মাদক মামলায় কারাগারে শাহানশাহ

player
মাদক মামলায় কারাগারে শাহানশাহ

র‌্যাবের হাতে গ্রেপ্তার শাহনেওয়াজ শাহানশাহ। ছবি: নিউজবাংলা

বৃহস্পতিবার রাজধানীর উত্তরার ৬ নম্বর সেক্টরের 'হোটেল ডি মেরিডিয়ান থেকে শাহনেওয়াজ শাহানশাহকে গ্রেপ্তার করে র‌্যাব। পরে র‌্যাব-১ তার বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করে।

মাদকের এক মামলায় কারাগারে পাঠানো হয়েছে জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জ পৌরসভার সদ্য বরখাস্ত মেয়র শাহনেওয়াজ শাহানশাহ।

শুক্রবার ঢাকা মহানগর হাকিম মোহাম্মদ জসিম জামিন আবেদন নাকচ করে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

এদিন রাজধানীর উত্তরা-পূর্ব থানার এই মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পুলিশ পরিদর্শক মুজাহিদুল ইসলাম আসামি শাহনেওয়াজ শাহানশাহকে আদালতে হাজির করে তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাকে কারাগারে রাখার আবেদন করেন।

আসামির পক্ষে তার আইনজীবী জামিন আবেদন করেন। রাষ্ট্রপক্ষ থেকে জামিনের বিরোধিতা করা হয়। আদালতের সাধারণ নিবন্ধন শাখার কর্মকর্তা পুলিশের উপপরিদর্শক মো. লিয়াকত আলী নিউজবাংলাকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে বৃহস্পতিবার রাজধানীর উত্তরার ৬ নম্বর সেক্টরের 'হোটেল ডি মেরিডিয়ান থেকে শাহনেওয়াজ শাহানশাহকে গ্রেপ্তার করে র‌্যাব। এ সময় হোটেল কক্ষে তার কাছ থেকে উদ্ধার হয় ফেনসিডিল, ইয়াবা, হেরোইন এবং সাড়ে ৩ লাখ টাকা। পরে র‌্যাব-১ তার বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করে।

উল্লেখ্য, গত ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবস উপলক্ষে দেওয়ানগঞ্জ সরকারি হাইস্কুল মাঠে সরকারি অনুষ্ঠানে উপস্থাপকের দায়িত্বে ছিলেন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. মেহেরউল্লাহ। তুচ্ছ ঘটনায় তাকে অনুষ্ঠানস্থলে গালাগাল এবং থাপ্পড় মারেন শাহনেওয়াজ। এ ঘটনায় ১৯ ডিসেম্বর তাকে উপজেলা আওয়ামী লীগ থেকে বহিষ্কার এবং পরদিন মেয়র পদ থেকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়।

শেয়ার করুন

মন্তব্য

পল্লবীর ওসিসহ ১৭ পুলিশের বিরুদ্ধে মামলার আবেদন

পল্লবীর ওসিসহ ১৭ পুলিশের বিরুদ্ধে মামলার আবেদন

রাজধানীর পল্লবী থানা। ছবি: সংগৃহীত

অভিযোগে বলা হয়, ওসি পারভেজ ইসলামের নেতৃত্বে আসামিরা বাদীর ঘরের মালামাল তছনছ এবং শাড়ি, টাকা, স্বর্ণালংকার লুট করে নিয়ে যায়। এতে বাদীর ১২ লাখ টাকার ক্ষতি হয়। বাদীকে না পেয়ে পুলিশ তার ভাই দুলারাকে গ্রেপ্তার করে এবং মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দেয়।

রাজধানীর পল্লবী থানার ওসিসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে ভাংচুর ও মালামাল লুটের অভিযোগে আদালতে মামলার আবেদন করেছেন পারভেজ আহম্মদ নামের ব্যক্তি।

ঢাকার অতিরিক্ত মহানগর হাকিম তোফাজ্জল হোসেনের আদালতে হাজির হয়ে তিনি বৃহস্পতিবার এ আবেদন করেন।

আদালত বাদীর জবানবন্দি রেকর্ড করে আগামী রোববার আদেশের জন্য তারিখ ঠিক করেন।

মামলার আবেদনে আসামি করা হয়েছে পল্লবী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) পারভেজ ইসলাম, উপ-পরিদর্শক (এসআই) কাউসার মাহমুদ, জহির উদ্দিন আহমেদ, নূরে আলম সিদ্দিকী, মো. সজিব খান, মামুন কাজী, মিল্টন দত্ত, মহিদুল ইসলাম, পার্থ মল্লিক, পিন্টু কুমার, মো. শাহরিয়ার নাঈম রোমান, মোহাম্মদ মোরশেদ আলম, মো. আনোয়ার ইসলাম ও ফেরদৌস রহমানকে।

এছাড়া আসামি করা হয়েছে সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) সোহেল মোহাম্মদ মহিউদ্দিন, হরিদাস রায়, মো. আকিজুল ইসলাম এবং পুলিশ সোর্স খোকনকে।

আবেদনে বলা হয়, গতবছর ১ নভেম্বর বাদীর ঘরের তালা ভেঙে অভিযান চালায় পুলিশ। ওসি পারভেজ ইসলামের নেতৃত্বে আসামিরা ঘরের মালামাল তছনছ করে এবং গোপন স্থানে থাকা মূল্যবান শাড়ি, টাকা, স্বর্ণালংকার লুট করে নিয়ে যায়।

বাদী রাতে বাসায় ফিরে দেখতে পান আসামিরা বাসার সিসি ক্যামেরা ভাঙচুর করে হার্ডড্রাইভ নিয়ে গেছে। এতে বাদীর ১২ লাখ টাকার ক্ষতি হয়। বাদীকে না পেয়ে পুলিশ তার ভাই দুলারাকে গ্রেপ্তার করে এবং মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দেয়।

শেয়ার করুন

বেসিক ব্যাংক কেলেঙ্কারির তদন্ত ৬ বছরেও কেন শেষ হয়নি: হাইকোর্ট

বেসিক ব্যাংক কেলেঙ্কারির তদন্ত ৬ বছরেও কেন শেষ হয়নি: হাইকোর্ট

ফাইল ছবি

বেসিক ব্যাংকের প্রায় সাড়ে ৪ হাজার কোটি টাকা ঋণ কেলেঙ্কারির ঘটনায় অন্তত ৫৬টি মামলা হয়েছে। ব্যাংকটির ঋণ কেলেঙ্কারির ঘটনায় করা মামলার তদন্ত ছয় বছরেও শেষ করতে দুর্নীতি দমন কমিশন ব্যর্থ হয়েছে।

আলোচিত বেসিক ব্যাংকের ঋণ কেলেঙ্কারির ঘটনায় করা মামলাটির তদন্ত ছয় বছরেও শেষ করতে দুর্নীতি দমন কমিশন ব্যর্থ হয়েছে বলে উল্লেখ করেছে হাইকোর্ট।

ব্যাংকটির শান্তিনগর শাখার তখনকার ম্যানেজার মোহাম্মদ আলী চৌধুরীর জামিনসংক্রান্ত একটি রায়ে এমন মন্তব্য করে আদালত।

গত বছরের ১৪ মার্চ এ রায়টি দেয় বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম (বর্তমানে আপিল বিভাগের বিচারপতি) ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের হাইকোর্ট বেঞ্চ। সম্প্রতি এই রায়ের লিখিত কপি প্রকাশ হয়।

বেসিক ব্যাংকের প্রায় সাড়ে ৪ হাজার কোটি টাকা ঋণ কেলেঙ্কারির ঘটনায় অন্তত ৫৬টি মামলা হয়েছে। এর মধ্যে এটি একটি মামলা।

আদালতে আসামিপক্ষে ছিলেন জয়নুল আবেদীন ও মো. সগির হোসেন লিয়ন, অন্যদিকে দুদকের পক্ষে ছিলেন খুরশীদ আলম খান।

২০১৫ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর পল্টন থানায় করা মামলায় আসামি ছয়জন। বেসিক ব্যাংকের শান্তিনগর শাখা থেকে বেআইনিভাবে ৪৮ কোটি টাকার ঋণ অনুমোদনের অভিযোগ আনা হয় মামলায়। আসামি মোহাম্মদ আলী চৌধুরী শান্তিনগর শাখার প্রধান ছিলেন।

লিখিত রায়ে আদালত বলে, এটা বাস্তবতা যে, এই মামলায় ২০১৫ সালে এজাহার হলেও অদ্যবধি অর্থাৎ প্রায় ছয় বছর শেষ হতে চললেও কমিশন মামলার তদন্তকার্য সম্পন্ন করতে ব্যর্থ হয়েছে। কমিশনের হলফনামায় দেখা যায়, কমিশন ফলো দ্য মানি অর্থাৎ টাকার গতিপথ শনাক্ত করতে পারেনি বলে তদন্তকার্য সম্পন্ন করা সম্ভব হচ্ছে না মর্মে উল্লেখ করা হয়েছে।

‘কমিশন মামলার তদন্তের ক্ষেত্রে এশিয়া প্যাসিফিক গ্রুপ অন মানিলন্ডারিংয়ের (এপিজি) নির্দেশনা মেনে চলে বলে দাবি করে। হলফনামায় বলা হয়, আত্মসাৎকৃত টাকার গতিপথ শনাক্ত না হওয়া পর্যন্ত কমিশনের পক্ষে মামলার তদন্তকার্য সমাপ্ত করা সম্ভব নয়।’

রায়ে আরও বলা হয়, আদালত ক্ষোভ, হতাশা ও দুঃখের সঙ্গে বলতে বাধ্য হচ্ছে যে, ‘কমিশনের এহেন বক্তব্য আদালতের কাছে বিভ্রান্তিকর মনে হয়েছে।

এ মামলায় এক নম্বর আসামি ঋণগ্রহীতা। তিনজন বেসিক ব্যাংকের কর্মকর্তা অর্থাৎ সরকারি কর্মচারী উল্লেখ করে আদালত বলে, এই মামলার তদন্তের মূল বিষয়বস্তু হওয়া উচিত সরকারি কর্মচারী অথবা ব্যাংকার হিসেবে আসামির অপরাধমূলক বিশ্বাস ভঙ্গ এবং অপরাধমূলক অসদাচরণ সংঘটিত হয়েছে কি না।

এ বিষয়ে আদালতের সুচিন্তিতি অভিমত হলো- উপরোক্ত অপরাধ প্রমাণে আত্মসাৎকৃত অর্থের গতিপথ শনাক্ত করা আদৌ কোনো অপরিহার্য বা বাধ্যতামূলক শর্ত হতে পারে না। আর এ মামলাটি অর্থ পাচারের অধীনে নয় যে অর্থের গতিপথ নির্ধারণ অপরিহার্য বা বাধ্যতামূলক।

দণ্ডবিধির ৪০৫ অনুযায়ী অভিযুক্তরা তাদের নিকট জিম্মাকৃত কিংবা কর্তৃত্ব বা অধীনে থাকা সম্পত্তির/অর্থের ক্ষেত্রে বিশ্বাসভঙ্গ হয়েছে কি না এটাই মুখ্য বিবেচ্য বিষয়।

আদালতে বলে, কমিশন ফলো দ্য মানি অনুসরণ করে তদন্তের যে কার্যক্রম পরিচালনা করছে তাতে আদালতের বলতে কোনো সংকোচ নেই যে, কমিশন বর্তমান মামলার তদন্তের ক্ষেত্রে ভুল পথ অনুসরণ করেছে এবং করছে।

দুদকের দায়িত্ব সম্পর্কে আদালত বলেন, কমিশনের দায়িত্ব দুর্নীতি চিহ্নিত করা এবং অপরাধীদের আইন ও বিচারের আওতায় নিয়ে আসা। আত্মসাৎকৃত সম্পদ বা অর্থ উদ্ধারে কমিশনের মুখ্য কোনো কাজ নয় বলেও রায়ে উল্লেখ করেছে উচ্চ আদালত।

শেয়ার করুন

শাবি ভিসির বক্তব্য প্রত্যাহারে আইনি নোটিশ

শাবি ভিসির বক্তব্য প্রত্যাহারে আইনি নোটিশ

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ফরিদ উদ্দিন আহমদ। ছবি: সংগৃহীত

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী ও ঢাকা জজ কোর্টের আইনজীবী খাদেমুল ইসলাম বৃহস্পতিবার রেজিস্ট্রি ডাকযোগে এই নোটিশ পাঠিয়েছেন। নোটিশ প্রাপ্তির ৭২ ঘণ্টার মধ্যে শাবি উপাচার্যকে বক্তব্য প্রত্যাহার করে ক্ষমা চাইতে বলা হয়েছে।

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) ছাত্রীদের নিয়ে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য ও অবমাননাকর বক্তব্য প্রত্যাহারের আহ্বান জানিয়ে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবি) উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমেদকে আইনি নোটিশ দেয়া হয়েছে।

জাবির সাবেক শিক্ষার্থী ও ঢাকা জজ কোর্টের আইনজীবী খাদেমুল ইসলাম বৃহস্পতিবার রেজিস্ট্রি ডাকযোগে এই নোটিশ পাঠিয়েছেন। নোটিশ প্রাপ্তির ৭২ ঘণ্টার মধ্যে শাবি উপাচার্যকে তার বক্তব্য প্রত্যাহার করে ক্ষমা চাইতে বলা হয়েছে।

নোটিশে বলা হয়েছে, ‘শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে মেয়েদের হল সারারাত খোলা রাখার দাবির পরিপ্রেক্ষিতে সম্পূর্ণ অপ্রাসঙ্গিকভাবে দেশের অপর একটি স্বনামধন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রীদের নিয়ে কুরুচিপূর্ণ, অশালীন ও অবমাননাকর মন্তব্য করেন শাবি উপাচার্য। বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদন ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া অডিও ক্লিপ থেকে এসব জানা যায়। শাবি উপাচার্য বলেছেন তার ওই বক্তব্যে বলেন, ‘জাহাঙ্গীরনগরের মেয়েদের কেউ সহজে বউ হিসেবে নিতে চায় না। কারণ সারারাত এরা ঘুরাফিরা করে।’

আইনজীবী খাদেমুল ইসলাম নিউজবাংলাকে বলেন, ‘এই জ্ঞানপাপী অশোভন আচরণ ও কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করে ভিসি তো দূরের কথা, শিক্ষক পদে থাকার যোগ্যতাও হারিয়েছেন।’

শেয়ার করুন

মাকে হত্যার পর সন্তানকে ছুড়ে ফেলা হয় সড়কে

মাকে হত্যার পর সন্তানকে ছুড়ে ফেলা হয় সড়কে

তামিমকে তার বাড়ি গোপালগঞ্জের বেদ গ্রাম থেকে আটক করেছে পুলিশ। ছবি: নিউজবাংলা

ওসি গোলাম সরোয়ার বলেন, ‘তামিম জানিয়েছেন, বুধবার রাশিদাকে নিয়ে গোপালগঞ্জের একটি হোটেলে অবস্থান করেন তিনি। রাত ৮টার পরে সেখান থেকে বের হয়ে অপর লোকজনের সহায়তায় রাশিদাকে হত্যা করেন। ওই রাতে একটি ‌থ্রি হুইলার ভাড়া করে আগৈলঝাড়ার বাইপাস মহাসড়কের পাশে রাশিদার লাশ ও তার শিশুসন্তানকে ফেলে রেখে পালিয়ে যান।’

বরিশালের আগৈলঝাড়া উপজেলায় মাকে হত্যা করে তার শিশুসন্তানকে রাস্তার ধারে ফেলে রাখার ঘটনা ঘটেছে।

মরদেহ উদ্ধারের তিন ঘণ্টার মধ্যে হত্যায় জড়িত থাকার অভিযোগে গোপালগঞ্জ থেকে আটক করা হয় নিহতের স্বামীকে। পরে তার বিরুদ্ধে মামলা হলে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

বৃহস্পতিবার ভোরে উপজেলার বাইপাস মহাসড়কের পাশে ঘেরের পাশ থেকে রাশিদা বেগমের রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে পুলিশ আটক করে তার স্বামী তামিম শেখকে।

রাশিদা আগৈলঝাড়ার নগড়বাড়ি গ্রামের মৃত করিম শাহের মেয়ে। তিনি উপজেলার ১ নম্বর ব্রিজসংলগ্ন এলাকায় থাকতেন।

রাশিদা ও তামিম বিয়ে করেছিলেন দুই বছর আগে। তামিমের আগের স্ত্রীর দুটি ছেলেসন্তান রয়েছে। রাশিদার গর্ভে জন্ম নেয়া তার সন্তানের বয়স ১০ মাস।

আগৈলঝাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা গোলাম সরোয়ার বলেন, স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে উপজেলার বাইপাস মহাসড়কের পাশে ঘেরের পাড় থেকে রাশিদার রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। কান্নার আওয়াজ পেয়ে রাশিদার ১০ মাস বয়সী শিশুপুত্র তানিমকে মায়ের মরদেহের পাঁচ শ গজ দূরে সড়কের পাশ থেকে উদ্ধার করা হয়।’

তিনি বলেন, ‘মরদেহ উদ্ধারের পরপরই ঘটনার পারিপার্শ্বিক অবস্থা দেখে রাশিদার স্বামীর বাড়িতে অভিযান পরিচালনা করা হয়।’

অভিযান পরিচালনাকারী পরিদর্শক (তদন্ত) মাজহারুল ইসলাম জানান, তামিমকে তার বাড়ি গোপালগঞ্জের বেদ গ্রাম থেকে রক্তমাখা জুতা ও জামা পরা অবস্থায় আটক করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে তিনি স্ত্রী হত্যার দায় স্বীকার করেন।

দুপুরে তামিমকে নিয়ে হত্যার ঘটনাস্থল বেদগ্রাম পরিদর্শন এবং হত্যায় ব্যবহৃত হাতুড়ি ও দেশীয় অস্ত্র উদ্ধারে অভিযান চালানো হয়।

ওসি গোলাম সরোয়ার বলেন, ‘তামিম জানিয়েছেন, বুধবার রাশিদাকে নিয়ে গোপালগঞ্জের একটি হোটেলে অবস্থান করেন তিনি। রাত ৮টার পরে সেখান থেকে বের হয়ে অপর লোকজনের সহায়তায় রাশিদাকে হত্যা করেন।

‘ওই রাতে একটি ‌থ্রি হুইলার ভাড়া করে আগৈলঝাড়ার বাইপাস মহাসড়কের পাশে রাশিদার মরদেহ ও তার শিশুসন্তানকে ফেলে রেখে পালিয়ে যান।’

মরদেহের সুরতহাল শেষে ময়নাতদন্তের জন্য শের-ই বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

তামিম শেখসহ অজ্ঞাতনামা ২-৩ জনকে আসামি করে আগৈলঝাড়া থানায় মামলা করেছেন রাশিদার ভাই আলামিন শাহ। এই মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে বৃহস্পতিবার বিকেলে তামিমকে বরিশাল আদালতে তোলা হয়। পরে বিচারক তাকে কারাগারে পাঠান।

শেয়ার করুন

সেলিব্রেটিদের সতর্ক হতে বলল হাইকোর্ট

সেলিব্রেটিদের সতর্ক হতে বলল হাইকোর্ট

কোম্পানির ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর হবার বিষয়ে সেলিব্রেটিদের আরও সর্তক হতে নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট। তাহসান রহমান খান, রাফিয়াথ রশিদ মিথিলা ও শবনম ফারিয়া। ফাইল ছবি

শুনানির সময় হাইকোর্ট বেঞ্চের জ্যেষ্ঠ বিচারক শেখ মো. জাকির হোসেন তাহসানের আইনজীবীকে উদ্দেশ করে বলেন, ‘এদেশে ক্রিকেটার মাশরাফি যখন কোনো ব্র্যান্ডের অ্যাম্বাসেডর হয়, এই যে যাদের নাম দেখতেছি তারা যদি অ্যাম্বাসেডর হয় তাহলে কোম্পানির মাল-জিনিস থাকুক বা না থাকুক কিছু কিছু লোক আছে তারা তো পাগলের মত দৌড়াবে। আর আপনারা সেই গুডউইলটাকে পুঁজি করলেন, আপনারা দেখলেনও না। এই যে এখানে যারা অ্যাম্বাসেডর হলেন তাদের জন্য কোটি কোটি টাকা দেশের গচ্ছা গেল।’ বিচারক বলেন, ওনাদের (তাহসান, মিথিলা, শবনম) দায়িত্ব অনেক বেশি।

সেলিব্রেটিরা যখন কোনো কোম্পানির ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর হন সাধারণ মানুষ তাতে হুমড়ি খেয়ে পড়েন। সেজন্য সেলিব্রেটিদের দায়িত্ব অনেক বেশি বলে মন্তব্য করেছে হাইকোর্ট। এজন্য কোনো কোম্পানির ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর হতে সেলিব্রেটিদের সতর্ক হতে বলেছে আদালত।

বৃহস্পতিবার অভিনেতা ও কণ্ঠশিল্পী তাহসান রহমান খানের জামিন আবেদনের শুনানির সময় এ মন্তব্য করে বিচারপতি শেখ মো. জাকির হোসেন ও বিচারপতি খিজির হায়াতের হাইকোর্ট বেঞ্চ।

পরে আদালত তাহসান খানকে ছয় সপ্তাহের আগাম জামিন দেয়।

এ আবেদনের শুনানির সময় হাইকোর্ট বেঞ্চের জ্যেষ্ঠ বিচারক শেখ মো. জাকির হোসেন তাহসানের আইনজীবীকে উদ্দেশ করে বলেন, ‘এদেশে ক্রিকেটার মাশরাফি যখন কোনো ব্র্যান্ডের অ্যাম্বাসেডর হয়, এই যে যাদের নাম দেখতেছি তারা যদি অ্যাম্বাসেডর হয় তাহলে কোম্পানির মাল-জিনিস থাকুক বা না থাকুক কিছু কিছু লোক আছে তারা তো পাগলের মত দৌড়াবে। আর আপনারা সেই গুডউইলটাকে পুঁজি করলেন, আপনারা দেখলেনও না। এই যে এখানে যারা অ্যাম্বাসেডর হলেন তাদের জন্য কোটি কোটি টাকা দেশের গচ্ছা গেল।’

বিচারক বলেন, ওনাদের (তাহসান, মিথিলা, শবনম) দায়িত্ব অনেক বেশি। সেলিব্রেটিদের দায়িত্ব অনেক বেশি।

এ সময় বিচারক ভারতের ক্রিকেটার শচীন টেন্ডুলকারের উদাহরণ দিয়ে বলেন, ‘শচীনকে জার্মানির একটি গাড়ি কোম্পানি অ্যাডে নিল। সেই কোম্পানির অ্যাড করার পর ওই কোম্পানি তাকে টাকা দিয়েছে সঙ্গে একটা গাড়িও দিল। এই গাড়ি যখন দেশে আসলো তখন গাড়ি রেজিস্ট্রেশন করার জন্য তাকেই টাকা দিতে হচ্ছে, এটা জেনে তিনি গাড়ি ফেরত দিতে চাইলেন। তিনি তার দেশের টাকা খরচ হবে বিধায় তিনি সেটা করলেন না। কোম্পানি তখন বাধ্য হয়ে তার রেজিস্ট্রেশনও করে দিলেন। দেখেন তিনি তার দায়িত্ব কিভাবে পালন করলেন।’

বিচারক বলেন, ‘আপনাদের দেখে এদেশের যুব সমাজ কিভাবে হুমড়ি খেয়ে পড়ে। আপনাদের নিজেদের অবস্থানের প্রতি যদি আপনাদের খেয়াল না থাকে, তাহলে কীভাবে হবে। সাধারণ মানুষতো আপনাদের আইডল মনে করে। আপনাদের মডেল মনে করে।’

পরে আদালত অভিনেতা তাহসান রহমান খানকে ছয় সপ্তাহের আগাম জামিন দেয়।

আদালতে তাহসানের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী সানজিদা খানম, রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মহিউদ্দিন দেওয়ান।

তাহসানের আইনজীবী ও তার ফুফু সানজিদা খানম নিউজবাংলাকে বলেন, তিনি বিদেশ থাকায় জামিন আবেদন করতে দেরি হয়েছে। বিদেশ থেকে এসেই তিনি জামিন আবেদন করেছেন। আদালত শুনানি নিয়ে সপ্তাহের আগাম জামিন দিয়েছে আদালত।

গত ১৩ ডিসেম্বর এ মামলায় আরও দুই অভিনেত্রী রাফিয়াত রশিদ মিথিলা ও শবনম ফারিয়াকে ৮ সপ্তাহের জামিন দিয়েছিলেন হাইকোর্ট।

বিচারপতি জাহাঙ্গীর হোসেন সেলিম ও বিচারপতি মো. আতোয়ার রহমানের হাইকোর্ট বেঞ্চ তাদের জামিন দেয়।

ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ইভ্যালির হয়ে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে তাহসান খান, রাফিয়াত রশিদ মিথিলা ও শবনম ফারিয়াসহ নয়জনের বিরুদ্ধে গত ৪ ডিসেম্বর মামলা হয়।

সাদ স্যাম রহমান নামে ইভ্যালির এক গ্রাহক মামলা দায়ের করেন। মামলায় ইভ্যালির এমডি মোহাম্মদ রাসেল, চেয়ারম্যান শামীমা নাসরিন, তাহসান খান, রাফিয়াত রশিদ মিথিলা ও শবনম ফারিয়াসহ নয়জনকে আসামি করা হয়।

মামলার এজাহারে বলা হয়, প্রতারণামূলকভাবে গ্রাহকদের টাকা আত্মসাৎ ও সহায়তা করা হয়েছে। আত্মসাৎ করা টাকার পরিমাণ ৩ লাখ ১৮ হাজার টাকা। যা উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।

এ মামলায় ইভ্যালির এমডি মোহাম্মদ রাসেল ও চেয়ারম্যান শামীমা নাসরিনকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। বাকিদের বিষয়ে তদন্ত চলছে।

শেয়ার করুন

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন সংশোধনের ইঙ্গিত

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন সংশোধনের ইঙ্গিত

আইনমন্ত্রী আনিসুল হক। ফাইল ছবি

আনিসুল হক বলেন, ‘ডিজিটাল সিকিউরিটি অ্যাক্ট নিয়ে জাতিসংঘের হিউম্যান রাইটস অফিসের সঙ্গে দুবার আলোচনা করেছি। মানবাধিকার কমিশনকে অবহিত করা হয়েছে যে আমরা আলোচনার জন্য প্রস্তুত।’

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন সংশোধন হতে পারে। জাতিসংঘ মানবাধিকার কমিশনের সঙ্গে আলোচনার উল্লেখ করে আইনমন্ত্রী আনিসুল হক এমন ধারণা দিয়েছেন।

রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে চলমান ডিসি সম্মেলনে বৃহস্পতিবার অংশ নিয়ে আইনমন্ত্রী একথা বলেন।

আনিসুল হক বলেন, ‘ডিজিটাল সিকিউরিটি অ্যাক্ট নিয়ে জাতিসংঘের হিউম্যান রাইটস অফিসের সঙ্গে দুবার আলোচনা করেছি। একটি কমিটি করা হয়েছে। মানবাধিকার কমিশনকে অবহিত করা হয়েছে যে আমরা আলোচনার জন্য প্রস্তুত। তারা যেন দ্রুতই সে আলোচনার তারিখ জানায়। তাদের নির্ধারিত তারিখ অনুযায়ী আমরা আলোচনায় বসতে রাজি আছি।

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন সংশোধন ইস্যুতে আলোচনার জন্য লেজিসলেটিভ বিভাগের সচিবের নেতৃত্বে আইন ও বিচার বিভাগ, আইসিটি, স্বরাষ্ট্র এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধিদের নিয়ে ছয় সদস্যের কমিটি করা হয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে- ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা করার সঙ্গে সঙ্গে এটা যেন মামলা হিসেবে গ্রহণ করা না হয়। আইসিটি অ্যাক্ট অনুযায়ী যেন সেলে পাঠানো হয়।

‘সংবাদ মাধ্যমের কর্মীদের যেন তাৎক্ষণিক গ্রেপ্তার করা না হয়, সে ব্যাপারে পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। আর এমন নির্দেশনার পর এই আইনে সাংবাদিকদের গ্রেপ্তার অনেকাংশে কমে গেছে।’

কমিটির কাজ সম্পর্কে জানতে চাইলে মন্ত্রী বলেন, ‘এই আইন প্রধানত সাইবার অপরাধ নিয়ন্ত্রণের উদ্দেশ্যে করা হয়েছে। বাক-স্বাধীনতা বা সংবাদ মাধ্যমের স্বাধীনতা হরণ করার জন্য করা হয়নি। সেটা যদি করা হতো এটা আইন হিসেবেই গণ্য হতো না।

‘কারণ সংবিধানে মৌলিক অধিকার হিসেবে বাক-স্বাধীনতা এবং গণমাধ্যমের স্বাধীনতাকে রাখা হয়েছে। আমরা একটু আগে এমন আইন করেছি। তবে ইতোমধ্যে অনেক দেশেই করা হয়েছে এবং অনেক দেশ এই আইন করা আবশ্যক মনে করছে।’

আনিসুল হক বলেন, ‘এই আইন যখন বাস্তবায়ন করা হয় সেখানে কিছু মিসইউজ ও কিছু অ্যাবিউস হয়েছে। এগুলো যাতে না হয় সে জন্য জাতিসংঘের হিউম্যান রাইটস অফিসের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা করে সারা পৃথিবীর বেস্ট প্র্যাকটিসগুলো নির্ণয় করে তা থেকে আমাদের দেশের জন্য প্রয়োজনীয় অংশটুকু হয়ত আমরা বিধি দিয়ে গ্রহণ করব। প্রয়োজন হলে আইনের বিধিবিধান কিছুটা সংশোধনও করা হবে।’

নির্বাচন কমিশন গঠনে সংসদের চলমান অধিবেশনে আইন পাসের চেষ্টা করা হবে বলেও জানান মন্ত্রী।

ভূমির নিবন্ধন প্রক্রিয়া ভূমি মন্ত্রণালয়ের অধীনে দেয়া সংক্রান্ত এক প্রশ্নে আইনমন্ত্রী বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী এ বিষয়ে অনুশাসন দিয়েছেন, এটা আইন মন্ত্রণালয়ের অধীনে থাকবে। প্রধানমন্ত্রী যেখানে অনুশাসন দিয়েছেন সেখানে আলোচনার কোনো অবকাশ থাকতে পাবে না।’

‌এক প্রশ্নের জবাবে আইনমন্ত্রী বলেন, ‘ভ্রাম্যমাণ আদালত নিয়ে আলোচনার বিষয়ে কোনো নির্দেশনা দেইনি। কারণ আমি বিচারাধীন বিষয় নিয়ে কথা বলি না। আমি ডিসিদের বলেছি- বিষয়টি বিচারাধীন। যখন রিভিউ হবে তখন চেষ্টা থাকবে এর ক্রটি-বিচ্যুতিগুলো সমাধান করার। যে রায় দেয়া হয়েছে সেটি স্থগিত আছে। আমি তাদের এটা জানিয়েছি।

‘দণ্ডবিধির ২২৮ ধারা মোবাইল কোর্ট আইনের তফসিলে যুক্ত করতে ডিসিদের দাবির বিষয়ে তিনি বলেন, ‘সিআরপিসি অনুযায়ী সামারি ট্রায়াল ও পাশাপাশি বেইলেবল। সেটা মোবাইল কোর্টে স্থানান্তর করতে অসুবিধা হওয়ার কথা না। তবু আমি এটি পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত দেব।’

শেয়ার করুন

ব্লগার নাজিম হত্যা: মেজর জিয়াসহ পাঁচজনের নামে পরোয়ানা

ব্লগার নাজিম হত্যা: মেজর জিয়াসহ পাঁচজনের নামে পরোয়ানা

চাকরিচ্যুত মেজর সৈয়দ জিয়াউল হক। ছবি: সংগৃহীত

ঢাকার সন্ত্রাসবিরোধী বিশেষ ট্রাইব্যুনালের বিচারক সোমবার পুলিশের দেয়া অভিযোগপত্র আমলে নিয়ে পরোয়ানা জারি করেন।

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের শিক্ষার্থী ব্লগার নাজিমুদ্দিন সামাদ হত্যা মামলায় আনসার আল ইসলামের সামরিক শাখার প্রধান চাকরিচ্যুত মেজর সৈয়দ জিয়াউল হক জিয়াসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছে আদালত।

ঢাকার সন্ত্রাসবিরোধী বিশেষ ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. মজিবুর রহমান সোমবার পুলিশের দেয়া অভিযোগপত্র আমলে নিয়ে এই পরোয়ানা জারি করেন।

বৃহস্পতিবার সংশ্লিষ্ট আদালতের রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী গোলাম ছারোয়ার খান জাকির নিউজবাংলাকে বলেন, ‘১৭ জানুয়ারি আদালত ৯ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র গ্রহণ করে। পলাতক থাকায় মেজর জিয়াসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে আদালত। ২৩ ফেব্রুয়ারি গ্রেপ্তারসংক্রান্ত তামিল প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ ধার্য করা হয়েছে।’

পরোয়ানা জারি হওয়া অপর চার আসামি হলেন- আকরাম হোসেন, মো. ওয়ালিউল্লাহ, সাব্বিরুল হক চৌধুরী ও জুনেদ আহাম্মেদ।

অপর চার আসামি রশিদুন নবী ভূইয়া, মোজাম্মেল হুসাইন, আরাফাত রহমান ও শেখ আব্দুল্লাহ কারাগারে রয়েছেন বলে আদালত সূত্রে জানা গেছে।

২০১৬ সালের ৬ এপ্রিল রাতে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লাস শেষে পুরান ঢাকার গেন্ডারিয়ায় মেসে ফেরার পথে লক্ষ্মীবাজারের একরামপুর মোড়ে খুন হন ব্লগার নাজিমুদ্দিন। এ ঘটনায় পরদিন সূত্রাপুর থানার এসআই নুরুল ইসলাম মামলা করেন। ২০২০ সালের ২০ আগস্ট বহিষ্কৃত মেজর সৈয়দ মো. জিয়াউল হক জিয়াসহ ৯ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট দাখিল করে কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিট।

শেয়ার করুন