আড়াইহাজারে আল-আরাফাহ্ ব্যাংক

player
আড়াইহাজারে আল-আরাফাহ্ ব্যাংক

আলহাজ্ব আব্দুস সামাদ লাবু বলেন, ‘শুধু আর্থিক লাভের জন্য এই ব্যাংক প্রতিষ্ঠিত হয়নি। মানুষকে সুদের ভয়াবহতা থেকে রক্ষার মহান উদ্দেশ্য নিয়ে ১৯৯৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় আল-আরাফাহ্ ইসলামী ব্যাংক।’

নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারে আল-আরাফাহ্ ইসলামী ব্যাংক লিমিটেডের ১৯৯তম শাখার কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে।

বুধবার ভার্চুয়াল প্লাটফর্মে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এক্সিকিউটিভ কমিটির চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আব্দুস সামাদ লাবু প্রধান অতিথি হিসেবে শাখাটির উদ্বোধন করেন।

ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও ফরমান আর চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে ব্যাংকের পরিচালক আলহাজ্ব আব্দুল মালেক মোল্লা ও আলহাজ্ব ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মেসবাহ উদ্দিন আহমেদ, উপব্যবস্থাপনা পরিচালক শাব্বির আহমেদ, মো. শফিকুর রহমান, সৈয়দ মাসুদুল বারী, মো. মাহমুদুর রহমান, মোহাম্মদ নাদিম, আবেদ আহাম্মদ খানসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা অংশ নেন।

অনুষ্ঠানে আরও অংশ নেন সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট মো. মুজিবুল কাদের, আকতার কামাল, মোহাম্মদ আমিনুল ইসলাম ভূঁইয়া, এআইবিটিআরআই’র ডিরেক্টর জেনারেল মো. আব্দুল আউয়াল সরকার, সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট জালাল আহমেদ, আড়াইহাজার পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর জাহাঙ্গীর আলম ও ভারগাউ নেসারিয়া মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা মো. ফজলুল হক।

অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট ইঞ্জিনিয়ার মো. হাবীব উল্লাহ্। নতুন শাখা ব্যবস্থাপক মোহাম্মদ আবু তাহের উপস্থিত সবাইকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে আলহাজ্ব আব্দুস সামাদ লাবু বলেন, শুধু আর্থিক লাভের জন্য এই ব্যাংক প্রতিষ্ঠিত হয়নি। মানুষকে সুদের ভয়াবহতা থেকে রক্ষার মহান উদ্দেশ্য নিয়ে ১৯৯৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় আল-আরাফাহ্ ইসলামী ব্যাংক। তিনি নতুন শাখাসহ ব্যাংকের সব শাখায় শরীয়াহসম্মতভাবে সর্বোচ্চ গ্রাহকসেবার নিশ্চয়তা দেন।

ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও ফরমান আর চৌধুরী বলেন, ইসলামী ব্যাংকিং ব্যবস্থার মাধ্যমে হালালভাবে ব্যবসা পরিচালনার পাশাপাশি দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন সম্ভব। দেশের ইসলামী ব্যাংকিং ব্যবস্থা ইতোমধ্যে তা প্রমাণে সফল হয়েছে।

আরও পড়ুন:
সুদকে আয় হিসেবে দেখাতে পারবে আর্থিক প্রতিষ্ঠানও
নতুন এমডি পেল রাষ্ট্রায়ত্ত ৩ ব্যাংক
কৃষি ব্যাংকের এমডির দায়িত্বে চানু গোপাল
সিটি ব্যাংকের ডিজিটাল ঋণ: ১৯৫৫ বিকাশ গ্রাহক পেলেন ৪০ লাখ টাকা
সিটি ব্যাংকের চমক: ৩১ ঘণ্টায় ঋণ পেলেন ৮৫৭ বিকাশ গ্রাহক

শেয়ার করুন

মন্তব্য

অর্থবছর শেষে মাথাপিছু আয় হবে ২৭৮৫ ডলার

অর্থবছর শেষে মাথাপিছু আয় হবে ২৭৮৫ ডলার

অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘কোভিডের দ্বিতীয় ঢেউয়ের প্রভাবে বিশ্বব্যাপী প্রবৃদ্ধি হ্রাস, বেকারত্বের হার বৃদ্ধি এবং বৈশ্বিক বাণিজ্য সংকুচিত হওয়া ছাড়াও আন্তঃরাষ্ট্র যোগাযোগ বিঘ্নিত হওয়ায় অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে প্রবাস আয়ে নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। তবে শ্রমিকদের বিদেশ যাত্রা পুনরায় শুরু হওয়ায় রেমিট্যান্স পূর্বের অবস্থায় ফিরবে বলে আশা করা যাচ্ছে।’

চলতি ২০২১-২২ অর্থবছর শেষে বাংলাদেশের মানুষের মাথাপিছু আয় ২ হাজার ৭৮৫ ডলারে উন্নীত হবে বলে জাতীয় সংসদে দেওয়া এক প্রতিবেদনে আশা প্রকাশ করেছেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল।

তিনি বলেছেন, করোনা মহামারির ধাক্কা সামলে ঘুরে দাঁড়াচ্ছে বাংলাদেশের অর্থনীতি। রাজস্ব আদায়, রপ্তানি আয়, বিদেশি মুদ্রার রিজার্ভ, মূল্যস্ফীতিসহ অর্থনীতির প্রধান সূচকগুলো সন্তোষজনক অবস্থায় রয়েছে। দেশের অর্থনীতি মহামারি পূর্ববর্তী অবস্থায় ফিরে যাচ্ছে। আর তাতেই জাতীয় মাথাপিছু আয় বেড়ে ২ হাজার ৭৮৫ ডলারে উন্নীত হবে।

বর্তমান বিনিময়হার (প্রতি ডলার ৮৬ টাকা) হিসাবে টাকার অঙ্কে এই অর্থের পরিমাণ ২ লাখ ৩৯ হাজার ৫১০ টাকা।

অর্থমন্ত্রী বুধবার জাতীয় সংসদে চলতি ২০২১-২২ অর্থবছরের জুলাই-সেপ্টেম্বর সময়ের ‘বাজেট বাস্তবায়ন অগ্রগতি ও আয়-ব্যয়ের গতিধারা এবং সামষ্টিক অর্থনৈতিক বিশ্লেষণ’শীর্ষক যে প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন তাতে তিনি এমন আশার কথা বলেন।

২০০৯-১০ অর্থছর থেকে এই প্রতিবেদন সংসদে উপস্থাপন করা হচ্ছে। তিন মাস অন্তর অন্তর এক অর্থবছরে মোট চারটি প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন অর্থমন্ত্রী। যাতে বাজেট বাস্তবায়নের অগ্রগতি তুলে ধরা হয়।

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) সর্বশেষ হিসাবে দেশের মাথাপিছু আয় এখন ২ হাজার ৫৫৪ ডলার। গত ২০২০-২০২১ অর্থবছরে এই আয় ছিল ২ হাজার ২২৭ ডলার। এরসঙ্গে ২৩১ ডলার যোগ হয়ে ২০২১-২২ অর্থবছরে অর্থনীতির গুরুত্বপূর্ণ এই সূচক ২ হাজার ৭৮৫ ডলারে গিয়ে পৌঁছবে বলে তথ্য দিয়েছেন মুস্তফা কামাল।

প্রতিবেদনে অর্থমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের অর্থনীতি করোনাভাইরাস মহামারি পূর্ববর্তী অবস্থায় ফিরে যাচ্ছে। খুব শিগগির তা স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসবে।

করোনায় বৈশ্বিক বিপর্যয়ের কারণে উচ্চ প্রবৃদ্ধির ধারা কিছুটা ব্যাহত হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘সরকারের নেওয়া বিভিন্ন কার্যক্রমের ফলে দ্রুতই প্রবৃদ্ধি ঘুরে দাঁড়ায়। রাজস্ব আয়, রপ্তানি প্রবৃদ্ধি, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ, ব্যাপক মুদ্রা সরবরাহ ও মূল্যস্ফীতিসহ বিভিন্ন মৌলিক সামষ্টিক অর্থনৈতিক সূচকগুলোর অবস্থান সন্তোষজনক। টাকা-ডলার বিনিময় হার স্থিতিশীল অবস্থায় রয়েছে। বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) বাস্তবায়নেও ইতিবাচক প্রভাব দেখা যাচ্ছে।’

প্রবাসীদের রেমিট্যান্সপ্রবাহ কমে যাওয়া প্রসঙ্গে মুস্তফা কামাল বলেন, ‘কোভিডের দ্বিতীয় ঢেউয়ের প্রভাবে বিশ্বব্যাপী প্রবৃদ্ধি হ্রাস, বেকারত্বের হার বৃদ্ধি এবং বৈশ্বিক বাণিজ্য সংকুচিত হওয়া ছাড়াও আন্তঃরাষ্ট্র যোগাযোগ বিঘ্নিত হওয়ায় অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে প্রবাস আয়ে নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। তবে শ্রমিকদের বিদেশ যাত্রা পুনরায় শুরু হওয়ায় প্রবাস আয় পূর্বের অবস্থায় ফিরবে বলে আশা করা যাচ্ছে।’

আন্তর্জাতিক বাজারে ঊর্ধ্বগতির কারণে দেশেও জ্বালানি তেলের দাম বাড়ায় মূল্যস্ফীতির সম্ভাবনা থাকলেও বছর শেষে তা সহনীয় পর্যায়ে থাকবে বলে জানান তিনি।

অর্থমন্ত্রী বলেন, গত সেপেটম্বর শেষে আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় বেসরকারিখাতে ঋণ সরবরাহ বেড়েছে ৮ দশমিক ৭৭ শতাংশ।

বেসরকারিখাতে ঋণের প্রবৃদ্ধি কম হওয়ার বিষয়ে প্রতিবেদনে বলা হয়, করোনারভাইরাসের প্রভাব কাটিয়ে অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার কার্যক্রম চলমান থাকায় এবং অনুৎপাদনশীল খাতে ঋণের প্রবাহকে নিরুৎসাহিত করা ও বিদ্যমান কুঋণের পরিমাণ কমিয়ে আনতে বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে ব্যাংকগুলোকে সতর্ক থাকার নির্দেশনা দেয়। সে কারণে বেসরকারি খাতে ঋণের প্রবৃদ্ধি কম হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

চলতি অর্থবছর শেষে লক্ষমাত্রা অনুযায়ী বেসরকারি খাতে ঋণ বিতরণে প্রবৃদ্ধি ১৪ দশমিক ৮ শতাংশের কাছাকাছি পৌঁছাবে বলে প্রতিবেদনে বলা হয়।

অর্থমন্ত্রী প্রতিবেদনে উল্লেখ করেন, মহামারির অনিশ্চয়তামূলক পরিস্থিতির মধ্যেও কৃষি, রপ্তানিমুখী শিল্প, সিএমএসএমইর (ছোট ও মাঝারি এবং কুটির শিল্প) মতো অর্থনীতির অগ্রাধিকার খাতে ঋণ সরবরাহ নিরবচ্ছিন্ন রাখতে সরকারের প্রচেষ্টা অব্যাহত আছে।

এছাড়া, খেলাপি ঋণের মাত্রা কমিয়ে আনা, ব্যাংকিংখাতে দায়-সম্পদ ভারসাম্যহীনতা রোধ এবং কাঙ্ক্ষিত অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জনে বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবাহ বাড়াতে চেষ্টা চলছে। এসব উদ্যোগের মাধ্যমে বিনিয়োগের গতি বজায় রাখতে কাজ চলছে বলে জানান তিনি।

আরও পড়ুন:
সুদকে আয় হিসেবে দেখাতে পারবে আর্থিক প্রতিষ্ঠানও
নতুন এমডি পেল রাষ্ট্রায়ত্ত ৩ ব্যাংক
কৃষি ব্যাংকের এমডির দায়িত্বে চানু গোপাল
সিটি ব্যাংকের ডিজিটাল ঋণ: ১৯৫৫ বিকাশ গ্রাহক পেলেন ৪০ লাখ টাকা
সিটি ব্যাংকের চমক: ৩১ ঘণ্টায় ঋণ পেলেন ৮৫৭ বিকাশ গ্রাহক

শেয়ার করুন

দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য: বাংলাদেশকে কানাডায় ব্র্যান্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত

দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য: বাংলাদেশকে কানাডায় ব্র্যান্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত

মঙ্গলবার রাতে ভার্চুয়াল মাধ্যমে বাংলাদেশ-কানাডা যৌথ ওয়ার্কিং কমিটির বৈঠক হয়।

এফবিসিসিআই সভাপতি মো. জসিম উদ্দিন বলেন, ‘সমুদ্রসম্পদ সুষ্ঠুভাবে ব্যবহারের ক্ষেত্রে কানাডার বিশেষ দক্ষতা ও জ্ঞান রয়েছে। অন্যদিকে বাংলাদেশের বিশাল সমুদ্র অঞ্চলের বেশির ভাগ অব্যবহৃত অবস্থায় রয়ে গেছে। কানাডার বিনিয়োগ, কারিগরি জ্ঞান ও প্রযুক্তিগত সহায়তা পেলে বাংলাদেশের অর্থনীতি আরও এগিয়ে যাবে।’

পারস্পরিক বিনিয়োগ ও বাণিজ্য জোরদার করতে চায় বাংলাদেশ ও কানাডা। এ লক্ষ্যে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে পণ্যের রপ্তানি বাড়াতে কানাডার রুলস অফ অরিজিন আরও সহজ করার দাবি তোলা হয়েছে। অন্যদিকে ব্যবসা-বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সহজ করতে বাংলাদেশে অন-অ্যারাইভাল ভিসার সুযোগ চেয়েছে কানাডা।

দুই দেশের যৌথ ওয়ার্কিং কমিটির বৈঠকে এসব প্রস্তাব রাখা হয়েছে। মঙ্গলবার রাতে ভার্চুয়াল মাধ্যমে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

কানাডার উদ্যোক্তারা এখনও বাংলাদেশের ব্যবসা ও বিনিয়োগ সুবিধা সম্পর্কে অবগত নন। যদিও অর্থনীতির বিকাশের সঙ্গে সঙ্গে বাংলাদেশে বিদেশি বিনিয়োগের নতুন নতুন ক্ষেত্র তৈরি হয়েছে। অবকাঠামো, অভ্যন্তরীণ বিশাল বাজার, বিশ্বের প্রধানতম বাজারগুলোয় শুল্কমুক্ত সুবিধা থাকায় এ অঞ্চলের অন্যতম সেরা বিনিয়োগ গন্তব্য এখন বাংলাদেশ।

বৈঠকে সম্ভাবনার নানা দিক নিয়ে আলোচনার পর বিনিয়োগ বাড়িয়ে বাণিজ্য উন্নয়নে কানাডায় বাংলাদেশকে ব্র্যান্ডিং করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে দুই দেশের যৌথ ওয়ার্কিং কমিটি।

বৈঠকে যৌথ ব্যবসা-বাণিজ্য বিষয়ে আলোচনা করেন দুই দেশের সরকারের মনোনীত সদস্যরা। সভায় কো-চেয়ার হিসেবে ছিলেন এফবিসিসিআইয়ের সভাপতি মো. জসিম উদ্দিন এবং কনজ্যুমার হেলথের সহপ্রতিষ্ঠাতা ও ভাইস চেয়ারম্যান নুজহাত তাম-জামান।

দুই দেশের যৌথ ওয়ার্কিং গ্রুপের আগের বৈঠকে পারস্পরিক সহযোগিতার অগ্রাধিকারমূলক খাত হিসেবে পর্যটন, তথ্যপ্রযুক্তি, কৃষি, প্রক্রিয়াজাত খাদ্য, শিক্ষা, ওষুধশিল্প ও নবায়নযোগ্য জ্বালানিকে চিহ্নিত করা হয়েছিল। মঙ্গলবারের বৈঠকে নতুন করে ব্লু ইকোনমি ও প্লাস্টিক খাতকে অন্তর্ভুক্ত করার আহ্বান জানান এফবিসিসিআই সভাপতি।

মো. জসিম উদ্দিন বলেন, ‘সমুদ্র অর্থনীতিতে বিশ্বের অন্যতম সেরা দেশ কানাডা। সমুদ্রসম্পদকে সুষ্ঠুভাবে ব্যবহার করার ক্ষেত্রে কানাডার বিশেষ দক্ষতা ও জ্ঞান রয়েছে। অন্যদিকে বাংলাদেশের ৭১০ কিলোমিটার সমুদ্রসীমা ও বঙ্গোপসাগরে ২০০ নটিক্যাল মাইলের অর্থনৈতিক অঞ্চল রয়েছে। কিন্তু এর বেশির ভাগই অব্যবহৃত অবস্থায় রয়ে গেছে। কানাডার বিনিয়োগ, কারিগরি জ্ঞান ও প্রযুক্তিগত সহায়তা পেলে বাংলাদেশের অর্থনীতি আরও এগিয়ে যাবে।

‘ওয়ার্কিং কমিটির কাছে শিগগিরই ব্ল ইকোনমি, প্লাস্টিক ও পর্যটনের ওপর খাতভিত্তিক প্রতিবেদন জমা দেবে এফবিসিসিআই। এ ছাড়া দক্ষতা উন্নয়ন ও তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ে প্রতিবেদন জমা দেবেন এফবিসিসিআইয়ের পরিচালক সৈয়দ আলমাস কবির।’

নির্দিষ্ট পণ্যের আমদানি-রপ্তানি ও বাণিজ্য বাধা দূর করতে পণ্যভিত্তিক অ্যাসোসিয়েশনের মধ্যে আন্তযোগাযোগ জোরদার করার ব্যাপারে একমত হয় দুপক্ষ।

বৈঠকে কানাডায় বাংলাদেশি চামড়া, চামড়াজাত পণ্য ও জুতা রপ্তানির সম্ভাবনার ওপর গবেষণা প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন এফবিসিসিআই পরিচালক ও এমসিসিআই, ঢাকার সভাপতি মো. সাইফুল ইসলাম। দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য সম্প্রসারণের ওপর প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন সাস্কাচেওয়ান ট্রেড অ্যান্ড এক্সপোর্ট পার্টনারশিপের (স্টেপ) সভাপতি ক্রিস ডেকার।

কমিটির পরবর্তী বৈঠক ৭ ফেব্রুয়ারি হওয়ার কথা রয়েছে।

আরও পড়ুন:
সুদকে আয় হিসেবে দেখাতে পারবে আর্থিক প্রতিষ্ঠানও
নতুন এমডি পেল রাষ্ট্রায়ত্ত ৩ ব্যাংক
কৃষি ব্যাংকের এমডির দায়িত্বে চানু গোপাল
সিটি ব্যাংকের ডিজিটাল ঋণ: ১৯৫৫ বিকাশ গ্রাহক পেলেন ৪০ লাখ টাকা
সিটি ব্যাংকের চমক: ৩১ ঘণ্টায় ঋণ পেলেন ৮৫৭ বিকাশ গ্রাহক

শেয়ার করুন

অর্থ পাচারকারী ৬৯ ব্যক্তি-প্রতিষ্ঠান যারা

অর্থ পাচারকারী ৬৯ ব্যক্তি-প্রতিষ্ঠান যারা

অর্থ পাচারকারী হিসেবে প্যারাডাইস ও পানামা পেপার্সে যেসব বাংলাদেশির নাম এসেছে, তাদের একটি তালিকা তৈরি করে বিএফআইইউ। আদালতে দাখিল করা এ তালিকায় দেশের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী-রাজনীতিকের নাম রয়েছে।

বিদেশে অর্থ পাচারকারীদের নামের একটি তালিকা তৈরি করেছে বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ)। এ নিয়ে বুধবার বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের হাইকোর্ট বেঞ্চে প্রতিবেদন দাখিল করা হয়।

রাষ্ট্রপক্ষে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এ কে এম আমিন উদ্দিন মানিক প্রতিবেদনটি দাখিল করেন। তিনি জানান, আগামী রোববার এ বিষয়ে শুনানির জন্য দিন ঠিক করে দিয়েছে হাইকোর্ট।

অর্থ পাচারকারী হিসেবে প্যারাডাইস ও পানামা পেপার্সে যেসব বাংলাদেশির নাম এসেছে, তাদের একটি তালিকা তৈরি করে বিএফআইইউ।

আদালতে দাখিল করা প্রতিবেদনে দেখা যায়, তালিকায় দেশের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী-রাজনীতিকের নাম রয়েছে।

প্যারাডাইস পেপার্সে যাদের নাম এসেছে তারা হলেন মাল্টিমোড লিমিটেডের আব্দুল আউয়াল মিন্টু, ফাতেমা নাসরিন আউয়াল, তাবিথ আউয়াল, মোহাম্মদ তাফসির আউয়াল, মো. তাজওয়ার আউয়াল, মেঘনাঘাট পাওয়ার লিমিটেডের ফয়সাল চৌধুরী, ওয়াই ফরিদা মোগল, শহিদ উল্লাহ, সামির আহমেদ, সেভেন সিজ অ্যাসেটস লিমিটেড, সোয়েন ইনভেস্টমেন্টস লিমিটেড, ব্রামার অ্যান্ড পার্টনার্স অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট লিমিটেড, ইউনোকল বাংলাদেশ লিমিটেড, ইউনোকল বাংলাদেশ এক্সপ্লোরেশন লিমিটেড, ইউনোকল শাহবাজপুর পাওয়ার লিমিটেড, ইউনোকল শাহবাজপুর পাইপলাইন লিমিটেড, এনএফএম এনার্জি (সিঙ্গাপুর) পিটিই লিমিটেড, ইউনোকল বাংলাদেশ ব্লক সেভেন লিমিটেড, ইউনোকল শাহবাজপুর লিমিটেড, ইউনোকল বাংলাদেশ ব্লক ফাইভ লিমিটেড, ইউনোকল বাংলাদেশ ব্লক টেন লিমিটেড, বারলিংটন রিসোর্সেস বাংলাদেশ লিমিটেড, ইউনোকল বাংলাদেশ ব্লকস থারটিন অ্যান্ড ফরটিন লিমিটেড, ইউনোকল বাংলাদেশ ব্লক টুয়েলভ লিমিটেড, ফ্রন্টিয়ার বাংলাদেশ (বারমুডা) লিমিটেড ও টেরা বাংলাদেশ ফান্ড লিমিটেড।

পানামা পেপার্সে নাম আসা ৪৩ জন হলেন বেগম নিলুফার কাজী, হংকং সাংহাই টেক্সটাইল স্পিনিং লিমিটেডের জাফরুল্লাহ কাজী (কাজী জাফর উল্লাহ), কাজী রায়হান জাফর, ওয়েস্টার্ন মেরিন শিপ বিল্ডারের ক্যাপ্টেন সোহাইল হোসাইন (হাসান), স্পার্ক লিমিটেডের চেয়ারম্যান ইফতেখারুল আলম, বাংলা ট্র্যাক লিমিটেডের আমিনুল হক, নাজিম আসাদুল হক ও তারিক ইকরামুল হক, আব্দুল মোনেম লিমিটেডের এ এস এম মহিউদ্দিন মোনেম ও আসমা মোনেম, বিএপিআইয়ের সাবেক সভাপতি ড. এ এম এম খান, মমিন টির আজমত মঈন, পাট ব্যবসায়ী দিলীপ কুমার মোদী, অনন্ত গ্রুপের শরীফ জহির, মার্কেন্টাইল করপোরেশনের আজীজ খান, আঞ্জুমান আজীজ খান, আয়েশা আজীজ খান, জাফের উমায়ের খান ও ফয়সাল করিম খান, সি পার্লের চেয়ারম্যান ড. সৈয়দ সিরাজুল হক, ইউনাইটেড গ্রুপ অব কোম্পানির হাসান মাহমুদ রাজা, খন্দকার মঈনুল আহসান শামীম, আহমেদ ইসমাইল হোসেন, আখতার মাহমুদ, মাসকট গ্রুপের চেয়ারম্যান এফ এফ জোবায়দুল হক, সেতু করপোরেশনের মাহতাব উদ্দিন চৌধুরী ও উম্মে রাব্বানা, স্কয়ার গ্রুপের স্যামসন এইচ চৌধুরী, ক্যাপ্টেন এম এ, এফ এম জোবায়দুল হক, সালমা হক, খাজা শাহাদাৎ উল্লাহ, মীর্জা ইয়াহিয়া, সৈয়দা সামিয়া মীর্জা, আমিনুল হক, তারেক একরামুল হক, জাহিদুল ইসলাম, মো. শহীদ, মোহাম্মদ ফয়সাল করিম, নজরুল ইসলাম, সৈয়দ সিরাজুল হক ও জুলফিকার হায়দার এবং বিটিএল।

গত বছরের ৬ ডিসেম্বর হাইকোর্ট বিদেশে অর্থ পাচারকারীদের তালিকা দাখিলের নির্দেশ দেয়। ওই নির্দেশ অনুযায়ী বাংলাদেশ ব্যাংকের আর্থিক দুর্নীতির তদন্ত সংস্থা বিএফআইইউ এ প্রতিবেদন দাখিল করে।

ওই দিন ২৯ ব্যক্তি ও ১৪ প্রতিষ্ঠানের তালিকা দাখিল করা হয়। ওই তালিকা দেখে বিএফআইইউ ও পুলিশের অপরাধ তদন্ত সংস্থা সিআইডি কী পদক্ষেপ নিয়েছে, তা জানানোর নির্দেশ দেয়া হয়। নতুন এই তালিকা দাখিল ও সে বিষয়ে কী পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে, তা শুনানির জন্য ৩০ জানুয়ারি দিন ঠিক করে দিয়েছে আদালত।

আরও পড়ুন:
সুদকে আয় হিসেবে দেখাতে পারবে আর্থিক প্রতিষ্ঠানও
নতুন এমডি পেল রাষ্ট্রায়ত্ত ৩ ব্যাংক
কৃষি ব্যাংকের এমডির দায়িত্বে চানু গোপাল
সিটি ব্যাংকের ডিজিটাল ঋণ: ১৯৫৫ বিকাশ গ্রাহক পেলেন ৪০ লাখ টাকা
সিটি ব্যাংকের চমক: ৩১ ঘণ্টায় ঋণ পেলেন ৮৫৭ বিকাশ গ্রাহক

শেয়ার করুন

৬ মাসেই ৩৬ হাজার কোটি টাকার ঋণসহায়তা

৬ মাসেই ৩৬ হাজার কোটি টাকার ঋণসহায়তা

এই ঋণসহায়তার মধ্যে ৪০২ কোটি ৫৩ লাখ ডলার পাওয়া গেছে প্রকল্প সাহায্য হিসেবে। ১৫ কোটি ৬ লাখ ডলার এসেছে অনুদান হিসেবে। এর মধ্যে ১৮ লাখ ৪০ হাজার ডলারের খাদ্য অনুদান এবং ১৪ কোটি ৮৮ লাখ ডলার প্রকল্প অনুদান হিসেবে পাওয়া গেছে।

বিদেশি ঋণসহায়তা প্রাপ্তিতে নতুন রেকর্ড গড়েছে বাংলাদেশ। আর এতে স্বস্তিতে রয়েছে সরকার; মহামারিকালেও অর্থসংকটে পড়তে হয়নি। ব্যাংক থেকে খুব একটা ঋণ নিতে হচ্ছে না।

চলতি অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে (জুলাই-ডিসেম্বর) বিভিন্ন দাতা দেশ ও সংস্থার কাছ থেকে ৪১৭ কোটি ৬০ লাখ (৪.১৭ বিলিয়ন) ডলারের ঋণসহায়তা পেয়েছে বাংলাদেশ। বর্তমান বিনিময় হার হিসাবে টাকার অঙ্কে (প্রতি ডলার ৮৬ টাকা) এই অর্থের পরিমাণ প্রায় ৩৬ হাজার কোটি টাকা।

যা গত অর্থবছরের একই সময়ের চেয়ে ৩৯ দশমিক ১৪ শতাংশ বেশি। এর আগে ছয় মাসে এত বেশি বিদেশি ঋণসহায়তা কখনোই পায়নি বাংলাদেশ।

অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ (ইআরডি) বুধবার বিদেশি ঋণসহায়তার প্রতিশ্রুতি ও ছাড়ের হালনাগাদ তথ্য প্রকাশ করেছে। তাতে দেখা যায়, চলতি ২০২১-২২ অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে (জুলাই-ডিসেম্বর) বাংলাদেশকে ৪৩৯ কোটি ৯৯ লাখ ৬০ হাজার (৪.৪০ বিলিয়ন) ডলার ছাড় করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল দাতারা। দিয়েছে ৪১৭ কোটি ৬০ লাখ ডলার।

ছাড় করা ঋণসহায়তার মধ্যে ৪০২ কোটি ৫২ লাখ ৮০ হাজার ডলার পাওয়া গেছে প্রকল্প সাহায্য হিসেবে। ১৫ কোটি ৬ লাখ ৭০ হাজার ডলার অনুদান হিসেবে পাওয়া গেছে। এর মধ্যে ১৮ লাখ ৪০ হাজার ডলার খাদ্য অনুদান এবং ১৪ কোটি ৮৮ লাখ ৩০ হাজার ডলার প্রকল্প অনুদান হিসেবে পাওয়া গেছে।

২০২০-২১ অর্থবছরের জুলাই-ডিসেম্বর সময়ে ৩০০ কোটি ১২ লাখ ৩০ হাজার (৩ বিলিয়ন) ডলার ছাড় করেছিল দাতারা। এ হিসাবেই এই ছয় মাসে বিদেশি ঋণসহায়তা বেড়েছে ৩৯ দশমিক ১৪ শতাংশ।

সংকটের সময়ে বেশি ঋণ পেয়ে খুশি পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী শামসুল আলম। নিউজবাংলাকে তিনি বলেন, ‘সত্যি কথা বলতে কি, আমরা যতটা আশা করেছিলাম, তার চেয়েও বেশি ঋণসহায়তা পাওয়া যাচ্ছে। এতে করোনার টিকা খাতে ব্যয়সহ অন্যান্য খরচ মেটাতে কোনো সমস্যা হচ্ছে না।’

তিনি বলেন, ‘কোভিড-১৯ মহামারির সময়ে বিশ্বব্যাংক, এডিবি, জাইকাসহ দাতা দেশ ও সংস্থাগুলোর কাছ থেকে দ্রুত ঋণসহায়তা পাওয়া গেছে। আমরা (সরকার) আমাদের প্রয়োজনের বিষয়টি তাদের ভালোভাবে উপস্থাপন করেছিলাম। তারা দ্রুত সাড়া দিয়েছে; এখনও দিচ্ছে। সে কারণে করোনার ধাক্কা সামলে খুব দ্রুতই আমরা ঘুরে দাঁড়াতে পেরেছি; যা বিশ্বের অনেক দেশই পারেনি।’

বিদেশি ঋণের এই গতি আগামীতেও অব্যাহত থাকবে বলে আশা করছেন শামসুল আলম।

তিনি বলেন, ‘চলমান প্রকল্পগুলোর পাশাপাশি করোনা মোকাবিলার জন্যও মোটা অঙ্কের ঋণ পাওয়া গেছে। এখনও পাওয়া যাচ্ছে; ভবিষ্যতেও পাওয়া যাবে বলে আশা করছি।’

‘আমরা আমাদের প্রয়োজনের কথা সঠিকভাবে দাতাদের কাছে উপস্থাপন করেছিলাম। সে কারণেই তারা ইতিবাচক সাড়া দিয়েছে। আর এই ঋণসহায়তা এবং আমাদের সরকারের দেড় লাখ কোটি টাকার প্রণোদনা প্যাকেজসহ নানা উদ্যোগের কারণে বাংলাদেশের অর্থনীতিতে করোনার প্রভাব যতটা পড়ার কথা ছিল, ততটা পড়েনি।’

শামসুল আলম বলেন, ‘আমাদের অর্থনীতি করোনার আগের অবস্থায় ফিরে আসতে শুরু করেছে। রপ্তানি-আমদানিসহ অর্থনীতির সব সূচকই এখন ভালো। সব মিলিয়ে বর্তমান প্রেক্ষাপটে আমি জোর দিয়ে বলতে পারি, করোনা মহামারি আমরা ভালোভাবেই মোকাবিলা করেছি। মাঝে টিকা নিয়ে একটু সমস্যা থাকলেও এখন আর নেই। প্রচুর টিকা আছে; আরও আসছে। টিকার আর কোনো সংকট হবে না। আর টিকা কিনতে অর্থেরও কোনো সমস্যা হবে না।’

বেসরকারি গবেষণা সংস্থা পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউটের (পিআরআই) নির্বাহী পরিচালক আহসান এইচ মনসুর নিউজবাংলাকে বলেন, ‘বিদেশি ঋণ কোভিড মোকাবিলায় সরকারকে যথেষ্ট সহায়তা দিয়েছে। পরপর দুই বছর ৭ বিলিয়ন ডলারের বেশি ফরেন এইড অবাক করার মতো; চলতি অর্থবছরেও সেই ইতিবাচক ধারা অব্যাহত রয়েছে। এই কঠিন সময়েও সরকারকে কোনো ধরনের অর্থসংকটে পড়তে হয়নি। উন্নয়নকাজ থেমে থাকেনি; টিকা কিনতে সমস্যা হয়নি।

‘আর এসব কারণেই কিন্তু বাংলাদেশের অর্থনীতি শক্ত ভিত্তির ওপর দাঁড়িয়ে আছে। ডলারের বাজারে অস্থিরতা ছাড়া কিন্তু অর্থনীতি বেশ ভালোভাবেই চলছে’ বলেন দীর্ঘদিন আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলে (আইএমএফ) গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করা আহসান মনসুর।

ইআরডির তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, ২০২০-২১ অর্থবছরে উন্নয়ন সহযোগীদের কাছ থেকে ৭১০ কোটি (৭.১ বিলিয়ন) ডলার ঋণসহায়তা পেয়েছিল বাংলাদেশ। তার আগে ২০১৯-২০ অর্থবছরে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি বিদেশি ঋণ আসে বাংলাদেশে। ওই বছর ৭৩৮ কোটি (৭.৩৮ বিলিয়ন) ডলার ঋণ পাওয়া গিয়েছিল।

গত অর্থবছরে সবচেয়ে বেশি ঋণ পাওয়া গেছে বিশ্বব্যাংকের কাছ থেকে। সংস্থাটি ২৭০ কোটি ডলার ছাড় করেছিল। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ছাড় করেছিল এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি) ১৭০ কোটি ডলার।

বাংলাদেশে বিদেশি ঋণ ছাড়ের প্রবণতা বাড়তে থাকে ২০১৭-১৮ অর্থবছর থেকে। ওই বছরই এক লাফে অর্থ ছাড় ৩০০ কোটি থেকে ৬৩৭ কোটি ডলারে উন্নীত হয়। তারপর ২০১৮-১৯ অর্থবছরে এসেছিল ৬৫৪ কোটি ডলার।

আরও পড়ুন:
সুদকে আয় হিসেবে দেখাতে পারবে আর্থিক প্রতিষ্ঠানও
নতুন এমডি পেল রাষ্ট্রায়ত্ত ৩ ব্যাংক
কৃষি ব্যাংকের এমডির দায়িত্বে চানু গোপাল
সিটি ব্যাংকের ডিজিটাল ঋণ: ১৯৫৫ বিকাশ গ্রাহক পেলেন ৪০ লাখ টাকা
সিটি ব্যাংকের চমক: ৩১ ঘণ্টায় ঋণ পেলেন ৮৫৭ বিকাশ গ্রাহক

শেয়ার করুন

‘পুঁজিবাজার ও বিমা খাত না এগোলে টেকসই উন্নয়ন কঠিন হবে’

‘পুঁজিবাজার ও বিমা খাত না এগোলে টেকসই উন্নয়ন কঠিন হবে’

বুধবার ডিএসইর নিকুঞ্জের অডিটোরিয়ামে ‘পেপারলেস ডিএসই’ উদ্যোগের উদ্বোধন হয়। ছবি: নিউজবাংলা

ডিএসই চেয়ারম্যান ইউনুসুর রহমান বলেন, ‘নানা উদ্যোগ নেয়া হলেও সাধারণের আস্থা না থাকলে এগোনো কঠিন হবে। কথা ও কাজে মিল থাকলে মানুষ আমাদের বিশ্বাস করবে। এই বিশ্বাস আমাদের অর্জন করতে হবে। আর এর মাধ্যমেই আমরা দেশের পুঁজিবাজারকে ফ্রন্টিয়ার মার্কেট থেকে ইমেজিং মার্কেটের দিকে নিয়ে যেতে পারব।’

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) চেয়ারম্যান ইউনুসুর রহমান বলেছেন, ‘দেশের সার্বিক অর্থনীতিতে উন্নয়নের ধারা অব্যাহত থাকলেও দুটি খাত এখনও অনেক পিছিয়ে আছে। এর একটি পুঁজিবাজার, অন্যটি বিমা খাত। এ দুটি খাত সামনে নিয়ে আসতে না পারলে দেশের টেকসই উন্নয়ন কঠিন হয়ে পড়বে।’

বুধবার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের নিকুঞ্জের নিজস্ব অডিটোরিয়ামে আয়োজিত ‘পেপারলেস ডিএসই’ উদ্যোগের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

ইউনুসুর রহমান বলেন, ‘আশার কথা হচ্ছে, আমরা ডিএসইর পক্ষ থেকে ডিজিটালাইজেশনের মাধ্যমে একটি ভালো অবস্থান তৈরির চেষ্টা করছি। আগামী দু-তিন মাসের মধ্যে অন্যান্য দেশের তুলনায় একটি অত্যাধুনিক প্ল্যাটফর্ম হবে ডিএসই।

‘নানা উদ্যোগ নেয়া হলেও সেখানে সাধারণ মানুষের আস্থা না থাকলে এগিয়ে যাওয়া কঠিন হবে। আমাদের কথা ও কাজে মিল থাকলে মানুষ আমাদের বিশ্বাস করবে। এই বিশ্বাস আমাদের অর্জন করতে হবে। আর এর মাধ্যমেই আমরা দেশের পুঁজিবাজারকে ফ্রন্টিয়ার মার্কেট থেকে ইমেজিং মার্কেটের দিকে নিয়ে যেতে পারব।’

পেপারলেস ডিএসই উদ্যোগের বিষয়ে ডিএসইর ব্যবস্থাপনা পরিচালক তারিক আমিন ভূইয়া বলেন, ‘এর মাধ্যমে ডিএসইতে বিভিন্ন নির্দেশনা ও নথিপত্র সবই এখন হবে ডিজিটালি। ফলে কোনো কর্মকর্তা ছুটিতে বা দেশের বাইরে থাকলেও ডিএসইর জরুরি কাজে কোনো ব্যাঘাত ঘটবে না।’

বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) নির্বাহী পরিচালক সাইফুর রহমান বলেন, ডিএসই যে উদ্যোগ নিয়েছে এটি খুবই ভালো। এর সুফল হয়তো রাতারাতি পাওয়া যাবে না। তবে যেটি শুরু হয়েছে তা ভবিষ্যতে ডিএসইর জন্য সুফল বয়ে আনবে।’

ভার্চুয়াল মাধ্যমের এই আয়োজনে আরও ছিলেন ডিএসইর স্বতন্ত্র পরিচালক সালমা নাসরিন, শাকিল রিজভী, বাংলাদেশ মার্চেন্ট ব্যাংকার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিএমবিএ) সভাপতি ছায়েদুর রহমান ও ডিএসই ব্রোকার্স অ্যাসোসিয়েশন অফ বাংলাদেশের (ডিবিএ) প্রেসিডেন্ট রিচার্ড ডি’ রোজারিও।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের আগে ডিএসই চেয়ারম্যান পুঁজিবাজার নিয়ে কাজ করা সাংবাদিকদের সংগঠন ক্যাপিটাল মার্কেট জার্নালিস্টস ফোরাম (সিএমজেএফ) নতুন কমিটির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।

সাক্ষাতে ডিএসই নেতৃবৃন্দ ছাড়াও সিএমজেএফ সভাপতি জিয়াউর রহমান, সাধারণ সম্পাদক আবু আলী, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক গিয়াস উদ্দিন, অর্থ সম্পাদক নিয়াজ মাহমুদ সোহেল, নির্বাহী কমিটির সদস্য রোকন উদ্দিন মাহমুদ, আলমগীর হোসেন, বাবুল বর্মণ, হুমায়ন কবীর বাবু ও মোস্তাফিজুর রহমান উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন:
সুদকে আয় হিসেবে দেখাতে পারবে আর্থিক প্রতিষ্ঠানও
নতুন এমডি পেল রাষ্ট্রায়ত্ত ৩ ব্যাংক
কৃষি ব্যাংকের এমডির দায়িত্বে চানু গোপাল
সিটি ব্যাংকের ডিজিটাল ঋণ: ১৯৫৫ বিকাশ গ্রাহক পেলেন ৪০ লাখ টাকা
সিটি ব্যাংকের চমক: ৩১ ঘণ্টায় ঋণ পেলেন ৮৫৭ বিকাশ গ্রাহক

শেয়ার করুন

এটিএম বুথ ও মোবাইল ব্যাংকিংয়ে নগদ টাকা বাড়ানোর নির্দেশ

এটিএম বুথ ও মোবাইল ব্যাংকিংয়ে নগদ টাকা বাড়ানোর নির্দেশ

এটিএম বুথ ও মোবাইল ব্যাংকিংয়ে নগদ টাকা বাড়ানোর নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। প্রতীকী ছবি

গ্রাহকদের উপস্থিতি নিরুৎসাহিত করতে প্রযুক্তিনির্ভর সেবা ও লেনদেন বাড়ানোর নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ প্রতিরোধে ব্যাংক ও আর্থিক সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর এটিএম বুথ, মোবাইল ব্যাংকিংয়ের এজেন্টসহ সংশ্লিষ্ট ক্যাশ আউট স্থানগুলোয় পর্যাপ্ত নগদ টাকা রাখার নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

এসব প্রতিষ্ঠানের শাখা ও অফিসে গ্রাহকদের উপস্থিতি নিরুৎসাহিত করতে প্রযুক্তিনির্ভর সেবা ও লেনদেন বাড়ানোর নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পেমেন্ট সিস্টেম বিভাগ থেকে মঙ্গলবার এ-সংক্রান্ত সার্কুলার জারি করা হয়।

সব তফসিলি ব্যাংক, মোবাইল ব্যাংকিং সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান, পেমেন্ট সার্ভিস প্রোভাইডার, পেমেন্ট সিস্টেমস অপারেটরগুলোর প্রধান নির্বাহীদের কাছে সার্কুলারটি পাঠানো হয়েছে।

এতে বলা হয়েছে, করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে সীমিত জনবল নিয়ে কার্যক্রম চলছে। এ জন্য আর্থিক সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলোয় গ্রাহকদের উপস্থিতি কমাতে অনলাইন লেনদেন, এটিএম সেবা, মোবাইলভিত্তিক লেনদেন, ই-ওয়ালেট ও বিভিন্ন কার্ডভিত্তিক লেনদেন বাড়ানোর পদক্ষেপ নিতে হবে। এ বিষয়ে ব্যাংকগুলোকে পরিকল্পনা করে তা বাস্তবায়ন করতে হবে।

ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর যেসব স্থান থেকে নগদ টাকা তোলার সুযোগ আছে, যেমন-এটিএম বুথ, মোবাইল ব্যাংকিং এজেন্ট, এজেন্ট ব্যাংকিংয়ের বুথ, উপশাখা ইত্যাদি স্থানগুলোয় নগদ টাকার সরবরাহ বাড়াতে হবে। গ্রাহকদের সশরীরে উপস্থিতি কমাতে অনলাইনে এসব লেনদেনে উৎসাহিত করতে হবে।

সার্কুলারে আরও বলা হয়, বিশেষ পরিস্থিতিতে সাইবার আক্রমণের আশঙ্কা বৃদ্ধি পায়। তাই ব্যাংক ও সব ধরনের আর্থিক সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানকে সাইবার ঝুঁকি প্রতিরোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে।

ব্যাংক ও সব ধরনের আর্থিক সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানকে কর্মকর্তা-কর্মচারী ও গ্রাহকদের স্বাস্থ্যবিধি সম্পর্কে সচেতন করতে পদক্ষেপ নেয়ার কথাও বলা হয়েছে।

আরও পড়ুন:
সুদকে আয় হিসেবে দেখাতে পারবে আর্থিক প্রতিষ্ঠানও
নতুন এমডি পেল রাষ্ট্রায়ত্ত ৩ ব্যাংক
কৃষি ব্যাংকের এমডির দায়িত্বে চানু গোপাল
সিটি ব্যাংকের ডিজিটাল ঋণ: ১৯৫৫ বিকাশ গ্রাহক পেলেন ৪০ লাখ টাকা
সিটি ব্যাংকের চমক: ৩১ ঘণ্টায় ঋণ পেলেন ৮৫৭ বিকাশ গ্রাহক

শেয়ার করুন

নতুন বেতন কাঠামো বাস্তবায়নে সময় চায় ব্যাংকগুলো

নতুন বেতন কাঠামো বাস্তবায়নে সময় চায় ব্যাংকগুলো

বুধবার গভর্নর ফজলে কবিরের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন বিএবি সভাপতি নজরুল ইসলাম মজুমদার। ছবি: সংগৃহীত

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মুখমাত্র মো. সিরাজুল ইসলাম সাংবাদিকদের জানান, ‘নির্দেশনা কার্যকরে বাড়তি সময়ের দাবি ভেবে দেখা হবে। তবে সার্কুলারের বিষয়ে যেসব অস্পষ্টতা ছিল উভয় পক্ষের আলোচনায় তা পরিষ্কার হয়েছে।’  

ব্যাংকারদের ন্যূনতম বেতন কাঠামো বাস্তবায়নে সময় চেয়েছে ব্যাংক উদ্যোক্তাদের সংগঠন বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকস (বিএবি)।

বুধবার বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ফজলে কবিরের সঙ্গে প্রায় আড়াই ঘণ্টার বৈঠক শেষে বিএবির নেতারা সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।

বিএবি সভাপতি ও এক্সিম ব্যাংকের চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম মজুমদার সাংবাদিকদের বলেন, ‘ব্যাংকের কর্মকর্তাদের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংক চমৎকার একটি সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তবে এখনই এ সিদ্ধান্ত মানা হলে ব্যাংকের অন্য কর্মকর্তাদের মধ্যে অসন্তোষ দেখা দিতে পারে। এসব বিষয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সঙ্গে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে।

‘মার্চ মাস থেকেই বাংলাদেশ ব্যাংকের দেয়া সিদ্ধান্ত মানা ব্যাংকগুলোর জন্য কঠিন। ব্যাংকারদের আর্থ-সামাজিক অবস্থা, ব্যাংকের ভারসাম্য সব বিষয় বিবেচনা করে এসব বাস্তবায়ন করতে চাই। বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছেও আমরা এ আবেদন জানিয়েছি। আশা করছি, আমাদের দাবি মেনে সময় বাড়ানো হবে।’

বাংলাদেশ ব্যাংকও বিষয়টি বিবেচনার আশ্বাস দিয়েছে। বৈঠকের বিষয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মুখমাত্র ও নির্বাহী পরিচালক মো. সিরাজুল ইসলাম সাংবাদিকদের জানান, ‘নির্দেশনা কার্যকরে বাড়তি সময়ের দাবি ভেবে দেখা হবে। তবে সার্কুলারের বিষয়ে যেসব অস্পষ্টতা ছিল উভয় পক্ষের আলোচনায় তা পরিষ্কার হয়েছে।’

এন্ট্রি পর্যায়ের বেতন-ভাতা নির্ধারণ ও পদোন্নতি, চাকরিচ্যুতি বিষয়ে ২০ জানুয়ারি নির্দেশনা জারি করে বাংলাদেশ ব্যাংক। ওই সার্কুলারে বলা হয়, আগামী মার্চ থেকে ব্যাংকের এন্ট্রি পর্যায়ে সর্বনিম্ন বেতন ২৮ হাজার ও শিক্ষানবিসকাল শেষে ৩৯ হাজার টাকা। সেখানে শুধু আমানত সংগ্রহের লক্ষ্য অর্জন করতে না পারায় কাউকে পদোন্নতি বঞ্চিত বা চাকরিচ্যুত করার ওপর নিষেধাজ্ঞা দেয়া হয়।

তবে বাংলাদেশ ব্যাংকের ওই নির্দেশনায় উল্লেখ করা ‘পদোন্নতি ও চাকরিচ্যুতি’ বিষয়ে বিভ্রান্তি দেখা দেয়ায় মঙ্গলবার আবার স্পষ্ট করে বিজ্ঞপ্তি দেয়া হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘অদক্ষতার কারণে ব্যাংক কর্মকর্তা-কর্মচারীদের চাকরিচ্যুত করা যাবে না বা অদক্ষদের পদোন্নতি দিতে হবে- এমন কোনো নির্দেশনা দেয়া হয়নি। চাকরিচ্যুতির ক্ষেত্রে অবশ্যই প্রমাণিত অভিযোগ থাকতে হবে। শুধু আমানত সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করতে না পারা বা কোনো ধরনের প্রমাণিত অভিযোগ ছাড়াই অদক্ষতার অজুহাত দেখিয়ে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পদোন্নতি থেকে বঞ্চিত অথবা চাকরিচ্যুত অথবা পদত্যাগে বাধ্য করা যাবে না।’

এ নির্দেশনা কার্যকর করতে গিয়ে ব্যাংকগুলো চাপে পড়বে বলে ব্যাংক মালিকরা মনে করেন। তাদের এই উদ্বেগের বিষয়টি তুলে ধরতে বুধবার গভর্নর ফজলে কবিরসহ কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে উদ্যোক্তাদের সংগঠন বিএবি এবং ব্যবস্থাপনা পরিচালকদের সংগঠন এবিবি বৈঠক করে। বৈঠকে বিভিন্ন ব্যাংকের চেয়ারম্যান ছাড়াও কয়েকজন এমডি উপস্থিত ছিলেন।

ব্যাংক উদ্যোক্তারা এর আগে মঙ্গলবার ব্যাংকারদের চাকরি শুরুর পর্যায়ে বেতন-ভাতা নির্ধারণ, ঋণ আমানতে সুদ হার বেঁধে দেয়া, ছাটাই-পদোন্নতি, ঋণ পরিশোধ না করেও খেলাপিমুক্ত থাকাসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের জারি করা নির্দেশনা নিয়ে ভার্চুয়াল মাধ্যমে বৈঠক করেন।

সভায় বলা হয়, করোনার মধ্যেও বেশিরভাগ ব্যাংক ভালো কর্মীদের ধরে রাখতে বেতন বৃদ্ধিসহ নানাভাবে উৎসাহিত করছে। ভালো কাজ করা ব্যাংকারদের শুধু অন্য ব্যাংক নয়, অন্য প্রতিষ্ঠানও বেশি বেতন দিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। ফলে ঢালাওভাবে সবাইকে পদোন্নতি দেয়া হলে তাতে এ খাতের অগ্রগতি বাধাগ্রস্ত হবে। এসব বিবেচনায় না নিয়ে চাকরি স্থায়ী করা ও বার্ষিক বেতন বৃদ্ধির জন্য আমানত সংগ্রহের লক্ষ্য অর্জনে শর্ত আরোপ না করার নির্দেশনা আপত্তিকর।

বৈঠকে আরও জানানো হয়, করোনার কারণে ঋণ পরিশোধে ছাড় উঠে যাওয়ার পর ব্যাংকে খেলাপি ঋণ বেড়ে যাবে। এ নিয়ে তারা যখন দুশ্চিন্তায়, তখন বাংলাদেশ ব্যাংক নানাভাবে আন্তর্জাতিক চর্চাবহির্ভূত সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দিচ্ছে। এসব বিষয়ে তারা উদ্বেগও প্রকাশ করেন।

আরও পড়ুন:
সুদকে আয় হিসেবে দেখাতে পারবে আর্থিক প্রতিষ্ঠানও
নতুন এমডি পেল রাষ্ট্রায়ত্ত ৩ ব্যাংক
কৃষি ব্যাংকের এমডির দায়িত্বে চানু গোপাল
সিটি ব্যাংকের ডিজিটাল ঋণ: ১৯৫৫ বিকাশ গ্রাহক পেলেন ৪০ লাখ টাকা
সিটি ব্যাংকের চমক: ৩১ ঘণ্টায় ঋণ পেলেন ৮৫৭ বিকাশ গ্রাহক

শেয়ার করুন