক এ এস এম মাকসুদ কামাল বলেন, ‘শিক্ষার্থীরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আসবে কেন? তারা তাদের অধ্যক্ষের সঙ্গে কথা বলুক। অধ্যক্ষরা আমাদের জানালে তারপর আমরা সিদ্ধান্ত নিতে পারব।’

পূর্ব নোটিশ ছাড়া পরীক্ষা স্থগিতের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘এটা সরকারের সিদ্ধান্ত ছিল। সরকারতো ঘোষণা করেছে স্কুল কলেজ ৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বন্ধ থাকবে। সরকারের সিদ্ধান্তের পরতো আর নোটিশ দিতে হয় না।’

শেয়ার করুন

এসএসসি: ফেল থেকে জিপিএ-৫ চার বোর্ডে ১৩ জন

এসএসসি: ফেল থেকে জিপিএ-৫ চার বোর্ডে ১৩ জন

ফাইল ছবি।

চার বোর্ডে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার পুনঃনিরীক্ষণে ফেল থেকে পাশ করেছেন ৩৭৮ জন। এ ছাড়া গ্রেড পরিবর্তন হয়েছে আরও অনেকের।

ঢাকা, চট্টগ্রাম, বরিশাল ও কুমিল্লা বোর্ডে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় আগে ফেল করলেও পুনঃনিরীক্ষণে তাদের মধ্য থেকে জিপিএ-৫ পেয়েছেন ১৩ জন।

শুক্রবার এই ফল প্রকাশ করা হয়।

ফলাফলে দেখা গেছে, ঢাকা শিক্ষা বোর্ডে ফেল থেকে পাস করেছেন ৪৩ শিক্ষার্থী। এর মধ্যে ফলাফল পরিবর্তন হয়ে জিপিএ-৫ পেয়েছেন ২৬ জন। আর ফেল থেকে জিপিএ-৫ পেয়েছেন চার শিক্ষার্থী।

ঢাকা বোর্ডের প্রায় ১৮ হাজার শিক্ষার্থী ২২ হাজার ৮৫৫টি বিষয়ের খাতা পুনঃনিরীক্ষার আবেদন করেছিলেন।

ব‌রিশাল মাধ‌্যমিক ও উচ্চ মাধ‌্যমিক শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অরুন কুমার গাইন জানান, ওই বোর্ডে ৫ হাজার ৪৭৯ পরীক্ষার্থী ৬ হাজার ১৩৯‌টি উত্তরপত্র পুনঃনিরীক্ষার আবেদন করেছিলেন। এতে ৩৯২ জনের ফলাফল পরিবর্তন হয়েছে। এর মধ্যে ফেল থেকে পাশ করেছেন ২৫১ জন এবং ফেল থেকে জিপিএ-৫ পেয়েছেন ২ জন। পাশাপা‌শি সব মিলিয়ে ফল পরিবর্তনে জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৩০ শিক্ষার্থী।

চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডে পুনঃনিরীক্ষণের ফলাফলে ফেল থেকে পাস করেছেন ৩৩ জন। আর ফেল থেকে জিপিএ-৫ পেয়েছেন ১ জন। এ ছাড়া পরীক্ষার ফল পরিবর্তন হয়েছে ২১২ জনের।

এ বিষয়ে চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক নারায়ণ চন্দ্র নাথ বলেন, ‘উত্তরপত্র পুনঃনিরীক্ষণ শেষে ফল পরিবর্তন হয়েছে ২১২ পরীক্ষার্থীর। এর ফলে ফেল থেকে পাস করেছে আরও ৩৩ জন। গ্রেড পরিবর্তন হয়ে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৯ জন। আর ফেল থেকে জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ জন।’

বোর্ড সূত্র জানায়, চট্টগ্রাম শিক্ষাবোর্ডে এবার উত্তরপত্র পুনঃনিরীক্ষণের জন্য ৭ হাজার ৬৯ পরীক্ষার্থী আবেদন করেছিলেন। এই আবেদনের প্রেক্ষিতে ৭ হাজার ৮২৩টি উত্তরপত্র পুনঃনিরীক্ষণ করা হয়।

কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডে ২০২১ সালের এসএসসি পরীক্ষার্থীদের মধ্যে গ্রুপ ভিত্তিক নৈর্বাচনিক ১১ বিষয়ে ৪১৯৩ জন শিক্ষার্থী ৪৬৭৯টি উত্তরপত্র পুনঃনিরীক্ষণের জন্য অনলাইনে আবেদন করেছিলেন।

আবেদনকারীদের মধ্যে ৮২ জনের ফল পরিবর্তন হয়। এর মধ্যে ৫১ জন ফেল থেকে পাশ করেছেন। আর ফেল থেকে জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৬ জন। এ ছাড়া ২৫ জনের গ্রেড পরিবর্তন হয়েছে।

এর আগে গত ৩০ ডিসেম্বর ২০২১ সনের এসএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশিত হয় এবং ৩১ ডিসেম্বর থেকে ০৬ জানুয়ারি পর্যন্ত পুনঃনিরীক্ষণের আবেদন গ্রহণ করা হয়।

জানা গেছে, করোনার কারণে দেড় বছর ক্লাস না হওয়ায় গত বছর এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা নেওয়া হয় তিনটি নৈর্বাচনিক বিষয়ে।

ফল প্রকাশের দিনের হিসেব অনুযায়ী, এ বছর ৯টি সাধারণ শিক্ষাবোর্ড, মাদরাসা ও কারিগরি শিক্ষাবোর্ড মিলে পাসের হার ৯৩ দশমিক ৫৮ শতাংশ, যা এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ। ২০২০ শিক্ষাবর্ষে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় পাসের হার ছিল ৮২ দশমিক ৮৭ শতাংশ। সে হিসেবে এবার পাসের হার বেড়েছে ১০ দশমিক ৭১ শতাংশ।

৯টি সাধারণ শিক্ষাবোর্ডে এবার পাসের হার ৯৪.০৮ শতাংশ। মোট পরীক্ষার্থী ছিলেন ১৭ লাখ ৯২ হাজার ৩১২ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছেন ১ লাখ ৬২ হাজার ৬২৫ জন।

মাদরাসা শিক্ষাবোর্ডে এবার পাসের হার ৯৩.২২ শতাংশ। মোট পরীক্ষার্থী ছিলেন ২ লাখ ৯২ হাজার ৫৬৯ জন। জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থী ১৪ হাজার ৩১৩ জন।

আর কারিগরি শিক্ষাবোর্ডে ১ লাখ ৫৫ হাজার ৫১৪ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাসের হার ৮৮.৪৯ শতাংশ। জিপিএ ফাইভ পাওয়া শিক্ষার্থী ৫ হাজার ১৮৭ জন।

শেয়ার করুন

শাবি সংকট: ভিসির তদন্ত কমিটির খোঁজ নেই

শাবি সংকট: ভিসির তদন্ত কমিটির খোঁজ নেই

শাবিতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশের হামলার ঘটনায় উপাচার্যের তদন্ত কমিটির কার্যক্রম শুরু হয়নি। ফাইল ছবি

১৩ জানুয়ারির হামলা-সংঘর্ষসহ সব ঘটনা তদন্ত করতে ১৭ জানুয়ারি আট সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠনের কথা জানান উপাচার্য ফরিদ উদ্দিন আহমেদ। কমিটির প্রধান করা হয় অধ্যাপক রাশেদ তালুকদারকে। এ ছাড়া পাঁচ অনুষদের ডিন, প্রক্টর ও ছাত্রকল্যাণ উপদেষ্টাকে রাখা হয় কমিটিতে। তবে অধ্যাপক রাশেদ বলেন, তাকে আনুষ্ঠানিক কোনো আদেশ দেয়া হয়নি।

সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (শাবি) আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশের হামলা ও সংঘর্ষের ঘটনায় গত সোমবার একটি তদন্ত কমিটি গঠনের কথা জানিয়েছিলেন উপাচার্য। তবে পাঁচ দিন পেরিয়ে যাওয়ার পরও শুক্রবার পর্যন্ত এই তদন্ত কমিটি কোনো কার্যক্রম শুরু করেনি।

এমনকি এখন পর্যন্ত এ ব্যাপারে আনুষ্ঠাানিক কোনো চিঠি পাননি বলেও জানিয়েছেন তদন্ত কমিটির প্রধান গণিত বিভাগের জ্যেষ্ঠ অধ্যাপক রাশেদ তালুকদার।

বেগম সিরাজুন্নেসা হলের প্রাধ্যক্ষের পদত্যাগসহ তিন দফা দাবিতে গত ১৩ জানুয়ারি থেকে আন্দোলনে নামেন ওই হলের ছাত্রীরা। ১৬ জানুয়ারি তারা উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিনকে অবরুদ্ধ করে রাখেন। ওই দিন সন্ধ্যায় ছাত্রদের লাঠিপেটা করে উপাচার্যকে উদ্ধার করে নিয়ে আসে পুলিশ। এ সময় পুলিশের সঙ্গে শিক্ষার্থীদের সংঘর্ষ হয়। এতে শিক্ষক-শিক্ষার্থী-পুলিশসহ অন্তত ৫০ জন আহত হন।

এ ঘটনায় রাতেই জরুরি সিন্ডিকেট সভা করে বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণা ও পরদিন দুপুর ১২টার মধ্যে শিক্ষার্থীদের হল ছাড়ার নির্দেশ দেন উপাচার্য। এই সিদ্ধান্ত আসার রাতেই উপাচার্যের পদত্যাগ দাবিতে আন্দোলন শুরু করেন শিক্ষার্থীরা। বুধবার থেকে তারা শুরু করেন অনশন।

শাবি সংকট: ভিসির তদন্ত কমিটির খোঁজ নেই

১৩ জানুয়ারির হামলা-সংঘর্ষসহ সব ঘটনা তদন্ত করতে ১৭ জানুয়ারি আট সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠনের কথা জানান উপাচার্য ফরিদ উদ্দিন আহমেদ। কমিটির প্রধান করা হয় অধ্যাপক রাশেদ তালুকদারকে। এ ছাড়া পাঁচ অনুষদের ডিন, প্রক্টর ও ছাত্রকল্যাণ উপদেষ্টাকে রাখা হয় কমিটিতে।

তদন্ত কমিটির কার্যক্রম সম্পর্কে ওই দিন বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সদস্য জহির বিন আলম নিউজবাংলাকে বলেছিলেন, ‘ঘটনার সূত্রপাত কীভাবে, কারা দোষী এটা আমরা খুঁজে বের করব। বিশ্ববিদ্যালয় শান্ত ছিল, হঠাৎ কেন এমন অশান্ত হলো তা বের করা হবে।’

তদন্ত কমিটিকে দ্রুততম সময়ের মধ্যে প্রতিবেদন দেয়ার নির্দেশ দেয়া হয়েছে বলেও জানিয়েছিলেন তিনি।

তবে শুক্রবার সন্ধ্যায় অধ্যাপক রাশেদ তালুকদার নিউজবাংলাকে বলেন, ‘একটি তদন্ত কমিটি গঠনের কথা শুনেছি। তবে এ ব্যাপারে আনুষ্ঠানিক কোনো চিঠি এখনও পাইনি। ফলে কমিটির কার্যক্রমও শুরু হয়নি।’

পাঁচ দিনেও তদন্ত কমিটি চিঠি না পাওয়া প্রসঙ্গে উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদ আহমদের কোনো বক্তব্য জানা যায়নি। শুক্রবার মোবাইল ফোনে তার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করলেও তিনি কল রিসিভ করেননি।

তবে রেজিস্ট্রার ইশফাকুল হোসেন বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ রয়েছে। প্রশাসনিক ভবনেও তালা ঝুলিয়ে দিয়েছে শিক্ষার্থীরা। ফলে প্রশাসনিক কার্যক্রম চালানো যাচ্ছে না। এ কারণে তদন্ত কমিটির সদস্যদের এখনও আনুষ্ঠানিক চিঠি দেয়া সম্ভব হয়নি। প্রশাসনিক কার্যক্রম শুরু হলেই চিঠি প্রেরণ করা হবে।’

উপাচার্যের পদত্যাগ দাবিতে টানা তিন দিন ধরে অনশন চালিয়ে যাচ্ছেন ২৩ শিক্ষার্থী। তাদের মধ্যে অন্তত ১৩ জন অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

শাবি সংকট: ভিসির তদন্ত কমিটির খোঁজ নেই

আন্দোলন শুরুর পর বিশ্ববিদ্যালয়ের জ্যেষ্ঠ শিক্ষকরা একাধিকবার আলোচনার জন্য শিক্ষার্থীদের কাছে আসেন। তারা শিক্ষার্থীদের বলেন, তদন্ত করে এই ঘটনায় যাদেরই দোষ পাওয়া যাবে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে। এমনকি উপাচার্য ফরিদ উদ্দিনও গণমাধ্যমকে বলেন, ‘সরকার তদন্ত কমিটি করে যদি আমার দোষ পায় তাহলে যে ব্যবস্থা নেবে তা মেনে নেব।’

আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা অবশ্য কমিটি নিয়ে ভাবছেন না। এদের একজন সাব্বির আহমদ বলেন, ‘আমরা কোনো তদন্ত কমিটি চাই না। উপাচার্যের পদত্যাগ চাই। তবু শিক্ষকরা তদন্তের কথা বলছেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন এটি করেছে। কিন্তু এই কমিটি এখনও কার্যক্রম শুরু না করাই প্রমাণ করে তদন্ত কমিটির নামে আন্দোলনকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিতের চেষ্টা করা হচ্ছে।’

শেয়ার করুন

জবি: ক্লাস অনলাইনে, অবশিষ্ট পরীক্ষা সশরীরে

জবি: ক্লাস অনলাইনে, অবশিষ্ট পরীক্ষা সশরীরে

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে দুই সপ্তাহ অনলাইনে ক্লাস চলবে।

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ইমদাদুল হক বলেন, ‘আগামী দুই সপ্তাহ আমাদের সশরীরে ক্লাস বন্ধ থাকবে। তবে অনলাইনে ক্লাস চলবে।’

করোনাভাইরাস সংক্রমণ ব্যাপক হারে বেড়ে যাওয়ায় ৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। নির্দেশ পাওয়ার পর জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে (জবি) সশরীরে ক্লাস বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

অনলাইনে সব ধরনের ক্লাস নেয়া হবে বলে সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। তবে চলমান সেমিস্টার ফাইনালের অবশিষ্ট লিখিত পরীক্ষাগুলো সশরীরে স্বাস্থ্যবিধি মেনে নেয়া হবে।

শুক্রবার বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ইমদাদুল হক নিউজবাংলাকে এসব তথ্য জানান।

তিনি বলেন, ‘আগামী দুই সপ্তাহ আমাদের সশরীরে ক্লাস বন্ধ থাকবে। তবে অনলাইনে ক্লাস চলবে।’

পরীক্ষার ব্যাপারে উপাচার্য বলেন, ‘যেহেতু আমাদের পরীক্ষা প্রায় শেষ, আর দু-একটা ডিপার্টমেন্টে হয়ত ব্যবহারিক-মৌখিক পরীক্ষা বাকি আছে সেগুলো অনলাইনে নেয়া যেতে পারে।

‘যেসব বিভাগের পরীক্ষা চলছে সেসব বিভাগের চেয়ারম্যান, অনুষদের ডিন ও সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে সিদ্ধান্ত জানানো হবে।’

নিউজবাংলাকে উপাচার্য আরও বলেন, ‘আমরা গতকাল একটা সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম যেসব ডিপার্টমেন্টে করোনা সংক্রমণ ঘটেছে তাদের ক্লাসগুলো অনলাইনে আর বাকিরা আপাতত সশরীরে নেয়ার। কিন্তু যেহেতু প্রজ্ঞাপন আসছে তাই এখন থেকে সব ডিপার্টমেন্টের সব ক্লাস অনলাইনে হবে।’

এদিকে উপাচার্যের নির্দেশে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার মো. ওহিদুজ্জামান স্বাক্ষরিত ক্লাস-পরীক্ষা ও অফিস খোলা নিয়ে বিজ্ঞপ্তিও প্রকাশ করা হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে সশরীরে শিক্ষা কার্যক্রম ৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বন্ধ থাকবে। তবে অনলাইনে ক্লাস চলবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের যেসব বিভাগে পরীক্ষা চলছে, সেগুলো সংশ্লিষ্ট বিভাগীয় চেয়ারম্যান ও অনুষদের ডিনদের আলোচনা সাপেক্ষে স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করে নিতে পারবেন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের সব অফিস স্বাস্থ্যবিধি মেনে খোলা থাকবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

পরীক্ষার বিষয়ে বিজ্ঞান অনুষদের ডিন রবীন্দ্রনাথ মণ্ডল নিউজবাংলাকে জানান, চলমান সেমিস্টার ফাইনাল পরীক্ষার যে কয়টি লিখিত পরীক্ষা বাকি আছে সেগুলো যথানিয়মে স্বাস্থ্যবিধি মেনে সশরীরে নেয়া হবে। কোনো মৌখিক বা ব্যবহারিক পরীক্ষা সশরীরে নেয়া হবে না। সেগুলো অনলাইনে হবে।

চলবে না বিশ্ববিদ্যালয়ের বাস
বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন প্রশাসক অধ্যাপক আব্দুল্লাহ্-আল্- মাসুদ নিউজবাংলাকে জানান, ক্লাস বন্ধ থাকায় বিশ্ববিদ্যালয়ের বাস চলবে না। শিক্ষক-কর্মকর্তাদের জন্য জরুরি ভিত্তিতে সীমিত পরিসরে বাস চলবে।

চলবে ভর্তি
ক্লাস বন্ধ থাকলেও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২০-২০২১ শিক্ষাবর্ষে স্নাতক (সম্মান) ও বিবিএ প্রথম বর্ষে ভর্তি চলবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

এর আগে ২০২০ সালের ১৭ মার্চ থেকে করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের জন্য দেশের সব স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণা করা হয়। এরপর গত বছরের ৭ অক্টোবর সশরীরে পরীক্ষার মাধ্যমে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় খোলা হয়।

শেয়ার করুন

সশরীরে ক্লাস বন্ধেও এবার খোলা হল

সশরীরে ক্লাস বন্ধেও এবার খোলা হল

গত ১০ অক্টোবর হল খুলে দেয়ার পর শিক্ষার্থীরা বন্ধুদের পাশে পেয়ে এভাবেই আনন্দ প্রকাশ করে। ছবি: সংগৃহীত

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য বলেন, ‘শিক্ষার্থীরা এদিক ওদিক ছড়িয়ে পড়লে স্বাস্থ্যঝুঁকি আরও বাড়বে। তাই স্বাস্থ্যবিধি মেনে শিক্ষার্থীদের হলে রাখাটাই উত্তম। হলগুলো বন্ধ করার পরিকল্পনা নেই।’

করোনাভাইরাসের তৃতীয় ঢেউ ছড়িয়ে পড়ার মধ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সশরীরের ক্লাস বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিলেও এবার আর হল বন্ধ করছে না।

শুক্রবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপচার্য অধ্যাপক ড মো আখতারুজ্জামান নিউজবাংলাকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

তিনি বলেন, ‘জাতীয় সিদ্ধান্তের সঙ্গে সংহতি রেখে আমাদেরও সিদ্ধান্ত নিতে হবে। ক্লাসগুলো অনলাইনে চলবে। তবে আবাসিক হল বন্ধ করা হবে না।’

হল বন্ধ না করার ব্যাপারে উপাচার্য বলেন, ‘শিক্ষার্থীরা এদিক ওদিক ছড়িয়ে পড়লে স্বাস্থ্যঝুঁকি আরও বাড়বে। তাই স্বাস্থ্যবিধি মেনে শিক্ষার্থীদের হলে রাখাটাই উত্তম। হলগুলো বন্ধ করার পরিকল্পনা নেই।’

বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়টির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের জারি করা প্রজ্ঞাপনের আলোকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সশরীর শিক্ষা কার্যক্রম আজ শুক্রবার থেকে আগামী ৬ ফেব্রুয়ারি ২০২২ পর্যন্ত বন্ধ থাকবে। তবে অনলাইনে শিক্ষা কার্যক্রম সংশ্লিষ্ট শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের পারস্পরিক সহযোগিতায় অব্যাহত থাকবে।

আর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অফিসগুলো সীমিত পরিসরে সকাল নয়টা থেকে বেলা একটা পর্যন্ত স্বাস্থ্যবিধি মেনে খোলা থাকবে। জরুরি পরিষেবা (বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস, ইন্টারনেট, স্বাস্থ্যসেবা, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ইত্যাদি) যথারীতি অব্যাহত থাকবে।

শিক্ষার্থীদের নিজ নিজ আবাসস্থলে যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করে অবস্থান করার পরামর্শ দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়। এ ছাড়া ক্যাম্পাসে সভা, সমাবেশ ও জনসমাগম না করার জন্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের প্রতি অনুরোধ করা হয়েছে।

২০২০ সালের মার্চে দেশে করোনার সংক্রমণ ধরা পড়লে ১৭ মার্চ সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হলে সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেয়া হয়। সে সময় হলগুলোও বন্ধ করে দেয়া হয়।

করোনার দ্বিতীয় ঢেউ নিয়ন্ত্রণে আসার পর গত ৫ অক্টোবর চতুর্থ বর্ষ ও মাস্টার্সের শিক্ষার্থীদের জন্য হল খুলে দেয়া হয়। পরে ১০ অক্টোবর থেকে খুলে দেয়া হয় সবার জন্য।

হল খুলে দেয়ার ৭ দিন পর থেকে সশরীরে ক্লাসে ফিরে বিশ্ববিদ্যালয়। গত ৭ জানুয়ারি করোনার তৃতীয় ঢেউয়ের প্রাথমিক প্রমাণ পাওয়ার পর সরকারের পক্ষ থেকে একাধিকবার বলা হয়েছে, পরিস্থিতির অবনতি না হলে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ হবে না।

তবে করোনার সংক্রমণ ২৪ ঘণ্টায় সাড়ে ১১ হাজার ছাড়িয়ে যাওয়া, পরীক্ষার বিপরীতে সংক্রমণের হার ৩০ ছুঁই ছুঁই হয়ে যাওয়ার পর শুক্রবার এক বিজ্ঞপ্তিতে স্কুল-কলেজ বন্ধ ঘোষণা করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। এরপর একই পথে হাঁটে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।

বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন জানিয়েছে, কোনো বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ হবে কি না, সেই সিদ্ধান্ত নিজ নিজ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নেবে।

শেয়ার করুন

চবিতে অনলাইনে ক্লাস, সশরীরে পরীক্ষা

চবিতে অনলাইনে ক্লাস, সশরীরে পরীক্ষা

চবির ভারপ্রাপ্ত প্রক্টর ড. শহীদুল ইসলাম জানান, চবিতে ২২ জানুয়ারি থেকে ৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সশরীরে ক্লাস বন্ধ থাকবে। সেসব ক্লাস অনলাইনে হবে। পূর্বনির্ধারিত পরীক্ষাগুলো যথাসময়ে সশরীরে হবে।

করোনা পরিস্থিতিতে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে সশরীরে ক্লাস বন্ধ রেখে অনলাইনে পাঠদানের সিদ্ধান্ত নিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

বিভিন্ন বিভাগে চলমান পরীক্ষাগুলো সশরীরেই হবে। আবাসিক সব হল ও শাটল ট্রেন চালু রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে চবি প্রশাসন।

শুক্রবার রাতে ডিনস কমিটির জরুরি বৈঠকে এসব সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রক্টর ড. শহীদুল ইসলাম নিউজবাংলাকে এসব তথ্য নিশ্চিত করেন।

তিনি বলেন, সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী চবিতে ২২ জানুয়ারি থেকে ৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সশরীরে ক্লাস বন্ধ থাকবে। সেসব ক্লাস অনলাইনে হবে। পূর্বনির্ধারিত পরীক্ষাগুলো যথাসময়ে সশরীরে হবে। এ ক্ষেত্রে পরীক্ষাসংশ্লিষ্ট সবাইকে স্বাস্থ্যবিধি মানার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, হলগুলো চালু রাখার সিদ্ধান্ত হয়েছে। আগের নিয়মে শাটল ট্রেনও চালু থাকবে। পরে শিক্ষার্থীর সংখ্যা দেখে শাটলের বিষয়ে সিদ্ধান্ত হবে। স্নাতক প্রথম বর্ষে ভর্তি কার্যক্রম চলমান থাকবে।

শুক্রবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে সংবাদ সম্মেলনে আগামী দুই সপ্তাহ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখার কথা জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক।

শেয়ার করুন

বিধিনিষেধেও চলছে ঢাবি ছাত্রলীগের সম্মেলন

বিধিনিষেধেও চলছে ঢাবি ছাত্রলীগের সম্মেলন

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ছাত্রলীগের মিছিল। ফাইল ছবি

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সভাপতি সনজিত চন্দ্র দাস বলেন, ‘যতক্ষণ পর্যন্ত রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত না আসে, ততক্ষণ পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে আমাদের কর্মী সমাবেশ চলবে। তবে আমরা স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করব।’

করোনার বিস্তার রোধে সরকার সামাজিক-রাজনৈতিক অনুষ্ঠানে ১০০ মানুষের বেশি সমাবেশ না করার নির্দেশনা জারি করলেও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের কর্মী সম্মেলন বন্ধ হয়নি। পূর্বঘোষিত সূচি ধরে শুক্রবার সকাল থেকে বিভিন্ন হলে এই সম্মেলন অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সভাপতি সনজিত চন্দ্র দাস শুক্রবার বলেন, ‘যতক্ষণ পর্যন্ত রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত না আসে, ততক্ষণ পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে আমাদের কর্মী সমাবেশ চলবে। তবে আমরা স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করব।’

বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সাদ্দাম হোসেন বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের হলগুলো যেহেতু খোলা থাকছে আর প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী যেহেতু সীমিতসংখ্যক কর্মী নিয়ে প্রোগ্রাম করার সুযোগ থাকছে, তাই আমরা স্বাস্থ্যবিধি মেনে প্রয়োজনে সীমিত কর্মী নিয়ে কর্মী সমাবেশ করব।’

দীর্ঘ পাঁচ বছর পর হতে যাওয়া ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সম্মেলন উপলক্ষে শুক্রবার থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিটি হলে শুরু হয়েছে কর্মী সম্মেলন। স্বাভাবিকভাবে এসব সম্মেলনে প্রতিটি হলেই পাঁচ শতাধিক নেতা-কর্মীর জনসমাগম হয়ে থাকে। এই কর্মী সমাবেশ চলবে মঙ্গলবার পর্যন্ত।

সূচি অনুযায়ী, শুক্রবার সকাল ১০টায় জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হল ছাত্রলীগ, বিকেল ৪টায় মুক্তিযোদ্ধা হল ছাত্রলীগ, সন্ধ্যা ৬টায় পল্লীকবি জসীম উদ্দীন হল ছাত্রলীগ এবং রাত ৮টায় বিজয় একাত্তর হল ছাত্রলীগের কর্মী সমাবেশ অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

শেয়ার করুন