বাড়ি এলো যমজ বোনের কফিন

player
বাড়ি এলো যমজ বোনের কফিন

মৃতদের স্বজনরা জানায়, মা শিমু আক্তার ও নানি দুলু বেগম লামিয়া ও সামিয়াকে নিয়ে বৃহস্পতিবার তাদের দাদার বাড়ি বরগুনায় বেড়াতে আসছিলেন। বাবা রফিক অফিসের কাজে ব্যস্ত থাকায় তার আসা হয়নি। বৃহস্পতিবার রাতে সদরঘাট থেকে এমভি অভিযান-১০ লঞ্চটিতে ওঠেন তারা...

বাবা-মায়ের সঙ্গে ঢাকায় থাকত যমজ দুই বোন শিশু লামিয়া ও সামিয়া। নানি আর মায়ের সঙ্গে বৃহস্পতিবার রাতে বরগুনার তালতলী দাদার বাড়িতে বেড়াতে আসছিল তারা। দুই বোন বাড়িতে এলো ঠিকই, তবে কফিন হয়ে।

বৃহস্পতিবার রাত ৩টার দিকে ঢাকা থেকে বরগুনাগামী এমভি অভিযান-১০ লঞ্চের আগুনে মৃত্যু হয় তাদের।

শনিবার সকালে বরগুনা জেনারেল হাসপাতালের মর্গে চার বছর বয়সী লামিয়া ও সামিয়ার মরদেহ শনাক্ত করেছে স্বজনরা। মামার কাছে তাদের লাশ হস্তান্তর করেছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

সামিয়া ও লামিয়া বরগুনার তালতলী উপজেলার আগাপাড়া গ্রামের রফিক হোসেনের মেয়ে।

মৃতদের স্বজনরা জানায়, মা শিমু আক্তার ও নানি দুলু বেগম লামিয়া ও সামিয়াকে নিয়ে বৃহস্পতিবার তাদের দাদার বাড়ি বরগুনায় বেড়াতে আসছিলেন। বাবা রফিক অফিসের কাজে ব্যস্ত থাকায় তার আসা হয়নি।

বৃহস্পতিবার রাতে সদরঘাট থেকে এমভি অভিযান-১০ লঞ্চটিতে ওঠেন তারা। বরগুনাগামী লঞ্চটি ঝালকাঠির সুগন্ধা নদীতে এলে রাত ৩টার দিকে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।

এতে গুরুতর দগ্ধ হয়ে ঘটনাস্থলেই মারা যায় সামিয়া ও লামিয়া।

তাদের নানি দুলু বেগম গুরুতর আহত হয়ে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

এ ঘটনায় মা শিমু আক্তার এখনও নিখোঁজ রয়েছেন। তাদের বাবা রফিক স্ত্রীকে খুঁজতে বরিশালে আছেন।

লঞ্চে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন আরেকজনের মৃত্যু হয়েছে।

এ নিয়ে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৯ জনে। মৃত ব্যক্তিদের ৩৭ জনই বরগুনার। স্বজনদের কাছে এখন পর্যন্ত সাতটি মরদেহ হস্তান্তর করা হয়েছে।

আরও পড়ুন:
বরিশালে রোগী দেখছেন বার্ন ইনস্টিটিউটের চিকিৎসকরা
সকাল হতেই ফের উদ্ধার অভিযানে ফায়ার সার্ভিস
লঞ্চে আগুন: মৃত্যু বেড়ে ৩৯
প্রিয়জনদের খুঁজতে সুগন্ধায় স্বজনরা
বরগুনা পৌঁছেছে ৩৩ মরদেহ

শেয়ার করুন

মন্তব্য

নলকূ‌পের পাইপ দিয়ে বেরুচ্ছে ‘গ্যাস’

নলকূ‌পের পাইপ দিয়ে বেরুচ্ছে ‘গ্যাস’

হিজলায় নলকূপের পাইপ দিয়ে গ্যাস বের হওয়া শুরু হলে আগুন ধরিয়ে পরীক্ষা করেন স্থানীয়রা। ছবি: নিইজবাংলা

স্থানীয়রা জানান, কোড়ালিয়া গ্রামে অগভীর নলকূপ স্থাপনের সময় ভূগর্ভ থেকে পানি নয়, পাইপ দিয়ে গ্যাস বেরুতে শুরু করে। শ্রমিকরা তখন লোকজনকে ডেকে বিষয়টি দেখান। গন্ধ শুঁকে তারা গ্যাস উদ্‌গিরণের বিষয়ে নিশ্চিত হন। তারা পাইপের মাথায় দিয়াশলাই দিয়ে আগুন ধরান।

বরিশালের হিজলায় নলকূপের পাইপ দিয়ে প্রাকৃতিক গ্যাস বের হচ্ছে বলে দাবি করেছেন স্থানীয়রা। ওই নলকূপের মুখে আগুন ধরিয়ে দি‌লে তা দীর্ঘসময় জ্বলছে বলেও জানান তারা।

উপজেলার গুয়াবাড়িয়া ইউনিয়নের কোড়ালিয়া গ্রামে গভীর নলকূপ বসানোর সময় বুধবার রাতে শ্রমিকরা পাইপে গ্যাসের সন্ধান পান।

হিজলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বকুল চন্দ্র কবিরাজ বৃহস্পতিবার দুপু‌রে পুলিশ নিয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।

সংশ্লিষ্ট গবেষণা দপ্তরের কর্মকর্তারা না আসা পর্যন্ত জায়গাটি ঘিরে রাখার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।

ইউএনও জানান, এ বিষয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও অনুসন্ধানের জন্য বাপেক্স ও পেট্রোবাংলাকে জানানো হবে। তারা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে।

স্থানীয়রা জানান, কোড়ালিয়া গ্রামের ইসরাফিল আকন নামের এক কৃষক ধানক্ষেতে সেচ দিতে বুধবার সকালে বাড়ির পাশে শ্রমিক দিয়ে অগভীর নলকূপ স্থাপনের কাজ শুরু করেন। রা‌তে শ্রমিকেরা প্রায় ৭০ ফুট পাইপ নামানোর পরও পানির স্তর পাচ্ছিলেন না।

তারা আরও গভীরে যাওয়ার জন্য খনন চালাতে থাকেন। কিছুক্ষণ পরই ভূগর্ভ থেকে পানি নয়, পাইপ দিয়ে গ্যাস বেরুতে শুরু করে। শ্রমিকরা তখন লোকজনকে ডেকে বিষয়টি দেখান। গন্ধ শুঁকে তারা গ্যাস উদ্‌গিরণের বিষয়ে নিশ্চিত হন। তারা পাইপের মাথায় দিয়াশলাই দিয়ে আগুন ধরান।

জমির মালিক ইসরাফিল আকন জানান, পাইপ দিয়ে গ্যাস বের হওয়া দেখে বিষয়টি রাতেই উপজেলা প্রশাসনকে জানানো হয়েছে। এই ঘটনা দেখতে গ্রামের লোকজন রাত থেকেই ভিড় জমিয়েছেন।

আরও পড়ুন:
বরিশালে রোগী দেখছেন বার্ন ইনস্টিটিউটের চিকিৎসকরা
সকাল হতেই ফের উদ্ধার অভিযানে ফায়ার সার্ভিস
লঞ্চে আগুন: মৃত্যু বেড়ে ৩৯
প্রিয়জনদের খুঁজতে সুগন্ধায় স্বজনরা
বরগুনা পৌঁছেছে ৩৩ মরদেহ

শেয়ার করুন

সড়কে ২ এএসআই নিহতের ঘটনা তদন্তে কমিটি

সড়কে ২ এএসআই নিহতের ঘটনা তদন্তে কমিটি

গাড়ি খাদে পড়ে নিহত হয়েছেন সোনারগাঁ থানার দুজন এসআই। ছবি: নিউজবাংলা

কমিটি প্রধান জানান, দুর্ঘটনার ঘটনার সময় পালিয়ে যাওয়া মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে পুলিশের গাড়ি খাদে পড়ে দুই উপপরিদর্শক (এএসআই) নিহতের ঘটনা তদন্তে কমিটি করেছে জেলা পুলিশ।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) মোহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমানকে প্রধান করে তিন সদস্যের এই কমিটি হয়। ৭ কার্যদিবসের মধ্যে কমিটিকে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।

এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন তদন্ত কমিটির প্রধান নিজেই।

তিনি জানান, জেলা গোয়েন্দা শাখার খ-অঞ্চলের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এসএম শাহরিয়ার হাসান ও নারায়ণগঞ্জ ডিএসবি ডিআইও-২ হুমায়ুন কবির খান এই কমিটিতে আছেন।

পুলিশের এই কর্মকর্তা বলেন, ‘আমরা ঘটনার সার্বিক বিষয়ে তদন্ত করে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে জেলা সুপারের কাছে প্রতিবেদন জমা দিব। পাশাপাশি ঘটনার সময় পালিয়ে যাওয়া মাদক কারবারিকেও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।’

সোনারগাঁ উপজেলার দত্তপাড়া এলাকায় সোমবার সন্ধ্যায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন সোনারগাঁ থানার দুই উপপরিদর্শক শরিফুল ইসলাম ও কাজী সালেহ আহম্মেদ। তাদের মধ্যে শরিফুলের বাড়ি গোপালগঞ্জের চরভাটপাড়া গ্রামে ও সালেহর বাড়ি ফরিদপুরের ভাঙ্গা থানার মুনসুরাবাদ গ্রামে।

জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) জায়েদুল আলম নিউজবাংলাকে জানান, রোববার সোনারগাঁয়ের মোগড়াপাড়া এলাকায় একটি প্রাইভেট কার থেকে ৪২ হাজার পিস ইয়াবাসহ এক ব্যক্তিকে আটক করা হয়। পরে থানায় নিয়ে তাদের নামে মামলা দেয়া হয়।

প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাতে এসপি জানান, সেই মামলার কাজে সোমবার বিকেলে আসামিকে নিয়ে আদালতে যাওয়ার পথে দত্তপাড়া এলাকায় একটি গাড়ি পুলিশের গাড়িটি ওভারটেক করতে নেয়। সেটিকে জায়গা করে দিতে গিয়ে পুলিশের গাড়িটি পাশের পুকুরে পড়ে তলিয়ে যায়।

স্থানীয়রা পুকুর থেকে শরিফুল ও সালেহকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন।

আরও পড়ুন:
বরিশালে রোগী দেখছেন বার্ন ইনস্টিটিউটের চিকিৎসকরা
সকাল হতেই ফের উদ্ধার অভিযানে ফায়ার সার্ভিস
লঞ্চে আগুন: মৃত্যু বেড়ে ৩৯
প্রিয়জনদের খুঁজতে সুগন্ধায় স্বজনরা
বরগুনা পৌঁছেছে ৩৩ মরদেহ

শেয়ার করুন

ধর্ষণের পর হত্যা, আসামির মৃত্যুদণ্ড

ধর্ষণের পর হত্যা, আসামির মৃত্যুদণ্ড

২০১৭ সালের ২৯ মার্চ সীতাকুণ্ডের কুমিরা এলাকায় বাড়ির পাশের পাহাড়ে কাঠ কাটতে যান ওই নারী। পরদিন ভোরে সেখানে পাওয়া যায় তার রক্তাক্ত মরদেহ।

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে গৃহবধূকে ধর্ষণের পর হত্যার দায়ে আসামির ফাঁসির আদেশ দিয়েছে আদালত। একই সঙ্গে আসামিকে ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

মামলার অন্য দুই আসামিকে বেকসুর খালাস দেয়া হয়েছে।

চট্টগ্রাম নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৪-এর বিচারক জামিউল হায়দার বৃহস্পতিবার দুপুরে এ রায় দেন।

নিউজবাংলাকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী নিখিল কুমার নাথ।

দণ্ড পাওয়া আসামি হলেন জসিম উদ্দিন।

২০১৭ সালের ২৯ মার্চ সীতাকুণ্ডের কুমিরা এলাকায় বাড়ির পাশের পাহাড়ে কাঠ কাটতে যান ওই নারী। পরদিন ভোরে সেখানে পাওয়া যায় তার রক্তাক্ত মরদেহ।

ময়নাতদন্তে জানা যায়, ধর্ষণের পর ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয়েছিল তাকে।

মরদেহ উদ্ধারের দিনই নিহতের মেয়ে মামলা করেন। তদন্ত শেষে পুলিশ পাঁচ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দেয়।

১৫ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য শেষে আদালত জসিমকে মৃত্যুদণ্ড দেয়।

আরও পড়ুন:
বরিশালে রোগী দেখছেন বার্ন ইনস্টিটিউটের চিকিৎসকরা
সকাল হতেই ফের উদ্ধার অভিযানে ফায়ার সার্ভিস
লঞ্চে আগুন: মৃত্যু বেড়ে ৩৯
প্রিয়জনদের খুঁজতে সুগন্ধায় স্বজনরা
বরগুনা পৌঁছেছে ৩৩ মরদেহ

শেয়ার করুন

এবার শাবি শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে বিএনপির সংহতি

এবার শাবি শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে বিএনপির সংহতি

শাবি শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের সঙ্গে সংহতি জানিয়েছেন সিলেট মহানগর বিএনপির নেতারা। ছবি: নিউজবাংলা

মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক আব্দুল কাইয়ুম জালালী পংকী বলেন, ‘একজন সচেতন নাগরিক হিসেবে আমরা এই আন্দোলনে সংহতি জানাতে এসেছি। শিক্ষার্থীদের দাবির সঙ্গে আমরাও একমত। এই উপাচার্যের অবিলম্বে পদত্যাগ করা উচিত।’

উপাচার্যের পদত্যাগ দাবিতে আন্দোলনরত সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সংহতি প্রকাশ করেছেন সিলেটের বিএনপি নেতারা।

সিলেট মহানগর বিএনপির ছয়-সাতজন শীর্ষ নেতা বৃহস্পতিবার বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ে এসে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে সংহতি প্রকাশ করেন।

এর দুদিন আগে আওয়ামী লীগ নেতারা বিশ্ববিদ্যালয়ে এসে আন্দোলনের সঙ্গে সংহতি জানান।

মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক আব্দুল কাইয়ুম জালালী পংকীর নেতৃত্বে বৃহস্পতিবার বিকেলে দলটির নেতারা শাবি উপাচার্যের বাসভবনের সামনে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনস্থলে আসেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব মিফতাহ সিদ্দিকী, যুগ্ম আহ্বায়ক এমদাদ হোসেন, রেজাউল হাসান কয়েস লোদী, সালেহ আহমদ খসরুসহ কয়েকজন। তারা সেখানে কিছুক্ষণ অপেক্ষা করেন ও আন্দোলনকারীদের সঙ্গে কথা বলেন।

মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক আব্দুল কাইয়ুম জালালী পংকী বলেন, ‘একজন সচেতন নাগরিক হিসেবে আমরা এই আন্দোলনে সংহতি জানাতে এসেছি। শিক্ষার্থীদের দাবির সঙ্গে আমরাও একমত। এই উপাচার্যের অবিলম্বে পদত্যাগ করা উচিত।’

তিনি বলেন, ‘শিক্ষার্থীরা যেহেতু চাচ্ছে, তাহলে ওনার (উপাচার্যের) সরে যাওয়াই উচিত।’

আন্দোলনকারী শিক্ষার্থী মোহাইমিনুল বাশার বলেন, ‘আমাদের আন্দোলনে যে কেউ সংহতি জানাতে পারেন। যেকোনো দলের নেতারাই আসতে পারেন। তবে এটি কোনো দলীয় আন্দোলন নয়, সাধারণ শিক্ষার্থীদের আন্দোলন।’

শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে সংহতি জানিয়ে আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক শফিউল আলম মঙ্গলবার বলেছিলেন, ‘আমাদের দল ও সরকার আপনাদের পাশে আছে। আমরা প্রশাসনের সঙ্গে কথা বলে এই সংকট থেকে বের হয়ে আসার একটি পথ খুঁজে বের করার চেষ্টা করব।

‘আমি আপনাদের দাবির প্রতি একমত। আপনাদের প্রাথমিক দাবিগুলো যাতে দ্রুত বাস্তবায়ন হয় সে চেষ্টা করব। তবে আমাদের একটু সময় দিতে হবে। যাতে এই বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার পরিবেশ ফিরে আসে সে চেষ্টা চালাব।’

শফিউল আলমের সঙ্গে সিলেট মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক জাকির হোসেন, যুগ্ম সম্পাদক বিধান কুমার সাহাসহ আরও অনেকে ছিলেন।

আরও পড়ুন:
বরিশালে রোগী দেখছেন বার্ন ইনস্টিটিউটের চিকিৎসকরা
সকাল হতেই ফের উদ্ধার অভিযানে ফায়ার সার্ভিস
লঞ্চে আগুন: মৃত্যু বেড়ে ৩৯
প্রিয়জনদের খুঁজতে সুগন্ধায় স্বজনরা
বরগুনা পৌঁছেছে ৩৩ মরদেহ

শেয়ার করুন

শ্রমিকদের ওপর ‘হামলা’: শরীয়তপুরে বাস ধর্মঘট

শ্রমিকদের ওপর ‘হামলা’: শরীয়তপুরে বাস ধর্মঘট

সন্ত্রাসী হামলার প্রতিবাদে শরীয়তপুরে বাস শ্রমিকের ধর্মঘটে স্থবির বাস টার্মিনাল। ছবি: নিউজবাংলা

পালং মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আক্তার হোসেন বলেন, ‘পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করে। এ ঘটনায় কোনো হতাহত হয়নি। কেউ কোনো অভিযোগও করেনি। পেলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে। যাত্রীভোগান্তি বন্ধে দ্রুত বাস চলাচল শুরুর জন্য পরিবহন শ্রমিকদের সঙ্গে আলোচনা চলছে।’

শরীয়তপুরে বাসশ্রমিক ইউনিয়ন ও মালিক সমিতির ডাকা ধর্মঘটে বিপাকে যাত্রীরা। বাস টার্মিনালগুলোতে এসে ফিরে যাচ্ছেন তারা। অনেকে বাড়তি টাকায় বিকল্প যানে গন্তব্যে যাচ্ছেন।

সন্ত্রাসী হামলার প্রতিবাদে বৃহস্পতিবার বেলা ২টার দিকে ধর্মঘটে যান পরিবহন শ্রমিকরা। পুলিশ বলছে, বাস চলাচল চালুর বিষয়ে পরিবহন নেতাদের সঙ্গে তাদের আলোচনা চলছে।

ইব্রাহিম হোসেন নামে এক যাত্রী নিউজবাংলাকে বলেন, ‘ছয় মাসের সন্তান, স্ত্রী ও এক মেয়েকে নিয়ে ঢাকার উদ্দেশে বাস কাউন্টারে আসি। তখন জানতে পারি, বাস চলাচল বন্ধ। কিন্তু মেয়ের চিকিৎসার জন্য আজই তার যাওয়া জরুরি।

ইয়াসমিন আক্তার নামের আরেক যাত্রী বলেন, ‘অফিস শেষে গোসাইরহাটে যাব। সেখানে আমার বাড়ি। কিন্তু এসে শুনি ধর্মঘট। বাস না পাওয়ায় অটোরিকশায় যাব। এ জন্য সময়ের সঙ্গে বাড়তি টাকা গুনতে হচ্ছে।’

স্থানীয়দের বরাতে পুলিশ জানায়, দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে সদর উপজেলার পালং ইউনিয়নের বালাখানা এলাকায় বাসশ্রমিকদের ওপর বোমা ছোড়ে সন্ত্রাসীরা। এরপর দেশীয় অস্ত্র নিয়ে চালায় হামলা।

বাস শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক আলী মাদবর ও মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক বাচ্চু ব্যাপারী ঘটনাস্থলে গেলে তাদের ওপরও চড়াও হয় সন্ত্রাসীরা। একপর্যায়ে তারা পালং ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে আশ্রয় নেন। সন্ত্রাসীরা সেখানেও বোমা হামলা চালায়। পুলিশ আসলে তারা পালিয়ে যায়।

শ্রমিকদের ওপর ‘হামলা’: শরীয়তপুরে বাস ধর্মঘট

জেলা বাস শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক আলী মাদবর নিউজবাংলাকে বলেন, ‘বালাখানায় বাসশ্রমিকদের ওপর চিহ্নিত সন্ত্রাসীরা বোমা হামলা চালিয়েছে। শ্রমিকদের কোনো নিরাপত্তা নাই। তাই তারা বাস চালাবেন না। যতক্ষণ পর্যন্ত হামলাকারীরা গ্রেপ্তার হবে না, ততক্ষণ আন্দোলন চলবে।’

পালং মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আক্তার হোসেন বলেন, ‘পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করে। এ ঘটনায় কোনো হতাহত হয়নি। কেউ কোনো অভিযোগও করেনি। পেলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে। যাত্রীভোগান্তি বন্ধে দ্রুত বাস চলাচল শুরুর জন্য পরিবহন শ্রমিকদের সঙ্গে আলোচনা চলছে।’

আরও পড়ুন:
বরিশালে রোগী দেখছেন বার্ন ইনস্টিটিউটের চিকিৎসকরা
সকাল হতেই ফের উদ্ধার অভিযানে ফায়ার সার্ভিস
লঞ্চে আগুন: মৃত্যু বেড়ে ৩৯
প্রিয়জনদের খুঁজতে সুগন্ধায় স্বজনরা
বরগুনা পৌঁছেছে ৩৩ মরদেহ

শেয়ার করুন

মাকে হত্যা, ১০ মাসের সন্তানকে ছুড়ে ফেলা হলো সড়কের ধারে

মাকে হত্যা, ১০ মাসের সন্তানকে ছুড়ে ফেলা হলো সড়কের ধারে

তামিমকে তার বাড়ি গোপালগঞ্জের বেদ গ্রাম থেকে আটক করেছে পুলিশ। ছবি: নিউজবাংলা

ওসি গোলাম সরোয়ার বলেন, ‘তামিম জানিয়েছেন, বুধবার রাশিদাকে নিয়ে গোপালগঞ্জের একটি হোটেলে অবস্থান করেন তিনি। রাত ৮টার পরে সেখান থেকে বের হয়ে অপর লোকজনের সহায়তায় রাশিদাকে হত্যা করেন। ওই রাতে একটি ‌থ্রি হুইলার ভাড়া করে আগৈলঝাড়ার বাইপাস মহাসড়কের পাশে রাশিদার লাশ ও তার শিশুসন্তানকে ফেলে রেখে পালিয়ে যান।’

বরিশালের আগৈলঝাড়া উপজেলায় মাকে হত্যা করে তার শিশুসন্তানকে রাস্তার ধারে ফেলে রাখার ঘটনা ঘটেছে।

মরদেহ উদ্ধারের তিন ঘণ্টার মধ্যে হত্যায় জড়িত থাকার অভিযোগে গোপালগঞ্জ থেকে আটক করা হয় নিহতের স্বামীকে। পরে তার বিরুদ্ধে মামলা হলে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

বৃহস্পতিবার ভোরে উপজেলার বাইপাস মহাসড়কের পাশে ঘেরের পাশ থেকে রাশিদা বেগমের রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে পুলিশ আটক করে তার স্বামী তামিম শেখকে।

রাশিদা আগৈলঝাড়ার নগড়বাড়ি গ্রামের মৃত করিম শাহের মেয়ে। তিনি উপজেলার ১ নম্বর ব্রিজসংলগ্ন এলাকায় থাকতেন।

রাশিদা ও তামিম বিয়ে করেছিলেন দুই বছর আগে। তামিমের আগের স্ত্রীর দুটি ছেলেসন্তান রয়েছে। রাশিদার গর্ভে জন্ম নেয়া তার সন্তানের বয়স ১০ মাস।

আগৈলঝাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা গোলাম সরোয়ার বলেন, স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে উপজেলার বাইপাস মহাসড়কের পাশে ঘেরের পাড় থেকে রাশিদার রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। কান্নার আওয়াজ পেয়ে রাশিদার ১০ মাস বয়সী শিশুপুত্র তানিমকে মায়ের মরদেহের পাঁচ শ গজ দূরে সড়কের পাশ থেকে উদ্ধার করা হয়।’

তিনি বলেন, ‘মরদেহ উদ্ধারের পরপরই ঘটনার পারিপার্শ্বিক অবস্থা দেখে রাশিদার স্বামীর বাড়িতে অভিযান পরিচালনা করা হয়।’

অভিযান পরিচালনাকারী পরিদর্শক (তদন্ত) মাজহারুল ইসলাম জানান, তামিমকে তার বাড়ি গোপালগঞ্জের বেদ গ্রাম থেকে রক্তমাখা জুতা ও জামা পরা অবস্থায় আটক করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে তিনি স্ত্রী হত্যার দায় স্বীকার করেন।

দুপুরে তামিমকে নিয়ে হত্যার ঘটনাস্থল বেদগ্রাম পরিদর্শন এবং হত্যায় ব্যবহৃত হাতুড়ি ও দেশীয় অস্ত্র উদ্ধারে অভিযান চালানো হয়।

ওসি গোলাম সরোয়ার বলেন, ‘তামিম জানিয়েছেন, বুধবার রাশিদাকে নিয়ে গোপালগঞ্জের একটি হোটেলে অবস্থান করেন তিনি। রাত ৮টার পরে সেখান থেকে বের হয়ে অপর লোকজনের সহায়তায় রাশিদাকে হত্যা করেন।

‘ওই রাতে একটি ‌থ্রি হুইলার ভাড়া করে আগৈলঝাড়ার বাইপাস মহাসড়কের পাশে রাশিদার মরদেহ ও তার শিশুসন্তানকে ফেলে রেখে পালিয়ে যান।’

মরদেহের সুরতহাল শেষে ময়নাতদন্তের জন্য শের-ই বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

তামিম শেখসহ অজ্ঞাতনামা ২-৩ জনকে আসামি করে আগৈলঝাড়া থানায় মামলা করেছেন রাশিদার ভাই আলামিন শাহ। এই মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে বৃহস্পতিবার বিকেলে তামিমকে বরিশাল আদালতে তোলা হয়। পরে বিচারক তাকে কারাগারে পাঠান।

আরও পড়ুন:
বরিশালে রোগী দেখছেন বার্ন ইনস্টিটিউটের চিকিৎসকরা
সকাল হতেই ফের উদ্ধার অভিযানে ফায়ার সার্ভিস
লঞ্চে আগুন: মৃত্যু বেড়ে ৩৯
প্রিয়জনদের খুঁজতে সুগন্ধায় স্বজনরা
বরগুনা পৌঁছেছে ৩৩ মরদেহ

শেয়ার করুন

খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদারের করোনা

খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদারের করোনা

খাদ্যমন্ত্রী বলেন, ‘অনেক ইচ্ছা ছিল নওগাঁ চেম্বার অফ কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের অনুষ্ঠানে যোগ দেয়ার। কিন্তু করোনা পজিটিভ আসার কারণে তা আর পারলাম না। সবাই আমার জন্য দোয়া করবেন, যাতে দ্রুত সুস্থ হয়ে সবার মাঝে ফিরে আসতে পারি।’

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন নওগাঁ-১ আসনের সংসদ সদস্য ও খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার।

বৃহস্পতিবার দুপুরে নওগাঁ চেম্বার অফ কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের আয়োজনে সাধারণ সভা, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী, মেয়র ও চেয়ারম্যানদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে ভার্চুয়ালে যুক্ত হয়ে নিজের করোনা পজিটিভ হওয়ার কথা জানান তিনি।

খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার বলেন, ‘বুধবার সন্ধ্যায় নমুনা পরীক্ষায় রিপোর্ট পজিটিভ আসে। তবে আমার শরীরে ভাইরাসের তেমন কোনো উপসর্গ নেই। যেহেতু করোনা পজিটিভ। তাই বাসায় বিশ্রামে থাকতে হচ্ছে।

‘অনেক ইচ্ছা ছিল নওগাঁ চেম্বার অফ কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের অনুষ্ঠানে যোগ দেয়ার। কিন্তু করোনা পজিটিভ আসার কারণে তা আর পারলাম না। সবাই আমার জন্য দোয়া করবেন, যাতে দ্রুত সুস্থ হয়ে সবার মাঝে ফিরে আসতে পারি।’

করোনাভাইরাস প্রতিরোধে সবাইকে সচেতন থাকার আহ্বানও জানান মন্ত্রী।

খাদ্য মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. কামাল হোসেন বলেন, ‘মন্ত্রী মঙ্গলবার বিকেলে টেস্ট করেছিলেন। এরপর বুধবার সন্ধ্যায় রিপোর্ট পজিটিভ আসে। মন্ত্রী মহোদয়ের আসলে ওই রকম কোনো লক্ষণই ছিল না। হেলিকপ্টারে করে আজ নওগাঁয় যাওয়ার কথা ছিল। সে জন্য উনি টেস্ট করেছিলেন। তারপর রিপোর্ট পজিটিভ আসে। বর্তমানে বাসায় আইসোলেশনে আছেন।’

আরও পড়ুন:
বরিশালে রোগী দেখছেন বার্ন ইনস্টিটিউটের চিকিৎসকরা
সকাল হতেই ফের উদ্ধার অভিযানে ফায়ার সার্ভিস
লঞ্চে আগুন: মৃত্যু বেড়ে ৩৯
প্রিয়জনদের খুঁজতে সুগন্ধায় স্বজনরা
বরগুনা পৌঁছেছে ৩৩ মরদেহ

শেয়ার করুন