শৈত্যপ্রবাহ আগামী সপ্তাহে

player
শৈত্যপ্রবাহ আগামী সপ্তাহে

ডিসেম্বরের শেষ সপ্তাহে দেশে শৈত্যপ্রবাহ আসতে পারে। ফাইল ছবি

আবহাওয়াবিদ ওমর ফারুক বলেন, ‘আগামী তিন-চার দিন মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত কুয়াশা থাকবে। এই মাসের শেষের দিকে শৈত্যপ্রবাহের দেখা মিলতে পারে। তবে ভারি বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা নেই। তাপমাত্রা দেশের কোথাও কোথাও কিছুটা কমতে পারে। তবে খুব বেশি না। আগামী তিন-চার দিন আবহাওয়ার বিশেষ কোনো পরিবর্তন হবে না।’

চলতি মাসের শেষের দিকে শৈত্যপ্রবাহের দেখা মিলতে পারে। তবে ভারি বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা নেই, এমনটি জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। চলতি সপ্তাহে দেশের কয়েকটি জেলায় মৃদু শৈত্যপ্রবাহের প্রভাবে পড়া শীত আরও তিন-চার দিন অব্যাহত থাকতে পারে।

বৃহস্পতিবার সকালে আবহাওয়াবিদ ওমর ফারুক নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আবহাওয়ার তেমন কোনো পরিবর্তন হয়নি। বুধবারের তুলনায় আজ তাপমাত্রা শূন্য দশমিক এক ডিগ্রি সেলসিয়াস কমেছে। গতকাল দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল তেঁতুলিয়ায় ৮ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা আজ কমে ৮ দশমিক ৭ ডিগ্রিতে দাঁড়িয়েছে।

‘আগামী তিন-চার দিন মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত কুয়াশা থাকবে। এই মাসের শেষের দিকে শৈত্যপ্রবাহের দেখা মিলতে পারে। ফলে তাপমাত্রা কিছুটা কমতে পারে। তবে ভারি বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা নেই। তাপমাত্রা দেশের কোথাও কোথাও কিছুটা কমতে পারে। তবে খুব বেশি না। এ জন্য বলেছি, আগামী তিন-চার দিন আবহাওয়ার বিশেষ কোনো পরিবর্তন হবে না।’

আবহাওয়া অধিদপ্তর জানায়, সিলেট ও ময়মনসিংহ বিভাগ এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও কিশোরগঞ্জ জেলায় হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। এ ছাড়া দেশের অন্যত্র সাময়িক আকাশ মেঘলা থাকতে পারে। কোথাও কোথাও কুয়াশা পড়তে পারে। দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকবে।

আরও পড়ুন:
খুলনা-রাজশাহী-রংপুরে শৈত্যপ্রবাহ
উত্তরে শৈত্যপ্রবাহ দুই-তিন দিনের মধ্যে
‘এবার আগন মাস পার হয়া গেইল কিন্তু জার পড়িল না’
দিনাজপুরে এক দিনে তাপমাত্রা কমল ৪.৭ ডিগ্রি
কিরণ ছড়াচ্ছে সূর্য, আসছে শৈত্যপ্রবাহ

শেয়ার করুন

মন্তব্য

‘তিস্তা ইস্যুতে চাই হাইড্রোলজিক্যাল মূল্যায়ন’

‘তিস্তা ইস্যুতে চাই হাইড্রোলজিক্যাল মূল্যায়ন’

উন্নয়ন সংস্থা অ্যাকশন এইড বাংলাদেশের আয়োজনে বৃহস্পতিবার সপ্তম আন্তর্জাতিক পানি সম্মেলন ২০২২-এ ভার্চুয়ালি অংশ নেন বিশেষজ্ঞ অতিথিরা।

আইনুন নিশাত বলেন, ‘ভারত একতরফাভাবে তিস্তা নদীর পানি প্রত্যাহার করছে। এটা নৈতিকভাবে গ্রহণযোগ্য নয়। কোনো আন্তর্জাতিক আইন, এমনকি ভারতীয় আইনেও তা অগ্রহণযোগ্য। আন্তঃসীমান্ত বা আন্তঃরাষ্ট্রীয় পানির ব্যবহার সম্পর্কিত ১৯৫৮ সালের আইনও এ ধরনের পানি প্রত্যাহার সমর্থন করে না।’

তিস্তা নদীর পানি বণ্টন নিয়ে সৃষ্ট সমস্যা সমাধানে বাংলাদেশ ও ভারতকে বার্ষিক হাইড্রোলজিক্যাল মূল্যায়নে বসতে হবে। নদীটির অববাহিকা ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে সীমাবদ্ধ হওয়ায় এই সমস্যা সমাধানে দু’দেশকেই এগিয়ে আসতে হবে।

ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের সেন্টার ফর ক্লাইমেট চেঞ্জ এনভায়রনমেন্ট রিসার্চ-এর পরামর্শক প্রফেসর ইমেরিটাস ড. আইনুন নিশাত এমন অভিমত ব্যক্ত করেছেন।

উন্নয়ন সংস্থা অ্যাকশন এইড বাংলাদেশের আয়োজনে বৃহস্পতিবার সপ্তম আন্তর্জাতিক পানি সম্মেলন ২০২২-এ ভার্চুয়ালি অংশ নিয়ে তিনি এ মন্তব্য করেন।

‘তিস্তা নদী অববাহিকা: সংকট উত্তরণ ও সম্ভাবনা’ শীর্ষক তিনদিনের আন্তর্জাতিক সম্মেলনটি চলবে শনিবার পর্যন্ত।

‘তিস্তা ইস্যুতে চাই হাইড্রোলজিক্যাল মূল্যায়ন’

সভাপতির বক্তব্যে আইনুন নিশাত বলেন, ‘ভারত একতরফাভাবে তিস্তা নদীর পানি প্রত্যাহার করছে। এটা নৈতিকভাবে গ্রহণযোগ্য নয়। কোনো আন্তর্জাতিক আইন, এমনকি ভারতীয় আইনেও তা অগ্রহণযোগ্য। আন্তঃসীমান্ত বা আন্তঃরাষ্ট্রীয় পানির ব্যবহার সম্পর্কিত ১৯৫৮ সালের আইনও এ ধরনের পানি প্রত্যাহারকে সমর্থন করে না।’

সম্মেলনের প্রথম দিন বিষয়ভিত্তিক প্রসঙ্গ, ইতিহাস, আকৃতি এবং তিস্তা ও এর পার্শ্ববর্তী নদীর স্থানিক পরিবর্তনের ওপর ভিত্তি করে আলোচনা হয়।

তিস্তার রূপতত্ত্ব, নৃতাত্ত্বিক বিষয় এবং আঞ্চলিক বিরোধের ওপর তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ ও আলোচনা-পর্যালোচনার মাধ্যমে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় ও জাতীয় পর্যায়ের নীতি নির্ধারকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে সমস্যার সমাধান করা এবারের সম্মেলনের উদ্দেশ্য।

তিনদিনের সম্মেলনটি সরকারি-বেসরকারি কর্তৃপক্ষ, এনজিও, দাতা সংস্থা, প্রকল্প বাস্তবায়নকারী সংস্থা, সুশীল সমাজ, শিক্ষাবিদ, পানি বিশেষজ্ঞ, পরিবেশবিদ এবং তৃণমূল পর্যায়ের জনগণের তিস্তা নিয়ে সম্মিলিত আলোচনার বড় প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করছে বলে মনে করা হচ্ছে।

স্বাগত বক্তব্যে অ্যাকশন এইড বাংলাদেশে কান্ট্রি ডিরেক্টর ফারাহ্ কবির বলেন, ‘তিস্তা কৃষি, মৎস্য ও খাদ্য ব্যবস্থার জন্য পানির একটি প্রধান উৎস। পানি ও নদী শাসন, আঞ্চলিক বিরোধ ও জলবায়ু পরিবর্তন ধারাবাহিকভাবে জনগণের অধিকারকে প্রভাবিত করছে। তাই টেকসই ও দীর্ঘমেয়াদি সমাধানের মাধ্যমে নদীকে রক্ষা করা জরুরি।’

সুইডেনের উপসালা বিশ্ববিদ্যালয়ের শান্তি ও সংঘর্ষ বিভাগের প্রধান অধ্যাপক অশোক সোয়াইন মনে করেন, তিস্তার পানি বণ্টন নিয়ে একসঙ্গে বসতে দু’দেশের শীর্ষ নেতাদের ইচ্ছা ও মানসিকতার অভাব রয়েছে। বাংলাদেশ ও ভারতের শক্তিশালী নেতৃত্বের প্রতি আহ্বান রেখে তিনি বলেন, ‘সমস্যাটি সমাধানে একটি চুক্তি সম্পাদন জরুরি।’

ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের সেন্টার ফর পিস অ্যান্ড জাস্টিসের নির্বাহী পরিচালক ব্যারিস্টার মনজুর হাসান বলেন, ‘তিস্তা নদীর পানি বণ্টন একটি গুরুত্বপূর্ণ দ্বিপাক্ষিক বিষয়। পানি কারও নিজস্ব সম্পত্তি নয়। পানির ব্যবস্থা মানবাধিকারের মৌলিক বিষয়। পৃথিবীতে বেঁচে থাকার জন্য পানি অপরিহার্য।’

তিস্তা নদীর পানি বরাদ্দ ইস্যুতে একটি সমাধানে আসার আহ্বান জানান জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জাসদ) সভাপতি হাসানুল হক ইনু। তিনি বলেন, ‘উত্তরবঙ্গে তিস্তা বাঁচাও আন্দোলন চলছে। এমনকি ভারতীয় জনগণও বর্ষা ও শুষ্ক মৌসুমে পানির দুর্ভোগে পড়ে।’

পানি ব্যবস্থাপনায় রাজনৈতিক চিন্তা-ভাবনাকে কাজে লাগাতে হবে বলেও মনে করেন ইনু।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের অধ্যাপক ড. ইমতিয়াজ আহমেদ বলেন, ‘নদী আর নদী নেই। মানুষ এখন শুষ্ক মৌসুমে হেঁটে নদী পার হতে পারে। ভারতের স্থানীয় জনগণের মতে, তিস্তার ওপর বাঁধ জীববৈচিত্র্য এবং হাজার হাজার মানুষের জীবিকাকে হুমকির মুখে ফেলেছে। ভূমিতে আদিবাসীদের অধিকার লঙ্ঘিত হয়েছে।’

সুইডেনের উপসালা বিশ্ববিদ্যালয়ের শান্তি ও সংঘর্ষ বিভাগের প্রধান অধ্যাপক অশোক সোয়াইন মনে করেন, তিস্তার পানি বণ্টন নিয়ে একসঙ্গে বসতে দু’দেশের শীর্ষ নেতাদের ইচ্ছা ও মানসিকতার অভাব রয়েছে।

বাংলাদেশ ও ভারতের শক্তিশালী নেতৃত্বের প্রতি আহ্বান রেখে তিনি বলেন, ‘সমস্যাটি সমাধানে একটি চুক্তি সম্পাদন জরুরি।’

ব্রুনাইয়ের দারুসসালাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস ও আন্তর্জাতিক অধ্যয়ন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ইফতেখার ইকবাল বলেন, ‘তিস্তা নদী নিয়ে সরকারের দুশ’ থেকে তিনশ’ বছরের দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা প্রয়োজন, যা নদী তীরের মানুষের দুর্ভোগ লাঘব করতে পারে।’

২০১৬ সাল থেকে আন্তর্জাতিক পানি সম্মেলন আয়োজন করে আসছে অ্যাকশন এইড বাংলাদেশ। তারই ধারাবাহিকতায় এ বছর তিস্তা নদীর অববাহিকায় বিদ্যমান সমস্যা ও সম্ভাবনা নিয়ে সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।

আরও পড়ুন:
খুলনা-রাজশাহী-রংপুরে শৈত্যপ্রবাহ
উত্তরে শৈত্যপ্রবাহ দুই-তিন দিনের মধ্যে
‘এবার আগন মাস পার হয়া গেইল কিন্তু জার পড়িল না’
দিনাজপুরে এক দিনে তাপমাত্রা কমল ৪.৭ ডিগ্রি
কিরণ ছড়াচ্ছে সূর্য, আসছে শৈত্যপ্রবাহ

শেয়ার করুন

রেলের মাইলেজ প্রশ্নে সরকারকে আলটিমেটাম

রেলের মাইলেজ প্রশ্নে সরকারকে আলটিমেটাম

চট্টগ্রামে রানিং স্টাফদের জরুরি সভা। ছবি: নিউজবাংলা

রানিং স্টাফ কর্মচারী সমিতির সাধারণ সম্পাদক মুজিবুর রহমান মুজিব বলেন, ‘গত নভেম্বর থেকে মাইলেজ নীতি নিয়ে আলোচনা চলছে। কিন্তু এখনও সমাধান মেলেনি। মাইলেজ পদ্ধতি রেলওয়ে কর্মচারীদের দাবি নয়, অধিকার। এ অধিকারের জন্য আমরা লড়ছি৷ এক সপ্তাহের মধ্যে যদি আমাদের অধিকার ফিরিয়ে দেয়া না হয়, তবে ৩১ জানুয়ারি থেকে কোনো ট্রেন চলবে না।’

মাইলেজ জটিলতা নিরসনে সরকারকে আলটিমেটাম দিয়েছেন রেলওয়ে কর্মচারীরা। তারা বলছেন, সমস্যার সমাধান না হলে ৩১ জানুয়ারি থেকে ট্রেন চলাচল বন্ধ করে দেয়া হবে।

রানিং স্টাফদের জরুরি সভায় বৃহস্পতিবার এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। বিকেলে নিউজবাংলাকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন রানিং স্টাফ কর্মচারী সমিতির সাধারণ সম্পাদক মুজিবুর রহমান মুজিব।

তিনি বলেন, ‘গত নভেম্বর থেকে মাইলেজ নীতি নিয়ে আলোচনা চলছে। কিন্তু এখনও সমাধান মেলেনি। মাইলেজ পদ্ধতি রেলওয়ে কর্মচারীদের দাবি নয়, অধিকার। এ অধিকারের জন্য আমরা লড়ছি৷ এক সপ্তাহের মধ্যে যদি আমাদের অধিকার ফিরিয়ে দেয়া না হয়, তবে ৩১ জানুয়ারি থেকে কোনো ট্রেন চলবে না।’

চলন্ত ট্রেনে দায়িত্ব পালনকারী ট্রেনচালক (লোকোমাস্টার), গার্ড ও টিকিট চেকার (টিটি), গার্ড (ট্রেন পরিচালক) ও টিটিইদের (ট্রাভেলিং টিকিট এক্সামিনার) বলা হয় রানিং স্টাফ।

রেলওয়ে রানিং স্টাফদের যে অতিরিক্ত কাজ করতে হয়, ব্রিটিশ শাসনামল থেকে তা মাইলেজ নামে পরিচিত। এই সুবিধায় প্রতি ৮ ঘণ্টার জন্য এক দিনের বেতনের সমপরিমাণ অর্থ পেয়ে থাকেন তারা।

রেলওয়ের ১৮৬২ সালের আইন অনুযায়ী ট্রেনচালক, সহচালক, পরিচালক ও টিকিট চেকাররা বিশেষ এই আর্থিক সুবিধা পেয়ে আসছেন। কিন্তু এতে বিপত্তি বাধে গত বছরের ৩ নভেম্বর।

এদিন অর্থ মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব শামীম বানু শান্তি স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, চলন্ত ট্রেনে দৈনিক ১০০ কিলোমিটার কিংবা তার চেয়েও বেশি দূরত্ব পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করলেও ওই দিনের বেতনের ৭৫ শতাংশের বেশি মাইলেজ ভাতা পাবেন না সংশ্লিষ্ট রানিং স্টাফ। আর মাস শেষে এই মাইলেজ মূল বেতনের বেশি হবে না।

এই প্রজ্ঞাপন জারির পর ৪ নভেম্বর ট্রেন চলাচল বন্ধ রেখে বিক্ষোভ করেন লোকোমাস্টাররা। পরে কর্তৃপক্ষের আশ্বাসে তারা কাজে যোগ দেন।

বাংলাদেশ রেলওয়ে রানিং স্টাফ ও শ্রমিক কর্মচারী সমিতির কেন্দ্রীয় কমিটির দপ্তর সম্পাদক আব্দুল বারি বলেন, “মাইলেজ হলো ‘পার্ট অফ পে’। এটি ব্রিটিশ আমল থেকে চালু। এ জটিলতা নিরসনে আমরা মন্ত্রী ও রেলওয়ে কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কয়েক দফা বৈঠক করেছি। শান্তিপূর্ণ আন্দোলন করেছি। কিন্তু আমাদের কথা কেউ রাখেনি। তাই আন্দোলনে যাচ্ছি।’

আরও পড়ুন:
খুলনা-রাজশাহী-রংপুরে শৈত্যপ্রবাহ
উত্তরে শৈত্যপ্রবাহ দুই-তিন দিনের মধ্যে
‘এবার আগন মাস পার হয়া গেইল কিন্তু জার পড়িল না’
দিনাজপুরে এক দিনে তাপমাত্রা কমল ৪.৭ ডিগ্রি
কিরণ ছড়াচ্ছে সূর্য, আসছে শৈত্যপ্রবাহ

শেয়ার করুন

দূরপাল্লার যানে বিকল্প চালকের প্রস্তাব ডিসিদের

দূরপাল্লার যানে বিকল্প চালকের প্রস্তাব ডিসিদের

দূরপাল্লার গাড়িতে দুজন চালক রাখার প্রস্তাব দিয়েছেন জেলা প্রশাসকরা। ফাইল ছবি

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, কতিপয় বৃহৎ প্রকল্পের আওতায় সড়ক ও মহাসড়ক ঘেঁষা হাটবাজারে ফ্লাইওভার, ওভারপাস ও আন্ডারপাস নির্মাণ করার কার্যক্রম গ্রহণ করা হচ্ছে।

দুর্ঘটনা রোধে মহাসড়কে নিয়মিত চলাচলকারী দূরপাল্লার গাড়িতে দুজন চালক রাখার প্রস্তাব দিয়েছেন জেলা প্রশাসকরা (ডিসি)। রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে ডিসি সম্মেলনে এ প্রস্তাব আনা হয়।

পরে এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায় মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, কতিপয় বৃহৎ প্রকল্পের আওতায় সড়ক ও মহাসড়ক ঘেঁষা হাটবাজারে ফ্লাইওভার, ওভারপাস ও আন্ডারপাস নির্মাণ করার কার্যক্রম গ্রহণ করা হচ্ছে।

বিআরটিএর লাইসেন্স ফি ইউডিসিতে জমা দেয়ার লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণের বিষয়ে আলোচনা করা হয়।

সিএনজি ও ইজিবাইক উৎপাদন, বিক্রয় ও বিপণনসংক্রান্ত সুনির্দিষ্ট আইন প্রণয়ন করার বিষয়ে সভায় আলোচনা হয়েছে বলে জানায় মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।

সৈয়দপুর ও চট্টগ্রামে রেল ইঞ্জিন তৈরির উদ্যোগ

সৈয়দপুর ও চট্টগ্রামের রেল ওয়ার্কশপে ট্রেনের ইঞ্জিন ও বগি তৈরির উদ্যোগ নিতে ডিসি সম্মেলনে আলোচনা হয়েছে।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, রেলপথসংক্রান্ত অধিবেশনে সৈয়দপুর ও চট্টগ্রামে রেলের ইঞ্জিন ও বগি তৈরির উদ্যোগ গ্রহণ করার বিষয়ে আলোচনা করা হয়।

পৌর মার্কেটসংলগ্ন স্থানে রেলওয়ে ওভারপাস নির্মাণ করার বিষয়ে সভায় আলোচনা করা হয়।

রেলওয়ে আইন, ১৮৯০-এর প্রয়োজনীয় সংশোধনের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে বলে জানানো হয়েছে।

আরও পড়ুন:
খুলনা-রাজশাহী-রংপুরে শৈত্যপ্রবাহ
উত্তরে শৈত্যপ্রবাহ দুই-তিন দিনের মধ্যে
‘এবার আগন মাস পার হয়া গেইল কিন্তু জার পড়িল না’
দিনাজপুরে এক দিনে তাপমাত্রা কমল ৪.৭ ডিগ্রি
কিরণ ছড়াচ্ছে সূর্য, আসছে শৈত্যপ্রবাহ

শেয়ার করুন

রেমিট্যান্সে নগদ সহায়তার আওতা বাড়ল

রেমিট্যান্সে নগদ সহায়তার আওতা বাড়ল

বাংলাদেশ ব্যাংকের সার্কুলারে বলা হয়, ‘প্রবাসীদের আয় বৈধ উপায়ে দেশে আনাকে উৎসাহিত করতে বিদ্যমান হারে রেমিট্যান্স প্রণোদনা বা নগদ সহায়তা দেয়ার জন্য কয়েকটি খাত যুক্ত করা হয়েছে। এগুলো হলো- পেনশন ফান্ড, প্রভিডেন্ট ফান্ড, লিভ সেলারি, বোনাস ও অন্যান্য গ্র্যাচুইটি এবং অবসর সুবিধা।’

বৈধ পথে দেশে রেমিট্যান্স প্রবাহ বাড়াতে নগদ সহায়তায় আওতা বাড়িয়েছে সরকার। এখন থেকে বিদেশি সংস্থায় কাজ করেছেন এমন ব্যক্তিদের ওইসব প্রতিষ্ঠান থেকে প্রাপ্ত পেনশন ফান্ড, প্রভিডেন্ট ফান্ড, লিভ সেলারি, বোনাস ও অন্যান্য গ্র্যাচুইটি এবং অবসর সুবিধার অর্থ রেমিট্যান্স হিসেবে আড়াই শতাংশ নগদ সহায়তা পাবেন।

বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রা নীতি বিভাগ বৃহস্পতিবার এ সংক্রান্ত একটি নির্দেশনা জারি করেছে। এই নির্দেশনা দেশের সব তফসিলি ব্যাংকের প্রধান নির্বাহী ও ব্যবস্থাপনা পরিচালকদের কাছে পাঠানো হয়েছে।

সার্কুলারে বলা হয়, ‘সরকারি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী প্রবাসীদের কষ্টার্জিত বৈদেশিক আয় বৈধ উপায়ে দেশে আনাকে উৎসাহিত করতে বিদ্যমান হারে রেমিট্যান্স প্রণোদনা বা নগদ সহায়তা দেয়ার জন্য কয়েকটি খাত যুক্ত করা হয়েছে। এগুলো হলো- পেনশন ফান্ড, প্রভিডেন্ট ফান্ড, লিভ সেলারি, বোনাস ও অন্যান্য গ্র্যাচুইটি এবং অবসর সুবিধা।

‘রেমিট্যান্সের অর্থের আয়ের উৎস সম্পর্কে নিশ্চিত হতে হবে এবং আহরণের সঙ্গে সঙ্গে আবশ্যিকভাবে তা টাকায় রূপান্তর করতে হবে।’

নির্দেশনাটি সার্কুলার জারির তারিখ থেকে কার্যকর হবে। রেমিট্যান্স পাঠানোর বিপরীতে প্রণোদনা ও নগদ সহায়তা সংক্রান্ত আগের ইস্যু করা নির্দেশনা অপরিবর্তিত থাকবে বলে সার্কুলারে উল্লেখ করা হয়েছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ২০২১-২২ অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে (জুলাই-ডিসেম্বর) রেমিট্যান্স এসেছে এক হাজার ২৩ কোটি ডলার। গত অর্থবছরের একই সময়ে তা ছিল এক হাজার ২৯৪ কোটি ডলার। সে হিসাবে চলতি অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে রেমিট্যান্স কমেছে ২৭০ কোটি ডলার।

আরও পড়ুন:
খুলনা-রাজশাহী-রংপুরে শৈত্যপ্রবাহ
উত্তরে শৈত্যপ্রবাহ দুই-তিন দিনের মধ্যে
‘এবার আগন মাস পার হয়া গেইল কিন্তু জার পড়িল না’
দিনাজপুরে এক দিনে তাপমাত্রা কমল ৪.৭ ডিগ্রি
কিরণ ছড়াচ্ছে সূর্য, আসছে শৈত্যপ্রবাহ

শেয়ার করুন

ডিসিরাই জানেন দুর্নীতি কোথায় হয়: দুদক চেয়ারম্যান

ডিসিরাই জানেন দুর্নীতি কোথায় হয়: দুদক চেয়ারম্যান

দুদক চেয়ারম্যান মোহাম্মদ মঈনউদ্দীন আবদুল্লাহ (ডায়াসে ডানে)। ফাইল ছবি

দুদক চেয়ারম্যান বলেন, ‘দুদকের অন্যতম একটি কাজ হলো সচেতনতা বৃদ্ধি; দুর্নীতি যেন না হয়। দুর্নীতি থেকে যেন মানুষ দূরে থাকে, এটাও কিন্তু দুদকের অন্যতম কাজ। এ জন্য আমরা ডিসিদের অনুরোধ জানিয়েছি। তারা আমাদের সবসময় সাহায্য করেন; আরও যেন সাহায্য করেন।’

দুর্নীতি রোধের পাশাপাশি এ বিষয়ে জনসচেতনতা বাড়াতে জেলা প্রশাসকদের (ডিসি) সহযোগিতা চেয়েছেন দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চেয়ারম্যান মোহাম্মদ মঈনউদ্দীন আবদুল্লাহ।

রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে বৃহস্পতিবার ডিসি সম্মেলনে অংশ নিয়ে তিনি এ সহযোগিতা চান।

দুদক চেয়ারম্যান বলেন, ‘দুদকের অন্যতম একটি কাজ হলো সচেতনতা বৃদ্ধি; দুর্নীতি যেন না হয়। দুর্নীতি থেকে যেন মানুষ দূরে থাকে, এটাও কিন্তু দুদকের অন্যতম কাজ। এ জন্য আমরা ডিসিদের অনুরোধ জানিয়েছি। তারা আমাদের সবসময় সাহায্য করেন; আরও যেন সাহায্য করেন।

‘একজন জেলা প্রশাসক জানেন তার অফিসে কোথায় কোথায় দুর্নীতির সুযোগ আছে। কোন অফিসে কোথায় কোথায় দুর্নীতির সুযোগ আছে, এটা কিন্তু জেলা প্রশাসকরা জানেন। ওই জায়গায় তারা যেন সচেতনতা বৃদ্ধির কাজ করেন।’

তিনি বলেন, ‘আমাদের আরেকটি কাজ হলো গণশুনানি। আপনারা জানেন যে প্রযুক্তির উন্নয়নের সঙ্গে সঙ্গে দুর্নীতির ধরনও পরিবর্তন হয়ে যায়। কোথাও যদি গণশুনানি করা হয়, তাহলে দুর্নীতির নতুন ধরনগুলোও জানা যায়। করোনার কারণে এটি এখন সীমিত আছে।

‘আমরা ডিসিদের বলেছি তারাও যেন গণশুনানি করেন। আমরাও করব। কোথায় নতুন রূপে দুর্নীতি হয় এবং কীভাবে তা বন্ধ করা যায়, সে বিষয়ে তারা যেন সহযোগিতা করেন।’

দুর্নীতির তদন্তের সময় কমিয়ে আনতে উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে বলেও জানান দুদক চেয়ারম্যান।

তিনি বলেন, ‘আমাদের একটি সমস্যা হলো তদন্ত বা অনুসন্ধানে একটু সময় লেগে যায়। এটার কারণে হয়তো অনেকে অভিযোগ থাকলেও সমস্যা হয়। এটা আমাদের একটি সীমাবদ্ধতা। এটা আমরা অ্যাড্রেস করার চেষ্টা করছি। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে যেন আমাদের তদন্তগুলো শেষ হয়, আমরা চেষ্টা করছি।

‘দুর্নীতি এমন একটি জিনিস, প্রমাণ পাওয়াটা খুব কঠিন। অকাট্য প্রমাণ ছাড়া তো আমরা এগোতে পারি না। কারণ এটি না হলে আদালত মামলা গ্রহণ করবে না। যিনি ঘুষ নেন ও যিনি দেন, তারা কেউই তো স্বীকার করে না। এটি কমিয়ে আনতে আমরা চেষ্টা করছি। আমাদের যারা অনুসন্ধান করে তাদেরকেও আমরা জবাবদিহিতার আওতায় আনার চেষ্টা করছি।’

দুদকের আইনজীবীরা মামলার শুনানিতে উপস্থিত থাকেন না এমন অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আমরা জেলার যারা বিজ্ঞ আইনজীবী আছেন, তাদেরকেই নিয়োগ করার চেষ্টা করি। দুদক আইনে আছে আমাদের একটি প্যানেল থাকে। অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি বা অ্যাসিস্ট্যান্ট ডিরেক্টরের বেতনে তো কোনো আইনজীবী আসতে রাজি হবেন না।

‘তারা যদি স্বাধীনভাবে আইন পেশায় থাকে, তাদের আয় অনেক বেশি থাকে। আমার এখানে যদি নিয়ে আসি, তাহলে পঞ্চম গ্রেডের বেতন যদি দেই, সে টাকায় ভালো আইনজীবী আসবে না। আইনজীবী নিয়োগের জন্য যারা প্রতিষ্ঠিত তাদেরই আমরা নিয়োগের চেষ্টা করি। মামলার সময় উপস্থিত থাকে না, এমন ঘটনা অনেক কম।’

আরও পড়ুন:
খুলনা-রাজশাহী-রংপুরে শৈত্যপ্রবাহ
উত্তরে শৈত্যপ্রবাহ দুই-তিন দিনের মধ্যে
‘এবার আগন মাস পার হয়া গেইল কিন্তু জার পড়িল না’
দিনাজপুরে এক দিনে তাপমাত্রা কমল ৪.৭ ডিগ্রি
কিরণ ছড়াচ্ছে সূর্য, আসছে শৈত্যপ্রবাহ

শেয়ার করুন

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন সংশোধনের ইঙ্গিত

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন সংশোধনের ইঙ্গিত

আইনমন্ত্রী আনিসুল হক। ফাইল ছবি

আনিসুল হক বলেন, ‘ডিজিটাল সিকিউরিটি অ্যাক্ট নিয়ে জাতিসংঘের হিউম্যান রাইটস অফিসের সঙ্গে দুবার আলোচনা করেছি। মানবাধিকার কমিশনকে অবহিত করা হয়েছে যে আমরা আলোচনার জন্য প্রস্তুত।’

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন সংশোধন হতে পারে। জাতিসংঘ মানবাধিকার কমিশনের সঙ্গে আলোচনার উল্লেখ করে আইনমন্ত্রী আনিসুল হক এমন ধারণা দিয়েছেন।

রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে চলমান ডিসি সম্মেলনে বৃহস্পতিবার অংশ নিয়ে আইনমন্ত্রী একথা বলেন।

আনিসুল হক বলেন, ‘ডিজিটাল সিকিউরিটি অ্যাক্ট নিয়ে জাতিসংঘের হিউম্যান রাইটস অফিসের সঙ্গে দুবার আলোচনা করেছি। একটি কমিটি করা হয়েছে। মানবাধিকার কমিশনকে অবহিত করা হয়েছে যে আমরা আলোচনার জন্য প্রস্তুত। তারা যেন দ্রুতই সে আলোচনার তারিখ জানায়। তাদের নির্ধারিত তারিখ অনুযায়ী আমরা আলোচনায় বসতে রাজি আছি।

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন সংশোধন ইস্যুতে আলোচনার জন্য লেজিসলেটিভ বিভাগের সচিবের নেতৃত্বে আইন ও বিচার বিভাগ, আইসিটি, স্বরাষ্ট্র এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধিদের নিয়ে ছয় সদস্যের কমিটি করা হয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে- ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা করার সঙ্গে সঙ্গে এটা যেন মামলা হিসেবে গ্রহণ করা না হয়। আইসিটি অ্যাক্ট অনুযায়ী যেন সেলে পাঠানো হয়।

‘সংবাদ মাধ্যমের কর্মীদের যেন তাৎক্ষণিক গ্রেপ্তার করা না হয়, সে ব্যাপারে পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। আর এমন নির্দেশনার পর এই আইনে সাংবাদিকদের গ্রেপ্তার অনেকাংশে কমে গেছে।’

কমিটির কাজ সম্পর্কে জানতে চাইলে মন্ত্রী বলেন, ‘এই আইন প্রধানত সাইবার অপরাধ নিয়ন্ত্রণের উদ্দেশ্যে করা হয়েছে। বাক-স্বাধীনতা বা সংবাদ মাধ্যমের স্বাধীনতা হরণ করার জন্য করা হয়নি। সেটা যদি করা হতো এটা আইন হিসেবেই গণ্য হতো না।

‘কারণ সংবিধানে মৌলিক অধিকার হিসেবে বাক-স্বাধীনতা এবং গণমাধ্যমের স্বাধীনতাকে রাখা হয়েছে। আমরা একটু আগে এমন আইন করেছি। তবে ইতোমধ্যে অনেক দেশেই করা হয়েছে এবং অনেক দেশ এই আইন করা আবশ্যক মনে করছে।’

আনিসুল হক বলেন, ‘এই আইন যখন বাস্তবায়ন করা হয় সেখানে কিছু মিসইউজ ও কিছু অ্যাবিউস হয়েছে। এগুলো যাতে না হয় সে জন্য জাতিসংঘের হিউম্যান রাইটস অফিসের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা করে সারা পৃথিবীর বেস্ট প্র্যাকটিসগুলো নির্ণয় করে তা থেকে আমাদের দেশের জন্য প্রয়োজনীয় অংশটুকু হয়ত আমরা বিধি দিয়ে গ্রহণ করব। প্রয়োজন হলে আইনের বিধিবিধান কিছুটা সংশোধনও করা হবে।’

নির্বাচন কমিশন গঠনে সংসদের চলমান অধিবেশনে আইন পাসের চেষ্টা করা হবে বলেও জানান মন্ত্রী।

ভূমির নিবন্ধন প্রক্রিয়া ভূমি মন্ত্রণালয়ের অধীনে দেয়া সংক্রান্ত এক প্রশ্নে আইনমন্ত্রী বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী এ বিষয়ে অনুশাসন দিয়েছেন, এটা আইন মন্ত্রণালয়ের অধীনে থাকবে। প্রধানমন্ত্রী যেখানে অনুশাসন দিয়েছেন সেখানে আলোচনার কোনো অবকাশ থাকতে পাবে না।’

‌এক প্রশ্নের জবাবে আইনমন্ত্রী বলেন, ‘ভ্রাম্যমাণ আদালত নিয়ে আলোচনার বিষয়ে কোনো নির্দেশনা দেইনি। কারণ আমি বিচারাধীন বিষয় নিয়ে কথা বলি না। আমি ডিসিদের বলেছি- বিষয়টি বিচারাধীন। যখন রিভিউ হবে তখন চেষ্টা থাকবে এর ক্রটি-বিচ্যুতিগুলো সমাধান করার। যে রায় দেয়া হয়েছে সেটি স্থগিত আছে। আমি তাদের এটা জানিয়েছি।

‘দণ্ডবিধির ২২৮ ধারা মোবাইল কোর্ট আইনের তফসিলে যুক্ত করতে ডিসিদের দাবির বিষয়ে তিনি বলেন, ‘সিআরপিসি অনুযায়ী সামারি ট্রায়াল ও পাশাপাশি বেইলেবল। সেটা মোবাইল কোর্টে স্থানান্তর করতে অসুবিধা হওয়ার কথা না। তবু আমি এটি পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত দেব।’

আরও পড়ুন:
খুলনা-রাজশাহী-রংপুরে শৈত্যপ্রবাহ
উত্তরে শৈত্যপ্রবাহ দুই-তিন দিনের মধ্যে
‘এবার আগন মাস পার হয়া গেইল কিন্তু জার পড়িল না’
দিনাজপুরে এক দিনে তাপমাত্রা কমল ৪.৭ ডিগ্রি
কিরণ ছড়াচ্ছে সূর্য, আসছে শৈত্যপ্রবাহ

শেয়ার করুন

মসজিদে নামাজ পড়া নিয়ে নতুন নির্দেশনা নেই

মসজিদে নামাজ পড়া নিয়ে নতুন নির্দেশনা নেই

বায়তুল মোকাররম মসজিদে নামাজের একটি মুহূর্ত। ছবি: পিয়াস বিশ্বাস

মসজিদে নামাজ পড়ার বিষয়ে ধর্ম প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘এর আগে যে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে, সেটা এখনও বলবৎ আছে। আমরা বলেছি স্বাস্থ্যবিধি মেনে নামাজ পড়ার জন্য।’

করোনাভাইরাস সংক্রমণ হারের ঊর্ধ্বগতির মধ্যে মসজিদে নামাজ পড়ার বিষয়ে নতুন করে কোনো নির্দেশনা নেই বলে জানিয়েছেন ধর্মবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ফরিদুল হক খান।

রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে বৃহস্পতিবার ডিসি সম্মেলনে অংশ নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

ধর্ম প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘এর আগে যে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে, সেটা এখনও বলবৎ আছে। আমরা বলেছি স্বাস্থ্যবিধি মেনে নামাজ পড়ার জন্য।

‘আগে বলা হয়েছিল ২০ জন মসজিদে নামাজ পড়তে পারবে। এমন একটা নিয়ম চালু করা হয়েছিল। আমরা বুঝতে পেরেছি, সেটা ঠিক নয়। বায়তুল মোকাররমে ৩৫ হাজার মানুষ নামাজ পড়তে পারে। সেখানে যদি ১০ হাজার মানুষ নামাজ পড়ে, তবে তো আইনের ব্যত্যয় ঘটবে বলে মনে হয় না। হয়তো ছোট ছোট মসজিদগুলোকে যেখানে ৪০-৫০ জন নামাজ পড়তে পারে, সেটা লক্ষ্য করে ওই নির্দেশনা দেয়া হয়েছিল।’

জেলা প্রশাসকদের কী নির্দেশনা দেয়া হয়েছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আমরা যেসব নির্দেশনা দিয়েছি, সেগুলোর মধ্যে রয়েছে ধর্মীয় সম্প্রীতি ও শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান নিশ্চিত করুন। মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্র নির্মাণকাজের তদারকি ও সংশ্লিষ্ট কাজের ভূমির জটিলতা নিরসনে বিশেষভাবে সচেষ্ট হওয়ার জন্য বলা হয়েছে। মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্র পরিচালনা করতে হবে।’

সরকারি ব্যবস্থাপনায় হজে যাওয়ার বিষয়ে মাঠ পর্যায়ে জনসচেতনতা বাড়াতে ডিসিদের নির্দেশনা দেয়া হয়েছে বলেও জানান প্রতিমন্ত্রী।

তিনি বলেন, ‘ওয়াকফ সম্পত্তি ব্যবস্থাপনা তালিকাভুক্ত করাসহ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে আরও সক্রিয় ভূমিকা রাখতে হবে। মসজিদ, মন্দির ও প্যাগোডাভিত্তিক প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষা কার্যক্রম তদারকি করতে হবে।

‘জেলা পর্যায়ে চাঁদ দেখার বিষয়ে আরও যত্নবান ও দায়িত্বশীল হতে হবে। সারা দেশে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের মন্দির সংস্কারের কাজ তদারকি করতে হবে। কোভিড-১৯ নিয়ন্ত্রণে সময়ে সময়ে সরকারের জারি করা নির্দেশনাবলী সকল উপাসনালয়ে প্রচারের ব্যবস্থা করতে হবে।’

তাবলিগ জামাতের বিশ্ব ইজতেমায় অংশগ্রহণকারীদের কাছ থেকে কোনো চার্জ আরোপের চিন্তা সরকারের আছে কি না জানতে চাইলে ধর্ম প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘এমন কোনো পরিকল্পনা হাতে নেই। সারা বিশ্ববাসী যখন বিশ্ব ইজতেমায় আসে, আল্লাহতায়ালা ইজতেমাকে কবুল করে নিয়েছেন।

‘কোনো অর্থ আরোপ করা সমীচীন হবে না বলে আমি ব্যক্তিগতভাবে মনে করি। আমি মনে করি এটা এ দেশের জন্য আল্লাহর বরকত।’

আরও পড়ুন:
খুলনা-রাজশাহী-রংপুরে শৈত্যপ্রবাহ
উত্তরে শৈত্যপ্রবাহ দুই-তিন দিনের মধ্যে
‘এবার আগন মাস পার হয়া গেইল কিন্তু জার পড়িল না’
দিনাজপুরে এক দিনে তাপমাত্রা কমল ৪.৭ ডিগ্রি
কিরণ ছড়াচ্ছে সূর্য, আসছে শৈত্যপ্রবাহ

শেয়ার করুন