পিকআপের ধাক্কায় পোলিং কর্মকর্তা নিহত

player
পিকআপের ধাক্কায় পোলিং কর্মকর্তা নিহত

প্রতীকী ছবি

সৈয়দপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল হাসনাত খান বলেন, ‘আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।’

নীলফামারীর সৈয়দপুরে মোটরসাইকেলে পিকআপের ধাক্কায় এক পোলিং কর্মকর্তা নিহত হয়েছেন।

এ ঘটনায় আরেক পোলিং কর্মকর্তা আহত হয়েছেন।

সৈয়দপুর-দিনাজপুর মহাসড়কের কলাবাগান এলাকায় শনিবার রাতে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

উপজেলার খাতামধুপুর ইউনিয়নের পূর্ব খালিশা ঢুলিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে রোববার পোলিং অফিসার হিসেবে দায়িত্বে ছিলেন তিনি।

নিহত কর্মকর্তার নাম খাদেমুল ইসলাম। তার বাড়ি দিনাজপুরের পার্বতীপুর উপজেলার বেলাইচণ্ডী গ্রামের কুঠিপাড়ায়।

আহত আব্দুল গনি বাদশার বাড়ি সৈয়দপুর উপজেলার বাঙ্গালীপুর ইউনিয়নের লক্ষনপুর গ্রামের বালাপাড়ায়। তারা দুজনই লক্ষণপুর বালাপাড়া দাখিল মাদ্রাসার শিক্ষক।

সৈয়দপুর উপজেলা নির্বাচন ও রিটার্নিং কর্মকর্তা রবিউল ইসলাম রোববার এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাতে তিনি জানান, তারা দুজন রাতের খাবারের জন্য মোটরসাইকেলে করে সৈয়দপুর শহরে যাচ্ছিলেন। পথে কলাবাগান এলাকায় রংপুরগামী একটি পিকআপ তাদের মোটরসাইকেলকে ধাক্কা দিলে ঘটনাস্থলেই মারা যান মোটরসাইকেলের চালক খাদেমুল ইসলাম।

আহতকে উদ্ধার করে প্রথমে সৈয়দপুর ১০০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালে নেয়া হয়। অবস্থার অবনতি হলে পরে তাকে রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।

সৈয়দপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল হাসনাত খান বলেন, ‘আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।’

শেয়ার করুন

মন্তব্য

ছাত্রীদের ‘যৌন হয়রানি’, স্কুলের প্রধান শিক্ষক গ্রেপ্তার

ছাত্রীদের ‘যৌন হয়রানি’, স্কুলের প্রধান শিক্ষক গ্রেপ্তার

ছাত্রীদের যৌন হয়রানির অভিযোগে গ্রেপ্তার প্রধান শিক্ষক ননী গোপাল। ছবি: নিউজবাংলা

ওই স্কুলের একাধিক ছাত্রী ও তাদের অভিভাবক প্রধান শিক্ষক ননী গোপাল হালদারের বিরুদ্ধে যৌন নির্যাতনের অভিযোগ এনেছেন। স্কুলে যাওয়া বন্ধও করে দিয়েছে বেশ কয়েকজন।

বাগেরহাটের মোড়েলগঞ্জে স্কুলছাত্রীকে যৌন হয়রানির অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়েছে প্রধান শিক্ষককে।

থানায় বুধবার রাতে ওই স্কুলের এক ছাত্রীর বাবার করা মামলায় বৃহস্পতিবার বিকাল গ্রেপ্তার করা হয় ননী গোপাল হালদার নামের ওই শিক্ষককে।

ননী চন্দনতলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক।

মোড়েলগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি-তদন্ত) তুহিন মন্ডল বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, মোড়েলগঞ্জ উপজেলার জিউধরা ইউনিয়নের বটতলা এলাকা থেকে ননীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

ওই স্কুলের একাধিক ছাত্রী ও তাদের অভিভাবক প্রধান শিক্ষক ননী গোপাল হালদারের বিরুদ্ধে যৌন নির্যাতনের অভিযোগ এনেছেন। স্কুলে যাওয়া বন্ধও করে দিয়েছে বেশ কয়েকজন।

এ নিয়ে প্রতিবেদনও হয় নিউজবাংলায়

স্কুলের দেয়া তথ্য অনুযায়ী, পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী ২৬ জন, তাদের মধ্যে ছাত্রী ১৬ জন। কয়েক দিন হলো ক্লাসে আসছে চার থেকে পাঁচ ছাত্রী।

পঞ্চম শ্রেণির এক ছাত্রী নিউজবাংলাকে বলে, ‘স্যার গেলে আমাগো ধরে। আর কত কিছু কয়। হেই জন্য যাই না।’

এক অভিভাবক জানান, যৌন হয়রানির বিষয়টি স্কুলের বাংলা শিক্ষক ময়না রাণী শিকদারকে জানালে তিনি ছাত্রীদের বলেন, ‘ওতে কী হয়? স্যার তো তোমাদের একটু আদর করতেই পারেন।’

তবে ময়না বলেন, ‘আমার কাছে কখনও কোনো ছাত্রী এমন অভিযোগ করেনি।’

গত ৫ জানুয়ারি এক ছাত্রী তার নানা-নানিকে বিষয়টি জানায়। তারা ১১ জানুয়ারি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে ননী গোপালের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগ করেন। এরপর বিষয়টি এলাকায় জানাজানি হয়। সে সময় আরও কয়েকজন ছাত্রী তাদের পরিবারকে একই অভিযোগ জানায়।

ইউএনওর কাছে অভিযোগের পরও কোনো বিচার পাননি বলে অভিযোগ অভিভাবকদের।

এ বিষয়ে ইউএনও জাহাঙ্গীর আলম নিউজবাংলাকে বুধবার বলেন, ‘লিখিত অভিযোগ পেয়ে বিষয়টি দেখার জন্য শিক্ষা কর্মকর্তাকে বলা হয়েছিল। আমাকে ওই কর্মকর্তা জানান, অভিযোগ মিথ্যা ছিল। তাই প্রত্যাহার করা হয়েছে।

‘তবে আমি জানতে পেরেছি যে ঘটনা সত্য। দ্রুতই তদন্ত করে ব্যবস্থা নেব।’

শেয়ার করুন

নলকূ‌পের পাইপ দিয়ে বেরুচ্ছে ‘গ্যাস’

নলকূ‌পের পাইপ দিয়ে বেরুচ্ছে ‘গ্যাস’

হিজলায় নলকূপের পাইপ দিয়ে গ্যাস বের হওয়া শুরু হলে আগুন ধরিয়ে পরীক্ষা করেন স্থানীয়রা। ছবি: নিইজবাংলা

স্থানীয়রা জানান, কোড়ালিয়া গ্রামে অগভীর নলকূপ স্থাপনের সময় ভূগর্ভ থেকে পানি নয়, পাইপ দিয়ে গ্যাস বেরুতে শুরু করে। শ্রমিকরা তখন লোকজনকে ডেকে বিষয়টি দেখান। গন্ধ শুঁকে তারা গ্যাস উদ্‌গিরণের বিষয়ে নিশ্চিত হন। তারা পাইপের মাথায় দিয়াশলাই দিয়ে আগুন ধরান।

বরিশালের হিজলায় নলকূপের পাইপ দিয়ে প্রাকৃতিক গ্যাস বের হচ্ছে বলে দাবি করেছেন স্থানীয়রা। ওই নলকূপের মুখে আগুন ধরিয়ে দি‌লে তা দীর্ঘসময় জ্বলছে বলেও জানান তারা।

উপজেলার গুয়াবাড়িয়া ইউনিয়নের কোড়ালিয়া গ্রামে গভীর নলকূপ বসানোর সময় বুধবার রাতে শ্রমিকরা পাইপে গ্যাসের সন্ধান পান।

হিজলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বকুল চন্দ্র কবিরাজ বৃহস্পতিবার দুপু‌রে পুলিশ নিয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।

সংশ্লিষ্ট গবেষণা দপ্তরের কর্মকর্তারা না আসা পর্যন্ত জায়গাটি ঘিরে রাখার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।

ইউএনও জানান, এ বিষয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও অনুসন্ধানের জন্য বাপেক্স ও পেট্রোবাংলাকে জানানো হবে। তারা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে।

স্থানীয়রা জানান, কোড়ালিয়া গ্রামের ইসরাফিল আকন নামের এক কৃষক ধানক্ষেতে সেচ দিতে বুধবার সকালে বাড়ির পাশে শ্রমিক দিয়ে অগভীর নলকূপ স্থাপনের কাজ শুরু করেন। রা‌তে শ্রমিকেরা প্রায় ৭০ ফুট পাইপ নামানোর পরও পানির স্তর পাচ্ছিলেন না।

তারা আরও গভীরে যাওয়ার জন্য খনন চালাতে থাকেন। কিছুক্ষণ পরই ভূগর্ভ থেকে পানি নয়, পাইপ দিয়ে গ্যাস বেরুতে শুরু করে। শ্রমিকরা তখন লোকজনকে ডেকে বিষয়টি দেখান। গন্ধ শুঁকে তারা গ্যাস উদ্‌গিরণের বিষয়ে নিশ্চিত হন। তারা পাইপের মাথায় দিয়াশলাই দিয়ে আগুন ধরান।

জমির মালিক ইসরাফিল আকন জানান, পাইপ দিয়ে গ্যাস বের হওয়া দেখে বিষয়টি রাতেই উপজেলা প্রশাসনকে জানানো হয়েছে। এই ঘটনা দেখতে গ্রামের লোকজন রাত থেকেই ভিড় জমিয়েছেন।

শেয়ার করুন

সড়কে ২ এএসআই নিহতের ঘটনা তদন্তে কমিটি

সড়কে ২ এএসআই নিহতের ঘটনা তদন্তে কমিটি

গাড়ি খাদে পড়ে নিহত হয়েছেন সোনারগাঁ থানার দুজন এসআই। ছবি: নিউজবাংলা

কমিটি প্রধান জানান, দুর্ঘটনার ঘটনার সময় পালিয়ে যাওয়া মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে পুলিশের গাড়ি খাদে পড়ে দুই উপপরিদর্শক (এএসআই) নিহতের ঘটনা তদন্তে কমিটি করেছে জেলা পুলিশ।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) মোহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমানকে প্রধান করে তিন সদস্যের এই কমিটি হয়। ৭ কার্যদিবসের মধ্যে কমিটিকে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।

এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন তদন্ত কমিটির প্রধান নিজেই।

তিনি জানান, জেলা গোয়েন্দা শাখার খ-অঞ্চলের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এসএম শাহরিয়ার হাসান ও নারায়ণগঞ্জ ডিএসবি ডিআইও-২ হুমায়ুন কবির খান এই কমিটিতে আছেন।

পুলিশের এই কর্মকর্তা বলেন, ‘আমরা ঘটনার সার্বিক বিষয়ে তদন্ত করে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে জেলা সুপারের কাছে প্রতিবেদন জমা দিব। পাশাপাশি ঘটনার সময় পালিয়ে যাওয়া মাদক কারবারিকেও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।’

সোনারগাঁ উপজেলার দত্তপাড়া এলাকায় সোমবার সন্ধ্যায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন সোনারগাঁ থানার দুই উপপরিদর্শক শরিফুল ইসলাম ও কাজী সালেহ আহম্মেদ। তাদের মধ্যে শরিফুলের বাড়ি গোপালগঞ্জের চরভাটপাড়া গ্রামে ও সালেহর বাড়ি ফরিদপুরের ভাঙ্গা থানার মুনসুরাবাদ গ্রামে।

জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) জায়েদুল আলম নিউজবাংলাকে জানান, রোববার সোনারগাঁয়ের মোগড়াপাড়া এলাকায় একটি প্রাইভেট কার থেকে ৪২ হাজার পিস ইয়াবাসহ এক ব্যক্তিকে আটক করা হয়। পরে থানায় নিয়ে তাদের নামে মামলা দেয়া হয়।

প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাতে এসপি জানান, সেই মামলার কাজে সোমবার বিকেলে আসামিকে নিয়ে আদালতে যাওয়ার পথে দত্তপাড়া এলাকায় একটি গাড়ি পুলিশের গাড়িটি ওভারটেক করতে নেয়। সেটিকে জায়গা করে দিতে গিয়ে পুলিশের গাড়িটি পাশের পুকুরে পড়ে তলিয়ে যায়।

স্থানীয়রা পুকুর থেকে শরিফুল ও সালেহকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন।

শেয়ার করুন

ধর্ষণের পর হত্যা, আসামির মৃত্যুদণ্ড

ধর্ষণের পর হত্যা, আসামির মৃত্যুদণ্ড

২০১৭ সালের ২৯ মার্চ সীতাকুণ্ডের কুমিরা এলাকায় বাড়ির পাশের পাহাড়ে কাঠ কাটতে যান ওই নারী। পরদিন ভোরে সেখানে পাওয়া যায় তার রক্তাক্ত মরদেহ।

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে গৃহবধূকে ধর্ষণের পর হত্যার দায়ে আসামির ফাঁসির আদেশ দিয়েছে আদালত। একই সঙ্গে আসামিকে ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

মামলার অন্য দুই আসামিকে বেকসুর খালাস দেয়া হয়েছে।

চট্টগ্রাম নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৪-এর বিচারক জামিউল হায়দার বৃহস্পতিবার দুপুরে এ রায় দেন।

নিউজবাংলাকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী নিখিল কুমার নাথ।

দণ্ড পাওয়া আসামি হলেন জসিম উদ্দিন।

২০১৭ সালের ২৯ মার্চ সীতাকুণ্ডের কুমিরা এলাকায় বাড়ির পাশের পাহাড়ে কাঠ কাটতে যান ওই নারী। পরদিন ভোরে সেখানে পাওয়া যায় তার রক্তাক্ত মরদেহ।

ময়নাতদন্তে জানা যায়, ধর্ষণের পর ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয়েছিল তাকে।

মরদেহ উদ্ধারের দিনই নিহতের মেয়ে মামলা করেন। তদন্ত শেষে পুলিশ পাঁচ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দেয়।

১৫ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য শেষে আদালত জসিমকে মৃত্যুদণ্ড দেয়।

শেয়ার করুন

এবার শাবি শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে বিএনপির সংহতি

এবার শাবি শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে বিএনপির সংহতি

শাবি শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের সঙ্গে সংহতি জানিয়েছেন সিলেট মহানগর বিএনপির নেতারা। ছবি: নিউজবাংলা

মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক আব্দুল কাইয়ুম জালালী পংকী বলেন, ‘একজন সচেতন নাগরিক হিসেবে আমরা এই আন্দোলনে সংহতি জানাতে এসেছি। শিক্ষার্থীদের দাবির সঙ্গে আমরাও একমত। এই উপাচার্যের অবিলম্বে পদত্যাগ করা উচিত।’

উপাচার্যের পদত্যাগ দাবিতে আন্দোলনরত সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সংহতি প্রকাশ করেছেন সিলেটের বিএনপি নেতারা।

সিলেট মহানগর বিএনপির ছয়-সাতজন শীর্ষ নেতা বৃহস্পতিবার বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ে এসে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে সংহতি প্রকাশ করেন।

এর দুদিন আগে আওয়ামী লীগ নেতারা বিশ্ববিদ্যালয়ে এসে আন্দোলনের সঙ্গে সংহতি জানান।

মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক আব্দুল কাইয়ুম জালালী পংকীর নেতৃত্বে বৃহস্পতিবার বিকেলে দলটির নেতারা শাবি উপাচার্যের বাসভবনের সামনে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনস্থলে আসেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব মিফতাহ সিদ্দিকী, যুগ্ম আহ্বায়ক এমদাদ হোসেন, রেজাউল হাসান কয়েস লোদী, সালেহ আহমদ খসরুসহ কয়েকজন। তারা সেখানে কিছুক্ষণ অপেক্ষা করেন ও আন্দোলনকারীদের সঙ্গে কথা বলেন।

মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক আব্দুল কাইয়ুম জালালী পংকী বলেন, ‘একজন সচেতন নাগরিক হিসেবে আমরা এই আন্দোলনে সংহতি জানাতে এসেছি। শিক্ষার্থীদের দাবির সঙ্গে আমরাও একমত। এই উপাচার্যের অবিলম্বে পদত্যাগ করা উচিত।’

তিনি বলেন, ‘শিক্ষার্থীরা যেহেতু চাচ্ছে, তাহলে ওনার (উপাচার্যের) সরে যাওয়াই উচিত।’

আন্দোলনকারী শিক্ষার্থী মোহাইমিনুল বাশার বলেন, ‘আমাদের আন্দোলনে যে কেউ সংহতি জানাতে পারেন। যেকোনো দলের নেতারাই আসতে পারেন। তবে এটি কোনো দলীয় আন্দোলন নয়, সাধারণ শিক্ষার্থীদের আন্দোলন।’

শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে সংহতি জানিয়ে আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক শফিউল আলম মঙ্গলবার বলেছিলেন, ‘আমাদের দল ও সরকার আপনাদের পাশে আছে। আমরা প্রশাসনের সঙ্গে কথা বলে এই সংকট থেকে বের হয়ে আসার একটি পথ খুঁজে বের করার চেষ্টা করব।

‘আমি আপনাদের দাবির প্রতি একমত। আপনাদের প্রাথমিক দাবিগুলো যাতে দ্রুত বাস্তবায়ন হয় সে চেষ্টা করব। তবে আমাদের একটু সময় দিতে হবে। যাতে এই বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার পরিবেশ ফিরে আসে সে চেষ্টা চালাব।’

শফিউল আলমের সঙ্গে সিলেট মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক জাকির হোসেন, যুগ্ম সম্পাদক বিধান কুমার সাহাসহ আরও অনেকে ছিলেন।

শেয়ার করুন

শ্রমিকদের ওপর ‘হামলা’: শরীয়তপুরে বাস ধর্মঘট

শ্রমিকদের ওপর ‘হামলা’: শরীয়তপুরে বাস ধর্মঘট

সন্ত্রাসী হামলার প্রতিবাদে শরীয়তপুরে বাস শ্রমিকের ধর্মঘটে স্থবির বাস টার্মিনাল। ছবি: নিউজবাংলা

পালং মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আক্তার হোসেন বলেন, ‘পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করে। এ ঘটনায় কোনো হতাহত হয়নি। কেউ কোনো অভিযোগও করেনি। পেলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে। যাত্রীভোগান্তি বন্ধে দ্রুত বাস চলাচল শুরুর জন্য পরিবহন শ্রমিকদের সঙ্গে আলোচনা চলছে।’

শরীয়তপুরে বাসশ্রমিক ইউনিয়ন ও মালিক সমিতির ডাকা ধর্মঘটে বিপাকে যাত্রীরা। বাস টার্মিনালগুলোতে এসে ফিরে যাচ্ছেন তারা। অনেকে বাড়তি টাকায় বিকল্প যানে গন্তব্যে যাচ্ছেন।

সন্ত্রাসী হামলার প্রতিবাদে বৃহস্পতিবার বেলা ২টার দিকে ধর্মঘটে যান পরিবহন শ্রমিকরা। পুলিশ বলছে, বাস চলাচল চালুর বিষয়ে পরিবহন নেতাদের সঙ্গে তাদের আলোচনা চলছে।

ইব্রাহিম হোসেন নামে এক যাত্রী নিউজবাংলাকে বলেন, ‘ছয় মাসের সন্তান, স্ত্রী ও এক মেয়েকে নিয়ে ঢাকার উদ্দেশে বাস কাউন্টারে আসি। তখন জানতে পারি, বাস চলাচল বন্ধ। কিন্তু মেয়ের চিকিৎসার জন্য আজই তার যাওয়া জরুরি।

ইয়াসমিন আক্তার নামের আরেক যাত্রী বলেন, ‘অফিস শেষে গোসাইরহাটে যাব। সেখানে আমার বাড়ি। কিন্তু এসে শুনি ধর্মঘট। বাস না পাওয়ায় অটোরিকশায় যাব। এ জন্য সময়ের সঙ্গে বাড়তি টাকা গুনতে হচ্ছে।’

স্থানীয়দের বরাতে পুলিশ জানায়, দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে সদর উপজেলার পালং ইউনিয়নের বালাখানা এলাকায় বাসশ্রমিকদের ওপর বোমা ছোড়ে সন্ত্রাসীরা। এরপর দেশীয় অস্ত্র নিয়ে চালায় হামলা।

বাস শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক আলী মাদবর ও মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক বাচ্চু ব্যাপারী ঘটনাস্থলে গেলে তাদের ওপরও চড়াও হয় সন্ত্রাসীরা। একপর্যায়ে তারা পালং ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে আশ্রয় নেন। সন্ত্রাসীরা সেখানেও বোমা হামলা চালায়। পুলিশ আসলে তারা পালিয়ে যায়।

শ্রমিকদের ওপর ‘হামলা’: শরীয়তপুরে বাস ধর্মঘট

জেলা বাস শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক আলী মাদবর নিউজবাংলাকে বলেন, ‘বালাখানায় বাসশ্রমিকদের ওপর চিহ্নিত সন্ত্রাসীরা বোমা হামলা চালিয়েছে। শ্রমিকদের কোনো নিরাপত্তা নাই। তাই তারা বাস চালাবেন না। যতক্ষণ পর্যন্ত হামলাকারীরা গ্রেপ্তার হবে না, ততক্ষণ আন্দোলন চলবে।’

পালং মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আক্তার হোসেন বলেন, ‘পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করে। এ ঘটনায় কোনো হতাহত হয়নি। কেউ কোনো অভিযোগও করেনি। পেলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে। যাত্রীভোগান্তি বন্ধে দ্রুত বাস চলাচল শুরুর জন্য পরিবহন শ্রমিকদের সঙ্গে আলোচনা চলছে।’

শেয়ার করুন

মাকে হত্যা, ১০ মাসের সন্তানকে ছুড়ে ফেলা হলো সড়কের ধারে

মাকে হত্যা, ১০ মাসের সন্তানকে ছুড়ে ফেলা হলো সড়কের ধারে

তামিমকে তার বাড়ি গোপালগঞ্জের বেদ গ্রাম থেকে আটক করেছে পুলিশ। ছবি: নিউজবাংলা

ওসি গোলাম সরোয়ার বলেন, ‘তামিম জানিয়েছেন, বুধবার রাশিদাকে নিয়ে গোপালগঞ্জের একটি হোটেলে অবস্থান করেন তিনি। রাত ৮টার পরে সেখান থেকে বের হয়ে অপর লোকজনের সহায়তায় রাশিদাকে হত্যা করেন। ওই রাতে একটি ‌থ্রি হুইলার ভাড়া করে আগৈলঝাড়ার বাইপাস মহাসড়কের পাশে রাশিদার লাশ ও তার শিশুসন্তানকে ফেলে রেখে পালিয়ে যান।’

বরিশালের আগৈলঝাড়া উপজেলায় মাকে হত্যা করে তার শিশুসন্তানকে রাস্তার ধারে ফেলে রাখার ঘটনা ঘটেছে।

মরদেহ উদ্ধারের তিন ঘণ্টার মধ্যে হত্যায় জড়িত থাকার অভিযোগে গোপালগঞ্জ থেকে আটক করা হয় নিহতের স্বামীকে। পরে তার বিরুদ্ধে মামলা হলে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

বৃহস্পতিবার ভোরে উপজেলার বাইপাস মহাসড়কের পাশে ঘেরের পাশ থেকে রাশিদা বেগমের রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে পুলিশ আটক করে তার স্বামী তামিম শেখকে।

রাশিদা আগৈলঝাড়ার নগড়বাড়ি গ্রামের মৃত করিম শাহের মেয়ে। তিনি উপজেলার ১ নম্বর ব্রিজসংলগ্ন এলাকায় থাকতেন।

রাশিদা ও তামিম বিয়ে করেছিলেন দুই বছর আগে। তামিমের আগের স্ত্রীর দুটি ছেলেসন্তান রয়েছে। রাশিদার গর্ভে জন্ম নেয়া তার সন্তানের বয়স ১০ মাস।

আগৈলঝাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা গোলাম সরোয়ার বলেন, স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে উপজেলার বাইপাস মহাসড়কের পাশে ঘেরের পাড় থেকে রাশিদার রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। কান্নার আওয়াজ পেয়ে রাশিদার ১০ মাস বয়সী শিশুপুত্র তানিমকে মায়ের মরদেহের পাঁচ শ গজ দূরে সড়কের পাশ থেকে উদ্ধার করা হয়।’

তিনি বলেন, ‘মরদেহ উদ্ধারের পরপরই ঘটনার পারিপার্শ্বিক অবস্থা দেখে রাশিদার স্বামীর বাড়িতে অভিযান পরিচালনা করা হয়।’

অভিযান পরিচালনাকারী পরিদর্শক (তদন্ত) মাজহারুল ইসলাম জানান, তামিমকে তার বাড়ি গোপালগঞ্জের বেদ গ্রাম থেকে রক্তমাখা জুতা ও জামা পরা অবস্থায় আটক করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে তিনি স্ত্রী হত্যার দায় স্বীকার করেন।

দুপুরে তামিমকে নিয়ে হত্যার ঘটনাস্থল বেদগ্রাম পরিদর্শন এবং হত্যায় ব্যবহৃত হাতুড়ি ও দেশীয় অস্ত্র উদ্ধারে অভিযান চালানো হয়।

ওসি গোলাম সরোয়ার বলেন, ‘তামিম জানিয়েছেন, বুধবার রাশিদাকে নিয়ে গোপালগঞ্জের একটি হোটেলে অবস্থান করেন তিনি। রাত ৮টার পরে সেখান থেকে বের হয়ে অপর লোকজনের সহায়তায় রাশিদাকে হত্যা করেন।

‘ওই রাতে একটি ‌থ্রি হুইলার ভাড়া করে আগৈলঝাড়ার বাইপাস মহাসড়কের পাশে রাশিদার মরদেহ ও তার শিশুসন্তানকে ফেলে রেখে পালিয়ে যান।’

মরদেহের সুরতহাল শেষে ময়নাতদন্তের জন্য শের-ই বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

তামিম শেখসহ অজ্ঞাতনামা ২-৩ জনকে আসামি করে আগৈলঝাড়া থানায় মামলা করেছেন রাশিদার ভাই আলামিন শাহ। এই মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে বৃহস্পতিবার বিকেলে তামিমকে বরিশাল আদালতে তোলা হয়। পরে বিচারক তাকে কারাগারে পাঠান।

শেয়ার করুন