বিবাহিত ছাত্রীদের হল ত্যাগের নির্দেশ স্থগিত

player
বিবাহিত ছাত্রীদের হল ত্যাগের নির্দেশ স্থগিত

মওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের আলমা খাতুন ভাসানী হল। ছবি: নিউজবাংলা

গত ১১ ডিসেম্বর আলেমা খাতুন ভাসানী হলের নোটিশ বোর্ডে বিবাহিত ছাত্রীদের ৩০ জানুয়ারির মধ্যে হল ছাড়ার নির্দেশ দেয়া হয়। নানা সমালোচনায় এই সিদ্ধান্ত স্থগিত করে হল কর্তৃপক্ষ।

টাঙ্গাইলে মওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী হলে বিবাহিতরা থাকতে পারবে না- এমন সিদ্ধান্ত স্থগিত করা হয়েছে।

এক নোটিশ দিয়ে সোমবার বিকেলে বলা হয়েছে, গত ১১ ডিসেম্বর যে নোটিশ দেয়া হয়েছিল, সেটির কার্যকারিতা স্থগিত করা হয়েছে।

আলেমা খাতুন ভাসানী হলের প্রভোস্ট রোকসানা হক রিমি বলেন, ‘ছাত্রীদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বিষয়টি বিবেচনা করে বর্তমানে স্থগিত করা হয়েছে। পরবর্তী নির্দেশনা না পাওয়া পর্যন্ত এ আদেশ বলবৎ থাকবে।’

গত ১১ ডিসেম্বর আলেমা খাতুন ভাসানী হলের নোটিশ বোর্ডে বিবাহিত ছাত্রীদের ৩০ জানুয়ারির মধ্যে হল ছাড়ার নির্দেশ দেয়া হয়।

এতে বলা হয়, ‘হলের নিয়ম অনুযায়ী বিবাহিত ছাত্রীদের হলে থেকে অধ্যয়নের সুযোগ নেই।...উল্লেখ্য, কোনো ছাত্রী বিবাহিতা হলে কর্তৃপক্ষকে অনতিবিলম্বে অবহিত করবে। অন্যথায় নিয়মভঙ্গের কারণে জরিমানাসহ তার সিট বাতিল করা হবে।’

এই সিদ্ধান্ত সমালোচিত হয়, ছাত্রীরাও প্রতিবাদ জানান।

নোটিশের বিষয়ে সে সময় হলের প্রভোস্ট রোকসানা হক রিমি জানান, হল প্রতিষ্ঠার সময় থেকেই বিবাহিতদের বিষয়ে এমন নিয়ম আছে। হলে এখন ৩০০-এর বেশি ছাত্রী থাকছে, যা আমাদের ধারণক্ষমতার বাইরে। তাই বিবাহিতদের হল ছেড়ে দেয়ার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

বিবাহিত হওয়ায় এর আগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলাদেশ কুয়েত মৈত্রী হলে এক শিক্ষার্থীর সিট কেটে দেয়ার অভিযোগ ওঠে।

এ বিষয়ে কুয়েত মৈত্রী হলের সিট কমিটির সদস্য এবং পুষ্টি ও খাদ্যবিজ্ঞান ইনস্টিটিউটের সহযোগী অধ্যাপক ইলা ইসমাইল বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ আমাদের যে রকম নির্দেশনা দিয়েছে, সেভাবেই আমরা হলটি চালাই।’

এ রকম নিয়ম কেন জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘এই নিয়ম আমরা বানাইনি। এটি প্রশাসন থেকে আসা এমন একটি নিয়ম, যেটি অনেক আগে থেকেই হয়ে আসছে। আমরা শুধু সেটি অনুসরণ করি।’

আরও পড়ুন:
মাওলানা ভাসানী বিশ্ববিদ্যালয়ের বিবাহিত ছাত্রীদের হল ছাড়ার নোটিশ
বিবাহিত হওয়ায় হলের সিট হারাচ্ছেন ঢাবি ছাত্রীরা

শেয়ার করুন

মন্তব্য

করোনায় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি নির্বাচন স্থগিত

করোনায় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি নির্বাচন স্থগিত

করোনার তৃতীয় ঢেউ ছড়িয়ে পড়ার পরিপ্রেক্ষিতে গত ২১ জানুয়ারি এক আদেশে সব ধরনের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সশরীরে ক্লাস আগামী ৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বন্ধ রাখার নির্দেশ এসেছে।

করোনা ভাইসারের বিস্তারের কারণে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকা অবস্থান ব্যবস্থাপনা কমিটি ও পরিচালনা পর্ষদ নির্বাচন স্থগিত রাখতে নির্দেশনা জারি করা হয়েছে।

রোববার ঢাকা শিক্ষা বোর্ড থেকে এ নির্দেশনা জারি করা হয়েছে।

নির্দেশনায় বলা হয়, ‘মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের নির্দেশনা মোতাবেক সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখা হয়েছে। করোনা ভাইরাসজনিত রোগ কোভিড-১৯ এর বিস্তার রোধকল্পে যে সমন্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজিং কমিটির নির্বাচন সংক্রান্ত কার্যক্রম চলমান রয়েছে, সে সমস্ত প্রতিষ্ঠানের নির্বাচন সংক্রান্ত যাবতীয় কার্যক্রম আগামী ৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত স্থগিত করা হলো।’

করোনার তৃতীয় ঢেউ ছড়িয়ে পড়ার পরিপ্রেক্ষিতে গত ২১ জানুয়ারি এক আদেশে সব ধরনের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সশরীরে ক্লাস আগামী ৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বন্ধ রাখার নির্দেশ এসেছে। ২০২০ সালের মার্চে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান শুরুতে একটি সীমিত সময়ের জন্য বন্ধ করা হলেও পরে বারবার এর মেয়াদ বাড়ানো হয়। সে সময় সব মিলিয়ে দেড় বছর বন্ধ থাকে শিক্ষাঙ্গন। ক্লাস-পরীক্ষা নেয়া হয় অনলাইনে।

ঢাকা শিক্ষাবোর্ডের নির্দেশনায় বলা হয়, এবারও যদি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছুটির মেয়াদ বাড়ানো হয়, সেক্ষেত্রে নির্বাচনে এই নিষেধাজ্ঞা ছুটিকালীন সময় পর্যন্ত বহাল থাকবে।

মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের জারি করা গত ২২ জানুয়ারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে স্বাস্থ্যবিধি সংক্রান্ত ১১ নির্দেশনা বাস্তবায়নে যথাযথভাবে প্রতিপালন করার জন্যও অনুরোধ করা হয় এই আদেশে।

আরও পড়ুন:
মাওলানা ভাসানী বিশ্ববিদ্যালয়ের বিবাহিত ছাত্রীদের হল ছাড়ার নোটিশ
বিবাহিত হওয়ায় হলের সিট হারাচ্ছেন ঢাবি ছাত্রীরা

শেয়ার করুন

অমর একুশে: শহীদ মিনারে যেতে লাগবে টিকা সনদ

অমর একুশে: শহীদ মিনারে যেতে লাগবে টিকা সনদ

গত বছর বিধিনিষেধ ছিল করোনার, সে বছর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ফুল দিতে যায়নি প্রধানমন্ত্রী। ফাইল ছবি

করোনার তৃতীয় ঢেউ ছড়িয়ে পড়ার পরিপ্রেক্ষিতে সরকার গত ১৩ জানুয়ারি নানা বিধিনিষেধ জারি করে সব ধরনের জমায়েত নিষিদ্ধ করে। ২১ জানুয়ারি আরেক আদেশে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সশরীরে ক্লাস এবং সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় যে কোনো অনুষ্ঠানে এক শ জনের বেশি মানুষের উপস্থিতিতে নিষেধাজ্ঞা দেয়া হয়। জানানো হয়, যারা উপস্থিত হবেন, তাদের হয় টিকার সনদ, নয় করোনা নেগেটিভ সনদ লাগবে।

২১ ফেব্রুয়ারি শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে যেতে হলে করোনা টিকার সনদ সঙ্গে রাখতে হবে। সেই সঙ্গে সবাইকে পরতে হবে মাস্ক।

সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে ও যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করে প্রতিটি সংগঠন বা প্রতিষ্ঠানের পক্ষ হতে সর্বোচ্চ পাঁচজন প্রতিনিধি ও ব্যক্তি পর্যায়ে একসঙ্গে সর্বোচ্চ দুইজন শহীদ মিনারে ফুল দিতে পারবেন।

অমর একুশে উদযাপন বিষয়ে রোববার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে এক ভার্চুয়াল সভায় এসব সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। উপাচার্য অধ্যাপক মো. আখতারুজ্জামান এর সভাপতিত্ব করেন।

সভায় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ উপাচার্যরা ছাড়াও কোষাধ্যক্ষ, সিনেট-সিন্ডিকেট সদস্য, রেজিস্ট্রার, শিক্ষক সমিতির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক, বিভিন্ন অনুষদের ডিন, বিভিন্ন হলের প্রভোস্ট, বিভিন্ন বিভাগের চেয়ারম্যান, বিভিন্ন ইনস্টিটিউটের পরিচালক, প্রক্টরও যুক্ত ছিলেন।

উপাচার্য বলেন, ‘কোভিড-১৯ উদ্ভূত পরিস্থিতি বিবেচনায় যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করে ও সামজিক দূরত্ব বজায় রেখে সীমিত পরিসরে যথাযোগ্য মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্যের সাথে মহান শহীদ দিবস আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালন করা হবে।’

করোনার তৃতীয় ঢেউ ছড়িয়ে পড়ার পরিপ্রেক্ষিতে সরকার গত ১৩ জানুয়ারি নানা বিধিনিষেধ জারি করে সব ধরনের জমায়েত নিষিদ্ধ করে। ২১ জানুয়ারি আরেক আদেশে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সশরীরে ক্লাস এবং সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় যে কোনো অনুষ্ঠানে এক শ জনের বেশি মানুষের উপস্থিতিতে নিষেধাজ্ঞা দেয়া হয়। জানানো হয়, যারা উপস্থিত হবেন, তাদের হয় টিকার সনদ, নয় করোনা নেগেটিভ সনদ লাগবে।

এই পরিস্থিতিতে অমর একুশের অনুষ্ঠান কীভাবে হবে, তা জানিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য বলেন, ‘পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে গত বছরের ন্যায় এ বছরও জনসমাগম এড়িয়ে চলার বিষয়ে ব্যাপক সচেতনতা সৃষ্টি করতে হবে।’

সভায় শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উদযাপনের কর্মসূচি সুষ্ঠুভাবে বাস্তবায়নে অমর একুশে উদযাপন কেন্দ্রীয় সমন্বয় কমিটি এবং বিভিন্ন উপ-কমিটিও গঠন করা হয়।

আরও পড়ুন:
মাওলানা ভাসানী বিশ্ববিদ্যালয়ের বিবাহিত ছাত্রীদের হল ছাড়ার নোটিশ
বিবাহিত হওয়ায় হলের সিট হারাচ্ছেন ঢাবি ছাত্রীরা

শেয়ার করুন

উপাচার্যের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ চায় শাবি শিক্ষক সমিতি

উপাচার্যের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ চায় শাবি শিক্ষক সমিতি

শাবি উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমেদ। ছবি: সংগৃহিত

শিক্ষক সমিতির সভাপতি তুলসী কুমার দাস বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের ওপর যে হামলার ঘটনা ঘটেছে তার নিন্দা জানিয়েছি। সেই সঙ্গে সুষ্ঠু তদন্ত করে দায়ী ব্যক্তিদের শাস্তির আওতায় আনার আহ্বান জানিয়েছি আমরা।’

উপাচার্যের বিরুদ্ধে দ্রুত পদক্ষেপ নেয়ার আহ্বান জানিয়েছে শাবি শিক্ষক সমিতি।

একই সঙ্গে শিক্ষার্থীরা যাতে কোনো ধরনের সহিংসতার শিকার না হয় সে বিষয়টিও নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে।

নিউজবাংলাকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন সমিতির সভাপতি তুলসী কুমার দাস।

বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার ভবনে রোববার বেলা ৩টার দিকে বৈঠকে বসেন শিক্ষক সমিতির নেতারা।

টানা পাঁচ ঘণ্টা বৈঠক শেষে রাত ৮টার পরে তুলসী কুমার দাস বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের ওপর যে হামলার ঘটনা ঘটেছে তার নিন্দা জানিয়েছি। সেই সঙ্গে সুষ্ঠু তদন্ত করে দায়ী ব্যক্তিদের শাস্তির আওতায় আনার আহ্বান জানিয়েছি আমরা।’

আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা যাতে কোনো হয়রানির শিকার না হয় সেদিকে প্রশাসনকে নজর রাখার আহ্বান জানিয়ে তুলসী কুমার দাস বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের অনশন ভাঙানোর ব্যাপারে দ্রুত কার্যকর উদ্যোগ নেয়া প্রয়োজন। উপচার্যের পদত্যাগের বিষয়টি যেহেতু সরকারের এখতিয়ার, আমরা এ ক্ষেত্রে দ্রুত পদক্ষেপ নেয়ার অনুরোধ করছি।’

শিক্ষক সমিতির পক্ষ থেকে সংবাদমাধ্যমে একটি বিবৃতিও পাঠানো হয়েছে। শিক্ষকদের এই অবস্থানে উল্লাস প্রকাশ করেছেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা।

শিক্ষার্থী মোহাইমিনুল বাশার রাজ বলেন, ‘এটা আমাদের আন্দোলনের প্রাথমিক বিজয়। আমরা চূড়ান্ত বিজয়ের কাছাকাছি পৌঁছে গেছি।’

আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশের চড়াও হওয়ার ঘটনাকে দুঃখজনক বলে মন্তব্য করেছেন শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনিও।

রাজধানীর হেয়ার রোডে মন্ত্রীর বাসায় শাবি শিক্ষকদের প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বৈঠক শেষে এ মন্তব্য করেন তিনি।

মন্ত্রী বলেন, ‘শাবিতে পুলিশি আচরণ (অ্যাকশন) দুঃখজনক। কিন্তু শিক্ষকদেরও লাঞ্ছিত করা হয়েছে। দুটোই অনভিপ্রেত।

মন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে অংশ নেয়া শিক্ষকদের প্রতিনিধি দলে ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতির সভাপতি তুলসী কুমার দাস, সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ মুহিবুল আলম, ফিজিক্যাল সায়েন্সেস অনুষদের ডিন মো. রাশেদ তালুকদার, অ্যাপ্লায়েড সায়েন্সেস অনুষদের ডিন আরিফুল ইসলাম ও ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের ডিন খায়রুল ইসলাম।

পরে শিক্ষামন্ত্রী আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সঙ্গে ভার্চুয়ালি বৈঠক করেন। তবে কোনো সিদ্ধান্ত ছাড়াই ওই বৈঠক শেষ হয়।

বৈঠক শেষে শিক্ষামন্ত্রীর প্রতিনিধি দলের সদস্য আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক শফিউল আলম নাদেল বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের অনশন নিয়ে চিন্তিত শিক্ষামন্ত্রী। তাই তিনি অনুরোধ করেছেন এই কর্মসূচি থেকে শিক্ষার্থীরা যেন সরে আসেন। একই সঙ্গে কোনো শিক্ষার্থী অ্যাকাডেমিক বা আইনি হয়রানির শিকার যেন না হয় সেই বিষয়টি দেখা হবে।’

এর আগে হামলার ঘটনায় প্রশাসন দায় এড়াতে পারে না বলে জানান বিশ্ববিদ্যালয়টির ‘মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উদ্বুদ্ধ শিক্ষক পরিষদের’ নেতারা।

আরও পড়ুন:
মাওলানা ভাসানী বিশ্ববিদ্যালয়ের বিবাহিত ছাত্রীদের হল ছাড়ার নোটিশ
বিবাহিত হওয়ায় হলের সিট হারাচ্ছেন ঢাবি ছাত্রীরা

শেয়ার করুন

নিয়ম মেনে এমপিও’র আবেদন চায় মাউশি

নিয়ম মেনে এমপিও’র আবেদন চায় মাউশি

মাউশি মহাপরিচালক (রুটিন দায়িত্ব) অধ্যাপক মো. শাহেদুল খবির চৌধুরীর সই করা অফিস আদেশে বলা হয়, বেসরকারি এমপিওভুক্ত কলেজের কোনো কোনো অধ্যক্ষ, উপাধ্যক্ষ, শিক্ষক ও কর্মচারীদের এমপিও বা এমপিও বকেয়ার জন্য যথাযথ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে আবেদন করেননি। অনেকে সরাসরি আবেদন করছেন। এটা জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা এবং বিধি-বিধান পরিপন্থী। এমনকি এসব কারণে এমপিও প্রক্রিয়ায় বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির আশঙ্কা থাকে।

এমপিও বা বকেয়া এমপিও পেতে অনেকেই যথাযথ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে আবেদন করেন না। এতে নানামুখী সমস্যা হচ্ছে। এবার নিয়ম অনুযায়ী আবেদন করতে শিক্ষক-কর্মচারীদের নির্দেশনা দিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)।

রোববার মাউশি মহাপরিচালক (রুটিন দায়িত্ব) অধ্যাপক মো. শাহেদুল খবির চৌধুরীর সই করা অফিস আদেশে এই নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

এতে বলা হয়, বেসরকারি এমপিওভুক্ত কলেজের কোনো কোনো অধ্যক্ষ, উপাধ্যক্ষ, শিক্ষক ও কর্মচারীদের এমপিও বা এমপিও বকেয়ার জন্য যথাযথ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে আবেদন করেননি। অনেকে সরাসরি আবেদন করছেন। এটা জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা এবং বিধি-বিধান পরিপন্থী। এমনকি এসব কারণে এমপিও প্রক্রিয়ায় বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির আশঙ্কা থাকে।

মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের এমপিও কমিটির সভার সিদ্ধান্তে বলা আছে, ‘কোনো শিক্ষক-কর্মচারীর এমপিও বকেয়ার বিষয়ে আবেদনের ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠান প্রধানের অগ্রায়নপত্রসহ প্রযোজ্য ক্ষেত্রে জেলা শিক্ষা অফিসার এবং উপপরিচালক/পরিচালক, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা আঞ্চলিক কার্যালয় থেকে বকেয়ার কারণসহ যাচাই করে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরে পাঠাতে হবে।

এমপিও হলো মান্থলি পেমেন্ট অর্ডার বা মাসিক বেতন আদেশ, যার মাধ্যমে বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের বদলে পরিশোধ করে সরকার।

আরও পড়ুন:
মাওলানা ভাসানী বিশ্ববিদ্যালয়ের বিবাহিত ছাত্রীদের হল ছাড়ার নোটিশ
বিবাহিত হওয়ায় হলের সিট হারাচ্ছেন ঢাবি ছাত্রীরা

শেয়ার করুন

শাবি উপাচার্য ভবন পানি-বিদ্যুৎহীন

শাবি উপাচার্য ভবন পানি-বিদ্যুৎহীন

ভিসির বাসভবনের পানি-বিদ্যুৎ বন্ধ করে দেয় আন্দোলনকারীরা। ছবি: নিউজবাংলা

শিক্ষার্থীদের পক্ষে মোহাইমিনুল বাশার রাজ বলেন, ‘শিক্ষার্থীরা প্রায় ১০০ ঘণ্টা ধরে অনশন করছেন। অথচ এখন পর্যন্ত উপাচার্যের পদত্যাগের কোনো লক্ষণ নেই। এ অবস্থা চলতে থাকলে আমরা উপাচার্যকে পূর্ণ অবরুদ্ধ করতে বাধ্য হব।’

সিলেট শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমেদের বাসভবনের পানি ও বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়েছে।

রোববার রাত পৌনে ৮টার দিকে এই জরুরি পরিষেবা বিচ্ছিন্ন করে দেন শিক্ষার্থীরা।

নিউজবাংলাকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন আন্দোলকারী শিক্ষার্থী সাদিয়া আফরিন।

অনশনের পরও উপাচার্য (ভিসি) পদত্যাগ না করলে তাকে পূর্ণ অবরুদ্ধ করে রাখার ঘোষণা দিয়েছিলেন আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা।

আন্দোলনকারীদের পক্ষে সংবাদ সম্মেলন করে রোববার সন্ধ্যায় এই সিদ্ধান্তের কথা জানান শিক্ষার্থী মোহাইমিনুল বাশার রাজ।

এর আগে শিক্ষার্থীরা তাদের মঞ্চ থেকে ঘোষণা দেন, রোববারের পর থেকে উপাচার্যের বাসভবনে পুলিশ ছাড়া আর কেউ ঢুকতে পারবেন না। তার বাসায় পানি, বিদ্যুৎসহ সব পরিষেবা বন্ধ করে দেয়া হবে।


সংবাদ সম্মেলনে এসে শিক্ষার্থীদের পক্ষে মোহাইমিনুল বাশার রাজ বলেন, ‘শিক্ষার্থীরা প্রায় ১০০ ঘণ্টা ধরে অনশন করছেন। অথচ এখন পর্যন্ত উপাচার্যের পদত্যাগের কোনো লক্ষণ নেই। এ অবস্থা চলতে থাকলে আমরা উপাচার্যকে পূর্ণ অবরুদ্ধ করতে বাধ্য হব।

‘তখন তার বাসার জরুরি পরিষেবাও (পানি, বিদ্যুৎ) বন্ধ করে দেব আমরা। আর আজ থেকে পুলিশ ছাড়া কেউ তার বাসায় প্রবেশ করতে পারবেন না।’

উপাচার্যের বাসভবনের সামনে অবস্থান নিয়ে তার পদত্যাগ দাবিতে গত ১৭ জানুয়ারি থেকে আন্দোলন করছেন শিক্ষার্থীরা। গত বুধবার থেকে একই স্থানে অনশন শুরু করেন ২৪ শিক্ষার্থী।

বাসভবনের সামনে অবস্থানের কারণে গত ১৭ জানুয়ারি থেকেই অবরুদ্ধ অবস্থায় আছেন উপাচার্য ফরিদ উদ্দিন আহমেদ।

সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষার্থী ইয়াছির সরকার বলেন, ‘এই উপাচার্য পদত্যাগ না করা পর্যন্ত আমাদের আন্দোলন চলবে। মৃত্যুবরণ করার আগ পর্যন্ত আমাদের আন্দোলন চলবে। অনশনের চেয়ে বড় কোনো অহিংস আন্দোলন হতে পারে না। আমরা এটিই চালিয়ে যাব।’

আরও পড়ুন:
মাওলানা ভাসানী বিশ্ববিদ্যালয়ের বিবাহিত ছাত্রীদের হল ছাড়ার নোটিশ
বিবাহিত হওয়ায় হলের সিট হারাচ্ছেন ঢাবি ছাত্রীরা

শেয়ার করুন

চাকরির পরীক্ষায় বসতে লাগবে টিকা সনদ

চাকরির পরীক্ষায় বসতে লাগবে টিকা সনদ

টিকা সনদ। ফাইল ছবি

পিএসসির পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক নুর আহমদ বলেন, ‘সবার স্বাস্থ্য সুরক্ষার বিষয়টি নিশ্চিত করার জন্যই চাকরিপ্রার্থীদের পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সময় টিকা সনদ সঙ্গে রাখতে বলা হয়েছে।’

বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) অধীন সব পরীক্ষায় অংশগ্রহণের ক্ষেত্রে চাকরিপ্রার্থীদের করোনাভাইরাস প্রতিরোধী টিকা নেয়ার সনদ সঙ্গে রাখতে হবে।

পিএসসির পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক (ক্যাডার) নুর আহমদের সই করা অফিস আদেশ থেকে রোববার এ তথ্য জানা যায়।

এ বিষয়ে নুর আহমেদ বলেন, ‘সবার স্বাস্থ্য সুরক্ষার বিষয়টি নিশ্চিত করার জন্যই চাকরিপ্রার্থীদের পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সময় টিকা সনদ সঙ্গে রাখতে বলা হয়েছে।’

অফিস আদেশে বলা হয়, ‘বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী যেকোনো পদের প্রিলিমিনারি টেস্ট, লিখিত পরীক্ষা এবং মৌখিক পরীক্ষায় অংশগ্রহণের ক্ষেত্রে পরীক্ষার্থীদের কোভিড-১৯ টিকা গ্রহণ নিশ্চিত করার পরামর্শ প্রদান করা হলো। টিকা গ্রহণ করে এ-সংক্রান্ত প্রমাণপত্র বা সনদপত্র সংগ্রহ করে পরীক্ষার সময় সঙ্গে রাখতে হবে।’

এতে আরও বলা হয়, ‘পরীক্ষার্থী, পরীক্ষক এবং পরীক্ষার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সবার স্বাস্থ্য সুরক্ষার জন্য টিকা গ্রহণের বিষয়টি নিশ্চিত করার জন্য সংশ্লিষ্ট সবাইকে অনুরোধ করা হলো।’

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ার প্রেক্ষাপটে সম্প্রতি বেশ কিছু বিধিনিষেধ দিয়েছে সরকার। এরই ধারাবাহিকতায় পিএসসিও পদক্ষেপ গ্রহণ করল।

আরও পড়ুন:
মাওলানা ভাসানী বিশ্ববিদ্যালয়ের বিবাহিত ছাত্রীদের হল ছাড়ার নোটিশ
বিবাহিত হওয়ায় হলের সিট হারাচ্ছেন ঢাবি ছাত্রীরা

শেয়ার করুন

শাবি উপাচার্য ভবনে পানি-বিদ্যুৎ বন্ধের ঘোষণা

শাবি উপাচার্য ভবনে পানি-বিদ্যুৎ বন্ধের ঘোষণা

শাবি উপাচার্যের পদত্যাগের দাবিতে টানা আন্দোলন করছেন শিক্ষার্থীরা।

শিক্ষার্থী মোহাইমিনুল বাশার রাজ বলেন, ‘শিক্ষার্থীরা প্রায় ১০০ ঘণ্টা ধরে অনশন করছেন। অথচ এখন পর্যন্ত উপাচার্যের পদত্যাগের কোনো লক্ষণ নেই। এ অবস্থা চলতে থাকলে আমরা উপাচার্যকে পূর্ণ অবরুদ্ধ করতে বাধ্য হব।’

অনশনের পরও উপাচার্য (ভিসি) পদত্যাগ না করলে তাকে পূর্ণ অবরুদ্ধ করে রাখা হবে বলে জানিয়েছেন সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা।

আন্দোলনকারীদের পক্ষে সংবাদ সম্মেলন করে রোববার সন্ধ্যায় এই সিদ্ধান্তের কথা জানান শিক্ষার্থী মোহাইমিনুল বাশার রাজ।

এর আগে শিক্ষার্থীরা তাদের মঞ্চ থেকে ঘোষণা দেন, রোববারের পর থেকে উপাচার্যের বাসভবনে পুলিশ ছাড়া আর কেউ ঢুকতে পারবে না। তার বাসায় পানি, বিদ্যুৎসহ সব পরিষেবা বন্ধ করে দেয়া হবে।

সংবাদ সম্মেলনে এসে শিক্ষার্থীদের পক্ষে মোহাইমিনুল বাশার রাজ বলেন, ‘শিক্ষার্থীরা প্রায় ১০০ ঘণ্টা ধরে অনশন করছেন। অথচ এখন পর্যন্ত উপাচার্যের পদত্যাগের কোনো লক্ষণ নেই। এ অবস্থা চলতে থাকলে আমরা উপাচার্যকে পূর্ণ অবরুদ্ধ করতে বাধ্য হবো।

‘তখন তার বাসার জরুরি পরিষেবাও (পানি, বিদ্যুৎ) বন্ধ করে দেব আমরা। আর আজ থেকে পুলিশ ছাড়া কেউ তার বাসায় প্রবেশ করতে পারবেন না।’


শাবি উপাচার্য ভবনে পানি-বিদ্যুৎ বন্ধের ঘোষণা


উপাচার্যের বাসভবনের সামনে অবস্থান নিয়ে তার পদত্যাগ দাবিতে গত ১৭ জানুয়ারি থেকে আন্দোলন করছেন শিক্ষার্থীরা। গত বুধবার থেকে একই স্থানে অনশন শুরু করেন ২৪ শিক্ষার্থী।

বাসভবনের সামনে অবস্থানের কারণে গত ১৭ জানুয়ারি থেকেই অবরুদ্ধ অবস্থায় আছেন উপাচার্য ফরিদ উদ্দিন আহমেদ। তবে তার বাসায় প্রতিদিনই শিক্ষক, কর্মকর্তা, পুলিশ ও সাংবাদিকরা যাওয়া-আসা করছেন। চালু রয়েছে তার বাসার সব জরুরি পরিষেবাও।

উপাচার্যের বাসার সামনে মানবপ্রাচীর গড়ে তোলা হবে বলেও জানিয়েছেন শিক্ষার্থীরা।

সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষার্থী ইয়াছির সরকার বলেন, ‘এই উপাচার্য পদত্যাগ না করা পর্যন্ত আমাদের আন্দোলন চলবে। মৃত্যুবরণ করার আগ পর্যন্ত আমাদের আন্দোলন চলবে। অনশনের চেয়ে বড় কোনো অহিংস আন্দোলন হতে পারে না। আমরা এটিই চালিয়ে যাব।’

আরও পড়ুন:
মাওলানা ভাসানী বিশ্ববিদ্যালয়ের বিবাহিত ছাত্রীদের হল ছাড়ার নোটিশ
বিবাহিত হওয়ায় হলের সিট হারাচ্ছেন ঢাবি ছাত্রীরা

শেয়ার করুন